• ১০ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজ্য

শেষবেলায় পাহাড়ে অমিত শাহের বিস্ফোরক প্রতিশ্রুতি! গোর্খা ইস্যুতে বড় ঘোষণা

প্রথম দফার ভোটের প্রচারের শেষ দিনে মঙ্গলবার একাধিক সভায় অংশ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কার্শিয়াং, কুলটি, শালবনি এবং চণ্ডীপুরএই চারটি জায়গায় তাঁর সভা হওয়ার কথা ছিল। কার্শিয়াংয়ের সভা থেকেই গোর্খা সমস্যা নিয়ে বড় ঘোষণা করেন তিনি।অমিত শাহ দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হলে ৬ মে-র মধ্যেই প্রত্যেক গোর্খার মুখে হাসি ফিরবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গোর্খা ইস্যু ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং এর জন্য কংগ্রেস ও তৃণমূলকে দায়ী করেন তিনি।সভার শুরুতেই তিনি জানান, আগে দার্জিলিংয়ে আসার পরিকল্পনা থাকলেও হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি না মেলায় এবং আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ২১ তারিখ অবশ্যই পাহাড়ে আসবেন এবং সেই প্রতিশ্রুতি মতোই তিনি পৌঁছেছেন।কার্শিয়াংয়ের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হচ্ছে। মমতাদিদিকে বিদায় জানানোর সময় এসে গেছে।উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়েও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরবঙ্গে একটি পৃথক এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। ৫০০ বেডের ক্যানসার হাসপাতাল, আইআইটি ও আইআইএম ক্যাম্পাস এবং একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথাও বলেন তিনি।এছাড়াও উত্তরবঙ্গকে ইকো অ্যাডভেঞ্চার ও হেরিটেজ ট্যুরিজম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। অনুপ্রবেশ রোধ, নতুন শিল্পশহর গঠন, চা বাগানের শ্রমিকদের জমির পাট্টা দেওয়া এবং মজুরি বৃদ্ধির মতো একাধিক প্রতিশ্রুতিও দেন অমিত শাহ।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

এবার ভোটে বাইক বন্ধের ‘মেগা রুল’! জারি হল চাঞ্চল্যকর নিষেধাজ্ঞা

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কঠোর হল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ। এবার বাইক চলাচল নিয়েও জারি হল একাধিক কড়া নিয়ম। স্পর্শকাতর এলাকা ও বুথ সংলগ্ন এলাকায় আগেই বাইক রিকুইজিশন করে নেওয়া হয়েছিল। এবার তার থেকেও কড়া নির্দেশ দিল কমিশন।নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভোটের দুদিন আগে থেকে কোনও বাইক র্যালি বা মিছিল করা যাবে না। একই সঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে সন্ধে ছটা থেকে পরের দিন সকাল ছটা পর্যন্ত বাইক চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় দেওয়া হবে।ভোটের দুদিন আগে সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত বাইকে কাউকে বসিয়ে যাতায়াত করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ডাক্তার দেখাতে যাওয়া, স্কুলে শিশু আনা-নেওয়া বা জরুরি পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।ভোটের দিন সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাইকে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। এছাড়াও চিকিৎসা জরুরি পরিস্থিতিতে চলাচল করা যাবে। কিন্তু এই কারণ ছাড়া বাইক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।যদি বিশেষ কোনও প্রয়োজনে বাইক ব্যবহার করতে হয়, তাহলে স্থানীয় থানার অনুমতি নিয়ে তবেই চলাচল করা যাবে। সব জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারকে এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে হঠাৎ নতুন নিয়ম! বুথে যাওয়ার আগে কেন মুচলেকা দিতে হবে অফিসারদের? তীব্র প্রশ্ন

প্রথম দফা ভোটের আগে নতুন নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। এবার ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের মুচলেকা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। এই নির্দেশ সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেন এই মুচলেকা দিতে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএলও ঐক্যমঞ্চ।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য কুড়ি থেকে তিরিশ মিনিটের একটি সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ হবে। এই প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর তাঁদের একটি মুচলেকা জমা দিতে হবে। সেখানে উল্লেখ করতে হবে, তাঁরা সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বুঝে নিয়েছেন কি না এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পেয়েছেন কি না। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ব্রিফিংয়ের সময় ডিউটি সংক্রান্ত সব নির্দেশ বিস্তারিতভাবে বোঝানো হবে। এরপর একটি নির্দিষ্ট ফর্মে সই করে সেই মুচলেকা জমা দিতে হবে।এই নতুন নিয়ম ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিএলও ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, আগে কখনও এই ধরনের নিয়ম ছিল না। তাঁর কথায়, ভোটের ঠিক আগে আবার নতুন করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, সেটাই একেবারে নতুন বিষয়। কিন্তু তার থেকেও বড় প্রশ্ন হল, প্রশিক্ষণের পর আবার মুচলেকা কেন দিতে হবে। তিনি জানান, প্রিসাইডিং অফিসাররা দায়িত্ব নেওয়ার সময় আগেই সই করেন, তাহলে আবার আলাদা করে মুচলেকার প্রয়োজন কী, তা স্পষ্ট নয়।উল্লেখযোগ্য, কয়েক দিন আগেই প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছিল হাইকোর্ট। কেন অধ্যাপকদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। সেই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে দেওয়া হয়। তবে যাঁরা ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা চাইলে ভোটের কাজে অংশ নিতে পারবেন বলে জানানো হয়।ভোটের মুখে এই নতুন নির্দেশিকা ঘিরে রাজনৈতিক মহল এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এতে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বাড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ি থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি! “একটা গুলি চালালে দুটো চালাব”—বাংলা রাজনীতিতে আগুন ধরালেন হিমন্ত

জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, একটা গুলি চালালে, দুটো গুলি চালাব। বাংলায় পুলিশ থাকলে, অসমেও পুলিশ আছে। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণাত্মক সুর শোনা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে হিমন্ত দাবি করেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন। তাঁর কটাক্ষ, মমতার মুখে রাম বা দুর্গার নাম শোনা যায় না, বরং সারাদিন তিনি মোদী-শাহর নামই নেন। একই সঙ্গে হিমন্ত আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে মমতা তাঁর নামও নিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না। টক্কর সমানে সমানে হবে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, হিমন্ত কার্যত গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের মন্তব্যের পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব রয়েছেন।জয়প্রকাশ আরও বলেন, একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির মুখে এমন প্ররোচনামূলক কথা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন ও জনস্বার্থের ইস্যু ছেড়ে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পাল্টা হুমকিই রাজনীতির মূল কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! আকাশপথে জেলায় জেলায় সিইও, চাঞ্চল্য রাজ্যে

নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবার হেলিকপ্টারে করে জেলায় জেলায় সফর করবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Manoj Agarwal। এতদিন সড়কপথে সফর হলেও এবার দ্রুত এক জেলা থেকে অন্য জেলায় পৌঁছতে আকাশপথ বেছে নেওয়া হয়েছে।আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল তিনি মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার এবং পশ্চিম মেদিনীপুর সফর করবেন। এই জেলাগুলিতে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে। তার আগে প্রস্তুতি কতটা সম্পূর্ণ, তা খতিয়ে দেখবেন তিনি। এই সফরের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এর আগে ২০০৬ সালে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন ভোটের আগে হেলিকপ্টারে জেলা সফর করেছিলেন। প্রায় ২০ বছর পর আবার সেই ধরনের উদ্যোগ দেখা গেল।কয়েক মাস আগেই তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনী দফতরে বিক্ষোভের ঘটনার পর গত বছরের ডিসেম্বরে তাঁর নিরাপত্তা ওয়াই প্লাস স্তরে উন্নীত করা হয়। এবার তাঁর সফরকে আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করতে হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।রাজ্যে এ বার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার পর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে। এর আগে তিনি একাধিক জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁদের অভিযোগ ও দাবি শুনেছেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের বড় ধাক্কা! অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার করা যাবে না

ভোটের আগে বড় ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন। কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল হাইকোর্ট। আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হয়েছে।এই মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে। শুনানির সময় বিচারপতি কড়া ভাষায় কমিশনকে ভর্ৎসনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন কলেজের অধ্যাপকদের এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, তার কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। আগের দিনই কমিশনের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু নির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেনি তারা।কমিশনের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, ভোটের আগে নতুন করে লোক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আদালত সেই যুক্তি মানতে রাজি হয়নি। বিচারপতির মতে, শুধু সময়ের অভাব দেখিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।শুক্রবারের শুনানিতে কমিশন সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হয়। এরপরই আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না এবং সেই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি বাতিল করা হল।তবে ইতিমধ্যে যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বা প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রায় প্রযোজ্য হবে না। যাঁরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন, সেই অধ্যাপকদের ভোটের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, যাঁরা আপত্তি জানাননি এবং প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা চাইলে ভোটের কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আগে কখনও অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি। সাধারণত এই পদে যাঁরা থাকেন, তাঁদের ব্লক স্তরের প্রশাসনিক আধিকারিকদের অধীনে কাজ করতে হয়। কিন্তু অধ্যাপকদের পদমর্যাদা বেশি হওয়ায় সেই নিয়মের সঙ্গে এই নিয়োগ সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মহিলা সংরক্ষণ বিলেই লুকিয়ে বঙ্গভঙ্গের চক্রান্ত? বিস্ফোরক দাবি মমতার

কেন্দ্রের প্রস্তাবিত নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, অর্থাৎ মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই কোচবিহারের ঘোকসাডাঙার ছোটশিমূলগুড়ি ময়দানের জনসভা থেকে এই বিষয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, এই বিলের আড়ালে বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণকে তাঁর দল সমর্থন করে এবং এ নিয়ে তারা বহুদিন ধরে লড়াই করেছে। কিন্তু তিনি প্রশ্ন তোলেন, এতদিন ধরে পড়ে থাকা এই বিলের সঙ্গে হঠাৎ আসন পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি কেন জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে এবং বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং এনআরসি কার্যকর করার পরিকল্পনাও লুকিয়ে থাকতে পারে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে এই নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম সংসদে পাশ হয়েছিল এবং সেই সময় বিরোধীরাও এই বিলকে সমর্থন করেছিল। বিলে বলা হয়েছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। একই সঙ্গে উল্লেখ ছিল, জনগণনার পর আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে এবং তারপর সেই আসনের মধ্যে ৩৩ শতাংশ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হবে।এই প্রক্রিয়া কার্যকর হলে লোকসভা আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে প্রায় ৮৫০ হতে পারে। তবে এখন কেন্দ্র সরকার ২০২৭ সালের জনগণনার জন্য অপেক্ষা না করে ২০১১ সালের তথ্যের ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করতে চাইছে। সেই অনুযায়ীই মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় একজোট হয়েছে বিরোধী শিবির।সংসদে এই বিল পাশ করাতে গেলে মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। অর্থাৎ, ৫৪৩ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে অন্তত ৩৬২ জনের সমর্থন দরকার হবে। বর্তমানে শাসক জোটের হাতে রয়েছে ২৯৩টি আসন। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের শক্তি প্রায় ২৩০ থেকে ২৪০ জনের মধ্যে। ফলে ভোটাভুটির সময় সাংসদদের উপস্থিতি এই বিলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।সব মিলিয়ে এই বিল ঘিরে রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আতঙ্ক! একসঙ্গে অসুস্থ বহু জওয়ান, তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব কমিশনের

ভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি, তার মধ্যেই কোচবিহারে হঠাৎ একের পর এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়তেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন এমন ঘটনা ঘটল, কী কারণে জওয়ানরা অসুস্থ হলেন, সেই সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের থাকার জন্য স্কুল ও অন্যান্য ভবনে অস্থায়ী শিবির তৈরি করা হয়েছে। তুফানগঞ্জের একটি স্কুলেও এমনই একটি শিবিরে ছিলেন জওয়ানরা। বুধবার সন্ধ্যায় আচমকা ২৪ জন জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। বাকি ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ফিরে যান বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।অসুস্থ জওয়ানদের মধ্যে বেশিরভাগই তীব্র পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। দ্রুত তাঁদের তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে জানা যাচ্ছে, জওয়ানরা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছিলেন।ঠিক কোন খাবার বা পানীয় থেকে এই সমস্যা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তাঁদের খাওয়ার জল ও খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড়ে বড় প্রতিশ্রুতি! ভিডিও বার্তায় বিস্ফোরক অভিযোগ অমিত শাহের

পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার দার্জিলিঙের লেবংয়ে তাঁর একটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর হেলিকপ্টার নামতে না পারায় তিনি সেখানে পৌঁছতে পারেননি। তবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পাহাড়ের মানুষের কাছে নিজের বক্তব্য পৌঁছে দেন তিনি।সেই বার্তায় রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে বহু গোর্খা যুবক এবং সাধারণ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে পাহাড়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।অমিত শাহ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই পরিস্থিতি বদলে যাবে। তাঁর আশ্বাস, সরকার গঠন হলে সমস্ত মিথ্যা মামলা তুলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান খোঁজার কথাও বলেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা হবে এবং পাহাড়ের মানুষ তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ও ন্যায়বিচার পাবেন।অমিত শাহের এই বার্তা ভোটের আগে পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা! বাংলায় নামছে হাজার হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন ঘোষণা করার সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তায় কোনওরকম ঢিলেমি রাখা হবে না। এবার প্রথম দফার ভোটের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। জানানো হয়েছে, এই দফায় রাজ্যে মোতায়েন করা হবে মোট ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। এই দফাতেই রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই এই দিন ভোট হবে। এর মধ্যে রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও এই দফায় ভোট নেওয়া হবে।কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। সেখানে মোট ৩১৬ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। এর মধ্যে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭৬ কোম্পানি এবং মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২৪০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দার্জিলিংয়ে ৬১ কোম্পানি, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ৪৪ কোম্পানি, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি এবং কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদহে ১৭২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূমে ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় মোতায়েন থাকবে ১২৫ কোম্পানি বাহিনী।কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, যাতে ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে হয়, তার জন্য কোনওরকম ফাঁক রাখা হচ্ছে না। সর্বত্র কড়া নজরদারি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বার্তা! দলকে সতর্ক করলেন অভিষেক, কী বললেন জানেন?

আর মাত্র নদিন পর শুরু হবে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব রাজনৈতিক দল প্রচারে জোর দিয়েছে। কেউ ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে এগোচ্ছে, আবার কেউ নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি বলেছেন, আগামী কয়েকদিন সব মতভেদ ভুলে একসঙ্গে লড়াইয়ে নামতে হবে। কাউন্সিলরদেরও আলাদা করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।এদিকে রাজ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা যাচ্ছে, তিনি প্রায় পনেরো দিন বাংলায় থাকবেন। এতে বিজেপির নেতা ও কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বলেন, বিজেপি এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে যাতে মনে হয় তারা ক্ষমতায় আসছে। চারদিকে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চলছে যে তৃণমূলের বহু ভোট কমে গিয়েছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধনের কারণে অনেকের নাম বাদ পড়ায় ভোটের সমীকরণ বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।দলের ভিতরে যে মতভেদ রয়েছে, তা নিয়েও সতর্ক করেছেন অভিষেক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই নির্বাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচন। এখন কোনও ত্রুটি হলে পরে আর আফসোস করার সুযোগ থাকবে না। তাই আগামী পনেরো দিন সব গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব ভুলে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি ।একই সঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো ও নতুন কর্মীদের মধ্যে কোনও বিভেদ রাখা যাবে না। সকলকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার চালাতে হবে। পুরোনো কর্মীদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এখন আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই, সবাইকে মাঠে নেমে কাজ করতে হবে।বিজেপিকে আক্রমণ করে অভিষেক দাবি করেন, তারা বুঝে গিয়েছে যে বাংলায় জেতা তাদের পক্ষে সহজ নয়। তাই তারা তৃণমূলের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে। একুশের নির্বাচনেও একই কৌশল নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে এবারের ফলাফল আগেরবারের থেকেও ভালো হবে বলেই আশাবাদী তিনি।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

মোদী-শাহ ঝড়ে কাঁপবে বাংলা! তিন দিনে আধ ডজন সভা, বাড়ছে ভোটের উত্তাপ

বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহেই বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে রাতে রাজ্যে পৌঁছবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী তিন দিনে দুজনের একাধিক জনসভা ও কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিনটি জেলায় তিনটি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম সভা পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়। তার পর তিনি যাবেন পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে। সেখান থেকে বীরভূমের সিউড়িতে তৃতীয় সভা করবেন তিনি। তিনটি সভা শেষ করে সেদিনই তিনি রাজ্য ছেড়ে চলে যাবেন।প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার পরই রাতে কলকাতায় পৌঁছবেন অমিত শাহ। শুক্রবার ও শনিবার টানা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরে জনসভা করবেন তিনি। পাশাপাশি খড়্গপুরে একটি রোড শো-ও করবেন। শনিবার আবার বাঁকুড়ার ছাতনা ও পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে দুটি জনসভা করবেন তিনি। সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে দলের সংকল্পপত্র প্রকাশ করা হতে পারে, যদিও তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।ভোট ঘোষণার আগে ব্রিগেডে বড় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর কোচবিহারেও সভা করেছেন তিনি। অন্যদিকে অমিত শাহও সম্প্রতি রাজ্যে এসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন শাহ। সেই সময় হাজরা এলাকা জুড়ে রোড শো ঘিরে উত্তেজনাও ছড়িয়েছিল।এবার আবার ভোটের মুখে মোদী ও শাহের এই টানা কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা। বিশেষ করে মালদহের ঘটনা, অনুপ্রবেশ, জনবিন্যাস ও এসআইআর প্রসঙ্গ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। বিজেপির তরফে প্রকাশিত জনতার চার্জশিট-এ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সব বিষয় নিয়েই সভা থেকে সরব হতে পারেন মোদী ও শাহ।ভোটের আগে এই জোড়া প্রচার কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখনই জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও বাড়ছে কৌতূহল। সব মিলিয়ে, ভোটের লড়াই আরও জমে উঠতে চলেছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! রাজ্যে বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজিরবিহীন নিরাপত্তা

ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা আরও কড়া করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। নতুন করে আরও একশো পঞ্চাশ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর ফলে মোট বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার পাঁচশো পঞ্চাশ কোম্পানিতে। এর আগে দুই হাজার চারশো কোম্পানি বাহিনী ছিল রাজ্যে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বাহিনী বাড়ানো হতে পারে।নির্বাচন কমিশনের দাবি, সুষ্ঠু, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোটের দফা কমিয়ে দুই করা হলেও নিরাপত্তায় কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন।এ বার রাজ্যে দুই দফায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী তেইশ এবং উনত্রিশ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে চার মে। দফা কমানোর সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।এ বার পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও অনেক বেশি। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় টহল ও রুটমার্চ চলছে। এর মধ্যেই আবার নতুন করে বাহিনী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী আঠারো এপ্রিলের মধ্যে এই অতিরিক্ত বাহিনী রাজ্যে এসে দায়িত্ব নিতে শুরু করবে।এই বাহিনীর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বেশ কিছু কোম্পানি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকেও বিশেষ সশস্ত্র পুলিশ আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
দেশ

রাত পোহালেই ভোটযুদ্ধ, তিন রাজ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে

ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। বুধবার, ৯ এপ্রিল একসঙ্গে তিন রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে (Assembly election)। অসম, কেরলম ও পুদুচেরিতে ভোট গ্রহণ হবে। ইতিমধ্যেই ইভিএম ও নির্বাচনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচন কর্মীদের হাতে।তিন জায়গা মিলিয়ে মোট ২৯৬টি আসনে নির্বাচন হবে। কেরলমে ১৪০টি আসনে ভোট হবে। অসমে ১২৬টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পুদুচেরিতে ৩০টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মে (Assembly election)।কেরলমে মূল লড়াই সিপিআই(এম)-র নেতৃত্বাধীন এলডিএফ, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এবং বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র মধ্যে। অন্যদিকে অসমে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সরাসরি লড়াই (Assembly election)। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আবার ক্ষমতায় ফিরতে পারেন কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা রয়েছে। প্রায় আড়াই কোটি ভোটার এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। ইতিমধ্যেই সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।পুদুচেরিতে ৩০টি আসনে মোট ২৯৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেখানে প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।তিন রাজ্যের এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এখন নজর ভোটের ফলের দিকে, কার হাতে যাবে ক্ষমতা তা জানার অপেক্ষায় দেশ।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
কলকাতা

নাম বাদ নিয়ে তোলপাড়, হঠাৎ ধর্না স্থগিত! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছিল তৃণমূল। তবে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করার সময় পাওয়ায় আপাতত সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে গতকাল দুপুরের পর নির্বাচন কমিশনের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল। প্রথমে কোনও উত্তর না মেলায় দলের তরফে ধর্নায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী এবং প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখেল এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, পরের দিন সকাল দশটায় দেখা করার সময় দেওয়া হয়েছে। এর পরেই ধর্নার পরিকল্পনা আপাতত বন্ধ রাখা হয়।জানা গিয়েছে, চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে যাবে। সেখানে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হবে।এদিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পরিসংখ্যান সামনে আসতেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। হিসেব অনুযায়ী, বিচারাধীন প্রায় ৫০ লক্ষ নামের মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। এর আগে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।জেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদে। সেখানে বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ১১ লক্ষের বেশি। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় মোট ভোটার ছিল ৫৭ লক্ষের বেশি। নতুন খসড়া তালিকায় সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৪ লক্ষ ৮৫ হাজারে। অর্থাৎ শুধু এই জেলা থেকেই প্রায় ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার নাম বাদ গিয়েছে।সব মিলিয়ে এই ইস্যুতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তৃণমূলের দাবি, বৈধ ভোটারদের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে শাসক দল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, কল্যাণের বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে চলেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক এবং অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করছে।বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে উস্কানিমূলক এবং হিংসাত্মক। এই ধরনের মন্তব্য যাতে আর না করা হয়, সেই জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। পাশাপাশি, তাঁর সেই বক্তব্যের ভিডিওও সরানোর দাবি জানিয়েছে বিজেপি।সম্প্রতি এক প্রচারসভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ৪ মে আপনাকে সবুজ আবির মাখাব। ১৫ দিন কেন, ১৫ মাস থাকুন। আপনার দাদাগিরি শেষ করে দেব। এই বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বিজেপি এই মন্তব্যকে কুরুচিকর বলে দাবি করেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে তারা। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ভিডিওর উল্লেখও করা হয়েছে।বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, একজন সাংসদের মুখে এই ধরনের ভাষা শোভা পায় না এবং এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পিতৃতর্পণের সময় গঙ্গার পাড়ে বাজবে মহিষাসুরমর্দিনী, সাজবে ঘাট! বড় উদ্যোগের খবর

২০২৬ সালের দুর্গাপুজো ঘিরে কলকাতায় একের পর এক নতুন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এর পাশাপাশি মহালয়ার ভোরে কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতেও বিশেষ আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার বলে সূত্রের খবর।মহালয়ার ভোর মানেই বাঙালির কাছে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনা। সেই দীর্ঘদিনের আবেগ ও ঐতিহ্যকেই এবার গঙ্গার ঘাটে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কলকাতার পাঁচটি গঙ্গার ঘাটকে এই আয়োজনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাট। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার ভোরে এই ঘাটগুলিতে মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী বাজানো হতে পারে। মহালয়া ২০২৬ সালে ১০ অক্টোবর শনিবার।শুধু মহিষাসুরমর্দিনী বাজানোই নয়, ঘাটগুলিকে বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে ভোরের গঙ্গার পাড়ে তর্পণের সময় এক অন্য ধরনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। পিতৃতর্পণ করতে আসা মানুষের পাশাপাশি মহালয়ার আবহ উপভোগ করতে আসা মানুষের কাছেও এই আয়োজন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।এই পরিকল্পনার আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে পারে বিশাল আকারের রেডিয়োর প্রতিকৃতি। মহালয়ার ভোরে রেডিয়োয় মহিষাসুরমর্দিনী শোনার যে দীর্ঘদিনের বাঙালি ঐতিহ্য, সেই স্মৃতিকেই গঙ্গার ঘাটে তুলে ধরার ভাবনা রয়েছে। ঘাটের চত্বরে বড় রেডিয়োর আদল তৈরি করে তার মাধ্যমে পুরনো দিনের সেই আবহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।মহালয়ার সঙ্গে বাঙালির এই আবেগ বহু পুরনো। পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার এই দিনে ভোর থেকেই কলকাতার গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তর্পণ করতে মানুষের ভিড় হয়। তার সঙ্গে যদি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী এবং বিশেষ আলোকসজ্জা যুক্ত হয়, তা হলে ঘাটগুলির পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য সরকারের একাধিক বড় আয়োজনের পরিকল্পনার খবর ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে মহালয়া ২০২৬-এ কলকাতার গঙ্গার ঘাটে নতুন ধরনের আবহ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাটে শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা SFI নেতার! নেপথ্যে কারণ কী

জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজে ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রনেতা আচমকাই ক্লাসরুমে কেরোসিন ঢেলে নেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। পরে তিনি লাইটার বের করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করলে ক্লাসে থাকা অধ্যাপক তাঁকে থামিয়ে দেন।ওই ছাত্রের নাম অর্ণব সরকার বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে এসএফআইয়ের স্থানীয় কমিটির সম্পাদক হিসাবেও উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ইতিহাসের ক্লাস চলছিল। অর্ণব ব্যাগ থেকে কেরোসিনের বোতল বের করে নিজের গায়ে ঢেলে নেন। এরপর লাইটার জ্বালানোর আগেই অধ্যাপক তাঁর হাত থেকে সেটি নিয়ে নেন। পরে তাঁকে অধ্যক্ষের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশও কলেজে যায়।ঘটনার পর অর্ণব দাবি করেন, কলেজে তাঁকে নিয়মিত নিগ্রহ করা হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, এ বিষয়ে এন্টি র্যাগিং কমিটিতে জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ঘটনার দিন কলেজে ঢোকার মুখেও তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই তিনি এমন পদক্ষেপ করেছেন বলে জানান অর্ণব।অর্ণবের দাবি, তিনি কাউকে মারতে চাননি। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে তাঁর বক্তব্য। তাঁর আরও দাবি, বাড়ি থেকেই কেরোসিন নিয়ে কলেজে এসেছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষও তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, কলেজের ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন এবং পড়ুয়া কী ভাবে দাহ্য পদার্থ নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।অন্য দিকে, অর্ণবের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে এবিভিপি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য, অর্ণবকে কে বা কারা মারধর করেছে বলে অভিযোগ করা হলেও তিনি নির্দিষ্ট কারও নাম বলতে পারেননি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবিভিপি।এসএফআই অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেছে। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে-র দাবি, এবিভিপির বিরুদ্ধে ছাত্রদের মারধর এবং ক্যাম্পাসে ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কলেজের ভিতরে একটি নির্দিষ্ট অপরাধচক্র তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগও এখনও রাজনৈতিক পক্ষগুলির বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে এবং তা স্বাধীন ভাবে প্রমাণিত হয়নি।ঘটনার পর কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কী ভাবে একজন পড়ুয়া কেরোসিনের মতো দাহ্য পদার্থ নিয়ে কলেজে ঢুকলেন, সেটি এখন তদন্তের অন্যতম বিষয়। একই সঙ্গে অর্ণবের অভিযোগের সত্যতা, তাঁকে কোনও ভাবে নিগ্রহ করা হয়েছিল কি না এবং ঘটনার পিছনে ঠিক কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আনন্দচন্দ্র কলেজের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই এসএফআই ও এবিভিপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি করেছে। ছাত্রনেতার অভিযোগ এবং এবিভিপির পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে আসল ঘটনা কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! লেজেন্ডস লিগে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আয়োজকদের?

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণ। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এবারের প্রতিযোগিতায় মোট সাতটি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের দল অংশ নিচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি এবার প্রথম বার খেলছে বাংলাদেশ।ভারতের দলে রয়েছেন যুবরাজ সিংয়ের মতো প্রাক্তন তারকারা। পাকিস্তানের দলেও রয়েছেন শাহিদ আফ্রিদি। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানকে এবারের প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। বরং ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হওয়ার কথা।সবচেয়ে বেশি নজর অবশ্য ১০ অক্টোবরের ম্যাচে। ওই দিন দুবাইয়ে মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারত এবং পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের। আয়োজকদের সরকারি সূচিতে এই ম্যাচটি রাখা হয়েছে। ফলে পাকিস্তান অংশ নেবে না বা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল হয়েছেএমন তথ্য বর্তমান সরকারি সূচির সঙ্গে মিলছে না।এর আগে দ্বিতীয় সংস্করণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারতীয় কিংবদন্তিদের দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামেনি। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ওয়াকওভার পেয়ে পরের পর্বে পৌঁছেছিল। সেই ঘটনার প্রভাব এবারের প্রতিযোগিতাতেও পড়বে কি না, তা নিয়ে ক্রিকেটমহলে আলোচনা ছিল।তবে তৃতীয় সংস্করণের বর্তমান সূচিতে ভারত ও পাকিস্তানকে একই প্রতিযোগিতায় রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দুই দলের মধ্যে ম্যাচের দিনও নির্ধারিত হয়েছে। ফলে গতবারের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।এবারের প্রতিযোগিতার আরও একটি বড় আকর্ষণ বাংলাদেশের অভিষেক। বাংলাদেশের কিংবদন্তি দল প্রথম বার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। সেই দলের অন্যতম পরিচিত নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩ অক্টোবর প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণে মোট ২৪টি লিগ ম্যাচ হবে। শারজা এবং দুবাইয়ের মাঠে হবে ম্যাচগুলি। লিগ পর্বের পর ১৬ অক্টোবর সেমিফাইনাল এবং ১৮ অক্টোবর ফাইনাল হওয়ার কথা।ফলে পাকিস্তানকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার যে দাবি সামনে এসেছে, তা অন্তত বর্তমান সরকারি সূচি অনুযায়ী সঠিক নয়। বরং পাকিস্তান এবারের প্রতিযোগিতার অন্যতম অংশগ্রহণকারী দল এবং ১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচও সূচিতে রয়েছে। গতবারের বিতর্কের পর এবার সেই ম্যাচ সত্যিই মাঠে গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
দেশ

যৌনাঙ্গ কাটা, চারতলা থেকে ঝাঁপ! প্রেমানন্দের শিষ্যের রহস্যজনক মৃত্যুতে ক্রমেই বাড়ছে ধোঁয়াশা

বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধি ওরফে রসিক দুলারি শরণের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন প্রশ্ন। পঁচিশ বছরের দীপক উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের গুরু কৃপা কুঞ্জ আশ্রমের চারতলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে উপর থেকে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে কী পরিস্থিতিতে তিনি ছাদ থেকে পড়েছিলেন, তা এখনও তদন্তের বিষয়।দীপক মূলত মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দুবছর আগে তিনি বৃন্দাবনে আসেন। পরে প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নিয়ে রসিক দুলারি শরণ নাম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি বৃন্দাবনেই থাকতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।ঘটনার পর দীপকের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি গ্রাইন্ডার উদ্ধার করা হয়। সেটিতে রক্তের দাগ ছিল বলে পুলিশ ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীপকের শরীরে যৌনাঙ্গে কাটার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। গ্রাইন্ডারটি কী ভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং সেটিতে থাকা রক্ত কার, তা জানতে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।এই গ্রাইন্ডারই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠেছে। সেটি দিয়েই দীপকের শরীরে ওই আঘাত করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এই মুহূর্তে সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না। তদন্তকারীরা ফরেন্সিক রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন।দীপকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও সামনে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপর থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে গুরুতর আঘাতও হয়েছিল। ফলে মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বুঝতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ এবং ফরেন্সিক প্রমাণ মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দীপকের ঘর থেকে বেরিয়ে ছাদের দিকে যাওয়ার সময় এবং পরে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শেষ কয়েক মিনিটের গতিবিধি এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি নিজেই ওই কাজ করেছিলেন, নাকি অন্য কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পুলিশ দীপকের মোবাইল ফোন, ডায়েরি, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী পরীক্ষা করছে। আত্মহত্যার সম্ভাবনার পাশাপাশি অন্য কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের তরফে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলেও সংবাদমাধ্যমে এসেছে।ফলে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধির মৃত্যু আপাতত একাধিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে তদন্তকারীদের। চারতলা থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা সিসিটিভিতে ধরা পড়লেও তার আগে কী ঘটেছিল, ঘরে রক্তমাখা গ্রাইন্ডার কেন ছিল এবং শরীরে কাটার চিহ্নের সঙ্গে তার কোনও যোগ রয়েছে কি নাএসব প্রশ্নের উত্তর ফরেন্সিক পরীক্ষা ও তদন্ত শেষ হলেই স্পষ্ট হতে পারে। আপাতত ঘটনাটিকে ঘিরে কোনও একটি তত্ত্বকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ইন্টারভিউ থেকে প্যানেল, সব তালিকাতেই বদল! একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগে এসএসসির বড় সিদ্ধান্ত

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বড় পরিবর্তন করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে আগের মেধাতালিকা ও প্যানেল পুনর্গঠন করা হচ্ছে। কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই সংশোধিত শূন্যপদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট শূন্যপদ ১২ হাজার ৪৪৫টি।এর আগে একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। পরে রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণের কাঠামোয় পরিবর্তন আসে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়োগের মেধাতালিকা নতুন করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। সেই পরিবর্তনের ভিত্তিতেই একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদ এবং সংরক্ষণের হিসাব নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।ফলে আগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগের যে প্রক্রিয়া চলছিল, তাতে পরিবর্তন আসছে। নতুন করে সংশোধিত মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এরপর নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।তবে আগে যাঁরা ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের নতুন করে সেই ধাপগুলিতে অংশ নিতে হবে না। তাঁদের আগের লিখিত পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বর, ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানের নম্বরই নতুন মূল্যায়নে বিবেচনা করা হবে বলে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাঠামো থেকে জানা যাচ্ছে।নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নথিপত্র যাচাই করা হবে। সেই যাচাই পর্ব শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী ধাপে এগোবে কমিশন। সংশোধিত মেধাতালিকার ভিত্তিতেই পরবর্তী কাউন্সেলিং এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হবে।এই পরিবর্তনের ফলে আগের তালিকায় থাকা কিছু প্রার্থীর অবস্থান বদলাতে পারে। আবার নতুন সংরক্ষণ কাঠামোর কারণে এমন কিছু প্রার্থীও নতুন তালিকায় সুযোগ পেতে পারেন, যাঁরা আগের তালিকায় প্যানেল বা অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিলেন না। তবে ঠিক কতজন প্রার্থীর অবস্থান বদলাবে বা কতজন আগের তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, তা সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়ায় আগে প্রকাশিত তালিকা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তের মূল কারণই হল সংরক্ষণ বিধির পরিবর্তন। কমিশন জানিয়েছে, নতুন নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর ফলে আগের তালিকার পরিবর্তে সংশোধিত মেধাতালিকাই নিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একাদশ-দ্বাদশের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছিল। পরে সংরক্ষণ কাঠামোয় পরিবর্তনের কারণে পুরো মেধাতালিকা পুনর্গঠনের প্রয়োজন তৈরি হয়।এখন চাকরিপ্রার্থীদের নজর সংশোধিত চূড়ান্ত মেধাতালিকার দিকে। নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, কার অবস্থান কোথায় বদলাল এবং কারা শেষ পর্যন্ত নিয়োগের সুযোগ পেলেন। কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির উপরেই এখন নির্ভর করছে একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের পরবর্তী ধাপ।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
বিদেশ

ছয় সেকেন্ডেই গলে গেল গোটা পাহাড়! নেপালে ভয়াবহ দৃশ্য, নদীতে মিশে গেল পাহাড়ের অংশ

নেপালে ফের প্রকৃতির তাণ্ডব। প্রবল বৃষ্টি, পাহাড় ধস এবং বন্যায় একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত। মুস্তাং জেলার লেতে এলাকায় কালীগণ্ডকী নদীর দিকে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বিশাল পাহাড়ের অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে। সেই সময় স্থানীয়দের চিৎকারও শোনা যায়। ধসের জেরে নদীর গতিপথ কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।টানা বৃষ্টির জেরে নেপালের পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক নদীর জলস্তর বেড়েছে। মুস্তাং, মিয়াগদি, পার্বত এবং স্যাংজার মতো এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের খবর মিলেছে। পার্বত জেলার একটি বসতিতে কালীগণ্ডকী নদীর জল ঢুকে প্রায় ৮০টি বাড়ি ভেসে যাওয়ার খবরও সামনে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং উদ্ধারকাজেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধসে নেপালের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আরও ১৪ জন নিখোঁজ বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল একাধিক এলাকায় কাজ করছে। বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এর মধ্যেই মানাং জেলার হিমলুং হিমালেও ভয়াবহ তুষারধস নেমেছে। রবিবার ৭১২৬ মিটার উচ্চতার এই পর্বতের কাছে তুষারধসে পর্বতারোহী ও তাঁদের সহকারীদের একটি শিবির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে প্রায় ১৪ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে উদ্ধারকারীরা চারটি দেহ উদ্ধার করেন। আরও ১২ জন এখনও নিখোঁজ বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।এই নতুন বিপর্যয় এমন সময়ে ঘটল, যখন গত ২৬ অগস্টের ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বান থেকে এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নেপাল। সেই ঘটনায় দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বাড়িঘর, সেতু, রাস্তা এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী, সেই বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা এক হাজার চারশোরও বেশি এবং নিখোঁজের সংখ্যাও কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।২৬ অগস্টের বিপর্যয়ের পর থেকেই নেপালের একাধিক এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। কিন্তু নতুন করে প্রবল বৃষ্টি, বন্যা এবং পাহাড় ধস পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় দুর্গতদের কাছে দ্রুত পৌঁছনো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে।মুস্তাংয়ের পাহাড় ধসের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। চোখের সামনে পাহাড়ের বিশাল অংশ নদীতে তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। একই সময়ে মানাংয়ে তুষারধসের ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।নেপালে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ উদ্ধারকাজ এবং দুর্গত মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। প্রবল বৃষ্টি ও নতুন করে ধস নামার আশঙ্কায় পাহাড়ি এলাকাগুলিতে সতর্কতাও জারি রাখা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সোনার বাজারে ভূমিকম্প! এক ঝটকায় হুড়মুড়িয়ে কমল দাম, কলকাতায় আজ ২২ ক্যারেটের দাম জানলে চমকে যাবেন

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার মাঝে ভারতীয় বাজারে পতন লক্ষ্য করা গেল সোনার দামে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) প্রতি গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১৫,০১৭ টাকায়, যা গত ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় গ্রাম প্রতি ২৫১ টাকা কম। একইভাবে ২২ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামও কমেছে। ভারতে আজ সোনার দর (প্রতি গ্রাম ও ১০ গ্রাম)২৪ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৫,০১৭ টাকা (১০ গ্রামে ১,৫০,১৭০ টাকা)। ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় দর কমেছে ২৫১ টাকা।২২ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৩,৭৬৫ টাকা (১০ গ্রামে ১,৩৭,৬৫০ টাকা)। দর কমেছে ২৩০ টাকা।১৮ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১১,২৬৩ টাকা (১০ গ্রামে ১,১২,৬৩০ টাকা)। দর কমেছে ১৮৮ টাকা।প্রধান শহরগুলিতে আজ সোনার দর (প্রতি ১০ গ্রাম)কলকাতা, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও পুনে: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৩০ টাকা।দিল্লি: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,৩২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৮০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৭৮০ টাকা।চেন্নাই: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১৫,৩৫০ টাকা।আহমেদাবাদ ও বরোদা: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,২২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৭০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৮০ টাকা।কেন কমছে সোনার দাম?অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপই দেশীয় বাজারে সোনার দাম কমার প্রধান কারণ। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম Giottus.com-এর সিইও বিক্রম সুব্বুরাজ জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪,২২৪ ডলারে নেমে এসেছে। পাশাপাশি ইউএস ফিউচার্স প্রতি আউন্সে প্রায় ৪,২৫৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডলারের শক্তি বৃদ্ধি ও সুদের হার বাড়ার কারণে অলঙ্কার ও সোনায় বিনিয়োগের প্রবণতা সাময়িকভাবে কমছে। তবে অন্যদিকে, রুপোর বাজারে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। এমসিএক্স (MCX)-এ সিলভার মিনি কন্ট্রাক্ট প্রতি কেজিতে প্রায় ২,৩৬,৬৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তাআন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সামুদ্রিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে গেছে। চুক্তি ভঙ্গের পর থেকেই দুই দেশ পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক পথ বন্ধ করে দিয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও মার্কিন হামলার জবাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্যও তৈরি। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সোনার চাহিদা ও দামের ওপর দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বজায় থাকছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘জোড়া ফুল’ প্রতীক ফ্রিজ মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, হাতছাড়া হতে চলেছে মমতার সাধের প্রতীক?

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলায় বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূলের ভেতরে চলা উপদলীয় কোন্দলের জেরে দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষকে নিজেদের লিখিত বক্তব্য পেশ করতে হবে এবং তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে কমিশনকে।দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার এই সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতা বজায় রাখতে দ্রুত এই বিরোধের সমাধান হওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, দলীয় কোন্দলের জের ধরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী জোড়া ফুল (Flowers Grass) প্রতীক ফ্রিজ বা সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। দুই বিরোধী গোষ্ঠীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বিতর্ক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিকল্প নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ঠিক ১০ দিন পর কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন দুই পৃথক গোষ্ঠীই নিজেদের প্রার্থী মনোনীত করেছিল।কমিশনের ওই নির্দেশিকায় বর্তমানে বিকল্প প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছে দুই শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ফুটবলার প্রতীক নিয়ে এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির নির্বাচন লড়ছে খাম (Envelope) প্রতীক নিয়ে। তবে দলের আসল মালিকানা ও নাম-প্রতীক কার দখলে যাবে, আগামী ৩ মাসের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে দেশের রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal