• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

West BEngal

রাজ্য

রাজ্যপালের বাজেট ভাষণে বাধা দেওয়ায় সাসপেন্ড বিজেপি-র দুই বিধায়ক

বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখানোর জের। বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামীকে চলতি বিধানসভা অধিবেশনে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিধানসভার কাজে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এদিনের অধিবেশনে বিধানসভায় শাস্তির প্রস্তাব আনেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সোমবার বিধানসভায় তুলকালাম কাণ্ড ঘটে। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণ পাঠের আগেই বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। কার্যত ভাষণ না পাঠ করেই রাজ্যপাল বিধানসভা ছাড়েন। অভিযোগ, সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামী সেদিন একেবারে সামনে থেকে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এদিন বিধানসভায় সাসপেনশনের প্রস্তাব নিয়ে আসেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সংক্ষিপ্ত অভিযোগ ছিল, ৭ তারিখ অধিবেশন কক্ষে কাজে বিঘ্ন ঘটিয়েছিলেন সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামী। এরপরই স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে দুজনকে সাসপেন্ড করেন।বুধবার অধিবেশনেই স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, নাটাবাড়ি বিধায়ক মিহির গোস্বামী ও পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে এই অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হচ্ছে। ফলে বাজেট অধিবেশনে তাঁরা আর অংশ নিতে পারবেন না। বিধানসভায় বুধবার এই প্রস্তাব আনেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। স্পিকার তা গ্রহণ করার পর তা ধ্বনিভোটে পাশ হয়। পার্থ বলেন,ওইদিন বিজেপি বিধায়করা অসংসদীয় আচরণ করেছেন। তাই তাঁদের সাসপেনশনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত, ৭ তারিখে বাজেট বক্তৃতা করতে বিধানসভায় আসেন রাজ্যপাল। পুরভোটে শাসকদলের সন্ত্রাসের অভিযোগে তাঁর বক্তৃতা শুরুর আগে থেকেই বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। একসময় বাজেট বক্তৃতা না করেই ফিরে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল। এই ঘটনায় পাল্টা বিক্ষোভ শুরু করেন তৃণমূল বিধায়করা। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালের কাছে বাজেট ভাষণের রীতিটুকু পালনের অনুরোধ জানান। দুপক্ষের হাঙ্গামার পর প্রায় এক ঘণ্টা পর রাজ্যপাল বাজেট ভাষণ সংক্ষিপ্ত ভাবেই শেষ করে রাজভবন চলে যান। তারপর থেকে পরস্পরের বিরুদ্ধে অধিবেশন পন্ড করার অভিযোগ করেছে তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষই।

মার্চ ০৯, ২০২২
রাজ্য

BIG BREAKING: সোমবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বনধের ডাক বিজেপির, নির্বাচন কমিশনারকে গ্রেফতারের দাবি

আগামিকাল, সোমবার ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। পুরভোটে অশান্তি, ব্যাপক ভোট লুট-ছাপ্পার প্রতিবাদে বঙ্গ বিজেপি এই বনধের ডাক দিয়েছে। রাজ্যের এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ইনভেলিড বলে দাবি করেছে বিজেপি। পুরভাগুলিতে নির্বাচন না করে প্রশাসক বসানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। নির্বাচন কমিশনকে পুরভোট বাতিল করতে হবে বলে দাবি করেছে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। নতুন করে নির্বাচন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি, রাজ্য নির্বাচন কমিশন সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের জন্যই এদিন রাজ্য রক্তপাত, অশান্তি, গন্ডগোল হয়েছে বলে বিজেপি সাংসদের দাবি।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালকে সমর্থন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা চলে ক্লাবের জেনারেল মিটিংয়ের মতোন

বাংলার ইতিহাসে যা কোনওদিন হয়নি সেটাই এবার করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সাংবিধানিক পদাধিকার প্রয়োগ করে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থগিত করে দিয়েছেন এই রাজ্যের বিধানসভার অধিবেশন। এর আগে এতবড় সিদ্ধান্ত বাংলার কোনও রাজ্যপাল নেননি। শাসক দলের মন্ত্রী ও বিধায়করা প্রতিবাদে সোচ্চার হলেও রাজ্যপাল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় যথেষ্টই খুশি। আর এটা যে নিছক কথার কথা নয় তা রবিবার বর্ধমানে এসে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রের মন্ত্রী সুভাষ সরকার। যা নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেন নি তৃণমূল নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার এদিন রাজ্যপালের পক্ষ নিয়ে বলেন, বিধানসভার অধিবেশন বন্ধ রাখা নিয়ে রাজ্যপাল যা করেছেন সেটা সংবিধান মোতাবেকই করেছেন। একই সঙ্গে সুভাষ সরকার অভিযোগ করেন, বিধানসভার অধিবেশনের যে পদ্ধতি রয়েছে সেই রকম ভাবে অধিবেশন আজকাল এই রাজ্যে হয় না। একটা ক্লাবের জেনারেল মিটিং যেমন হয় সেই রকম ভাবে বিধানসভা চলে। এটাতো কাম্য নয়। বিধানসভায় প্রশ্ন, উত্তর এইসবের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এর কোনটাই হয় না।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অলোক মাঝি বলেন, রাজ্যপাল যা কিছু করছেন তার সবটাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই করছেন। বিধানসভা ভোটে বিজেপির পরাজয়ে হয়তো রাজ্যপালও দুঃখ পেয়েছেন।তাই রাজ্যপাল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষের ভোটে নির্বাচিত রাজ্য সরকার কে যতটা সম্ভব বিপাকে ফেলে বিজেপি নেতাদের খুশি করতে চাইছেন। তবে এইসব করে উনি বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের সাময়িক খুশি করে পারলেও দীর্ঘস্থায়ী ভাবে পারবেন না। আগামী দিনে বংলার মানুষ এইসব ষড়যন্ত্রের জবাবও বিজেপিকে দিয়ে দেবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
শিক্ষা

BIG BREAKING: অবশেষে রাজ্যে খুলছে স্কুল, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অবশেষে রাজ্যে স্কুল খুলছে। ৩ ফেব্রুয়ারি অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠন-পাঠন শুরু হবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পাড়ায় শিক্ষালয়ে ক্লাস হবে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে স্কুল খোলার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩রা ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে স্কুল ,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে। আপাতত অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল পড়াশুনা চলবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়ে পঠন-পাঠন শুরু হবে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক স্কুল খোলার বিষয়টি রাজ্য সরকারের বিবেচনায় নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় সরস্বতী পুজোয় পড়ুয়ারা হাজার থাকতে পারবেন।করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ২ বছর ধরে রাজ্যের সমস্ত বন্ধ স্কুল, কলেজসহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনেক ক্ষেত্রে পঠনপাঠন চলছে অনলাইনে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পড়াশুনা বন্ধ রয়েছে। লাটে উঠেছে পড়াশুনা। গত নভেম্বর মাসে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য স্কুল খুললেও করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য ফের বন্ধ করতে হয়। করোনা সংক্রমিতের সংখ্যাও কমছে রাজ্যে। শিথিল হয়েছে করোনা বিধি। এই ঘোষণায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন তাঁদের আন্দোলনের জয় বলে দেখছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
রাজ্য

সাধারণতন্ত্রদিবস উপলক্ষে বিএসএফ এর ভিডিও বিভ্রান্তি

সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বিএসএফ (BSF) এর ভিডিও বার্তা নিয়ে তোলপাড় বাংলা। বিএসএফ-র সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অফিসিয়াল ভিডিওতে নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) বলে একটি রাজ্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সম্প্রতি সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাংলা ভাষা রক্ষা-র দাবিতে জোরালো আন্দোলন চলছে। সেই আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন বাংলাপক্ষ বিএসএফ-র ভিডিও নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলে, তাহলে বিএসএফ কি বাংলা ভাগ করতে চায়? তাঁরা বলেন, সে ভিডিওতে নানা ভাষা ব্যবহৃত হলেও কেউ বাংলা ভাষায় কথা বলেনি। অথচ বাংলার বর্ডার বিএসএফের সবচেয়ে বড় এলাকা। সেই কারণে বাংলা পক্ষ-র তরফ থেকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহকে চিঠি দিয়েছে বলে কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান। এবং তাঁরা এবিষয়ে সামাজিক মাধ্যম টুইটার-এ প্রচার-ও চালাচ্ছেন হ্যাসট্যাগ- #AntiBengalBSFvideoতাদের সমবেত প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠতে বাধ্য হল বিএসএফ, চাপে পড়ে বিএসএফ কতৃপক্খ পুনরায় বাংলা সহ নতুন তিনটে ভাষায় সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানালো। এবং শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্য আলাদা আরও একটা ভিডিও বের করেছে। এটা তাঁদের নৈতিক জয় বলে মনে করছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি আরও জানান সেই ভিডিও-তে রাজ্যের নাম নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) মুছে দিয়ে, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ-ই (West Bengal) লিখেছে বিএসএফ। তিনি বলেন বিএসএফ চরম প্রতিবাদের সন্মুখে পিছু হঠে ভুল স্বীকার করে নিয়েছে, কারণ বাঙালি জেগে গিয়েছে। বাংলা পক্ষ দাবী তোলে, বিএসএফ কেন বারবার বাংলা ও বাঙালি ইস্যুতে বিতর্কে জড়াচ্ছে? এই ভিডিও বানানোর দায়িত্বে কে ছিল? তাঁকে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করা হোক। শুধু মাত্র বহুল শুধরে নিলেই শেষ হ্যনা। এর পিছনে কোনও চক্রান্ত আছে কিনা তা খূজে বার করা হোক। বাংলা ভাগের গুরুতর বিষয়কে ইন্ধন দেওয়া বাঙালি কখনই ভালো ভাবে নেবে না। ভবিষ্যতে এমন হলে সমস্ত বাঙালি রাস্তায় নেমে লড়াই করবে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে খরচ কমল আরটিপিসিআর টেস্টের

একধাক্কায় অনেকটাই কমানো হল করোনা পরীক্ষার খরচ। রাজ্যে প্রায় অর্ধেক করা হল আরটি-পিসিআর টেস্টের খরচ। এতদিন পর্যন্ত আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে খরচ হত ৯৫০ টাকা। এবার সেই খরচ কমিয়ে করা হল ৫০০ টাকা। বৃহস্পতিবারই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নির্দেশিকা দিয়ে খরচ কমানোর কথা জানানো হয়েছে। এ দিন থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নির্দেশিকা।করোনার উপসর্গ সাধারণ মানুষের কাছে মোটামুটি পরিচিত হয়ে যাওয়ায় সম্প্রতি দেখা গিয়েছে পরীক্ষা করাতে আগ্রহী নন অনেকেই। পাশাপাশি, খরচ একটা বড় সমস্যা অনেকের কাছেই। সম্ভবত সেই বিষয়টা মাথায় রেখেই খরচ কমানর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।এ দিকে, সারা দেশে করোনার ভ্যাকসিনের দামও কমানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিনের প্রতি ডোজের দাম কমতে পারে অনেকটাই। প্রতি ডোজ়ের দাম ২৭৫ টাকা করা হতে পারে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত পরিষেবা চার্জ সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা হতে পারে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার এই দুই ভ্যাকসিনের জন্য এই দাম কমানোর বিষয়টি ভারতের ওষুধ নিয়ামক সংস্থার কাছে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

পকেটে ড্রাইভিং লাইন্সেন্স না থাকলে ৫,০০০ টাকা ফাইন, ভুল করলেই হাজার হাজার টাকা জরিমানা

২০১৯ এ কেন্দ্রীয় সরকার যে মোটর ভিকেল আইন সারা দেশে লাগু করেছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার সাধারণ মানুষের ঘাড়ে করের বোঝা লঘু করার জন্য সে নিয়ম তখন এরাজ্যে চালু করেনি। অবশ্যই শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় জনমানসে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করেছিলেন বলে সাধারণ মানুষের ধারনা। অবশেষে রাজ্যে চালু হতে চলেছে সেই সংশোধিত আইন। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলেই এবার মোটা টাকা জরিমানা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। রাজ্যে বুধবার থেকেই এই নয়া ট্রাফিক আইন কার্যকর করা হয়েছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে আগের ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হত, এখন থেকে সেটা বাড়িয়ে ৫,০০০ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে,এখন বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালালে ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে, যা আগে ছিল মাত্র ৪০০ টাকা। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য পরিবহণ দফতর একথা জানিয়েছে। গতকাল থেকে রাজ্য জুড়ে রাস্তায় রাস্তায় শুরু হয়ে গিয়েছে ধরপাকড়। বিভিন্ন জেলাগুলিতেও ট্রাফিক আইন অবমাননাকারীদের মোটা টাকা জরিমানা ধার্য করা শুরু করেছে পুলিশ।পূর্ববর্তী জরিমানার থেকে বহুলাংশে বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের ঘাড়ে বিশাল ফাইনের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সাধরণ মানুষজন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমোদিত (BIS) হেলমেট ছাড়া রাস্তায় বেড়োলেই এবার বাইক আরোহিককে ১০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। আগে সেই জরিমানার পরিমান ছিল মাত্র ১০০ টাকা, যা প্রায় ১০গুন বেড়েছে। এর আগে হেলমেটে বিহীন বাইক যাত্রীকেও (পিছনে থাকা আরোহীকে) ১০০ টাকা জরিমানা দিতে হতো। এবার থেকে সেই জরিমানা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ হাজার টাকা।দুই চাকার পাশাপাশি চার চাকার গাড়িরতেও এবার নতুন নিয়ম কার্যকর করা হবে। আগে চারচাকার গাড়ি চলমান অবস্থায় সিট বেল্ট না পরলে ১০০ টাকা জরিমানা দিতে হতো। সেটা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৫০০ টাকা, মানে পাচগুন বেড়েছে। এছাড়া বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য নতুন নিয়ম অনেক কড়াকড়ি করা হয়েছে যাতে শহরে দুর্ঘটনা অনেক নিয়ন্ত্রনে থাকে। বিভিন্ন রাস্তার যে নির্দিষ্ট গতি থাকে তার থেকে বেশী গতিতে গাড়ি চালালে আগে জরিমানা দিতে হতো ১০০ টাকা, এখন সেটা বেড়ে হয়েছে ৫০০০ টাকা, অর্থাৎ ৫০ গুন বাড়ানো হয়েছে।এছাড়াও গাড়িতে যদি প্রয়োজনীয় নথি না থাকে এখন থেকে আপনাকে ২০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। পুর্বে এই জরিমানার পরিমাণ ছিল ৪০০ টাকা। চার চাকা গাড়ির প্রয়োজনীয় পারমিট না থাকলে ১০,০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে, সাইলেন্ট জোন অঞ্চলে হর্ণ বাজালে ৪০০০টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। এইরকম মোট ২৬টি মোটর আইনে পরিবর্তন করা হয়েছে। মোটর ভিকেল-র এক আধিকারিক জানান, নতুন নির্দেশিকাটি কার্যকর হলে সমস্ত জাইগায় গাড়ি দুর্ঘটনার সংখ্যা কমবে। সমস্ত ট্রাফিক পুলিশ কর্মী এবং মোটর ভিকেল দপ্তরের পরিদর্শকরা এই জরিমানা আদায় করতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, একদিকে যেমন এই বৃদ্ধির জন্য সরকারি কোষাগারে রাজস্ব ভরবে, অন্যদিকে জনগণ এই নিয়ম সঠিক ভাবে মেনে চললে দূর্ঘটনা অনেক কমে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের বাড়লো করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, জলপাইগুড়িতে বৃদ্ধি মৃত্যু

টানা নেমে যাওয়ার পর রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৬৯জন। গতকালের তুলনায় করোনা সংক্রিমেতর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় পাঁচশো। গতকাল আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪,৪৯৪ জন। এদিন রাজ্যে মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৭,৮৬২ জনের। পজিটিভিটি রেটও প্রায় একই রয়েছে। গতকাল পজিটিভিটি রেট ছিল ৭.১২ শতাংশ। এদিন রেট ৭.৩২ শতাংশ।তবে এদিনও করোনা সংক্রমিত হয়ে মৃতের সংখ্যা টানা তিরিশের ঘরেই রয়ে গিয়েছে। এদিন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। মৃত্যু হার ১.০৩ শতাংশ।এদিন মোট সুস্থ হয়েছেন ১৭,৭৩৪ জন। জলপাইগুড়িতে ৭ ও উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ জনের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। কলকাতায় মৃত্যুর সংখ্যা ৬। রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ২০,৪৪৫। কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫৪ জন। আক্রান্তের সংখ্যায় কলকাতাকে টপকে গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯৭ জন।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬৫৪উত্তর ২৪ পরগনা ৬৯৭দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪০৯হাওড়া ১৪৫পশ্চিম বর্ধমান ১৭৬পূর্ব বর্ধমান ২০৭হুগলি ২১৯বীরভূম ৩১৯নদিয়া ২৯৬মালদা ২৩৪মুর্শিদাবাদ ১২৫পশ্চিম মেদিনীপুর ১৭১পূর্ব মেদিনীপুর ৮৪পুরুলিয়া ৭২দার্জিলিং ১২৪বাঁকুড়া ২৯১জলপাইগুড়ি ১৭০উত্তর দিনাজপুর ৯৩দক্ষিণ দিনাজপুর ১২৭ঝাড়গ্রাম ৫৮ কোচবিহার ১৪৬আলিপুরদুয়ার ১১০কালিম্পং ৪২

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজারের নীচে, চিন্তায় রাখলো মৃত্যু

ফের রাজ্যে অনেকটা কমে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৫৪৬ জন। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা গতকালের থেকে অনেকটা কমেছে। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১,৪২১ জনের। এদিন মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৩,২১৪ জনের। ফের কমেছে পজিটিভিটি রেটও। তবে এদিনও করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এদিকে ক্রমশ রাজ্যে পজিটিভিটি রেট কমেছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ৮.৮৪, গতকাল ছিল ৯.৫৩ শতাংশ। কয়েকদিন আগেই পজিটিভিটি রেট ছিল ৩০ শতাংশের ওপর।করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্য়াপক হারে কমছে, কমছে পজিটিভিটি রেটও কিন্তু করোনা সংক্রিমত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০-এর ঘরেই আছে। এদিন রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের, গতকাল ছিল ৩৬ জন। শনিবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃ্ত্যু হয়েছিল ৩৭ জনের। উত্তর ২৪ পরগনায় এদিন সর্বাধিক ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। কলকাতায় এদিন মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গিয়েছে ৫শোর নীচে। সোমবার কলকাতায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৬ জন। গতকাল ছিল ৯৭৩।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৯৭৩উত্তর ২৪ পরগনা ৬৭৮দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৭৮হাওড়া ১৭২পশ্চিম বর্ধমান ১৩৪পূর্ব বর্ধমান ১৫৩হুগলি ২৮০বীরভূম ৩০০নদিয়া ২৫০মালদা ৯১মুর্শিদাবাদ ১১৮পশ্চিম মেদিনীপুর ১৯৮পূর্ব মেদিনীপুর ৪৮পুরুলিয়া ৭০দার্জিলিং ২৪১বাঁকুড়া ১৭৫জলপাইগুড়ি ২৯৫উত্তর দিনাজপুর ৯৪দক্ষিণ দিনাজপুর ১৫৬ঝাড়গ্রাম ৫২কোচবিহার ১৬৯আলিপুরদুয়ার ৯৬কালিম্পং ২

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজনীতি

ব্রেকিংঃ বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত, গুঞ্জন বাড়ল

শেষমেশ রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষ নেতাকে সাময়িক বরখাস্ত করল দল। এর আগে রীতেশ তেওয়ারি ও জয়প্রকাশ মজুমদারকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের প্রশ্নে শোকজ করেছিল দল। এবার সাময়িক বরখাস্ত করল বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সোমবার রাজ্য বিজেপির কার্যালয় সম্পাদক প্রণয় রায় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের দল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে।রাজ্য বিজেপির নতুন কমিটিতে শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকেই জায়গা পায়নি। এদিকে দলের মতুয়া নেতাদের অভিযোগ, তাঁদের প্রতিনিধিদেরও ব্রাত্য রেখেছে রাজ্য বিজেপি। মূলত দলের বিক্ষুব্ধ অংশ ও মতুয়া প্রতিনিধিরা এক হয়ে নানান জায়গায় বৈঠক করছেন। এমনকী পিকনিকও চলছে দুই তরফের উপস্থিতিতে। তাঁদের বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা মতুয়া সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুর রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি তোপ দেগেছেন। গতকালও রীতেশ তেওয়ারী ও জয়প্রকাশ মজুমদারের পাশেই দাঁড়িয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। তবে শুধু এই দুজন নয়, বঙ্গ বিজেপির বহু শীর্ষ নেতাই বৈঠকগুলিতে হাজির থেকেছেন। এবার সাময়িক বরখাস্ত করার পর আর কারও ওপর এই খাড়া পড়ে কিনা সেটাই এখন মূল চর্চা রাজনৈতিক মহলে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে একধাক্কায় অনেকটাই কমেছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, চিন্তা বাড়িয়েছে মৃত্যু

এক ধাক্কায় রাজ্যে অনেকটা কমে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকালের থেকে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা কমেছে ২,২১১জন। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা গতকালের থেকে অনেকটা কমেছে। গত ২৪ ঘন্টায় ফের কমেছে পজিটিভিটি রেটও। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট চিকিৎসকদের স্বস্তি দিলেও ফের উদ্বেগেই রাখলো মৃত্যুর সংখ্যা।গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় করোনায় সংক্রমিত হয়েছে ৬,৯৮০ জন। গতকাল ছিল ৯,১৫৪। এদিন মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৩,২১৪ জনের। গতকাল পরীক্ষা করা হয়েছিল ৮২,৫৬৪ জনের। এদিন পজিটিভিটি রেট কমে হয়েছে ৯.৫৩, যা গতকাল ছিল ১২.৫৮ শতাংশ।করোনা আক্রান্তের সঙ্গে পজিটিভি রেট কমলেও চিন্তায় রেখেছে মৃত্যুর সংখ্যা। এদিনও করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের। গতকাল মৃ্ত্যু হয়েছিল ৩৭ জনের। শুক্রবার সংখ্যাটা ছিল ৩৫। টানা আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস-বৃ্দ্ধি ঘটলেও এদিন অনেকটা কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু তিরিশের ঘরেই থেকে যাচ্ছে। এদিন সর্বাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়, ১০ জন। হাওড়ায় ৬ জন ও উত্তর ২৪ পরগনায় ৫ জনের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০,৪১৮। অনেক দিন পর কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের নীচে নেমেছে। এদিন কলকাতায় ৯৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গতকালের থেকে ৫১৬ জন কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল ছিল ১,৪৮৯। উত্তর ২৪ পরগনাতেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৯৬০।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৯৭৩উত্তর ২৪ পরগনা ৯৬০দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪৮৪হাওড়া ২২১পশ্চিম বর্ধমান ২৫৮পূর্ব বর্ধমান ৩৯৯হুগলি ২৩৫বীরভূম ৪৪৯নদিয়া ৩৪০মালদা ৩১৩মুর্শিদাবাদ ২৬২পশ্চিম মেদিনীপুর ১৪৬পূর্ব মেদিনীপুর ১০৭পুরুলিয়া ১৪৫দার্জিলিং ৪৩৩বাঁকুড়া ১৬৭জলপাইগুড়ি ২২০উত্তর দিনাজপুর ১৬০দক্ষিণ দিনাজপুর ১৪২ঝাড়গ্রাম ৬৭কোচবিহার ১৯৩আলিপুরদুয়ার ১৬০কালিম্পং ১৪৬

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

পজিটিভিটি রেট কমলেও রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে

রাজ্যে পরীক্ষা বাড়লেও কমেছে পজিটিভিটি রেট। এদিনও করোনা সংক্রমণ ছিল ১০ হাজারের নীচে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রিমতের সংখ্যা ৯,১৯১, গতকাল ছিল ৯,১৫৪। এদিন রাজ্যে গতকালের থেকে ১০ হাজার বেশি টেস্ট করা হয়েছে। গতকাল পরীক্ষা করা হয়েছিস ৭২,৭৩৮ জনের, এদিন করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৮২,৫৬৪ জনের। এদিন পজিটিভিটি রেট ১১.১৩, যা গতকাল ছিল ১২.৫৮ শতাংশ।পজিটিভি রেট কমলেও ফের এদিন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭। গত কাল সংখ্যাটা ছিল ৩৫। আক্রান্তের সংখ্যাও দুদিন ধরে ১০ হাজারের নীচে রয়েছে। কিন্তু মৃত্যুর সংখ্যা কমছে না। এদিন হাওড়ায় ৭ ও কলকাতায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় ৬ জনের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,৩০২। একদিনে রাজ্যে মোট সুস্থ হয়েছে ২০,৩১৩জন। কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা গতকালের থেকে সামান্য বেড়ে হয়েছে ১,৪৮৯, গতকাল ছিল ১,৩৭৫ ও জন উত্তর ২৪পরগনায় ১,৩৬০।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৪৮৯উত্তর ২৪ পরগনা ১,৩৬০দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৭৩১হাওড়া ৩৪১পশ্চিম বর্ধমান ১৮০পূর্ব বর্ধমান ৪৬৩হুগলি ৩৩৩বীরভূম ৫১৮নদিয়া ৩৯২মালদা ৪৫৫মুর্শিদাবাদ ১৬৬পশ্চিম মেদিনীপুর ২২১পূর্ব মেদিনীপুর ১১২পুরুলিয়া ১৫৮দার্জিলিং ৮১৫বাঁকুড়া ১৯৫জলপাইগুড়ি ৩৩০উত্তর দিনাজপুর ২০৫দক্ষিণ দিনাজপুর ২২০ঝাড়গ্রাম ৮১কোচবিহার ২২১আলিপুরদুয়ার ১৩১কালিম্পং ৭৪

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে করোনায় ফের কমলো আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে হাওড়ায় মত্যু সর্বাধিক

ফের ১০ হাজারের নীচে করোনা সংক্রমণ। ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯,১৫৪। গত দুদিন সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের ওপর। এদিন ৭২,৭৩৮ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। টেস্টের সংখ্যাও বেড়েছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ১২.৫৮ শতাংশ। রাজ্য় স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের৷ গতকাল ছিল ৩৭ জন। গত বেশ কয়েক দিন ধরেই ৩০ ওপর রয়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। এদিকে এদিন হাওড়ায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। তবে গত ২৪ ঘন্টায় হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৪৪। সাম্প্রতিক কালে এই জেলায় সর্বোচ্চ।রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০,২৬৫। একদিনে কলকাতায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১,৩৭৫ ও ১,৩১৭ জন উত্তর ২৪পরগনায়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ২৫৪ জন। একদিনে দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৭০৩ জনের।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৩৭৫উত্তর ২৪ পরগনা ১,৩১৭দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৬০৫হাওড়া ৩৪৪পশ্চিম বর্ধমান ৩৪৫পূর্ব বর্ধমান ৪২১হুগলি ৩৪১বীরভূম ৭৫০নদিয়া ৪১৪মালদা ৩৪৯মুর্শিদাবাদ ৩৩২পশ্চিম মেদিনীপুর ১৭১পূর্ব মেদিনীপুর ১৩৫পুরুলিয়া ১৭৪দার্জিলিং ৫০৪বাঁকুড়া ২৯১জলপাইগুড়ি ৩১০উত্তর দিনাজপুর ২৭৯দক্ষিণ দিনাজপুর ১৯৫ঝাড়গ্রাম ৮৯কোচবিহার ১৯৮আলিপুরদুয়ার ১৫৭কালিম্পং ৫৮

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের ১০ হাজার পার করোনা আক্রান্ত, ডায়মন্ডহারবারের পজিটিভিটি রেট ১.০৯ শতাংশ

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ফের কিছুটা বাড়ল। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ১০,৪৩০। গতকাল এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, ৯,৩৮৫। রবিবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪,৯৩৮। শনিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৯,০৬৪ জন, শুক্রবার ছিল ২২,৬৪৫। তবে এদিন ৫৩,৮২৪ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী পজিটিভিটি রেটও অনেকটা কমেছে, ১৯.৩৮ শতাংশ। গতকাল সোমবার ছিল ২৬.৪৩ শতাংশ। রবিবার পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩ শতাংশ, শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ, শুক্রবার ৩১.১৫ শতাংশ। মোদ্দা কথা টানা কমছে পজিটিভিটি রেট। তবে ডায়মন্ডহারবারের পজিটিভিটি মাত্র রেট ১.০৯ শতাংশ। এদিন মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৩৪, গতকাল ছিল ৩৩।এদিন কলকাতায় কিছুটা বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৮৭৯। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা ২,২০৫। পাশের জেলা উত্তর ২৪ পরগানায় কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ফের কমেছে। এদিন ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৭৬১, গতকাল ছিল ১,৮৬৩। মোট সুস্থতার সংখ্যাও অনেকটা বেড়েছে ১৩,৩০৮। গতকাল ছিল ১১,০৩৪।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ২,২০৫উত্তর ২৪ পরগনা ১,৭৬১দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৮৮৫হাওড়া ৪৩৮পশ্চিম বর্ধমান ৩৮৬পূর্ব বর্ধমান ৩৯৫হুগলি ৪৫৪বীরভূম ২৯১নদিয়া ২২৭মালদা ৬০৯মুর্শিদাবাদ ২০২পশ্চিম মেদিনীপুর ২৮২পূর্ব মেদিনীপুর ১৭৬পুরুলিয়া ৭৭দার্জিলিং ৪০৩বাঁকুড়া ২২১জলপাইগুড়ি ২৩৫উত্তর দিনাজপুর ৪৩৫দক্ষিণ দিনাজপুর ১৮৬ঝাড়গ্রাম ২৭৫কোচবিহার ১৪১আলিপুরদুয়ার ১১৫কালিম্পং ৩১

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গেল ১০ হাজারের নীচে, চিন্তায় রেখেছে পজিটিভিটি রেট

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯,৩৮৫। রবিবারের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪,৯৩৮। শনিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ১৯,০৬৪ জন, শুক্রবার ছিল ২২,৬৪৫। তবে এদিন ৩৫,৫১৫ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর আগে গড়ে পরীক্ষা হচ্ছিল ৬০ হাজারের ওপর। পজিটিভিটি রেটও অনেকটা কমেছে, ২৬.৪৩ শতাংশ। পজিটিভিটি রেটও ক্রমশ কমছে। গতকাল, রবিবার পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩ শতাংশ। শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ, শুক্রবার ৩১.১৫ শতাংশ। তবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক কমে গেলেও এদিন মৃত্যুর সংখ্যা সামান্য কমেছে, ৩৩। গতকাল ছিল ৩৬।সোমবারের রিপোর্ট অনুযায়ী কলকাতায় অনেকটাই কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল কলকাতায় ৩,৮৯৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৭৯। উত্তর ২৪ পরগানাতেও কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। এদিন ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৮৬৩। এদিন মোট সুস্থ হয়েছে ১১,০৩৪।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ১,৮৭৯উত্তর ২৪ পরগনা ১,৮৬৩দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৪০৩হাওড়া ৪৭৯পশ্চিম বর্ধমান ৩৬৯পূর্ব বর্ধমান ৪৭৩হুগলি ৫৫২বীরভূম ৫৬৪নদিয়া ৪৭০মালদা ৩৩০মুর্শিদাবাদ ২৪২পশ্চিম মেদিনীপুর ২২৫পূর্ব মেদিনীপুর ৯৫পুরুলিয়া ১৫৭দার্জিলিং ১৭৩বাঁকুড়া ২২০জলপাইগুড়ি ৭৬উত্তর দিনাজপুর ২৯০দক্ষিণ দিনাজপুর ২০৩ঝাড়গ্রাম ১০১কোচবিহার ১৪৫আলিপুরদুয়ার ৬৩কালিম্পং ১৩

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলায় করোনা গ্রাফের দ্রুত পতন, কমেছে পজিটিভিট রেট

এর আগে রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত দুদিনে দ্রুত পতন ঘটছে করোনা গ্রাফের। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৯৩৮। গতকালের তুলনায় কমেছে ৪,১২৬।গত কয়েক দিন টানা রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। শুক্রবার থেকে রাজ্যে করোনাগ্রাফ নামতে শুরু করেছে। শুক্রবার করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া ছিল ২২,৬৪৫, শনিবার ছিল ১৯,০৬৪ জন, আজ রবিবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪,৯৩৮-তে। মৃতের সংখ্যা সামান্য কমেছে। গতকাল মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৮, এদিন ছিল ৩৬। টানা তিন দিন কমল পজিটিভিটি রেটও। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ২৭.৭৩। গতকাল শনিবার ছিল ২৯.৫২ শতাংশ। শুক্রবার পজিটিভিট রেট ছিল ৩১.১৫ শতাংশ। এদিন করোনামুক্ত হয়েছেন ৯,৯৩৭জন। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনাসহ একাধিক জেলায় কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৩,৮৯৩উত্তর ২৪ পরগনা ২,৫৬৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,০২৯হাওড়া ৬৮৪পশ্চিম বর্ধমান ৬৩৫পূর্ব বর্ধমান ৫৯৬হুগলি ৭৪৫বীরভূম ৭৭৬নদিয়া ৫৩৬মালদা ৫৮৬মুর্শিদাবাদ ২০৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৩৪৭পূর্ব মেদিনীপুর ১৩৬পুরুলিয়া ১৫৫দার্জিলিং ৫৯৭বাঁকুড়া ২৭১জলপাইগুড়ি ৩০৭উত্তর দিনাজপুর ২২১দক্ষিণ দিনাজপুর ১৮২ঝাড়গ্রাম ১৪৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ১২২কালিম্পং ৭৪

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, তবে বেড়েছে মৃত্যু

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। টানা তিন দিন রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। গতকাল, শুক্রবার কিছুটা কমেছিল। শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯,০৬৪ জন। শুক্রবার সেই সংখ্য়া ছিল ২২,৬৪৫। গতকালের তুলনায় কমেছে সাড়ে তিন হাজারের বেশি। বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের গন্ডি কিছুতেই কমছিল না। এদিন কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে রাজ্য় স্বাস্থ্য় দফতর। তবে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ফের এদিনও পজিটিভিটি রেট কমেছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ২৯.৫২ শতাংশ। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩১.১৫ শতাংশ।তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় এদিন মৃতের সংখ্যা বেড়েছে অনেকটাই। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৮। রাজ্য়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,০৫২। পাশাপাশি এদিন সুস্থ হয়েছে ৯,১৩২ জন।কয়েক দিন আগে করোনা আবহে রাজ্যে ভোট বন্ধ হওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিও একাধিকবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পুরভোট বন্ধ করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতের রাজ্য সরকারের সম্মতিতে পুরভোট তিন সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশিন। এই ভোট পিছিয়ে দেওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছে রাজ্যের চিকিৎসকরা।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৪,৮৩১উত্তর ২৪ পরগনা ৩,৪৯৬দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,২৮২হাওড়া ১,০০৩পশ্চিম বর্ধমান ৮৫৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৩হুগলি ১,০৭২বীরভূম ৮০০নদিয়া ৭৩৯মালদা ৭৫৩মুর্শিদাবাদ ৪৪৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৫৮পূর্ব মেদিনীপুর ২১৫পুরুলিয়া ১৯৮দার্জিলিং ৪৭৬বাঁকুড়া ৩৬৯জলপাইগুড়ি ৩১৯উত্তর দিনাজপুর ২৭৪দক্ষিণ দিনাজপুর ২৪৫ঝাড়গ্রাম ১৯০কোচবিহার ১৩৭আলিপুরদুয়ার ৯৮কালিম্পং ৪৩

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে সামান্য কমলো করোনা সংক্রমণ, বেড়েছে মৃত্যু

রাজ্যে টানা তিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত ২৪ ঘন্টায় সামান্য কমেছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী এদিন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ২২,৬৪৫। গতকাল এই সংখ্য়া ছিল ২৩,৪৬৭। তবে কিছুতেই ২০ হাজারের গন্ডি কমছে না। এদিন পজিটিভিটি রেটও সামান্য় কমেছে। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩২.১৩, এদিন ৩১,১৫ শতাংশ। তবে এদিন ফের বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৬। রাজ্য়ে মোট করোনায় মৃত্য়ু হয়েছে ২০,০১৩ জনের।করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বাংলা তোলপাড়। সংক্রমণের সংখ্য়া সেভাবে কমছে না, পাশাপাশি পজিটিভিটি রেটও প্রায় এক তৃতীয়াংশ। স্বভাবতই চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে গঙ্গাসাগর মেলায় মানুষের থিকথিকে ভিড়। এরপর পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়ছে চিকিতসক মহল। এদিকে রাজ্যের চার পুরসভার ভোট বন্ধ মামলার সিদ্ধান্তও ঝুলে গিয়েছে। দোকান-পাট, রাস্তায় এখনও বহু মানুষের মুখে মাস্ক নেই। নতুবা থুতনিতে মাস্ক ঝুলছে। মোদ্দা কথা আগামিতে করোনা সংক্রমণের হাল কী দাঁড়াবে এসব ভেবেই আতঙ্ক তাড়া করছে। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৮,৬৮৭ জন। গতকাল সংখ্য়াটা ছিল ৮,১৩৯। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও অল্প বেড়েছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৮৬৭উত্তর ২৪ পরগনা ৪,০১৮দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৫৩৩হাওড়া ১,২২৩পশ্চিম বর্ধমান ৯৩৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৭হুগলি ১,৩৯৪বীরভূম ৯৮৪নদিয়া ৮১৬মালদা ৬৪৮মুর্শিদাবাদ ৩৯০পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৭৯পূর্ব মেদিনীপুর ২৪৬পুরুলিয়া ২২৬দার্জিলিং ৫৯৬বাঁকুড়া ৩৬৫জলপাইগুড়ি ২১৬উত্তর দিনাজপুর ২২১দক্ষিণ দিনাজপুর ২০২ঝাড়গ্রাম ২০১কোচবিহার ১২৪আলিপুরদুয়ার ১১২কালিম্পং ৮০

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটও

রাজ্যে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের হার। টানা তিন দিন বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ২৩ হাজার। বাড়ল পজিটিভিটি রেট, এদিন মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩,৪৬৭। এদিন পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ৩২.১৩। গতকাল এই রেট ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ২২।পিজিটিভি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় রাখলো বাংলাকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। গতকাল এই হার কিছুটা কমেছিল। এদিন তা বেড়ে যাওয়ায় ফের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১৩৯জন। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও কিছুটা কমেছে। বেড়েছে অন্য কয়েকটি জেলায়। এদিন পর্যন্ত মোট হোম আইসোলেশনে আছেন ১,২৭,৭৮৯জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৫২৫। ২৩৯ জন আছেন সেফ হোমে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৭৬৮উত্তর ২৪ পরগনা ৪,৭২৮হাওড়া ১,২৮৯পশ্চিম বর্ধমান ১,২৬১হুগলি ১,৩৩৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৩৪৯বীরভূম ৮৯৫পূর্ব বর্ধমান ৮৬১নদিয়া ৭০৮মালদা ৫৪৮মুর্শিদাবাদ ৫৭৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৫৯০পুরুলিয়া ২৭২দার্জিলিং ৪৬২বাঁকুড়া ৪৪২জলপাইগুড়ি ২৪৮উত্তর দিনাজপুর ২৩৬পূর্ব মেদিনীপুর ৩০০ঝাড়গ্রাম ১১৫দক্ষিণ দিনাজপুর ২৬৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ৭৬কালিম্পং ১৩

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেট

করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে চলেছে রাজ্য। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২২,১৫৫। মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। গতকাল, মঙ্গলবার এই সংখ্যা ছিল ২১,০৯৮। এদিন মোট পরীক্ষা হয়েছে ৭১,৭৯২ জনের। কলকাতায় ফের সংক্রমণ বেড়েছে গতকালের তুলনায় প্রায় পাঁচশো। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্য়া ১৮,১৭,৫৮৫। ক্রমশ বাড়ছিল পজিটিভিট রেট। এদিন কিছুটা কমেছে পজিটিভিটি রেট, ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। পজেটিভিটি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় ফেলেছিল রাজ্যকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। এই হার কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে স্বাস্থ্য দফতরের। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১১৭জন। কলকাতায় এদিনও আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার পেরিয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু জেলায় সংক্রমণ বেড়েছে, কোথাও আবার একটু কমেছে। মোদ্দা কথা করোনার তৃতীয় ঢেউ এখনও শঙ্কায় রেখেছে রাজ্যবসীকে। এদিকে বাংলায় একাধিক শহরে আংশিক লকডাউন চলছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতাঃ ৭,০৬০উত্তর ২৪ পরগনাঃ ৪,৩২৬হাওড়াঃ ১,৪৬১পশ্চিম বর্ধমানঃ ১,০১০হুগলিঃ ১,১০৭দক্ষিণঃ ২৪ পরগনা ১,৪৬১বীরভূমঃ ৭০১পূর্ব বর্ধমানঃ ৭৭৮নদিয়াঃ ৬৩৫মালদাঃ ৫১৮মুর্শিদাবাদঃ ৪২১পশ্চিম মেদিনীপুরঃ ৩০৯পুরুলিয়াঃ ২৭৮দার্জিলিংঃ ৫০০বাঁকুড়াঃ ৩৭০জলপাইগুড়িঃ ২৫৫উত্তর দিনাজপুরঃ ১৭৫পূর্ব মেদিনীপুরঃ ২৪১ঝাড়গ্রামঃ ২৯৫দক্ষিণ দিনাজপুর ১৪১কোচবিহারঃ ৮৬আলিপুরদুয়ারঃ ৭৮কালিম্পংঃ ৫১

জানুয়ারি ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ...
  • 32
  • 33
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal