• ১১ কার্তিক ১৪৩৩, শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

শিক্ষা

হারানোর বেদনা থেকে জয়ের মঞ্চে, জীববিজ্ঞানের প্রেমে সাফল্যের শিখরে—দুই কৃতীর অনন্য কাহিনি

এ সারা দেশের লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে শীর্ষস্থান দখল করেছেন পাঞ্জাবের আর্যন গুপ্ত এবং হরিয়ানার পাংশুল বনসল। দুজনেই ৭২০-এর মধ্যে ৭১৫ নম্বর পেয়ে যৌথভাবে অল ইন্ডিয়া র্যাঙ্ক (AIR)-১ অর্জন করেছেন। তবে তাঁদের সাফল্যের পিছনের গল্প শুধুই দীর্ঘ পড়াশোনা নয়, রয়েছে ব্যক্তিগত সংগ্রাম, অনুপ্রেরণা এবং চিকিৎসক হওয়ার অদম্য স্বপ্ন।শোক থেকেই চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নআর্যন গুপ্তের চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছার সূত্রপাত একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি থেকে। পরিবারের এক প্রিয়জনকে হারানোর পর তিনি উপলব্ধি করেন, চিকিৎসা পরিষেবার গুরুত্ব কতটা গভীর। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। এরপর নিরলস পরিশ্রম, কঠোর রুটিন এবং ধারাবাহিক অনুশীলনের মাধ্যমে তিনি দেশের অন্যতম কঠিন প্রবেশিকা পরীক্ষায় শীর্ষস্থান অর্জন করেন।জীববিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসাই সাফল্যের চাবিকাঠিঅন্যদিকে, পাংশুল বনসলের গল্প একেবারেই আলাদা। ছোটবেলা থেকেই জীববিজ্ঞানের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল তাঁর। মানুষের শরীর কীভাবে কাজ করে, রোগের কারণ এবং তার চিকিৎসাএসব বিষয়ে জানার প্রবল কৌতূহলই তাঁকে মেডিক্যালের পথে নিয়ে আসে। সেই ভালোবাসাকেই তিনি পরিণত করেছেন সাফল্যে।পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও ধারাবাহিকতাই মূল মন্ত্রদুই কৃতীরই বক্তব্য, শুধু দীর্ঘ সময় পড়াশোনা করাই যথেষ্ট নয়। বরং নিয়মিত রিভিশন, ভুল বিশ্লেষণ, মক টেস্ট এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের উপর তাঁরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। পরীক্ষার আগে সিলেবাস বারবার ঝালিয়ে নেওয়া এবং আত্মবিশ্বাস বজায় রাখাই তাঁদের সাফল্যের অন্যতম কারণ।আরও পড়ুনঃ দিনে ১৭ ঘণ্টা পড়াশোনা, তবেই ৭২০-র মধ্যে ৭১৫! NEET টপার আর্যন গুপ্ত জানালেন সাফল্যের আসল মন্ত্র১১ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণজাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA)-র প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, পুনঃপরীক্ষার পর প্রায় ২০ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১.২১ লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী NEET UG 2026-এ উত্তীর্ণ হয়েছেন। এবার থেকে সফল পরীক্ষার্থীরা মেডিক্যাল কাউন্সেলিং কমিটি (MCC)-র কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে MBBS, BDS এবং অন্যান্য মেডিক্যাল কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বড় স্বস্তি অভিষেকের! সই জাল মামলায় হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে বদলে গেল সমীকরণ

বিধানসভার সই জাল মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডির তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। হাইকোর্ট আরও এক মাসের জন্য তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ এই নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে তদন্ত চললেও আপাতত গ্রেফতারির মতো পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী তেইশ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্যাড ব্যবহার করে তাঁদের সই জাল করা হয়েছে। সেই অভিযোগ বিধানসভার স্পিকারের সচিবালয়ে জমা পড়ে। প্রথমে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে মামলার দায়িত্ব যায় সিআইডির হাতে। তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে হাজির হয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, তদন্ত চললেও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারির মতো কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না। এবার সেই অন্তর্বর্তী সুরক্ষার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দিল আদালত।এর আগে এই মামলায় একাধিকবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল সিআইডি। প্রথম দিকে তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেলেও পরে ভবানীভবনে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তদন্তকারীরা অভিযোগের নেপথ্যের ঘটনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং বিভিন্ন নথি নিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্ন করেন। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ চললেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যায়নি।হাইকোর্টের এই নতুন নির্দেশের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে তদন্ত চলবে, অন্যদিকে আপাতত আইনি সুরক্ষা বহাল থাকায় সই জাল মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৭, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘জেলে থেকেও দল ভাঙিনি’! এবার কেন শিবির বদল? মুখ খুলে চাঞ্চল্যকর দাবি মদনের

বিধানসভায় গিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার পরেই রাজনৈতিক মহলে নতুন চাঞ্চল্য তৈরি করলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। যোগদানের কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমের অবস্থায় লিখলেন সরি। সেই বার্তা যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশেই, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তার থেকেও বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য। তিনি দাবি করেছেন, তদন্তকারী সংস্থার চেয়ে দলের এক শীর্ষ নেতাকেই তিনি বেশি ভয় পেতেন।মঙ্গলবার পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের পরিবারের সদস্যদের সমন পাঠানো হয়। তার পরের দিনই তিনি বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেন। যোগদানের পর তিনি জানান, দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর কথায়, বাবার দেওয়া নাম, পড়াশোনা এবং বিধায়কের পদ ছাড়া আর কিছুই তিনি নিজের কাছে রাখেননি।এরপরই তিনি একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। মদনের দাবি, তদন্তকারী সংস্থার ভয় নয়, দলের এক শীর্ষ নেতার আচরণই তাঁকে সবসময় আতঙ্কে রাখত। তাঁর বক্তব্য, তদন্তকারী সংস্থা অন্তত জিজ্ঞাসাবাদ করে, কিন্তু দলের ভিতরে কখন কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আগে থেকে বোঝা যেত না। সেই কারণেই তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে দাবি করেন।একই সঙ্গে তিনি জানান, তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ থাকলে তা সামনে আনারও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি দাবি করেন, কোনও বেআইনি কাজের সঙ্গে তাঁর যোগ নেই।এদিকে মদনের এই সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছেন দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর দাবি, পরিবারের সদস্যদের সমন আসার পরই এই অবস্থান বদল হয়েছে। তাই গোটা ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক চিত্রনাট্যের অংশ বলেই মনে করছেন। অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতির বদলে সম্মিলিত নেতৃত্বের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করতেই মদন মিত্র তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তকে তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত শিবিরে গিয়েই বিস্ফোরক অনুব্রত! অভিষেককে ঘিরে যা বললেন, তাতেই তোলপাড় রাজনীতি

বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে যোগ দিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গরুপাচার মামলায় দীর্ঘ সময় জেলে থাকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তাঁর সেই পরিস্থিতির জন্য দায়ী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নিয়েও বড় মন্তব্য করেছেন তিনি।গোলপার্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে প্রথমবার উপস্থিত হয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বীরভূম থেকে সরকারের বিপুল রাজস্ব আসত। পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, কয়লা সংক্রান্ত বিষয়েও প্রতিদিন বড় অঙ্কের অর্থ দিতে হতো। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ প্রকাশ করেননি।সবচেয়ে বেশি চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর আর একটি মন্তব্য ঘিরে। অনুব্রতর দাবি, আগামী দিনে তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না এবং দল কার্যত শেষ হয়ে যাবে। তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এক সময় বীরভূমে তৃণমূলের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘদিন জেলায় দলের সংগঠন শক্তিশালী ছিল। গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরও জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি জেলা সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। শেষ লোকসভা নির্বাচনেও বীরভূমের দুই আসনে তৃণমূলের সাফল্যের পিছনে তাঁর সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে দলীয় মহলে আলোচনা হয়েছিল।পরে অবশ্য জেলার সংগঠনে পরিবর্তন আনে তৃণমূল। একক নেতৃত্বের বদলে কোর কমিটি গঠন করা হয়। অনুব্রত মণ্ডল সেই কমিটির সদস্য থাকলেও আগের মতো পূর্ণ দায়িত্ব তাঁর হাতে ছিল না। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই সময় থেকেই তাঁর অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।ছাব্বিশ সালের নির্বাচনের পর দলের ফলাফল খারাপ হওয়ার পর প্রথমদিকে অনুব্রত জানিয়েছিলেন, তিনি দলকে ভালোবেসে কাজ করে যাবেন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর অবস্থান বদলে যায়। পরে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গত এগারো জুলাই তাঁকে বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। বুধবার সেই শিবিরের বৈঠকে যোগ দিয়েই একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করে রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যরাতে আনন্দের আসর মুহূর্তে মৃত্যুকূপ! পানশালার আগুনে মৃত অন্তত ২৭, আতঙ্কে বিশ্ব

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কেঁপে উঠল থাইল্যান্ডের রাজধানী। ব্যাঙ্ককের একটি জনপ্রিয় পানশালায় মধ্যরাতে আগুন লেগে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।রবিবার গভীর রাতে উত্তর ব্যাঙ্ককের একটি পানশালায় প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। সেই সময় হঠাৎ আগুন লাগে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো পানশালায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারদিক। আতঙ্কে সবাই বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও অনেকেই আগুনের মধ্যে আটকে পড়েন। আগুন প্রবেশপথ পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় বহু মানুষের বেরোনোর পথ বন্ধ হয়ে যায়।খবর পেয়ে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় আধ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন ব্যাঙ্ককের গভর্নর এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২২ জনের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। পানশালার পিছনের অংশ থেকেও একাধিক দেহ উদ্ধার হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে মঞ্চের কাছে একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। এরপরই বিস্ফোরণ হয় এবং কয়েক মুহূর্তের মধ্যে পুরো পানশালা আগুনে গ্রাস হয়ে যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শিবির বদলেই বড় পদক্ষেপ! অফিস থেকে উধাও অভিষেকের ছবি, কিন্তু মমতার ছবি কেন রইল?

শিবির বদলের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল বড় পরিবর্তন।রবিবার বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আর নেই। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক ছবি আগের মতোই রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেও কি অনুব্রত এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মানছেন? আবার অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইলেন তিনি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।শিবির বদলের পর অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যেই দলের ভরাডুবির জন্য নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থাকে দায়ী করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছিলেন। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচিত।এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তিনি বহু প্রার্থীকে জয়ী করেছেন, তখন ওই সংস্থার কোনও ভূমিকা ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি তৃণমূলকে ভালোবাসেন এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। বীরভূমে সকলকে নিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আগের জায়গাতেই থাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তনের আরও কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশে আটকে থাকার অবসান! বাড়ি ফিরেই প্রথমবার সন্তানের মুখ দেখলেন বাবা, আবেগে ভাসল গোটা গ্রাম

এক বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আদালতের নির্দেশে অবশেষে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরলেন বীরভূমের পাইকর গ্রামের বাসিন্দা দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে। বুধবার মালদার মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করার পর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রাতে নিজের গ্রামে পৌঁছন তাঁরা। পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের আবেগঘন মুহূর্তে আনন্দে ভেসে যায় গোটা পরিবার।সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত ছিল দানিশ শেখের জীবনে। চার মাস আগে তাঁর ছোট ছেলে আপনের জন্ম হলেও এতদিন সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ পাননি তিনি। বাড়ি ফিরে প্রথমবার ছেলেকে কোলে নিয়ে দানিশ বলেন, জন্মের পর এই প্রথম তিনি নিজের সন্তানের মুখ দেখলেন। পরিবারের সবাইকে কাছে পেয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের কষ্ট যেন এক মুহূর্তে দূর হয়ে গেছে।জীবিকার খোঁজে বহু বছর ধরে দিল্লিতে কাজ করতেন পাইকর গ্রামের এই পরিবার। গত বছরের তেইশ জুন তাঁদের বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, নাগরিকত্বের পূর্ণাঙ্গ যাচাই ছাড়াই তাঁদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে দীর্ঘদিন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়।এরপর তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশের পর ধাপে ধাপে পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন ও তাঁর ছোট সন্তান দেশে ফিরলেও দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে বাংলাদেশেই ছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে তাঁরাও দেশে ফিরতে সক্ষম হন।বাড়ি ফিরে দানিশ শেখ জানান, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি বলেন, যদি নিজের রাজ্যেই কাজের সুযোগ পান, তাহলে আর বাইরে কাজ করতে যেতে চান না। নিজের পরিচয় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি সম্পূর্ণ করার জন্যও তিনি আবেদন করেছেন।সুইটি বিবিও বাড়ি ফিরে স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে আটক হওয়ার সময় তাঁদের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, বারবার ভারতীয় নাগরিক হওয়ার কথা জানালেও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। দীর্ঘ এক বছর বাড়ির বাইরে কাটানোর পর অবশেষে নিজের গ্রামে ফিরতে পেরে তিনি এবং তাঁর পরিবার নতুন করে জীবন শুরু করার আশায় রয়েছেন।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

চারশো চল্লিশ কোটি টাকার তহবিল ঘিরে বড় লড়াই! এবার কি সুপ্রিম কোর্টে মুখোমুখি দুই তৃণমূল?

তৃণমূলের দলীয় তহবিল নিয়ে আইনি লড়াই এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সূত্রের খবর, দল পরিচালনায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি তুলে দলীয় তহবিলের উপর অধিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ অনুমতি প্রার্থনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। আসল-নকল তৃণমূল বিতর্কের মাঝেই এই সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী সংস্থা কালীঘাট তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা চারশো চল্লিশ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দলীয় তহবিল থেকে প্রায় একশো ষাট কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে এসেছে। সেই লেনদেনের উৎস এবং প্রকৃতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, দলীয় অর্থ দিয়ে বিমান ও হেলিকপ্টার কেনার পর সেই যানই আবার ভাড়ায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, গোটা বিষয়টি আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হতে পারে এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি করেন, তদন্ত এগোলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগের বিষয়ে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।এদিকে ঋতব্রত শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক শুরু হচ্ছে। দুই দিন ধরে চলা এই বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয়, বিভিন্ন রাজ্যের সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকের শেষে সংগঠন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হতে পারে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘ওরা প্রতিবাদী, না দাঙ্গাকারী?’ মমতাকে কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর, উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি

বারুইপুর কাণ্ডকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শুরু হয়েছে তীব্র তরজা। গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে নির্দোষ বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তাঁর উপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। এই ঘটনার মধ্যেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।নিজের সামাজিক মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি লেখেন, নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতার রাজনীতিতে কোনও পরিবর্তন আসেনি। তাঁর অভিযোগ, তোষণ, মিথ্যাচার এবং উসকানিমূলক রাজনীতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারুইপুরের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষকে প্রতিবাদী বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেই মন্তব্যেরই কড়া সমালোচনা করেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, এক নির্দোষ যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে এনে পরিচয় দেখে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা পুলিশকে আক্রমণ করেছেন, পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়েছেন, রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন এবং এলাকায় অশান্তি ছড়িয়েছেন, তাঁদের কীভাবে প্রতিবাদী বলা যায়, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রসঙ্গত, গত রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হওয়ার পর গোটা রাজ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার সকালে ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্তের মৃত্যু হয় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায়। একই দিনে বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে কালীঘাটে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই মিছিল ঘিরে উত্তেজনা, স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরেই নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ, জল্পনার মাঝেই বড় ঘোষণা

বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই বৈঠকের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়। সম্প্রতি অমিত শাহর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের পর এই বৈঠককে ঘিরেও নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে নবান্ন থেকে বেরিয়েই সমস্ত জল্পনায় ইতি টেনে দেন প্রসেনজিৎ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বৈঠকে রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।প্রসেনজিৎ বলেন, তিনি যদি কোনও দিন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে সেই খবর তিনি নিজেই সকলকে জানাবেন। তাঁর কথায়, এ দিনের বৈঠকের মূল বিষয় ছিল বাংলা চলচ্চিত্র জগতের উন্নয়ন এবং মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের পরিকল্পনা।অভিনেতা জানান, আগামী তিন সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বড় আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই বিষয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে ভবিষ্যতে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাও নিয়ে কথা হয়েছে। যদিও এখনই কোনও ঘোষণা নয়, তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ইতিবাচক খবর আসতে পারে বলেও আশাবাদী তিনি।প্রসেনজিৎ আরও বলেন, তাঁর সঙ্গে অতীতেও কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি, এখনও হয়নি। তিনি শুধু নিজের শিল্প, নিজের ইন্ডাস্ট্রি এবং মহানায়ক উত্তম কুমারকে ঘিরে পরিকল্পনা নিয়েই কথা বলতে গিয়েছিলেন। তাঁর মতে, উত্তম কুমার শুধু বাংলার নন, তিনি গোটা দেশের গর্ব।চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যতে কোনও বিশেষ দায়িত্ব পেতে পারেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত বা আলোচনা হয়নি। তবে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের স্বার্থে যখনই প্রয়োজন হবে, তিনি সব সময় পাশে থাকবেন। তাঁর কথায়, এই ইন্ডাস্ট্রিই তাঁর পরিচয়, তাই এর উন্নয়নের জন্য যে কোনও সময় কাজ করতে তিনি প্রস্তুত।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলে নতুন বিস্ফোরণ! কুণালের ‘একানব্বই পাতার চিঠি’ টেনে বড় আক্রমণ ঋতব্রতের

তৃণমূলের অন্দরে এখন যেন নতুন করে শুরু হয়েছে বেইমান বিতর্ক। বারুইপুরে গিয়ে বেইমান স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছে সায়নী ঘোষকে। এর মধ্যেই বিক্ষুব্ধদের উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বেইমানদের কথায় কান না দিয়ে ঘরে ফিরে আসতে। সেই আবহেই এবার কুণাল ঘোষকে নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা জবাব দিয়েছেন কুণালও। ফলে দুই পক্ষের রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে।বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কুণাল ঘোষের পুরনো একানব্বই পাতার চিঠির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর দাবি, জেলে থাকাকালীন দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে পাঠানো সেই চিঠিতেই এমন বহু তথ্য রয়েছে, যা প্রকাশ্যে এলে অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে। ঋতব্রত বলেন, ওই চিঠিই যথেষ্ট। প্রয়োজন হলে সেই চিঠি আবার প্রকাশ্যে আনা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের কাছেও পাঠানো হবে।ঋতব্রতের বক্তব্যের জবাব দিতে দেরি করেননি কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ওই চিঠি তাঁর জীবনের কঠিন সময়ে লেখা। সেই সময় দলেরই কয়েকজন তাঁর কাঁধে বন্দুক রেখে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করেছিলেন। কুণালের দাবি, সেই চিঠি এখন অনেকেরই মুখস্থ। তিনি আরও বলেন, যদি ওই চিঠিকে সত্যি বলে মানা হয়, তাহলে এতদিন যারা নিজেদের বিপ্লবী বলে দাবি করেছেন, তাঁদের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।তৃণমূলের অন্দরে এই বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে ঠিক সেই সময়, যখন দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, বেইমানদের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে দলে ফিরে আসতে। তাঁর বক্তব্য, কর্মীদের ত্যাগ ও পরিশ্রম ভুলে যাওয়া উচিত নয়। এই মন্তব্যের পরই ঋতব্রত ও কুণালের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বালিগঞ্জে হঠাৎ তুমুল অশান্তি! পুলিশের সামনেই বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, সরগরম রাজনীতি

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কটাক্ষ করে গানও বাজানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে এবং পুলিশ সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এক নেতাকে ঘিরে রেখে মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সম্পন্ন করা, কিন্তু তা না করে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দেওয়া হয়েছে।পুলিশি নজরদারি নিয়েও সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে অন্যায়ভাবে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে কে আসছেন বা কে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।বারুইপুরের ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেষে তিনি জানান, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের গুরুতর আপত্তি রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। বালিগঞ্জের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

জুলাই ০৮, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 96
  • 97
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘আমার খুব আনন্দ হচ্ছে’, ইন্দ্রনীল সেন জেলে যেতেই বিস্ফোরক বুদ্ধদেব-পুত্র সুচেতন!

পুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তাঁকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এ বার মুখ খুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। ইন্দ্রনীলের সঙ্গীত সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তা সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন সুচেতন। তাঁর অভিযোগ, ইন্দ্রনীলের আচরণ ছিল অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ। প্রাক্তন মন্ত্রীর জেলবন্দি হওয়ার খবর তাঁকে খুশি করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কলেজ পাশ করার পর ২০০৫ সালে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গীত সংস্থায় চাকরি শুরু করেন সুচেতন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করেছিলেন তিনি। সেই সময় রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এর পর ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে বলে দাবি সুচেতনের। সেই পরিস্থিতিতে সংস্থার চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।সুচেতনের অভিযোগ, ২০১৩ সালে তিনি ইস্তফাপত্র পাঠালেও ইন্দ্রনীল তা গ্রহণ করেননি। ইস্তফাপত্রের কপি দেওয়ার কথা বলে তাঁকে অফিসে ডেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। সুচেতনের কথায়, তাঁর ঔদ্ধত্য এতটাই ছিল যে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ পর্যন্ত করেননি। সেটা রিসিভ করে আমাকে কপি দেবেন বলে ডেকে পাঠিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে অপেক্ষা করিয়েছেন। নিজে কথা বলেননি, বাকি কর্মীদের দিয়ে বলে পাঠাচ্ছিলেন, অপেক্ষা করতে হবে। ভাবুন কী অপমানজনক! একটা ইস্তফাপত্র সই করতে এতখানি ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন।ইন্দ্রনীলের সংস্থায় কাজ করা রেকর্ডিস্ট এবং অন্য সঙ্গীতশিল্পীদের পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন সুচেতন। তাঁর দাবি, অনেক সময় কাজ করানোর পরেও শিল্পীদের ঠিকমতো টাকা দেওয়া হত না। এক সময়ে নিজের টাকা থেকে কয়েক জন শিল্পীর পারিশ্রমিক মিটিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সুচেতনের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এতটাই খারাপ হয়েছিল যে বাবার অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে যেন তিনি তাঁদের বাড়ির আশপাশে না আসেন, সে কথা দলকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণের সময়েও তৎকালীন মন্ত্রীকে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে ঢুকতে দিতে চাননি বলে জানিয়েছেন সুচেতন।ইন্দ্রনীল সেনের জেলবন্দি হওয়ার প্রসঙ্গে সুচেতন বলেন, পাপ ও কৃতকর্মের ফল ভোগ করছেন। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। তাঁর আরও বক্তব্য, আমার মনে হয়, শুধু আমি নই, যাঁরা ওঁর দুর্নীতির পরিচয় পেয়েছেন, তাঁরা সকলে আজ খুশি।ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে আর্থিক দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে সুচেতনের বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অভিযোগের ভিত্তিতে করা। অভিযোগগুলির সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

‘বড় চোর জেলে যাবেই’, বারুইপুরের সভা থেকে কাকে নিশানা করলেন শুভেন্দু?

বড় চোর জেলে যাবেই, চিন্তা করবেন না। ধৈর্য রাখুন। শুক্রবার বারুইপুরের সভা থেকে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কারও নাম না করেই তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন তিনি।শুভেন্দু বলেন, আপনাদের মনে প্রশ্ন আছে, বড় চোর কবে যাবে? বড় চোর যাবে। আমার রাজনীতিতে সহ্য, ধৈর্য ধরি। সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক নেতার গ্রেফতারির প্রসঙ্গেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি সেই তালিকায় ইন্দ্রনীল সেন ও অজিত মাহাতোর নামও উঠে এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ দিনের সভা থেকে তৃণমূল ও সিপিএমের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, সিপিএম ও তৃণমূল এখন একসঙ্গে কাজ করছে। দুই পক্ষকে নিশানা করে তিনি বলেন, বেবি আর আন্টি এখন একসঙ্গে চা খাচ্ছেন। তাঁর এই মন্তব্যের লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, সাহস থাকলে আপনি লড়ুন। আবার হারাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, ওঁরা কলকাতায় না থেকে দিল্লি যাচ্ছেন। আপনি দিল্লি যান। পশ্চিমবঙ্গে আপনার আর কিছু হবে না।উল্লেখ্য, দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক এবং পরবর্তী কিছু প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএমের একাংশের অবস্থানে মিল দেখা গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্যের আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখে দিল্লিতে কেরলের সিপিএম নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের সংসদীয় নেতৃত্বের একাংশের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে। এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই এম এ বেবির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চা খাওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, হেরেই পঞ্চত্বপ্রাপ্তি একটা দলের।এ দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নাম না করে নিশানা করেন শুভেন্দু। ডিজে প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গোটা জেলায় গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছ। ২০১৪ সালের পর থেকে একটাও ভোট করতে দাওনি। ৭ লক্ষ ভোটে জিতেছেন উনি। কিন্তু ৬ মাস কোথায়? সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন। রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি। তারই জবাবে এ দিনের সভা থেকে নাম না করে পাল্টা আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু। তবে বড় চোর বলতে কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
দেশ

দীপাবলির আগে কলকাতা-দিল্লি বিমানের ভাড়া ৮০ হাজার! টিকিটের দাম দেখে মাথায় হাত যাত্রীদের

উৎসবের মরশুমে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করছেন? তা হলে বিমান টিকিট কাটার আগে এক বার ভাড়া দেখে নেওয়া জরুরি। দুর্গাপুজোয় যাঁরা ছুটি পাননি, তাঁদের অনেকেই দীপাবলির ছুটিতে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু উৎসবের আগে বিমান ভাড়া যে ভাবে বাড়ছে, তাতে যাত্রীদের পকেটে বড়সড় টান পড়তে পারে। কলকাতা থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের টিকিটের দাম বেড়ে প্রায় ৮০ হাজার টাকা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে যে টিকিটের দাম ১০ থেকে ১১ হাজার টাকার মধ্যে থাকে, তার দাম এতটা বেড়ে যাওয়ায় অবাক যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, ৬ নভেম্বর কলকাতা-দিল্লি রুটে বিমানের টিকিটের দাম এক ধাক্কায় ১১ হাজার ৬৬৯ টাকা থেকে বেড়ে ৭৮ হাজার ৬৯৮ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ, এই রুটে টিকিটের দাম প্রায় সাত গুণ বেড়েছে। উৎসবের মরশুমে বাড়ি ফেরার জন্য যাঁরা শেষ মুহূর্তে টিকিট কাটতে চাইছেন, তাঁদের অনেককেই এখন বেশি টাকা খরচ করার কথা ভাবতে হচ্ছে।শুধু কলকাতা-দিল্লি রুটেই নয়, দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটেও বিমান ভাড়া বেড়েছে। মুম্বই থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের টিকিটের দাম ১১ হাজার ৫৩১ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ হাজার ৫৭৭ টাকা হয়েছে। দিল্লি থেকে আহমেদাবাদ যাওয়ার ভাড়া ৬ হাজার ১২১ টাকা থেকে বেড়ে ২৩ হাজার ৪১৩ টাকা হয়েছে। দিল্লি-হায়দরাবাদ রুটে টিকিটের দাম ৮ হাজার ৯৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৭ হাজার ৮৯৫ টাকা হয়েছে। অন্য দিকে, বেঙ্গালুরু থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের ভাড়া ১৫ হাজার ৯০১ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ হাজার ৫০৬ টাকা হয়েছে।উৎসবের সময়ে যাত্রীদের চাহিদা বাড়লে বিমান টিকিটের দামেও তার প্রভাব পড়তে পারে। তবে বিভিন্ন বিমান সংস্থার দাবি, কোন ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কাটা হচ্ছে, কোন ধরনের আসন পাওয়া যাচ্ছে এবং কতগুলি আসন বাকি রয়েছে, তার উপরেও ভাড়ার পার্থক্য নির্ভর করে। তাই একই রুটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে টিকিটের দাম আলাদা হতে পারে।দুর্গাপুজোয় বাড়ি ফিরতে না পারা অনেকেই দীপাবলির ছুটিতে পরিবারের কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিমান টিকিটের এত বেশি দাম তাঁদের পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই উৎসবের মরশুমে বিমানযাত্রার পরিকল্পনা থাকলে টিকিটের দাম বিভিন্ন সংস্থার ওয়েবসাইটে মিলিয়ে দেখে নেওয়াই ভাল।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
বিদেশ

হ্রদ ভেঙে ভাসল ভুটান, তবু প্রাণহানি শূন্য! কীভাবে বিপর্যয় সামলাল পড়শি দেশ?

হ্রদ ভেঙে বিপুল পরিমাণ জল নেমে এসে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে রাস্তা, বাড়িঘর, গাছপালা এবং গবাদি পশু। তবু এখনও পর্যন্ত ভুটানে সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর মেলেনি। এর পিছনে রয়েছে বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদগুলির উপর নিয়মিত নজরদারি এবং আগাম সতর্কবার্তার ব্যবস্থা। নেপালের বিপর্যয়ের পর পাহাড়ি হ্রদগুলির বিপদ সম্পর্কে আরও সতর্ক হয়েছিল ভুটান। সেই প্রস্তুতিই এ বার কাজে এসেছে বলে মনে করছেন ভূ-বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবে বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতি এখনও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর ভুটানের গাসা জেলার ওয়াকিলা পাহাড়ের নীচে থাকা সিনতাপু হ্রদ থেকে প্রায় ৭৪ লক্ষ ঘন মিটার জল নেমে আসে মো চু নদীতে। প্রবল জলস্রোতের সঙ্গে পাথর, মাটি ও গাছপালা ভেসে যায়। গাসা ও পুনাখা এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। বেশ কিছু জায়গায় রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় উত্তর ভুটানের একাধিক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বহু গবাদি পশুও জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ভুটান প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিপজ্জনক হ্রদগুলির উপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হয়। হ্রদের জলস্তরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে যাতে দ্রুত সতর্কবার্তা দেওয়া যায়, তার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ যন্ত্র বসানো হয়েছে। হ্রদের জল বিপজ্জনক হয়ে ওঠার সঙ্কেত পাওয়ার পর সাইরেন বাজিয়ে নদীর ধারের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়। জল নেমে আসার আগেই তাঁদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি বলে মনে করা হচ্ছে।ভুটানের এই বিপর্যয়ের খবর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের প্রশাসনকেও সতর্ক করা হয়। কারণ, ভুটানের মো চু নদী পুনাখায় ফো চু নদীর সঙ্গে মিশে পুনাৎসাংচু নদী তৈরি করেছে। এই নদী ভারতে ঢোকার পর সঙ্কোশ নামে পরিচিত। ফলে ভুটানে জল বাড়লে তার প্রভাব পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের নদী সংলগ্ন এলাকায়।বন্যার আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গের ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। কুমারগ্রাম, বানারহাট ও ময়নাগুড়ি এলাকায় প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে শুরু করে। আলিপুরদুয়ার জেলার নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ১২ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। সঙ্কোশ ও জলঢাকা নদীর ধারের বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ওই দুই নদীর জলস্তর স্বাভাবিক থাকলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি বলে মনে করছে প্রশাসন।ভুটানে আরও একটি বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সিনতাপু হ্রদ থেকে নেমে আসা কাঠ, পাথর ও মাটি লুনানা এবং গাংচেন তাগ নদীর মিলনস্থলে তাকতসেমাথাং এলাকায় জমে একটি কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করেছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়ে থাকলে তা ভেঙে আচমকা জল নেমে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে নতুন করে হড়পা বানের আশঙ্কা রয়েছে। তাই নদী উপত্যকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।ভুটানের ১৭টি বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদের মধ্যে সিনতাপু অন্যতম। ২০২৩ সালের মে ও জুন মাসে এই হ্রদ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞেরা। নেপালে হড়পা বানের বিপর্যয়ের পর থেকেই ভুটানের বিপজ্জনক হ্রদগুলির উপর নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, হ্রদের জলস্তর নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পরীক্ষামূলক ভাবে বিশেষ পদ্ধতিও ব্যবহার করা হচ্ছে।চোপড়া কলেজের অধ্যক্ষ তথা ভূ-বিশেষজ্ঞ মধুসূদন কর্মকার জানিয়েছেন, বিপর্যয়ের ঝুঁকি কমাতে ভুটান বিভিন্ন পদ্ধতি পরীক্ষা করে দেখছে। লুনানার থোরথোরমি হ্রদে সাইফন পদ্ধতি ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রিত ভাবে জলস্তর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পদ্ধতিতে হ্রদের জল ধীরে ধীরে বের করে জলস্তর কমানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা হিমবাহ হ্রদ ভেঙে বড় বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা কমাতে সাহায্য করতে পারে।তবে আগাম সতর্কবার্তা ও নজরদারি থাকলেও ভুটানের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়নি। রাস্তা, ঘরবাড়ি এবং গবাদি পশুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। কৃত্রিম হ্রদে জমে থাকা জল নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাই আপাতত ভুটান ও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকার প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। বিপর্যয়ের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি কতটা, তা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্বাস্থ্যসাথীর ৩০ লক্ষ উপভোক্তার খোঁজ নেই! ২৫ হাজার কোটি টাকা খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের প্রায় ৩০ লক্ষ উপভোক্তার খোঁজ মিলছে না বলে দাবি উঠেছে। নতুন করে উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে এই গরমিল ধরা পড়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। রাজ্য সরকারের দাবি, স্বাস্থ্যসাথীর উপভোক্তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেই কাজের জন্য তথ্য যাচাই করতে গিয়েই পুরনো তালিকায় থাকা বহু নামের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।নবান্ন সূত্রে খবর, বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করার সময় দেখা যাচ্ছে, অনেকের নামে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড থাকলেও তাঁদের অস্তিত্বের খোঁজ মিলছে না। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০ লক্ষ এমন উপভোক্তার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ঘটনায় রাজ্যের কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ খরচ হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকেরা। সেই অঙ্ক ২৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। তবে এই অর্থের পরিমাণ এবং উপভোক্তাদের তালিকায় গরমিলের বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।বিষয়টি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট দফতরকে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের উপভোক্তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিমা যোজনার আওতায় আনার কথা আগেই ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সেই অনুযায়ী, উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করে ধাপে ধাপে তাঁদের নাম আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে।এই যাচাইয়ের সময়েই স্বাস্থ্যসাথীর পুরনো তালিকায় থাকা বহু নাম নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। আধিকারিকদের বক্তব্য, যাঁদের নামে কার্ড রয়েছে, তাঁদের প্রকৃত পরিচয় এবং অস্তিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। সেই সঙ্গে প্রকল্পের সুবিধা দিতে গিয়ে সরকারি অর্থের কোনও অপচয় হয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।শুধু স্বাস্থ্যসাথী নয়, আগের সরকারের আমলে চালু হওয়া অন্যান্য প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকাতেও একই ধরনের গরমিল থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। তবে সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। স্বাস্থ্যসাথীর উপভোক্তা তালিকা যাচাইয়ের কাজ শেষ হলে প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
বিদেশ

সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! ইজরায়েলে ফের ক্ষমতায় ফিরবেন নেতানিয়াহু?

প্রায় দুদিন ধরে ভোটগণনার পর ইজরায়েলে নির্বাচনের ফলের ছবি স্পষ্ট হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেকটাই দূরে তাঁর জোট। ফলে ইজরায়েলে পরবর্তী সরকার কারা গড়বে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।ইজরায়েলের সংসদ কেনেসেটের মোট আসন ১২০। সরকার গড়তে প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। কিন্তু নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। বিরোধী জোটের ঝুলিতে রয়েছে ৪৮টি আসন। অন্য দিকে, রাম এবং জয়েন্ট লিস্ট-সহ আরব দলগুলি পেয়েছে মোট ১৯টি আসন। ফলে কোনও জোটই একক ভাবে সরকার গড়ার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল আগামী ৪ নভেম্বর ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হেরজোগের হাতে তুলে দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির। তার পরে ১০ নভেম্বর নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন কে জোগাড় করতে পারবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই পরিস্থিতিতে ফের ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা শুরু করেছেন নেতানিয়াহু। ইহুদি ভোটারদের আবেগকে সামনে রেখে তিনি আরব দলগুলির সঙ্গে জোট না করার পক্ষে সওয়াল করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতা দখলের জন্য আরব দলগুলির সঙ্গে হাত মেলালে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। পাশাপাশি, সরকার গঠনের সমর্থন জোগাড় করতে বিভিন্ন ইহুদি দলের সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছেন তিনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী শিবিরের কিছু দল নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালে তাঁর সরকার গড়ার পথ সহজ হতে পারে। বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকোটের শিবির থেকে কয়েকটি দল সরে এলে সংখ্যার অঙ্কে বদল আসতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনা কতটা বাস্তব, তা এখনও পরিষ্কার নয়।অন্য দিকে, একসময় মনে করা হচ্ছিল, সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে আরব দলগুলি। এই দলগুলি ইজরায়েলে বসবাসকারী প্যালেস্তিনীয় জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু আইজেনকোট আরব দলগুলির সঙ্গে জোটে যেতে রাজি নন বলে জানা গিয়েছে। যদিও জোটের বাইরে থেকে তাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।ফলে ইজরায়েলের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত কারা সরকার গড়বে। নেতানিয়াহুর দল সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় তাঁকে অন্য দলের সমর্থন জোগাড় করতে হবে। আগামী কয়েক দিনেই সেই রাজনৈতিক অঙ্ক অনেকটাই স্পষ্ট হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির নামে ব্যাঙ্ক থেকে ২৯০ কোটি টাকা ঋণ! এ বার ইডির নজরে দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট

২৯০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে শুক্রবার সকালে কলকাতা ও উত্তরপাড়ার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। ঝাড়খণ্ডের একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া টাকা কলকাতায় পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ভুয়ো সংস্থা তৈরি করে বিপুল অঙ্কের টাকা সরানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের নজরে রয়েছেন দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট।শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে উত্তরপাড়ার শিবতলা স্ট্রিটে সুদীপ্ত ঘোষের বাড়িতে পৌঁছন ইডির আধিকারিকেরা। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুদীপ্তর বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।সুদীপ্ত জানিয়েছেন, ইডি তদন্ত করছে। তবে এই দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েই এসেছেন বলেও জানিয়েছেন সুদীপ্ত। তদন্তে তিনি সহযোগিতা করছেন বলে তাঁর বক্তব্য।অন্য দিকে, লেকটাউনের অভিজাত অবনী অক্সফোর্ড আবাসনের প্রথম পর্যায়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অশোক সারথির বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকেরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সেখানে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির জন্য ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া প্রায় ২৯০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তদন্তের সঙ্গে জড়িত বেসরকারি সংস্থাটির নাম কোহিনূর পাওয়ার প্রাইভেট লিমিটেড। অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডে ৬৬ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির কথা বলে ব্যাঙ্কের একাধিক সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছিল।তদন্তকারীদের সন্দেহ, প্রকল্প তৈরির জন্য নেওয়া ওই বিপুল অঙ্কের টাকা নির্ধারিত কাজে ব্যবহার না করে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে অন্যত্র সরানো হয়ে থাকতে পারে। এই আর্থিক লেনদেনে অশোক সারথির ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তের বিষয়।তল্লাশির সময় বিভিন্ন নথি, ব্যাঙ্কের লেনদেনের তথ্য এবং ডিজিটাল নথি খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকেরা। এই মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, এখন সে দিকেই নজর রয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বন দফতরে সরকারি চাকরির টোপ, ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা!

বন দফতরে স্থায়ী সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা অজিত মাহাতোর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।ঘটনার সূত্রপাত বেশ কিছু দিন আগে। ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবা এলাকার বাসিন্দা সজল দাস অজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা বলে বন দফতরে স্থায়ী চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন অজিত।অভিযোগ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে চার দফায় অজিতকে মোট ১০ লক্ষ টাকা দেন সজল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি পাননি তিনি। এর পর টাকা ফেরত চাইলেও তা পাননি বলে অভিযোগ।সজলের আরও দাবি, টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আরও ২ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। একই ভাবে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আরও কয়েক জন বেকার যুবকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে অজিতের নিজের বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তবে অজিত মাহাতোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশি তদন্তের পরেই এই ঘটনায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal