• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বার্তা মমতার! ‘ভয় পাবেন না’, প্রশাসনকে সরাসরি আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে এখনও বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়নি। তার আগেই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা বাড়াতে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, ভয় না পেয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে।সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে নির্বাচন সামনে আসায় নানা ভাবে চাপ তৈরি করার চেষ্টা হতে পারে। তিনি প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। সবাই যেন নিজের কাজ সঠিক ভাবে করে যান। তাঁর কথায়, নির্বাচন আসছে বলেই এখন অনেক বেশি চাপ ও ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হবে।বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সাম্প্রতিক সফরের কথাও উঠে আসে। গত সোমবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে এসে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। সেই বৈঠকে ভোটকে কেন্দ্র করে আরও সতর্ক ও সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনিক আধিকারিকদের। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সেই বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দেন।এর পরেই রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, সেখানে তিনি বলেন যে ফুল বেঞ্চের বৈঠকে কী হয়েছে তা তিনি শুনেছেন। তবে প্রশাসনের কাউকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি আধিকারিকদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, সবাই যেন নিজের দায়িত্ব ঠিক মতো পালন করেন।এই বৈঠকেই রাজ্যে বহিরাগতদের প্রবেশের অভিযোগও তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বাইরে থেকে লোক এনে বাংলায় ঢোকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনকে বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর কাছে এমন খবর রয়েছে যে এখন থেকেই বাইরে থেকে লোক বাংলায় ঢুকছে এবং তাঁদের ঢোকানো হচ্ছে। তাই প্রশাসনকে তিনি নির্দেশ দেন বিষয়টি নিয়ে কড়া নজরদারি চালাতে। প্রয়োজনে হোটেলগুলিতে অভিযান চালানো, নাকা তল্লাশি করা এবং বাইরের লোকের চলাচলের উপর নজর রাখার কথাও তিনি বলেন।এছাড়াও রাজ্যে চলতে থাকা জ্বালানি সংক্রান্ত আতঙ্ক নিয়েও প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের নোডাল আধিকারিক নিয়োগ করে চব্বিশ ঘণ্টা সক্রিয় থাকবে এমন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি এবং ছাত্রাবাসে জ্বালানি পরিষেবা যাতে কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি অযথা আতঙ্ক না ছড়ানোর বার্তাও দিয়েছেন।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে আলাদা নজরদার, নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশনের

রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন পরিকল্পনা করেছে কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এ বার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা করে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার ভাবনা চলছে।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজ্যে মোট একশো ষাট জন সাধারণ পর্যবেক্ষক ছিলেন। সে ক্ষেত্রে এক জন আধিকারিককে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল। কিন্তু এ বার সেই ব্যবস্থা বদলাতে পারে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা পর্যবেক্ষক থাকলে নজরদারি আরও শক্ত হবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।শুধু সাধারণ পর্যবেক্ষকই নয়, ভোটের খরচের হিসেব দেখার জন্য ব্যয় পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও এ বার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও।গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট সাতত্রিশ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। কিন্তু এ বার সেই সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। সূত্রের খবর, জেলা বা মহকুমা ভিত্তিক নিয়োগের বদলে নির্দিষ্ট এলাকা বা বিধানসভা কেন্দ্র ধরে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে। এমনকী কিছু স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এক জনের বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষকও থাকতে পারেন।কমিশনের এই সূক্ষ্ম পরিকল্পনা থেকেই স্পষ্ট, ভোটের সময় কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। তালিকায় ন্যূনতম পদমর্যাদা হিসেবে মহকুমা শাসক স্তরের আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। যদিও সিনিয়র পদমর্যাদার আধিকারিকও থাকতে পারেন, কিন্তু সবচেয়ে নিচের স্তর হিসেবে মহকুমা শাসক পদই নির্ধারণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন ডিএমডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেতেন। কিন্তু নতুন নির্দেশিকায় সেই পদমর্যাদার কাউকে রাখা হয়নি। যাঁদের নাম রাখা হয়েছে, তাঁরা সকলেই তুলনামূলক ভাবে সিনিয়র আধিকারিক বলে জানা গেছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার ভোটের দিন কি ১৬ মার্চই ঘোষণা? তুঙ্গে জল্পনা, ঝুলে ৬০ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। সূত্রের খবর, সম্ভবত ১৬ মার্চ রাজ্যের ভোটের দিন ঘোষণা করা হতে পারে। বাংলার পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নির্বাচন সূচিও একই সঙ্গে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।তবে ভোটের দিন ঘোষণার আগেই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের ভবিষ্যৎ। এখনও তাঁদের নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাবনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোটের দিন ঘোষণা হতে পারে। সেই সম্ভাবনাই এখন আরও জোরালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ রাজ্যে এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গিয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা করেছে কমিশন। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতেই কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক বলে জানা গিয়েছে।রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট হতে পারে বলে একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রায় সব বিরোধী দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দুই দফাতেই ভোট চায়। তাদের দাবি, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির সম্ভাবনা কম থাকবে।সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম দফার ভোট হতে পারে। আর ভোটের ফল ঘোষণাও এপ্রিল মাসের মধ্যেই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে বিচারাধীন ভোটারদের বিষয়টি। বর্তমানে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এই তালিকার ভাগ্য নির্ধারণের কাজ করছেন বিচারিক আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচশো জন বিচারিক আধিকারিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।গত সোমবার এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি আগাম আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তবে সেই আবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষের বিষয় ঝুলে রয়েছে।জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানির প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সম্পূরক ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এই তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের আগেই বিচারাধীন ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হবে। এখন সবাই তাকিয়ে রয়েছে ১৬ মার্চের দিকে। ওই দিনই কি বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে বড় পদক্ষেপ! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাইকোর্টে জরুরি বৈঠক আজ

ভোটার তালিকা নিয়ে জটিলতা বাড়তেই বড় পদক্ষেপ করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ এসআইআর মামলায় ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। বিচারাধীন ভোটারদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পরামর্শে এই ট্রাইবুনাল বেঞ্চ তৈরি করার কথা বলা হয়েছে।সেই নির্দেশ মেনে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে নির্বাচন কমিশনের সিইও দফতর। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, অতিরিক্ত তালিকা এবং ট্রাইবুনাল গঠন নিয়েই মূলত আলোচনা হতে পারে।ভোটার তালিকা থেকে বহু মানুষের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। তবে সেই মামলাটি ফিরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে তিনি বলেন, বিচারকদের যেন কোনওভাবে প্রশ্নের মুখে না ফেলা হয়।এর আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই বিচারকদের তদারকিতে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু প্রায় ৬০ লক্ষ নাম এখনও অমীমাংসিত তালিকায় রয়ে যাওয়ায় আবারও বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা হয়। তখনই প্রশ্ন ওঠে, বিচারিক আধিকারিকদের নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করা যাবে।এই পরিস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্ট ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দেয়। অমীমাংসিত তালিকায় থাকা ভোটারদের বিষয়ে বিচারিক আধিকারিকরা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তার বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে সেই ট্রাইবুনালের কাছেই আবেদন জানাতে হবে।সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ কার্যকর করার পথেই আজ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।অন্যদিকে, রাজ্যের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং স্টেট লেভেল ব্যাংকার্স কমিটির প্রধানদের দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি রাজ্য সফরে এসে ওই দুই সংস্থার কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল কমিশনের পূর্ণ বেঞ্চ। তার পরেই তাদের দিল্লিতে তলব করা হয়েছে।কমিশন সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই ওই সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গেও আবার বৈঠকে বসতে পারে নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা নিয়ে চলা এই বিতর্কের মাঝেই একের পর এক বৈঠক ঘিরে এখন নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

বুথে গোলমাল হলেই পুনর্নির্বাচন! বাংলায় বড় বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

বাংলায় বিভিন্ন নির্বাচনে বুথ জ্যাম, ভোট লুঠ বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। অনেক সময় বুথের সিসিটিভি বন্ধ করে গন্ডগোলের অভিযোগও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতি রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপের কথা জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।রাজ্যে এসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, বুথে কোনও ধরনের গন্ডগোল বা অনিয়ম দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি প্রয়োজনে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনও করা হবে।রবিবার রাতে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ দল রাজ্যে পৌঁছয়। সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। এরপর মঙ্গলবার দিল্লিতে ফেরার আগে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতেই একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভোটের সময় অশান্তি বা গন্ডগোল কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তিনি জানান, এবার প্রতিটি বুথে সিসিটিভি এবং ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। শুধু বুথের ভিতরেই নয়, বুথের বাইরেও নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে।এর আগে অনেক বুথে সিসিটিভি থাকলেও সেখানে গন্ডগোলের অভিযোগ উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে সিসিটিভির উপরে চুইনগাম লাগিয়ে বা সেটি বিকল করে বুথ জ্যাম করা হয়েছে।এই ধরনের ঘটনার কথা মাথায় রেখেই নির্বাচন কমিশন নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি দেখা যায় কোনও বুথে সিসিটিভি ইচ্ছাকৃতভাবে বিকল করে দেওয়া হয়েছে, তবে সেই বুথে সঙ্গে সঙ্গেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।শুধু বুথের ভিতরের দৃশ্য নয়, বুথের বাইরের পরিস্থিতিও নজরে রাখা হবে। যদি বাইরে কোনও ধরনের গোলমালের ছবি ধরা পড়ে, তবে কমিশন থেকে তা পর্যবেক্ষণ করে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে কমিশনের এই কড়া বার্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ রাখতে কমিশন যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের পরই কি ভোটের দিন ঘোষণা? বড় ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন কবে হবে এবং কবে ফল ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। নানা মহল থেকে নানা ধরনের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই ভোট ঘোষণার সময় নিয়ে একটি ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ধর্মতলায় চলা ধরনা কর্মসূচি তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, বিজেপিকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির ইঙ্গিতেই কাজ করছে।এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিগেডের সভার পর যদি ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি দাবি করেন, এর আগেও এমন হয়েছে যে ব্রিগেডে সভা করার পরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার চৌদ্দ মার্চ ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভার পরই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে আদালত। তাঁর কথায়, সব কথা লিখিত নির্দেশে থাকে না, অনেক বিষয় শুনানির ভিডিও দেখলে বোঝা যাবে।বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রসঙ্গেও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পঁচিশ তারিখ এই বিষয়ে আবার শুনানি রয়েছে। তিনি বলেন, ভোটের দিন যদি পনেরো বা ষোলো তারিখে ঘোষণা করা হয়, তাতেও চিন্তার কিছু নেই। কারণ এই পুরো বিষয়টি তারা নজরে রাখছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বাংলার ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
রাজনীতি

একদা কমিউনিষ্ট ঘাঁটিতে টানা তিনবার জিতেও নিশ্চিন্ত নয় তৃণমূল! বর্ধমান দক্ষিণে এবার কি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

দক্ষিণ বর্ধমান বরাবর কমিউনিস্টদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই কেন্দ্র থেকে প্রথম দুটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী। তখন তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন অবিভক্ত কমিউনিষ্ট পার্টি তথা সিপিআই থেকে। তারপর এই আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী বর্ধমানের মহারানী রাধারাণী মহতাব জয়ী হয়েছিলেন। তার আগের নির্বাচনে বিনয় চৌধুরী পরাজিত করেছিলেন বর্ধমানের মহারাজাকে। সেই সম্মান পুনরুদ্ধার করতে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছিলেন মহারাণী। তার পরে শুধু ১৯৬৭ ও ১৯৭২ সালে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল। এখানে থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাছাড়া ২০০৬ পর্যন্ত সিপিএম এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের ভোটে তৃণমূল প্রার্থী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় ব্যাপক ভোটের ব্য়বধানে পরাজিত করেন রাজ্যের তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেনকে। প্রায় ৩৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন নিরুপম সেন। ২০১৬-তেও জয় পায় তৃণমূল। তখনও এই কেন্দ্রে প্রধান বিরোধী দল ছিল সিপিএম। রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ হাজার ভোটের ব্য়বধানে সিপিএম প্রার্থী আইনুল হককে পরাজিত করেন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ নন্দীকে পরাজিত করেন তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাস। তবে জয়ের ব্যবধান অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রায় অর্ধেক ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে থাকে তৃণমূলের থেকে। এই নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী পৃথা তা প্রায় ২৩ হাজারের ওপর ভোট পেয়েছিল।বর্ধমান পুরসভা এলাকা নিয়েই বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র। তবে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে কি হতে চলেছে তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই শহরজুড়ে। প্রথমত বিধায়ক খোকন দাসই টিকিট পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। বিধায়ক অনুগামীরা জোরের সঙ্গে বলছেন টিকিট খোকন দাসই পাচ্ছেন। শহরে এক যুব নেতার নাম ভাসিয়ে দেওয়া হলেও বর্ধমান দক্ষিণে আদৌ সে টিকিট পাবেন কিনা তা নিয়ে কম জল্পনা নেই। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ক্রীড়া অনুষ্ঠান সবেই জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে তৃণমূলের দুই তরফ থেকেই। অনেকের আবার বক্তব্য, নেপোয় দই মেরে দেবে না তো!তৃণমূল যাকেই প্রার্থী করুক এবার জোরদার লড়াই হবে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিকে তৃণমূলের একটা সূত্রের দাবি, শহরে দলে ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি হয়েছে। সেই ঘরও যথেষ্ট শক্তিশালী বলেই সেই অংশের দাবি। তাঁদের ভূমিকা জয়-পরাজয়ে অনেকটা নির্ভর করবে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। পাশাপাশি যে ভাবে পর পর নির্বাচনে ওয়ার্ডগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল তাতে সংশয় বেড়েছে। মোদ্দা কথা, পর পর তিনবার জয় পেলেও এবার বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে নেক-টু-নেক ফাইট হবার সম্ভাবনা প্রবল। একতরফা জয়ের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

“একুশের মতো পরিস্থিতি আর নয়”—বাংলায় ভোট ঘিরে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর যেন বাংলায় না ফিরে আসে, সেই বার্তাই বারবার দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও চাপমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষা করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে ভোট কত দফায় হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে এক বা দুই দফায় ভোট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। দিল্লিতে ফিরে কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, এবারের ভোটে কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ভোট যেন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই বিষয়ে কমিশন বিশেষ নজর দেবে। ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভোটের আগে এবং ভোটের পরে যে ধরনের হিংসার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, কমিশন আশা করছে এবারে সেই পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সোমবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানে রাজ্যের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের কড়া বার্তা দেন তিনি। কোথাও কোনও অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ না মানলে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়তে হতে পারে বলে জানিয়ে দেন।এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সব বুথেই ওয়েব সম্প্রচারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় বুথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ভোটারদের। ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে ভোটের সাত দিনের মধ্যে ভোটযন্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগও দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে, যাতে ভোটাররা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাহায্য পেতে পারেন।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া কি অপরাধ? কমিশনের বৈঠকের পর প্রশ্ন তৃণমূলের

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠককে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের কথা শুনতেই চাননি। উল্টে তাঁদের উপর চিৎকার করেছেন বলেও দাবি করেছেন দলের প্রতিনিধিরা।এর আগেও দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এবার কলকাতাতেও প্রায় একই অভিযোগ তুলল তৃণমূল।পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে আদালতে গিয়েছিলেন। সোমবার কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকে নাকি বারবার শীর্ষ আদালতের মামলার প্রসঙ্গ তুলেছেন তিনি।সূত্রের খবর, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও জ্ঞানেশ কুমার বলেন, যখন আপনারা শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে।পরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও একই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, শীর্ষ আদালতে মামলা করার বিষয়টি নিয়ে কমিশনার নাকি রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উচ্চস্বরে কথা বলেন।সোমবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রিমা বলেন, তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে কমিশনার উল্টে চিৎকার করেছেন।চন্দ্রিমার অভিযোগ, বৈঠকে বারবার বলা হয়েছে যে তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া তাঁদের অধিকার। মানুষের স্বার্থে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন এবং তাতে কোনও ভুল নেই।তিনি আরও বলেন, যদি সব বিষয়ই আদালতে রয়েছে, তাহলে তাঁদের বৈঠকে ডাকার প্রয়োজন কী ছিল। ডাকা হলে অন্তত তাঁদের বক্তব্য শোনা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বৈঠক এবং তার পরের অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের বৈঠকেই চরম উত্তেজনা, চিৎকার করে কথা বললেন জ্ঞানেশ কুমার? বিস্ফোরক অভিযোগ চন্দ্রিমার

ভোটার তালিকা ও এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকেই তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সোমবার নিউটাউনে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম এবং রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ করেন চন্দ্রিমা।তিনি দাবি করেন, বৈঠকে তাঁদের কথা শোনার পরিবর্তে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজেই একটানা কথা বলেছেন। চন্দ্রিমার অভিযোগ, কোনও বক্তব্য শোনার আগ্রহ না দেখিয়ে জ্ঞানেশ কুমার শুধু চিৎকার করেই কথা বলছিলেন।সোমবার দুপুর প্রায় বারোটা দশ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকের শুরুতেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অনুরোধ করেন, যেন কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাননি জ্ঞানেশ কুমার।চন্দ্রিমা জানান, কমিশনার একাই কথা বলছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি নাকি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন, আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিক হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা প্রশ্ন তোলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া কি কোনও অপরাধ। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আদালতে যাওয়ার অধিকার সবারই আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈঠকের সময় তাঁকে চুপ করতে বলা হয় এবং বলা হয় চিৎকার না করতে। চন্দ্রিমার কথায়, একজন মহিলার সঙ্গে এভাবে কথা বলা মানে মহিলাদের প্রতি সম্মানের অভাব দেখানো।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্যেও গরমিল রয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়েও তাঁদের বক্তব্য শোনার আগ্রহ দেখাননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বৈঠক শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেন, বিজেপি রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ধারণা তৈরি করেছে। কিন্তু বাস্তবে কতজনকে চিহ্নিত করা গেছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।ফিরহাদের অভিযোগ, এই অজুহাতে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত তা স্বীকার করা এবং নিশ্চিত করা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার যেন খর্ব না হয়।তিনি আরও দাবি করেন, নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্যই তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। আদালতে যাওয়ার আগে বহুবার নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কিন্তু তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।এদিন নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও বৈঠক করেন। তাঁদের পক্ষ থেকেও ভোট এক বা সর্বাধিক দুই দফায় করার দাবি জানানো হয়েছে। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই উত্তপ্ত বৈঠক রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বাংলায় বড় ধাক্কা! রাজ্যপালের পদত্যাগে কি আসছে রাষ্ট্রপতি শাসন? বাড়ছে জল্পনা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আগামী সাত মে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। ফলে তার আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নতুন সরকার গঠন করতে হবে। কিন্তু হাতে সময় খুবই কম। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আচমকা রাজ্যপালের পদত্যাগ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই আশঙ্কা, পরিস্থিতি জটিল হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে।বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎ করেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দেন সি ভি আনন্দ বোস। সূত্রের খবর, তাঁকে আচমকা দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তারপরই তিনি পদত্যাগ করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে আর এন রবি-কে। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, প্রায় এক বছর আগে মুর্শিদাবাদে বড় অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচন করানো উচিত। তাঁর বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বাংলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করানো কঠিন হতে পারে। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে তবেই সবাই নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন।বর্তমানে ভোটার তালিকা যাচাই প্রক্রিয়া নিয়েও বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেলেও এখনও প্রায় ষাট লক্ষ নামের তথ্য যাচাই বাকি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত মাত্র ছয় লক্ষ পনেরো হাজার ভোটারের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। বাকি চুয়ান্ন লক্ষ নথি যাচাই করতে অনেক সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করা হলেও এত কম সময়ে সব নথি যাচাই করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সাত মে সরকারের মেয়াদ শেষ হলে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলেও অনেকের মত। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন না হয়, তাহলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা ছাড়া আর কোনও পথ থাকবে না বলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে।এর মধ্যেই রাজ্যপাল পরিবর্তনের খবর জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকের মতে, এই ধরনের জটিল পরিস্থিতি সামলাতে এমন একজন রাজ্যপাল প্রয়োজন যাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক বোঝাপড়া রয়েছে। সেই কারণেই হয়তো নতুন করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আলোচনা চলছে।এদিকে শাসক দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এই পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করার কথা। নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।সব মিলিয়ে ভোটের আগে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিচ্ছে। রাজ্যপালের পদত্যাগ, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক এবং নির্বাচনের সময়সীমাসব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনীতি এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ওলির পতনের পর প্রথম ভোট! কড়া নিরাপত্তায় নেপাল, ৭২ ঘণ্টা বন্ধ পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত

গণবিক্ষোভের জেরে গত নয় সেপ্টেম্বর ক্ষমতা হারিয়েছিল কেপি শর্মা ওলি-র নেতৃত্বাধীন সরকার। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন ধীরে ধীরে গণআন্দোলনের রূপ নেয়। তার পরেই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। সেই প্রেক্ষাপটে আজ নেপালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই চলছে ভোট।নির্বাচনকে ঘিরে মঙ্গলবার থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্ত। শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত বাহাত্তর ঘণ্টার জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ। ফলে দুই দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি পরিষেবা হিসেবে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নেপাল থেকে বহু রোগী প্রতিদিন শিলিগুড়িতে চিকিৎসার জন্য আসেন। আগামী ছয় মার্চ সকাল থেকে সীমান্ত আবার খুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।সীমান্ত বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। পানিট্যাঙ্কি এলাকার বাণিজ্য অনেকটাই নেপালের ক্রেতাদের উপর নির্ভরশীল। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী জানান, নেপালে স্থায়ী সরকার গঠনের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সীমান্তের ব্যবসায়ীরা। কারণ নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়ে সীমান্ত এলাকার ব্যবসায়।সীমান্তরক্ষী বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারত থেকে শুধুমাত্র নেপালের নাগরিকরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে দেশে ফিরতে পারছেন। একইভাবে নেপালে আটকে থাকা ভারতীয় পর্যটক বা শ্রমিকদের ভারতে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে শুক্রবার পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা চালু রয়েছে।নেপালের নির্বাচনকে সামনে রেখে শিলিগুড়ি মহকুমার সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় রেখে কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।নেপালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের এই ভোটের দিকে নজর রয়েছে দুই দেশেই। ভোটের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে নেপালের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, আর তার প্রভাব পড়তে পারে সীমান্তবর্তী ভারতের অর্থনীতিতেও।

মার্চ ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে মাস্টারস্ট্রোক! বুথে নজরদারিতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কার্যত কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকলেও এবার বুথের ভিতরে ও বাইরে আলাদা করে ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী জেলা শাসক ও কমিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেন। কমিশনের ব্যাখ্যা, এবার বুথের ভিতরে বা বাইরে গন্ডগোল হলে তা সরাসরি ক্যামেরায় ধরা পড়বে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ জোরপূর্বক বুথে ঢোকার চেষ্টা করলে সেখানেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এছাড়া বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রোঅবজারভাররা। বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কোনও ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ না করে। ঝাড়গ্রাম ও ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দুশো জন জুডিশিয়াল অফিসার আগামী ৬ মার্চ ভোট পর্যবেক্ষণে থাকবেন। যেখানে বিবেচনাধীন কেস বেশি, সেখানে আরও বেশি অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।কমিশন সূত্রে খবর, কিছু বুথে এখনও জল বা বিদ্যুৎ সমস্যা রয়েছে। সবকিছু ঠিক আছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে এবং রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই প্রাক-প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে কমিশন কোমর বেঁধে নেমেছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 35
  • 36
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সঙ্গীদের বাঁচাতে ফোন ভাঙলেন রানা, নোটবুক খুলতেই তদন্তকারীদের হাতে এল বড় সূত্র

মোবাইল ভেঙে ফেলেও রক্ষা হল না! সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে ফোন নষ্ট করেছিলেন বলে জেরায় দাবি করেছেন ধৃত পাক গুপ্তচর রানা রউফ খালিদ। কিন্তু তাঁর নোটবুক থেকেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও ছয় জন সন্দেহভাজনের নাম। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন নেপালের বাসিন্দা এবং এক জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম। তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজকেও তপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানার সঙ্গে বিদেশে থাকা কয়েক জন সন্দেহভাজনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।জেরায় রানা কী তথ্য দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সেনা ছাউনি, সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ছাউনি, রেলস্টেশন এবং রেলপথের ছবি, ভিডিয়ো ও মানচিত্র সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হত। এই কাজে তপসিয়ার ইজাজ তাঁকে সাহায্য করতেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালে থাকা পাঁচ জনের কাছে ওই তথ্য পাঠানো হত। তাঁদের নাম কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার বলে রানা তাঁর নোটবুকে লিখে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা পাভেলের নামও সেই নোটবুকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ছয় জনের সঙ্গে রানার যোগাযোগ ছিল।বিদেশে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলতেই নেপালে গিয়ে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন বলে জেরায় রানা দাবি করেছেন। তবে দুটি সিম কার্ড নষ্ট করেননি তিনি। সেই সিম কার্ড দুটি তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছেন। ফলে মোবাইল নষ্ট করলেও যোগাযোগের সূত্র পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে তদন্তকারীদের অনুমান।জেরায় রানা আরও জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে কয়েক জনের সঙ্গে বৈঠকের পর বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বাংলাদেশে পাভেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। যশোরে পৌঁছনোর পর পাভেল তাঁকে একটি নতুন মোবাইল দেওয়ার কথা ছিল। সেই ফোনে দুটি সিম ঢুকিয়ে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফের যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল বলে জেরায় উঠে এসেছে।বাংলাদেশ ও নেপালে থাকা ওই ছয় জনের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তাঁদের সঙ্গে রানার যোগাযোগের ধরন এবং কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, চরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য পাচার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন রানা। যদিও গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে। হাবড়ার চোংদা বাজারের কাছে ধরা পড়ার পর নিজের আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে তপসিয়ার বাসিন্দা ওয়াহাব আলম বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি বলে অভিযোগ।বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রানা প্রথমে অস্বস্তিতে পড়েন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে স্বীকার করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর কাছ থেকে সিম কার্ড উদ্ধারের পর মোবাইলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে ফেলার কথাও স্বীকার করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

সৌরভের বাড়িতে পুলিশ কেন? জিজ্ঞাসাবাদের অভিযোগের পর সরাসরি কেন্দ্রের দিকে আঙুল

পুদুচেরিতে সৌরভ দাসের বাড়িতে পুলিশের যাওয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভের অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ জানান, কয়েক ঘণ্টা আগে পুদুচেরি পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায়। সেখানে পরিবারের সদস্যদের নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। কেন পুলিশ বাড়িতে এসেছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সৌরভের অভিযোগ, পুদুচেরি পুলিশ কেন এ ভাবে হয়রানি করছে? কে নির্দেশ দিয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে? এটাই কি আইনি প্রক্রিয়া? তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তাঁকে ভয় দেখানোর জন্যই পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।ককরোচ জনতা পার্টির এই মুখপাত্রের আরও অভিযোগ, পুদুচেরির বিজেপি সরকার তাঁর পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যদিও তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আনেননি সৌরভ।সৌরভ আরও বলেন, তাঁকে চুপ করানোর জন্য পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না। ভয় দেখিয়ে তাঁর বক্তব্য বন্ধ করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের ঘটনা বরং আইন মেনে চলা এবং আরও উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।তবে সৌরভের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুদুচেরি প্রশাসন বা বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে কেন পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল এবং সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর ভারতে থেকে ভুয়ো পরিচয়! বাংলাদেশ পালানোর আগেই হাবড়ায় ধরা পাক গুপ্তচর

ভারতে ১৪ বছর ধরে বসবাস, তৈরি হয়েছিল ভুয়ো ভারতীয় নথি! বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়ায় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে ধরা পড়ল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম এবং তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মের ছবি, একটি মানচিত্র, একাধিক দেশের ফোন নম্বর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মঙ্গলবার রাতে যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় হাবড়ার চোংদা মোড়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেনা, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।তদন্তকারীদের দাবি, রানা ও ইজাজের কাছ থেকে কলকাতার সেনা সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়মের ছবি এবং একটি মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই ছবি এবং মানচিত্র কী ভাবে তাঁদের হাতে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী ১৫ অগস্টের আগে কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সেনা গোয়েন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকায় সেনার গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঠিক কী কী তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুজনের বাড়ি পাকিস্তানের ফয়সলাবাদ জেলার হাফিজাবাদ গ্রামে। ২০১২ সালে নেপালের কাঠমান্ডু সীমান্ত দিয়ে রক্সৌল হয়ে ভারতে ঢোকার পর কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করেন রানা। পরে সহযোগী ইজাজের সাহায্যে ওয়াহাব আলম নামে ভুয়ো ভোটার ও আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। পরে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে।রানা একাধিক বার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ১১ অগস্ট বিশেষ সূত্রে রানার গতিবিধি সম্পর্কে খবর পাওয়ার পর নজরদারি শুরু করে বিশেষ তদন্তকারী দল। যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাবড়ার চোংদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের আরও দাবি, বাংলাদেশে ঢোকার আগে কয়েক জন সীমান্ত দালালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন রানা। তাঁদের কাছ থেকে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের একাধিক ফোন নম্বর, দুটি সিম কার্ড, একটি নোটবুক এবং বিভিন্ন বার্তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। কিছু তথ্য ও ফোন নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টার প্রমাণও মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে আগে ধৃত কয়েক জনের সঙ্গেও রানা ও ইজাজের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। রানার ফোনে তাঁদের নম্বরও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে আরও কয়েক জনের নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর। ফলে গত ১৪ বছরে ভারতে থেকে ধৃতেরা ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ চালিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তাঁরা কার আশ্রয়ে ছিলেন, কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করলেন, তাঁদের অর্থের উৎস কী ছিল এবং সেনা ও রেলের তথ্য কী ভাবে বিদেশে পৌঁছতএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ফোর্ট উইলিয়মের ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

ভারত চতুর্থ নয়, ষষ্ঠ! সংসদে মোদি সরকারের দেওয়া নতুন তথ্যে তোলপাড়

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্যে বড় চমক। এক সময় ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরা হলেও, রাজ্যসভায় কেন্দ্রের দেওয়া নতুন তথ্য বলছে অন্য কথা। অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নমিনাল জিডিপির হিসাবে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পঙ্কজ চৌধুরি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাব অনুযায়ী নমিনাল জিডিপির ভিত্তিতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির ক্রমতালিকা তৈরি হয়। মার্কিন ডলারের বর্তমান বিনিময়মূল্য, সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য দেশের আর্থিক পরিস্থিতির মতো একাধিক বিষয়ের উপর এই ক্রমতালিকা নির্ভর করে। তাই কোনও দেশের অবস্থান সময়ের সঙ্গে বদলাতেই পারে।কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩.৯২ লক্ষ কোটি ডলার। সেই হিসাবে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের তালিকায় ভারত ছিল ষষ্ঠ স্থানে। ফলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে গিয়েছে বলে আগে যে দাবি সামনে এসেছিল, তার সঙ্গে নতুন তথ্যের ফারাক নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।ভারতের অর্থনীতিকে আরও বড় করার লক্ষ্য অবশ্য বদলায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রথম থেকেই পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখেছে। কেন্দ্রের সেই লক্ষ্য এখনও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তবে অর্থনীতির বর্তমান বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের একটি অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েও জল্পনা রয়েছে।অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অন্যতম অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার মোকাবিলা করছে না। নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর সেই বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে। কারণ, একদিকে ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাবে ষষ্ঠ স্থানে থাকার তথ্যদুইয়ের মধ্যে ফারাক নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজকে কি গ্রেপ্তার করা হবে? মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তীব্র জল্পনা

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি করলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এরপরই অনন্ত মহারাজকে ঘিরে গ্রেপ্তারির জল্পনা শুরু হয়েছে।দিনহাটায় একটি কর্মসূচি শেষে অনন্ত মহারাজ নেতাজি এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কোচবিহারের মহারাজার ভূমিকার কারণেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের লড়াই সম্ভব হয়েছিল। একই সঙ্গে নেতাজির নেতৃত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। নেতাজিকে নিয়ে এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়ে। বিতর্ক ক্রমশ বাড়তে থাকায় বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোনও ব্যক্তির নাম না করে স্পষ্ট করে দেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে। নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি বা অসম্মানজনক মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে?এই পরিস্থিতিতে নিজের বক্তব্য নিয়ে সুর কিছুটা নরম করেছেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি, তিনি কারও নামে বদনাম করেননি এবং কোনও মিথ্যা বা মনগড়া কথা বলেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি ইতিহাসের কথাই বলেছেন এবং কাউকে গালাগালি করেননি।অনন্ত মহারাজ আরও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, সেটি তাঁর বিষয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।তবে মুখ্যমন্ত্রীর আইন সবার জন্য সমান বার্তার পর অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত কতদূর এগোয় এবং নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় আইনগত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা, ১৭ অগস্ট থেকেই কার কার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই যাঁদের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাঁদের পাশাপাশি নতুন আবেদনকারীরাও এই সুবিধা পাবেন।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা নিয়ে একদিকে যেমন অনেক মহিলা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, অন্যদিকে আবার যোগ্য নন এমন ব্যক্তিদেরও টাকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত এই যাচাইয়ের কাজ চলবে। যাঁদের নাম এবং তথ্য যাচাই হয়ে গিয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১৭ অগস্ট থেকেই টাকা পাঠানো হবে। নতুন করে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই সুবিধা পাবেন।শুধু প্রথম দফার টাকা নয়, প্রতি মাসে যাতে নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পৌঁছয়, সেই বিষয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই অর্থ দফতরের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের টাকা নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করেই টাকা দেওয়া হবে। গত সরকারের আমলে বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, নতুন সরকারের আমলে তা কোনওভাবেই হতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই যে তথ্য যাচাই শুরু হয়েছে, সেটিও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে। ফলে ১৭ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজর থাকছে রাজ্যের বহু মহিলার।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি শংসাপত্রে বড় ধাক্কা! ২০১০-এর পরের সব শংসাপত্র বাতিল, কারা এবার সাধারণ শ্রেণিতে?

ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা হাই কোর্টের। বুধবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শ্রেণির সব শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যে ওই দুই আলাদা শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র আর কার্যকর থাকল না।২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। পরে মামলাটি ফের কলকাতা হাই কোর্টে ফিরে আসে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল আদালত।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসির জন্য ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নামে দুটি শ্রেণি তৈরি করেছিল। এই ব্যবস্থা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।মামলাটি আগে কলকাতা হাই কোর্টে উঠলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ওই শংসাপত্রগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সেগুলি বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। শীর্ষ আদালত পরে মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।এর মধ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি সংক্রান্ত মামলাটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে অবস্থান বদল করা হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টে বিশেষ বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ফের শুরু হয়।এবার সেই শুনানিতেই ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই সময়ের মধ্যে এই দুই শ্রেণির শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের সামনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাঁদের সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে।মামলার এই রায়ের ফলে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে এই রায়ের প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

এ এক অন্য রান্নার গল্প: কচু বাটা, এই স্বাদের সত্যিই কোনও ভাগ হয় না

রান্না শুধু পেট ভরানোর কাজ নয়, এটি স্মৃতি, ভালোবাসা আর সৃষ্টির এক সুন্দর প্রকাশ। বাঙালির রান্নাঘরে এমন অনেক পদ আছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের স্বাদ আর পরিবারের একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। তেমনই একটি সহজ অথচ অসাধারণ স্বাদের পদ হলো কচু বাটা।কচু বাটা নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় গ্রামের রান্নাঘর, মাটির উনুনের আঁচ আর সরল অথচ সুস্বাদু খাবারের কথা। কচুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা মাটির গন্ধ ও নিজস্ব স্বাদকে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে যে অপূর্ব পদ তৈরি হয়, তা সত্যিই বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ।কচু পরিষ্কার করা থেকে শুরু হয় এই রান্নার গল্প। কচু কাটার সময় অনেকের হাত চুলকায়, তাই সাবধানে তা পরিষ্কার করতে হয়। তারপর কাঁচা কচুকে গ্রিড করে নিতে হবে। কালো ও সাদা সর্ষে, কাঁচালঙ্কা, নুন, নারকেল, পোস্ত, কাজু বাদাম যোগ করলে এতে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। সব কিছু একসঙ্গে নিয়ে মিক্সারে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে পরিমান মতো সর্ষের তেল নিতে হবে। এবার গরম সর্ষের তেলে ফ্রাই করে নিলেই কচু বাদা অমৃতে পরিনত হবে। কচু বাটা যখন গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, তখন তার সরল স্বাদ মন ছুঁয়ে যায়। প্রথম গ্রাসেই মনে হয় এ যেন শুধু খাবার নয়, পুরনো দিনের এক টুকরো স্মৃতি। দুপুরের শান্ত সময়ে ভাতের সঙ্গে কচু বাটা, পাশে একটু ডাল বা ভাজা, এই সাধারণ খাবারেও লুকিয়ে থাকে এক গভীর তৃপ্তি।আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেক নতুন নতুন রান্নার ভিড়ে কচু বাটার মতো দেশি পদ আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়ের কথা। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে তৈরি করা এই পদে যেমন শ্রম আছে, তেমনই আছে ভালোবাসা ও আনন্দ। কচু বাটা তাই শুধু একটি রান্না নয়, এটি বাঙালির ঘরের স্বাদ, স্মৃতি আর ভালোবাসার এক ছোট্ট গল্প। এর স্বাদ সত্যিই কোনও ভাবে ভুলে যাওয়ার নয়।কচু বাটা: উপকরণমান কচু, নারকেল, কালো সর্ষে, সাদা সর্ষে, পোস্ত, কাদুবাদাম, নুন, চিনি, লঙ্কা।

আগস্ট ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal