• ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

কলকাতা

তৃণমূলকে আক্রমণ, বাম শাসনের প্রশংসা শাহর, রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় এসে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি দাবি করেন, বর্তমান তৃণমূল সরকারের তুলনায় বাংলায় বামফ্রন্টের শাসন অনেক ভালো ছিল। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।কলকাতায় বিজেপির চার্জশিট প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, বাংলায় সোনার বাংলা গড়ার নামে হিংসা ও অরাজকতা বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে এবং সিন্ডিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তোষণের রাজনীতি করা হচ্ছে এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।শাহ দাবি করেন, পরিবর্তনের আশায় বাংলার মানুষ একসময় তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিল। কিন্তু এখন অনেকেই মনে করছেন, আগের বাম শাসনই ভালো ছিল। এই প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূল সরকারের সঙ্গে বাম আমলের তুলনা টানেন।এদিন তিনি তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করেন। সেখানে দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ ইস্যুতে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে বাংলার মানুষকে ভয় আর ভরসার মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে।শাহ আরও দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দেশের একাধিক রাজ্যে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে। এবার বাংলাতেও বিজেপি বড় জয় পাবে বলে তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, অঙ্গ, বঙ্গ এবং কলিঙ্গে একই দলের সরকার গঠনের সময় এসে গেছে।এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

প্রতিটি বুথে নজরদারি, এবার ভোটে থাকবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। বুথের ভিতরে এবং বাইরে দুজায়গাতেই ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি বুথে অন্তত দুটি ক্যামেরা থাকবে এবং তার সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্যধারণ করতে সক্ষম বিশেষ ক্যামেরাও বসানো হবে।কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের শতভাগ বুথেই এই নজরদারি চালানো হবে। ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থায় এই পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথম স্তরে রিটার্নিং অফিসার, দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং তৃতীয় স্তরে মুখ্য নির্বাচনী দফতর থেকে সবকিছু দেখা হবে। একাধিক স্ক্রিনে এই সমস্ত ফুটেজ নজরদারি করা হবে এবং প্রতিটি স্ক্রিনের সামনে দুইজন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন, একজন নজর রাখবেন এবং অন্যজন তথ্য নথিভুক্ত করবেন।এছাড়াও ভোটযন্ত্র বহনকারী গাড়িগুলির উপরও নজর রাখা হবে। সেই গাড়িগুলিতে জিপিএস থাকবে, যাতে তারা নির্দিষ্ট পথেই যাচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক থেকে দুই দিন আগে থেকেই বুথগুলিতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে এবং হাজার হাজার মাইক্রো পর্যবেক্ষক এই কাজে যুক্ত থাকবেন।সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বুথের ভিতরে একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে। যদি কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয় বা জোর করে বুথ দখল করে, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের অপরাধে জেল ও জরিমানার শাস্তি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী কেউ এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট নয়, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারের রিপোর্টও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নিরাপত্তার দিক থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরে নজর রাখবেন।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা কমিশনের, থানার ওসিদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশ

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে হিংসামুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে একাধিক কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের পক্ষ থেকে থানার ওসিদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।নির্দেশ অনুযায়ী, আগের নির্বাচনের সময় হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং কোনও পরোয়ানা ১০ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। থানাগুলিকে পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।এছাড়া, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে। অতীতে যেখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে, সেই সব এলাকা চিহ্নিত করে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অপরাধপ্রবণ এলাকা ও মাদক চক্র সক্রিয় এমন জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত টহল চালাতে হবে। সন্দেহজনক হোটেল, লজ বা অন্য জায়গায় তল্লাশি চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কোনও অশান্তির খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে হবে।আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সব গাড়িতে তল্লাশি বাড়াতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সবসময় চালু রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজনৈতিক সভা, রোড শো এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। যেসব ব্যক্তি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন বা ঝুঁকিতে থাকতে পারেন, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোট সংক্রান্ত সমস্ত আধিকারিক কমিশনের অধীনে কাজ করবেন এবং নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় বদল! অবশেষে বিমানে অন্ডাল যাচ্ছেন মমতা, সকাল থেকে টানটান নাটক

সকাল থেকে অনিশ্চয়তার পর শেষ পর্যন্ত অন্ডাল সফর নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন করে সূচি পাঠানো হয়েছে বিমানবন্দরে। ঠিক হয়েছে, দুপুর দুটো দশের বিমানে তিনি কলকাতা থেকে অন্ডাল রওনা দেবেন।আবহাওয়ার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই দুপুরের বিমানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।এদিন সকালে অবশ্য ভিন্ন ছবি দেখা গিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রীর বিমানযাত্রা বাতিল করা হয়। তখন খবর পাওয়া যায়, তিনি সড়কপথে অন্ডালের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রেও জানানো হয়েছিল, নির্ধারিত বিমানে তিনি যাচ্ছেন না।সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সফর নিয়ে দুটি বিকল্প পরিকল্পনা রাখা হয়েছিল। একটি ছিল সড়কপথে যাওয়া, অন্যটি বিমানপথে। জানা গিয়েছিল, নির্ধারিত কাজ দ্রুত শেষ হলে তিনি সড়কপথে রওনা দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বিকেল দুটো থেকে আড়াইটের মধ্যে বেরোনোর সম্ভাবনা ছিল। তবে কাজ শেষ হতে দেরি হলে এবং বিকেলের দিকে বেরোতে হলে বিমানপথে যাওয়ার পরিকল্পনা রাখা হয়েছিল।শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী বিমানেই অন্ডাল যাবেন। সকাল থেকে এই সফর ঘিরে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে অবশেষে নির্দিষ্ট সময়েই তাঁর যাত্রা নিশ্চিত হল।

মার্চ ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় বিতর্ক! শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠকে বসানোয় তৃণমূলের বিস্ফোরক অভিযোগ, নড়েচড়ে কমিশন

ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী-র ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তিকে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই অভিযোগ সামনে আসতেই নির্বাচন কমিশনের দফতরে চিঠি পাঠানো হয়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে কমিশন এবং রাজ্যের কাছে নতুন করে নাম চাওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামের বিডিও সুরজিৎ রায়কে ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসার করা নিয়ে আপত্তি জানায় তৃণমূল। এই কেন্দ্রের প্রার্থী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এ নিয়ে সরব হন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি, তাই এমন নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।গত সোমবার একসঙ্গে ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকাতেই ছিল সুরজিৎ রায়ের নাম। তিনি আগে নন্দীগ্রামের বিডিও ছিলেন, যে কেন্দ্রের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে ভবানীপুর কেন্দ্রেই বিজেপির প্রার্থী হিসেবে তিনি লড়ছেন এবং সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। ফলে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে তৃণমূলের সতর্কতা আরও বেড়েছে।সূত্রের খবর, তৃণমূলের পক্ষ থেকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠানো হয়। গত চব্বিশ মার্চ সেই চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপর কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিওয়ালাকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেখানে রিটার্নিং অফিসার পদে তিনজনের নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়েছে।এদিকে বৃহস্পতিবার রাতেও আরও ২৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। যাদবপুর, কাঁথি, হলদিয়া, ময়না, সোনামুখী-সহ একাধিক কেন্দ্রে এই পরিবর্তন করা হয়েছে। যে কোনও নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুরো ভোট প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্ব তাঁদের উপরেই থাকে।এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বাসন্তীতে তাণ্ডব! রাস্তায় ফেলে পুলিশ অফিসারকে বাঁশ দিয়ে পেটাল দুষ্কৃতীরা

ভোটের আবহে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাসন্তী। রাস্তায় ফেলে এক পুলিশ অফিসারকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এক পুলিশ অফিসারকে বাঁশ দিয়ে মারধর করা হচ্ছে। গুরুতর জখম হয়েছেন ওই পুলিশ অফিসার।আহত পুলিশ অফিসারের নাম সৌরভ গুহ। তিনি বাসন্তী থানার সাব ইন্সপেক্টর। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় তিনি ছাড়াও আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে যখন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার এলাকায় প্রচারে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বাজার এলাকায় আচমকাই হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা বাঁশ ও লাঠি নিয়ে তাণ্ডব শুরু করে। একাধিক মোটরবাইক ভাঙচুর করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়েই আক্রান্ত হন পুলিশ কর্মীরাই। অভিযোগ, সাধারণ পোশাকে থাকা সাব ইন্সপেক্টর সৌরভ গুহকে লক্ষ্য করে তাড়া করে দুষ্কৃতীরা। তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে রাস্তায় পড়ে যান। এরপর তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। তাঁর মাথা ফেটে যায় এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন তিনি।পরে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ক্যানিং, বাসন্তী এবং গোসাবা এলাকার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপস্থিত রয়েছেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরাও। কেন্দ্রীয় বাহিনীও এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং টহলদারি শুরু হয়েছে।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। আহত পুলিশ অফিসারকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বাসন্তী এলাকা আগে থেকেই স্পর্শকাতর বলে পরিচিত। প্রতি নির্বাচনেই এখানে হিংসার অভিযোগ ওঠে। তবে পুলিশকেই রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের এক নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচন চলাকালীন নিয়ম মেনে চলা উচিত এবং পুলিশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যদিকে বিজেপির এক নেতা বলেছেন, এই ঘটনার জন্য দায়ীদের ভবিষ্যতে ফল ভোগ করতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই বড় ধরপাকড়! এক মাসে উদ্ধার প্রায় ৪০০ কোটি টাকার অবৈধ সামগ্রী

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কড়া নজরদারিতে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা, তার সত্যতা যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক মাসে বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৪০০ কোটিরও বেশি টাকার অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। সম্প্রতি পাঁচটি নির্বাচনী রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, সঙ্গে তাদের ১২টি সীমান্তবর্তী রাজ্যের প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। সেখানে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, নির্বাচন যেন সম্পূর্ণভাবে হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত এবং প্রলোভনমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।এই লক্ষ্যেই বড় পরিসরে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাঁচটি বিধানসভা নির্বাচনে ৫ হাজার ১৭৩টিরও বেশি উড়ন্ত দল মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে যে কোনও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশির জন্য ৫ হাজার ২০০টিরও বেশি নজরদারি দল কাজ করছে।সূত্রের খবর, ইলেকট্রনিক জব্দ ব্যবস্থাপনা চালু হওয়ার পর ২৫ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থার যৌথ অভিযানে মোট ৪০৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকারও বেশি অবৈধ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ১৭ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা নগদ, ৩৭ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকার মদ, প্রায় ১৬ লক্ষ লিটারেরও বেশি মদ উদ্ধার হয়েছে। মাদকদ্রব্যের মূল্য প্রায় ১৬৭ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা। এছাড়া প্রায় ২৩ কোটি টাকার মূল্যবান ধাতু এবং আরও ১৬৩ কোটির বেশি টাকার অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে।অভিযোগ দ্রুত মেটানোর জন্য জেলা স্তরে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক দলগুলিও একটি বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারছেন। জানা গিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে ২৫ মার্চের মধ্যে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোট ৭০ হাজার ৯৪৪টি অভিযোগ জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৭০ হাজার ৮৩১টি অভিযোগ ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কমিশনের দাবি, প্রায় ৯৫ শতাংশ অভিযোগ ১০০ মিনিটের মধ্যেই সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
দেশ

অসমে একলা লড়াই! মমতার বড় বাজি, কত আসনে প্রার্থী দিল তৃণমূল?

পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসমের বিধানসভা নির্বাচনেও লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে এবার একলা চলো নীতি নিয়েই ভোটে নামছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শুরুতে বেশি আসনে লড়ার কথা ভাবা হলেও শেষ পর্যন্ত ২২টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই দলের তরফে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।তৃণমূল আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, অসমে তারা কোনও বিরোধী জোটে থাকবে না। একক শক্তিতে লড়াই করেই রাজ্যে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চায় দল। সেই লক্ষ্যে এগিয়েই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। দুই দফায় মোট ২২টি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বরাক উপত্যকায় ৫টি আসনে এবং ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ১৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। দলের দাবি, সব ধরনের মানুষের প্রতিনিধিত্ব বজায় রেখেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে।অসমে তৃণমূলের অন্যতম পরিচিত মুখ দুলু আহমেদ চামারিয়া কেন্দ্র থেকে লড়বেন। এছাড়া কোকরাঝাড়, বিলাসিপাড়া, অভয়পুরী, বাজলী, গোরেশ্বর, মঙ্গলদাই, কাটিগড়া এবং সোনাই কেন্দ্রেও প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দলবদল করে আসা নেতাদের এড়িয়ে স্থানীয় ও বিদ্রোহী নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনও সমস্যা না হয়।তৃণমূলের অভিযোগ, অসমে দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেস ও বিজেপির রাজনীতির মধ্যে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত। সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের বিকল্প শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে দল। দলের নেত্রী সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, ফল যাই হোক, লক্ষ্য স্থির রেখেই ভোটে লড়াই করবে তৃণমূল এবং বিরোধী হিসেবে শক্ত অবস্থান গড়ার বিষয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী।উল্লেখ্য, এ বছর মোট পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অসমে ভোট হবে ৯ এপ্রিল, এক দফাতেই। রাজ্যে মোট ১২৬টি আসন রয়েছে। তার মধ্যে ২২টি আসনে লড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে, কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ৯৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বিজেপিও প্রথম দফায় ৮৮টি আসনে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে তীব্র সংঘাত! মমতা ও শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তাল রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়ে কমিশনের কাছে গিয়েছে তৃণমূল। দুই শিবিরের এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির অভিযোগ, আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার পরেও ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ছবি এবং কাটআউট এখনও লাগানো রয়েছে। এই বিষয়টিকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে তারা এবং সেই কারণেই কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।এর মধ্যে আরও একটি বিষয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। জানা যায়, ভোটে প্রার্থী হওয়ার আগে নিয়ম মেনে একাধিক লাভজনক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে খবর আসে তিনি ২৬ থেকে ২৮টি পদ ছেড়েছেন। তবে পরে জানা যায়, সেই ইস্তফা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে এবং পরে নতুন করে জমা দেওয়া হবে।অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। বুধবার নন্দীগ্রামে একটি সভায় তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করকে উদ্দেশ্য করে বিজেপি কর্মীরা অসম্মানজনক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে দুই শিবিরের এই সংঘাতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কমিশন এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

এক ঝটকায় বাদ ১৩ লক্ষ নাম! সামনে এল চমকে দেওয়া পরিসংখ্যান

অবশেষে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া নামের পরিসংখ্যান সামনে আনল নির্বাচন কমিশন। এতদিন ধরে যে বিপুল সংখ্যক নাম বিচারাধীন ছিল, সেই বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, প্রায় ৬০ লক্ষ নাম যাচাইয়ের জন্য রাখা হয়েছিল এবং সেই প্রক্রিয়া এখনও চলছে ।মঙ্গলবার প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হলেও সেখানে ঠিক কত নাম রয়েছে, তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল । প্রায় দেড় দিন পর কমিশন সূত্রে জানা গেল, এখন পর্যন্ত ৩২ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। অর্থাৎ নতুন করে প্রায় ১৩ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। তার আগে খসড়া তালিকাতেই প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়ে। পরে চূড়ান্ত তালিকায় আরও প্রায় ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭৬ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে বলে হিসেব উঠে এসেছে।কমিশন সূত্রে আরও জানা গেছে, মঙ্গলবার যে প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে প্রায় ১০ লক্ষ নাম রয়েছে। তবে এই তালিকার মধ্যে কতজনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এদিকে, আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় সম্পূরক তালিকা প্রকাশিত হতে পারে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। যদিও নির্বাচন কমিশন এখনও তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। প্রতিদিন নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে কি না, সেটাও বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
বিদেশ

প্যারিসে বাম ঝড়! দক্ষিণপন্থীদের উড়িয়ে বিপুল জয়ে নতুন ইতিহাস

ফ্রান্সের পুরসভা নির্বাচনে বামপন্থীদের বড় জয় সামনে এল। রাজধানী প্যারিসে ডানপন্থীদের হারিয়ে আবারও জয় পেল বাম শিবির। প্যারিসের মেয়র নির্বাচনে সোশালিস্ট দলের নেতা এমানুয়েল গ্রেগোয়ার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। তিনি প্রায় একান্ন থেকে তিপ্পান্ন শতাংশ ভোট পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিদা দাতিকে হারিয়েছেন।শুধু প্যারিস নয়, ফ্রান্সের একাধিক বড় শহরেও বামপন্থীদের ভালো ফল দেখা গিয়েছে। এই নির্বাচনে ডানপন্থীদের হারাতে বাম দলগুলি একজোট হয়ে লড়াই করে। ফল ঘোষণার আগেই বুথফেরত সমীক্ষায় বামেদের এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত মিলেছিল। শেষ পর্যন্ত সেই পূর্বাভাসই সত্যি হয়েছে।ফ্রান্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইতেও বামেদের জয় প্রায় নিশ্চিত। সেখানে সোশালিস্ট মেয়র বেনেই পায়ান প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশ ভোট পেয়ে ফের নির্বাচিত হওয়ার পথে। জয় নিশ্চিত হওয়ার পর সোশালিস্ট দলের নেতৃত্ব জানায়, এই ফল প্রমাণ করে মানুষ উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাঁদের দাবি, বামপন্থীরাই দেশের উন্নয়নের সঠিক পথ দেখাতে পারে।এছাড়াও লিও এবং লিল শহরেও বামেরা নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশের বড় শহরগুলিতে বামেদের দাপট স্পষ্ট। বিশেষ করে প্যারিসের জয় আলাদা করে নজর কাড়ছে। সোশালিস্ট, গ্রিন, কমিউনিস্ট সহ একাধিক বামপন্থী দলের জোট এই জয় নিশ্চিত করেছে।তবে সব জায়গায় একই চিত্র দেখা যায়নি। নিস শহরে ডানপন্থী নেতা এরিক চিত্তত্তি জয় পেয়েছেন। এছাড়া উগ্র ডানপন্থী দল জাতীয় র্যালি বড় শহরে জয় পায়নি ঠিকই, তবে ছোট কিছু পুরসভায় তারা কিছুটা সাফল্য পেয়েছে।এই নির্বাচনের ফল ফ্রান্সের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী রাষ্ট্রপতি এবং সংসদ নির্বাচনে এই ফলের প্রতিফলন দেখা যেতে পারে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মধ্যরাতে ভোটার তালিকা কেন? বিস্ফোরক অভিযোগে সরব মমতা, রাজনৈতিক চক্রান্তের ইঙ্গিত

উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন তুললেন, কেন গভীর রাতে এই তালিকা প্রকাশ করা হল এবং এর পিছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে বলেও দাবি করলেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁদের নাম তালিকায় উঠেছে, তা তাঁর সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ফলেই সম্ভব হয়েছে। অন্যথায় আরও অনেক মানুষের নাম বাদ পড়ে যেত বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁর দাবি, ভোটের ঠিক আগে এই প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে পরিকল্পনা করে। তিনি বারবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছেন এবং দিল্লিতে গিয়েও বিষয়টি তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও মামলা করেছেন তিনি।গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। সেখানে প্রায় ষাট লক্ষ নাম বিচারাধীন ছিল। পরে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার গভীর রাতে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। যদিও সেই তালিকার বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়, তবে জানা যাচ্ছে প্রায় আটাশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন তালিকা এখনও বুথ, ব্লক বা জেলার নির্দিষ্ট জায়গায় প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রের নির্দেশেই নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে ভোটার তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে রাজ্যে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের লেটারহেডে বিজেপির ছাপ? বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

বিধানসভা ভোটের আগে আবারও নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গে প্রচারে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলেন।মমতার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের লেটারহেডেই নাকি বিজেপির প্রতীক দেখা যাচ্ছে। তাঁর কথায়, কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।তিনি আরও বলেন, যদি কোনও ভুল হয়ে থাকে, তাহলে সেটাকে শুধু কাগুজে ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। এটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে কিনা, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি সব রাজনৈতিক দলকে একজোট হয়ে একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানান।এছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন পদে আইপিএস ও আইএএস অফিসারদের বদলি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি গভীর রাতে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, এই তালিকা এখনও পর্যন্ত কোনও বুথ, ব্লক বা জেলায় সঠিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, এই তালিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির জন্য কমিশনেরই দায় রয়েছে।এসআইআর নিয়ে আদালতে লড়াইয়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আদালতে যাওয়ার কারণেই কিছু নাম তালিকায় উঠেছে। কিন্তু এখনও তালিকা প্রকাশ নিয়ে কমিশন কেন এত দেরি করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, স্বচ্ছতা থাকলে এত দেরি হওয়ার কথা নয়।সব মিলিয়ে ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গ যুদ্ধে ঝাঁপ মমতা-অভিষেক! উত্তর থেকে সুন্দরবন—তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন

বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে শুরু হয়ে গেল বঙ্গের রাজনৈতিক লড়াই। জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে মাঠে নেমেছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্রই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেই মঙ্গলবার বিকেলের দিকে চালসায় পৌঁছনোর কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেখানে বাতাবাড়ির সেন্ট লুসি চার্চে গিয়ে সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দেবেন তিনি। সভাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি চলছে।অন্যদিকে একই দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা থেকে নিজের প্রচার শুরু করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সুন্দরবনের এই অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী সমীর জানার সমর্থনে কলেজ মাঠে বড় জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। দুপুর দুটো নাগাদ হেলিকপ্টারে পৌঁছে সভায় যোগ দেবেন অভিষেক। সভাস্থলের পাশে অস্থায়ী হেলিপ্যাডও তৈরি করা হয়েছে।এর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও জোর প্রচারে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ময়নাগুড়ি, ডাবগ্রাম-ফুলিবাড়ি এবং মাটিগাড়া-নকশালবাড়িএই তিনটি বিজেপি জয়ী আসনে সভা করবেন তিনি। তৃণমূলের দাবি, এবার এই আসনগুলিতে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে তারা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী।চালসায় তৃণমূল প্রার্থী সঞ্জয় কুজুরও আত্মবিশ্বাসের সুরে জানিয়েছেন, আগেরবার বিজেপি জিতলেও এবার পরিস্থিতি বদলেছে এবং এই আসনে তৃণমূলই জয়ী হবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে তৃণমূলের এই জোর প্রচার ঘিরে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক? ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রচার করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলায় ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচি নিয়ে কিছুটা আভাস মিললেও প্রথম কর্মসূচি এখনও স্পষ্ট নয়। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে, আগামী ছাব্বিশ মার্চ থেকেই বাংলায় প্রচার শুরু করুন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। বিশেষ করে শিলিগুড়িতে তাঁর একটি রোড শো হওয়ার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। যদিও এই কর্মসূচি নিয়েও এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ গরম হচ্ছে। কবে, কোথা থেকে প্রচার শুরু হবে, তা জানতে আগ্রহ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। সব মিলিয়ে মোদীর বাংলায় আগমন ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আজই বেরোচ্ছে সাপ্লিমেন্টরি তালিকা! আপনার নাম আছে তো? নাহলে বিপদ

আজ প্রকাশিত হতে চলেছে ভোটার তালিকার প্রথম সম্পূরক তালিকা। এই তালিকায় প্রায় আটাশ লক্ষ ভোটারের নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে (Supplementary List)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছে ষাট লক্ষেরও বেশি নাম। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় আটাশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ফলে এখনও প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম বাকি রয়েছে (Supplementary List)।কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মোট নামের প্রায় চল্লিশ শতাংশ বাদ দেওয়া হতে পারে। সেই হিসেবে প্রথম সম্পূরক তালিকাতেই প্রায় দশ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে (Supplementary List)। এই তালিকা আজ বিকেলের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।এই তালিকায় দুটি ভাগ থাকবে। একটি অংশে থাকবে নতুন করে যুক্ত হওয়া ভোটারদের নাম, অন্য অংশে থাকবে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের তালিকা। ফলে একই তালিকার মধ্যেই সংযোজন এবং বিয়োজনদুই ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।সাধারণ মানুষ অনলাইন এবং অফলাইন দুইভাবেই এই তালিকা দেখতে পারবেন। অনলাইনে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের নাম খোঁজা যাবে। সেখানে রাজ্য এবং বছর নির্বাচন করে সম্পূরক তালিকার অপশনে গিয়ে পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নাম খুঁজতে হবে। এছাড়া রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও এই তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।অফলাইনে তালিকা দেখতে চাইলে জেলাশাসকের দফতর, উপযুক্ত প্রশাসনিক অফিস অথবা স্থানীয় বুথে গিয়ে তা দেখা যাবে। প্রতিটি বুথেই তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।যদি কারও নাম বাদ পড়ে, তাহলে তা তালিকার বিয়োজন অংশে দেখা যাবে। নাম বাদ গেলে নির্দিষ্ট ট্রাইবুনালে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের নিয়ে গঠিত একাধিক ট্রাইবুনালে এই বিষয়ে আবেদন জানানো যাবে।এই তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও উদ্বেগ দুইই বাড়ছে। কারণ ভোটার তালিকায় নাম থাকা বা না থাকা সরাসরি ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক! শিলিগুড়িতে মোদীর রোড শো, জোর প্রস্তুতি বিজেপির

ভোটের মুখে বাংলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়াল বিজেপি। আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দলীয় সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে শিলিগুড়িতে সাত অথবা আট এপ্রিল রোড শো করতে পারেন তিনি। একই সঙ্গে একাধিক জনসভাও করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই সফর ঘিরে শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে কেন্দ্রীয় নেতারা ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালাচ্ছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে মোট চারটি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সূচি চূড়ান্ত করতে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব।এদিকে খুব শীঘ্রই রাজ্যে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি এলে মূলত সাংগঠনিক বৈঠকের ওপর জোর দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দলীয় সংগঠন নিয়ে আলাদা আলাদা বৈঠক করতে পারেন তিনি। যদিও তাঁর পূর্ণ সূচি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে কয়েকটি জনসভাও করতে পারেন তিনি।এই নির্বাচনে বিজেপি দুইশোর বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার এই লক্ষ্য সামনে রেখে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছেন। এর আগেই অমিত শাহ বাংলায় এসে এই লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। তাঁর দাবি, এবার বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে চায়।অন্যদিকে, বিজেপির এই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা আরও বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা এই নির্বাচনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।মোটের উপর ভোটের আগে বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতার সফর ঘিরে এখন তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং জল্পনা।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

দেওয়াল মুছতেই হামলা! ভোটের আগে দুর্গাপুরে কমিশনের কর্মীদের উপর চড়াও অভিযোগ

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই দুর্গাপুরে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। সরকারি দেওয়ালে লেখা রাজনৈতিক প্রচার মুছতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁরা।নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সরকারি কোনও দেওয়াল বা জায়গায় রাজনৈতিক প্রচার করা যাবে না। সেই নির্দেশ মেনেই এসডিও দপ্তরের নির্দেশে কমিশনের কর্মীরা এলাকায় পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। দুর্গাপুরের কলোনিপাড়ায় পোস্ট অফিসের দেওয়ালে লেখা প্রার্থীর নাম মুছতে যান তাঁরা। অভিযোগ, সেই কাজ শেষ করে গাড়িতে ওঠার পর আচমকাই তাঁদের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।আক্রান্ত এক কর্মীর দাবি, তাঁরা সরকারি নির্দেশ মেনেই কাজ করছিলেন। নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। স্থানীয় কিছু মানুষ নিজেদের শাসকদলের সমর্থক বলে দাবি করে তাঁদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বরং বিরোধী দলের কর্মীরাই বাইরে থেকে লোক এনে নিজেরাই দেওয়াল মুছছিল এবং উত্তেজনা তৈরি করছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে কড়া হুঁশিয়ারি! বুথ দখল হলেই অ্যাকশন, কঠোর বার্তা অজয় নন্দার

ভোটের আগে কঠোর বার্তা দিল পুলিশ প্রশাসন। বুথ দখল, ভুয়ো ভোট বা কোনও রকম কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। রবিবার ভাঙড় থানায় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে মানার নির্দেশ দেন।নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ রাখতে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার জানান, বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং ও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। ভোটের আগে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এদিন শুধু ভাঙড় নয়, দক্ষিণ শহরতলীর একাধিক থানাতেও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বারুই নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর ও বারুইপুর থানায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরতলীর এই এলাকাগুলিতে গ্রামীণ অঞ্চলের বহু বুথ রয়েছে। সেই সব বুথে নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পুলিশকর্মী থেকে হোমগার্ডসকলকেই ভোটের আগে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।কঙ্কর প্রসাদ বারুই জানান, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথায় কী ব্যবস্থা নিতে হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত নির্বাচনই এখন প্রধান লক্ষ্য।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর গড়ে চ্যালেঞ্জ! নন্দীগ্রামে অভিষেকের টানা সভা ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রামকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। এই কেন্দ্রকে সামনে রেখে এবার জোর প্রচারে নামতে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রামে এবার তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে পবিত্র করকে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গতবারের পরাজয়ের পর এবার এই কেন্দ্র দখলে মরিয়া তৃণমূল।জানা গিয়েছে, আগামী পঁচিশে মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। এরপর সাতাশে মার্চ পাঁশকুড়া পূর্বে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। ত্রিশে মার্চ কাঁথি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করবেন তিনি।এই সফরকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়ছে। দলের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। সেই লড়াইয়ে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার আবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই তৃণমূল নতুন করে কৌশল সাজাচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পবিত্র করকে প্রার্থী করে তৃণমূল একটি কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আর তাঁর পাশে থেকে প্রচার জোরদার করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal