• ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengali

বিনোদুনিয়া

Radio : 'রেডিও'-র শুটিং শুরু হল, মুখ্য চরিত্রে প্রিয়াঙ্কা সরকার

পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিকের নতুন ছবি রেডিও। যেখানে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারকে। এই ছবিতে একজন মানুষের সঙ্গে একটি রেডিওর সম্পর্ক কে তুলে ধরা হবে। অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের কাছেও এই ছবিটি খুব স্পেশ্যাল। এই ছবিতে বাকী চরিত্র কারা রয়েছেন সেটা এতদিন সাসপেন্সে ছিল। এবার সেই সাসপেন্সটা আর সাসপেন্স থাকল না। বাকী চরিত্রগুলোর নামও ঘোষণা করে দিলেন পরিচালক। এই ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন ঈশান মজুমদার, ধানি বোস, সুমনা চ্যাটার্জী, মোমো, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গীত পরিচালনা করবেন সৌম্য ঋত। নাম ঘোষণার পরেই শুটিং-ও শুরু হয়ে গেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও পোস্ট করেছেন অভিনেতা ঈশান মজুমদার।

জুলাই ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mainak :মৈনাকের পরবর্তী ছবিতে মিমি, প্রযোজক সম্পূর্ণা

পরিচালক মৈনাক ভৌমিকের নতুন ছবি আসতে চলেছে। এই ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন টলিউডের অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। ছবির নাম মিনি। এই প্রথমবার পরিচালক মৈনাকের সঙ্গে কাজ করা নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিমি। তবে মৈনাকের মিনিতে রয়েছে আরও একটি চমক। এই ছবি দিয়েই ছবি প্রযোজনায় পা দিতে চলেছেন অভিনেত্রী সম্পূর্ণা লাহিড়ী! তাঁর সঙ্গে থাকছেন প্রযোজক রাহুল ভঞ্জ।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিমিমি চক্রবর্তী বর্তমানে রিচালক অরিন্দম শীলের নতুন ছবি খেলা যখন-এর শুটিংয়ে ব্যস্ত। এই ছবির শুটিংয়ের পরই মৈনাকের মিনি ছবির শুটিং শুরু হবে। প্রযোজক রাহুল ভঞ্জের কথায়, করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের মাত্রা বুঝেই এই ছবির শুটিংয়ের বন্দোবস্ত করা হবে।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারপ্রযোজক হিসাবে নতুন জার্নি শুরু করতে চলা সম্পূর্ণা লাহিড়ী বেশ উচ্ছ্বসিত। তার সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোস্টই যার প্রমাণ করে দিচ্ছে। এখন শুটিং শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে পুরো ইউনিট।

জুলাই ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Web Series : ক্লিকে শীঘ্রই আসছে ওয়েব সিরিজ কালিম্পং ক্রাইমস

কালিম্পং ক্রাইমস মূলত একটি সিনেমা তৈরির শুটিং-এর গল্পের প্রেক্ষাপটে, অন্তর্নিহিত আর একটি গল্প। রোমহর্ষক ষড়যন্ত্র, ধারাবাহিক খুন ও তার সুত্র অনুসন্ধান মূলক সিরিয়াল কিলিং- এর তদন্ত কাহিনী। গল্পের সূত্রপাত, একটি সিনেমার শুটিং দলের কালিম্পং পৌঁছানো নিয়ে। মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যে ঘেরা কালিম্পংয়ের কুয়াশাচ্ছন্ন ডেলোতে একটি পুরানো ব্রিটিশ ট্যুরিস্ট লজ গল্পটির প্রাণকেন্দ্রে। যেখানে প্রখ্যাত অভিনেতা এবং কলাকুশলী সহ একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ইউনিট এসে পৌঁছায়। আর সেখানেই একে একে মূল গল্পের বিভিন্ন চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ কৌতূহলজনকভাবে চোখে পড়ে।এই দলে ২ জন নায়িকা, একজন লম্পট প্রযোজক, প্রযোজকের এক বদবখাটে ভাই, একজন কেতাদূরস্ত নায়ক, একজন বেপরোয়া সিনেমাটোগ্রাফার, একজন বদ-মেজাজী পরিচালক, একজন ম্যানেজার, একজন স্ক্রিপ্ট লেখক, একজন খলনায়ক ও ২ জন সহকারী পরিচালক রয়েছেন, যাদের চরিত্র এবং বৈশিষ্ট্যগুলি একে একে গল্পে দেখানো হয়। এরই সাথে এক বিচিত্র ডাক্তার রায়চৌধুরী এসে ডেলোয় পৌঁছন, যার পুরোনো দিনের অস্ত্র সংগ্রহের একটি বিশেষ শখ রয়েছে।শুরুতেই উত্তেজনার পারদ কিঞ্চিৎ বেড়ে যায়। নায়ক রাহুলকে গল্পের ভেতরে তৈরি হওয়া ছবির দুই অভিনেত্রীর সাথে, আমরা পৃথক সময়ে ঘনিষ্ট কীর্তিকলাপে লিপ্ত হতে দেখতে পাবো। প্রযোজক দয়াল এবং সায়রা নামে একজন অভিনেত্রীর মধ্যেও কুৎসিত বিবাদ শুরুর আভাস দেখতে পাওয়া যাবে, যেখানে প্রযোজক তার উপর যৌন নির্যাতন করতে উদ্যত হন। এরপরেই দুই নায়িকা, মল্লিকা এবং সায়রা আক্ষরিক অর্থেই একে অপরকে তীব্র হুমকি দিতে থাকেন। তাদের দুজনের প্রেম বা ঘৃণার ব্যাক্তি কি এক?সেই রাতেই সায়রা এক ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হয়। ঘটে যায় তার অস্বাভাবিক মৃত্যু। যদিও স্থানীয় পুলিশ প্রাথমিক ভাবে এই ঘটনাটিকে একটি আত্মহত্যার মামলা হিসাবে তুলে ধরে। আর হটাৎ করেই এই অপরাধের ঘটনাস্থলে, নিহারিকা সেন নামে একজন গোয়েন্দার আবির্ভাব হয়। এবং তিনি পুনরায় এই হত্যা মামলার তদন্ত শুরু করেন। জমে ওঠে গল্পের প্লটটি। আশঙ্কাজনক ভাবে বোঝা যায় যে, ইউনিটের যে কেউ, আততায়ীর পরবর্তী শিকার হতে পারে! এইভাবে গল্পটি এগোতে থাকে। এই ওয়েব সিরিজের পরিচালক তপন সাহা।

জুলাই ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Saayoni Ghosh : অনীক দত্তের সিনেমায় বিমলা রায়ের চরিত্রে সায়নী ঘোষ

বর্তমানে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। অভিনয়ের জন্য যথেষ্ট ব্যস্ততা রয়েছে তার। এর মধ্যেই শুটিং ফ্লোরে ফিরলেন তিনি। অনীক দত্তের পরবর্তী ছবি অপরাজিততে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। চরিত্রের নাম বিমলা রায়। যে চরিত্রটি তৈরি করা হবে বিজয়া রায়ের ছায়ায়।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএর আগেও অনীক দত্তের সঙ্গে কাজ করেছেন সায়নী। ফলে দুজনের মধ্যে বোঝাপড়াটা বেশ ভাল। এই ছবিতে আবীর চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে দেখা যাবে তাকে। ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে। সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ উপলখ্যে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এই ছবির নির্মাণ করছেন অনীক দত্ত। ফ্রেন্ড কমিউনিকেশন এই সিনেমার প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে। ছবির ঘোষণা অনেক আগেই হয়েছিল। অতিমারির জন্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে কাজ এগোয়। এবার শুধু শুটিং শুরুর অপেক্ষা।

জুলাই ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ogo Nirupama : শেষ হল ওগো নিরুপমার শুটিং

সরকার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ওগো নিরুপমার শুটিং শেষ হল। বেশ কয়েকমাস ধরে চলা এই জনপ্রিয় ধারাবাহিকের শুটিং শেষ হওয়ার পর একটু হলেও দুঃখ রয়েছে কলাকুশলীদের মধ্যে। নতুন একটি মেগাতে আবার তাদের দেখা যাবে। এই ধারাবাহিকে অভিনয় প্রসঙ্গে অনুজিৎ সরকার অর্থাৎ ধারাবাহিকের হ্যারি জানালেন,গল্পটা খুব সুন্দরভাবে শেষ হল। গল্পটায় একটা হ্যাপি এন্ডিং দেখানো হয়েছে। গতকাল শেষদিনে সবাই উপস্থিত ছিল। এই হ্যারি চরিত্রটা করতে গিয়ে আমার অন্য একটা এক্সপিরিয়েন্স হয়েছে। এই চরিত্রটার মাধ্যমে আমার ইন্ডাস্ট্রিতে একটা পরিচয় হয়েছে। যে আমিও এই ইন্ডাস্ট্রির একটা পার্ট। হ্যারি চরিত্রটা অনুজিৎকে অনুজিৎ হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। দর্শকরা আমাকে নেগেটিভ চরিত্র হিসাবেই অ্যাকসেপ্ট করেছে অনেক অনেক ভালোবাসা দেখিয়েছে। অনেকে বলেছেন হ্যারিকে চিরকাল মিস করবো। ১০ মাস সিরিয়ালটা চলেছে তার মধ্যে ৬ মাস হ্যারি ছিল। কো অ্যাক্টর, অ্যাকট্রেস, ডিরেক্টোরিয়াল টিম সবাই খুব ভালো ছিল। ওগো নিরুপমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর এবার নতুন ধারাবাহিকের মাধ্যমে ফিরতে চলেছেন অনুজিৎ।

জুলাই ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Uttam-Manna: মহানায়ক উত্তম কুমার ও মান্না দে বাংলার সিনেমার 'আমি যামিনী তুমি শশী '

সিনেমা / ছায়াছবি যে দিন নির্বাক থেকে সবাক হল প্রায় তখন থেকেই ছবির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জুড়ে গেল গান। সঙ্গে এটাও বোঝা গেল গানও একটা ছায়াছবিকে একক ভাবে জনপ্রিয় করতে পারে। ছবি শেষ হলেও গানের রেশ দর্শকের কানে বাজতে থাকে। তাঁদের মুখে মুখে ঘুরে বেড়ায়। ফলে সিনেমার নাম অনেক সময় ভুলে গেলেও, আমরা গান দিয়ে তাঁকে খুঁজতে চেষ্টা করি।আমি কেবল মান্না দে-র গান শুনি। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মোঃ রফি একবার তাঁর ভক্তদের বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন মান্না দে মুম্বাই তথা বলিউড প্লেব্যাক জগতের প্রাণ এবং ১০০ বছর পরেও মানুষের মনে সেই স্থানেই তিনি থাকবেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নিয়মিত চর্চার সঙ্গে সঙ্গে গলার অসাধারন সুর, বহুমুখী গান করার দক্ষতা তাঁকে কিংবদন্তি গায়কের স্থানে বসিয়ে রেখেছে।রাজকাপুর-মুকেশ, অমিতাভ- কিশোর, শশী কাপুর-মঃ রফি এরকম অনেক অভিনেতা গায়কের জুটির নাম জানা যায়। সেই রকমই, তৎকালীন সময়ে মহানায়ক উত্তম কুমারের ঠোঁটে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গান ছিল সমার্থক। তাঁদের এমনই বোঝাপড়া ছিলো কখনই বোঝা যেত না উত্তমকুমার হেমন্তর গানে লিপ দিচ্ছেন। এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ছাড়া অন্য কোনও শিল্পীর গাওয়া গানে মহানায়ক স্বচ্ছন্দ বোধও করতেন না, একথা তিনি অনেক সাক্ষাতকারে বলেছেন। সেই মহানায়কের লিপে এবার ভাবা হল অন্য শিল্পীর গান।বাংলা সিনেমায় মান্না দের প্রবেশ এবং তাও মহানায়ক উত্তম কুমারের লিপে গান সেটা বেশ আকর্ষণীয়। ১৯৬৬ তে উত্তম কুমার অভিনীত শঙ্খবেলার সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত যখন মান্না দে-কে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, তখন সকলেই প্রায় হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। মান্না দে হেঁসে বললেন এটা একটা বিপর্যয় ছিল। প্রযোজক ও পরিবেশক বলেছিলেন, অসম্ভব। এই গান হেমন্তকে দিয়েই করাতে হবে। পরিচালক অগ্রদূত ও সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত অনড় ছিলেন। অবশেষে সবাই নিমরাজি হয়ে সহমত হলেন। ছবিতে আরেক মহান শিল্পী কিন্নর কন্ঠী লতা মঙ্গেশকরও গান গেয়েছিলেন। সঙ্গীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত মুম্বাই গিয়ে দেখলেন সমস্ত রেকর্ডিং স্টূডিও ব্যস্ত। অনেক টালবাহানার পর সঙ্গীত পরিচালক নৌসাদজি কে অনুরোধ করে কোনওরকমে দিন ঠিক করলেন। মেহবুব স্টূডিওতে মাত্র একটা রিহার্সাল করে প্রথম টেকেই তৈরি হল ইতিহাস। আর কে না জানে কত বড় হিট গান তৈরি হল কে প্রথম কছে এসেছি...! মান্না দে-র কন্ঠের নিখুঁত রোম্যান্টিক ফ্লেবার বাঙ্গালি সিনেমা ও সঙ্গীত প্রেমিদের মোহিত করে দিল। এক অন্য অধ্যায় শুরু হল।সবাই শঙ্খবেলা সিনেমায় প্রথমবার উত্তমের মুখে মান্নার গলায় গানের কথা জানলেও,আসলে মহানায়কের মুখে মান্নার প্রথম গান ১৯৫৯ এ গলি থেকে রাজপথ সিনেমায়। যদিও শঙ্খবেলা আগে মুক্তি পাওয়ায় এটিকেই প্রথম গান বলে সবাই জানে।মান্না দের তাঁর একটি সাক্ষাতকারে একবার বলেছিলেন, আমার মনে আছে আমি যখন উত্তমের হয়ে প্রথম গান করি সেটি ছিল বাংলা সিনেমা গলি থেকে রাজপথ। ১৯৫৯ সালে সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত আমাকে লাগ লাগ ভেলকির খেলা গানটি করান। উত্তমের কণ্ঠস্বর হিসাবে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যে স্তরে পৌঁছেছিলেন আমি সে স্তরে পৌঁছতে পারব কিনা তা নিয়ে আমার যথেষ্ঠ সন্দেহ ছিল। সর্বোপরি তিনি ছিলেন উত্তম কুমারের ঘোস্ট ভয়েস। তবে আমি উত্তমবাবুর জন্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গির গানগুলি করার পরে উত্তম আমায় বলেছিলেন, আপনি এই গানগুলিতে আমার কণ্ঠস্বর যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন তা অন্য কোনও গায়কই দিতে পারেননি। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং আপনার মধ্যে কোনও তুলনা হতে পারে না, কারণ আপনারা দুজনেই নিজের মতো করেই দুর্দান্ত। উত্তমকুমার, সুধীন দাশগুপ্ত এবং মান্না দে, এই ত্রয়ীর বহু সিনেমার গান বাঙ্গালির মনে রেশ রয়ে গেছে, যেমন - কোখনো মেঘ (১৯৮৬; এক দুই তিন), মঞ্জরি অপেরা (১৯৭০ মরন তোমার হার), ছদ্মবেশী (১৯৭১ আমি কোন পথে যে চলি, বাঁচাও কে আছো মরেছি যে প্রেম করে), হার মানা হার (১৯৭২ এসেছি আলাদিন, এসেছি আমি এসেছি) এবং আরও অনেক কাল জয়ী গান।তাঁদের জুটিতে প্রথম রিলিজ হওয়া সিনেমা শঙ্খবেলা সুপারহিট হল। গানগুলি মানুষের মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। কিন্তু সিনেমা পাড়ায় বহু মানুষ মহানায়কের কানে কানে বলতে থাকলেন মান্না দেকে দিয়ে গান করালে আপনার ছবি আর হিট হবে না। পরের ছবিতে সুরকার অনিল বাগচি। আদ্যন্ত হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় ঘরানার সুরকার বাগচি, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিভিন্ন রাগ রাগিণীকে লঘু সঙ্গীতের উপযুক্ত করে ছোটো ছোটো গলার কাজ রেখে তৈরি করা তার সুর শুনে আপামর জনতা ধন্য ধন্য করে উঠল।এর মধ্যে একদিন সকালে মুম্বাইয়ে গান রেকর্ডিং-এর উদ্দেশ্যে মান্না দে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। দেখেন উল্টোদিকের রাস্তায় কানে হেডফোন লাগিয়ে একটা ওয়াকম্যান নিয়ে উত্তমকুমার প্রাতঃভ্রমন করছেন। মান্না দেকে দেখে উত্তম হেঁসে বলে উঠলেন এতে আপনার গানই বাজছে। গানগুলিতে যে ছোট ছোট কাজ লাগিয়েছেন গলায়, তাতে একেবারেই ফেঁসে গেছি, সারাদিন শুনে শুনে শুধু গেয়েই যাচ্ছি, কিন্তু কিছুতেই যেন ঠিকঠাক করতে পারছি না মান্না দে শুনে আবাক! পরে এক সাক্ষাতে বলেছিলেন একজন মানুষের ডেডিকেশন কোন উচ্চতায় থাকলে তবে একটা উত্তমকুমার হওয়া যায়। সেই আরব সাগরের তীরে প্রাতঃভ্রমন কালীন অভ্যাস করা গান বাংলা সিনামার এক যুগান্ত সৃষ্টি করল। ছবি, গান ও উত্তমের অভিনয় অবিস্মরণীয়। ছবিটি ছিল অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি। এরপরে বিমল কর পরিচালিত স্ত্রী সিনেমা-তে উত্তম ও সৌমিত্র দুই মহারথী অভিনয় করেছিলেন। মজার ব্যপার উত্তমের গলায় মান্না আর সৌমিত্রর লিপে হেমন্ত গান গেয়েছিলেন। উত্তমের লিপে মান্না দের গাওয়া ঝাড়বাতি র গৌরব বর্ণনা করে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা সাবার মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। উত্তম আর সৌমিত্রর পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা দুটি ছবিতেই সুরকার নচিকেতা ঘোষ এবং গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার। মজার ব্যাপার, গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার স্ত্রী সিনেমা-তে যে ঝাড়বাতির মহিমা বর্ণনা করে লিখলেন হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা - রাত কে যে দিন করেছে গাইলেন মান্না দে, পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা তে সেই গীতিকার লিখলেন ভালবাসার আগুল জ্বালাও - ওই ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও এই গানও গাইলেন সেই মান্না দে।গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার একবার শচীন দেব বর্মনের জন্য একটা গান লিখলেন, যেকোনও কারনেই সেই গান আর তাঁকে দিয়ে গাওয়ানো যায়নি। তিনি পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়কে গিয়ে বললেন সে কথা। গানটা দেখালেন। অরবিন্দবাবু তাঁকে বলেন, এই গান উত্তমের গলায় দারুন মানাবে, তিনি জানালেন ওই গান তাঁর ছবিতে ব্যবহার করবেন। গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার তাঁকে বললেন, গানে অনেক নাটকীয়তা আছে অভিনেতা এবং গায়ককেও গানের মধ্যে অভিনয় করতে হবে। অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় গৌরিপ্রসন্নকে জানালেন, এই গানের সুর করবে নচিকেতা ঘোষ আর গান গাইবে মান্না দে। ছবির নাম নিশিপদ্ম, গানটা না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না। বলাবাহুল্য ছবিতে উত্তম-মান্নার এক অনবদ্য যুগলবন্দী সাক্ষী থাকলো জনতা। এই ভাবেই শুরু হয়ে গেলো উত্তম-মান্নার জয়যাত্রা। যার আবেশে শুধু আপামর দর্শক নয় মজে ছিলেন শিল্পী, অভিনেতা, কলাকুশলী সকলে।মান্না দে এবং উত্তম কুমার জুটিতে ৫৪ টি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। তিনি অন্যান্য সংগীত পরিচালকদের জন্যও বহু গান গেয়েছিলেন এবং সে গানও সমান জনপ্রিয় ছিল। মান্না-উত্তম জুটির শ্রেষ্ঠ সিনেমাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি (অমি যে জলসাঘরে বা আমি যামিনী তুমি শশী হে), নিশিপদ্ম (১৯৭০, সংগীত পরিচালক নচিকেতা ঘোষ, না না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না বা যা খুশি ওরা বলে বলুক), আলো আমার আলো (১৯৭২, সংগীত: পবিত্র চ্যাটার্জী, এই এতো আলো, এতো আকাশ), মৌচাক (পাগলা গারদ কোথায় আছে), দেবদাস (১৯৭৯, সংগীত পরিচালক জগন্ময় মিত্র ও কালিপদ সেন, শাওন রাতে যদি)। মান্না দে এবং উত্তম কুমারের যুগলবন্দি আগামী ১০০ বছরেও পুরনো হবে না!

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Om Sahani : ওয়েব সিরিজে অভিষেক হচ্ছে ওম সাহানির, নাম নিশাচর

নতুন ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ডিজিপ্লেক্সের হাত ধরে প্রথম ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ হল অভিনেতা ওম সাহানির। ওয়েব সিরিজের নাম নিশাচর। যেটি একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বাংলা মেগার জনপ্রিয় অভিনেতা সুব্রত গুহ রায়। ওম ছাড়াও এই ওয়েবে অভিনয় করবেন উষসী রায়, তরঙ্গ সরকার, সন্দীপ ভট্টাচার্য প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ কত বেতন পান অনুষ্কার দেহরক্ষী?ডিজিপ্লেক্সের অফিসেই এই ওয়েব সিরিজের শুভ মহরৎ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। পরিচালক জানালেন এই ওয়েব সিরিজটি আপাতত ৬টি পর্বে ভাগ হবে। পরে মনে হলে পর্ব সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। উষসী রায় জানালেন তার চরিত্রে অনেক শেডস রয়েছে। শুটিং এর আগে কিছু ওয়ার্কশপ হবে বলে তিনি জানালেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীটাকি টেলস-এর পর এটা তার দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ। অভিনেতা তরঙ্গ সরকার জানালেন,ভালো কাজ করতে গেলে তো একটা উত্তেজনা থাকে। সেটাই রয়েছে। ভালো করার চেষ্টা করছি। সন্দীপ ভট্টাচার্য জানালেন,চরিত্রের নাম কোকো। খুব অদ্ভুত রকমের একটা চরিত্রে আমি কাজ করতে চলেছি। বাচ্চুদা আমাকে যখন গল্পটা শুনিয়েছিল অনবদ্য একটা গল্প। আমার চরিত্রটা নিয়ে বেশি কিছু বলব না। এই চরিত্রটা থেকেই ছবিটা শুরু হচ্ছে। এই চরিত্রটার পেছনেই পুরো তদন্ত চলছে। অনেক কিছু হচ্ছে। বাকীটা আর বলবো না। তাহলে দর্শকরা কৌতুহল হারিয়ে ফেলবে।আগামী মাসে শুরু হবে এই ওয়েবের শুটিং। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং হবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Priyanka: প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে 'মন-খারাপ' শেয়ার করবেন পাভেল!

অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য বাবলির সঙ্গে মন-খারাপ শেয়ার করবেন পাভেল। ব্যাপারটা শুনতে কেমন একটা লাগছে। কিন্তু এটাই হতে চলছে। কারণ পাভেলের আগামী ছবি মন-খারাপ-র একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে প্রিয়াঙ্কা কে। আগামী ২৩ জুলাই থেকে শুটিং শুরু করবেন প্রিয়াঙ্কা। কাজটা চলবে আগস্টের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত। তার মধ্যে পুরুলিয়াতে আউটডোরও রয়েছে। এই ছবিতা প্রায় ১১টি ভিন্ন চরিত্রে রয়েছে প্রিয়াঙ্কা।সোশ্যাল মিডিয়াতে পাভেলের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন প্রিয়াঙ্কা। ক্যাপশনে লিখেছেন,আমি জানিনা কীভাবে তোমাকে ধন্যবাদ জানাবো, কিন্তু এটা বলতে পারে এই প্রোজেক্টের জন্য নিজের সেরাটা দেব।এই ছবিতে একজন সাইকোলজিস্টের চরিত্রে দেখা যাবে অঙ্কুশকে। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে রয়েছে কৌশিক সেন, ঋদ্ধি সেন, অপরাজিতা আঢ্য, অবন্তিকা সহ আরও অনেকেই।

জুলাই ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

June Malia : নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করলেন জুন মালিয়া

বিধায়ক হওয়ার পর প্রথমবার শ্যুটিং ফ্লোরে ফিরলেন অভিনেত্রী জুন মালিয়া। সৌজন্যে পরিচালক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি জালবন্দি। শনিবার টুইট করে সেই ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন তিনি। রাজনীতিতে আসার পর প্রথমবার শুটিং ফ্লোরে তাঁকে দেখা গেল। চোখে বড় রোদচশমা, মুখে হাল্কা মেকআপ, ক্যাজুয়াল পোশাকে ধরা দিয়েছেন জুন। সেট প্রস্তুত করছেন টেকনিশিয়ানরা, ভিডিয়োতে উঠে এসেছে তারই ঝলক। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লেখেন, আপনি কতটা মাল্টিটাস্ক করতে পারেন এবং সামঞ্জস্য রক্ষা করতে পারেন, সেটাই সব। বিহাইন্ড দ্য সিন। পরিচালক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি জালবন্দি-র ফ্লোর থেকে। এই সিনেমায় জুন মালিয়া ছাড়াও অভিনয় করবেন টলিউডের বেশ কিছু পরিচিত মুখ।আরও পড়ুনঃ ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালকবিধানসভা ভোটের আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগদান করেন জুল মালিয়া। এবারই প্রথম নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। প্রচারে কোনও খামতি রাখেননি জুন। ২০২১ বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট তারকা প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জুন। মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন প্রথমবারেই। জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজের পাশাপাশি অভিনয়কেও সমান তালে বজায় রেখেছেন নায়িকা। জালবন্দি-র পাশাপাশি অরিন্দম শীলের খেলা যখন-এ যাবে তাঁকে। প্রথমবার একসঙ্গে কোনোও ছবিতে অভিনয় করবেন বিধায়ক জুন এবং সাংসদ মিমি।Its all about how you can multitask and strike a balance ! Behind the scenes ! From the floors of Jaalbandi directed by Piyush Ganguly pic.twitter.com/Rfs1mdlBfJ June Maliah (@MaliahJune) July 17, 2021

জুলাই ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shooting : লকডাউনের পর শুটিং-এর অভিজ্ঞতা জানালেন মাধুরিমা চক্রবর্তী

লকডাউনের পর শুরু হয়েছে সিরিয়ালের শুটিং। উপযুক্ত নিয়মাবলী মেনেই চলছে বাংলা মেগার শুটিং। সব প্রোটেকশন নিয়েই ফ্লোরে হাজির হচ্ছেন অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে পরিচালক, ক্যামেরাম্যান, মেক-আপ আর্টিস্ট সহ শুটিং এর সঙ্গে যুক্ত বাকীরাও।আরও পড়ুনঃ মৌবনী যখন লেখিকালকডাউনের পর শুটিং-এ যাচ্ছেন জীবনসাথী ধারাবাহিকের নিধি বসু অর্থাৎ অভিনেত্রী মাধুরিমা চক্রবর্তী। তার শুটিং কেমন চলছে বা কতটা চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হচ্ছে পুরোটাই শেয়ার করলেন জনতার কথা-র সঙ্গে।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?অভিনেত্রী জানালেন,আফটার লকডাউন এই যে মেক-আপ করে মাস্ক পড়ে আমার ১৪ঘন্টা ডিউটি করতে হয় সেটা হরিবেল। আমরা যে কাজটা করি সেটায় মেক-আপ টাই সব। মেক-আপ ছাড়া করতে পারবো না। মেপ-আপ করার পর মাস্ক পড়লে যে সমস্যাটা হচ্ছে মেক-আপ ঘেঁটে যাচ্ছে, স্টে করছে না। আমাদের আগে যেখানে দিনে দু-তিনবার টাচআপ করতে হতো সেখানে ১০-১২ বার টাচ-আপ করতে হচ্ছে। সেটা ভীষণভাবে প্রব্লেম্যাটিং।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকতিনি আরও জানান,আগে আমাদের ল্যাপেল দেওয়া হত কিন্তু এখন সেটা দেওয়া হচ্ছে না। কারণ আমরা বডি কন্ট্যাক্ট ব্যাপারটাকে অ্যাভয়েড করছি। বুম ধরা হচ্ছে। সাউন্ড টা প্রপার আসছে না। তাছাড়া সেটে ৫০ জনের বেশি আমরা অভিনয় করতে পারছি না। ইন্টিমেট সিন করা যাচ্ছে না। এরকম অনেক প্রবলেম আমাদের ফেস করতে হচ্ছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Psycho thriller : আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমক

নিজের চতুর্থ ছবি নির্মাণে হাত দিলেন পরিচালক আতিউল ইসলাম। যে ছবিটির নাম শ্যাডো। এই ছবিরই টাইটেল ঘোষণা হল পাটুলির ইউয়ান রেস্টুরেন্টে। এটি একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। যেখানে অভিনয় করবেন অরিন্দ্য ব্যানার্জি, অনিন্দ্য পুলক ব্যানার্জি, দেবরাজ মুখার্জির মতো পরিচিত মুখ ছাড়াও নবাগত-নবাগতা। প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন রি এন্টারটেনমেন্টের রিজু হালদার।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতপরিচিত মুখ ছাড়াও বাকী কাস্টদের মধ্যে রয়েছেন অরিত্রম মুখার্জি, তন্ময় দাস, সায়ন্তনী ব্যানার্জি, ঈশিকা বল, সানন্দা সরকার, পায়েল দেবনাথ সহ আরও অন্যান্যরা।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?টাইটেল ঘোষণার দিন কবে গল্প রিভিল করা হল না। পরিচালক জানালেন এটা শুধু সাইকো থ্রিলারই নয়, এর মধ্যে একটা ডিটেক্টিভ ব্যাপারও রয়েছে। প্রযোজক এখানে প্রযোজনার দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি অভিনয়ও করছেন। তার প্রথম কাজ হলেও তিনি জানিয়েছেন টাফ বা নার্ভাস কিছুই লাগছে না তার। প্রযোজক এখানে প্রযোজনার দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি অভিনয়ও করছেন। তার প্রথম কাজ হলেও তিনি জানিয়েছেন টাফ বা নার্ভাস কিছুই লাগছে না তার।এই ছবিটি হলে রিলিজ করার জন্যই পরিচালক কাজটি করছেন। তাই ছবিটি নিয়ে বেশ উন্মাদনা রয়েছে সকলের মধ্যে।

জুলাই ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Moubani Sarkar : মৌবনী যখন লেখিকা

অভিনেত্রী মৌবনী সরকারের অভিনয় দক্ষতা সবসময় দর্শকদের কাছে প্রশংসিত। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি যে ভাল লিখতে পারেন এটাও অনেকেই জানেন।সেই মৌবনীই এবার লেখিকা। তবে রিয়েল লাইফ রাইটার নন। রিল লাইফ রাইটার। একটি ওয়েব সিরিজে লেখিকার চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। যে ওয়েব সিরিজের নাম পেঁচা।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতএই ওয়েব সিরিজের পরিচালনা করবেন অনির্বাণ চক্রবর্তী। মৌবনীর চরিত্রের নাম অতসী মুখার্জি যে একজন রহস্য লেখিকা। এই ওয়েবে মুখ্য চরিত্রেই দেখা যাবে তাকে। মৌবনী ছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন পার্থসারথি, প্রিয়াঙ্কা পণ্ডিত, বরুণ চক্রবর্তী, সঞ্জয় প্রমুখ। পেঁচা একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। যেখানে ভয়ের একটা ভূমিকা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালকএই সিরিজের টাইটেল ট্র্যাক গেয়েছেন সিধু। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন মৌসুমি চ্যাটার্জী। শুটিং খুব শীঘ্রই শুরু হবে। আগস্টে ডিজিপ্লেক্স ওয়েব প্ল্যাটফর্মে দর্শকরা এই ওয়েব সিরিজটি দেখতে পাবেন।

জুলাই ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Icche Movie : ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালক

শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় বর্তমানে টলিউডের দুই জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠিত পরিচালক। এই দুই পরিচালকদ্বয়ের প্রথম পরিচালিত ছবির নাম ইচ্ছে। ২০১১ সালের ১৫ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। অভিনয় করেছিলেন সোহিনী সেনগুপ্ত, ব্রাত্য বসু, সমদর্শী দত্ত, বিদিতা বাগ। ছবি মুক্তির পর কেটে গিয়েছে একটি দশক। কিন্তু আজও দর্শকের মনে আলাদা একটা জায়গা করে নিয়েছে ছবিটি। নন্দিতা-শিবপ্রসাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এই ছবি। ছবিটি নিবেদন করেছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।আরও পড়ুনঃ জন্মদিন কেমন কাটল বং গাই এর?এই ছবির দুটি স্টিল ফোটোগ্রাফ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্যর উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল ছবির চিত্রনাট্য। মা ও ছেলের সম্পর্কের কথা বলেছিল ইচ্ছে। মায়ের চরিত্রে সোহিনী সেনগুপ্তর পারফরম্যান্স যেন ভোলার নয়। তেমনই ভাল অভিনয় করেছিলেন সমদর্শী। জোড়ালো স্টারকাস্ট ছাড়া কমবাজেটের একটি বাংলা ছবি দর্শকের মনে দাগ কেটেছিল সেই সময়। প্রথম ছবিতেই প্রমাণ করেছিলেন কন্টেন্টই আসল। প্রথম ছবিতেই পরিচালক হিসেবে নিজেদের জায়গা পাকা করেছিলেন নন্দিতা-শিবপ্রসাদ। ইচ্ছে দিয়ে শুরু। সেই জার্নির পর আরও ভাল ভাল ছবি দর্শকদের উপহার দিয়ে তাদের ইচ্ছেপূরণ করে চলেছেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়।

জুলাই ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Payel Mukherjee : ফেসবুক পেজে ১০ লক্ষ ফলোয়ার্স হল পায়েল মুখার্জির

বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী পায়েল মুখার্জি। কলকাতা থেকে শুরু করে বাংলাদেশ, অনেকেরই পছন্দের অভিনেত্রীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। এখন আবার তার অভিনয় হিন্দিতেও জায়গা করে নিয়েছে। আরও পড়ুনঃ গুগল পিসেমশাই জন্মদিনের তারিখ ভুল বলছে মনামীরঅল্প সময়ের মধ্যে পায়েলের জনপ্রিয়তা এতটাই বেড়েছে যে আজ ফেসবুক পেজে তার ফলোয়ার্স ১০ লক্ষ হয়ে গেল। ছবিসহ এই খুশির খবরটা নিজের ফেসবুক পেজ ও ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেছেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন,ফেসবুকে ১ মিলিয়ন ফলোয়ার্স সেলিব্রেট করার এখনই সময় এসেছে। সকলকে ধন্যবাদ জানাই তাদের ভালবাসা ও সমর্থনের জন্য। এছাড়া তার ভেরিফায়েড প্রোফাইলটাও সকলকে ফলো করতে বলেন এই অভিনেত্রী। পায়েলের পোস্টটা দেখার পর ভারত ও বাংলাদেশ থেকে তাকে অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

জুলাই ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mithai : মিঠাইয়ের সঙ্গে তোর্ষার নাচ, ভাইরাল সৌমিতৃষার ভিডিয়ো

পর্দায় উচ্ছেবাবুর সঙ্গে তাঁর রসায়ন দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছে। দাদাইয়ের কথায় উচ্ছেবাবুর সঙ্গে বিয়ের পর আপাতত বিচ্ছেদও হয়ে গিয়েছে মিঠাই-সিদ্ধার্থের। বুঝতেই পারছেন, সৌমিতৃষা কুণ্ডুর কথাই বলা হচ্ছে। পর্দার বাইরেও সৌমিতৃষা সমান জনপ্রিয়। বিভিন্ন সোশ্যাল হ্যান্ডেলে সৈমিতৃষার অনুরাগীর সংখ্যা প্রতিদিন একটু একটু করে বাড়ছে। সেই সৌমিতৃষা কুণ্ডুকে দেখা গেল এবার তোর্ষা এবং শিবার সঙ্গে নাচতে। মিঠাইয়ের তোর্সার সঙ্গে পর্দায় যতই মনের অমিল থাক না কেন, পর্দার বাইরে তাঁরা বেশ ভাল বন্ধু। অন্যদিকে কৃষ্ণকলির শিবা অর্থাত্ অধিরাজ গঙ্গোপাধ্যায়ও দুপাশে দুই বান্ধবীকে পেয়ে বেজায় খুশি। শ্যুটিংয়ের অবসরে তিনজনকে একযোগে দো ঘুঁট মুঝে ভি পিলা দে সরাবির ধুনে নাচতে দেখা যায়। সৌমিতৃষা, অধিরাজ এবং তন্বী লাহার সেই নাচ দেখে মুগ্ধ তাঁদের অনুরাগীরা। রিলস-এর কমেন্ট বক্সে তারা প্রচুর কমেন্টও করেন।

জুলাই ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Payel Mukherjee : পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিত

অভিনয় জগতের পরিচিত মুখ এখন পায়েল মুখার্জী। কলকাতা ও বাংলাদেশের বেশ কিছু প্রজেক্টে অভিনয় করছেন তিনি। তাঁর আগামী মুক্তি পেতে চলা সিনেমা ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তর ছবি আগন্তুক। এছাড়া ক্লিকের একটি ওয়েব সিরিজ কালিম্পং ক্রাইমস এবং মালায়ালাম শর্ট ফিল্ম ইভা তেও অভিনয় করেছেন।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির বেরেত্তিনিতবে এতগুলো কাজের মধ্যে তাঁর কাছে সবথেকে বড় ব্রেক হিন্দি প্রোজেক্টে অভিনয় করা। সম্প্রতি তাঁর হিন্দি ওটিটি লাল মিরচির শুটিং ছিল জয়পুরে। গতবছর WOH 3 DIN নামে একটি হিন্দি ফিচার ফিল্মে অভিনয় করেন। যেখানে তাঁর চরিত্রের নাম ছিল রূপা। সঞ্জয় মিশ্র, চন্দন রায় সান্যাল এদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাসরাজ আশুর পরিচালিত এই সিনেমাটি ফ্যালকন ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বেস্ট ফিচার ফিল্মের পুরস্কার জিতল। এই প্রসঙ্গে পায়েল জানালেন,আওয়ার্ড যেকোন অভিনেতাকেই মোটিভেট করে। তবে আমি অপেক্ষা করে আছি হল রিলিজের জন্য। দর্শকদের থেকে কি ফিডব্যাক পাওয়া যায় সেটা দেখার জন্য আগ্রহী।

জুলাই ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hoichoi: 'হইচই' তে মুক্তি পাচ্ছে 'হীরালাল'

ভারতীয় সিনেমার জনক হিসাবে সকলে জানেন দাদাসাহেব ফালকের নাম। অথচ প্রথম ভারতীয় সিনেমা যিনি বানিয়েছিলেন তিনি একজন বাঙালি। নাম হীরালাল সেন। তাঁর জীবন নিয়েই সিনেমা বানিয়ে ফেলেছেন পরিচালক অরুণ রায়। ছবির নাম হীরালাল। যে ছবিটি অনেক দর্শক কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখেছেন এবং প্রশংসাও করেছেন। ছবিটি হলেও মুক্তি পেয়েছে।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজিরদর্শকমহলে সাফল্য পাওয়া হীরালাল এবার মুক্তি পেতে চলেছে হইচই তে। ১৬ জুলাই হইচই তে হীরালাল দেখতে পাবেন দর্শকরা। ইতিমধ্যে হইচই তে হইচই তে যার ট্রেলার দেখতে পেয়েছেন দর্শকরা।আরও পড়ুনঃ মহারণে মহারথী, কোপা ইউরো ফাইনাল, কবে কোথায় কখন, দেখে নিন একনজরেছবিতে হীরালাল সেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কিঞ্জল নন্দ। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তী, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, অনুষ্কা চক্রবর্তী, তন্নিষ্ঠা বিশ্বাস, পার্থ সিনহা সহ আরও অনেকে। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তী, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, অনুষ্কা চক্রবর্তী, তন্নিষ্ঠা বিশ্বাস, পার্থ সিনহা সহ আরও অনেকে।

জুলাই ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Subho Maharat : ঐতিহাসিক বাংলা ছবি ৮/১২'র শুভ মহরত

প্রযোজক, অভিনেতা কান সিং সোধা তার প্রযোজনা সংস্থা কে এস এস প্রোডাকশন অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যানারে প্রযোজনা করতে চলেছেন নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ৮/১২। ভারতকে স্বাধীন করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকা বিনয় কৃষ্ণ বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্তর অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতেই নির্মিত হবে ৮/১২। এগারো ও হিরালালের মতো ছবি দর্শকদের উপহার দেওয়ার পর এবার ৮/১২র মাধ্যমে নিজের ম্যাজিকটা আবারো দেখাতে চলেছেন পরিচালক অরুণ রায়। আরও পড়ুনঃ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাসএই সিনেমায় বিনয়ের চরিত্রে রয়েছেন কিঞ্জল নন্দ, বাদলের চরিত্রে দেখা যাবে অর্ণ মুখোপাধ্যায় কে এবং দীনেশের চরিত্রে সুমন বোস (রেমো)। বিপাশা সাহা ও অনুষ্কা চক্রবর্তী দুটি বিশেষ চরিত্রে রয়েছেন। এছাড়া রয়েছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তী, খরাজ মুখার্জি সহ অন্যান্যরা। জুলাই এর শেষে শুরু হবে শুটিং।আরও পড়ুনঃ ভারতশ্রীলঙ্কা সিরিজ কি অনিশ্চিত? আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে৮/১২র শুভ মহরত হয়ে গেল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক, প্রযোজক থেকে শুরু করে অন্যান্য কলাকুশলীরা।

জুলাই ১০, ২০২১
রাজ্য

Actor: সংসারের চাপে জনপ্রিয় অভিনেতা বিক্রি করছেন মাছ

একেই বলে ভাগ্যের পরিহাস। লকডাউনে কাজ গিয়েছে সমাজের নানা শ্রেণির মানুষের। বাধ্য হয়ে সংসার চালাতে অন্য পেশার অবলম্বন নিতে হয়েছে বহু মানুষকে। কাজ হারিয়েছেন, বাংলা সিরিয়াল ইন্ডাস্ট্রির বহু মানুষও। ভালোলাগা-ভালোবাসার কাজ ছেড়ে বেছে নিতে হয়েছে সংসার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাজ। অভিনয়ই ছিল একমাত্র নেশা। সবজি বিক্রেতার ছেলে হয়েও সেই নেশাকেই পেশা হিসেবে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন বছর তেত্রিশের যুবক। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির সোমেশ্বরতলার যুবক অরিন্দম প্রামাণিকের জীবন সংগ্রাম এখন দৃষ্টান্ত এলাকার মানুষের কাছে। সংসারের হাল ধরতে তিনি শুরু করেন মাছের ব্যবসা। সেই স্বপ্ন পূরণ হলেও পেটের তাগিদে সেই পেশা এখন অধরা। অতিমারি করোনার জেরে পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। একাধিক সিনেমা ও ধারাবাহিকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করলেও, জীবনের বাস্তব চরিত্রে এখন তিনি মাছ বিক্রেতা। মেমারির স্টেশন বাজারে প্রতিদিন সকালে মাছের খরিদ্দার সামলানোই এখন অরিন্দমের রোজনামচা। বাবা অসুস্থ হওয়ায় সবজি ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। তার ওপর লকডাউনের জেরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ বন্ধ। এই দুইয়ের টানাপোড়েনে গত বছর লকডাউনের সময় টলিপাড়া ছেড়ে মেমারির বাড়িতে চলে আসেন তিনি। রাস্তার ধারে বসে মাছ বিক্রি করাটা তাঁর কাছে মোটেও সহজ ছিল না। কিন্তু উপায় নেই। বাবা-মা ও স্ত্রীর সংসারে টানাটানি ছিলই। বাবার ৪০ বছরের সবজির দোকানে বছর খানেক আগে থেকে খুব একটা বেচাকেনা ছিল না। তাছাড়া তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই বাধ্য হয়েই সেই দোকানকেই মাছের দোকানে বদলে ফেলেন অরিন্দম। আরও পড়ুনঃ দেশে নিম্নগামী দৈনিক সংক্রমণ, কমেছে মৃত্যুর হারওগত বছর লকডাউনের সময় থেকে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে বড়ো-ছোট মাছ নিয়ে বসেন ক্রেতাদের অপেক্ষায়। একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই নাট্যকার ও নির্দেশক চন্দন সেনের নাটকের দলে অভিনয়ের হাতেখড়ি হয়েছিল অরিন্দমের। ২০১১ সালে সুবর্ণলতা মেগা সিরিয়ালে খোকা চরিত্রে তাঁর পরিচিতি বাড়িয়েছিল। তারপর একের পর এক ধারাবাহিকে তিনি অভিনয়ের দক্ষতার পরিচয় দেন। রাশি, অগ্নিপরীক্ষার মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিক এবং তোর নাম, হারকিউলিস-এর মতো কয়েকটি চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ বসু ও অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ভালো অভিনয়ের খ্যাতিতে নিয়মিত কাজের পরিসর বাড়তে থাকে। ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় শেষ অভিনয় স্টার জলসার মেগা সিরিয়াল এখানে আকাশ নীল। এখন ১৫ ফুট বাই ২০ ফুটের দোকানে রুই, কাতলা, ইলিশ ও চিংড়ি বিক্রি করেন অরিন্দম। জানান, প্রথম পর্বের লকডাউনের পর টলিপাড়ায় কাজ শুরু হয়, তখন ফের অভিনয়ের ডাক এসেছিল। কিন্তু ভরসা করতে পারিনি। কারণ, গত এক বছরে ধীরে ধীরে মাছের ব্যবসাটা গুছিয়ে নিয়েছেন। তাই এটা ছেড়ে স্বপ্নের পেশায় যাওয়ার ঝুঁকিটা আর নিতে চাননি অরিন্দম।

জুলাই ০৩, ২০২১
নিবন্ধ

আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালা

আমার প্রথম প্রেমিক, আজ আপনার জন্মদিন। মাত্র ৮৫-র তরুণ আজ আপনি। সেই কোন এক কৈশোরে পাড়ার লাইব্রেরি থেকে এনেছিলাম একটা পাতলা বই। খেলা যখন পড়ার বইয়ের ফাঁকে রেখে পড়েছিলাম আর মনে মনে হয়ে উঠেছিলাম বুলবুলি। আমিও ওরই মত লাজুক, আমিও চেয়েছিলাম কোনও রাজার সামনে ভালোলাগায় কেঁপে উঠতে।আরও পড়ুনঃ যারা অদৃশ্য রয়ে গেলেনঃ শ্রমিক ঠিকাদার বা দালালতন্ত্র!আমার ওই ছোট্ট জগতে আপনি এলেন উর্দু শায়েরী, গজল, কবিতা আর কতশত নাম না জানা কবি-লেখকের লেখার উদ্ধৃতি নিয়ে। না, আর কোন নায়ক নয়, আপনারই মুখ ভেসে উঠত চোখের সামনে, শিকারি আপনি, লেখক আপনি, গায়ক আপনি, সুদর্শন আপনি, খাদ্যরসিক আপনি, আমার কিশোরী মনে জায়গা করে নিলেন। আরও পড়ুনঃ নদী কে জায়গা দিনঃ প্রসঙ্গ গঙ্গা ভাঙ্গনআরও ছোটোতে ম্যাথস বলে একটা গল্প পড়েছিলাম আনন্দমেলাতে। অংকে কাঁচা আমি ধরেই নিলাম আপনিও অংকে কাঁচা। মনে হলো কত মিল। চার্টার্ড একাউন্টেন্ট কাকে বলে বুঝিনি তখনও। ভালোই হয়েছিল, অত কিছু জানলে ভালোবাসতে ভয় করত। ভীষণ যেতে ইচ্ছে করত আপনার কাছে। সাহস পাইনি। শুনেছিলাম চিঠি লেখেন আপনি। কিন্তু আমি তো যোজনগন্ধা নই, যদি উত্তর না দেন , সেই মনখারাপটা সইতে পারব না, এই ভয়েই কখনও আর চিঠি লেখা হয়ে উঠল না।আরও পড়ুনঃ মনের ঘরের স্বজনআজও যাওয়া হয়ে ওঠেনি ম্যাকলাক্সিগঞ্জ-এ, কোয়েল নদীর কাছে, কানহাতে, হাটচান্দ্রা, বাংরিপোসিতে। হবে কি এ জীবনে? জানি না। অনেক পরে আপনার ঋভু পড়ে জেনেছিলাম আপনি পেশাগত কাজে আসতেন আমার শহর বহরমপুরে। কিন্তু তখন জানতেও পারিনি। জানলেও কি যেতাম আপনার কাছে? বোধ হয় না। সামনে এগিয়ে কথা বলতে পারি না আমি। তাই আপনাকে দেখতে হত ভিড়ের মধ্যে থেকে। আর ভিড়ের মধ্যে চোখে পড়ার মত অসাধারণ নই আমি তাই নজরে আসতাম না আমি। তার থেকে, এই ভালো, দূরে থেকে ভালোবাসা।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার, বললেন মমতাভালো থাকুন বুদ্ধদেব, তরুণ থেকে তরুণতর হয়ে থাকুন আমার জীবনে। আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালা, হয়তো কোন এক জন্মদিনে আমার সাহস হবে আপনার সামনে গিয়ে দাঁড়ানোর, সেদিনের সেই কিশোরী হয়ে যাব সেদিন, প্রথম শরবিদ্ধা, বাঁশপাতার মত কাঁপব আপনার সামনে দাঁড়িয়ে। আপনি হয়তো হাতটা বাড়িয়ে দেবেন আমার দিকে, ভালোলাগায়, দেবেন তো? শুধু এটুকুর আশাতেই তো বেঁচে থাকতে সাধ হয়, হে রাজর্ষি!সুদেষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

জুন ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal