• ৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

দুর্দান্ত চমক, গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী গোলকিপারকে তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল

গত মরশুমে গোলকিপার নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। তাই সামনের মরশুমে যাতে আর সমস্যায় পড়তে না হয় তারজন্য ভাল গোলকিপারের খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। সাফল্যও পেয়ে গেলেন। আই লিগের সেরা গোলকিপার ভাস্কর রায়কে তুলে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ইতিমধ্যেই এই তরুণ গোলকিপারের সঙ্গে প্রাকচুক্তিও সেরে ফেলেছেন লালহলুদ কর্তারা।এই বছর আই লিগে রাজস্থান এফসির হয়ে তিন কাঠির নিচে দুরন্ত পারফরমেন্স করেছেন ভাস্কর রায়। রাজস্থান এফসি আই লিগে সাফল্য না পেলেও তাঁর খেলা নজরে পড়েছিল বিভিন্ন ক্লাবের কর্তাদের। এবারের আই লিগে তিনি গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন। আইএসএল ছাড়াও আই লিগের বেশ কয়েকটা ক্লাবের প্রস্তাবও ছিল ভাস্কর রায়ের কাছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লালহলুদকেই বেছে নিয়েছেন ভাস্কর। কারণ ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে খেলার। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করাই ছিল ভাস্কর রায়ের লক্ষ্য। তাড়াছা ইস্টবেঙ্গলে খেলার সুবিধাও বেশি পাবেন বলে তাঁর মনে হয়েছে।মঙ্গলবারই এই বাঙালী গোলকিপারের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়েছে রাজস্থান এফসির। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে প্রাকচুক্তি করলেও অন্য ক্লাবে সই করারও পথ খোলা রয়েছে ভাস্করের সামনে। লালহলুদের থেকে তিনি যদি অন্য ক্লাব থেকে ভাল প্রস্তাব পান তাহলে প্রাকচুক্তি ভেঙে বেরিয়ে যেতে পারেন। শুধু ভাস্কর রায় নন, বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে এইরকম চুক্তি করে রেখেছে ইস্টবেঙ্গল। শুধু আইএসএলে জন্য নয়, কলকাতা লিগ, আইএফএ শিল্ড এবং ডুরান্ড কাপেও ক্লাবের জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে ভাস্কর রায়কে।এদিকে ইস্টবেঙ্গলের স্টপার হীরা মণ্ডলকে বড় রকমের প্রস্তাব দিয়েছে ওড়িশা এফসি। ওড়িশা ছাড়াও আইএসএলের একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে হীরার কাছে। দেখা যাক তিনি শেষ পর্যন্ত কোন দলের প্রস্তাব গ্রহন করেন। এদিকে সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া বাংলার মিডফিল্ডার সজল বাগকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। তাঁর সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করেছে চেন্নাইন। অর্থাৎ ২০২৫ পর্যন্ত তাঁকে চেন্নাইনের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে। ইস্টবেঙ্গলেরও নজর ছিল সজলের দিকে।

মে ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের বিতর্কিত কোচ এবার বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের দায়িত্বে

বরাবরই তিনি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসেন। আরও একবার চ্যালেঞ্জ নিলেন খালিদ জামিল। আইলিগ ও আইএসএলে সাফল্যের সঙ্গে কোচিং করানোর পর এবার আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনেও কোচিং করাতে চলেছেন খালিদ। এবার তাঁকে দেখা যাবে দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগের হাইপ্রোফাইল দল বেঙ্গালুরু ইউাইটেডের দায়িত্বে।২০১৬১৭ মরশুমে আইজল এফসিকে আইলিগ চ্যাম্পিয়ন করিয়ে খবরের শিরোনামে আসেন খালিদ। প্রথমে সহকারী কোচ হিসেবে নর্থইস্ট ইউনাইটেডে যোগ দিলেও পরবর্তীতে দলটির প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন খালিদ। গত মরশুমে আইএসএলে নর্থইস্ট ইউনাইটেডে পূর্ণসময়ের কোচ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন খালিদ। তাঁর কোচিংয়ে সাফল্য না পেলেও খুব একটা খারাপ খেলেনি নর্থইস্ট ইউনাইটেড। প্রথম ভারতীয় কোচ হিসেবে তিনি তাঁর দল নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে আইএসএলের প্লেঅফে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার অধীনে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল জন আব্রাহামের দল।যদিও তাঁর সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করেনি আইএসএলের এই দল। বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের দায়িত্ব নিয়ে খালিদ খুশি। তিনি বলেন, বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডে যোগ দিতে পেরে আমি খুশি। মুখিয়ে রয়েছি ক্লাবকে আরও শক্তিশালী করে ওদের ট্রফি ক্যাবিনেট ভরিয়ে তুলতে। বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের দলে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশ্রন রয়েছে। আমি মুখিয়ে রয়েছি তাদের সাথে কাজ করে আমার সমস্ত শিক্ষা শেয়ার করার জন্য। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা এক সাথে কাজ করতে পারব এবং ক্লাবকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারব।সূত্রের খবর, দুই বছরের চুক্তিতে খালিদকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। আই লিগ জয়ী কোচের সার্ভিস নিশ্চিত করার পর বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের মালিক গৌরব মাচান্দা বলেছেন, ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা কোচ খালিদ। দীর্ঘ নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা আছে। টেকনিক্যাল স্কিলো দারুণ। কোচিং অভিজ্ঞতা অনেক। আমরা নিশ্চিত ওর তত্ত্বাবধানে ক্লাব আরও বড় উচ্চতায় পৌঁছবে।আইজলের মতো এক অখ্যাত দলকে ভারতীয় ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন খালিদ জামিল। তাঁর হাতে পড়ে ইতিহাস তৈরি করে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় আইজল এফসি। আইজলকে চ্যাম্পিয়ন করার পর তিনি দেশের ফুটবলের দুই স্তম্ভ ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের কোচের দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করেছেন। ইস্টবেঙ্গলে কোচিং করানোর সময় তিনি বিতর্কের মুখেও পড়েছিলেন।

মে ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি বিশ বাঁও জলে

শ্রী সিমেন্ট সরে যাওয়ার পর আইএসএলে খেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিল ইস্টবেঙ্গল। বেশ কয়েকটা সংস্থার সঙ্গে কথা বললেও কেউ এগিয়ে আসেনি। অবশেষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগে ইমামি গ্রুপ স্পনসর করতে রাজি হয়েছে। তার আগে সৌরভ গাঙ্গুলি কথা বলেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে জোট বাঁধার কোনও ইচ্ছেই নাকি নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। কয়েকদিন আগে সৌরভ গাঙ্গুলি নিজের মুখেই জানিয়েছিলেন, ম্যান ইউয়ের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। দিন দশবারোর মধ্যে ছবিটা পরিস্কার হয়ে যাবে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের গাঁটছড়া বাঁধার পুরো বিষয়টা সৌরভই দেখছিলেন। তিনিই ছিলেন মধ্যস্থতাকারীর দায়িত্বে।সৌরভ গাঙ্গুলি চুক্তির ব্যাপারে বলেছিলেন, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটা স্পনসরের সঙ্গেও কথা হয়েছে। ১০১২ দিনের মধ্যেই বিষয়টা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আগে বিষয়টা চূড়ান্ত হোক, তারপর পরিস্কারভাবে জানাতে পারব। আর ম্যাঞ্চেস্টার যদি আসে, তাহলে মালিক হিসেবেই আসবে, স্পনসর হিসেবে নয়।আরও পড়ুনঃ কীর্তি-র কীর্তি তে বন্যাবিধ্বস্ত দুর্গতদের মুখেও হাসি, এ এক অন্য আমলার কাহিনিযদিও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে এখনও কোনও কিছু এগোয়নি। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত সংবাদপত্র দ্য সানএ ইস্টবেঙ্গল ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি নিয়ে একটা প্রতিবেদন বেরিয়েছিল। এই বিষয়ের সত্যতা জানার জন্য ম্যান ইউকে একটি মেল পাঠানো হয়েছিল নিউজ নাইন সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে। নিউজ নাইনকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই খবরের কোনও ভিত্তি নেই। আইএসএলের কোনও ক্লাবের জন্য বিড করার পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। বর্তমান যা পরিস্থিতি, অদূর ভবিষ্যতেও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কোনও সম্ভাবনা নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সমস্যা কাটিয়ে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ইনভেস্টার পাওয়ার আগে থেকেই দল গোছানোর কাজ শুরু করেছিল লালহলুদ। ইমামি নয়া বিনিয়োগকারী হিসেবে ঘোষণা হওয়ার পর সেই কাজে আরও গতি এসেছে। নতুন উদ্যোমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন লালহলুদ কর্তারা।

মে ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সব প্রয়াস ব্যর্থ, বাংলার হয়ে খেলবেন না ঋদ্ধিমান

বিভিন্নভাবে ঋদ্ধিমান সাহার মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছিল সিএবি। সব প্রয়াস ব্যর্থ হয়ে গেল। বাংলার হয়ে রনজি না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় ঋদ্ধিমান। বৃহস্পতিবার সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সরকারি বিবৃতিতেই তার ইঙ্গিত। এই প্রথম ঋদ্ধিমান ইস্যু নিয়ে তিনি মুখ খুললেন। বাংলার কোচ অরুণলালও ফোন করেছিলেন ঋদ্ধিমানকে। তাঁকেও না খেলার কথা জানিয়েছেন ঋদ্ধি। পারিবারিক কারণে রনজির গ্রুপ পর্যায়ে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁর সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন সিএবির যুগ্মসচিব দেবব্রত দাস। এই নিয়ে ঋদ্ধিমানের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়। তিনি বাংলার হয়ে না খেলার কথা বলেন। এমনকি সিএবির কাছ থেকে রিলিজও চান। সিএবি চেয়েছিল ঋদ্ধিমান রনজি ট্রফির নক আউটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলার হয়ে খেলুক। এইরকম ম্যাচে দলে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের প্রয়োজন। তাই ঋদ্ধিকে দলে চেয়েছিলেন কোচ অরুণলাল এবং সিএবি কর্তা। রনজি খেলার ব্যাপারে সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া ঋদ্ধিমানকে বারবার বোঝান। তিনি এও জানান, সিএবি যুগ্মসচিব দেবব্রত দাসের বক্তব্য সিএবির নয়। এমনকি তার দায়ও সিএবির নেই। তাতেও মন গলেনি ঋদ্ধিমানের। এমনকি বুধবার বাংলার রনজি ট্রফির জন্য তৈরি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ ছেড়েও বেরিয়ে যান। তখনই পরিস্কার হয়ে যায় বাংলার হয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় ঋদ্ধিমান। ঋদ্ধিমান প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার অভিষেক ডালমিয়া বলেন , আমি ঋদ্ধিমানকে বলেছিলান যে তাকে রনজির নক আউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলার দরকার আছে। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য ঋদ্ধিকে অনুরোধ করেছিলাম। ঋদ্ধিমান আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং জানিয়েছেন যে সে রনজি নকআউট পর্বে বাংলার হয়ে খেলতে ইচ্ছুক নয়। সিএবিঋদ্ধিমান বিতর্ক প্রকাশ্যে আসে ১৭ মে রনজির নক আউট পর্বের জন্য বাংলা দল ঘোষণার সময়। তাঁর সঙ্গে কথা না বলেই ঋদ্ধিকে দলে রাখা হয়। দলে নাম থাকার পরেও বাংলা ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বলেন ঋদ্ধি। এরুপর ঋদ্ধি বাংলা ছেড়ে যাওয়ার জন্য এনওসি চেয়ে সিএবি প্রেসিডেন্ট সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার সাথে কথা বলেন। তিনি ডালমিয়াকে বলেন , তিনি আর বাংলার হয়ে খেলতে আগ্রহী নন এবং এনওসি চান। সিএবি যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাসের ওপর বিরক্ত হয়েই বাংলা ছাড়তে চান। কারণ দেবব্রত দাস ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। অভিষেক ডালমিয়াকে ঋদ্ধি বলেন, দেবব্রত দাসকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে হবে। সিএবি ঋদ্ধির প্রস্তাবে রাজি হয়নি।

মে ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'মন ফাগুন' এর ৩০০ তম এপিসোড উদযাপন

২০২১ এর ২১ জুলাই প্রথম টেলিকাস্ট হওয়ার পর শন ব্যানার্জি ও সৃজলা গুহর ধারাবাহিক মন ফাগুন ৩০০ এপিসোডে পা দিল। এই ধারাবাহিকে শন ব্যানার্জি ঋষিরাজ ও সৃজলা পিহুর চরিত্রে অভিনয় করছেন। মডেল হিসাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করা সৃজলার এটা প্রথম ধারাবাহিক। অন্যদিকে আমি সিরাজের বেগম ও এখানে আকাশ নীল ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করা শন ব্যানার্জি মন ফাগুন-এর প্রথম দিন থেকেই দর্শকদের মন কেড়েছেন।৩০০ তম এপিসোড কেক কেটে উদযাপন করল ধারাবাহিকের সকলে। অ্যাক্রোপলিস এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের সোশ্যাল মিডিয়ার পেজে উদযাপনের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয় মন ফাগুনের ৩০০ তম এপিসোড উদযাপন। মন ফাগুন লেখা একটা কেক ও কাটেন ইউনিটের সকলে।এর পাশাপাশি স্টার জলসা এই ধারাবাহিক উদযাপনের একটি ভিডিও পোস্ট করে। যেখানে কলাকুশলীরা এই ধারাবাহিকে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। উল্লেখ্য মন ফাগুন ধারাবাহিকে শাশ্বতী গুহঠাকুরতা, গীতশ্রী রায়, রব দে, শায়ন দে, অনন্যা সেনগুপ্ত আরও পরিচিত মুখ অভিনয় করছেন।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদের আবার মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই ইস্টবেঙ্গলে ইমামি

আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা চলছিল, এগিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শ্রী সিমেন্টকে ইনভেস্টর হিসেবে এনে দিয়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আবার লালহলুদের মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ালেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাঁর উদ্যোগেই লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হল ইমামি গ্রুপ। আজ নবান্নে মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ইমামি গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই ইস্টবেঙ্গল এবার আইএসএলে খেলবে। এদিন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের পাশাপাশি নবান্নে হাজির ছিলেন ইমামির প্রতিনিধিরাও।বেশ কয়েকমাস ধরেই বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাটঁছাড়া বাঁধার জল্পনা চলছিল। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হচ্ছিল না। শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে পারে। তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা কথা হয় লালহলুদ কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে পুরো বিষয়টা জটে আটকে যায়। এরপর শোনা যাচ্ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা। তার আগেই ইমামি গ্রুপের সঙ্গে চূক্তি চূড়ান্ত হল। বুধবার নবান্নে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইমামি গ্রুপকে ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়ে যায় ইমামি গ্রুপ। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আজ দুই পক্ষের কর্তারা আমার এখানে চা খেতে এসেছিল। সেখানেই বিনিয়োগের ব্যাপারে দুই পক্ষের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। দুপক্ষই রাজি হয়েছে। ইমামি বিনিয়োগ করায় ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার যে সমস্যা হচ্ছিল, সেই সমস্যা মিটে যাবে। ইমামি গ্রুপকে ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। আবার ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। শুধু ইনভেস্টর এনে দেওয়ায়ই নয়, যেভাবে ক্লাবের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকেন, সেটা বাংলার আর কোনও মুখমন্ত্রী আগে ভাবেননি। আমি ইমামি গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাব। আশা করব আগামী দিনে আমাদের ক্লাব ইমামির সাহায্যে সাফল্য পাবে। শোনা যাচ্ছে শুধু আইএসএলের জন্যই ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করবে। অন্য স্পনসরের অধীনে কলকাতা লিগ আর আইএফএ শিল্ড খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

মে ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রথমবার বড়পর্দায় শন, বলিউড তারকা রিতেশ দেশমুখ এবার বাংলা ছবিতে

বলিউডের জনপ্রিয় নাম, ১১৪টির বেশি ছবিতে সফলভাবে ক্যামেরার দায়িত্ব সামলানো কবীর লাল সিং প্রথম ছবি পরিচালনা করলেন। মোট ৪টি ভাষায় ছবিটি দর্শকদের কাছে পৌঁছবে। বাংলাতে ছবিটির নাম অন্তদৃষ্টি। এখানে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তার স্বামীর চরিত্রে দেখা যাবে ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী কে। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার বড়পর্দায় দর্শকরা দেখতে পাবেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা শন ব্যানার্জিকে। ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে শন কে। এর পাশাপাশি বলিউড তারকা রিতেশ দেশমুখ কে প্রথমবার কোনো বাংলা ছবিতে পেতে চলেছেন দর্শকরা।কলকাতার একটি বড় হোটেলে ছবির প্রথম লুক প্রকাশ্যে এল। উপস্থিত ছিলেন ছবির মুখ্য চরিত্র ছাড়াও অন্যান্য কলাকুশলীরাও। অন্তদৃষ্টি তে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর দুটি চরিত্র রয়েছে। কঙ্গনা ও রঙ্গনা দুই চরিত্রে রয়েছেন টলিউডের গ্ল্যামারাস এই অভিনেত্রী। ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীর চরিত্রের নাম জন। সুজয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন শন ব্যানার্জি। রিতেশ দেশমুখের চরিত্রের নাম কার্তিক যোশী

মে ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শেষ হল “নার্ভ”-এর শুটিং, ছবিটি এবার মুক্তির অপেক্ষায়

রাধে কৃষ্ণা ফিল্মস এর প্রযোজনায় সায়ন বসুর পরিচালনায় রূপসা মুখোপাধ্যায়, অনন্যা গুহ, অক্ষয় গুপ্ত ও ঈশান মজুমদার অভিনীত নার্ভ সিনেমার শুটিং প্রায় হতে চলেছে। প্রয়াগ ফিল্ম সিটি তে মিউজিক ডিরেক্টর অমিত মিত্রের পরিচালনায় প্রশ্মিতা পাল ও রাজ বর্মন এর গাওয়া হেরেছে দিল গানে অক্ষয় ও অনন্যা কে একসঙ্গে নাচতে দেখা যাবে। ছবিতে রূপসা সম্রাজ্ঞীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ঋত্বিকার চরিত্রে দেখা যাবে অনন্যাকে। নার্ভ-এ দেখা যাবে অনন্যা অর্থাৎ ঋত্বিকা ভালোবাসে দেব অর্থাৎ অক্ষয় অভিনীত চরিত্রটিকে। এই ছবির মাধ্যমে ডেবিউ করতে চলেছেন অভিনেতা অক্ষয় গুপ্ত। খুব শীগ্রই এই সিনেমা দর্শকরা দেখতে পাবেন। ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক সায়ন বসু জানিয়েছেন, আমাদের নার্ভ এর শুটিং শেষ হল। প্রয়াগ ফিল্ম সিটিতে ছিল আমাদের গানের শুটিং। শুটিং-এর অভিজ্ঞতা খুব ভালো। ছবিটি মুক্তি পেলে সকলে দেখে ফিডব্যাক জানাবেন। অনন্যা জানালেন, প্রয়াগ ফিল্ম সিটিতে আমাদের ছবি নার্ভ এর গান হেরেছে দিল এর শুটিং শেষ হল। খুব তাড়াতাড়ি থিয়েটারে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। সবাই হলে গিয়ে ছবিটি দেখুন।

মে ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গানের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে বিশেষ অনুভূতি

গানের মধ্যে কত অনুভূতিই না জুড়ে থাকে। কোনও গানে শৈশবকে তুলে ধরা হয়। কোনও গানে স্মৃতি জড়িয়ে থাকে। আবার কোনও গানে কাছের মানুষকে আবার ফিরে পাওয়া যায়।কিন্তু এমন একটা গান যেখানে এই সবকিছুর ছোঁয়া পাওয়া যাবে। শৈশবের পুরনো স্মৃতি, আবেগ ও কাছের মানুষটা আবার কাছে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি এই নিয়েই আসছে একটি নতুন গান। গানটির নাম সোনালি দুপুর। শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় এর কথায় জয় সরকারের সঙ্গীত পরিচালনায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী ফারজানা সিফাত গানটি গেয়েছেন। সৌমজিৎ আদকের পরিচালনায় গানটির মধ্যে দেখা যাবে ফারজানা সিফাত, শিশু শিল্পী রূপদীপ্তা মুখার্জি এবং লিনা মুখার্জিকে। গানটি নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা শুরু হয়েছে।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নতুন চমক ইস্টবেঙ্গলের?‌ লালহলুদে আসতে পারেন ‘‌এ’‌ লিগে খেলা বিদেশি

স্পনসর এখনও চূড়ান্ত না হলেও সামনের মরশুমের জন্য ধীরে ধীরে দল গুছিয়ে নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। গত দুবছর ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ওয়াহেংবাম আঙ্গুসানা লুয়াংয়ের সঙ্গে চুক্তি নবীকরণ করল লালহলুদ। মনিপুরের এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে আরও দুবছরের চুক্তি করল ইস্টবেঙ্গল। তাঁকে প্রাক চুক্তিপত্রে সই করিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা।ট্রাই এফসি থেকে যোগ দেওয়ার পর গত দুমরশুম ধরে লালহলুদ জার্সিতে খেলছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। প্রথম মরসুমে রবি ফাওলারের কোচিংয়ে এবং এই মরশুমে প্রথমে মানোলো দিয়াজ, পরবর্তীতে মারিও রিভেরার কোচিংয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন আঙ্গুসানা। তাই তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাড়াল ইস্টবেঙ্গল।সাগোসবান্দ এফসির হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেন আঙ্গুসানা। এরপর তিনি আই লিগের দল ট্রাউ এফসিতে সই করেন। সেই সময় ট্রাউ এফসি আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলত। দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগে ট্রাউয়ের হয়ে ১২টি ম্যাচ খেলেন। দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে আই লিগের মূলপর্বেও তোলেন। আই লিগের মূলপর্বে ট্রাউয়ের হয়ে ১৭টি ম্যাচ খেলেছিলেন আঙ্গুসানা। আই লিগে ভাল খেলার সুবাদে লালহলুদ কর্তারা তাঁকে সই করান। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে এখনও পর্যন্ত ২৮টি ম্যাচ খেলেছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। এই বছর আই লিগে যে কটা ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন, নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন।এদিকে, আরও এক বিদেশি ফুটবলারের লালহলুদে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে খেলা দিমিত্রি পেত্রতোসকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই মাঝমাঠের এই জীবনপঞ্জী লালহলুদ কর্তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের হয়ে খেলছেন। সৌদি আরবের প্রফেশনাল লিগের দল আল ওহেদাতেও খেলেছেন তিনি। সেখান থেকেই লোনে তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে যোগ দিয়েছেন।২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার বহু ক্লাবে খেলেছেন।২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেন রোরে। তারপর যোগ দেন উলসান হুন্ডাইয়ে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত খেলেন নিউক্যাসেল জেটসে। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বয়স ভিত্তিক জাতীয় দলে খেলেছেন। অনূর্ধ্ব ১৭, ২০, ২৩ দলের হয়ে কিছু ম্যাচ খেলেছেন। সিনিয়র দলেও সুযোগ পেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে তিনটি ম্যাচও খেলেছেন। এখন দেখার তাঁকে শেষ পর্যন্ত পছন্দ হয় কিনা লালহলুদ কর্তাদের।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

কর্মী ঘাটতিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া পূর্ব-বর্ধমান সহ রাজ্যের ৪৯০ টি লাইব্রেরির খবরে নড়ে চড়ে বসলো রাজ্য

গ্রন্থাগার অনেক থাকলেও নেই গ্রন্থাগারিক বা গ্রন্থাগার কর্মী। আর তার কারণেই তালা পড়ে গিয়েছে খোদ রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর নিজের জেলা পূর্ব বর্ধমানের প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগ্রারে। আর সারা রাজ্যে তালা পড়েছে ৪৯০ টি গ্রন্থাগারে। এছাড়াও কর্মী হীনতার কারণে রাজ্যের সর্বত্রই এখন দুরাবস্থায় ধুঁকছে গ্রামীন গ্রন্থাগার গুলি। তা নিয়ে হতাশ বাংলার বই প্রেমিরা। বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরা রাজ্য সরকারের সমালোচনায় মুখর হলেও রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী দাবি করেছেন, কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।যুগযুগ ধরেই বলা হয়ে আসছে অন্তহীন জ্ঞানের উৎস হল বই। আর গ্রন্থাগার অর্থাৎ লাইব্রেরি হল সেই বইয়েরই আবাসস্থল। তাই মূলত বাঙালির বই পড়ার আগ্রহ থেকেই রাজ্যে ১৫০০টির মতোন গ্রামীন গ্রন্থাগারের উৎপত্তি হয়। তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৫১ টি গ্রন্থাগার রয়েছে। গ্রন্থাগার দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দেড় শতাধীক গ্রন্থাগার গুলি পরিচালনার জন্যে সরকারী ভাবে প্রথম থেকেই ৩৪০ জন স্টাফ অনুমোদিত হয়ে আছে। আগে ছিলেনও তাই। কিন্তু বর্তমান সময় পর্যন্ত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে ২৬২ জন কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁদের শূণ্য পদে নতুন করে আর কোনও নিয়োগ হয় নি। ফলে এখন পূর্ব বর্ধমান জেলায় কর্মরত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭৮ জন।একই কারণে গোটা রাজ্যেও তৈরি হয়েছে গ্রন্থাগার কর্মীর ঘটতি। দফতর সূত্রে খবর, রাজ্যে ৪ হাজারের বেশী গ্রন্থাগার কর্মীর পদ এখন শূন্য হয়ে রয়েছে। তারমধ্যে প্রায় হাজারের বেশী গ্রন্থাগারিক (লাইব্রেরিয়ান) শূন্য পদ রয়েছে ।এত বিশাল সংখ্যক গ্রন্থাগার কর্মীর ঘাটতির কারণেই এখন কার্যত ধুঁকছে পূর্ব বর্ধমান সহ গোটা রাজ্যের গ্রামীণ গ্রন্থাগার গুলি।কর্মীদের কথায় জানা গিয়েছে, গ্রন্থাগার গুলির দুরাবস্থা কাটার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তৃণমূল সরকার তৃতীয় বার রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর। গত বছরের জুলাই মাসে রাজ্য সরকার শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্তও নেয়। ২০২১ এর আগষ্ট মাস থেকে গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে রাজ্যের গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের তরফে ঘোষণা করা হয়। তাতে বলা হয়, প্রথম দফায় ৭৩৮ টি গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ হবে। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরিও সেই কথা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন। কিন্তু ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবের কোন মিল আজও যেমন দেখা যায়নি, কাজের কাজও কিছু হয়নি। এমনটাই অভিযোগ, দুর্দশাগ্রস্ত গ্রন্থাগার গুলির পরিচালন কমিটির কর্তা ব্যক্তিদের। তাঁরা এও জানান, সম্প্রতি রাজ্য সরকার রাজ্যের ২৩ জেলা মিলিয়ে মোট ৭৩৭ টি গ্রামীণ লাইব্রেরিতে লাইব্রেরিয়ান শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবারও যদি ঘোষণা মতো কাজ না হয় তবে আরো বহু পাঠাগারে তালা পড়ে যাবে।জেলা গ্রন্থাগারিক (পূর্ব বর্ধমান) নির্মাল্য অধিকারী জানিয়েছেন, গ্রন্থাগার কর্মীর সীমাহীন ঘাটতির কারণে জেলায় এখন প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগার পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হয়েছে। বাকি গ্রন্থাগার গুলি কোনরকমে সপ্তাহে একদিন বা দুদিন চালু রাখা হচ্ছে শুধুমাত্র সম্পদ টুকু বাঁচিয়ে রাখার জন্যে। তাও সব জায়গায় গ্রন্থাগারিক দিয়েই যে গ্রন্থাগার চালু রাখা যাচ্ছে, এমনটাও নয়। সম্পদ বাঁচিয়ে রাখার জন্যে এক একজন গ্রন্থাগার কর্মী বা গ্রন্থাগারিককে এখন একাধীক গ্রন্থাগারের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। এমনকি বহু গ্রন্থাগারিক পদ শূন্য থাকায় বেশীরভাগ জায়গায় গ্রন্থাগার কর্মীদেরকেই গ্রন্থাগার সামলাতে হচ্ছে ।তালা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা জেলার গ্রন্থাগার গুলির অন্যতম একটি হল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। দেশ স্বাধীন হওয়ার অনেক আগে ১৯৩৬ সালে এই পাঠাগারটির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তার পর থেকে ঐতিহ্যশালী এই পাঠাগারটি স্বাভাবিক নিয়মেই চলছিল। কিন্তু গত ৭ মাস কাল যাবৎ এই পাঠাগারটির দরজা তালা বন্ধ হয়েই পড়ে রয়েছে। কারণও সেই একটাই। এই পাঠাগারের পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মী অবসর নেওয়ার পর তাঁদের শূন্য পদ আজও পূরণ হয় নি। পাঠাগারটির পরিচালন কমিটির সভাপতি অরুপ মল্লিক ও যুগ্ম সম্পাদক দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় বলেন,স্বাধীনতার আগে তৈরি হয়েছিল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। কর্মী শূণ্যতার কারণে সেই পাঠাগারের দরজায় যে তালা পড়ে যাবে সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। বিষয়টি নিয়ে লিখিত ভাবে সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধীকবার জানানো হয়েছে। তবে এখনও অবধি কোন সুরাহার ব্যবস্থা হয় নি। একই রকম পরিণতির অপেক্ষায় দিন গুনছে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুর ব্লকের জাড়গ্রামের মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগার। পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মীরা অবসর নেওয়ার পর এখন একজন মাত্র দপ্তরী কাম বুক বাইন্ডার এই পাঠাগারটির হাল ধরে আছেন। ওই বুক বাইন্ডারই অন্য পাঠাগার সামলে সপ্তাহে ১-২ দিন মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগারটি খুল বসছেন। এমন দুরাবস্থায় ধুঁকছে জেলার আরো অনেক পাঠাগার। তাই স্বাভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, কবে কাটবে বাংলার গ্রামীন পাঠাগার গুলির এই দুরাবস্থা?এরই উত্তর পাবার জন্যে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী তথা মন্তেশ্বরের বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, কাগজে কলমে রাজ্যে লাইব্রেরির সংখ্যা ২৪৮০টি। এর মধ্যে গ্রামে রয়েছে ১৫০০টি লাইব্রেরি। তবে ২৬ টি লাইব্রেরির কোন অস্তিত্বনেই। ২৪৫৪ টি লাইব্রেরির মধ্যে ৪৯০ টি লাইব্রেরি এখন বন্ধ রয়েছে কর্মীর অভাবে। ১৯০০ কিছু বেশী লাইব্রেরি এখন চালু রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৬০০ লাইব্রেরি এখন অ্যাডিশনাল চার্জে চলছে। মন্ত্রী জানান, লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদ পূরণে মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগী হওয়ায় রাজ্যে ৭৩৭টি লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঠিকঠাক কাজ চললে আগামী চার মাসের মধ্যে ৫০ শতাংশ লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে ফিলাপ পক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এটা হয়েগেলে অ্যাডিশনাল চার্জ আর কাউকে নিতে হবে না। পাশাপাশি মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি এও জানান, আমফানে রাজ্যের লাইব্রেরি গুলির প্রায় ১০ লক্ষ বই নষ্ট হয়েছে। আর কোথায় কিভাবে বই নষ্ট হয়েছে সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। গ্রন্থাগার মন্ত্রীর কথায় ইঙ্গিত মিলেছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন লাইব্রেরী খোলা থাকার দিন এবার এবার শেষ হতে চলেছে। এবার থেকে শুধু মাত্র প্রতি সপ্তাহের রবিবার লাইব্রেরি খোলা রাখার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে দপ্তর।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সিএবি কর্তাকে ক্ষমা চাইতে বললেন!‌ বাংলার হয়ে খেলতে চান না ঋদ্ধিমান

বাংলার ক্রিকেটে বিতর্ক কিছুতেই পেছন ছাড়ছে না। একসময় কোচ অরুণলাল ও সিএবি কর্তাদের আচরণে বিরক্ত হয়ে বাংলা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অশোক দিন্দা। এবার সেই রাস্তায় হাঁটলেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁকে রেখেই রনজি কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য সোমবার দল ঘোষণা করেছে বাংলা। কিন্তু বাংলার হয়ে খেলা তো দূর অস্ত, সিএবির কাছ থেকে ছাড়পত্র চাইলেন ঋদ্ধিমান। বাংলা ছেড়ে তিনি অন্য রাজ্যের হয়ে খেলতে চান। সোমবার রাতে রনজি নক আউটের জন্য দল বাছতে বসেছিলেন বাংলার নির্বাচকরা। সেই দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির ছিলেন সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া, সচিব স্নেহাশিষ গাঙ্গুলি, যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস, কোচ অরুণলাল, অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। দীর্ঘ ঘন্টা দুয়েকের বৈঠকের পর ২২ জনের দল বেছে নেওয়া হয়। ঋদ্ধিমান সাহার সঙ্গে মহম্মদ সামিকেও রনজি দলে রাখা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যদি অনুমতি দেয়, তাহলেই সামিকে রনজিতে খেলাতে পারবে বাংলা। রাতেই ঋদ্ধিমান সাহার কাছে বাংলা দলে থাকার খবর চলে যায়। এরপর তিনি রাতেই সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেননি। আজ দুপুরে অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় ঋদ্ধির। তখন তিনি সিএবি যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। রনজি গ্রুপ লিগ থেকে সরে দাঁড়ানোয় ঋদ্ধির দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দেবব্রত দাস। এতে দারুণ অপমানিত বোধ করেন ঋদ্ধি। তিনি ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন, দেবব্রত দাস যদি প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান তাহলে তিনি আর কোনও দিন বাংলার হয়ে খেলবেন না। সেই কথা তিনি সিএবি প্রেসিডেন্টকে নাকি জানিয়েও দিয়েছেন। ঋদ্ধিমানের ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, বাংলা দল নির্বাচনের আগে তাঁর সঙ্গে নাকি কোনও কথাই বলেনি সিএবির কোনও কর্তা ও নির্বাচকরা। এই নিয়ে অসন্তুষ্ট ঋদ্ধি। ঘনিষ্ঠমহলে তিনি বলেছেন, দল নির্বাচনের আগে তাঁর সঙ্গে একবার কথা বলে নিতে পারতেন সিএবি কর্তারা।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মনোতোষ চূড়ান্ত, দুই বিশ্বকাপারকে দলে নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল

আইএসএলের স্পনসর কবে আসবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চিয়তা রয়েছে। সহযোগী স্পনসর নিয়ে কলকাতা লিগ, শিল্ড, ডুরান্ড কাপ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। সেই লক্ষ্যে সামনের মরশুমের জন্য দল গঠনে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন লালহলুদ কর্তারা। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেছে ইস্টবেঙ্গল। এবার বাংলা দলের সন্তোষ ট্রফির অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করল লালহলুদ শিবির। সন্তোষ ট্রফিতে রীতিমতো নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন মনোতোষ চাকলাদার। রক্ষণে বাংলাকে দারুণ নির্ভরতা দিয়েছিলেন। তাঁর খেলা দেখে লালহলুদ কর্তাদের ছাড়াও ভাল লেগেছিল চেন্নাইন এফসির কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি চেন্নাইন এফসিরও প্রস্তাব ছিল মনোতোষের কাছে। শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলকেই বেছে নিলেন বাংলার এই উদীয়মান ডিফেন্ডার। কেন লালহলুদকে বেছে নিলেন, সেই প্রসঙ্গে মনোতোষ চাকলাদার বলেন, প্রথম কথা ইস্টবেঙ্গল কলকাতার দল। ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবে খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে গর্বের। আর চেন্নাইনে সবসময় খেলার সুযোগ পাব কিনা, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের হয়ে খেলা দুই ফুটবলারারে সঙ্গে কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। মহম্মদ রকিপ ও জিতেন্দ্র সিংকে দলে নিতে আগ্রহী ইস্টবেঙ্গল। রকিপ মণিপুরের ফুটবলার। মূলত খেলেন রক্ষণভাগে। তাঁকে দুই বছরের চুক্তিতে দলে নিতে চাইছেন লাল হলুদ কর্তারা। ইতিমধ্যে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছেন বছর একুশের এই ডিফেন্ডার। অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে খেলা জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে। জিতেন্দ্র ডিফেন্সের পাশাপাশি মাঝমাঠে খেলতে পারেন। মূলত ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ভূমিকায় তাঁকে নেওয়ার কথা ভাবছে ইস্টবেঙ্গল। একদিকে দল গোছালেও ভাঙতেও পারে। ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে চলে যেতে পারেন ডিফেন্ডার আদিল খান। তাঁকে দলে নিতে আগ্রহী চেন্নাইয়িন এফসি। ৩৩ বছর বয়সী এই ফুটবলার ভারতের একাধিক ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। গতবছর ইন্ডিয়ান সুপার লিগে লালহলুদ রক্ষণকে যথেষ্ট নির্ভরতা দিয়েছিলেন। দলের খারাপ পারফরমেন্সের মাঝেও আদিলের খেলা লাল হলুদ সমর্থকদের ভাল লেগেছিল। একসময় সবুজমেরুণ জার্সি গায়েও খেলেছিলেন আদিল। পুনে সিটি এফসির হয়েও আইএসএলে খেলেছিলেন।

মে ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জোরকদমে চলছে "সৎ ভূত অদ্ভূত" এর শুটিং

প্রযোজক ববি চৌধুরীর উদ্যোগে পরিচালক প্রীতম সরকারের প্রযোজনায় প্রোডাকশন হাউস অ্যাকন প্রীতি ক্রিয়েশন এলএলপি এর নিবেদিত সৎ ভূত অদ্ভূত সিনেমা আসতে চলেছে। সিনেমায় অভিনয় করছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যায়, খরাজ মুখার্জী, পার্থ চক্রবর্তী, প্রসূন গাইন, রাজু মজুমদার, পূজা সরকার, ইভলিনা চক্রবর্তী সহ আরো অনেক পরিচিত মুখ।এই ছবির শুটিং কভারেজ হয়ে গেল টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে। উপস্থিত ছিলেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রসূন গাইন, পূজা সরকার, ইভলিনা চক্রবর্তী প্রমুখ।সৎ ভূত অদ্ভূত নিয়ে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, কাজটা করে ভালো লাগছে। একটা অন্য ধরণের ছবি। এর মধ্যে একটা ব্যঞ্জনা আছে। পদ্ধতিটা অন্য ধরণের। একটা মেসেজ রয়েছে। বিনোদনও রয়েছে। তাছাড়া মানুষ দৈনিক জীবনেরও খোঁজ পাবে।

মে ১১, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়ায় আকাদেমী পুরস্কার ফেরালেন বাংলার লেখিকা

বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আর তা জানার পরেই প্রতিবাদ স্বরুপ অন্নদাশঙ্কর সম্মামনা ত্যাগ করলেন বর্ধমানের খাগড়াগড় নিবাসী লেখিকা ও গবেষক রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায়।পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমিকে চিঠি পাঠিয়ে লেখিকা তাঁর এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েও দিয়েছেন ।পাশাপাশি ২০১৯ সালে পাওয়া অন্নদাশঙ্কর সম্মামনা তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। লেখিকার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি কবি ও সাহিত্যিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। যদিও লেখিকা রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায় তাঁর সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।এই বছরই প্রথম বাংলা আকাদেমির নামাঙ্কিত রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার দেওয়া চালু হয়। সমাজের অন্যান ক্ষেত্রে কাজের পাশাপাশি যাঁরা নিরলস সাহিত্য সাধনা করে চলেছেন তাঁদের পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা আকাদেমি।তারা বাংলার বেশ কাছু পথিতযশা সাহিত্যিকের মতামত নিয়ে কবিতা বিতান কাব্যগ্রন্থের জন্যে প্রথম বছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার দেওয়ায় জন্য মনোনিত করেন। সোমবার ২৫ শে বৈশাখ উপলক্ষে রাজ্য সরকার আয়োজিত কবি প্রণাম অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বাংলা আকাদেমি রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার পাওয়ার কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দবতরের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়ার বিষটি কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি লেখিকা ও গবেষক রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায়।তিনি ২০০৯ সালে ও ২০১৯ সালে আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন। মুসলিম বিয়ের গান সহ নানা বিষয়ে গবেষণা রয়েছে। অজস্র প্রবন্ধ ও গল্প লেখিকা রত্নাদেবীর ঝুলিতে রয়েছে ৩০ টি পুরস্কার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা আকাদেমি পুরস্কার পাওয়া নিয়ে মঙ্গলবার তিনি সংবাদ মাধ্যমের কাছেও ক্ষোভ উগড়ে দেন। তিনি বলেন, যেভাবে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে তার একটা প্রতিবাদ দরকার। পাশাপাশি রত্নাদেবী এও বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের লেখাগুলিকে তিনি সাহিত্য পদবাচ্য বলেই মনে করেন না। যাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা কীভাবে এই সিদ্ধান্ত নিলেনে তা নিয়েও তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।এরপরেই তিনি জানিয়ে দেন ,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আকাদেমি পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদ জানাতে ২০১৯ সালে পাওয়া আকাডমি পুরস্কারটি তিনি ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে লেখিকা রত্না রশীদ বন্দোপাধ্যায় দাবী করেন, সোমবার মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়কে আকাদেমি পুরস্কার দেওয়ার বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারেননি। কারণ এতে পুরস্কারের গরিমা রক্ষিত হয়নি। তিনি মনে করেন, সাহিত্য সাধনার বিষয়। সেই সাহিত্য বিষয়ে কাউকে পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্তের বিষয়টি কোনওভাবেই রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে না।

মে ১০, ২০২২
রাজ্য

শিয়রে ঘূর্ণিঝড় 'অশনি', সংকেত মৌসম ভবনের

রবিবার সকালে মৌসম ভবন সুত্রে জানানো হয়েছে, গভীর বঙ্গোপসাগরে অশনি ঘূর্নীঝড়ের আকার নিলো। আন্দামানের অনতিদূরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপ ইতিমধ্যেই ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। এই মুহুর্তে তার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬ কিলোমিটারের কাছাকাছি। এই ঘুর্নাবর্ত উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর বরাবর উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে।অশনির সংকেত পেয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাও। মৌসম ভবন থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান করা জেলাগুলির জন্য ১০ থেকে ১৩ মে অবধি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।মৌসম ভবন সুত্রে আগেই জানানো হয়েছিলো ঘূর্ণিঝড় অশনির পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আছড়ে পড়ার কোনও সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাঁরা রবিবারও জানিয়েছে, এই মুহুর্তে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়টি পুরী থেকে প্রায় ১,০৩০ কিলোমিটার এবং বিশাখাপত্তনম থেকে ৯৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার নাগাদ ওড়িশা কিংবা অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল ছুঁতে পারে ঘূর্ণিঝড় অশনি। পশ্চিমবঙ্গ বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর থেকে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ঘূর্ণিঝড় অশনির আগাম সতর্কতা জারি করেছে।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে হওয়া বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া তে কৃষিজমি এবং ফসল নষ্টের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষকদের জন্য ছদফা সতর্কতা জারি করেছে। নবান্ন থেকে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাঁরা যেনো পাকা ধান কেটে অতি সত্তর গুদামজাত করে রাখেন। এছাড়াও বিভিন্ন সব্জি ও ফসলের ক্ষেত থেকে অতি সত্তর জমা জল নিকাশী করে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

মে ০৮, ২০২২
দেশ

কয়লা পাচারকাণ্ডে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জামিন যোগ্য গ্রেফতারি পরোয়না

জামিন যোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে এই পরোয়না জারি করেছে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে একাধিকবার রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিশ করা হলেও হাজির হচ্ছেন না। ২০ অগাস্টের মধ্যে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ইডি সূত্রে খবর, বারংবার নোটিশ করা সত্বেও হাজির হচ্ছিলেন না অভিষেক পত্নী। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।এদিকে আদালতে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সওয়ালে জানান, তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছেন, তবে এখনও শুনানি হয়নি। পাল্টা ইডির তরফে বলা হয়, আবেদন করা হয়েছে কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়নি। রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী ও ইডির তরফে সওয়াল জবাবের পর অভিষেকপন্ত্রীর নামে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের অশনি সংকেত, রাজ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

মে যেন ঘূর্ণিঝড়ের মাসে পরিণত। এর আগেও মে-তেই নানান ঝড় এসেছে বঙ্গে। বা ঝড়ের প্রভাবে লাগাতার বৃষ্টি হয়েছে। ফের ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, গতকাল দক্ষিণ আন্দামান সাগরের ঘূর্ণাবর্ত আজ, শনিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে এই নিম্নচাপ রবিবারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার এই ঘূর্ণিঝড় পাশের ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের কাছে অবস্থান করবে। আবহাওয়ায় এই পরিবর্তনের দরুন বঙ্গে আগামী মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুত্-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ইতিমধ্যে উপকূলবর্তী এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে, মত্স্যজীবীরা যেন ওই সময় সমুদ্রে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকেন। এদিন সন্ধ্যাতে ঘূর্ণাবর্ত গভীর নিম্নচাপে পরিবর্তন হবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

মে ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘর ভাঙছে এটিকে মোহনবাগানের, লালহলুদের পথে রয় কৃষ্ণা?‌

এবছর আইএসএলের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। ফাইনালে উঠতে না পারলেও গোটা প্রতিযোগিতাতেই নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন সবুজমেরুণের ফুটবলাররা। এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলারদের সামনের মরশুমে পাওয়ার জন্য অন্য ক্লাবগুলি যে ঝাঁপাবে, আইএসএল শেষ হওয়ার পরপরই বোঝা গিয়েছিল। সেটাই ঘটতে চলেছে। এটিকে মোহনবাগানের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের কাছে ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবের প্রস্তাব এসে গিয়েছে। দল ছাড়ার পথে ফিজির তারকা রয় কৃষ্ণাও।কদিন আগেই ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের ফুটবলার নামতেকে তুলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এবার সবুজমেরুণের ঘর ভাঙার পথে লালহলুদ কর্তারা। স্পনসরের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কিছু না হলেও সামনের মরশুমে দল গঠনের ব্যাপারে দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই এটিকে মোহনবাগানের প্রীতম কোটাল ও রয় কৃষ্ণাকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মরশুমে সবুজমেরুণের এই দুই ফুটবলারকে ইস্টবেঙ্গলে দেখা যেতে পারে।এটিকে মোহনবাগানে গত মরশুমে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাননি প্রবীর দাস। তিনি আর সবুজমেরুণে থাকতে চাইছেন না। গত মরশুমেই তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু সবুজমেরুণ কর্তারা চুক্তির শর্ত দেখিয়ে তাঁকে ছাড়েননি। প্রবীর দাসের সঙ্গে সামনের মরশুমেরও চুক্তি রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। এই মুহূর্তে তাঁকে দলে পেতে আগ্রহী কেরালা ব্লাস্টার্স বেঙ্গালুরু এফসির মতো ক্লাবগুলি। কেরালা ব্লাস্টার্সের থেকে বেঙ্গালুরুর প্রস্তাব অনেকবেশি আকর্ষণীয়। তাদের প্রস্তাব বেশ মনে ধরেছে প্রবীর দাসের। তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চান। সবুজমেরুণ কর্তাদের কাছে রিলিজের জন্য আবেদনও করেছেন। এখন দেখার এটিকে মোহনবাগান প্রবীরকে রিলিজ দেয় কিনা। গত মরশুমে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করা লিস্টন কোলাসো, অস্ট্রেলিয়ার তারকা ডেভিড উইলিয়ামসের দিকেও নজর রয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের দুই ফুটবলারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার

বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের দুই ফুটবলারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। মনোতোষ চাকলাদার ও দিলীপ ওঁরাও কে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক বসে। সেখানেই বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের দুই ফুটবলারকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৯ মে তাঁদের কাছে নিয়োগপত্র পৌঁছে যাবে।সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে টাইব্রেকারে কেরালার কাছে হারে বাংলা। যদিও গোটা টুর্নামেন্টে প্রশংসনীয় ফুটবল উপহার দিয়েছে বাংলা দল। অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদার, ফারদিন আলি মোল্লা, দিলীপ ওরাওঁরা নজর কাড়েন। মনোতোষ ও দিলীপের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। সোশ্যাল মিডিয়ার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমেও সেই সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়।রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জানান, মনোতোষ ও দিলীপের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। মুখ্যমন্ত্রী সংবাদমাধ্যম থেকে তাঁদের বিষয়ে অবগত হন। এরপর তিনি মন্ত্রিসভার বৈঠকেই নিজের কোটা থেকে এই দুই ফুটবলারকে চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। দিলীপের বাবা পুরসভার সাফাইকর্মী এবং মা অন্যের বাড়়িতে রান্না করেন। মনোতোষও খুবই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছে। সন্তোষ ট্রফির সেমিফাইনাল ও ফাইনালে গোল করেন দিলীপ ওরাওঁ। তাঁর বাড়ি নাগেরবাজারের কাজিপাড়ায়। এখনও বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। মনোতোষের বাড়ি চুঁচুড়ায়, বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। মনোতোষের মা পরিচারিকার কাজ করেন। সন্তোষ ট্রফি চলাকালীন ঝড়ে তাঁদের বাড়ির চাল উড়ে যায়। এমনকী একটা সময় অবধি মনোতোষকে খেলার জুতো অবধি কিনে দিতে পারেনি পরিবার। মনোতোষ এবারের সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পর অপেক্ষায় রয়েছেন আইএসএলে ডাক পাওয়ার। এই পরিস্থিতিতে দুই ফুটবল প্রতিভার আগামীর চলার পথ মসৃণ করে দিতে পারে রাজ্য সরকারের তরফে ঘোষণা করা সরকারি চাকরি। বাংলার ফুটবল মহল মনে করছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপে বাংলার ফুটবলেও জোয়ার আসবে। ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিলে এ রাজ্যে যে তার স্বীকৃতি মেলে রাজ্য সরকারের নয়া ঘোষণাতে সেটাও স্পষ্ট।

মে ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • ...
  • 63
  • 64
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

বিজেপির সংগঠন থেকে সরলেন রাজ্যের মন্ত্রীরা, বর্ধমান-সহ ৭ জেলায় সভাপতি বদল

রাজ্য বিজেপিতে রদবদল নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছিল। শুক্রবার রাজ্যের শীর্ষ পদ থেকে জেলা সভাপতিসহ বেশ কিছু পদে ব্যাপক রদবদল করল বঙ্গ বিজেপি। সামনেই রাজ্যে পুরসভা নির্বাচন। তার আগে এই রদবদল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এমনকী দলের মহিলা, যুব, এসসি এবং ওবিসি মোর্চার সভাপতিও বদল করা হয়েছে। বিজেপি দলের ঘোষিত নীতিই হল দলে এক ব্যক্তি, এক পদ। সেই অনুযায়ী রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, ইন্দ্রনীল খান, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং অগ্নিমিত্রা পলকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চমকে দেওয়ার মতো খবর অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু বিজেপির মহিলা মোর্চার নতুন রাজ্য সভানেত্রী হয়েছেন। এই পদে ছিলেন ফাল্গুনী পাত্র। যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খানকে সরিয়ে বিধায়ক অমিত সামন্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওবিসি মোর্চার সভাপতি হয়েছেন ধনঞ্জয় ঘোষ, এসসি মোর্চার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্বজিৎ বিশ্বাসকে।পাশাপাশি লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এই পদে রয়েছেন আরও তিন জন। পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, বিজন গোস্বামী ও শশী অগ্নিহোত্রী।এদিন রাজ্যের সাতটি সাংগঠনিক জেলা বর্ধমান, কাটোয়া, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, বারাসত, বনগাঁ, মেদিনীপুরে নয়া জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বর্ধমান জেলায় সভাপতি হয়েছেন আইনজীবী আশিষ পাল। এর আগে সভাপতি ছিলেন অভিজিৎ তা। কাটোয়ায় সভাপতি হয়েছেন মানিক রায়। বাকি পাঁচ জেলার সভাপতিরা হলেন, বণগাঁ নৃপেন বিশ্বাস, বারাসাত দীপঙ্কর চক্রবর্তী, শ্রীরামপুর শশী সিং, আরামবাগ প্রশান্ত দীগর, মেদেনীপুর সৌমেন তিওয়ারী। এছাড়া এদিন দলীয় সংগঠনের ৯টি বিভাগে ১৫ জনকে দায়িত্ব দিয়েছেন সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সর্বমঙ্গলার চরণে পুষ্পার্ঘ্য, করলেন আরতি, বর্ধমানে নতুন নজির শুভেন্দুর?

এই প্রথমবার বর্ধমানের অধিষ্ঠার্থী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দিলেন রাজ্যের কোনও মুখ্যমন্ত্রী। নতুন ইতিহাস তৈরি হল। শুক্রবার শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু পুজোই দিয়েই মন ভরেনি দেবীর সামনে আরতিও করেন তিনি। পরে মায়ের কাছে মাথা নত করে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে এলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আগমন উপলক্ষে এদিন বিশেষভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল মন্দির চত্বর। মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বর্ধমানের রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে মন্দির চত্বরেও বহু মানুষের ভিড় জমে যায়। শুক্রবার বেলা ১২টার কিছু পর হেলিকপ্টারে বর্ধমানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রথমে পুলিশ লাইন মাঠে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে শক্তিগড়ে তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নামার পর তিনি সরাসরি চলে যান সর্বমঙ্গলা মন্দিরে।মন্দিরে পৌঁছে পুজারি অরুণ কুমার ভট্টাচার্যের সঙ্গে গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র এবং আর এক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। তাঁরাও পুজোয় অংশ নেন। গর্ভগৃহের মেঝেতে বসে পুজারি অরুণ কুমার ভট্টাচার্যের সহযোগিতায় সর্বমঙ্গলা দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পুজো সম্পন্ন করার পর দেবীর সামনে আরতি করেন তিনি। পুজো শেষে মাথা নত করে দেবীকে প্রণাম জানিয়ে গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রীর জন্য মন্দিরে ভোগ অন্নের আয়োজনও করা হয়েছিল। তবে একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার ব্যস্ততা থাকায় তিনি ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি। এরপর মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে গাড়িতে করে পুলিশ লাইন মাঠে পৌঁছে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেন তিনি।পুজারি অরুণ ভট্টাচার্য জানান, মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত ভক্তিভরে সর্বমঙ্গলা দেবীর কাছে পুজো নিবেদন করেছেন। তাঁর দাবি, শুভেন্দু অধিকারীই বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী, যিনি সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে এসে পুজো দিলেন। সেই কারণেই শুক্রবার বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে একটি নতুন ইতিহাস তৈরি হল বলে জানান পুজারি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
শিক্ষা

“মেয়েরা সুস্থ থাকলেই এগিয়ে যাবে সমাজ”—কাঞ্চননগর স্কুলে নারী স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা শিবির

নারী সুস্থ থাকলেই সুস্থ পরিবার, সুস্থ সমাজকাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতনতা শিবিরনারীর স্বাস্থ্য শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি পরিবার এবং বৃহত্তর সমাজের সুস্থতা। ঋতুকালীন পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, সংক্রমণ প্রতিরোধ, মানসিক সুস্থতা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধিনারী স্বাস্থ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ সচেতনতা শিবির।শিবিরে ছাত্রীদের সামনে নারী স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছোট বয়স থেকেই গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিজের শরীর ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বাড়ির পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও প্রত্যেকের রয়েছে।বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুনীতা সাহা বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নারীস্বাস্থ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি পরিবারের সুস্থতার সঙ্গে মেয়েদের স্বাস্থ্য সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বাড়িঘর এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়েও ছাত্রীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কথায়, পরিচ্ছন্নতা শুধু অভ্যাস নয়, সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম ভিত্তি।অন্যদিকে শিক্ষিকা নন্দিনী দে স্বাস্থ্যকে শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানসিক সুস্থতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুস্থ শরীরের পাশাপাশি সুস্থ মনও প্রয়োজন। তাই দৈনন্দিন জীবনে একটি সাধারণ পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও ছাত্রীদের সচেতন করা হয়। এই সময়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সংক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক থাকা এবং শরীরের কোনও অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা অবহেলা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখা এবং অলসতা এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়।খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টিও উঠে আসে শিবিরে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। শরীরে ভিটামিন ডি-এর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে নিয়মিত পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ এবং খাদ্যতালিকায় উপযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক তথা জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত নারীস্বাস্থ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, অনেক ক্ষেত্রেই নারীর স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক পরিকাঠামো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অভ্যাসও নারীস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যেকেরই নিজের সুস্থতার পাশাপাশি অন্যের সুস্থতার কথাও ভাবতে হবে। কারণ, একটি সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেই সমাজের মেয়েরা সুস্থ, সচেতন এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন।শিবিরে নারীস্বাস্থ্য নিয়ে এমন নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাই যে সুস্থ ভবিষ্যতের অন্যতম চাবিকাঠিসেই বার্তাই উঠে আসে এই সচেতনতা শিবির থেকে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ গেল, এবার জামিনের আবেদন! মিলন প্রধানের মামলায় হাই কোর্টে বড় নির্দেশ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড়। সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া রক্ষাকবচের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চে যায়। সেই মামলায় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করে তাঁকে জামিনের আবেদন করতে বলেছে।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে নতুন মামলায় আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। ওই মামলায় তাঁকে নতুন করে গ্রেফতারও দেখানো যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত এই সুরক্ষা বহাল থাকার কথা ছিল। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য।ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির সময় মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য জানান, তাঁর মক্কেল নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী। তাঁর দাবি, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় এবং পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়। ভোটের আগে নতুন মামলায় জামিন চাওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় নেই বলেও আদালতে সওয়াল করেন তিনি।জবাবে প্রধান বিচারপতি জানান, এই ধরনের পরিস্থিতিতে জামিনের আবেদন করাই উপযুক্ত আইনি পথ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আগাম জামিন বা গ্রেফতারের পরে জামিনের আবেদন করা হয়নি কেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া আইনের বাইরে কোনও বিশেষ সুবিধা পাওয়ার কারণ হতে পারে না। আইন সকলের জন্য সমান।প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, নির্বাচনে লড়ার অধিকার থাকলেও আইন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। জামিনের আবেদন করা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আদালত দ্রুত শুনানির ব্যবস্থাও করতে পারে বলে তিনি জানান। ছুটির দিন হলেও প্রয়োজন হলে আদালত বসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্য দিকে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার আদালতে জানান, মিলন প্রধানকে যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেখানে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে রাজ্যের দাবি। নতুন যে মামলাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেখানেও ১৯ সেপ্টেম্বরই তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল বলে জানায় রাজ্য।রাজ্যের আরও দাবি, পুরনো মামলাগুলি আগের সরকার প্রত্যাহার করতে চেয়েছিল। সেই কারণে দীর্ঘ সময় ওই মামলাগুলিতে কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। রাজ্যের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে ২০২১ সাল থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই বর্তমানে পদক্ষেপ করা হয়েছে।মিলন প্রধানকে ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলন পর্বের পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, জমায়েত এবং লুটপাট-সহ একাধিক অভিযোগের মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর গ্রেফতারির পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।এদিকে মিলনের জামিনের আবেদন নিয়েও আলাদা করে শুনানি চলছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে সেই মামলায় মিলনকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয় এবং অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়ার বিষয়েও আদালত মত জানায়। ফলে মিলন প্রধানের ক্ষেত্রে রক্ষাকবচ এবং জামিনদুই আইনি প্রক্রিয়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন আগামী ৬ অক্টোবর। ভোটের আগে মিলন প্রধানের আইনি পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানি করতে পারব না গুরু’, বিজেপির টাকা বিতর্কে আচমকাই মুখ খুললেন বং গাই

বাংলার জনপ্রিয় ইউটিউবার কিরণ দত্ত, যিনি বং গাই নামে পরিচিত, ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক প্রচারে টাকা নেওয়া নিয়ে তৈরি বিতর্কের মধ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন। সমাজমাধ্যমে তিনি জানালেন, কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি কোনও দিন ভিডিও বানাননি এবং ভবিষ্যতেও তা করবেন না। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বিজেপির নির্বাচনী খরচের হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সমাজমাধ্যমে এই বিতর্ক শুরু হয়। সেই হিসাবে দেখা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কনটেন্ট তৈরির জন্য শমীক অধিকারীর নামে ১৩ লক্ষ টাকা এবং সায়ক চক্রবর্তীর নামে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর দুই কনটেন্ট নির্মাতাকে ঘিরে সমাজমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।এই বিতর্কের মধ্যেই কিরণ দত্ত নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় লেখেন, কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি কোনও দিন একটি ভিডিওও বানাননি। ভবিষ্যতেও এমন করবেন না বলে স্পষ্ট জানান তিনি। নিজের অনুরাগীদের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য, তাঁকে তাঁরা যে জায়গা দিয়েছেন এবং খারাপ সময়ে যেভাবে পাশে থেকেছেন, তার সঙ্গে তিনি বেইমানি করতে পারবেন না।কিরণ আরও লেখেন, তিনি নদিয়ার একটি ছোট জায়গার ছেলে। সেখান থেকে তাঁকে যে জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন দর্শকেরাই, সেই সম্পর্ক তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, তিনি যা পেয়েছেন, তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। তাই এভাবেই ভালো থাকতে চান তিনি।বিজেপির নির্বাচনী খরচের হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর শুধু কিরণ দত্তই নন, আরও কয়েক জন পরিচিত মুখ এই বিতর্কে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিকও দাবি করেছেন, বিজেপির হয়ে প্রচারের জন্য তিনি কোনও টাকা নেননি। অন্য দিকে, সমাজমাধ্যমে শমীক অধিকারী এবং সায়ক চক্রবর্তীকে নিয়ে সমালোচনা ও পাল্টা মন্তব্যও শুরু হয়েছে।শমীক অধিকারীর বাটন নামে ভিডিওটি নির্বাচনের আগে ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছিল। অন্য দিকে, সায়ক চক্রবর্তী একটি রেস্তরাঁয় গোমাংস পরিবেশন নিয়ে তৈরি বিতর্কের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন। এখন নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া খরচের হিসাব সামনে আসায় সেই পুরনো ঘটনাগুলিও নতুন করে আলোচনায় ফিরেছে।তবে কোনও নির্দিষ্ট ভিডিও বা ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক দলের অর্থ থাকার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট নথি, বক্তব্য এবং প্রেক্ষাপট দেখা জরুরি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া খরচের হিসাবে কারও নামে টাকা দেখানো হয়েছে মানেই সেই ব্যক্তির প্রতিটি রাজনৈতিক বক্তব্য বা প্রতিটি ভিডিও ওই অর্থের বিনিময়ে তৈরি হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত সরাসরি টানা যায় না।এই পরিস্থিতিতে কিরণ দত্তের বক্তব্যের মূল কথা হল, তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভিডিও তৈরি করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। ইনফ্লুয়েন্সারদের রাজনৈতিক অবস্থান, অর্থের বিনিময়ে প্রচার এবং দর্শকের প্রতি তাঁদের দায়এই তিনটি বিষয় নিয়েই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
বিদেশ

ভয়াবহ বন্যার পর রাষ্ট্রপুঞ্জে বড় বার্তা বলেন্দ্রর! হিমালয় বাঁচাতে ভারত-চিনকে একসঙ্গে চান নেপালের প্রধানমন্ত্রী

নেপালের ভয়াবহ হড়পা বন্যা ও তার পরবর্তী বিপর্যয়ের প্রভাব নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় সরব হলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার অধিবেশনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিপর্যয় শুধু নেপালের সমস্যা নয়, গোটা বিশ্বের জন্য একটি সতর্কবার্তা।সাম্প্রতিক বন্যায় নেপালের পার্বত্য অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই প্রায় ১,৪০০ ছাড়িয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ। নেপালের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধার ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে দশ হাজার মৃত্যু এখনও নিশ্চিত সংখ্যা নয়, সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আশঙ্কা হিসেবেই তা উল্লেখ করা হয়েছে।এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের প্রসঙ্গ তুলে বলেন্দ্র জানিয়েছেন, হিমালয়ের পরিবেশ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হিমবাহ গলছে, পাহাড়ের ঢাল আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে এবং নদীগুলির আচরণও আগের তুলনায় অনিশ্চিত হচ্ছে। এর ফলে বন্যা, ধস এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ছে।বলেন্দ্রর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোনও দেশের সীমান্ত মেনে চলে না। হিমালয়ের এক প্রান্তে বিপর্যয় শুরু হলে তার প্রভাব অন্য দেশেও পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বন্যার ক্ষেত্রেও নেপাল থেকে নেমে আসা জলের প্রভাব ভারত পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চ থেকেই ভারত ও চিনকে নিয়ে একটি নতুন যৌথ ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রস্তাব, নেপাল, ভারত ও চিনের নেতৃত্বে একটি হিমালয় জলবায়ু সহনশীলতা ব্যবস্থা তৈরি করা হোক। এর মাধ্যমে উপগ্রহের তথ্য ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতা ভাগ করে নেওয়া, বিপজ্জনক হিমবাহ ও হিমবাহ-হ্রদ পর্যবেক্ষণ, আগাম সতর্কবার্তা জোরদার করা এবং বিপর্যয়ের সময় সীমান্ত পেরিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণে সমন্বয় করা যেতে পারে।বলেন্দ্র আরও বলেন, হিমালয় যেন শুধু বিভিন্ন দেশের মধ্যে সীমান্ত হয়ে না থাকে। বরং এই অঞ্চলকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, তিন দেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিপর্যয়ের আগে সতর্কতা এবং বিপর্যয়ের পরে উদ্ধারদুই ক্ষেত্রেই প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।বিপর্যয়ের পর নেপালকে দ্রুত সাহায্য করার জন্য ভারত ও চিনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক দুর্যোগের পর দুই দেশই উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে সহযোগিতা করেছে বলে তিনি রাষ্ট্রপুঞ্জে জানান।হিমালয় অঞ্চলে প্রায় ২০০ কোটি মানুষের জল, কৃষি, জীবিকা এবং পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বলেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য, হিমালয়ের পরিবেশগত পরিবর্তন তাই শুধু নেপাল, ভারত বা চিনের বিষয় নয়, এর প্রভাব অনেক বড় এলাকায় পড়তে পারে।সাম্প্রতিক বিপর্যয়কে সামনে রেখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু দুর্যোগের পরে উদ্ধারকাজ করলেই হবে না। আগাম সতর্কতা, তথ্য আদানপ্রদান, বিপর্যয় মোকাবিলার পরিকাঠামো এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর জোর দিতে হবে। হিমালয় অঞ্চলে ভবিষ্যতের বিপর্যয় মোকাবিলায় ভারত, চিন এবং নেপালকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানই তাঁর বক্তব্যের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজো মিটলেই পুরভোটের দামামা! কলকাতা-সহ সাত পুরসভায় কবে ভোট, সামনে এল সম্ভাব্য দিন

পুজোর মরসুম শেষ হলেই রাজ্যে পুরভোটের আবহ তৈরি হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াংএই সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। তবে এখনও ভোটের দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি। সাম্প্রতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হতে পারে এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই গোটা প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।এই সাতটি পুরসভায় মোট ৬৩০১টি বুথে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। ভোটের পরিকাঠামো চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্ত। কোথায় কত বুথ, কত ইভিএম এবং কত সংখ্যক ভোটকর্মী ও নিরাপত্তাকর্মী প্রয়োজন, সেই বিষয়গুলি নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহ থেকেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর কাজ শুরু হতে পারে।প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুজোর পর অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। তার পর নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ২৭ থেকে ২৯ নভেম্বরের মধ্যে ভোট হতে পারে। তবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ কমিশনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই নিশ্চিত হবে।এই পুরভোটে সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে কলকাতা ও হাওড়ার দিকে। হাওড়া পুরসভায় শেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৩ সালে। ২০১৮ সালে সেই পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে সেখানে নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসকের মাধ্যমে পুর পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে দীর্ঘ ১৩ বছর পর হাওড়ায় পুরভোট হতে পারে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসক বসিয়ে সেখানে পুর পরিষেবা চালানো হচ্ছে। হাওড়া ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন হয়নি এমন পুরসভাগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্গাপুর, ডোমকল, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, কার্শিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কুপার্স ক্যাম্প, নলহাটি, বালি এবং ধূপগুড়ি।এর পাশাপাশি আগামী বছরের শুরুতেই রাজ্যের আরও বেশ কিছু পুরসভার বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ফলে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত বোর্ড না থাকা পুরসভা এবং মেয়াদ শেষ হতে চলা পুরসভাগুলিকে নিয়ে আগামী কয়েক মাসে বড় আকারের পুরভোটের প্রস্তুতি নিতে হবে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে।নির্বাচন কমিশনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় কাজ হল সময়মতো ভোটের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করা। ভোটার তালিকা, বুথ, ইভিএম, ভোটকর্মী এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থাপ্রতিটি বিষয়েই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সাত পুরসভার ভোটের প্রস্তুতি শেষ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচন কী ভাবে করা যায়, সেই পরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।ফলে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পরেই রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কলকাতা ও হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভা-সহ সাতটি পুরসভায় নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোট হলে ডিসেম্বরের শুরুতেই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সূচির জন্য এখন অপেক্ষা করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
দেশ

গাঁজার পর এবার মদ! বিমান ওড়ানোর আগেই পরীক্ষায় ধরা পড়লেন এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট

জুরিখ থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান ওড়ার ঠিক আগে মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়লেন সংস্থার এক পাইলট। উড়ানের আগে নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতেই তাঁর শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই তাঁকে বিমান চালানোর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সাময়িক ভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে।ঘটনাটি গত ৪ সেপ্টেম্বরের। জুরিখ বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটির। উড়ানের আগে পাইলটের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষাতেই তাঁর শরীরে নির্ধারিত সীমার বেশি অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বিষয়টি সামনে আসার পরই পাইলটকে বিমান চালানো থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর পরিবর্তে অন্য এক পাইলট বিমানটি নিয়ে দিল্লি রওনা দেন। চূড়ান্ত চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট এবং সংস্থার অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই পাইলট সাসপেন্ড থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, যাত্রী নিরাপত্তা এবং সংস্থার নির্ধারিত নিয়ম মানার ক্ষেত্রে তারা কোনও আপস করে না। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পাইলটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। সমস্ত বিমানকর্মীকে নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার আগে এয়ার ইন্ডিয়ার আরও একটি বিমানকে ঘিরে পাইলটের মাদক পরীক্ষার বিষয়টি সামনে এসেছিল। গত ৪ আগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান মাঝআকাশে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা হারায়। ঘটনায় যাত্রী এবং বিমানকর্মী মিলিয়ে ২৪ জন আহত হন। প্রাথমিক তদন্তে বিমানের তিনটি জলচাপ ব্যবস্থা সাময়িক ভাবে বিকল হয়ে যাওয়ার কথা উঠে এসেছে।ওই ঘটনার তদন্তের সময় বিমানের চালকের মাদক পরীক্ষাতেও নিষিদ্ধ মনঃপ্রভাবকারী পদার্থের উপস্থিতি ধরা পড়ে। পরবর্তী পরীক্ষায় ওই ফল নিশ্চিত হয় এবং পরে এয়ার ইন্ডিয়া সংশ্লিষ্ট পাইলটের চাকরি বাতিল করে। তবে বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ওই পাইলটের মাদক গ্রহণের মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা তদন্তে এখনও নিশ্চিত হয়নি।ফুকেত-দিল্লি বিমানের ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া তাদের পাইলটদের মাদক পরীক্ষার ব্যবস্থাও আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জুরিখে আরও এক পাইলটের শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি ধরা পড়ায় বিমানকর্মীদের শারীরিক সক্ষমতা এবং উড়ানের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।বিমান চালানোর ক্ষেত্রে পাইলটের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই উড়ানের আগে পরীক্ষায় কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নিয়ম রয়েছে। জুরিখের ঘটনাতেও সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।এখন চূড়ান্ত চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট এবং অভ্যন্তরীণ তদন্তে কী উঠে আসে, সেদিকেই নজর। তার পরেই ওই পাইলটের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal