• ১৪ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

দেশ

দেশ

আকাশসীমা বন্ধ, জারি NOTAM! বড় অস্ত্র পরীক্ষার পথে ভারত?

আত্মনির্ভরতার পথে আরও এক ধাপ এগোচ্ছে ভারত। একই সঙ্গে দেশের সামরিক শক্তি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে এবার নতুন করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে ভারত। এই পরীক্ষাকে ঘিরে বঙ্গোপসাগরের একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় নোটিস টু এয়ারমেন বা NOTAM জারি করা হয়েছে। আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি এই নোটিস কার্যকর থাকবে। ওই সময়ে নির্দিষ্ট আকাশসীমায় সমস্ত ধরনের বেসামরিক বিমান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে।প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে NOTAM জারি করা হয়েছে তার দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৫৩০ কিলোমিটার। এত বড় এলাকাজুড়ে আকাশসীমা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থেকে জল্পনা তৈরি হয়েছে, এবার সম্ভবত একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চল দেখে অনুমান করা হচ্ছে যে এটি সমুদ্র-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা হতে পারে। স্ট্র্যাটেজিক কিংবা হাইপারসনিক শ্রেণির কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাও হতে পারে বলে ধারণা।তবে কোন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষা হবে বা কোন প্ল্যাটফর্ম থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি, সমুদ্রের উপর এই ধরনের বড় সামরিক পরীক্ষার আগে NOTAM জারি করা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এর মূল উদ্দেশ্য হল পরীক্ষার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বেসামরিক বিমানকে ওই এলাকা থেকে দূরে রাখা।উল্লেখযোগ্যভাবে, গত বছরের ডিসেম্বর মাসেও বঙ্গোপসাগরের উপর প্রায় ৩ হাজার ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে একই ধরনের NOTAM জারি করা হয়েছিল। তখনও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জল্পনা তৈরি হয়েছিল।NOTAM বা নোটিস টু এয়ারমেন এমন একটি বিজ্ঞপ্তি, যার মাধ্যমে সাময়িকভাবে কোনও আকাশসীমা বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য বন্ধ রাখা হয়। অতীতেও পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনার সময় এই ধরনের নোটিস জারি করা হয়েছে, যাতে কোনও যাত্রীবাহী বিমান সামরিক কার্যকলাপের মধ্যে পড়ে না যায়। এর ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় এবং বিমান বাহিনী নির্বিঘ্নে তাদের অভিযান বা পরীক্ষা চালাতে পারে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
দেশ

অজিতের পরে ‘বহিনা’! মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সুনেত্রা পাওয়ার

দাদার শূন্যস্থান এবার পূরণ করতে চলেছেন বহিনা। প্রয়াত এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার শনিবার মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন। শনিবার বিকেল পাঁচটায় তাঁর শপথগ্রহণের কথা রয়েছে। অজিত পাওয়ারের আকস্মিক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, উপমুখ্যমন্ত্রীর শূন্য পদে সুনেত্রা পাওয়ারকেই সামনে আনতে পারে দল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিল এনসিপি।সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল জানিয়েছিলেন, অজিত পাওয়ারের পরে সাধারণ মানুষও মনে করছেন, সুনেত্রাই এই দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। দলের অন্দরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। এনসিপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফুল প্যাটেল, ছগন ভুজবল ও সুনীল তটকরে সুনেত্রা পাওয়ারের সঙ্গে আলোচনা করেন। শুক্রবার দলীয় স্তরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এনসিপির তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যসভার সাংসদ সুনেত্রা পাওয়ারই দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল। বৃহস্পতিবার সুনেত্রার সঙ্গে বৈঠকের পর শুক্রবার ছগন ভুজবল ও প্রফুল প্যাটেল মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন বর্ষায় গিয়ে দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সঙ্গে বৈঠক করেন।অজিত পাওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অর্থ, আবগারি ও ক্রীড়া দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাতেন। সূত্রের খবর, এই দফতরগুলিই সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে এনসিপির তরফে। ছগন ভুজবল জানিয়েছেন, দেবেন্দ্র ফড়ণবীস স্পষ্ট করে বলেছেন, শনিবার সুনেত্রা যদি উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।তবে দফতর বণ্টন নিয়ে এখনও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী মার্চ মাসে মহারাষ্ট্রের বাজেট পেশ হওয়ার কথা। সেই কারণে বাজেট পেশ হওয়া পর্যন্ত অর্থ দফতর নিজের কাছেই রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীস। বাজেটের পরে সেই দায়িত্ব সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। তবে আবগারি ও ক্রীড়া দফতর সুনেত্রার হাতে দিতে ফড়ণবীসের কোনও আপত্তি নেই বলেই জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
দেশ

ইউজিসির নতুন নিয়মে ব্রেক! ‘৭৫ বছর পরেও কি বিভাজনের পথে দেশ?’ প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

ইউজিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চালু করা নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশন-এ স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও কি দেশ আবার জাতিগত বিভাজনের পথে ফিরছে।সম্প্রতি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ইউজিসির নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশন কার্যকর করা হয়। কেন্দ্রের দাবি ছিল, এই নিয়মের উদ্দেশ্য হল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকলের জন্য সমান, নিরাপদ এবং সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করা। তবে নতুন বিধিতে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের সংজ্ঞা এমনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেখানে শুধুমাত্র তফসিলি জাতি, উপজাতি ও ওবিসি শ্রেণির বিরুদ্ধে হওয়া বৈষম্যকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে সাধারণ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই সংজ্ঞা প্রযোজ্য নয় বলে অভিযোগ ওঠে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি সুযোগ-সাম্য কেন্দ্র গঠন করার কথাও বলা হয়েছে। এই কেন্দ্রকে পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। এই বিধি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিশেষ করে সাধারণ শ্রেণিভুক্ত পড়ুয়াদের একাংশ এই নিয়মের বিরোধিতা করে সরব হন।এই বিতর্কের জেরেই বিষয়টি পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ ইউজিসির নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশনে স্থগিতাদেশ দেয়। আদালত জানায়, আপাতত ২০১২ সালে চালু থাকা ইউজিসির আগের ইক্যুইটি রেগুলেশনই কার্যকর থাকবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এত বছর ধরে জাতিহীন সমাজ গড়ার যে চেষ্টা হয়েছে, এই নতুন নিয়মে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।যদিও কেন্দ্রের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, এই বিধি কোনওভাবেই বিভাজনের জন্য নয়। বরং বৈষম্য দূর করাই এর মূল লক্ষ্য। নতুন প্রোমোশন অফ ইক্যুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন আইন, ২০২৬-এ ধর্ম, লিঙ্গ বা জাতির ভিত্তিতে সব ধরনের বৈষম্য রোধের কথাই বলা হয়েছে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৯-২০ সালে যেখানে ১৭৩টি অভিযোগ ছিল, সেখানে ২০২৩-২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৮। এই পরিস্থিতিতেই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে বৈষম্য রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
দেশ

সোয়াট কমান্ডোও রেহাই পেলেন না! ডাম্বেল দিয়ে মেরে খুন করা হল অন্তঃসত্ত্বা কাজলকে

পণপ্রথার ভয়াবহ ছবি ফের সামনে এল। এই সামাজিক ব্যাধির বলি হলেন দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল ওয়েপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিস বা সোয়াট দলের মহিলা কমান্ডো কাজল চৌধরি। অভিযোগ, পণের দাবিকে কেন্দ্র করে স্বামী অঙ্কুর চৌধরি তাঁকে খুন করেছেন। ডাম্বেল দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয় এবং পরে দেওয়ালে মাথা ঠুকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় অঙ্কুর চৌধরিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত অঙ্কুর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্মী। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির দ্বারকা মোড় এলাকায় থাকতেন দম্পতি। ২০২৩ সালে কাজল ও অঙ্কুরের বিয়ে হয়। তাঁদের দেড় বছরের একটি সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি আবার অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলেন কাজল। চার মাসের গর্ভাবস্থায় থাকা অবস্থাতেই তাঁকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।পরিবারের অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে মূল কারণ পণের জন্য দীর্ঘদিনের অশান্তি। কাজলের ভাই নিখিল, যিনি নিজেও দিল্লি পুলিশের কনস্টেবল, দাবি করেছেন যে বিয়ের পর থেকেই কাজলকে পণের জন্য চাপ দেওয়া হত। স্বামীর পাশাপাশি শাশুড়ি ও ননদেরাও তাঁকে নানাভাবে হেনস্থা করতেন। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হত তাঁকে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২২ জানুয়ারি দম্পতির মধ্যে বিবাদ চরমে পৌঁছয়। সেই সময় অঙ্কুর প্রথমে ডাম্বেল দিয়ে কাজলের মাথায় আঘাত করেন। এরপর তাঁকে দেওয়ালে মাথা ঠুকে মারধর করা হয়। নিখিলের দাবি, অঙ্কুর নিজেই ফোন করে জানায় যে সে কাজলকে মারধর করেছে। পরে পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। কয়েক দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর মঙ্গলবার মৃত্যু হয় দিল্লি পুলিশের এই সোয়াট কমান্ডোর। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
দেশ

বাজেটের আগে বড় বার্তা মোদীর, ‘এখন সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়’

শুরু হয়ে গেল সংসদের বাজেট অধিবেশন। আজ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার আগেই, প্রথা মেনে বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে সংসদের বাইরে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে সমাধানের সময় এসেছে। সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখন। তিনি সাংসদদের কাছে আবেদন জানান, দলমত নির্বিশেষে এগিয়ে এসে দেশের স্বার্থে কাজ করার জন্য। তাঁর কথায়, গণতন্ত্রে বিরোধিতা স্বাভাবিক হলেও শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্য কাজ করাটাই আসল। এই সরকার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজের ডেলিভারির উপর জোর দিয়েছে এবং সেই পরম্পরা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের গণতন্ত্র ও জনসংখ্যাগত বৈচিত্র আজ গোটা বিশ্বের কাছে অনুপ্রেরণা। এই সরকারের মূল পরিচয় হল রিফর্ম, পারফর্ম এবং ট্রান্সফর্ম। তাঁর দাবি, সরকার সংস্কার করেছে, কাজ করে দেখিয়েছে এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদে দেশকে রূপান্তরের পথেও এগিয়ে নিয়ে যাবে। দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান খুঁজে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের পথে দেশ এগোচ্ছে বলেও জানান তিনি।মোদী বলেন, সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত মানুষকেন্দ্রিক। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মানবিক ব্যবস্থাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। আত্মনির্ভর ভারতের ভাবনাকে আশার আলো বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, চলতি অর্থবর্ষের শুরুতেই ভারতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে, বিশেষ করে উৎপাদন ক্ষেত্রের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।প্রধানমন্ত্রীর মতে, এই চুক্তির ফলে ২৭টি দেশের বাজার ভারতের সামনে খুলে গিয়েছে। তবে এর জন্য পণ্যের গুণমান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ গুণমানই দীর্ঘদিন মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে পারে। এই চুক্তি দেশের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্যও নতুন সুযোগ এনে দেবে বলে তিনি জানান।তিনি বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে পৌঁছনোর যাত্রা শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ২৫ বছর দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম বাজেট হতে চলেছে এটি। উল্লেখ করেন, নির্মলা সীতারামন দেশের প্রথম মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসেবে সংসদে টানা নবার বাজেট পেশ করতে চলেছেন।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আগের দিন রাষ্ট্রপতি সংসদের উভয় কক্ষে সাংসদদের উদ্দেশে দিশা দেখানো বক্তব্য রেখেছেন। সেই বক্তব্যে এই অধিবেশন ও আগামী দিনের জন্য সাংসদদের কাছে নানা প্রত্যাশার কথা বলা হয়েছে। তাঁর বিশ্বাস, সব সাংসদই সেই বক্তব্য গুরুত্ব দিয়ে শুনেছেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করবেন। এভাবেই শুরু হল চলতি বছরের বাজেট অধিবেশন।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টাতেই সর্বনাশ, র‌্যাডার থেকে উধাও হয়ে গেল বিমান

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। টেবিলটপ রানওয়ে না কি কম দৃশ্যমানতাকোনটি এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি সকালে মুম্বই থেকে বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অজিত পওয়ার। সকাল প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁর প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে নামার সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছলে যায়। তার পরেই আছড়ে পড়ে বিমানে বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনার পর ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য অনুযায়ী, বম্বার্ডিয়ার লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমানটি সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে উড়ান শুরু করে। আরব সাগরের উপর দিয়ে উড়ে সেটি বারামতীর দিকে যায়। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দৃশ্যমানতা কম থাকায় তখন বিমানটি নামতে পারেনি বলে জানিয়েছে এয়ারক্রাফ্ট অপারেটর ভিএসআর ভেনচার।এর পরে সকাল ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। ঠিক তিন মিনিট পর, অর্থাৎ সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ র্যাডার থেকে উধাও হয়ে যায় বিমানটি। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, রানওয়ে ১১-র প্রান্তে একটি বিমান আছড়ে পড়ে আগুন ধরে গিয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমানটি মাটিতে পড়তেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের গোলায় পরিণত হয়। ঘন কালো ধোঁয়া ও লেলিহান শিখা পুরো বিমানটিকে গ্রাস করে নেয়। ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট, পাইলট এবং ফার্স্ট অফিসার। দুর্ঘটনায় কেউই বাঁচেননি।ডিজিসিএ এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ না করলেও, বিমান সংস্থার তরফে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে, কম দৃশ্যমানতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে রানওয়ের গঠন ও অবতরণ প্রক্রিয়ায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টাতেই সর্বনাশ, ১০০ ফুট উপর থেকে আছড়ে পড়ল অজিত পওয়ারের বিমান

বুধবার সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতি বিমানবন্দরে নামার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের ব্যক্তিগত বিমান। প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার পর পাইলট দ্বিতীয়বার বিমান নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময়ই আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে।ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন আরও চার জন। তাঁদের মধ্যে দুজন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং দুজন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছিল, তা নিয়ে সামনে এসেছে প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রথমবার অবতরণে ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটি দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টা করে। সেই সময় প্রায় ১০০ ফুট উপর থেকে খুব দ্রুত গতিতে নিচের দিকে নামতে শুরু করে বিমানটি। দেখেই মনে হচ্ছিল, বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটতে চলেছে। মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে।বিমানটি ভেঙে পড়ার পর পরই একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে এবং কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রবল আগুনের কারণে কেউই বিমানের কাছে পৌঁছতে পারেননি।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, যে মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন অজিত পওয়ার, সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমান। বিমানটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল ভিটি-এসএসকে। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটি বারামতিতে দ্বিতীয়বার অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটরেডার২৪-ও জানিয়েছে, দ্বিতীয় অবতরণের চেষ্টার সময়ই বিমানটি ভেঙে পড়ে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রাইভেট প্লেন ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত, প্রয়াত অজিত পাওয়ার

আজ সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতীতে খুবই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান মুম্বাই থেকে বারামতীর দিকে যাচ্ছিল, সেখানে জরুরি অবতরণ করার সময় বিমানটি ছাড়িয়ে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে ভস্মীভূত হয়। দুর্ঘটনার কারণে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ বিমানের সাথে থাকা সকলেই মারা গেছেন।DGCA ও স্থানীয় প্রশাসনের খবর অনুযায়ী, সকাল ৮:৪০ টার সময় বারামতী বিমানবন্দরেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানটিতে ছিল মোট ছয়জন, যার মধ্যে পাওয়ারসহ পাইলট, সহকারী পাইলট ও অন্যান্য সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং কেউই বাঁচেননি।স্থানীয় ঘটনাস্থলে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুনে ঘিরে যায় এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। নিহতদের দেহ সংগ্রহ করে হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে, দলিলাগুলো নিশ্চিত হওয়ার পর আরও বিস্তারিত জানানো হবে।এই শোকাবহ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে গভীর শোক দেখা দিয়েছে। নেতারা এবং সাধারণ মানুষ অজিত পাওয়ারের অকাল প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

পরিত্যক্ত গুদামে লুকোনো ছিল মৃত্যু মজুত, উদ্ধার ৯৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

প্রজাতন্ত্র দিবসের ঠিক আগেই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। প্রায় ১০ হাজার কেজি বিস্ফোরক মিলল একটি পরিত্যক্ত ওয়ারহাউস থেকে। এত বিপুল বিস্ফোরক কোথা থেকে এল, কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় নাশকতার ছক ছিল কি না, তা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি শনিবার রাতে রাজস্থানের নাগৌর জেলার হারসৌর গ্রামে একটি পরিত্যক্ত গুদামে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় ৯ হাজার ৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। মোট ১৮৭টি বস্তায় ভরা ছিল এই বিস্ফোরক। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালানো হয়।এই ঘটনায় সুলেমান খান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে আগেও তিনটি অপরাধমূলক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তাকে জেরা করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।প্রসঙ্গত, এর আগেও দেশের একাধিক বড় বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার হয়েছিল। গত বছরের নভেম্বর মাসে দিল্লির লালকেল্লার কাছে যে গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, সেখানেও এই বিস্ফোরক ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছিল।শুধু অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নয়, ওই ওয়ারহাউস থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে নয় কার্টন ডিটোনেটর, ১২ কার্টন নীল ফিউজ তার এবং পাঁচ বান্ডিল লাল তার। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই সবই বিস্ফোরক তৈরির কাজে ব্যবহার করা হত।তবে ধৃত সুলেমান খান জেরায় দাবি করেছে, এই বিস্ফোরক রাজস্থানের বেআইনি খননকারীদের কাছে সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল। যদিও পুলিশ এই দাবি খতিয়ে দেখছে। পুরো ঘটনার পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই বড় সম্মান, বিশিষ্ট সেবা পদক পাচ্ছেন কর্নেল সোফিয়া কুরেশি

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের রাতেই এল বড় সুখবর। কর্নেল সোফিয়া কুরেশিকে বিশিষ্ট সেবা পদকে সম্মানিত করার ঘোষণা করল রাষ্ট্রপতি ভবন। দেশের সামরিক বাহিনীতে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান, কঠিন অপারেশনাল দায়িত্বে দক্ষ নেতৃত্ব এবং কমান্ড স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মান দেওয়া হচ্ছে।২৫ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই কেন্দ্রের তরফে গ্যালান্ট্রি ও ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডসের তালিকা প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরে মোট ৮৫ জনকে বিশিষ্ট সেবা পদকে সম্মানিত করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর অফিসারদের অসাধারণ কাজ ও দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবেই এই পদক প্রদান করা হয়।দেশবাসীর কাছে কর্নেল সোফিয়া কুরেশি বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন অপারেশন সিঁদুর-এর সময়। ওই অপারেশনের সরকারি ব্রিফিংয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। কীভাবে পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা, তার বিস্তারিত তথ্য, ছবি ও প্রমাণ দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন সোফিয়া। তাঁর আত্মবিশ্বাসী নেতৃত্বে দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে গর্বের অনুভূতি। সেই সঙ্গে আবারও সামনে আসে নারী শক্তির বার্তা।তবে কর্নেল সোফিয়া কুরেশির পরিচিতি শুধু এই অপারেশনেই সীমাবদ্ধ নয়। এর আগেও তাঁর পেশাদারিত্ব ও দক্ষ নেতৃত্ব জাতীয় স্তরে প্রশংসিত হয়েছে। ২০১৬ সালে তিনি প্রথম মহিলা অফিসার হিসেবে ১৮টি দেশের অংশগ্রহণে একটি আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়ায় ভারতীয় বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেই সময়েই তিনি প্রথমবার খবরের শিরোনামে উঠে আসেন।সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, একের পর এক কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং দায়িত্বে সফল নেতৃত্ব দেওয়া, বাহিনীর প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা এবং অপারেশনাল দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্যই তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, এ বছর রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন বিভাগে একাধিক সামরিক সম্মান অনুমোদন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে কীর্তি চক্র, শৌর্য চক্র এবং বীরত্বের জন্য সেনা পদক। পাশাপাশি পরম বিশিষ্ট সেবা পদক, অতি বিশিষ্ট সেবা পদক এবং যুদ্ধ সেবা পদকও রয়েছে তালিকায়।এছাড়াও সম্মানপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ৮১ জন মেনশন-ইন-ডিসপ্যাচেস। তাঁরা অপারেশন রক্ষক, অপারেশন স্নো লেপার্ড, অপারেশন হিফাজত, অপারেশন অর্কিড, অপারেশন মেঘদূত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানে অংশ নিয়ে সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। উদ্ধার ও আহতদের সরিয়ে নেওয়ার মতো ঝুঁকিপূর্ণ মিশনেও তাঁদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

ভোটের মুখে পদ্ম সম্মান! এগিয়ে বাংলা, কেরলকে কেন এত গুরুত্ব দিল কেন্দ্র?

এগিয়ে বাংলা, তার পরেই কেরল। ভোটের মুখে এই দুই রাজ্যে কেন্দ্র বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু না হলেও তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে।প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর বাংলা থেকে পদ্ম সম্মান পেয়েছেন ১১ জন, আর কেরল থেকে পেয়েছেন আট জন। এই দুই রাজ্যই চলতি বছরে বিজেপির কাছে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই সম্মানের তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক গুঞ্জন।চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখের নাম রয়েছে। এমনকি রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও। কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন মোট ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তিনি গুরুজি বা দিশম গুরু নামে পরিচিত ছিলেন।শিবু সোরেনের পাশাপাশি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন কেরলের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি এস অচ্যুতানন্দন। সাধারণত বামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় সম্মান গ্রহণ করেন না। অতীতে জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভারতরত্ন এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বিষয়টি। প্রয়াত এই বাম মুখ্যমন্ত্রীকে এ বছর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করছে কেন্দ্র।এই সম্মান নিয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন কোনও মন্তব্য করতে চাননি। দলের তরফে শুধু জানানো হয়েছে, কেরল সরকার অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের জন্য সুপারিশ করেনি। একই সুর শোনা যাচ্ছে বাংলার বাম শিবিরেও। এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ তাঁরা।তবে অচ্যুতানন্দনের পুত্র অরুণকুমার কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বাবার এই সম্মানে তিনি খুশি বলে জানান। উল্লেখ্য, শুধু অচ্যুতানন্দনই নন, কেরল থেকে এ বছর আরও সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পদ্ম সম্মানের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

২০২৬-এর প্রথম মন কি বাতেই বড় বার্তা, ভারতীয় পণ্যের মান নিয়ে কড়া নির্দেশ মোদীর

২০২৬ সালের প্রথম মন কি বাত-এ দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ভারতের স্টার্টআপ শক্তি, উৎপাদন ক্ষেত্রে গুণমানের গুরুত্ব এবং তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা। স্টার্টআপ ইন্ডিয়া উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত আজ বিশ্বমানের স্টার্টআপ কেন্দ্র হয়ে উঠছে। তাঁর কথায়, ভারতীয় পণ্যের মান হতে হবে সর্বোচ্চ। শুধু চলছে ভাবনা নয়, জিরো ডিফেক্ট, জিরো ইফেক্ট মানসিকতা নিয়ে কাজ করার সময় এসেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ গবেষণা, গ্রিন হাইড্রোজেনের মতো ক্ষেত্রে দেশের তরুণরা নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ভারতের নাম উজ্জ্বল করছে। যুব সমাজের এই উদ্যম ও সৃজনশীলতাই আগামী দিনে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।জাতীয় ভোটার দিবসের কথাও উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। নতুন ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেই দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।মন কি বাত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সফল উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরপ্রদেশে নদী পুনরুজ্জীবনের কাজ, অন্ধ্রপ্রদেশে জল সংরক্ষণের উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় মিলেট বা শ্রীধান্যের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয় প্রবাসীদেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদেশের মাটিতেও তাঁরা ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন।ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট। এই সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে দেশের উন্নয়নে বড় ভূমিকা নিতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান তিনি। সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের প্রথম মন কি বাত অনুষ্ঠানে আত্মনির্ভর ভারত, প্রযুক্তি, গণতন্ত্র ও সংস্কৃতির বার্তাই তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

আরজি কর মামলার তদন্তকারী অফিসারই পাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার, তীব্র বিতর্ক

আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্ত যাঁর নেতৃত্বে হয়েছিল, সেই সিবিআই অফিসার ভি চন্দ্রশেখর এ বার সাধারণতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন। তিনি বর্তমানে সিবিআইয়ের জয়েন্ট ডিরেক্টর পদে কর্মরত। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রের তরফে দেখানো হয় বিশেষ অবদান রাখা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। দুধরনের পদক দেওয়া হয়একটি বিশেষ পরিষেবার জন্য এবং অন্যটি উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য। এ বছর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মোট ৩১ জন অফিসার রাষ্ট্রপতি পদক পাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন ভি চন্দ্রশেখর।তবে আরজি কর মামলার তদন্ত ঘিরে শুরু থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে সিবিআই। আদালতেও একাধিকবার তদন্ত নিয়ে ভর্ৎসনা শুনতে হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে। এমনকি নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মাও সিবিআইয়ের তদন্তে আস্থা রাখতে পারেননি। সম্প্রতি ধর্ষণ ও খুনের মামলায় শিয়ালদহ আদালতে অষ্টম স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। সেই রিপোর্ট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের দাবি, ওই রিপোর্টে কোনও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নেই।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার হল থেকে ওই মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা পুলিশ সঞ্জয় রায় নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যায়। যদিও তদন্তে আর কোনও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সংস্থা। শেষ পর্যন্ত শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয় রায়কেই দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।এই বিষয়টি নিয়েই বারবার প্রশ্ন তুলেছে নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, সিবিআই তদন্তে গাফিলতি হয়েছে বলেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্য কেউ ধরা পড়েনি। আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর শিয়ালদহ আদালত চত্বরে এক সিবিআই তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন নির্যাতিতার বাবা। পরিস্থিতি সামাল দেন পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা।এ দিকে, সঞ্জয় রায়ের সর্বোচ্চ সাজা বা প্রাণদণ্ড চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই। সেই মামলা বর্তমানে ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন। পাশাপাশি আরজি কর হাসপাতালের দুর্নীতির অভিযোগেও তদন্ত করছে সিবিআই। তবে সেই মামলাতেও এখনও পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগেই বড় সাফল্য! বিল্লাওয়ারে খতম জইশ জঙ্গি

জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে নিহত হল এক জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি। শুক্রবার নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ার এলাকায় জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সেনা এবং সিআরপিএফ একসঙ্গে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ওই পাক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে উপত্যকায় জঙ্গি নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সংক্রান্ত কিছু নির্দিষ্ট তথ্য নিরাপত্তা সংস্থার হাতে আসে। এর পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করা হয়। তারই ফল হিসেবে বিল্লাওয়ারে এই সাফল্য মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, প্রায় দশ দিন আগেই বিল্লাওয়ার এলাকায় জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তারপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছিল। সেনার দাবি, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরই শুক্রবার নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এক জঙ্গি সেখানে আত্মগোপন করে রয়েছে এমন তথ্য মিলতেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বাহিনী। ফলে অভিযানের সময় পালানোর কোনও সুযোগ পায়নি ওই জঙ্গি।একই সঙ্গে কিশ্তওয়ার জেলার পাহাড়ি জঙ্গল এলাকাতেও সেনার অভিযান চলছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে এলাকায় জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেটি গভীর জঙ্গল ও খাড়া পাহাড়ে ঘেরা। সেখানে সইফুল্লা ও আদিল নামে দুই জইশ জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছে বলে খবর মিলেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, চার দিন আগে কিশ্তওয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহিদ হন। সেই ঘটনার পর কিশ্তওয়ারে অভিযান আরও তীব্র করা হয়েছে। তল্লাশি চালিয়ে সেনা জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরারও খোঁজ পেয়েছে। গাছের আড়ালে এমন ভাবে বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছিল যে, বাইরে থেকে তা চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব। বাঙ্কারটি এমন কৌশলে বানানো, যাতে উল্টো দিক থেকে হামলা হলেও সহজে প্রতিরোধ করা যায়।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
দেশ

সাইরেন বাজতেই নিভে গেল আলো, উত্তরপ্রদেশে হঠাৎ ব্ল্যাকআউট ঘিরে আতঙ্ক

সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা। হঠাৎ সাইরেনের তীব্র শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা উত্তরপ্রদেশ। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অন্ধকারে ডুবে যায় রাজ্যের সবকটি জেলা। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যোগীরাজ্যে। প্রথমে বড়সড় কোনও হামলার আশঙ্কা তৈরি হলেও পরে জানা যায়, জঙ্গি হামলা বা যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রস্তুতি নিতে গোটা রাজ্য জুড়ে একটি মক ড্রিল চালানো হচ্ছিল।প্রশাসন সূত্রে খবর, সাইরেন বাজতেই সক্রিয় হয়ে ওঠে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ও প্রশাসন। বরেলি, মিরাট, লখনউ, কানপুর-সহ রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরের সংবেদনশীল এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী। এই মক ড্রিলে অংশ নেয় সিভিল ডিফেন্স, এডিআরএফ, এনডিআরএফ, দমকল এবং স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরাও। সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে আতঙ্ক না ছড়ায়, সে কারণে আগেই এই মহড়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, গোটা রাজ্যে ব্ল্যাকআউট করা হলেও জরুরি পরিষেবা যেমন হাসপাতাল, রেল স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাগুলিকে এর বাইরে রাখা হয়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানেই এই মহড়া চালানো হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ধীরে ধীরে সমস্ত জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়। সরকারের দাবি, এই মক ড্রিল সম্পূর্ণ সফল হয়েছে।প্রশাসন সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি বা বিমান ও ড্রোন হামলার আশঙ্কা থাকলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য ব্ল্যাকআউট ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শহরের সমস্ত আলো বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে শত্রুপক্ষ সহজে লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করতে না পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে নাগরিকদের ঘরের ভিতরেই থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
দেশ

মোদির উদ্বোধন করা ট্রেনেই আবর্জনার পাহাড়, ভাইরাল ভিডিওতে ক্ষোভ

ভোটের মুখে বাংলায় এসে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু উদ্বোধনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিতর্কে জড়াল সেই আধুনিক ট্রেন। হাওড়া-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটের বন্দে ভারত স্লিপারের পরীক্ষামূলক যাত্রার সময় ট্রেনের ভিতরের একাধিক ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। ঝাঁ-চকচকে নতুন ট্রেনের কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে প্লাস্টিকের প্যাকেট, চামচ ও বিভিন্ন আবর্জনা। উদ্বোধনের দিনেই যাত্রীদের আচরণ নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।১৭ জানুয়ারি, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় হাওড়া-গুয়াহাটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। যদিও বাণিজ্যিকভাবে এই ট্রেন চলবে ২২ জানুয়ারি, সরস্বতী পুজোর দিন থেকে। উদ্বোধনের দিন পরীক্ষামূলক যাত্রায় বন্দে ভারত স্লিপারের আধুনিক কোচ, উন্নত সুযোগ-সুবিধা এবং প্রায় বিমানের মতো অভিজ্ঞতার ছবি ও ভিডিও সামনে আসে। যা দেখে অনেকেই ট্রেনটিকে ভারতের রেলের নতুন যুগের প্রতীক বলে প্রশংসা করেন। কিন্তু সেই আনন্দের মধ্যেই ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিওতে ধরা পড়ে ট্রেনের ভিতরের নোংরা ছবি।ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্লিপার কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের প্যাকেট ও আবর্জনা। ওই ভিডিও পোস্ট করে এক ব্লগার সরাসরি যাত্রীদের একাংশের দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, এটা রেলের গাফিলতি নয় বা সরকারের গাফিলতি নয়, এটা যাত্রীদেরই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, উদ্বোধনের দিনেই একটি নতুন ট্রেনের এই অবস্থা করে ফেলেছি আমরা। এটাই কি আমাদের নাগরিক দায়িত্ববোধ? ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ট্রেন বিশ্বমানের হতে পারে, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা এখনও অনেক পিছিয়ে।এই ভিডিও দেখে হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন বহু নেটিজেন। তাঁদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, সাধারণ মানুষেরও। কারণ ট্রেন ব্যবহার করেন যাত্রীরাই। ভাইরাল ভিডিও নজরে এসেছে রেল কর্তৃপক্ষেরও। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রেলের সম্পত্তি পরিষ্কার রাখা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। এভাবে কোচে আবর্জনা ফেললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।একদিকে যখন যাত্রীদের একাংশের আচরণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে, অন্যদিকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের খাবার নিয়েও একাধিক ভিডিও সামনে এসেছে। সেই সব ভিডিওতে খাবারের গুণমানের প্রশংসা করেছেন বেশিরভাগ যাত্রী। বিমানের মতো খাবার পরিবেশন ও পরিষেবায় খুশি অনেকেই। তবে সব প্রশংসার মাঝেও নতুন ট্রেনের প্রথম যাত্রাতেই এই নোংরা ছবি বন্দে ভারত স্লিপারের ভাবমূর্তিতে ধাক্কা দিয়েছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

মোদীর গাড়িতে বৈঠক, তারপর একের পর এক চুক্তি— দিল্লিতে ঝড় তুললেন শেখ মহম্মদ

ঘণ্টা তিনেকের ঝটিকা সফর। এলেন, বৈঠক করলেন, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে সই করলেন, তারপরই ফিরে গেলেন। সোমবার সুদূর সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে সংক্ষিপ্ত সফরে ভারতে এলেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাঁকে স্বাগত জানাতে নিজে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিমানবন্দর থেকেই প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে করে দুই রাষ্ট্রনেতা বৈঠকে যান।এই সফরের একাধিক মুহূর্ত নিজের সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে মোদী লেখেন, প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ তাঁর ভাইয়ের মতো, তাঁর এই সফর ভারত ও আরব আমিরশাহির গভীর ও দৃঢ় বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন।নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এই সংক্ষিপ্ত সফরে ভারতে এসেছিলেন আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট। মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই বৈঠকে বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, শক্তি, মহাকাশ গবেষণা, খাদ্য সুরক্ষা এবং ডিজিটাল সহযোগিতার মতো একাধিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও জোরদার হয়েছে।গুজরাটের ধোলেরায় বিশেষ বিনিয়োগ অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য সম্মতিপত্রে সই হয়েছে। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও সহযোগিতা আরও গভীর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শক্তি ক্ষেত্রে ভারতের হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এবং আবু ধাবির ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির চুক্তি হয়েছে। ভারতে সুপার কম্পিউটিং ক্লাস্টার গড়তে আরব আমিরশাহির সহযোগিতার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। দুই দেশই ২০৩২ সালের মধ্যে ভারত-আরব আমিরশাহির বাণিজ্য দ্বিগুণ করে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।এছাড়া গুজরাটে আবু ধাবি ব্যাঙ্ক ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের অফিস খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ, যার ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা। ডিজিটাল দূতাবাস স্থাপন এবং আবু ধাবিতে ভারতীয় সংস্কৃতি তুলে ধরতে হাউজ অব ইন্ডিয়া তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে দুই দেশের যুব সমাজের আদানপ্রদান আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তেও সহমত হয়েছে নয়াদিল্লি ও আবু ধাবি।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

‘আমি একজন কার্যকর্তা, নিতিন নবীন আমার বস’— শপথ মঞ্চে চমকপ্রদ মন্তব্য মোদীর

নিজস্ব সংবাদদাতা: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে নিতিন নবীনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঞ্চে উঠে নতুন সভাপতিকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি দল ও সংগঠন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন তিনি।বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব গ্রহণ করায় নিতিন নবীনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপিতে সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক। জনসেবা ও রাষ্ট্রসেবাই এই সংগঠনের মূল ভিত্তি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, অটলবিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আডবানি এবং মুরলী মনোহর যোশীর নেতৃত্বে বিজেপি শূন্য থেকে আজকের এই উচ্চতায় পৌঁছেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, জে পি নাড্ডার নেতৃত্বে বিজেপি পঞ্চায়েত থেকে সংসদ পর্যন্ত নিজের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করেছে। নিজের পরিচয় প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদী বলেন, তিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, কম বয়সে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন এ সব পরিচয় থাকলেও তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় হল তিনি বিজেপির একজন কার্যকর্তা। দলের ক্ষেত্রে তিনি একজন কর্মী, আর নিতিন নবীন এখন তাঁর বস এমন কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।নিতিন নবীনকে প্রশংসা করে মোদী বলেন, এতদিন তাঁকে যে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, প্রতিটিতেই তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তিনি এমন এক প্রজন্মের প্রতিনিধি, যিনি ছোটবেলায় রেডিও দেখেছেন আর আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করছেন।বিজেপিকে একটি পরিবার বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দলে সদস্যপদের থেকেও সম্পর্কের গুরুত্ব বেশি। এখানে নেতৃত্ব বদলায়, কিন্তু দলের আদর্শ ও দিশা বদলায় না।রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও তেলঙ্গানায় বিজেপি মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে সাধারণত মানুষের আস্থা কমে যায়, কিন্তু বিজেপি সেই ধারা ভেঙেছে। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং বিহারে আগের থেকে বেশি ভোট পেয়ে ফের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।শেষে তিনি বলেন, গত দেড় থেকে দুই বছরে বিজেপির উপর মানুষের ভরসা আরও বেড়েছে। বিধানসভা থেকে শুরু করে বিভিন্ন নির্বাচনে দলের সাফল্যের হার আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের দাবিতে সিলমোহর, এসআইআর শুনানিতে বিএলএ-দের অনুমতি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রে বিএলএ-দের থাকার অনুমতি দেওয়ার দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস শুরু থেকেই সরব ছিল। সোমবার সেই দাবিতেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, এবার থেকে বিএলএ-রা শুনানিতে থাকতে পারবেন। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে তাঁরা কোনও ভোটারের হয়ে সওয়ালও করতে পারবেন।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোর্টে হারিয়েছি, এপ্রিলে ভোটে হারাব। তবে এই রায়কে তৃণমূলের নৈতিক জয় হিসেবে মানতে নারাজ বিজেপি।এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়। সেখানেই তৃণমূলের একাধিক দাবি মান্যতা পায়। দুসপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, তাঁরা নিজের পক্ষে সওয়াল করার জন্য যে কাউকে সঙ্গে রাখতে পারবেন। আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী বা বিএলএ-দের সাহায্য নেওয়ারও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তার জন্য সংশ্লিষ্ট ভোটারকে স্বাক্ষর বা টিপসই দিয়ে লিখিত অনুমতি দিতে হবে। সেই অনুমতি থাকলেই বিএলএ কোনও ভোটারের হয়ে শুনানিতে হাজির থাকতে পারবেন।এই রায় প্রসঙ্গে তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এতদিন বিএলএ-দের শুনানিতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। নির্বাচন কমিশনের একাধিক আপত্তিও ছিল। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, কোনও ভোটার চাইলে শুনানিতে অন্যের সাহায্য নিতে পারেন। সেই সাহায্যকারী হিসেবে বিএলএ-দেরও রাখা যাবে।তৃণমূল এই রায়কে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে। তবে বিজেপির বক্তব্য, যেখানে গণতন্ত্রই ঠিকমতো চলছে না, সেখানে নৈতিক জয়ের প্রশ্নই ওঠে না। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এখনও ফর্ম সেভেন জমা দিতে গেলে তা ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এই কাজ তৃণমূলই করছে বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, যতদিন না পুরো প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে, ততদিন নির্বাচন হওয়া উচিত নয়।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

ইরান থেকে ভারতে ফিরলেন আটকা পড়া ভারতীয়রা, IGI বিমানবন্দরে শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য

অবশেষে শেষ হলো আতঙ্ক। ইরান থেকে আটকে থাকা ভারতীয়রা ফিরলেন দেশে। শুক্রবার রাতে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই বাণিজ্যিক বিমান অবতরণ করে। ইরানের বিক্ষোভ-আন্দোলনের জেরে যে সতর্কবার্তা দিয়েছিল ভারতীয় সরকার, তা কার্যকর হয়, আর শেষ পর্যন্ত আটকে থাকা সবাই নিরাপদে দেশে ফিরে এল।ভারতের বিদেশমন্ত্রক আগেই বলেছিল, প্রয়োজন ছাড়া ইরানে যাওয়া বারণ। ইরানে থাকা ভারতীয়দের দ্রুত ভারতে ফিরে আসতে বলা হয়েছিল এবং তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে ইরানের আকাশপথ বন্ধ থাকায় বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। অবশেষে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল চালু হতেই আটকে থাকা ভারতীয়রা দেশে ফিরলেন।ভারতে ফিরে এসেই সবাই কেন্দ্রীয় সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন। তারা জানালেন, তেহরান থেকে সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন এবং উদ্ধারকাজে দূতাবাস ক্রমাগত তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল।এক এমবিবিএস পড়ুয়া বলেন, বিক্ষোভের খবর শুনেছি, কিন্তু নিজের চোখে কোনও মিছিল দেখিনি। শেষ কয়েকদিন ইন্টারনেট বন্ধ ছিল। অন্য একজন ভারতীয়, যিনি এক মাস ধরে ইরানে ছিলেন, তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীরা আমাদের গাড়ির সামনে এসে কিছু অশান্তি করত। ইন্টারনেট না থাকার কারণে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। সবাই চিন্তায় ছিল।একজন ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারও জানান, সবাই ভয়ভীতিতে ছিল। তেহরানে আগুন লাগানো হচ্ছিল, ভিড় কিছুটা ভয়ঙ্কর ছিল। তবে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা শাসকদের সমর্থকের তুলনায় কম ছিল।কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, এখনও ইরানে প্রায় ৯০০০ ভারতীয় রয়েছেন। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে সরকার তাদের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ...
  • 52
  • 53
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লি যাওয়ার আগে বিস্ফোরক চিঠি মমতার! ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই রবিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠির মূল বিষয়, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া।চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, বাংলায় ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যে পদ্ধতি অনুসরণ করছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়ার জেরে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। মমতার চিঠি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্যায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক মাস আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০। নতুন চিঠিতে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।মমতা আরও লিখেছেন, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়োগের কোনও আইনি ভিত্তি নেই। শুরু থেকেই বাংলায় নির্বাচনী রোল সংশোধনের ক্ষেত্রে ERO এবং AERO-দের ভূমিকার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের একমাত্র আইনগত ক্ষমতা ERO এবং AERO-দের। অথচ সেই ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেখানে SIR প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে কেন এই ধরনের মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়নি। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ত্রিপুরা ক্যাডারের চার জন আইএএস অফিসার-সহ একাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।মমতার অভিযোগ, কিছু পর্যবেক্ষক বেআইনিভাবে CEO অফিস থেকে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য বদলের চেষ্টা করছেন। এর ফলে বহু যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে এবং তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, SIR প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে এই বিষয়গুলির তাৎক্ষণিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।একই আইন সারা দেশে প্রযোজ্য হলেও পশ্চিমবঙ্গে আলাদা নিয়মে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতার দাবি, এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মানুষের আস্থা ও মানবাধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

স্কটিশ চার্চ কলেজে রহস্যমৃত্যু! হস্টেল থেকে উদ্ধার ছাত্রীর নিথর দেহ

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের হস্টেলেই থাকতেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋষিতার বাড়ি ত্রিপুরায়। গত ২৪ জানুয়ারি হঠাৎই হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হলে প্রথমে তাঁকে হস্টেলের সিক রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকেরা জানান।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষক্রিয়ার কারণেই ছাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঋষিতা বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি কোনও ওষুধ সেবন করেছিলেন বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। সেই ওষুধ থেকেই বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। সব দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে স্কটিশ চার্চ কলেজে একটি গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, ওই অধ্যাপক মূলত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রীদের টার্গেট করতেন এবং কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের অনুপযুক্ত বার্তা পাঠাতেন। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুর ট্র্যাজেডিতে বড় ঘোষণা, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের একটি গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনার চার দিন পর পর্যন্ত মোট ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার দুদিন পর ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ওই গুদামের সঙ্গে যুক্ত মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার আনন্দপুরে মিছিল করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, সরকারি চাকরির দাবি তোলেন। পাশাপাশি মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এদিকে, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন। এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের আনন্দপুরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এরপর তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এবং আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃতদের পরিবারগুলির জন্য সাহায্যের ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানান, প্রত্যেক মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হবে।প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এই আর্থিক সাহায্য শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি জোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করল যে সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পাশে রয়েছেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal