• ১২ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

বাবার শেষকৃত্য সেরে দলে যোগ দিলেন রিঙ্কু সিং! ইডেনে হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে নজর দেশবাসীর

দুপুর ঠিক দেড়টার সময় চেন্নাই বিমানবন্দরে এসে থামল ভারতীয় দলের বাস। একে একে নেমে এলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া, জশপ্রীত বুমরাহ-রা। ক্রিকেটারদের মুখে স্পষ্ট স্বস্তির ছাপ। আহমেদাবাদে হারের পর যে চাপ তৈরি হয়েছিল, জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতে তার অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে দল। এখন নজর ইডেনের ম্যাচে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ভারতের কাছে কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল। জিতলেই আর রান রেটের অঙ্ক নয়, সরাসরি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে দল।জিম্বাবোয়ে ম্যাচে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ব্যাটারদের ফর্মে ফেরা। সঞ্জু স্যামসন ওপেন করে গুরুত্বপূর্ণ রান করেন। এরপর মাঝের সারির প্রায় সবাই অবদান রাখেন। লোয়ার অর্ডারে নেমে তিলক বর্মা ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাস নিয়েই কলকাতায় পৌঁছেছে ভারতীয় দল।তবে খুশির মাঝেও রয়েছে শোকের ছায়া। শুক্রবার পিতৃবিয়োগ হয়েছে রিঙ্কু সিং-এর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তাঁর বাবা। জিম্বাবোয়ে ম্যাচের আগে বাবাকে দেখতে গিয়েছিলেন রিঙ্কু। খবর পেয়েই তিনি চেন্নাই থেকে রওনা দেন। কিন্তু দলের প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়ে শনিবারই ফের দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন তিনি। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, রিঙ্কু দলের সঙ্গেই থাকবেন। অতীতে শচীন তেণ্ডুলকর ও বিরাট কোহলি-ও পিতৃবিয়োগের পর দলের হয়ে খেলে দায়িত্ববোধের নজির গড়েছিলেন। সেই স্মৃতিই যেন ফিরে এল আবার।ম্যাচের আগে ছোট্ট একটি টিম মিটিং হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও নির্ভীক ক্রিকেট খেলতে হবে। বিপক্ষকে শুরু থেকেই চাপে রাখতে হবে। কয়েকটি উইকেট পড়ে গেলেও ব্যাটিংয়ের ধরণ বদলানো যাবে না। তিলকও বলেছেন, আগের ম্যাচগুলোতে তিনি একটু দেখে খেলছিলেন। কিন্তু এখন ঠিক হয়েছে, প্রথম বল মারার মতো হলে আক্রমণ করতেই হবে।কোচ গৌতম গম্ভীর ইডেনের পিচ খুব ভালো করেই চেনেন। দীর্ঘদিন কলকাতার হয়ে খেলেছেন, পরে দায়িত্বেও ছিলেন। সাধারণত ইডেন রানের পিচ হিসেবেই পরিচিত। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাওয়ার হিটিং আটকাতে ভারত যদি তুলনামূলক ধীর উইকেটে খেলতে চায়, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে বড় শট খেলেই সাফল্য পেয়েছেন।তবে জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতলেও বোলিং নিয়ে কিছু চিন্তা রয়েই গিয়েছে। আগের ম্যাচে বুমরাহ উইকেট পাননি। বরুণ চক্রবর্তী-কেও শেষ দুই ম্যাচে খুব ধারালো দেখায়নি। ভারতীয় স্পিন আক্রমণে তিনি বড় ভরসা। জানা গিয়েছে, তাঁকে নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হয়েছে দলের ভিতরে। সব মিলিয়ে সেমিফাইনালের আগে ইডেনের ম্যাচে টানটান উত্তেজনা থাকছেই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষ, না ফেরার দেশে রিঙ্কুর বাবা, অনিশ্চিত বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ

গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভারতীয় ক্রিকেটার রিঙ্কু সিংয়ের পরিবারে। প্রয়াত হলেন তাঁর বাবা খানচন্দ সিং। দীর্ঘদিন ধরে চতুর্থ পর্যায়ের ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি। গ্রেটার নয়ডার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চলতি সপ্তাহেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। আজ সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।জানা গিয়েছে, লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন রিঙ্কুর বাবা। গত কয়েকদিন ধরে ভেন্টিলেটর ও কিডনি সহায়ক ব্যবস্থায় রাখা হয়েছিল তাঁকে। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ রক্ষা হয়নি। বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়েই জাতীয় দল ছেড়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন রিঙ্কু। ইতিমধ্যেই তিনি আলিগড়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।চলতি টি কুড়ি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই ঘটনা ঘটায় রিঙ্কুর খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আগামী এক মার্চ ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ রয়েছে। সেখানে তিনি খেলতে পারবেন কি না, তা এখনই স্পষ্ট নয়।রিঙ্কুর ক্রিকেটজীবনের সাফল্যের পিছনে তাঁর বাবার অবদান ছিল অপরিসীম। আলিগড়ে এলপিজি সিলিন্ডার বিলি করে সংসার চালাতেন খানচন্দ সিং। চরম আর্থিক কষ্টের মধ্যেও ছেলের স্বপ্নপূরণে কোনও খামতি রাখেননি। বহুবার প্রকাশ্যে বাবার সংগ্রাম ও ত্যাগের কথা বলেছেন রিঙ্কু।ভারতীয় দলের প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিং রিঙ্কুর বাবার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের মতো বড় দায়িত্বের সময়ে রিঙ্কু ও তাঁর পরিবারের জন্য এটি অত্যন্ত কঠিন সময়। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি প্রার্থনা করেছেন, ঈশ্বর যেন প্রয়াতের আত্মার শান্তি দেন এবং পরিবারকে শক্তি জোগান।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন স্ত্রীকে কোটি টাকা ফেরতের নির্দেশ আদালতের! স্বস্তিতে শিখর ধাওয়ান

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান-এর সঙ্গে সম্পত্তি বিতর্কে বড় রায় দিল দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রাক্তন স্ত্রী আয়েশা মুখার্জি-কে অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি মীমাংসা চুক্তির মাধ্যমে পাওয়া প্রায় পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ টাকা সুদ-সহ ফেরত দিতে হবে। বিচারক দেবেন্দ্র কুমার গর্গ জানান, হুমকি, প্রতারণা এবং জোরজবরদস্তির মাধ্যমে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে। ফলে সমস্ত মীমাংসা নথিকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, মামলা দায়েরের দিন থেকে উক্ত টাকার উপর বার্ষিক নয় শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারক স্পষ্ট করেন, দাম্পত্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার আদালতের এখতিয়ার নেই। সেই কারণে বিদেশি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার আদালত দুই হাজার চব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে দম্পতির বিশ্বজুড়ে থাকা সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল এবং সেই রায়ে ধাওয়ানের ভারতে থাকা সম্পত্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।অস্ট্রেলিয়ার আদালতের নির্দেশে আয়েশা মুখার্জি মোট সম্পদের পনেরো শতাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। তাঁর কাছে প্রায় সাত কোটি ছেচল্লিশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি থেকে যায় এবং অতিরিক্ত অর্থ ও একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার চব্বিশ পর্যন্ত একাধিক নির্দেশে সম্পত্তি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ধাওয়ান আদালতে দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় বৈবাহিক আইনের পরিপন্থী এবং তিনি নিজের উপার্জিত অর্থে সম্পত্তি কিনলেও চাপের মুখে সেগুলি যৌথ বা স্ত্রীর নামে নথিভুক্ত করতে বাধ্য হন। একটি ক্ষেত্রে তিনি কেনা সম্পত্তিতে আয়েশাকে নিরানব্বই শতাংশ মালিক দেখানো হয়েছিল বলেও আদালতে জানানো হয়। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আদালত ধাওয়ানের বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে এবং বিদেশি আদালতের নির্দেশ মানতে তিনি বাধ্য নন বলে জানিয়ে দেয়।এর আগেই দুই হাজার তেইশ সালে দিল্লির আদালত এই দম্পতিকে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, ছেলে জোরাবরের থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকার কারণে ধাওয়ান মানসিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন। যদিও স্থায়ী অভিভাবকত্ব তিনি পাননি, তবে সাক্ষাৎ এবং ভিডিও মাধ্যমে যোগাযোগের অধিকার দেওয়া হয়েছিল। ধাওয়ানের অভিযোগ, পরবর্তীতে সেই যোগাযোগের পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে না খেলার আক্ষেপ, এবার ভারতের দিকেই তাকিয়ে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে বড় মূল্য চুকাতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। নিজেদের অনড় অবস্থানের জেরে বিশ্বমঞ্চে খেলাই হয়নি তাদের। সেই সময় বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মন্তব্য করেছিলেন, নতুন সরকার এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত হতে পারে। নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলার আমিনুল হক। দায়িত্ব নিয়েই তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা দিলেন।মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করেছিল বাংলাদেশ। International Cricket Council একাধিকবার আলোচনা করার চেষ্টা করলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার সিদ্ধান্ত বদলায়নি। অনেকেই মনে করেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই ভারতবিরোধী অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল দায়িত্ব নেওয়ার পর জানান, শপথের দিনই তিনি সংসদ ভবনে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। আমিনুল বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান চান তিনি। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বাংলাদেশ। শুধু খেলাধুলা নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও সুসম্পর্ক গড়তে চায় নতুন সরকার।আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে ভারতের ক্রিকেট সফর হওয়ার কথা ছিল, যা এখন স্থগিত রয়েছে। ভারত সফর না হলে বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তা জানে বাংলাদেশ ক্রিকেট মহল। নির্বাচনের আগে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়লেও এখন নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দিকেই এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।আমিনুল আগের সরকারকে দায়ী করে বলেন, কূটনৈতিক জটিলতার কারণেই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। সময়মতো আলোচনা হলে হয়তো দল বিশ্বকাপে খেলতে পারত। সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপ বয়কটের পর নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ ক্রীড়া সম্পর্ক কোন পথে যায়, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ট্রফির উপর পা, তারপরই পতন? দুই বছরে ছন্দহারা অজি ব্রিগেড

বিশ্বক্রিকেটে এক সময় অপ্রতিরোধ্য শক্তি ছিল অস্ট্রেলিয়া। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ জিতে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের হতাশ করেছিল তারা। ফাইনালে হারাতে হয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলকে। সেই জয়ের পর উল্লাসে মেতেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা। বিশেষ করে মাইকেল মার্শের বিশ্বকাপ ট্রফির উপর পা তুলে বসে বিয়ার খাওয়ার ছবি নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়।মাত্র দুবছরের ব্যবধানে ছবিটা একেবারে বদলে গেছে। চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই শেষ হয়ে গেছে তাদের স্বপ্ন। এমনকি জিম্বাবোয়ের মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের কাছেও হারতে হয়েছে তাদের। নেটদুনিয়ায় অনেকেই বলছেন, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই আজ অস্ট্রেলিয়ার পতনের কারণ।২০২৩ বিশ্বকাপ জয়ের পর দুটি টি-২০ বিশ্বকাপ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। কোনওবারই সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। ২০২৪ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে সুপার এইটে উঠে ভারতের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়। ২০২৫ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফির শিরোপা জিততে পারেনি অজিরা। সেমিফাইনালে আবারও ভারতের কাছেই হারতে হয়। একই বছরে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেও ট্রফি হাতছাড়া হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে খেতাব জেতা হয়নি প্যাট কামিন্সদের।শুধু পুরুষ দল নয়, অস্ট্রেলিয়ার মহিলা দলও সাম্প্রতিক সময়ে সাফল্য থেকে দূরে। গতবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে সব ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠলেও ভারতের কাছে হেরে বিদায় নেয় তারা। ফলে সব মিলিয়ে অজি ক্রিকেটে চলছে ট্রফিখরা।সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই মনে করছেন, ২০২৩ সালের সেই বিতর্কিত উদ্যাপনই আজ অস্ট্রেলিয়ার জন্য কাল হয়েছে। কারও মতে, বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি অসম্মান দেখানোর ফল ভুগতে হচ্ছে। আবার কেউ বলছেন, দীর্ঘদিনের আধিপত্য থেকেই এসেছে অতিরিক্ত অহংকার, আর সেই কারণেই ছন্দপতন।এক সময়ের অজেয় অস্ট্রেলিয়া এখন বড় টুর্নামেন্টে বারবার ব্যর্থ। আর সেই দৃশ্য দেখে খুশি বহু ভারতীয় সমর্থক। ক্রিকেট দুনিয়ায় শক্তির সমীকরণ যে দ্রুত বদলে যায়, অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স যেন তারই প্রমাণ।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অবাধ্য থেকে অবিশ্বাস্য! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানে জ্বলে উঠলেন ঈশান

একসময় তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছিল। অবাধ্য, উচ্ছৃঙ্খলএমন অনেক বিশেষণই জুড়ে দেওয়া হয়েছিল ঈশান কিষানের নামের সঙ্গে। জাতীয় দল থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করে আবার নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুযোগ পেয়েই যেন আগুন ঝরালেন।ভারতের ইনিংসের শুরুটা ভালো ছিল না। দ্রুত অভিষেক শর্মার উইকেট পড়ে যায়। কিন্তু সেখান থেকেই দায়িত্ব তুলে নেন ঈশান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকেন। পাকিস্তানের বোলারদের উপর এক মুহূর্তের জন্যও চাপ কমতে দেননি। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শাদাব খান হোক বা শাহিন আফ্রিদি, কাউকেই রেয়াত করেননি।মাঠের চারদিকে শট খেলেছেন ঈশান। দর্শকেরা অপেক্ষা করছিলেন, পরের বলটি কোন দিকে পাঠাবেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ফেরেন। সাইম আয়ুবের বলে আউট হওয়ার সময় ভারতের ইনিংস শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে গেছে। তাঁর এই ইনিংসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।ম্যাচ শেষে ঈশান বলেন, এই ম্যাচ সব সময় আলাদা। এই জয় শুধু দলের জন্য নয়, দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, পাকিস্তানের দলে কয়েকজন ভালো স্পিনার রয়েছে, তাই এই জয় আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে। পাশাপাশি জশপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার প্রশংসাও করেন তিনি। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও বলেন, এই জয় দেশের জন্য।ঈশানের কাছে এই ইনিংস ব্যক্তিগতভাবেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালে ডবল সেঞ্চুরি করার পর অনেকেই ভেবেছিলেন তাঁর জায়গা স্থায়ী হয়ে গেছে। কিন্তু পরবর্তীতে দল থেকে বাদ পড়েন। সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন লড়াই। এই প্রত্যাবর্তনের পেছনে রয়েছে ভগবদ্গীতার প্রেরণা। বাবার কাছ থেকে গীতার শ্লোকের অর্থ জেনে তিনি ধীরে ধীরে সেই দর্শনের প্রতি আকৃষ্ট হন। ব্যাট ও গ্লাভসের পাশাপাশি গীতা হয়ে ওঠে তাঁর নিত্যসঙ্গী। কঠিন সময়েও সেই শিক্ষাই তাঁকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানের এই ইনিংস শুধু একটি ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স নয়, বরং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ব্যাটে। আর প্রমাণ করেছেন, সুযোগ পেলে বড় মঞ্চেই তিনি নিজের সেরাটা দিতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘নো হ্যান্ডশেক’ নিয়ম ভেঙে আক্রমের সঙ্গে করমর্দন! রোহিতকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক এখন তলানিতে। ক্রিকেট মাঠেও তার প্রভাব স্পষ্ট। দুই দেশের ম্যাচে এখন আর অধিনায়কদের করমর্দন দেখা যায় না। বোর্ডের অঘোষিত নির্দেশ মেনে অনেক ক্রিকেটারই দূরত্ব বজায় রাখছেন। সেই আবহেই ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে রোহিত শর্মার করমর্দন ও হাসিমুখে গল্পের ছবি নতুন বিতর্কের জন্ম দিল।চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা। তাঁর হাত ধরেই শেষ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এবারের আসরে ট্রফি মাঠে আনার দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রম। সেখানেই দেখা যায়, দুজন বেশ কিছুক্ষণ কথা বলছেন, করমর্দন করছেন, হাসিমুখে খোশগল্প করছেন। মুহূর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে নেটমাধ্যমে।অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যখন ভারত-পাক ম্যাচে নো হ্যান্ডশেক প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে, তখন রোহিতের এই আচরণ কতটা সমীচীন? এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে করমর্দন এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা দেখা গিয়েছে। টি-২০ বিশ্বকাপেও কলম্বোয় টসের সময় দুই অধিনায়ককে গম্ভীর মুখে দেখা যায়। করমর্দন হয়নি। বয়কটের আবহে ম্যাচের গুরুত্বও ছিল অনেক বেশি।এই পরিস্থিতিতে রোহিত ও আক্রমের খোলামেলা আলাপ অনেকের চোখে বেমানান লেগেছে। তবে অন্য দিকও রয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে রোহিত ভারতীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং ব্যক্তি ও টুর্নামেন্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা হিসেবে আরেক কিংবদন্তির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করায় দোষের কিছু আছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।ওয়াসিম আক্রম শুধু পাকিস্তানের নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে স্বীকৃত। ক্রিকেটের ময়দানে তাঁর অবদান সীমান্তের গণ্ডি ছাপিয়ে গেছে। সেই জায়গা থেকে দেখলে দুই প্রজন্মের দুই তারকার সাক্ষাৎ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হতে পারে।তবু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই এখন অতিরিক্ত আবেগ, উত্তেজনা এবং রাজনৈতিক ছায়া। তাই ছোট একটি মুহূর্তও বড় বিতর্কে রূপ নিচ্ছে। রোহিতের এই করমর্দন কি শুধুই সৌজন্য, না কি অঘোষিত নিয়ম ভাঙার বার্তাসেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

“বয়কটই ভালো ছিল?” ভারতের কাছে ফের চূর্ণ পাকিস্তান, প্রশ্নে নেটদুনিয়া

গত বছর এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে টানা তিন ম্যাচে হারানোর পর ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বলেছিলেন, এখন আর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সেই আগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই, খেলা একপেশে হয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সেই কথাই যেন আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সাম্প্রতিক ম্যাচেও পাকিস্তানের পারফরম্যান্স দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এভাবে হারতে হলে বয়কটই কি ভালো ছিল না?পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘার একাধিক সিদ্ধান্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এত বড় ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। শুরুতে স্পিনাররা ভালো বল করলেও দলের অন্যতম ভরসা উসমান তারিককে দেরিতে আনা হয়। যখন তিনি বোলিংয়ে এলেন, তখন ভারতের স্কোর প্রায় একশোর কাছাকাছি। ততক্ষণে ঈশান কিষান ঝড় তুলে ইনিংসের ভিত গড়ে দিয়েছেন।শেষ দিকেও প্রশ্ন উঠেছে অধিনায়কের সিদ্ধান্ত নিয়ে। স্পিনারদের ওভার বাকি থাকা সত্ত্বেও শেষ ওভারে শাহিন আফ্রিদিকে বল দেওয়া হয়। সেই ওভারেই ১৬ রান তুলে নেয় ভারত। ম্যাচের শেষভাগে এই রানই বড় ব্যবধান তৈরি করে দেয়। ১৭৬ রানের লক্ষ্য অজেয় ছিল না, কিন্তু পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরু থেকেই ভেঙে পড়ে।প্রথম কয়েক ওভারেই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। দেখে মনে হচ্ছিল, দলটি যেন আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের রেকর্ডও তাদের পক্ষে কথা বলে না। আট ম্যাচের মধ্যে একবার ছাড়া প্রতিবারই হারতে হয়েছে। কখনও বোল আউটে নাটকীয় পরাজয়, কখনও ফাইনালে মিসবা উল হকের ভুল শট, কখনও মেলবোর্নে বিরাট কোহলির ঐতিহাসিক ইনিংসপ্রতিবারই ভারতের বিরুদ্ধে হারের আলাদা গল্প রয়েছে পাকিস্তানের।২০২১ সালে একমাত্র জয়টি পাওয়ার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন আসে। নেতৃত্বে বদল হয়, নতুন পরিকল্পনা আসে, এবং পরবর্তীতে আইসিসি ট্রফিও জেতে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেটে সেই ধারাবাহিক উন্নতি চোখে পড়ে না। বরং বড় ম্যাচে বারবার একই ভুল, একই ভাঙন দেখা যাচ্ছে।একসময় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই ছিল টানটান উত্তেজনা, শেষ বল পর্যন্ত অনিশ্চয়তা। এখন সেই রোমাঞ্চ অনেকটাই কমে গিয়েছে। মাঠের লড়াই একপেশে হয়ে গেলে দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ম্লান হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠছে, যদি এমন পারফরম্যান্সই চলতে থাকে, তবে এই মহারণের মান কোথায় দাঁড়াবে? পাকিস্তানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিজেদের নতুন করে গড়ে তোলা। না হলে ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের সেই পুরনো মর্যাদা আর ফিরবে কি?

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বয়কটের হুঙ্কার, শেষে ৬১ রানে ধ্বংস! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে উড়িয়ে সুপার এইটে ভারত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় ভারতের। শ্রীলঙ্কার কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে ৬১ রানে হারিয়ে সুপার এইটে জায়গা করে নিল টিম ইন্ডিয়া। এই নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে আটবার হারাল ভারত। বড় ম্যাচে সূর্যকুমার যাদবদের জয়ের পরিসংখ্যান বদলাল না।টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। শুরুতেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি ভারত। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত নিজেদের হাতে নিয়ে নেন ঈশান কিষান। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। পাকিস্তানের বোলারদের একের পর এক বাউন্ডারি মেরে চাপে ফেলে দেন। শাদাব খান ও শাহিন আফ্রিদির বলেও সমান আক্রমণাত্মক ছিলেন ঈশান। ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ভারতের ইনিংসের শক্ত ভিত গড়ে দেন তিনি।মাঝে তিলক বর্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার দ্রুত আউটে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত। সূর্যকুমার যাদব চেষ্টা করলেও বড় রান করতে পারেননি। ৩২ রানে আউট হন তিনি। উসমান তারিকের স্পিন কিছুটা সমস্যায় ফেলেছিল ভারতীয় ব্যাটারদের। তবে শেষ দিকে রিঙ্কু সিং ও শিবম দুবের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে শেষ ওভারে ১৬ রান ওঠে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারতের রান দাঁড়ায় ১৭৫।১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান হার্দিক পাণ্ডিয়া। পরের ওভারে জশপ্রীত বুমরাহ জোড়া আঘাত করেন। সাইম আয়ুব ও সলমন আলি আঘা দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফেরেন। সেখান থেকেই ম্যাচ কার্যত ভারতের দিকে ঝুঁকে যায়।বাবর আজম কিছুটা সময় ক্রিজে থাকলেও রানের গতি বাড়াতে পারেননি। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হয়ে ফেরেন তিনি। উসমান খান লড়াইয়ের চেষ্টা করেন, কিন্তু অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে। শাদাব খান, মহম্মদ নওয়াজ কেউই বড় রান করতে পারেননি। কুলদীপ যাদব ও তিলক বর্মাও উইকেট নেন। অক্ষর প্যাটেলের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে আউট হন উসমানও। শেষ দিকে শাহিন আফ্রিদি ১৯ বলে ২৩ রান করে ব্যবধান কিছুটা কমান।শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। হার্দিক, বুমরাহ, অক্ষর ও বরুণপ্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। ৬১ রানের বড় ব্যবধানে জিতে সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করে ভারত। আর বিশ্বকাপে আবারও ভারতের সামনে থমকে দাঁড়াল পাকিস্তান।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাই ভোলটেজ ম্যাচে ৬ স্পিনার! কৌশল না বাধ্যবাধকতা?

এক সময় বিশ্ব ক্রিকেটে পেস ফ্যাক্টরি হিসেবে পরিচিত ছিল পাকিস্তান। ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস,আকিব জাভেদ, শোয়েব আখতার থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মে মহম্মদ আমির দাপুটে পেসারদের ধারাবাহিকতায় বিশ্ব কাঁপিয়েছে তারা। কিন্তু সেই পাকিস্তানই আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ৬ জন স্পিনার খেলানোয় বিস্মিত ক্রিকেটবিশ্ব ও বিশেষজ্ঞ মহল। আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ছয় জন স্পিনার খেলিয়ে পাকিস্তান গড়ল অনন্য বিশ্বরেকর্ড আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে এক দলে সর্বাধিক স্পিন বোলার বল করানোর নজির গড়ল পাকিস্তান।নব্বইয়ের দশক থেকে ২০০০-এর দশক পাকিস্তানের শক্তির মূল স্তম্ভ ছিল আগ্রাসী পেস আক্রমণ। রিভার্স সুইং ছিল তাদের অস্ত্র। ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কিত করা, শর্ট বলের চাপে ভুল করানো এটাই ছিল পাকিস্তানি ক্রিকেটের পরিচয়। তাই আজকের দলগঠনে হঠাৎ স্পিননির্ভর কৌশল অনেককেই অবাক করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে সম্ভাব্য কারণগুলো হতে পারে১. পিচের চরিত্রযদি উইকেট শুষ্ক ও ধীরগতির হয়, তাহলে স্পিনারদের জন্য সহায়ক হতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে মাঝের ওভারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক স্পিনার কার্যকর হতে পারে।২. প্রতিপক্ষের ব্যাটিং কম্বিনেশনপ্রতিপক্ষ দলে যদি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বেশি থাকে বা স্পিনে দুর্বলতা থাকে, তাহলে স্পিন আক্রমণ বাড়ানো হতে পারে পরিকল্পিত কৌশল।৩. পেস আক্রমণে আস্থার ঘাটতিসাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের পেস বোলিং ধারাবাহিকভাবে আগের মতো ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারছে না এমন মতও রয়েছে বিশ্লেষকদের একাংশের।বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়াঅনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান নিজেদের ঐতিহ্য থেকে সরে এসে অতিরিক্ত পরীক্ষানিরীক্ষায় যাচ্ছে। টি-টোয়েন্টিতে বৈচিত্র্য জরুরি হলেও ৬ জন স্পিনার কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। পাওয়ারপ্লেতে গতি না থাকলে প্রতিপক্ষ দ্রুত রান তুলতে পারে।আবার অন্য একদল বলছেন, আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ পরিস্থিতি অনুযায়ী দল গঠনই আসল নামের চেয়ে কৌশল গুরুত্বপূর্ণ।পেসের দেশ পাকিস্তানের স্পিনমুখী কৌশল সময়ই বলবে সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল। তবে এতদিনের ঐতিহ্য মাথায় রাখলে আজকের দলগঠন যে ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান: মহারণ নয়, একতরফা বার্তা, পেস বলের দেশ -৬ জন স্পিনার!

ফেব্রুয়ারির শুরুতেই বয়কটের হুঁশিয়ারি, তারপর হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলএই নাটকীয়তার আবহেই নামতে হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানকে। কিন্তু মাঠে যে লড়াই দেখা গেল, তাতে মহারণ শব্দটা কেবল নামেই রয়ে গেল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি পরিসংখ্যান ৭১ থেকে বেড়ে ৮১ভারতের পক্ষে।কলম্বোর মন্থর উইকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ১৭৫/৭। জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে। শেষদিকে শাহিন আফ্রিদির ঝড়ো কয়েকটি শট না থাকলে তিন অঙ্কও হয়তো ছোঁয়া হত না। ম্যাচের প্রথম দুওভারেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, অলৌকিক কিছু না ঘটলে ফলাফল কোন দিকে যাবে।ঈশানের আগুনে ইনিংস: মন্থর পিচে আলাদা আলোকলম্বোর পিচ ধীরগতিরএই ধারণা ম্যাচের আগে থেকেই ছিল। কিন্তু সেই পিচে যেভাবে ব্যাট করলেন ঈশান, তা শুধু ম্যাচ নয়, টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শুরুতেই শাহিনকে ছয় মেরে বার্তা দেন তিনিআত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই।স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর পায়ের ব্যবহার, ফাঁকা জায়গা খুঁজে বাউন্ডারি বের করার দক্ষতাসব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন অন্য ট্র্যাকে খেলছেন। ভারতীয় দল দীর্ঘদিন পর এমন এক ইনিংস পেল, যা স্কোরবোর্ডে শুধু রান যোগ করেনি, মানসিক দিক থেকেও পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। ঈশানের এই ইনিংস না থাকলে ১৭৫ রান নাগালের বাইরে থাকত।সূর্য-তিলকের মাপা ব্যাটিং: ঝুঁকি নয়, বুদ্ধির খেলাঈশানের আগ্রাসনের পর পরিস্থিতি বুঝে খেলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও তিলক বর্মা। তাঁরা জানতেন, একই ছন্দে চালালে উইকেট পড়তে পারে দ্রুত। তাই বেছে নেন খুচরো রান ও স্ট্রাইক রোটেশনের পথ। তৃতীয় উইকেটে ৩৮ রানের জুটি ম্যাচের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সূর্য আবারও দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেনঅধিনায়কের মতোই। রানের গতি খানিক কমলেও স্কোরবোর্ড কখনও থামেনি। এই মাপা ব্যাটিং শেষ পর্যন্ত বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয়।শেষের ঝড়: শিবম-রিঙ্কুর কাঁধে বাড়তি ২৫-৩০ রান১৫০ পার হওয়াই যেখানে চ্যালেঞ্জ ছিল, সেখানে শেষ তিন ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শিবম দুবে ও রিঙ্কু সিংহ। শিবমের ১৭ বলে ২৭ ও রিঙ্কুর ৪ বলে ১১এই দ্রুত রানই ভারতের স্কোর ১৭৫-এ পৌঁছে দেয়। শেষ ওভারে শাহিনের হাতে বল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য ব্যুমেরাং হয়ে যায়। অতিরিক্ত ১৫-১৬ রানই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।প্রথম চার ওভারেই ধস: সূর্যের কৌশলে কাবু পাকিস্তানপাকিস্তানের ইনিংস শুরু হতেই সূর্যের কৌশল নজর কাড়ে। স্পিনে ভরসা না করে প্রথম চার ওভার বল করান জোরে বোলারদের দিয়ে। ফল? আট বলের মধ্যে দুই উইকেট। হার্দিকের বলে ফারহানের বিদায়, তারপর বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কারে সাইম আয়ুবের স্টাম্প উড়ে যাওয়াপাকিস্তান চাপে পড়ে যায় শুরুতেই।সলমনের একটি ঢিলেঢালা শট ধরে নেন হার্দিক। তিন উইকেট পড়ে গেলে মন্থর পিচে ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব। পাকিস্তান আর সেই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন দেখাতে পারেনি।স্পিন-ঝুঁকি ও সিদ্ধান্তের ফারাকপাঁচ স্পিনার নিয়ে নামা পাকিস্তান ইতিহাসে নজির গড়লটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে ছজন স্পিনার ব্যবহার। কিন্তু পরিকল্পনা আর বাস্তবের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে গেল।অন্যদিকে সূর্যের সিদ্ধান্ত ছিল পরিস্থিতি-ভিত্তিক। প্রথমে পেসে আঘাত, তারপর স্পিনে চেপে ধরাএই কৌশলই ম্যাচের রাশ টেনে নেয় ভারতের হাতে। ফিল্ডিং সেটআপেও দেখা যায় আক্রমণাত্মক মানসিকতা, যা পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলে।নামেই মহারণ, মাঠে একতরফাদুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ, বয়কটের নাটকসবকিছুর পরেও ক্রিকেটপ্রেমীরা চেয়েছিলেন সমানতালে লড়াই। কিন্তু কলম্বোয় দেখা গেল একতরফা আধিপত্য। ভারত শুধু জিতল না, কৌশল, মানসিকতা ও কার্যকারিতায় প্রতিপক্ষকে অনেক পিছনে ফেলে দিল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের ঐতিহাসিক আবেগ থাকলেও, এদিনের ম্যাচ প্রমাণ করলমহারণ হতে হলে দুই পক্ষের সমান প্রস্তুতি ও স্থিরতা দরকার। কলম্বোয় সেই সমতা দেখা যায়নি। ফলাফল তাই শুধু স্কোরলাইনে নয়, খেলায়ও স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মহারণ: ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ রবিবার কলম্বোয়, দ্বীপরাস্ট্রে বৃষ্টির ভ্রূকুটি

আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বহুল প্রতীক্ষিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে নির্ধারিত সূচি মেনেই হচ্ছে। রবিবার কলম্বোর R Premadasa Stadium-এ মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। গ্রুপ পর্বে এই হাইভোল্টেজ লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তুঙ্গে।ফর্মের বিচারে দুই দলডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত অভিযান শুরু করেছে জয়ের সুরে। যুক্তরাষ্ট্রকে হারানোর পর নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ৯৩ রানের দাপুটে জয় নিয়ে কলম্বোয় পৌঁছেছে সূর্যকুমার যাদবের দল। অন্যদিকে পাকিস্তান প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর জয় তুলে নেয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আরও সংগঠিত পারফরম্যান্সে সহজ জয় পায় তারা।বিশ্বকাপে মুখোমুখি ইতিহাসটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই আলাদা উত্তাপ। এই টুর্নামেন্টে দুই দল এখন পর্যন্ত আট বার মুখোমুখি হয়েছেভারত জিতেছে সাত বার, পাকিস্তানের একমাত্র জয় ২০২১ সালে।গত পাঁচটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং আগের দুইটি ৫০ ওভারের বিশ্বকাপেও দুই দল একই গ্রুপে ছিল। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে তারা আলাদা গ্রুপে পড়েছিল বটে, তবে সেমিফাইনালে দেখা হয়। সেই ম্যাচে ভারত জিতে ফাইনালে উঠে পরে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে।কলম্বোয় ভারতের শক্তিশালী রেকর্ডকলম্বোর এই ভেন্যুতে ভারতের পরিসংখ্যান যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। ২০০৯ সালের পর থেকে এখানে ১৫টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে ভারতজিতেছে ১১টি, হেরেছে মাত্র ৪টি। শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে তাদের সাফল্যের হারই আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে।আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কাতবে ম্যাচের আগে চিন্তার কারণ বৃষ্টি। পূর্বাভাস বলছে, রবিবার দিনে প্রায় ৭৬% বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সন্ধ্যায় সেই সম্ভাবনা কমে ১৩%-এ নামতে পারে, যদিও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার সম্ভাবনা ১০০%। ফলে ম্যাচে বৃষ্টির প্রভাব পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা।ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব অবশ্য আবহাওয়াকে বড় করে দেখছেন না। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আবহাওয়া আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়। আমরা প্রস্তুতিতেই মন দিচ্ছি।সম্ভাব্য দলভারত: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, সঞ্জু স্যামসন, শিবম দুবে, ইশান কিশন, হার্দিক পান্ডিয়া, অর্শদীপ সিং, জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, রিঙ্কু সিং।পাকিস্তান: সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, খাওয়াজা নাফায়, মহম্মদ নওয়াজ, মহম্মদ সালমান মির্জা, নাসিম শাহ, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আয়ুব, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান, উসমান খান, উসমান তারিক।সব মিলিয়ে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে আরেকটি মহারণের অপেক্ষা। পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষে থাকলেও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আগাম ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন। কলম্বোর আকাশ পরিষ্কার থাকলে ক্রিকেটপ্রেমীরা হয়তো উপভোগ করবেন আরেকটি স্মরণীয় লড়াই।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ছোট দলের বিরুদ্ধে জয়, তবু স্পষ্ট দুর্বলতা — পাকিস্তান ম্যাচের আগে চিন্তায় ভারত

নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ৯৩ রানের দাপুটে জয়। স্কোরবোর্ড বলছে একতরফা ম্যাচ। কিন্তু মাঠের ছবিটা অন্য কথা বলছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটে ২০৯ রান তুলে ভারত জিতলেও, ব্যাটিংয়ের শেষভাগের ধস ও স্পিন-দুর্বলতা পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।ঝড়ো শুরু, কিন্তু শেষটা ধসঅভিষেক শর্মার অসুস্থতায় সুযোগ পান সঞ্জু স্যামসন। ৮ বলে ২২ রান করে শুরুটা ভালো হলেও ইনিংস বড় করতে পারলেন না। নিউ জিল্যান্ড সিরিজেও ব্যর্থ সঞ্জু বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না।তবে পাওয়ারপ্লেতে ভারত ছিল অপ্রতিরোধ্য। মাত্র ৬.৫ ওভারে ১০০ রান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এত দ্রুত ১০০ করার নজির আগে ছিল না। এই কৃতিত্বের বড় অংশ জুড়ে ঈশান কিশন। অনুশীলনে চোট পাওয়ার পরও ২৪ বলে ৬১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন তিনি। ৬টি চার ও ৫টি ছয়ে নামিবিয়ার বোলিং ছিন্নভিন্ন করে দেন।কিন্তু মাঝের ওভারে তাল কাটে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ১৩ বলে মাত্র ১২ রান করেন। তিলক বর্মা ২৫ করে থামেন। শেষদিকে ইনিংস টেনে নেন হার্দিক পান্ডিয়া ২৮ বলে ৫২ রানের ইনিংস ভারতকে ২০০ পার করায়।তারপরই চরম ধস। শেষ ১১ বলে ৫ উইকেট, শেষ দুই ওভারে মাত্র ১০ রান। ২০৯ থেকে স্কোর আরও বড় হতে পারত, কিন্তু নামিবিয়ার স্পিনে ছন্দ হারায় ভারত। অধিনায়ক গেরহার্ড ইরাসমাস ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ভিত কাঁপিয়ে দেন। স্পিনারদের দাপটে ভারতের ৯ উইকেটের মধ্যে ৫টিই স্পিনে।ছোট দলের বিরুদ্ধে বড় সতর্কবার্তানামিবিয়ার মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের বিরুদ্ধেও স্পিন সামলাতে হিমশিম খেল ভারত। বিশেষ করে ইনিংসের শেষভাগে ব্যাটারদের শট-নির্বাচন ও রানিং বিটুইন দ্য উইকেট ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। রিঙ্কু-শিবমের ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট, অক্ষরের প্রথম বলেই বোল্ড এসব বিশ্বচ্যাম্পিয়নসুলভ নয়।আরও বিস্ময়, নতুন বলে জসপ্রীত বুমরাহ-কে আনা হয়নি। সপ্তম ওভারে আক্রমণে আসেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে ৫.৪ ওভারে ৫০ তোলে নামিবিয়া যা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম ৫০। প্রথম ম্যাচে তিন উইকেট নেওয়া মোহাম্মদ সিরাজ-কে একাদশে না রাখাও কৌশলগত প্রশ্ন তুলেছে।বোলারদের হাত ধরে রক্ষাতবে ম্যাচ জেতালেন বোলাররাই। বরুণ চক্রবর্তী ৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন। হার্দিক ও অক্ষর দুটি করে উইকেট নেন। ১৮.২ ওভারে ১১৬ রানে থামে নামিবিয়া।পাকিস্তান ম্যাচের আগে উদ্বেগস্কোরলাইন বড় জয় দেখালেও বাস্তব বলছে ভারতের ব্যাটিং এখনও স্থিতিশীল নয়। আমেরিকার বিরুদ্ধে সমস্যার ইঙ্গিত মিলেছিল, নামিবিয়ার বিরুদ্ধেও তা স্পষ্ট হল। স্পিনের বিরুদ্ধে দুর্বলতা, ইনিংসের শেষভাগে ধস, নতুন বলের ব্যবহার নিয়ে দ্বিধা সব মিলিয়ে পাকিস্তান ম্যাচের আগে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।নামিবিয়ার মতো ছোট দলের বিরুদ্ধেও যদি এমন ফাঁকফোকর দেখা যায়, তবে পাকিস্তানের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের সামনে ভারত কতটা প্রস্তুত সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। জয় এসেছে, কিন্তু বিশ্ব ত্রাস দলের ভিত যে পুরোপুরি মজবুত নয়, সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গাভাস্কারের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি! শেষমেশ ভারত ম্যাচ খেলতেই রাজি পাকিস্তান

ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপ ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা থেকে পাকিস্তানের সরে আসা নিয়ে কটাক্ষ করলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে নতুন কিছু নেই। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মতোই বোর্ডও প্রায়ই সিদ্ধান্ত বদলায়, আগে বড় ঘোষণা করে পরে তা তুলে নেয়। তাঁর এই মন্তব্যের কিছুদিন পরই পাকিস্তান সরকার বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।প্রথমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে ভারত ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যেই সরকার জানায়, ক্রিকেটের স্পিরিট বজায় রাখার জন্য তারা সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করছে। এই হঠাৎ পরিবর্তন ঘিরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়।এর আগে এশিয়া কাপের সময়ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সেই সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসে তারা। ফলে পাকিস্তানের এই ধরনের সিদ্ধান্ত বদলের ঘটনা নতুন নয় বলেই মনে করছেন অনেকে।এই বার পাকিস্তান যে ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল, সেটি ছিল ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও আয়বহুল ম্যাচগুলির একটিভারত বনাম পাকিস্তান। সম্প্রচার সংস্থা ও আয়োজকদের কাছে এই ম্যাচের আর্থিক মূল্য প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার বলে মনে করা হয়। অথচ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক আয় প্রায় ৩৫.৫ মিলিয়ন ডলার। সেই দিক থেকে এই ম্যাচ বয়কট করলে বড় আর্থিক ধাক্কা খেতে হত পাকিস্তানকে।বয়কটের পেছনে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছিল পাকিস্তান। বিষয়টি নিয়ে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠকও হয়। সেই বৈঠকে পাকিস্তান একাধিক দাবি তোলে, যার মধ্যে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ শুরু করার প্রস্তাবও ছিল। তবে আইসিসি জানিয়ে দেয়, তারা দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।শেষ পর্যন্ত আইসিসি জানায়, বাংলাদেশকে আর্থিকভাবে শাস্তি দেওয়া হবে না এবং তাদের রাজস্ব অংশীদারিত্ব বজায় থাকবে। এই সিদ্ধান্তকে সামনে রেখে পাকিস্তান বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।ক্রিকেট মহলের অনেকেই মনে করছেন, আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাই পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য করেছে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ভারত ম্যাচ বয়কট করা বাস্তবে সম্ভব ছিল না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।১৫ ফেব্রুয়ারি দুই দল মাঠে নামলে এই বিতর্ক অনেকটাই চাপা পড়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। দর্শক ভরা গ্যালারি, উচ্চ টিআরপি আর চিরচেনা উত্তেজনার মধ্যে আবারও মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত–পাক ম্যাচে টানাপোড়েন, আইসিসির সামনে কড়া শর্ত পাকিস্তান বোর্ডের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার আগে আইসিসির কাছে তিনটি দাবি তুলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই দাবিগুলি মানা হলে তবেই তারা সরকারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত বদলের কথা ভাববে বলে জানানো হয়েছে।রবিবার লাহোরে আইসিসির এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। মূল লক্ষ্য ছিল ভারতপাকিস্তান ম্যাচটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত করা।ক্রিকবাজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির কাছে তিনটি শর্ত দিয়েছে পাকিস্তান। প্রথমত, আইসিসির আয় থেকে পাকিস্তানের ভাগ বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ আবার শুরু করতে হবে। তৃতীয়ত, মাঠে দুই দলের মধ্যে হ্যান্ডশেক প্রোটোকল বাধ্যতামূলক করতে হবে।বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে দেবে না। ম্যাচটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হওয়ার কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বয়কটের স্পষ্ট কারণ সরকার জানায়নি।ক্রিকেট মহলে মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে সমর্থন করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কারণ, নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা তুলে নিজেদের ম্যাচ ভারতের বাইরে সরানোর আবেদন করেছিল বাংলাদেশ। সেই আবেদন আইসিসি খারিজ করার পরই বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।এই পরিস্থিতিতে আইসিসি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসে। বৈঠকে অনলাইনে যোগ দেন আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত। লাহোরে উপস্থিত ছিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজা এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশও আইসিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। সেই বিষয়েও আলোচনায় পাকিস্তান মধ্যস্থতা করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।পাকিস্তানের এই তিন দাবির মাধ্যমে আইসিসির উপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, ভারতপাকিস্তান ম্যাচ না হলে সম্প্রচার থেকে বড় অঙ্কের আয় কমে যেতে পারে। সেই কারণেই এই ম্যাচকে হাতিয়ার করে নিজেদের দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে পাকিস্তান।বর্তমানে আইসিসির আয়ের ভাগের দিক থেকে পাকিস্তান চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মোট আয়ের ৫.৭৫ শতাংশ পায় তারা। ২০২৩ সালের হিসাবে আইসিসি থেকে বছরে প্রায় ৩৪.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পায় পাকিস্তান বোর্ড। এই অর্থ দেশের ক্রিকেট চালানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের থেকে বেশি আয় পায় কেবল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারত।পিসিবির দ্বিতীয় দাবি, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ফের শুরু করা। তবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুই দেশের সরকারের হাতে। আইসিসি সরাসরি এমন সিরিজ আয়োজন করতে পারে না, তারা শুধু মধ্যস্থতা করতে পারে।তৃতীয় দাবি, হ্যান্ডশেক প্রোটোকল চালু করা। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে পাহেলগাম জঙ্গি হামলার পর ভারতীয় দল পাকিস্তানের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেছিল। সেই ঘটনার পরই এই বিষয়টি সামনে এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক, ভারত-পাক লড়াই কি বাতিল?

কলম্বোয় ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইসিসি-র নিয়ম মেনে নীরব থাকলেও, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্তে এখনও অনড়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ভারত ম্যাচ খেলার অনুমতি না দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। একাধিক মহল থেকে পিসিবি ও পাকিস্তান সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও পরিবর্তন হয়নি।কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে আইসিসি-র সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসেছে পিসিবি। কিন্তু শনিবার সেই সব খবর সরাসরি অস্বীকার করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্ট করে পিসিবি-র মুখপাত্র আমির মির বলেন, বোর্ড আইসিসি-র সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এমন দাবি সম্পূর্ণ ভুল। তাঁর কথায়, এক ভারতীয় ক্রীড়া সাংবাদিক এই দাবি করেছেন, কিন্তু তা ভিত্তিহীন।তিনি আরও বলেন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছে। সময়ই প্রমাণ করবে, আসলে কে আগে যোগাযোগ করেছে।এর আগে এএফপি-র একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, আইসিসি-র তরফে আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়ার পর পিসিবি নাকি আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছে। আইসিসি এই সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমে করতে চায় বলেও জানা গিয়েছিল।বিতর্কের সূত্রপাত পাকিস্তানের সেই সিদ্ধান্ত থেকেই, যেখানে তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে গ্রুপ এ-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি খেলবে না বলে জানায়। পাকিস্তান সরকার দলকে টুর্নামেন্টে খেলতে অনুমতি দিলেও ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের অনুমতি দেয়নি।ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি। সম্প্রচার, স্পনসরশিপ ও বিজ্ঞাপন থেকে বিপুল অর্থ আয় হয় এই ম্যাচকে ঘিরে। ফলে এই ম্যাচ বাতিল হলে আর্থিক দিক থেকেও বড় ধাক্কা লাগতে পারে।শনিবার নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে অল্প ব্যবধানে জিতে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে পাকিস্তান। তবে ভারত ম্যাচ না খেললে তারা গুরুত্বপূর্ণ দুই পয়েন্ট হারাবে এবং নেট রান রেটেও প্রভাব পড়তে পারে।অন্যদিকে, ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব আগেই জানিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতীয় দল কলম্বোতে ম্যাচ খেলতে যাবে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সূর্যের আলোয় জয়, কিন্তু ভারতের ব্যাটিংয়ের ছায়া প্রকট বিশ্বকাপ শুরুতেই

ওয়াংখেড়েতে প্রত্যাশিত অঘটন ঘটেনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আমেরিকাকে হারিয়েই অভিযান শুরু করল ভারত। তবে ২৯ রানের এই জয়ের আড়ালে লুকিয়ে রইল একাধিক প্রশ্নচিহ্নবিশেষ করে ভারতের ব্যাটিং নিয়ে।টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে মাত্র ১৬১ রান। নামের ভারে শক্তিশালী ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপের থেকে যা অনেকটাই কম। সূর্যকুমার যাদব ছাড়া কার্যত ব্যর্থ সবাই। একাই লড়াই করে ৪৯ বলে অপরাজিত ৮৪ রান করেন ভারত অধিনায়ক। তাঁর ইনিংস না থাকলে ভারতের পরিস্থিতি যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা সহজেই অনুমেয়।ম্যাচের শুরু থেকেই অস্বস্তিতে পড়ে ভারত। দ্বিতীয় ওভারেই শূন্য রানে ফেরেন অভিষেক শর্মা। সাম্প্রতিক সময়ে প্রথম বলেই আউট হওয়ার প্রবণতা আবারও চোখে পড়ল। ঈশান কিশন ও তিলক বর্মা কিছুটা আশার আলো দেখালেও এই মন্থর পিচে দৌড়ে রান নেওয়ার বদলে বড় শটের উপর নির্ভর করাই কাল হয়ে দাঁড়ায়। শ্যাডলে ফান শকউইকের দুরন্ত স্পেলে মুহূর্তে ভেঙে পড়ে ভারতের ইনিংস। ৪৫ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দল।পাওয়ার প্লে-র পর সূর্য ও রিঙ্কু সিংহ জুটি বাঁধার চেষ্টা করলেও রান তোলার গতি ছিল অত্যন্ত ধীর। এক সময় টানা ২৭ বল কোনও বাউন্ডারি আসেনি। রিঙ্কু, হার্দিককেউই তাল কাটাতে পারেননি। ৭৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ওয়াংখেড়ে কার্যত স্তব্ধ।সেই কঠিন মুহূর্তেই দায়িত্ব নেন সূর্যকুমার যাদব। পিচ বুঝে, ঝুঁকি কমিয়ে, দৌড়ে রান আর সঠিক সময়ে বড় শটএই মিশ্রণেই ইনিংস সাজান তিনি। স্কোয়্যার অঞ্চলে শট, সুইপ, উইকেটের চারদিকে খেলেই প্রমাণ করেন কেন তাঁকে ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটার বলা হয়। অক্ষর পটেলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ৪১ রানের জুটি গড়ে তোলেন তিনি। শেষ পাঁচ ওভারে ভারত তোলে ৬৯ রান।আমেরিকার বোলিংয়ে শকউইক নজর কাড়েন ৪ উইকেটে। তবে সৌরভ নেত্রভলকর ভুলে যাওয়ার মতো দিন কাটান৪ ওভারে ৬৫ রান, উইকেটশূন্য।১৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আমেরিকাও এই পিচে যে সমস্যায় পড়বে, তা শুরুতেই বোঝা যায়। সিরাজ ও অর্শদীপের আগ্রাসী বোলিংয়ে ১৩ রানেই ৩ উইকেট হারায় তারা। মাঝখানে মিলিন্দ কুমার ও সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তির জুটি কিছুটা লড়াইয়ের রসদ জোগালেও প্রয়োজনীয় রানরেটের চাপ সামলাতে পারেনি আমেরিকা।শেষ দিকে বড় শট মারার চেষ্টা করতে গিয়ে দ্রুত উইকেট হারায় তারা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩২ রানেই থামে আমেরিকার ইনিংস। সিরাজ নেন ৩টি উইকেট, অক্ষর ২টি, বরুণ ও অর্শদীপ পান ১টি করে।ম্যাচ জিতলেও ভারতের শিবিরে স্বস্তির হাসি নেই। ডাগআউটে গম্ভীর মুখে বসে থাকা গৌতম গম্ভীরই যেন তার ইঙ্গিত। জলপানের বিরতিতে মাঠে নেমে পরামর্শ দিলেও, ব্যাটিংয়ের এই ছবি নিশ্চয়ই কোচিং স্টাফকে ভাবাচ্ছে।বিশ্বকাপ শুরু হল জয়ে, কিন্তু ভারতের সামনে বার্তাটা স্পষ্টশুধু সূর্যের উপর ভর করে অনেক দূর যাওয়া যাবে না।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

শেষমেশ নতি স্বীকার? ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে রাজি পাকিস্তান!

শেষ পর্যন্ত ভারতের বিরুদ্ধে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি মাঠে নামতে পারে পাকিস্তান। এমনই জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগেই একাধিক প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যে কোনও সময় অবস্থান বদলাতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এখন যা পরিস্থিতি, তাতে সেই আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এতদিন পর্যন্ত ভারত ম্যাচ না খেলার বিষয়ে অনড় ছিল পিসিবি। তাদের যুক্তি ছিল, পাকিস্তান সরকার এই ম্যাচ খেলতে রাজি নয়। তাই বোর্ডের হাতে কিছু করার নেই। এটাকে তারা ফোর্সা মেজোর বলেই ব্যাখ্যা করেছিল। কিন্তু প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হতশ্রী পারফরম্যান্স দেখার পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, ১৫ ফেব্রুয়ারির ভারত ম্যাচ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে আলোচনায় বসতে আপত্তি নেই পিসিবির। অর্থাৎ দর কষাকষির রাস্তা খুলে দিতে চাইছে পাক বোর্ড। আইসিসিও চাইছে, যে কোনও ভাবেই এই ম্যাচ হোক। সেই কারণেই পিসিবির বক্তব্য শুনতে তারা প্রস্তুত বলে জানা যাচ্ছে।পিসিবির অবস্থান বদলের পিছনে বড় কারণ রয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে পাকিস্তানকে। মোটা অঙ্কের আর্থিক জরিমানা তো রয়েছেই, এমনকি নির্বাসনের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তার উপর দলের বর্তমান পারফরম্যান্সও চিন্তার। টুর্নামেন্টে যে কোনও ম্যাচেই হারতে পারে পাকিস্তান। আর একটি ম্যাচ হারলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই সুর নরম করছে পিসিবি।এর মধ্যেই আসরে নেমেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানকে কড়া চিঠি দিয়েছে তারা। শ্রীলঙ্কা আয়োজক দেশ হওয়ায় এই ম্যাচ বাতিল হলে বিরাট আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে তাদেরও। চিঠিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, ম্যাচ না হলে আর্থিক ও পর্যটন ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা আসতে পারে।শ্রীলঙ্কা বোর্ডের সেই চিঠির পরেই আরও নরম হয়েছে পিসিবির অবস্থান। পাক বোর্ডের এক সূত্র শনিবার জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা সরকারের সম্পর্ক ভালো। ক্রিকেটের দিক থেকেও দুই দেশের বোর্ড ঘনিষ্ঠ। তাই শ্রীলঙ্কার অনুরোধ উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। পাক বোর্ড প্রধান মহসিন নকভির সঙ্গে শ্রীলঙ্কা বোর্ডের সভাপতি শাম্মি সিলভার কথা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানের কত বড় ক্ষতি হতে পারে।সব মিলিয়ে এখন ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে রাজি হওয়ার সব পথই খোলা রাখছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। শেষ পর্যন্ত ১৫ ফেব্রুয়ারি কি দেখা যাবে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহারণ, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ...
  • 67
  • 68
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মৃত্যুর ছায়া এসআইআর প্রক্রিয়ায়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চাকরি দিতে এগোল রাজ্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া বা এসআইআর ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্ন-এ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঠিক হয়েছে, এই প্রক্রিয়ার জেরে মৃত বা চরম হয়রানির শিকার পরিবারগুলির একজন সদস্যকে চাকরি দেওয়া হবে।এসআইআর ঘিরে বিতর্ক শুরু হয় একটি আত্মহত্যার ঘটনার পর। পরে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬। কেউ আত্মহত্যা করেছেন, আবার কারও স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও পরিবারের অভিযোগ, এসআইআর-জনিত আতঙ্কই এর মূল কারণ। শাসকদলও একাধিক ক্ষেত্রে একই অভিযোগ তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।সূত্রের খবর, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির একজন সদস্যকে হোম গার্ড পদে নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই জেলা ভিত্তিক তালিকা তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শুধু মৃতদের পরিবার নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ণ ও হয়রানির অভিযোগ থাকা আরও পাঁচটি পরিবারকেও এই তালিকায় রাখা হয়েছে। সেই পরিবারগুলির একজন সদস্যও চাকরি পাবেন বলে জানা গিয়েছে।তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এই চাকরির স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। হোম গার্ড পদে কম বেতন, পেনশন ও গ্র্যাচ্যুইটির অভাবের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, প্রতিবছর চাকরি নবীকরণ করতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে নবীকরণ না হওয়ায় বহু কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ক্ষেত্রেও এমন উদাহরণ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

দুপুরে আচমকা কাঁপল কলকাতা, পঁয়তাল্লিশ সেকেন্ডের কম্পনে রাস্তায় নেমে আতঙ্কিত মানুষ

শুক্রবার দুপুরে আচমকাই কেঁপে উঠল কলকাতা। দুপুর একটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয় শহর জুড়ে। প্রায় পঁয়তাল্লিশ সেকেন্ড ধরে কম্পন স্থায়ী হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল পাঁচ দশমিক পাঁচ। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা এলাকায়, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় পঁয়ত্রিশ কিলোমিটার গভীরে। উৎসস্থল খুব বেশি গভীরে না হওয়ায় পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।শুধু কলকাতাই নয়, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং সুন্দরবন এলাকাতেও প্রবল ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। বহুতল ভবনে থাকা মানুষ আতঙ্কে দ্রুত নিচে নেমে আসেন। আদালত এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র পর্যন্ত বহু জায়গায় কম্পন টের পাওয়া যায়।বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ একাধিক অঞ্চলেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা পাঁচ দশমিক তিন বলে জানা গেছে। সাতক্ষীরার কাছাকাছি পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট ও টাকি এলাকাতেও তীব্র কম্পন অনুভূত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আপাতত বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর না মিললেও পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
দেশ

জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ কড়া বন্ধ করুন! রাজ্যকে তীব্র বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ঠিক আগে ফের আইনি লড়াই তীব্র হল। এই ইস্যুতে রাজ্য সরাসরি দ্বারস্থ হল ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। রাজ্যের হয়ে আইনজীবী কপিল সিব্বল শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানান।শুনানিতে তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ পর্যালোচনা প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য যাঁদের জুডিশিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে, সেখানে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতামত নেওয়া হচ্ছে না। তাঁর দাবি, কমিশন একতরফাভাবে নির্দেশিকা জারি করছে, যা আইনসম্মত নয় এবং শীর্ষ আদালতের নির্দেশের সঙ্গেও অসঙ্গত।কপিল সিব্বল আরও অভিযোগ করেন, জুডিশিয়াল অফিসারদের পিছনের দরজা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং কোন নথি গ্রহণ করা হবে বা হবে না তা নিয়েও আলাদা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডমিসাইল শংসাপত্র গ্রহণ না করার বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, কমিশন এই নথি অগ্রাহ্য করার কথা বলছে।এই অভিযোগের পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়ে অযথা সন্দেহ করা উচিত নয় এবং বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি প্রয়োজন। বেঞ্চে উপস্থিত বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, কমিশনই প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্বে থাকবে এবং আদালতের নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট, তা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।গত মাসে ভারতের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, এই প্রক্রিয়ায় ডমিসাইল শংসাপত্র বাধ্যতামূলক নয় এবং কোন ক্ষেত্রে কোন নথি বৈধ হবে তার নির্দিষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। আদালতে এই বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিচারপতি বাগচী বলেন, যদি আদালতের নির্দেশে কোনও নথি গ্রহণের কথা বলা থাকে, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে।শুনানিতে আরও বলা হয়, বিচারকদের কাজ নির্বিঘ্নে করতে দেওয়া রাজ্য সরকার ও কমিশন উভয়ের দায়িত্ব। এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করে। এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। অন্যদিকে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, অনেক মানুষের ভোটাধিকার থাকবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই বিতর্ক আরও গভীর হল।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় জয়ের দাবি শাহর, অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর হুঁশিয়ারি ঘিরে রাজনৈতিক ঝড়

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুপ্রবেশ ইস্যু আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল। অমিত শাহ বিহারে এক জনসভা থেকে দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয় নিশ্চিত। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যে থাকা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে দেশছাড়া করা হবে।বিহারের আরারিয়া জেলার সীমাঞ্চল এলাকায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় এবং বিজেপি সরকার গঠন করবে বলে তিনি নিশ্চিত। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অমিত শাহ বারবার একই দাবি করে চলেছেন এবং বাস্তবে তা সফল হয়নি। তাঁর মতে, অনুপ্রবেশ ইস্যু তুলে ধরা আসলে কেন্দ্রের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা।কুণাল ঘোষ আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর। তাই অনুপ্রবেশ ঠেকানো রাজ্য পুলিশের কাজ নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজ্যগুলিতেও অনুপ্রবেশের ঘটনা সামনে এসেছে, ফলে এই ইস্যুতে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।এদিন শাহ অনুপ্রবেশ রুখতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের কথাও ঘোষণা করেন। তাঁর বক্তব্য, কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিহারের সীমাঞ্চল থেকেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই কমিটি সীমান্ত এলাকার জনসংখ্যাগত পরিবর্তন খতিয়ে দেখে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেবে। অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে এবং সরকারি প্রকল্পের উপর চাপ বাড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমকে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে উল্লেখ করেন শাহ। তিনি আরও জানান, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্র সরকার জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এই ঘোষণারও সমালোচনা করেছে তৃণমূল। কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, ভোটের আগে হঠাৎ কমিটি গঠনের কথা কেন মনে পড়ল। তিনি দাবি করেন, আগে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করাই কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় কথা বলা কোনও অপরাধ নয় এবং ভাষার ভিত্তিতে কাউকে সন্দেহ করা উচিত নয়। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্র ও রাজ্যের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

সিকিমে কি আসছে ভয়ংকর ভূমিকম্প? টানা কম্পনে আতঙ্কে পাহাড় ও উত্তরবঙ্গ

সিকিমে লাগাতার ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক বাড়ছে পাহাড় ও উত্তরবঙ্গে। ছোট মাত্রার কম্পন হলেও ঘনঘন ভূমিকম্প চিন্তা বাড়িয়েছে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের। শুক্রবার সকালে ২.৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয় দার্জিলিং-এ। কম্পনের মাত্রা কম হলেও বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়।এর আগে সিকিমের মঙ্গন এলাকায় ৩.৯ এবং ৩.৭ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। ভোরের দিকে হওয়া এই কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গ-এর বিভিন্ন জেলায়। জানা গিয়েছে, একদিনেই প্রায় ১৬ বার কম্পন অনুভূত হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।ফেব্রুয়ারির শুরুতেও টানা কয়েকদিনে ৪০ বারের বেশি ভূমিকম্প হয়েছিল। ফের একইভাবে কম্পন শুরু হওয়ায় বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এগুলি বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস বা ফোরশক হতে পারে। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এ ধরনের ছোট ছোট কম্পন দেখা যায়, যা প্রকৃতির সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনও তাজা পাহাড়ে। সেই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল এবং বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। তাই নতুন করে ঘনঘন কম্পনে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন ভূবিজ্ঞানীরা এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
দেশ

বড় স্বস্তি কেজরীবালের, আবগারি মামলায় বেকসুর খালাস, আদালতেই আবেগঘন মুহূর্ত

দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় বড় স্বস্তি পেল আম আদমি পার্টি। প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস ঘোষণা করা হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল এবং প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে। আদালত জানিয়েছে, তদন্তকারী সংস্থা অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে দুই নেতাকে খালাস ঘোষণা করেন। রায় শোনার পর আদালত কক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। আদালত চত্বর থেকে বেরিয়ে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল। তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরীবাল জানান, সত্যেরই জয় হয়েছে।দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। প্রায় একশো কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল কেজরীবাল ও সিসোদিয়াকে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তাঁরা নির্বাচনে অংশ নিলেও ভোটে খারাপ ফল করে দল। শেষ পর্যন্ত দিল্লির ক্ষমতায় আসে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই দুর্নীতির অভিযোগই নির্বাচনে দলের পরাজয়ের বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।আদালত পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, এত গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ করতে শক্তিশালী তথ্য ও নথির প্রয়োজন হয়। পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়া কাউকে মূলচক্রী বলা যায় না। ভিত্তিহীন অভিযোগ বিচারব্যবস্থার উপর সাধারণ মানুষের আস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে বলেও আদালত মন্তব্য করেছে।মণীশ সিসোদিয়ার ক্ষেত্রেও কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, নথি ও সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে যে নীতি তৈরির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই বেশি প্রতিফলিত হয়েছে, অপরাধের ইঙ্গিত নয়। আবগারি নীতি প্রণয়নের আগে একাধিক স্তরে আলোচনা হয়েছিল বলেও আদালত উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি বলেই রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষ, না ফেরার দেশে রিঙ্কুর বাবা, অনিশ্চিত বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ

গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভারতীয় ক্রিকেটার রিঙ্কু সিংয়ের পরিবারে। প্রয়াত হলেন তাঁর বাবা খানচন্দ সিং। দীর্ঘদিন ধরে চতুর্থ পর্যায়ের ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি। গ্রেটার নয়ডার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চলতি সপ্তাহেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। আজ সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।জানা গিয়েছে, লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন রিঙ্কুর বাবা। গত কয়েকদিন ধরে ভেন্টিলেটর ও কিডনি সহায়ক ব্যবস্থায় রাখা হয়েছিল তাঁকে। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ রক্ষা হয়নি। বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়েই জাতীয় দল ছেড়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন রিঙ্কু। ইতিমধ্যেই তিনি আলিগড়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।চলতি টি কুড়ি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই ঘটনা ঘটায় রিঙ্কুর খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আগামী এক মার্চ ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ রয়েছে। সেখানে তিনি খেলতে পারবেন কি না, তা এখনই স্পষ্ট নয়।রিঙ্কুর ক্রিকেটজীবনের সাফল্যের পিছনে তাঁর বাবার অবদান ছিল অপরিসীম। আলিগড়ে এলপিজি সিলিন্ডার বিলি করে সংসার চালাতেন খানচন্দ সিং। চরম আর্থিক কষ্টের মধ্যেও ছেলের স্বপ্নপূরণে কোনও খামতি রাখেননি। বহুবার প্রকাশ্যে বাবার সংগ্রাম ও ত্যাগের কথা বলেছেন রিঙ্কু।ভারতীয় দলের প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিং রিঙ্কুর বাবার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের মতো বড় দায়িত্বের সময়ে রিঙ্কু ও তাঁর পরিবারের জন্য এটি অত্যন্ত কঠিন সময়। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি প্রার্থনা করেছেন, ঈশ্বর যেন প্রয়াতের আত্মার শান্তি দেন এবং পরিবারকে শক্তি জোগান।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তালিবানের দাবি পঞ্চান্ন পাক সেনা নিহত, জবাবে ভয়ংকর বিমান হামলা

আফগানিস্তানের তালিবান সরকার জানিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তানের হামলার জবাব দিতেই তারা পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ডুরান্ড লাইন সংলগ্ন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় তুমুল লড়াই শুরু হয়। শুক্রবার ভোর পর্যন্ত কাবুলে বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। তালিবান দাবি করেছে, সীমান্তের কাছে একাধিক সামরিক ঘাঁটি ও উনিশটি পোস্ট দখল করা হয়েছে। চারটি পোস্ট ছেড়ে সরে গিয়েছে পাকিস্তানি সেনা। একটি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা আফগানিস্তানের হামলার জবাবে আকাশপথে পাল্টা আঘাত হেনেছে। কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তালিবানের মুখপাত্র জ়াবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, পাকিস্তানি সেনা কাপুরুষের মতো বিভিন্ন শহরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে। তবে তাঁর দাবি, তাতে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ছাব্বিশ ফেব্রুয়ারি রাত আটটা থেকে অভিযান শুরু হয়। সম্প্রতি আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলায় মহিলা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছিল, তারই প্রতিশোধ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাকতিকা, খোস্ত, নানঘারহার ও কুনার সহ একাধিক সেক্টরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। তালিবান সরকারের দাবি, মোট পঞ্চান্ন জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষে তালিবানের আট যোদ্ধা নিহত ও এগারো জন আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। নানঘারহারে পাকিস্তানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেরো জন আফগান নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি।তবে পাকিস্তানের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা। তাদের দাবি, সংঘর্ষে মাত্র দুই জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং তিন জন আহত হয়েছেন। উল্টে ছত্রিশ জন আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি দাবিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সীমান্তে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক মহল গভীরভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal