• ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ব্যবসা

ব্যবসা

১০০ টাকার পথে ডলার? টাকার নতুন রেকর্ড পতনে চাপে দেশবাসী

সোমবার বাজার খুলতেই ফের বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় টাকা। এক মার্কিন ডলারের দাম পৌঁছে গেল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়। এর ফলে টাকার দাম আরও ৪৪ পয়সা কমে সর্বকালীন রেকর্ড পতন ঘটল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই টাকার উপরে চাপ ক্রমশ বাড়ছে।গত ৪ মার্চ প্রথমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে ডলারের দাম ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। তখন এক ডলারের দাম হয়েছিল ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। তারপর থেকেই টাকার দামে একের পর এক পতন দেখা যাচ্ছে। গত ১২ মে এক ডলারের দাম পৌঁছেছিল ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সায়। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে সোমবার টাকার দাম নেমে দাঁড়াল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের অর্থনীতিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দীর্ঘ সংঘর্ষের পর আপাতত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। হরমুজ প্রণালী ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতও তার প্রভাব থেকে বাদ যাচ্ছে না।তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সক্রিয় হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে একাধিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।এদিন শুধু টাকার দামই নয়, বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের শেয়ার বাজারও। বাজার খোলার পর প্রায় ৯৫০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। একইসঙ্গে বড় পতন দেখা যায় নিফটিতেও। যদিও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিএসই সেনসেক্স ৬৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৫৯২ দশমিক ৯৯-এ। নিফটি ২০৬ পয়েন্ট নেমে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৪৩৭ দশমিক ২০-এ। ব্যাঙ্ক নিফটিতেও বড় ধস দেখা যায়। প্রায় ৬৮৫ পয়েন্ট কমে ব্যাঙ্ক নিফটির অবস্থান হয় ৫৩ হাজার ২৪ দশমিক ৭৫।অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে টাকার উপরে আরও চাপ বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের খরচ থেকে শুরু করে আমদানি, জ্বালানির দাম এবং বাজারের উপরেও তার বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
ব্যবসা

বাজেটের পরই বাজিমাত! ইন্দো-মার্কিন চুক্তিতে সেনসেক্স ৮৫ হাজার, ডলার ভাঙল

সোমবার বাজেটের পরের দিন থেকেই চাঙ্গা হয়ে উঠল শেয়ার বাজার। একই সঙ্গে ডলারের তুলনায় শক্তিশালী হল ভারতীয় টাকা। সোমবার ডলারের দাম ৪৪ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৯১.৪৯ টাকায়। তার পর গভীর রাতে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা হতেই টাকার দাম আরও বাড়ে। মঙ্গলবার ডলার আরও ১.০৯ টাকা পড়ে দাঁড়ায় ৯০.৪০ টাকায়, অর্থাৎ এক দিনে প্রায় ১.২ শতাংশ শক্তিশালী হয়েছে টাকা।শেয়ার বাজারেও দেখা গিয়েছে বড়সড় উত্থান। সোমবার সেনসেক্স ৮১,৬৬৬.৪৬ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ৩,৬০০ পয়েন্ট বেড়ে ৮৫,০০০ পয়েন্টের গণ্ডি পেরিয়েছে। একইভাবে নিফটিও বাজেটের পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সোমবার ২৫,০৮৮.৪০ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ১,২০০ পয়েন্ট বেড়েছে।এই উত্থানের মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে দীর্ঘ টালবাহানার পর ভারত ও আমেরিকার মধ্যে চূড়ান্ত হওয়া বাণিজ্য চুক্তিকে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আমেরিকার শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমেছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।তবে এই চুক্তির পেছনে কিছু শর্তও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত নাকি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। তার বদলে আমেরিকার কাছ থেকে বেশি করে তেল কিনবে ভারত। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল কেনার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আমেরিকা থেকে বিপুল অঙ্কের পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ভারত। ট্রাম্পের দাবি, প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্য কিনবে দিল্লি।সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। সেই কথোপকথনের পর ট্রুথ সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে এই সব দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর বক্তব্য, এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার বাণিজ্যিক স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করা হয়েছে।এই সব শর্ত সামনে আসতেই কংগ্রেস-সহ বিভিন্ন বিরোধী দল চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তির প্রভাব শুধু কূটনীতি নয়, আগামী দিনে দেশের অর্থনীতি ও বাজারের গতিপথেও বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
ব্যবসা

এই ব্যাংকে আপনার অ্যাকাউন্ট আছে? বদলে গেছে নিয়ম, না জানলে মুশকিলে পড়বেন

স্বাধীনতা দিবস থেকে দেশের এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে একটি পরিষেবায় বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। গতকাল অর্থাৎ থেকে সেই নিয়ম পাল্টে গেছে।স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। আপনি যদি SBI- এর গ্রাহক হন তবে এই খবর জেনে নেওযয়া অত্যন্ত জরুরি।গতকাল অর্থাৎ ১৫ আগস্ট থেকে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ইমিডিয়েট পেমেন্ট সার্ভিস বা IMPS-এ বদল এনেছে। খুচরো গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই এই নিয়ম পাল্টেছে। তবে আপনি যদি স্টেট ব্যাংকের কর্পোরেট গ্রাহক হন তবে এই নিয়ম আপনার জন্য বলবৎ হবে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে। অনলাইনে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য আই এম পি এস পরিষেবা ব্যবহার করে থাকেন গ্রাহকরা। এক্ষেত্রে নতুন নিয়মে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আপনাকে কোন চার্জ দিতে হবে না। তবে ২৫০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ২ টাকা চার্জ দিতে হবে। ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ৬ টাকা। ২ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ১০ টাকা। এই ফি-র সঙ্গেই যুক্ত হবে জিএসটির খরচ। এস বি আই-এর কোন শাখা থেকে টাকা পাঠাতে চাইলে ১০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে কোন চার্জ লাগবে না। তবে ১ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ২ টাকা। তেমনি ১০ থেকে ২৫ হাজার টাকা লেনদেনে দিতে হবে ৪ টাকা। ২৫০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ৬ টাকা। তেমনি ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ১২ টাকা, দুই থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ২০ টাকা দিতে হবে। এর সঙ্গেই ফের যুক্ত হবে GST- এর খরচ।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
ব্যবসা

সরকারের ই-কমার্স নীতি শক্তিশালী করার আবেদন এআইএমআরএ-র

অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্মগুলির অর্থনৈতিক এবং একচেটিয়া ব্যবসায়িক নীতি দেশের দেড় লক্ষ সাধারণ মোবাইল বিক্রেতার ভবিষ্যতে বিপদ ডেকে এনছে বলে দাবী করেছে দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল বিক্রেতাদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া মোবাইল রিটেলার অ্যাসোসিয়েশন। তাই তারা সতর্কও করছে। সারা দেশে ১.৫ লক্ষের বেশি মোবাইল বিক্রেতাদের যৌথ মঞ্চ এই সংগঠনের সদস্য গোটা দেশের শত শত খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতা এবং সংগঠনের শীর্ষ কর্তারা ১৬ ও ১৭ এপ্রিল কলকাতায় সংগঠনের বার্ষিক সভায় অংশ নেন। এই বছরের বার্ষিক সাধারণ সভায় খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের সামনে উদ্ভূত অস্ত্বিতের সংকট এবং তার মোকাবিলা পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। এই বিষয়ে এআইএমআরএ-র পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি মোহন বাজোরিয়া বলেছেন, আমরা বৃহৎ প্রযুক্তি সংস্থা ও পোর্টালের অনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশলের সঙ্গে অস্ত্বিত্ব রক্ষার জন্য নিরন্তর লড়াই করে চলা দেশের দেড় লক্ষ তৃণমূল স্তরের মোবাইল বিক্রেতা সুরক্ষার দাবী নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিস্তারিত দাবী সনদ পেশ করতে চলেছে। বড় বড় সংস্থাগুলির এই অর্থনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশল রুখতে সরকারের কাছে আমরা নতুন নিয়ন্ত্রণ বিধি তৈরি অথবা কমপক্ষে বর্তমান বিধিনিষেধগুলোকে আরও শক্তিশালী করার দাবী জানাচ্ছি।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
ব্যবসা

এক লাফে ১০৮ টাকা বেড়ে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাস ২০৯৫ টাকা!

গৃহস্থের হেঁশেলের রান্নার গ্যাসের দাম এই দফায় বাড়ল না। কিন্তু তাঁদের উদ্বেগ বহু গুণ বাড়িয়ে হোটেল-রেস্তরাঁয় ব্যবহৃত রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার মার্চে ১০৮ টাকা বেড়ে ২০০০ পেরোল কলকাতায়। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, পেট্রল-ডিজ়েলের মতো রান্নার গ্যাসের দামও যে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভার ভোটের দিকে তাকিয়ে স্থির, সেটা মোটামুটি পরিষ্কার।গৃহস্থের বোঝা বাড়িয়ে এখনই তাঁদের কাছে অপ্রিয় হওয়ার পথে হাঁটতে চায় না মোদি সরকার। ফলে আপাতত অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত জ্বালানিতে খাঁড়া নামছে। এর আগে বিমান জ্বালানি এটিএফ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ বার ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ছুঁয়ে ফেলল ২০৯৫ টাকা। যদিও মনে করা হচ্ছে ভোট মিটলেই ফের মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে দাম বাড়তে চলেছে রান্নার গ্যাসের।সাধারণ মানুষ রান্নার জন্য যে ভর্তুকিহীন ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার কেনেন, তার দাম এখন ৯২৬ টাকা (কলকাতায়)। তবে আগামী দিনে তা কোথায় পৌঁছবে সেই প্রশ্নে দুশ্চিন্তা বাড়ছে এটিএফ এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারকে দেখে। তেল সংস্থা সূত্রের খবর, বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের পাশাপাশি রান্নার গ্যাসের মূল দুই উপাদান প্রোপেন ও বুটেনের দামও বেড়েছে। ফলে তা না-কমলে পরের মাসে সব রকম গ্যাসের দাম বৃদ্ধিরই আশঙ্কা। ঠিক যে আশঙ্কা পেট্রল-ডিজেল নিয়ে। কারণ তখন ভোট শেষ হবে। তার উপরে অক্টোবরের শুরুতে ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক রাখলেও কয়েক দিন পরেই বাড়ায় তেল সংস্থাগুলি। ফলে মার্চের শুরুতে না-বাড়লে যে মাঝেও বাড়বে না, এমন নিশ্চয়তা নেই বলেই ধারণা সকলের।

মার্চ ০১, ২০২২
ব্যবসা

৭০ বছর পর টাটা'র ঘরে প্রত্যাবর্তন 'মহারাজা'র

শেষ হল এয়ার ইন্ডিয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া। টাটা সন্সের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হল মহারাজা-কে। একসময় টাটা-র হাত ধরেই এয়ার ইন্ডিয়ার পথ চলা শুরু। মাঝে অনেক পথ পেরিয়ে আবারও টাটার ঘরেই ফিরল সেই সংস্থা। টাটার হাতে হস্তান্তর করা হল সংস্থার ১০০ শতাংশ শেয়ার ও দেওয়া হল ম্যানজমেন্টের নিয়ন্ত্রণ।এই হস্তান্তরের পর টাটা সন্সকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি জানান, সরকারি সংস্থা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এ দিন বড় সাফল্য পেল ভারত। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়ায় ফের সাফল্য আসবে বলে মনে করেন তিনি।কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পুরো শেয়ার তুলে দেওয়া হয়েছে টাটার হাতে। সংস্থার ১২ হাজার কর্মীকে বহাল রাখবে টাটা।Shri N Chandrasekaran, the Chairman of Tata Sons called on PM @narendramodi. @TataCompanies pic.twitter.com/7yP8is5ehw PMO India (@PMOIndia) January 27, 2022প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার। এই সংস্থার জন্য প্রত্যেকদিন সরকারের ক্ষতি হচ্ছিল ২০ কোটি টাকা করে। এর আগেও একবার এয়ার ইন্ডিয়ার বেসরকারিকরণের চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বিপুল ঋণের বোঝা থাকার কারণে কোনও সংস্থা উৎসাহ দেখাচ্ছিল না। ফলে, তখন সফল হয়নি কেন্দ্র। বছরের পর বছর লাভের মুখ দেখেনি এয়ার ইন্ডিয়া। কার্যত ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল। এ ভাবে সংস্থা আর চালানো সম্ভব হচ্ছিল না সরকারের পক্ষে।#FlyAI : Air India Limited, Air India Express AISATS (AI stake) have become part of the Tata Group today.Senior Officials of @TataCompanies , @SecyDIPAM and @MoCA_GoI met at Airlines House New Delhi. pic.twitter.com/HA4aEkVwWX Air India (@airindiain) January 27, 2022গত বছর অক্টোবরে এয়ার ইন্ডিয়াকে ১৮ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থা টালাস প্রাইভেট লিমিটেডকে বিক্রি করে কেন্দ্রীয় সরকার। এর পর থেকেই শুরু হয়ে যায় বিক্রির সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য প্রক্রিয়া। চুক্তি অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়ার পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং এয়ার ইন্ডিয়া স্যাটস (গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং বা উড়ান বাদে অন্যান্য বিষয় সামলানো হয় যে সংস্থাকে দিয়ে)-এর ৫০ শতাংশ শেয়ারও টাটা গোষ্ঠীর অনুসারি সংস্থার কাছে হস্তান্তর হয়। বৃহস্পতিবার শেষ হল ১০০ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তর প্রক্রিয়া এবং সেই সঙ্গে পরিচালন ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভাবে তুলে দেওয়া হল টাটা গোষ্ঠীর হাতে। ফলে এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের লেনদেন আনুষ্ঠানিক ভাবে সমাপ্ত হল।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
ব্যবসা

ফের শেয়ার বাজারে বড় পতন, কয়েক দিনে উধাও ১৭ লক্ষ ৫৪ হাজার কোটি টাকা

একদিন নয় পর পর পাঁচ দিন মুখ থুবড়ে পড়ল শেয়ার বাজার। সপ্তাহের প্রথম দিন প্রায় ৪০০ পয়েন্ট নীচে খোলে সেনসেক্স। নিফটি খোলে ১০০ পয়েন্ট নীচে। কিন্তু বেলা যত গড়ায় দুই সূচক ক্রমেই পড়তে থাকে। বেলা আড়ইটে নাগাদ সেনসেক্স সূচকের ১৯০০ পয়েন্ট পতন লক্ষ করা যায়। গত কয়েক সপ্তাহে নজিরবিহীন পতন শেয়ার বাজারে। প্রায় সব সেক্টরের শেয়ার দর ব্যাপকভাবে পড়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, ধাতুর শেয়ার তাদের মধ্যে অন্যতম।গত পাঁচ দিনে ১৭ লক্ষ ৫৪ হাজার কোটি টাকা ধুয়ে সাফ হয়ে গিয়েছে শেয়ার বাজার থেকে। গত ডিসেম্বর থেকে শেয়ার বিক্রি করতে দেখা যায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের। সে সময় শেয়ার কিনে বাজারের স্থিতাবস্থা ঠিক রাখার চেষ্টা করে ঘরোয়া বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু সামনেই সাধারণ বাজেট। ভোটমুখী রাজ্যগুলির দিকে মাথায় রেখে সরকার এগোবে না ২০২৪-কে লক্ষ্য রেখে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনার পথে হাঁটবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় বিনিয়োগকারীরা। স্বভাবতই ধীরে চলো নীতিতে এগোচ্ছেন তাঁরা। যার কারণে বাজারে পতন অব্যাহত।ছোট এবং মাঝারি সংস্থাগুলির পাশাপাশি বড় কোম্পানিগুলির শেয়ারেরও পতন ঘটেছে সোমবার। প্রায় সমস্ত ধরনের শেয়ারের দামই পড়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে বাজাজ ফাইনান্স, জেএসডব্লিউ স্টিল, টেক মহিন্দ্রা, টাটা স্টিল এবং উইপ্রোর মতো সংস্থা। তবে এনটিপিসি, সান ফার্মা, ভারতী এয়ারটেল, আইএসআইএসআই ব্যাংক, ইন্ডাসইন্ড ব্যাংকের মতো কিছু সংস্থার শেয়ার দর পড়েনি।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
ব্যবসা

Bank's Profit: করোনা অতিমারিতেও ব্যাংকের রেকর্ড লাভ

২০২০-২১ অর্থবর্ষে দেশের ব্যাংকিং বিভাগ করোনা অতিমারিতেও রেকর্ড লাভ করেছে। যখন দেশের বাকি সমস্ত সংস্থা এই অতিমারিতে অর্থনৈতিক ভাবে বিপর্যস্ত, সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক। ওই অর্থবর্ষে বাঙ্কিং বিভাগ ১,০২,২৫২ কোটি টাকা লাভ করেছে, যা গত অর্থবর্ষের ১৮,০০০ কোটি টাকার মোট লোকসানের তুলনায় বেশ ভাল বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।মোট মুনাফার ৫০% এসেছে প্রধান দুইটি ব্যাংক এইচডিএফসি এবং স্টেট বাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া থেকে। এইচডিএফসি বাঙ্ক ৩১,১১৬ কোটি টাকা যা প্রায় মোট লাভের ৩০% এবং গত অর্থবর্ষের তুলনায় ১৮% বেশী। দেশের সর্ববৃহৎ ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ২০,৪১০ কোটি টাকা লাভের কথা ঘোষণা করেছে, যা গত অর্থবর্ষের তুলনায় ২০% বেশী। তৃতীয় সর্বোচ্চ স্থানে আইসিআইসিআই ব্যাংক, তারা ১৬,১৯২ টাকা লাভ করে, যা আগের অর্থবর্ষের প্রায় দ্বিগুন। সরকারি ব্যাংকগুলি (পিএসবি) ঋণদানের ক্ষেত্রে ধীরগতির নীতি অবলম্বন করায় বেসরকারী ব্যাংকগুলিরও বাজারের শেয়ার বৃদ্ধি পেয়েছে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাসবচেয়ে বড় ব্যাপার বেসরকারি ব্যাংকগুলি গত পাঁচ বছরে এই প্রথম সম্মিলিত ভাবে নিট লাভ করেছে। সারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের মধ্যে মাত্র দুটি ব্যাংক যথাক্রমে পাঞ্জাব ও সিন্ধ ব্যাংক এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া-তে এই বছরে নিট লোকসান হয়েছে।বেসরকারী ক্ষেত্রে ইয়েস ব্যাংক ৩,৪৬২ কোটি টাকার নিট লোকসান করে লাল তালিকাভুক্ত হয়েছে। তারা বিগত বছরের মত একই ধারা অব্যহত রেখেছে। লাল তালিকাভুক্ত হওয়ার কারণ, তারা বিগত বছরের ন্যায় কম লোকসান করেছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচিসারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের এই সাফল্যের মুল কারন, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ব্যাংকগুলিকে বাধ্য করেছিল সর্বোচ্চ ১০টি আনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার ঋণের টাকা উদ্ধার করার জন্য। তারপর তারা পরবর্তী ৪০টি অনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার থেকে ঋণের টাকা উদ্ধার করে তাদের দেউলিয়ার ঘোষণা থেকে নিরস্ত করে।রেটিং এজেন্সি আইসিআরএ রিপোর্ট অনুসারে, চলতি বছরের লাভের মুল কারণ হল সরকারি ব্যাংকের বন্ড-এ ব্যাপক বিনিয়োগ। রেটিং এজেন্সিটি আরও জানিয়েছে, এসবিআই ছাড়া বন্ড বিক্রয় থেকে লাভ অন্যান্য সমস্ত সরকারি ব্যাংকের কর-পূর্বের মুনাফা বেড়েছে। আরও পড়ুনঃ কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কিরসুদের হার কমে গেলে সরকারী বন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পায়। সুদের হার কম রাখার জন্য আরবিআইয়ের আগ্রাসী পদক্ষেপে সুদের আয় হ্রাস পেয়েছে তবে ট্রেজারি আয়ের ক্ষেত্রে প্রচুর লাভ দিয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরটি দশটি সরকারী ব্যাংকের একত্রীকরণ করে চারটি ব্যাংকে পরিণত করার জন্য বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য।ব্যাংকগুলির ব্যালান্স শিটগুলিতে মহামারির প্রভাব এখনও সেইভাবে প্রতিফলিত না হওয়ার কারণ ঋণগ্রহীতাদের ঋণখেলাপি অনেকাংশেই আটকানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পুরসভার কর্মী বদলিতে বিধায়কের সম্মতি! শোরগোল বর্ধমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে আরবিআই ব্যাংকগুলিকে নির্দেশ দেয় যেন তারা ঋণগ্রহীতাদের আরও এক বছর সময় দিয়ে ঋণ পুনরুদ্ধার করতে। বৃহত্তর কর্পোরেট অ্যাকাউন্টগুলির ওপর যাতে এর প্রভাব কোন ভাবেই না পড়ে সেই দিকেও খেয়াল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংকগুলি আতিমারির কারণে ঋণখেলাপি হয়ে ভবিষ্যতে লোকসানের প্রত্যাশা করছেনা না।

জুন ২৬, ২০২১
ব্যবসা

পুজোর মুখে তাঁতিদের স্বস্তি দিচ্ছে তাঁতের হাট

দীর্ঘ লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত তাঁতশিল্পীদের লাভের মুখ দেখাচ্ছে কালনা মহকুমার দুই তাঁতের হাট। পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্যতম শিল্প তাঁতকে বাঁচাতে দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের উদ্যোগে কালনা ১-এর ধাত্রীগ্রাম ও পূর্বস্থলী ১-এর শ্রীরামপুরে দুটি অত্যাধুনিক তাঁত কাপড়ের হাট তৈরি হয়। এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসে উদ্বোধন হয় দুটি হাটের। লকডাউনে সেগুলি বন্ধ হলেও পুজোর কথা ভেবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট দুটি পুনরায় চালু হয়। প্রতি বুধ ও শনিবার এই দুটি হাটে দুই বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি-সহ বিভিন্ন জেলার তাঁতি ও ক্রেতারা আসছেন। এই দুটি হাটে বিগত কয়েক মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকার কাপড় বিক্রি হয়েছে। শনিবার ১০ অক্টোবর ধাত্রীগ্রামের তাঁতের হাটে এসেছিলেন প্রায় তিনশো তাঁতি। বিক্রি হয় ১৬৪৫টি শাড়ি, যার মূল্য প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা। শ্রীরামপুরের তাঁতের হাটে এসেছিলেন প্রায় ১৫০ জন তাঁতি, বিক্রি হয় ১২৮৭টি শাড়ি, মূল্য ৬ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, তাঁতশিল্পকে বাঁচাতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যে একাধিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন তার অন্যতম এই তাঁতের হাট। এই হাটগুলি থেকে তাঁতিরা নগদে শাড়ি বিক্রি করতে পেরে উপকৃত হচ্ছেন এবং মহাজনের হাত থেকেও বাঁচছেন। বিভাগীয় মহকুমা আধিকারিক পলাশ পাল বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাটগুলি চলছে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা হচ্ছে, স্যানিটাইজেশন তো হচ্ছেই। প্রথমে স্টল পিছু রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ১০টাকা নেওয়া হলেও এখন তাও এই সময় নেওয়া হচ্ছে না। ছবি ও সংবাদ: মোহন সাহা

অক্টোবর ১০, ২০২০
ব্যবসা

 রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাংক

রেপো রেট অপরিবর্তিত থাকছে। শুক্রবার মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়ে দিল রিজার্ভ ব্যাংক। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, আপাতত রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে ৪ শতাংশ। রিভার্স রেপো রেট থাকছে ৩.৫ শতাংশে। তিনি আরও বলেন, করোনার সঙ্গে যুদ্ধে একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ভারতের অর্থনীতি। প্রথম ত্রৈমাসিকে অর্থনৈতিক সংকোচন পিছনে ফেলে আসা হয়েছে। এখন বরং রুপোলী প্রলেপ দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও নজর দেওয়া হয়েছে সংযত অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর দিকে। চতুর্থ ত্রৈমাসিকে মুদ্রাস্ফীতি অবস্থা সহজ হবে এবং জিডিপি সংকোচন থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন তিনি। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর আশাপ্রকাশ করেন, চলতি আর্থিক বছরে জিডিপি সংকোচন আশা করা হচ্ছে ৯.৫ শতাংশে থাকবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
ব্যবসা

হাওড়া জেলার বিভিন্ন বাজারে অভিযানে ইবি

করোনা পরিস্থিতিতে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলা সবজির দামে লাগাম টানতে রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর হাওড়া সিটি পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ অভিযান চালাল হাওড়ার একাধিক বাজারে। হরগঞ্জ বাজার, বেলুড় বাজার, বালি বাজার, কালীবাবুর বাজার, গোরা বাজার, রামরাজাতলা বাজার, বাঁকড়া বাজার-এই সাতটি বাজারে অভিযান চালানো হয়। সেখানে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন ইবির আধিকারিকরা। আলু ও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে আগামী দিনে আবারও অভিযান চালানো হবে বলে হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে।এদিকে, বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে লেনদেন থেকে কোভিড-১৯ ছড়ানোর আশঙ্কা কিছুদিন ধরেই করা হচ্ছে। তাই এবারে বাজারের বিক্রেতাদের করোনা পরীক্ষা করল হাওড়া সিটি পুলিশ। রবিবার হাওড়ার পাইকারী আনাজ বাজারগুলির অন্যতম ধূলাগড় ট্রাক টার্মিনালে থাকা মানুষজনের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হলো। মাস্ক আপ সাঁকরাইল নামের এই সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠানে এদিন ধূলাগড় ট্রাক টার্মিনালের বাসিন্দাদের র্যান্ডম অ্যান্টিজেন টেস্ট পরীক্ষা করা হয় বলে সিটি পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
ব্যবসা

শর্তসাপেক্ষে মঙ্গলাহাট খোলার অনুমতি প্রশাসনের

আর মঙ্গলবারে নয় এবারে শনিবারে বসবে হাওড়ার শতাব্দী প্রাচীন মঙ্গলাহাট। বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে ভিড় এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। প্রায় ৬ মাস পরে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার আবার বসবে এই হাট। গত ২৪ মার্চ থেকে করোনা আবহে প্রশাসনের নির্দেশে বন্ধ ছিল মঙ্গলাহাট। হাট চালু হওয়ার পর দুসপ্তাহ দেখা হবে যে কোভিড রীতি মেনে হাটে ব্যবসা হচ্ছে কিনা। একইসঙ্গে হাট চালু হওয়ার জন্য কোভিড সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে কিনা। যদি তা হয় তাহলে হাট ফের বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। শনিবার রাত ৯ টা থেকে খুলবে মঙ্গলাহাট। চলবে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। শুধুমাত্র স্থায়ী দোকানগুলিই চালু থাকবে। হাওড়া ময়দান চত্বর জুড়ে রাস্তার ফুটপাথে বসা খুচরো বিক্রেতা এবং স্টলগুলিকে আপাতত বসার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। শনিবার রাতের মঙ্গলাহাটে কীরকম জনসমাগম হচ্ছে, করোনার স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছেসেসব পর্যবেক্ষণ করে ধাপে ধাপে হাটের পুরানো চেহারা ফিরিয়ে আনা হবে। পাশাপাশি সোম ও মঙ্গল দুদিন নয়, এবার মঙ্গলাহাট বসবে সপ্তাহে একদিন শনিবার। শুধু শনিবার রাতেই চালু থাকবে মঙ্গলাহাট। মূলত পাইকারি কেনাবেচা হবে। হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য জানালেন, হাওড়া ময়দানে যেখানে হাট বসে সেই চত্বরেই হাওড়া জেলা হাসপাতালসহ প্রচুর প্রশাসনিক ভবন রয়েছে। এখানে নানা কাজে নিত্যদিন প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন। তাই কোনওভাবেই যাতে ওই এলাকায় সংক্রমণ না ছড়ায় তা বিচার করেই রাতে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে আপত্তি জানিয়েছেন মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। তাঁদের দাবি, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার পর হাট কীভাবে চালু করা সম্ভব, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁদের কিছুই জানানো হয়নি। শনিবার রাতে পাইকারি কেনাবেচার জন্য কম মানুষই আসবেন এবং ওই দিনে কলকাতার একটি পাইকারি বস্ত্রহাট খোলা থাকে বলে ক্রেতার সংখ্যা আরও কমবে বলে আশঙ্কা তাঁদের। জানা গিয়েছে, মঙ্গলাহাটে মোট প্রায় ১১টি বড় বিল্ডিং রয়েছে, যেখান থেকে পাইকারি হারে নানা বস্ত্র বিক্রি করা হয়। সেগুলি খোলা থাকবে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের বড় অংশ। হাওড়া হাট সমন্বয় সমিতির সহ সম্পাদক কানাই পোদ্দার বলেন, শনিবার রাতে তো কোনও ক্রেতাই আসবে না। তাঁর দাবি, রবিবার হলে ভালো, তা না হলে কোনও একটা দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হাট খোলার অনুমতি না দিলে তা ব্যবসায়ীদের কোনও কাজে আসবে না। তাছাড়া এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে প্রশাসনের তরফে কেউই তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেননি বলে দাবি ওই প্রতিনিধির। প্রয়োজনে ফের প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে এই নতুন নিয়ম পরিবর্তনের আবেদন করা হবে বলে জানান কানাইবাবু। হাট বন্ধ থাকায় চূড়ান্ত আর্থিক সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার ব্যবসায়ী। ১ জুন থেকে আনলক পর্ব শুরু হতেই ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে হাট খোলার আর্জি জানিয়ে আসছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কোটি কোটি টাকা থেকে বিলাসবহুল গাড়ি! টুলুর সম্পদের খতিয়ান প্রকাশ্যে

বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বিপুল সম্পত্তি নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, টুলুর নামে থাকা একাধিক সম্পত্তি, ব্যাঙ্কের অর্থ এবং দামি সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, টুলু মণ্ডলের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় তিরানব্বই কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। এছাড়া তিপ্পান্ন লক্ষ টাকা নগদ, দুইশো আটষট্টি গ্রাম সোনা, চারশো গ্রাম রুপো এবং তেষট্টি গ্রাম প্ল্যাটিনাম উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীরা তিনটি টাকা গোনার মেশিন, একটি কম্পিউটার, দুটি পেনড্রাইভ, তিরাশিটি ট্রাক ও ডাম্পার এবং বিএমডব্লিউ ও অডি-সহ মোট দুইশো বিয়াল্লিশটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, টুলুর নামে মোট একুশটি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। তার মধ্যে রয়েছে সাতটি বাড়ি, একটি ফার্মহাউস, দুটি পেট্রল পাম্প, একটি পার্কিং এলাকা, দুটি স্টোন ক্রাশার এবং প্রায় তিনশো বিঘা জমি। এই সম্পত্তিগুলিও বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।এই দুর্নীতির ঘটনায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এত বড় সম্পদের সাম্রাজ্য অল্প সময়ে তৈরি হওয়া সম্ভব নয় এবং গোটা বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে প্রশাসনের উচ্চস্তরের সহযোগিতা ছাড়া এমন কর্মকাণ্ড সম্ভব নয়।টুলু মণ্ডল এখনও পলাতক। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমান, চলতি বছরের মে মাসের পর তিনি বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। তবে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার বুকেই তৈরি হয়েছিল জইশের স্লিপার সেল! ধৃত হামিদের থেকে কী কী তথ্য মিলল

ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কাশ্মীরের সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে হামিদ মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের বহু বছর পর একই এলাকার কাছাকাছি থেকে এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কীভাবে তিনি বাংলায় যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে আর কারা যুক্ত ছিলেন।তদন্তে জানা গিয়েছে, হামিদ মণ্ডলের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। তিনি আগে একটি গেঞ্জি কারখানায় দর্জির কাজ করতেন। পরে নিউটাউনে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। এরপর কিছুদিন আগে বর্ধমানের একটি আবাসনে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন। প্রতিবেশীদের কাছে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। কেন তিনি বর্ধমানে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য কাউকে দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি।বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পূর্ব ভারতে সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর কাজে যুক্ত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এই মামলায় এখনও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তকারী সংস্থা আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
দেশ

আত্মসমর্পণের পরও গুলি? ভাইরাল ভিডিওর জেরে গ্রেপ্তার পুলিশ,

এনকাউন্টারকে ঘিরে নতুন বিতর্কে উত্তাল বিহার। ভোজপুর জেলার একটি এনকাউন্টার মামলায় এক পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও সামনে আসার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। সেই ঘটনার ভিত্তিতেই প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।ঘটনাটি গত ১৭ জুন ভোজপুর জেলার শাহপুর থানা এলাকার বিলাউটি গ্রামে ঘটে। ওই ঘটনায় ভরত ভূষণ তিওয়ারি নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, অভিযানে জড়িত কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক এবং এক বিশেষ বাহিনীর সদস্য বেআইনিভাবে গুলি চালিয়েছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়।তদন্ত চলাকালীন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ভরত ভূষণ তিওয়ারি পুলিশের দিকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছুড়ে দিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন ওঠে, তিনি আত্মসমর্পণের চেষ্টা করেছিলেন কি না। যদিও বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রশাসন। প্রথমে চার পুলিশকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে বিশেষ বাহিনীর এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজন জঙ্গি, তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে হামিদ মন্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ এবং বর্ধমান পুলিশ। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃত ব্যক্তি পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি, ডিজিটাল তথ্য এবং যোগাযোগের সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনও অনেক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।তদন্তকারী সূত্রে দাবি, ধৃত ব্যক্তির কাছে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা এবং ভিআইপি চলাচল সংক্রান্ত কিছু তথ্য মিলেছে। এই তথ্য কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনও সরকারি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃত হামিদ পূর্ব ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে যুক্ত থাকতে পারে। নতুন সদস্য সংগ্রহ, যোগাযোগ রক্ষা এবং সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এদিকে অসমেও একই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেখান থেকে মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা তথ্য যাচাই করছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই নেটওয়ার্ক অনলাইনের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ, উগ্রবাদে প্রভাবিত করা, গোপন তথ্য সংগ্রহ, লজিস্টিক সহায়তা এবং স্লিপার সেল তৈরির মতো কার্যকলাপে জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ ও গোয়েন্দাদের মতে, ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য এবং ডিজিটাল নথির ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী তদন্তের দিশা নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই মামলার সব দিকই খোলা রাখা হয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করার ছক? বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজনের কাছ থেকে মিলল চাঞ্চল্যকর নথি, তদন্তে বড় দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

প্রায় দু’দশক পর কলকাতায় তসলিমা! বিমানবন্দরে নেমেই যা বললেন, তাতেই শুরু জোর চর্চা

শুক্রবার প্রায় দুই দশক পর কলকাতায় ফিরলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই তাঁকে শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। দীর্ঘদিন পর এই শহরে ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। হাসিমুখে শুধু বলেন, খুবই ভালো লাগছে।কলকাতায় পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন তসলিমা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আজি এ প্রভাতে কলিকাতা অভিমুখে যাত্রা করিলাম। সেই পোস্টের পর থেকেই তাঁর কলকাতায় ফেরাকে ঘিরে কৌতূহল বাড়তে থাকে।বিমানবন্দরে পৌঁছে অভ্যর্থনা গ্রহণের সময় তাঁর মুখে ছিল আনন্দের হাসি। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফিরে তিনি যে আবেগাপ্লুত, তা স্পষ্ট ধরা পড়ে। শনিবার মৌলবাদ বিরোধী কবি ও সাহিত্যিকদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সেই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।উল্লেখ্য, দুই হাজার সাত সালে তাঁর একটি বই প্রকাশকে কেন্দ্র করে কলকাতায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর তাঁকে কলকাতা ছাড়তে হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি এই শহরে ফেরেননি।দীর্ঘ বিরতির পর তসলিমা নাসরিনের কলকাতায় প্রত্যাবর্তন ঘিরে সাহিত্য ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর এই সফরকে ঘিরে আগ্রহও তুঙ্গে পৌঁছেছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফিফায় বড় বিদ্রোহ! ইনফান্তিনোর প্রস্তাব মানতে নারাজ আরও এক মহাদেশ, বিশ্বকাপ ঘিরে তীব্র জল্পনা

বিশ্বকাপ এবং ফিফার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উয়েফার আপত্তির পর এবার উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল সংস্থা কনকাকাফও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। এর ফলে ফিফার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফুটবল মহলের একাংশের আশঙ্কা, এই বিরোধ আরও বাড়লে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে। যদিও এখনও কোনও দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা করেনি।জানা গিয়েছে, ইনফান্তিনো ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই পরিকল্পনায় ভবিষ্যতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফিফার দাবি, এই উদ্যোগ সফল হলে সদস্য দেশগুলি উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাবে। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, এর ফলে বিশ্বকাপের সম্প্রচার, স্পনসরশিপ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে বেসরকারি সংস্থার প্রভাব বাড়তে পারে।এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে উয়েফা জানিয়েছে, ফুটবল কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এবং এই খেলার নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি স্বার্থের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়। একই সুরে কনকাকাফও জানিয়েছে, প্রস্তাবটি নিয়ে আরও স্বচ্ছ আলোচনা এবং নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।এশিয়ার ফুটবল মহল থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এশিয়ান ফুটবল সংস্থার সভাপতি শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফা জানিয়েছেন, সব মহাদেশের সম্মতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা কঠিন হবে।ফলে ফিফার এই প্রস্তাব ঘিরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে সদস্য দেশগুলির অবস্থান কী হয় এবং ভোটাভুটিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্বের।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাই নিয়ে বড় ধাক্কা! আদালতে রাজ্যের রিপোর্ট দেখে ক্ষুব্ধ বিচারপতি, কড়া সতর্কবার্তা

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জমা পড়া রাজ্যের রিপোর্ট ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রিপোর্ট দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার সমাবেশ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য আদালতে রিপোর্ট জমা দেয়। শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, সমাবেশে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল কি না। কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষের আইনজীবী জানান, গোটা কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবং কোনও অশান্তি ঘটেনি।তবে রাজ্যের তরফে আদালতে জানানো হয়, সমাবেশে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলেও আদালত যে সংখ্যার সীমা বেঁধে দিয়েছিল, তা মানা হয়নি। অভিযোগ, নির্ধারিত সংখ্যার বেশি মানুষ জমায়েত হওয়ায় ক্যাথিড্রাল রোডের দুই দিকই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটি রাস্তা খোলা রাখার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি বলেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করার ঘটনা ভবিষ্যতে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতেও একুশে জুলাইয়ের সমাবেশকে ঘিরে আদালতের নির্দেশ পালন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবারও সমাবেশের আয়োজন নিয়ে আদালতে রিপোর্ট জমা পড়ার পর নতুন করে সেই বিতর্ক সামনে এল। আদালতের পর্যবেক্ষণের পর বিষয়টি রাজনৈতিক মহলেও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal