• ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ipl

খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্স আগ্রহ না দেখালেও দল পেলেন ঋদ্ধি

সীমিত ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ব্রাত্য। টি২০ ক্রিকেটে দেশের জার্সি গায়ে তোলার কখনও সুযোগ হয়নি। জীবনের শেষ একদিনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২০১৪ সালের নভেম্বরে। টেস্ট ক্রিকেটেও তাঁকে নাকি আর দলে চান না নির্বাচকরা। সেই অভিমানে এবছর রনজি ট্রফি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। আইপিএলের নিলামেও প্রথম দিন তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। তাহলে কি ক্রিকেটজীবন শেষ ঋদ্ধিমান সাহার? প্রশ্নটা উঠেই গিয়েছিল। নিলামের দ্বিতীয় দিন একেবারে শেষলগ্নে অবশেষে দল পেলেন ঋদ্ধি। ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকায় তাঁকে তুলে নিল গুজরাট টাইটানস। ২০০৮ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে খেলছেন ঋদ্ধিমান সাহা। গত বছর ছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদে। উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করলেও ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি। কয়েকটা ম্যাচে তাঁর পরিবর্তে শ্রীবৎস গোস্বামীকেও খেলিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। শনিবার নিলামে ঋদ্ধিমানকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। দ্বিতীয় দিন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির পক্ষ থেকে নিলামে তোলার জন্য অবিক্রিত ক্রিকেটারদের তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় ঋদ্ধিমান সাহা ছিলেন। রবিবার নিলামের দ্বিতীয় দিন শেষদিকে অবিক্রিত উইকেটকিপারদের আবার নিলামে তোলা হয়। ঋদ্ধিমানের নাম উঠতেই চেন্নাই সুপার কিংস প্রথমে দর হাঁকায়। এরপর আসরে নামে গুজরাট টাইটানস। চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকায় ঋদ্ধিকে তুলে নেয় গুজরাট টাইটানস। ঋদ্ধির বেস প্রাইস ছিল ১ কোটি টাকা। ব্যাটিংয়ে তেমন দক্ষতা না থাকলেও তাঁর কিপিং দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু টি২০ ক্রিকেটে সব ফ্র্যাঞ্চাইজিই এমন উইকেটকিপার নিতে চায়, যার ব্যাটের হাত ভাল। এই জায়গাতেই পিছিয়ে ঋদ্ধি। তবুও কিন্তু ঋদ্ধির ব্যাটিং দক্ষতাকে একেবারেই অস্বীকার করা যাবে না। প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরি রয়েছে ঋদ্ধির। পাঞ্জাব কিংস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে বেশ কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। আইপিএলে মোট ১৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন। রান করেছেন ২১১০। ১টি সেঞ্চুরি, ৮টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তবুও এবছর আইপিএলের নিলামে প্রথম দিন অবিক্রিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৭৫ লক্ষ বেস প্রাইস থেকে ৭ কোটি ৭৫ লক্ষ!‌ নিলামে চমক দেখানো শেফার্ড কে?‌

রোমারিও শেফার্ডকে চেনেন? নামটা শুনে হয়তো ঘাবড়ে যাচ্ছেন। কে এই রোমারিও শেফার্ড। হঠাৎ করে এই ক্রিকেটারের নাম কেন উঠে আসছে। আসলে আইপিএলের নিলামে চমক দেখিয়েছেন এই ক্যারিবিয়ান জোরে বোলার। ব্যাটের হাতটাও খারাপ নয়। ইতিমধ্যেই সফল অলরাউন্ডারের তকমা সেঁটে গেছে শেফার্ডের গায়ে। এবারের আইপিএলের মেগা নিলামে সবাইকে চমকে দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ক্রিকেটার। ৭৫ লক্ষ টাকা বেস প্রাইস ছিল রোমারিও শেফার্ডের। নিলামে এই অলরাউন্ডারের নাম উঠতেই লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস প্রথম দর হাঁকায়। এরপরই লড়াইয়ে নামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। লক্ষ্ণৌ ও মুম্বইয়ের মধ্যে যখন তীব্র লড়াই চলছিল, তখন যোগ দেয় চেন্নাই সুপার কিংস। পরে লড়াইয়ে সামিল হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালসও। এরপর লড়াই জমে ওঠে। পাঁচ দলের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৭ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় তাঁকে তুলে নেয়। টি২০ ক্রিকেট লিগে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের আলাদা গুরুত্ব আছে। আসলে তাঁরা সারা বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টি২০ লিগ খেলে বেড়ান। তাই আইপিএলের নিলামে অন্য দেশের ক্রিকেটারদের তুলনায় ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা বেশিই দর পান। শিমরণ হেটমায়ের, ওডিয়েন স্মিথ, জেসন হোল্ডার, নিকোলাস পুরানরা এবারের নিলামে দারুণ দর পেয়েছেন। যেমন জেসন হোল্ডারকে ৮ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় কিনেছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। নিকোলাস পুরান ১০ কোটি ৭৫ লক্ষ দর পেয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছ থেকে। বেশি দর পাওয়ার তালিকায় নতুন সংযোজন রোমারিও শেফার্ড। জাতীয় দলের হয়ে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি শেফার্ড। ১০টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। আর টি২০ খেলেছেন ১৪টি। ১৪ ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন ১২টি। রান করেছেন ১১৭। আর টি২০ লিগে খেলেছেন ৪৪ টি ম্যাচ। ৫৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি রান করেছেন ৩১৫। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭২। গতবছর ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে চোখ ধাঁধানো পারফরমেন্স করেছেন শেফার্ড। ৯ ম্যাচে তুলে নিয়েছিলেন ১৮ উইকেট। রান করেছিলেন ১০৯। সেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। এইরকম ক্রিকেটারকে যে কোনও দলই দলে নিতে চাইবে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভাঁড়ার প্রায় খালি, দল গড়া অনেক বাকি, চিন্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স

আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, ভেঙ্কটেশ আয়ার, বরুণ চক্রবর্তীদের ধরে রাখতে অনেক টাকাই খরচ হয়ে গেছে। ৪৮ কোটি টাকা হাতে নিয়ে নিলামের ময়দানে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম দিনে শেষে খরচ প্রায় ৩৫ কোটি। হাতে রয়েছে মাত্র ১৩ কোটি। দ্বিতীয় দিনের নিলামের আগে চিন্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। কোন ক্রিকেটারকে কিনবে, তার জন্য পরামর্শ চেয়ে টুইট করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। শ্রেয়স আয়ার, শিবম মাভি, নীতিশ রানা, প্যাট কামিন্সদের জন্য ঝাঁপাতে গিয়ে অনেকটাই টাকা খরচ করতে হয়েছে। সবথেকে বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে শ্রেয়স আয়ারের জন্য। আসলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রাক্তন অধিনায়কের জন্য দারুণভাবে ঝাঁপাতে হয়েছে KKR টিম ম্যানেজমেন্টকে। কারণ গতবছরের ক্যাপ্টেন ইওয়িন মর্গানকে নিলামের আগে ছেড়ে দিয়েছিল KKR। ধরে রেখেছিল আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তী ও ভেঙ্কটেশ আয়ারকে। এদের মধ্যে কোনও ক্রিকেটারেরই দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা নেই। তাই অধিনায়ক করার মতো নতুন কাউকে খুঁজছিল KKR টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই শ্রেয়স আয়ারের জন্য ঝাঁপিয়েছিল। ২ কোটি টাকার বেস প্রাইস শ্রেয়স আয়ারের জনয় ৫টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ঝাঁপিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় শ্রেয়স আয়ারকে কিনতে হয় KKRকে। তাঁর হাতেই নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা টিম ম্যানেজমেন্টের। যদিও KKR সিইও ভেঙ্কি মাইসোর বলেছেন, কোচের সঙ্গে কথা বলেই অধিনায়ক চূড়ান্ত করা হবে। শ্রেয়স আয়ারের মতো জাতীয় দলের ক্রিকেটারকে চেয়েছিলাম। সেই লক্ষ্য আমাদের পূরণ হয়েছে।নিলামের আগে প্যাট কামিন্স, নীতিশ রানাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল কম টাকায় এদের আবার নিলাম থেকে কিনে নেওয়া। লক্ষ্যে সফল KKR। প্যাট কামিন্সের জন্য ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়েছে। এত কম টাকায় কামিন্সকে পাবেন, ভাবেননি KKR কর্তারা। ২০২০ সালের নিলামে ১৫ কোটি টাকায় তাঁকে কিনতে হয়েছিল। নীতিশ রানার জন্য খরচ হয়েছে ৮ কোটি। শিবম মাভিকে KKR তুলেছে ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায়। শেলডন জ্যাকসনকে ৬০ লক্ষ টাকায়। নিকোলাস পুরাণের জন্য ঝাঁপিয়েছিল KKR। নিকোলাসকে ১০ কোটি ৭৫ লক্ষ তুলেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।ডেভিড মিলার, মহম্মদ নবি, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, স্টিভ স্মিথরা এখনও অবিক্রিত রয়েছেন। দ্বিতীয় দিন এদের নিলামে তোলা হবে। এদের পাশাপাশি কেসি কারিয়াপ্পার দিকেও নজর রয়েছে KKR টিম ম্যানেজমেন্টের। বোলিং নিয়ে সমস্যায় না পড়তে হলেও ব্যাটিং নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে KKRকে। তাই দ্বিতীয় দিন নিলামে ব্যাটারদের দিকেই নজর থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌'ক্রিকেট ছেড়ে বাবার সঙ্গে অটো চালাও', কেন মহম্মদ সিরাজকে একথা বলা হয়েছিল?

জাতীয় দলের হয়ে এই মুহূর্তে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মহম্মদ সিরাজ। তিন ধরনের ফরম্যাটেই ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। অথচ এই সিরাজকেই এক সময় শুনতে হয়েছিল, যাও, ক্রিকেট ছেড়ে বাবার সঙ্গে অটো চালাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় এইভাবে ট্রোল হয়েও ভেঙে পড়েননি। দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন। জায়গা করে নিয়েছিলেন জাতীয় দলে। বাকিটা ইতিহাস।২০১৯ সালের ঘটনা। সেই মরশুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সি গায়ে আইপিএল খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। কিন্তু ওই বছরটা খুব খারাপ কেটেছিল তাঁর কাছে। ৯টা ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। উইকেট পেয়েছিলেন মাত্র ৭টি। ইকনমি রেট ছিল ১০-এর কাছাকাছি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মরশুমও ভাল যায়নি। ওই বছরই কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে ২.২ ওভারে ৩৬ রান দিয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। পাঁচপাঁচটি ছক্কাও হজম করতে হয়েছিল তাঁকে। একই ওভারে পরপর দুটি বিমার দেওয়ায় বিরাট কোহলি বাধ্য হয়ে মহম্মদ সিরাজকে বোলিং থেকে সরিয়ে নেন। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে ট্রোল করেন নেট নাগরিকরা। সেই দুঃসময়ের কথা তুলে ধরে মহম্মদ সিরাজ বলেন, কেকেআরের বিরুদ্ধে পরপর দুটি বিমার দিয়েছিলাম। ওই ম্যাচের পর অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সমালোচনা করে বলেছিল, ক্রিকেট ছেড়ে ফিরে যাও, বাবার সঙ্গে অটো চালাও। আমি অবশ্য সমালোচনায় কান দিইনি। ওই সময় ধোনিভাইয়ের কথা মাথায় রেখেছিলাম। ধোনিভাই একবার আমাকে বলেছিল, লোকে কে কী বলল, সেটা মাথায় না রাখতে। ভাল খেললে সবাই প্রশংসা করবে, খারাপ খেললে সমালোচনায় ভরিয়ে দেবে। সমালোচনায় কান দিও না। ধোনিভাইয়ের এই কথাগুলো মাথায় রেখেছিলাম। একসময় যারা আমাকে ট্রোল করেছিল, পরেই তারা আমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিল।২০২০ আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ভারতীয় টেস্ট দলে সুযোগ পান সিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অভিষেক হয় সিরাজের। আসন্ন আইপিএলের মেগা নিলামের আগে যে তিন জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে আরসিবি তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। সাত কোটি টাকায় তাঁকে ধরে রেখেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সে ভারতীয় দলের প্রাক্তন বোলিং কোচ

একসময় ভারতীয় দলের বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। এবার কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের বোলিং কোচের দায়িত্বে দেখা যাবে ভরত অরুণকে। শুক্রবারই তাঁকে নতুন দায়িত্ব দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট।দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় দলের দায়িত্ব সামলেছেন ভরত অরুণ। গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের পরই তাঁর সঙ্গে ভারতীয় বোর্ডের চুক্তি শেষ হয়। ভরত অরুণের জায়গায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড দায়িত্ব দিয়েছেন পরশ মামরেকে। এই মুহূর্তে ভরত অরুণ ফাঁকাই ছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই ভরত অরুণকে বোলিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শোনা যাচ্ছিল আমেদাবাদ ফ্র্যাঞ্জাইজির বোলিং কোচের দায়িত্ব পেতে পারেন ভরত অরুণ। কিন্তু আশিস নেহরা আমেদাবাদের হেড কোচ নিযুক্ত হওয়ায় নতুন করে বোলিং কোচ রাখার সম্ভাবনা কম। তাই কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রস্তাব গ্রহন করলেন ভরত অরুণ।🚨 𝘼𝙉𝙉𝙊𝙐𝙉𝘾𝙀𝙈𝙀𝙉𝙏 🚨We are delighted to introduce you to our new bowling coach! Welcome to the Knight Riders family, Bharat Arun 💜💛#KKR #AmiKKR #IPL2022 #BharatArun pic.twitter.com/MpAXJMa67C KolkataKnightRiders (@KKRiders) January 14, 2022কোচ হিসেবে ভরত অরুণের অভিজ্ঞতা যথেষ্ট। একসময় তিনি বাংলা ও তামিলনাডুর রনজি দলের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১২ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের কোচ ছিলেন। দীর্ঘদিন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। দুদফায় ভারতীয় জাতীয় দলের বোলিং কোচ ছিলেন। আইপিএলেও কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলেছেন।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচেএইরকম হাই প্রোফাইল কোচকে দায়িত্ব দিতে পেরে খুশি কলকাতা নাইট রাইডার্সের সিইও ভেঙ্কি মাইসোর। এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ভরত অরুণের মতো দক্ষ বোলিং কোচ কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। ওর অভিজ্ঞতা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আরও সমৃদ্ধ করবে। অন্যদিকে, কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে খুশি ভরত অরুণও। তিনি বলেন, কেকেআরের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভাল লাগছে। দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL : ‌চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠী

ভারতচীন রাজনৈতিক টানাপোড়েনে একসময় ভারতীয় ক্রিকেট থেকে ব্রাত্য হয়েছিল ভিভো। পরে আবার ফিরে আসে আইপিএলের টাইটেল স্পনসর হিসেবে। এবার থেকে আর আইপিএলে দেখা যাবে না ভিভোকে। তার জায়গায় আইপিএলের নতুন টাইটেল স্পনসর টাটা। টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তির কথা জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল।আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের নির্দেশে শুভেন্দুকে ছাড়াই গঙ্গাসাগরের নতুন কমিটি২০১৫ সালে আইপিএলের স্পনসর হিসেবে যুক্ত হয়েছিল ভিভো। প্রাথমিকভাবে ২ বছরের চুক্তি ছিল। পরে চুক্তি বাড়ানো হয়। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চুক্তি ছিল। স্পনসরশিপের জন্য ভিভো ভারতীয় বোর্ডকে দেয় ২২০০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে ভারতচীন সীমান্তে গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিবাদের জন্য গোটা ভারত উত্তাল হয়ে ওঠে। চীনের পন্য বর্জনের জন্য চারিদিকে রব ওঠে। সেই সময় রাজনৈতিক চাপে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ভিভোর সঙ্গে সাময়িকভাবে চুক্তি ছিন্ন করে। সেই সময় ভিভোর পরিবর্তে ড্রিম ইলেভেন আইপিএলের মূল স্পনসর হিসেবে দায়িত্ব নেয়। ২০২১ সালে আবার আইপিএলে ফিরে আসে চীনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা। ২০২২ আইপিএল পর্যন্ত তাদের সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি ছিল। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সরে দাঁড়াল ভিভো।আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, ভর্তি আইসিইউ-তেভিভো সরে গেলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে না। ভিভোর কাছ থেকে ২০২২ আইপিএলের জন্য বোর্ডের পাওনা ৪৪০ কোটি টাকা। নতুন স্পনসর টাটার কাছ থেকে এই অর্থ পাওয়া যাবে। আপাতত টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি হচ্ছে। অর্থাৎ ২০২২ ও ২০২৩ দুটি মরশুমে আইপিএলের টাইটেল স্পনসর হিসেবে থাকবে। ২০২৪ মরশুম থেকে পরবর্তী বছরের জন্য নতুন স্পনসরের জন্য আবার নতুন করে টেন্ডার ডাকবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, চীনের জিনিসের প্রতি মানুষের মনে খারাপ ধারণা তৈরি হয়েছে। ভিভোর উপস্থিতিও লিগের পক্ষে ভাল ছিল না। ওদের সরে যাওয়া ছাড়া রাস্তা ছিল না।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Lara-IPL : সামনের মরশুমে আইপিএলে দেখা যাবে ব্রায়ান লারাকে, থাকবেন ডেল স্টেনও

২০২২ আইপিএলে দেখা যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান ব্রায়ান চার্লস লারাকে। তিনি ছাড়াও ডেল স্টেন, মুথাইয়া মুরলিথরনকেও আগামী মরশুমে আইপিএলে দেখা যাবে। তবে ব্যাট কিংবা বল হাতে বাইশ গজে খেলবেন না। কোচিংয়ের দায়িত্বে থাকবেন এই তিন প্রাক্তন ক্রিকেটার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লারাকে। জোরে বোলিং হিসেবে নেওয়া হয়েছে ডেল স্টেনকে। আর স্পিন বোলিং কোচের দায়িত্বে মুথাইয়া মুরলিথরন।এই বছর আইপিএলে খুব খারাপভাবে শেষ করেছিল সানরাইজার্স। ব্যাটিং একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেনি। বিশেষ করে ডেভিড ওয়ার্নারের খারাপ ফর্মের জন্য সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে যথেষ্ট ভুগতে হয়েছিল। তাই সামনের মরশুমের জন্য সাপোর্ট স্টাফে আমুল পরিবর্তন। দলের হেড কোচের দায়িত্বে অবশ্য থাকছেন টম মুডি। সহকারী কোচের দায়িত্বে আর এক অস্ট্রেলিয়ান সাইমন কাটিচ। ফিল্ডিং কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে হেমাঙ্গ বাদানিকে। পাশাপাশি তাঁকে নতুন প্রতিভা খুঁজে নিয়ে আসার বাড়তি দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে এবার ভাল দল গড়তে মরিয়া সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২০১৬ সালে তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। পরের বছর প্লে অফে গেলেও ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল। ২০১৮ সালে ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। পরপর দুবছর প্লে অফে গেলেও ফাইনালে উঠতে পারেনি। এবছর তো আরও করুণ দশা। লিগ টেবিলে একেবারে শেষে ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।সামনের মরশুমের জন্য মাত্র ৩ ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্ট। এই তিন ক্রিকেটার হলেন কেন উইলিয়ামসন, উমরান মালিক ও আব্দুল সামাদ। রশিদ খান, ডেভিড ওয়ার্নারের মতো ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়েছে। শোনা যাচ্ছে নিলামে ওয়ার্নারের জন্য আবার ঝাঁপাতে পারে। কিন্তু তিক্ত অভিজ্ঞতার জন্য ওয়ার্নার নিজে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলবেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। ব্রায়ান লারা, ডেল স্টেন, মুথাইয়া মুরলিধরন, টম মুডি, সাইমন কাটিচদের সঙ্গে আলোচনা করেই দল তৈরি করতে চান কর্তারা। সামনের বছর ফেব্রুয়ারিতে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হবে আইপিএলের মেগা নিলাম। তার আগেই সকলের সঙ্গে আলোচনা সেরে নিতে চান কর্তারা।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: বঞ্চিত ভূমিপূত্রদের অধিকারের দাবিতে বাংলা পক্ষর হাওড়া জেলার সাংগঠনিক সমাবেশে

রবিবার হাওড়ার সালকিয়া সুইমিং পুলের ক্লাবে হাওড়া জেলা বাংলা পক্ষর জেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাঝি, অমিত সেন, মনন মণ্ডল, এবং সোয়েব আমিন। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলা হুগলির সম্পাদক দর্পণ ঘোষ ও উঃ ২৪ পরগণা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায় উপস্থিত ছিলেন। হাওড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাংলা পক্ষর কয়েকশো সহযোদ্ধা সমর্থকরা উপস্থিত হয়েছিলেন।আরও পড়ুনঃ বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগেরসমাবেশে যে যে বিষয়ে আলোচনা হয় তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল, অন্য রাজ্য থেকে এসে হাওড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাঙালিদের বেদখল করে এলাকা দখল করছে বহিরাগতরা, হাওড়ার বিভিন্ন কারখানায় ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত করে উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ওডিশা এসে লোক এসে কাজ দেওয়া হচ্ছে, হাওড়া পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার পদগুলো বহিরাগতরা দখল করছে, পুরসভার চাকরি টেন্ডার, ঠিকাকাজ, হকারিস্পট, অটোলাইল, টোটোলাইন বহিরাগতরা দখল করছে ইত্যাদি।হাওড়া জেলায় হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির তীব্র নিন্দা জানান অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। হাওড়ার বিভিন্ন স্কুলে আমিষ খেতে না দেওয়ার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন কৌশিক মাইতি। আগামী দিনে বাংলা পক্ষ হাওড়া জেলা স্থানীয় জমি, চাকরি, বাজার, ব্যাবসা, হকারিস্পট-সহ অর্থ উপার্জনের সব ক্ষেত্র বাঙালির হাতে ফেরানোর জন্য লড়াই করবে। আসন্ন পুরভোটে সব কাউন্সিলর যাতে বাঙালি হয় সেই দাবিতে আন্দোলন করবে হাওড়ার সহযোদ্ধারা।আরও পড়ুনঃ প্রত্যেক দিনই কমছে তাপমাত্রার পারদ, বড়দিনের আগে শুক্রবারই মরশুমের শীতলতম দিনহাওড়ার জেলা সম্পাদক জয়দীপ দে জানান, বাংলা পক্ষর মূল দাবিগুলোর মধ্যে বেসরকারি চাকরিতে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ আইন ও সরকারি চাকরিতে বাংলা ভাষার বাধ্যতামূলক পেপার করার দাবিতে আন্দোলন, জনমত গঠন করার পাশাপাশি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দাবিপত্র পেশ করবে হাওড়া জেলা সংগঠন।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

SFI vs TMCP: টিএমসিপি-এসএফআই-এর সংঘর্ষে উত্তপ্ত উত্তরপাড়ার কলেজ, জখম দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন

টিএমসিপি এবং এসএফআই সমর্থকদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হুগলির উত্তরপাড়ার প্যারীমোহন কলেজ। বৃহস্পতিবার কলেজ চত্বরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ওই দুই ছাত্র সংগঠনের সদস্যেরা। মারপিটে জখম হয়েছেন দুপক্ষেরই বেশ কয়েক জন। এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে এসএফআইয়ের তরফে।সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর অভিযোগ, কলেজের সামনে দিয়ে তাদের মিছিল যাওয়ার সময় মারধর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)। বৃহস্পতিবার ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং হুগলিতে মেডিক্যাল কলেজ তৈরি-সহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে উত্তরপাড়া স্টেশন থেকে উত্তরপাড়া কলেজ স্ট্যান্ড অবধি মিছিল করে এসএফআই। মিছিল শেষে ছিল সভাও। সংগঠনের অভিযোগ, সভার পিছনে থাকা কয়েক জন সমর্থককে তুলে নিয়ে এসে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়। যদিও টিএমসিপি সমর্থকদের পাল্টা অভিযোগ, এসএফআই সমর্থকরাই কলেজে ঢুকে অশান্তি পাকিয়েছে। দুপক্ষের সংঘর্ষের জেরে সাত-আট জন জখম হয়েছেন। তাঁদের উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।অভিযোগ, সভায় পিছনের দিকে থাকা বেশ কিছু এসএফআই সমর্থককে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় টিএমসিপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে এসএফআই। যদিও টিএমসিপি সমর্থকদের দাবি, এসএফআই সমর্থকরা কলেজে এসে ঝামেলা করে। কলেজে সেই সময় পরীক্ষা চলছিল। এর জেরেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। সেখান থেকেই দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির অভিযোগ।দুপক্ষেরই অভিযোগ, ক্রিকেটের ব্যাট, লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় তাদের। এমনকী পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তাদের ভূমিকা নিষ্ক্রিয় ছিল বলেই অভিযোগ। এসএফআইয়ের সভার অস্থায়ী মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে হাজির হয় উত্তরপাড়া থানার পুলিশের বিশাল বাহিনী।এ প্রসঙ্গে উত্তরপাড়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলী বোর্ডের সদস্য তাপস মুখোপাধ্যায় বলেন, এসএফআইয়ের সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। পায়ের নীচে মাটি তো নেই, তাই এসব গল্প তৈরি করছে। এই কলেজের একজন অধ্যাপক ছিলেন। এখন আছেন কি না জানি না। উনিই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেগুলোকে উষ্কে নিয়ে এসেছেন। শান্তিপূর্ণ এলাকায় অশান্তি পাকাতে এসব ছল।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Harbhajan Singh : বাইশ গজ ছেড়ে এবার অন্য ভুমিকায় দেখা যাবে হরভজন সিংকে

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে। জাতীয় দলের হয়ে শেষবার খেলেছেন ২০১৫ সালে। তারপর দেশের জার্সি গায়ে আর খেলার সুযোগ পাননি। দেশের হয়ে খেলার সুযোগ না পেলেও চুটিয়ে আইপিএল খেলেছেন। তবে এই মরশুমে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে মাত্র তিনটি ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। এবার বাইশ গজকে চিরতরে বিদায় জানাতে চলেছেন হরভজন সিং। সামনের মরশুমে আইপিএলে তাঁকে অন্য ভুমিকায় দেখা যেতে পারে। আইপিএলের বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছ থেকে ইতিমধ্যেই কোচিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন হরভজন সিং। ভাজ্জি নিজেও আইপিএলে কোচিং করাতে ইচ্ছুক। তাই বাইশ গজকে চিরতরে বিদায় জানাতে চান। ২০১৫ সালে দেশের হয়ে শেষবার টেস্ট ও একদিনের ম্যাচ খেলেছিলেন ভাজ্জি। ২০১৬র মার্চে শেষ টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন। তবে আইপিএলে নিয়মিত খেলে গেছেন। ২০১৯ সালে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সি গায়ে খেলেছিলেন। তারপর কলকাতা নাইট রাইডার্সে যোগ দেন। এই মরশুমে আইপিএলের প্রথম পর্বে মাত্র তিনটি ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে একটা ম্যাচেও সুযোগ পাননি। আইপিএলে হরভজন ম্যাচ খেলেছেন ১৬০টি, উইকেটের সংখ্যা ১৫০। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সেই আইপিএল জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন ভাজ্জি। তাঁর সেরা বোলিং চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ১৮ রানে ৫ উইকেট। ২০১৩ সালের আইপিএলে ১৯ ম্যাচে ২৪ উইকেট পান। ২০১৫ সালের আইপিএলে ১৮টি, ২০১০ সালের আইপিএলে ১৭টি এবং ২০১১ ও ২০১৪ সালের আইপিএলে ১৪টি করে উইকেট দখল করেন। ২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের আইপিএল অবধি টানা খেললেও ২০২০ সালে একটা ম্যাচেও মাঠে নামার সুযোগ পাননি। ১০৩টি টেস্টে তাঁর ৪১৭টি উইকেট রয়েছে। ২৩৬টি একদিনের আন্তর্জাতিকে হরভজনের উইকেট-সংখ্যা ২৬৯। ২৮টি টি ২০ আন্তর্জাতিকে ২৫টি উইকেট নিয়েছেন। টি ২০ ম্যাচ খেলেছেন ২৬৮টি, ২৩৫টি উইকেট দখল করেছেন। আইপিএল খেলার পাশাপাশি ধারাভাষ্যের কাজেও যুক্ত থেকেছেন ভাজ্জি। এবার আইপিএলে তাঁকে পরামর্শদাতার ভুমিকায় দেখা যাবে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mahapith-Tarapith : 'মহাপীঠ তারাপীঠে' বিশেষ পর্বে বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়

বিশেষ পর্ব নিয়ে আসছে স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক মহাপীঠ তারাপীঠ। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক এবার নতুন চমক নিয়ে আসছে। মহাপীঠ তারাপীঠ এর এক বিশেষ পর্ব আসছে যেখানে অভিনয় করবেন টলিউডের জনপ্রিয় বর্ষীয়ান অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়।বিশেষ পর্বে বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়কে গল্পের আসন্ন প্রেক্ষাপট বলছে বামা অনুভব করবে তাঁর এক অন্ধভক্ত খুব কষ্টে রয়েছেন। সেই ভক্ত, বিষ্ণুদাসের ভূমিকাতেই এই সিরিয়ালে আগমন ঘটছে বর্ষীয়ান অভিনেতার। হত দরিদ্র কীর্তনীয়া বিষ্ণুদাসের ঠাঁই হচ্ছে না কোনও দলেই, অভাবের সংসার আর চলে না! কিন্তু অনাথ নাতনির দেখভালের সব দায়িত্ব তাঁর উপরই। নাতনি রাধারানির বিয়ে দিতে চায় বিষ্ণদাস, কিন্তু নুন আনতে পান্তা ফুরানোর সংসারে কেমনভাবে নাতনির বিয়ে দেবেন তিনি, তাই ভেবে পাচ্ছেন না। এরপর তাঁর গ্রামে এসে উপস্থিত স্বয়ং বামদেব। এরপর কী মোড় নেবে এই কাহিনি তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে এই বিশেষ পর্ব সম্প্রচারের জন্য।গত মাসে এই ধারাবাহিকের ৭০০ পর্ব হয়েছে। আগামী ৭-৮ ডিসেম্বর রাত ১০টায় সম্প্রচারিত হবে এই ধারাবাহিকের বিশেষ পর্ব।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: চূড়ান্ত নৈরাজ্য, জঙ্গলরাজ চলছে, ত্রিপুরায় পা রেখে আক্রমণ অভিষেকের

আগরতলা পৌঁছেই ত্রিপুরা সরকারকে আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকাল সওয়া ১০টা নাগাদ আগরতলা বিমানবন্দরে পৌঁছন অভিষেক। ত্রিপুরার পরিস্থিতি নিয়ে বিপ্লব দেব সরকারকে আক্রমণ করে তাঁর মন্তব্য, চূড়ান্ত নৈরাজ্য চলছে এ রাজ্যে। জঙ্গলরাজ চলছে। সাংবাদিক, পুলিশ, আইনজীবীদের উপর হামলা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই।অভিষেক আসার আগেই বিমানবন্দরে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগকে ঘিরে আতঙ্ক ছড়ায়। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, অভিষেকের আসা আটকাতেই পরিকল্পিত ভাবে এ কাজ করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, আপনারা সব দেখছেন এখানে কী পরিস্থিতি। শুনেছি একটা পরিত্যক্ত ব্যাগ ছিল বিমানবন্দরে। এর পরই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য, আপানার যদি রাগ থাকে তা হলে আমার উপর প্রয়োগ করুন। সাংবাদিক, পুলিশ, চিকিৎসক, সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালানো হচ্ছে কেন।অভিষেকের কথায়, সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন করতে হবে। সেখানে মহিলা প্রার্থীদের উপর আক্রমণ করা হয়েছে। টেবিলের তলায় পুলিশ লুকিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের মদতে এই কাজ হচ্ছে। পুলিশকে দোষারোপ করছি না। ওঁরাও পরিস্থিতির চাপে করছেন। আগরতলার মানুষের মান সম্মান রয়েছে। ওঁরা বিজেপি-র কাছে সেটা বিক্রি করবে না। জোর করে গণতন্ত্র হরণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন অভিষেক।

নভেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌সামনের বছর ভারতেই আইপিএল আয়োজনের প্রতিশ্রুতি সৌরভের

রবিবার ইডেনে ভারতনিউজিল্যান্ড টি২০ সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচ। উত্তেজনার পারদে কাঁপছে গোটা শহর। শুরু হয়েছে টিকিটের হাহাকার। ম্যাচ ঘিরে ইডেনে ব্যস্ততা তুঙ্গে। কর্তাদের নিঃশ্বাস ফেলার সময় নেই। যেন বিয়ে বাড়ির ব্যস্ততা। কখনও পরিদর্শনে আসছে দমকল বিভাগ, কখনও আবার পূর্ত বিভাগ। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকেও শুক্রবার ইডেনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হল। এর মধ্যেই সন্ধেয় ইডেনে হাজির ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। দুবাই থেকে শুক্রবার সকালেই কলকাতা ফিরেছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ। নিজের শহরে ভারতনিউজিল্যান্ড টি২০ সিরিজের শেষ ম্যাচ। সুতরাং বাড়িতে যে বসে থাকবেন সে উপায় নেই। তাই ম্যাচের চূড়ান্ত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সন্ধেয় ইডেনে চলে আসেন। ইডেন ঢুকে সোজা মাঠে চলে যান। তখন মাঠ কর্মীদের নিয়ে পিচ পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত ছিলেন সিএবির কিউরেটর সুজন মুখার্জি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে বাইশ গজ পরিদর্শন করেন। তারপর ইডেনের কিউরেটর সুজন মুখার্জি ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের হেড কিউরেটর আশিষ ভৌমিকের সঙ্গে কথা বলেন। দীর্ঘদিন পর আবার ইডেনে ক্রিকেট ফিরছে। গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে পারবেন দর্শকরা। খুশি ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। ইডেনের ম্যাচ প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, দীর্ঘদিন পর ইডেনে ম্যাচ হচ্ছে। দর্শকরা মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবে। এটা দারুণ ইতিবাচক দিক। রাতের ম্যাচে শিশির একটা বড় ফ্যাক্টর। জয়পুরে প্রথম টি২০ ম্যাচ ও রাঁচিতে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচেও শিশিরের প্রভাব দেখা গেছে। ইডেনেও শিশির বড় ফ্যাক্টর হবে বলে মনে করছেন সৌরভ। যদিও সিএবি চেষ্টা করছে প্রে করে শিশিরের প্রভাব কমাতে। করোনার জন্য পরপর দুবছর আইপিএল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও এবছর ভারতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছিল। কয়েকজন ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হতেই আইপিএল স্থগিত হয়ে যায়। পরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অনুষ্ঠিত হয়। সামনের বছর ভারতেই আইপিএল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান সৌরভ। তিনি বলেন, সামনের বছর আইপিএল ভারতের মাটিতেই হবে। অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মা ও কোচ হিসেবে রাহুল দ্রাবিড় প্রথম দুটি ম্যাচেই সফল। রোরা জুটির সাফল্যে অবাক নন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি বলেন, জানতাম ভাল করবে। আশা করছি ভবিষ্যতেও সাফল্য পাবে। কয়েকদিন আগেই বাড়তি দায়িত্ব ঘাড়ে চেপেছে সৌরভ গাঙ্গুলির। তাঁকে ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান করেছে আইসিসি। নতুন দায়িত্ব চাপের হলেও ভালভাবে সামাল দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

David Warner : ‌সানরাইজার্সের চূড়ান্ত অসম্মানই কি বিশ্বকাপে ওয়ার্নারের জ্বলে ওঠার কারণ?‌

আইপিএলে চূড়ান্ত অসম্মান কি ধাক্কা দিয়েছিল ডেভিড ওয়ার্নারকে? না হলে মাত্র মাস খানেকের ব্যবধানে এইরকম জ্বলে উঠবেন কেন? অস্ট্রেলিয়ার টি২০ বিশ্বকাপ জয়ের পেছনে এই ওপেনারের অবদান কিন্তু সব থেকে বেশি। প্রতিযোগিতার সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়ে সামনের মরশুমে আইপিএলের নিলামের আগে নিজের চাহিদা অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন এই অস্ট্রেলীয় ওপেনার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যদি ক্রিকেটার ধরে রাখার নিয়মে তাঁকে যদি আটকে না রাখে, তাহলে নিলামে ওয়ার্নারকে নিয়ে আকাশছোঁয়া চাহিদা হবে। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সুনীল গাভাসকারের মুখেও তেমন কথা শোনা গেছে। গাভাসকারের যুক্তি, আইপিএলে সামনের মরশুমে দুটি দল বাড়ছে। সুতরাং ক্রিকেটারের সংখ্যাও বেশি প্রয়োজন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যদি ক্রিকেটার ধরে রাখার নিয়মে ডেভিড ওয়ার্নারকে আটকে না রাখে, অন্য দলগুলি ওকে নেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বে। ওয়ার্নারের অভিজ্ঞতার কথা ভুললে চলবে না। ওর মধ্যে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা রয়েছে। মাঠের নেমে বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে ওস্তাদ। এবছর আইপিএলে খুব খারাপ সময়ের মধে দিয়ে গেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে ৬ ম্যাচ হারায় তাঁর হাত থেকে নেতৃত্ব কেড়ে নিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কর্তারা। দ্বিতীয় পর্বে তো প্রথম একাদশ থেকেই ছেঁটে ফেলা হয়েছিল। এমনকি একটা ম্যাচে অন্য সাধারণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে হোটেলেই রেখে যাওয়া হয়েছিল ওয়ার্নারকে। তাঁর মতো ক্রিকেটারের এইরকম অসম্মান প্রাপ্য ছিল না বলে মনে করেন গাভাসকার। তিনি বলেন, সাধারণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে ওয়ার্নারকে হোটেলে রেখে গিয়ে ঠিক করেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টিম ম্যানেজমেন্টের ওটা খুব খারাপ সিদ্ধান্ত ছিল। তবে ওয়ার্নারের মতো ইতিবাচক চিন্তাধারার ক্রিকেটার ওই ঘটনা মনে রাখবেন না বলে মনে করছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, ওয়ার্নারের চিন্তাভাবনা সবসময় ইতিবাচক। অতীতে কী ঘটেছে, তার দিকে ফিরেও তাকায় না। আমার মনে হয়, ওয়ার্নার অবশ্যই নিজেকে বলেছে যে, অতীতে যা ঘটেছে তা ঘটেছে, ভবিষ্যত আমার হাতে। এছাড়াও, ভুলে যাবেন না, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতে প্রস্তুতি ম্যাচেও ভাল করতে পারেনি। দলে ওর জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আত্মবিশ্বাসই ওয়ার্নারকে এই জায়গায়।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bandyopadhyay: 'আজ খুঁটি পুজো, ২৩-এ বিসর্জন', আগরতলায় হুঙ্কার অভিষেকের

নানা বিতর্কের পর হাইকোর্টের রায়ে অবশেষে ত্রিপুরায় সভা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবাসরীয় এই সভায় তৃণমূলে যোগ দিলেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য় তথা প্রাক্তনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরার মাচিতে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন সভায় অভিষেক বলেন, আজ খুঁটি পুজো করলাম। ২০২৩-এ বিসর্জন। এতো ভয় কিসের! তৃণমূলকে আটকাব, অভিষেককে ঢুকতে দেব না। যত কুৎসা করবেন তত তৃণমূলের শক্তি বাড়বে। দুমাসে ১০০ গাড়ি ভেঙেছে। আজ আমরা একটা কর্মসূচি নিয়েছি, ত্রিপুরার জন্য তৃণমূল। যে শিক্ষকদের চাকরি গিয়েছে তাঁদের চাকরি ফিরিয়ে দেব।তিন দিন আগে গোয়া সফরে গিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। ত্রিপুরায় সভা করলেন অভিষেক। এরপর ডিসেম্বরে আগরতলায় সভা করবেন মমতা। দিপাবলীর পর ফের ত্রিপুরায় আসবেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, ডিসেম্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন। আস্তাবলে মিটিং হবে। পুলিশই বলছিল, এদিনের সভায় ১০হাজার লোক আসবে। তলায় তলায় নিঃশব্দ বিপ্লব শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য চালাচ্ছে বিপ্লব দেব। তাঁর একটা ক্লাব চালানোর যোগ্যতা নেই। একটা কাউন্সিলর হওয়ারও যোগ্যতা নেই। ত্রিপুরাকে বিজেপি মুক্ত ও মা-মাটি-মানুষের সরকার গড়ার কথা ঘোষণা করেন অভিষেক।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : ‌ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে আইপিএলে কোন দলের হয়ে খেলবেন ধোনি?‌

এবছর আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মহেন্দ্র সিং ধোনি বলেছিলেন চেন্নাইয়ের দর্শকদের সামনে খেলেই চিরতরে ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে তাঁর সামনে সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে। সামনের বছর আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসেই দেখা যেতে পারে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে।আগামী মরশুমের আইপিএলের আগে মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। কোন দল কোন ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে পারবে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। একজন করে ক্রিকেটার ধরে রাখার নিয়ম হলে সমস্যায় পড়ত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। বোর্ড যে নিয়ম তৈরি করতে চলেছে, তাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সূত্র থেকে জানা গেছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সর্বাধিক চারজন করে ক্রিকেটারকে রাখতে পারবে। নিলামের আগে তিনজন করে ক্রিকেটার বেছে নিতে পারবে আইপিএলের নতুন দুটি দল আমেদাবাদ ও লক্ষ্ণৌ।বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, রাইট টু ম্যাচ কার্ড থাকে তাহলে তিনজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা যাবে। আর যদি রাইট টু ম্যাচ কার্ড ফ্র্যাঞ্চাইজিদের হাতে না থাকে তাহলে সর্বাধিক চার ক্রিকেটার ধরে রাখা যাবে। সেটা হতে পারে তিন ভারতীয় ও এক বিদেশি অথবা দুজন করে ভারতীয় ও বিদেশি।যদি ৩ জন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা যায় তাহলে ঋতুরাজ গায়কোয়াণ, মহেন্দ্র সিং ধোনি ও শার্দূল ঠাকুরকে ধরে রাখবে চেন্নাই সুপার কিংস। তেমন সম্ভাবনার কথাই জানিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্তা। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স যে তিনজনকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে, তাঁরা হলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা ও কায়রন পোলার্ড। হার্দিক পান্ডিয়াকে ধরে রাখার ব্যাপারে ততটা আগ্রহী নয় বলে জানিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে জড়িত এক কর্তা। চারজন ক্রিকেটার রাখা গেলে কিশান কিষাণ ও সূর্যকুমার যাদবের মধ্যে কোনও একজনকে ধরে রাখবে মুম্বই।ঋষভ পন্থকেই নেতৃত্বে রাখতে চায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শ্রেয়স আয়ারকেও ধরে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসে থাকবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ, অন্য কোনও দলে যোগ দিয়ে শ্রেয়স নেতৃত্ব দিতে চান। কলকাতা নাইট রাইডার্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পাঞ্জাব কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস নতুন অধিনায়ক নিতে পারে। এই দলগুলির যে কোনও একটিতে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে শ্রেয়স আয়ারের।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL New Team : ঘোষণা হল আইপিএলের দুটি নতুন দল, দরপত্রে চমক

আবরাম গ্লেজার ফ্যামিলি, আদানি গ্রুপদের টেক্কা দিয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত সিভিসি ক্যাপিটাল, আরপিএসজি গ্রুপের। আবার আইপিএলের মঞ্চে দেখা যাবে সঞ্জীব গোয়েঙ্কাকে। লক্ষ্ণৌর মালিকানা পেয়েছে তাঁর সংস্থা। অন্যদিকে আমেদাবাদের মালিকানা পেয়েছে সিভিসি ক্যাপিটাল। সোমবার সন্ধেয় আইপিএলের নতুন দুটি দলের নাম ঘোষণা হয়েছে। সামনের মরশুমে ১০টি দলকে নিয়ে আইপিএল অনুষ্ঠিত হবে। সেইমতো দুটি নতুন দল নেওয়ার কথা ঘোষণা করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। নতুন দলের জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। বিভিন্ন রকম শর্তও আরোপ করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শর্ত মেনে মোট ২২টি সংস্থা টেন্ডার নথি সংগ্রহ করে। এদের মধ্যে ১০টি সংস্থা দরপত্র জমা দেয়। এই ১০টি সংস্থার মধ্যে ছিল আদানি গ্রুপ, আরপি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপ, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বর্তমান কর্ণধার গ্লেজার, হিন্দুস্তান টাইমস মিডিয়া, ক্যাপ্রি গ্লোবাল, সিভিসি ক্যাপিটাল, কোটাক গ্রুপ, টোরেন্ট ফার্মা, সিঙ্গাপুরের ইরেলিয়া কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের লিগাল ও ফিনান্সিয়াল বিভাগ দরপত্রের নথি খতিয়ে দেখে। তারপর যেসব সংস্থা দল কিনতে আগ্রহী, তারা আদৌও যোগ্য কিনা, তা খতিয়ে দেখা হয়। নথি জমা দিতে সামান্য দেরি করায় রীতি স্পোর্টসের কর্ণধার অরুণ পাণ্ডের দরপত্র বাতিল হয়। বাকিদের নথি খতিয়ে দেখার পর সন্ধেয় ফিনান্সিয়াল বিড খোলা হয়।ফিনান্সিয়াল বিড খুললে দেখা যায় লক্ষ্ণৌর শহরের ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য সবচেয়ে বেশি ৭ হাজার কোটি টাকা দর দিয়েছে আরপিএসজি গ্রুপ। তারপরেই ছিল সিভিসি ক্যাপিটালের ৫২০০ কোটি টাকার বিড। তারা পেয়েছে আমেদাবাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি। এদিন আইপিএলের নতুন দুই দলের নাম ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি, সচিব জয় শাহ, আইপিএল চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল, বোর্ডের সহ সভাপতি রাজীব শুক্লা প্রমুখ। সামনের বছর থেকে ১০টি দলকে নিয়ে আইপিএল হবে। ২০১১ সালের আদলে। ম্যাচের সংখ্যা ৬০ থেকে বেড়ে হচ্ছে ৭৪। ২০১১ সালে ১০টি দলকে দুটি গ্রুপে রেখে ৭০টি লিগ ম্যাচ হয়েছিল। তারপর হয় চারটি প্লে অফ ম্যাচ। লিগ পর্যায়ে সব দলই ১৪টি করে ম্যাচ খেলেছিল। প্রতিটি দল নিজেদের গ্রুপে থাকা চারটি দলের সঙ্গে হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে মোট ৮টি ম্যাচ খেলে। অন্য গ্রুপের চারটি দলের সঙ্গে একটি করে ম্যাচ খেলেছিল। বাকি দলটির সঙ্গে হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলেছিল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : আইপিএলে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড?‌ দরপত্র তুলেছে মালিকপক্ষ গ্লেজার ফ্যামিলি

আইপিএলে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড? সামনের মরশুমে এইরকম ছবি যদি সামনে এসে হাজির হয় অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ২৬ অক্টোবরই এই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আইপিএলে দল কেনার ব্যাপারে আগ্রহী হয়েছেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড মালিকপক্ষ। ইতিমধ্যে দরপত্রও তুলেছে। তাঁদের জন্যই নাকি দরপত্র তোলার সময়সীমা বাড়িয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।সামনের মরশুমে আইপিএলে দুটি নতুন দল নেওয়া হবে। এর জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ৩১ আগস্ট দরপত্র আহ্বান করেছিল। অফেরতযোগ্য ১০ লক্ষ টাকা এবং জিএসটিসহ টেন্ডার ফি দিয়েই দুটি নতুন দলের জন্য দরপত্র সংগ্রহ করতে হয়েছে আগ্রহীদের। দরপত্র তোলার শেষ দিন ধার্য করা হয়েছিল ৫ অক্টোবর। পরে তা বাড়িয়ে ২৫ অক্টোবর করা হয়। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের মালিকপক্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্লেজার ফ্যামিলি আইপিএলের দল কিনতে আগ্রহ দেখানোয় নাকি দরপত্র তোলার সময়সীমা বাড়ানো হয়।দরপত্র তোলার শর্ত ছিল ব্যক্তিগতভাবে ২৫০০ কোটি টাকার ব্যক্তিগত সম্পত্তি কিংবা কোনও সংস্থার বছরে ৩০০০ কোটি টাকার লেনদেন থাকলে তবেই দরপত্র তুলতে পারবে। সংস্থার লেনদেনের শর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পরে কিছুটা নমনীয় হয়। আরও একটা শর্ত ছিল, কোনও বিদেশি সংস্থা বা ব্যক্তি যদি আইপিএলের দল কেনে তাহলে তাদের এই দেশে সংস্থা তৈরি করতে হবে। ২৬ অক্টোবর দুবাইয়ে দুবাইয়ে আইপিএল গর্ভনিং কাউন্সিলের সদস্যদের সামনে দরপত্র খোলা হবে।নিলামের টেবিলে গ্লেজার ফ্যামিলি অংশ নেয় কিনা তার দিকে তাকিয়ে সকলে। তবে তাঁরা দরপত্র তোলায় আইপিএল যে অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছাড়াও আরপিসঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপ, আদানি গ্রুপ, হিন্দুস্থান টাইমস মিডিয়া, টোরেন্ট ফার্মা, অরবিন্দ ফার্মা, জিন্দাল স্টিল ছাড়াও তিনটি প্রাইভেট ইক্যুইটি সংস্থা এবং শিল্পপতি রনি স্ক্রুওয়ালা দরপত্র তুলেছে। তবে দরপত্র তুললেই যে নিলামে অংশ নেবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। নতুন দল পাওয়ার ব্যাপারে এগিয়ে রয়েছে আমেদাবাদ, লক্ষ্ণৌ, গুয়াহাটি, কটক, ধরমশালা, ইন্দোর।

অক্টোবর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌S Dhoni : মেগা নিলামের জন্য ধোনির আগেও চেন্নাই কর্তাদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ!‌‌

মহেন্দ্র সিং ধোনির আগেও গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজারা! শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব। সামনের বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে যদি পুরনো দল থেকে দুজন ক্রিকেটারকে রাখতে হলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজাকে ধরে রাখতে চায় চেন্নাই সুপার কিংস। তিনজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখার সুযোগ থাকলে সেক্ষেত্রে মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও রেখে দেওয়া হবে। অর্থাৎ টিম ম্যানেজমেন্টের প্রথম পছন্দের তালিকায় নেই ক্যাপ্টেন কুলএর নাম। তবে ধোনিকে দলে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। তবে সবকিছু নির্ভর করছে রিটেশন নিয়মের ওপর। সামনের বছর আইপিএলের নিলামের জন্য অধিকাংশ ক্রিকেটারকে ফ্রি করে দেওয়া হবে। আগের ৮টি দলের সঙ্গে আরও দুটি দল বাড়বে। ফলে ক্রিকেটারদের পুলের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। নিলামও আগের থেকে অনেক বেশি জমজমাট হবে। সব দলই চাইবে মেগা নিলাম থেকে আগামী কয়েক বছরের জন্য সেরা দল তৈরি করে নেওয়া। ফলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের মতো প্রতিভাসম্পন্ন তরুণ ক্রিকেটাররা যে সব দলেরই টার্গেট হবেন, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুক্রবার আইপিএল ফাইনালের পর মহেন্দ্র সিং ধোনি বলেছিলেন, সামনের মরশুমের জন্য আইপিএলের মেগা নিলামের সময় অগ্রাধিকার হবে এমন ক্রিকেটারদের দলে নেওয়া যাতে তাঁদের দীর্ঘদিন দলে ধরে রাখা যায়। সেই পথেই হাঁটার পরিকল্পনা চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষর। কর্তাদের লক্ষ্য এমন দল গড়া যাতে আগামী ১০ বছরের জন্য অবদান রাখতে পারে। সেটা মাথায় রেখে ভবিষ্যতের দল গড়তে চান তাঁরা। তাই তরুণ ক্রিকেটারদের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আর তার জন্যই মহেন্দ্র সিং ধোনির আগে ভেসে উঠছে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজাদের নাম। তবে ধোনি যে চেন্নাই কর্তাদের পরিকল্পনায় নেই, এমন নয়। চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্তা বলেছেন, যে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিই ধোনির মতো ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে চাইবে। সামনের মরশুমে আইপিএলে দুটি নতুন দল যুক্ত হচ্ছে। অনেক পরিবর্তন হবে। আমাদেরও লক্ষ্য আছে ধোনিকে ধরে রাখা। তার জন্য চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না। তবে ঋতুরাজের মতো ক্রিকেটারকেও ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এবছর চেন্নাই সুপার কিংসের ক্রিকেটারদের বয়স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বেশির ভাগ ক্রিকেটারই ছিলেন বয়স্ক। তা সত্ত্বেও আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শার্দূল ঠাকুর, দীপক চাহারের মতো তরুণ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ডোয়েন ব্র্যাভো, ফাফ ডুপ্লেসি, অম্বাতি রায়ডু, রবিন উথাপ্পার মতো বয়স্করাও জ্বলে উঠেছিলেন। তাই মেগা নিলামে শার্দূল, চাহারদের পাশাপাশি কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে ধরে রাখার জন্য ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। সামনের বছর আইপিএলেও খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি চান চেন্নাইয়ে ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে খেলে অবসর নিতে চান। এখন দেখার তাঁর মনোবাসনা পূর্ণ হয় কিনা।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Final : মধুর প্রতিশোধ, ২০১২–র বদলা নিয়ে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস

গতবছর আইপিএলের প্লে অফেই যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। এবছর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। শুরু থেকেই ছন্দ ধরে রেখে ফাইলানে। তারা যে ফ্লুকে ফাইনালে ওঠেনি, প্রমাণ করে দিল ধোনি ব্রিগেড। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ২৭ রানে হারিয়ে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১২ সালে ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ। এই নিয়ে ৪ বার আইপিএল শিরোপা জিতল চেন্নাই। আইপিএল ফাইনালে নতুন কীর্তি মহেন্দ্র সিং ধোনির। অধিনায়ক হিসেবে ৩০০তম টি২০ ম্যাচে মাঠে নেমে দলকে খেতাব এনে দিলেন। তাঁর নেতৃত্বে ৪ বার চ্যাম্পিয়ন হল চেন্নাই। এবছর আইপিএলে ৬ ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে ৬টি ম্যাচেই জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। তাই হয়তো বিপক্ষকে রান তাড়া করার সুযোগ দেননি কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান। তাছাড়া তাঁর দল যেভাবে রান তাড়া করে পরপর ম্যাচ জিতেছে, তাতে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। রাতের দিকে শিশিরের কথাও তিনি মাথায় রেখেছিলেন। তাই হয়তো ফাইনালে টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন নাইট ক্যাপ্টেন। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে নিজেদের মেলে ধরেন চেন্নাই সুপার কিংসের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে দুজনে তোলেন ৫০। ওপেনিং জুটিতে ৮ ওভারের ওঠে ৬১। জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। তঁার বলে শিবম মাভির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ২৭ বলে তিনি করেন ৩২। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান রবিন উথাপ্পা ও ফাফ ডুপ্লেসি। ঝড় তুলে ১৫ বলে ৩১ রান করে সুনীল নারাইনে বলে আউট হন উথাপ্পা। ঋতুরাজ, উথাপ্পা আউট হলেও মনসংযোগে চিড় ধরেনিই ডুপ্লেসির। শুরুর দিকে যেমন ইনিংস গড়ার দিকে মন দিয়েছিলেন, ডেথ ওভারে ঝড় তোলেন। তাঁর ঝড়েই উড়ে গেলেন লকি ফার্গুসনরা। ডুপ্লেসিকে যোগ্য সহায়তা দেন মঈন আলি। ডেথ ওভারে এই দুজনের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েন নাইট বোলাররা। শেষ ৫ ওভারে চেন্নাই তোলে ৬১। ডুপ্লেসি ও মঈনে জুটিতে ৩৯ বলে ওঠে ৬৮। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে আউট হন ডুপ্লেসি। ৫৯ বলে ৮৬ রান করেন তিনি। অন্যদিকে মঈন ২০ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে চেন্নাই তোলে ১৯২/৩। ইওয়িন মর্গ্যানের লক্ষ্য ছিল কম রানে চেন্নাইকে বেঁধে রেখে জয় তুলে নেওয়া। কিন্তু তাঁর সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। তবে সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখেও ঘাবড়ে যাননি নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনার। দলকে ফাইনালে তোলার কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন শুভমান গিল ও বেঙ্কটেশ আয়ার। ফইনালেও দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন নাইটদের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ৯১ তুলে চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন চেন্নাই শিবিরের ওপর। এই সময় বেশ দিশেহারা লাগছিল চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শার্দূল ঠাকুর বল করতে এসে ক্যাপ্টেনকে চাপমুক্ত করেন। একাদশতম ওভারের চতুর্থ বলে বেঙ্কটেশ আয়ারকে (৩২ বলে ৫০) তুলে নিয়ে নাইটদের প্রথম ধাক্কা দেন। এক বল পরেই ফেরান নীতীশ রানাকে (০)। এক বলের ব্যবধানে উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে পারেনি নাইটরা। সুনীল নারাইনকে (২) তুলে নিয়ে নাইটদের ওপর আরও চাপ বাড়িয়ে দেন জস হ্যাজেলউড। এরপর শুভমান গিলকে (৪৩ বলে ৫১) দীপক চাহার ফেরাতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে নাইটদের মিডল অর্ডার। পরপর ফিরে যান দীনেশ কার্তিক (৯), সাকিব আল হাসান (০), রাহুল ত্রিপাঠী (২), ইওয়িন মর্গ্যান (৪)। লকি ফার্গুসন (১১ বলে অপরাজিত ১৮) ও শিবম মাভি (১৩ বলে ২০) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৬৫/৯ রানে থেমে যায় নাইটদের ইনিংস। ৩৮ রানে ৩ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর। হ্যাজেলউড ও রবীন্দ্র জাদেজা ২টি করে উইকেট নেন। ২০১২ সালের পুনরাবৃত্তি হল না। মর্গ্যান ব্রিগেডকে ২৭ রানে হারিয়ে ২০১২ সালের ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ নিল চেন্নাই।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অন্নপূর্ণা যোজনায় বড় আপডেট, ১৭ সেপ্টেম্বর কাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩,০০০ টাকা? অতিরিক্ত ১০ লক্ষ মহিলা পাবেন সুবিধা

পশ্চিমবঙ্গের অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় আপডেট। সেপ্টেম্বর মাসের ৩,০০০ টাকার কিস্তি আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরাসরি DBT-এর মাধ্যমে আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা পড়বে। ১৭ সেপ্টেম্বর দিনটিকে অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবেও পালন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঘোষণার খবর অনুযায়ী, অগস্টে প্রায় ১ কোটি ৪৮ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেয়েছিলেন। সেপ্টেম্বরের কিস্তিতে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, নতুন করে আরও প্রায় ১০ লক্ষ মহিলা এই কিস্তির আওতায় আসবেন।মাসে কত টাকা মিলবে?২০২৬ সালের জুন মাসে চালু হওয়া অন্নপূর্ণা যোজনায় যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই অর্থ সরাসরি DBT-এর মাধ্যমে উপভোক্তার আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।কারা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা?সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি পশ্চিমবঙ্গের মহিলা বাসিন্দারা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। স্থায়ী সরকারি চাকরিতে থাকা এবং কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের নিয়মিত বেতন বা পেনশন পাওয়া মহিলারা এই প্রকল্পের আওতায় থাকবেন না। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরাও বাদ পড়বেন। পাশাপাশি আয়করদাতারাও এই আর্থিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য নন।১৭ সেপ্টেম্বর কারা টাকা পাবেন?সেপ্টেম্বরের কিস্তির জন্য উপভোক্তার নাম যোগ্য তালিকায় থাকা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই সম্পূর্ণ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আধার ও ব্যাঙ্কের তথ্যের মধ্যে গরমিল, DBT সংক্রান্ত সমস্যা বা অন্য কোনও তথ্যগত ত্রুটি থাকলে টাকা জমা পড়তে দেরি হতে পারে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে তথ্যের ভুলের কারণে কিছু উপভোক্তার টাকা আটকে থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।তাই যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগী, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রয়েছে কি না এবং আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংযোগ সঠিক রয়েছে কি না, তা আগে থেকেই যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের ৩,০০০ টাকা ১৭ সেপ্টেম্বর যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের আবেদন ও স্ট্যাটাস সংক্রান্ত তথ্যও নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে জানা যায়।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

১০০ কেজি সোনার দুর্গা! বাংলার বুকে এবার পুজোর সেরা আয়োজন, সোনার দুর্গাকে ঘিরে তুমুল আগ্রহ

দুর্গাপুজোয় এবার নজরকাড়া আয়োজন শিলিগুড়িতে। নিউ জলপাইগুড়ির সেন্ট্রাল কলোনি দুর্গাপুজো কমিটির দাবি, এ বছর তাদের প্রতিমা এবং দুর্গা পরিবারের অন্যান্য দেবদেবীকে সাজানো হবে ১০০ কেজি সোনার গয়নায়। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই গয়নার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। শিলিগুড়ি ও আশপাশের এলাকায় কোনও পুজো কমিটির পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ এই প্রথম বলে দাবি তাঁদের।এবার সেন্ট্রাল কলোনি দুর্গাপুজো পা দিতে চলেছে তাদের ৬৪তম বর্ষ। প্রতি বছরই নতুন আকর্ষণের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে এই পুজো। মঙ্গলবার আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে পুজো কমিটির সভাপতি কাঞ্চন রায় জানান, এ বছর দুর্গা প্রতিমা এবং পরিবারের অন্যান্য প্রতিমাকে ১০০ কেজি সোনার গয়নায় সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকায় এর আগে কোনও পুজোয় এত বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না দিয়ে প্রতিমা সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।বছরের পর বছর নিউ জলপাইগুড়ির গেট বাজার এলাকার কাছে রেলওয়ে ইনস্টিটিউট গ্রাউন্ডে এই পুজোর আয়োজন হয়ে আসছিল। তবে বর্তমানে রেল কর্তৃপক্ষ ওই মাঠকে ক্রিকেট মাঠ হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে। সেই কারণে এ বছর পাশের একটি জমিতে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। জমিটি নিউ জলপাইগুড়িতে অতিরিক্ত ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের দফতরের কাছেই অবস্থিত।পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি নামী গয়না প্রস্তুতকারী ও বিক্রেতা সংস্থা প্রতিমার জন্য প্রয়োজনীয় সোনার গয়না সরবরাহ করবে। এত বিপুল পরিমাণ সোনা থাকায় নিরাপত্তার বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুজো প্রাঙ্গণের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। পাশাপাশি প্যান্ডেলে মোতায়েন থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী।দর্শনার্থীদেরও প্রতিমার খুব কাছে যেতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। প্রতিমার প্রায় আট ফুট আগে ব্যারিকেড তৈরি করা হবে। সেখান থেকেই দর্শনার্থীরা প্রতিমা দর্শন করে নির্দিষ্ট পথ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারবেন। ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার সশস্ত্র রক্ষীদেরও মোতায়েন করা হবে।পুজো কমিটির সভাপতি কাঞ্চন রায় জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। সোনার গয়না সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুজোর দিনগুলিতে গোটা এলাকা সিসিটিভির নজরদারিতে রাখা হবে। ১০০ কেজি সোনার গয়নায় সজ্জিত দুর্গা প্রতিমা ও দুর্গা পরিবারের অন্যান্য দেবদেবীকে দেখতে এবার শিলিগুড়ির এই পুজোয় বিপুল দর্শনার্থীর সমাগম হতে পারে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ফের কমল সোনার দাম, কলকাতায় ২৪ ক্যারেটের দর জানলে চমকে উঠবেন

Gold Price Today: সোনার দামে ফের পতন। একদিন স্থিতিশীল থাকার পর টানা তৃতীয় দিনের মতো কমল হলুদ ধাতুর দাম। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দরে চাপ তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধিও বাজারে প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে মার্কিন ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে, এমন আশঙ্কায় সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ কিছুটা কমেছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং ১৬ সেপ্টেম্বর সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশের কথা। ফলে ওই সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের।গত তিন দিনে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম মোট ১,৪২০ টাকা কমেছে। একই সময়ে ২২ ক্যারেট সোনার দর কমেছে ১,৩১০ টাকা। বুধবারও ২৪ ও ২২ ক্যারেটদুই ধরনের সোনার দাম ১০ টাকা করে কমেছে।কলকাতায় আজকের সোনার দামকলকাতায় ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১,৫৩,১৬০ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ১,১৪,৮৭০ টাকা। অর্থাৎ ১৮ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের দর ১.১৫ লক্ষ টাকার সামান্য নিচে।দেশের অন্যান্য বড় শহরেও সোনার দরে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। দিল্লিতে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,৩১০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৫,০২০ টাকা। মুম্বইয়ে ২৪ ক্যারেটের দাম ১,৫৩,১৬০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৪,৮৭০ টাকা।পাটনা ও আহমেদাবাদে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,২১০ টাকা। সেখানে ২২ ক্যারেটের দর ১,৪০,৪৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১,১৪,৯২০ টাকা। জয়পুরে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,৩১০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৫,০২০ টাকা।তবে চেন্নাইয়ের ক্ষেত্রে ২৪ ক্যারেট সোনার দরে দেওয়া তথ্যে সংখ্যাগত অসঙ্গতি রয়েছে। সেখানে ২২ ক্যারেটের দাম ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১,১৮,০৯০ টাকা। তবে কেনার আগে স্থানীয় বাজার বা বিক্রেতার কাছ থেকে ২৪ ক্যারেটের বর্তমান দর যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।চার দিন পর কমল রুপোর দামসোনার পাশাপাশি রুপোর দামেও বুধবার কিছুটা পতন দেখা গিয়েছে। টানা চার দিন স্থিতিশীল থাকার পর এক কেজি রুপোর দাম ১০০ টাকা কমেছে।দিল্লিতে এক কেজি রুপোর দাম এখন ২,৪৪,৯০০ টাকা। কলকাতা ও মুম্বইয়েও একই দরে রুপো বিক্রি হচ্ছে বলে দেওয়া হয়েছে। তবে চেন্নাইয়ে রুপোর দাম তুলনামূলক বেশিএক কেজি ২,৪৯,৯০০ টাকা। এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর এক কেজি রুপোর দাম ৫,০০০ টাকা বেড়েছিল। পরের দিন, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর, ফের এক কেজিতে ১০,০০০ টাকা কমেছিল। বুধবারের পতনের ফলে রুপোর বাজারেও ফের কিছুটা দুর্বলতা দেখা গেল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

৪০ বছরের পুরনো গৌরব ফেরানোর উদ্যোগ! বক্সার জঙ্গলে রাজ করতে আনা হচ্ছে বাঘিনী

বাঘশূন্য বক্সার জঙ্গলে ফের বাঘের সংসার গড়ার প্রস্তুতি শুরু। বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে একটি বাঘিনীকে বক্সা টাইগার রিজার্ভে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বন দপ্তর। সেই কাজের জন্য ইতিমধ্যেই ১৫ জনের একটি বিশেষ দল বিহারে পৌঁছেছে। বাঘিনীকে নিরাপদে নিয়ে আসার জন্য বিশেষ আম্বুল্যান্স এবং খাঁচাও সঙ্গে পাঠানো হয়েছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২ অক্টোবর বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে বাঘিনীকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তার আগে বাঘিনীকে বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে নিরাপদে সরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। বন দপ্তরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের আগে ঘুমপাড়ানি গুলি প্রয়োগ করে বাঘিনীকে কাবু করা হবে। এরপর বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে তাকে বক্সার দিকে নিয়ে আসা হবে।বাঘিনীকে নিয়ে আসার সময় তৈরি করা হবে সবুজ করিডর। অর্থাৎ যাতায়াতের পথে যাতে কোনও ধরনের বাধা বা বিলম্ব না হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। বক্সা টাইগার রিজার্ভে পৌঁছনোর পর সরাসরি জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে না তাকে। প্রথমে বিশেষ ভাবে তৈরি এনক্লোজারে রাখা হবে। সেখানে কয়েক দিন তার গতিবিধি, শারীরিক অবস্থা এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নজরে রাখা হবে।এরপর সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে ২ অক্টোবর বাঘিনীকে বক্সার জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বাঘিনীকে জঙ্গলে ছাড়ার এই বিশেষ অনুষ্ঠান হবে আলিপুরদুয়ার শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডে। সেখানে সাধারণ মানুষের জন্যও অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা থাকবে। জঙ্গলের ভিতরে বাঘিনীকে ছেড়ে দেওয়ার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে প্যারেড গ্রাউন্ডে দেখানো হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ।বনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২ অক্টোবর বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভের বাঘিনীকে বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে এই উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন বলেও জানানো হয়েছে। জঙ্গলে বাঘিনী ছাড়ার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দেখতে পারবেন।বক্সা টাইগার রিজার্ভের সঙ্গে বাঘের ইতিহাস অবশ্য বেশ পুরনো। ১৯৮২ সালে আলিপুরদুয়ারের এই বনাঞ্চল দেশের ১৫তম বাঘ সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সেই সময় বক্সার জঙ্গলে ২০টিরও বেশি বাঘ থাকার রেকর্ড ছিল। পাহাড় এবং সমতল মিলিয়ে প্রায় ৭৬০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বিশাল বনাঞ্চল।কিন্তু সময়ের সঙ্গে বক্সার জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা কমতে কমতে একসময় শূন্যে পৌঁছয়। বর্তমানে বক্সা টাইগার রিজার্ভে স্থায়ী ভাবে বসবাসকারী কোনও বাঘ নেই। যদিও গত কয়েক বছরে ভুটানের দিক থেকে বক্সার জঙ্গলে বাঘের যাতায়াতের ছবি ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ফলে বাঘের জন্য বক্সার জঙ্গল এখনও উপযুক্ত আবাসস্থল কি না, তা নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন বনকর্তারা।এই পরিস্থিতিতে বক্সা টাইগার রিজার্ভে ফের বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাইরে থেকে বাঘ এনে তাদের বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে ধীরে ধীরে বাঘের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে বন দপ্তরের। সেই পরিকল্পনারই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে বাঘিনী আনা হচ্ছে।এখন নজর ২ অক্টোবরের দিকে। বিশেষ দল, খাঁচা, আম্বুল্যান্স এবং নিরাপত্তার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। বাঘিনী বক্সার পরিবেশে কী ভাবে মানিয়ে নেয় এবং ভবিষ্যতে সেখানে বাঘের স্থায়ী প্রজনন সম্ভব হয় কি না, তার উপরই এই উদ্যোগের পরবর্তী সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
বিদেশ

মক্কা কি সত্যিই নিশানায়? ড্রোন হামলার দাবি নিয়ে মুখোমুখি সৌদি ও হাউথি

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হাউথি এবং সৌদি আরবের সংঘাতকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সৌদির দাবি, মঙ্গলবার পবিত্র শহর মক্কার কাছে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, মক্কার আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ড্রোনটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কড়া উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত।সৌদির দাবি অনুযায়ী, হাউথিরাই ওই ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। গত প্রায় এক দশকের মধ্যে মক্কার পবিত্র তীর্থক্ষেত্রকে ঘিরে এমন হামলার অভিযোগ এই প্রথম বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ড্রোনটি মক্কার ঠিক কতটা কাছে পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে সৌদির তরফে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য জানানো হয়নি।সৌদির এই দাবি অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছে হাউথিরা। বুধবার গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, তাঁদের লক্ষ্য ছিল সৌদির তেলের ভাণ্ডার এবং সামরিক ঘাঁটি। তাঁর বক্তব্য, সেই লক্ষ্যগুলি মক্কা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মক্কাকে নিশানা করে হামলার যে দাবি সৌদি করেছে, তা মিথ্যা বলেও পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।এর ফলে মক্কার কাছে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট পার্থক্য তৈরি হয়েছে। সৌদি বলছে, হাউথির ড্রোন মক্কার দিকে এগিয়েছিল এবং আকাশেই সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে। অন্য দিকে হাউথির দাবি, তাদের লক্ষ্য ছিল মক্কা থেকে দূরে সৌদির তেল ও সামরিক পরিকাঠামো।এই ঘটনার পর মক্কার নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে মক্কার ধর্মীয় গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ফলে পবিত্র শহরের কাছাকাছি কোনও সামরিক হামলার অভিযোগ স্বাভাবিক ভাবেই আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্বেগ তৈরি করেছে।মক্কার কাছে ড্রোন হামলার অভিযোগের তীব্র নিন্দা করেছে ভারত। বুধবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, মক্কার কাছে ড্রোন হামলার ঘটনায় ভারত উদ্বিগ্ন। সৌদি আরবের সার্বভৌম ভূখণ্ডে হামলা এবং সাধারণ নাগরিক ও বেসামরিক পরিকাঠামোকে বিপদের মধ্যে ফেলার যে কোনও প্রচেষ্টার কড়া নিন্দা করেছে ভারত।রণধীর আরও বলেন, সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে মক্কার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সেই কারণে মক্কার কাছাকাছি হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ওই অঞ্চলে দ্রুত শান্তি এবং স্থিতিশীলতা ফিরে আসার আশাও প্রকাশ করেছে ভারত।অন্য দিকে, হাউথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতের মাত্রাও ক্রমশ বাড়ছে। সৌদির পশ্চিম উপকূল লক্ষ্য করে হাউথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ রয়েছে। তার মধ্যেই মক্কার কাছে ড্রোন হামলার দাবি নতুন করে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে।তবে মক্কার কাছে ড্রোনটি ঠিক কোথা থেকে এসেছিল, তার লক্ষ্য কী ছিল এবং সৌদির দাবি অনুযায়ী সেটি কতটা কাছে পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য এক নয়। ফলে ঘটনার পূর্ণ চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়। এ নিয়ে সৌদি আরব ও হাউথিদের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যেই নজর রয়েছে পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রতীক না মিললে প্রচারেই যাবেন না মমতা? নন্দীগ্রাম-রেজিনগর ভোটের আগে বড় বার্তা

পুজোর আগেই রাজ্যে ফের ভোটের দামামা। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের প্রতীক-জট নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। তার মধ্যেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।সূত্রের খবর, দলীয় বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রচারে যাবেন না। যদিও এটি এখনও তাঁর প্রকাশ্য ঘোষণা নয়। ফলে উপনির্বাচনের প্রচারে মমতার ভূমিকা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দুই শিবির আলাদা ভাবে প্রার্থী দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবির নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরও দুই কেন্দ্রে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ফলে একই দলের দুই শিবিরের প্রার্থীদের মধ্যে সরাসরি লড়াইয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।প্রতীক নিয়ে এই টানাপড়েনের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দুই পক্ষের একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে। কমিশনের কাছে দুই শিবিরই নিজেদের দাবি ও নথি জমা দিয়েছে। কিন্তু জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে মনোনয়ন পর্বের পাশাপাশি প্রতীক নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।এই পরিস্থিতিতে রেজিনগরের কালীঘাট শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে আশীর্বাদ নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে জট না কাটলে মমতা প্রচারে আসবেন না বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। এই বক্তব্যের পরই মমতার প্রচার নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের মনোনয়ন ঘিরে একাধিক পরিচিত নেতাকে দেখা গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রামে ওই শিবিরের প্রার্থী মহম্মদ এতেসামূল হকের মনোনয়ন কর্মসূচিতেও দলীয় নেতাদের উপস্থিতি ছিল। ফলে দুই শিবিরের সাংগঠনিক তৎপরতা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের নন্দীগ্রাম প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে-র মনোনয়ন ঘিরে জেলার নেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক ভাবে কম ছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। তবে এই উপস্থিতির ভিত্তিতে দলের চূড়ান্ত প্রচার কৌশল সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না।এরই মধ্যে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে বিজেপিও প্রচার শুরু করেছে। শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে দলের প্রার্থীর হয়ে মনোনয়ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন। তিনি উপনির্বাচনে তৃণমূলের ফল নিয়ে নিজের দাবি জানিয়েছেন। তবে সেটি তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।নন্দীগ্রাম আসনটি বরাবরই রাজ্য রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর হাইভোল্টেজ লড়াই হয়েছিল। পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়ে পরে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়। রেজিনগরেও একই ভাবে বিধায়ক পদ খালি হওয়ায় উপনির্বাচন হচ্ছে।এখন মূল নজর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকে। জোড়াফুল প্রতীক কোন শিবির পাবে, দুই পক্ষকে একই প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, নাকি অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবেতা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের লড়াইয়ের সমীকরণও বদলাতে পারে।সব মিলিয়ে ৬ অক্টোবরের ভোটের আগে তৃণমূলের প্রতীক-জট এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে নামা না-নামা এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং দুই শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

‘রাক্ষুসে’ গঙ্গার গ্রাসে ভূতনি! ত্রাণের আশায় টিনের ডোঙা নিয়ে ছুটছেন বানভাসিরা

রাক্ষুসে গঙ্গার জলে কার্যত জলবন্দি মালদহের ভূতনির বিস্তীর্ণ এলাকা। যেদিকে তাকানো যাচ্ছে, শুধু জল আর জল। কোথাও ঘরবাড়ি ডুবে গিয়েছে, কোথাও আবার বাড়ির একতলা পর্যন্ত জলমগ্ন। বহু পরিবার উঁচু রাস্তার ধারে কিংবা বাড়ির ছাদে ত্রিপল টাঙিয়ে দিন কাটাচ্ছে। খাবার বলতে ভরসা ত্রাণের সামগ্রী। আর সেই ত্রাণ আসার খবর পেলেই টিনের তৈরি ডোঙা নিয়ে ছুটে আসছেন বানভাসি মানুষজন।বুধবার ভূতনি সেতুর কাছে ত্রাণ পৌঁছনোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই দূরদূরান্তের জলবন্দি এলাকা থেকে ডোঙা নিয়ে ছুটে আসেন বহু মানুষ। মহিলা এবং শিশুরাও সেই ভিড়ে ছিলেন। চিঁড়ে, গুড়ের মতো শুকনো খাবার সংগ্রহের জন্য জল পেরিয়ে ভূতনি সেতুর কাছে পৌঁছন তাঁরা। ত্রাণ নিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সেখানে পৌঁছতেই জলবন্দি এলাকার মানুষ ডোঙা নিয়ে তাঁদের দিকে এগিয়ে আসেন।মালদহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের মতো ত্রাণ নিয়ে বড় ধরনের কাড়াকাড়ির পরিস্থিতি কোথাও তৈরি হয়নি। তবে প্রত্যন্ত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে সমস্যা হচ্ছে। অনেক জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে নৌকার সাহায্যেই দুর্গত এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে।জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বানভাসি এলাকায় ১১টি ত্রাণশিবির এবং ১৫টি লঙ্গরখানা চালু করা হয়েছে। দুর্গত মানুষের কাছে খাবার, পানীয় জল এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে একশোর বেশি নৌকা কাজে নামানো হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও উদ্ধার ও ত্রাণকাজে মোতায়েন করা হয়েছে।মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল জানিয়েছেন, ত্রাণ এবং পানীয় জলের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের পাশাপাশি রামকৃষ্ণ মিশন, রেডক্রস এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। দূরবর্তী গ্রামগুলিতে ত্রাণ পৌঁছনোর কাজ আরও দ্রুত করতে উত্তর চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে বিশেষ ত্রাণ দফতর চালু করেছে জেলা প্রশাসন।তবে দুর্গতদের একাংশের অভিযোগ, প্রত্যন্ত এলাকার সব জায়গায় এখনও নিয়মিত ত্রাণ পৌঁছচ্ছে না। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বিধায়ক, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা স্পিডবোট ও নৌকা নিয়ে জলবন্দি মানুষের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন। শুকনো খাবার এবং ওষুধও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।মালদহের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিও ত্রাণকাজে এগিয়ে এসেছে। জেলা প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে চাল, ডাল, চিঁড়ে, মুড়ি, পানীয় জল এবং মশারি-সহ বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী নিয়ে তিনটি বড় ট্রাক মানিকচকে পাঠানো হয়েছে।বন্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের উদ্ধারে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জলবন্দি এলাকা থেকে ১৮০ জনেরও বেশি অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ভূতনি থানার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। কিন্তু তাতে মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। এখনও প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ বন্যার জলে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বহু গ্রাম জলবন্দি। কোথাও ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। আবার কোথাও বাড়ির একতলা পর্যন্ত জলে ডুবে গিয়েছে।উঁচু জায়গা এবং বাড়ির ছাদে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন বহু পরিবার। দুর্গত মানুষের সঙ্গে দেখা করতে নিয়মিত এলাকায় ঘুরছেন মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল। সিভিল ডিফেন্সের দুই আধিকারিককে সঙ্গে নিয়ে তিনি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং ত্রাণ ঠিকমতো পৌঁছচ্ছে কি না, তা খোঁজ নেন। কয়েকটি এলাকায় বানভাসিরা ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগও জানিয়েছেন। দ্রুত তাঁদের কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক।সব মিলিয়ে ভূতনির বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলেও জলযন্ত্রণা এখনও কাটেনি। ঘরবাড়ি হারিয়ে উঁচু রাস্তা ও ছাদে আশ্রয় নেওয়া মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বড় ভরসা ত্রাণ। আর সেই ত্রাণের আশাতেই জল পেরিয়ে ডোঙা নিয়ে ছুটছেন ভূতনির বানভাসিরা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সেই মন্তব্য নিয়ে হাই কোর্টে মামলা, বুধবার এল বড় রায়! কী বলল আদালত?

গত ২ জুন ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের একটি ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বুধবার সেই মামলাই খারিজ করে দিল হাই কোর্ট।মামলাটি শুনেছিল কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে ১ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানিতে মমতার মন্তব্য নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল আদালত। বুধবার সেই রিপোর্ট আদালতে জমা দেয় রাজ্য। রাজ্যের রিপোর্টে জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই মন্তব্যে কোনও আদালতগ্রাহ্য অপরাধ সংঘটিত হয়নি। এরপরই মামলাটি খারিজ করে দেয় আদালত।গত ২ জুন ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের একটি ঘটনা প্রসঙ্গে বক্তব্য রেখেছিলেন মমতা। তিনি সরাসরি কারও নাম নেননি। তবে তাঁর মন্তব্য বাংলাদেশের একটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করেছিল বলে অনেকে মনে করেছিলেন। সেই মন্তব্য নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন অভ্রতনু সরকার।মামলাটি আদালতে ওঠার পর শুরু থেকেই এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আগের শুনানিতে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর বেঞ্চ প্রশ্ন তুলেছিল, কোনও রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য নিয়ে এই ধরনের মামলা কী ভাবে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা যায়। আদালত জনস্বার্থ মামলাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল।এর পরেই মমতার মন্তব্য নিয়ে রাজ্যের রিপোর্ট চায় হাই কোর্ট। বুধবার সেই রিপোর্ট জমা পড়ে। রাজ্যের বক্তব্য ছিল, ওই মন্তব্যের মধ্যে এমন কোনও বিষয় পাওয়া যায়নি, যা আদালতগ্রাহ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। রাজ্যের এই রিপোর্টের পরই প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি খারিজ করে দেয়।মামলাটি খারিজ হওয়ার ফলে ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে করা মন্তব্যকে ঘিরে দায়ের হওয়া এই জনস্বার্থ মামলার আইনি পর্ব আপাতত শেষ হল। তবে ওই মন্তব্য ঘিরে যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে সেই সময় থেকেই আলোচনা চলছিল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal