• ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ১৮ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও স্কুলের মিড-ডে মিল—খাদ্য খাতে বড় বরাদ্দ বৃদ্ধি রাজ্য সরকারের, ১ অগস্ট থেকে কার্যকর নতুন হার

নিজস্ব সংবাদদাতা: মূল্যবৃদ্ধির বাজারে হাসপাতালের ভর্তি রোগী এবং সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের পড়ুয়াদের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর এবং স্কুল শিক্ষা দফতর ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে পৃথক নির্দেশিকা জারি করে হাসপাতালের ফুল রাইস ডায়েট এবং পিএম পোষণ (মিড-ডে মিল) প্রকল্পে রান্নার খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর ঘোষণা করেছে। নতুন হার ১ অগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খাবারের খরচ প্রায় দ্বিগুণস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের জারি করা মেমো অনুযায়ী, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারি হাসপাতালগুলিতে ভর্তি রোগীদের জন্য ফুল রাইস ডায়েট বাবদ বরাদ্দ প্রতিদিন প্রতি রোগী ৫৬.৬৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়েছে।সরকারের বক্তব্য, খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং রোগীদের আরও উন্নত মানের খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থ দফতরের অনুমোদনের পর এই সংশোধিত হার কার্যকর করা হচ্ছে।প্রাথমিক পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলেও বাড়ল রান্নার খরচঅন্যদিকে, স্কুল শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বালবাটিকা (প্রি-প্রাইমারি) ও প্রাথমিক স্তরের সরকারি, সরকার পোষিত ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে পিএম পোষণ প্রকল্পের অধীনে রান্নার খরচে রাজ্যের অংশ বৃদ্ধি করা হচ্ছে।এতদিন কেন্দ্রীয় প্রকল্প অনুযায়ী রান্নার খরচ ছিল প্রতি ছাত্রছাত্রী ৬.৭৮ টাকা। রাজ্য সরকার অতিরিক্ত ৩.২২ টাকা বরাদ্দ দেওয়ায় মোট রান্নার খরচ বেড়ে প্রতি ছাত্রছাত্রী ১০ টাকা হবে। এই নতুন হারও ১ অগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকারের উদ্যোগসরকারি নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাজারে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের রোগীদের উন্নত খাদ্য সরবরাহ এবং স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টিকর মধ্যাহ্নভোজন নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।নতুন বরাদ্দ কার্যকর হলে সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীদের খাদ্যের মানোন্নয়ন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে মিড-ডে মিলের রান্নার ব্যয় নির্বাহে প্রশাসনের সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের দুশ্চিন্তার অবসান! উদ্ধার হলেন হাওড়ার তরুণ শুটার দময়ন্তী, পড়াশোনা ও শুটিংয়ের চাপেই কি বাড়ি ছাড়া?

হাওড়ার প্রতিভাবান রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেনকে অবশেষে উদ্ধার করল পুলিশ। গত দুদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর শনিবার ভোরে হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট এলাকা থেকে ১৫ বছরের এই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে সে পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। আদালতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অপহরণ বা অন্য কোনও অপরাধমূলক ঘটনার পরিবর্তে পারিবারিক মনোমালিন্যই দময়ন্তীর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার মূল কারণ হতে পারে। বিশেষ করে পড়াশোনা এবং রাইফেল শুটিংয়ের কঠোর অনুশীলনের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে গিয়ে সে মানসিক চাপে ভুগছিল বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গত দুদিন দময়ন্তী একাই বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছে। অবশেষে নিজের জেলায় ফিরে আসার পর রামকৃষ্ণপুর ঘাট এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। যদিও তার দেওয়া বয়ান এখনও যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই সময়ের মধ্যে সে কোথায় কোথায় ছিল এবং কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল কি না।দময়ন্তী সেন রাজ্যস্তরের একজন প্রতিশ্রুতিশীল রাইফেল শুটার। অলিম্পিয়ান জয়দীপ কর্মকারের রাইফেল শুটিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলন করছে সে। সম্প্রতি জাতীয় দলের ট্রায়ালেও সুযোগ পেয়েছিল, যা তার কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে। প্রতিদিন ভোরে নিয়মিত অনুশীলনের পাশাপাশি স্কুলের পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে হচ্ছিল তাকে। এই দুইয়ের চাপই ধীরে ধীরে মানসিক অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিল বলে মনে করছে পুলিশ।দময়ন্তীর পরিবার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে দুধ কিনতে বেরিয়েছিল সে। তারপর আর বাড়ি ফেরেনি। তার মোবাইল ফোনটিও বাড়িতেই রেখে গিয়েছিল, ফলে কোনওভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উদ্বিগ্ন পরিবার দ্রুত থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে জানতে পারে, শেষবার তাকে হাওড়া স্টেশন এলাকায় দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকেই জোরকদমে শুরু হয় তল্লাশি।আরও পড়ুনঃ জাতীয় দলে সুযোগের মুখে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেল হাওড়ার কিশোরী শুটার, ঘনাচ্ছে রহস্যমেয়েকে ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন। তিনি বলেন, মেয়ে নিরাপদে রয়েছেএটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়। তাঁর মতে, পড়াশোনা ও শুটিংয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে দময়ন্তী হয়তো মানসিক চাপে পড়েছিল। বিশেষ করে পড়াশোনাকে কেন্দ্র করেই পরিবারের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে তাঁর ধারণা।হাওড়া জেলা পুলিশের ডিসি (সেন্ট্রাল) তৌসিফ আলি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে পড়াশোনা সংক্রান্ত বিষয়েই পরিবারের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে দময়ন্তী বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। তবে তার বক্তব্যের প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত এখনও চলছে।তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, জাতীয় স্তরে ওঠার লক্ষ্যে কঠোর অনুশীলনের চাপের পাশাপাশি পরিবার বা অন্য কোনও দিক থেকে অতিরিক্ত প্রত্যাশা বা মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল কি না। কারণ কিশোর বয়সে পড়াশোনা, খেলাধুলা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে ওঠে।দুদিনের উৎকণ্ঠার পর দময়ন্তীর নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে পরিবার যেমন স্বস্তি পেয়েছে, তেমনই ক্রীড়ামহলেও স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে। তবে এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল, প্রতিভাবান কিশোর-কিশোরীদের সাফল্যের পথে শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ নয়, সমান গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সহায়তা এবং পারিবারিক বোঝাপড়াও।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

'২০২১ সাল থেকে জোর করে বাড়ি দখলের' অভিযোগ, রাজ্যপালের কাছে নালিশ বৃদ্ধ দম্পতির; আদালতের নির্দেশ কার্যকর না হওয়ার অভিযোগও

নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার মাজদিয়া এলাকায় একটি বাড়ি দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিবাদের জেরে রাজ্যপাল আর এন রবির কাছে লিখিত অভিযোগ জানালেন এক বৃদ্ধ বাসিন্দা। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, ২০২১ সাল থেকে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জোর করে তাঁদের পৈতৃক বাড়ি দখল করে রেখেছেন এবং এখনও তাঁরা নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারছেন না।অভিযোগকারী দেবব্রত রায় জানিয়েছেন, তাঁর ৯৪ বছর বয়সি বাবা অজিত রায়ের মালিকানাধীন বাড়ি দখল করে তাঁদের সেখান থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগ, বাধা দিতে গেলে পরিবারের সদস্যদের মারধর, হুমকি এবং ভয় দেখানো হয়। এ ঘটনায় কৃষ্ণগঞ্জ থানায় একাধিকবার অভিযোগ দায়ের করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে।অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাড়ি দখলকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। সংশ্লিষ্ট মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট এবং দেওয়ানি আদালতের বিভিন্ন নির্দেশের উল্লেখ করে অভিযোগকারী দাবি করেছেন, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তার যথাযথ বাস্তবায়ন হয়নি।সংযুক্ত আদালতের নথি অনুযায়ী, WPA 11137 of 2024 (Ajit Roy Others vs The State of West Bengal Others) মামলায় আদালত পর্যবেক্ষণ করে যে, অ্যাডভোকেট কমিশনার বাড়িটি সম্পূর্ণভাবে পরিদর্শন করতে পারেননি, কারণ সেটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ ছিল। আদালত আরও উল্লেখ করে, যদি আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করে তালা লাগানো হয়ে থাকে, তবে পুলিশ প্রয়োজনে সেই তালা ভেঙে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পারে।অন্য একটি আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, দেওয়ানি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার দায়িত্ব পুলিশের থাকলেও, কোনো পক্ষ আদালতের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তিতে তালা লাগিয়ে অপর পক্ষকে বঞ্চিত করতে পারে না। আদালত আরও জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘনের ঘটনা সামনে এলে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।অভিযোগকারীর দাবি, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখনও তাঁরা বাড়ির দখল ফিরে পাননি। বরং বাড়ির আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট বা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে তাঁদের বাড়ির দখল ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।অভিযোগপত্রে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধেও পরোক্ষভাবে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করা হয়েছে।তবে এই সমস্ত অভিযোগ একতরফা। অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সরকারিভাবে কোনও মতামত দেওয়া হয়নি।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

স্কুল পড়ুয়াদের মৃত্যুর পরই বড় পদক্ষেপ! গেটম্যান গ্রেফতার, সামনে এল ভয়ঙ্কর অভিযোগ

মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় তিন স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল রেল ও পুলিশ। দুর্ঘটনার পর প্রথমে গেটম্যান এবং তাঁর সুপারভাইজারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে গেটম্যানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার সময় তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার সকালে রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি স্কুলের পুলকারে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই তিন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর পূর্ব রেল জানিয়েছে, পুরো বিষয়টির উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। এডিআরএমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। রেলের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সিগন্যাল ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল না। ট্রেন নির্ধারিত সিগন্যাল মেনেই চলছিল। তাই এখন মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে গেটম্যানের ভূমিকার উপর।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রথমে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। তখনই পুলকারটি রেললাইন পার হতে শুরু করে। ঠিক সেই সময় উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। অভিযোগ, সেই সময় গেটম্যান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।রেল জানিয়েছে, এটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত ইন্টারলকিং রেলগেট। তাই গেটম্যান কোথায় ছিলেন, কেন সময়মতো গেট নিয়ন্ত্রণ করা গেল না এবং কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিকেল দলও পাঠানো হয়েছে।ঘটনার পর বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, এতগুলো নিরীহ পড়ুয়ার মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। কীভাবে এমন গাফিলতি হল, তা বিস্তারিত তদন্ত হওয়া উচিত। অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে অধীর চৌধুরী রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, রেলমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে অধীরের অভিযোগ, রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গেটম্যানের গ্রেফতারি এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্ত শেষ হলে ঠিক কার গাফিলতিতে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সেই উত্তরই এখন জানতে চাইছে সকলেই।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ফের ধেয়ে আসছে প্রবল বৃষ্টি! কোন কোন জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, জানাল আবহাওয়া দফতর

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। গত সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টির পর ফের নতুন করে বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার, রবিবার এবং সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাব কমে গেলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।শুক্রবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।শনিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রবিবার এবং সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নদীর জলস্তরও দ্রুত বাড়তে পারে। কয়েকটি নদী বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার উপরে পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাতাশ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছিয়াত্তর থেকে ছিয়ানব্বই শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

জাতীয় দলে সুযোগের মুখে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেল হাওড়ার কিশোরী শুটার, ঘনাচ্ছে রহস্য

জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অনুশীলনও করতেন। সেই প্রতিভাবান কিশোরী রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেন হঠাৎই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। হাওড়ার মধ্য এলাকার উমাচরণ ভট্টাচার্য লেনের বাসিন্দা বছর পনেরোর দময়ন্তীকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনায় উদ্বিগ্ন পরিবার, সতীর্থ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কিনতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন দময়ন্তী । কিন্তু তারপর আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ চালিয়েও তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। এরপর বাধ্য হয়ে হাওড়া থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন পরিবারের সদস্যরা।সবচেয়ে বড় রহস্য, দময়ন্তীর মোবাইল ফোনটি বাড়িতেই পড়ে ছিল। পরিবারের দাবি, আগের রাতে তিনি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, কারণ পরদিন সকালে অনুশীলনে যাওয়ার কথা ছিল। তাঁর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানিয়েছেন, মেয়ে সম্প্রতি জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পেয়েছিল এবং খেলাধুলায় ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করছিল ।তদন্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলেছে। হাওড়া স্টেশনের একটি প্ল্যাটফর্মের নজরদারি ক্যামেরায় শেষবার দময়ন্তীকে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কীভাবে এবং কোথায় তিনি গেলেন, তা জানার চেষ্টা চলছে।পরিবারের দাবি, বাড়িতে কোনও অশান্তি বা ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল না। তাই হঠাৎ এমন ঘটনা কেন ঘটল, তা নিয়ে সবাই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। সমাজমাধ্যমেও দময়ন্তীর ছবি ছড়িয়ে দিয়ে তাঁর খোঁজ চাওয়া হয়েছে। পুলিশ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চালাচ্ছে।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ভুল! চোখের সামনে ছাত্রবোঝাই গাড়িকে টেনে নিয়ে গেল ট্রেন

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি রেলগেটে ছাত্রবোঝাই পুলকারে ধাক্কা মারে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন। এই ঘটনায় একাধিক পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি আপ ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। গেট খুলতেই আটকে থাকা যানবাহন রেললাইন পার হতে শুরু করে। সেই সময় স্কুলের পুলকার এবং এক সাইকেল আরোহী রেললাইন পার হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই আবার রেলগেট নামানো হয়। ফলে পুলকারটি মাঝপথে আটকে যায় এবং বেরিয়ে আসার সুযোগ পায়নি।এর কিছুক্ষণের মধ্যেই উল্টো দিক থেকে দ্রুতগতিতে নিমতিতা প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। ট্রেনটি পুলকারে সজোরে ধাক্কা মেরে প্রায় পঞ্চাশ ফুট পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সাইকেল আরোহীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ুয়াদের উদ্ধার করতে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ। পুরো এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে।এই ঘটনায় রেলগেট পরিচালনায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরীও রেল নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইতিমধ্যেই পূর্ব রেল বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কীভাবে রেলগেট খুলে আবার বন্ধ করা হল এবং সেই সময় দায়িত্বে থাকা কর্মীর ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ বিপর্যয়! ছাত্রবোঝাই গাড়িতে ট্রেনের ধাক্কা, মুহূর্তেই মৃত্যু

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই ছাত্রের। স্কুলের ছাত্রবোঝাই একটি গাড়িতে চলন্ত ট্রেন ধাক্কা মারলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় একাধিক পড়ুয়া আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণসুবর্ণ এবং গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি লেভেল ক্রসিংয়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। সেই সময় স্কুলের গাড়িটি রেললাইন পার হওয়ার জন্য এগিয়ে যায়। ঠিক তখনই উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনটি গাড়িটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।জানা গিয়েছে, গাড়িতে মোট আট জন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের প্রথমে কর্ণসুবর্ণ ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যাঁদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর, তাঁদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ।দুর্ঘটনার পর রেলগেট খোলা ছিল কেন, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গেটম্যানের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। কেন রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল এবং সেই সময় গেটম্যান কোথায় ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব রেল। একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ, রেলগেট পরিচালনায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের দিনই বড় রাজনৈতিক বার্তা! শুভেচ্ছা জানিয়ে কী বললেন মোদী ও শুভেন্দু, মায়াপুরে দিলীপের কড়া মন্তব্য

রথযাত্রা (Rath Yatra) উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সমাজমাধ্যমে দেওয়া পৃথক বার্তায় দুজনেই মহাপ্রভু জগন্নাথের আশীর্বাদে সকলের সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। অন্যদিকে রথের দিন সকালে মা ও স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মায়াপুরে ইসকনের প্রধান মন্দিরে পুজো দিতে যান রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। সেখানে আরতি, গোসেবা এবং যজ্ঞে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি (Rath Yatra)।প্রধানমন্ত্রী তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, পবিত্র রথযাত্রা (Rath Yatra) ভারতের চিরন্তন আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক। এই উৎসব মানুষের মধ্যে বিনম্রতা, ঐক্য এবং নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শকে আরও শক্তিশালী করে। তিনি মহাপ্রভু জগন্নাথের কাছে সকলের সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করেন।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, শ্রীশ্রী জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার আশীর্বাদে সকলের জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক। তিনি দেশের, সমাজের এবং সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ কামনা করে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।এদিকে রথযাত্রার (Rath Yatra) সকালে মায়াপুরে ইসকনের প্রধান মন্দিরে পৌঁছে আরতি করেন দিলীপ ঘোষ। এরপর তিনি গোসেবায় অংশ নেন। নিজের হাতে গোমাতাকে খাদ্য খাওয়ান এবং পা ধুয়ে দেন। পরে যজ্ঞেও অংশ নেন তিনি। দিলীপ জানান, ইসকনের মতো একটি আন্তর্জাতিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের রথযাত্রায় অংশ নিতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।মন্দির (Rath Yatra) চত্বরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজনৈতিক প্রশ্নেরও উত্তর দেন দিলীপ ঘোষ। তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের জন্য বিজেপির দরজা সম্পূর্ণ বন্ধ। তাঁর কথায়, এখন আর মশা-মাছিও সেই দরজা দিয়ে ঢুকতে পারবে না। মদন মিত্রের শিবির বদল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না।রথযাত্রার দিন একদিকে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা, অন্যদিকে মায়াপুরে দিলীপ ঘোষের উপস্থিতি এবং তাঁর রাজনৈতিক মন্তব্য ঘিরে দিনভর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

বিদেশি টাকার রহস্যে বড় অভিযান! মাদ্রাসা ও একাধিক প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য

সন্ত্রাসে অর্থের জোগান এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে দেশের একাধিক রাজ্যে বড় অভিযান শুরু হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার পাশাপাশি সন্ত্রাস দমনকারী বাহিনীও একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে উত্তর চব্বিশ পরগনার হাসনাবাদ এবং হাড়োয়াতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিদেশ থেকে আসা অর্থের লেনদেন এবং সেই টাকার ব্যবহার নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের খোঁজ চলছে।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে একটি মামলার তদন্ত শুরু হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকা ব্যক্তিদের জন্য জাল নথি তৈরির একটি বড় চক্র সক্রিয় ছিল। সেই তদন্তে উঠে আসে বিদেশ থেকে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বিপুল অর্থ আসার তথ্য। পরে সেই অর্থের একটি অংশ বেআইনি কাজে ব্যবহারের অভিযোগও সামনে আসে। এরপরই আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি নিয়ে পৃথক তদন্ত শুরু হয়।এই তদন্তের সূত্র ধরেই উত্তর চব্বিশ পরগনার হাসনাবাদের একটি মাদ্রাসায় তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারীরা সেখানে বিভিন্ন নথি এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তকারী দল এলাকায় পৌঁছনোর পর অভিযুক্ত হিসেবে নাম থাকা এক ব্যক্তি এবং তাঁর ছেলে আর এলাকায় ছিলেন না। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।একই সময়ে হাড়োয়াতেও এক ব্যবসায়ীর হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাদ্রাসায় তল্লাশি চালানো হয়। অভিযোগ, তাঁর ট্রাস্টে বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আসত। সেই অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা একাধিক দলে ভাগ হয়ে বিভিন্ন জায়গায় নথি সংগ্রহ করেন। গোটা এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, আর্থিক লেনদেনের উৎস, অর্থের ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত শিবিরে গিয়েই বিস্ফোরক অনুব্রত! অভিষেককে ঘিরে যা বললেন, তাতেই তোলপাড় রাজনীতি

বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে যোগ দিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গরুপাচার মামলায় দীর্ঘ সময় জেলে থাকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তাঁর সেই পরিস্থিতির জন্য দায়ী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়েও বড় মন্তব্য করেছেন তিনি।গোলপার্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে প্রথমবার উপস্থিত হয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বীরভূম থেকে সরকারের বিপুল রাজস্ব আসত। পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, কয়লা সংক্রান্ত বিষয়েও প্রতিদিন বড় অঙ্কের অর্থ দিতে হতো। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ প্রকাশ করেননি।সবচেয়ে বেশি চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর আর একটি মন্তব্য ঘিরে। অনুব্রতর দাবি, আগামী দিনে তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না এবং দল কার্যত শেষ হয়ে যাবে। তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এক সময় বীরভূমে তৃণমূলের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘদিন জেলায় দলের সংগঠন শক্তিশালী ছিল। গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরও জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি জেলা সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। শেষ লোকসভা নির্বাচনেও বীরভূমের দুই আসনে তৃণমূলের সাফল্যের পিছনে তাঁর সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে দলীয় মহলে আলোচনা হয়েছিল।পরে অবশ্য জেলার সংগঠনে পরিবর্তন আনে তৃণমূল। একক নেতৃত্বের বদলে কোর কমিটি গঠন করা হয়। অনুব্রত মণ্ডল সেই কমিটির সদস্য থাকলেও আগের মতো পূর্ণ দায়িত্ব তাঁর হাতে ছিল না। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই সময় থেকেই তাঁর অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।ছাব্বিশ সালের নির্বাচনের পর দলের ফলাফল খারাপ হওয়ার পর প্রথমদিকে অনুব্রত জানিয়েছিলেন, তিনি দলকে ভালোবেসে কাজ করে যাবেন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর অবস্থান বদলে যায়। পরে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গত এগারো জুলাই তাঁকে বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। বুধবার সেই শিবিরের বৈঠকে যোগ দিয়েই একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করে রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

জুলাই ১৫, ২০২৬
রাজ্য

সুখবর লাখো মানুষের জন্য! আয়ুষ্মানে নাম না থাকলেও মিলবে বিনামূল্যে চিকিৎসা, সামনে এল নতুন পরিকল্পনা

রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বহু মানুষ নাম নথিভুক্ত করতে শুরু করেছেন। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা সবাই পাবেন না। নির্দিষ্ট কিছু শর্তের ভিত্তিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে অনেকেই এই প্রকল্পের বাইরে থেকে যাচ্ছেন। তাঁদের জন্যই নতুন স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প চালুর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, খুব শীঘ্রই চালু হবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এই প্রকল্পেও পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁরাই মূলত মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আয়ুষ্মান ভারতের নির্দিষ্ট যোগ্যতার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে অথবা নির্দিষ্ট শ্রমভিত্তিক পেশার সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের অনেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।তবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আবেদন প্রক্রিয়ার রূপরেখা এখনও তৈরি হচ্ছে। আগে যাঁদের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নাম ছিল, তাঁদের তথ্য সরাসরি নতুন প্রকল্পে যুক্ত করা হবে কি না, নাকি নতুন করে আবেদন করতে হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই আবেদন পদ্ধতি, যোগ্যতার শর্ত এবং প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। ফলে যাঁরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না, তাঁদের আপাতত সরকারি ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বনদফতরের চাকরিতে বড় বদল! মুখ্যমন্ত্রীর এক ঘোষণাতেই বদলে গেল নিয়োগের নিয়ম

বনদফতরের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে বনদফতরের নিয়োগ হবে পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলেই মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। অতীতে বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের পর এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে অরণ্য উৎসবের উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বনদফতরের কর্মীরা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কর্মীর অভাব এবং পরিকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। এই পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন করা হবে। তিনি বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁকে নির্দেশ দেন, কোথায় কত শূন্যপদ রয়েছে এবং কী কী পরিকাঠামোর প্রয়োজন, তার বিস্তারিত তালিকা তৈরি করে মুখ্য সচিবের কাছে জমা দিতে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, বনদফতরের সমস্ত নতুন নিয়োগ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে করা হবে। তাঁর দাবি, এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং যোগ্য প্রার্থীরাই সুযোগ পাবেন।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রায় দুই হাজার শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠে। পরে কলকাতা হাই কোর্ট পুনরায় সাক্ষাৎকার নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই ঘটনার পর থেকেই বনদফতরের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।অনুষ্ঠান থেকে আগের সরকারেরও কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বন ও জঙ্গলের উন্নয়নে কোনও কাজ করা হয়নি। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো বনাঞ্চল আজ নানা সমস্যায় জর্জরিত। আকাশপথে সেই এলাকাগুলি দেখলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট বোঝা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে সাত কোটি পঞ্চাশ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্যও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চায়েত সদস্যদের এক হাজার করে এবং বিধায়কদের এক লক্ষ করে গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের ট্রলার বিপর্যয়! মৃত্যুর মুখ থেকে কীভাবে ফিরলেন ১৩ মৎস্যজীবী?

ফের বঙ্গোপসাগরে ট্রলার দুর্ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়াল উপকূল জুড়ে। তবে এবার বড় বিপদ থেকেও অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী। মাঝসমুদ্রে ট্রলার ডুবে গেলেও পাশ দিয়ে যাওয়া অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের তৎপরতায় সকলকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় স্বস্তি ফিরলেও কয়েক দিন আগের ভয়াবহ ট্রলার দুর্ঘটনার স্মৃতি আবারও তাজা হয়ে উঠেছে।স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের বাসিন্দা লক্ষ্মীনারায়ণ দাসের এফবি সিদ্ধিবিনায়ক নামে একটি ট্রলার ১৩ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। সোমবার রাতে মাছ ধরে ফেরার পথে বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে আচমকা আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারের নিচের অংশ ফেটে জল ঢুকতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রলারটি ডুবতে থাকে।বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা চিৎকার করে সাহায্য চান। সেই সময় কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। উদ্ধারকারীদের তৎপরতায় ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১৩ জন মৎস্যজীবীকেই নিরাপদে তুলে আনা সম্ভব হয়। যদিও এফবি সিদ্ধিবিনায়ক ট্রলারটি সমুদ্রের জলে তলিয়ে যায়। এখনও সেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপর তাঁদের উপকূলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। সকলেই নিরাপদে ফিরে আসায় পরিবার ও প্রশাসন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে পরপর ট্রলার দুর্ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বঙ্গোপসাগরে মা কালী নামে একটি ট্রলার নিখোঁজ হয়ে যায়। শঙ্করপুর বন্দর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে রওনা হওয়ার পর ট্রলারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বকখালি উপকূলের কাছে উল্টে থাকা অবস্থায় সেটি উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ৯ জনের দেহ উদ্ধার হলেও এখনও ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নতুন এই দুর্ঘটনার পর সমুদ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
রাজ্য

প্লাস্টিকের ভিড়ে কাঠের রথের কদর অটুট, বর্ধমানের গোলাপবাগে কচিকাঁচাদের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কাষ্ঠশিল্পী

রথযাত্রা মানেই ভগবান জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে টানার আনন্দে মেতে ওঠা ছোট-বড় সকলের উৎসব। আধুনিক সময়ে প্লাস্টিক, ফাইবার কিংবা বিভিন্ন কৃত্রিম উপকরণে তৈরি রথের ব্যবহার বেড়েছে ঠিকই, তবুও ঐতিহ্যবাহী কাঠের রথের আবেদন আজও অমলিন।রথযাত্রাকে সামনে রেখে শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন রথ নির্মাণে যুক্ত শিল্পীরা। ছোটদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নানান আকারের কাঠের রথ তৈরি করতে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন তাঁরা। রঙের ছোঁয়া, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জায় ব্যস্ত শিল্পীদের কর্মশালাগুলি যেন উৎসবের আগাম বার্তা বহন করছে।ঠিক তেমনই এক ছবি ধরা পড়ল পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান শহরের গোলাপবাগ চত্বরে। একটি আবাসনের কচিকাঁচাদের জন্য ঐতিহ্যবাহী কাঠের রথ নির্মাণে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত এক কাষ্ঠশিল্পী। নিষ্ঠার সঙ্গে রথের প্রতিটি অংশে শেষবারের মতো হাতের ছোঁয়া দিচ্ছেন তিনি, যাতে রথযাত্রার দিন খুদেদের আনন্দে কোনও খামতি না থাকে।স্থানীয়দের মতে, প্রযুক্তি ও আধুনিকতার যুগেও কাঠের রথের প্রতি মানুষের ভালোবাসা কমেনি। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার সংস্কৃতি ও আবেগকে বাঁচিয়ে রাখতেই অনেক আবাসন ও পরিবার এখনও কাঠের রথ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।রথযাত্রার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই গোলাপবাগের এই কাষ্ঠশিল্পীর কর্মব্যস্ততা যেন বাংলার চিরন্তন ঐতিহ্য, শিল্পকলা এবং উৎসবের আবহকেই নতুন করে তুলে ধরছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ঘন কালো মেঘে ঢাকল আকাশ! কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক একাধিক জেলা

সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা। এখনও সব জায়গায় বৃষ্টি শুরু না হলেও যে কোনও সময় নামতে পারে জোর বৃষ্টি। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে তৈরি হওয়া জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা ও হাওড়ায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদ জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হয়েছে। এছাড়া হুগলি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, বীরভূম এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় এলাকায় জল জমা এবং যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে। আগামী কয়েক দিন দফায় দফায় বৃষ্টি চলার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।রাতভর ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় জল বেড়েছে। তিস্তা নদীর জল উঠে এসেছে রাস্তায়। এর ফলে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। তিস্তাবাজার এলাকায় জল নামার অপেক্ষায় রয়েছে প্রশাসন। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

আট দিন পর ট্রলার মিলতেই শিউরে ওঠার দৃশ্য! একসঙ্গে মিলল ৯ মৎস্যজীবীর দেহ, এখনও নিখোঁজ অনেকে

বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি ট্রলার থেকে উদ্ধার হল ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ। পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর বন্দর থেকে ২ জুলাই মাছ ধরতে বেরিয়েছিল মা কালী নামে ট্রলারটি। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলারের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। দীর্ঘ আট দিন ধরে তল্লাশির পর বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বাঘেরচরের কাছে ট্রলারটির খোঁজ মেলে।রবিবার দুপুরে পুলিশ, বন দপ্তর এবং ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটিকে সীতারামপুরে নিয়ে এসে রাতভর তল্লাশি চালানো হয়। ট্রলারের ভিতর থেকে একে একে ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, ট্রলারটিতে মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। এখনও ৬ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁদের সন্ধানে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের অনুমান, খারাপ আবহাওয়া বা সমুদ্রের দুর্যোগের জেরে ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। খবর পেয়ে ট্রলারের মালিকপক্ষ এবং মৎস্যজীবী সংগঠনের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। একাধিক ট্রলারের সাহায্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে উপকূলে আনা হয়।ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুন্দরবন উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থলে এসেছেন। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। তাঁর কথায়, এখনও ট্রলারের ভিতরে আরও কয়েকজন মৎস্যজীবীর দেহ আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘খেলা হবে’ দিবস বাতিল! ষোলো অগস্টে শুভেন্দু সরকারের বড় ঘোষণা, বদলে কী পালিত হবে জানেন?

দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূলের অন্যতম জনপ্রিয় স্লোগান ছিল খেলা হবে। পরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ষোলো অগস্ট দিনটিকে খেলা হবে দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই সিদ্ধান্তে বড় পরিবর্তন আনল রাজ্যের নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এবার থেকে ষোলো অগস্ট আর খেলা হবে দিবস হিসেবে পালন করা হবে না। তার বদলে দিনটি পালিত হবে আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে।রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় দলীয় নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ষোলো অগস্ট বিজেপি সরকারের একশো দিন পূর্ণ হওয়ার দিন। একই সঙ্গে এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উনিশশো ছেচল্লিশ সালের ষোলো অগস্ট দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর ঘটনা ঘটেছিল। সেই কারণেই এই দিনকে নতুনভাবে স্মরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, অতীতে এই দিনে খেলা হবে দিবস পালন করা হলেও বর্তমান সরকার এটিকে আয়ুষ্মান দিবস হিসেবে পালন করবে।আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প নিয়েও এদিন আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সত্তর বছরের বেশি বয়সিদের পাশাপাশি যোগ্য উপভোক্তারাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁদের জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প চালু থাকবে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক উপভোক্তার কাছে প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যাঁরা যোগ্য, তাঁদের সবাইকে ধাপে ধাপে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। তবে অযোগ্যদের বাদ দেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে ষোলো অগস্ট খেলা হবে দিবস হিসেবে পালিত হত। সরকার পরিবর্তনের পর একাধিক পুরনো সিদ্ধান্তে বদল আনা হয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ষোলো অগস্ট পালন নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত।

জুলাই ১৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ...
  • 195
  • 196
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল পড়ুয়াদের মৃত্যুর পরই বড় পদক্ষেপ! গেটম্যান গ্রেফতার, সামনে এল ভয়ঙ্কর অভিযোগ

মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় তিন স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল রেল ও পুলিশ। দুর্ঘটনার পর প্রথমে গেটম্যান এবং তাঁর সুপারভাইজারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে গেটম্যানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার সময় তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার সকালে রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি স্কুলের পুলকারে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই তিন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর পূর্ব রেল জানিয়েছে, পুরো বিষয়টির উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। এডিআরএমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। রেলের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সিগন্যাল ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল না। ট্রেন নির্ধারিত সিগন্যাল মেনেই চলছিল। তাই এখন মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে গেটম্যানের ভূমিকার উপর।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রথমে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। তখনই পুলকারটি রেললাইন পার হতে শুরু করে। ঠিক সেই সময় উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। অভিযোগ, সেই সময় গেটম্যান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।রেল জানিয়েছে, এটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত ইন্টারলকিং রেলগেট। তাই গেটম্যান কোথায় ছিলেন, কেন সময়মতো গেট নিয়ন্ত্রণ করা গেল না এবং কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিকেল দলও পাঠানো হয়েছে।ঘটনার পর বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, এতগুলো নিরীহ পড়ুয়ার মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। কীভাবে এমন গাফিলতি হল, তা বিস্তারিত তদন্ত হওয়া উচিত। অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে অধীর চৌধুরী রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, রেলমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে অধীরের অভিযোগ, রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গেটম্যানের গ্রেফতারি এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্ত শেষ হলে ঠিক কার গাফিলতিতে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সেই উত্তরই এখন জানতে চাইছে সকলেই।

জুলাই ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মদন কি এখনও কালীঘাট তৃণমূলের লোক? কুণালের এক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। এর মধ্যেই হঠাৎ কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি। আর তাঁকে পাশে পেয়েই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, আমরা এটুকু জেনে রাখছি, আমাদের ভেতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।সোনম ওয়াংচুকের অনশন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিতে এদিন বিধানসভায় অবস্থান কর্মসূচিতে বসেছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়করা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব, কুণাল ঘোষ, আলিফা আহমেদ, বীণা মণ্ডল, রুকবানুর রহমান, বাবর আলি ও অসীমা পাত্র। সেই কর্মসূচির মাঝেই আচমকা সেখানে পৌঁছে যান মদন মিত্র। তাঁর উপস্থিতি ঘিরেই শুরু হয় রাজনৈতিক জল্পনা।মদনকে পাশে নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, মদন মিত্র এখন অন্য শিবিরে থাকলেও তাঁর মন এখনও অন্য জায়গায় রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইডির নোটিস দিয়ে মদনের পরিবারকে চাপ দেওয়া হয়েছে। তাই মদন আপাতত যা ইচ্ছা বললেও, তাঁকে এখনও নিজেদের লোক বলেই মনে করেন তাঁরা। কুণালের এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি ঋতব্রত শিবিরের ভিতরে নিজেদের লোক রেখে নজরদারি চালাতে চাইছে কালীঘাট তৃণমূল?কুণালের বক্তব্যের জবাব দিতে অবশ্য দেরি করেননি মদন মিত্র। তিনি বলেন, তাঁর ইচ্ছা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আগামী দশ বছর বিরোধী আসনে বসুন। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শোভনদেব মজার ছলে জবাব দেন, তিনি আবারও ফিরে আসবেন।ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর মদনের এই প্রথম কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গেল। সেই সঙ্গে কুণাল ঘোষের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্য রাজনীতির।

জুলাই ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বড় স্বস্তি অভিষেকের! সই জাল মামলায় হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে বদলে গেল সমীকরণ

বিধানসভার সই জাল মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডির তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। হাইকোর্ট আরও এক মাসের জন্য তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ এই নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে তদন্ত চললেও আপাতত গ্রেফতারির মতো পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী তেইশ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্যাড ব্যবহার করে তাঁদের সই জাল করা হয়েছে। সেই অভিযোগ বিধানসভার স্পিকারের সচিবালয়ে জমা পড়ে। প্রথমে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে মামলার দায়িত্ব যায় সিআইডির হাতে। তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে হাজির হয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, তদন্ত চললেও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারির মতো কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না। এবার সেই অন্তর্বর্তী সুরক্ষার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দিল আদালত।এর আগে এই মামলায় একাধিকবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল সিআইডি। প্রথম দিকে তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেলেও পরে ভবানীভবনে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তদন্তকারীরা অভিযোগের নেপথ্যের ঘটনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং বিভিন্ন নথি নিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্ন করেন। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ চললেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যায়নি।হাইকোর্টের এই নতুন নির্দেশের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে তদন্ত চলবে, অন্যদিকে আপাতত আইনি সুরক্ষা বহাল থাকায় সই জাল মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সোনমকে চিনতেনই না আমির! ‘থ্রি ইডিয়টস’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভেঙে গেল বহু বছরের বিশ্বাস

দিল্লির যন্তরমন্তরে দীর্ঘদিন ধরে অনশনে রয়েছেন সোনম ওয়াংচুক। এই পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁকে নিয়ে বহু বছরের একটি প্রচলিত ধারণা ভেঙে দিলেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই বিশ্বাস করতেন, জনপ্রিয় ছবি থ্রি ইডিয়টস-এর ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি সোনম ওয়াংচুককে ভিত্তি করেই তৈরি। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছেন আমির।লন্ডনে একটি চলচ্চিত্র উৎসবে থ্রি ইডিয়টস ছবির বিশেষ প্রদর্শনের পর প্রশ্নোত্তর পর্বে আমির বলেন, ছবির গল্প বা তাঁর চরিত্র কোনওভাবেই সোনম ওয়াংচুকের জীবন থেকে নেওয়া নয়। চিত্রনাট্য লেখা এবং ছবির কাজের সময় তাঁরা সোনম সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও তিনি সোনমকে চিনতেন না বলে জানান অভিনেতা।আমিরের এই বক্তব্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, এর আগেই একটি জনপ্রিয় কুইজ অনুষ্ঠানে সোনম ওয়াংচুক জানিয়েছিলেন, বহু বছর আগে দিল্লির একটি অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে আমিরের দেখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি সিয়াচিন নিয়ে একটি ছবি তৈরির প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। পাশাপাশি যুদ্ধ নয়, শান্তির বার্তা তুলে ধরার অনুরোধ করেছিলেন অভিনেতাকে।/pসেই পুরনো ভিডিও আবারও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, আমির কি সেই সাক্ষাতের কথা ভুলে গিয়েছেন, নাকি বর্তমান বিতর্ক এড়াতেই এই মন্তব্য করেছেন?উল্লেখ্য, দুই হাজার নয় সালে মুক্তি পাওয়া থ্রি ইডিয়টস ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় ছবি। ছবিটি মূলত চেতন ভগতের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল। তবে ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রকে ঘিরে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে মিলের আলোচনা বহু বছর ধরেই চলছিল। এবার সেই জল্পিত সম্পর্ক নিয়ে সরাসরি মুখ খুলে সব জল্পনায় ইতি টানার চেষ্টা করলেন আমির খান। তবে তাঁর এই মন্তব্যের পর বিতর্ক আরও বেড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

জুলাই ১৭, ২০২৬
দেশ

রথের উন্মাদনায় হঠাৎ মৃত্যু! পুরীতে কী ঘটল, সামনে এল প্রশাসনের বিস্ফোরক দাবি

পুরীর রথযাত্রায় লক্ষ লক্ষ ভক্তের ঢলের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। বৃহস্পতিবার রথযাত্রা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই ভক্তের। একই সঙ্গে একশোরও বেশি মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রথমে পদপিষ্টের আশঙ্কার কথা সামনে এলেও পরে ওড়িশা সরকার জানিয়ে দিয়েছে, রথযাত্রায় কোনও পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেনি।প্রশাসনের দাবি, অতিরিক্ত ভিড়, টানা বৃষ্টি এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে একজনের বয়স প্রায় ষাট বছর। ভিড়ের মধ্যে তিনি আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যজনের বয়স পঁয়ত্রিশ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন বলে প্রশাসনের দাবি। চিকিৎসার চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।ওড়িশা সরকার জানিয়েছে, ভিড় এবং আবহাওয়ার কারণে একশোরও বেশি ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের পুরী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।রথযাত্রাকে ঘিরে এ বছরও ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন ছিলেন প্রায় বারো হাজার পুলিশকর্মী, ঊনিশ জন জ্যেষ্ঠ পুলিশ আধিকারিক এবং শতাধিক প্রশাসনিক আধিকারিক। প্রশাসনের অনুমান, নয় দিনের এই উৎসবে প্রায় তিরিশ লক্ষ ভক্ত পুরীতে আসবেন। বৃহস্পতিবারই প্রায় আট থেকে নয় লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল।প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ভক্তরা রথযাত্রায় অংশ নেন। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার তিনটি রথ গুণ্ডিচা মন্দিরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। তবে সময় বেশি লাগায় বৃহস্পতিবার রথ টানা শেষ করা সম্ভব হয়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে আবার রথ টানা শুরু হবে।ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, গোটা অনুষ্ঠানে ভিড় নিয়ন্ত্রণে কোনও বড় ধরনের ব্যর্থতা হয়নি। প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী, সেবায়েত এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত ভিড়, টানা বৃষ্টি এবং শারীরিক সমস্যার কারণে কয়েকজন ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের চিকিৎসার দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ভুল! চোখের সামনে ছাত্রবোঝাই গাড়িকে টেনে নিয়ে গেল ট্রেন

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি রেলগেটে ছাত্রবোঝাই পুলকারে ধাক্কা মারে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন। এই ঘটনায় একাধিক পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি আপ ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। গেট খুলতেই আটকে থাকা যানবাহন রেললাইন পার হতে শুরু করে। সেই সময় স্কুলের পুলকার এবং এক সাইকেল আরোহী রেললাইন পার হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই আবার রেলগেট নামানো হয়। ফলে পুলকারটি মাঝপথে আটকে যায় এবং বেরিয়ে আসার সুযোগ পায়নি।এর কিছুক্ষণের মধ্যেই উল্টো দিক থেকে দ্রুতগতিতে নিমতিতা প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। ট্রেনটি পুলকারে সজোরে ধাক্কা মেরে প্রায় পঞ্চাশ ফুট পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সাইকেল আরোহীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ুয়াদের উদ্ধার করতে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ। পুরো এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে।এই ঘটনায় রেলগেট পরিচালনায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরীও রেল নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইতিমধ্যেই পূর্ব রেল বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কীভাবে রেলগেট খুলে আবার বন্ধ করা হল এবং সেই সময় দায়িত্বে থাকা কর্মীর ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ বিপর্যয়! ছাত্রবোঝাই গাড়িতে ট্রেনের ধাক্কা, মুহূর্তেই মৃত্যু

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই ছাত্রের। স্কুলের ছাত্রবোঝাই একটি গাড়িতে চলন্ত ট্রেন ধাক্কা মারলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় একাধিক পড়ুয়া আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণসুবর্ণ এবং গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি লেভেল ক্রসিংয়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। সেই সময় স্কুলের গাড়িটি রেললাইন পার হওয়ার জন্য এগিয়ে যায়। ঠিক তখনই উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনটি গাড়িটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।জানা গিয়েছে, গাড়িতে মোট আট জন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের প্রথমে কর্ণসুবর্ণ ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যাঁদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর, তাঁদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ।দুর্ঘটনার পর রেলগেট খোলা ছিল কেন, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গেটম্যানের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। কেন রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল এবং সেই সময় গেটম্যান কোথায় ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব রেল। একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ, রেলগেট পরিচালনায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ফের ধেয়ে আসছে প্রবল বৃষ্টি! কোন কোন জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, জানাল আবহাওয়া দফতর

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। গত সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টির পর ফের নতুন করে বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার, রবিবার এবং সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাব কমে গেলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।শুক্রবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।শনিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রবিবার এবং সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নদীর জলস্তরও দ্রুত বাড়তে পারে। কয়েকটি নদী বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার উপরে পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাতাশ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছিয়াত্তর থেকে ছিয়ানব্বই শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal