• ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৪ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

State

রাজ্য

হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও স্কুলের মিড-ডে মিল—খাদ্য খাতে বড় বরাদ্দ বৃদ্ধি রাজ্য সরকারের, ১ অগস্ট থেকে কার্যকর নতুন হার

নিজস্ব সংবাদদাতা: মূল্যবৃদ্ধির বাজারে হাসপাতালের ভর্তি রোগী এবং সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের পড়ুয়াদের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর এবং স্কুল শিক্ষা দফতর ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে পৃথক নির্দেশিকা জারি করে হাসপাতালের ফুল রাইস ডায়েট এবং পিএম পোষণ (মিড-ডে মিল) প্রকল্পে রান্নার খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর ঘোষণা করেছে। নতুন হার ১ অগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খাবারের খরচ প্রায় দ্বিগুণস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের জারি করা মেমো অনুযায়ী, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারি হাসপাতালগুলিতে ভর্তি রোগীদের জন্য ফুল রাইস ডায়েট বাবদ বরাদ্দ প্রতিদিন প্রতি রোগী ৫৬.৬৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়েছে।সরকারের বক্তব্য, খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং রোগীদের আরও উন্নত মানের খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থ দফতরের অনুমোদনের পর এই সংশোধিত হার কার্যকর করা হচ্ছে।প্রাথমিক পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলেও বাড়ল রান্নার খরচঅন্যদিকে, স্কুল শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বালবাটিকা (প্রি-প্রাইমারি) ও প্রাথমিক স্তরের সরকারি, সরকার পোষিত ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে পিএম পোষণ প্রকল্পের অধীনে রান্নার খরচে রাজ্যের অংশ বৃদ্ধি করা হচ্ছে।এতদিন কেন্দ্রীয় প্রকল্প অনুযায়ী রান্নার খরচ ছিল প্রতি ছাত্রছাত্রী ৬.৭৮ টাকা। রাজ্য সরকার অতিরিক্ত ৩.২২ টাকা বরাদ্দ দেওয়ায় মোট রান্নার খরচ বেড়ে প্রতি ছাত্রছাত্রী ১০ টাকা হবে। এই নতুন হারও ১ অগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকারের উদ্যোগসরকারি নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাজারে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের রোগীদের উন্নত খাদ্য সরবরাহ এবং স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টিকর মধ্যাহ্নভোজন নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।নতুন বরাদ্দ কার্যকর হলে সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীদের খাদ্যের মানোন্নয়ন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে মিড-ডে মিলের রান্নার ব্যয় নির্বাহে প্রশাসনের সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের কোষাগার চাঙ্গা করতে দিল্লি অভিযান! বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতে ও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়াতে বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বাংলার বাড়ি প্রকল্প ও অন্যান্য সামাজিক প্রকল্প নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে এবং কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। আসন্ন সংসদের বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রীদের দিল্লিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া ও অতিরিক্ত বরাদ্দ আদায়ই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বাড়ছে আর্থিক চাপবর্তমানে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য প্রায় ১,৯২০ কোটি টাকা রাজ্যের কোষাগার থেকে ব্যয় হচ্ছে। পূর্ববর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগের জেরে কেন্দ্রীয় অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য নিজস্ব তহবিল থেকেই প্রকল্পটি চালিয়ে আসছিল।এবার নতুন সরকার চাইছে, এই প্রকল্পকে আবার প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা (PMAY-G)-র আওতায় ফিরিয়ে আনা হোক অথবা অন্তত এক বছরের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হোক। সেই দাবিতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রীয় অংশের দাবিসূত্রের খবর, প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত ছাড় করার আবেদন জানানো হবে। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প ব্যয়ের ৬০ শতাংশ বহন করে কেন্দ্র এবং ৪০ শতাংশ দেয় রাজ্য। সেই কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুর করার আবেদনই জানাবে রাজ্য সরকার।সামাজিক প্রকল্পে বাড়তি ব্যয়রাজ্যে বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত-সহ একাধিক সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে রাজ্যের কোষাগারের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার।গুরুত্বপূর্ণ বিষয়* বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে যাবেন বিভিন্ন দফতরের রাজ্য মন্ত্রীরা।* কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা।* বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক সহায়তার আবেদন।* প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য PMAY-G-এর কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুরের দাবি।* সামাজিক প্রকল্প ও ঋণ পরিশোধের কারণে রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতেই এই উদ্যোগ।

জুলাই ০৪, ২০২৬
বিদেশ

বড় স্বীকারোক্তি নেতানিয়াহুর! প্রস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর শরীরে প্রস্টেট ক্যানসার ধরা পড়েছে। বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর তিনি নিজেই এই তথ্য স্বীকার করেছেন।নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, রোগটি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়েছিল। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই সমস্যাকে চিকিৎসার মাধ্যমে অনেকটাই দূর করা সম্ভব হয়েছে এবং এখন শরীরে বড় কোনও জটিলতা নেই।জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের কারণে তাঁর প্রস্টেটের অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছিল। সেই সময়ই একটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমার ধরা পড়ে।৭৬ বছর বয়সী এই প্রধানমন্ত্রী রেডিয়েশন থেরাপিও নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে তিনি এখন স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।নেতানিয়াহু আরও জানিয়েছেন, এই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেননি। তাঁর দাবি, ইরান যাতে কোনও ভুল বা বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাতে না পারে, সেই কারণেই বিষয়টি কিছুদিন গোপন রাখা হয়েছিল।উল্লেখ্য, ইজরায়েলের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী তিনি। অতীতেও তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়েছে। এমনকি গত বছর তাঁকে নিয়ে মৃত্যুর ভুয়ো খবরও ছড়িয়েছিল, যা তিনি প্রকাশ্যে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে খণ্ডন করেছিলেন।আগামী অক্টোবর মাসে ইজরায়েলে নির্বাচন রয়েছে। তার আগেই প্রধানমন্ত্রীর এই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত খবর সামনে আসায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মুখে সিপিএমে বড় ভাঙন! রাজ্য কমিটি ছাড়লেন প্রতীক-উর-রহমান

ভোটের মুখে সিপিএমে বড়সড় ধাক্কা। দলের রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতীক-উর-রহমান। শুধু তাই নয়, প্রাথমিক সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। নিজের পদত্যাগপত্র দলকে পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন এসএফআই রাজ্য সভাপতি। তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পদত্যাগপত্রে প্রতীক-উর জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কিছু সিদ্ধান্ত ও কাজের ধরন তাঁর সঙ্গে মিলছে না। সেই কারণে তিনি মানসিক অস্বস্তিতে ভুগছিলেন। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়াই ঠিক বলে মনে করেছেন তিনি। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ নেই।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি রাজনৈতিক পর্ব। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নিজের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি গড়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, নিজের দল নিয়ে ভোটে লড়বেন এবং তৃণমূল ছাড়া অন্য সব বিরোধী দলকে জোটের আহ্বান জানিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে সিপিএমকেও প্রস্তাব পাঠানো হয়।এরপর নিউটাউনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম-এর সঙ্গে বৈঠক করেন হুমায়ুন। এই বৈঠক ঘিরেই দলের অন্দরে মতবিরোধ তৈরি হয় বলে জানা যায়। দলের একাংশ এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও তখন তরুণ নেতা শতরূপ এই বৈঠকের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সিপিএম এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। অন্য দল হুমায়ুনকে প্রার্থী করলে বা মন্ত্রী করলে আপত্তি না থাকলেও, সিপিএম কথা বললেই কেন সমস্যা হবে সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।শতরূপের ওই মন্তব্যের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন প্রতীক-উর। সেখানে তিনি লেখেন, নীতি ও নৈতিকতা ছাড়া কমিউনিস্ট পার্টি হতে পারে না। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, কিন্তু দলের অন্দরে জল্পনা শুরু হয় যে এই মন্তব্য আসলে শতরূপকেই উদ্দেশ্য করে।এরপর রবিবার দলকে পাঠানো চিঠিতে প্রতীক-উর স্পষ্ট ভাষায় জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। তাই সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।প্রতীক-উরের পদত্যাগের পর রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সিপিএমকে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, সিপিএমের নেতৃত্বের একাংশ ও ফেসবুক নির্ভর রাজনীতির জেরে দলের প্রথম সারির যুবনেতাদের এই পরিণতি হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।ভোটের আগে সিপিএমের এই পদত্যাগ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এখন জোর চর্চা। প্রতীক-উরের এই পদক্ষেপ কি শুধু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি বড় কোনও ভাঙনের ইঙ্গিত সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

‘মোদি ফোন করেননি বলেই চুক্তি ভেস্তে!’ ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চু্ক্তি নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনীহার কারণেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হয়নিএমন দাবি সম্প্রতি করেছিলেন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক। তাঁর বক্তব্য ছিল, চুক্তির শেষ ধাপে পৌঁছতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি সেই ফোন করেননি। তার ফলেই ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে এই অভিযোগ একেবারেই খারিজ করে দিল ভারত সরকার। বিদেশমন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে কোনও মিল নেই।শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়স্বাল বলেন, গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারপর থেকে দুই দেশ একাধিকবার বৈঠকে বসেছে এবং নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তাঁর দাবি, দুদেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক লাভজনক চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে এবং আলোচনা এখনও চলছে।রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, মার্কিন বাণিজ্য সচিব যে মন্তব্য করেছেন, তা সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর। ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে আগ্রহী এবং এমন একটি চুক্তি চায়, যাতে দুই দেশেরই লাভ হয়।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে হাওয়ার্ড লুটনিক দাবি করেন, ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে শর্ত ছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ট্রাম্পকে ফোন করতে হবে। সেই ফোন না আসাতেই চুক্তি ভেস্তে যায় বলে দাবি করেন তিনি। এবার সেই বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করে দিল নয়াদিল্লি।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গের সকল বিদ্যালয়ে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হবে রবীন্দ্রনাথের “বাংলার মাটি বাংলার জল”

রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশিকায় এবার প্রতিদিন বিদ্যালয়ের প্রার্থনায় বাজবে ঐক্যের সুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি বাংলার মাটি বাংলার জল।পশ্চিমবঙ্গ সরকার জানিয়েছে, রাজ্যের সব সরকারি ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলার মাটি বাংলার জল। সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করেছে, রাজ্যের সকল সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে এখন থেকে প্রতিদিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠানে গাওয়া হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি বাংলার মাটি বাংলার জল। শিক্ষা দপ্তরের নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এই গানটি বিদ্যালয়ের প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হলো।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে এই গানটি রচনা করেছিলেন। গানটি বাংলার মাটি, মানুষ ও সংস্কৃতির ঐক্যের প্রতীক। রাজ্য সরকারের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দেশপ্রেম, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ আরও দৃঢ় হবে।শিক্ষা দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে কবিগুরু রচিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জন গণ মন অধিনায়ক জয় হে-এর পাশাপাশি প্রতিটি বিদ্যালয়ে নিয়মিত বাংলার মাটি বাংলার জল গীত হলে তা রাজ্যের সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্যের এক শক্তিশালী অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমত্যানুসারে, এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৫ সালে রচিত বিখ্যাত বাংলার মাটি বাংলার জল গানটি বিদ্যালয়ের প্রারম্ভে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়ার জন্য অনুমোদিত হল। কবি pic.twitter.com/OjWD68ddjD Bratya Basu (@basu_bratya) November 6, 2025পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু সামাজিক মাধ্যমে জানান, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমত্যানুসারে, এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৫ সালে রচিত বিখ্যাত বাংলার মাটি বাংলার জল গানটি বিদ্যালয়ের প্রারম্ভে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়ার জন্য অনুমোদিত হল। কবি কর্তৃক রচিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জনমনগণ অধিনায়ক জয় হের প্রতি বিদ্যালয়ে নিয়মিত গাওয়ার পাশাপাশি, এই রাজ্যসঙ্গীত গীত হলে, তা সমগ্র রাজ্যের সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্যর বিশেষ অনুঘটক হিসেবে সর্বদা সজাগ ও সক্রিয় থাকবে বলে আমরা দৃঢ়বিশ্বাসী।তৃণমূল ঘনিষ্ট শিক্ষাবিদদের ধারণা, এই গান কেবল একটি সংগীত নয়, এটি বাংলার আত্মপরিচয়ের প্রতীক। বিদ্যালয়ে প্রতিদিন এই গান গাওয়া হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গর্ব ও ঐক্যের চেতনা জাগ্রত হবে।শিক্ষক সমাজ এবং সাংস্কৃতিক মহলের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এই উদ্যোগ এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলার মাটি বাংলার জল গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনের সময় রচিত হয়েছিল। আজও এই গানের প্রতিটি শব্দ বাংলার মানুষকে ঐক্য, ভালোবাসা ও মানবতার বার্তা দেয়।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
ব্যবসা

এই ব্যাংকে আপনার অ্যাকাউন্ট আছে? বদলে গেছে নিয়ম, না জানলে মুশকিলে পড়বেন

স্বাধীনতা দিবস থেকে দেশের এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে একটি পরিষেবায় বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। গতকাল অর্থাৎ থেকে সেই নিয়ম পাল্টে গেছে।স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। আপনি যদি SBI- এর গ্রাহক হন তবে এই খবর জেনে নেওযয়া অত্যন্ত জরুরি।গতকাল অর্থাৎ ১৫ আগস্ট থেকে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ইমিডিয়েট পেমেন্ট সার্ভিস বা IMPS-এ বদল এনেছে। খুচরো গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই এই নিয়ম পাল্টেছে। তবে আপনি যদি স্টেট ব্যাংকের কর্পোরেট গ্রাহক হন তবে এই নিয়ম আপনার জন্য বলবৎ হবে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে। অনলাইনে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য আই এম পি এস পরিষেবা ব্যবহার করে থাকেন গ্রাহকরা। এক্ষেত্রে নতুন নিয়মে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আপনাকে কোন চার্জ দিতে হবে না। তবে ২৫০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ২ টাকা চার্জ দিতে হবে। ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ৬ টাকা। ২ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ১০ টাকা। এই ফি-র সঙ্গেই যুক্ত হবে জিএসটির খরচ। এস বি আই-এর কোন শাখা থেকে টাকা পাঠাতে চাইলে ১০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে কোন চার্জ লাগবে না। তবে ১ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ২ টাকা। তেমনি ১০ থেকে ২৫ হাজার টাকা লেনদেনে দিতে হবে ৪ টাকা। ২৫০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ৬ টাকা। তেমনি ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ১২ টাকা, দুই থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ২০ টাকা দিতে হবে। এর সঙ্গেই ফের যুক্ত হবে GST- এর খরচ।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
রাজনীতি

সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই শমীকের হুঙ্কার: "কেবল ২০০টি আসন নয়, তৃণমূলকে পরপারে পাঠাবে বিজেপি"

সকল নিয়ম মেনে গতকাল সংগঠন পর্বের পর আজ সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়াম গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হল রাজ্য সভাপতি সংবর্ধনা সমারোহ। এই পর্বে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতী শুভেন্দু অধিকারী এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির একাদশতম সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দলের প্রায় জন্মলগ্ন থেকেই ভারতীয় জনতা পার্টির আদর্শ, নিষ্ঠার সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করেছেন তিনি। তাঁর অসাধারণ বাগ্মিতা, বক্তব্য রাখার সহজাত ক্ষমতা শুরু থেকেই মানুষের নজর কেড়েছিল। ধীরে ধীরে দলের যুব মোর্চার সম্পাদক, পরে তিন বার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও সামলেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। দীর্ঘদিন রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্রের দায়িত্ব সামলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অবস্থান টেলিভিশনে দৃঢ়তার সঙ্গে তুলে ধরেছেন। দীর্ঘ ৪০৪২ বছর ধরে বিভিন্ন জেলায় পার্টির কাজ দেখা, দলের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে চলেছেন নিরলসভাবে।২০০৬ সালে প্রথমবার নির্বাচনে লড়েন শ্যামপুকুর থেকে। তারপর ২০১৪ সালে বসিরহাট লোকসভা, সেই বছরেই বসিরহাট দক্ষিণ উপনির্বাচন, ২০১৯ দমদম লোকসভা ও ২০২১ এ রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভা। ২০১৪ তে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে রাজ্যে বিজেপির প্রথম নির্বাচিত বিধায়ক হন। মাত্র ১৮ মাসের বিধায়ক থাকাকালীন তাঁর বক্তৃতার যুক্তিবোধ, কার্যকারিতা এবং স্বচ্ছতা বিধানসভায় সকলের নজর কাড়ে।তিনি বরাবর বলেন, সাংগঠনিক গোপনীয়তা, মতাদর্শের প্রতি প্রগাঢ় বিশ্বাস, নেতৃত্বের প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্যই একটি সংগঠিত রাজনৈতিক দলের প্রাথমিক শর্ত। ২০২৪ সালে তিনি রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত হন। তাঁর দক্ষতা, তাঁর অভিজ্ঞতা, তাঁর মূল্যবোধের প্রতিফলন দেখা যায় সেই ক্ষেত্রেও। আজ নবীন প্রবীণ সকল কার্যকর্তার ভালোবাসা ও আবেগের মধ্যে দিয়ে তাঁর নতুন দায়িত্ব গ্রহণ পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিতে যেন এক নতুন মাত্রা যোগ করল। রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর প্রথমবার দায়িত্ব গ্রহণ করে, তিনি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন, তৃণমূলের বিসর্জনই ভারতীয় জনতা পার্টির একমাত্র লক্ষ্য। কেবল দুশো টি আসন নয়, তৃণমূলকে পরপারে পাঠাবে বিজেপি এবং ২০২৬ সালে বিজেপি বিপুল জনমত নিয়ে ক্ষমতায় আসবে এবং প্রশাসনিক কার্য পরিচালিত হবে রাইটার্স বিল্ডিং থেকে, নবান্ন থেকে নয়। এদিন কর্মীদের উদ্দেশ্যেও তিনি আসন্ন লড়াইয়ে সকলে মিলে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।

জুলাই ০৪, ২০২৫
রাজনীতি

বৃহস্পতিবার সায়েন্সসিটিতে ২০২৬ ভোটের লড়াইয়ের শপথ বিজেপির, অভিষেক নয়া রাজ্য সভাপতির

ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের সংগঠনপর্ব অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছেছে বুধবার। আজ চূড়ান্ত পর্বে প্রদেশ দপ্তরে ৬০ জন কার্যকর্তা রাষ্ট্রীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। সেগুলি গৃহীত হয়েছে।রাজ্য সভাপতি পদে মাত্র একটি পদ্ধতিগতভাবে সঠিক মনোনয়ন জমা পড়েছে। সেটাও গ্রহণ করা হয়েছে। শমীক ভট্টাচার্যের নাম সভাপতি হিসাবে ঘোষণা শুধু বাকি। বৃহস্পতিবার সায়েন্সসিটির সভায় তাঁকে সভাপতি হিসাবে বরণ করা হবে দলের পক্ষ থেকে। আগামীকাল সাইন্স সিটিতে রাজ্য সভাপতি নির্বাচন ও অভিনন্দন সমারোহ অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী আধিকারিক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় পরিষদের সদস্যদের নাম ঘোষিত হবে।এদিন মুরলীধর সেন লেনের পার্টি অফিসের বাইরে রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পাল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বিকেলের চা ও টোস্ট খেলেন। এই চায়ের দোকানের সাথে অনেক স্মৃতি জড়িত রয়েছে। নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক কর্মজীবনে বহুবার এই চায়ের দোকানে সময় কাটিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। বিজেপির রাজ্য জুড়ে শক্তিশালী দল হয়ে ওঠার পুরো মাত্রায় সাক্ষী ছিল এই ছোট্ট দোকানটি। পড়ন্ত বিকেলে তাই সেখানেই একটু স্মৃতিচারণা...আজ কলকাতা বিমানবন্দরে কেন্দ্রীয় নির্বাচনী আধিকারিক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদকে স্বাগত জানালেন রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পাল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।আগামীকাল সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে চলা রাজ্য সভাপতি অভিনন্দন সমারোহ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সম্মাননীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য পদাধিকারীগণের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০২, ২০২৫
নিবন্ধ

৮ জুন শুধুই কি একটা আন্তর্জাতিক নারী দিবস? এ লড়াই যেন অনন্তকালের

আজকের দিন শুধু একটা আন্তর্জাতিক নারী দিবস নয়, এটি নারী শক্তির জয়যাত্রা, অগ্রগতির প্রতীক এবং এক অবিরাম সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।একবিংশ শতাব্দীর এই যুগে নারী দিবস কেবল অধিকার আদায়ের স্লোগান নয়, এটি নারীদের বহুমুখী অবদানকে উদযাপন করার একটি মঞ্চ। আজকের নারী শুধু ঘরের চার দেওয়ালে আবদ্ধ নন, তিনি মহাকাশচারী, বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা, রাষ্ট্রনেতা, শিল্পী এবং আরও অনেক কিছু। প্রযুক্তি প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছেন, নিজেদের দক্ষতা ও মেধা দিয়ে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো নারীদের কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করেছে, তাদের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছে।চ্যালেঞ্জগুলো এখনও বিদ্যমান।তবে এই অগ্রগতির মাঝেও কিছু কঠোর বাস্তবতা থেকে যায়। বিশ্বের বহু জায়গায় আজও নারীরা বৈষম্য, সহিংসতা এবং অসমতার শিকার। সাইবারবুলিং, লিঙ্গভিত্তিক ডিজিটাল বিভাজন এবং অনলাইনে হয়রানি বর্তমান যুগের নতুন চ্যালেঞ্জ। কর্মক্ষেত্রে মজুরি বৈষম্য, কাঁচের ছাদ ভেঙে উচ্চ পদে পৌঁছাতে না পারা এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণে পিছিয়ে থাকাও এখনও বড় সমস্যা। গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত, অনেক নারী এখনও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং স্বাস্থ্যসেবার অভাবে ভুগছেন।আজকের নারী দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় আমাদের আরও অনেক দূর যেতে হবে। শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, সেগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। পুরুষ ও নারী উভয়কেই এই সমতার আন্দোলনে যুক্ত হতে হবে। শিক্ষা, সচেতনতা এবং লিঙ্গ সংবেদনশীলতা বাড়াতে হবে সমাজের প্রতিটি স্তরে।এই নারী দিবসে আমাদের ভাবতে হবে: কীভাবে আমরা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল বিশ্ব তৈরি করতে পারি, যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদে, স্বাধীনভাবে এবং সমানভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করতে পারবে? কীভাবে আমরা প্রযুক্তির শক্তিকে ব্যবহার করে নারীদের ক্ষমতায়ন করতে পারি এবং অনলাইন সহিংসতা থেকে তাদের রক্ষা করতে পারি? আজকের দিনে নারীর ক্ষমতায়ন মানে শুধু অফলাইনে নয়, অনলাইনেও তাদের সমানাধিকার নিশ্চিত করা।লিঙ্গ সমতা: কেবল নারীর সমস্যা নয়, সমাজের অগ্রগতির চালিকাশক্তিআমরা প্রায়শই লিঙ্গ সমতাকে কেবল নারীদের সমস্যা হিসেবে দেখি। কিন্তু আজকের দিনে এটি স্পষ্ট যে, লিঙ্গ সমতা শুধুমাত্র নারীর অধিকারের প্রশ্ন নয়, এটি একটি উন্নত, স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের চাবিকাঠি। যখন নারীরা শিক্ষার সুযোগ পায়, কর্মক্ষেত্রে সমান অংশীদারিত্ব পায় এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেয়, তখন পুরো সমাজ লাভবান হয়।অর্থনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে জিডিপি বাড়ে, পরিবারে সচ্ছলতা আসে। শিক্ষায় নারীর বিনিয়োগ ভবিষ্যত প্রজন্মকে আরও সচেতন ও সক্ষম করে তোলে। নেতৃত্ব পদে নারীদের উপস্থিতি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং কার্যকর নীতি নির্ধারনে সহায়তা করে।আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমাদের এই বার্তাটি জোরে বলতে হবে: লিঙ্গ সমতা কোনও বিশেষ লিঙ্গের জন্য নয়, এটি মানবজাতির সামগ্রিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। পুরুষদেরও এই সমতার সংগ্রামে সমান অংশীদার হতে হবে। তাদের সচেতনতা, সমর্থন এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া সত্যিকারের পরিবর্তন সম্ভব হয় না। আসুন, আমরা এমন একটি সমাজ গড়ি যেখানে প্রতিটি লিঙ্গ তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা নিয়ে বিকশিত হতে পারবে।মানসিক স্বাস্থ্য এবং নারী: নীরব সংগ্রাম যা দেখা জরুরিআন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমরা নারীদের বাহ্যিক অর্জন নিয়ে কথা বলি। কিন্তু প্রায়শই তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের নীরব সংগ্রামগুলো উপেক্ষিত হয়। সমাজের চাপ, কর্মজীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ, পারিবারিক দায়িত্ব এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হওয়ার কারণে নারীরা মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং বিষন্নতায় বেশি ভোগেন।অনেক সমাজে আজও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয় না। যা নারীদের সাহায্য চাইতে বাধা দেয়। শক্তিশালী নারী হওয়ার সামাজিক প্রত্যাশা তাদের ভেতরের কষ্টকে আড়াল করে রাখে। এই নারী দিবসে আমাদের উচিত এই নীরব সংগ্রামকে প্রকাশ্যে আনা।আমাদের এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে নারীরা তাদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সকলের জন্য সহজলভ্য করতে হবে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। একজন নারী শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার পাশাপাশি মানসিকভাবেও যেন সুস্থ থাকেন। তা নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। কারণ একজন সুস্থ মনের নারীই একটি সুস্থ সমাজের ভিত্তি।

জুন ০৭, ২০২৫
রাজ্য

পুজোর পর ঈদেও বাংলায় বোনাস বৈষম্য সিভিক ভলান্টিয়ারদের, অভিযোগে সরব শুভেন্দু

বিজেপির বিরুদ্ধে বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগে বরাবরই সরব থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ উঠল মমতা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। ঈদের দিনে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বোনাস বৈষম্যের অভিযোগে সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্গা পুজো ও ঈদের সময় সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাসের অঙ্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা প্রাপ্তির ছবিও তুলে ধরেছেন তিনি।বিরোধী দলনেতা এক্স হ্যান্ডেলের শুরুতেই, এক কাজ এক বোনাস-এর দাবি জানিয়েছেন। তারপর সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাসের অঙ্ক তুলে ধরেছেন।নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী সরকারি বিজ্ঞপ্তি তুলে ধরে লিখেছেন, দুর্গাপুজো সময় কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের ৫,৩০০ টাকা করে বোনাস দেওয়া হয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি দুটি অ্যাকাউন্টে ওই বোনাস প্রাপ্তির ছবিও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। ঈদে কিছু জেলা পুলিশ ৫,৩০০ টাকা বোনাস দিয়েছে, কয়েকটি জেলা ৬,০০০টাকা বোনাস দিয়েছে।I demand ONE JOB ONE BONUS.Bonus Amount for Civic Volunteers:During Durga Puja:-@KolkataPolice - Rs. 5,300/-@WBPolice - Rs. 2,000/-During Eid-ul-Fitr:-Some Police Districts - Rs. 5,300/-Other Police Districts - Rs. 6,000/-Why this disparity? All the Civic Volunteers https://t.co/WtzG2OhanT pic.twitter.com/0A2hP3oitv Suvendu Adhikari (Modi Ka Parivar) (@SuvenduWB) April 11, 2024এরপরই বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, কেন এই বৈষম্য? সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজের বিবরণ এবং দায়িত্ব একই, তাহলে তাদের দেওয়া বোনাসের পরিমাণ এক নয় কেন?এই বৈষম্যের বিষয়টির অবসানে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন শুভেন্দু। এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে অনুরোধ করছি এই বৈষম্যের অবসান ঘটাতে এবং সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করা আমাদের সকল বোন ও ভাইদের উৎসবের সময় সমানভাবে অর্থ প্রদান করতে।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
রাজ্য

পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্য পুলিশের এফআইআর, অভিযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃনাঙ্কুর সহ একাধিক তৃণমূল ছাত্র নেতা

এই প্রথম কোন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের তরফ থেকে দায়ের করা হল এফআইআর। পার্থ চ্যাটার্জির নামে এফআইআর দায়ের করলো ডিপার্টমেন্ট অফ স্কুল এডুকেশন। এফ.আই.আরে নাম রয়েছে বিনয় তামাং, তৃনাঙ্কুর ভট্টাচার্য সহ শাসক দলের বেশ কিছু নেতানেত্রীদের।কলকাতা হাইকোর্ট পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিতেই তড়িঘড়ি রাজ্য শিক্ষা সচিবের অভিযোগের ভিত্তিতে ৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল রাজ্য পুলিশ। এঁদের মধ্যে রয়েছে প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পাহাড়ের তৃণমূল নেতা বিনয় তামাং, রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি ত্রিনাঙ্কুর ভট্টাচার্য্য, ছাত্র নেতা প্রান্তিক চক্রবর্তী সহ আরও ৪ জনের নাম রয়েছে। এফআইআর এ দুর্নীতি ছাড়াও অর্থ তছরুপ, হুমকি ও সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির চিঠির অভিযোগ এফ.আই.আর হিসেবে গ্রহন করার আবেদন এর আগে জানানো হলে, তাতে বিধান নগর উত্তর থানা গুরুত্ব না দেওয়ায়,এই চিঠির বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব আদালত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। যদিও সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করেছে ডিপার্টমেন্ট অফ স্কুল এডুকেশন।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
রাজ্য

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তমত রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি হলেন রাজীব কুমার, শুভেচ্ছা জানিয়েও খোঁচা তৃণমূল নেতার

রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজীব কুমার। বুধবার মমতা মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রাজীব কুমারকে নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে তিনি কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন। এহেন আইপিএসকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজি পদমর্যাদায় উন্নীত করায় বিরোধীরা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে কসুর করছেন না। ইউপিএসসি-র কিছু নিময়ের ফেরে, আপাতত রাজীব কুমার ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করবেন।কলকাতা পুলিসের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের প্রধান সচিবের পদে কর্মরত ছিলেন। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজীবের এই পদন্নোতির কথা জানানো হয়। রাজীব কুমার কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন তাঁর নাম একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল। ২০১৩ তে বহু চর্চিত সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট গঠন করে রাজ্য সরকার। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে বিধাননগর পুলিস কমিশনারের দায়িত্বে থাকা রাজীব কুমারকে সিট-এর দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।২০১৩ তে সারদাকাণ্ডে প্রাক্তন সাংবাদিক ও তৎকালীন তৃণমূলের সাংসদ এবং বর্তমানে ওই দলেরই মুখপাত্র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিলেন রাজীব কুমার। এবং ২০১৯ সালে সেই সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলাতেই রাজীব কুমারকে অভিযুক্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সিবিআই রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সারদা মামলার তথ্য প্রমান লোপাটের মত ভয়ানক অভিযোগ তোলে। বেশ কিছুদিন লুকোচুরি খেলার পর রাজীব কুমারকে সেই সময় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হয়। ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁর বাসভবনে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তার প্রতিবাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় সিবিআই দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা-সহ একাধিক অর্থ লগ্নি সংস্থার টাকা ও সুবিধা কারা ভোগ করেছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সে সময় সিবিআই আরও জানায়, তাঁরা তদন্তে রাজীব কুমারের থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাননি।প্রসঙ্গ: রাজীব কুমার ডিজি।উনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্যবিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনো নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) December 27, 2023রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল-র (ডিজি) পদে বসানোর খবরে তৃণমূলের দলীয় মুখপাত্র ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েও তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। রাজীবকে দক্ষ আইপিএস অফিসার বলার পরমুহুর্তেই কুণালের কটাক্ষঃউনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্য বিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনও নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

বৃষ্টিতে বেহাল রাজ্য সড়কের হাল, ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় মানুষজন

হালকা বৃষ্টিতেই রাজ্য সড়ক রূপ নিয়েছে যেন চাষের ক্ষেতে। ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন পথ চলতি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১০ নম্বর রাজ্য সড়ক বরাবর বুনিয়াদপুর থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার। তার মধ্যে কুশমন্ডি থেকে বুনিয়াদপুর পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। রাস্তার মাঝে কোথাও এক হাঁটু জল, কোথাও বা বড় বড় গর্ত। এমনি দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর ও কুশমন্ডি ১০ নম্বর রাজ্য সড়কের সর্বত্র। বর্ষা শুরুর আগেই রাস্তার কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় রাজ্য সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।উল্লেখ্য,এই রাস্তা উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরকে সংযোগ স্থাপন করেছে। শিলিগুড়ি যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম এই রাস্তা। কালদিঘির মত সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যাওয়ার একমাত্র অবলম্বন এই রাস্তাটি।কুশমন্ডি হাসপাতাল থেকে কোনো রোগীকে কালদিঘি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে অ্যাম্বুলেন্স চালকদেরও পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ এই রাজ্য সড়কের বেহাল অবস্থার জন্য। যদিও টালমাটাল ভাবে রাস্তার কাজ থমকে আছে, এমনটাই অভিযোগ।কোথাও বা রাস্তার পিচ উঠে যাওয়ায় প্রলেপ হিসেবে দেওয়া হয়েছে ভাঙ্গা ইটের টুকরো। অসম্পূর্ণ রাস্তার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে একাধিকবার জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাছাড়া মোটরবাইক ও চার চাকার যানবাহন ও টোটো ওই রাস্তা দিয়ে নিয়ে যেতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন চালকেরা।গর্তের মধ্যে আটকে যাচ্ছে বাইকের চাকা, ঠেলে ঠেলে বাইক নিয়ে যেতে রীতিমত নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে বাইক চালকদের। এই নিয়ে এই ১০ নম্বর রাজ্য সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উজাড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এই বিষয়ে এলাকার এলাকার বাসিন্দা দিবাকর রায় বলেন, রাস্তার যা বেহাল দশা তাতে যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। সামনেই দুর্গোৎসব, এই রাজ্য সড়কের ধারেই আমাদের মন্ডপ তৈরি হয়।পূজার আগে রাস্তার অবস্থা যদি ঠিক না হয় তাহলে জনসাধারণ আরোও চরম বিপাকে পড়বে।এ বিষয়ে কুশমন্ডি ব্লকের বিডিও অমরজ্যোতি সরকার জনতার কথাকে জানান, মূলত জল নিকাশি ব্যবস্থার জন্যই রাস্তার এই বেহাল দশা। আমরা আমাদের টিমকে দিয়ে নির্দিষ্ট জায়গাগুলি পরিদর্শন করাচ্ছি, যাতে দ্রুত নিকাশি ব্যবস্থার সমাধান করা যায়।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, পর্যটন দফতর হাতছাড়া বাবুলের, সমবায় গেল অরূপের

নবান্নের আনাচে-কানাচে কয়েকদিন করেই চলছিল জল্পনা। অবশেষে সোমবার তা সত্যি হল। প্রথম একাদশে থাকবেন বলে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। ডানা ছাঁটা হল মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। পর্যটন দফতর থেকে সরানো হল বালিগঞ্জের বিধায়ককে। পর্যটন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হল ইন্দ্রনীল সেনকে। বাবুল সুপ্রিয়কে তথ্য-প্রযুক্তি ও অচিরাচরিত শক্তি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে তথ্য-সংস্কৃতি ও কারিগরি দফতরের সঙ্গেই বাড়তি পর্যটন দফতর সামলাতে হবে ইন্দ্রনীল সেনকে।বাবুল সুপ্রিয় সঙ্গেই দায়িত্ব ছাঁটা হয়েছে প্রবীণ মন্ত্রী অরূপ রায়েরও। সমবায় দফতর থেকে সরানো হয়েছে অরূপ রায়কে। তাঁকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি এদিনের রদবদলে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও প্রদীপ মজুমদারের দায়িত্ব বেড়েছে। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বনদফতরের পাশাপাশি শিল্প পুনর্গঠন দফতরের দায়িত্ব পাচ্ছেন। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে সমবায় দফতর সামলাতে বলা হয়েছে পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারকে। এছাড়া, বিপ্লব মিত্র আপাতত ক্রেতা সুরক্ষা দফতর সামলাবেন।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, মন্ত্রিসভার রদবদলের সিদ্ধান্তেট অনুমোদন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দিয়েছেন। এছাড়াও বাকিটা পরে করে দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি, তবু কর্মবিরতিতে অনড় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ

রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করা সত্বেও কর্মবিরতির দাবিতে অনড় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে লাগাতার ধরনা চালিয়ে যাচ্ছে যৌথ মঞ্চ। উল্লেখ্য, এই মঞ্চ আগামীকাল সোমবার ও পরশু মঙ্গলবার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। সরকারি কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার সার্কুলার জারি করায় অর্থ দফতরের প্রধান সচিব মনোজ পন্থকে আইনি নোটিসও পাঠিয়েছে তারা। রাজ্য নোটিশে জানিয়েছে, অফিসে না এলে চাকরি জীবনে ছেদ পড়বে, কাটা হবে একদিনের বেতনও। উল্লেখ্য়, বাজেট অধিবেশনে মুখ্য়মন্ত্রী জানিয়ে দেন সরকারি কর্মীদের ৩ শতাংশ ডিএ বাড়বে সামনের মার্চ থেকে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩
রাজ্য

খোকন দাসের বক্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনে রাজ্য বিজেপি, শাস্তির দাবি

বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের শাস্তির দাবিতে নির্বাচন কমিশের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য বিজেপি। ভোটার লিস্টে শুধু তৃণমূলেরই নাম তুলুন, বিজেপির লোকেদের তুলবেন না। বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূলের বিধায়কের এই হুমকি ভিডিও নির্বাচন কমিশনের সিইও দফতরে জমা দিয়েছে বিজেপি। তাঁর শাস্তি দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।রাজ্যে ভোটার লিস্টের নাম তোলার কাজ চলছে। সেই সেময় এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। প্রশাসনের নীচু স্তরের লোকজন বিজেপির সঙ্গে কোনও সহযোগিতা করছে না অভিযোগ করেছে দলীয় নেতৃত্ব। নির্বাচন কমিশন অভিযোগ পেয়ে ক্ষতিয়ে দেখছে। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া বলেন, এই বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এফআইআর করা উচিত। প্রশাসন থেকে চূড়ান্ত অসহযোগিতা করা হচ্ছে।মঙ্গলবার বর্ধমানের টাউনহলে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটার লিষ্ট সংক্রান্ত বুথ ভিত্তিক এজেন্টদের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছিলেন স্থানীয় বিধায়ক খোকন দাস। তিনি বলেন, নতুন লোক আসছেই। নতুন লোক মানে সব বাংলাদেশ থেকে আসা লোক। তাঁদের ভোট বেশি তুলতে যাওয়া বেশি ক্ষতি। কারণ তাঁরা তো বেশি হিন্দু হিন্দু করে বেশীটাই ভোট দিয়ে দেয় বিজেপিকে। এটাকে নিয়ে অস্বীকার করার কিছু নেই। নতুন লোকের ভোট তুলবেন যাঁরা আমাদের দলের সাথে যুক্ত তাঁদের। তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য ঘিরে তৈরী হয়েছে বিতর্ক। এবার নির্বাচন কমিশনে গেল বিজেপি।

নভেম্বর ১৮, ২০২২
রাজনীতি

গলসিতে তৃণমুলের দলীয় কর্মীসভায় বিস্ফোরক দলেরই নেতা নেত্রীরা

গলসিতে তৃণমুলের দলীয় কর্মীসভায় বিস্ফোরক দলেরই নেতা নেত্রীরা। আর এই ঘটনার জেরে গলসি ১ নং ব্লকে প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দলের নেতা নেত্রীরা। জানা গেছে, গলসি ১ নং ব্লকের ঘাগরা গ্রামের তৃণমূল কর্মী বকুল মোল্লাকে একা পেয়ে মেরে তার হাত পা ভেঙে দেয় দলের অপর গোষ্ঠীর লোকজন।আর এই ঘটনার জেরে এদিন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন দলীয় নেতা নেত্রীরা। রবিবার সন্ধা নাগাদ পুরসা গ্রামে তৃণমূল কর্মীসভা আয়োজন করেছিল ব্লক এসসি ওবিসি সেল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। যেখানে সকল অঞ্চলের অসংখ্য কর্মী যোগদান করেন। আর সেই সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দলের নেতা নেত্রীরা। আর এতেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। তবে ছাত্র নেতা তাপস সোমকে থামিয়ে কর্মীদের শান্ত হওয়ার বার্তা দেন প্রাক্তন ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান আদালতে ২ ঘন্টার কর্মবিরতি, দাবি মহার্ঘভাতার

৩১ শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার দাবিতে ২ ঘন্টা কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে নামলো বর্ধমান আদালতের কর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ থেকে বেলা ১ টা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে শামিল হলেন তারা। এদিন কোর্ট চত্ত্বরে মিছিলও করেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলন কারীরা জানিয়েছেন, যেভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যাচ্ছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আয় এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে।মহামান্য হাইকোর্ট মহার্ঘ ভাতা দেবার কথা বললেও বিভিন্ন অজুহাতে বকেয়া প্রায় ৩১ শতাংশ ভাতা দেওয়া হচ্ছেনা নানান অজুহাতে। দ্রুত এই মহার্ঘভাতা দেবার দাবীতেই তাদের এই আন্দোলন বলে জানাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা জজ আদালতের কর্মীরা। এদিন আদালতের ২৬০ জন কর্মীই এই কর্মবিরতিতে শামিল হন।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুন হতে পারে। এদিন কলকাতার টাউনহলে এক সভায় এই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। পাশাপাশি, আমলারাই যে সরকারের আসল মুখ সেকথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতা বলেন, ২৩টা থেকে ৪৬টা জেলা হতে পারে। বিহারে প্রায় ৫০-৬০টা জেলা রয়েছে। তার জন্য অফিসার দরকার। পরিকাঠামো দরকার। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে আরও ডব্লুবিসিএস ও আইএএস প্রয়োজন রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আমাদের সরকার এসেই আইএএস ও বিসিএস অফিসারদের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। আরও বাড়ানো দরকার রয়েছে।২০১১-তে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং নতুন জেলা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যে একাধিক পুলিশ কমিশনারেট ও পুলিশ জেলা রয়েছে। জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রশাসনিক কাজে আরও সুবিধা হবে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্যের আমলাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোভিডে তাঁদের লড়াই ভুলবার নয় বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কোভিডে আমরা চার জন দক্ষ অল্পবয়সী বিসিএস অফিসারকে হারিয়েছি। সরকারি প্রকল্প রূপায়নে আমলাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমলাদের তিনি বলেছেন, আপনারাই সরকারের আসল মুখ।

মে ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বৈভবের ঝড়, ময়ঙ্কের আগুনে বোলিং—জিম্বাবোয়েকে হারিয়ে শ্রেয়সের প্রথম জয়

আয়ারল্যান্ডে হোয়াইটওয়াশ ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হতাশাজনক হারের পর অবশেষে জয়ের মুখ দেখল ভারত। হারারের মাঠে জিম্বাবোয়েকে সহজেই হারিয়ে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে নিল টিম ইন্ডিয়া। এই জয়ের নায়ক দুই তরুণময়ঙ্ক যাদব এবং বৈভব সূর্যবংশী।টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রেয়স। তাঁর ভরসার প্রতিদান দেন ভারতীয় তরুণ বোলাররা। ২১ মাস পর জাতীয় দলে ফিরে প্রথম ওভারেই ময়ঙ্ক যাদব ঘণ্টায় ১৪৯ কিলোমিটার গতিতে বল করে ওপেনার বেনেটকে ফিরিয়ে দেন। অন্য প্রান্তে প্রিন্স যাদবও দুর্দান্ত বোলিং করেন।জিম্বাবোয়ের ব্যাটাররা শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়। অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও বড় রান করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবোয়ে সাত উইকেটে মাত্র ১২৫ রান তোলে।১২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আউট হন অভিষেক শর্মা। কিন্তু এরপরই ঝড় তোলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ১৮ বলে আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের প্রথম অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও চারটি ছক্কা।বৈভবের এই ইনিংস শুধু ভারতকে জয়ের পথে এগিয়ে দেয়নি, গড়েছে বিশ্বরেকর্ডও। মাত্র ১৫ বছর ১১৮ দিন বয়সে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অর্ধশতক করা বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটার এখন বৈভব।ঈশান কিষান ২৪ বলে ৩৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত শ্রেয়স আইয়ার ২৮ রানে অপরাজিত থেকে মাত্র ১৩.২ ওভারে ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।এই জয়ে ভারত শুধু সিরিজে ভালো শুরু করল না, বরং ময়ঙ্ক যাদবের প্রত্যাবর্তন ও বৈভব সূর্যবংশীর বিস্ফোরক ব্যাটিং ভবিষ্যতের জন্য বড় আশার আলো দেখাল।

জুলাই ২৩, ২০২৬
দেশ

নিট প্রশ্নফাঁসে মুখ খুললেন অভিনব বিন্দ্রা, এক বার্তায় নাড়িয়ে দিলেন দেশকে

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে যখন প্রতিবাদের ঝড়, তখন মুখ খুললেন ভারতের প্রথম ব্যক্তিগত অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী অভিনব বিন্দ্রা। তিনি স্পষ্ট জানালেন, শিক্ষা এমন একটি বিষয় যা গোটা দেশের মানুষকে একসঙ্গে প্রভাবিত করে। তাই রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।দিল্লির যন্তর মন্তরে দীর্ঘদিন ধরে নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ চলছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন পড়ুয়া, অভিভাবক এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশনেও বসেছেন। সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে লক্ষাধিক পড়ুয়া সংসদ ভবন অভিযানে অংশ নেন। সেই বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছোড়া এবং মহিলা আন্দোলনকারীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে এক্স মাধ্যমে অভিনব বিন্দ্রা লেখেন, আমি কখনও রাজনীতিতে ছিলাম না। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যা গোটা দেশের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। শিক্ষা ব্যবস্থা তার মধ্যে অন্যতম। এটাই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। আশা করি আমরা সবাই একজোট হয়ে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করব।I have never considered myself a political person. But I do believe that some issues belong to all of us, regardless of where we stand. Education is one of them.The measure of a nation is found not only in its economy or its achievements, but in the opportunities it creates for Abhinav A. Bindra OLY (@Abhinav_Bindra) July 23, 2026বিন্দ্রা কোনও রাজনৈতিক পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষভাবেই নিজের মত প্রকাশ করেছেন। তবে নিট ইস্যুতে অন্য ক্রীড়াতারকারাও মুখ খুলেছেন। সানিয়া মির্জা পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেন, তাঁদের কণ্ঠস্বর শোনা দরকার এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার জরুরি। অন্যদিকে শিখর ধাওয়ান যুবসমাজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে সরকারের উপর ভরসা রাখার কথা বলেছেন।নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে ক্ষোভ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে অভিনব বিন্দ্রার মতো একজন জাতীয় আইকনের মন্তব্য শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনে দিল।

জুলাই ২৩, ২০২৬
দেশ

সিকিমের সুড়ঙ্গে মৃত্যুমিছিল, তিনদিন পরও চলছে উদ্ধার—আরও কত দেহ ভিতরে?

সিকিমের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধস ও মিথেন গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বৃহস্পতিবার শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, টানেল থেকে ২৫টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে, আর সেই সঙ্গেই দুর্ঘটনার কারণ জানতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিকিম সরকার।সোমবার দক্ষিণ সিকিমের সামারডুং এলাকায় তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের হেড রেস টানেল-এ ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। টানেলের ভিতরে মিথেন গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ও ধসের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া ২৫ জনের মধ্যে মাত্র ১১ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, এখনও টানেলের ভিতরে কিছু দেহ আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। বিষাক্ত গ্যাস, অন্ধকার এবং ধসে পড়া অংশের কারণে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, এনএইচপিসি, প্যাটেল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইস্টার্ন কোলফিল্ডস এবং ওয়েস্টার্ন কোলফিল্ডস যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।উদ্ধারকাজে গতি আনতে আসানসোলের ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড থেকে বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বুধবার রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচটি দেহ উদ্ধার করা হয়।দুর্ঘটনার তদন্তে সিকিম সরকার চার সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। মুখ্যসচিব আর তেলং-এর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৫ দিনের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। কমিটিতে রয়েছেন সিকিম পুলিশের আইজি তাশি ওয়াংয়াল, খনি ও ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর ফিগু শেরিং ভুটিয়া, অতিরিক্ত অধিকর্তা কেশর লুইটেল এবং সিআইডি-র ডিআইজি তেনজিং লোডেন লেপচা।এনএইচপিসি নিহতদের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে এককালীন আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে। সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং জানিয়েছেন, কোথায় গাফিলতি ছিল এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৩, ২০২৬
দেশ

নিট প্রশ্নফাঁসে দিল্লি অবরুদ্ধ! রাহুলের মিছিলে ব্যারিকেড, বন্ধ ইন্টারনেট

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে উত্তেজনা আরও বাড়ল। আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের সমর্থনে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা গান্ধী স্মৃতিস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দলের সাংসদরা তিনটি বাসে করে সেখানে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন।পুলিশ আগেই ওই এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। পথে একাধিক ব্যারিকেড বসানো হয়, যাতে মিছিল এগোতে না পারে। রাহুল গান্ধী জানান, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াতেই এই পদযাত্রা। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে বিরোধীরা একজোট হয়েছে।এর আগে বিকেলে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের বৈঠক হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আন্দোলনকারীদের সমর্থনে গান্ধী স্মৃতিস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে।অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যন্তর মন্তর ও তার আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কনৌট প্লেস এলাকায় জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। পাঁচজন বা তার বেশি মানুষের জমায়েতের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। পড়ুয়াদের আন্দোলনের প্রতি বিরোধী শিবিরের এই প্রকাশ্য সমর্থন রাজধানীর রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল।

জুলাই ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভুয়ো জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রে কড়া নবান্ন, পঞ্চায়েত ও পুর প্রধানদের সইয়ের ক্ষমতা বাতিল

জন্ম-মৃত্যুর ভুয়ো শংসাপত্রের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তোলপাড়ের মধ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। এবার থেকে পঞ্চায়েত প্রধান এবং পুর চেয়ারম্যানরা আর জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র ইস্যু করতে পারবেন না। এই ক্ষমতা শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকদের হাতে থাকবে বলে জানালেন মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল।মুখ্যসচিবের নির্দেশের পর জেলায় জেলায় জন্ম-মৃত্যুর নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।নবান্ন সূত্রে খবর, এখন থেকে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের সইয়ের ক্ষমতা থাকবে। পঞ্চায়েত প্রধান বা পুর চেয়ারম্যানদের আর সেই ক্ষমতা থাকবে না।এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুখ্যসচিব বলেন, নথি যাচাইয়ের সময় বহু ভুয়ো জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের অভিযোগ সামনে এসেছে। বিশেষ করে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর দিনাজপুরে এই ধরনের অভিযোগ বেশি পাওয়া গিয়েছে।জন্ম শংসাপত্রের ভিত্তিতেই আধার কার্ড, ভোটার কার্ড-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র তৈরি হয়। তাই এই শংসাপত্রে কোনও ভুয়ো তথ্য থাকলে তা ভবিষ্যতে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। সেই কারণেই শংসাপত্র ইস্যুর দায়িত্ব শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকদের হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, সরকারি আধিকারিকদের হাতে দায়িত্ব থাকলে তাঁরা চাকরির দায়বদ্ধতার কথা মাথায় রেখে সঠিকভাবে শংসাপত্র ইস্যু করবেন। ভুয়ো নথির মাধ্যমে বেআইনিভাবে নাগরিকত্বের সুযোগ কেউ যাতে না পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জুলাই ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ডিউটি চলাকালীন নার্সের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! হত্যার অভিযোগ পরিবারের

বীরভূমের সিউড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক নার্সের (Nurse) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতালের একটি বন্ধ কেবিন থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মৃতার পরিবার এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ। তাঁদের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত খুন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলেই এমন ঘটনা ঘটেছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতা নার্স বুধবার রাত ১১টা নাগাদ ডিউটিতে গিয়েছিলেন। রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবার কথা বলার সময় তিনি জানিয়েছিলেন যে তিনি (Nurse) অপারেশন থিয়েটারে রয়েছেন। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি।পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছে জানতে পারেন, তাঁদের মেয়ের দেহ একটি বন্ধ কেবিন থেকে উদ্ধার হয়েছে। তাঁর গলায় স্টেথোস্কোপ ঝুলছিল বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়।মৃতা নার্সের (Nurse) বাড়ি বীরভূমের সিউড়িতে। বুধবার রাতে তিনি প্রতিদিনের মতোই ডিউটিতে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরদিন সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয় হাসপাতালের একটি কেবিন থেকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিউড়ি থানার পুলিশ। পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং হাসপাতালের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।মৃতার (Nurse) বাবা বলেন, আমার মেয়ে খুব ভালো মেয়ে ছিল। সে ডিউটিতে গিয়েছিল, কোনও ঝামেলায় জড়িত ছিল না। যে তাকে ডিউটিতে ডেকেছিল, তাকে খুঁজে বের করতে হবে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুলাই ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রে বিস্ফোরক অভিযোগ, মমতা ও আইপ্যাককে নিশানা শুভেন্দুর

ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হল। হুগলির গুপ্তিপাড়ায় রথের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের ভোটকৌশলী সংস্থা আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিক প্রমাণ দেওয়ার জন্য অবৈধভাবে জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা হয়েছিল। তিনি বলেন, এসআইআরের সময় আইপ্যাকের কর্মীদের বসিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নির্দেশে এই কাজ হয়েছে। এতে রাজ্যের ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সমস্ত রেকর্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেগুলি স্ক্যান করে সিলমোহর দিয়ে ফেরত দেওয়া হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যাঁরা অবৈধভাবে শংসাপত্র দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে, সাসপেন্ড করা হবে এবং প্রয়োজন হলে জেলেও যেতে হবে।তিনি আরও বলেন, শরণার্থীদের নামে যাঁদের শংসাপত্র ইস্যু হয়েছে এবং যারা সিএএ-তে অনুমোদিত, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে যাঁরা অনুপ্রবেশকারী, তাঁদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র কেলেঙ্কারি সামনে আসতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। কলকাতা, দুর্গাপুর, নদিয়া, বীরভূম, রামপুরহাট, দুবরাজপুর এবং কোচবিহারের বিভিন্ন পঞ্চায়েত ও পুরসভায় হানা দিয়ে রেজিস্টার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তল্লাশির মাঝেই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, এবার থেকে পঞ্চায়েত প্রধান ও পুরপ্রধানরা আর জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র দিতে পারবেন না। শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকরাই এই শংসাপত্র ইস্যু করবেন। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে গোটা রাজ্যে আধিকারিকদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

জুলাই ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নিটে ২৮৯ না ৬৬১? নম্বরে ৩৭০-র গরমিল নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে বিস্ফোরক মামলা

নিট ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে যখন তীব্র প্রতিবাদ চলছে, তখন নতুন করে বিতর্কে জড়াল নম্বর প্রকাশের প্রক্রিয়া। নিট পরীক্ষায় প্রায় ৩৭০ নম্বর গরমিলের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছেন এক পরীক্ষার্থী। ওএমআর পুনরায় যাচাইয়ের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।মামলাকারীর দাবি, তাঁর আনসার কী অনুযায়ী পাওয়ার কথা ছিল ৬৫৯ থেকে ৬৬১ নম্বর। কিন্তু ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, তিনি পেয়েছেন মাত্র ২৮৯ নম্বর। অর্থাৎ প্রায় ৩৭০ নম্বরের গরমিল রয়েছে।পরীক্ষার্থীর অভিযোগ, এনটিএ তাঁকে যে ওএমআর পাঠিয়েছে, তার সঙ্গে আনসার কী-র কোনও মিল নেই। প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষার্থীদের ই-মেলের মাধ্যমে ওএমআর পাঠানো হয়েছিল। সেই ওএমআর খতিয়ে দেখেই তিনি এই গরমিলের অভিযোগ তোলেন।মামলাকারীর আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় আদালতে বলেন, ওএমআর মূল্যায়ন সম্পূর্ণ কম্পিউটার ব্যবস্থার মাধ্যমে হয়। সেখানে এত বড় নম্বরের ফারাক কীভাবে সম্ভব, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। তিনি ওএমআর যাচাই প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির আশঙ্কাও প্রকাশ করেন।বিচারপতি অমৃতা সিনহা এই মামলায় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির বক্তব্য তলব করেছেন। আগামী মঙ্গলবার মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে বিক্ষোভ চলছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। তার মধ্যেই নম্বরে কারচুপির এই অভিযোগ নতুন করে নিট বিতর্ককে আরও জটিল করে তুলল।

জুলাই ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal