• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ipl

খেলার দুনিয়া

‌নির্বাসনের মুখে পড়তে হতে পারে রোহিত শর্মাকে, কেন?‌

সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মার কাছে। চলতি আইপিএলে ইতিমধ্যেই পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে হয়ে গেছে। এখনও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হয়েছে। তার ওপর আবার জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে। দলের মন্থর বোলিংয়ের জন্য ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে রোহিত শর্মার। চলতি আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার জরিমানার কবলে পড়তে হল মুম্বই অধিনায়ককে। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ে ২০ ওভার বোলিং করতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ফলে দলের অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার ওপরে শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছে। তাঁর ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচেও মন্থর বোলিংয়ের জন্য শাস্তির কবলে পড়তে হয়েছিল রোহিতকে। ওই ম্যাচে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছিল। দ্বিতীয় বার একই অপরাধ হওয়ায় এবার জরিমানার পরিমান দ্বিগুন। যদি আরও একবার মন্থর বোলিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত হন রোহিত, তাহলে জরিমানার পাশাপাশি এক ম্যাচ নির্বাসিত হতে হবে। শুধু রোহিতেরই জরিমানা হয়নি, প্রথম একাদশে থাকা বাকি ক্রিকেটারদেরও জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে। বাকিদের জরিমানা হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা করে। আইপিএলের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্লো ওভার রেটের জন্য মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জরিমানা করা হয়েছে। অধিনায়ক রোহিত শর্মার ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাকি ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা হয়েছে। এ বারের আইপিএলে এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা। পর পর পাঁচ ম্যাচে হারতে হয়েছে তাদের। বুধবার টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন রোহিত। প্রথমে ব্যাট করে ১৯৮ রান করে পঞ্জাব। জবাবে ১৮৬ রানে শেষ হয় মুম্বইয়ের ইনিংস। ১২ রানে ম্যাচ হারে তারা।এদিকে, রোহিত শর্মার ব্যাটেও রান নেই। ৫ ম্যাচে করেছেন ১০৪। দলের অধিনায়ক রান না পেলেও চিন্তিত নন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে। তিনি বলেন, রোহিত ভাল টাচে আছে। ভাল শুরু করছে। কিন্তু বড় ইনিংস আসছে না। আমি আশাবাদী, দ্রুতই বড় ইনিংস খেলবে রোহিত।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হার্দিকের ব্যাটে অধিনায়কোচিত ইনিংস, কোথায় পৌঁছল গুজরাট টাইটান্স!‌

দলকে শীর্ষে তোলার লড়াইয়ে জ্বলে উঠলের গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর দুরন্ত অপরাজিত ৮৭ রানের সুবাদে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯২/৪ তুলল গুজরাট টাইটান্স।মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। চলতি আইপিএলে এই প্রথম টস ভাগ্য সাহায্য করল সঞ্জুকে। যদিও এদিন অস্বস্তি নিয়েই মাঠে নামতে হয়েছে রাজস্থান রয়্যালসকে। চোটের জন্য গুজরাট টাইটান্স ম্যাচ থেকে ছিটকে যান দলের নির্ভরযোগ্য জোরে বোলার ট্রেন্ট বোল্ট। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে ঢোকেন জিমি নিশাম। অন্যদিকে, প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে গুজরাট টাইটান্স। দর্শন নালকণ্ডের জায়গায় যশ দয়াল ও সাই সুদর্শনের জায়গায় বিজয় শঙ্কর। আইপিএলে অভিষেক হল যশের। তাঁর হাতে টুপি তুলে দেন আশিস নেহরা।ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন গুজরাট টাইটান্সের ওপেনার ম্যাথু ওয়েড। তিমি নিশামের প্রথম ওভারেই তিনটি বাউন্ডারির সাহায্যে তোলেন ১২। পরের ওভারেই শুভমান গিলের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট ওয়েড (৬ বলে ১২)। প্রথম একাদশে ফিরে সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বিজয় শঙ্কর (২)। তৃতীয় ওভারে তাঁকে তুলে নেন কুলদীপ সেন। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে শুভমান গিলকে (১৪ বলে ১৩) ফেরান রিয়আন পরাগ। ৭ ওভারে ৫৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাট টাইটান্স। এরপরই দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তুলে নেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। আগের ম্যাচের মতোই তিনি জ্বলে ওঠেন। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন অভিনব মনোহর। জুটি ওঠে ৮৬। যুজবেন্দ্র চাহাল এসে জুটি ভাঙেন। তাঁর বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অভিনব মনোহর। ৪টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। অভিনব আউট হলেও হার্দিকের ঝন থামাতে পারেননি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, যুজবেন্দ্র চাহালরা। ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হার্দিক। শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে ৮৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। হার্দিকের ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার ও ৪টি ছয়। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ১৪ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতের ১০ হাজারী মাইলস্টোনেও দুঃস্বপ্ন কাটল না মুম্বইয়ের

চলতি আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দুঃস্বপ্ন চলছেই। টানা ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখল না। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারল ১২ রানে। দল এখনও জয় না পেলেও টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পোঁছে গেলেন মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছতে রোহিত শর্মার দরকার ছিল ২৫ রান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কাগিসো রাবাডার তৃতীয় বল ডিপ এক্সট্রা কভারের ওপর দিয়ে গ্যালারিতে পাঠিয়ে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন রোহিত। ১৭ বলে ২৮ রান করেন রোহিত। এদিন ২৮ রান করায় টি২০ ক্রিকেটে তাঁর মোট রান হল ১০০০৩। বিরাট কোহলির রান ১০৪৯৯।মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস প্রথম জয় পেয়েছিল চেন্নাই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অবশ্য এখনও জয়ের মুখ দেখল না। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো (১৩ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৯৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই। ঝড় তুলেও চতুর্থ ওভারে ফিরে যান রোহিত শর্মা। পরের ওভারে ঈশান কিশানকে (৩) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন বৈভব আরোরা। এরপর ঝড় তোলেন বেবি এবি ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। ১০ ওভারে ১০৫/২ রানে পৌঁছে যায় মুম্বই। ওডিয়েন স্মিথের বলে ব্রেভিস ফিরতেই রানের গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। ৪টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করেন ব্রেভিস। ১ ওভার পরেই রান আউট হন তিলক ভার্মা। ২০ বলে তিনি করেন ৩৬। পরপর ব্রেভিস ও তিলক ভার্মা আউট হলেও পোলার্ড ও সূর্যকুমার যাদব মুম্বইয়ের জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। পোলার্ড (১১ বলে ১০) রান আউট হতেই চাপে পড়ে যায় মুম্বই। সূর্যকুমার ঝড় তুলে দলকে প্রথম জয় এনে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু রাবাডাকে তুলে মারতে গিয়ে লং অনে ওডিয়েন স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৩০ বলে ৪৩ রান করেন সূর্যকুমার। শেষ ওভারে উনাদকাত (৭ বলে ১২), বুমরা (০) ও টাইমল মিলসকে (০) তুলে নেন স্মিথ (৪/৩০)। মুমইয়ের ইনিংস থেমে যায় ১৮৬/৯ রানে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতদের প্রথম জয়ের সামনে বড় প্রাচীর তুলে দিলেন শিখর–মায়াঙ্ক

সবথেকে দুই সফল দলের কাছে এবারে আইপিএল অভিযান ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ৪টি ম্যাচেই টানা হারতে হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কি পারবে বুধবার চলতি আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিতে? রোহিত শর্মাদের কাছে কিন্তু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। জয়ের জন্য রোহিত শর্মাদের করতে হবে ১৯৯। টার্গেট কিন্তু যথেষ্ট কঠিন। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রমমদীপ সিংয়ের পরিবর্তে এদিন টাইমল মিলসে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় মুম্বই। যদিও ইংল্যান্ডের এই বাঁহাতি জোরে বোলার পাঞ্জাব কিংসের ওপেনারদের বিরুদ্ধে এদিন তেমন সুবিধা করতে পারেননি। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো ৎ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সুযোগ না পেয়ে নাইট রাইডার্স সম্পর্কে কী বললেন প্রাক্তন অধিনায়ক?‌

গতবছর দীনেশ কার্তিককে সরিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট আইপিএলের মাঝপথে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল ইওন মর্গানের হাতে। ব্যাটে হয়তো সেভাবে রান পাননি, কিন্তু দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন মর্গান। দলকে ফাইনালে তুললেও তাঁর যোগ্য মর্যাদা পাননি ইংল্যান্ডের সাদাবলের এই অধিনায়ক। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাংর দিকে ফিরেও তাকায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। জস বাটলার, ক্রিস জর্ডন, জনি বেয়ারস্টো, মইন আলিরা যখন আইপিএল মাতাচ্ছেন, নিজের দেশে বসে রয়েছেন ইওন মর্গান। আইপিএলের নিলামে কোনও দলে সুযোগ না পেয়েও হতাশ নন ইওন মর্গান। তাংর কোনও আক্ষেপও নেই। এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মর্গান বলেন, সত্যি কথা বলতে, আইপিএলকে আমি জয়জয় হিসেবে দেখেছিলাম। আইপিএলের মতো বিশ্বের সবথেকে বড় প্রতিযোগিতায় খেলার অভিজ্ঞতা বছরের পর বছর ধরে কাজে লাগিয়ে এসেছি। আইপিএলে আমার বেশকিছু ভাল স্মৃতি রয়েছে। খুব ভাল অভিজ্ঞতাও রয়েছে। আপাতত আমি বিশ্রামে রয়েছি। এরপর খেলা শুরু করলে আর থামতে পারব না। সেই টি২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা খেলে যেতে হবে। এই বছর আইপিএলে খেলার সুযোগ না পেলেও কোনও আক্ষেপ নেই। কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রতি কোনও অভিমান নেই। হয়তো ওদের পরিকল্পনার সঙ্গে আমি নিজেকে মানাতে পারিনি। তাই দলে রাখেনি। ওদের শুভেচ্ছা রইল। বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে খুব ভাল সময় কাটছে। ইওন মর্গানকে সাদা বলের ক্রিকেটে সবচেয়ে চতুর ক্রিকেটার হিসেবে দেখা হয়। পাশাপাশই তাঁকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সেরা অধিনায়কদের মধ্যে একজন হিসেবে গন্য করা হয়। তাঁর হাত ধরেই ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেটের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর নেতৃত্বেই ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। গত বছর আইপিএলে শেষপর্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন এবং দলকে ফাইনালে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ব্যর্থ হয়েছিলেন।দীনেশ কার্তিক, ইওন মর্গান, দুই নেতাকেই এবছর দলে রাখেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমনেন্ট। মেগা নিলাম থেকে শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়ে তাঁরা হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। চলতি আইপিএলে দলকে দারুণ নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রেয়স আয়ার। ইতিমধ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫টি ম্যাচ খেলেছে। তিনটিতে জিতেছে, ্২টিতে হেরেছে। আগের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে হারতে হয়েছে নাইট রাইডার্সকে। নাইট রাইডার্সের পরের ম্যাচ শুক্রবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে ইওন মর্গানের অভাব অনুভূত হচ্ছে না নাইট শিবিরে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

উথাপ্পা–শিবমের ব্যাটে দুঃস্বপ্ন কাটল চেন্নাইয়ের, পেল প্রথম জয়ের স্বাদ

চলতি আইপিএলে প্রথম জয় পেল চেন্নাই সুপার কিংস। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে হারাল ২৩ রানে। চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের নায়ক শিবম দুবে ও রবিন উথাপ্পা। এই দুই ব্যাটারের দাপটেই ৪ উইকেটে ২১৬ রানের বড় ইনিংস গড়ে চেন্নাই। সেই শিখরে পৌঁছতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। যদিও ফাফ ডুপ্লেসির দলের লড়াইকে কুর্ণিশ জানাতেই হবে। বড় ইনিংসের সামনে ভেঙে পড়েনি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। না হলে প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যেত। এইরকম ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন চেন্নাইয়ের ব্যাটিং। যদিও চেন্নাইয়ের শুরুটা ভাল হয়নি। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ হন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন রবিন উথাপ্পা এবং শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। জয়ের জন্য ২১৭ রান তাড়া করতে গেলে যে ধরণের শুরু করা উচিত ছিল, করতে পারেনি। তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান ডুপ্লেসি (৮)। আগের ম্যাচে রান পাওয়া অনুজ রাওয়াত (১২), বিরাট কোহলিরাও (১) ব্যর্থ। সামান্য ঝড় তোলার চেষ্টা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ বলে ২৬)। রবীন্দ্র জাদেজা এসে ম্যাক্সওয়েলের ঝড় থামিয়ে দেন। ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। শাহবাজ আমোদ (২৭ বলে ৪১), সুয়াস প্রভুদেশাই (১৮ বলে ৩৫), দীনেশ কার্তিকরা (১৪ বলে ৩৪) লড়াই জমিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯৩ রানে থেমে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ইনিংস। আইপিএলের অভিষেকে চমক দেখালেন শ্রীলঙ্কার অফ স্পিনার মহেশ থিকসানা। ৩৩ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। ৩৯ রানে ৩ উইকেট পান রবীন্দ্র জাদেজা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে হঠাৎ করে কী হল উথাপ্পা–শিবমের?‌ কেন এত তান্ডব?‌

বলতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়তে হবে। দলের এইরকম সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে জ্বলে উঠলেন রবিন উথাপ্পা ও শিবম দুবে। উথাপ্পাকে ছাপিয়ে গেলেন শিবম। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। এই দুই ব্যাটারের দাপটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে বড় রান চেন্নাই সুপার কিংসের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তুলল ২১৬। রবিন উথাপ্পা করেন ৮৮ , শিবম দুবে ৯৫। টস ভাগ্য মোটেই ভাল যাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধেও এদিন টস হারেন। টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠান ফাফ ডুপ্লেসি। ম্যাচের আগে সুনীল গাভাসকার ভবিষ্যতবানী করেছিলেন, এই উইকেটে ১৮০র বেশি রান উঠবে। বাস্তবে তাইই হল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের যা ব্যাটিং শক্তি, তাতে জিততে গেলে চেন্নাইয়ের সামনে বড় রান করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভাল হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। চলতি আইপিএল দুঃস্বপ্নের মতো কাটছে চেন্নাই সুপার কিংসের এই ওপেনারের। একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতা সত্ত্বেও তাঁর ওপর ভরসা হারায়নি চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টের সেই আস্থার মর্যাদা এদিনও দিতে পারলেন না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন ড্যাডিজ আর্মির অন্যতম সদস্য রবিন উথাপ্পা এবং তরুণ শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গতির কামাল:‌ আইপিএল-এ চমক দিয়ে জাতীয় দলের অপেক্ষায় এই কাশ্মীরি তরুণ

গতবছর আইপিএলে বলের গতি দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উমরান মালিক। চলতি আইপিএলে প্রতি ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘন্টায় ১৫০ কিমি গতিতে। প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ আইপিএলে তাঁর দ্রুততম বলটির গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.১ কিমি। যে বলটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে উমরান মালিকের হাত থেকে বেরিয়েছিল। সোমবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাকেও ছাপিয়ে গেছেন। এদিন তাঁর একটা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.৩ কিমি।উমরান মালিকের বলে গতি দেখে মু্গ্ধ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী আগেই উমরানের বলের গতির প্রশংসা করেছিলেন। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিমি মনে করছেন। উমরান মালিক খুব দ্রুতই দেশের হয়ে খেলবেন। এমনকি এই তরুণ জোরে বোলারকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন মাইকেল ভন। মাইকেল ভন টুইট করে বলেছেন, উমরান মালিক খুব শীঘ্রই ভারতের হয়ে খেলবেন। আমি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকতাম, তাহলে এই গ্রীষ্মে উমরানকে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পাঠাতাম। যাতে তার বোলিংয়ের উন্নতিতে সাহায্য করা যায়। এই মুহূর্তে আইপিএলে কমেন্ট্রি করছেন মাইকেল ভন। খুব কাছ থেকে উমরান মালিকের বোলিং দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। ভন মনে করছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় দলে জায়গা করে নেবেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলার। শুধু মাইকেল ভনই নন, এর আগেই রবি শাস্ত্রীর মুখ থেকেও একই কথা শোনা গেছে। ভারতীয় দলে হেড কোচ থাকার সময় উমরান মালিককে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন শাস্ত্রী। সেই সময় উমরান ভারতীয় দলে নেট বোলার হিসেবে ছিলেন। নেটে উমরান মালিকের বোলিং দেশে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রাখার। যাতে উমরান নিজের দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারেন।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গতি দিয়ে দারুণ নজর কেড়েছেন উমরান মালিক। তাঁর প্রথম ডেলিভারিটি ছিল একটি বিষাক্ত বাউন্সার। যা হার্দিক পান্ডিয়ার হেলমেটে ছোবল মেরেছিল। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক ম্যাচের পরে স্বীকার করেছিলেন যে, উমরানের ওই বাউন্সার তাঁকে তাতিয়ে দিয়েছিল। পরের দুটি বলে অবশ্য বাউন্ডারি মেরেছিলেন হার্দিক। দারুণ গতিতে বোলিং করলেও উমরানের সব থেকে বড় সমস্যা হল ধারাবাহিকতার অভাব। নির্দিষ্ট লেংথে বোলিং করতে পারেন না উমরান মালিক। যার ফলে তিনি অনেক বেশি রান দিয়ে ফেলেন। মালিকের ঈর্ষণীয় গতি ছাড়াও জোরে বোলার হিসেবে অনেক কিছু আছে। তাঁর শরীর আদর্শ ক্রীড়াবিদসুলভ। মসৃণ রান আপ। বোলিং অ্যাকশনও দারুণ। এসবই তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এই বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমান করেই চলেছেন উমরান মালিক।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

উইলিয়ামসনের ব্যাটে বিজয়রথ থেমে গেল হার্দিক পান্ডিয়াদের

সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে অপরাজিত ছিল গুজরাট টাইটান্স। তাদের সেই অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভেঙে দিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। গুজরাট টাইটান্সকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আগের তিনটি ম্যাচে সাররাইজার্স হায়দরাবাদের মূল সমস্যা ছিল টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। কেন উইলিয়ামসনরা একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেননি । গুটরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে অন্য ছবি। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জেতালেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৪৬ বলে তিনি ৫৭ রান করে দলের জয়ে মুখ্য ভুমিকা পালন করলেন। অন্য অপেনার অভিষেক শর্মাও এদিন দারুণ ব্যাট করেন। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এদিন টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। এগিন ভুবনেশ্বর কুমার, ওয়াশিংটন সুন্দরদের সামনে জ্বলে উঠতে পারেননি গুজরাট টাইটান্সের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। ম্যাথু ওয়েড (১৯), শুভমান গিল (৭), সাই সুদর্শন (১১), ডেভিড মিলার (১২), রাহুল তেওয়াটিয়ারা (৬)। অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার (৪২ বলে অপরাজিত ৫০) ও অভিনব মনোহরের (২১ বলে ৩৫) দায়িত্বশীল ইনিংস গুজরাট টাইটান্সকে ১৬২/৭ রানে পৌঁছে দেয়। সানরাইজার্সের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার ও টি নটরাজন ২টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও কেন উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬৪। ৩২ বলে ৪২ রান করে রশিদ খানের বলে অভিষেক ফিরে যাওয়ার পর দলকে টানেন উইলিয়ামসন। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে তিনি যখন আউট হন সানরাইজার্সের রান তখন ১৬.১ ওভারে ১২৯/২। শেষ দিকে ঝড় তুলে দলকে জয় এনে দেন নিকোলাস পুরান। ৫ বল বাকি থাকতে ১৬৮/২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন নিকোলাস পুরান। ৮ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কোহলিদের বিরুদ্ধে নামার আগে কেন আত্মবিশ্বাসী চেন্নাই সুপার কিংস?‌

আইপিএলের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি সাফল্য পেয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অথচ এই দুটি দলই এই মরশুমে এখনও একটা ম্যাচেও জয় পায়নি। টানা ৪ ম্যাচে হার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের। মঙ্গলবার রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মুখোমুখি হচ্ছে রবীন্দ্র জাদেজার দল। প্রথম জয়ের দিকে তাকিয়ে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। যদিও কাজটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য আশাবাদী। চেন্নাই শিবিরকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে তাদের পরিসংখ্যান। আইপিএল এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে চেন্নাই সুপার কিংস এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ২৯ বার মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে ১৯টি ম্যাচে জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতেছে ৯ টি ম্যাচে। একটা ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। ২০১৯ ও ২০২০ আইপিএলে দুটি দলই একটা করে ম্যাচ জিতেছিল। গতবছর অবশ্য দুটি সাক্ষাৎকারেই জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। পরিসংখ্যান চেন্নাই সুপার কিংসের দিকে থাকলেও মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরই ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে। কারণ চলতি আইপিএলে টানা ৩ ম্যাচ জিতে দারুণ ছন্দে রয়েছে ফাফ ডুপ্লেসির দল। বলতে গেলে মঙ্গলবার একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ খেলতে নামছে চেন্নাই সুপার কিংস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে হারলেই প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে যাবে রবীন্দ্র জাদেজাদের কাছে। এর আগেও যে চেন্নাই টানা ৪ ম্যাচে হারেনি, এমন নয়। ২০১০ আইপিএলেও টানা ৪ ম্যাচ হেরেছিল ধোনি ব্রিগেড। তবে সেবার প্রথম ৪ ম্যাচে হারতে হয়নি। এবছর টানা ৪ ম্যাচ হেরে দলের আত্মবিশ্বাস যে তলানিতে পৌঁছেছে, মেনে নিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। তিনি মনে করছেন, ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং, কোনও বিভাগেই ক্রিকেটাররা পরিকল্পনার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ। ব্যাটাররাও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারছেন না। বোলিংয়ে দীপক চাহারের অভাব প্রতিটা ম্যাচেই ফুটে উঠেছে। ক্রিস জর্ডন, অ্যাডাম মিলনে, শিবম দুবে, স্যান্টনাররা দলকে ভরসা দিতে পারেননি। ব্যাটিংয়েও ধারাবাহিকতার অভাব। সবথেকে বড় চিন্ত ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ফর্ম। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটিং গভীরতা অনেক বেশি। ম্যাক্সওয়েল যোগ দেওয়ায় শক্তি আরও বেড়েছে। বোলাররাও দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ফলে চেন্নাইয়ের কাছে জয় তুলে নেওয়া সম্ভব হবে না।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত!‌ ভারতীয় ক্রিকেট দলের এই ওপেনার কে নিয়ে মিমের বন্যা

তুই এই ছেলেকে পছন্দ করেছিস? যে কিনা ব্যাট করতে পারে না। প্রথম বলেই শূন্য রানে বোল্ড হয়? মুম্বই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে বসে রবিবার রাতে মেয়ে আথিয়াকে এই কথা গুলো কি আদৌও বলেছিলেন সুনীল শেট্টি? যদি বলে থাকেন অবাক হওয়ার কিছু নেই। রবিবার হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল।সুনীল শেট্টির মেয়ে আথিয়া লোকশ রাহুলের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, একথা আর কারও অজানা নেই। রবিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালস লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচ ছিল। লোকেশ রাহুল আবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক। বাবা সুনীল শেট্টিকে নিয়ে স্টেডিয়ামে এসেছিলেন আথিয়া। বয়ফ্রেন্ডের খেলা দেখাতে। আর হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই ছিটকে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়কের স্টাম্প। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই লোকেশ রাহুলের স্টাম্প ছিটকে যেতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম ছড়িয়ে পড়ে মিম। নেটিজেনদের অনেকেই মজা করে বলতে শুরু করেন, প্রথম বলে আউট হওয়ার আর দিন পেলেন না লোকেশ রাহুল! বাবাকে নিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন গালফ্রেন্ড। আর সেদিনই কিনা বেইজ্জত হল! সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা শুরু হয়। এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া ও সুনীল শেট্টি, মেয়েবাবা মিলে রাহুলকে দেখতে এলেন। আর ভাই, শূন্য রানেই আউট হয়ে গেলেন। অন্য এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া শেট্টির সামনে মানসম্মান ডুবিয়ে দিলেন লোকেস রাহুল। শ্বশুর সুনীল শেট্টি নতুন জামাই খুঁজতে বেরিয়ে গিয়েছেন। আর একজন সুনীল ও আথিয়ার ছবি পোস্ট করে লেখেন, আথিয়াকে সুুনীল বলছেন, এই তোমার বয়ফ্রেন্ড? রবিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লখনউ সুপার জায়েন্টসের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস। সেই রান তাড়া করতে নামেন রাহুল এবং কুইন্টন ডিকক। কিন্তু লখনউয়ের ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের দক্ষতার কাছে হার মানেন। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল শেষমুহূর্তে বল সুইং করে লোকেশ রাহুলের ব্যাট এবং প্যাডের মধ্যে দিয়ে স্টাম্পে আছড়ে পড়ে।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাটকীয় ম্যাচে লখনউকে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান

এক দলের সামনে ছিল জয়ে ফেরার লড়াই। অন্য দলের সামনে ছিল জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পরাজয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টস। জয়ের কাছাকাছি এসেও শেষরক্ষা করতে পারল না। লোকেশ রাহুলের দলকে ৩ রানে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান রয়্যালস।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ভাল শুরু করেছিলেন রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। আগের ম্যাচগুলিতে ব্যর্থ হওয়ায় এদিন যশস্বী জয়সওয়ালকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখে রাজস্থান টিম ম্যানেজমনেন্ট। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয় রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে। বাটলারের সঙ্গে ওপেনে পাঠানো হয় দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। বাটলার ব্যর্থ হলেও দলকে ভালোই টানছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি।রাজস্থানের ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই লখনউকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আবেশ খান। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই তুলে নেন বাটলারকে। এদিন দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ১১ বলে মাত্র ১৩ রান করে আবেশ খানের বলে তিনি বোল্ড হন। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন ওপরে উঠে এসে অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনও দলকে টানতে পারেননি। জেসন হোল্ডারের বলে তিনি এলবিডব্লুউ হন। ১২ বলে ১৩ রান করেন সঞ্জু। রাজস্থানের মিডল অর্ডারে ধস নামান অপ স্পিনার কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। একই ওভারে ৪ বলের ব্যবধানে তুলে নেন দেবদত্ত পাড়িক্কল (২৯ বলে ২৯) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (৪)। ১০ ওভারের মধ্যে ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শিমরন হেটমায়ের ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ক্রুনাল পান্ডিয়ার হাতে একবার জীবন পেয়ে শেষ দিকে রীতিমতো ঝড় তোলেন হেটমায়ের। ১টি ৪ এবং ৬টি ৬এর সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৩ বলে ২৮ রান করে অবসৃত হন অশ্বিন। নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজস্থান তোলে ১৬৫/৬। লখনউর হয়ে ৩০ রানে ২ উইকেট নেন কৃষ্ণাপ্প গৌতম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে লখনউ। ট্রেন্ট বোল্টের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি লখনউ সুপার জাযান্টসের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম বলেই তুলে নেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০)। পরের বলেই ফেরান কৃষণাপ্পা গৌতমকে (০)। চতুর্থ ওভারে জেসন হোল্ডারকে (৮) তুলে নিয়ে লখনউকে আইসিইউ-তে পাঠিয়ে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ১৪ রানে ৩ উইকেট হারায় লখনউ। এরপর দলকে টানছিলেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। ২৪ বলে ২৫ রান করে কুলদীপ সেনের বলে আউট হন হুডা। আয়ুষ বাদোনি করেন ৫। কুইন্টন ডিকক (৩২ বলে ৩৯), ক্রুনাল পান্ডিয়াদের (২২) জ্বলে উঠতে দেননি যুজবেন্দ্র চাহাল (৪/৩৫)। চামারা করেন ১৩। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৫ রান দরকার ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। কুলদীপ সেনের ওভারে ১১ রান ওঠে। ১৬২/৮ রানে থেমে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৭ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন স্টইনিস।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এবারের আইপিএলে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। চতুর্থ ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হল ৮ উইকেটে। দলকে এখনও জেতাতে না পারলেও এদিন নজির গড়ল চেন্নাই সুপার কিংস। নাম তুলে ফেললেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নাদের তালিকায়। প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে, জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সি গায়ে ১৫০ তম ম্যাচ খেলে ফেললেন রবীন্দ্র জাদেজা। রবীন্দ্র জাদেজা হলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নার পর চেন্নাই সুপার কিংসের তৃতীয় ক্রিকেটার যিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছলেন।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি খেলেছেন ২১৭টি ম্যাচ। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ২০০ ম্যাচ। আর রবীন্দ্র জাদেজা খেললেন ১৫০ ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ডোয়েন ব্রাভো। তিনি খেলেছেন ১২৩টি ম্যাচ। রবিচন্দ্রন অশ্বিন খেলেছেন ১২১ ম্যাচ। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ১৫০ ম্যাচে রবীন্দ্র জাদেজার রান ১৫৪৬। উইকেট নিয়েছেন ১১০টি। ক্যাচ ধরেছেন ৬৯টি।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে একের পর এক মাইলস্টোন করে চললেও চলতি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রবীন্দ্র জাদেজা। টানা ৪ ম্যাচে হারতে হয়েছে। চেন্নাই সমর্থকরা আশা করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হয়তো দল ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু ব্যাটাররা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাটিং করে ১৫৪/৭ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৭.৪ ওভারে দুই উইকেটের বিনিময়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবছর আইপিএলের আগে অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়। নতুন অধিনায়কের দায়িত্বে এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বঞ্চনার মোক্ষম জবাব, নাইট রাইডার্সকে তছনছ করে দিলেন এই স্পিনার

যাবতীয় বঞ্চনার জবাব। পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন কুলদীপ যাদব। তাঁর দাপটেই টানা ২ ম্যাচ হারের পর জয়ে ফিরল দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইট রাইডার্সকে হারাল ৪৪ রানে। ৩৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেন কুলদীপ। টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। শুরু থেকেই ঝড় তুলে উমেশ যাদব, রসিক সালাম দার, প্যাট কামিন্সদের ছন্দ নষ্ট করে দেন দিল্লির দুই ওপেনার। ৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ হয়ে যায় দিল্লির। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৬৮। চলতি আইপিএলে এটা তৃতীয় সর্বোচ্চ। সবথেকে বেশি তুলেছে চেন্নাই সুপার কিংস (৭৩/১) লখনউর বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঞ্জাব কিংসের (৭২/২)। পাঞ্জাব তুলেছিল চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে। সবকটিই মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে। ওয়ার্নারের তুলনায় পৃথ্বী শ বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। ২৭ বলে তিনি হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন পৃথ্বী। নাইটদের বিরদ্ধে আগের ৫ ইনিংসে তাঁর রান ৮২,৬৬,১৪,৯৯,৬২।নাইট রাইডার্সকে ব্রেক থ্রু এনে দেন বরুণ চক্রবর্তী। নবম ওভারের চতুর্থ বলে তাঁর গুগলিতে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন পৃথ্বী (২৯ বলে ৫১)। পৃথ্বীর ইনিংসে রয়েছে ৭টা ৪ এবং ২টি ৬। ৯.৫ ওভারে ১০০ রান পূর্ণ হয় দিল্লির। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে তিন নম্বরে উঠিয়ে নিয়ে এসেছিলেন ঋষভ পন্থ। দারুণ শুরুও করেছিলেন। ১৪ বলে ২৭ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে উমেশ যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ঋষভ আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন ললিত যাদব (১)। তিনি সুনীল নারাইনের বলে এলবিডব্লু হন। নারাইনকে তুলে মারতে গিয়ে পরিবর্ত ফিল্ডার রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রভম্যান পাওয়েল (৮)। ৪৫ বলে ৬১ রান করে উমেশ যাদবের বলে ফিরে যান ওয়ার্নার। পরপর ৪ উইকেট হারিয়ে রান তোলার গতি অনেকটাই কমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালসের।পরের দিকে ঝড় তোলেন অক্ষর প্যাটেল (১৪ বলে অপরাজিত ২২) ও শার্দুল ঠাকুর (১১ বলে অপরাজিত ২৯)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২১৫/৫ তোলে দিল্লি। সুনীল নারাইন ২১ রানে ২ উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে দেন ৫৮। তুলে নেন ১ উইকেট। জয়ের জন্য ২১৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। ৩৮ রানের মধ্যে ফিরে যান দুই ওপেনার ভেঙ্কটেশ আয়ার ও অজিঙ্কা রাহানে। এদিন শুরুটা ভাল করেছিলেন ভেঙ্কটেশ। ৮ বলে ১৮ রান করে তিনি খলিল আহমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।এদিনও ব্যর্থ রাহানে। ১৪ বলে মাত্র ৮ রান করে খলিল আহমেদের বলে শার্দুল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আনরিখ নোখিয়ার পরিবর্তে এদিন খলিল আহমেদকে খেলায় দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। সুযোগের দারুন সদব্যবহার করেন খলিল। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নাইট রাইডার্সকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ রানা ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। জুটিতে ওঠে ৬৯ রান। নীতিশকে (২০ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ললিত যাদব।পুরনো দলের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সকে দারুন টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন শ্রেয়স। এগিয়ে এসে কুলদীপকে মারতে গিয়ে স্টাম্পড হন তিনি। ৩৩ বলে ৫৪ করেন শ্রেয়স। শ্রেয়স আয়ার আউট হওয়ার পরপরই ধস নামে নাইট রাইডার্স ইনিংসে। পরপর ফিরে যান সাম বিলিংস (১৫), প্যাট কামিন্স (৪), সুনীল নারাইন (৪), উমেশ যাদব (০)। দলের ষষ্ঠদশ ও নিজের চতুর্থ ওভারে কামিন্স, নারাইন ও উমেশকে ফেরান কুলদীপ। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নাইট রাইডার্সের মেরুদন্ড ভেঙে দেন। আন্দ্রে রাসেল ২১ বলে করেন ২৪। ১৯.৪ ওভারে ১৭১ রানে গুটিয়ে যায় নাইট রাইডার্সের ইনিংস।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লির বিরুদ্ধে নামার আগে আজ কী নিয়ে চিন্তা নাইট রাইডার্সের?‌

আজ আইপিএলে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিন ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তা টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। প্রথম ম্যাচে রান চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩৪ বলে করেছিলেন ৪৪ রান করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। পরের ৩ ম্যাচে তাংর ব্যাটে রান নেই। নীতিশ রানাও রান পাচ্ছেন না। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার, আন্দ্রে রাসেলদের ব্যাটেও ধারাবাহিকতার অভাব। প্রথম তিন ম্যাচে রান না পাওয়া ভেঙ্কটেশ আয়ার আগের ম্যাচে রানে ফিরেছেন। সুতরাং ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় থাকতে হচ্ছে নাইট রাইডার্সকে। বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যাটারদের নিয়ে। মিডল অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে অবশ্য খুব একটা সমস্যা নেই। তাঁদের জন্যই জয় ছিনিয়ে নিতে পারছে। ইতিমধ্যেই নাইট শিবিরে যোগ দিয়েছেন ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ। দলের সঙ্গে যোগ দিলেই রবিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না। এখনও তাঁর কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়নি। তাই অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা করতে পারছে না নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চের কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়ে গেলে রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্যাম বিলিংসকে বসিয়ে খেলানো হবে শেলডন জ্যাকসনকে। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে পরিবর্তন হতে পারে। নীতিশ রানার পরিবর্তে রিঙ্কু সিংকে খেলানোর চিন্তাভাবনা করছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ আগের ৪টি ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি নীতিশ রানা। নেটে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরছেন রিঙ্কু। ব্যাটিং বিভাগে এছাড়া আর পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।নাইট রাইডার্সের তিনটি ম্যাচে জয়ের পেছনে বোলারদেরই অবদান বেশি। বিশেষ করে উমেশ যাদবের কথা বলতে হবে। ৪ ম্যাচে ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন ৯ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। উইকেট না পেলেও প্রথম ম্যাচে নজর কেড়েছেন রসিক সালাম দার। আগের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছে। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়েছিলেন। এছাড়া সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীরাও দলকে নির্ভরতা দিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ৪ মাচে হার!‌ চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই জমছে মুম্বইয়ের

এখনও পর্যন্ত আইপিএলে জয় অধরা চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। দুটি দলই ৪টি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। অথচ জয় নেই। চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই দারুণ জমে উঠেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের।সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে সাফল্য নেই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। এবছর আইপিলেও তার ব্যাতিক্রম নেই। গত বছর বিরাট কোহলিদের কাছে দুটি সাক্ষাৎকারেই হারতে হয়েছিল রোহিত শর্মাদের। এবছর প্রথম সাক্ষাৎকারেও হার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে চলতি আইপিএলে জয়ের হ্যাটট্রিক সেরে ফেলল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের নায়ক অনুজ রাওয়াত ও বিরাট কোহলি। ২ রানের জন্য কোহলি হাফ সেঞ্চুরি না পেলেও দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি করেন তরুণ অনুজ রাওয়াত।এদিন টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও ঈশান কিষান। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫০। রোহিত শর্মাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন হর্ষাল প্যাটেল। ১৫ বলে ২৬ রান করে হর্ষালের হাতেই ক্যাচ দেন রোহিত। ২ ওভার পরেই ডিওয়ালড ব্রেভিসকে (৮) তুলে নেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। এরপরি ধস নামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ইনিংসে। ৭৬ রানে ৬ উইকেট হারায়। তিলক ভার্মা (০), কিয়েরন পোলার্ড (০), রমনদীপ সিংরা (৬) ব্যর্থ। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শেষ পর্যন্ত ১৫১ রানে পৌঁছয় সূর্যকুমার যাদবের দাপটে। সূর্যকুমার চলতি আইপিএলের টানা দ্বিতীয় অর্ধশতরান পূর্ণ করে ৩৭ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন। জয়দেব উনাদকাত ১৪ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। হর্ষল প্যাটেল ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২টি করে উইকেট দখল করেন।জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরও দারুণ গতিতে রান তুলতে পারছিল না। অনুজ রাওয়াত ও অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসির ওপেনিং জুটিতে রানের গড় ছিল ৬.১২। নবম ওভারের প্রথম বলে ফাফ ডুপ্লেসিকে প্যাভিলিয়নে ফেরান জয়দেব উনাদকাট। ২৪ বলে ১৬ রান করে আউট হন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক। দলের রান তখন ৫০। ডুপ্লেসি আউট হওয়ার পর বিরাট কোহলি ক্রিজে নামতেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের রান তোলার গতি বাড়তে থাকে। অনুজ রাওয়াত ও বিরাট কোহলির জুটিতে ভর করেই ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ৩৮ বলে আইপিএলে জীবনের প্রথম অর্ধশতরান পূর্ণ করেন দিল্লির উইকেটকিপারব্যাটার অনুজ রাওয়াত। বিরাট কোহলিও চেনা ছন্দে ব্যাটিং শুরু করায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাজ কঠিন হয়ে যায়। দুজনের জুটিতে ৫২ বলে ওঠে ৮০ রান। ২টি চার ও ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৪৭ বলে ৬৬ রান করে রান আউট হন অনুজ রাওয়াত। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে আউট হন কোহলি। শেষ পর্যন্ত ৯ বল বাকি থাকতে ১৫২/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌টানা ৪ ম্যাচে হার ধোনিদের!‌ দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্সের

আইপিএলে দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিল কেন উইলিয়ামসের দল। ৪ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই সুপার কিংস। টানা চারটিতেই হার। সত্যিই গতবারের চ্যাম্পিয়নদের কী হাল। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। আগের তিনটি ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। হারের হ্যাটট্রিক করা চেন্নাইকে খাদের কিনারা থেকে তুলে নিয়ে আসার জন্য ব্যাটারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল। কিন্তু ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন উথাপ্পারা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবার ৪ ম্যাচ হয়ে গেল, ঋতুরাজের ব্যাটে বড় রান নেই। এদিন ১৩ বলে ১৬ রান করে টি নজরাজনের বলে বোল্ড হন। তার আগেই রবিন উথাপ্পাকে তুলে নিয়ে চেন্নাইকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। এরপর মইন আলি ও অম্বাতি রায়ডু চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে গেলেও সানরাইজার্স বোলারদের ওপর সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। ২৭ বলে ২৭ রান করে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অম্বাতি রায়ডু। ৩৫ বলে ৪৮ রান করেন মইন। তিনি মার্করামের শিকার। শিবম দুবে (৩), ধোনিরা (৩) ব্যর্থ। ১৫ বলে ২৩ রান করেন রবীন্দ্র জাদেজা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৪/৭ তোলে চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্টেরও চিন্তা ছিল ব্যাটারদের ফর্ম। বিশেষ করে টপ অর্ডার একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেনি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে অবশ্য ছবিটা বদলে গেল। দুর্দান্ত শুরু করেন দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ১২ ওভারে ওঠে ৮৯। এরপর মুকেশ চৌধুরির বলে আউট হন উইলিয়ামসন। ৪০ বলে তিনি করেন ৩২। উইলিয়ামসন আউট হওয়ার পর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। দুর্দান্ত ব্যাট করেন অভিষেক। ৫০ বলে ৭৫ রান করে তিনি ডোয়েন ব্রাভোর বলে আউট হন। ১৫ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল ত্রিপাঠী। ১৭.৪ ওভারে ১৫৫/২ রান তুলে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় হাসিল করে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‘‌শচীনকে আউট করতে কে বলেছে?‌’ শোয়েবকে কেন বলেছিলেন সৌরভ?‌

২০০৮ আইপিএলে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হাইভোল্টেজের ম্যাচ ছিল। এমনিতেই নাইট রাইডার্স ও মুম্বইয়ের ম্যাচে চরম উত্তেজনা থাকে। ওই ম্যাচ আবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে হচ্ছিল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। অন্যদিকে বিপক্ষে ছিলেন শচীন তেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেটার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছিলেন নাইট রাইডার্সের শোয়েব আখতার। আর শচীনকে আউট করার পর সৌরভ গাঙ্গুলি শোয়েবকে বলেছিলেন,শচীনকে আউট করতে কে বলেছে? প্রথমে ব্যাট করে কলতাতা নাইট রাইডার্স ১৫.২ ওভারে মাত্র ৬৭ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন শন পোলক। ১২ রানে তুলে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। ডোয়েন ব্র্যাভো, রোহন রাজে ও ডমিনিক থর্নলে ২টি করে উইকেট নেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট করতে নামলে প্রথম ওভারেই শূন্য রানে শচীন তেন্ডুলকারকে তুলে নেন শোয়েব আখতার। শচীনকে আউট করার পর তাঁর সামনে চিরাচরিত ভঙ্গীতে উচ্ছাসও প্রকাশ করেন। এরপর বাউন্ডারির ধারে ফিল্ডিং করতে যান শোয়েব আখতার। বাইন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকরা শোয়েবকে কটূক্তি করতে থাকে। বিরক্ত হয়ে শোয়েব এসে অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির কাছে অভিযোগ জানান। সৌরভ বাধ্য হয়ে শোয়েব আখতারের ফিল্ডিংয়ের জায়গা পরিবর্তন করেন।সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে শোয়েব আখতার বলেছেন, ওই ম্যাচটা ছিল শচীনের সঙ্গে আমার লড়াই। স্টেডিয়ামে শাহরুখ খানও ছিলেন। শাহরুখ ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জন্য গোটা স্টেডিয়াম ঠাসা ছিল। ম্যাচের আগে শচীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডাও দিয়েছিলাম। শচীন এবং আমি দুজনই একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম ওভারেই আমি শচীনকে আউট করেছিলাম। সেটা খুব ভুল হয়েছিল। শচীনকে আউট করার পর আমি ফাইন লেগে ফিল্ডিং করতে যাই। ফাইন লেগে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের কটূক্তি শুনতে হয়। তখন সৌরভ আমাকে বলেছিল, ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে। মিড উইকেটে চলে এস। তোমাকে কে বলেছে শচীনকে আউট করতে? তাও আবার সেটা মুম্বইতে? শোয়েব আখতার ওই সময় ভেবেছিলেন, তিনি আর হয়তো ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলতে পারবেন না। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। মুম্বইয়ের ভালবাসায় পরে মুগ্ধ হয়েছিলেন শোয়েব আখতার। তিনি বলেন, আমি মুম্বাইয়ে অনেক ম্যাচ খেলেছি। অনেক ভালবাসা পেয়েছি। ওয়াংখেড়েতে আমার দেশকে কেউ গালি দেয়নি। কেউ বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেনি। ওয়াংখেড়েতে আরও ম্যাচ খেলতে পারলে ভাল লাগত। ক্রিকেটজীবনে ৯ বার শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছেন শোয়েব আখতার। কিন্তু এর মধ্যে ওই একবারই শচীনকে আউট করে তাঁর মনে হয়েছিল ভুল করে ফেলেছিলেন। ২০০৮ আইপিএলেই শেষ বার শচীনকে আউট করেছিলেন শোয়েব আখতার।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ব্যর্থওয়ার্নার, লখনউকে জেতালেন দিল্লিরই এক প্রাক্তন

গত বছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় সানরাইজার্স। নিলাম থেকে তাঁকে ৬.২৫ কোটি টাকায় কেনে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০১২ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছিলেন ওয়ার্নার। ৯ বছর পর পুরনো দলে ফিরেও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। ওয়ার্নারের ব্যর্থতার দিনে জয়ে ফেরা হল না দিল্লি ক্যাপিটালসের। এবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে হার ৬ উইকেটে। দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রাক্তনী কুইন্টন ডিককের দুরন্ত ব্যাটিংই জেতাল লখনউ সুপার জায়ান্টকে। এদিন শুরুটা ভাল করেও বড় রান করতে ব্যর্থ দিল্লি ক্যাপিটালস। মূলত পৃথ্বী শ, ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খানের সৌজন্যে ১৪৯/৩ তোলে। জয়ের জন্য ১৫০ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে। শুরুটাও দুর্দান্ত হয়েছিল। ওপেনিং জুটিতে ৭৩ তুলে ফেলে লখনউ সুপার জায়ান্টস। কুইন্টন ডিকক আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করতে থাকায় অ্যাঙ্করের ভুমিকা পালন করেন লোকেশ রাহুল। দশম ওভারের চতুর্থ বলে জুটি ভাঙেন কুলদীপ যাদব। তাঁকে তুলে মারতে গিয়ে লং অফে পৃথ্বী শর হাতে ক্যাচ দেন লোকেশ রাহুল। ২৫ বলে তিনি করেন ২৪। দু ওভার পরেই এভিন লুইসকে (৫) তুলে নেন ললিত যাদব। ১২.৩ ওভারে লখনউর রান দাঁড়ায় ৮৬/২।এরপর লখনউকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক। ৫২ বলে ৮০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি কুলদীপ যাদবের বলে সরফরাজ খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৯টি ৪ ও ২টি ৬ মারেন ডিকক। শেষ ওভারে লখনউর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৫ রান। প্রথম বলেই দীপক হুডাকে (১৩ বলে ১১) তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দেন শার্দূল ঠাকুর। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। দ্বিতীয় বলে আয়ুষ বাদোনি কোন রান করতে না পারলেও তৃতীয় বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্কোর সমান সমান করেন। চতুর্থ বলে ৬ মেরে দলকে জয় এনে দেন আয়ুষ বাদোনি (৩ বলে অপরাজিত ১০)। ১৪ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রূণাল পান্ডিয়া।জয়ের সরণিতে ফিরতে রোমারিও শেফার্ডের পরিবর্তে ডেভিড ওয়ার্নারের ওপর ভরসা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ এই অসি তারকা। প্রতিটা ম্যাচেই রাতের দিকে শিশির সমস্যায় ফেলছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। পৃথ্বী শর সৌজন্যে দারুণ শুরু করেছিল দিল্লি। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালস তোলে ৫২/০।অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ওভারের প্রথম দুটি বলে ৬ ও ৪ মেরেছিলেন পৃথ্বী। পরের বলে কাট করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে জমা দেন। ৯টি চার ও ২টি ছক্কার ৩৪ বলে ৬১ রান করে আউট হন পৃথ্বী। গতমরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সি গায়ে মরশুমের প্রথম ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। লখনৌ সুপার জায়ান্টের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন। রবি বিষ্ণোইয়ের অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে আয়ুষ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১২ বলে মাত্র ৪ রান করেন ওয়ার্নার। দুই স্পিনার রবি বিষ্ণোই ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের আঁটোসাটো বোলিং চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। রান তোলার গতি মন্থর হয়ে গিয়েছিল। ডট বলের সংখ্যাও বাড়ছিল। চাপ কাটাতে গিয়েই আউট রভম্যান পাওয়েল। হতাশ হতে তিনি স্লগ সুইপে বিষ্ণোইকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন পাওয়েল। ১১ ওভারের মধ্যেই ৭৪ রানে ৩ উইকেট হারায় দিল্লি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খান। জুটি ওঠে ৭৩। এই জুটিই দিল্লিকে ১৪৯/৩ রানে পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে তোলে দিল্লি। ৩৬ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ২৮ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ। রবি বিষ্ণোই ২২ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দিল্লির হয়ে প্রত্যাবর্তন ম্যাচে এ কী হাল ডেভিড ওয়ার্নারের!‌

আইপিএলের দিল্লির জার্সি গায়ে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না ডেভিড ওয়ার্নার। গত মরশুমের মতো এবছরের শুরুতেও আইপিএলে রানের জন্য সেই লড়াই এই অসি তারকার। বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টাসের বিরুদ্ধে ১০ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হলেন। গত বছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় সানরাইজার্স। নিলাম থেকে তাঁকে ৬.২৫ কোটি টাকায় কেনে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০১২ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছিলেন ওয়ার্নার। ৯ বছর পর পুরনো দলে ফিরেও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। জয়ের সরণিতে ফিরতে রোমারিও শেফার্ডের পরিবর্তে ডেভিড ওয়ার্নারের ওপর ভরসা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ এই অসি তারকা। পৃথ্বী শ, সরফরাজ খান ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সৌজন্যে লখনউ সুপার জায়ান্টের বিরুদ্ধে মান বাঁচাল দিল্লি ক্যাপিটালস। মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে তুলল ১৪৯/৩। প্রতিটা ম্যাচেই রাতের দিকে শিশির সমস্যায় ফেলছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। পৃথ্বী শর সৌজন্যে দারুণ শুরু করেছিল দিল্লি। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালস তোলে ৫২/০। আগের ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন আবেশ খান। ম্যাচের সেরাও ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম ওভারে দেন ১৩। জেসন হোল্ডারও ভাল শুরু করতে পারেননি। ৩০ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন পৃথ্বী শ। পাওয়ার প্লের ফিল্ডিং নিষেধাজ্ঞার সুযোগ দারুণ কাজে লাগান। পৃথ্বী ঝড় তোলায় শুরুর দিকে আক্রমণের রাস্তায় যাননি ৯ বছর পর দিল্লির জার্সি গায়ে আবার খেলতে নামা ডেভিড ওয়ার্নার। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ওভারের প্রথম দুটি বলে ৬ ও ৪ মেরেছিলেন পৃথ্বী। পরের বলে কাট করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে জমা দেন। ৯টি চার ও ২টি ছক্কার ৩৪ বলে ৬১ রান করে আউট হন পৃথ্বী। গতমরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সি গায়ে মরশুমের প্রথম ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। লখনৌ সুপার জায়ান্টের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন। রবি বিষ্ণোইয়ের অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে আয়ুষ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১২ বলে মাত্র ৪ রান করেন ওয়ার্নার। দুই স্পিনার রবি বিষ্ণোই ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের আঁটোসাটো বোলিং চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। রান তোলার গতি মন্থর হয়ে গিয়েছিল। ডট বলের সংখ্যাও বাড়ছিল। চাপ কাটাতে গিয়েই আউট রভম্যান পাওয়েল। হতাশ হতে তিনি স্লগ সুইপে বিষ্ণোইকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন পাওয়েল। ১১ ওভারের মধ্যেই ৭৪ রানে ৩ উইকেট হারায় দিল্লি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খান। জুটি ওঠে ৭৩। এই জুটিই দিল্লিকে ১৪৯/৩ রানে পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে তোলে দিল্লি। ৩৬ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ২৮ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ। রবি বিষ্ণোই ২২ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

‘কোনও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না', জন্মদিনে মোদীর গ্যারান্টিতে উচ্ছ্বাস মহিলাদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলায় পালিত হল অন্নপূর্ণা দিবস। এই উপলক্ষে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১.৫৮ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য মহিলা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এদিন কলকাতার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তির টাকা ১.৫৮ কোটি উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেও বৃহস্পতিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন, বার্তা মোদিরঅনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গত ১২ বছরে রাজ্যের মানুষের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো তাঁদের কাছে পৌঁছত না। আগের তৃণমূল সরকারের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন দরিদ্র পরিবারগুলি। তবে বর্তমানে বিজেপি সরকার আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।মোদির কথায়, বাংলার মহিলাদের হাতে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, তেমনই এগিয়ে যাওয়ার সাহসও থাকা দরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে অন্নপূর্ণা যোজনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনও মায়ের কাছে এই ৩ হাজার টাকা সন্তানের পড়াশোনার খরচ হতে পারে। কোনও বোনের কাছে তা ওষুধ কেনা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার কাজে লাগতে পারে। পরিবারের ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি মহিলারা সংসারের একাধিক দায়িত্ব সামলান। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চিন্তা কমলে তাঁদের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মা, বোন ও মেয়েদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের জীবনে নতুন শক্তি যোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই প্রকল্পে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা কাটমানি নেই বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, একজন যোগ্য মহিলাও যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরন্তর কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির ঘোষণাএদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলায় এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পের আওতায় তৈরি হতে চলা সমস্ত নতুন বাড়ির মালিকানা থাকবে মহিলাদের হাতে।মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে কমিশন গঠনের দাবি মুখ্যমন্ত্রীররাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধ ও অত্যাচারের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, গত চার মাসে রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।রাজ্যের কোনও মহিলাকে যাতে অত্যাচারের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, নেশামুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগরাজ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরী মাতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তাঁর সরকারের আমলে ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও মেয়ের বিয়ে হতে দেওয়া হবে না। যাঁরা এই ধরনের বিয়ে দিয়েছেন বা বিয়েতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রদীপের আলোয় তৈরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি! মোদীর জন্মদিনে বাংলার বুকে এলাহি আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ পুরুলিয়ায়। এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হল। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে পুরুলিয়া ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।প্রায় ২,৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বিশাল প্রতিকৃতি। ঝাড়খণ্ডের ১১ জন শিল্পী তিন দিন ধরে পরিশ্রম করে বিভিন্ন রঙের এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। প্রদীপ দিয়ে তৈরি এই প্রতিকৃতি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।শিল্পী সুজয় কুমার জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের বোকারো, গিরিডি ও হাজারিবাগের ১১ জন শিল্পী এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত বিভিন্ন উপকরণ কিংবা বর্জ্য সামগ্রী ব্যবহার করে মোজাইক শিল্প তৈরি করা হয়। তবে এবার প্রায় এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পুরুলিয়ায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এ বছর পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। সেবা সংকল্প অভিযান-এর অধীনে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি ঘিরে পুরুলিয়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দায়িত্ব বাড়লেও বদলায়নি শিকড়ের টান! ১৫০ বছরের মনসা মেলায় পুতুলের দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা

বিধায়ক হয়েছেন, বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি আর পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুরনো ঐতিহ্য আজও অমলিন। বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মনসা পুজোর মেলায় পরিবারের সঙ্গে পুতুলের দোকানে বসে সেই কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলাতে দেখা গেল তাঁকে।বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাছে এই মেলা শুধুমাত্র পুজো বা উৎসবের জায়গা নয়। তাঁর শৈশবের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মেলার সঙ্গে। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে দেউচা রঘুনাথপুরের এই মেলায় আসতেন তিনি। মেলায় তাঁর বাবা দোকান বসাতেন। বাবার সঙ্গে সেই দোকানে বসে খদ্দের সামলানো, মেলার ভিড় দেখা সবই ছিল তাঁর ছোটবেলার পরিচিত অভিজ্ঞতা।সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন। শৈশবের সেই দিনগুলি পেরিয়ে বর্তমানে সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। বেড়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বও। তবে সেই পরিবর্তনের মধ্যেও পুরনো মেলার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন তিনি।এবার মনসা পুজো উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় ফিরে পুতুলের দোকানে বসেন বিধায়ক। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলানোর সময় তাঁকে দেখতে ভিড় জমান মেলায় আসা মানুষজন। কেউ দূর থেকে তাঁকে দেখেন, আবার কেউ এগিয়ে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে পরিবারের সঙ্গে তাঁর এই উপস্থিতি নজর কাড়ে স্থানীয়দের।কৃষ্ণকান্ত সাহার বক্তব্য, দায়িত্ব ও পদ একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু শিকড় এবং শৈশবের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলি এখনও তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই মেলায় পরিবারের দোকান আর শৈশবের স্মৃতি যেন ফের একসূত্রে বাঁধল বিধায়ককে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরেও পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের জন্য মোদীর বড় বার্তা! বললেন, ‘আপনাদের ভরসাই আমার শক্তি’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। বাংলার মা-বোনেরা তাঁকে যে ভাবে ভালবাসা ও ভরসা দিয়েছেন, সেই কথাই নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বাংলার মহিলাদের ভরসা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মা-বোনেরা সবসময় তাঁকে ভালবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মীয়তার অনুভূতি তাঁকে সবসময় শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার মহিলাদের ভরসাই তাঁর শক্তি। পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলার মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাও উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কর্মসূচি রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৩ হাজার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বার প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসারে মহিলাদের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। পরিবারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনও রয়েছে। হাতে কিছু অর্থ থাকলে জরুরি খরচ নিয়ে তাঁদের চিন্তা কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি কাজ করা এবং কম কথা বলা। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের পরিশ্রম ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প নিয়েও বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। কলকাতায় এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত কারিগর ও শিল্পীরা প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম কেনার সহায়তা এবং ঋণের সুবিধা পেতে পারেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য উপভোক্তাদের প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং পরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রয়েছে। ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ।ফলে মোদীর জন্মদিনে বাংলায় একদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা, অন্য দিকে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বর্ষপূর্তিদুই কর্মসূচিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা এবং কারিগরদের জন্য প্রকল্পের সুবিধা ঘিরে এ দিন রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের অর্থসাহায্য এবং বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কর্মসূচিদুই ক্ষেত্রেই সরকারি ঘোষণাই এখন মূল বিষয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পথ খরচ নিতে গিয়েই ফাঁদে! চার দশক পর কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেতা আকাশ

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ওরফে তিমির ওরফে মনোজকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে পটাশপুর এলাকার কোনও একটি জায়গা থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, এক পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পথ খরচ নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্সের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁর কাছ থেকে দুটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই ব্যাগে মাওবাদী সংগঠনের বই, পুস্তিকা এবং কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ফুলচক এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ছাত্রজীবন থেকেই অতি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে তিনি পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। সারেঙ্গা, গোয়ালতোড়-সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের কাজ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার গুড়াবান্দা এলাকাতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ।২০০৪ সালে সিপিআই মাওবাদী সংগঠন তৈরি হওয়ার পর জঙ্গলমহলে ফিরে সক্রিয় ভাবে সংগঠনের কাজ শুরু করেন অসীম। লালগড় আন্দোলনের সময়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কিষানজির মৃত্যুর পর মাওবাদী সংগঠনে তাঁর সক্রিয়তা আগের মতো ছিল না বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর জঙ্গলমহল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেন আকাশ। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর ফের বাংলায় আসার চেষ্টা করেন তিনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পুলিশের অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের কয়েক জন সদস্য গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক জন আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়। এরপর বাংলার মাওবাদী সংগঠনের সশস্ত্র কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে বলে তদন্তকারীদের দাবি।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আকাশ দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকার পর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোমরের ব্যথার কারণে প্রায় চার দশক পর তিনি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। জঙ্গলে একটি একে-৪৭ এবং কিছু নথিপত্র রেখে তিনি গাড়িতে করে বাইরে বেরিয়েছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।এর পর আরও কয়েক জন মাওবাদী সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ আত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। বরং কিছুদিন বাইরে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের জঙ্গলমহলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, আত্মগোপনের জন্য পরিচিত এবং আত্মীয়দের কয়েক জনের কাছে আশ্রয় নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আকাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্দেহ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। কখনও জায়গা বদল, কখনও ছদ্মবেশসব রকম ভাবে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর কাছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ ছিল বলেও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে।আকাশের স্ত্রীও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তিনিও মাওবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।আকাশের গ্রেপ্তারের পর বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় মাওবাদী দমনে যুক্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এক মাওবাদী নেতার গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি থেকে সংগঠনের বর্তমান বা অতীত কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর ফের খুলবে মহাকরণের দরজা? মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষের পথে

পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনের ঠিকানায় বড় বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ফের মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক জন আমলার জন্যও ঘর তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর আগেই মহাকরণে প্রশাসনিক কাজকর্মের একটি বড় অংশ শুরু হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।মহাকরণে সংস্কারের কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। সূত্রের খবর, বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর এবং আরও পাঁচ মন্ত্রীর ঘর প্রস্তুত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দারের জন্য মহাকরণে ঘর তৈরির কাজ চলছে। মহাকরণের তৃতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।শুধু মন্ত্রীদের ঘর নয়, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও মহাকরণে জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফের ঐতিহ্যবাহী এই ভবন থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মহাকরণ সংস্কারের সামগ্রিক দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং কী ভাবে সংস্কারের কাজ এগোবে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।মহাকরণের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক দফতর মহাকরণ থেকে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই ঐতিহাসিক ভবনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েই সেই সময় প্রশাসনের মূল কেন্দ্র সরানো হয়েছিল।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকরণ সংস্কারের কাজ চললেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৩ বছর পরেও সংস্কারের একটি বড় অংশ অসম্পূর্ণ রয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহাকরণকে ফের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর থেকেই মহাকরণে তাঁর জন্য ঘর তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল।এখন সেই প্রস্তুতিতেই আরও গতি এসেছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘরগুলির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, পুজোর আগেই কি নবান্নের বদলে মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী ও আমলাদের ঘর তৈরির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বহু বছর পর ফের মহাকরণে রাজ্য প্রশাসনের ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal