• ৬ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

আজই প্রকাশ এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা! আপনার নামের পাশে কী লেখা আছে, তার উপরেই নির্ভর করবে ভোটাধিকার

উত্তেজনাপূর্ণ ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিনে আজ, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। কতজনের নাম থাকবে, কতজনের নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র সংশয়। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, আজ তালিকা প্রকাশ হলেও তা পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। এই তালিকায় তিনটি আলাদা ক্যাটেগরি থাকবে এবং আপনি কোন ক্যাটেগরিতে রয়েছেন, তার উপরেই নির্ভর করবে আপনার ভোটাধিকার।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজকের তালিকায় প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ মানুষের নাম থাকতে পারে। কিন্তু এখনও সবার যোগ্যতা যাচাই সম্পূর্ণ হয়নি। তাই আপাতত সকলের নামই থাকবে তালিকায়। তবে প্রত্যেকের নামের পাশে একটি করে স্টেটাস লেখা থাকবে। সেই স্টেটাস দেখেই বোঝা যাবে, কেউ বৈধ ভোটার হিসেবে নিশ্চিত কি না, নাকি তার তথ্য এখনও যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।চূড়ান্ত তালিকায় যেমন বৈধ বা যোগ্য ভোটারদের নাম থাকবে, তেমনই যাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং যাঁদের জমা দেওয়া নথি এখনও বিচারাধীন, তাঁদের নামও থাকবে। তবে তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকবে অমীমাংসিত বা অ্যাডজুডিকেশন। যাঁদের নামের পাশে অমীমাংসিত লেখা থাকবে, তাঁদের ক্ষেত্রেই মূল সমস্যা। কারণ চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকলেও তাঁদের ভোটাধিকার এখনও নিশ্চিত নয়।এই সমস্ত নথি আবার খতিয়ে দেখা হবে। তার পর নির্বাচন কমিশন একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে। সেই তালিকায় নাম থাকলেই কেবল ভোট দেওয়া সম্ভব হবে। যদি সেখানে নাম না থাকে, তা হলে ভোটাধিকার থাকবে না। শোনা যাচ্ছে, আপাতত প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নামের পাশে অমীমাংসিত স্টেটাস থাকতে পারে। ফলে আজ তালিকা প্রকাশ হলেও এই বিপুল সংখ্যক মানুষ নিশ্চিত হতে পারবেন না। তাঁদের অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী সাপ্লিমেন্টারি তালিকার জন্য। যদিও সেই তালিকা কবে প্রকাশ হবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি নির্বাচন কমিশন।এ ছাড়া আজকের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের নামও সম্পূর্ণ মুছে দেওয়া হচ্ছে না। নামের পাশে ডিলিটেড লেখা থাকবে। ফলে এক নজরে বোঝা যাবে কার নাম বহাল রয়েছে, কার তথ্য বিচারাধীন, আর কার নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় জয়ের দাবি শাহর, অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর হুঁশিয়ারি ঘিরে রাজনৈতিক ঝড়

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুপ্রবেশ ইস্যু আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল। অমিত শাহ বিহারে এক জনসভা থেকে দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয় নিশ্চিত। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যে থাকা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে দেশছাড়া করা হবে।বিহারের আরারিয়া জেলার সীমাঞ্চল এলাকায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় এবং বিজেপি সরকার গঠন করবে বলে তিনি নিশ্চিত। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অমিত শাহ বারবার একই দাবি করে চলেছেন এবং বাস্তবে তা সফল হয়নি। তাঁর মতে, অনুপ্রবেশ ইস্যু তুলে ধরা আসলে কেন্দ্রের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা।কুণাল ঘোষ আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর। তাই অনুপ্রবেশ ঠেকানো রাজ্য পুলিশের কাজ নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজ্যগুলিতেও অনুপ্রবেশের ঘটনা সামনে এসেছে, ফলে এই ইস্যুতে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।এদিন শাহ অনুপ্রবেশ রুখতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের কথাও ঘোষণা করেন। তাঁর বক্তব্য, কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিহারের সীমাঞ্চল থেকেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই কমিটি সীমান্ত এলাকার জনসংখ্যাগত পরিবর্তন খতিয়ে দেখে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেবে। অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে এবং সরকারি প্রকল্পের উপর চাপ বাড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমকে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে উল্লেখ করেন শাহ। তিনি আরও জানান, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্র সরকার জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এই ঘোষণারও সমালোচনা করেছে তৃণমূল। কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, ভোটের আগে হঠাৎ কমিটি গঠনের কথা কেন মনে পড়ল। তিনি দাবি করেন, আগে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করাই কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় কথা বলা কোনও অপরাধ নয় এবং ভাষার ভিত্তিতে কাউকে সন্দেহ করা উচিত নয়। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্র ও রাজ্যের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নজরদারি, প্রতিটি বিধানসভায় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বসানোর বড় সিদ্ধান্ত

ভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকেই প্রতিটি বিধানসভায় অন্তত একজন করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াই তাঁদের কড়া নজরদারিতে চলবে। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই একই নীতি কার্যকর করতে চলেছে কমিশন।কমিশনের অভিজ্ঞতা বলছে, অতীতের একাধিক নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তি, জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে এসেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিরোধীদের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পর্যায় ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় সবকটি বিধানসভায় আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাথমিক স্তর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই ধরনের নজরদারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মোট এক হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিককে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এঁদের মধ্যে পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকরা আইনশৃঙ্খলার বিষয় দেখবেন, প্রশাসনিক পরিষেবার আধিকারিকরা সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা নির্বাচনী খরচ ও আর্থিক লেনদেনে নজর রাখবেন। মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

কমিশন দফতরের সামনে জুতো নিক্ষেপ, শুভেন্দুকে ঘিরে তুমুল সংঘর্ষে উত্তপ্ত কলকাতা

ভরসন্ধ্যায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল কলকাতার নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে। তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি সমর্থিত বিএলওদের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ, বিকেলে কমিশনের দফতরে ঢোকার সময় রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়া হয় এবং স্লোগান দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করতে কমিশনের দফতরে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। অভিযোগ, প্রবেশের সময়ই তাঁকে লক্ষ্য করে জুতো নিক্ষেপ করা হয়। এরপর বিজেপি সমর্থিত বিএলওদের একাংশ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। এই অভিযোগ তুলেই অন্য পক্ষের বিএলওদের দিকে চড়াও হন তাঁরা। দুই পক্ষ একে অপরের দিকে আঙুল তুলে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। দফায় দফায় বিক্ষোভ চলতে থাকে এবং এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিএলওদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন। ফলে কমিশন দফতর চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু জানান, বিভিন্ন অভিযোগ ও দাবি জানাতে তিনি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, দুই জেলার জেলাশাসক বাদ পড়া নাম তালিকায় তোলার জন্য চাপ দিচ্ছেন। পাশাপাশি শুনানির শেষ দিনে নদিয়ার এক আধিকারিক প্রভাব খাটিয়েছেন বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। অনুপ্রবেশকারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। এই সংক্রান্ত একটি অডিয়ো জমা দিতেই তিনি কমিশন দফতরে গিয়েছিলেন বলে জানান, আর সেই সময়েই এই উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর খোলা চিঠি: বঙ্গবাসীকে ডাক দিলেন বিজেপি সরকারের জন্য, ‘জয় মা কালী’ স্লোগান নিয়ে রাজনৈতিক ঝড়

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বঙ্গবাসীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। চিঠি শুরু করেছেন জয় মা কালী লিখে। তিনি লিখেছেন, সোনার বাংলার মানুষ আজ বঞ্চিত এবং এই অবস্থায় তাঁর মন ভারাক্রান্ত। চিঠিতে তিনি বাংলার মণীষীদের অবদানও স্মরণ করেছেনস্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দ, সুভাষচন্দ্র বোস সহ বিভিন্ন প্রখ্যাত ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন।মোদীর চিঠি বাংলার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনের সময় জয় শ্রী রাম শব্দবন্ধকে কেন্দ্র করে তাপমাত্রা বেড়েছিল। বাংলার তৃণমূল ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল বারবার বলেছে, রাজনীতিতে জয় শ্রী রাম গ্রহণযোগ্য নয়। এর প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল কর্মীরা জয় মা কালী স্লোগান দিতে শুরু করে। এমনকি লোকসভা মঞ্চেও একাধিক তৃণমূল সাংসদ এই স্লোগান দেন।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাংলার মানুষ বঞ্চিত এবং তাঁদের যন্ত্রণায় তিনি ভারাক্রান্ত। তিনি বাংলায় সেবা করার সুযোগ চাইছেন। পাশাপাশি চিঠিতে তিনি তোষণের রাজনীতি ও অপশাসনের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, কাজের জন্য মানুষকে ভিন রাজ্যে যেতে হবে না, মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং অনুপ্রবেশ রুখে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।চিঠির এই প্রতিটি শব্দবাংলার রাজনীতিতে গুরুত্ব বহন করছে এবং ভোটের আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত? সাত বাসিন্দাকে নিয়ে থানায় বিধায়ক, শুরু বড় বিতর্ক

জীবনতলা থানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়েরকে ঘিরে ক্যানিং পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও বারবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তুলে অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েক জন বাসিন্দা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁদের নিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মোট সাত জন বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা বহু বছর ধরে ভোট দিচ্ছেন এবং পরিবারের নথিপত্র সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়া সত্ত্বেও বারবার শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে নাম বাদ পড়তে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা তৈরি হতে পারে।অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার পরও একাধিকবার ডেকে নথি যাচাই করা হয়েছে। তবুও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এমন অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের বক্তব্য, নাম বাদ পড়েছে কি না তা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে। তবে বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেছেন, বহু পুরনো ভোটারদের ক্ষেত্রেও অকারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে এবং গত কয়েক দিনে বিপুল সংখ্যক নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

চমকে ভরা প্রার্থী তালিকা, ভোটের আগে কালীঘাট বৈঠকে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই শাসকদলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে। রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, এবারের তালিকায় যুব নেতাদের গুরুত্ব বাড়তে পারে। চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত শাসকদল। কালীঘাটে বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনী কৌশল বিশেষজ্ঞ প্রতীক জৈন। বৈঠকে প্রার্থী তালিকা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।বুধবার ও বৃহস্পতিবার একাধিক দফায় বৈঠক হয়েছে এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শাসকদলের প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। এবারের তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে বলে জল্পনা। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, জনপ্রিয় এক গায়িকা এবং সদ্য দলে যোগ দেওয়া এক অভিনেত্রীকেও প্রার্থী করা হতে পারে।দলের অন্দরে নবীন নেতৃত্বকে সামনে আনার পক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই সওয়াল করে আসছেন অভিষেক। সেই ভাবনার প্রতিফলন এবারের নির্বাচনে দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের দাবি, প্রায় চল্লিশটি আসনে নতুন প্রজন্মের মুখ দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকজন প্রবীণ নেতাকে প্রার্থী না করে সংগঠনের কাজে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলেও খবর। যদিও এতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আশঙ্কা রয়েছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তবে দলীয় সূত্রের বক্তব্য নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়েই নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবে দল।এদিকে একাধিক মন্ত্রীর আসন পরিবর্তন নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রের মতে, কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রীকে নতুন কেন্দ্রে প্রার্থী করা হতে পারে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোট ঘোষণা আসন্ন, গোপন বৈঠকে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা! তৃণমূল শিবিরে তৎপরতা তুঙ্গে

বাংলার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজ শেষ হলেই নির্বাচন ঘোষণা করতে পারে ভারতের নির্বাচন কমিশন। ফলে হাতে সময় খুবই কম। এই পরিস্থিতিতে শাসক ও বিরোধী সব দলই নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে। কালীঘাটে দফায় দফায় বৈঠক চলছে, যেখানে উপস্থিত থাকছেন কৌশল বিশেষজ্ঞ প্রতীক জৈন।সূত্রের খবর, নির্বাচনকে সামনে রেখে টানা বৈঠক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতেই এই বৈঠকগুলির আয়োজন বলে জানা গিয়েছে। দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকে নির্বাচনী কৌশল সংস্থা আইপ্যাক-এর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, বেশ কিছু নাম ইতিমধ্যেই বাছাই হয়ে গিয়েছে এবং প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। নির্বাচন ঘোষণা হলেই সেই তালিকা প্রকাশ করে প্রচারে নামতে পারে তৃণমূল। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, নবীন ও প্রবীণ দুই পক্ষের মধ্যে ভারসাম্য রেখে প্রার্থী বাছাই করা হতে পারে। পাশাপাশি নতুন মুখ ও তারকা প্রার্থীকেও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।নয়াদিল্লি সূত্রে জানা যাচ্ছে, মার্চের শুরুতেই ভোট ঘোষণা হতে পারে এবং কয়েক দফায় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে একাধিক দফা এবং উত্তরবঙ্গে এক দফায় ভোট হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলাচ্ছে এবং প্রার্থী বাছাই ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।দলীয় কার্যালয়ে বায়োডাটা জমা দেওয়ার জন্য বিশেষ বক্স চালু করা হয়েছে। যে কোনও সদস্য নির্দিষ্ট কেন্দ্র উল্লেখ করে প্রার্থী হওয়ার আবেদন জানাতে পারছেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত সম্ভাব্য প্রার্থীদের মূল্যায়নের একটি প্রক্রিয়া। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করে প্রার্থী তালিকা নির্ধারণ করা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত, হঠাৎ সক্রিয় নির্বাচন কমিশন, কী ঘটতে চলেছে জানেন?

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার তৃতীয় ধাপ এখন শেষের পথে। বিহারে এই কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কাজ চলছে। শুরুতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। কবে শুরু হবে বা আদৌ সব রাজ্যে হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে এবং কমিশনও পরবর্তী পদক্ষেপে এগোতে শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ এখনও শুরু হয়নি, সেই সব জায়গার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের জন্য আগাম সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ পরিকাঠামো, কর্মী ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই গুছিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে বাকি থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এই বিশেষ পরিমার্জনের কাজ শুরু হতে পারে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল করার উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।মেটা বিবরণ: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। বিহারের পর বাকি রাজ্যগুলিতে এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে কাজ, প্রস্তুতির নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভা ভোটের আগেই বড় ঘোষণা! বাংলায় রাজ্যসভার ৫ আসনে ভোট, বদলাতে পারে সমীকরণ

বিধানসভা নির্বাচন এখনও ঘোষণা হয়নি, তবে তার আগেই বড় রাজনৈতিক ঘোষণা। Election Commission of India দেশজুড়ে রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে ভোটের দিনক্ষণ জানিয়ে দিল। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রয়েছে ৫টি আসন।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৫ মার্চ। ৬ মার্চ মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনি হবে। ৯ মার্চ পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন। ভোটগ্রহণ হবে ১৬ মার্চ, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সেদিনই বিকেল ৫টায় গণনা হবে।বাংলা থেকে যাঁদের রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সী। এছাড়া মৌসম নুর ইস্তফা দেওয়ায় তাঁর আসনও খালি রয়েছে। বামফ্রন্টের বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের মেয়াদও শেষ হচ্ছে। ফলে মোট পাঁচটি আসনে ভোট হবে।রাজ্যসভার নির্বাচনে সাধারণ মানুষ ভোট দেন না, বিধায়করা ভোট দেন। বর্তমান বিধানসভায় সংখ্যার বিচারে ৪টি আসনে তৃণমূল প্রার্থীদের জয় প্রায় নিশ্চিত। একটি আসন বিজেপির দখলে যেতে পারে। সেই হিসাবে এবার বাংলা থেকে রাজ্যসভায় বামেদের কোনও প্রতিনিধি নাও থাকতে পারেন।এখন প্রশ্ন, তৃণমূল কাদের প্রার্থী করবে? বিজেপির প্রার্থী কে হবেন? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে এই রাজ্যসভা নির্বাচন রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর ১৬ মার্চের দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশের আগে ঝড় তুলবেন মমতা? বিশ্বজুড়ে প্রচারের হুঁশিয়ারিতে চর্চায় রাজ্য রাজনীতি

কয়েক দিন আগেই এসআইআর সংক্রান্ত ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর বেঞ্চে নিজের বক্তব্যও পেশ করেন তিনি। আর মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এসে ছাব্বিশের ভোটের আগে বড় কোনও ঝড়ের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, প্রয়োজনে তিনি বিষয়টি গোটা বিশ্বে তুলে ধরবেন।এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বারবার কোনও একটি গুরুতর বিষয় প্রকাশ্যে আনার ইঙ্গিত দেন মমতা। নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, বাউন্ডারির বাইরে গেলে কিন্তু ছক্কা খেতে হবে। কমিশনকে তুঘলকি কমিশন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁরা আইন মেনে চলেন এবং চলবেন, তবে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।রাজ্যে এসআইআর নিয়ে একাধিক মৃত্যুর ঘটনাতেও সরব হন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিছু ইআরও-র বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক দল অভিযোগ তুলেছে বলেই তাঁদের সাসপেন্ড করা হচ্ছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, অনেক ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু এতদিন তাঁরা চুপ থেকেছেন। তবে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তিনি আর নীরব থাকবেন না।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সংবিধান মেনে চলে এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। কিন্তু কেউ যদি নির্বাচনের আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শেষ করতে চায়, তা হলে তিনি প্রত্যাঘাত করবেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, আমায় আঘাত করলে আমি প্রত্যাঘাত করব। প্রয়োজনে ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রচার করব। যদিও আমি নিজের দেশকে ভালোবাসি।এ দিন তিনি সরাসরি কোনও নির্দিষ্ট ইস্যুর নাম না করলেও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে, ঠিক কী প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, অনেক কীর্তি ও কেলেঙ্কারির ঘটনা তাঁর জানা আছে। তিনি বলেন, জনগণের উপর প্রতিশোধ নেবেন না। যা করার আমার উপর করুন। শেষে আরও একবার কড়া বার্তা দেন তিনি, আপনারা কেউ ৪২০ ভোল্ট হন, আমি ৪৪০ ভোল্ট।মুখ্যমন্ত্রীর এই ধারাবাহিক হুঁশিয়ারি ছাব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তিনি কোন তথ্য সামনে আনবেন, তা নিয়েই এখন রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যসচিবকে তলবের পরেই বড় পদক্ষেপ, বাংলায় একযোগে ৭ আধিকারিক সাসপেন্ডের নির্দেশ

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন পর্বের শেষ পর্যায়ে এসে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। বাংলার সাত জন আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সাত জনই এসআইআর পর্বের কাজে যুক্ত ছিলেন এবং এএইআরও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।কমিশনের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে। সেই কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে এই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভোটের আগে এই পদক্ষেপে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এর আগেও রাজ্যের চার জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে তলব করা হয় রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে। দিল্লিতে গিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্য গড়িমসি করছে। পাশাপাশি চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার জন্য আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়।এই আবহেই রবিবার আরও সাত জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে সাসপেন্ডের নির্দেশ আসে। কমিশনের পাঠানো নির্দেশিকায় তাঁদের নাম ও কর্মস্থলের উল্লেখ রয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে তিন জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন সামশেরগঞ্জের এএইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এএইআরও নীতীশ দাস এবং সুতির এএইআরও শেখ মুর্শিদ আলম।দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে ক্যানিং পূর্বের এএইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুর নাম রয়েছে তালিকায়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরার বিডিও তথা এএইআরও দেবাশিষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও সাসপেন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এএইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকেও একই নির্দেশের আওতায় আনা হয়েছে।ভোটের আগে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপে রাজ্য প্রশাসনের উপর চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কমিশনের এই কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে আরও কোনও পদক্ষেপের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুধু ফোন নয়, ফুল মিষ্টিতে দিয়ে শুভেচ্ছা পাঠিয়ে তারেককে চমকে দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। এই আবহে এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায় পৌঁছল শুভেচ্ছা বার্তা।শনিবার সন্ধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনে কথা বলেন তারেক রহমানের সঙ্গে। ফোনালাপে ঠিক কী কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে সৌজন্য শুধু ফোনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুল ও মিষ্টিও পাঠানো হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ সেই উপহার পৌঁছয় ঢাকার গুলশানে তারেক রহমানের কার্যালয়ে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন সেই শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।শুক্রবার প্রকাশিত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ৩০০টির মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়। একা বিএনপি জিতেছে ২০৯টি আসন। শরিকদের নিয়ে তাদের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২। তারেক রহমান নিজে ঢাকা ১৭ এবং বগুড়া ৬এই দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছেন।২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। প্রায় দেড় বছর পর সেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হল। দেশে ফিরে ১৭ বছরের রাজনৈতিক নির্বাসন কাটিয়ে নতুন করে নেতৃত্বে উঠে এলেন তারেক রহমান।এর আগেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, বাংলাদেশের এই জয়ের জন্য তিনি তারেকভাই, তাঁর দল এবং সহযোগী দলগুলিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। পাশাপাশি দুই বাংলার সুসম্পর্ক বজায় থাকার আশাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা-ঢাকার সম্পর্ক কোন পথে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
দেশ

মোদীর ফোন, জয়শঙ্কর কি যাচ্ছেন শপথে? কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদল স্পষ্ট। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান।যদিও এখনও সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হয়নি, তবু দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। তবে নিয়মের কিছু জটিলতার কারণে আজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি শপথ নিতে পারছেন না তারেক। সূত্রের খবর, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার তাঁর শপথ গ্রহণ হতে পারে।শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। সময়মতো আমন্ত্রণ এলে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত। এর আগে খালেদা জিয়া-র মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তখন তাঁর সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎও হয়েছিল। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বাংলাদেশে ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। সূত্রের খবর, ফোনেও কথা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে।গত কয়েক বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নানা কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। শেখ হাসিনা-র সরকারের পতনের পর সেই দূরত্ব আরও বেড়েছিল বলে মনে করা হয়। এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে উন্নতির পথে হাঁটতে পারে বলে আশা কূটনৈতিক মহলের। দিল্লিও সেই দিকেই নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়নি কেন? জবাব চাইল কমিশন

এসআইআর ও ভোটার তালিকা পরিমার্জন নিয়ে দিল্লিতে প্রশ্নের মুখে বাংলার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। কাজ বিলম্বের দায় রাজ্যের ওপর চাপাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটের প্রস্তুতি নিয়েও চাইল রিপোর্ট।ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন এবং এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে দিল্লিতে প্রশ্নের মুখে পড়লেন বাংলার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। সূত্রের খবর, জাতীয় নির্বাচন কমিশন-এর ফুল বেঞ্চের বৈঠকে তাঁকে একাধিক বিষয়ে জবাব দিতে হয়।কমিশনের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য যে পদমর্যাদার আধিকারিকদের চাওয়া হয়েছিল, রাজ্য সময়মতো তা দেয়নি। তার ফলেই ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়নি। এই বিলম্বের দায় রাজ্যের ওপরই চাপিয়েছে কমিশন।তবে মুখ্যসচিব বৈঠকে জানান, রাজ্যের প্রশাসনিক পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এক দফতর থেকে অন্য দফতরে আধিকারিকদের দ্রুত সরানো সম্ভব হয়নি। কিন্তু কমিশনের দাবি, যেসব আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্য গড়িমসি করছে।এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে কমিশনের দরবারে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। রাজ্যকে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দিতে বলা হলেও তা জমা পড়েনি বলে অভিযোগ। চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। এই সমস্ত বিষয়েই ব্যাখ্যা চাইতে মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছিল। সমন মেনে তিনি দিল্লিতে হাজির হন এবং বৈঠকে অংশ নেন।এদিনের বৈঠকে আসন্ন নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ভোটের আগে নির্দেশিকা অনুযায়ী আধিকারিক বদলির কী অবস্থা, তা জানতে চেয়েছে কমিশন। প্রশাসনিক প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, সে সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকার যে রিপোর্ট দেবে, তার ভিত্তিতেই কত দফায় ভোট হবে, তা নির্ধারণ করবে কমিশন। পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী ও প্রশাসনিক পরিকাঠামো পাওয়া গেলে ভোটের দফা কমানো সম্ভব হতে পারে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে কেন্দ্র ও রাজ্যের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

‘সুপরিকল্পিত প্রহসন’! বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ শেখ হাসিনার

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুপরিকল্পিত প্রহসন বলে কটাক্ষ করলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর আওয়ামী লিগের সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে একটি বার্তা দেন তিনি। সেখানে তাঁর দাবি, দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। মানুষ এই নির্বাচন বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সেই জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে, নির্বাচনের দিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ এবং ব্যালট বাক্স দখলের অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের তরফে ভোটকে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ বলা হয়েছে। ভোটের পর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেন, এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর। তবে তাঁর এই দাবির সঙ্গে একমত নন শেখ হাসিনা।হাসিনার অভিযোগ, ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, টাকার বিনিময়ে ভোট কেনাবেচা, ব্যালটে জোর করে সিল মারা এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের সই নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই এই প্রহসনের শুরু। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল নগণ্য বলেও দাবি করেন তিনি। রাজধানী ঢাকাসহ বহু জায়গায় ভোটকেন্দ্র কার্যত ফাঁকা ছিল বলে তাঁর অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বেলা দুটো পর্যন্ত দেশের ৩৬ হাজারের বেশি কেন্দ্রে গড়ে ভোট পড়েছে ৪৭ শতাংশ। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের হার ছিল প্রায় ১৪.৯৬ শতাংশ।শেখ হাসিনার দাবি, আওয়ামী লিগ ছাড়া এই নির্বাচনকে দেশের মানুষ মেনে নেয়নি। গত কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লিগের সমর্থক, ভোটার এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা, গ্রেফতার ও ভয় দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, ভয়ভীতি উপেক্ষা করেই মানুষ এই নির্বাচন বর্জন করেছে। তাই দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল না বলেই দাবি করেন তিনি।বাংলাদেশের এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও গভীর হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আশঙ্কা! ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, হাই কোর্টে ছুটল দল

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বাংলার অন্তত আটশো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত বারোই এপ্রিল খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় ধীর গতি আনা, গণনায় দেরি করা এবং প্রথমে ভুল ফল দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে এবং মধ্যরাত থেকে অভিযান শুরু হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যদি কোথাও দেখানো হয় যে অন্য দল জিতছে, তাহলে তা মিথ্যে হতে পারে। মমতার অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।এরপরই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সোমবার দলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আটশো তৃণমূল কর্মীর নাম সংগ্রহ করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়।আদালত এই আবেদন মেনে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত শুনানির আর্জিও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আগামী বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
বিদেশ

ডলার ছেড়ে ইউয়ান! আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির, বিশ্ব অর্থনীতিতে ঝড়

ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কবে থামবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বড় সঙ্কটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। বিশেষ করে ডলার নির্ভর তেল বাণিজ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তারা জানিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি না বদলালে ডলারের বদলে অন্য মুদ্রায় তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন শুরু করতে পারে।খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ইতিমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে, প্রয়োজনে তারা চিনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করে তেল বিক্রির পথে হাঁটতে পারে। এতদিন আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, এবার তারা নিজেদের স্বার্থে আলাদা অবস্থান নিতে চাইছে। তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ডলারের সহায়তা দিতে হবে, না হলে বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে তারা।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই বিষয় নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে বলেই মনে করছে তারা। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর ইতিমধ্যেই মার্কিন অর্থ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ডলারের জোগান কমে গেলে ইউয়ান ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।যুদ্ধের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে তারা আমেরিকার কাছে ক্ষতিপূরণও চেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের একটি বেসরকারি সংস্থা চিনা মুদ্রায় ইরানের তেল কিনেছে বলেও জানা গিয়েছে, যা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব বাজারে তেল কেনাবেচা মূলত ডলারেই হয়ে থাকে। উনিশশো সত্তরের দশক থেকে এই প্রথা চালু। সেই সময় তেলের সঙ্কটের পর আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল, যার ফলে তেল বাণিজ্যে ডলারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রায় তেল লেনদেন শুরু হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

হরমুজ প্রণালিতে বড়সড় সংঘাত! ইরানের জাহাজে হামলা চালিয়ে দখল নিল আমেরিকা

হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী একটি ইরান-চিহ্নিত পণ্যবাহী জাহাজ দখল করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেওয়া হয়, তারপর সেটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।ট্রাম্প জানান, ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ একটি ইরানি জাহাজকে আটকায়, যখন সেটি আমেরিকার আরোপ করা অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। হামলার ফলে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর চলতে পারেনি। পরে মার্কিন সেনারা জাহাজটির দখল নেয় এবং সেটির ভেতরে কী আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, হামলার আগে জাহাজের ক্রুদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। সেখানে বলা হয়, ইঞ্জিন কক্ষ খালি করে দিতে, না হলে গুলি চালানো হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের দৃশ্যও দেখা যায়।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাহাজ চলাচলের উপর আমেরিকা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, তাই এর উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।একই সময়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা পরবর্তী বৈঠকে অংশ নেবে না। তাদের অভিযোগ, আমেরিকা অতিরিক্ত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে এবং অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে, যা চুক্তির পরিপন্থী।ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জমা দিতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দিতে হবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ি থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি! “একটা গুলি চালালে দুটো চালাব”—বাংলা রাজনীতিতে আগুন ধরালেন হিমন্ত

জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, একটা গুলি চালালে, দুটো গুলি চালাব। বাংলায় পুলিশ থাকলে, অসমেও পুলিশ আছে। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণাত্মক সুর শোনা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে হিমন্ত দাবি করেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন। তাঁর কটাক্ষ, মমতার মুখে রাম বা দুর্গার নাম শোনা যায় না, বরং সারাদিন তিনি মোদী-শাহর নামই নেন। একই সঙ্গে হিমন্ত আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে মমতা তাঁর নামও নিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না। টক্কর সমানে সমানে হবে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, হিমন্ত কার্যত গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের মন্তব্যের পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব রয়েছেন।জয়প্রকাশ আরও বলেন, একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির মুখে এমন প্ররোচনামূলক কথা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন ও জনস্বার্থের ইস্যু ছেড়ে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পাল্টা হুমকিই রাজনীতির মূল কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal