• ১২ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

কলকাতা

ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখাতেই বড় শাস্তি! ফিরহাদ-অরূপদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক পদক্ষেপ

রাজ্য রাজনীতিতে আরও গভীর হল তৃণমূলের অন্দরের সংঘাত। শোকজ নোটিস পাঠানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নির্দেশ অমান্য করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়, জাভেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক পরিচিত মুখ। বৈঠক থেকেই নতুন জাতীয় কর্মসমিতির ঘোষণা করা হয়। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম রাখা হয়নি। চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চার নেতাকে।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং আরও কয়েকজন নেতার নাম উঠে আসে নতুন শিবিরের সঙ্গে। এরপরই কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁদের শোকজ করে। তবে সেই শোকজের জবাবের জন্য অপেক্ষা না করেই মঙ্গলবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বহিষ্কার শুধু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং তৃণমূলের অন্দরের ক্ষমতার লড়াইকে আরও স্পষ্ট করে দিল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন শক্তি গড়ে উঠছে, অন্যদিকে দলীয় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে কড়া বার্তা দিতে চাইছে মমতা শিবির।আগামী দিনে আরও কয়েকজন নেতা নতুন শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে তৃণমূলের অন্দরের এই সংঘাত কোন দিকে গড়ায়, সেদিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রতদের আগেই বড় চাল মমতার! নির্বাচন কমিশনে চিঠি ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের দাবি করেছে, অন্যদিকে তার আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের কর্মসমিতির তালিকা পাঠিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবিরও নিজেদের নতুন কমিটির নথি কমিশনে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই পদক্ষেপ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন শিবির। কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের ঘোষণা করেছিল। সেই আবহেই কমিশনে পাঠানো তালিকায় অভিষেকের নাম থাকা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, কমিশনে পাঠানো তালিকায় মোট চব্বিশ জন নেতার নাম রয়েছে। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সহ সভাপতি পদে রাখা হয়েছে সুব্রত বক্সীকে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন শুভাশিস চক্রবর্তী। তালিকায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে। তাঁর পরিচয়ের পাশে বিধানসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়াও দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম ওই তালিকায় রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের কাছে আগে নথি জমা দিয়ে সাংগঠনিক লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চেয়েছে মমতা শিবির।এদিকে রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু আইনি লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দলের কর্মী, সমর্থক এবং ভোটারদের সমর্থন কোন দিকে যায়, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্লেষকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক দলের নাম বা প্রতীকের প্রশ্ন আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের আস্থা এবং সমর্থন কোন নেতৃত্বের দিকে ঝুঁকবে, সেটি রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর নির্ভর করবে।তাই আপাতত তৃণমূলের ভিতরে এই ক্ষমতার লড়াই আরও দীর্ঘ হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন, আদালত এবং জনমতের লড়াই তিন দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দলে ভাঙন, রাজনীতিতে চাপ! এরই মধ্যে বিদেশযাত্রার অনুমতি চাইলেন অভিষেক

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। আগামীকাল এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে একাধিকবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে গিয়েছেন। বিভিন্ন মামলার কারণে তদন্তকারী সংস্থার নজরদারির মধ্যে থাকায় বিদেশ সফরের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হতো অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে। সেই নিয়ম মেনেই অতীতে বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। পরে আদালতের অনুমতি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশ সফরও করেন।বর্তমানে একটি নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত মামলায় আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে, বিচারালয়ের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সেই কারণেই এবার সরাসরি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ চোখের নিচের অংশে মারাত্মক আঘাত লাগে এবং চোখের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন তিনি।গত কয়েক বছরে দেশের বাইরে একাধিক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন অভিষেক। একাধিক অস্ত্রোপচারও হয়েছে তাঁর চোখে। চিকিৎসকদের পরামর্শেই আবারও বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এখন নজর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে। চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ সফরের অনুমতি মেলে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী শুনানির পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

১২ রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে মমতা, তারপর কী ঘটেছিল? আদালতে বিস্ফোরক দাবি

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও ফুটেজ মুছে ফেলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হন। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভোটগণনার সময় অনিয়ম এবং কারচুপি হয়েছিল। সেই মামলারই শুনানি ছিল মঙ্গলবার।আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ভোটগণনার প্রথম ১২ রাউন্ড পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল এবং তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায় বলে অভিযোগ তাঁর।আইনজীবীর দাবি, তৃণমূলের গণনা এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় আদালতে। তাঁর বক্তব্য, ১৩ নম্বর রাউন্ড থেকে গণনার ফলাফলে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায় এবং তার সমস্ত তথ্য সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে।শুনানিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে নিয়ে আগে থেকেই আপত্তি ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁকেই ওই দায়িত্বে রাখা হয়েছিল। এই বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয় যাতে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করা হয়। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়ারও আর্জি জানানো হয়।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে ভবানীপুর কেন্দ্রের ব্যবহৃত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য বা ফুটেজ নষ্ট করা যাবে না।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে দুই মাস পরে। তবে আদালতের এই নির্দেশের পর ভবানীপুর নির্বাচনের ফলাফল এবং ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৩, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পকে প্রকাশ্য মঞ্চে কার্যত চ্যালেঞ্জ! নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড় বিশ্বরাজনীতি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁকে সম্মান করেন এবং তাঁর কথা শোনেন। তবে সেই মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নেতানিয়াহু।জেরুজালেমে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই মনে করেন তিনি ট্রাম্পের কথামতো চলেন। আবার আমেরিকায় অনেকের ধারণা, ট্রাম্পও তাঁর কথামতো সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এই দুই ধারণাই ভুল বলে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু।তিনি জানান, আমেরিকা এবং ইজরায়েল ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও দুই দেশের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। সব বিষয়ে দুই দেশের মত এক হবে, এমন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে তাঁর সরকার কোনও ধরনের আপস করতে রাজি নয়। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলি সেনার উপস্থিতি বজায় থাকবে বলেও জানান তিনি। যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন সেনা সেখানে মোতায়েন থাকবে বলে তাঁর স্পষ্ট বার্তা।সম্প্রতি ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একাধিক শর্ত নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। সেই শর্তগুলির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিও ছিল। কিন্তু তারপরও দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প কিছুটা কঠোর সুরে ইজরায়েলের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ইজরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাঁর কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন।ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর সমর্থন ছাড়া ইজরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হতো। এই মন্তব্যের পরই আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়।তবে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইজরায়েল নিজের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে চায়। ফলে লেবানন ও ইরান ইস্যুতে আগামী দিনে আমেরিকা ও ইজরায়েলের অবস্থান কতটা একসুরে থাকবে, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে সাসপেন্ড! তৃণমূলে বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত, মমতার নামও নেই নতুন কমিটিতে

বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিদ্রোহী শিবিরের এক সিদ্ধান্তকে ঘিরে। নতুন তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের ছবি স্পষ্ট হতে শুরু করে। একের পর এক বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার ফলে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও পরিষদীয় অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। সেই পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি হয়।সোমবার নিউ টাউনের একটি বৈঠকে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে চেয়ারম্যান হিসেবে অরূপ রায়ের নাম সামনে আনা হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং রথীন ঘোষ। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন।নতুন কমিটি ঘোষণার পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে দলের অন্যতম প্রধান মুখ এবং সংগঠনের কার্যকর নেতৃত্ব হিসেবে দেখা হতো। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে দলের পুনর্গঠন করা হচ্ছে। অন্যদিকে নতুন কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সাংগঠনিক পদ না থাকায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করতে পারে।উল্লেখযোগ্যভাবে, মাসখানেক আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমশ তীব্র হয়েছে। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার ঘোষণার পর সেই সংঘাত আরও নতুন মাত্রা পেল।নতুন কমিটি এবং তার সিদ্ধান্ত ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার নামই নেই! নতুন তৃণমূলের কমিটি ঘোষণা হতেই বাংলার রাজনীতিতে তোলপাড়

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিদ্রোহী শিবিরের নব তৃণমূল। পালাবদলের পর থেকেই একাংশ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছিলেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই শিবির আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করল।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, নব তৃণমূলের ঘোষিত কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম নেই। বরং চেয়ারম্যান করা হয়েছে হাওড়া মধ্যের বিধায়ক অরূপ রায়কে। ফলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি বিদ্রোহী শিবিরের হাতেই চলে গেল।ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে আখতারুজ্জামানকে। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম এবং রথীন ঘোষ। চেয়ারম্যান হয়েছেন অরূপ রায়।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এত দ্রুত সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার অর্থ কি ভবিষ্যতে আলাদা প্রতীকের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়েছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম পাঠানো হয়। সেই প্রস্তাবের সঙ্গে বহু বিধায়কের স্বাক্ষর ছিল বলে দাবি করা হয়। কিন্তু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা অভিযোগ করেন, তাঁদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানান।এরপর ধীরে ধীরে একাধিক বিধায়ক ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেন। রাজনৈতিক সংঘাত আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।সোমবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বিদ্রোহী শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েকজন কাউন্সিলর এবং একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অরূপ বিশ্বাসকেও দেখা যায়। সেই বৈঠক থেকেই নব তৃণমূলের সাংগঠনিক পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করা হয়।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে নব তৃণমূল কোন পথে এগোয় এবং তাদের রাজনৈতিক কৌশল কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২২, ২০২৬
রাজ্য

কোথায় সুমিত রায়? খোঁজ না মিলতেই সামনে এল নতুন বিস্ফোরক অভিযোগ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়কে ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর খোঁজ এখনও না মিললেও এবার তাঁর বিরুদ্ধে নতুন একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানায় নতুন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।অভিযোগ, সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি সেই টাকা সুমিত রায়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। টাকা দেওয়ার পর কিছু নথিও পান তিনি। এমনকি তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষাও হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি না পাওয়ায় তিনি থানার দ্বারস্থ হন।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগেও সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগেও তদন্ত চলছে। মেদিনীপুরের এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। এরপর তাঁর খোঁজে কালীঘাটের বাড়িতেও পৌঁছেছিল পুলিশ। কিন্তু সেখানে তাঁর সন্ধান মেলেনি।তদন্তের স্বার্থে তাঁর বিরুদ্ধে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিকে নতুন অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেন, সুমিত রায় সম্পর্কে তিনি আগেও নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। আইন তার নিজস্ব পথে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের তহবিলে বড় ধাক্কা! হিমঘরে ৪৪০ কোটি, সামনে কি আরও বড় বিপদ?

তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় তহবিল নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। সূত্রের খবর, দলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা আটকে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ জুন ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছে অ্যাকাউন্ট আটকে দেওয়ার জন্য চিঠি পাঠিয়েছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে তার আগেই, ৫ জুন তাঁকে কোষাধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অরূপ বিশ্বাসকে শোকজও করা হয়েছে।সূত্রের দাবি, শোকজের জবাবে অরূপ বিশ্বাস যে চিঠি পাঠিয়েছেন, তার ভাষা অত্যন্ত কড়া। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ঘটনার পর দলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।এদিকে দলীয় তহবিলের টাকার উৎস নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের তিনটি অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ আটকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৃণমূল আইনি পদক্ষেপের পথেও হাঁটতে পারে বলে সূত্রের খবর।বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে। তাঁদের দাবি, এই অর্থের উৎস সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে তদন্তকারীরা এখন ওই বিপুল অর্থের উৎস ও লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য খতিয়ে দেখছেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনা আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। ফলে তৃণমূলের তহবিল ঘিরে নজর এখন গোটা রাজ্যের।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

চার্টার্ড বিমানে দিল্লি সফর! অভিষেককে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য কুণালের, তোলপাড় রাজনীতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে তিনি দিল্লি গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এই আবহেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে দিল্লি যান। সেই সফরকে কেন্দ্র করেই চার্টার্ড বিমানের ব্যবহার নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, অভিষেক চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। কিন্তু যদি দলের তহবিলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তা সমর্থন করেন না।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, যদি অন্য কারও ব্যবস্থায় বা সহযাত্রী হিসেবে তিনি চার্টার্ড বিমানে ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা। কিন্তু দলের অর্থ ব্যয় করে এমন যাত্রা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তৃণমূলকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিতর্ক চলছে। দলের একাংশের বিদ্রোহ, সাংসদ ও বিধায়কদের অবস্থান পরিবর্তন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে।এদিকে দলের তহবিল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। সেই পদক্ষেপকে সমর্থনও করেছেন দলের অন্য একাংশের নেতারা। ফলে তৃণমূলের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তিনি দলের সাংসদদের অবস্থান এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য রাজধানীতে গিয়েছেন।তবে চার্টার্ড বিমানে সফর সংক্রান্ত জল্পনা এবং কুণাল ঘোষের প্রকাশ্য মন্তব্য তৃণমূলের অন্দরের অস্বস্তিকেই আরও সামনে এনে দিয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এখন এই বিতর্কে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

শহিদ দিবসের আগেই বড় ধাক্কা! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিসে তোলপাড় রাজনীতি

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস কর্মসূচির আগে বড় আইনি চাপে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় রাস্তা আটকে সভা করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় নোটিস জারির নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, দুই হাজার আঠারো সালে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে কোনও সরকারি জায়গা বন্ধ করে সভা বা মিছিল করা যাবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর একুশে জুলাই ধর্মতলায় রাস্তা আটকে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। এই বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস জারির নির্দেশ দেয়। আগামী তিন জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, উনিশশো তিরানব্বই সালের একুশে জুলাই রাইটার্স বিল্ডিং অভিযান চলাকালীন পুলিশের গুলিতে তেরো জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দীর্ঘদিন ধরেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরও এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুই হাজার এগারো সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর শহিদ দিবসের সমাবেশ আরও বড় আকার নেয়। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর লক্ষাধিক সমর্থকের জমায়েত হয়। যদিও আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশের পরও একই জায়গায় সভা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এবার পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল এখন বিরোধী শিবিরে। একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরেও নানা মতভেদ এবং ভাঙনের জল্পনা চলছে। বিধানসভা এবং লোকসভা স্তরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার মধ্যেই একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই অবস্থায় আদালতের নোটিস জারির নির্দেশ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। একদিকে শহিদ দিবসের প্রস্তুতি, অন্যদিকে আইনি চাপ দুইয়ের মাঝেই তৃণমূল নেতৃত্বকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।এখন নজর আগামী তিন জুলাইয়ের শুনানির দিকে। আদালতে এই মামলার ভবিষ্যৎ কী মোড় নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।

জুন ১৯, ২০২৬
দেশ

গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টে অভিষেক! আদালতের নির্দেশে আপাতত বড় স্বস্তি

ত্রিপুরার একটি পুরনো মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কা এড়াতে ত্রিপুরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানির পর আদালত জানিয়েছে, আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে হাজিরা দিতে হবে না। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের আগস্ট মাসে। তৃণমূলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দলের কয়েকজন যুবনেতাকে ত্রিপুরায় আটকানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কয়েকজন নেতা আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র আকার নেয়।এরপর আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। পরে ধৃত নেতাদের আদালতে তোলা হলে সেখানকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তাঁরা। জামিন পাওয়ার পর ত্রিপুরার তৎকালীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল নেতারা।পুলিশের দাবি, ওই দিনের থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠায় খোয়াই আদালত। গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা এড়াতেই তিনি ত্রিপুরা হাই কোর্টের শরণাপন্ন হন।অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আইনি ইস্যুকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। সই জাল সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার তলবেও হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে ত্রিপুরার এই মামলায় আদালতের অন্তর্বর্তী স্বস্তি তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।তবে ২১ আগস্টের পরবর্তী শুনানিতে মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বিদ্রোহের ঝড়ে বিপর্যস্ত তৃণমূল, অভিজ্ঞদের হাতে সাংগঠনিক হাল! জেলা কমিটিতে বড় রদবদল মমতার

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধাক্কার মুখে পড়ার পর সংগঠনকে নতুন করে গড়ে তোলার কাজে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর দলের ভিতরে অসন্তোষ, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব সংকট ক্রমশ প্রকট হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় ব্যাপক রদবদল করে নতুন জেলা সভাপতি ও চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দলের বর্তমান অবস্থার দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, বিধানসভার ২৯৪টি আসনের মধ্যে মাত্র ৮০টি আসন তৃণমূলের দখলে রয়েছে। কিন্তু সেই বিধায়কদলেরও বড় অংশ বর্তমানে নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সূত্রের দাবি, প্রায় ৬৫ জন বিধায়ক এখন তথাকথিত ভালো তৃণমূল শিবিরে সক্রিয়। লোকসভাতেও দলের সাংগঠনিক শক্তি কার্যত ভেঙে পড়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে দলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা এবং কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ফিরিয়ে আনাই এখন নেতৃত্বের প্রধান লক্ষ্য।কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ, একাধিক জেলায় নতুন মুখনতুন সাংগঠনিক তালিকায় সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন কুনাল ঘোষ। তাঁকে উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দলের কঠিন সময়ে নেতৃত্বের পাশে থেকে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়ার পুরস্কার হিসেবেই এই দায়িত্বকে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতির পদে আনা হয়েছে বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-কে। এতদিন এই দায়িত্ব সামলাতেন দেবাশিস কুমার।শ্রীরামপুর-হুগলি সাংগঠনিক জেলায় ফের আস্থা রাখা হয়েছে প্রবীণ নেতা অসিত মজুমদার-র উপর। গত নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী না করে দেবাংশু ভট্টাচার্য-কে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন অসিত। তবে নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সমীকরণ বদলেছে। দেবাংশুর সঙ্গে নেতৃত্বের দূরত্ব বাড়ার আবহে আবারও অভিজ্ঞ অসিতের হাতেই সাংগঠনিক দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে।বিদ্রোহীদের সরিয়ে বিশ্বস্তদের গুরুত্বদলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের প্রভাব স্পষ্ট হয়েছে একাধিক জেলার দায়িত্ব বণ্টনে। ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে নাম জড়ানো পার্থ ভৌমিক-এর পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত গুপ্ত-কে।হাওড়া সদর জেলা তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকেও সরানো হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী Arup Roy-কে। বর্তমানে তিনি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়াও পূর্ব বর্ধমান জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়-কে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি হয়েছেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান করা হয়েছে গৌতম দেব-কে।অভিজ্ঞ নেতৃত্বেই ভরসারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমান সংকটকালে নতুন মুখের পরিবর্তে অভিজ্ঞ ও দীর্ঘদিনের সংগঠকদের উপরেই ভরসা রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের ভিতরে অসন্তোষ সামাল দেওয়া, বিদ্রোহীদের প্রভাব কমানো এবং কর্মীদের আবার সংগঠনের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার জন্যই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে।তবে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সামনে চ্যালেঞ্জও কম নয়। বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের পর যে হতাশা কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করা এখন তাঁদের প্রধান কাজ। একই সঙ্গে বিদ্রোহী শিবিরে চলে যাওয়া নেতা-কর্মীদের মোকাবিলা করে জেলা স্তরে দলের অস্তিত্ব মজবুত করাও বড় পরীক্ষার বিষয়।বিতর্কের কেন্দ্রে দলের ঠিকানাওরাজনৈতিক মহলে আরও একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যে ঠিকানা থেকে নতুন সাংগঠনিক কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেই দলীয় কার্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। জানা গিয়েছে, ওই ভবনের মালিক মন্টু সাহা ইতিমধ্যেই সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। ফলে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের পাশাপাশি দলীয় পরিকাঠামো নিয়েও নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে তৃণমূল।সংগঠনের এই বড়সড় রদবদল আদৌ তৃণমূলকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি জোগাতে পারে কি না, সেটাই এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 93
  • 94
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভয়ার মামলায় বড় স্বস্তি নির্মলের, জামিন পেলেন প্রাক্তন বিধায়ক! তবু এখনই জেলমুক্তি নয়

অভয়ার মামলায় জামিন পেলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। একই দিনে জামিন পেয়েছেন অভয়ার প্রতিবেশী কাকু সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ও। তবে জামিন পেলেও এখনই জেল থেকে বেরতে পারবেন না নির্মল। কারণ, তোলাবাজি ও লটারি সংক্রান্ত অন্য দুই মামলায় তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ আগে থেকেই রয়েছে।১৩ অগস্ট বালাসোর থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভয়ার মামলায় নির্মল ঘোষকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। মোট ১৫ দিন পুলিশ হেফাজতে থাকার পর আরও দুদিনের হেফাজত শেষ করে সোমবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়। পুলিশ ফের তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। তবে সেই আবেদন খারিজ করে আদালত নির্মলকে জামিন দেয়।অস্ত্র আইনের একটি মামলাতেও নির্মলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। সেই আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে। ফলে অভয়ার মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন প্রাক্তন বিধায়ক।অন্য দিকে, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত সেই আবেদন খারিজ করে তাঁকেও জামিন দিয়েছে। আদালতে সঞ্জীবের আইনজীবী অভয়ার বাবার পুরনো একটি ভিডিয়োর বক্তব্য তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, সেই ভিডিয়োয় অভয়ার বাবা জানিয়েছিলেন, ঘটনার দিন সঞ্জীব তাঁর সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন।পালটা অভয়ার বাবার আইনজীবী দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই ধরনের ভিডিয়ো ক্লিপ আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর সঞ্জীবকে জামিন দেয় আদালত। এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন অভয়ার বাবা শেখররঞ্জন দেবনাথ। তবে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।আর জি করের ঘটনার পর অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষ তাঁর অনুগামীদের নিয়ে শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ ওঠে, তাঁর নির্দেশেই দ্রুত দাহকার্য করা হয়েছিল। পরিবারের সম্মতি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে সেই সময়ও নানা প্রশ্ন উঠেছিল।রাজ্যে পালাবদলের পর এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তে দ্রুত সৎকারের কারণ এবং সেই সময় কারা কী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় নির্মল ঘোষের পাশাপাশি পানিহাটির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছে।তবে অভয়ার মামলায় আদালতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে নির্মল ঘোষ ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় দুজনেই আপাতত জামিন পেয়েছেন। নির্মলের ক্ষেত্রে অবশ্য অন্য মামলায় জেল হেফাজতের নির্দেশ থাকায় অভয়ার মামলায় জামিন পেলেও এখনই তাঁর জেলমুক্তির সম্ভাবনা নেই।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

১৪ বছর পর আদালতে বিস্ফোরক দাবি! বরুণ বিশ্বাস খুনে প্রথম বার প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম বাবার মুখে

সুটিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস খুনের ১৪ বছর কেটে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই মামলায় সোমবার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য গ্রহণ হল। বনগাঁ ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারকের এজলাসে সাক্ষ্য দেন বরুণের বাবা জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস।বয়সের ভারে এখন ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না জগদীশবাবু। সেই অবস্থাতেই ছেলের খুনের মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হন তিনি। তাঁর সাক্ষ্য ঘিরেই নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আদালতে প্রথম বার বরুণ বিশ্বাসের খুনের ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সরকারি আইনজীবী।উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার সুটিয়ায় বরুণ বিশ্বাসকে ২০১২ সালের ৫ জুলাই খুন করা হয়। তাঁর দাদার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। এই মামলায় মোট ৭৬ জন সাক্ষী রয়েছেন। এর আগে ৩৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল। সোমবার ৩৮ নম্বর সাক্ষী হিসেবে আদালতে নিজের বক্তব্য জানান বরুণের বাবা।এই মামলায় এখনও পর্যন্ত আট জন গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে এক জনের বিচার কিশোর আদালতে হয়েছে এবং তাঁর সাজাও হয়েছে। এক জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ছয় জনের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া চলছে।সম্প্রতি বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারকে সঠিক বিচারের আশ্বাস দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। মামলায় নতুন করে বিশেষ সরকারি আইনজীবীও নিয়োগ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই এ দিন বরুণের বাবার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হল।আদালতে বিচারক নিজে বরুণের বাবার সামনে বসে তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণের পর বিশেষ সরকারি আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বরুণের বাবা আদালতে দাবি করেছেন, তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ষড়যন্ত্র করে তাঁর ছেলেকে খুন করিয়েছেন। কয়েক জনের কাছ থেকে তিনি এই কথা জানতে পেরেছিলেন বলেও আদালতে জানিয়েছেন বলে দাবি সরকারি আইনজীবীর।সরকারি আইনজীবীর আরও বক্তব্য, বরুণ বিশ্বাসকে যে গুলি চালিয়েছিল, তার বিচার কিশোর আদালতে হয়েছে এবং সাজাও হয়েছে। তবে এই ঘটনায় আরও যারা ষড়যন্ত্রে যুক্ত বলে অভিযোগ, তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া এখনও চলছে। দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।অন্য দিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী নির্মাল্য সাহা জানান, বরুণের বাবার সাক্ষ্য গ্রহণে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন। তাঁর দাবি, এ দিনই প্রথম আদালতে বরুণের বাবা এক প্রভাবশালী প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম করেছেন। এর আগে পুলিশ বা সিআইডির কাছে তিনি এই নাম জানিয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে আসামিপক্ষও বিচারপ্রক্রিয়ার উপর আস্থা রাখছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।১৪ বছর ধরে চলা এই মামলায় বরুণ বিশ্বাসের বাবার সাক্ষ্য তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে আদালতে করা অভিযোগের সত্যতা এখনও বিচারাধীন। সাক্ষ্য, নথি এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখার পরই মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের অফিসে ফের পুলিশ-দমকল! পাঁচ-ছ’তলায় কী মিলল, কেন সন্তুষ্ট নন আধিকারিকরা?

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে সোমবার ফের পৌঁছলেন পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকেরা। অফিসের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের পর সোমবার ফের পুলিশ আধিকারিকদের উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।দমকলের আধিকারিকেরা জানান, নিয়ম মেনেই অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সাততলা ভবনটির একতলা থেকে শুরু করে প্রতিটি তলায় গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পাঁচ ও ছতলার অফিসে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা বিস্তারিত ভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার সময় কয়েকটি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আধিকারিকেরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। অভিযোগ, স্প্রিঙ্কলার ব্যবহার করা যায়নি। অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি আগুনের সতর্কবার্তা দেওয়ার অ্যালার্মও বাজেনি বলে জানা গিয়েছে।দমকলের এক আধিকারিক জানান, এই ধরনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন। ভবনের প্রতিটি তলায় একই ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে কি না এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সেগুলি কার্যকর থাকবে কি না, সেটিই মূলত পরীক্ষা করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, সাততলা ভবনটির বিভিন্ন তলায় অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে পাঁচ ও ছতলায় থাকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আধিকারিকদের কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে। পরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ত্রুটি সংশোধনের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছে তৃণমূল। দলের বিধায়ক কুণাল ঘোষের দাবি, বিজেপি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজনৈতিক ভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদেরও নানা ভাবে নিশানা করা হচ্ছে।বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার অবশ্য পাল্টা আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন এমন অবস্থানে ছিলেন যেন তিনি সকলের ঊর্ধ্বে। এখন প্রশাসনিক পদক্ষেপ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুলিশ গিয়েছিল। বেআইনি বিলবোর্ড খোলার বিষয়কে কেন্দ্র করে সে দিন সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তার কয়েক দিনের মধ্যেই ফের পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকেরা অফিসে পৌঁছনোয় স্বাভাবিক ভাবেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরে জঙ্গলে নেহরুর মূর্তি! ২৪ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’ কংগ্রেসের, বিজেপির পালটা দাবি—‘চোরা তৃণমূলীরাই দায়ী’

দুর্গাপুর, ৩০ আগস্ট: রাজনৈতিক মতাদর্শের লড়াই এবার পৌঁছে গেল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ঘিরে বিতর্কে। দুর্গাপুরের একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে থেকে নেহরুর বিশাল মূর্তি ক্রেনের সাহায্যে তুলে পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক পালটা দাবি করেছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কংগ্রেসেরই একটি অংশ এবং চোরা তৃণমূলীরা।দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বড় মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার সেখানে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা তৈরি করতেই ক্রেন এনে নেহরুর মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি স্কুল সংলগ্ন জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ।মূর্তি সরিয়ে ফেলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের প্রশ্ন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতার মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ কেন করা হল?জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনকে কার্যত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ক্রেনের সাহায্যে নেহরুর মূর্তি উপড়ে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং সেই জায়গায় পরবর্তীতে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও ছিল।Press ReleaseThe Pradesh Congress strongly condemns the desecration of the statue of the countrys first Prime Minister, Pandit Jawaharlal Nehru; Shri @subhankar_cong demands the immediate reinstallation of the statue and the arrest of the culprits.Kolkata, August 30, 2026: pic.twitter.com/SImtSOHvX8 West Bengal Congress (@INCWestBengal) August 30, 2026দেবেশ চক্রবর্তীর বক্তব্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেহরুর মূর্তিকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পূর্বের জায়গায় পুনঃস্থাপন করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।তবে কংগ্রেসের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পালটা অভিযোগ, কংগ্রেসেরই একটি অংশ গোপনে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এবং সেই চোরা তৃণমূলীরাই নেহরুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত।বিজেপি বিধায়কের দাবি, ঘটনার দায় বিজেপির উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির সঙ্গে এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং কারা মূর্তিটি সরিয়েছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা উচিত।নিজের বক্তব্যের পক্ষে অতীতের একটি ঘটনারও উল্লেখ করেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দুর্গাপুরের এভিএল কার্যালয়ের সামনে একাধিক ইউনিয়ন অফিস ভাঙার সময় তাঁর হস্তক্ষেপেই রাজীব গান্ধীর মূর্তিটি রক্ষা পেয়েছিল। ফলে বিজেপি কখনও রাজনৈতিক নেতাদের মূর্তি ভাঙচুরকে সমর্থন করে না বলেও তাঁর দাবি।চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নেহরুর মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। বরং যারা এই কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেও তাঁর দল রয়েছে।এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এবার সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসও। ৩০ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার নেহরুর মূর্তি সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা করেছেন।শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নেহরু শুধু কংগ্রেসের নেতা ছিলেন নাতিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং আধুনিক ভারত নির্মাণের অন্যতম প্রধান স্থপতি। তাঁর মূর্তি এভাবে সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া শুধুমাত্র একটি মূর্তির অবমাননা নয়, বরং দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের প্রতিও অসম্মান।তবে এই ঘটনার পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা নিয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস। দলের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করুক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবিলম্বে নেহরুর মূর্তি পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামবে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর। একদিকে কংগ্রেসের অভিযোগের নিশানায় বিজেপি, অন্যদিকে বিজেপির পালটা অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। মূর্তি কে সরাল, কেন সরানো হল এবং ঘটনাটির পিছনে আসল কারণ কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী, এবার সরাসরি আমলা-পুলিশের কাছে অভিযোগ! সপ্তাহে দু’দিন খুলছে দরজা

সরকারি পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ বা সমস্যা হলে এবার থেকে সাধারণ মানুষ সরাসরি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সপ্তাহে দুদিন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ মানুষ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারবেন। এর জন্য আগে থেকে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ওই দুই দিন আধিকারিকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হবে।এই সময়ে আধিকারিকদের যাতে বাইরে সরকারি কাজে যেতে না হয়, সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে তাঁদের।সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সরকারি ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করতে হবে। অফিসে এমন জায়গায় এই তথ্য রাখতে হবে, যাতে সহজেই তা সাধারণ মানুষের নজরে আসে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর বা বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটেও ওই তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুন ব্যবস্থার আওতায় একাধিক স্তরের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ থাকবে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা শাসক, পুর কমিশনার, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান আধিকারিক, অতিরিক্ত জেলা শাসক, মহকুমা শাসক এবং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের মতো আধিকারিকদের কাছে সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে। পুলিশ প্রশাসনের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার, উপপুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ থাকবে।বন দফতরের ক্ষেত্রেও একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধান মুখ্য বনপাল, অতিরিক্ত প্রধান মুখ্য বনপাল, মুখ্য বনপাল, বিভাগীয় বন আধিকারিক, অতিরিক্ত বিভাগীয় বন আধিকারিক এবং বনাঞ্চল আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে।রবিবার মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। নতুন নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কি না এবং সরকারি আধিকারিকেরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখবে রাজ্যের কর্মীবর্গ দফতর।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতি শনিবার সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য জনতার দরবারে বসেন। এবার সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সেই ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও সাধারণ মানুষের সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি করা হল।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
দেশ

উত্তম-সত্যজিৎ স্মরণে মোদি, বাংলার দুই কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমার এবং পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁদের অবদান এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি।উত্তম কুমার শুধু বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন না, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক আবেগেরও অন্যতম প্রতীক। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং পর্দায় উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের জুটি আজও কিংবদন্তির মর্যাদা পায়। তাঁর অভিনীত একাধিক ছবি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের স্মারক হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই উত্তম কুমারের নাম উচ্চারিত হলেই বাঙালির নস্টালজিয়ায় ফিরে আসে এক বিশেষ সময়।অন্যদিকে সত্যজিৎ রায় ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তাঁর সৃষ্টিশীলতা শুধু বাংলা বা ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতেও তিনি তৈরি করেছিলেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। পথের পাঁচালী থেকে শুরু করে একাধিক কালজয়ী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদর্শকের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরেন। তাঁর নির্মাণশৈলী, গল্প বলার ধরন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা।প্রধানমন্ত্রীর এই স্মরণে উঠে এসেছে বাংলা সংস্কৃতির দুই ভিন্ন ধারার দুই মহীরুহের অবদানের কথাই। একজন অভিনয়ের জাদুতে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন, অন্যজন ক্যামেরার ভাষায় ভারতীয় জীবনের গল্পকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিলেন।উত্তম কুমার ও সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টির প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে রয়েছে। সময় বদলেছে, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষাও। কিন্তু তাঁদের কাজের আবেদন এখনও অমলিন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তাই কেবল দুই শিল্পীকে স্মরণ নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের সেই গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতিও এক সম্মান প্রদর্শন।রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর #MannKiBaat-এর অনুষ্ঠানে উঠে এলেন বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমার। আপামর বাঙালির কাছে এ এক গর্বের মুহূর্ত, আবেগের মুহূর্ত।আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্র জগতের মহানায়ক উত্তম কুমারের ১০০তম জন্মবার্ষিকী। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি শিল্পী উত্তম কুমারের অনন্য প্রতিভা, অভিনয় দক্ষতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও কালজয়ী অবদানকে স্মরণ করলেন, তা নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।উত্তম কুমার শুধু বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কই ননতিনি বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর অভিনয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর সৃষ্ট চরিত্র আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে।বাংলার সংস্কৃতি ও বাংলার গৌরবকে জাতীয় মঞ্চে যে সম্মান প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তার জন্য তাঁকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal