• ২৪ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! রাজ্যে বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজিরবিহীন নিরাপত্তা

ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা আরও কড়া করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। নতুন করে আরও একশো পঞ্চাশ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর ফলে মোট বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার পাঁচশো পঞ্চাশ কোম্পানিতে। এর আগে দুই হাজার চারশো কোম্পানি বাহিনী ছিল রাজ্যে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বাহিনী বাড়ানো হতে পারে।নির্বাচন কমিশনের দাবি, সুষ্ঠু, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোটের দফা কমিয়ে দুই করা হলেও নিরাপত্তায় কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন।এ বার রাজ্যে দুই দফায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী তেইশ এবং উনত্রিশ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে চার মে। দফা কমানোর সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।এ বার পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও অনেক বেশি। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় টহল ও রুটমার্চ চলছে। এর মধ্যেই আবার নতুন করে বাহিনী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী আঠারো এপ্রিলের মধ্যে এই অতিরিক্ত বাহিনী রাজ্যে এসে দায়িত্ব নিতে শুরু করবে।এই বাহিনীর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বেশ কিছু কোম্পানি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকেও বিশেষ সশস্ত্র পুলিশ আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সভার আগেই চাঞ্চল্য! হলদিয়ায় উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ

প্রধানমন্ত্রীর সভার মাত্র একদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল এক মৃত্যুকে ঘিরে। হলদি নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ। মৃতের নাম মহাদেব বিশ্বাস, বয়স প্রায় সাতচল্লিশ বছর। তাঁকে বিজেপি কর্মী বলে দাবি করেছে দল। এই ঘটনায় খুনের অভিযোগ তুলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে শাসকদল।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে মহাদেবের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার তাঁর স্ত্রী নদীর পাড়ে গিয়ে প্রথম দেহটি দেখতে পান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে। পরে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে এলাকায়। আগামীকাল হলদিয়ায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সভার আগে এই মৃত্যু নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে।বিজেপি নেতাদের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তাঁরা কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের দাবিও তুলেছেন।অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনায় রাজনীতির কোনও যোগ নেই। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, মৃত ব্যক্তি মাছ ধরার কাজে বেরিয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই স্পষ্ট হবে। তাঁরা চান, ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক এবং পরিবার বিচার পাক।এই ঘটনার পর ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য রক্ষা অধীর! এসকর্ট গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, রিপোর্ট চাইল কমিশন

কান্দি থেকে বহরমপুর ফেরার পথে বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ল কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর কনভয়। একটি ট্রাক এসে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। অল্পের জন্য রক্ষা পান অধীর চৌধুরী। দুর্ঘটনায় তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।বুধবার কান্দিতে নির্বাচনী প্রচার সেরে বহরমপুর ফিরছিলেন অধীর চৌধুরী। সেই সময় হঠাৎ একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার ফলে গাড়ির পিছনের অংশ ভেঙে যায়। যে গাড়িতে ধাক্কা লাগে, তার ঠিক পিছনেই ছিল অধীরের গাড়ি। তাই অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।দুর্ঘটনার পর কংগ্রেস কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ সময়মতো পৌঁছায়নি। তাঁদের দাবি, প্রায় কুড়ি মিনিট কেটে যাওয়ার পরও থানার কোনও আধিকারিক সেখানে আসেননি। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস।ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন দ্রুত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোটের আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় তৃণমূল-বিজেপিকে একসঙ্গে নিশানা কংগ্রেসের! ‘একই মুদ্রার দুই পিঠ’ মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বাংলার নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তৃণমূল ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করল কংগ্রেস। ইন্ডিয়া জোটের শরিক হওয়া সত্ত্বেও বাংলায় এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কড়া সুর শোনা গেল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মুখে।দলীয় ইস্তেহার প্রকাশ করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, বাংলায় তারা নতুন বিকল্প দিতে চায়। তাঁর কথায়, কংগ্রেস শুধু অর্থ বিলির প্রতিশ্রুতি দেয় না, বরং রাজ্যের পুনর্গঠন ও সংস্কারের কথা বলে। দীর্ঘদিন পর রাজ্যে একা লড়াই করছে কংগ্রেস, তাই এই নির্বাচনকে নতুন সুযোগ হিসেবে তুলে ধরছে দল।খাড়গে অভিযোগ করেন, তৃণমূলের শাসনে এত বছরেও রাজ্যে শিল্প ও কর্মসংস্থানের উন্নতি হয়নি। অন্যদিকে বিজেপি এই বিষয়গুলি নিয়ে কথা না বলে শুধুই বিভাজনের রাজনীতি করে। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে এক বছরের মধ্যে শূন্যপদ পূরণ করা হবে।রাজ্যের বেকারত্ব প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগে শিল্পের জন্য কলকাতার নাম শোনা যেত, এখন এখানকার যুবকদের অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে কাজের খোঁজে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের কোনও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেই। একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অভিযোগও তোলেন তিনি।দুর্নীতির বিষয়েও সরব হন খাড়গে। তিনি বলেন, রাজ্যে একাধিক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে, এমনকি এক মন্ত্রীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তাঁর মতে, বাংলায় আইনের শাসন ফিরিয়ে আনা জরুরি।এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, তৃণমূল ও বিজেপি আসলে একই মুদ্রার দুই পিঠ। তাই নতুন পথ দেখাতে কংগ্রেসই একমাত্র বিকল্প। যদিও ইন্ডিয়া জোট নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি জানান, জাতীয় স্তরে জোট থাকলেও রাজ্যভেদে লড়াইয়ের কৌশল আলাদা হতে পারে।সব মিলিয়ে বাংলার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের এই অবস্থান নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

রিমোট কন্ট্রোল বনাম রিপোর্ট কার্ড! ভোটের আগে নতুন তত্ত্ব অভিষেকের

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক তত্ত্ব সামনে আনলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় )। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচন আসলে রিমোট কন্ট্রোল এবং রিপোর্ট কার্ড-এর লড়াই।অভিষেকের অভিযোগ, বিজেপি দিল্লি থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বাংলাকে চালাতে চায়। তাঁর কথায়, এই রিমোট কন্ট্রোলের লক্ষ্য হল বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে দেওয়া, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং অশান্তি তৈরি করা। তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি বারবার বাঙালিদের অপমান করে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে উন্নয়নের খতিয়ান। গত ১৫ বছরে রাজ্যে যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেটাকেই রিপোর্ট কার্ড হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথীর মতো বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে প্রচার চালানো হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বার্তায় জানান, এই লড়াই আসলে দুই ধরনের ভাবনার মধ্যে। একদিকে বিজেপির রিমোট কন্ট্রোল, অন্যদিকে তৃণমূলের কাজের রিপোর্ট কার্ড। তাঁর দাবি, তৃণমূল মানুষের জন্য কাজ করেছে এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করবে। বাইরের কেউ রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে এই রাজ্য চালাতে পারবে না। এই বার্তা দিয়েই ভোটের ময়দানে নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

উকুন বাছার মতো নাম বাদ! চাকদহ থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় প্রায় ৯০ লক্ষের বেশি মানুষের নাম বাদ পড়া নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তাঁর অভিযোগ, বেছে বেছে নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়ের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, মতুয়া, রাজবংশী এবং সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হয়েছে।চাকদহের এক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেখে দেখে একটি সম্প্রদায়কে বাদ দেওয়া হচ্ছে। মতুয়া, রাজবংশী, সংখ্যালঘুদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। উকুন বাছার মতো করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই ৩২ লক্ষ মানুষের নাম তালিকায় তোলা হয়েছে এবং বাকিদের নামও তোলার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি বাংলায় বিজেপিকে শূন্য করার ডাক দেন তিনি ।সোমবার গভীর রাতে নির্বাচন কমিশন জেলা অনুযায়ী বাদ পড়া নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মোট প্রায় ৯১ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। বিবেচনাধীন ছিলেন ৬০ লক্ষের বেশি ভোটার, যার মধ্যে প্রায় ২৭ লক্ষের নাম বাদ পড়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর আগে ফেব্রুয়ারির শেষে প্রকাশিত তালিকাতেও বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়েছিল।এই বিষয়টি অনুপ্রবেশ ইস্যুর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বারবার দাবি করেছে, রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তাঁদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই প্রক্রিয়া প্রয়োজন।অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, এটি ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। তাঁদের বক্তব্য, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংখ্যালঘু ও বাঙালিদের টার্গেট করা হচ্ছে এবং ফেডারেল কাঠামোর উপর আঘাত করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, অনুপ্রবেশকারী কারা? সীমান্ত পাহারা দেয় কারা? নতুন করে যারা আসছে, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হচ্ছে, আর যারা বহুদিন ধরে এখানে আছে, তাদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে কেন?এই ইস্যু ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়তে শুরু করেছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরক অভিযোগ! কেন্দ্রীয় বাহিনী মহিলাদের তল্লাশি করবে, দাবি মমতার

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। দফায় দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে রাজ্যে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নিরাপত্তার নামে মহিলাদেরও তল্লাশি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এর জন্য একটি বিশেষ সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মমতা প্রশ্ন তোলেন, বুথের ভিতরে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, আর বুথ এজেন্টদের বাইরে রাখা হবে কেন। তাঁর কথায়, ভোট তো কেন্দ্রীয় বাহিনী দেবে না, তাই তাদের বুথের ভিতরে থাকার প্রয়োজন কী। তিনি অভিযোগ করেন, অন্য রাজ্যে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এখানে সেই রকম কিছু করার চেষ্টা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এমন একটি সংস্থা নিযুক্ত করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ ঠিকভাবে ভোট দিতে না পারেন।এখানেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, আইটিবিপি এবং বিএসএফের আধিকারিকরা এসে জানিয়েছেন, মহিলাদেরও শারীরিক তল্লাশি করা হবে। এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়া হলে মানুষ যেন তার জবাব ভোটের মাধ্যমে দেয়।মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই ধরনের মন্তব্য সরাসরি প্ররোচনামূলক এবং সংবিধানের পরিপন্থী। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে এই ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং যারা এমন কথা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে তাদের জনসভা করার অধিকার এবং প্রার্থীপদও বাতিল করা উচিত।মেটা বিবরণ: ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, মহিলাদের তল্লাশি নিয়ে বিতর্ক, পাল্টা আক্রমণ বিজেপির।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ড্রোন ঘিরে প্রাণনাশের চক্রান্ত! বর্ধমানের সভা থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

ভোটের আগে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মালদহে সভা থেকে ফেরার সময় তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। গত সপ্তাহে মালদহে একটি সভা শেষে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে তাঁর নজরে আসে একটি ড্রোন। সেটি তাঁর হেলিকপ্টারের খুব কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছিল বলে জানান তিনি। তখনই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।সোমবার পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়ে একটি সভা থেকে তিনি আরও সরব হন। মমতার দাবি, ওই ড্রোনের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত এবং হেলিকপ্টার ভেঙে পড়তে পারত। তাঁর কথায়, এই ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বিহারের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর জীবন নাশের উদ্দেশ্যেই কি এই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল? একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁকে ভয় দেখিয়ে চুপ করানো যাবে না এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবেন।মালতীপুরে যাওয়ার সময় ড্রোনটি হেলিকপ্টারের সামনে চলে আসার পরই তিনি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এদিনের সভা থেকে নাম না করে এই ঘটনার জন্য তিনি বিজেপির দিকেই ইঙ্গিত করেন।অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে বাংলায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার সহানুভূতি পাওয়ার রাজনীতি করছেন। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এভাবে অভিযোগ করা বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরণ! ৭০০ ভোটারের নাম উধাও, রাস্তায় আগুন হাসনাবাদে

ভোটের মুখে হাসনাবাদে উত্তেজনা ছড়াল ভোটার তালিকা নিয়ে। রবিবার সকাল থেকেই কাঁথি-মালঞ্চ রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, তিনটি বুথ থেকে প্রায় ৭০০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাট উত্তর বিধানসভার মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২৫১, ২৫২ এবং ২৫৩ নম্বর বুথে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, নতুন তালিকায় ২৫১ নম্বর বুথের এক পঞ্চায়েত সদস্যের নামও নেই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।বিক্ষোভকারীরা রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। ফলে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরে এই এলাকায় বসবাস করেও তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি আসা কিছু মানুষের নাম তালিকায় রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।এক বাসিন্দা জানান, তাদের পরিবার বহু বছর ধরে এই এলাকায় থাকলেও এবার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কেন এমন হল, তা তারা বুঝতে পারছেন না। এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।গত এক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠছে। তালিকা সংশোধন নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথায় আবেদন করতে হবে, কীভাবে নাম তোলা যাবে, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে।এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বহু মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিক্ষোভের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, কল্যাণের বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে চলেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক এবং অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করছে।বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে উস্কানিমূলক এবং হিংসাত্মক। এই ধরনের মন্তব্য যাতে আর না করা হয়, সেই জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। পাশাপাশি, তাঁর সেই বক্তব্যের ভিডিওও সরানোর দাবি জানিয়েছে বিজেপি।সম্প্রতি এক প্রচারসভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ৪ মে আপনাকে সবুজ আবির মাখাব। ১৫ দিন কেন, ১৫ মাস থাকুন। আপনার দাদাগিরি শেষ করে দেব। এই বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বিজেপি এই মন্তব্যকে কুরুচিকর বলে দাবি করেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে তারা। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ভিডিওর উল্লেখও করা হয়েছে।বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, একজন সাংসদের মুখে এই ধরনের ভাষা শোভা পায় না এবং এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ, সংবেদনশীল এলাকায় সরেজমিনে যাচ্ছেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তিন দিনের সফরে এসে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। শনিবার জেলায় পৌঁছেই তিনি দীর্ঘ বৈঠক করেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। বৈঠক শেষে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, স্পর্শকাতর বুথগুলিতে তিনি নিজে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। তাঁর প্রধান লক্ষ্য, ভয়মুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করা।এদিন বিকেলে জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বিশাল গর্গ এবং জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহার উপস্থিতিতে এই বৈঠক হয়। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে আগের নির্বাচনে যে সব এলাকায় অশান্তি হয়েছিল, সেগুলির নিরাপত্তা নিয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।বৈঠক শেষে তিনি জানান, জেলায় প্রায় ৪০ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। এত বড় সংখ্যক ভোটারের জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, প্রত্যেক ভোটার যাতে কোনও ভয় বা চাপ ছাড়াই নিজের ইচ্ছামতো ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই সফর।তিনি আরও জানান, আগের নির্বাচনগুলিতে যেখানে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা গিয়েছিল, সেই সব এলাকায় তিনি নিজে যাবেন। রবিবার জেলাশাসককে সঙ্গে নিয়ে তিনি সরাসরি সেইসব এলাকায় পরিদর্শনে যাবেন। শুধু অফিসে বসে নয়, মাঠে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেই বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ভোট নিয়ে ভয়ের কোনও কারণ নেই। কমিশন এবং জেলা প্রশাসন মিলেই নিরাপদ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই কমিশন এবার আরও বেশি সতর্ক হয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকায় সরাসরি নজরদারি বাড়ানো এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর এই উদ্যোগ জেলায় কড়া নিরাপত্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সভার আগের রাতেই চাঞ্চল্য, কোচবিহারে অস্ত্র-সহ ধরা ২ দুষ্কৃতী

রবিবার কোচবিহারে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সভাকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে অত্যন্ত কড়া। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার গভীর রাতে কোচবিহার থেকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চ্যাংড়াবান্ধা এলাকায় নাকা চেকিং চলছিল শনিবার রাতে। সেই সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ছয়টি দেশি পিস্তল এবং ২০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়।জানা গিয়েছে, ধৃতরা মেখলিগঞ্জ এলাকা থেকে অস্ত্র নিয়ে আসছিল। রাত প্রায় আড়াইটা নাগাদ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের হাতে তারা ধরা পড়ে। পরে তাদের পুলিশে তুলে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভার ঠিক আগের রাতে এতগুলি অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।কেন এই অস্ত্র আনা হচ্ছিল, এর পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভোটের আগে এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এরই মধ্যে আর একটি ঘটনা ঘিরেও জল্পনা বেড়েছে। শনিবার মালদহের মালতীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টারের সামনে একটি রহস্যময় ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ঘটনাটি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আসতেই তিনি কিছুক্ষণের জন্য থেমে যান।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই মালদহের কালিয়াচকে বিক্ষোভের জেরে প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে আটকে রাখা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী সেখানে সফরে গিয়েছিলেন। এর মধ্যেই ড্রোন দেখা যাওয়া এবং কোচবিহারে অস্ত্র উদ্ধারএই দুই ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

তীব্র গরমের পর বড়সড় বদল, নিম্নচাপের জেরে টানা বৃষ্টি বাংলাজুড়ে

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে অবশেষে স্বস্তির খবর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, একটি নিম্নচাপের প্রভাবে রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হবে। এর সঙ্গে বজ্রপাত এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির প্রভাব পড়বে।আবহাওয়া দপ্তরের মতে, বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ, অসম এবং বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। এই কারণেই আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছে এবং তার প্রভাবেই ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রবিবার থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই মাঝে মাঝে বৃষ্টি চলবে। তবে মঙ্গলবার এবং বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ ও প্রভাব আরও বাড়বে। মঙ্গলবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।বুধবার পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকবে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে, রবিবার এবং সোমবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবার উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় কালবৈশাখীর আশঙ্কাও রয়েছে এবং ঝড়ের গতি ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় জল জমার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু! মালদহে চাঞ্চল্য, নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

মালদহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে হঠাৎই চাঞ্চল্য ছড়ায় একটি রহস্যময় উড়ন্ত যন্ত্রকে কেন্দ্র করে। মালতিপুরে জনসভা শেষ করে গাজোল যাওয়ার জন্য হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আকাশে একটি অচেনা উড়ন্ত যন্ত্রের চলাচল নজরে আসে। বিষয়টি দেখে স্বাভাবিকভাবেই উপস্থিত সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।মুখ্যমন্ত্রী নিজেও হেলিকপ্টারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ ধরে ওই যন্ত্রটির দিকে নজর রাখেন। তাঁর সফরের সময় সাধারণত আকাশপথ পুরোপুরি নিরাপদ রাখা হয়। সেই জায়গায় এই ধরনের উড়ন্ত যন্ত্রের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ঘটনাটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই কাজ করছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি পুলিশের কাছে দ্রুত এই বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলেই সন্দেহ।রাজ্যে ভোটের আবহে সব দলই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রীও একাধিক জনসভা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শনিবার মালদহে তাঁর একাধিক সভা ও কর্মসূচি ছিল। মালতিপুরে সভা শেষে গাজোল যাওয়ার সময়ই এই ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর, এই উড়ন্ত যন্ত্রটি কে বা কারা ওড়াচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা করা হয়েছিল, তা দ্রুত খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

গেরুয়া ঢেউয়ে খড়গপুর! দিলীপের মনোনয়নে শুভেন্দুর চমক, একসঙ্গে মঞ্চে বড় বার্তা বিজেপির

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিল যেন গেরুয়া রঙে ভেসে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যেই নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। প্রচার গাড়িতে সামনে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, আর তাঁর একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই উপস্থিতিই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার।২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই প্রথমবার বিজেপির বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামা প্রসাদ তিওয়ারিকে বড় ব্যবধানে হারান তিনি। পরে ২০১৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় এই কেন্দ্র উপনির্বাচনে বিজেপির হাতছাড়া হয়। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার এই আসন ফিরে পায় বিজেপি।একই দলে থাকলেও দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। তাই এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় দিলীপের একেবারে পাশে শুভেন্দুর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।এইদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তেইশ তারিখ দিলীপ ঘোষ নিজের ভোটের কাজ শেষ করে ভবানীপুরে তাঁর জন্য প্রচারে নামবেন। দিলীপ ঘোষ এবং রেখা গুপ্তাকে পাশে রেখেই এই মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে গত সোমবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, ভোটের আগে কিছুদিন পশ্চিমবঙ্গেই থাকবেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভবানীপুরে জয় মানেই গোটা বাংলায় জয়।এদিনের মিছিল থেকে রেখা গুপ্তা বলেন, বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, মানুষ এই সরকারকে সরাতে চায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য উৎসাহী। তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা এবং নতুন সরকার এলে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রেই আগুন ঝরছে! চল্লিশ পেরোল তাপমাত্রা, বৈশাখে কী হবে ভেবে আতঙ্কে বঙ্গবাসী

এপ্রিলের শুরুতেই তীব্র গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী। সকাল থেকেই চড়া রোদ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা। ইতিমধ্যেই অনেক জায়গায় পারদ ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। চৈত্র মাসেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বৈশাখে কী হবে তা নিয়ে চিন্তায় সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি পেরিয়েছে। পানাগড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বাঁকুড়াতেও তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪০ ডিগ্রি। দমদমে তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রির কাছাকাছি এবং কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩৬ ডিগ্রি।শনিবারও দিনভর গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৮ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে।আজ কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে শুষ্ক আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারেও হালকা বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে শীঘ্রই আবহাওয়ার পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে। শনিবার থেকেই পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা তিন থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচক কাণ্ডে নতুন বিস্ফোরণ! প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকে আঙুল বিজেপির

বুধবার রাত থেকেই কালিয়াচকের ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সাত জন বিচারককে দীর্ঘ সময় ধরে ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্বাচন কমিশনও এই বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল।এই ঘটনার দায় নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ বাড়ছে। এর মধ্যেই রাজ্যের এক বিদায়ী মন্ত্রীর নাম জড়িয়ে বড় অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে তারা দাবি করেছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ থাকতে পারে।বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করেছেন দলের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এই পুরো ঘটনার পিছনে শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা নিয়েছেন মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন।এরপর বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি শাখার প্রধান অমিত মালব্য সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, কয়েক জন সমর্থককে নিয়ে বসে রয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। মালব্যর দাবি, কালিয়াচকের ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই তাঁকে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের পোস্ট মুছে ফেললেও লাভ হবে না, কারণ সব তথ্য তাঁদের কাছে রয়েছে। তিনি এই ভিডিয়োর মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন।তবে এই সব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে সব সময় ভয় পান, বিশেষ করে ভোটের সময়। তাঁর কথায়, এই ভয় তিনি উপভোগ করেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও এবার তাঁর কেন্দ্র বদল হয়েছে। আগে তিনি মোথাবাড়ির বিধায়ক ছিলেন, তবে এবারের নির্বাচনে তাঁকে সুজাপুর থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই তিনি এলাকায় প্রচারে নেমেছেন।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ...
  • 182
  • 183
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! রাজ্যে বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজিরবিহীন নিরাপত্তা

ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা আরও কড়া করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। নতুন করে আরও একশো পঞ্চাশ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর ফলে মোট বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার পাঁচশো পঞ্চাশ কোম্পানিতে। এর আগে দুই হাজার চারশো কোম্পানি বাহিনী ছিল রাজ্যে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বাহিনী বাড়ানো হতে পারে।নির্বাচন কমিশনের দাবি, সুষ্ঠু, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোটের দফা কমিয়ে দুই করা হলেও নিরাপত্তায় কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন।এ বার রাজ্যে দুই দফায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী তেইশ এবং উনত্রিশ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে চার মে। দফা কমানোর সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।এ বার পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও অনেক বেশি। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় টহল ও রুটমার্চ চলছে। এর মধ্যেই আবার নতুন করে বাহিনী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী আঠারো এপ্রিলের মধ্যে এই অতিরিক্ত বাহিনী রাজ্যে এসে দায়িত্ব নিতে শুরু করবে।এই বাহিনীর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বেশ কিছু কোম্পানি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকেও বিশেষ সশস্ত্র পুলিশ আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য রক্ষা অধীর! এসকর্ট গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, রিপোর্ট চাইল কমিশন

কান্দি থেকে বহরমপুর ফেরার পথে বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ল কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর কনভয়। একটি ট্রাক এসে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। অল্পের জন্য রক্ষা পান অধীর চৌধুরী। দুর্ঘটনায় তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।বুধবার কান্দিতে নির্বাচনী প্রচার সেরে বহরমপুর ফিরছিলেন অধীর চৌধুরী। সেই সময় হঠাৎ একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার ফলে গাড়ির পিছনের অংশ ভেঙে যায়। যে গাড়িতে ধাক্কা লাগে, তার ঠিক পিছনেই ছিল অধীরের গাড়ি। তাই অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।দুর্ঘটনার পর কংগ্রেস কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ সময়মতো পৌঁছায়নি। তাঁদের দাবি, প্রায় কুড়ি মিনিট কেটে যাওয়ার পরও থানার কোনও আধিকারিক সেখানে আসেননি। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস।ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন দ্রুত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোটের আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সভার আগেই চাঞ্চল্য! হলদিয়ায় উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ

প্রধানমন্ত্রীর সভার মাত্র একদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল এক মৃত্যুকে ঘিরে। হলদি নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ। মৃতের নাম মহাদেব বিশ্বাস, বয়স প্রায় সাতচল্লিশ বছর। তাঁকে বিজেপি কর্মী বলে দাবি করেছে দল। এই ঘটনায় খুনের অভিযোগ তুলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে শাসকদল।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে মহাদেবের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার তাঁর স্ত্রী নদীর পাড়ে গিয়ে প্রথম দেহটি দেখতে পান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে। পরে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে এলাকায়। আগামীকাল হলদিয়ায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সভার আগে এই মৃত্যু নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে।বিজেপি নেতাদের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তাঁরা কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের দাবিও তুলেছেন।অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনায় রাজনীতির কোনও যোগ নেই। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, মৃত ব্যক্তি মাছ ধরার কাজে বেরিয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই স্পষ্ট হবে। তাঁরা চান, ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক এবং পরিবার বিচার পাক।এই ঘটনার পর ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর জেলমুক্তি! সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের জীবনে বড় মোড়

প্রায় ১৩ বছর পর সারদা চিটফান্ড কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সুদীপ্ত সেন সব মামলায় মুক্তির পথে। বুধবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। এর আগে অন্যান্য মামলাতেও তিনি জামিন পেয়েছিলেন। এবার রাজ্য পুলিশের হাতে থাকা শেষ দুটি মামলাতেও জামিন মেলায় তাঁর জেল থেকে বেরোনোর আর কোনও আইনি বাধা রইল না। সব কিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবারই জেল থেকে ছাড়া পেতে পারেন তিনি।বর্তমানে সুদীপ্ত সেনের বয়স ৬৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। সম্প্রতি তাঁর ব্রেন স্ট্রোকও হয়েছিল, সেখান থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। জানা গেছে, তিনি সর্বোচ্চ সম্ভাব্য কারাদণ্ডের সময়েরও বেশি দিন জেলে কাটিয়েছেন। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই দীর্ঘ কারাবাস কার্যত শাস্তিমূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে।১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে আদালত একাধিক শর্ত আরোপ করেছে। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। বারাসত থানায় নিজের স্থায়ী ঠিকানা জানাতে হবে এবং অনুমতি ছাড়া বসবাসের জায়গা বদল করা যাবে না।এছাড়া কোনও আর্থিক সংস্থা, বিনিয়োগ প্রকল্প বা মাল্টি লেভেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা তাঁর জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জনসাধারণের কাছ থেকে কোনও ধরনের অর্থ সংগ্রহ বা গ্রহণও করতে পারবেন না। মামলার সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা বা কাউকে প্রভাবিত করা কিংবা ভয় দেখানোও তাঁর জন্য নিষিদ্ধ। এই শর্তগুলির কোনওটি ভাঙলে তাঁর জামিন সঙ্গে সঙ্গে বাতিল হয়ে যাবে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
দেশ

রাত পোহালেই ভোটযুদ্ধ, তিন রাজ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে

ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। বুধবার, ৯ এপ্রিল একসঙ্গে তিন রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে (Assembly election)। অসম, কেরলম ও পুদুচেরিতে ভোট গ্রহণ হবে। ইতিমধ্যেই ইভিএম ও নির্বাচনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচন কর্মীদের হাতে।তিন জায়গা মিলিয়ে মোট ২৯৬টি আসনে নির্বাচন হবে। কেরলমে ১৪০টি আসনে ভোট হবে। অসমে ১২৬টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পুদুচেরিতে ৩০টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মে (Assembly election)।কেরলমে মূল লড়াই সিপিআই(এম)-র নেতৃত্বাধীন এলডিএফ, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এবং বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র মধ্যে। অন্যদিকে অসমে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সরাসরি লড়াই (Assembly election)। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আবার ক্ষমতায় ফিরতে পারেন কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা রয়েছে। প্রায় আড়াই কোটি ভোটার এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। ইতিমধ্যেই সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।পুদুচেরিতে ৩০টি আসনে মোট ২৯৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেখানে প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।তিন রাজ্যের এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এখন নজর ভোটের ফলের দিকে, কার হাতে যাবে ক্ষমতা তা জানার অপেক্ষায় দেশ।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতা-অভিষেকের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক, নির্বাচন কমিশনে বিজেপির অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে থাকায় এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। তাঁদের প্রচারের বক্তব্য সেন্সর করার দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় এক সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন, উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে বিজেপিকে কঠোরভাবে পরাজিত করা হবে। এরপর তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলির প্রসঙ্গ তুলে আরও কড়া মন্তব্য করেন। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছে এবং হিংসাকে উসকে দিচ্ছে।বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, শুধু অভিষেক নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। এর আগেও মমতার বক্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল।গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে এক সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাঁর প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি সমর্থকদের সতর্ক করে বলেন, কোনও হিংসাত্মক পথে না যেতে। এই মন্তব্য নিয়েও আপত্তি জানিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি।যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এবার মমতা ও অভিষেকদুজনের বিরুদ্ধেই একসঙ্গে সেন্সরের দাবি জানিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি করেছে বিজেপি।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ থামলেও ভয় কাটেনি!যুদ্ধবিরতি হতেই ইরান ছাড়তে ভারতীয়দের জরুরি নির্দেশ

যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত মিললেও ইরানের পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এই অবস্থায় তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ইরানে বসবাসকারী ভারতীয়দের জন্য নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে। দূতাবাসের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ইরানে থাকা সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের যত দ্রুত সম্ভব দেশ ছেড়ে ফিরে আসতে হবে।দূতাবাসের অ্যাডভাইসরিতে বলা হয়েছে, ৭ এপ্রিলের আগের নির্দেশিকা এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতীয়দের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে নির্দিষ্ট রুট ব্যবহার করে ইরান ত্যাগ করতে।একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, দূতাবাসের অনুমতি ছাড়া কেউ যেন আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্তের দিকে না যান। কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে সাহায্যের জন্য হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া হয়েছে।এর আগে দূতাবাস জানিয়েছিল, ৪৮ ঘণ্টা সবাইকে যেখানে রয়েছেন সেখানেই থাকতে। তবে পরিস্থিতি এখনও অস্থির থাকায় নতুন করে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। ভারতীয়দের বলা হয়েছে, ইলেকট্রিক বা সামরিক সরঞ্জামের কাছাকাছি না যেতে এবং বহুতলের উপরের তল এড়িয়ে চলতে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত ভারতীয়দের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর ইস্যুতে ফের সুপ্রিম কোর্টে যাবেন মমতা, ভোটার তালিকা নিয়ে প্রশ্ন

ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে এসে তিনি ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানান। মমতা বলেন, আমি ৩৬৫ দিনই এখানে থাকি। আমার সব কাজকর্ম এখানেই। এখানেই আছি, এখানেই থাকব। বাংলার পাশাপাশি তিনি গুজরাটি ভাষাতেও শুভেচ্ছা জানান, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশে পরোক্ষ বার্তা দিয়েছেন। ভবানীপুরের সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সম্পর্ক তুলে ধরে তিনি নিজেকে নিজের মানুষ হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছেন।এদিনও এসআইআর ইস্যুতে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এত মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, যা নিয়ে তিনি আবারও সুপ্রিম কোর্টে যাবেন। মমতা বলেন, ১ কোটি ২০ লক্ষের মধ্যে ৩২ লক্ষের নাম উঠেছে। সেটাও আদালতে যাওয়ার ফলে হয়েছে। কিন্তু এখনও ৫৮ লক্ষ নাম খোলা হয়নি।তিনি আরও বলেন, কিছু নাম বাদ পড়তেই পারে, যেমন মৃত বা ডুপ্লিকেট ভোটার। কিন্তু এখনও বহু মানুষের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। তাঁদের ভোটাধিকার দেওয়া উচিত।মমতার বক্তব্য, পরে নাম তুলে কী হবে, যদি তারা ভোটই দিতে না পারে? তিনি প্রশ্ন তোলেন, যাঁরা বিচারাধীন, তাঁদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল। তাহলে তালিকা ফ্রিজ করে রাখা হল কেন?প্রসঙ্গত, এসআইআর প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে মোট প্রায় ৯০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। প্রথম তালিকায় ৬৩ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। পরে বিচার প্রক্রিয়ায় আরও প্রায় ২৭ লক্ষ নাম অযোগ্য বলে চিহ্নিত হয়। এই তালিকা প্রকাশের পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। তিনি আগেই অভিযোগ করেছিলেন, উকুন বাছার মতো করে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে ফের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal