• ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : হাবাসের পর এবার দিয়াজ?‌ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচের আসন যথেষ্ট টলমল

স্বপ্ন দেখতেই ভুলে গেছেন লালহলুদ সমর্থকরা। গত বছর আইএসএলে ব্যর্থতা। এবছরও সাফল্য পাওয়ার আশা নেই। শেষ স্থান পাওয়ার জন্য দারুণ লড়ছে। ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয় আসেনি। ৪ ম্যাচে হার, ৩টি ড্র। লিগ টেবিলে রয়েছে ১১ নম্বরে। টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে সদস্যসমর্থকদের মধ্যে হতাশা বেড়েই চলেছে। কোচ মানেলো দিয়াজের ওপর বিরক্ত কর্তারা। তাঁর ওপর চাপ বাড়ছে। ব্যর্থতার জন্য শনিবারই দায়িত্ব ছেড়েছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। এবার কি লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজের পালা? হাবাস পদত্যাগ করার পর তাঁকে সরানোর দাবি জোরালো হচ্ছে।এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস তো ফুটবলারদের ওপর তবুও ভরসা রেখেছিলেন। খারাপ পারফরমেন্স হলেও কখনও বিরূপ মন্তব্য করেননি। এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজের তো ফুটবলারদের দক্ষতার ওপর কোনও আস্থাই নেই। প্রত্যেক ম্যাচের পরই একই কথা বলে চলেছেন, ফুটবলারদের এর বেশি দক্ষতা নেই। জিততে গেলে এইরকম পারফরমেন্স করলে হবে না। আরও উন্নতি করতে হবে। মুখে উন্নতির কথা বললেও তার রাস্তা খুঁজে বার করতে পারছেন না মানেলো দিয়াজ। কোচ হাল ছেড়ে দেওয়ায় ফুটবলারদের মনোবলও তলানিতে পৌঁছে গেছে।লালহলুদ শিবিরের অন্দরের খবর, কোচের সঙ্গে ফুটবলারদের ইতিমধ্যেই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগের ম্যাচে দীর্ঘক্ষণ ওয়ার্ম আপ করার পরও মাঠে না নামানোয় আদিল খান অসন্তুষ্ট হন। দলের সেরা স্ট্রাইকার পেরোসেভিচও সতীর্থদের ওপর অসন্তুষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানেলো দিয়াজকে সরানোর দাবি উঠে গেছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা হয়তো চাইবেন না দিয়াজকে সরিয়ে নতুন কোনও কোচ নিয়োগ করতে। কারন, বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে থাকার কোনও পরিকল্পনা নেই। শুধু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কথায় এই বছর আইএসএলে খেলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। পরের মরশুমে কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই অবস্থায় কোচ বদলের রাস্তায় হাঁটবে কিনা বলা কঠিন। তবে দিয়াজকে সরানোর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

BanglaPokkho: বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগের

পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ দপ্তর ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তাদের এই সিদ্ধান্ত জানালেন। বংলাপক্ষে-র তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালানো হচ্ছিলো যাতে সরকারি বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশিকা বাংলায় প্রকাশ করা হয়। বাংলাপক্ষের প্রথম সারির ব্যাক্তিত্ব কৌশিক মাঝি দাবি করেন তাদের আন্দোলনকে মান্যতা দিয়েই এই সিদ্ধান্ত। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ দপ্তর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে তাদের ত্রৈমাসিক বিলের স্পট প্রিন্টিং এবার থেকে বাংলায় করার সিদ্ধান্ত নিলো। তবে এটা ঐচ্ছিক, স্পট মিটার রিডিং নেওয়ার পর তারা গ্রাহকের চাহিদা মতো বাংলা অথবা ইংরাজি তে প্রিন্ট করে দেবেন।বাংলাপক্ষের পক্ষ থেকে কৌশিক মাঝি জনতার কথা কে জানান গ্রাম বাংলার সাধরণ মানুষ ইংরাজি ভাষায় ততটা সড়্গড় নন, ইংরাজি ভাষায় বিল বোঝাটা তাদের পক্ষে খুব সমস্যার কারণ হ্যে ওঠে, সেই সমস্ত মানুষজনকে অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয় বিলটা বোঝা জন্য। এবার থেকে তাঁরা নিজেদের বিল নিজেরাই বুঝে নিতে পারবেন। আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি বিদ্যুৎ দপ্তরের এই সিদ্ধান্ত-কে। তিনি জনতার কথা কে আরও জানান যে বিদ্যুৎ দপ্তরের বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা ডব্লু বি এস ই ডি সি এল (WBSEDCL) -র চাকরি বহিরাগতরা দখল করে নিচ্ছিল দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার চাকরির পরীক্ষায় বাংলা ভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হয়েছে। এর ফলে আরও বেশী করে বাংলার মানুষ এই দপ্তরে চাকরির সুবিধা পাবেন।তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে দাবী করেছেন, পশ্চিমবঙ্গ বাংলাপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন চলিয়ে যাচ্ছেন সরকারি ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানোর জন্য। তাঁদের দাবি, তাঁদের আন্দোলের ফলে কলকাতা মেট্রোরেলের স্মার্ট কার্ডে ও রেলের টিকিটে বাংলা ফিরে এসেছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, বাংলার পুলিস কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক হয়েছে (পরীক্ষা বাংলা ও নেপালী ভাষায় হয়), এছাড়া বাংলা জুড়ে বিভিন্ন ব্যাংকে ও পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবার দাবিতে ডেপুটেশন দেওয়ার ফলে নানা ব্যাংকের ফর্ম, এটিএমে বাংলা এসেছে। শিলিগুড়ি পোস্ট অফিস সহ অন্যান্য জায়গায় বাংলা ভাষায় পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েসন অফ বেঙ্গল এর প্রথম ডিভিশন ও দ্বিতীয় ডিভিশনে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালু হয়েছে, বাংলা ভাষায় সাইনবোর্ড লেখা বাধ্যতামূলক করে আসানসোল কর্পোরেশনে আইন পাশ হয়েছে যাতে সমস্ত দোকান ও কোম্পানীতে এই নির্দেশ মানে। কৌশিক মাঝি আরও জানান তাঁদের আন্দোলের ফলে সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজ ও টেন্ডারে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে বাংলা পক্ষর ক্রমাগত লড়াইয়ের ফলে নানা কারখানা ও কোম্পানীতে বাঙালিরা কাজ পাচ্ছে। তাঁরা বিধানসভায় আইন পাশের দাবিতে লড়াই চলাচ্ছেন। তিনি বলেন সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে অহিন্দি জাতির ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের কপি বাংলা ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে, বাংলার বিমানবন্দর গুলোয় বাংলায় ঘোষণা শুরু হয়েছে, ব্যাংকে চাকরির পরীক্ষা বাংলা সহ ভারতের ২২ টি সরকারি ভাষায় দেওয়ার সুযোগ এসেছে এবং সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং জয়েন্ট পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়া যায়।কৌশিক মাঝি বলেন তাঁদের দাবি হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা-এই মিথ্যে প্রচার বাংলা পক্ষর জোরালো প্রচারেই ধ্বংস হয়েছে। বাঙালির কাছে এখন এই সত্য পরিষ্কার -হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা না, ভারতের কোনো রাষ্ট্রভাষা নেই। বহিরাগত নানা কোম্পানীতে কাজ করে বাঙালি হেনস্থার শিকার হলে, কাজ হারালে এবং বেতন না পেলে বাংলা পক্ষর চাপে নানা জায়গায় বাঙালি তার অধিকার ফিরে পাচ্ছে। রাজ্য সরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারি অধ্যাপক নিয়োগের চাকরির জন্য স্টেট ইলিজিবিলিটি (SET) পরীক্ষা প্রথমবার বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ পাবে বাঙালি। এটা বাংলা পক্ষর আন্দোলনেরি ফসল। তিনি জানান বাংলা পক্ষর আন্দোলনে এমাজন (Amazon), ফ্লিপকার্ট (Flipkart) সহ নানা কোম্পানীর পরিষেবা বাংলায় পাওয়া যাচ্ছে। কোকোকলা (Coca-Cola), নেস্টলে (Nestle), বিসলেরি (Bisleri) সহ নানা বড় কোম্পানীর পণ্যের লেবেল বাংলা ভাষাই ছাপছে। তাদের উল্লেখযোগ্য দাবী বর্তমান বাংলার রাজনীতি আজ বাঙালিময়। বাঙালি জাতীয়তাবাদ বাংলার রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে তার কাণ্ডারী বাংলা পক্ষ।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : আবার হার এসসি ইস্টবেঙ্গলের, লালকার্ড দেখে দলের বিপদ বাড়ালেন পেরোসিভিচ

আইএসএলে পয়েন্ট হারানো অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে কলকাতার দুই প্রধান। এই ব্যাপারে এটিকে মোহনবাগানকে বরং অনেকটাই টেক্কা দিয়ে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের দল তাও তে দুটি ম্যাচে জয় পেয়েছে। মানেলো দিয়াজের দলের জয় এখনও অধরা। তাদের থেকে লিগ টেবিলে একধাপ ওপরে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কাছেও হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ম্যাচের ফল ২০।আগের ম্যাচে তুলনামূলক ভাল খেলে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে ড্র করেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আশায় বুক বেঁধেছিলেন সমর্থকরা। একধাপ ওপরে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে যদি জয় আসে। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হল না লালহলুদ সমর্থকদের। এদিন আরও জঘন্য ফুটবল উপহার দিলেন পেরোসিভিচরা। চোট সারিয়ে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। মহম্মদ রফিকও সুস্থ হয়ে প্রথম একাদশে। শুরু থেকে মাঠে চিমাও। তাতেও হাল ফেরেনি লালহলুদের।প্রথমার্ধে অধিকাংশ সময়ই মাঝমাঠে খেলা সীমাবদ্ধ ছিল। সেই অর্থে কোনও দলই গোল করার মতো ইতিবাচক সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। তার মধ্যেই ২৯ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোট পেয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান ফ্রাঞ্জো পিরেস। তাঁর পরিবর্তে মানেলো দিয়াজ মাঠে নামান আমির ডার্বিসেভিচকে। তিনি মাঠে নেমেও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই অবশ্য চাপ বাড়ায় নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড। ৫১ মিনিটে ভিপি সুহেরের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬১ মিনিটে সেই সুহেরের হাত ধরেই এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। রাজু গায়কোয়াড়ের ভুল পাস ধরে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের এক ফুটবলার বল দেন সুহেরকে। তিনি এগিয়ে গিয়ে দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন সুহের। ৬৮ মিনিটে ইমরান খানের দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে হেডে ২০ করেন প্যাট্ট্রিক ফ্লোটম্যান। পরের দিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন সুহের। কাজে লাগাতে পারেননি। অন্য দিনের তুলনায় এসসি ইস্টবেঙ্গলের পেরোসিভিচ ছিলেন নিস্প্রভ। ম্যাচের একেবারে অন্তিম লগ্নে রেফারিকে ধাক্কা মেরে লালকার্ড দেখে দলের বিপদ বাড়ালেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Pegasus: পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের গঠিত কমিশনে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিশন গড়ার সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। জুলাই মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইজরায়েলি স্পাইওয়্যারের সাহায্যে ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্তের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মদন লোকুরের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ওই তদন্ত কমিশন গড়েছিলেন।রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির কাছে প্রধান বিচারপতি অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজ্য সরকার নিযুক্ত কমিশন স্বতন্ত্র এবং স্বাধীন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে পৃথক তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিস জারির নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।উল্লেখ্য, ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে বিরোধী দলগুলির নেতা-নেত্রীদের ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় নিয়ে ইতিমধ্যেই নরেন্দ্রে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রের যুক্তিও খারিজ করেছে প্রধান বিচারপতি এনভি রমণার বেঞ্চ। গত অক্টোবরে পেগাসাস-কাণ্ডের তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আর ভি রবীন্দ্রনের নেতৃত্বাধীন ওই কমিটি রয়েছেন দুই সাইবার বিশেষজ্ঞও।সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে পেগাসাস-তদন্ত শুরু হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কমিশনের পৃথক তদন্ত প্রয়োজন নেই বলে শীর্ষ আদালতে জানান কেন্দ্রে কৌঁসুলি হরিশ সালভে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Coldest Day: প্রত্যেক দিনই কমছে তাপমাত্রার পারদ, বড়দিনের আগে শুক্রবারই মরশুমের শীতলতম দিন

নিম্নচাপের বাধা কাটিয়ে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতেই রাজ্যে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। এ সপ্তাহের শুরুতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৪ ডিগ্রির ঘরে। শুক্রবার তা আরও একটু কমেছে। সর্বনিম্নের পাশাপাশি সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও কমেছে গত কয়েক দিনের তুলনায়। আগামী কয়েক দিন ঠান্ডা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নামবে ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গত কয়েক দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রির উপরে। শুক্রবার তা কমেছে। সর্বোচ্চের পাশাপাশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও পতন হয়েছে। তা নেমেছে ১৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ মরশুমে এটাই কলকাতার এখন অবধি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ফলে বলতে হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত শুক্রবারই শীতলতম দিন।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। কলকাতায় আজ পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Paran Bandopadhyay : কোন ‘টনিক’ ৮১ বছরের যুবক অভিনেতা সাইকেল চালালেন ?

৮১ বছর বয়স তাঁর। কিন্তু টনিক এ যেভাবে তিনি অভিনয় করেছেন তা সবাইকে মুগ্ধ করেছে। অনেকেই অবাক হয়েছেন ৮১ বছর বয়সে তিনি কিভাবে রিভার র্যা ফটিং করলেন। সেই পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবার সাইকেল চালালেন। তাও আবার ৫০ বছর পর। সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও পোস্ট করে দেব। ক্যাপশনে লিখেছেন ক্যাপশনে লিখেছেন কাকা রাইডিং সাইকেল অলমোস্ট আফটার ফিফটি ইয়ার্স। টনিক নাম তো সুনা হোগা।সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা ভিডিওতে কত দিন পর কাকা পরাণ সাইকেল চালিয়েছেন জিজ্ঞাসা করেন। পরাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, তা ১৯৬৭-এর আগে, ষাটের দশকে সাইকেল চালিয়েছি। ৬৫-৬৬ সালে চালিয়েছি। তারপর এই চালালাম। এরপরই পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সাইকেলের চাকায় যে পাম্প থাকে। পাম্প ছাড়া তো চলে না। দেবকে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেন, পাশে দেব থাকলেই চাকার সাইকেল চলে। দেব সেইটা।অতনু রায়চৌধুরি ও প্রণব কুমার গুহর বেঙ্গল টকিজের প্রযোজনায় এবং দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেঞ্চারসের সহ প্রযোজনায় আগামী ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে টনিক। দেব, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শকুন্তলা বড়ুয়া- তিন জনকে নিয়েই গল্পটা এগিয়েছে। এছাড়াও এই ছবিতে রয়েছেন সুজন মুখোপাধ্যায়, কণীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ বসু প্রমুখ। দেব জানিয়েছেন গল্পের দিক থেকে টনিক তার জীবনের সেরা ছবি।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : প্রথম জয়ের খোঁজে কেন বিদেশিদের দিকে তাকিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজ?‌

এসসি ইস্টবেঙ্গল মাঠে নামার আগে সমর্থকরা কি আশা করেন দল জয় পাবে? নিশ্চিতভাবেই না। দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখাই ছেড়ে দিয়েছেন লালহলুদ সমর্থকরা। কেনই বা দেখবেন? এইরকম জঘন্য ফুটবল গতবছর আইএসএলেও খেলেননি এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। রক্ষণের এইরকম করুণ অবস্থাও দেখা যায়নি। এবছর তো গোল করেও ধরে রাখতে না পারাটা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে। শুক্রবার এসসি ইস্টবেঙ্গল এমন একটা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে, সেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডের অবস্থাও খুব একটা ভাল নয়। ৪ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে ঠিক ওপরে রয়েছে লালহলুদের। এইরকম দলের বিরুদ্ধে এবারের আইএসএলে প্রথম জয়ের সুযোগ মানেলো দিয়াজের দলের সামনে। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন সমর্থকরা। তার অন্যতম কারণ মানেলো দিয়াজের দলের ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরা। দুএকটা ভুল ছাড়া আগের ম্যাচে তুলনামূলকভাবে ভাল খেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তাছাড়া চোটআঘাত থেকেও ফুটবলাররা বেরিয়ে আসছেন। জ্যাকিচাঁদ সিং খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। মহম্মদ রফিকও অনেকটাই ফিট। গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যও মাঠে নামার জায়গায় চলে এসেছেন। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে তাঁকে খেলাতে পারেন কোচ মানেলো দিয়াজ। ড্যারেন সিডোয়েল অবশ্য এখনও পুরো ফিট নন। তিনি এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। দল যে এখনও পুরোপুরি তৈরি নয়, স্বীকার করে নিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, শেষ মুহূর্তে দল গঠন করা হয়েছিল। অনেক দেরিতে আমরা প্রাকমরশুম প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম। দলকে পুরোপুরি তৈরি করতে পারিনি। তাই সমস্যা হচ্ছে। আমাদের যথেষ্ট কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে খেলতে হচ্ছে। প্রতিটা ম্যাচই আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জিং। দলের বিদেশি ফুটবলারদের পারফরমেন্সে একেবারেই সন্তুষ্ট নন মানেলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আমার দল এখনও পর্যন্ত ৯টা গোল করেছে। তারমধ্যে বিদেশিরাই করেছে ৮টি। তবুও ওদের খেলায় আমি খুশি নই। ওদের কাছ থেকে আরও ভাল পারফরমেন্স আশা করছি। আশা করছি নর্থইস্টের বিরুদ্ধে দায়িত্ব নিয়ে দলকে জেতাবে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

UNESCO: ইউনেসকোর হেরিটেজ তকমা পেল বাংলার শারোদৎসব

বাংলা ও সারা বিশ্বের বাঙালির জন্য গর্বের মুহূর্ত।বাংলার মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক।ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশনাল, সায়েন্টেফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন-ইউনেসকোর হেরিটেজ তকমা পেল বাংলার দুর্গা পুজো।দীর্ঘদিন ধরে যে দাবি জানিয়ে আসছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ইউনেসকোর ভারতীয় বিভাগের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে এক বার্তায় বলা হয়েছে,কলকাতার দুর্গাপুজোর মধ্যে আছে দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। যে কারণেই এটিকে ইউনেসকোর কালচালার হেরিটেজের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হল।ওয়াকিবহাল মহলের মতে বাংলার দুর্গাপুজোকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে মুখ্যমন্ত্রীর লড়াইয়ের ফসল এই স্বীকৃতি।🔴 BREAKINGDurga Puja in Kolkata has just been inscribed on the #IntangibleHeritage list.Congratulations #India 🇮🇳! 👏ℹ️https://t.co/gkiPLq3P0F #LivingHeritage pic.twitter.com/pdQdcf33kT UNESCO 🏛️ #Education #Sciences #Culture 🇺🇳😷 (@UNESCO) December 15, 2021Proud moment for Bengal!To every #Bengali across the world, Durga Puja is much more than a festival, it is an emotion that unites everyone.And now, #DurgaPuja has been added to the Representative List of Intangible Cultural Heritage of Humanity.We are all beaming with joy! Mamata Banerjee (@MamataOfficial) December 15, 2021দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর হেরিটেজ তালিকায় রাখার দাবি অনেকদিনের৷ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সময়ে দুর্গাপুজোকে ইউনেসকোর হেরিটেজ তালিকায় রাখার দাবিতে সরব হয়েছেন।৷ অবশেষে দুর্গাপুজোর হেরিটেজ তকমা চেয়ে ইউনেসকোর কাছে আবেদন করে ভারত সরকার৷ জানা গিয়েছে, বিশ্বজুড়ে এমন বহু আবেদন ইউনেসকোর কাছে জমা পড়ে৷ সেই আবেদনগুলি খতিয়ে দেখতে ১৩ ডিসেম্বর প্যারিসে বিশেষ অধিবেশনে বসেন ইউনেস্কোর আধিকারিকরা৷ সেই সব আবেদন খতিয়ে দেখার পরই বাঙালির দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় ইউনেসকো৷ইউনেসকোর এমন ঘোষণার পর টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।A matter of great pride and joy for every Indian!Durga Puja highlights the best of our traditions and ethos. And, Kolkatas Durga Puja is an experience everyone must have. https://t.co/DdRBcTGGs9 Narendra Modi (@narendramodi) December 15, 2021অনন্য এই স্বীকৃতির ফলে আন্তর্জাতিক মহলে কলকাতার দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে কৌতূহল বাড়বে। পর্যটনেও নতুন গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।ইউনেসকোর ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্গা পুজাকে ধর্ম ও শিল্পের সর্বজনীন মিলন ক্ষেত্রের সর্বোত্তম উদাহরণ হিসাবে দেখা হয় এবং সহযোগী শিল্পী ও ডিজাইনারদের জন্য একটি সমৃদ্ধ ক্ষেত্র হিসাবে দেখা হয়। এই উৎসব শহুরে এলাকায় বড় আকারের পালিত হয় এবং মণ্ডপগুলির পাশাপাশি রয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢাক এবং দেবীর পূজা। উৎসব চলাকালীন সব শ্রেণি, ধর্ম এবং জাতিগত বিভাজন ভেঙে দর্শকদের ভিড়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে এবং এই গোটা প্রক্রিয়াই ভীষণভাবে প্রশংসিত হয়েছে ইউনেসকোর দরবারে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, কিন্তু কেন আতঙ্কে এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস?‌

আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসি একসময় ছিল সব দলের কাছেই আতঙ্ক। সুনীল ছেত্রিদের সেই ঐতিহ্য আর নেই। গত কয়েকবছর ধরে পারফরমেন্স একেবারে তলানিতে। এবছর তো যথেষ্ট করুণ অবস্থা। ৬ ম্যাচে মাত্র ১টা জয়, ১টা ড্র। চারটিতে হার। লিগ টেবিলে রয়েছে নবম স্থানে। একেবারেই ছন্দে নেই বেঙ্গালুরুর দলটি। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য যে কোনও প্রতিপক্ষ যে এইরকম দলকেই বেছে নেবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসও ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচকেই বেছে নিচ্ছেন।এবারের আইএসএলে দারুণ শুরু করেছিল গতবারের রানার্স এটিকে মোহনবাগান। প্রথম দুটি ম্যাচেই জয়। তার মধ্যে আবার একটা ম্যাচ ডার্বি। সমর্থকরা আশা করেছিলেন, প্রথম দুটি ম্যাচ জেতায় অশ্বমেধের ঘোড়ার মতোই ছুটবে এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু বিধি বাম। ডার্বি জেতার পর থেকেই ছন্দপতন। টানা ৩ ম্যাচে জয় নেই। দুটিতে হার, একটা ড্র। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয়ে ফিরতে মরিয়া হাবাস ব্রিগেড।সুনীল ছেত্রির ছন্দে নেই। এটাই সমস্যায় ফেলেছে বেঙ্গালুরু এফসিকে। তা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, সুনীল ছেত্রি অনেক বড় মাপের স্ট্রাইকার। ভারতের সেরা ফুটবলার। দুএকটা ম্যাচে গোল না পেলেও সেটা কোনও ব্যাপার নয়। যে কোনও দিন জ্বলে উঠতে পারে। ওকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে শুধু ওকে গুরুত্ব দিলে চলবে না, গোটা দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে। শেষ ৪ ম্যাচে জয় না এলেও বেঙ্গালুরু এফসিকে সমীহ করছেন হাবাস। তিনি বলেন, দুএকটা ম্যাচে হারলেও বিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। আইএসএলের সব দলের শক্তিই উনিশবিশ। ওরাও চেষ্টা করবে ঘুরে দাঁড়ানোর। সুনীলের খারাপ ফর্ম বাড়তি কোনও সুবিধা দেবে না বলে মনে করছেন ৭এটিকে মোহনবাগান কোচ।চেন্নাইন এফসি ম্যাচের আগে তিনটি ম্যাচে রক্ষণ সমস্যায় ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। তিরিকে প্রথম একাদশে ফিরিয়ে ও প্রীতম কোটালকে তাঁর পাশে নিয়ে এসে রক্ষণ কিছুটা মজবুত করেছেন হাবাস। তবে রোগ এখনও পুরোপুরি সারেনি। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে রক্ষণ সংগঠনের ওপর জোর দিতে চান। মাঝমাঠের ফুটবলারদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রয়োজনে নেমে এসে রক্ষণকে সাহায্য করতে। কয়েকটা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রেফারিং নিয়ে চিন্তা যাচ্ছে না হাবাসের।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Haami-2 : আজ থেকে শুরু হল ‘হামি-২’র শুটিং

২০১৮ সালে হামি বিপুল সাফল্য লাভ করে। সেদিক মাথায় রেখেই হামি-২ নিয়ে আসছে উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউস। পরিচালক ও অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবরটি জানিয়েছেন। তিনি হামি২-র লাল্টুর ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন,তৃতীয়বার লাল্টু। পদবী ও পেশা চমক রইল। কাল থেকে শ্যুটিং শুরু। আশীর্বাদ করুন যেন আপনাদের মন রাখতে পারি। সবার জন্য রইল অনেক হামি। গতকাল এই পোস্টটি তিনি করেন। অর্থাৎ আজ থেকে শুরু হল এই ছবির শুটিং। ২০২০ সালের মার্চ মাসে হামি-২র শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার জন্য শুটিং এর তারিখ পিছিয়ে যায়। অবশেষে ২০২১ এর শেষে এই ছবির শুটিং শুরু করল উইন্ডোজ প্রোডাকশন। এর আগে হামি তে ভুতুর বাবা লাল্টু বিশ্বাস এবং রামধনু তে লাল্টু দত্তর চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিবপ্রসাদ। ছাপোষা বাঙালির চরিত্রে তাকে দর্শকরা যথেষ্ট পছন্দ করেছেন। শোনা যাচ্ছে হামি তে যারা অভিনয় করেছেন হামি-২ তেও তারাই রয়েছেন। উইন্ডোজ প্রোডাকশনের ২০২২ এ অনেকগুলো ছবি তাদের পাইপলাইনে রয়েছে। ফেব্রুয়ারি- বাবা বেবি ও, ২০ মে - বেলা শুরু, ১৭ জুন - লক্ষ্মী ছেলে এবং সব ঠিক থাকলে, আগামী বছর বড়দিনে অর্থাৎ ২৩ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে হামি ২।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
দেশ

Chopper Crash: ৭ দিনের লড়াইয়ে হার মানলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং

সাত দিনের অসম লড়াই শেষ। ৮ ডিসেম্বর কুন্নুরে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত ব্যক্তি, গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং অবশেষে প্রয়াত হলেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বেঙ্গালুরুর সেনা হাসপাতালে তিনি ভর্তি ছিলেন। হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত আরোহী বরুণের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Group Captain Varun Singh served the nation with pride, valour and utmost professionalism. I am extremely anguished by his passing away. His rich service to the nation will never be forgotten. Condolences to his family and friends. Om Shanti. Narendra Modi (@narendramodi) December 15, 2021গত ৮ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর সুলুর থেকে ওয়েলিংটন যাওয়ার উদ্দেশে আকাশে উড়েছিল সেনার এমআই-১৭, ভি- ৫ হেলিকপ্টার। সওয়ারি হিসেবে ছিলেন সস্ত্রীক সিডিএস বিপিন রাওয়াত-সহ ১৪ জন। বেলা ১২টা ৪০ নাগাদ নীলগিরির একটি চা বাগানের উপর আচমকাই ভেঙে পড়ে কপ্টার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হেলিকপ্টারটি একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগার পর তাতে আগুন ধরে যায়। তার পর আরও একটি গাছে ধাক্কা মেরে মাটিতে আছড়ে পড়ে হেলিকপ্টার। দুর্ঘটনায় সস্ত্রীক সিডিএস-সহ সকলের মৃত্যু হলেও বেঁচে গিয়েছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং। তাঁর শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে খবর। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী ওয়েলিংটনের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় বেঙ্গালুরুর সেনা হাসপাতালে।IAF is deeply saddened to inform the passing away of braveheart Group Captain Varun Singh, who succumbed this morning to the injuries sustained in the helicopter accident on 08 Dec 21. IAF offers sincere condolences and stands firmly with the bereaved family. Indian Air Force (@IAF_MCC) December 15, 2021ছেলে জয়ী হয়েই ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন বরুণের বাবা প্রাক্তন কর্নেল কে পি সিং। কিন্তু টানা সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষ পর্যন্ত হেরেই গেলেন বরুণ সিং।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারিয়েও বিজয় হাজারে থেকে বিদায় বাংলার

আগের ম্যাচে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ে লাইফ লাইন পেয়েছিল বাংলা। এমন একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারালে নক আউটের ছাড়পত্র মিলবে। অঙ্কও একটা ছিল। সেক্ষেত্রে বরোদার বিরুদ্ধে তামিলনাডুকে এবং পন্ডিচেরীর বিরুদ্ধে মুম্বইকে জিততে হবে। বাংলা জিতলেও বাকি দুটি অঙ্ক মিলল না। বরোদার কাছে তামিলনাডুর হার বিজয় হাজারে ট্রফির গ্রুপ লিগ থেকেই ছিটকে দিল বাংলাকে। কর্ণাটককে ৪ উইকেটে হারিয়েও শেষরক্ষা হল না। এলিট গ্রুপ বিতে ১২ পয়েন্টে শেষ করল তামিলনাডু, কর্ণাটক, বাংলা ও পন্ডিচেরী। যদি দুটি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করত, তাহলে মুখোমুখি ফলাফলের ভিত্তিতে ঠিক হত কোন দল নক আউটে যাবে। কিন্তু ৪টি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করায় নেট রান রেট দেখা হয়েছে। নেট রান রেটে সবার ওপরে রয়েছে তামিলনাডু (+১.০৫২)। দ্বিতীয় স্থানে কর্ণাটক (+০.৭৮৯), তৃতীয় স্থানে বাংলা (-০.২৩৫), চতুর্থ স্থানে পন্ডিচেরী (-১.৩৬০)। ফলে এই গ্রুপ থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় হয়ে তামিলনাডু ও কর্ণাটক নক আউটের টিকিট পেয়েছে।নক আউটে যাওয়ার জন্য বাংলা ও কর্ণাটকের কাছে এদিনের ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কর্ণাটক অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডে। শুরুটা তেমন আহামরি হয়নি কর্ণাটকের। ১০.১ ওভারে ৩৫ রানের মধ্যেই ২ উইকেট হারায়। দশম ওভারে রবিকুমার সমর্থকে (১৭) তুলে নিয়ে কর্ণাটককে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশ দীপ। পরের ওভারেই কৃষ্ণমূর্তি সিদ্ধার্থকে (১) ফেরার ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। এরপর রোহন কদম ও অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডের জুটি কর্ণাটককে টেনে নিয়ে যায়। ৫৫ বলে ৩৭ রান করে আউট হন রোহন কদম। তাঁকে ফেরান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। দলে ১৬১ রানের মাথায় আউট হন মণীশ পাণ্ডে। ৮৫ বলে তিনি করেন ৯০। করুণ নায়ার ২৫ রান করেন। ২৯ বলে অপরাজিত ৩৭ রান করে প্রবীন দুবে কর্ণাটককে ২৫২/৮ রানে পৌঁছে দেন।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলা। ৭ ওভারেই ৫০ রানে পৌঁছে যায়। এরপরই ধাক্কা। ফিরে যান রনজ্যোৎ সিং খাইরা (৭)। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা অনুষ্টুপ মজুমদার (৮) ব্যর্থ। ৪৮ বলে ৫৮ রান করে আউট হন অভিষেক দাস। এরপর বাংলাকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি ও ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ৫৬ বলে ৬৩ রান করে কারিয়াপ্পার বলে আউট হন সুদীপ। ৬২ বলে ৪৯ রান করেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ২৬ বলে ২২ রান করেন শুভঙ্কর বল। বাংলাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শাহবাজ আমেদ (অপরাজিত ২৬) ও ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (অপরাজিত ১০)। ৪৮.৩ ওভারে ২৫৩/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। জিতেও অবশ্য নক আউটের ছাড়পত্র এল না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

BSF-High Court: বিএসএফ-মামলায় কেন্দ্রের হলফনামা চায় হাইকোর্ট

বিএসএফ মামলায় কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চাইল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সম্প্রতি বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ানো নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে যে তরজা শুরু হয়েছে নিঃসন্দেহে এই মামলা সেখানে নতুন মোড় আনল। মঙ্গলবারই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।মামলাকারীর বক্তব্য, বিএসএফের যে নির্দিষ্ট আইন আছে সেখানে স্পষ্ট করে বলা রয়েছে তাদের কতটা এলাকায় এক্তিয়ার। কেনই বা এই সীমানা নির্দিষ্ট করা হয়েছে তা নিয়েও ব্যাখ্যা রয়েছে। বিএসএফ অ্যাক্ট অনুযায়ী ১৩৯ ধারার প্রসঙ্গ তুলে মামলাকারী বলেন, এভাবে আজ ১৫ কিলোমিটার, কাল ৫০ কিলোমিটারে বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়াতে থাকলে একদিন এটা বেড়ে গোটা দেশ হতে পারে বলে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস হয়ে যাবে বলে জানান মামলাকারী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি জানতে চান আর কোন রাজ্যে এই ধরনের মামলা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে এজি জানান, পঞ্জাবে একই ধরনের একটি মামলা হয়েছে।একই সঙ্গে কেন্দ্রের পদক্ষেপ কী, তাও জানতে চায় আদালত। কেন্দ্রের আইনজীবী ওয়াই যে দস্তুর বলেন, শুধু সীমানা বাড়ানো হয়েছে এমনই নয়, এমন রাজ্যও রয়েছে যেখানে সীমানা কমানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উদাহরণ টানেন গুজরাতের। জানান, সে রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কার্যক্ষমতা সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করা হয়েছে। এই বিষয়গুলি হলফনামায় উল্লেখ করতে চান বলে জানান তিনি। এই ধরনের কোনও মামলা কোনও রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করেছে কি না তাও জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dev : 'নো প্যানিক অনলি টনিক' দর্শকদের মনের টনিক হয়ে উঠতে তৈরি দেব

নো প্যানিক অনলি টনিক। অভিজিৎ সেনের পরিচালিত ছবি এবং বেঙ্গল টকিজের প্রযোজিত ও দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেঞ্চারসের সহ-প্রযোজনায় টনিক মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৪ ডিসেম্বর। দেবের জন্মদিন ২৫ ডিসেম্বর। জন্মদিনের ঠিক আগের দিন মুক্তি পাচ্ছে টনিক। টনিক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেছেন দেব। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন এই টলি স্টার। পরনে একটা টিশার্ট। যেখানে লেখা নো প্যানিক অনলি টনিক। মূলত ইচ্ছেপুরণের গল্প বলবে টনিক। এখানে দেব একজন ট্র্যাভেল এজেন্সির কর্মী। দুই বয়স্ক দম্পতির ইচ্ছেপুরণ করবেন তিনি। যে চরিত্রে দেখা যাবে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শকুন্তলা বড়ুয়া কে। এছাড়াও রয়েছেন সুজন মুখোপাধ্যায়, কণীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ বসু প্রমুখ। টনিক-এ পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কে একদম অন্যভাবে দেখবেন দর্শকরা। রিভার রাফটিং,প্যারা গ্ল্যাইডিং থেকে পাহাড়ে চড়া কিছুই বাদ নেই তার। এবারের দুর্গাপুজোয় মুক্তি পেয়েছে দেবের গোলন্দাজ। যে ছবিটি দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। এবার পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাণের টনিক হয়ে নতুন্রুপে দেখা যাবে দেব কে। বেশ কিছুদিন আগে ছবির ট্রেলার লঞ্চের পর মিউজিক লঞ্চও হয়ে গেছে। দেব জানিয়েছেন গল্পের দিক থেকে টনিক তার জীবনের এখনও পর্যন্ত সেরা ছবি হতে চলেছে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : ‌কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ভাল খেলেও জয় অধরা থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের

৬ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এবারের আইএসএলে এখনও জয় পেল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও আটকে গেল লালহলুদ শিবির। ম্যাচের ফল ১১। অন্যদিনের তুলনায় এদিন ভাল খেলেও আটকে যেতে হল মানোলো দিয়াজের দলকে।লিগ টেবিলে কেরালা ব্লাস্টার্সও খুব একটা ভাল জায়গায় নেই। জয়ের জন্য তারাও যথেষ্ট মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছিল। শুরু থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। কিন্তু টমিস্লাভ মার্সেলা, রাজু গায়কোয়াড়রা সজাগ থাকায় সুবিধা করতে পারেননি কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলও মাঝেমাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে আসছিল। এর মাঝেই ১৫ মিনিটে লালহলুদের জালে বল পাঠান কেরালা ব্লাস্টার্সের আলভারো ভাজকোয়েজ। কিন্তু ভাজকোয়েজের কাছে বল যাওয়ার আগে হ্যান্ডবল হয় অমরজিৎ কিয়ামের। রেফারি গোল বাতিল করে ফ্রিকিকের নির্দেশ দেন।এরপরই আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারত লালহলুদ। পেরোসেভিচের বাঁপায়ের দুরন্ত শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৩৭ মিনিটে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডান দিক থেকে রাজু গায়কোয়াড়ের লম্বা থ্রো হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন টমিস্লাভ মার্সেলা। ৪৪ মিনিটে সমতা ফেরায় কেরালা ব্লাস্টার্স। রাজু গায়কোয়াড়ের মিস পাস থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের পেনাল্টি বক্সের বাইরে ডানদিকে বল পেয়ে ডানপায়ে শট নেন আদ্রিয়ান লুনা। তাঁর শট টমিস্লাভ মার্সেলার মাথায় লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়।অন্যান্য দিনের তুলনায় কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ অনেকটাই সংগঠিত ছিল। আলভারো ভাজকোয়েজ, আদ্রিয়ান লুনাদের সেভাবে সুযোগ দেননি রাজু গায়কোয়াড়, টমিস্লাভ মার্সেলারা। একবার ছাড়া বাকি ম্যাচে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন রাজু। দ্বিতীয়ার্ধে লালহলুদ ডিফেন্ডারদের জন্য গোলের সুযোগ পায়নি কেরালা। অধিকাংশ সময়ই মাঝমাঠে খেলা ঘোরাফেরা করছিল। ড্যানিয়েল চিমা এদিন একেবারে নিঃস্প্রভ ছিলেন। ৬৮ মিনিটে তাঁকে তুলে নিয়ে আমির ডার্বিসেভিচকে মাঠে নামান এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। একই সঙ্গে মাঠে নিয়ে আসেন বিকাশ জাইরু ও লুয়াংকে। ৮১ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে দারুণ শট নিয়ে ছিলেন পেরিসেভিচ। কেরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার দুর্দান্ত সেভ করে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন। ৮৯ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন পেরিসেভিচ। তাঁর পা থেকে আবার নিশ্চিত গোল বাঁচান কোরালা ব্লাস্টার্স গোলকিপার। শেষদিকে চাপ রাখলেও জয়ের গোল তুলতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy : ‌‌‌‌মুম্বইকে হারিয়ে বিজয় হাজারের নক আউটের লাইফ লাইন পেল বাংলা

বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট যতই তারুণ্যকে প্রাধান্য দিতে চায় না কেন, অভিজ্ঞতার যে বিকল্প নেই প্রমাণ হয়ে গেল। তামিলনাডুর বিরুদ্ধে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল বাংলাকে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে সেই অভিজ্ঞতার দ্বারস্থ হতে হল টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম একাদশে ফেরানো হল অনুষ্টুপ মজুমদারকে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিং বিজয় হাজারে ট্রফিতে লাইফ লাইন দিল বাংলাকে। ভিজেডি নিয়মে মুম্বইকে ৬৭ রানে হারিয়ে নক আউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখল বাংলা। শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে বড় ব্যবধানে হারালে পরের রাউন্ডের টিকিট মিলতেও পারে সুদীপ চ্যাটার্জিদের। তবে অনেক অঙ্কের সামনে পড়তে হবে বাংলাকে।রবিবার বাংলামুম্বই ম্যাচ দুই দলের কাছেই ছিল ডু অর ডাই। যে দল হারবে, প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাবে। এই পরিস্থিতিতে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠায় মুম্বই। মরণবাঁচন ম্যাচে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিল বাংলা। শ্রীবৎস গোস্বামীকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। তাঁর পরিবর্তে দলে আসেন শুভঙ্কর বল। কাইফ আমেদ, সুমন্ত গুপ্তর বদলে প্রথম একাদশে অনুষ্টুপ মজুমদার ও রনজোৎ সিং খৈরা। এতদিন তাঁকে বসিয়ে রেখে টিম ম্যানেজমেন্ট যে ভুল করেছিল, প্রমাণ করে দিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার।শ্রীবৎসর পরিবর্তে এদিন অভিষেক দাসের সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছিলেন সুদীপ চ্যাটার্জি। ব্যাটিং অর্ডার বদলেও ছন্দে ফিরতে পারলেন না বাংলার অধিনায়ক। ৫ রান করে মোহিত অবস্তির বলে বোল্ড হন সুদীপ। এরপর ব্যাট হাতে বাইশ গজে আবির্ভাব অনুষ্টুপ মজুমদারের। আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুজনেই। ১০ ওভারেই ৮০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। এরপর আবার ধাক্কা। ৩৬ বলে ৩৮ রান করে আউট হন অভিষেক। ব্যাটিং অর্ডারে এগিয়ে আসা ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (৪) ব্যর্থ। শাহবাজ আমেদকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অনুষ্টুপ। ৫২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন তিনি। ৩৫.৫ ওভারে ২০০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। ১১০ বলে সেঞ্চুরি করেন অনুষ্টুপ। শেষ পর্যন্ত ১২২ বলে ১১০ রান করে আউট হন তিনি। শাহবাজের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১২৯। এই জুটিই বাংলার বড় রানের ভিত গড়ে দেয়।অনুষ্টুপ আউট হওয়ার পর ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জিকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান শাহবাজ। ৯৫ বলে ১০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। মোহিত অবস্তিকে ৬ মেরে পরের বলেই আউট হন শাহবাজ (১০৬)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩১৮ রান তোলে বাংলা। ২৭ বলে ৩৩ রান করেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি।জয়ের জন্য ৩১৯ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না মুম্বইয়ের সামনে। মুম্বইয়ের ব্যাটিংও তেমন শক্তিশালী নয়। একমাত্র ভরসা সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু মুম্বই ব্যাটিংয়ের এই স্তম্ভ ভাল শুরু করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ৩৪ বলে ৪৯ রান করে তিনি প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে স্টাম্পড হন। তার আগেই আউট হন যশস্বী জয়সোয়াল (১৯) ও আকারশীট গোয়েল (৩৩)। আরমান জাফর করেন ৪৭। ৪১ ওভারে মুম্বই ৮ উইকেটে ২২৩ রান করার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভিজেডি নিয়মে ৬৭ রানে জেতে বাংলা। বাংলার হয়ে প্রদীপ্ত প্রামানিক ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে জয় আসবে?‌ আশা দেখাতে পারছেন না দিয়াজ

পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কোচ মানোলো দিয়াজকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠে গেছে। দলের অভ্যন্তরেই কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দলগত সংহতিও তলানিতে। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল অথচ এখনও প্রথম একাদশ ঠিক করে উঠতে পারেননি। ফুটবলারদের মধ্যে কোনও বোঝাপড়া নেই। এই অবস্থায় রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল।কঠিন পরিস্থিতিতেও সমর্থকদের কোনও আশার আলো দেখাতে পারছেন না লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। আগের ৫ ম্যাচে এসসি ফুটবলারদের দেখে মনে হয়নি তাঁরা ফিট। মানোলো দিয়াজ অবশ্য একথা মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, দক্ষতার দিক দিয়েই দলকে পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দল প্রথম জয় তুলতে পারবে কিনা, সে ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী নন। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দিয়াজ বলেন, দল খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সমর্থকদের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারছি। সমর্থকরা যেমন জয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে, আমিও জয়ের খোঁজে রয়েছি। চেষ্টা করব কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোর।গোল করেও তা ধরে রাখতে পারছেন না লালহলুদ ডিফেন্ডাররা। এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলায় কোনও ছন্দ দেখা যায়নি। তিনটি ম্যাচে হার, দুটি ম্যাচে ড্র। যে দুটি ম্যাচে মানোলো দিয়াজের দল ড্র করেছে, তাতে নিজেদের থেকে বিপক্ষ দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব বেশি। ফুটবলারদের ভুল শুধরে দিলেও বারবার একই ভুল হচ্ছে। সংশোধনের কোনও ইচ্ছে লালহলুদ ফুটবলারদের নেই। এইরকম চলতে থাকলে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও জয় আসা কঠিন।একেই দল খারাপ অবস্থায়, তার ওপর একাধিক ফুটবলারের চোট। সমস্যা আরও বেড়েছে মানোলো দিয়াজের। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও মাঠে নামার মতো জায়গায় আসেননি গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। জ্যাকিচাঁদ সিং, সিডোয়েলরাও এখনও পুরো ফিট নন। এই দুই ফুটবলারকেও কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে পাবেন না মানোলো দিয়াজ। আগের ম্যাচে জয়ে ফিরেছে কেরালা ব্লাস্টার্স। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন লালহলুদ কোচ।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌তামিলনাডুর কাছে বিধ্বস্ত, বিজয় হাজারেতে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় ব্যর্থতা। কোয়ার্টার ফাইনালে কর্ণাটকের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হযেছিল বাংলাকে। বিজয় হাজারে ট্রফিতে তো আরও খারাপ অবস্থা। গ্রুপ পর্যায়ের বাধা টপকানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে বাংলার কাছে। শনিবার তামিলনাডুর কাছে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা। দীনেশ কার্তিকদের কাছে ১৪৬ রানে বিধ্বস্ত হলেন সুদীপ চ্যাটার্জিরা। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে সাফল্যের যে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট, এককথায় সেই স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল। একদিন আগেই পুদুচেরির কাছে ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে হারের ধাক্কা বাংলা যে কাটিয়ে উঠতে পারেনি, তা পরিস্কার। তাছাড়া প্রথম দুটি ম্যাচে বাংলাকে তেমন কঠিন প্রতিপক্ষর সামনে পড়তে হয়নি। তামিলনাডুর মতো শক্ত প্রতিপক্ষর মুখে পড়ে বাংলার ক্রিকেটের অন্তঃসারশূন্যতা প্রকট হয়ে উঠল। বোঝা গেল বাংলার ক্রিকেট যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই রয়েছে।ত্রিবান্দমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে এদিন টসে জিতে তামিলনাডুকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। শুরুটা ভাল হয়নি তামিলনাডুর। বাংলার দুই জোরে বোলার মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে সেভাবে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারেননি তামিলনাডুর দুই ওপেনার সাই সুদর্শন ও অধিনায়ক নারায়ন জগদেশন। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে সুদর্শনকে (১২) বোল্ড করেন মুকেশ কুমার। পরের বলেই তুলে নেন ওয়াশিংটন সুন্দরকে (০)। পরপর দুবলে দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তামিলনাডু। ৫০ রান আসে ১৬ ওভারে। এক ওভার পরেই অধিনায়ক নারায়ন জগদেশনকে (৩১) তুলে নেন শাহবাজ আমেদ। এইসময় মনে হচ্ছিল তামিলনাডুর পক্ষে বড় রান তোলা কঠিন হয়ে যাবে। কিন্তু রুখে দাঁড়ান বাবা ইন্দ্রজিৎ ও দীনেশ কার্তিক। তাঁদের ১০৫ রানের জুটি চাপমুক্ত করে তামিলনাডুকে। ৭৩ বলে ৬৪ রান করে প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন বাবা ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজিৎ আউট হলেও মনঃসংযোগ হারাননি দীনেশ কার্তিক। দলকে টেনে নিয়ে যান এই অভিজ্ঞ উইকেটকিপারব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৯৫ বলে ৮৭ রান করে আকাশ দীপের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন কার্তিক। এরপর গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামের বাইশ গজে ঝড় তোলেন জগদীশন কৌশিক ও শাহরুখ খান। এই দুজনের ঝড়ে উড়ে যান মুকেশ কুমার, আকাশ দীপরা। শেষ ৭ ওভারে তামিলনাডু তোলে ৯৭ রান। ৩১ বলে ৫০ রান করেন কৌশিক। শাহরুখ ১২ বলে করেন ৩২। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৫ রান তোলে তামিলনাডু। মুকেশ কুমার ৭১ রানে ও আকাশ দীপ ৬৪ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে চাপে পড়ে যায় বাংলা। তার ওপর দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। রঘুপতি সিলাম্বরসনের বলে আউট হন শ্রীবৎস গোস্বামী (১)। অভিষেক দাস ও তিন নম্বরে নামা ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি বাংলাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ১১.২ ওবারে আউট হন অভিষেক (৩০)। পরের ওভারেই ফেরেন ঋত্ত্বিক (১৬)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলা। সুদীপ চ্যাটার্জি (১৫), কাইফ আমেদ (১০), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (১২), শাহবাজ আমেদরা (৫) ব্যর্থ। সুমন্ত গুপ্ত (২৫) ও প্রদীপ্ত প্রামানিক (২৮) কিছুটা লড়াই করেন। ৩৯.১ ওভারে ১৪৯ রাননে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। রঘুপতি সিলাম্বরসন ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন। ৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ শীর্ষে তামিলনাডু। ৩ ম্যাচে কর্ণাটকের পয়েন্ট ৮, বাংলার ৪। বাংলাকে পরের দুটি ম্যাচে খেলতে হবে মুম্বই ও কর্ণাটকের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌পুদুচেরীর বিরুদ্ধে সহজ ম্যাচে বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি

বিজয় হাজারে ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী বরোদার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয়। বাংলা শিবিরের আশা ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে পুদুচেরীকে হারিয়ে লিগ টেবিলে এগিয়ে যাওয়া। স্বপ্নপূরণ হল না সুদীপ চ্যাটার্জির। বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। বড় রান তুলেও জয় অধরা থেকে গেল। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে বাংলার পরাজয় ৮ রানে। বরোদার বিরুদ্ধে বাংলার ম্যাচ ছিল গ্রীনফিল্ড স্টেডিয়ামে। এদিন পুদুচেরী ম্যাচ ছিল মঙ্গলাপূরমে। উইকেট একেবারে অজানা। কেমন আচরণ করবে সে সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না বাংলা শিবিরের কাছে। তাই টস জিতে ঝুঁকি নেননি বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম ম্যাচে রান পাওয়া অভিষেক দাস এদিন ব্যর্থ। মাত্র ৮ রান করে তিনি আউট হন। কাইফ আমেদও (০) এদিন রান পাননি। শ্রীবৎস গোস্বামী (৪৫) অবশ্য প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন। একের পর এক উইকেট পড়লেও তিনি একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন। সুদীপ চ্যাটার্জি (২৭), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরিরা (৩২) দ্রুত ফিরে যান। একসময় ১১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলা। সেখান থেকে শাহবাজ আমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান সুমন্ত গুপ্ত (২২)। শেষদিকে ঝড় তোলেন শাহবাজ। ৮টি চার এবং ৪টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ৬০ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর দাপটে ৫০ ওভারে ২৬৪/৮ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। বড় ইনিংস গড়লেও ভাগ্য এদিন বাংলার সহায় ছিল না। তৃতীয় ওভারেই পুদুচেরীর প্রথম উইকেট তুলে নেন মুকেশ কুমার। ফেরান অধিনায়ক দামোদরন রোহিতকে (০)। একাদশতম ওভারে অপর ওপেনার রামচন্দ্রন রঘুপতিকে (১৫) তুলে নেন শাহবাজ আআমেদ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান পবন দেশপান্ডে (অপরাজিত ৬২) ও পরশ ডোগরা (অপরাজিত ৪১)। ৩০ ওভার খেলা হওয়ার পর বৃষ্টি নামে। তখন পুদুচেরীর রান ছিল ২ উইকেটে ১৩২। পরে বৃষ্টি থামলেও মাঠ ভেজা থাকায় আর খেলা শুরু করা যায়নি। সেই সময় ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে পুদুচেরীর সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০ ওভারে ১২৫। ৮ রানে ম্যাচ জিতে যায় পুদুচেরী।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

8/12 : মুক্তি পেল বহু প্রতীক্ষিত ছবি '৮/১২'-র ট্রেলার

কান সিং সোধার প্রযোজনা সংস্থা KSS Productions and Entertainment প্রযোজিত আসন্ন ছবি ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির ট্রেলার লঞ্চের সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। বিবাদিবাগে, বিনয় বাদল দীনেশের প্রতিমূর্তির সামনে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রতিমূর্তিতে মাল্যদানের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির ট্রেলার লঞ্চ সেই বিশেষ দিনেই করা হয়, ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে যেদিন রাইটার্স বিল্ডিং-এ অনুপ্রবেশ করেন বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্ত এবং অত্যাচারী সিম্পসন সাহেবকে উপযুক্ত শাস্তি দেন ভারতবর্ষকে ব্রিটিশ শাসন মুক্ত করার জন্য। ৮/১২ ছবির মধ্যে দিয়ে যে সেই ঐতিহাসিক ঘটনাই পরিবেশিত হতে চলেছে দর্শকদের সামনে, ছবির ট্রেলারেই তা সুস্পষ্ট। এগারো ও হীরালাল খ্যাত পরিচালক অরুণ রায় পরিচালিত এই ছবিতে বিনয় বসু -র ভূমিকায় অভিনয় করেছে কিঞ্জল নন্দ। বাদল গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছে অর্ণ মুখোপাধ্যায় ও দীনেশ গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রেমো। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, খরাজ মুখোপাধ্যায়, শংকর দেবনাথ, দেবরাজ মুখোপাধ্যায়, অনুষ্কা চক্রবর্তী, গুলশনারা খাতুন প্রমুখ। ট্রেলার মুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির সব কলাকুশলীরা। প্রযোজক কান সিং সোধা, পরিচালক অরুণ , কিঞ্জল নন্দ, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, রেমো, গুলশনারা খাতুন, অনুষ্কা চক্রবর্তী এবং ছবির সংগীত পরিচালক সৌম্য ঋত - র উপস্থিতিতে হয়ে গেলো ছবির ট্রেলার মুক্তির অনুষ্ঠান। ট্রেলার মুক্তির বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রযোজক কান সিং সোধা জানালেন, এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত। আমি গর্বিত এক ভারতীয় হিসেবে যে আমি আজকের এই বিশেষ দিনে এই মঞ্চে দাড়িয়ে বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্তের মতন প্রতঃস্মরণীয় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে পারছি। ১৯৩০ সালের আজকের দিনে রাইটার্স বিল্ডিং এ ব্রিটিশ পোশাক পরে অনুপ্রবেশ করে অত্যাচারী সিম্পসন কে হত্যা করেছিলেন বিনয় বদল দীনেশ। এই তিন তরুণ তাদের ব্যাক্তিগত স্বার্থের কথা ভাবেননি, ভাবেননি নিজেদের খুশির কথা, কেবল দেশকে পরাধীনতা থেকে অত্যাচার থেকে মুক্ত করতে নিজেদের প্রাণ বলিদান দিয়েছেন তারা। এই তিন বীরের বীরগাঁথা নিয়েই ৮/১২, আমি গর্বিত এই ছবির প্রযোজক হিসেবে, এমন তিনজন সংগ্রামী বীরের কাহিনী আমরা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি। এই ছবির সঙ্গে অনেক পরিশ্রম, অনেক আত্মত্যাগ জড়িয়ে আছে। আশা করি ছবির ট্রেলার সকলের ভালো লাগবে। আসন্ন বছরের জানুয়ারি মাসেই দর্শক বিনয় বদল দীনেশের বীরত্বের কাহিনী বড় পর্দায় দেখতে পাবেন বলে আশা করছি। ছবির পরিচালক অরুণ রায় জানান, ভারতবাসীর স্বাধীনতা অনেক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফসল। বিনয় বাদল দীনেশের আত্মবলিদানের কথা আমরা বর্তমানে অনেকেই প্রায় ভুলে গিয়েছি। ১৯৩০ সালে ৮ই ডিসেম্বর, রয়টার্স বিল্ডিং এ তাদের ঐতিহাসিক অনুপ্রবেশ - ই আমাদের ছবির মধ্যে দিয়ে পরিবেশিত হতে চলেছে। ট্রেলারে ও প্রকাশিত তারই ঝলক। আশা করি এই ট্রেলার আপনাদের ভালো লাগবে।বিবাদি বাগে কর্মরত পুলিশ কর্তাদের সামনেই লঞ্চ করা হয় এই ট্রেলার। তাদের মধ্যেই অন্যতম উচ্চ পদস্থ এক পুলিশ কর্তা জানালেন, ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির এই ট্রেলার আমার মনে এক আশ্চর্য শিহরণ জাগিয়ে দিল।। ট্রেলার দেখতে দেখতে আমাদের প্রশিক্ষণের সময়ের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। এগারো ছবির সময় থেকেই অরুণ রায়ের ছবির ভক্ত আমি।।এই ছবির ট্রেলার দেখে আমি নিশ্চিত যে ভারতবাসী এই ছবি দীর্ঘ দিন মনে রাখতে চলেছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • ...
  • 56
  • 57
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রামপুরহাট হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, কড়া নির্দেশ ধ্রুব সাহার

বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বৃহস্পতিবার রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজার এবং প্রিন্সিপ্যালকে ধমক দেন।ধ্রুব সাহা বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেন না। ওয়ার্ড ও শৌচালয়ের অবস্থা খারাপ। রোগীদের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে।এদিন বিধায়ক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তিনি প্রিন্সিপ্যালকে স্পষ্ট বলেন, ঠাণ্ডা ঘরে বসে না থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর নজর দিন। নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজারকেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির জন্য সতর্ক করেন বিধায়ক ।গত কয়েক মাস ধরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে নোংরা পরিবেশ, রোগী হয়রানি ও চিকিৎসায় গাফিলতির বিভিন্ন অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তার পরেই আজ বিধায়কের এই সারপ্রাইজ ভিজিট।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“তাপস-সজলদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল”, বিধায়ক হয়েই ফেসবুকে বোমা ফাটালেন কুণাল

সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি এমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। একদিকে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে দলের অন্দরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলাম। ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার মানুষকে। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। পরে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকেই দল সাসপেন্ড করেছিল।তিনি আরও লেখেন, আজ আমি তৃণমূলের বিধায়ক হয়ে শপথ নিচ্ছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাত থেকে। এটাই ভাগ্যের খেলা।সজল ঘোষকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর দাবি, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ওঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি। আজ ওঁরা বিধায়ক। আমি এখনও তৃণমূলের সৈনিক হিসেবেই আছি।তবে এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি দলের অন্দরের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে লেখেন, যাঁদের জন্য তাপসদা, সজলরা এবং আরও অনেকে দল ছেড়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এখনও একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি রাজনীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। এতে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করতে আত্মসমালোচনা খুব জরুরি।রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণালের এই পোস্টে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সাম্প্রতিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বিতর্কেরও ইঙ্গিত রয়েছে।যদিও এই পোস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ওই দলের আত্মসমালোচনা করে আর কোনও লাভ নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মন বোঝেন বলে দাবি করেন, কিন্তু ফল তো সবাই দেখেছে।অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, হ্যাঁ, কুণালদা আমাদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর হাতে কিছু ছিল না। যদি থেকে যেতাম, তাহলে আজ চোর স্লোগান শুনতে হতো।

মে ১৪, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মন্ত্রিসভা এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভার স্পিকার করলেন শুভেন্দু

এখনও পুরো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। মাত্র পাঁচজন মন্ত্রীকে নিয়েই কাজ শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভার নতুন স্পিকারের নাম ঘোষণা করা হল। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসুকে অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করল বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানান, রথীন্দ্র বসুকেই বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।দায়িত্ব গ্রহণের পর রথীন্দ্র বসু বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা আমি পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। মানুষ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই বিধানসভা চালানোর চেষ্টা করব।২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্র বসু। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেই তিনি নির্বাচিত হন। জন্ম ও পড়াশোনা সবই কোচবিহারে। কোচবিহারের বি টি অ্যান্ড ইভিনিং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর নিজের একটি সংস্থাও রয়েছে।রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আরএসএসের সদস্য ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই এবার বিধানসভার স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।তৃণমূল সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছর বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের মুখকে সামনে আনল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতার আবেগঘন আর্জি, তারপরই বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক বিরল ছবি দেখল বাংলা। হাতে কাগজ ও ছবি নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে আবেদন জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।এদিন কলকাতা হাইকোর্টে দুটি মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। একটি মামলা করেন আইনজীবী রীতঙ্কর দাস। সেখানে হগ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হামলা ও অশান্তি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়।শুনানির পর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশকেই নিতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের দোকান বা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দল না দেখে তাঁদের সাহায্য করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।আদালত আরও জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেখানে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।এই রায়ের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালত তাদের অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে সওয়াল করেছেন। হাইকোর্টও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত। যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, দোকান ভাঙা হচ্ছে, মানুষকে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।কুণাল আরও বলেন, আদালতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। এই মামলার রায় ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal