• ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

কলকাতা

“দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে ফিরছি”, ভোট দিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটে সবার নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই প্রার্থীই বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।ভোটের শেষ লগ্নে মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে ঢোকার আগে তিনি জয়চিহ্ন দেখান এবং জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এবার তাঁর দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।ভোট দিতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালাচ্ছে। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটের মতো জায়গাতেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।ভোটের দিন সকালেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চেতলা এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পদ্মপুকুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বুথের সামনে গাড়ি থামিয়ে নেমে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, চাপের মুখে পড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সকালে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি না হলে এমনটা হতো না।এদিকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার ছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোট দিয়ে আবেগপ্রবণ রঞ্জিত মল্লিক! “এবারের ভোট খুব দুঃখের”—কেন বললেন এমন কথা?

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল টলিউডের বহু পরিচিত মুখকেও।টালিগঞ্জের গলফ ক্লাব রোডের বাঙুর হাইস্কুলে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বহু বছর ধরে নিয়ম করে ভোট দিয়ে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি জানান, প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি কখনও ভোট দেওয়া মিস করেননি। তাঁর কাছে ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার।তবে এবারের ভোট নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল তাঁর কথায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, তিনি সব সময় ভোট দেন এবং এটিই তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। কিন্তু এবারের ভোট তাঁর কাছে দুঃখের। তাঁর দাবি, অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত যেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভোট দিতে আসা কোয়েল মল্লিক বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভোট দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য সবার মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভোটের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি চান সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

‘সিংঘম’ বনাম ‘পুষ্পা’ বিতর্কে আগুন! শুভশ্রীর মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে নতুন করে শুরু হয়েছে সিংঘম বনাম পুষ্পা বিতর্ক। এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। সম্প্রতি তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার একটি ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে এসে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি নিজের আবাসনের বুথে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তাঁকে সিংঘম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি মনে করেন, সিংহ বা সিংঘম শেষ পর্যন্ত মা দুর্গার পায়ের তলাতেই থাকে। তাঁর কথায়, বাংলায় এমন এক শক্তি রয়েছে, যারই জয় হবে।তিনি সরাসরি কোনও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীও এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, বাংলাকে বারবার বদনাম করার চেষ্টা চলছে এবং তার জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে। তাঁর দাবি, ভোটের ফল বেরোলেই বোঝা যাবে কার সমর্থন বেশি।রাজ আরও বলেন, বাংলার সংস্কৃতি শান্তির এবং এখানে সেই পরিবেশই বজায় থাকবে। তিনি জানান, বাংলায় এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।এই বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে এবং ফলাফল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের দিন কালীঘাটে কড়া নিষেধাজ্ঞা! মন্দিরে গেলেই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন আপনি

ভোটের আর বেশি দেরি নেই। তার আগেই গোটা রাজ্যে কড়া প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তা জোরদার করতে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছে এবং আগেই সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কালীঘাট মন্দির এলাকাকে ঘিরেও বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। কালীঘাট মন্দির-এ প্রতিদিন বহু ভক্ত পুজো দিতে আসেন এবং লম্বা লাইনও দেখা যায়। তবে ভোটের দিন সেই চিত্র থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মন্দিরের সামনে বা আশেপাশে কোনও ধরনের জমায়েত করতে দেওয়া হবে না।কমিশন জানিয়েছে, কালীঘাট মন্দিরে অন্য বিধানসভা এলাকার মানুষ জমায়েত করতে পারবেন না। গোটা এলাকা থাকবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এবং নজরদারিও থাকবে সর্বক্ষণ। ভোটের দিন কেউ অন্য বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এখানে এলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হতে পারে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের দিনে এক বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার অন্য কেন্দ্রে যেতে পারেন না। কেউ যদি অন্য এলাকা থেকে কালীঘাটে আসেন, তা হলে নিরাপত্তার কারণে তাঁকে আটকে রাখা হতে পারে। এমনকি প্রয়োজন হলে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত বসিয়েও রাখা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি আসেন, তা হলে নিজের দায়িত্বেই আসতে হবে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে বড় অভিযান! ৩৬ ঘণ্টায় গ্রেফতার দেড় হাজারের বেশি

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় পদক্ষেপ নিল পুলিশ প্রশাসন। বিশেষ অভিযানে রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে মোট ১০৯৫ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৬ ঘণ্টায় মোট ১৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়, যেখানে ৪৭৯ জনকে ধরা হয়েছে। এই তালিকায় এক তৃণমূল কাউন্সিলরের নামও রয়েছে, যার বিরুদ্ধে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, সেখানে ৩১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই জেলাতেই সম্প্রতি উত্তেজনার ঘটনা সামনে আসে এবং বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলার অভিযোগে এক তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, যেখানে ২৪৬ জনকে ধরা হয়েছে। এছাড়া কলকাতা উত্তর থেকে ১০৯ জন, হুগলি থেকে ৪৯ জন, নদিয়া ও হাওড়া থেকে ৩২ জন করে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশের এই ব্যাপক ধরপাকড়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটের সময়ে কোনও অশান্তি যাতে না হয় এবং দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগামী দিনেও এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ চলবে এবং যারা আইন ভাঙবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, ভোটের আগে সম্ভাব্য অশান্তি সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে একটি তালিকা তৈরি করেছিল নির্বাচন কমিশন। এই তালিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট-এ ওঠে। পরে আদালত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাইক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইক চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট । সোমবার থেকে বাইক মিছিল এবং একসঙ্গে একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।এর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাইক চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না । এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বাইরে বেরোনোর উপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুল থেকে আনা, সেই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বাইকের পিছনে যাত্রী বসানো নিয়েও কড়াকড়ি করা হয়েছিল।তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা হলে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নিয়মে পরিবর্তন আনে। তিনি ৭২ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন।এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। নতুন নির্দেশে আদালত জানায়, দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কেউ যদি একা বা স্বাভাবিকভাবে বাইক নিয়ে বেরোন, তাতে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।এই নির্দেশের ফলে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কড়া নজরদারি চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা হামলা করল তৃণমূল সাংসদের ওপর! কী বলছে নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্ট

আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর গাড়িতে হামলার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পিছনে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। হুগলি জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে গোঘাট এলাকায়। অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপি কর্মীরা সাংসদের গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে ভাঙচুর চালায়। গাড়ির কাচ ভেঙে যাওয়ায় তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয় এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, একটি প্রচার কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় সাংসদের গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এটি দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলও হতে পারে।পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। ভোর থেকেই আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে প্রশাসনের দাবি।এদিকে এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।তবে প্রশাসনের এই প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, কীভাবে এই ঘটনাকে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব বলা হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়।অন্যদিকে সাংসদ মিতালি বাগ অভিযোগ করেছেন, গোঘাট হাসপাতালের সামনে বিজেপি কর্মীরা আচমকা বিক্ষোভ শুরু করে এবং তারপরই তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাতে তিনি আহত হন। এই ঘটনায় তিনি সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া নজরদারি! পাড়ায় পাড়ায় বাইকে টহল দেবে বাহিনী

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার জন্য প্রস্তুতি আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। এবার একশো বিয়াল্লিশটি কেন্দ্রকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পুলিশ ও বাহিনীকে বিস্তারিত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়।কমিশন জানিয়েছে, ভোটে কোনও অশান্তি যাতে না হয়, তার জন্য পাড়ায় পাড়ায় নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। এবার অলিগলিতেও পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট একশো ষাটটি মোটরবাইকে জওয়ানরা টহল দেবেন। প্রতিটি বাইকে থাকবেন দুজন করে জওয়ান। কোথাও কোনও গোলমাল দেখা দিলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।দ্বিতীয় দফার ভোটে মূল লক্ষ্য হল শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ। সেই কারণে ভোটের আগে থেকে গণনা পর্যন্ত কীভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কোথায় কত বাহিনী থাকবে, কোথায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল মোতায়েন করা হবে, সবকিছুর খুঁটিনাটি পরিকল্পনা করা হয়েছে।বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়তি নজর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ভোটকেন্দ্রেই নয়, ভোটারদের যাতায়াতের পথেও নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রয়োজন হলে সেখানে নজরদারি যন্ত্র বসানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং সাধারণ ও পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এছাড়াও বিশেষ পর্যবেক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।এদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বিভিন্ন জেলায় ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রবিবার তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপে গিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে মোদি-মমতা নিশানায়! শ্রীরামপুরে রাহুলের বিস্ফোরক আক্রমণ

রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। হুগলির শ্রীরামপুরে শনিবারের সভা থেকে তিনি দুর্নীতির ইস্যুতে একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপির উত্থানের জন্য তৃণমূলও দায়ী।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেমন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তেমনই বাংলার তৃণমূল সরকারও দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর কথায়, নরেন্দ্র মোদি যেমন হিংসার রাজনীতি করেন, তৃণমূলও বাংলায় একই কাজ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেন, তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন এবং তাঁর লোকসভার সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে। তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কত মামলা হয়েছে এবং তাঁকে কতবার জেরা করা হয়েছে।তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই করে না বলেও অভিযোগ করেন রাহুল। তাঁর দাবি, কংগ্রেসই নীতির ভিত্তিতে লড়াই করছে এবং সঙ্ঘের বিরুদ্ধেও তারা লড়ছে।সভায় তিনি আবারও সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই সব ঘটনায় সাধারণ মানুষের টাকা লুট হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রের অবনতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। রাহুলের দাবি, একসময় বাংলা ছিল শিল্পের কেন্দ্র, কিন্তু এখন সেই জায়গা হারিয়েছে এবং বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে স্ট্রং রুমে চরম উত্তেজনা! বারবার বন্ধ সিসি ক্যামেরা, ভোররাতে হুলস্থুল জঙ্গিপুরে

শনিবার ভোররাতে জঙ্গিপুরে স্ট্রং রুমকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে থাকা স্ট্রং রুমের সিসি ক্যামেরা দফায় দফায় বন্ধ হয়ে যায়। খবর পাওয়া মাত্রই সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস ভোররাতে দলবল নিয়ে সেখানে পৌঁছে যান।ঘটনাস্থলে গিয়ে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে তাঁর তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। বায়রন বিশ্বাস স্ট্রং রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই স্ট্রং রুমের দিকে নজর রাখছিল তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশ। শুক্রবার রাতেই তারা প্রথম জানতে পারে যে সিসি ক্যামেরা কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। প্রশাসনের তৎপরতায় কিছুক্ষণের জন্য তা সচল হলেও পরে ফের ক্যামেরা বিকল হয়ে যায় বলে অভিযোগ।এরপরই খবর পৌঁছায় বায়রন বিশ্বাসের কাছে। ভোররাতে তিনি সেখানে পৌঁছাতেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি অভিযোগ করেন, স্ট্রং রুমের ক্যামেরা বারবার বন্ধ হওয়া কোনও সাধারণ প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়, বরং এর পেছনে বড় ষড়যন্ত্র থাকতে পারে।বায়রন বিশ্বাসের দাবি, তিনি এসডিও-কে ফোন করলে জানানো হয় যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক করতে সময় লাগবে। কিন্তু পরে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ফের একই সমস্যা দেখা দেয়। তাঁর অভিযোগ, এটা টেকনিক্যাল সমস্যা নয়, এর পেছনে অন্য কিছু রয়েছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বায়রন বিশ্বাস বিজেপির বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ করেন। এর আগে ভোট দিতে গিয়ে বারবার নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশির মুখে পড়ার অভিযোগও করেছিলেন তিনি। সেই সময়ও তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।ভোটের আগে স্ট্রং রুম ঘিরে এই ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে জঙ্গিপুরে। প্রশাসন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়েও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
দেশ

৯২ শতাংশ ভোটে উচ্ছ্বাস, তবু আদালতে বড় প্রশ্ন! কী বললেন প্রধান বিচারপতি

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পড়েছে। ২০১১ সালের ভোটের হারকেও ছাপিয়ে গিয়েছে এবারের সংখ্যা। ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ায় খুশি সমস্ত রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সকলেই ভোটদানের হার নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।এই ভোটের হার দেখে খুশি হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তও। এসআইআর মামলার শুনানির সময় তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে এত বেশি ভোট পড়া দেখে তিনি আনন্দিত। তাঁর মতে, মানুষ যখন ভোট দেন, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।আদালতে এদিন রাজ্যের ভোট নিয়ে আলোচনা হয়। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বহু পরিযায়ী শ্রমিক ট্রেনে করে এসে ভোট দিয়েছেন এবং মোটের উপর নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। তাঁর এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা। তিনি বলেন, এত বেশি ভোট পড়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা এবং নিরাপত্তা বাহিনী খুব ভালো কাজ করেছে।এদিকে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রভাব সাধারণ মানুষের উপর পড়ে। আদালতের পরিবেশে কিছুটা হালকা মুহূর্তও তৈরি হয়, যখন এক আইনজীবী অন্যজনকে নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান এবং তা নিয়ে রসিকতা করেন বিচারপতিরা।এসআইআর মামলার শুনানিতে মূলত ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৭ লক্ষ মামলার মধ্যে মাত্র ১৩৯টির নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানান।এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করা যেতে পারে। ট্রাইব্যুনালে নাম সংক্রান্ত সমস্যা নিয়েও হাই কোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।তিনি আরও বলেন, আগেই বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে নতুন বিষয় উঠে এলে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করতে হবে। যাদের নাম ভুলভাবে বাদ গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে, সেই বিষয়গুলিও দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত শুনানির জন্য হাই কোর্টে আবেদন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।সব মিলিয়ে একদিকে যেমন রেকর্ড ভোটে খুশি আদালত, অন্যদিকে মামলার ধীরগতির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ পেয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়া থেকে অভিষেকের বিস্ফোরণ! ‘প্রথম দফাতেই সেঞ্চুরি’, কাঁপছে বিজেপি

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে হাওড়ায় এক জনসভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি নাম না করেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কটাক্ষ করেন এবং ভোটের ফল নিয়েও বড় দাবি করেন।অভিষেক বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক জ্যোতিষী নন, তবে আগে যখনই তিনি কোনও ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তা সত্যি হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোটেই তৃণমূল সেঞ্চুরি করেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি এখন চাপে রয়েছে এবং নিজেদের ভাল ফল দেখাতে সাংবাদিকদের দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছে।অমিত শাহের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে অভিষেক বলেন, বাইরে থেকে এসে বাংলার মানুষকে হুমকি দেওয়া ঠিক নয়। তিনি জানান, তিনি শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কোনও অশালীন কথা বলেননি। কিন্তু সেই মন্তব্যকে অন্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক আরও বলেন, ভোটের ফল জানতে বেশি সময় লাগবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আগামী কয়েক দিন অপেক্ষা করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি বিজেপি নেতৃত্বকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত বাংলায় থাকার কথাও বলেন।এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোটের দ্বিতীয় দফার আগে এই ধরনের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

ফের ঝড় রাজনীতিতে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে বিরোধীদের বড় চাল

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে আবারও উদ্যোগ নিল বিরোধী শিবির। তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করার জন্য ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব এবার রাজ্যসভায় জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে একই প্রস্তাব লোকসভায় জমা পড়েছিল।বিরোধীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৯টি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতমূলক আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে বাধা সৃষ্টি এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাবে ৭৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর ঠিক আগের দিনই পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে ভোট হয়েছে এবং সেখানে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে। সেই ভোট পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাজের প্রশংসাও করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে।এর আগে প্রায় ৩০০ সাংসদের সই-সহ একটি ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছিল। নিয়ম মেনে সেই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেওয়া হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই নোটিস খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এরপরই ক্ষুব্ধ বিরোধীরা নতুন করে প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেয়।জানা গিয়েছে, আগেরবারের মতো এবারও এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কয়েক দিন আগেই দলের এক নেতা জানিয়েছিলেন, ডিলিমিটেশন বিল আটকানোর পর এবার নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী এবার রাজ্যসভায় প্রস্তাব জমা দেওয়া হল।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

‘ঝালমুড়ি খেয়েছি, ঝাল লেগেছে তৃণমূলের’—কৃষ্ণনগরে তীব্র আক্রমণ মোদীর

প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই আবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচারে নদিয়ার কৃষ্ণনগর-এ জনসভা করে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরে বাংলায় এত বেশি ভোটদান আগে হয়নি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, হিংসামুক্ত ভোটের দিকেও এগোচ্ছে রাজ্য।সভা থেকে মোদি জানান, বাংলায় ভোটের পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি জয়ের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, ৪ মে বাংলায় পদ্ম ফুটবে। মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও বিলি হবে। তাঁর মতে, রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে এবং মানুষের মধ্যে ভরসা বাড়ছে।এই সভা থেকে ফের ঝালমুড়ি প্রসঙ্গও তুলে আনেন তিনি। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামে তাঁর ঝালমুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, আমি ঝালমুড়ি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের। তাঁর এই মন্তব্যে সভাস্থলে হাসির রোল পড়ে। তিনি দাবি করেন, বহু বছর পর বাংলায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট এবং উত্তর থেকে দক্ষিণসব জায়গায় মানুষ পরিবর্তন চাইছেন।সভায় দাঁড়িয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশেও বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, তাঁদের কোনও ভয় পাওয়ার দরকার নেই এবং কেউ তাঁদের ক্ষতি করতে পারবে না। ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার আশ্বাসও দেন তিনি। তাঁর কথায়, ৪ মে-র পর থেকে নতুন সুরক্ষার গ্যারান্টি শুরু হবে।ভোটের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ও প্রতিশ্রুতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হাবড়া-অশোকনগরে মেট্রো! অমিত শাহের বড় ঘোষণা, স্বপ্ন না কি ভোটের প্রতিশ্রুতি?

হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো চালুর প্রতিশ্রুতি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনায়। বুধবার হাবড়ার একটি জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেন, এই দুই শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই বক্তব্য সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।হাবড়ার বাণীপুর চৌমাথা সংলগ্ন আম্বেদকর মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল ও অশোকনগরের প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই তিনি জানান, মেট্রো চালু হলে হাবড়া ও অশোকনগরের পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।হাবড়া ও অশোকনগর, দুই এলাকাতেই প্রতিদিন প্রচুর মানুষের যাতায়াত হয়। বিশেষ করে হাবড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র। এখানে চালের বড় বাজার ও সুতির কাপড়ের হাট রয়েছে, যার জন্য বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসেন। ফলে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, মেট্রো চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।তবে এই ঘোষণার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাস্তবতা নিয়ে। অনেকের মতে, এখনও পর্যন্ত বারাসত বা বারাকপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত মেট্রো প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা ও অন্যান্য জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে হাবড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছনো আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হলেও পরবর্তী সময়ে খুব বেশি দূর পর্যন্ত তার সম্প্রসারণ হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকের মতে, হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো পরিষেবা চালুর ঘোষণা আপাতত স্বপ্নের মতোই শোনাচ্ছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনেই হামলা! কুমারগঞ্জে বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে তাণ্ডব

ভোটের দিন দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে উত্তেজনা ছড়াল বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে ঘিরে। তাঁর উপর হামলা এবং দলের এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার জন্য তৃণমূলকে দায়ী করেছে বিজেপি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গেও কথা বলেন প্রার্থী। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি সরু রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসছিলেন বিজেপি প্রার্থী। হঠাৎই কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। অভিযোগ, তাঁকে মারধরও করা হয়। সেই সময় এক নিরাপত্তারক্ষী ছুটে এসে তাঁকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও হামলা থামেনি। পরে ওই নিরাপত্তারক্ষী তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।ঘটনার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রার্থীর দাবি, বাহিনী বুথের ভিতরে এবং সামনে ছিল, কিন্তু ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। পরে জানা যায়, যিনি তাঁকে উদ্ধার করেন, তিনি তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী।এই ঘটনার পর বিজেপি প্রার্থী অভিযোগ করেন, জেলার পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না। একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ, তাঁর গাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিজেপি নিজেরাই লোক না পেয়ে এই ধরনের অভিযোগ তুলে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

বাংলার ভোট দেখতে বিদেশিরা! শিলিগুড়িতে নজর কাড়ল গণতন্ত্রের উৎসব

রাজ্যে শুরু হয়েছে ভোটের উৎসব। এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে দেশের সবচেয়ে বড় উৎসব বলা হয়। সেই উৎসব এবার দেখতে বিদেশ থেকেও প্রতিনিধি দল এসে পৌঁছেছে বাংলায়। শিলিগুড়িতে এসে তাঁরা সরাসরি নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন।শিলিগুড়ি কলেজের নির্বাচন কেন্দ্র ঘুরে দেখেন বিদেশি প্রতিনিধিরা। এই দলে নামিবিয়া, জর্জিয়া, নেপাল, ফিলিপিন্স, সুইজারল্যান্ড এবং কেনিয়াএই ছয়টি দেশের প্রতিনিধি রয়েছেন। সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যরাও আছেন। সব মিলিয়ে মোট ১৩ জনের এই দল প্রথমেই প্রশাসনিক আধিকারিক এবং ভোটকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। কীভাবে এত বড় পরিসরে নির্বাচন পরিচালনা করা হয়, তা তাঁদের বিস্তারিতভাবে বোঝানো হয়।বিপুল সংখ্যক পুলিশ, প্রশাসনিক কর্মী এবং সরকারি আধিকারিকদের একসঙ্গে কাজ করতে দেখে বিদেশি প্রতিনিধিরা বিস্মিত হন। যদিও তাঁরা সরাসরি সংবাদমাধ্যমের সামনে কিছু বলতে চাননি।এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক জানান, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন বিশ্বজুড়ে পরিচিত তার উৎসবমুখর পরিবেশের জন্য। সেই অভিজ্ঞতা কাছ থেকে দেখতেই বিদেশি প্রতিনিধিরা এসেছেন। তাঁরা বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ঘুরে দেখবেন এবং কীভাবে প্রতিটি বুথে নজরদারি করা হচ্ছে, তা বুঝবেন। এছাড়া তাঁরা সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াও দেখবেন।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে বিদেশি প্রতিনিধিরা যথেষ্ট মুগ্ধ। এই সফরের মাধ্যমে বিশ্বে ভারতের গণতন্ত্রের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাইক বন্ধ! কমিশনের সিদ্ধান্তে হাই কোর্টে মামলা

ভোটের দুদিন আগে স্পর্শকাতর এলাকায় বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিতর্কে জড়াল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হলে তিনি সেই অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলাকারীর দাবি, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভোগান্তি হতে পারে এবং তা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোট রয়েছে। তার আগে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাইক র্যালি ও মোটরসাইকেল মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানোও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি চিকিৎসা বা পারিবারিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় রাখা হয়েছে।এছাড়া বাইকে আরোহী বসানো নিয়েও কড়া নিয়ম জারি করেছে কমিশন। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইকের পিছনে কাউকে বসানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। যদিও স্কুল পড়ুয়াদের যাতায়াত, চিকিৎসা বা জরুরি প্রয়োজনে এই নিয়মে কিছু ছাড় রয়েছে।এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের অসুবিধা বাড়বে। বিশেষ করে যাঁরা ডেলিভারি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের উপর এর বড় প্রভাব পড়বে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal