• ৭ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

দেশ

ভোটের মুখে পদ্ম সম্মান! এগিয়ে বাংলা, কেরলকে কেন এত গুরুত্ব দিল কেন্দ্র?

এগিয়ে বাংলা, তার পরেই কেরল। ভোটের মুখে এই দুই রাজ্যে কেন্দ্র বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু না হলেও তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে।প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর বাংলা থেকে পদ্ম সম্মান পেয়েছেন ১১ জন, আর কেরল থেকে পেয়েছেন আট জন। এই দুই রাজ্যই চলতি বছরে বিজেপির কাছে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই সম্মানের তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক গুঞ্জন।চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখের নাম রয়েছে। এমনকি রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও। কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন মোট ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তিনি গুরুজি বা দিশম গুরু নামে পরিচিত ছিলেন।শিবু সোরেনের পাশাপাশি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন কেরলের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি এস অচ্যুতানন্দন। সাধারণত বামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় সম্মান গ্রহণ করেন না। অতীতে জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভারতরত্ন এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বিষয়টি। প্রয়াত এই বাম মুখ্যমন্ত্রীকে এ বছর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করছে কেন্দ্র।এই সম্মান নিয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন কোনও মন্তব্য করতে চাননি। দলের তরফে শুধু জানানো হয়েছে, কেরল সরকার অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের জন্য সুপারিশ করেনি। একই সুর শোনা যাচ্ছে বাংলার বাম শিবিরেও। এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ তাঁরা।তবে অচ্যুতানন্দনের পুত্র অরুণকুমার কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বাবার এই সম্মানে তিনি খুশি বলে জানান। উল্লেখ্য, শুধু অচ্যুতানন্দনই নন, কেরল থেকে এ বছর আরও সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পদ্ম সম্মানের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ফের কি রাজীব কুমার? রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদ ঘিরে বড় প্রশ্ন

আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসর নিচ্ছেন রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর সরকারি বিদায় সংবর্ধনার দিনও ঠিক হয়েছে ২৮ জানুয়ারি। গত দুবছর ধরে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি। তাঁর অবসরের সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের পরবর্তী ডিজি কে হচ্ছেন।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজ্য সরকার যে পুলিশকর্তাদের নাম ডিজি পদের জন্য কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছে রাজীব কুমারের নামও। এর জেরে জল্পনা শুরু হয়েছে, তাঁকেই কি আবার ডিজি পদে রাখতে চাইছে রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিজি পদের জন্য মোট আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নাম প্রস্তাব করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওই তালিকায় রাজীব কুমারের পাশাপাশি রয়েছেন আইপিএস রাজেশ কুমারও। গত বুধবার এই তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে।নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্য সরকার প্রথমে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের কাছে সিনিয়র আইপিএস অফিসারদের নামের একটি প্যানেল পাঠায়। সেখান থেকে ইউপিএসসি তিন জনের নাম বেছে রাজ্যকে পাঠায়। ওই তিন জনের মধ্য থেকেই রাজ্য সরকার একজনকে স্থায়ী ডিজি হিসেবে নিয়োগ করে।রাজ্যের পাঠানো তালিকায় রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার, আইপিএস রাজেশ কুমার এবং আরও ছয় জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার রণবীর কুমার, দেবাশিস রায়, অনুজ শর্মা, জগমোহন, এন রমেশ বাবু ও সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। একটি সূত্রের দাবি, পরবর্তী স্থায়ী ডিজি পদের জন্য পীযূষ পাণ্ডে, রাজেশ কুমার এবং রণবীর কুমারের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। পীযূষ পাণ্ডে প্রাক্তন এসপিজি অফিসার এবং বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এই তিন জনের মধ্য থেকেই যে পরবর্তী ডিজি হবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।উল্লেখ্য, রাজ্য পুলিশের শেষ স্থায়ী ডিজি ছিলেন মনোজ মালব্য। তিনি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অবসর নেন। নিয়ম অনুযায়ী, ডিজি অবসরের সময় রাজ্যের যে আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার ছিলেন, তাঁদের নামই ইউপিএসসি-র কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই কারণেই বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের নামও তালিকায় রয়েছে।এর আগে স্থায়ী ডিজি নিয়োগের জন্য রাজ্য সরকার একবার নামের তালিকা পাঠিয়েছিল। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে সেই প্রক্রিয়া আটকে যায়। ইউপিএসসি জানায়, ডিজি অবসরের অন্তত তিন মাস আগে প্রস্তাবিত নামের প্যানেল পাঠানো উচিত ছিল। অর্থাৎ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে তালিকা পাঠাতে হত। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই তালিকা পাঠিয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর। ফলে সেই প্যানেল ফেরত পাঠানো হয়।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হন আইপিএস রাজেশ কুমার। ১৯৯০ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার বর্তমানে রাজ্যের গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের মুখ্যসচিব। তাঁর দাবি, ডিজি হওয়ার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই মামলার প্রেক্ষিতে ট্রাইবুনাল নির্দেশ দেয়, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে নতুন করে ডিজি পদের জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকা ইউপিএসসি-র কাছে পাঠাতে হবে রাজ্য সরকারকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা নয়, কেন বর্ধমান? বিজেপি সভাপতির সফর ঘিরে জল্পনা

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে চলেছেন নীতীন নবীন। সামনে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে বিজেপির বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থান দেখে ভোটের লড়াই যে সহজ হবে না, তা দলের অন্দরেও মানা হচ্ছে। সেই পরিস্থিতি বুঝেই সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সফরের জন্য বাংলা বেছে নিলেন নীতীন নবীন।তবে কলকাতাকে এড়িয়ে তিনি যাচ্ছেন মধ্যবঙ্গে। বিজেপির মতে, এই অঞ্চল এখনও সম্ভাবনাময়। বর্ধমান ও দুর্গাপুরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। মেলার উদ্বোধন, দলীয় বৈঠক এবং জনসভাসব মিলিয়ে ব্যস্ত সূচি তৈরি করা হয়েছে। শনিবার বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক নীতীন নবীনের চূড়ান্ত সফরসূচি প্রকাশ করেছেন।জানা গিয়েছে, ২৭ জানুয়ারি দুর্গাপুরে এসে কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচারের জন্য আয়োজিত কমল মেলার উদ্বোধন করবেন নীতীন নবীন। পরদিন ২৮ জানুয়ারি সকালে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি জেলা কমিটির সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করবেন তিনি। দুর্গাপুরের মেলা ময়দানে একটি জনসভাও করার কথা রয়েছে তাঁর।নীতীন নবীনের বঙ্গ সফর শুরু হচ্ছে দুর্গাপুর থেকেই। ইস্পাত নগরীর রাজীব গান্ধী স্মারক ময়দানে কমল মেলার উদ্বোধন দিয়েই তাঁর প্রথম কর্মসূচি। ওই দিন রাতে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে বিজেপির রাজ্য কোর কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এই হোটেলটি আগের বিধানসভা ভোটে বিতর্কের কেন্দ্রেও ছিল। প্রয়াত কয়লা মাফিয়া ও বিজেপি নেতা রাজু ঝাঁয়ের ওই হোটেলকে ঘিরে সে সময় রাজনৈতিক সমালোচনা হয়েছিল।২৮ জানুয়ারি সকালে ভিড়িঙ্গি কালীবাড়িতে পুজো দেওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন নীতীন নবীন। পরে রানিগঞ্জে আসানসোল জেলার কার্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। দলীয় সূত্রে খবর, বিধানসভা ভোটের রণকৌশল নিয়েই এই বৈঠকগুলি।২৭ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই কমল মেলা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নীতীন নবীন ছাড়াও উপস্থিত থাকার কথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-সহ রাজ্য নেতৃত্বের। মেলায় প্রায় ৮০টি স্টল থাকবে, যেখানে কোনও টাকা ছাড়াই কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানো হবে।তবে এই কমল মেলাকে ঘিরে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। দুর্গাপুর নাগরিক সমাজ-এর নামে এই মেলার আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের বক্তব্য, যারা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বোঝে না, তারা বহিরাগতদের এনে বাংলার সংস্কৃতি নিয়ে বড়াই করছে।এর মধ্যেই জানা যাচ্ছে, নীতীন নবীনের পরপরই বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দলীয় সূত্রে খবর, ৩০ জানুয়ারি রাতে কলকাতায় পৌঁছবেন তিনি। ৩১ জানুয়ারি শিলিগুড়িতে কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ওই দিন বারাসতেও জনসভা করার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে জানুয়ারি মাসেই একের পর এক কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতার বঙ্গ সফর রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়াচ্ছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ জানুয়ারির শোক আরও গভীর! প্রয়াত ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন তারকা ইলিয়াস পাশা

চার বছর আগে এই দিনেই, ২২ জানুয়ারি, প্রয়াত হয়েছিলেন কিংবদন্তি ফুটবলার ও কোচ সুভাষ ভৌমিক। সেই শোকের দিনেই ফের এক দুঃসংবাদ। বৃহস্পতিবার সকালে প্রয়াত হলেন প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার ইলিয়াস পাশা। লাল-হলুদ শিবিরের এক সময়কার নির্ভরযোগ্য রক্ষণভাগের এই ফুটবলার দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ময়দানে।ভারতীয় ফুটবলকে একাধিক তারকা উপহার দিয়েছে বেঙ্গালুরু। আমেদ খান, অরুময় নৈগম, বাবু মানি, নারায়ণস্বামী উলগানাথন, কার্লটন চ্যাপম্যানদের সেই তালিকায় ছিলেন ইলিয়াস পাশাও। ১৯৮৯ সালে আইটিআই থেকে কলকাতায় এসে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে যোগ দেন তিনি। তার এক বছর পরেই ইস্টবেঙ্গলে নাম লেখান। গায়ে ওঠে ১৭ নম্বর জার্সি। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।ডান প্রান্তের রাইট ব্যাক হিসেবে পাশার দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। ওভারল্যাপিং দৌড়ে বিপক্ষ রক্ষণে আতঙ্ক তৈরি করতেন তিনি। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত টানা নটি মরশুম ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছেন। এই সময়ে দুটি গোলও করেছিলেন। তার মধ্যে একটি মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। ১৯৯৬ সালের কলকাতা লিগে ডার্বিতে পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন পাশা। সেই ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়।১৯৯৩ সালে ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পান ইলিয়াস পাশা। তাঁর নেতৃত্বেই ইরাকের শক্তিশালী ক্লাব আল জাওরার বিরুদ্ধে ৬-২ গোলে জয় পায় ইস্টবেঙ্গল। একই বছরে কাঠমান্ডুতে ওয়াই ওয়াই কাপও জেতে লাল-হলুদ। ইলিয়াস পাশা ইস্টবেঙ্গলে থাকাকালীন ছবার কলকাতা লিগ, পাঁচবার ডুরান্ড কাপ, দুবার রোভার্স কাপ, চারবার এয়ারলাইন্স গোল্ড কাপ এবং একবার করে বরদলুই ট্রফি ও ফেডারেশন কাপ জেতেন। বাংলার জার্সিতে সন্তোষ ট্রফিও জয় করেছিলেন তিনি।ক্লাব ফুটবলে সফল হলেও জাতীয় দলে সেই সাফল্য পাননি পাশা। শুধুমাত্র ফুটবল খেলার জন্য চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। জীবনের শেষ দিকে আর্থিক সংকটে পড়লেও ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ লাল-হলুদ শিবির।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

নির্দেশ অমান্য! রাজ্যকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাল নির্বাচন কমিশন

চারজন নির্বাচন আধিকারিকের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের নেওয়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, তাদের নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনেই সংশ্লিষ্ট ইআরও ও এইআরও-দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে কমিশন জানিয়েছে, একাধিকবার এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হলেও রাজ্য সরকার তা মানেনি। কেন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর চাওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের অগস্ট মাসেই নির্বাচন কমিশনের তরফে এই বিষয়ে রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার ইআরও ও এইআরও-দের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ ছিল সেই চিঠিতে। সেই সময় রাজ্যের মুখ্যসচিব ছিলেন মনোজ পন্থ। তিনি দিল্লিতে গিয়ে কমিশনের সঙ্গে বৈঠকও করেন। তবে সেই বৈঠকের পর সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের শুধু সাসপেন্ড করা হয়, এফআইআর দায়ের করা হয়নি।চলতি বছরের শুরুতে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, জেলা নির্বাচন আধিকারিকরা প্রয়োজনে এফআইআর করতে পারবেন। এরপর নবান্ন থেকে চিঠি পাঠিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, কেন অপেক্ষাকৃত ছোট অপরাধে এত কঠোর শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং কেন এফআইআর জরুরি। তার জবাবে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, শাস্তি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাজ্য সরকারের নয়, নির্বাচন কমিশনের। সেই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিয়ে রাজ্যকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কমিশনের নির্দেশ, দ্রুত ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ করতে হবে।উল্লেখ্য, বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে ময়না ও বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-দের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। অভিযুক্ত চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। তাঁদের সাসপেন্ড করার পাশাপাশি এফআইআর করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় ফের রাজ্যকে চিঠি পাঠাল কমিশন।এই প্রসঙ্গে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশনকে যেন নাক-দন্তহীন প্রতিষ্ঠান বলে মনে না হয়, সেটাই তাঁদের দাবি। মুখ্যসচিব যদি কমিশনের নির্দেশ না মানেন, তা হলে তাঁর বিরুদ্ধেও কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, যাঁরা মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষা করতে ব্যর্থ, তাঁরাই এখন শাস্তির কথা বলছেন, যা দুর্ভাগ্যজনক।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

দুই দিনের মধ্যেই কর্মজীবন শেষ রাজীব কুমারের! রাজ্যকে কড়া নির্দেশ ক্যাটের

আগামী ৩১ জানুয়ারি রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের কর্মদিবসের শেষ দিন। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কড়া নির্দেশ দিল সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রাইবুনাল। বুধবার আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমারের মামলার প্রেক্ষিতে ক্যাট জানিয়ে দেয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই স্থায়ী ডিজি নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।ক্যাটের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সরকারকে আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে ই-মেল এবং বিশেষ বাহকের মাধ্যমে ইউপিএসসির কাছে ডিজিপি বা হেড অফ পুলিশ ফোর্স পদের জন্য এমপ্যানেলমেন্টের প্রস্তাব নতুন করে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে ইউপিএসসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এমপ্যানেলমেন্ট কমিটির বৈঠক ডেকে নিয়ম মেনে প্যানেল চূড়ান্ত করতে হবে। সেই প্যানেল ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে পাঠাতে হবে। প্যানেল হাতে পাওয়ার পর রাজ্য সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডিজি নিয়োগ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।অর্থাৎ কার্যত আগামী পরশুর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের ডিজি নিয়োগ নিয়ে ইউপিএসসির কাছে প্রস্তাব পাঠাতে বাধ্য রাজ্য সরকার। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে স্থায়ী ডিজি মনোজ মালব্য অবসর নেওয়ার পর থেকে রাজ্যে আর স্থায়ী ডিজি নিয়োগ হয়নি। সেই সময় কোনও প্যানেল না পাঠিয়েই রাজীব কুমারকে ভারপ্রাপ্ত ডিজির দায়িত্ব দেয় রাজ্য সরকার।এই কারণেই ইউপিএসসি এখনও ২০২৩ সালের ডিসেম্বরকেই ডেট অব ভ্যাকেন্সি হিসেবে ধরে রেখেছে। যদিও ২০২৫ সালে রাজ্য সরকার দুবার ইউপিএসসির কাছে প্যানেল পাঠিয়েছিল, কিন্তু সেই প্যানেল গ্রহণ না করে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ নিতে বলে ইউপিএসসি। বিষয়টি নিয়ে নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে কেন্দ্রের অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানির দ্বারস্থ হয় কমিশন।অ্যাটর্নি জেনারেলের পরামর্শ ছিল, রাজ্য সরকারকে আগে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি নিতে হবে। শীর্ষ আদালত অনুমতি দিলে তবেই ইউপিএসসির পক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ করা সম্ভব। সেই অবস্থার মধ্যেই ক্যাটের এই নির্দেশ নতুন করে চাপ বাড়াল রাজ্য সরকারের উপর। এখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডিজি নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে আইনি জটিলতা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

শীতের খেল বদল সোমবার থেকেই! রাতের ঠান্ডা কমছে, বাড়ছে পারদ

রবিবার পর্যন্ত রাজ্যে শীতের আমেজ থাকলেও সোমবার থেকেই আবহাওয়ার খোলনলচে বদলাতে চলেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, উত্তুরে হাওয়ার দাপট কমতে শুরু করায় ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। কলকাতায় এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। গত ২৪ ঘণ্টায় শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছে ২৪ ডিগ্রির ঘরে।পশ্চিমের জেলাগুলিতে এখনও শীতের দাপট রয়েছে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। তবে সোমবার থেকেই এই জেলাগুলিতেও পারদ চড়তে শুরু করবে। আবহাওয়া দফতরের মতে, সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রিতে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে।এদিকে সোমবার সকাল থেকেই বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দুই বর্ধমান, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বিক্ষিপ্তভাবে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সকালের দিকে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় যান চলাচলে সমস্যার সম্ভাবনাও রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েক দিন কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে ঘন কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদহ এবং দুই দিনাজপুরের কিছু এলাকায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারেরও নীচে নেমে যেতে পারে। সোমবার পর্যন্ত এই ঘন কুয়াশার সতর্কতা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আগামী পাঁচ দিনে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হবে না বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে নিচু জেলাগুলিতে পারদ ৮ থেকে ১১ ডিগ্রির মধ্যেই থাকবে। সোমবারের পর সেখানে সামান্য তাপমাত্রা বৃদ্ধির ইঙ্গিত মিলেছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শীতের এই আচমকা বদলের পিছনে রয়েছে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম ভারতে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। এছাড়াও ১৯ জানুয়ারি ও ২১ জানুয়ারি নতুন করে আরও দুটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থানে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে এবং কোমোরিন এলাকায় তৈরি হয়েছে একটি ঊর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহ। এর জেরেই উত্তুরে হাওয়া বাধা পাচ্ছে এবং তাপমাত্রা বাড়ছে।আগামী কয়েক দিন সকালবেলা কুয়াশার দাপট থাকলেও বেলা বাড়লে আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৫ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে থাকবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার তাপমাত্রা ১৩ থেকে ২৩ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস, বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি ও ১২ জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপে নতুন তীর্থক্ষেত্র

শিলিগুড়ি জেলার মাটিগাড়ায় এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের সূচনা হল বুধবার। মহাকাল মহাতীর্থ-সহ একাধিক জনহিতকর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শুভ শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭.৪১ একর জমির উপর গড়ে উঠতে চলা মহাকাল মহাতীর্থকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির নির্মাণ করা হবে। মন্দির চত্বরে থাকবে ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ এবং ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির। দুটি প্রবেশপথ, চার কোণে চার দেবতার মূর্তি, সাংস্কৃতিক হল ও কনভেনশন সেন্টার এই মহাতীর্থকে এক পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। মহাকাল মূর্তির মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট, যার মধ্যে ১০৮ ফুট উচ্চ ব্রোঞ্জের মূল মূর্তি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই মন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু মন্দির নয়, মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তিও এখানে তৈরি করা হচ্ছে। বাংলার এই পুণ্যতীর্থ যুগ-যুগান্ত ধরে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে থাকবে।ভাষণে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভূমি। কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক, দিঘায় জগন্নাথ ধাম ও দুর্গা অঙ্গন নির্মাণের পাশাপাশি রাজ্য সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানের উন্নয়ন ও সংস্কারে নিরন্তর কাজ করেছে। তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, জল্পেশ মন্দির, ফুল্লরা মন্দির, মদনমোহন মন্দির থেকে শুরু করে পাথরচাপুরি মাজার, মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরএকাধিক তীর্থক্ষেত্রের সংস্কার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন, জাহের থান ও মাঝি থানগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন, কবরস্থান সংস্কার এবং ইসকনকে ৭০০ একর জমি দেওয়ার মতো পদক্ষেপ রাজ্যের সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভাবনাকেই তুলে ধরে। ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি রক্ষায় দার্জিলিং ও কলকাতার বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও স্মরণ করান তিনি।মতুয়া সমাজ, রাজবংশী, তপশিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়-সহ সব শ্রেণির মানুষের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম মুখে প্রচার করা যায় না, ধর্ম হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। ভাষণের শেষে তিনি মহাদেবের আশীর্বাদে বিশ্বচরাচরে শান্তি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণ কামনা করেন।মাটিগাড়ার মহাকাল মহাতীর্থ প্রকল্প শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

নিপা আতঙ্কের মাঝেই আশার খবর, কোমা কাটিয়ে সাড়া দিচ্ছেন আক্রান্ত নার্স

রাজ্যে নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই মিলল কিছুটা স্বস্তির খবর। নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত পুরুষ নার্স চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এতদিন তিনি কোমায় ছিলেন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বারাসাতের নারায়ণা হাসপাতালে ভর্তি ওই নার্সকে ধীরে ধীরে ভেন্টিলেটর থেকে বের করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।একই সময়ে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত মহিলা নার্সের শারীরিক অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তিনি এখনও চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তবে তাঁদের শরীর থেকে নেওয়া নমুনার পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নদিয়া জেলা থেকে যাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য কল্যাণী এইমস-এ পাঠানো হয়েছিল, সেই ৪৫ জনের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে প্রশাসনের।এদিকে, দুই নার্স কীভাবে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, কাটোয়ার এক নার্স ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া নদিয়া জেলার ঘুঘরাগাছি গ্রামে গিয়েছিলেন। ওই এলাকা থেকেই সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অঞ্চলে কাঁচা খেজুরের রস ও খেজুরের গুড় তৈরির চল রয়েছে। ওই নার্স কাঁচা খেজুরের রস বা গুড় খেয়েছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বাস্থ্য দফতরের একটি দল ওই গ্রামে যেতে পারে।নদিয়া থেকে ফেরার পর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ওই নার্সের সর্দি-কাশির উপসর্গ দেখা দেয়। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমান, তাঁর সংস্পর্শে এসেই পুরুষ নার্সের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। ২০ ও ২১ ডিসেম্বর দুজনে একই হাসপাতালে নাইট ডিউটি করেছিলেন। চিকিৎসকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, কাঁচা খেজুরের রস না খাওয়াই ভাল। তবে খেজুরের গুড় বা পাটালি খেলে সমস্যা নেই।নিপা আক্রান্ত দুই নার্সের চিকিৎসার জন্য দাদরা ও নগর হাভেলি থেকে বিশেষ ধরনের অ্যান্টিভাইরাল ইঞ্জেকশন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সহযোগিতায় মঙ্গলবার রাতে সেগুলি কলকাতায় পৌঁছয়। বুধবার সকালে সেই ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে।এর মধ্যেই নিপা সংক্রমণের আশঙ্কায় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আরও এক চিকিৎসক ও এক নার্সকে ভর্তি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার আক্রান্ত নার্সের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করতে গিয়েই তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়। তাঁরা দুজনেই বর্ধমান জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, আক্রান্ত দুই নার্সের সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রত্যেকের রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে বড় পদক্ষেপ ইডির, ডিজি রাজীব কুমারের সাসপেনশন চাইল কেন্দ্র

আইপ্যাক তল্লাশি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে আরও একধাপ এগোল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানির আগেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা শীর্ষ আদালতে নতুন করে একটি আবেদন জমা দিয়েছে। সেই আবেদনে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ ডিজি রাজীব কুমারকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার দাবি জানিয়েছে ইডি।ইডির আবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ডিজি নন, আইপ্যাক তল্লাশির সময় যাঁরা যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, সেই সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ইডির অভিযোগ, তদন্ত চলাকালীন রাজ্য পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক গুরুতর অসদাচরণ করেছেন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেননি। এর ফলে তদন্তের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি ইডির।ইডি আরও অভিযোগ করেছে, ডিজি রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেওয়ার নজির এই প্রথম নয়। অতীতে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনায় বসেছিলেন, তখন কলকাতার পুলিশ কমিশনার ছিলেন রাজীব কুমার। সেই সময় তিনিও ধরনায় বসেছিলেন, যা একজন আইপিএস অফিসারের দায়িত্ব ও আচরণবিধির পরিপন্থী বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।এই আবেদনে ইডি সুপ্রিম কোর্টের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, যাতে কেন্দ্রীয় সরকারের পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং বিভাগ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয় রাজ্য পুলিশের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য।এ বিষয়ে বিজেপি নেতা জগন্নাথ সরকার বলেন, রাজনীতি আর প্রশাসনকে আলাদা রাখা জরুরি। কিন্তু তৃণমূলের শাসনে সেই সীমারেখা মেনে চলা হয় না। এবার তার ফল ভোগ করতে হবে।উল্লেখ্য, আইপ্যাক কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে মোট দুটি মামলা দায়ের করেছে ইডি। একটি মামলায় ইডি নিজে আবেদনকারী। অন্য মামলাটি করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে পক্ষ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তার আগেই ডিজি রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানাল ইডি।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

কবে ফিরবে ‘জিম লুক’? প্রকাশ্যে তরুণীর প্রশ্নে চমকপ্রদ জবাব অভিষেকের

অনেক আগেই নিজের ওজন কমিয়ে ছিপছিপে চেহারায় ফিরেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালো শার্ট পরে গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে র্যালি করলে অনেকের চোখেই তিনি যেন সিনেমার নায়কের মতোই। এমনকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিজেপির নেতারাও কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁকে হিরো বলেই ফেলেন। তবে রাজনীতির বাইরে তাঁর চলাফেরা, কথা বলার ভঙ্গি এবং স্টাইল ইতিমধ্যেই যুবসমাজের একাংশের মধ্যে আলাদা প্রভাব ফেলেছে।কয়েকদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অভিষেক নিজের কয়েকটি জিম লুকের ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রথমে চিনতেই পারেননি। মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই লুক নিয়ে প্রবল আলোচনা শুরু হয়। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই রাজনৈতিক কর্মসূচির মঞ্চে একেবারে অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের মুখে পড়তে হল অভিষেককে।হাওড়ার বালিতে এক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ও দেবাংশু ভট্টাচার্য। সেই সময় ভিড়ের মধ্য থেকে এক তরুণী সরাসরি প্রশ্ন করেন, দাদা, আপনি পরের জিম সেলফি কবে পোস্ট করবেন? প্রশ্ন শুনে মুহূর্তের মধ্যেই হাসির রোল ওঠে সভাস্থলে।একটুও না ভেবে অভিষেক মুচকি হেসে উত্তর দেন, ২৫০ করার পর। তৃণমূল জিতবে, ২৫০ হবে, তারপর হবে। এই কথার মধ্য দিয়েই তিনি স্পষ্ট করে দেন, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের লক্ষ্য ২৫০ আসন। রাজনীতির বার্তার সঙ্গে হালকা মেজাজে দেওয়া এই জবাব মুহূর্তে উপস্থিত সকলের মন জিতে নেয়।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পৌষেই কামব্যাক শীতের! কলকাতায় নামতে পারে ১২ ডিগ্রির ঘরে পারদ

স্বাভাবিকের থেকে নীচেই রয়েছে তাপমাত্রা। আগামী দুদিনে পারদ আরও কিছুটা নামতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। কয়েকদিন ধরে কিছুটা ঝিমিয়ে পড়া শীত আবার নতুন করে শক্তি ফিরে পাচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই সক্রিয় হবে উত্তুরে হাওয়া। আবহবিদদের মতে, এই হিমেল হাওয়াই শীতকে ফের জাঁকিয়ে তুলবে। তাই পৌষ সংক্রান্তির সময় রাজ্য জুড়েই বজায় থাকবে শীতের আমেজ।আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। খুব ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা কম হলেও কিছু এলাকায় বেলা পর্যন্ত কুয়াশা কাটতে দেরি হতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার কুয়াশার দাপট কিছুটা বাড়বে বলেই পূর্বাভাস।তাপমাত্রার দিক থেকে দেখা যাচ্ছে, দিনের বেলা খুব বেশি পরিবর্তন না হলেও রাতের দিকে পারদ সামান্য নামতে পারে। আবহবিদদের অনুমান, পৌষ সংক্রান্তির দিন তাপমাত্রা আরও খানিকটা কমবে।উত্তরবঙ্গের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে তাপমাত্রাও কমবে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় পারদ নেমে যেতে পারে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ৮ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।কলকাতাতেও আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রার পরিবর্তন স্পষ্ট হবে। মঙ্গলবার শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পারদ নামতে পারে ১২ ডিগ্রির ঘরে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৪৭ থেকে ৯৩ শতাংশের মধ্যে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় কথা বলায় মারধর? ওড়িশায় নির্যাতনের অভিযোগ পরিযায়ী শ্রমিকের

ফের বিজেপি শাসিত ওড়িশায় বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ উঠল। আক্রান্ত যুবকের নাম রাজা আলি। তাঁর বাড়ি হুগলির গোঘাটে। অভিযোগ, মারধরের পাশাপাশি তাঁর রোজগারের ৫০ হাজার টাকা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। চরম আতঙ্কে রাতারাতি ওড়িশা ছেড়ে পালিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ওই যুবক। ঘটনার পর থেকে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তাঁর পরিবার।ছেলের উপর নির্যাতনের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজা আলির বাবা শেখ মইনুদ্দিন। অসুস্থ শরীর নিয়েই তিনি জানান, ছেলের রোজগারেই চলত গোটা সংসার। উপার্জনের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ায় এখন সংসার চলবে কীভাবে, তা ভেবেই দিশাহারা পরিবার।জানা গিয়েছে, প্রায় আট মাস আগে ওড়িশার কটকে পাথর মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতে যান গোঘাটের ভাদুর পঞ্চায়েতের বিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা আলি। অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে আগেও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে তিনি প্রায় লুকিয়ে কাজ করতেন। যে ঘরে তিনি ভাড়া থাকতেন, সেখানে ঝামেলা এড়াতে বাড়ির মালিক বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে দিতেন বলেও অভিযোগ।বুধবার রাতে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ। রাজা আলির দাবি, হামলাকারীরা সকলেই বিজেপি কর্মী। তিনি বলেন, মারধর করে তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা কেড়ে নেওয়া হয় এবং জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে গোঘাটের বিরামপুর গ্রামে চরম আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ওই গ্রামে প্রায় ১৭০টি পরিবার বসবাস করে, যাদের অধিকাংশই ভিনরাজ্যে কাজ করেন। সকলেই এখন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।ঘটনাটি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলে আক্রান্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি হুগলি সফরে আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে দেখা করে পরিবারের দুরবস্থার কথা জানাতে চান রাজা আলির পরিবার।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি সুশান্ত বেরা বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিষয়টি রটানো হচ্ছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজনীতি

‘৭–৫ নয়, ১২–০ চাই’— বাঁকুড়াকে বিজেপি-শূন্য করার রণসংকল্পে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

পাঁচ বছর আগের ঘাটতি মিটিয়ে বাঁকুড়াকে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের দখলে আনতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বাঁকুড়ার শালতোড়ায় আয়োজিত রণ সংকল্প সভা থেকে সেই লক্ষ্যই স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সোজাসাপ্টা বার্তা রাজ্য জয়ের পর এ বার বাঁকুড়ার ১২টি বিধানসভা আসনেই জয় চাই, কোনও রকম আপস নয়।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার ১২টি আসনের মধ্যে মাত্র চারটিতে জিততে পেরেছিল তৃণমূল। বাকি আটটি চলে গিয়েছিল বিজেপির দখলে। ২০১৯ সাল থেকে জেলার দুই লোকসভা আসনই বিজেপির হাতে থাকলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া লোকসভা পুনর্দখল করে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে শাসকদল। তবে এখনও শালতোড়া বিধানসভা বিজেপির দখলেই। সেই কারণেই রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্র থেকেই বিজেপি-শূন্য বাঁকুড়া-র ডাক দেন অভিষেক।সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ২০২১ সালে আপনারা আমাদের চারটি আসন দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে লোকসভায় চার থেকে ছয়ে পৌঁছেছি। এখন তৃণমূল ছয়, বিজেপিও ছয়। কিন্তু এ বার দুটি ছয় মেরে ১২০ করতে হবে। স্পষ্ট করে দেন, ৭৫ বা কাছাকাছি ফল মানা হবে না, পূর্ণ জয়ই লক্ষ্য।বাঁকুড়া জেলার রাজনৈতিক বাস্তবতাও তুলে ধরেন অভিষেক। জেলার মোট ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে কিছু অংশ অন্য জেলার লোকসভা এলাকায় পড়লেও ভোটের অঙ্কে বাঁকুড়া বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ সালের পর থেকেই সংগঠনের দুর্বলতা শুরু হয়েছিল বলে কার্যত স্বীকার করেন তিনি। তবে ২০২৪ সালে বাঁকুড়া লোকসভা পুনর্দখলের মাধ্যমে রুপোলি রেখা দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেতা।বক্তৃতায় খানিকটা অভিমানও ধরা পড়ে তাঁর গলায়। প্রত্যাশিত ভোট না পেলেও বাঁকুড়াবাসীর জন্য রাজ্য সরকার যে লক্ষ্মীর ভান্ডার, পানীয় জল প্রকল্পসহ নানা সামাজিক প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে, তা মনে করিয়ে দেন অভিষেক। খাদান শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিয়েও আশ্বাস দেন তিনি। জানান, আইনি জটিলতার কারণে বন্ধ থাকা পাথর খাদানগুলি চালু হলে অন্তত ২৫ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ৩১ মার্চের আগেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানান অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র বাংলার প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখেছে, যার মধ্যে বাঁকুড়া জেলার প্রাপ্য প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ ছাড়া হলে জেলার উন্নয়নে গতি আসত বলেও দাবি করেন তিনি।বিজেপির বিরুদ্ধে রিপোর্ট কার্ড রাজনীতির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, আমরা আমাদের কাজের হিসাব নিয়ে মানুষের কাছে যাব। বিজেপি কী করেছে, তার রিপোর্ট কার্ড নিয়ে ওদের মাঠে নামতে হবে। পাশাপাশি বিজেপি জিতলে বঞ্চনা ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত, আর তৃণমূল জিতলে অধিকার ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।বাঁকুড়ার সভামঞ্চে র্যাম্পে ঘুরে কর্মী-সমর্থকদের অভিবাদন জানিয়ে অভিষেক বুঝিয়ে দেন আসন্ন নির্বাচনে বাঁকুড়া দখলই তৃণমূলের অন্যতম বড় রাজনৈতিক লক্ষ্য। এখন দেখার, এই ১২০ রণহুঙ্কার বাস্তবে কতটা সফল হয়।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজনীতি

চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে ফাঁড়িতে ধর্না বিরোধী দলনেতার

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে শনিবার রাত থেকে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরাই এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। ঘটনার প্রতিবাদে চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে মেঝেতে বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়া থেকে একটি জনসভা সেরে ফিরছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। পথে গড়বেতা থানার অন্তর্গত চন্দ্রকোনা রোড বাজার এলাকায় তাঁর কনভয় পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত প্রায় সাড়ে ৮টা নাগাদ চৌরাস্তার কাছে কনভয়ের পথ আটকানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, লাঠি ও বাঁশ নিয়ে একদল তৃণমূল কর্মী শুভেন্দুর গাড়ির উপর চড়াও হন এবং আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান শুরু হয়। প্রকাশ্য রাস্তায় দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনা চললেও পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ বিজেপির। পরিস্থিতি সামাল না পেয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে পড়েন এবং সেখানেই অবস্থানে বসেন।ফাঁড়িতে বসেই তিনি পুলিশ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে উঠবেন না। এসপি-সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকদের বিষয়টি জানাতে বলেন তিনি। ফাঁড়ির মেঝেতেই বসে আইনজীবী ডেকে অভিযোগপত্র লেখানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও অভিযোগপত্র গ্রহণ ও এফআইআর নথিভুক্ত করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা বেঁধে যায়।প্রায় দুঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফাঁড়িতে অবস্থান করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি স্পষ্ট জানান, এফআইআর নম্বর হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এবং কোন কোন ধারায় মামলা রুজু হচ্ছে তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি থানা ছাড়বেন না। খুনের চেষ্টার অভিযোগ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজুর দাবিও তোলেন তিনি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, খড়্গপুর ও ডেবরায় তাঁকে একাধিকবার আটকানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু সফল হয়নি। চন্দ্রকোনায় এসে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে রাজ্যে নির্বাচিত বিধায়করাও নিরাপদ নন।ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থল ও ফাঁড়িতে পৌঁছয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।এই ঘটনার জেরে চন্দ্রকোনায় রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে, ফলে এলাকায় নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

শীত কি এবার বিদায় নিতে ভুলে গেল? কলকাতায় ফের ধস নামাল পারদ

শীতের বিদায় এখনও দূরে। ঘুমপ্রিয় মানুষদের যেন আরও কিছুদিন বাড়তি সময় দিল শীত। সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে দাপট দেখাচ্ছে উত্তুরে হাওয়া। ভোর পেরিয়ে সকাল ছয়টা বাজলেও আলো ঠিকমতো ফুটল না। শীতের আমেজে আঁধার যেন ঘুম ভাঙাতে চায় না। বেলা বাড়লেও কুয়াশার চাদর সরছে না বহু জায়গায়। এই আবহেই কলকাতায় আরও আড়াই ডিগ্রি কমল তাপমাত্রা।সোমবার আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রেকর্ড অনুযায়ী, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঝঞ্ঝা বিদায় নিচ্ছে, ফলে আগামী কয়েক দিনে ঠান্ডা আরও বাড়বে। শহরজুড়ে কাঁপুনি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের দাপট আরও বেশি হবে। সেখানে তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীতের এই দফা বেশ কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে বলেই ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের।উল্লেখ্য, বর্ষশেষের ভোরে কলকাতায় পারদ নেমেছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। নতুন বছরের শুরুতে অবশ্য তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছিল। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে প্রায় তিন ডিগ্রি বেড়ে রবিবার তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ১৪ ডিগ্রিতে। তবে সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হল না। ফের ঠান্ডার গ্রাফ নামতে শুরু করেছে। খুব বড় পরিবর্তন না হলেও আগামী দিনে তাপমাত্রা অন্তত তিন থেকে চার ডিগ্রি কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।সোমবার দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বহরমপুর, কল্যাণী ও শ্রীনিকেতনে পারদ ঘোরাফেরা করেছে ৯ ডিগ্রির আশেপাশে। বাঁকুড়া ও ব্যারাকপুরেও শীতের দাপট স্পষ্ট। বর্ধমান ও আসানসোলে তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১০ ডিগ্রি। দমদম ও মালদহে পারদ নেমেছে ১১.২ ডিগ্রিতে। কলকাতার আলিপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকায় বড় ছাড়! নথি না থাকলেও মিলবে ভোটাধিকার, কারা পেলেন সুবিধা?

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনে বড় ছাড় দিল নির্বাচন কমিশন। এবার নথি দেখালেও চলবে, না দেখালেও কোনও সমস্যা নেই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, জনজাতি, যৌনকর্মী ও রূপান্তরকামীদের জন্য এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে।কমিশনের মতে, যৌনকর্মীদের ক্ষেত্রে নথি জোগাড় করা অনেক সময় অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকেই গ্রামাঞ্চল বা ভিনরাজ্য থেকে শহরে আসেন এবং সামাজিক নানা কারণে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে না। ফলে জন্ম শংসাপত্র বা ঠিকানার প্রমাণ সংগ্রহ করা তাঁদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। আবার অনেকে পারিবারিক বা সামাজিক চাপে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। সেই সময় প্রয়োজনীয় নথি সঙ্গে আনা সম্ভব হয় না। অনেকেই নিজের পেশা গোপন রাখেন বলেও নথি জমা দিতে ভয় পান।একই ধরনের সমস্যার কথা তুলে ধরে আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন রূপান্তরকামীরাও। তাঁরা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেন। রূপান্তরকামী সংগঠনের এক প্রতিনিধি জানান, তাঁদের মধ্যে অনেকেই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। কারও নাম পুরনো ভোটার তালিকায় থাকলেও অনেকের নাম নেই। তাঁদের ক্ষেত্রে গুরু মা-র নাম ব্যবহার করার অনুমতির দাবি জানানো হয়েছিল।ইতিমধ্যেই রাজ্যে ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশিত হয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় শুনানি চলছে। এই পরিস্থিতিতে যৌনকর্মী ও রূপান্তরকামীদের দাবিতে সিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যৌনকর্মীদের ক্ষেত্রে নথি দেখানো বাধ্যতামূলক নয়। রূপান্তরকামীদের ক্ষেত্রে গুরু মা-দের পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষদেরও নথি ছাড়াই শুনানিতে হাজির হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য স্থানীয় স্তরে ইআরও-দের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নথি না থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্য করার জন্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে আবেদন জানানো হয়েছে।ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে মানবিক ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • ...
  • 63
  • 64
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শাহবাজ রাষ্ট্রসংঘে ভারতকে কাঠগড়ায় তুলতেই পাল্টা জবাব! ওসামা প্রসঙ্গ টেনে দিল্লির কড়া বার্তা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভারতকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন। কাশ্মীর, সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি এবং গত বছরের ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গ তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। এর পরেই ভারতের তরফে জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করে পাকিস্তানের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেওয়া হয়।রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব পেটল গেহলট ভারতের হয়ে বক্তব্য রাখেন। পাকিস্তানের প্রতিনিধির বক্তব্যকে তিনি অদ্ভুত বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করেন। তাঁর বক্তব্য, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার ভারত প্রয়োগ করবে এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্তদের তার পরিণতি ভুগতে হবে।ভারতের পাল্টা বক্তব্যে বিশেষ ভাবে উঠে আসে আল কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের প্রসঙ্গ। পেটল গেহলট বলেন, রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনের সময় ৯/১১ হামলার ২৫ বছর পূর্তির প্রসঙ্গও মনে রাখা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে পাক সেনার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কাছে বসবাস করছিলেন।ভারতীয় প্রতিনিধির বক্তব্যে আরও বলা হয়, গত বছর ভারত দেখিয়েছে যে সন্ত্রাসীদের পালিয়ে যাওয়ার বা লুকিয়ে থাকার জায়গা থাকবে না। সীমান্তপারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের কথাও তিনি জানান। পাকিস্তানের সন্ত্রাসনীতি নিয়ে ভবিষ্যতে পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।শাহবাজ শরিফের বক্তব্যে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির প্রসঙ্গও ছিল। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের ওই চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছে। অন্যদিকে ভারত বলেছে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসের পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তানের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে গত বছরের সংঘাত এবং অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গও ফিরে আসে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওই সংঘাতের ফলাফল নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক দাবি তুলেছেন। ভারত অবশ্য সেই দাবিগুলির পাল্টা জবাব দিয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।এর আগে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। সেই সময় জয়শঙ্কর পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, পাকিস্তান কত দিন সন্ত্রাসবাদকে মদত দিয়ে যাবে। এই মন্তব্য নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছিল।ফলে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে শাহবাজ শরিফের বক্তব্যের পর ভারতের পাল্টা জবাব ঘিরে ফের প্রকাশ্যে এল দিল্লি-ইসলামাবাদের তীব্র মতবিরোধ। সন্ত্রাসবাদ, কাশ্মীর এবং সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির মতো একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই দেশের অবস্থান যে এখনও পরস্পরের বিপরীত, রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চের এই বক্তব্যে তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, রাজ্য পুলিশেই পুরভোট? কমিশনের ভাবনায় বড় বদল

পশ্চিমবঙ্গে ফের পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কলকাতা ও হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের লক্ষ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক প্রস্তুতি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বৈঠকে ভোটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহকে সামনে রেখে প্রস্তুতি এগোচ্ছে। তবে ভোটের দিনক্ষণ এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি।এই সাতটি পুরসভা হল কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়ং। প্রশাসনিক স্তরে ইতিমধ্যেই বুথ, ভোটকর্মী, ভোটকেন্দ্র এবং ইভিএম সংক্রান্ত কাজ শুরু হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস এবং আসন সংরক্ষণের কাজও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কলকাতা ও হাওড়ার ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসনের তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র নির্বাচন এবং প্রয়োজনীয় ভোটকর্মী নিয়োগ নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে কাজ এগোচ্ছে।নিরাপত্তার বিষয়টিও কমিশনের প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিবর্তে রাজ্য পুলিশ দিয়েই পুরভোট পরিচালনার বিষয়ে কমিশনের প্রাথমিক ভাবনা রয়েছে। তবে এটি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা যাচ্ছে।ভোটের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোন এলাকাকে বেশি স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হবে, কোথায় কত পুলিশ মোতায়েন প্রয়োজন এবং কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়গুলিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করে রাখতে চাইছে কমিশন।এদিকে পুরভোটের জন্য ইভিএমের জোগান নিয়েও প্রস্তুতি চলছে। পর্যাপ্ত যন্ত্র পাওয়া যায় কি না, তার উপর ভোট এক দিনে হবে নাকি একাধিক দিনে আয়োজন করা হবে, সেই বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করতে পারে। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা করার আগে একাধিক প্রশাসনিক বিষয় মিটিয়ে নিতে চাইছে কমিশন।কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নিয়ে এবার বিশেষ নজর রয়েছে। হাওড়া পুরসভায় দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচন হয়নি। বর্তমানে রাজ্যের মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই এবং প্রশাসকের মাধ্যমে পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভায় দীর্ঘদিন ভোট না হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে।প্রাথমিক ভাবে সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি চললেও রাজ্যের আরও একাধিক পুরসভায় নির্বাচন বকেয়া রয়েছে। সেই তালিকায় বিধাননগর, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, মিরিক, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, পাঁশকুড়া, কুপার্স ক্যাম্প এবং নলহাটির মতো পুরসভাও রয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাকি পুরসভাগুলির ভোট কী ভাবে এবং কখন আয়োজন করা হবে, তা নিয়েও নজর রয়েছে।সব মিলিয়ে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পর রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। তবে এখনই ভোটের চূড়ান্ত দিন ঘোষণা হয়নি। কমিশনের প্রস্তুতি কোন দিকে এগোয় এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ না অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার উপরই পরবর্তী ছবিটা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

মমতার সভার কয়েক ঘণ্টা আগে কুণালের গাড়িতে হামলা! ভাঙল কাচ, শরীরে ঢুকল কাচের টুকরো

শনিবার শ্রীরামপুরে সভা করার কথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ওই কর্মসূচি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জমায়েতে সর্বাধিক এক হাজার মানুষের উপস্থিতির শর্তও রয়েছে। সভার কয়েক ঘণ্টা আগে মমতার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।কুণাল ঘোষের অভিযোগ, উত্তরপাড়ার কাছে তাঁর গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। এরপর একদল মানুষ গাড়ির দিকে ডিম, পাথর এবং অন্যান্য জিনিস ছুড়তে শুরু করেন বলে তাঁর দাবি। হামলায় গাড়ির কাচ ভেঙে যায় বলেও জানিয়েছেন তিনি। কাচের টুকরোয় তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লেগেছে বলে কুণালের দাবি।কুণালের বক্তব্য, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রীরামপুরের সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, রাস্তা আটকে কিছু মানুষ লাঠি ও লোহার রড নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। গাড়ি থামিয়ে কোন গাড়িতে কোন নেতা যাচ্ছেন, তা দেখা হচ্ছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।ঘটনার পর কুণাল ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, গাড়ির কাচ ভেঙে পাথর ঢুকে তাঁর ডান কাঁধে আঘাত লাগে। ভাঙা গাড়ি নিয়েই তিনি কলকাতার দিকে রওনা হন এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানোর কথা বলেন।ঘটনাটি নিয়ে তৃণমূলের তরফে বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। দলের নেতাদের দাবি, পরিকল্পিত ভাবে কুণাল ঘোষের গাড়ি আটকানো হয়েছিল। অন্যদিকে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে। উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহও একই দাবি করেছেন।ফলে কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। হামলার পেছনে কারা ছিলেন এবং ঠিক কী কারণে গাড়ি আটকানো হয়েছিল, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এরই মধ্যে শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরেও রাজনৈতিক নজর রয়েছে। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সভাটি নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির মধ্যে করতে হবে। জিটি রোডে স্বাভাবিক যান চলাচল বজায় রাখার নির্দেশও রয়েছে।এ দিনের সভাটি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি। ফলে সভা থেকে তিনি কী বার্তা দেন, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ রয়েছে।কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগের পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে। তবে হামলার ঘটনায় কারা জড়িত, কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে এবং অভিযোগের সত্যতা কতটা, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

সিপিএম, কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলার পরেই বড় সিদ্ধান্ত! অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা

রাজনৈতিক মহলে ফের বিরোধী দলগুলির সমন্বয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বিরোধী দলগুলির একটি বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে যোগ দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যেতে পারেন বলেও জানা যাচ্ছে। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও থাকতে পারেন বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের পরেই আগামী সপ্তাহে বিরোধীদের বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার পরদিন বিরোধী দলগুলির বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্ক এবং পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।বর্তমানে বিরোধী দলগুলির অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক। এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রকাশ্যে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের সূত্রের দাবি, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে ফের নোটিস দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির যৌথ অবস্থান কী হবে এবং আগামী দিনে কী ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।কয়েক দিন আগেই সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলেন। পরে দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়। বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে ওই কথোপকথন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে।তবে এই বৈঠককে কেন্দ্র করে এখনও সব দলের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, বৈঠকের চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি। তাঁর দাবি, এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। রাহুল গান্ধী-সহ অন্যান্য বিরোধী নেতার সঙ্গেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগাযোগ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের আলোচনায় শুধু ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলিই থাকবে, নাকি জোটের বাইরে থাকা বিজেপি বিরোধী দলগুলিকেও বৈঠকে আনার চেষ্টা হবে, তা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। কয়েকটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাবনাও সামনে এসেছে। তবে কোন কোন দল শেষ পর্যন্ত বৈঠকে যোগ দেবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি গেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে তাঁর দিল্লি সফর এবং বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনও সূত্রনির্ভর বলেই জানা যাচ্ছে।সব মিলিয়ে এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধী দলগুলির ক্ষোভের আবহে দিল্লির সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কে বিরোধীরা যৌথ কোনও কর্মসূচি নেয় কি না, কিংবা ইন্ডিয়া জোটের বাইরে থাকা দলগুলিকে এই সমন্বয়ের মধ্যে আনা যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

নিম্নচাপ দুর্বল হলেও বৃষ্টি থামছে না! কোথায় জারি করা হল কমলা সতর্কতা?

নিম্নচাপের প্রভাব ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করলেও দক্ষিণবঙ্গে শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা-সহ কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে। সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলার কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এই বৃষ্টির পরিমাণ খুব বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকেও বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে কমবে। দক্ষিণবঙ্গে আগামী তিন থেকে চার দিনে ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি বর্তমানে ছত্তীসগঢ় এবং সংলগ্ন মধ্যপ্রদেশের কাছে অবস্থান করছে। এটি গভীর নিম্নচাপ হিসেবে রয়েছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দিকে যেতে পারে। নিম্নচাপটি দক্ষিণবঙ্গ থেকে দূরে সরে গেলেও সমুদ্রের উপর ঝোড়ো হাওয়া থাকতে পারে। তাই মৎস্যজীবীদের জন্যও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে শনিবারের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হলেও পুরোপুরি বৃষ্টিমুক্ত হতে কিছুটা সময় লাগবে। রবিবারও দক্ষিণবঙ্গের দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ এবং বিস্তার দুটোই ধীরে ধীরে কমবে। সেপ্টেম্বর মাসের বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গে বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গে শনিবার পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির কিছু এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। সোমবার থেকে আরও কমবে বৃষ্টির প্রবণতা। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এই পরিস্থিতি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতে পারে বলে পূর্বাভাস।ফলে আগামী কয়েক দিনে বাংলার আবহাওয়ায় দুই রকম ছবি দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের প্রভাব কাটায় ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমবে। অন্য দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতে শনিবার ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতাতেও শনিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

যে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়ে ক্ষমতায় মমতা, সেই দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গেই ফোনে কথা! কেন এই বদল?

বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। সেই দুই দলের মধ্যে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে নতুন করে যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের আবহে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই পক্ষের মধ্যে চিঠি বিনিময়ের পর এই ফোনালাপ হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠক হোক। এই বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এই যোগাযোগের নেপথ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশন নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এম এ বেবি বিরোধী নেতাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই চিঠিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে আলোচনা এবং যৌথ কৌশল তৈরির কথা বলা হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তার জবাবে চিঠি দেন। এরপর দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়েছে।তবে এই যোগাযোগকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও সিপিএমের আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সমঝোতা বা জোট হিসেবে দেখানো হয়নি। আপাতত বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয়ের প্রচেষ্টা হিসেবেই সামনে এসেছে।এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যেই তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন এবং আগের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ফের ভোট নেওয়ার দাবিও তোলেন। এগুলি মমতার রাজনৈতিক দাবি; নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে কমিশনের নিজস্ব বক্তব্যও রয়েছে।এদিকে মমতা ও এম এ বেবির যোগাযোগের বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে তৃণমূল ও সিপিএমের দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরোধের কারণে। পশ্চিমবঙ্গে দুই দল বহু বছর ধরে পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। জাতীয় স্তরে দুদল একই বিরোধী জোটের অংশ হলেও এত দিন তাদের মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগ সীমিত ছিল বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্য দিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে এম এ বেবির সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আলাদা করে কথাবার্তা হয়েছিল বলেও সূত্রের খবর। সেই আলোচনায় ভোটার তালিকা পুনর্নিরীক্ষণ সংক্রান্ত বিষয় উঠে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে মমতা-বেবির বর্তমান ফোনালাপের সঙ্গে ওই আগের কথোপকথনকে এক করে দেখার মতো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।সম্প্রতি কলকাতার মুকুন্দপুরে তৃণমূলের মিছিলে হামলার অভিযোগও ওঠে। কয়েক জন কর্মী আহত হন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়। ওই ঘটনার খবর সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তি-তেও প্রকাশিত হয়েছিল বলে প্রতিবেদন রয়েছে। তবে হামলার অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্য আলাদা এবং ঘটনাটির দায় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে জাতীয় স্তরের বিতর্ক নতুন রাজনৈতিক যোগাযোগের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও এম এ বেবির ফোনালাপ এবং দিল্লিতে বিরোধী বৈঠকের উদ্যোগ সেই পরিবর্তনেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগামী দিনে এই যোগাযোগ কেবল নির্দিষ্ট একটি ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বিরোধী দলগুলির মধ্যে আরও সমন্বয় তৈরি হবে, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোরে বাঁশ-লাঠি নিয়ে দফায় দফায় হামলা! মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, প্রকাশ্যে ভয়াবহ ভিডিয়ো

পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় বিজেপি কর্মী শামসের বিশ্বাসকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। বাঁশ ও লাঠি নিয়ে একদল লোক দফায় দফায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার বিকেলে। একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা হয়েছিল বলে খবর। পরে পরিস্থিতি সাময়িক ভাবে শান্ত হয়ে যায়। কিন্তু শনিবার ভোরে ফের গোলমাল শুরু হয়। সেই সময়েই শামসেরের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গিয়েছে।প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কয়েক জন ব্যক্তি বাঁশ ও লাঠি নিয়ে হামলা চালাচ্ছেন। এক বার নয়, একাধিক বার হামলার দৃশ্য ফুটেজে ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ওই ফুটেজ দেখে এখনও হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনাটির সত্যতা এবং হামলার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।হামলায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই হাতিহলকা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশি টহল চলছে।হামলাকারীরা কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অজয় জানা দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের যোগ নেই। তাঁর অভিযোগ, দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে।অন্য দিকে, বিজেপির জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোলমাল এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছিল। তাঁর দাবি, সেই পরিস্থিতির জেরেই ফের উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে শামসের বিশ্বাস আদৌ বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।ফলে এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। ঠিক কী কারণে শুক্রবার বিকেলে বচসা হয়েছিল, তার সঙ্গে শনিবার ভোরের হামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, সিসিটিভিতে দেখা ব্যক্তিরাই হামলায় জড়িত কি না এবং মৃত শামসেরের রাজনৈতিক পরিচয় কী ছিলসবই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এখনও পর্যন্ত হামলার ঘটনায় কারও নাম নিশ্চিত ভাবে প্রকাশ্যে আসেনি। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ-সহ অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরেই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
দেশ

তিন দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, এসবিআই গ্রাহকদের জন্য বড় ঘোষণা! এটিএম থেকে টাকা তুললে লাগবে না বাড়তি টাকা

২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে তিন দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক খোলা রাখার পরিবর্তে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবিসহ একাধিক বিষয়ে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের সংগঠনগুলি। মাসের শেষে এই ধর্মঘটের কারণে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ধর্মঘট চলাকালীন তাদের গ্রাহকেরা দেশের যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন এবং ওই সময় এটিএম লেনদেনের প্রযোজ্য চার্জ নেওয়া হবে না। এমনকি সাধারণ নিয়মে মাসিক বিনামূল্যে লেনদেনের সীমা পেরিয়ে গেলে যে অতিরিক্ত এটিএম চার্জ দিতে হয়, ধর্মঘটের ওই তিন দিনে সেই চার্জও মকুব থাকবে।অর্থাৎ, ধর্মঘটের কারণে ব্যাঙ্কের শাখায় পরিষেবা ব্যাহত হলেও জরুরি প্রয়োজনে এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এসবিআই গ্রাহকদের অতিরিক্ত এটিএম চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। তবে কোন এটিএমে পর্যাপ্ত নগদ রয়েছে, তা এলাকা ও সময় অনুযায়ী বদলাতে পারে। তাই একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় নগদ ব্যবস্থার বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে নেওয়া ভাল।শুধু এটিএম নয়, ধর্মঘটের সময় এসবিআইয়ের ডিজিটাল পরিষেবাগুলিও চালু থাকবে। ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, ওয়াই-ফাইভো অ্যাপ এবং অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় ব্যাঙ্কিং পরিষেবার মাধ্যমে নিয়মিত লেনদেন করা যাবে। ফলে টাকা পাঠানো, বিল দেওয়া বা অন্যান্য সাধারণ ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।তবে চেক জমা দেওয়া, ডিমান্ড ড্রাফট তৈরি, ঋণ সংক্রান্ত নথি জমা বা শাখায় গিয়ে করতে হয় এমন অন্য কোনও জরুরি কাজ থাকলে তা ধর্মঘটের আগে সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ ধর্মঘটের দিনগুলিতে শাখার স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।গ্রাহকদের সুবিধার জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ওই দিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলি স্বাভাবিক ভাবে কাজ করবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কও ওই দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা, দফতর, এটিএম-সংযুক্ত শাখা এবং নগদ ভাণ্ডার চালু রাখার অনুমোদন দিয়েছে।এর ফলে ২৬ সেপ্টেম্বরের ছুটি, ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার এবং তার পরের তিন দিনের ধর্মঘট মিলিয়ে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় টানা কয়েক দিনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেই ধর্মঘটের আগে রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ব্যাঙ্ক কর্মীদের সপ্তাহে দুদিন ছুটির দাবিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চলছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট হয়েছিল। এবার ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর তিন দিনের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক পরিষেবা যাতে দীর্ঘ সময় ধরে বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য সরকার ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ একাধিক বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।সব মিলিয়ে ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর শাখায় গিয়ে ব্যাঙ্কের কাজ করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের অসুবিধা হতে পারে। তবে এসবিআইয়ের ঘোষণায় ওই তিন দিন এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে বাড়তি চার্জ মকুব থাকবে এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং পরিষেবাও চালু থাকবে। তাই জরুরি শাখাভিত্তিক কাজ থাকলে তা ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সেরে নেওয়াই সুবিধাজনক।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal