• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

বিনোদুনিয়া

বিনোদুনিয়া

Ramp Show : কিডস র‍্যাম্প শো'র গ্রুমিং হল

স্পার্ক মুভস প্রেজেন্ট ডিভা মুভস। এটি একটি র্যাম্প শো। যেখানে ৫-১৭ বছর বয়সীরা রয়েছে। এই র্যাম্প শো এর আজ গ্রুমিং হল শিঞ্জিনী বিউটি স্পা তে। গ্রুমার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিঞ্জিনী চৌধুরি। প্রতিযোগীদের গ্রুমিং শেখানোর পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন টিপস দেওয়া হয়। আগামী সোমবার সবার ফটোশুট হবে।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারএদিন গ্রুমিং সেশন নিয়ে প্রধান উদ্যোক্তা হারশিত জানান,মাদারস ডের দিন আমাদের এই র্যাম্প শো হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লকডাউনের জন্য পিছিয়ে আনা হল। কীভাবে হাঁটবে, কীভাবে নিজেদের ইন্ট্রোডাকশন দেবে এগুলো এই গ্রুমিং সেশনে শেখানো হল। আগস্টের ১০-১২ তারিখের মধ্যে ফাইনাল হবে। এই শো টা খুব বড় হতে চলেছে। অনেক কিছু শিখতে পারবে সবাই।শিঞ্জিনী চৌধুরি জানালেন,খুব ভাল লাগছে আজ। আমি পার্টিসিপেন্টদের যেগুলো বলছি সবটা শুনে তারা যেন ফাইনালে একটা ভাল প্রেজেন্টেশন নিয়ে আসতে পারে।আরও পড়ুনঃ চমৎকারী শ্রীফল, জানুন নানাবিধ উপকারপ্রতিযোগীদের পরিবারের সদস্যরাও এখানে আসতে পেরে খুশি। তারা জানিয়েছেন সত্যিই খুব ভাল লাগছে এই শো এর সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে। তাদের কাছে এই শো একটা আলাদা রাস্তা দেখাবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Uttam-Manna: মহানায়ক উত্তম কুমার ও মান্না দে বাংলার সিনেমার 'আমি যামিনী তুমি শশী '

সিনেমা / ছায়াছবি যে দিন নির্বাক থেকে সবাক হল প্রায় তখন থেকেই ছবির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জুড়ে গেল গান। সঙ্গে এটাও বোঝা গেল গানও একটা ছায়াছবিকে একক ভাবে জনপ্রিয় করতে পারে। ছবি শেষ হলেও গানের রেশ দর্শকের কানে বাজতে থাকে। তাঁদের মুখে মুখে ঘুরে বেড়ায়। ফলে সিনেমার নাম অনেক সময় ভুলে গেলেও, আমরা গান দিয়ে তাঁকে খুঁজতে চেষ্টা করি।আমি কেবল মান্না দে-র গান শুনি। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মোঃ রফি একবার তাঁর ভক্তদের বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন মান্না দে মুম্বাই তথা বলিউড প্লেব্যাক জগতের প্রাণ এবং ১০০ বছর পরেও মানুষের মনে সেই স্থানেই তিনি থাকবেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নিয়মিত চর্চার সঙ্গে সঙ্গে গলার অসাধারন সুর, বহুমুখী গান করার দক্ষতা তাঁকে কিংবদন্তি গায়কের স্থানে বসিয়ে রেখেছে।রাজকাপুর-মুকেশ, অমিতাভ- কিশোর, শশী কাপুর-মঃ রফি এরকম অনেক অভিনেতা গায়কের জুটির নাম জানা যায়। সেই রকমই, তৎকালীন সময়ে মহানায়ক উত্তম কুমারের ঠোঁটে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গান ছিল সমার্থক। তাঁদের এমনই বোঝাপড়া ছিলো কখনই বোঝা যেত না উত্তমকুমার হেমন্তর গানে লিপ দিচ্ছেন। এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ছাড়া অন্য কোনও শিল্পীর গাওয়া গানে মহানায়ক স্বচ্ছন্দ বোধও করতেন না, একথা তিনি অনেক সাক্ষাতকারে বলেছেন। সেই মহানায়কের লিপে এবার ভাবা হল অন্য শিল্পীর গান।বাংলা সিনেমায় মান্না দের প্রবেশ এবং তাও মহানায়ক উত্তম কুমারের লিপে গান সেটা বেশ আকর্ষণীয়। ১৯৬৬ তে উত্তম কুমার অভিনীত শঙ্খবেলার সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত যখন মান্না দে-কে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, তখন সকলেই প্রায় হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। মান্না দে হেঁসে বললেন এটা একটা বিপর্যয় ছিল। প্রযোজক ও পরিবেশক বলেছিলেন, অসম্ভব। এই গান হেমন্তকে দিয়েই করাতে হবে। পরিচালক অগ্রদূত ও সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত অনড় ছিলেন। অবশেষে সবাই নিমরাজি হয়ে সহমত হলেন। ছবিতে আরেক মহান শিল্পী কিন্নর কন্ঠী লতা মঙ্গেশকরও গান গেয়েছিলেন। সঙ্গীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত মুম্বাই গিয়ে দেখলেন সমস্ত রেকর্ডিং স্টূডিও ব্যস্ত। অনেক টালবাহানার পর সঙ্গীত পরিচালক নৌসাদজি কে অনুরোধ করে কোনওরকমে দিন ঠিক করলেন। মেহবুব স্টূডিওতে মাত্র একটা রিহার্সাল করে প্রথম টেকেই তৈরি হল ইতিহাস। আর কে না জানে কত বড় হিট গান তৈরি হল কে প্রথম কছে এসেছি...! মান্না দে-র কন্ঠের নিখুঁত রোম্যান্টিক ফ্লেবার বাঙ্গালি সিনেমা ও সঙ্গীত প্রেমিদের মোহিত করে দিল। এক অন্য অধ্যায় শুরু হল।সবাই শঙ্খবেলা সিনেমায় প্রথমবার উত্তমের মুখে মান্নার গলায় গানের কথা জানলেও,আসলে মহানায়কের মুখে মান্নার প্রথম গান ১৯৫৯ এ গলি থেকে রাজপথ সিনেমায়। যদিও শঙ্খবেলা আগে মুক্তি পাওয়ায় এটিকেই প্রথম গান বলে সবাই জানে।মান্না দের তাঁর একটি সাক্ষাতকারে একবার বলেছিলেন, আমার মনে আছে আমি যখন উত্তমের হয়ে প্রথম গান করি সেটি ছিল বাংলা সিনেমা গলি থেকে রাজপথ। ১৯৫৯ সালে সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত আমাকে লাগ লাগ ভেলকির খেলা গানটি করান। উত্তমের কণ্ঠস্বর হিসাবে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যে স্তরে পৌঁছেছিলেন আমি সে স্তরে পৌঁছতে পারব কিনা তা নিয়ে আমার যথেষ্ঠ সন্দেহ ছিল। সর্বোপরি তিনি ছিলেন উত্তম কুমারের ঘোস্ট ভয়েস। তবে আমি উত্তমবাবুর জন্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গির গানগুলি করার পরে উত্তম আমায় বলেছিলেন, আপনি এই গানগুলিতে আমার কণ্ঠস্বর যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন তা অন্য কোনও গায়কই দিতে পারেননি। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং আপনার মধ্যে কোনও তুলনা হতে পারে না, কারণ আপনারা দুজনেই নিজের মতো করেই দুর্দান্ত। উত্তমকুমার, সুধীন দাশগুপ্ত এবং মান্না দে, এই ত্রয়ীর বহু সিনেমার গান বাঙ্গালির মনে রেশ রয়ে গেছে, যেমন - কোখনো মেঘ (১৯৮৬; এক দুই তিন), মঞ্জরি অপেরা (১৯৭০ মরন তোমার হার), ছদ্মবেশী (১৯৭১ আমি কোন পথে যে চলি, বাঁচাও কে আছো মরেছি যে প্রেম করে), হার মানা হার (১৯৭২ এসেছি আলাদিন, এসেছি আমি এসেছি) এবং আরও অনেক কাল জয়ী গান।তাঁদের জুটিতে প্রথম রিলিজ হওয়া সিনেমা শঙ্খবেলা সুপারহিট হল। গানগুলি মানুষের মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। কিন্তু সিনেমা পাড়ায় বহু মানুষ মহানায়কের কানে কানে বলতে থাকলেন মান্না দেকে দিয়ে গান করালে আপনার ছবি আর হিট হবে না। পরের ছবিতে সুরকার অনিল বাগচি। আদ্যন্ত হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় ঘরানার সুরকার বাগচি, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিভিন্ন রাগ রাগিণীকে লঘু সঙ্গীতের উপযুক্ত করে ছোটো ছোটো গলার কাজ রেখে তৈরি করা তার সুর শুনে আপামর জনতা ধন্য ধন্য করে উঠল।এর মধ্যে একদিন সকালে মুম্বাইয়ে গান রেকর্ডিং-এর উদ্দেশ্যে মান্না দে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। দেখেন উল্টোদিকের রাস্তায় কানে হেডফোন লাগিয়ে একটা ওয়াকম্যান নিয়ে উত্তমকুমার প্রাতঃভ্রমন করছেন। মান্না দেকে দেখে উত্তম হেঁসে বলে উঠলেন এতে আপনার গানই বাজছে। গানগুলিতে যে ছোট ছোট কাজ লাগিয়েছেন গলায়, তাতে একেবারেই ফেঁসে গেছি, সারাদিন শুনে শুনে শুধু গেয়েই যাচ্ছি, কিন্তু কিছুতেই যেন ঠিকঠাক করতে পারছি না মান্না দে শুনে আবাক! পরে এক সাক্ষাতে বলেছিলেন একজন মানুষের ডেডিকেশন কোন উচ্চতায় থাকলে তবে একটা উত্তমকুমার হওয়া যায়। সেই আরব সাগরের তীরে প্রাতঃভ্রমন কালীন অভ্যাস করা গান বাংলা সিনামার এক যুগান্ত সৃষ্টি করল। ছবি, গান ও উত্তমের অভিনয় অবিস্মরণীয়। ছবিটি ছিল অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি। এরপরে বিমল কর পরিচালিত স্ত্রী সিনেমা-তে উত্তম ও সৌমিত্র দুই মহারথী অভিনয় করেছিলেন। মজার ব্যপার উত্তমের গলায় মান্না আর সৌমিত্রর লিপে হেমন্ত গান গেয়েছিলেন। উত্তমের লিপে মান্না দের গাওয়া ঝাড়বাতি র গৌরব বর্ণনা করে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা সাবার মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। উত্তম আর সৌমিত্রর পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা দুটি ছবিতেই সুরকার নচিকেতা ঘোষ এবং গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার। মজার ব্যাপার, গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার স্ত্রী সিনেমা-তে যে ঝাড়বাতির মহিমা বর্ণনা করে লিখলেন হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা - রাত কে যে দিন করেছে গাইলেন মান্না দে, পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা তে সেই গীতিকার লিখলেন ভালবাসার আগুল জ্বালাও - ওই ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও এই গানও গাইলেন সেই মান্না দে।গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার একবার শচীন দেব বর্মনের জন্য একটা গান লিখলেন, যেকোনও কারনেই সেই গান আর তাঁকে দিয়ে গাওয়ানো যায়নি। তিনি পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়কে গিয়ে বললেন সে কথা। গানটা দেখালেন। অরবিন্দবাবু তাঁকে বলেন, এই গান উত্তমের গলায় দারুন মানাবে, তিনি জানালেন ওই গান তাঁর ছবিতে ব্যবহার করবেন। গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার তাঁকে বললেন, গানে অনেক নাটকীয়তা আছে অভিনেতা এবং গায়ককেও গানের মধ্যে অভিনয় করতে হবে। অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় গৌরিপ্রসন্নকে জানালেন, এই গানের সুর করবে নচিকেতা ঘোষ আর গান গাইবে মান্না দে। ছবির নাম নিশিপদ্ম, গানটা না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না। বলাবাহুল্য ছবিতে উত্তম-মান্নার এক অনবদ্য যুগলবন্দী সাক্ষী থাকলো জনতা। এই ভাবেই শুরু হয়ে গেলো উত্তম-মান্নার জয়যাত্রা। যার আবেশে শুধু আপামর দর্শক নয় মজে ছিলেন শিল্পী, অভিনেতা, কলাকুশলী সকলে।মান্না দে এবং উত্তম কুমার জুটিতে ৫৪ টি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। তিনি অন্যান্য সংগীত পরিচালকদের জন্যও বহু গান গেয়েছিলেন এবং সে গানও সমান জনপ্রিয় ছিল। মান্না-উত্তম জুটির শ্রেষ্ঠ সিনেমাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি (অমি যে জলসাঘরে বা আমি যামিনী তুমি শশী হে), নিশিপদ্ম (১৯৭০, সংগীত পরিচালক নচিকেতা ঘোষ, না না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না বা যা খুশি ওরা বলে বলুক), আলো আমার আলো (১৯৭২, সংগীত: পবিত্র চ্যাটার্জী, এই এতো আলো, এতো আকাশ), মৌচাক (পাগলা গারদ কোথায় আছে), দেবদাস (১৯৭৯, সংগীত পরিচালক জগন্ময় মিত্র ও কালিপদ সেন, শাওন রাতে যদি)। মান্না দে এবং উত্তম কুমারের যুগলবন্দি আগামী ১০০ বছরেও পুরনো হবে না!

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rahul : মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতার

নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অঙ্গদানের প্রতিশ্রুতি নিলেন তিনি। আজ সকালেই নিজের ফেসবুক মারফৎ এই খবরটা সকলকে জানান তিনি। সেখানে শংসাপত্রের ছবি পোস্ট করেছেন রাহুল। ক্যাপশনে লিখেছেন জীবনে কারও তো কোনও কাজে লাগিনি...। রাহুলের এই উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনরা ।জানানো হয়েছে, অঙ্গদান করে জীবন বাঁচানোর শপথ নিয়েছেন রাহুল। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে পিডিএফ ফরম্যাটে তিনি নিজের ই-কার্ড পেয়ে যাবেন। সেই নথি তিনি পিডিএফ ফরম্যাট বা প্রিন্ট আউট, যে কোনও ভাবে নিজের কাছে রাখতে পারবেন। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, রাহুলের মৃত্যুর পর তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিজন সিদ্ধান্ত নেবেন অঙ্গদানের বিষয়ে। রাহুলকে অনুরোধ করা হয়েছে তাঁর সংকল্পের কথা পরিবার পরিজনকে জানিয়ে রাখতে। পাশাপাশি, কার্ডটি সবসময় তাঁর নিজের কাছে রাখার জন্যও বলা হয়েছে। রাহুল বর্তমানে দেশের মাটি ধারাবাহিকের সঙ্গে যুক্ত। এই ধারাবাহিকে রাজার চরিত্র করছেন তিনি। যে চরিত্রটি দর্শকদের একটি প্রিয় চরিত্র হয়ে উঠেছে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rohan : রোহনের নতুন ছবি বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে

এভাবেই গল্প হোক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর পরিচালক রোহন সেন তার দ্বিতীয় ছবির নির্মাণে হাত দিলেন। যার নাম অপরাজিতা। বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়েই এই অপরাজিতা-র গল্প। ছবিতে প্রধান ভূমিকায় রয়েছেন তুহিনা দাস। তার বাবার ভূমিকায় অভিনয় করবেন শান্তিলাল মুখার্জি। পরিবারের ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকের চরিত্রে রয়েছেন রানা বসু ঠাকুর। ছবির প্রযোজক এবং অপরাজিতার দিদির চরিত্রে অভিনয় করছেন অমৃতা দে। পুরোদমে চলছে এই ফিচার ফিল্মের শুটিং।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারঅপরাজিতা-র গল্প প্রসঙ্গে জনতার কথা কে পরিচালক রোহন সেন জানালেন,অপরাজিতা একটা মেয়ের গল্প। মেয়েটির নাম অপরাজিতা। যেটা তুহিনা করছে। মেয়েটা একটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট মেয়ে। সে আর তার বাবা বাড়িতে থাকে। তার দিদি থাকে আমেরিকায়, বিয়ে হয়ে গেছে। তার সঙ্গে তার বাবার বিগত তিন বছর ধরে কোনও কথা নেই। মেয়েদের লাইফে বাবার বড় ভূমিকা থাকে। কিন্তু এতদিন ধরে তার বাবার সঙ্গে কথা হচ্ছে না তার পেছনে একটা স্ট্রং রিসন আছে। বাবার চরিত্রে শান্তিলাল দা রয়েছেন। গল্পটা যত এগোতে থাকে তাদের রিলেশনশিপ ততো কমপ্লেক্স হতে থাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি হবে সেটা নিয়েই অপরাজিতার গল্প।পরিচালক জানালেন পুরো শুটিং কলকাতাতেই হচ্ছে। এই মাসেই শুটিং শেষ হবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Om Sahani : ওয়েব সিরিজে অভিষেক হচ্ছে ওম সাহানির, নাম নিশাচর

নতুন ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ডিজিপ্লেক্সের হাত ধরে প্রথম ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ হল অভিনেতা ওম সাহানির। ওয়েব সিরিজের নাম নিশাচর। যেটি একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বাংলা মেগার জনপ্রিয় অভিনেতা সুব্রত গুহ রায়। ওম ছাড়াও এই ওয়েবে অভিনয় করবেন উষসী রায়, তরঙ্গ সরকার, সন্দীপ ভট্টাচার্য প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ কত বেতন পান অনুষ্কার দেহরক্ষী?ডিজিপ্লেক্সের অফিসেই এই ওয়েব সিরিজের শুভ মহরৎ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। পরিচালক জানালেন এই ওয়েব সিরিজটি আপাতত ৬টি পর্বে ভাগ হবে। পরে মনে হলে পর্ব সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। উষসী রায় জানালেন তার চরিত্রে অনেক শেডস রয়েছে। শুটিং এর আগে কিছু ওয়ার্কশপ হবে বলে তিনি জানালেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীটাকি টেলস-এর পর এটা তার দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ। অভিনেতা তরঙ্গ সরকার জানালেন,ভালো কাজ করতে গেলে তো একটা উত্তেজনা থাকে। সেটাই রয়েছে। ভালো করার চেষ্টা করছি। সন্দীপ ভট্টাচার্য জানালেন,চরিত্রের নাম কোকো। খুব অদ্ভুত রকমের একটা চরিত্রে আমি কাজ করতে চলেছি। বাচ্চুদা আমাকে যখন গল্পটা শুনিয়েছিল অনবদ্য একটা গল্প। আমার চরিত্রটা নিয়ে বেশি কিছু বলব না। এই চরিত্রটা থেকেই ছবিটা শুরু হচ্ছে। এই চরিত্রটার পেছনেই পুরো তদন্ত চলছে। অনেক কিছু হচ্ছে। বাকীটা আর বলবো না। তাহলে দর্শকরা কৌতুহল হারিয়ে ফেলবে।আগামী মাসে শুরু হবে এই ওয়েবের শুটিং। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং হবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pritha : অনিন্দ্য ব্যানার্জির শর্ট ফিল্মে বিশেষ‌ চরিত্রে পৃথা

অভিনেতা ও পরিচালক অনিন্দ্য পুলক ব্যনার্জি তাঁর নতুন শর্ট ফিল্ম কোভেট লেটারের শুটিং শেষ করলেন। এই শর্ট ফিল্মটি প্রযোজনার দায়িত্ব সামলেছেন পম্পা ব্যানার্জি ও চন্দ্রজিৎ চ্যাটার্জি। মিউজিক করেছেন চিরন্তন ব্যানার্জি। ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন রাজা ব্যানার্জি। এই সিনেমায় একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী পৃথা সেনগুপ্ত কে।আরও পড়ুনঃ কত বেতন পান অনুষ্কার দেহরক্ষী?অনিন্দ্য দার পরিচালনায় অভিনয় করার সুযোগ পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত পৃথা। আজ কোভেট লেটারের ডাবিং শেষ হল। ডাবিং এর পর উপটেমো স্টুডিও থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করেন কলাকুশলীরা। ফেসবুকে পৃথা লেখেন, উপটেমো স্টুডিওতে কোভেট লেটারের দারুণ একটা ডাবিং সেশন হল। পম্পা ব্যানার্জি লেখেন,দ্বিতীয় দিনের ডাবিং। কাজটা মজার যখন তোমার টিমটা দুর্দান্ত হবে তখনই।

জুলাই ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Chunky Pandey : মায়ের স্মৃতিতে চাঙ্কি পান্ডে

এই মাসেরই গোড়াতে মাকে হারিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডে। এই দুনিয়ায় মা ছিলেন তাঁর বড় কাছের। মা চলে গেলেও স্মৃতি তাজা আজও। মাকে নিয়ে স্মৃতির ঝুলি উজাড় করলেন চাঙ্কি। জানালেন, ছোট থেকে মেয়ে ভালবাসা মা একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত চাঙ্কিকে মেয়েদের মতো পোশাক পরাতেন। দুল পরতে ভাল লাগত তাঁরও। এখানেই শেষ নয় তিনি যে মামাজ বয় ছিলেন সে কথা অকপটে স্বীকার করে নিচ্ছেন চাঙ্কি। তাঁর কথায়, সাধারণত হিরোইনরা ছবির জন্য বাইরে যেতে হলে তাঁদের মাকে নিয়ে যায়। আমি বোধহয় একমাত্র হিরো ছিলাম যে এই সব ক্ষেত্রে মাকে নিয়ে বাইরে যেতাম। আমার কোনও স্টেডি প্রেমিকা না হওয়া পর্যন্ত মাকেই সব জায়গায় নিয়ে যেতাম আমি। আমি খুশি আমার জন্য সারা দুনিয়া দেখতে পেরেছে মা।চাঙ্কি আরও জানাচ্ছেন মা স্নেহলতা দেবীর মেয়ের শখ ছিল। কিন্তু হল ছেলে। শখ পূর্ণ হল না। অগত্যা, দুধের স্বাদ ঘোলে। দুবছর বয়স পর্যন্ত মেয়েদের পোশাক পরতেন চাঙ্কি। তিনি যোগ করেন, ওই সব কানের দুল পরতে কী ভাল লাগত। এখনও যখন শপিংয়ে যাই মেয়েদের জামাকাপড় কিনে ফেলি। দোকানদার জিজ্ঞাসা করে মেয়ের জন্য না স্ত্রীর জন্য। আমি বলি, আমার জন্য। তবে শান্ত বাচ্চা তিনি যে ছিলেন না সে কথাও জানাচ্ছেন চাঙ্কি। একবার বাবার রেজর দিয়ে নিজের ভুরু অবধি কেটে ফেলেছিলেন তিনি।গত ১০ জুলাই প্রয়াত হন স্নেহলতা পান্ডে। তিনি ছিলেন পেশায় ডাক্তার। কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন নাতনি অনন্যা।

জুলাই ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shilpa Shetty: রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতারের পর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট দিলেন শিল্পা

পর্নছবি বানানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করেছিল মুম্বই পুলিশ। তার পরের দিন আদালতে পেশ করলে শুক্রবার পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে্র নির্দেশ দেওয়া হয়। রাজের গ্রেফতারির সঙ্গে শিল্পার নাম বার বার উঠে এলেও এত দিন সেই প্রসঙ্গে কোনও কথা বলতে দেখা যায়নি শিল্পা শেট্টিকে। অবশেষে মুখ খুললেন তিনি।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?বৃহস্পতিবার রাতে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেছেন শিল্পা। পোস্টে আবার দিয়েছেন একটি বইয়ের পাতা। যেখানে রয়েছে জেমস থার্বারের একটি উক্তি। যেটির বাংলা করলে কতকটা এমনটাই দাঁড়ায়- রাগ নিয়ে পিছিয়ে যাওয়া নয়, ভয় নিয়ে এগিয়ে যাওয়া নয়, সচেতন হওয়া উচিত। এর পরে সেই উক্তির ব্যাখ্যা দিয়ে শিল্পা লিখেছেন, আমি ভাগ্যবান যে আমি বেঁচে রয়েছে। আমি গভীর নিঃশ্বাস নিই। এর আগেও কঠিন চ্যালেঞ্জ অতিবাহিত করেছি। ভবিষ্যতেও করব। আমার জীবন উপভোগ করতে কোনো কিছুই বাধা হতে পারে না।৪৫ বছর বয়সি রাজ কুন্দ্রাকে মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে বর্ণনা করে পুলিশ দাবি করেছে, তাঁর বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। পর্ন চলচ্চিত্রের প্রযোজনা এবং তা অ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

জুলাই ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Web Series : প্রথমবার ওয়েব সিরিজে ওম

প্রথম বার ওয়েব সিরিজে অভিনয় করবেন ওম সাহানি। রহস্য রোমাঞ্চে ভরা প্রেমের যাত্রা। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে শ্যুটিং শুরু হবে এই সিরিজের। তিনি ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করবেন টলি-অভিনেত্রী উষসী রায়। এই ওয়েবের মাধ্যমেই অভিনেতা সুব্রত গুহ রায়ের পরিচালক হিসাবে জার্নি শুরু হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?পাহাড়ি পরিবেশে জীবন কাটায় রায়া। ড্রাকুলা ছবি দেখতে ভালোবাসে। কিন্তু যে ছবিগুলো সে দেখে সে সমস্ত গল্পই তার জীবনে ঘটতে থাকে। শুরু হয় একের পর এক খুন। যারা খুন হতে থাকে, তাদের সঙ্গে রায়ার কোনও না কোনও সম্পর্ক রয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব পড়ে পুলিশ আধিকারিক অংশুমানের উপর। কিন্তু অংশুমান এই সমস্ত খুনের পিছনে দায়ী করতে থাকে রায়াকেই। অন্যদিকে তদন্তের মাঝে অংশুমান এবং রায়া মানসিক ভাবে একে অপরের কাছাকাছি চলে আসে। তদন্তের মোড় কোন দিকে ঘুরবে? হত্যাকারী কে? তাদের প্রেম কি পরিণতি পাবে, এই নিয়েই গল্প আবর্তিত হবে এই সিরিজে।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীডিজিপ্লেক্স ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে মালিহা কমিউনিকেশন্স প্রযোজিত নিশাচর। শুভ মহরত্ অনুষ্ঠিত হবে আজ বিকালে। ওম এবং উষসী ছাড়াও এখানে অভিনয় করতে দেখা যাবে সন্দীপ ভট্টাচার্য, তরঙ্গ সরকার প্রমুখকে।

জুলাই ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aparajita Apu : অপরাজিতা অপুর ২০০ তম এপিসোড

সোম থেকে শনি রাত সাড়ে ৮ টায় জি বাংলায় জনপ্রিয় সিরিয়াল অপরাজিতা অপু দেখেন দর্শকরা। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এই ধারাবাহিক দর্শকদের মধ্যে আলাদা ভালোবাসার জায়গা করে নিয়েছে। দর্শকদের এই প্রিয় ধারাবাহিক আজ ২০০ তম এপিসোডে পা দিল।এই বিশেষ মুহূর্তকে উদযাপন করেন এই ধারাবাহিকের সকল কলাকুশলীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিভিন্ন ছবিও শেয়ার করেন তারা।২০০ তম এপিসোড অভিনেত্রী মৌলি দত্ত অর্থাৎ সিরিয়ালে দিপ্যমান মুখার্জির বোন বর্ষা জনতার কথা কে জানান,আমাদের জার্নিটা শুরু হয়েছিল নভেম্বরে। তারপর বেশ কটা দিন আমরা একসঙ্গে কাজ করলাম। প্রথম যেদিন শুট শুরু হয়, একটা নতুন ইউনিট নতুন সবকিছু। অনেকে চেনা ছিল আবার অনেকের সঙ্গে এখানে এসে পরিচয় হয়েছে। তো পরবর্তীকালে এটা একটা ফ্যামিলির মতো হয়ে গেছে। এখন শুটিং না থাকলে বাড়িতে থাকলে মনখারাপ লাগে। তিনি আরও জানান,আজকে আমাদের ২০০ এপিসোড হল। আমাদের পার্টিটা হয়নি। পরে হবে। আজকে জি বাংলা থেকে পাঠানো কেক দিয়ে একটা ছোটখাটো সেলিব্রেশন হল। সবাই মিলে আফটার প্যাক আপ আমরা একসাথে কেক কাটলাম। আমরা চাই অপরাজিতা অপুর ২০০ এপিসোড যেন ২০০০ এপিসোড বা আরও বেশি এপিসোড হয়।

জুলাই ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj Kundra : শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রার অ্যাকাউন্টে জানুয়ারিতে বিপুল অঙ্কের টাকা ট্রান্সফার

পর্ন ছবি বানানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এরই মধ্যে উঠে এসেছে লেনদেন সম্পর্কিত এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, গত জানুয়ারি মাসে রাজের অ্যাকাউন্টে বিপুল অঙ্কের টাকা ট্রান্সফার হয়েছিল বলে জানতে পেরেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। একটি অ্যাপ সংস্থার মাধ্যমে এই টাকা লেনদেন হয় বলে জানা গিয়েছে। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, হটশটস নামে একটি মোবাইল অ্যাপের জন্য এই লেনদেন করা হয়েছিল। এবং জানুয়ারিতেই এই অ্যাকাউন্টে শেষবার লেনদেন হয়েছিল। গত ৪ ফেব্রুয়ারি উত্তর মুম্বইয়ের মাধ আইল্যান্ডের ওই বাংলোয় হানা দেয় পুলিশ। সেখানে হাতেনাতে ধরা পড়ে যান পাঁচ জন। পুলিশ গিয়ে দেখে, পর্নছবির শুটিং চলছে সেখানে। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে রাজকে গত ১৯ জুলাই গ্রেফতার করে পুলিশ। তাত্পর্যপূর্ণ ভাবে রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের মাসখানেক আগে মোবাইল অ্যাপ অ্যাপ চালানোর অভিযোগে এক অভিনেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি জেরায় কুন্দ্রা জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে তিনি ২৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে হটশটস অ্যাপ বিক্রি করে দেন। কিন্তু পুলিশের দাবি, এই সময়ের পরেও অ্যাপটির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রেখে চলছিলেন কুন্দ্রা।

জুলাই ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Jewellery Brand : কলকাতায় নতুন জুয়েলারি ব্র্যান্ড উদ্বোধন হল

বেসপোক ফাইন জুয়েলারি ব্র্যান্ড অরনামেন্ট। এই জুয়েলারি ব্র্যান্ড কলকাতায় তাদের পথচলা শুরু করল। এই বিশেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মডেল দিতি সাহা ও জেসিকা অ্যারন। এছাড়া ছিলেন এই জুয়েলারির কর্ণধার সুষমা মালু ও প্রদ্ধ্যুমান মালু।মডেল দিতি সাহা জানান, খুবই ভালো লাগছে এই ব্র্যান্ডের পার্ট হতে পেরে। এদের জুয়েলারিগুলোও অ্যাভর্ডেবেল প্রাইজের মধ্যে। সুষমা মালু জানালেন, কলকাতা আমার প্রিয়। কলকাতার মানুষদের আমার খুব ভালো লাগে। তাই এখানে এসে আমাদের ব্র্যান্ড লঞ্চ করার অনুভূতিটা আলাদা। অন্যান্য ব্র্যান্ডের থেকে আমাদের ব্র্যান্ড সম্পূর্ণ আলাদা।বিভিন্ন রকমের সুন্দর ডিজাইনের জুয়েলারি এখানে পাওয়া যাচ্ছে। দাম শুরু ১০ হাজার টাকা থেকে। ইতিমধ্যেই এই জুয়েলারি ব্র্যান্ড নিয়ে উন্মাদনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Taxi : ‘ট্যাক্সিতে সমস্যা হয়, তাই মার্সেডিস কিনেছি’

প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও বলিউডে পা রাখার আগে তাঁদের বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাঁদের জীবনের স্ট্রাগেলের কথা তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক তৈরি করেছিলেন অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডে এবং সারা আলি খান। সেই বিতর্কই আবার ঘুরে ফিরে নেটমাধ্যমে উঠে এল এক মহিলার লিঙ্কডিন পোস্টের সৌজন্যে।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?নিজের সংগ্রামময় জীবনের কাহিনি তুলে ধরে নেটমাধ্যমের পোস্টে ওই মহিলা লেখেন রিক্সা-ট্যাক্সিতে যাতায়াত করতে সমস্যা হয়, তাই নিজের টাকায় মার্সেডিস কিনেছি। মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় এই পোস্ট। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সংগ্রামের এই নমুনা দেখে হতবাক নেটাগরিকরা।

জুলাই ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Suravi : নতুন লুকে অভিনেত্রী সুরভী

বেশ কিছুদিন আগে ভাইরাল হয়েছিল ফটোগ্রাফার বুলান ঘোষের ক্যামেরায় তোলা অভিনেত্রী সুরভী সান্যালের ফটোশুট। সোশ্যাল এই শুটের ছবি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এবার সুরভীর নতুন কিছু শুটের ছবি তুললেন বুলান। সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করার পর এই ছবিগুলোও দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?শুটের নতুন ছবি নিয়ে সুরভী বেশ উচ্ছ্বসিত। এখন তার এক্টূ বিজি শিডিউল চলছে। নতুন প্রোজেক্টের কাজ নিয়ে কথা চলছে। সেটা নিয়ে এখনও সেরকম কিছু জানা যায়নি যদিও। তবে এই ব্যসস্ততার মধ্যেই এই শুট অন্য মাত্রা এনে দিল।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীফেসবুকে এই শুটের ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। ক্যাপশনে লিখেছেন,বাঁচি এই বিশ্বাসে, শেষ নিঃশ্বাসে তোমাকেই পাশে চাই, তুমি না থাকলে আমি শুন্য এই মহাদেশে। অন্যদিকে বুলান ফেসবুকে এই ছবি পোস্ট করে লিখেছেন,এক্সক্লুসিভ মাই শুট অ্যাক্ট্রেস সুরভী সান্যাল।

জুলাই ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ritisha Ganguly : বেশ কয়েকটা ওয়েব সিরিজের জন্য কথা হয়েছে : ঋতিষা

সম্প্রতি বার্নিং বাটারফ্লাইস সিনেমায় সৃজনীর চরিত্রে আমরা তাকে অভিনয় করতে দেখেছি। সেই প্রোজেক্ট শেষ হয়ে গেছে। সামনে বেশ কিছু নতুন প্রোজেক্ট আসছে তার। সেই নিয়েই জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী ঋতিষা গাঙ্গুলি। জনতার কথাঃ লকডাউনের পর সময় কেমন কাটছে?ঋতিষাঃ লকডাউন তো এখনও পুরোটা কাটেনি। যাই হোক ঠিকঠাক। চলছে।জনতার কথাঃ নতুন কাজ কি চলছে?ঋতিষাঃ বেশ কয়েকটা সিরিজের জন্য কথা হয়েছে। তার মধ্যে স্ক্রিপ্টও একটাতে পেয়ে গেছি। সাইন ও হয়ে গেছে। বাট বাকিটা আর কিছু বলতে পারছি না। ঠিকঠাকভাবে ওয়ে করছে।জনতার কথাঃ কিছুই বলা যাবে না?ঋতিষাঃ না এখন বলা যাবেনা। বলে দিলে আর সেই মজাটা থাকবে না। আগ্রহটা কমে যাবে বেসিক্যালি।জনতার কথাঃ বার্নিং বাটারফ্লাইস কি কোনো ফেস্টিভ্যালে যাবে? বা রিলিজের কোনো প্ল্যান কি আছে?ঋতিষাঃ ফেস্টিভ্যালে তো অবশ্যই যাবে। তার জন্যই এই ফিল্মটা বানানো। ফেস্টিভ্যাল থেকে সব ঘুরে-টুরে আসার পর এটা হল রিলিজ হবে আর কোনো বড় ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও এটা রিলিজ হবে।জনতার কথাঃ খুব হেক্টিক শিডিউল যাচ্ছে তাই তো।ঋতিষাঃ হেক্টিক একটু। তবে ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে হেবি চাপ গেছিল, ইভেন ফেব্রুয়ারি-মার্চও। তবে যবে থেকে লকডাউন শুরু হল তখন থেকে প্রেশার একটু কম ছিল। ইভেন এখনও আছে।

জুলাই ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Srilekha: শশাঙ্কের সঙ্গে কফি ডেটে গেলেন শ্রীলেখা, তারপর!

শ্রীলেখা মিত্রর কোনো ফ্যান যদি পথপশুকে দত্তক নেন তাহলে তার সঙ্গে কফি ডেটে যাবেন বলেছিলেন অভিনেত্রী। সেই কথামতো শশাঙ্ক ভাবসার নামে এক রেগে ভলেন্টিয়ার্স এক পথপশুকে দত্তক নেওয়ার কথা বলেন। শ্রীলেখা মিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে জানান তার সঙ্গেই কফি ডেটে যাবেন। সেই খবরটা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ফিল্ডগসিপ চ্যানেল থেকে শশাঙ্কের ফোনে সাক্ষাৎকার নিয়ে একটা এক্সক্লুসিভ স্টোরিও করে। তারপর শ্রীলেখা জানান শশাঙ্ক যদি বুধবার ফাঁকা থাকে তাহলে সেদিনই তাঁর সঙ্গে কফি ডেটে যাবেন। শশাঙ্ক জানায় সে ফাঁকাই আছে। সেই কথামতো দুজনে বুধবার কফি ডেটে যায়।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?কফি ডেটের এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। যেখানে দেখা যাচ্ছে কফি হাতে নিয়ে দুজনে বসে। আর একটি সেলফিও পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, pawsome date with ME Shasanka Bhavsar. ফেসবুকে পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই অনেকেই পছন্দ করেছেন এই পোস্টটি।

জুলাই ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Prosenjit Chatterjee : অতনু ঘোষের 'শেষ পাতা'-র সঙ্গী প্রসেনজিত

রবিবার -র পর ফের অতনু ঘোষের হাত ধরেই শেষ পাতা-র কাজ শুরু করলেন প্রসেনজিত্। ময়ূরাক্ষী রবিবার- র পর আসতে চলেছে পরিচালক অতনু ঘোষের নতুন ছবি শেষ পাতায় । আর শেষ পাতা ছবিতেও মূল চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায়। সেপ্টেম্বর থেকেই শুরু হবে শেষ পাতা- র শুটিং। কলকাতা, শ্রীরামপুর, শান্তিপুর জুড়ে চলবে শ্যুটিং পর্ব।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীশেষ পাতা- র কাহিনী এগোবে চার জন মানুষকে কেন্দ্র করে। আশি ও নব্বইয়ের দশকে ব্যাপক জনপ্রিয় নাকউঁচু লেখক বাল্মীকি কিন্তু জীবনের ঘনঘটায় অনেক কিছু ঘটে যায় তার জীবনে। এখন তাঁর জীবনটা একাকীত্বে ভরপুর। অন্যদিকে রয়েছে ত্রিশের কোঠার ঝকঝকে একটা ছেলে সৌনক। ডিজিট্যাল জমানার সঙ্গে এঁটে উঠতে না পারায় একসময় টলিগঞ্জে কালারিস্ট হিসাবে কাজ করা সৌনকের বাবা এখন কাজ হারিয়ে বাড়িতে বসে। পরিবারে ছোট ভাই রয়েছে- তাই ওঁর মাথায় অনেক দায়িত্ব । এভাবেই কীভাবে এই চারজনের যাত্রাপথ মিলে যাবে সেটেই বলবে এই ছবি। ছবিতে প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায়কে ছাড়াও দেখা যাবে গার্গী রায়চৌধুরী, অভিনেতা বিক্রম, রায়তী ভট্টাচার্য সহ আরও অনেককে। এই ছবিতে দীপার চরিত্র করছেন রায়তী।

জুলাই ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj Kundra : পর্ন ছবিতে অভিনয়ের জন্য লোভ দেখাতেন রাজ : পুনীত

পর্নকাণ্ডে একের পর এক বিষয়ে ফেঁসে চলেছেন ব্যবসায়ী অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। এবার তার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন ইউটিউবার পুনীত কৌর।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?মডেল-অভিনেত্রী সাগরিকা সোনা সুমনের পর এ বার মুখ খুললেন ইউটিউবার পুনীত কৌর। একই অভিযোগ জানালেন রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে। সাগরিকাকে ওয়েব সিরিজের নাম করে নগ্ন হয়ে অডিশন দিতে বলেছিলেন রাজ ও তাঁর সহকারীরা। প্রায়শই পর্ন ছবির জন্য নায়িকার খোঁজ করতেন তাঁরা। সেই প্রসঙ্গেই ইউটিউবার ও মেডিক্যালের ছাত্রী পুনীতও রাজের সঙ্গে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুনীতের কথায়, রাজ আমাকে হটশটসে (যেই অ্যাপের মাধ্যমে পর্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হত) অভিনয়ের জন্য লোভ দেখিয়েছিলেন। আমাকে সরাসরি মেসেজ করেছিলেন নেটমাধ্যমে। কিন্তু তখন তিনি মুখ খোলেননি কারণ তিনি ভেবেছিলেন, রাজের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। অন্য কেউ তাঁকে মেসেজ করছেন। সংবাদমাধ্যমে রাজের গ্রেফতারের খবর দেখার পর তিনি বুঝতে পারেন, সত্যিই রাজ পর্ন ছবি বানান। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তাই নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখলেন পুনীত। রাজের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ইউটিউবার লিখলেন, বিশ্বাস করতে পারছি না যে লোকটা সত্যিই লোভ দেখিয়েছিল। জেলে পচে মরুন!

জুলাই ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj Kundra : লন্ডনের পর্ন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাজ কুন্দ্রা!

পর্নোগ্রাফি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির স্বামী ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রা কে নিয়ে এখন যাবতীয় আলোচনা হচ্ছে। তাকে গ্রেফতার করার পর জেরা করে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর তথ্য।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?মুম্বই পুলিশ কমিশনার রাজের গ্রেফতারির পর একটি বিবৃতি জারি করে জানান, হটশটস অ্যাপের মাধ্যমে মুঠোফোনে পর্নোগ্রাফি ছবি ছড়িয়ে দিতে রাজ কুন্দ্রার সংস্থা। এভাবেই মূল ব্যবসা চালাতেন তিনি। এবং নিজেই স্বীকার করেছেন, প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছেন এই ব্যবসা করেই। জেরার পর জানা গিয়েছে ২০১৯ সালে ২৫ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে তাঁর শ্যালক প্রদীপ বক্সীর ব্রিটেনের সংস্থা কেনরিন প্রাইভেট লিমিটেডকে বিক্রি করেছিলেন রাজ কুন্দ্রা।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীশিল্পার স্বামীর ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ লন্ডনের কেনরিন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল। ব্রিটেনের পর্ন সংস্থার জন্য নিয়মিত ছবি তৈরি করতেন রাজ। লন্ডনের সেই কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন হলেও ভারতে তার অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন হত বলে জানিয়েছে পুলিশ। অ্যাপের ছবির জন্য বিভিন্ন মডেল, অভিনেত্রী এবং প্রযোজকদের কাজ করতে বাধ্য করতেন রাজ। এমনকি হুমকি পর্যন্ত দিতেন তিনি। মুম্বই শহরের অদূরে একটি ভিলায় শুটিং চলত সেই ছবির। যেগুলো হটশটস অ্যাপের মাধ্যমে অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দিতেন রাজ এবং তার সহকারীরা। তাঁর পর্ন ছবির ব্যবসা পুলিশের নজর যাতে না আসে, তার জন্যই এই হটশটস অ্যাপ বিক্রি করে দিয়েছিলেন রাজ কুন্দ্রা। পুলিশ সূত্রে খবর, হটশটস অ্যাপ অনেক আগেই গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপেল স্টোর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj kundra : রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?

পর্ন-কাণ্ডে কি রাজ কুন্দ্রার সহযোগী ছিলেন তাঁর স্ত্রী শিল্পা শেট্টি? তদন্তে নেমে এমনটাই অনুমান করা শুরু করেছে মুম্বই পুলিশ। যদিও এখনও পর্যন্ত সরাসরি শিল্পার বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত থেকে তাঁকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া হচ্ছে না এখনই। সোমবার রাজ গ্রেফতার হওয়ার পরেই শিল্পা চলে যান মায়ের কাছে। আপাতত তিনি সন্তানদের নিয়ে বোন শমিতা শেট্টির সঙ্গে থাকছেন বান্দ্রার বাংলোয়। মঙ্গলবার নাচের রিয়্যালিটি শো সুপার ড্যান্সার ৪-এর শ্যুটেও আসেননি তিনি। তাঁর অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণও জানাননি কাউকে। তদন্তে নেমে তাই এই দিকটি খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীমু্ম্বই সংবাদমাধ্যমের কাছে ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন যুগ্ম নগরপাল (অপরাধ শাখা) মিলিন্দ ভরাম্বে। তাঁর দাবি, যাঁরা ইতিমধ্যেই পর্ন কাণ্ডের শিকার তাঁদের এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছে মুম্বই প্রশাসন। অপরাধ দমন শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁরা তথ্য-প্রমাণ দিলে অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, তদন্তও দ্রুত গতিতে এগোবে, দাবি তাঁর।আরও পড়ুনঃ বৃষ্টির মধ্যেও শুটিং করছেন অক্ষয়প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারিতে রাজ আর্মস প্রাইম মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থা খোলেন। তার ছমাস পরেই সংস্থাটি হটশট নামে একটি মুঠোফোন অ্যাপ তৈরি করেছিল। তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, যা প্রশাসনের কাছে পর্ন অ্যাপ নামে চিহ্নিত। অন্য দিকে, মঙ্গলবার রাজ কুন্দ্রাকে ২৩ জুলাই, শুক্রবার পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকএদিকে নাচের রিয়্যালিটি শো-এর সেট থেকে জানা গিয়েছে, শ্যুট থেকে আপাতত দূরেই থাকবেন শিল্পা শেট্টি। তাই আগামী পর্বগুলিতে তাঁকে দেখা যাবে না। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিচারকের আসনে থাকবেন করিশ্মা কাপূর।

জুলাই ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 51
  • ...
  • 58
  • 59
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal