• ১৫ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

কলকাতা

প্রতীকের বাড়ি থেকে আইপ্যাক—ED অভিযানে কেন এত ক্ষুব্ধ মমতা?

ভোটের মুখে বাংলা জুড়ে চরম উত্তেজনা। তৃণমূল কংগ্রেসের গোপন নির্বাচনী নথি হাতিয়ে নিতেই আইপ্যাকের অফিস এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দিল্লির একটি পুরনো মামলার সূত্র ধরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে অবস্থিত আইপ্যাকের অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এই খবর পেয়ে প্রথমে প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি তিনি যান সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে। সেখানে দাঁড়িয়েই মমতা অভিযোগ করেন, তাঁর দলের নির্বাচনী কৌশল, সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং এসআইআর সংক্রান্ত নথি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ট্রান্সফার করে নিয়েছে। তাঁর কথায়, ইডির এই অভিযান সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অপরাধমূলক।মমতা জানান, রাজ্যে যখন এসআইআর সংক্রান্ত কাজ চলছে, ঠিক সেই সময় এই তল্লাশি চালানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ভোটের আগে তৃণমূলের স্ট্র্যাটেজি ভেস্তে দিতেই এই পদক্ষেপ। এরপর আইপ্যাকের অফিসেই মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং প্রাক্তন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘ বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হয়, নথি চুরির অভিযোগে ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করবে বিধাননগর পুলিশ।আইপ্যাকের অফিসেই দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করেন মুখ্যমন্ত্রী। একের পর এক বৈঠক সারেন তিনি। দফতর যে ভবনে রয়েছে, তার বেসমেন্টে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা জানান, প্রতীক জৈন না আসা পর্যন্ত এবং অফিসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানেই থাকবেন।মমতা বলেন, আমাদের ভোটের স্ট্র্যাটেজি ছিনতাই করা হয়েছে। পার্টির কাগজ, তথ্য, হার্ড ডিস্ক, অর্থনৈতিক নথি সব লুট করা হয়েছে। লড়াই করার সাহস নেই বলেই এখন লুট করতে নেমেছে। সরাসরি বিজেপির দিকে আঙুল তুলে তিনি বলেন, বিজেপির মতো এত বড় ডাকাত আমি জীবনে দেখিনি।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ভোর থেকেই এই অভিযান শুরু হয়। সকাল ছটা নাগাদ আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে চিটিং করলে, জুয়া খেললে আমরা মেনে নেব না। আমি যদি বিজেপির পার্টি অফিসে হানা দিই, সেটা কি ঠিক হবে?এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে আন্দোলনের ডাকও দেন মমতা। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকালেই রাজ্যের সব ব্লক এবং ওয়ার্ডে মিছিল হবে। তাঁর কথায়, এই লুটের বিরুদ্ধে তৃণমূল পথে নামবে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

তল্লাশিতে বাধা না ক্ষমতার অপব্যবহার? হাইকোর্টে বড় অভিযোগ ইডির

আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন ও সংস্থার দফতরে তল্লাশি চলাকালীন বাধা দেওয়া হয়েছেএই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে সেই আবেদন মঞ্জুরও হয়।ইডির তরফে জানানো হয়, নির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল। কিন্তু লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চলাকালীন ইডির কাজে বাধা দেওয়া হয়। অভিযোগ, বেআইনি ভাবে ফাইল ও নথি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, তল্লাশির সময় জোর করে একাধিক নথি বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে যাতে কেন্দ্রীয় সংস্থা নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারে, তার জন্য অবিলম্বে আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে দাবি জানায় ইডি।বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ মামলার অনুমতি দেন এবং প্রয়োজনীয় নথি আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলে, এই মামলার শুনানি আগামী দিনেই শুরু হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নির্বাচনী কৌশল রচনাকারী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার ও অফিসে তল্লাশি ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সংগঠনের খুঁটিনাটি, প্রার্থিতালিকা এবং এসআইআর সংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নিতেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ইডিকে দিয়ে এই অভিযান চালিয়েছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করে দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।ইডির বক্তব্য, কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যালয়কে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়নি। সংস্থার দাবি, কয়লা পাচার মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চলছে। কলকাতার ছটি এবং দিল্লির চারটি জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। নগদ টাকা, হাওয়ালার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন-সহ একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি। নির্বাচনের সঙ্গে এর কোনও যোগ নেই বলেও স্পষ্ট করে জানায় ইডি। পাশাপাশি, সাংবিধানিক পদে থাকা এক ব্যক্তি বেআইনি ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফাইল ছিনিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ তোলে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি।এর মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইডির ফরেন্সিক টিমের বিরুদ্ধে এফআইআর করার কথা ঘোষণা করেন। পাল্টা আইনি পদক্ষেপের কথা জানায় ইডিও। তার পরেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।উল্লেখ্য, কয়লাকাণ্ডের একটি পুরনো মামলায় দীর্ঘদিন পর ফের সক্রিয় হয়েছে ইডি। প্রায় দু-তিন বছর ধরে কার্যত স্থগিত থাকা ওই মামলায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতার তিনটি জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়। একটি দল পৌঁছয় লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে, অন্য দলটি সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে এবং তৃতীয় দলটি পোস্তায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে যায়।এই পরিস্থিতিতে প্রথমে প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে ঢোকার সময় খালি হাতে গেলেও, বেরনোর সময় একটি সবুজ ফাইল হাতে দেখা যায় তাঁকে। সেই ফাইলে নথিপত্রের পাশাপাশি একটি হার্ড ডিস্কও ছিল বলে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, তাঁদের নির্বাচনী পরিকল্পনা, সংগঠনের তথ্য, প্রার্থিতালিকা এবং এসআইআর সংক্রান্ত কাজের খুঁটিনাটি হাতিয়ে নিতেই ইডিকে দিয়ে অভিযান চালানো হয়েছে।এর পরে তিনি সল্টলেকের আইপ্যাক অফিসে যান। সেখান থেকেও কয়েকটি নথিপত্র গাড়িতে তোলা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সেগুলি তৃণমূলের দলীয় কাগজপত্র। তাঁর অভিযোগ, ইডি সব তথ্য ট্রান্সফার করে নিয়ে গিয়েছে। এই আবহেই ইডি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে বিবৃতি দেয় এবং পরে আদালতের দ্বারস্থ হয়।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

প্রতীক জৈন না আসা পর্যন্ত অফিসের সামনেই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী! বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী

আইপ্যাকের অফিসে কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। তৃণমূলের নির্বাচনী তথ্য, প্রার্থিতালিকা এবং ভোটের কৌশল হাতিয়ে নিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে ব্যবহার করে এই অভিযান করিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ইডি এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তুলে দেন।ইডি হানার খবর পেয়ে এ দিন সকালে প্রথমে আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে সোজা চলে যান সল্টলেকের আইপ্যাক অফিসে। ইডি অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রীর সেখানে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে অফিস থেকে বেরিয়ে মমতা স্পষ্ট করে জানান, আইপ্যাক কোনও সাধারণ বেসরকারি সংস্থা নয়। এটি তৃণমূলের স্বীকৃত টিম। সেই টিমের কাছ থেকে কাগজপত্র ও তথ্য নিয়ে যাওয়া বেআইনি কাজ বলেই তাঁর দাবি।মমতা জানান, ইডি নির্বাচনের সম্পূর্ণ রণকৌশল নিয়ে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, লড়াই করতে না পারলে এজেন্সি ব্যবহার করে দলের তথ্য লুঠ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এ ভাবে ডেটা, কৌশল এবং ভোটার সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তাঁর বার্তা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ন্ত্রণ করুন।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ইডির ফরেন্সিক টিম অফিসে এসে হার্ড ডিস্ক ও বিভিন্ন তথ্য ট্রান্সফার করেছে। পরে তা অস্বীকার করা হলেও তিনি নিজে তা দেখেছেন বলে দাবি করেন। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নথি নিয়েও যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মমতার বক্তব্য, তৃণমূল একটি নথিভুক্ত রাজনৈতিক দল, নিয়মিত আয়কর দেয়, অডিট হয়। প্রয়োজনে নোটিস দেওয়া যেত। কিন্তু ভোট এলেই এই ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে।সল্টলেকের আইপ্যাক অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভোর ছটা থেকে এই অভিযান শুরু হয়, যখন অফিসে প্রায় কেউই ছিল না। তখনই দলের সমস্ত ল্যাপটপ, ডেটা, নির্বাচনী কৌশল ও এসআইআর সংক্রান্ত নথি ট্রান্সফার করা হয়। তাঁর মতে, এটি সরাসরি অপরাধ। অফিসের টেবিল ফাঁকা করে সব নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নতুন করে নথি তৈরি করতে গেলে নির্বাচনই শেষ হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।এসআইআর প্রসঙ্গেও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি মহিলা ও তরুণদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে লক্ষ লক্ষ নাম মুছে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। নির্বাচন কমিশন বিজেপির নির্দেশে কাজ করছে বলেও অভিযোগ তোলেন মমতা।এর আগেও প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে অমিত শাহকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সল্টলেকের অফিস থেকে বেরিয়ে ফের বলেন, বাংলায় জিততে চাইলে নির্বাচনে লড়াই করুন। ডেটা চুরি করে বা ভোটারের নাম বাদ দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, বাংলা দেশের গেটওয়ে। বাংলা ঠিক না থাকলে কিছুই ঠিক থাকবে না।মমতা আরও প্রশ্ন তোলেন, বিজেপির অফিস বা তাদের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় এই ধরনের অভিযান চালানো হলে কি তা মেনে নেওয়া হবে। তাঁর মতে, এটি গণতন্ত্র ও কাজ করার অধিকারের উপর সরাসরি আঘাত। তিনি জানান, ইডির ফরেন্সিক টিমের বিরুদ্ধে এফআইআর করার কথাও ভাবা হচ্ছে। একই সঙ্গে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ডাক দেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির চুরি, ডাকাতি ও লুঠের বিরুদ্ধে পথে নামার আহ্বান জানান তিনি।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

দলের সমস্ত ডেটা ট্রান্সফার করে নিয়েছে ইডি! বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

আইপ্যাকের অফিসে কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তৈরি হয় নাটকীয় পরিস্থিতি। তৃণমূলের নির্বাচনী তথ্য, প্রার্থিতালিকা ও ভোটের কৌশল হাতিয়ে নিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে ব্যবহার করা হয়েছে। এই আবহেই একেবারে আক্রমণাত্মক ভূমিকায় দেখা যায় তৃণমূলনেত্রীকে।ED হানার খবর পেয়ে এদিন সকালে প্রথমে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে বেরিয়েই তিনি সোজা চলে যান সল্টলেকের আইপ্যাক অফিসে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তুললেও, সল্টলেকের অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে মমতা স্পষ্ট করে দেন, আইপ্যাক কোনও সাধারণ বেসরকারি সংস্থা নয়। এটি তৃণমূল কংগ্রেসের স্বীকৃত ভোটকুশলী টিম। সেই টিমের অফিসে ঢুকে সব নথি নিয়ে যাওয়া বেআইনি কাজ বলেই দাবি করেন তিনি।মমতা বলেন, ভোর ছটা থেকে এই অভিযান শুরু হয়েছে, যখন অফিসে প্রায় কেউই ছিলেন না। তাঁর অভিযোগ, ওই সময় দলের সমস্ত ডেটা, ল্যাপটপ, নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত নথি, এমনকি SIR সংক্রান্ত কাজের কাগজও ট্রান্সফার করে নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে ঢুকে এ ভাবে কাগজপত্র তুলে নেওয়া সরাসরি অপরাধ। অফিসের টেবিল ফাঁকা হয়ে গিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নতুন করে সব নথি তৈরি করতে গেলে নির্বাচনই পেরিয়ে যাবে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।এর পর কেন্দ্রীয় সংস্থা ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, তৃণমূল একটি রেজিস্টার্ড রাজনৈতিক দল। নিয়মিত আয়কর দেয়, অডিট হয়। প্রয়োজন হলে নোটিস দেওয়া যেত। কিন্তু ভোট এলেই শুধু বিরোধীদের নিশানা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, বিজেপিকে কখনও এই ভাবে নোটিস দেওয়া হয় না। টাকা ও পেশীশক্তির জোরে গণতন্ত্র ধ্বংস করা হচ্ছে বলেও তোপ দাগেন তিনি।SIR প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ উগরে দেন। তাঁর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলায় লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মহিলা ও তরুণরা। তিনি দাবি করেন, যুক্তিহীন অজুহাতে নাম কাটা হচ্ছে এবং নির্বাচন কমিশন বিজেপির ইশারায় কাজ করছে। এখনও ন্যায়বিচারের আশায় তাঁরা চুপ করে রয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন মমতা।সল্টলেকের অফিস থেকে বেরিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, নিজের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর অভিযোগ, ED নির্বাচনের সমস্ত রণকৌশল, দলের তথ্য, প্রার্থিতালিকা কেড়ে নিয়ে গেছে। ভোটারদের ডেটা লুঠ করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তৃণমূলের সঙ্গে প্রতারণা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।এর আগে প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় অমিত শাহকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সল্টলেকের অফিসের বাইরে দাঁড়িয়েও তিনি বলেন, বাংলায় জিততে চাইলে নির্বাচনে লড়াই করে জিততে হবে। দলের তথ্যপ্রযুক্তি দফতরে হানা দিয়ে ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

সব লুঠ হয়ে গেছে! আইপ্যাকের অফিস থেকে বেরিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে বৃহস্পতিবার তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সল্টলেক সেক্টর ফাইভে অবস্থিত ওই অফিসে সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তল্লাশি শুরু করেন। একই সঙ্গে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। এই ঘটনার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে যান আইপ্যাকের অফিসে। অফিসটি আবাসনের এগারো তলায় অবস্থিত। এর আগে তিনি প্রতীক জৈনের বাড়িতেও যান। সেখান থেকে বেরিয়েই তিনি সোজা সল্টলেকে আসেন। পরে রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসুও সেখানে পৌঁছন।সকাল থেকেই এলাকা ঘিরে রাখে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নিরাপত্তার জন্য পরে পৌঁছয় সিআরপিএফ। পাল্টা রাজ্য পুলিশের র্যাফও মোতায়েন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট আইপ্যাকের অফিসে ছিলেন। পরে নীচে নেমে এসে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোররাত থেকেই তল্লাশি চলছিল। আইপ্যাক তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা। তাঁর অভিযোগ, এভাবে সব কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া লুঠের সামিল। তিনি বলেন, নতুন করে আবার ফাইল তৈরি করতে করতেই ভোট পেরিয়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, দলের সব ডেটা, ল্যাপটপ, আইফোন এবং যাবতীয় পার্টির তথ্য নিয়ে গেছে ইডি। এমনকি এসআইআর সংক্রান্ত নথিও ফরেন্সিক টিম এনে ট্রান্সফার করা হয়েছে। অফিসের সব টেবিল খালি হয়ে গেছে বলেও তিনি দাবি করেন।এসআইআর প্রসঙ্গ তুলে মমতা বলেন, অমর্ত্য সেন এবং জয় গোস্বামীকেও এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে বুঝে-বুঝে হেনস্থা করছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ল্যাপটপ থেকে এসআইআর ডেটা, রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি এবং প্রার্থী তালিকা সব নিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতীক জৈনের বাড়িতেও একইভাবে সব নথি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি।মমতার অভিযোগ, ভোটে জেতার কৌশলই ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, সব সীমা ছাপিয়ে গেছে এই অভিযান। টাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই ইডি হানার পর কেন্দ্রের আসন শূন্য হবে। পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অমিত শাহকে নিয়ন্ত্রণ করার আহ্বান জানান।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ! মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি শুভেন্দু অধিকারীর

আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি ঘিরে বৃহস্পতিবার রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলার সূত্র ধরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে আসে। তল্লাশি চলাকালীন প্রথমে সেখানে পৌঁছন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। তাঁর কিছুক্ষণের মধ্যেই আচমকা সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী তল্লাশির মধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পর তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন হাতে একটি সবুজ রঙের ফাইল নিয়ে। বেরিয়েই তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা এবং রাজনৈতিক পরিকল্পনার হার্ড ডিস্ক হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই তল্লাশি চালিয়েছেন।প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রওনা দেন গডরেজ ওয়াটারসাইডে আইপ্যাকের অফিসের দিকে। সেই সময়ই মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই এবার পদক্ষেপ করা।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এর আগেও কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ করেছেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২১ সালে নিজাম প্যালেসে ইডির দফতরের সামনে মুখ্যমন্ত্রী ধরনায় বসেছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও মদন মিত্রদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে। সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশির সময়ও কলকাতায় ধর্মতলায় ধরনায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য, একজন মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এই ধরনের আচরণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ এবং তদন্তে সরাসরি বাধা দেওয়ার শামিল। তাঁর দাবি, ইডির কাছে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এবং সেই ক্ষমতাবলেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা উচিত। মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনারের তল্লাশির সময় সেখানে যাওয়াকে তিনি অসাংবিধানিক ও অনৈতিক বলেও মন্তব্য করেন।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

আইপ্যাক তল্লাশিতে রাজনীতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নতুন মোড়

আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি চলাকালীন রাজ্য দেখল এক নজিরবিহীন ছবি। তল্লাশির মাঝেই প্রথমে সেখানে পৌঁছন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। তাঁর কিছুক্ষণের মধ্যেই আচমকা প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কোনও রকম দেরি না করে তিনি তড়িঘড়ি বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েন।প্রায় পনেরো মিনিট পরে মুখ্যমন্ত্রী বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন হাতে একটি সবুজ রঙের ফাইল নিয়ে। সেই ফাইলে কী রয়েছে এবং কেন এই তল্লাশি, তা নিয়ে প্রকাশ্যেই বক্তব্য রাখেন তিনি। কথা বলতে গিয়েই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নটি হোম মিনিস্টার, ন্যাস্টি হোম মিনিস্টার। তাঁর অভিযোগ, প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি পাঠানো হয়েছে দলের আইটি ইনচার্জের সব হার্ড ডিস্ক বাজেয়াপ্ত করার জন্য। প্রার্থী তালিকা, দলের পরিকল্পনা এবং রাজনৈতিক কৌশল হাতিয়ে নেওয়াই এই অভিযানের উদ্দেশ্য বলে তিনি দাবি করেন।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, এটাই কি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাজ তাঁর দলের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে নেওয়া? তিনি আরও বলেন, যিনি দেশ রক্ষা করতে পারেন না, তিনিই এই ধরনের কাজ করছেন।প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সোজা চলে যান আইপ্যাকের গডরেজ ওয়াটারসাইডের অফিসে। সেখানে দেখা যায়, একের পর এক ফাইল বের করে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে তোলা হচ্ছে। সেই সব ফাইল ঘিরেই নতুন করে রহস্য দানা বাঁধে।সূত্রের খবর, কয়লা পাচার সংক্রান্ত কিছু নথি খতিয়ে দেখতেই ইডি আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। সেই সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে পুলিশের বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে সেখানে পৌঁছন ডিসি সাউথ এবং পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজ্য

অমর্ত্য সেনের বয়সে গরমিল? এসআইআর নোটিস নিয়ে বিস্ফোরক দাবি অভিষেকের

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটে এক জনসভা থেকে তিনি এই দাবি করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অমর্ত্য সেনের পূরণ করা এসআইআর ফর্মে তথাকথিত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, অর্থাৎ তথ্যগত গরমিল রয়েছে বলেই তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে।কমিশন সূত্রের দাবি, অমর্ত্য সেন ও তাঁর মায়ের বয়সের পার্থক্য নথিতে মাত্র ১৫ বছর দেখানো হয়েছে, যা তথ্যগতভাবে অসঙ্গত। সেই কারণেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির অভিযোগ তুলে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।রামপুরহাটের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সভায় আসার পথে তিনি শুনেছেন, অমর্ত্য সেনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি ভারতের হয়ে নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছেন, যাঁর জন্য দেশ বিশ্বমঞ্চে গর্বিত, সেই মানুষকেই এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, হায় রে পোড়া কপাল!এই ঘটনার মধ্যেই বুধবার সকালে বোলপুরের শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের প্রতিচী বাড়িতে যান স্থানীয় বিএলও শ্যামাব্রত মুখোপাধ্যায়। যদিও বর্তমানে অমর্ত্য সেন ওই বাড়িতে নেই। তাঁর আবাসেই এসআইআর সংক্রান্ত নোটিস পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।এই প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, শুধু অমর্ত্য সেন নন, ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা মহম্মদ সামিকেও এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি বিশ্বকাপ জিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন, তাকেও ছাড় দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা দেবকেও নোটিস পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন অভিষেক। দেবের সঙ্গে তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি প্রসঙ্গটি নিয়ে সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকেও আলোচনা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির আড়ালেই ভোট চুরির আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্মে সামান্য তথ্যগত গরমিল দেখিয়ে সাধারণ ভোটারদের বারবার শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। শুরু থেকেই তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ভোটারের নামকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র অজুহাতে সন্দেহজনক তালিকায় রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘জাতীয় অপমান হলে বিশ্বকাপ নয়’, ভারত নিয়ে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের

ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে কি না, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল বাংলাদেশ। দেশটির সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আজিফ নজরুল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ দল। তাঁর কথায়, জাতীয় মর্যাদার বিনিময়ে ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয়।সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্কের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আইপিএল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় সেই উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট মহলে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছে আবেদন জানায়, যাতে ভারতের বদলে অন্য কোনও দেশে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করা হয়। যদিও আইসিসি সেই আবেদন খারিজ করে দেয় বলে খবর, কারণ তাদের কাছে কোনও নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সতর্কতার তথ্য ছিল না।আজিফ নজরুল জানান, আইসিসি থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেলেও তারা ভারতের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির গুরুত্ব ঠিকভাবে বুঝতে পারেনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটপ্রেমী দেশ এবং বিশ্বকাপ খেলতে চায়। কিন্তু ক্রিকেটার, সাংবাদিক, সমর্থক এবং দেশের সম্মান যদি বিপন্ন হয়, তাহলে সেই বিশ্বকাপ খেলার কোনও মানে নেই।বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও একই সুরে কথা বলেন। তিনি জানান, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ক্রিকেটার নয়, প্রচুর সাংবাদিক, সমর্থক ও স্পনসরও ভারতে যাবেন। তাঁদের সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে কি না, তা নিয়েই সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি প্রয়োজন, তাই সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতেই তাঁরা এসেছেন।বুলবুল আরও বলেন, আগে একাধিকবার হাইব্রিড বিশ্বকাপ হয়েছে শুধুমাত্র নিরাপত্তার কারণেই। তাই বাংলাদেশের দাবি অযৌক্তিক নয়। আইসিসির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে জানানো হয়েছে, সূচি ও ভেন্যু বদলানো হবে না এবং না খেললে পয়েন্ট কাটা যেতে পারে। যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দাবি করেছে, এমন কোনও চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পায়নি।এর মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মোস্তাফিজ বিতর্কের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার ও প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ৫ জানুয়ারি জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইপিএল সংক্রান্ত কোনও অনুষ্ঠান বা প্রচার দেখানো যাবে না।বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের চারটি লিগ ম্যাচই ভারতের মাটিতে হওয়ার কথা। এই পরিস্থিতিতে আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে ক্রিকেট দুনিয়া।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
রাজ্য

তারাপীঠে প্রার্থনার আগে ভোটের টার্গেট, বীরভূমে অভিষেকের হুঙ্কার

বীরভূমের মাটিতে দাঁড়িয়ে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের লক্ষ্যমাত্রা স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারাপীঠে গিয়ে প্রার্থনা করবেন বলেও জানান তিনি। এ আবার জিতবে বাংলা নামের প্রচার কর্মসূচির অংশ হিসেবেই মঙ্গলবার বীরভূমে যান অভিষেক। সেখানে দলের কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, এবার আসন সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে।গত বিধানসভা নির্বাচনে বীরভূমের ১১টি আসনের মধ্যে ১০টিতে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। এদিন অভিষেক বলেন, এবার আর ১০টিতে থেমে থাকলে চলবে না। বীরভূমের মানুষকে সব কটি আসনেই তৃণমূলকে জেতাতে হবে। তাঁর কথায়, এবার লক্ষ্য হবে ১১-০।লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল উল্লেখ করে অভিষেক বলেন, যে ব্যবধানে তৃণমূলের দুই প্রার্থীকে জিতিয়েছেন, তাতে প্রমাণ হয়ে গেছে, এই পবিত্র মাটিতে বিরোধীদের কোনও জায়গা নেই। অনুব্রত মণ্ডলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুনেছেন কেষ্টদা তারাপীঠে গিয়ে ২৩০টি আসনের প্রার্থনা করেছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, এবার লক্ষ্য ২৫০ আসন।এদিন দলের কর্মীদের উদ্দেশে বুথভিত্তিক ভোট বাড়ানোর নির্দেশও দেন অভিষেক। তিনি বলেন, যেখানে ৫০টি ভোট পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে ৫১ করতে হবে। যেখানে ১০০ ভোট ছিল, সেখানে ১১০ করতে হবে। আর যেখানে ৩০০ ভোট ছিল, সেখানে ৪০০ ভোট করতে হবে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপিকে শূন্য করতে হবে এবং বুঝিয়ে দিতে হবে যে পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়ে গেছে।এই সভায় পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয় অভিষেকের। হেলিকপ্টারের সমস্যার কারণে তাঁকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কাছ থেকে হেলিকপ্টার নিয়ে বীরভূমে আসতে হয় বলে জানা গেছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নিজের দেশেই পরবাসী! পুশব্যাকের যন্ত্রণা পেরিয়ে সন্তানের নাম ‘আপন’ রাখলেন অভিষেক

আপন নামের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে নিজের হওয়ার অনুভূতি। যা নিজের, তাই আপন। সোনালী খাতুনের জীবনের লড়াইয়ের সঙ্গে তাঁর সন্তানের এই নাম যেন গভীরভাবে মিলে যায়। নিজের দেশের নাগরিক হয়েও একসময় তাঁকে জোর করে বাংলাদেশে পুশব্যাক করে পাঠানো হয়েছিল। বহু কষ্ট, লড়াই আর আইনি জটিলতা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি ফিরে এসেছেন নিজের দেশে, নিজের মাটিতে।সেই সোনালীর কোলেই এবার এসেছে ফুটফুটে সন্তান। আর তাঁর ছেলের নাম রাখলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে আপন।সোনালী খাতুনের বিরুদ্ধে জোর করে বাংলাদেশে পুশব্যাকের অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। অভিযোগ, তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মামলা দায়ের হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দেশে ফিরে আসেন সোনালী।সোমবার সোনালী সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সেই খবর পাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সাংসদ জানান, আগে থেকেই সোনালীর সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু তাঁর শারীরিক সমস্যা থাকায় তিনি নিজেই যাওয়ার কথা বলেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সোনালীর মুখে তিনি যেসব কথা শুনেছেন, তা অত্যন্ত মর্মান্তিক। কীভাবে বিএসএফের মাধ্যমে তাঁকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়, কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়, রাতের পর রাত জঙ্গলে কাটাতে হয় এবং সেই অবস্থাতেই নদী পেরোতে হয়। পরে বাংলাদেশে জেলে দীর্ঘদিন কাটাতে হয় তাঁকে। এখনও সোনালীর স্বামী বাংলাদেশেই রয়েছেন।অভিষেক আরও বলেন, জন্মের আগেই শিশুটির উপর দিয়ে অনেক অত্যাচার গেছে। সোনালীর মা তাঁর কাছে অনুরোধ করেছিলেন সন্তানের নাম রাখার জন্য। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই তিনি শিশুটির নাম রাখেন আপন। তিনি জানান, কয়েক মাসের মধ্যেই আবার সোনালীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

অপেক্ষার অবসান! আজই শিলান্যাস গঙ্গাসাগর সেতুর, বদলে যাবে সাগরদ্বীপের ভাগ্য

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। অবশেষে মুড়িগঙ্গা নদীর উপর তৈরি হতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত গঙ্গাসাগর সেতু। সোমবার গঙ্গাসাগরে মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সফরেই গঙ্গাসাগর সেতু প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। সেতু তৈরি হয়ে গেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়া পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক মিনিট।এই সেতু চালু হলে গঙ্গাসাগরে যাতায়াত অনেকটাই সহজ হবে। পুণ্যার্থী, পর্যটক এবং সাগরদ্বীপের ৪৩টি গ্রামের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা অনেকটাই মিটবে। এতদিন কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়ায় যাওয়ার একমাত্র ভরসা ছিল নদীপথ। স্টিমার বা নৌকায় করেই চলাচল করতে হত স্থানীয় মানুষদের। বর্ষার সময় বা নদীর জল বেড়ে গেলে যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে যেত।এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার একাধিকবার কেন্দ্রের কাছে সেতু নির্মাণের জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়েছিল। তবে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সাড়া মেলেনি বলেই অভিযোগ রাজ্য সরকারের। শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালে গঙ্গাসাগর মেলা পরিদর্শনে এসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, রাজ্যের অর্থেই তৈরি হবে গঙ্গাসাগর সেতু। সেই ঘোষণার পর নতুন আশায় বুক বাঁধেন সাগরদ্বীপের বাসিন্দারা।সোমবার সেই স্বপ্ন বাস্তবের পথে এগোচ্ছে। ভোটের মুখে এই গুরুত্বপূর্ণ সেতু প্রকল্পের শিলান্যাস রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের শাসকদলকে কিছুটা হলেও রাজনৈতিক সুবিধা দিতে পারে।প্রায় ৪.৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই গঙ্গাসাগর সেতু হবে চার লেনের। সেতু নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের পূর্ত দফতরকে। গোটা প্রকল্পে খরচ হবে আনুমানিক ১৬৭০ কোটি টাকা। সোমবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। আগামী চার বছরের মধ্যে সেতু নির্মাণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেতুর নকশা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ডোমিসাইল বাতিলের অভিযোগ! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সংঘাত রাজ্য-কমিশনের

ডোমিসাইল বা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বাতিল করা হচ্ছে এই অভিযোগে চরম হয়রানির মুখে পড়ছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। রাজ্য সরকারের দাবি, অনানুষ্ঠানিক ভাবে জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট আর ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত নির্দেশ বা আইনি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত ও ত্রুটিপূর্ণ ভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। রাজ্যের আপত্তি না মানা হলে এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এর আগেও গত নভেম্বর মাসে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন মমতা। সেই চিঠিতে এসআইআর-এর প্রথম ধাপে চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর এবং বাংলা সহায়ক কেন্দ্রের কর্মীদের ব্যবহার না করার কমিশনের নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।রাজ্যের অভিযোগ, কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদেরও শুনানির জন্য সশরীরে হাজির হতে বাধ্য করা হচ্ছে। অথচ জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী তাঁরা ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সম্পূর্ণ যোগ্য। এই সিদ্ধান্তের ফলে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক চরম অসুবিধা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠায় কলকাতা পুরসভায় এই শংসাপত্রের জন্য আবেদন হঠাৎ বেড়ে যায়। পুরসভার সদর দফতর ও বিভিন্ন বরো অফিসে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৮০টি করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদন জমা পড়ছে। সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দফতর থেকে কলকাতার সমস্ত কাউন্সিলরের কাছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকাও পাঠানো হয়।এই প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জেলায় ক্ষোভ বাড়ছে। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের কালনায় অভিযোগ ওঠে, পৌরসভার একটি ওয়ার্ডের ৩২ জন ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকা হলেও তাঁদের কাছে থাকা পুরনো বাড়ির দলিল মানা হয়নি। নতুন করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট চাওয়া হয়। অথচ সেই শংসাপত্রই এখন বাতিল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, শুনানির কারণ না জানিয়েই ভোটারদের ডাকা হচ্ছে। প্রবীণ, অসুস্থ ও শারীরিক ভাবে অক্ষম মানুষকেও ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে গিয়ে হাজিরা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকী ভিন রাজ্যে কর্মরত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদেরও ব্যক্তিগত ভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বানান বা বয়স সংক্রান্ত সামান্য ভুলের জন্যও নতুন করে নথি যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা কার্যত অসম্ভব। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত তালিকা উপেক্ষা করে অভিজ্ঞতাহীন কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের মাইক্রো অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের নির্ধারিত ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ। এই ত্রুটিগুলি অবিলম্বে সংশোধন না হলে সম্পূর্ণ এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
বিদেশ

বর্ষবরণের রাতে বিভীষিকা, আগুনে ঝলসে মৃত্যু হিন্দু ব্যবসায়ীর

মাথায় পেট্রোল ঢেলে তাঁকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপর শুরু হয় জীবন-মৃত্যুর লড়াই। টানা তিন দিন সেই লড়াই চললেও শেষ পর্যন্ত হার মানলেন খোকন চন্দ্র দাস। তিনি বাংলাদেশের শরিয়তপুর জেলার ডামুড্যা এলাকার বাসিন্দা। বর্ষবরণের রাতে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় খোকনের। তাঁর এক আত্মীয় প্রান্ত দাস জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাঁরা শাহবাগ থানায় যাচ্ছেন। ময়নাতদন্তের কাজ শেষ হলে দেহ গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে।হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান বিধান সরকার জানান, খোকনের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ অংশ পুড়ে গিয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় আনা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। এই সময়ের মধ্যেই খোকন তাঁর উপর হামলা চালানো কয়েক জনের নাম পুলিশকে বলে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।পুলিশি সূত্রে খবর, খোকন দুই অভিযুক্তের নাম বলেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান এবং অন্য জন রাব্বি মোল্লা। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ২৭ ও ২১ বছর। প্রাথমিক তদন্তে পলাশ সরদার নামে আরও এক জনের নাম উঠে এসেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যায়নি।ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে। খোকন চন্দ্র দাস পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। কেউরভাঙা বাজারে তাঁর একটি ওষুধের দোকান এবং মোবাইল ব্যাঙ্কিংয়ের ব্যবসা ছিল। ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ দোকান বন্ধ করে প্রতিদিনের মতো অটো রিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সেই সময় ডামুড্যা-শরিয়তপুর সড়কে কেউরভাঙা বাজারের কাছে তাঁকে অটো থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।অভিযুক্তদের চিনে ফেলায় খোকনের মাথায় পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। প্রাণ বাঁচাতে তিনি পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন এবং চিৎকার শুরু করেন। স্থানীয়রা সেই চিৎকার শুনে ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল তাঁর।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

আলিপুরদুয়ারে ভোটের আগে বড় আশ্বাস, ৩০০ টাকা দৈনিক মজুরির প্রতিশ্রুতি অভিষেকের

ভোটের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক সভা করছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বারুইপুরের পর শনিবার তিনি পৌঁছন আলিপুরদুয়ারে। যে জেলায় গত নির্বাচনে পাঁচটি আসনেই তৃণমূল হেরেছিল, সেই জেলায় বিজেপির বিরুদ্ধে এ দিনও মঞ্চ থেকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।তবে সভার শেষে দেখা যায় একেবারে অন্য ছবি। মঞ্চের সঙ্গে তৈরি করা র্যাম্পে দাঁড়িয়ে উপস্থিত মানুষের কাছ থেকে সরাসরি প্রশ্ন নেন অভিষেক। চিরকুটে লেখা প্রশ্ন হাতে নিয়ে একের পর এক উত্তর দেন তিনি।একটি চিরকুটে ছিল এক চা শ্রমিকের প্রশ্ন। তিনি মজুরি বাড়ানোর দাবি জানান। প্রশ্ন শোনার পরেই ওই চা শ্রমিককে মঞ্চে ডেকে নেন অভিষেক। মঞ্চে উঠে ওই শ্রমিক বলেন, দিনে ২৫০ টাকা মজুরিতে সংসার চালানো অসম্ভব। তাঁদের ১৪ দফা দাবি দীর্ঘদিন ধরে শোনা হচ্ছে না। ঠিকমতো বাড়ি নেই, চিকিৎসার সুবিধাও নেই। অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া দিতে গিয়ে ধার করতে হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মন দিয়ে সব কথা শোনেন অভিষেক। এরপর তিনি বলেন, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার আগে চা শ্রমিকদের মজুরি ছিল মাত্র ৬০ টাকা। ধাপে ধাপে তা বাড়িয়ে ২৫০ টাকা করা হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, এই টাকায় সংসার চালানো কঠিন। অভিষেক আশ্বাস দেন, নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম কয়েক মাসের মধ্যেই আলিপুরদুয়ারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।তিনি বলেন, দরকার হলে তিনি নিজে আবার আসবেন, অথবা দলের কোনও সিনিয়র নেতাকে পাঠানো হবে। রাজ্য সরকার, শ্রমিক সংগঠন এবং চা বাগানের ম্যানেজমেন্টের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক করে দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকা করার চেষ্টা করা হবে।এ দিনের সভা থেকে আরও একটি ঘোষণা করেন অভিষেক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বাস পরিষেবার কথা ঘোষণা করেছিলেন, তা আগামী সোমবার থেকেই চালু হবে। প্রথম দফায় পাঁচটি বাস রাস্তায় নামবে বলে জানান তিনি।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

মমতা কি ফের নন্দীগ্রামে লড়বেন? শুভেন্দুর মন্তব্যে তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা

নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে ফের একবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হন, তা হলে তাঁকে ২০ হাজার ভোটে হারাবেন।শুভেন্দু বলেন, তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার নন্দীগ্রাম থেকেই ভোটে দাঁড়ান। তাঁর কথায়, আগে যেমন হিন্দু ভোট পেয়েছিলেন, এখন সেই সঙ্গে মুসলিমদের মধ্যেও সমর্থন বাড়ছে। গরিব মুসলমানদের একাংশও বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাঁর দাবি। এই মন্তব্যের পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তৃণমূলের মুসলিম ভোটব্যাঙ্কেও কি এবার থাবা বসাতে চাইছে বিজেপি।রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রাম-সহ গোটা রাজ্যের রাজনীতিতে ধীরে ধীরে সমীকরণ বদলাচ্ছে। এক সময় বিজেপি মূলত হিন্দুত্বের রাজনীতির উপর ভর করেই রাজ্যে শক্তি বাড়িয়েছিল। ২০২১ সালের আগে পর্যন্ত সেই কৌশলে সাফল্যও এসেছিল। তবে তার পর বিজেপির রাজনীতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। অনেকের মতে, তখন বিজেপি শুধু হিন্দুত্বের কথা বলেই থেমে থাকেনি, বরং মুসলিম বিরোধী অবস্থানও নিয়েছিল।এর আগে শুভেন্দু অধিকারীকেই বলতে শোনা গিয়েছিল, যারা বিজেপির সঙ্গে নেই, বিজেপিও তাদের সঙ্গে নেই। তিনি প্রকাশ্যে বলেছিলেন, বিজেপির হাতে ৩৯ শতাংশ ভোট রয়েছে এবং আরও ৫-৬ শতাংশ হিন্দু ভোট একজোট হলেই ক্ষমতায় আসা সম্ভব। সেই সময় বিজেপির রাজনীতিতে মুসলিম ভোটের প্রয়োজন নেই বলেই ইঙ্গিত মিলেছিল।তবে রাজ্য বিজেপির সভাপতির দায়িত্ব শমীক ভট্টাচার্যের হাতে যাওয়ার পর থেকেই দলের সুরে বদলের আভাস মিলতে শুরু করে। সংখ্যালঘুদের কাছে পৌঁছনোর বার্তাও শোনা যায়। সেই সঙ্গে শুভেন্দুর বক্তব্যেও ধীরে ধীরে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। কিছুদিন আগেই তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিমদের ভোট চান না, তিনি শুধু বলেছেন যে বিজেপি সেই ভোট পায় না। তাঁর দাবি, ২০১৯, ২০২১ এবং ২০২৪এই তিনটি বড় নির্বাচনে বিজেপি এক শতাংশেরও কম মুসলিম ভোট পেয়েছে।শুভেন্দুর নন্দীগ্রামের বক্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক ও জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই ঝাঁপাচ্ছেন অভিষেক! এক মাসে গোটা বাংলা চষে ফেলবেন তৃণমূলের সেনাপতি

শুক্রবার থেকেই রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবারই বারুইপুরে সভা রয়েছে তাঁর। এরপর দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গ মিলিয়ে গোটা রাজ্য জুড়ে টানা সফরের পরিকল্পনা করেছেন তিনি। আগামী ৩ জানুয়ারি আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে সভা করবেন অভিষেক। ৬ জানুয়ারি তাঁর সভা রয়েছে বীরভূমে। ৭ জানুয়ারি উত্তর দিনাজপুর, ৮ জানুয়ারি মালদহে সভা করবেন তিনি। ৯ জানুয়ারি রানাঘাট, কৃষ্ণনগর ও বনগাঁয় জনসভা রয়েছে। ১০ জানুয়ারি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে যাবেন অভিষেক। এরপর ১২ জানুয়ারি কলকাতা, ১৩ জানুয়ারি কোচবিহার, ১৫ জানুয়ারি তমলুক, ১৬ জানুয়ারি মেদিনীপুর এবং ১৭ জানুয়ারি জঙ্গিপুর ও বহরমপুরে সভা করার কথা রয়েছে তাঁর।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলার রাজনীতিতে যে সমস্ত এলাকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়, অর্থাৎ যেখানকার ফল রাজ্য রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করে, সেগুলিই বেছে বেছে সফরের তালিকায় রেখেছেন অভিষেক। এক মাস ধরে চলা এই কর্মসূচি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন তাঁরা।এর আগে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকে তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরও ৯ জন সাংসদ। এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক বিষয় তিনি চিফ ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সামনে তুলে ধরেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, বহু প্রশ্নেরই স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। আলোচনার এক পর্যায়ে কমিশনের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলেও দাবি করেন অভিষেক।দিল্লি থেকে শুরু করে বাংলার বিভিন্ন জেলায় অভিষেকের সক্রিয়তা এখন চোখে পড়ার মতো। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ইতিমধ্যেই ভোটের বছরে পা দিয়েছে রাজ্য। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেচ্ছা বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোনও অপশক্তির কাছে মাথা নত করা হবে না, সমস্ত বাধা উপেক্ষা করেই মানুষের জন্য লড়াই চলবে। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান, নতুন উদ্যমে আগামীর লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

রোহিঙ্গা তালিকা কোথায়? এসআইআর নিয়ে কমিশনকে একের পর এক প্রশ্ন অভিষেকের

বুধবার তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ১০ জন সাংসদ এবং রাজ্য সরকারের একাধিক সিনিয়র ক্যাবিনেট মন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এই বৈঠক চলে। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই বৈঠক মোটেও ফলপ্রসূ হয়নি।অভিষেক বলেন, আগেও ২৮ নভেম্বর তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে কমিশন সঠিক কোনও উত্তর দেয়নি। এবারও তাঁরা ১০ থেকে ১১টি প্রশ্ন নিয়ে বৈঠকে গিয়েছিলেন। কিন্তু দু-তিনটি প্রশ্ন ছাড়া বাকি কোনও বিষয়েই স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। তাঁর অভিযোগ, এসআইআর নিয়ে প্রশ্ন করতেই কমিশন নাগরিকত্বের প্রসঙ্গ টেনে কথা ঘুরিয়ে দেয়।অভিষেক জানান, মোট ১ কোটি ৩৬ লক্ষ কেস রয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ-ছটি আলাদা ক্যাটাগরি আছে। কোথাও বাবা ও ছেলের বয়সের ফারাক ১৫ বছর, কোথাও নাম, পদবি বা ঠিকানায় ভুল। কিন্তু সেই সম্পূর্ণ তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। কিছু কেস AERO-দের লগিংয়ে আপলোড করা হয়েছে। যে অ্যাপ দিয়ে এই তথ্য আপলোড করা হচ্ছে, সেটিতেও একাধিক সমস্যা রয়েছে বলে কমিশনকে জানানো হয়েছে।তাঁর অভিযোগ, লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি ক্যাটাগরিতে গেলেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে শুনানির নোটিস চলে যাচ্ছে। সব তথ্য ঠিক থাকলেও মানুষকে শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে। এর ফলে বহু বয়স্ক মানুষ, যাঁদের সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট হয়, তাঁদেরও আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। তৃণমূলের প্রশ্ন, যখন বয়স্কদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে, তখন শুনানির ক্ষেত্রেও কেন বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে না।অভিষেক জানান, কমিশন জানিয়েছে ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স্কদের শুনানিতে ডাকা হবে না। তৃণমূলের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স্ক, শারীরিকভাবে অসুস্থ ও বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের যেন অযথা শুনানিতে ডেকে হেনস্থা না করা হয়। কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি তারা আলোচনা করবে।রোহিঙ্গা ইস্যুতেও নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি বাংলাকে টার্গেট করে বদনাম করছে এবং বলছে রাজ্যে নাকি ১ কোটি রোহিঙ্গা রয়েছে। তিনি কমিশনের কাছে জানতে চান, খসড়া তালিকায় যাঁদের নাম নেই সেই ৫৮ লক্ষ মানুষের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা, তার তালিকা প্রকাশ করা হোক। এই প্রশ্নেরও কোনও উত্তর কমিশন দিতে পারেনি বলে দাবি তাঁর।অভিষেক আরও বলেন, দেশের একাধিক রাজ্যে এসআইআর চলছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি রিভিশনের শতাংশ এসেছে বাংলায়, তা ৫.৭৯ শতাংশ। অথচ এখানেই সবচেয়ে কম নাম বাদ পড়েছে। তা সত্ত্বেও শুধু বাংলায় কেন বেছে বেছে মাইক্রো অবজারভার এবং জেলা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত অফিসার নেই। তৃণমূল পাল্টা জানায়, অনেক AERO বসে রয়েছেন, তাঁদের কাজে লাগানো হচ্ছে না।এছাড়াও ERO-দের না জানিয়ে কীভাবে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, কোনও সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফর্ম ৭ ছাড়াই কীভাবে ব্যাকএন্ড থেকে ভোটার তালিকা বদলানো হচ্ছে, তা নিয়েও তীব্র প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। তবে এই বিষয়েও কোনও স্পষ্ট জবাব মেলেনি বলে অভিযোগ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
রাজ্য

ঠাকুরবাড়িতে অভিষেক যাবেনই? শান্তনুর হুঁশিয়ারিতে উত্তাল মতুয়া রাজনীতি

মতুয়াদের পাশে দাঁড়াতে আগামী ৯ জানুয়ারি ঠাকুরবাড়ি যাওয়ার কথা রয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাহেরপুরে সভা শেষে তিনি হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে পুজো দিতে যাবেন বলেই দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এই সফর ঘিরেই তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর প্রকাশ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুজো দিতে দেওয়া হবে না।শান্তনু ঠাকুরের অভিযোগ, ভোটের রাজনীতি করতেই অভিষেক ঠাকুরনগরে আসছেন। তিনি বলেন, কত পুলিশ নিয়ে অভিষেক আসতে পারেন, সেটাও তিনি দেখবেন। ওই দিন হাজার হাজার মতুয়া মানুষ জড়ো হবে এবং ধিক্কার মিছিল বেরোবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।পাল্টা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, ক্ষমতা থাকলে কেউ আটকাক। জেলা তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ওই দিন দুপুর দুটো নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঠাকুরবাড়িতে যাবেন। তাঁর বক্তব্য, যে কোনও তীর্থস্থানে যাওয়ার অধিকার সবার রয়েছে।যদিও শান্তনু ঠাকুর ফের দাবি করেন, ঠাকুরবাড়িতে যে কেউ আসতে পারে, তাতে তাঁর আপত্তি নেই। কিন্তু অভিষেক যদি পুলিশ বাহিনী নিয়ে শক্তি প্রদর্শন করতে আসেন, তা হলে তাঁকে পুজো দিতে দেওয়া হবে না। ভোটের আগে কেন তিনি সেখানে যেতে চাইছেন, সেই প্রশ্নও তোলেন শান্তনু।এই নিয়ে শান্তনু ঠাকুরকে তীব্র আক্রমণ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশ নিয়ে নয়, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে ঠাকুরবাড়িতে যাবেন। তাঁর প্রশ্ন, ঠাকুরবাড়ি কি শান্তনু ঠাকুরের ব্যক্তিগত সম্পত্তি? হরিচাঁদ ঠাকুর কখনও বিভেদ বা সংঘর্ষের কথা বলেননি, তিনি মানুষের মিলন আর ভক্তির কথা বলেছেন। শান্তনু ঠাকুর এই মন্তব্য করে নিজের বংশের জন্যই কলঙ্কজনক অধ্যায় তৈরি করছেন বলে কটাক্ষ করেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ঘিরে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
রাজ্য

বাংলায় কথা বলতেই ‘বাংলাদেশি’ তকমা! ৭ মাস জেল, শেষে অভিষেকের চেষ্টায় ঘরে ফিরলেন দুই যুবক

মঙ্গলবার বিমানবন্দর থেকে দিল্লি যাওয়ার আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বাংলায় কথা বলার জেরে মহারাষ্ট্রে জেলবন্দি হওয়া দক্ষিণ দিনাজপুরের দুই পরিযায়ী শ্রমিক অবশেষে ঘরে ফিরেছেন তাঁর উদ্যোগেই। তিনি জানান, ওই দুই যুবকের নাম অসিত সরকার এবং গৌতম বর্মণ। একজন তপনের বাসিন্দা, অন্যজন কুমারগঞ্জের। অভিষেক বলেন, অসিত সরকার নিজেকে বিজেপির বুথ সভাপতি বলে পরিচয় দিয়েছিলেন এবং দাবি করেছিলেন যে তিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে মুম্বইয়ে কাজ করছেন। কিন্তু হঠাৎ মহারাষ্ট্র পুলিশের অভিযানে তাঁকে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি স্ত্রীকে বলেছিলেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। অভিযোগ, স্ত্রী কেঁদে অনুরোধ করলেও সাংসদের তরফে কোনও সাহায্য মেলেনি।বালুরঘাট ব্লকের পতিরাম গ্রামপঞ্চায়েতের লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা অসিত সরকার একটি গোডাউনে কাজ করতেন। পরিবারের দাবি, তিনি ভালোভাবে হিন্দি বলতে পারেন না। মুম্বইয়ে পুলিশের জেরার সময় বাড়ি কোথায় জানতে চাইলে তিনি কোনওরকমে বাঙাল শব্দটি বলেন। এরপরেই তাঁর গায়ে বাংলাদেশি হওয়ার তকমা সাঁটা হয়। অভিযোগ, এই সন্দেহেই প্রায় সাত মাস তাঁকে মুম্বইয়ের জেলে থাকতে হয়। পরিবার নানা নথিপত্র নিয়ে বিজেপি সাংসদের দ্বারস্থ হলেও কোনও লাভ হয়নি বলে দাবি।গঙ্গারামপুর ব্লকের বাসিন্দা গৌতম বর্মণও একই পরিস্থিতির শিকার হন। তৃণমূলের দাবি, তিনিও বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলেন। তবু বিজেপির তরফে কোনও সাহায্য মেলেনি। বিষয়টি জানার পর তৃণমূল নেতৃত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরেই তিনি উদ্যোগ নিয়ে দুই পরিযায়ী শ্রমিককে ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করেন।সোমবার জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অম্বরিশ সরকার নিজে উদ্যোগ নিয়ে দুই যুবককে তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দেন। দীর্ঘদিন পরে ছেলে বাড়ি ফেরায় খুশিতে চোখে জল পরিবারের সদস্যদের। অসিত সরকার বলেন, এতদিন পরে বাড়িতে ফিরতে পেরে তিনি খুবই স্বস্তিতে আছেন। অম্বরিশ সরকারের দাবি, বিজেপির বুথ সভাপতি হয়েও অসিত এবং গৌতম কেউই দলের তরফে সাহায্য পাননি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তাঁদের ঘরে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।যদিও এই অভিযোগ নিয়ে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, ওই যুবকেরা আদৌ বুথ সভাপতি ছিলেন কি না, তা তিনি জানেন না। তাঁর দাবি, গোটা বিষয়টি তৃণমূলের অপপ্রচার। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন রাজ্যে কাজ নেই বলেই মানুষ ভিনরাজ্যে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 74
  • 75
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal