• ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ৩১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

কলকাতা

ঘরছাড়াদের ফেরাতে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! তবে মানতে হবে কড়া শর্ত

ছাব্বিশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের তরফে দাবি করা হচ্ছিল, বিভিন্ন জেলায় তাঁদের বহু নেতা-কর্মী আক্রান্ত এবং ঘরছাড়া। শুক্রবার বিধানসভা অধিবেশনেও সেই অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আর সেই অভিযোগের পরই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।বিধানসভায় এদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হন শাসকদলের প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বোস। বিরোধীরা কোনও প্রার্থী না দেওয়ায় তাঁদের ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর বক্তব্য রাখতে উঠে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ তোলেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অত্যাচারে বহু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন।এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর জানা মতে বর্তমানে কেউ ঘরছাড়া নন। তবে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে বিরোধী দলনেতাকে নামের তালিকা জমা দিতে বলেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, আপনারা তালিকা দিন, কারা ঘরছাড়া হয়েছেন জানিয়ে দিন।তবে এখানেই একটি স্পষ্ট শর্ত বেঁধে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, তালিকায় থাকা কেউ যদি একুশের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর থাকে, তাহলে তাঁকে ঘরে ফেরানো হবে না। বরং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু যদি কেউ নির্দোষ হয় এবং সত্যিই ঘরছাড়া থাকেন, তাহলে স্থানীয় বিধায়ক ও পুলিশ সুপার তাঁকে সসম্মানে ঘরে ফিরিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দেন শুভেন্দু।বিধানসভায় এই আলোচনা শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে দেখা করেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার। সূত্রের খবর, তিনি শুভেন্দুকে বলেন যে বাইরে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। তখন মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরের দিন পুলিশের সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে এবং সেখানে পান্নালালকেও থাকতে বলেন তিনি।শোনা যাচ্ছে, সেই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য লিখিত আমন্ত্রণপত্র চান পান্নালাল। পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। কারণ, বিধানসভায় আগেই শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, বিরোধীদেরও সমানভাবে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। আর এবার পুলিশের বৈঠকে বিরোধী বিধায়ককে ডাক দিয়ে তিনি যেন সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট করে দিলেন।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ক্ষমতায় এসেও বিশ্বাস হচ্ছে না! ঘুম ভেঙে বাস্তব বুঝছেন শমীক

প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দীর্ঘদিনের লড়াই, আন্দোলন এবং নানা বাধা পেরিয়ে অবশেষে এই সাফল্য পেয়েছে দল। প্রায় পনেরো বছর পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। তৃণমূলকে সরিয়ে এবার ক্ষমতায় বিজেপি।এই সাফল্যের পিছনে দলের যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে এত বড় জয়ের পরেও তিনি যেন পুরো বিষয়টি এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না।তিনি বলেন, রাত অনেকটা দেরিতে ঘুমোতে গিয়েছিলেন। সকালে সাংবাদিকরা এসে তাঁকে ঘুম থেকে তোলেন। ঠিকমতো বিশ্রামও হয়নি। এখনও পুরো বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারছেন না যে দল সত্যিই ক্ষমতায় এসেছে।শমীক জানান, এখন তাঁর জীবনে হঠাৎ অনেক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেভাবে সাধারণভাবে চলাফেরা করতেন, এখন তা আর নেই। তিনি বলেন, হঠাৎ করে বাড়ির সামনে নিরাপত্তার গাড়ি দেখে তিনি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ তাঁকে স্যালুট করায় তিনি বুঝতেই পারেননি কী হচ্ছে। একসময় তিনি স্কুটিতে ঘুরতেন, কোনও নিরাপত্তা নিতেন না। এখন হঠাৎ এই পরিবর্তন তাঁকে বিস্মিত করছে।তিনি আরও বলেন, আগে অনেক সময় নিজেকে পরিচয় দিতে হত। এখন পরিস্থিতি পুরো বদলে গেছে। এই পরিবর্তন তাঁর কাছে অবাক করার মতোই মনে হচ্ছে।এদিকে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নামের তালিকায় একাধিক নেতার নাম উঠে আসছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজার চালালেই বিপদ! কড়া হুঁশিয়ারি কমিশনারের, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ভোটের পর কোনও রকম হিংসা ঠেকাতে কড়া অবস্থান নিল পুলিশ ও বাহিনী। শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করে শান্তি বজায় রাখার আশ্বাস দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বুলডোজার ব্যবহার করার উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং এই নিয়ম ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুলিশ কমিশনার আরও জানান, কোনও পুলিশকর্মী বা আধিকারিক দায়িত্বে গাফিলতি করলে তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। নিউমার্কেট এলাকায় বুলডোজার ব্যবহারের ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, যারা জেসিবি ভাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকেও সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করা হয়। এক আধিকারিক বলেন, নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য যা যা প্রয়োজন, সব করা হবে। কেউ যেন ভয় না পান, সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে এলাকায় পঁয়ষট্টি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং তারা সর্বদা সতর্ক রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আশি জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ কমিশনার বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন সেই শান্তি বজায় রাখা জরুরি। তিনি সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং কোনও সমস্যা হলে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, কোথাও হিংসা বা ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
দেশ

তামিলনাড়ুতে বড় চমক! অভিনেতা বিজয়ের দলে ভর করে বদলে গেল রাজনীতি

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই যে ট্রেন্ড দেখা গিয়েছিল, দিনের শেষে সেই ছবিই প্রায় একই রইল। গোটা দেশকে চমকে দিয়ে এগিয়ে রয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থলপতি বিজয় নামে পরিচিত। তাঁর দল ক্ষমতার দিকে এগোচ্ছে।এই ফলাফলের ফলে দীর্ঘদিনের ডিএমকে এবং এআইডিএমকে-র রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এরই মধ্যে খবর, নিজের কেন্দ্র কোলাথুরে হেরে গিয়েছেন ডিএমকে নেতা এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজয়ের দলের প্রার্থী।ভোটগণনার শুরুতেই স্ট্যালিন নিজের পরিচয় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ সরিয়ে দিয়েছিলেন। বিকেলের খবর অনুযায়ী, বিজয়ের দল বেশ কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে এবং বহু আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে শাসক দল অনেক কম আসনে এগিয়ে আছে।তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা। সেই লক্ষ্যের দিকেই এগোচ্ছে বিজয়ের দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শরিক দলগুলির সমর্থন পেলে সহজেই সরকার গঠন করতে পারেন তিনি।অন্য দলগুলির মধ্যেও কিছু আসনে লড়াই চলছে। তবে সামগ্রিক ছবিতে স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন শক্তির উত্থান হয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিচিত রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে চলেছে।এখন দেখার, শেষ ফলাফল কী দাঁড়ায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য কী ধরনের জোট তৈরি হয়।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

“জোর করে হারানো হয়েছে”—কার বিরুদ্ধে তোপ মমতার?

গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে বড় অভিযোগ করলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে তিনি শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন। সেই সময় থেকেই সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়।গণনার শুরুতে এগিয়ে থাকলেও পরে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। রাউন্ড যত এগোয়, ততই ব্যবধান কমতে থাকে এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে যান।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিকেলে গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ে। পরে রাতের দিকে তিনি গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসেন।সাংবাদিকদের সামনে তিনি অভিযোগ করেন, ভোট লুঠ হয়েছে। তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন। তাঁর কথায়, জোর করে তাঁকে হারানো হয়েছে। তবে তিনি আবার ফিরে আসবেন বলেও জানান।এদিকে রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিক রাউন্ড গণনার পর শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন। গণনা তখনও চলছিল।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেরিয়ে আসার সময় তাঁকে ঘিরে স্লোগান শোনা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এরপর তিনি কালীঘাটের উদ্দেশে রওনা দেন।গণনা এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুরের লড়াই আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

বাংলার ফল নিয়ে বড় মন্তব্য! কেন কর্মীদের ধন্যবাদ দিলেন মোদি?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দুজনেই এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন দলের কর্মীদের পরিশ্রম, ত্যাগ এবং মানুষের সমর্থনকে।প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই ফলাফল মানুষের শক্তির জয় এবং সুশাসনের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি বাংলার ভোটারদের ধন্যবাদ জানান। তাঁর আশ্বাস, নতুন সরকার মানুষের আশা পূরণে কাজ করবে এবং সবার জন্য উন্নয়ন ও সম্মান নিশ্চিত করবে।অন্যদিকে অমিত শাহ বলেন, এই জয় সহজে আসেনি। বহু কর্মী সংগ্রাম করেছেন, কষ্ট সহ্য করেছেন, তবেই এই ফল এসেছে। অনেক পরিবার নানা সমস্যার মধ্যেও দলের পাশে থেকেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এই জায়গায় পৌঁছানো গেছে। এই যাত্রায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান। বাংলার মানুষের এই রায় তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধার নিদর্শন বলে তিনি মনে করেন।এই জয়ের জন্য দলের সর্বভারতীয় সভাপতি, রাজ্য নেতৃত্ব এবং কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। মোদি ও শাহ দুজনেই জানিয়েছেন, এই জয় শুধু রাজনীতির নয়, বরং বাংলার উন্নয়ন ও নতুন পথচলার সূচনা।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরও ভোট! ফলতা নিয়ে নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের পথে নির্বাচন কমিশন

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে বড় এবং নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, ৪ মে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেও এই কেন্দ্রে আবার ভোটগ্রহণ হতে পারে।ফলতা কেন্দ্র থেকে বুথ দখল, ভোটারদের হুমকি এবং একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই কারণে পুরো কেন্দ্র জুড়ে ভোটগণনা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে কমিশনের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে। সব বুথে পুনর্নির্বাচন হবে নাকি কিছু নির্দিষ্ট বুথে, তা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন।সাধারণত ভোটগ্রহণের পর দ্রুত গণনা হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সময়ের অভাব বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার পুনর্নির্বাচন করানো হলে যথাযথ যাচাই করার সময় পাওয়া যাবে না, কারণ তার পরের দিনই গণনা নির্ধারিত রয়েছে। তাই গণনার পর পুনর্নির্বাচনের পথে হাঁটতে পারে কমিশন। এমন হলে এই ভোটকে উপনির্বাচন হিসেবে ঘোষণা করা হতে পারে।ভোটের দিন ফলতা থেকে ইভিএমে টেপ লাগানোর ছবি সামনে আসে, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও কিছু গুরুতর তথ্য উঠে আসে। অভিযোগ, শুধু ইভিএমে টেপ লাগানোই নয়, কয়েকটি বুথের সিসিটিভি ক্যামেরাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে এই তথ্য কন্ট্রোল রুমে পৌঁছায়নি বলে জানা গেছে।এর পাশাপাশি, ফলতার হাসিমনগর এলাকা থেকেও একাধিক অভিযোগ এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোট নিয়ে তাঁদের ভয় দেখানো হয়েছে। গ্রামের মহিলাদের অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। এখন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

“দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে ফিরছি”, ভোট দিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটে সবার নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই প্রার্থীই বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।ভোটের শেষ লগ্নে মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে ঢোকার আগে তিনি জয়চিহ্ন দেখান এবং জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এবার তাঁর দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।ভোট দিতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালাচ্ছে। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটের মতো জায়গাতেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।ভোটের দিন সকালেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চেতলা এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পদ্মপুকুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বুথের সামনে গাড়ি থামিয়ে নেমে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, চাপের মুখে পড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সকালে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি না হলে এমনটা হতো না।এদিকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার ছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোট দিয়ে আবেগপ্রবণ রঞ্জিত মল্লিক! “এবারের ভোট খুব দুঃখের”—কেন বললেন এমন কথা?

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল টলিউডের বহু পরিচিত মুখকেও।টালিগঞ্জের গলফ ক্লাব রোডের বাঙুর হাইস্কুলে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বহু বছর ধরে নিয়ম করে ভোট দিয়ে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি জানান, প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি কখনও ভোট দেওয়া মিস করেননি। তাঁর কাছে ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার।তবে এবারের ভোট নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল তাঁর কথায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, তিনি সব সময় ভোট দেন এবং এটিই তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। কিন্তু এবারের ভোট তাঁর কাছে দুঃখের। তাঁর দাবি, অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত যেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভোট দিতে আসা কোয়েল মল্লিক বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভোট দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য সবার মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভোটের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি চান সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

‘সিংঘম’ বনাম ‘পুষ্পা’ বিতর্কে আগুন! শুভশ্রীর মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে নতুন করে শুরু হয়েছে সিংঘম বনাম পুষ্পা বিতর্ক। এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। সম্প্রতি তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার একটি ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে এসে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি নিজের আবাসনের বুথে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তাঁকে সিংঘম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি মনে করেন, সিংহ বা সিংঘম শেষ পর্যন্ত মা দুর্গার পায়ের তলাতেই থাকে। তাঁর কথায়, বাংলায় এমন এক শক্তি রয়েছে, যারই জয় হবে।তিনি সরাসরি কোনও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীও এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, বাংলাকে বারবার বদনাম করার চেষ্টা চলছে এবং তার জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে। তাঁর দাবি, ভোটের ফল বেরোলেই বোঝা যাবে কার সমর্থন বেশি।রাজ আরও বলেন, বাংলার সংস্কৃতি শান্তির এবং এখানে সেই পরিবেশই বজায় থাকবে। তিনি জানান, বাংলায় এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।এই বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে এবং ফলাফল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের দিন কালীঘাটে কড়া নিষেধাজ্ঞা! মন্দিরে গেলেই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন আপনি

ভোটের আর বেশি দেরি নেই। তার আগেই গোটা রাজ্যে কড়া প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তা জোরদার করতে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছে এবং আগেই সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কালীঘাট মন্দির এলাকাকে ঘিরেও বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। কালীঘাট মন্দির-এ প্রতিদিন বহু ভক্ত পুজো দিতে আসেন এবং লম্বা লাইনও দেখা যায়। তবে ভোটের দিন সেই চিত্র থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মন্দিরের সামনে বা আশেপাশে কোনও ধরনের জমায়েত করতে দেওয়া হবে না।কমিশন জানিয়েছে, কালীঘাট মন্দিরে অন্য বিধানসভা এলাকার মানুষ জমায়েত করতে পারবেন না। গোটা এলাকা থাকবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এবং নজরদারিও থাকবে সর্বক্ষণ। ভোটের দিন কেউ অন্য বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এখানে এলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হতে পারে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের দিনে এক বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার অন্য কেন্দ্রে যেতে পারেন না। কেউ যদি অন্য এলাকা থেকে কালীঘাটে আসেন, তা হলে নিরাপত্তার কারণে তাঁকে আটকে রাখা হতে পারে। এমনকি প্রয়োজন হলে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত বসিয়েও রাখা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি আসেন, তা হলে নিজের দায়িত্বেই আসতে হবে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 35
  • 36
  • ›

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

বুলেট থেকে ব্যালট, সন্ত্রাস থেকে স্বপ্ন: মাওবাদ দমনের ভারতীয় মডেল

পরিবর্তন২০০৯ সাল । কেন্দ্রে ইউ পি এ সরকার। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং লেফ্ট উইং এক্সট্রিমিজমকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সবচেয়ে বড় বিপদ বলে চিহ্নিত করেছিলেন। কিন্তু, মাওবাদী সন্ত্রাসকে দমন করা যায় নি। বছর ঘুরতেই ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়ারাতে মাওবাদী সন্ত্রাসের ভয়াবহ চেহারা দেখেছিল ভারতবর্ষ। মাওবাদী আক্রমণে সেদিন ৭৬ জন সিআরপিএফ জোয়ান নিহত হন। পরবর্তীতে সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে মাওবাদী সন্ত্রাস। দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদীদের আক্রমণে নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা উধাও হয়ে যায়। স্বাধীন দেশে যে সরকারি শাসন থাকে তা ওই সমস্ত অঞ্চলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে । ২০১৪ সালে দেশে রাজনৈতিক পালাবদল হয়। কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। ক্ষমতায় আসার পরেই মাওবাদী সন্ত্রাস সম্পর্কে জিরো টলারেন্স নীতি নেয় সরকার। মাওবাদী দমনে কৌশলগত নিরাপত্তায় আমূল পরিবর্তন আসায় ক্রমশ মাওবাদীরা কোনঠাসা হতে থাকে। অবশেষে ২০২৬ সালের ৩০ শে মার্চ সংসদের বাজেট অধিবেশনে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্ ঘোষণা করেন মাওবাদী সন্ত্রাস থেকে মুক্ত হয়েছে ভারত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণায় যে বিষয়গুলি স্পষ্ট হয় তা হলো, মাওবাদী সন্ত্রাস দমনে কোন কৌশলী নীতির প্রয়োজন ছিল । সেই নীতি সফলভাবে রূপায়ণের জন্য কতটা রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা প্রয়োজন ছিল। সেই দায়বদ্ধতার লক্ষ্য ছিল, মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যের সরকারের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক রঙ নির্বিশেষে রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে যৌথ কৌশল রচনা ও নিরাপত্তা অভিযানের সাফল্যকে সুসংগঠিত করে মাওবাদী দমনে সামনের দিকে এগিয়ে চলা। এই সু-সংহত, নিবিড় ও নিপুণ কৌশলী পরিকল্পনার ফলেই মাওবাদী সন্ত্রাসমুক্ত হয়েছে দেশ।সাফল্যের সুচনাঝাড়খন্ড, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশে, তামিলনাড়ু যেখানে যেখানে মাওবাদীরা ঘাঁটি গেড়েছিল সেখানে সেখানেই তাদের গতিবিধি সংকুচিত হতে থাকে। ক্রমশ তারা পালিয়ে কেন্দ্রীভূত হয় ছত্তিশগড়ে। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকারের সু- কৌশলী নিরাপত্তা অভিযানে সেখানেও সাফল্য আসতে শুরু করে। ছত্তিশগড়ে ২০২৪ সালে ২,৭৬২ জন মাওবাদী সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করে। ২০২৫ এর ৩০শে মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানান। ২০২৪ সাল থেকে দেশ জুড়ে ৪,৮৩৯ জন মাওবাদী সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। ২০২৪-২০২৬ এই দুবছরে ২,২১৮ জন মাওবাদী গ্ৰেফতার হয়। ২০২৫ সালে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদী সন্ত্রাস মুক্ত হবে ভারত। ২০১৩ সালে দেশে ১২৬টি জেলা ছিল মাওবাদী অধ্যুষিত। তথাকথিত রেড করিডোর বিছিয়ে ছিল ছত্তিশগড়, ঝাড়খন্ড, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশে, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং উড়িষ্যার কিছু কিছু অঞ্চলে। ২০২১ সালে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকার গভীরে ৪০৬টি নতুন সিআরপিএফ ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পরেই মাওবাদী দমন অভিযানে গতি আসে। একসময় এই এলাকাগুলোতে সরকারি প্রশাসনের উপস্থিতি না থাকায় আইনের শাসন ছিল না। ফলে ওই সমস্ত এলাকায় মাওবাদীরা সমান্তরাল প্রশাসন গড়ে তোলে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় ছত্তিশগড়ের বস্তারে। বস্তারে প্রায় ৪২,০০০ স্কোয়ার কিলোমিটার জায়গা জুড়ে মাওবাদীদের দাপট চলতে থাকে। কোর এলাকায় নতুন সিএপিফ ক্যাম্পের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকায় পাকা রাস্তা নির্মাণ, স্কুল স্থাপন এবং পাব্লিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম চালু হয়। রাস্তা তৈরি হওয়ায় খনির কাজেও গতি আসে। মাওবাদী অধ্যুষিত ছত্তিশগড়ের নারায়নপুর থেকে বিজাপুরের খনি উত্তোলনের দ্রব্য নিয়ে ট্রাক চলাচল শুরু হয়। মা একসময় কল্পনার বাইরে চলে গিয়েছিল। অতি দূর্গম ও অতি প্রান্তিক এলাকায় বাইরের জগতের এই টাটকা বাতাসের ঝলক পৌঁছতেই সেখানকার বদ্ধ জীবনেও আশা , আকাঙ্খা জাগতে শুরু করে। মাওবাদীদের দমবন্ধ করা পরিবেশ থেকে মুক্তির সম্ভাবনাও জোরালো হতে থাকে। পুনর্বাসন২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই কেন্দ্রীয় সরকার মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় ১৭,৫৮৯ কি মি রাস্তা তৈরি, ৩,৫০০০ মোবাইল টাওয়ার তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। অতিদ্রুত সেই কাজ এগোতে থাকে। রাস্তা এবং মোবাইল সংযোগ বিস্তারের ফলে নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচল ও পৌর এলাকায় পৌঁছনোর সুবিধা হয়ে যায়। এরফল পাওয়া যায় ২০২০ সাল থেকেই ছত্তিশগড় এলাকায় মাওবাদীদের অবাধ চলাচল বন্ধ হতে শুরু করে। ওই সময় থেকেই মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটি ও অন্যান্য কমিটির বৈঠক এর সংখ্যা কমতে থাকে। মাওবাদীদের দুর্বলতা এবং কোনঠাসা অবস্থা বিচার করে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্ ঘোষণা করেন, মাওবাদীদের সম্পর্কে সরকারের নীতি খুব পরিষ্কার। যারা সরকারের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করবে তাদের সঙ্গে কথা হতে পারে, কিন্তু, যারা বুলেটেই বিশ্বাস রাখবে তাদের উত্তর সরকার বুলেটেই দেবে । এরই পাশাপাশি, হিংসা ছেড়ে মূলস্রোতে ফিরলে তাদের জন্য পুনর্বাসন নীতি ঘোষণা করে সরকার। নীতি অনুযায়ী সমর্পন করলে ৫০,০০০ টাকা এবং অবিবাহিতা ও বিধবা মাওবাদী সদস্যা দের জন্য এক লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা বলা হয়। এছাড়াও অস্ত্র সহ সমর্পন করলে অস্ত্রের মান অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করে সরকার। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মাওবাদীদের সাধারণ সম্পাদক বাসব রাজুর মৃত্যুর পাশাপাশি এই পুনর্বাসন নীতির ফলে মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের সংখ্যা অতি দ্রুত বাড়তে থাকে।নতুন ভোরসম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্ সংসদে জানিয়েছেন, ভারতবর্ষ এখন মাওবাদ মুক্ত। মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নের একগুচ্ছ পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারের লক্ষ্য হলো, যে অনুন্নয়নকে হাতিয়ার করে মাওবাদীর প্রভাব বাড়িয়েছিল তা দূর করা, যাতে ভবিষ্যতে কোনোভাবে অন্য নামে, অন্য চেহারায় এই ভুল রাজনীতি আর ফেরার চেষ্টা না করতে পারে। সালিমা টেটে ও মমতা হাঁসদা, নাম দুটো আজ আমাদের অতিপরিচিত। সালিমা ঝাড়খন্ডের আর মমতা পশ্চিম মেদিনীপুরের আদিবাসী কন্যা। এখন প্রথমজন ভারতীয় মহিলা হকি দলের এবং দ্বিতীয় জন ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের অতি গুরুত্বপূর্ণ সদস্যা। দুজনেই প্রমাণ করেছেন জঙ্গল, পর্বত ঘেরা প্রত্যন্ত জায়গায় সুযোগ পৌঁছলে কি হতে পারে। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনায় ওই সব অঞ্চলে উন্নয়নের ধারায় স্কুল, কলেজ, ক্রীড়া কেন্দ্র, মুক্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা, নিবিড় ঘরকন্না ও গর্বিত জীবনবোধ ছড়াতে থাকলেই সন্ত্রাস, হিংসা শেষ করে যে নতুন ভোর এসেছে তার আলো অন্ধকার দূর করে এগোতে থাকবে।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

চশমা ভেঙে চোখে আঘাত! শোভনের গাড়িতে মিন্টোপার্কের হাসপাতালে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

সোনারপুরে হামলার ঘটনার পর চিকিৎসার জন্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পরে তাঁকে মিন্টো পার্ক এলাকার আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাঁকে দেখতে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সোনারপুরে বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়েন অভিষেক। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতো ছোড়া হয়। সেই ঘটনায় তাঁর চশমা ভেঙে যায় এবং চোখে আঘাত লাগে বলে জানা গিয়েছে।প্রথমে বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। চিকিৎসকদের কাছে অভিষেক জানান, চোখে আঘাত লাগার পাশাপাশি শরীরের একাধিক জায়গাতেও চোট পেয়েছেন তিনি। চিকিৎসকরা প্রথমে তাঁর চোখের পরীক্ষা ও চিকিৎসা করেন। পরে অন্যান্য শারীরিক পরীক্ষাও করা হয়।অভিষেকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে অন্য হাসপাতালে যাওয়ার সময়ও অভিষেককে কিছুটা ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে।দুই হাজার পনেরো সালের পাঁচ জানুয়ারি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে একটি কর্মসূচিতে তাঁকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে। দুই হাজার তেইশ সালের ছাব্বিশ মে ঝাড়গ্রামে কুড়মি বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। একই বছরের চার অক্টোবর দিল্লিতে আন্দোলনের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে পুলিশ সরিয়ে নিয়ে যায়। ত্রিপুরাতেও একবার তাঁর কনভয় দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।সোনারপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হামলার ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা।

মে ৩০, ২০২৬
দেশ

অভিষেকের উপর হামলায় সরগরম দেশ! খাড়্গে-অখিলেশের বিস্ফোরক বার্তায় চাপে বিজেপি?

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার জাতীয় রাজনীতিতেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সোনারপুরের ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হওয়ার পাশাপাশি সরব হয়েছে ইন্ডিয়া জোটের নেতারাও। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব প্রকাশ্যে এই ঘটনার নিন্দা করেছেন।সামাজিক মাধ্যমে মল্লিকার্জুন খাড়্গে লিখেছেন, সোনারপুরে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তাঁর দাবি, অভিষেক ভোট-পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করা প্রতিহিংসার রাজনীতিরই উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।খাড়্গে আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত সব বিরোধী দলের নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনও হিংসার কারণ হতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি দাবি করেন, এত সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা না থাকা গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাঁর কথায়, ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।এদিকে আগামী ছয় জুন ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। রাজনৈতিক সূত্রের খবর, সেই বৈঠক নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় স্তরে বিরোধী শিবির আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে পারে। ইন্ডিয়া জোটের আসন্ন বৈঠকের আগে এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ওপরের নির্দেশে অভিষেকের চিকিৎসা হচ্ছে না! বিস্ফোরক অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সোনারপুরে হামলার ঘটনার পর চিকিৎসার জন্য বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে সেখানে ঠিকমতো চিকিৎসা করা হচ্ছে না বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, উপর মহল থেকে নির্দেশ আসার কারণেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।হাসপাতাল থেকে অভিষেককে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বলেন, আমরা এখান থেকে নিয়ে যাচ্ছি। এখানে চিকিৎসা হচ্ছে না। উপর থেকে বলে দেওয়া হয়েছে চিকিৎসা না করতে। একই অভিযোগ তিনি একাধিকবার করেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়।এরপর হাসপাতাল থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বের করে আনা হয়। তাঁকে বেশ ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল। ধীরে ধীরে গাড়িতে ওঠেন তিনি। গাড়িতে তাঁর পাশে বসেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। গাড়িতে বসে ঘাড়ে হাত বুলিয়ে নিতে দেখা যায় অভিষেককে। তারপর তাঁকে নিয়ে অন্য একটি হাসপাতালে রওনা দেয় গাড়ি।এর আগে সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়, ধাক্কাধাক্কি করা হয় এবং তাঁর জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়। হামলার পরেও তিনি নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেন।সেই সময় অভিষেক বলেন, ওরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক। আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। সোনারপুরের এই ঘটনা নিয়ে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শুধু উচ্চ আদালত নয়, প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ আদালতেও যাব।পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিষেককে নিরাপদে সেখান থেকে বের করে আনে। এরপর তাঁকে চিকিৎসার জন্য বাইপাস সংলগ্ন বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরই চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মে ৩০, ২০২৬
রাজ্য

কালো পতাকা, ‘চোর-চোর’ স্লোগান, তারপর ডিম! সোনারপুরে অভিষেককে ঘিরে চাঞ্চল্য

সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ ও হেনস্থার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কালীঘাট থেকে সোনারপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকেই তাঁর কনভয় ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।কামালগাজি এলাকায় সিগন্যালে অভিষেকের কনভয় দাঁড়াতেই কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ তাঁর গাড়ির সামনে এসে কালো পতাকা দেখান। এরপর শুরু হয় চোর-চোর স্লোগান। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এরপর সোনারপুরে যে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে অভিষেক যাওয়ার কথা ছিল, সেই এলাকার রাস্তায় বহু মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন। স্থানীয়দের একাংশকে ডিম প্রস্তুত রাখার কথাও বলতে শোনা যায় বলে অভিযোগ।পরে গাড়ি থেকে নেমে বাইকে করে ওই কর্মীর বাড়ির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তিনি হেলমেট পরেন। তবে ভিড়ের কারণে কিছু দূর যেতেই বাইক আটকে যায়।সেই সময় আচমকাই অভিষেককে লক্ষ্য করে পরপর ডিম ছোড়া শুরু হয়। ঘটনাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে উস্কানিমূলক মন্তব্যও করা হয়।অভিযোগ, পরে ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনাও ঘটে। এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামা ছিঁড়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত তাঁকে ঘিরে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দেখুন। আমি হাইকোর্টে যাব। পুলিশের কোনও নিরাপত্তা নেই। এখানে ইট, পাটকেল, ডিম ছোড়া হচ্ছে। আমি ব্রাহ্মণ সন্তান, আমি কি বাংলাদেশি?ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জামা ছিঁড়ে দিল বিক্ষোভকারীরা, সঞ্জুর বাড়িতে বসেই হাইকোর্টে যাওয়ার ঘোষণা অভিষেকের

সোনারপুরে মৃত তৃণমূল কর্মী সঞ্জুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, কর্মসূচির কথা আগেই পুলিশকে জানানো হয়েছিল এবং ই-মেলও করা হয়েছিল। তবু ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী ছিল না।সঞ্জুর বাড়িতে পৌঁছনোর পথে অভিষেককে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতো ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভের মাঝে ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনাও ঘটে। সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যে তাঁর জামা ছিঁড়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।সাদা জামায় ডিমের দাগ নিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অভিষেক। তিনি বলেন, ওরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক। আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। আমি সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে ছেড়ে যাব না, যতক্ষণ না বাহিনী এসে আমাকে উদ্ধার করছে।তিনি আরও বলেন, আমি চাইলে এখান থেকে বেরিয়ে যেতে পারি। কিন্তু আমি চলে গেলে সঞ্জুর বাবা-মায়ের উপর অত্যাচার হতে পারে। তাই বাহিনী না আসা পর্যন্ত আমি এখানেই থাকব।ঘটনার জন্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, আগে থেকে সব জানানো সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়নি।সোনারপুরের এই ঘটনা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান অভিষেক। তিনি বলেন, এই ঘটনার দিকে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শুধু উচ্চ আদালত নয়, প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ আদালতেও যাব। দরকার হলে নিজেই আবেদনকারী হিসেবে মামলা করব। সংবিধান আমাকে সেই অধিকার দিয়েছে।ঘটনাস্থলে অভিষেকের সঙ্গে মাত্র দুজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তাঁদের দাবি, অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কোনও রকমে তাঁকে নিরাপদে সঞ্জুর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। পরে সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতেই স্থানীয় থানার আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর আবেদন করা হয়।পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মে ৩০, ২০২৬
রাজ্য

‘আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক!’ সোনারপুরে হামলার পর বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

সোনারপুরে মৃত তৃণমূল কর্মী সঞ্জুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, কর্মসূচির কথা আগেই পুলিশকে জানানো হয়েছিল এবং ই-মেলও করা হয়েছিল। তবু ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী ছিল না।সঞ্জুর বাড়িতে পৌঁছনোর পথে অভিষেককে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতো ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভের মাঝে ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনাও ঘটে। সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যে তাঁর জামা ছিঁড়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।সাদা জামায় ডিমের দাগ নিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অভিষেক। তিনি বলেন, ওরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক। আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। আমি সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে ছেড়ে যাব না, যতক্ষণ না বাহিনী এসে আমাকে উদ্ধার করছে।তিনি আরও বলেন, আমি চাইলে এখান থেকে বেরিয়ে যেতে পারি। কিন্তু আমি চলে গেলে সঞ্জুর বাবা-মায়ের উপর অত্যাচার হতে পারে। তাই বাহিনী না আসা পর্যন্ত আমি এখানেই থাকব।ঘটনার জন্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, আগে থেকে সব জানানো সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়নি।সোনারপুরের এই ঘটনা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান অভিষেক। তিনি বলেন, এই ঘটনার দিকে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শুধু উচ্চ আদালত নয়, প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ আদালতেও যাব। দরকার হলে নিজেই আবেদনকারী হিসেবে মামলা করব। সংবিধান আমাকে সেই অধিকার দিয়েছে।ঘটনাস্থলে অভিষেকের সঙ্গে মাত্র দুজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তাঁদের দাবি, অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কোনও রকমে তাঁকে নিরাপদে সঞ্জুর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। পরে সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতেই স্থানীয় থানার আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর আবেদন করা হয়।পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কার সই কে করল? তৃণমূলের অন্দরে বাড়ছে সন্দেহ, তদন্তে নেমেছে সিআইডি

তৃণমূলের পরিষদীয় দলনেতা, উপনেতা এবং মুখ্যসচেতক নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া সমর্থনপত্রে সই নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কার সই কে করেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যেমন চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে, তেমনই তৃণমূলের অন্দরেও বাড়ছে অস্বস্তি।বিধানসভার পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই তদন্তের গতি বাড়ে। বৃহস্পতিবার রাতেই একাধিক বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে যান সিআইডি আধিকারিকরা। তাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের স্বাক্ষর যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা।তদন্তের অংশ হিসেবে চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলামের বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। শুক্রবার সকালে বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতেও পৌঁছয় সিআইডির একটি দল।বাহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্তকারীরা তাঁকে ৬ মে তিনি কোথায় ছিলেন তা জানতে চান। তিনি জানান, সেদিন তিনি নিজের এলাকায় ছিলেন এবং কোনও বৈঠকে যোগ দেননি। তাঁকে একটি নথিতে থাকা সই দেখানো হলে তিনি দাবি করেন, সেটি তাঁর স্বাক্ষর নয়। এই বক্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।তৃণমূলের প্রবীণ নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, কোনও বেআইনি কাজকে সমর্থন করা হবে না। তাঁর বক্তব্য, বাহারুল ইসলাম যে স্বাক্ষরটি দেখেছেন, সেটিকে তিনি নিজের সই বলে স্বীকার করেননি।অন্যদিকে তাপস মাইতি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট নথিতে থাকা স্বাক্ষরটি তাঁরই। ফলে একই ঘটনায় দুই ধরনের বক্তব্য সামনে আসায় তদন্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এদিকে বোলপুরে গিয়ে বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার স্বাক্ষরের নমুনাও সংগ্রহ করেছে সিআইডি। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে ছোট এবং বড় হরফে তাঁর একাধিক নমুনা সই নেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণের সময় চন্দ্রনাথ সিনহা বাংলায় স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের সমর্থনপত্রে তাঁর নামে অন্য ভাষায় স্বাক্ষর রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সব মিলিয়ে সই বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষেরও। সিআইডির তদন্তে আগামী দিনে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal