• ২ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata Banerjee,

দেশ

ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, জল বাড়ায় উদ্বিগ্ন নবান্ন

ফি বছর বর্ষা এলেই জল ছাড়া নিয়ে ডিভিসির সঙ্গে বিরোধ তুঙ্গে ওঠে রাজ্য সরকারের। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এর আগে আলাপণ বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি ফোনে কথা বললেন ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির জেরে রাজ্যে একাধিক জেলায় প্লাবন পরিস্থিতির আশঙ্কা বাড়ছে। DVC-র পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড থেকে আসা জলেও চাপ তৈরি হচ্ছে বাংলায়। জলের পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগের যে শেষমেষ পড়শি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতির উপর তাঁকেও নজর রাখতে অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, আমি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে কথা বলেছি। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমি তাঁর সঙ্গে তেনুঘাট থেকে হঠাৎ ও ব্যাপক পরিমাণে জল ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। যা ইতিমধ্যেই বাংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করেছে। আমি তাঁকে বলেছি ঝাড়খণ্ডের জলে বাংলা প্লাবিত হচ্ছে এবং এটি মানুষের তৈরি করা! আমি তাঁকে অনুরোধ করেছি দয়া করে বিষয়টির দিকে নজর দিন।মুখ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, আমি গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সংশ্লিষ্ট সমস্ত জেলাশাসকদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি জেলাশাসকদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে এবং আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে দুর্যোগ পরিস্থিতির যথাযথ মোকাবিলা করতে বলেছি। কোথাও যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সবরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলেছি।সারা রাজ্যেই গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। পড়শি ঝাড়খণ্ডেও টানা বৃষ্টি চলছথে দফায়-দফায়। এই দুর্যোগের আবহে গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো উদ্বেগ বাড়িয়েছে ডিভিসি। শনিবার থেকে জল ছাড়তে শুরু করেছে ডিভিসি। ডিভিসি-র ছাড়া জলেও তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। আবহাওয়ার উন্নতি না হলে এবং ডিভিসি জল ছাড়তে থাকলে রাজ্যে একাধিক জেলায় প্লাবন পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা বাড়ছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৪
রাজ্য

বাংলায় বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনা! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বিড়লা গোষ্ঠাীর কর্ণধারের

বাংলায় নয়া বিনিয়োগের সম্ভাবনা। এবার এখানে বিনিয়োগ করতে পারেন আদিত্য় বিড়লা গ্রুপ। এরাজ্যে তাঁরা বিশ্ব মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যেগ নিতে পারে। মঙ্গলবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন আদিত্য বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান কুমার মঙ্গলম বিড়লার। মুখ্যমন্ত্রী ছবি পোস্ট করে এক্স হ্যান্ডেলে এই কথা জানিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান মিঃ কুমার মঙ্গলম বিড়লা আজ(মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে আমার সাথে দেখা করলেন। এটি একটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ। তিনি আমার সঙ্গে বাংলায় ব্যবসার সুযোগ এবং এখানে তাদের বিনিয়োগের উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। সিমেন্ট এবং রং উৎপাদনের মতো বিভিন্ন খাতে তাদের ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে। তাঁরা শহরে একটি বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা করছে এবং নতুন বিনিয়োগের জন্য তাদের অন্যান্য পরিকল্পনাও রয়েছে। আমরা সব আলোচনা করেছি এবং আমি তাকে আমাদের সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছি।অভিজ্ঞ মহলের মতে, বিড়লা গোষ্ঠীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই আলোচনায় রাজ্যে বিনিয়োগ হতে পারে। তার ফলে কর্ম সংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জুলাই ৩০, ২০২৪
রাজ্য

ফের বাড়ল রাজ্যের ক্লাবগুলির দুর্গাপুজোর অনুদান, "আগামী বছর ১ লক্ষ টাকা"- মমতা

ফের বাড়ল দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান। এবার দুর্গাপুজোয় পুজো কমিটি গুলিকে ৮৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেবে রাজ্য সরকার। রাজ্যের ৪৩টি ক্লাব এই অনুদান পাবে। পুজো কমিটিগুলির ফায়ার লাইসেন্স সহ সমস্ত ধরনের করও মকুব করার কথা ঘোষণা্ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্যুতেও থাকছে বিশেষ ছাড়।২০২৩ সালে ৭০ হাজার টাকা করে দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দিয়েছিল রাজ্য সরকার। এবার সেই অনুদান বেড়ে হল ৮৫ হাজার টাকা। শুধু তাই নয়, সামনের বছর থেকে পুজো কমিটিগুলোকে অনুদান হিসেবে ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।গতবার দুর্গাপুজোয় বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল ৬৬ শতাংশ। এবার আরও বেড়েছে সেই ছাড়ের অঙ্ক। এবার ছাড় দেওয়া হচ্ছে ৭৫ শতাংশ। গত কয়েক বছর ধরে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই রাজ্যে। এবার আগামী ১৫ অক্টোবর দুর্গাপুজোর কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা, কলকাতা পুলিশের আধিকারিক এবং ফোরাম ফর দুর্গোৎসব সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই অনুষ্ঠানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, যে এ বছর ৪৩ হাজার ক্লাবকে দুর্গাপুজোর অনুদান বাবদ ৮৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। ২০২৫ সাল থেকে এই অনুদানের পরিমান বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১ লক্ষ টাকা। এবছর দুর্গাপুজো কমিটিগুলোকে বিদ্যুতের মাশুলে ৭৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত বছর বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছাড় ছিল ৬৬ শতাংশ। এবছর অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দুর্গাপুজো।

জুলাই ২৩, ২০২৪
রাজনীতি

বাংলাদেশে রক্ত ঝড়ায় দুঃখী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অসহায়দের পাশে থাকার বার্তা

কোটা আন্দলন নিয়ে স্তব্ধ বাংলাদেশ। সারা দেশে কার্ফু জারি। দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের হাসিনা সরকার। যদিও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এই ইস্যুতে আজই রায় দিয়েছে। তবে অশান্তির জেরে ওই দেশে পড়তে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা ফিরে আসছে এদেশে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তগুলিতে বানিজ্য বন্ধ। এরইমধ্যে ধর্মতলায় শহিদ মঞ্চ থেকে বাংলাদেশ নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না বলেও বেশ কিছু কথা বলে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অসহায়দের জায়গা দেওয়ার পাশাপাশি দু:খ প্রকাশ করেছেন তিনি।এদিন শহিদ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে আমি কোনও কথা বলতে পারি না। কারণ ওটা একটা আলাদা দেশ। বাংলাদেশ নিয়ে যা বলার সেটা কেন্দ্রীয় সরকার বলবে। আমি এটুকু বলতে পারি অসহায় মানুষ বাংলায় দরজা খটখট করে আমরা তাঁদের আশ্রয় নিশ্চয় দেব। কারণ, এটা ইউনাইটেড নেশনের একটা রেজেলিউশন আছে। কেউ যদি রিফিউজি হয়ে যায় তাঁকে পার্শ্ববর্তী এলাকা সম্মান জানাবে। আসমে একটা গন্ডগোল হয়েছিল বোরোদের সাথে। আলিপুরদুয়ারে তাঁরা দীর্ঘ দিন ছিলেন। আমিও গিয়েছিলাম তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে।বাংলাদেশের গন্ডগোলের জেরে প্রাণ গিয়েছে ছাত্রদের। প্রতিবাদে কলকাতাতেও বিক্ষোভ হয়েছে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কিন্তু আমার আপনাদের কাছে আবেদন, বাংলাদেশ নিয়ে আমরা যেন কোনও প্ররোচনাতে না যাই। আমরা যেন কোনও উত্তেজনাতে না যাই। আমাদের সহমর্মিতা, আমাদের দুঃখ সে যারই রক্ত ঝড়ুক তাঁদের জন্য আছে। আমরা দুঃখী। আমরাও খবর রাখছি। ছাত্র-ছাত্রীদের মহান প্রাণ, তাজা প্রাণগুলো চলে যাচ্ছে।এদিকে এদিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট তাঁর রায়ে হাইকোর্টের রায় খারিজ করে দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। বাকি ৭ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে। ৫ শতাংশ একাত্তের মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের। বাকি ২ অন্য সংরক্ষণ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যদি আপনাদের কোনও পরিবার থাকে, পরিজন থাকে, কেউ পড়াশুনা করতে যান। কেউ চিকিৎসা করতে এসে ফিরতে না পারেন। যদি কোনও সহযোগিতার দরকার হয়। সহযোগিতা করা হবে।

জুলাই ২১, ২০২৪
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া লাইভে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী, তুলোধনা হাইকোর্টের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়া লাইভ চলাকালীণ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন হাওড়ার এক তৃণমূল কর্মী। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এবার ওই গ্রেফতারি নিয়ে পুলিশের ভূমিকার তুলোধনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এদিন বিকেল ৫টার মধ্যে ওই ঘটনায় ধৃত এরশাদ সুলতানকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এই ধরণের ঘটনা নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি সিনহা।গত ২৪ জুন, মন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ আমলাদের নিয়ে পুরসভার ভূমিকা খতিয়ে দেখতে এক বৈঠকে বক্তব্য় রাখছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেদিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়। উল্লেখ্য সেই বৈঠক থেকে হাওড়া পুর পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশও করেন মমতা। সোশাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচারিত হয় সেদিনের সেই বৈঠক। লাইভ সম্প্রচারের মাঝেই এরশাদ সুলতান নামে ওই ব্যক্তি কমেন্ট করে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে হাওড়ার দুই ওয়ার্ডে পুকুর ভরাটের অভিযোগ আনেন। যা নিয়ে হাওড়ার তৃণমূল নেতা সুশোভন চট্টোপাধ্যায় পুলিশে অভিযোগ জানায়।এই অভিয়োগের জেরে দলের অন্দরেই হইচই পড়ে যায়। এরপর গত ২৮ জুন ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শিবপুর থানায় সুশোভনবাবু অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেছেন, তৃণমূল নেতা নয় এলাকাবাসী হিসাবে অভিযোগ করেছি। সম্মানীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না থাকায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। ৩০ জুন গ্রেফতার হন এরশাদ। মামলার জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। এদিকে ঘটনার শুনানি চলাকালীন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তিনি এই ঘটনাকে ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করে বিচারপতি বলেন, কোন মানুষ ক্ষোভ জানালে তাকে গ্রেফতার করা হবে? অযথা পুলিশের নাক গলানো নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি বিচারপতি সিনহা এও জানতে চান মন্ত্রী অরূপ রায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেছেন কিনা?

জুলাই ০৩, ২০২৪
রাজ্য

হকার উচ্ছেদ নিয়ে ফের হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রীর, বেঁধে দিলেন রাস্তা পরিষ্কারের সময়

হকার উচ্ছেদ আমাদের লক্ষ্য নয়, তবে সবটাই করতে হবে নিয়ম মেনে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেআইনি হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা, কাউন্সিলরদের একাংশকেও কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি একমাস সময় দিয়েছেন হকারদের।মমতা বলেছেন, হকারদের আমি এক মাস সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে সব গোছাতে শুরু করুন। রাস্তা পরিষ্কার রাখতে হবে। আমাদের সার্ভে চালু থাকবে। আপনাদের কোথায় জায়গা দেওয়া যায়, তা সরকার দেখবে। গোডাউনের ব্যবস্থাও করবে। কিন্তু রাস্তা দখল করা যাবে না।এবার হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেআইনি হকার উচ্ছেদ অভিযানে নেমেছে পুলিশ প্রশাসন। রীতিমতো বুলডোজার চালিয়ে বেআইনি দখলদারি ভেঙে দিচ্ছে প্রশাসন। তা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভও দানা বেঁধেছে চূড়ান্তভাবে। মুখ খুলেছে বিরোধীরাও। এ প্রসঙ্গেই সাংবাদিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা-কাউন্সিলরদের একাংশ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একজন হকার চারটে করে ডালা বসাচ্ছে। এসব চলবে না.. কাউন্সিলর এসব চোখে দেখেও দেখেন না। গড়িয়াহাটে হাঁটার জায়গাই নেই। কাউকে বেকার করে দেওয়ার অধিকার আমার নেই। হাতিবাগানে রাস্তা দখল হয়ে গেছে। কাউন্সিলরদের দোষ আছে। ভাবছে মাসে মাসে চাঁদা পেলাম, আর রাস্তা দিয়ে দিলাম। প্রথমে বসাচ্ছেন পরে বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ করতে যাবেন। যে কাউন্সিলরের এলাকায় এসব হবে তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে। ডাবগ্রাম ফুলবাড়িতে তৃণমূল নেতাও গ্রেফতার হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সরকারি জমি দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হলে কোর্টে চলে যাচ্ছে। আদালতকে বোঝাতে আমরা ব্যর্থ। পুলিশ নেতাদের টাকা দিয়ে বেআইনি পার্কিং জোন। সবচেয়ে বেশি পার্কিং রয়েছে বিজেপির। হাওড়ায় যে যেখানে পারছে লুঠ করে নিচ্ছে। পুলিশের লোভ বেড়ে গেছে আজকাল। লোভ বেশি ভালো নয়। লোভ সম্বরণ করুন। পুলিশ, নেতারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। হকারদের থেকে টাকা তোলা বন্ধ করুন নেতারা। বহিরাগতদের জায়গা দেওয়া হবে না।এদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, সাহস থাকলে রাজাবাজার, গার্ডেনরিচ, মেটিয়াব্রুজ, পার্কসার্কাসে হকার উচ্ছেদ করুক। আগে তো বলেছিলেন টুল আর টেবিল নিয়ে বসতে। এখন গরীবের উচ্ছেদ চলছে গরীব হকারদের। এদিকে বাংলা পক্ষ সরব হয়েছে বাঙালি ভূমিপুত্রদের উচ্ছেদ করায়।

জুন ২৭, ২০২৪
রাজনীতি

২০২৬ লক্ষ্যঃ অ্যাকশন শুরু- দলীয় নেতৃত্ব ও পুরসভা, পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযোগ মমতার

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্য়েই হকার অভিযানে নামল রাজারহাট থানার পুলিশ। থানার আশেপাশে রাস্তার হকারদের রাস্তা দখল করে বসা যাবে না বসে সতর্ক করে দিয়েছে। এবার সারা রাজ্য়ে নানা ধরনের অভিযান চলবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। চলতি লোকসভা নির্বাচনে শহরাঞ্চল মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে ঘাসফুল শিবির থেকে। বেশিরভাগ পুর এলকায় জয় পয়েছে বিজেপি। তাই এখন থেকেই তৃণমূল নেত্রী ময়দান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে নেমেছেন। নিজেই দলীয় নেতৃত্ব ও পুরসভা, পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযোগ তুলেছেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বাংলার আইডেন্টিটি নষ্ট হচ্ছে। রাজ্য সরকারের জমি বেঁচে দিচ্ছে। পুরসভাগুলির কোনও পারফর্মেন্স নেই। পুলিশ ও আধিকারিকরা টাকা খেয়ে জমি বিক্রি করে দিচ্ছেন। ভ্য়াট, আবর্জনা নিয়মিত পরিস্কার হয় না। রাস্তায় আলো জ্বলেই যাচ্ছে জ্বলেই যাচ্ছে। কলের জল পরেই যাচ্ছে। টাকা কোথা থেকে আসছে। এটা লজ্জা মিউটেশন অনলাইন করা হলেও কাজ সময়মতো হচ্ছে না। যখন তখন ট্য়াক্স বাড়িয়ে দিচ্ছে। যখন তখন লোক নিয়োগ করে দিচ্ছে। অনলাইন এড়িয়ে অনুমতি। টাকার বিনিময়ে পুরসভার জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে। সরকারি জমি নষ্ট হচ্ছে। তদন্ত করতে চিফ সেক্রেটারিকে অর্ডার দিচ্ছি। আমি জানতে চাই না কে বা কারা করেছে, কারা আছে। সরকারি সম্পত্তি বাইরের লোক টাকার বিনিময়ে কিনছে। সরাকারি জমি জখল করে মাল্টিস্টোরেড বিল্ডিং হচ্ছে। রাজ্য সরকারের রাস্তা সংরক্ষণ হচ্ছে না। বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী, জেলর, এসিডও, ডিএম, আইসি কাউকে ছেড়ে কথা বলেননি মমতা।দলের মন্ত্রীকেও বিঁধেছেন মমতা। তিনি বলেন, সল্টলেক, রাজারহাটের জমি দখল করা হচ্ছে। সুজিত(দমকলমন্ত্রী) কম্পিটিশন করে বাইরের লোক বসাচ্ছে। সল্টলেকের কাউন্সিলররা কাজ করে না। রাস্তা ঝাড় দেয় না এবার আমাকে ঝাড় দিতে হবে। কলকাতায় পুলিশ চোখে ঠুলি দিয়ে বসে আছে। হাওড়ার চারজন বিধায়ক সুবিধা নিচ্ছে। বালি পুরসভার অবস্থাও খুব খারাপ। নমিনেটেড ৫ জন ভাবছে এটা তাঁদের সম্পত্তি। লোকাল টেন্ডার হবে না। এবার সেন্ট্রালই হবে। ডেভেলপমেন্ট বোর্ডগুলিতে ৪০০-৫০০ জন লোক রেখে দিয়েছে। কারও মাথা টিপছে কারও পা টিপছে। দীঘা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি আছে। কোনও দরকার আছে। সরকারের লোক নেই কাজে লাগাও। হলদিয়া ডেভেলপ অথরিটিও তাই। আমাদের লোকেরা ভাবছে উনি তো ভুলে যাবেন। অফিসার ভাবেন আমি তো ২ বছর থাকবে। কোনওমতে কেটে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, এবার রিভিউ কমিটি হবে। ভিডিল্য়ান্স, এডিজি ল এন্ড অর্ডার, সিআইডি, ডাইরেক্টর অব সিকিউরিটিসহ অন্যরা থাকবে। যে দাবি করার কথা বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএমের সেই দাবি করছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান অভিযোগ করছেন, পুকুর ভরাট হচ্ছে। তা দখল করে বাড়ি হয়ে যাচ্ছে। কন্ট্রাক্টর, প্রমোটার রাজ চলছে। খাল বিক্রি করে দিচ্ছে। অবৈধ নির্মান চলছেই। আকাশ সমান বাড়ি হচ্ছে। এমনকী নবান্নের পাশে হচ্ছে। রথীন চক্রবর্তী অনুমতি দিয়েছে। ফুটপাত দখল বেড়ে যাচ্ছে। পুলিশ ও পুরসভা দেখছে না। যারা দেখবে না তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হবে।সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন মমতা। তাঁর দাবি, বিজেপিকে ভাগ দিচ্ছে অফিসাররা। তাঁরা মোটা টাকা তুলছে বাংলা থেকে। গরুর টাকা সব থেকে বেশি খায় বিজেপি। কয়লার টাকা, বালি, পাথার সব থেকে বেশি টাকা খায় বিজেপি। টাকা যায় পুলিশের মাধ্যমে। ওভারলোডিং ট্রাক টলছে। এতে আমাদের কিছু কিছু লোক আছে। তাদের ইডি, সিবিআই ভয় দেখায। টাকা তোলার মাস্টার চাই না। আমি জনসেবক চাইছি। এখানে কারও কথা শুনবো না।

জুন ২৫, ২০২৪
রাজ্য

অচিরেই কি বর্ষায় আর ভাসবে না ঘাটাল, মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরই নয়া ঘোষণা সাংসদ দেবের

পরপর ৩ বার ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের দীপক অধিকারী তথা দেব। টলিউডের এই অভিনেতা ১০ বছর ধরে বলে আসছেন ঘাটাল মাস্টারপ্ল্য়ানের কথা। সংসদেও বলেছেন এই পরিকল্পনার কথা। এবারের নির্বাচনে খোদ মুখ্যমন্ত্রী কথা দিয়েছেন ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান হবে বলে। শেষমেশ বুধবার সল্টলেকে জনসম্পদ ভবনে রাজ্যের সেচমন্ত্রীর সঙ্গে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে বৈঠক করলেন দেব। সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দেব এদিন জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই শেষ হবে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ। তবে ঘাটালের মানুষের সহযোগিতা চাই। তাহলে ৩ বছরেও কাজ শেষ হয়ে যেতে পারে। খালগুলি চওড়া করতে হবে। অনেক জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। কেন্দ্র রাজ্য দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে শুরু হতে চলেছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ। সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে আগামী বছর জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান এর কাজ শুরু হবে। সোমবার দুপুরে সল্টলেকে জনসম্পদ ভবনে সেচ দপ্তরে মিটিং করেন রাজ্যের শেষ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক এবং ঘাটালের এমপি দীপক অধিকারী । মিটিং শেষে দীপক অধিকারী জানান ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান সম্পূর্ণ করতে সব থেকে আগে দরকার ঘাটালের মানুষের সহযোগিতা। জল সম্পদ উন্নয়ন ভবনে এদিনের মিটিংয়ে সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিকের ও এই দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেবের প্রায় এক ঘন্টা বৈঠক হয় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে। রাজ্য সরকারের উদ্যোগেই শুরু হতে চলেছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান শুরু করার আগে খাল কাটা, পাম্পিং স্টেশন তৈরি করা অনেক কাজ রয়েছে, সেই কাজগুলি শুরু হতে চলেছে জানুয়ারি মাসে। তার সবুজ সংকেত পাওয়া গেল সোমবারের বৈঠক থেকে।

জুন ১২, ২০২৪
রাজ্য

"কি করে সরকারি নথি বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে?", ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী

কি করে সরকারি নথি বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে? মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠকে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান স্পষ্ট বলেছেন, অনেক অফিসারই দুদিকে তাল রেখে চলছেন। মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়, স্বরাষ্ট্র দফতর এবং অর্থ দফতরের কাগজ, ফাইল নোটিং সব বেরিয়ে যাচ্ছে। কে এগুলো বের করছেন? কারা ফাঁস করছেন? শুধু তাই নয়, কিছু পুলিশ আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, শিক্ষা দফতরের মুখ্যসচিব মনীশ জৈনের কাজ নিয়েও সন্তুষ্ট নন মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও ফাইলে তিনি লিখে দিচ্ছেন ওপরের আধিকারিকদের নির্দেশে। কখনও লিখছেন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে বলেছেন। তাঁর কথায়, আধিকারিক হিসাবে নিজেকেও তো দায়িত্ব নিতে হবে। উল্লেখ্য, শিক্ষা দফতরের একাধিক আধিকারিক এখন জেলবন্দি। জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী । একইসঙ্গে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁদের। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর অসন্তোষের কারণ, রাতের বেলায় ওভারলোড ট্রাক থেকে টাকা তুলছে পুলিশের একাংশ। একটা কোড ব্যবহার করা হচ্ছে। তার পর সেই টাকা চলে যাচ্ছে কাঁথিতে। ওভারলোড ট্রাক থেকে পুলিশের একাংশ যে টাকা তোলে সে ব্যাপারে সাধারণ মানুষের অনেকেরই বিস্তর অভিজ্ঞতা রয়েছে। অনেকে অভিযোগ করেন, হাত বাড়িয়ে পুলিশের একাংশকে আকছার টাকা তুলতে দেখা যায়। কিন্তু কাঁথিতে টাকা চলে যাচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রী যে অভিযোগ করেছেন, তা শুনে রীতিমতো বৈঠকে একজন আরেকজনের দিকে তাকাতে থাকে। রাজ্যের উন্নয়ন নিয়েও নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যেন কোনও উন্নয়নের কাজে কোনও ঢিলেমি না হয়। কোনও ফাইল যেন আটকে না থাকে। বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুন ১২, ২০২৪
রাজ্য

'যোগ্যশ্রী'তে এবার সিযোগ মিলবে সংখ্যালঘু, ওবিসি ও জেনারেল ক্যাটেগরিদেরও, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

নয়া মাস্টারস্ট্রোক মমতা সরকারের। এবার যোগ্যশ্রী প্রকল্পের আওতায় আরও বেশি ছাত্রছাত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এব্যাপারে এক্স হ্যান্ডলে দীর্ঘ পোস্ট করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগ্যশ্রী প্রকল্পে এবার কাদের যুক্ত করছে রাজ্য? সেব্যাপারে এক্স হ্যান্ডলে বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লিখেছেন, জানাতে গর্ব হচ্ছে যে, আমাদের যোগ্যশ্রী স্কিম যাতে আমরা রাজ্যের SC/ST ছাত্র-ছাত্রীদের ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিকেল কোর্সে ভর্তির জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি, তা আমাদের SC/ST ছেলে-মেয়েদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবার পথে খুবই কাজে লাগছে। এই স্কিমে আমরা এবার সংখ্যালঘু, ওবিসি এবং জেনারেল ক্যাটেগরি ছাত্রছাত্রীকেও যুক্ত করব।তিনি আরও লিখেছেন, এই ২০২৪ সালের পরীক্ষাতেই আমাদের যোগ্যশ্রী ছেলেমেয়েরা JEE (অ্যাডভান্সড) পরীক্ষায় ২৩টি র্যাঙ্ক (১৩টি IIT র্যাঙ্ক সহ), JEE (মেইন) এ ৭৫টি র্যাঙ্ক, WBJEE-এ ৪৩২টি র্যাঙ্ক এবং NEET-এ ১১০টি র্যাঙ্ক পেয়েছে। এইসব কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ফলাফল আগের বছরের ফলাফলের চেয়েও অনেক ভালো।যোগ্যশ্রীর এই বিপুল সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে এটাকে আমরা আরও বড় আকারে করছি। রাজ্যজুড়ে মোট ৫০টি সেন্টার খোলা হয়েছে যেখানে আমার দুহাজার SC/ST ছেলেমেয়ে ট্রেনিং পাবে। এখন ক্লাস ১১ থেকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হবে। এতে ছেলেমেয়েরা আরো ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, আমাদের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর ছেলে-মেয়েরা আরও অনেক বেশি সংখ্যায় ইঞ্জিনিয়ার-ডাক্তার হবে এটাই আমি চাই। এবার যুক্ত হবে সংখ্যালঘু, ওবিসি এবং জেনারেল ক্যাটেগরির ছেলেমেয়েরাও। সবার জন্য রইল আমার অভিনন্দন।

জুন ১১, ২০২৪
রাজ্য

গদীতে আসীন হয়েই বাংলাকে টাকা পাঠাল মেদী, সারা দেশে বন্টন ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা

তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর পরই নানা খাতে টাকা বরাদ্দ করে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথমে কৃষকদের জন্য়, এবার রাজ্যগুলিতে করের অতিরিক্ত কিস্তির টাকার অনুমোদন দিল এনডিএ সরকার। সোমবারই নয়াদিল্লিতে প্রথম বৈঠকে বসে নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা। আর সেদিনই দেশের সমস্ত রাজ্যগুলিকে করের টাকার অতিরিক্ত কিস্তি দিল মোদী সরকার। এদিকে জুন মাসের করের টাকার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। সারা দেশে রাজ্যগুলিকে ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।এই টাকার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও ভাগ পেয়েছে। প্রায় ১০,৫১৩ কোটি টাকা পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দীর্ঘ বছর ধরেই রাজ্য় দাবি করে আসছে রাজ্যের খাতের হাজার হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দিচ্ছে না। বকেয়া আদায়ের জন্য় দিল্লিতে গিয়ে ধর্নাও দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এবার লোকসভার ভোটের অন্যতম ইস্যু ছিল কেন্দ্রীয় বঞ্চনা। সব থেকে বেশি টাকা পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ। নিয়মানুযায়ী রাজ্যগুলিকে করের ভাগ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। যাক পোষাকী নাম ট্যাক্স ডেভোলিউশন। আয়কর-সহ অন্যান্য খাতে রাজ্যগুলি থেকে কেন্দ্র যা আয় করে, তার একটি অংশ রাজ্যকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে টাকা দেয় কেন্দ্র। উত্তরপ্রদেশ পেয়েছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টকা। তার পরেই রয়েছে বিহার। তাদের দেওয়া হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা।কর কাঠামোর টাকার কত অংশ কোন রাজ্য পাবে সেটি ঠিক করার অন্যতম মানদণ্ড হল সে রাজ্যের জনসংখ্যা। সেই বিচারে উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি পেয়েছে। জনসংখ্যার বিচারে করের টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে চতুর্থ স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বাংলা পেয়েছে ১০,৫১৩ কোটি টাকা।অন্তর্বর্তী বাজেটে এই ডেভোলিউশন খাতে ১২ লক্ষ ১৯ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। জুন মাসে দেওয়া হল এক লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

জুন ১১, ২০২৪
রাজ্য

যাদবপুরের মাটিকে মর্যাদায় ভরালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল কংগ্রেসে কেউ মানুষের ঊর্ধ্বে নয়। কারণ সকলেই মানুষের জন্য কাজ করতে তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছেন। মানব সেবাই আমাদের ভিত্তি। যাদবপুরের মাটি আমার কাছে সর্বদা আলাদা। এই মাটি আমাকে মানুষের সেবা করার প্রথম সুযোগ দেয়। এই মাটির মানুষ আমাকে সর্বদা দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন। এই মাটি থেকে আমি যা পেয়েছি, তা আজন্ম আমার হৃদয়ের মণিকোঠায় থেকে যাবে। সোনারপুর স্পোর্টিং ইউনিয়নের খেলার মাঠ এবং যাদবপুরের বারো ভূতের মাঠে, ঝড়-বৃষ্টিকে মাথায় নিয়ে যে সংখ্যায় আমার গণদেবতা এসে আজকের জনসভা দুটিকে সাফল্যমণ্ডিত করলেন, তার জন্য আমি সকলকে নতমস্তকে প্রণাম জানাই। মনে রাখবেন বিজেপি এবং বিজেপির বি-টিম সিপিআইএম - এই দুটি দলকে একটাও ভোট নয়। কারণ, এরা কল্যাণ নয় হিংসায় বিশ্বাসী।

মে ২৬, ২০২৪
রাজ্য

মমতার নিশানায় ফের কার্তিক মহারাজ, আইনি চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। এদিন আবার বাঁকুড়ার ওন্দার জনসভা থেকে কার্তিক মহারাজের নাম নিয়ে তুলোধনা করলেন তৃণমূলনেত্রী। এলাকায় এলাকায় গিয়ে ধর্মের নামে আপনি বিজেপি করে বেড়ান। আমি বলছি আপনি করুন। কিন্তু বিজেপির চিহ্নটা বুকে লাগিয়ে রেখে করুন। ভরা মঞ্চ থেকে এভাবেই কার্তিক মাহারাজকে এদিনও আক্রমণ তৃণমূল সুপ্রিমোর।আমি একটি লোকের নাম করে বলেছিলাম, তাঁর নাম কার্তিক মহারাজ। তিনি আমাদের এজেন্ট বসতে দেননি। ভোটের দুদিন আগে মুর্শিদাবাদে যে দাঙ্গাটা করিয়েছিলেন তার হোতা ছিলেন উনি। আমি সেই জন্য বলেছিলাম এবং বলে যাব। আগে অধীর করতেন, এখন বিজেপি করেন।মুর্শিদাবাদের যে জায়গায়টায় রেজিনগরে ভোটের দুদিন আগে দাঙ্গা করেছিল। সেখানে ওনার আশ্রম। উনি আশ্রম চালান, আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু আমি যখন জিজ্ঞাসা করলাম ওখানে তৃণমূলের এজেন্ট নেই কেন? বলল কার্তিক মহারাজ বলেছেন এখানে তৃণমূলের এজেন্ট বসতে দেব না। কিছু লোককে খেপিয়েছে যারা ছানার ব্যবসায়ী। খবর আমিও রাখি। এলাকায় এলাকায় গিয়ে ধর্মের নামে আপনি বিজেপি করে বেড়ান। আমি বলছি আপনি করুন। কিন্তু বিজেপির চিহ্নটা বুকে লাগিয়ে রেখে করুন। লুকিয়ে লুকিয়ে কেন? আমি তাই বলেছি। আমি যেটা বলি সেটা প্রমাণ ছাড়া বলি না। বাংলায় তৃণমূলের এজেন্ট বসবে না, ভোটের দুদিন আগে দাঙ্গা করিয়ে দেবে। তাদের আমি ছেড়ে দেব?এদিকে, আইনজীবী মারফত এদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়েছেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। ৪ দিনের মধ্যে তাঁর চিঠির জবাব না পেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর আগে হুগলির গোঘাটের সভা থেকেও কার্তিক মহারাজকে বেনজির নিশানা করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের সেই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই এই আইনি চিঠি।তিনি আইনি পথে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের মোকাবিলা করবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন। শেষমেশ আইনজীবী মারফত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠালেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। ৪ দিনের মধ্যে তাঁর চিঠির জবাব না পেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্দে আইনি পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে তৃণমূলের তরফেও জানানো হয়েছে আইনি পথেই এর মোকাবিলা করবেন তাঁরা।তৃণমূল সুপ্রিমোর মন্তব্য ভারত সেবাশ্রম সংঘের অগণিত ভক্তের ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মে ২১, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যপালের পদত্যাগ দাবি মুখ্যমন্ত্রীর, রাজভবনে যাবেন না মমতা

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছিলেন রাজভবনেরই এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী। যা ঘিরে আজ ফের একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিশানা করলেন সিভি আনন্দ বোসকে। রাজ্যপালের পদত্যাগ দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে এবার থেকে কোনও কাজে আর রাজভবনে যাবেন না বলেও সাফ জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তবে রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন হলে কোথায় তিনি যাবেন তাও এদিন স্পষ্ট করেছেন তৃণমূলনেত্রী।মাননীয় রাজ্যপাল! আমার কী দোষ আপনি বলুন। আমি তো জানিই না ঘটনা পুরো। রাজ্যপালের তো পদত্যাগ করা উচিত। মহিলাদের উপর নির্যাতন করার আপনি কে? প্রেসকে ডেকে এডিট করে কিছু ভিডিও দেখিয়েছে। পুরোটা কি দেখিয়েছে? কপিটা আমার কাছে আছে। এখনও তো সব বেরোয়নি। আর একটা পেনড্রাইভ পেয়েছি। আরও কেলেঙ্কারি। বাবারে! আমাকে এখন রাজভবনে ডাকলে আমি আর যাব না। আমাকে রাস্তায় ডাকলে যাব। রাজ্যপালের কথা বলতে হলে আমাকে রাস্তায় ডাকবেন। রাস্তায় গিয়ে কথা বলে আসব। রাজভবনে আর যাব না। যা কীর্তি-কেলেঙ্কারি শুনছি তাতে আপনার পাশে বসাটাও পাপ।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আবহে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযোগ উঠেছে। রাজভবনেরই এক অস্থায়ী কর্মী রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন। দুবার রাজভবনের পিস রুমে তাঁর শ্লীলতাহানি করেছেন সিভি আনন্দ বোস, এমনই অভিযোগে হেয়ার স্ট্রিট থানায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়েছেন ওই মহিলা। যদিও রাজ্যপাল নিজে অবশ্য। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে পাল্টা সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যপাল। রাজভবনের তরফে বেশ কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই ভিডিও নিয়েও তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, এডিট করে ওই ভিডিও প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

মে ১১, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুলকালাম, তুঙ্গে বিতর্ক

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে অস্বস্তি বেড়েছে পদ্মশিবিরে। এবার আরও অস্বস্তি বাড়াল পুলিশ। সন্দেশখালিতে যৌন নির্যাতন-ধর্ষণের ঘটনা সাজানো বলছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। সেই ভাইরাল ভিডিওর রেশ কাটতে না কাটতেই নয়া ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে মহিলারা দাবি করছেন, ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিল মহিলা মোর্চার নেত্রী। তাঁরা কোনও ধর্ষণের অভিযোগ করেননি। এবার সেই ঘটনায় বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাসকে সমন পাঠাল সন্দেশখালি থানার পুলিশ। তাঁকে জেরা করতে চায় পুলিশ।সন্দেশখালিতে ধর্ষণ কিংবা যৌন নির্যাতনের ঘটনা কি সাজানো? এবার আরও একটি নতুন ভিডিও-য় চাঞ্চল্যকর কিছু দাবি করতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। যদিও সেই ভিডিও-টির সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা।দিন কয়েক আগেই সন্দেশখালির (Sandeshkhali) BJP নেতা গঙ্গাধর কয়ালের বক্তব্য নিয়ে এটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেই ভিডিও প্রকাশ করে সন্দেশখালির গোটা ঘটনা নিয়ে BJP-কেই তুলোধনা করতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। বৃহস্পতিবার ভাইরাল হওয়া আরও একটি ভিডিও-য় সন্দেশখালিরই আরেক বিজেপি নেতা অনুপ দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনা গিয়েছে বসিরহাটের BJP প্রার্থী তথা সন্দেশখালি আন্দোলনের মুখ রেখা পাত্র সহ কয়েকজন মহিলাকে।এবার নতুন আরও একটি ভিডিও-য় মুখ খুলতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। সেই ভিডিও-য় তিন মহিলার দাবি, ধর্ষণ-সহ যে বিভিন অভিযোগ করা হয়েছে তা সাজানো। এমনকী মহিলা কমিশন যেদিন সন্দেশখালিতে গিয়েছিল ওই দিন এক বিজেপি নেত্রী তাঁদের মিথ্যা অভিযোগ করতে বলেছিলেন বলেও দাবি তাঁদের। সাদা কাগজে তাঁদের দিয়ে সই করিয়ে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ তাতে লেখা হয়েছে বলে দাবি কয়েকজন মহিলার।আদৌ তাঁদের সঙ্গে ধর্ষণের মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে ওই ভাইরাল ভিডিও-য় দাবি করেছেন মহিলারা। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা। বর্তমানে মিথ্যা মামলা তাঁরা তুলে নিতে চাইলে বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাস ও এলাকার কয়েকজন বিজেপি নেতারা তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনায় মাম্পিকে জেরা করতে তাঁকে তলব করেছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

বর্ধমানের গন্তারে তৃণমূল প্রার্থী শর্মিলা সরকারকে সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, বিজেপির অপশাসনে সবকিছুর মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে, কেবলমাত্র সাধারণ মানুষের জীবনের মূল্য হ্রাস পেয়েছে। বিজেপি এবং সিপিআইএম একজোট হয়ে আমাদের রাজ্যের ২৬,০০০ মানুষের থেকে চাকরি কেড়ে নিয়েছে। তাই সিপিআইএম-কংগ্রেস-বিজেপির এই জনবিরোধী জোটকে প্রতিহত করতে হবে। নির্বাচন কমিশন আমাদের ১,৫০০ পুলিশ কর্মীকে অন্য রাজ্যে নিয়ে গিয়েছে কিন্তু তাদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান থেকে বিরত রেখেছে। এটা গণতন্ত্রের জন্য কালো দিন। আমি কথা দিচ্ছি, যদি তাঁরা ভোটদান না করতে পারে তাহলে আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো।বৃহস্পতিবার রাজভবনে এক অস্থায়ী মহিলা কর্মীর রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় হয়ে যায়। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি নারীদের নিয়ে খুব বড় বড় ভাষণ দেন। কিন্তু রাজ্যপালের রাজভবনে ঘটে যাওয়া ঘটনার ব্যাখ্যা কী? সেই অসহায়, নিষ্পাপ মেয়েটির কী দোষ ছিল? লজ্জা লাগছে আমার! ছিঃ! বিজেপির কালো শাসনে আমরা কেউ ভালো নেই, আমাদের সকলকে ভালো থাকতে হবে।যদিও অভিযোগের পর পরই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, সত্যের জয় হবেই। আমি কারও চক্রান্তকে ভয় করি না। কেউ যদি আমার নামে কুৎসা করে নির্বাচনী সুবিধা পেতে চায়, ঈশ্বর তাঁদের মঙ্গল করুন। কিন্তু তাঁরা বাংলায় দুর্নীতি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে আমার লড়াই থামাতে পারবে না।

মে ০৩, ২০২৪
রাজ্য

অধীরের দুর্গে তাঁকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী, কি কৌশল মমতার?

আগামী ৭ মে, তৃতীয় দফায় ভোট হবে মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর, মালদা উত্তর ও মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে। এরপর চতুর্থ দফাতেই রয়েছে প্রেসটিজ ফাইট। ওই পর্বে ভোট হবে অধীর চৌধুরীর বহরমপুরে কেন্দ্রে। নিজের দুর্গে অধীরকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী। ইতিমধ্যেই বহরমপুরে ঘাঁটি গেড়েছেন তিনি। আগামী দিন তিনেক বহরমপুরের একটি রিসর্টে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই জেলার বাকি দুই লোকসভা কেন্দ্রের ভোট পরিচালনা করে চলেছেন। বহরমপুরে পাঁচবারের সাংসদ অধীর চৌধুরীকে হারাতে কৌশল পাকা করে ফেলেছেন মমতা।মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভগবানগোলায় বিধানসভায় উপনির্বাচন হবে লোকসভা ভোটের সঙ্গেই। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ চপারে করে বহরমপুরে পৌঁছন দিদি। শাসক দলের অন্দরের খবর, সেখান থেকে বহরমপুরের রিসর্টে যাওয়ার আগে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ও বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে রণকৌশল তৈরিতে আলাদা করে বৈঠক করেন মমতা।জানা গিয়েছে, বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে জেতাতেই রণকৌশলই হুমায়ুনের সঙ্গে প্রায় ১৫ মিনিটের বৈঠকে পাকা করেছেন মমতা। সেই বৈঠকেই ভরতপুরের দলীয় বিধায়ককে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করায় শুরুতে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন এই হুমায়ুনই। তাহলে হঠাৎ কেন দলের এই বিধায়ককেই আস্থা রাখলেন দিদি? তৃণমূল সূত্রে খবর, হুমায়ুন কবীর বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র হাতের তালুর মতো চেনেন। সব পরিসংখ্যান, ভোটারদের আচরণ তাঁর চেনা। একসময় অধীর চৌধুরীর শিষ্যও ছিলেন তিনি। ফলে হুমায়ুনে ভরসা রেখেই কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে মরিয়া চেষ্টায় তৃণমূল সুপ্রিমো।পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বহরমপুর বিধানসভা এলাকা থেকে বিপুল লিড পেয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। তাতেই তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। এবার সেই পথ বন্ধ করতে বহরমপুর পুরসভা এলাকায় পরুসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালকে দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নেত্রীর এই ভরসার পর ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, মমতা তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছেন, তাঁর আশা তিনি তা রক্ষা করতে পারবেন। অন্যদিকে অধীর চৌধুরী ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, বহরমপুরে পরাজয়ের আতঙ্কেই মাননীয়া নাকি ব্যর্থ কৌশল রচনা করছেন

এপ্রিল ২৯, ২০২৪
রাজনীতি

"চাকরি খেকো মানুষ দেখেছেন?", মেদিনীপুরের জনসভায় প্রশ্ন মমতার

এদিন তৃণমূলের দুই প্রার্থী তমলুকের দেবাংশু ভট্টাচার্য ও মেদিনীপুরের জুন মালিয়ার সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা মানুষ খেকো বাঘ দেখেছেন। চাকরি খেকো মানুষ দেখেছেন?মমতা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, একদিকে যেমন বিনা পয়সায় রেশন দেওয়ার মত মিথ্যাচার করছে বিজেপি, অন্যদিকে গদ্দাররা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করে বাংলায় হিংসার বাতাবরণ সৃষ্টি করছে। তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের জোড়াফুলের প্রার্থী, যুব সমাজের প্রতিনিধি দেবাংশু ভট্টাচার্য এবং মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের জোড়াফুলের প্রার্থী, বিশিষ্ট অভিনেত্রী জুন মালিয়াকে আপনারা জয়ী করুন এবং এই মাটি থেকে সকল অপশক্তিদের বিদায় দিন। কারণ এরা কোনও দিন আপনাদের ভালো চায় না, চাইতে পারে না। এদের ক্ষমতাচ্যুত না করা পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই থামবে না।মমতা বলেন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের মেদিনীপুরের এই ধাত্রীভূমি কোনও দিন কোনও সাম্প্রদায়িক-বিভেদকামী শক্তির কাছে বশ্যতা স্বীকার করেনি। এই পবিত্র মাটি শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর মাটি, মাতঙ্গিনী হাজরার মাটি, পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, সতীশ সামন্ত, সুশীল ধাড়া, বীরেন্দ্রনাথ শাসমল-এর মাটি। আজকের কেশিয়াড়ী এবং দাঁতনের জনসভায় অসহ্য গরমেও বিপুল সংখ্যায় মানুষ এসে, এই সভা দুটিকে সাফল্যমণ্ডিত করেছেন। এর জন্য আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
রাজ্য

বাংলায় বেকার ছেলেকে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়ঃ অমিত শাহ

এরাজ্যে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়। রাজ্যের কয়েকজন নেতা ও মন্ত্রীদের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। অনেকেই জেল খাটছেন। এই ভ্রষ্টাচার আটকাতে গেলেই মোদি সরকারকে দরকার । মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার এবং রোডশো করতে এসে এভাবেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় মালদা এসে রোড শো করেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইংরেজবাজার শহরের ফোয়ারা মোড় থেকে রবীন্দ্র এভেনিউ এলাকার রবীন্দ্রমূর্তির কাছেই রোড-শো শেষ হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দক্ষিণ মালদার বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীকে হুডখোলা গাড়িতে পাশে নিয়ে এই রোড-শো করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রোড-শোকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্র ও দলীয় ঝান্ডায় সামিল হন দলীয় নেতা, কর্মীরা।এদিন তীব্র দাবদহের মধ্যে মালদার ইংরেজবাজার শহরের প্রাণকেন্দ্র ফোয়ারা মোড় থেকে রথবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রোড-শোয়ের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সকাল গড়িয়ে দুপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের হেলিকপ্টার নামে মালদা বিমানবন্দরে। এরপরে সেখান থেকে কনভয় নিয়ে সরাসরি শহরের ফোয়ারা মোড় এলাকার সভা মঞ্চে চলে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানে মাত্র পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই শুরু হয় এই রোড শো। এদিন নির্বাচনী প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এরাজ্যে একের পর এক দুর্নীতিগ্রস্ত নেতারা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সির কাছে ধরা পড়েছে। এই বাংলায় বেকার ছেলেকে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয় । এর থেকে আর নিন্দাজনক কি হতে পারে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য স্বচ্ছ ভারত এবং উজ্জ্বল ভারত গড়ে তোলা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আরও বলেন, উজ্জ্বল ভারত গড়তে গেলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে গেলে এনআরসি এবং সিএএ দরকার। ভ্রষ্টাচার বন্ধ করতে হবে। বেকারত্ব দূর করতে হবে। যেটা গত দুইবারের ক্ষমতায় থেকে কেন্দ্রের মোদি সরকার করেছেন। এরাজ্যে তৃণমূল সরকার শুধু দুর্নীতি আর ভ্রষ্টাচার করে এসেছে। তাঁর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর একটাই ভাষা সেটাই হচ্ছে আপনাদের ভোট । এই ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থীকে অন্তত এক লক্ষেরও বেশি ভোট দিয়ে জয়ী করতে হবে। এদিন মালদায় রোড-শো করার সময় মালদার তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪২ ডিগ্রির কাছাকাছি। আর এত দাবদাহের মধ্যে অসংখ্য মানুষের ভিড় দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । তিনি বলেন, আপনাদের জনজোয়ার এবং স্লোগান বলে দিচ্ছে এই বাংলায় বিজেপি প্রচুর আসন পাবে । একইভাবে মালদার দুটো আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবে বিজেপির দুই প্রার্থী। এই রোড-শো করার পর এই দিন মালদা থেকে হেলিকপ্টার করেই পূর্ণিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ২৩, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেককে খুন করার চেষ্টা, অভিযোগ মমতার, এসএসসি নিয়োগ বাতিল নিয়েও চরমে সুর

নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুন করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। এই অভিযোগে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। তবে এপ্রসঙ্গে নাম না করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেই নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিজেপির এক গদ্দার বললেন বোমা ফাটাব। আরে বোমা ফাটিয়ে মমতা ব্যানার্জির ওপর রাগ হয় তো মেরে দে। অভিষেককেও তো খুন করতে গিয়েছিলি, ধরে ফেলেছিলাম আমরা। তার বাড়ি পর্যন্ত রেইকি করেছে। ফেসটাইমে ফোন করেছে। আপকা সাথ বাত করনা চাহতা হু। সময় দিলেই গুলি করে দিয়ে পালিয়ে যেত। এরা চায়, যাঁরা ওঁদের বিরুদ্ধে কথা বলে, তাঁদের মেরে দাও, জেলে ভরে দাও। তাঁকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দাও। মানুষের ভোটে জিতবেন যদি মনে করেন তাহলে এত ভয় দেখানোর কী দরকার ছিল।দিন কয়েক আগেই চলতি সপ্তাহে রাজ্যে বড় কিছু ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে রীতিমতো চর্চা ছড়িয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে তাই অভিষেকের বাড়ির রেইকি করায় অভিযুক্তের গ্রেফতারিতে শুভেন্দুকেই নিশানা করেছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এরপর তিনি অভিষেকের বাড়ি ও অফিসের সামনের এলাকার রেইকি করেছিলেন বলেও খবর মেলে। এই ঘটনার খবর মিলতেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। মুম্বই থেকে তাকে গ্রেফতার করে আনে লালবাজার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও অফিসের কেন রেইকি করেছিলেন রাজারাম? তা এখনও স্পষ্ট না হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু এর পিছনে গভীর রহস্যের গন্ধ পেয়েছেন।মঙ্গলবার ভাতারে লোকসভা ভোটের প্রচারে এসএসসির চাকরি বাতিল সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশ নিয়ে ফের মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে এ দিন একতরফা বলে সোচ্চার হন মমতা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ২ কোটি লোককে চাকরি দেবেন বলেছিলেন। একটা লোককে চাকরি দেননি। আর আমরা বাংলায় যখন চাকরি চাকরি দি, তখন আপনারা কোর্টেকে দিয়ে সেগুলো খেয়ে নেন। ওরা তো আমাদের আন্ডারে নয়, আপনাদের আন্ডারে।এরপরই মমতা বলেন, আমি রায় নিয়ে বলছি, বিচারকের নাম নিয়ে বলছি না, আমার প্রয়োজন পড়ে না। যদি বলতেন এখানে অসুবিধা আছে, ভুল হয়েছে, সংশোধন করে নাও। করে নিতাম আমরা। ভুল হতেই পারে। যে কেউ করতে পারেন। সবটাতো আর আমি চালাই না। শিক্ষা দফতর স্বতন্ত্র। আজকে বলুন তো যাঁরা একতরফা রায় দিয়ে ২৬ হাজার ছেলেমেয়ের চাকরি খেয়ে নিলেন, আর বললেন এক মাসের মধ্যে আট বছরের মাইনে সুদ সহ টাকা ফেরৎ দিতে হবে, পারবেন?

এপ্রিল ২৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে জনসমুদ্র না ফাঁকা চেয়ার? মোদীর সভা ঘিরে শুরু তুমুল রাজনৈতিক তরজা

বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। সভায় ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের স্লোগান তুলেছে। তাদের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ভিড়ের সংখ্যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ব্রিগেডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দূর চোখ যাচ্ছে শুধু মানুষ আর মানুষ। এই দৃশ্য তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, এই ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সভার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এবং মানুষের উপস্থিতির প্রশংসা করেন।বিরোধী দলনেতার দাবি, ব্রিগেডের সভায় আট থেকে দশ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, গোটা ব্রিগেড ময়দান কানায় কানায় ভর্তি ছিল এবং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায়ও মানুষের ভিড় ছিল।বিজেপি নেতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে মঞ্চে গলা থেকে উত্তরীয় খুলে ঘোরাতে দেখা যায়। সেই ভিডিও তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। দলের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও কর্মীদের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, বাংলার প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসেছেন। তাঁর কথায়, কলকাতা যেন গেরুয়া সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং এই উচ্ছ্বাসই বুঝিয়ে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে।তবে এই দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, ব্রিগেডে বিজেপির সভায় তেমন ভিড় হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বিজেপিকে গ্রহণ করেননি।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও কটাক্ষ করে বলেন, একটি অংশের ছবি দেখিয়ে বড় সভা বলা যায় না। তাঁর দাবি, এর থেকেও বড় সমাবেশ অন্য রাজনৈতিক দল আগে করেছে।এদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কর্মীদের ব্রিগেডে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা শেষ হলেও ভিড় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও জোরদার। ভোটের আগে এই সভা যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে, তা বলাই যায়।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে আসছে বকেয়া ডিএ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন বহু সরকারি কর্মচারী।মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ করছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন।তিনি আরও জানান, রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী রোপা দুই হাজার নয় অনুযায়ী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। মার্চ মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয় এবং তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ভাতা মেটানো হয়নি। পরে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে।আদালত জানায়, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ দুই দফায় পরিশোধ করতে হবে এবং তা মে মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে একত্রিশে মার্চের মধ্যে।এর পর বাকি কত টাকা দেওয়া হবে এবং কত সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য তিন লক্ষ সতেরো হাজারেরও বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। দুই হাজার ষোলো সালের আগের অনেক তথ্য এখনও ডিজিটাল নয়, সেগুলি হাতে লেখা সার্ভিস বুক আকারে রয়েছে। সেই সব নথি ডিজিটাল করতে সময় লাগছে বলেও জানানো হয়।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কাজের চাপ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল রাজ্য সরকার। তবে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ না মেলায় সরকারি কর্মীদের একাংশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। সম্প্রতি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছিল। যদিও সেই ধর্মঘট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।এর মধ্যেই রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পরিষ্কার হয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ চলতি মাসেই কর্মীদের দেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ল

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার পরিমাণ আগেই বাড়ানো হয়েছিল। যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণাও করা হয়েছে। তবে বাজেট ঘোষণার সময় পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের জন্য আলাদা কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই তাঁদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল চারটের সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার কিছু আগেই দুপুর দুটো চল্লিশ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানান।এতদিন পর্যন্ত পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমরা মাসে এক হাজার পাঁচশো টাকা করে ভাতা পেতেন। সেই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়িয়ে এখন থেকে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জেম হিসেবে ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনও রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সমাজের সব সম্প্রদায় যেন সম্মান পায় এবং সব সংস্কৃতি যেন সমান মর্যাদা পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই ঘোষণা ঘিরে বিরোধীদের তরফে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এখন পুরোহিত ভাতা বাড়িয়ে বাংলার মানুষকে পাঁচশো টাকা দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভোটের ঠিক আগে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal