• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Young

কলকাতা

রাজারহাটে যুবকের দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ পরিবারের

রাজারহাট থানা এলাকার মোবারকপুরে একটি পুকুর থেকে এক যুবকের মৃত দেহ উদ্ধার।পুলিশ সূত্রে খবর ওই যুবকের হাত পা বাধা ছিল। যুবকের নাম তৌহিদ রহমান সাফুই। পরিবারের অভিযোগ তাকে খুন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রাজারহাট থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর বিকেল চারটে নাগাদ ওই যুবকের বাড়ি থেকে দু আড়াই কিলোমিটার দূরে একটি পুকুর থেকে ওই যুবকের মৃতদেহ ভাসতে দেখে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যখনই যুবককে পুকুর থেকে উদ্ধার করে দেখা যায় যে তার হাত পা বাধা অবস্থায় রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ওই যুবককে খুন করা হয়েছে। তবে কে বা কারা করেছে সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে রাজার থানার পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ সকাল বেলায় বাড়ি থেকে বের হয় কাজে যাবে বলে। বাড়ির গেটের চাবি নিয়ে চলে যায় এরপরে ওর মা বাড়িতে এসে ফোন করলে দেখা যায় যে ওর ফোন ও বাড়িতে রেখে গেছে। এরপরে বিভিন্ন জায়গায় ওর খোঁজ শুরু করা হয়। বিকেল সাড়ে পাঁচটার নাগাদ ওরা খবর পায় যে খালদার এর একটি দেরিতে ও লাশ পাওয়া গেছে। হাত দেদে পা বেঁধে গলায় ফাঁস আছে, পুরোটাই পরিকল্পনা করে মার্ডার। আমরা চাই যারা খুন করেছে তাদের তদন্ত হোক এবং শাস্তি হোক।

মে ২৬, ২০২৫
রাজ্য

জীবিত তরুণীর শ্রাদ্ধ, পাত পেড়ে ভুরিভোজ, কেন এমন আজব ঘটনা বাংলায়?

চোপড়ার বাস্তব চিত্র সিনেমাকেও হার মানাবে। চোপড়া থানার সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পরিবারের অমতে বিয়ে করেছিলেন এক তরুণী। সেই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবারের লোকজন। জীবিত মেয়ের নামে ল শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করলেন বাড়ির লোকজন। পাত পেড়ে করালেন ভুরিভোজও।পছন্দের পুরুষের হাত ধরে সংসার পাততে চেয়ে তরুণীকে বাড়ি ছাড়তে হয়েছে। সেই শুরু কাহিনীর। তবে সেখানেই শেষ নয়। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, মেয়ে পরিবারের অমতে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করায় তাঁরা গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁরা মনে করছেন, মেয়ে পরিবারের সামাজিক মর্যাদা হানি করেছে। সেই তরুণীর আত্মীয়-পরিজনও নাকি এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছেন না। তাই মেয়ের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করতেই এই শ্রাদ্ধের আয়োজন।তরুণী কলেজ-পড়ুয়া। তাঁর বাবা কৃষিজীবী। আর তাঁর প্রেমিক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। কলেজের পড়াশোনার পাঠ সাঙ্গ করেছেন খুব বেশিদিন হয়নি। চলতি মাসের ৮ তারিখে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়েন সেই তরুণী। তারপর ৯ মার্চ চোপড়া থানায় একটি অপহরণের মামলা দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। পুলিশ দুজনকে আটক করে নিয়ে আসে রায়গঞ্জ থেকে। মামলা আদালতে ওঠে। কিন্তু ধোপে টেকেনি। কারণ আদালতে মেয়েটি পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে তিনি সাবালিকা। তিনি স্বেচ্ছায় সেই তরুণের সঙ্গে গিয়েছেন। এদিকে, ছেলেটির বাড়ি থেকে কিন্তু প্রাথমিক আপত্তির পর সম্পর্ক মেনে নিয়েছে।তরুণীর বাড়িতে ঠিক উলটো চিত্র। মেয়ের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে এদিন রীতিমতো পুরোহিত ডেকে নিয়ম মেনে শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গ্রামবাসীর পাশাপাশি আত্মীয়স্বজনদের আমন্ত্রণ করে ভুরি ভোজ করানো হয়। শনিবারের অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০ জন অতিথি দিব্য পাত পেড়ে খেয়েছেন জীবন্ত তরুণীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে। প্রতিবেশীরা, যাঁরা নিমন্ত্রিত ছিলেন, তাঁরাও মেয়েটির সম্পর্ক মানছেন না। শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, এটা একটা উদাহরণ হয়ে থাকবে গ্রামের উঠতি বয়সি ছেলেমেয়েদের কাছে।

মার্চ ১৬, ২০২৫
রাজ্য

গঙ্গাসাগরে গিয়ে ফের প্রবীণদের হয়ে ব্যাট ধরলেন মমতা

তৃণমূলে আদি-নব্য, প্রবীণ-নবীন দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। এবার দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন একাধিক নেতা। এসবের মধ্যেই রবিবার নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে বয়সসীমা বিতর্কে ফের মন্তব্য করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের তারুণ্যের উপরই জোর দেন তিনি। ২৪ ঘন্টা না পেরতেই সোমবার গঙ্গাসাগর থেকে তৃণমূল সেনাপতিকে পালটা বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।আমি এখন যে কাজ করতে পারছি, তা কি ৭০ বছর হলে করতে পারব? ৩৬ বছর বয়সে যে কর্মক্ষমতা থাকে, ৫৬ বছর বয়সে তা থাকে না। ৭০ বছর বয়সে তা আরও কমে যায়। এই প্রথম নয়। এর আগেই বেশ কয়েকবার তৃণমূলে নবীনদের পক্ষে সোচ্চার হয়েছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দলে এক ব্যক্তি-এক পদের ঘোষণা করে তিনি বলেছিলেন, সব পেশার মতো রাজনীতিততেও অবসরের বয়স থাকা উচিত।বয়সসীমা বিতর্কের মধ্যেই গত নভেম্বরে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দলনেত্রী বলেছিলেন, মনের বয়স বাড়ল কিনা সেটাই আসল ব্যাপার। প্রবীণ সৌগত রায়দের নির্দ্বিধায় কাজ চালানোর কথা বলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার-এর মতো লড়াইয়ের কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার সপ্তাহ পরে দাবি করেছিলেন, পুরনো চাল ভাতে বাড়ে।সোমবার গঙ্গাসাগর গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মেলার এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। তারপর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, আমরা কিন্তু যাঁরা যোগ্য লোক তাঁদের ৬০ বছরে বিদায় দিই না। আমরা তাঁদের কাজকর্ম, পুরো অভিজ্ঞতা নিয়ে পুরো কাজে লাগাই। এটা বিরল ব্যাপার। মূলত রাজ্য প্রশাসনে অবরপ্রাপ্ত তিন যোগ্য অফিসারের পুনর্নিয়োগ করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই এই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।অভিজ্ঞতার পক্ষে কথা বলে দলের সাম্প্রতিক বিতর্কও কী উস্কে দিলেন তৃণমূল নেত্রী? সেনাপতিকে বার্তা দিলেন? এখন এই প্রশ্নই বড় হয়ে উঠছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজ্য

যুবকের রহস্য মৃত্যুতে ধুন্ধুমার কাণ্ড, অবৈধ প্রণয়ের জের? তদন্তে পুলিশ

অগ্নিদ্বগ্ধ যুবকের মৃতদেহ ঘিরে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটল বিধাননগর পৌরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিয়ারা সরদার পাড়ায়। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।ভাঙচুর করা হয় মৃতের শ্বশুরবাড়ি এবং তার স্ত্রীর প্রেমিক সঞ্জীব সরদারের বাড়ি। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। চলে ভাঙচুর। সামাল দিতে ইকো পার্ক থানা এবং বাগুহাটি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে ঘটনাস্থলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেয় এলাকার বাসিন্দারা।শনিবার বিধানগর পৌরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিয়ারা সরদার পাড়ায় শ্বশুরবাড়ির সামনে থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার হয় এক যুবক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় আরজিকর হাসপাতালে। রবিবার রাতে আরজিকর হাসপাতালে যুবকের মৃত্যু হয়। মৃত যুবকের নাম সমীর মুখার্জি। যুবক শ্বশুর বাড়িতেই থাকতো। সমীর মুখার্জির সঙ্গে ১১ বছর আগে হাতিয়ারা সরদার পাড়ার ঝুম্পা মুখার্জির সাথে বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। এরপর ঝুম্পার সঙ্গে সমীরের অশান্তি শুরু হয় সঞ্জীবকে নিয়ে। সঞ্জীব ও ঝুম্পার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক জানার পর প্রায় প্রতিদিনই সমীর আর ঝুম্পার মধ্যে ঝামেলা হতো, এমনটাই জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, যুবকের স্ত্রী ঝুম্পা ও তার প্রেমিক সঞ্জীব সরদারের বিরুদ্ধে। পুলিশের বিরুদ্ধেও তাঁরা ক্ষোভ উগরে দেয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য বর্ধমানে

পায়ে দড়ি বাঁধা অবস্থায় বাড়ির পিছনে যুবতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নারায়ণপুর গ্ৰামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জামালপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে। মৃত যুবতীর নাম দুলালী মালিক(২৪)।রোজকার মত শনিবার রাতে দুই বোন ঘরে শুতে যায় রবিবার সকালে ঘরের পিছনের দিকে অংশে কার্ণিশ থেকে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তবে দুটি পা দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল সেই জন্য পুরো ঘটনাকে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। আত্মহত্যা যদি হয় তাহলে পায়ে দড়ি বাঁধা কি করে? নেপথ্যের কারণ কি তা জানতে কৌতুহল গোটা এলাকায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি ক্যামেরায় বন্দি করে বিয়ের জন্য পিস্তল দেখিয়ে প্রেমিকের হুমকি! কালনায় আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী

প্রেমিকের ব্ল্যাকমেল ও হুমকি শাসানির জেরে আত্মহত্যার পথ বেছেনিতে বাধ্য হলেন এক কলেজ ছাত্রী।মৃতার নাম গঙ্গা সেন (১৯)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার শাসপুর পশ্চিমপাড়ায়। রবিবার কালনা মহকুমা হাসপাতাল পুলিশ মর্গে ছাত্রীর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। তারপর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছে প্রেমিক। এইঘটনা নিয়ে জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শাসপুর এলাকায়। প্রেমিক যুবকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর পরিবারের আনা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে কালনা থানার পুলিশ। পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানা গিয়েছে, গঙ্গা সেন নামে ওই ছাত্রীটি কালনা কলেজের প্রথম বর্ষে পড়াশুনা করতো। ছাত্রীর বাবা নগেন সেন জানান, কয়েক বছর হল তাঁর মেয়ে গঙ্গা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু মনে কু-উদ্দেশ্য থাকায় ওই যুবক কোন এক সময়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের বেশ কিছু ছবি মোবাইল ফোনের ক্যামেরা বন্দি করে নেয়। পরে সেই ছবি দেখিয়েই গঙ্গাকে ব্ল্যাকমেল করেচলে তাঁর প্রেমিক। এরই মধ্যে গঙ্গা জানতে পারে যে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে একাধিক মেয়ের সম্পর্ক রয়েছে। এরপর থেকে গঙ্গা তাঁর প্রেমিকে সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে মনস্থির করে নেয়। নগেন বাবুর অভিযোগ, তাঁর মেয়ে প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইছে জানতে পেরে ওই প্রেমিক যুবক মাঝেমধ্যেই তাঁদের বাড়িতে এসে পিস্তল দেখিয়ে হুমকি শাসানি দিয়ে যেত।ছাত্রীর মা বিশাখা সেন বলেন, আমার মেয়েকে বিয়ে করবে বলে ওই যুবক বাড়িতে এসে চাপ দেওয়া শুরু করে। কিন্তু অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় আমার মেয়ে ওই যুবককে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। তার জন্য ওই যুবক পিস্তল উঁচিয়ে আমাদের বাড়ির সবাইকে প্রাণে মেরে দেবে বলে কিছুদিন আগে হুমকি দিয়ে যায়। এইসব নিয়ে মেয়ে গঙ্গা মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। রবিবার সকালে তিনি ও তাঁর স্বামী কোভিডের ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তার পরেই বাড়ির একটি ঘরে গলায় দড়ি ফাঁস দিয়ে গঙ্গা ঝুলেপড়ে। বাড়িতে তখন ছোট মেয়ে ছিল। সে তাঁর দিদিকে গালায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলতে দেখে আমাদের জানায়। এই খবর পেয়েই দ্রূত বাড়িতে ফিরে এসে মেয়েকে উদ্ধার করে আমরা কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক গঙ্গাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নগেন সেন ও তাঁর স্ত্রী বিশাখাদেবী দুজনেই তাঁদের মেয়ে গঙ্গার মৃত্যুর জন্য ওই প্রেমিক যুবককেই দায়ী করেছেন। সেন দম্পতি দাবি করেন, প্রেমিক যুবকের ব্ল্যাকমেল ও হুমকি শাসানির জেরেই তাঁদের মেয়ে গঙ্গা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। সেই অভিোগের কথা পুলিশকেও এদিন মৌখিক ভাবে জানিয়ে এসেছেন। দাহকার্য শেষ করে সোমবার থানায় গিয়ে লিখিত ভাবে যুবকের বিরূদ্ধে অভিযোগ জমা দেবেন বলে নগেন সেন জানিয়েছেন। কালনা থানার পুলিশ জানিয়ছে, লিখিত অভিযোগ জমা পড়লে তার ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মৃতার পরিবার ও তাঁর সহপাঠীদের প্রত্যাশা পুলিশ যুবকের দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

Murder: প্রেমিক যুবককে খুনের অভিযোগ ঘিরে হুলুস্থূল শক্তিগড়ে, ধৃত প্রেমিকার বাবা

প্রেমিক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠলো প্রেমিকা ও তাঁর বাবার বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেছে। এমন অভিযোগ ঘিরে শনিবার দুপুরে ব্যাপক ক্ষোভ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে। মৃত যুবকের পরিবার পরিজনসহ এলাকার বহু মানুষ এদিন অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে প্রথমে শক্তিগড় থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। পরে তাঁরা শক্তিগড় বাজারের সামনের রাস্তায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।বিক্ষোভ সামাল দিতে র্যাফ সহ বিরাট পুলিশ বাহিনী এলাকায় মোতায়েন করা হয়। শেষ পর্যন্থ এলাকাবাসীর চাপে পুলিশ যুবকের পরিবারের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ গ্রহন করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৭ বয়সী যুবক শেখ রফিকের বাড়ি শক্তিগড় থানার সন্তোষপুরে। যুবকের মা আমিরা বিবির অভিযোগ,গত বৃহস্পতিবার থেকে হঠাৎই নিঁখোজ হয়ে যায় তাঁর ছেলে রফিক। তার পর থেকে যুবকের আর কোন হদিশ পাওয়া যাচ্ছিল না।পরিবারের সদস্য ও এলাকার লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও যুবকের হদিশ পায়নি।পরিবারের সদস্যরা এদিন দাবি করেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় রফিকের প্রেমিকা নিজেই রফিকদের বাড়িতে ফোন করে রফিকের খোঁজ নেয়। এরপরেই জিআরপি থেকে যুবকের বাড়িতে খবর আসে শক্তিগড় রেল স্টেশন সংলগ্ন ১ নম্বর কেবিনের পাশে পড়ে রয়েছে রফিকের মৃতদেহ। শেখ রফিকের মায়ের আরও অভিযোগ, এর আগেও বেশ কয়েকবার তাঁর ছেলে রফিককে খুনের হুমকি দিয়েছিল পার্শ্ববর্তী গ্রাম মোল্লা পাড়া নিবাসী প্রেমিকার বাবা সেখ আমির। আমিরা বিবি এদিন দাবি করেন, তাঁর ছেলে রফিককে খুন করেছে প্রেমিকা ও তাঁর বাবা। যুবকের পরিবারের সদস্যরা এদিন বলেন, রফিকের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তাঁরা শক্তিগড় থানায় অভিযোগ জানাতে যান। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বিকার করে। শুধু অভিযোগ নিতে অস্বীকার করাই নয়, উল্টে প্রেমিকার বাড়ির চারিদিকে পুলিশ ব্যারিকেড করে ঘিরে রাখে। মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যরা এদিন আরও জানান, প্রেমিকার বাবা শেখ আমির বড় বালি ব্যবসায়ী হওয়ায় তাঁর সঙ্গে শক্তিগড় থানার পুলিশের ঘনিষ্টতা বেশী। সেই কারণে রফিকের পরিবার প্রেমিকা ও তাঁর বালি কারবারী বাবার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে ফিরিয়ে দেয়। রফিককে খুনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শক্তিগড় থানার পুলিশ যাতে অভিযোগপত্র জমা নিয়ে অভিযুক্তদের শাস্তির ব্যবস্থা করে সেই দাবিতেই এদিন এলাকার সকলে পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে এলাকাবাসীরা বলেন। ডিএসপি (হেডকোয়ার্টার) অতনু ঘোষাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রেমিকার বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাদ শুরু হয়েছে। শক্তিগড় থানার পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে এই অভিযোগ যদিও ডিএসপি মানতে চাননি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Jump into the Teesta: ভিডিও কল চলাকালীন সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ! তিস্তায় যুবকের খোঁজে তল্লাশি

রাত ১২ টায় মোবাইলে ভিডিও কনফারেন্স। এক দিকে প্রেমিক, অন্যদিকে পরিবারের লোকজন ও প্রেমিকা। প্রথমে আত্মহত্যার হুমকি। তারপর সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ। পরিবারের লোকজন রাতেই ছুটেছে সেতুর কাছে। অবাক করা এই ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির তিস্তা নদীতে। যুবকের সন্ধানে সকাল থেকেই তল্লাশি চালাচ্ছে সিভিল ডেফেন্সের কর্মীরা। কেন ভিডিও কল করে নদীতে ঝাঁপ দিল ধীরাজ প্রজাপতি(২৯), তা নিয়ে ধন্দে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা। ধন্দে পুলিশও।জানা গিয়েছে, রবিবার রাত ১২টা নাগাদ জলপাইগুড়ির তিস্তা সেতুতে দাঁড়িয়ে ছিল ধীরাজ প্রজাপতি। ওই যুবক সেতুতে দাঁড়িয়ে পরিবারের সবাইকে ভিডিও কল করে। এমনকী তাঁর প্রেমিকাকেও কনফারেন্স কল করেন। কনফারেন্স কলেই নাকি আত্মহত্যার হুমকি দেন ওই যুবক। হুমকি দিতে দিতেই সে তিস্তা নদীতে ঝাঁপ দেন। পরিবারের লোকেরা কিছু বুঝতেই পারেননি। ঘটনার আকস্মিকতায় তাঁরা হতবাক হয়ে যান। তাঁরা বারে বারেই নিষেধ করেন। ঘটনার পরই সেখানে ছুটে যায় যুবকের পরিবারের লোকজন। বিষয়টি তাঁরা জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় জানায়। এবার যুবকের খোঁজ শুরু হয় নদীতে। পুলিশের অনুমান, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তিস্তার জলে তলিয়ে গিয়েছে যুবক। সোমবার সকাল থেকে ধীরাজের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা।যুবকের দাদা মনোজ প্রজাপতি জানান, ভাইয়ের রাণীনগর বিএসএফ ক্যম্পের কাছে স্টেশনারির দোকান রয়েছে। রবিবার রাত ১২টা নাগাদ তিস্তা সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে কনফারেন্স কলে কথা বলছিল তাঁর দাদা, দিদি ও প্রেমিকা। তখন ভিডিও কলে আত্মহত্যা করার কথা জানায়। সবাই তখন হাতজোড় করতে থাকে এমন কাজ না করার জন্য। কিছু বোঝার আগেই ভিডিও কল অন করেই ঝাঁপ দিয়ে দেয় নদীতে। কেন এমন কাজ করল ওই যুবক, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
নিবন্ধ

Diary of a young girl: মিঠির ডায়েরি (বাংলা ছোট গল্প)

ফোনটা পেয়ে আই পি এস অফিসার সুকৃতী রায় নিজেই গেলেন ঘটনাস্থলে,সঙ্গে দুজন অধস্তন সহকর্মীকে নিয়ে।বুঝলেন মেয়েটার শরীরে তখনও প্রাণ আছে।নিজের গাড়িতেই তুলে নিয়ে ছুটলেন হাসপাতাল রেখে গেলেন সহকর্মীদের।ঘটনাস্থলে চারজনকে ধরা হয়েছে।হাসপাতাল পৌঁছে মেয়েটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করে আবার গেলেন ঘটনাস্থলে যদি কিছু পাওয়া যায়,মেয়েটির পরিচয়,আপনজন কারো কোনো খোঁজ।ঘরে চারিদিক খূঁজে একটা সেল ফোন পেলেন ।কিন্তু কেনো জানিনা আরো কিছু পাওয়ার আশায় খূঁজে দেখ্তে লাগলেন । পেয়েও গেলেন একটা ডায়েরি।দুটো জিনিস নিয়ে ফেরেন নিজের অফিসে।বারবার মেয়েটার মুখটা মনে পড়ছে; কতই বা বয়স হবে কুড়ি একুশ।মুখে যেন একটা অব্যক্ত কষ্ট আর আতঙ্ক ছিলো মেশানো।ভাবতে....ভাবতে মেয়েটার ফোনটা বের করে অন করলেন। বাহ নামটা বেশ ভালো মিঠি।লাস্ট কয়েকবার বাবাকে ফোন করেছিল।বোধহয় ফোনটা রিসিভ হয়নি।কিন্তু কেনো? কে এই মেয়ে? কেনো এতবার বাবাকে ফোন করেছিল? কি বলতে চেয়েছিল?এইসব নানান প্রশ্ন আসছে মাথায়।নিজের ফোন থেকেই বাবার নং টা ডায়াল করলেন--দু তিন বার রিং হওয়ার পরহ্যালো,কে?আমি লালবাজার থেকে বলছি।লালবাজার? কে কেনো? গলাটা যেন কেঁপে গেল মনে হলো সুকৃতীরহ্যাঁ , আপনার মেয়ে মিঠি দাস?মিঠি? কে মিঠি? আমি কোনো মিঠিকে চিনিনা। বলে ফোনটা কেটে দিল।সুকৃতী অবাক হয়ে কিছুক্ষণ বাইরের দিকে তাকিয়ে রইল; সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে।বেয়ারা কে ডেকে এক কাপ চা দিতে বলল।চা খেতে খেতে ডাযেরি টা খুলল...না রোজ লেখা নয়, হয়তো যে ঘটনা লিখে রাখতে মন হয়েছে সেটাই লিখে রেখেছে। মানে যে ঘটনা মিঠির মনে দাগ কেটেছে সেটা ও ওর লেখায় বন্দি করে রেখেছে।লেখা শুরু করেছে তখন ও ক্লাস নাইন। স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে নতুন নতুন জানা বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনার কথা লিখেছে।সুকৃতী পড়তে লাগল পাতা উল্টে, মিঠি নিজের প্রথম প্রেমের কথা লিখেছে।১২/০৮/২০০৯আমি এখন ক্লাস ইলেভেন এ পড়ি ।পড়ার বাইরে নাচ গান করতে আমার ভালো লাগে।স্কুলের স্বাধীনতা দিবসে একটা প্রগ্রাম হবে। সেইজন্য এখন রোজ রিহার্সাল চলছে। কদিন থেকেই খেয়াল করছিলাম ক্লাস টুয়েলভের সুজয় কিছু বলতে চাইছে ।আজ ও বলেই ফেলল। খারাপ না ছেলেটা। আমারও ভালই লাগে।যদিও আজ আমি কোনো উত্তর দিই নি।আবার ১২/০৮/২০০৯আজ সুজয় কে হ্যাঁ বলেছি।কিন্তু ভয় করছে খুব। মা তো আমাকে দেখেই বুঝবে তখন আমি মা কে কি বলবো। মা যে আমার মুখ দেখেই সব বুঝতে পারে ।আমার পড়া নষ্ট করলে হবে না। তাহলে মা কষ্ট পাবে।এরপর আবার বেশ কিছুদিন কিছুই লেখেনি । তারপর হঠাত্ লিখেছে মায়ের কি যেন হচ্ছে আমাকে ঠিক বলছে না। শরীরটা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বাবাও কদিন থেকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলছে।বাবা মায়ের সম্পর্কটা খুব ভালো লাগে।সুজয়কে বললাম মায়ের কথা।ও যেন একটু অন্যরকম। মায়ের কথাটা গুরুত্ব দিলনা । আমার ভালো লাগেনি ওর এই ব্যবহার।এরপর বেশ কিছু পাতায় রয়েছে মিঠির সঙ্গে মায়ের সম্পর্কের কথা।মা মেয়ের মধ্যে যে একটা বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক সেটা বোঝা যায় ওর লেখায়।সুজয়ের সঙ্গে ওর ঝগড়া হয়ে গেছে।ছেলেটা খুব স্বার্থপর । ওর সঙ্গে সম্পর্ক রাখে না।এরপর ওর মায়ের অসুস্থতার কথা লেখা আছে।বাড়িতে ঝড় চলছে। ও বাবা মা কে যতটা পারছে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছে।এই ভাবে ও উচ্চমাধ্যমিক পাশ করলো। খুব আনন্দ সেদিন ওদের । বাবা তো ভীষণ খুশি ওর রেজাল্ট এ। ও যে ওর বাবার স্কুলেই পড়ে ।এরপর ওর জীবনের সব থেকে কষ্টের ঘটনাটা ঘটে। ওর মা পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। তার প্রায় একমাস পরে ও আবার লেখে...মা চলে গেছে একমাস হয়ে গেল।আমি খুব একা হয়ে গেছি। বাবার দিকে তাকানো যাচ্ছে না। মানুষটা যেন কেমন হয়ে গেছে। আমার তো এখং কলেজে যাওয়া আছে অনেকটা সময় কেটে যায় ওখানে। বাবা স্কুল যাচ্ছে না এখনো ।খুব চিন্তা হচ্চে বাবার জন্য।বাবা মেয়ের সংসার চলছে কোনোরকমে। কলেজে যাওয়ার পথে সুনন্দর সঙ্গে পরিচয় হয় মিঠির ।খুব helpful ছেলে টা । বেশ ভালো কথা বলে।এরপর আবার চোখ আটকে যায় সুকৃতীর... ১২/০৩/২০১২বাবা কাল বিয়ের কথা বলছিল কাকে যেন। মনে হলো কোনো বন্ধুর সঙ্গেই কথা বলছিল।আজ সুনন্দ কে সে কথা বললাম। ও বলল ভয় কি আমি তো আছি। কি জানি কি হবে আমার তো খুব ভয় করছে। মা এর পর একমাত্র সুনন্দর সঙ্গে সব কথা বলতে পারি । ও আমাকে বোঝে খুব ভালো।দেখ যাক কি হয়। নাহলে বাবা কে বলতেই হবে।জীবন বয়ে চলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন আসে মানুষের মধ্যে।মিঠির মাতৃহারা একাকী জীবনেও সেরকম জুড়ে যায় সুনন্দ।বেশ কিছু পাতায় লেখা ওর আর সুনন্দর কাটান অনেক ভালো মুহূর্তের কথা। সেগুলো পড়ে সুকৃতী ভাবে বেশ ভালো একটা সঙ্গ পায় মিঠি।এরপর বেশ কিছুদিন কিছুই লেখেনি। তারপর হটাত লেখে২৫/১২/২০১২আজ একটু বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাচ্ছি বলে সুনন্দর সঙ্গে বেরিয়ে ছিলাম। বেশ ভালই কাটলো দিনটা; কিন্তু সন্ধ্যে বেলা বাড়ি ফিরে দেখি বাবার বন্ধু তিমির কাকু এসে বসে আছেন।তিমির কাকুর ছেলের সঙ্গেই আমার বিয়ের কথা হচ্ছে । ওনাকে দেখে আমার তো ভুত দেখার অবস্থা।যাই হোক রাতে কাকু আমাদের বাড়িতে থাকলেন আজ।২৬/১২/২০১২না আজ আর থাকতে পারলাম না। বাবাকে সব বললাম। সুনন্দর কথা শুনে বাবা তো কোনো কথা না বলে ঘরে চলে গেল। আর রাতে খেতেও উঠল না। আমি একটু আগে সুনন্দকে ফোনে সব বললাম ও দুদিন পর দেখা করবে বলল। এদিকে আমার পড়া মাথায় উঠেছে।আবার দুদিন পরে লেখা... ২৮/১২/২০১২আজ সুনন্দর সঙ্গে দেখা করলাম। ও যেটা বলছে আমি মানতে পারছিনা। ও বলছে বিয়ে করে নিতে। তারপর বাবা ঠিক মেনে নেবে। কিন্তু আমি এভাবে কিছু করতে চাই না। এদিকে সেদিনের পর থেকে বাবাও আমার সঙ্গে কথা বলা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। আমি তবু বাবাকে বললাম একবার কথা বলতে সুনন্দর সঙ্গে। কিন্তু বাবা কোনো সাড়া দিল না। আজ মায়ের অভাব টা বড্ড বেশী করে অনুভব করছি।এভাবে বেশ কিছু দিন ওর মনের উদ্বেগের কথা লেখা। বাবার সঙ্গে এইনিযে দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। একা কি করবে ঠিক করতে পারছে না। সেরকম কোনো বন্ধুও ওর নেই যার সঙ্গে পরামর্শ করবে।তারপর প্রায় মাস খানেক পরে লেখা ১৩/০২/২০১৩আজ এক সপ্তাহ হলো আমি আর সুনন্দ বিয়ে করেছি । বাবা মেনে নেয়নি। আমরা ওর এক মাসির বাড়িতে আছি। ও এই মাসির কাছেই মানুষ হয়েছে। কারণ ছোটবেলায় ওর মা বাবা মারা যান। মাসি বেশ ভালো । আমাকে মায়ের মতই আগলে রাখেন।বেশ কাটছে দিন গুলো।কিন্তু বাবার জন্য খুব মন খারাপ হয়। সুনন্দ তখন বোঝায় আমাকে।এরপর বেশ কিছুদিন গ্যাপ দিয়ে দিয়ে ওদের সুখের কথাই লেখা।আবার... ১৫/০৮/২০১৩আমরা কলকাতার একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে উঠে এলাম। সুনন্দর কাজের সুবিধার জন্য।মাসি এলেন না ওনার বাড়ি ছেড়ে।আমাদের দিন গুলো বেশ কাটছে। আমার ভিতর কিছু একটা পরিবর্তন হচ্ছে মনে হয়। মাকে আমার খুব মনে পরে। মা থাকলে আজ বাবা ঠিক মেনে নিত। বাবা কে ফোনে চেষ্টা করেছি, বাবা ধরেনি।আমি কনফার্ম না হয়ে সুনন্দ কে কোনো কিছু বলতে পারছিনা। ঠিক এর দুদিন পরের লেখা পরে সুকৃতী চমকে ওঠে......মানুষের জীবনে কার সঙ্গে কিভাবে পরিচয় হয় আর কাকে কখন কিভাবে কাজে লেগে যায় কেউ মনে হয় জানে না।সুকৃতীর ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই হলো।যেখান টা পড়তে গিয়ে চমকে গেলো সেই ঘটনা মনে পরে গেল ওর---- মাস দু তিন আগে একদিন খুব প্রয়োজনে একটি শপিং মলে যায় সুকৃতী ।একদম অন্য ভাবে কাস্টমার হিসাবেই যায়।কিন্তু অবাক হয় একটি অল্পবয়সি বিবাহিত মেয়ে ওর কাছে এসে যখন ওর সঙ্গে কথা বলতে চাইল এবং বলল ও সুকৃতীর কথা পড়েছে কাগজে । সুকৃতীর বেশ ভালো লাগল। ঐ বয়সী মেয়েরা সাধারণত সিনেমার জগতের খবর রাখে । এই মেয়েটা যেন একটু আলাদা । তারপর ওর ফোন নং চাইলে সেটা দেয় মেয়েটা কে।এই যে সেই মেয়ে বুঝতেই পারেনি।ডায়েরি তে সেদিনের কথা লেখা আছে সব।এরপর চমক আর চমকনা কোনো তারিখ নেইআজ লিখছি যদিও ঘটনা কাল ঘটেছে,জা আমাকে আহত করেছে মানসিক ভাবে ।কাল একটা কিট এনে টেস্ট করি এবং খুব আনন্দের সঙ্গে সুনন্দকে রাতে খবরটা যখন দিলাম ও তো রীতিমত বিরক্ত হলো। আমি আকাশ থেকে পড়লাম ওর ব্যবহার দেখে। ও চায় না আমি মা হই। যেভাবে ও সেটা বলল মনে হলো যেন সব ভুল আমার। তারপর অবাক হলাম বেশ অনেকটা রাতে কার সঙ্গে যেন ফোনে কথা বলছিল,মনে হলো যেন এই ব্যাপারেই বলছে।পরের লেখার তারিখ ২০/০৮/২০১৩আজ আমার জীবনের এমন একটা দিন যা আমাকে অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আজ মনে হচ্ছে এরকম ভুল কেউ মনে হয় করে না। আমার ভুলের কোনো ক্ষমা নেই। আমি আমার বাবাকে কষ্ট দিয়েছি । আজ ঈশ্বর আমাকে সেই শাস্তি দিচ্ছে।।সুনন্দর মনে কি আছে বুঝতে পারছি বলে মনে হচ্ছে; কিন্তু কোনো প্রমান না পেলে আমি কাকে কি বলবো?? আজ আমার স্বপ্ন ভেঙ্গে গেল। জোর করে অ্যাবরেশন (abortion) টা করিয়ে দিল।সুনন্দ যে কোনো অফিসে কাজ করে না সেটা আমি বুঝতেই পারিনি। ও যে জঘন্য কাজের সঙ্গে যুক্ত বুঝলাম ওর রাতে ফোনে কথা শুনে। ও বুঝতেই পারেনি যে আমি জেগে আছি।তাই ওর দলের কাউকে বলছিল আর না মালটা কে অনেকদিন সহ্য করলাম এবার দিয়ে দিতে হবে। শালা ভেবেছিলাম বাপটা মেনে নিলে কিছু মালকড়ি ঝেড়ে তারপর মালটাকে বিক্রী করবো। ধুর বাপটা শালা এখনো ডাকল না। এবার তো একদম সংসার করে ফেললাম। আর না এবার মালটা কে পথে নামাতে হবে। এসব শোনার পর আমার পায়ের তলার মাটি সরে গেল। কিছুক্ষণ ভাবলাম কি করবো এখন? কি ভাবে বাঁচব এবার এর হাত থেকে? হটাত মনে পরলো সুকৃতী ম্যাডামের কথা। মেসেজ করলাম ওনাকে ।এবার শুরু হয়েছিল সুকৃতীর সঙ্গে মিঠির যোগযোগ। না বেশিদিন না কারণ সুনন্দর তাড়া ছিল। আর আজ সেটাই ঘটল।মিঠি সুকৃতীর কথা মতোই সুনন্দর কথা গুলো রেকর্ড করে পাঠিয়ে দেয় ।এগুলো কিছুই সুনন্দ জানতে পারে না। আজ যে সুনন্দ মিঠিকে ওদের মতো করে ব্যবহার করতে চলেছে মিঠি সেটা বুঝে সুকৃতী কে জানায় আর এটাও বলে যে দেরি হলে ওর জীবন সংশয়।আজ সুনন্দ বন্ধুর বাড়ি নিয়ে যাওয়ার নাম করে মিঠিকে নিয়ে বের হয়। তারপর নিয়ে যায় বেশ কিছুটা দুরে একট বাগান বাড়িতে । সেখানে তিন চার জন ছিলো। বেরনোর ঠিক আগে সুযোগ বুঝে ফোনটা নিয়ে নিয়েছিল মিঠি। ওখানে গিয়ে সব বুঝতে পারে তারপর কোনো ভাবে সুকৃতীকে ফোনটা করেছিল।শেষ মুহুর্তে ওরা পৌঁছে সব কটাকে হাতে নাতে ধরে।সুকৃতী মেয়েটার সাহস দেখে সত্যি অবাক হয়েছিল।বারবার এই কাজে যে কতটা রিস্ক আছে বুঝিয়ে ছিলো । বলেছিল ওখান থেকে বেরিয়ে আসতে। কিন্তু মেয়েটার একটা কথা ওকে চুপ করিয়ে দিয়েছিল-- ম্যাডাম আর যেন কেউ আমার মতো ওদের কাছে বোকা না হয়। আমাকে পারতেই হবে।তখন সুকৃতী ওকে একটা জিনিস দেয় জুতোর নিচে পরে রাখতে বাইরে যাবার সময়। সেই মতো মিঠি সব করেছিল। কিন্তু ও যে সঙ্গে করে মারাত্বক বিষটা সঙ্গে নেবে ভাবেনি। সুকৃতীর পৌঁছাতে একটু দেরি হয়ে যায় রাস্তায় জ্যাম থাকায়।আর তাতেই মেয়েটা শেষে এই পদক্ষেপ নিয়ে নেয়।সুকৃতী নিজেকেই দায়ী করে কিছুটা।মিঠির ডায়েরির কথা শেষ। তারপরেও কিছু ঘটনা থেকে যায় যেটা না বললে ডায়েরিটা যে কি ভাবে কাজে আসলো সেটা না বললে সম্পূর্ণ হয়না।ডায়েরিটা পড়ে সুকৃতীর মনটা বড়োই উতলা হয়ে উঠলো। পড়া হয়ে গেলে আবার ফোন করে মিঠির বাবাকে।হ্যালো প্লিস ফোনটা কাটবেন না। কিছু কথা আছে আপনার সঙ্গে।ও বলুনআপনার মেয়ে মিঠি মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে। ও শেষ মুহুর্তে আপনার কাছে ক্ষমা চাইবার জন্য ফোন করেছিল।ওদিকে কোনো সাড়া না পেয়েহ্যালো শুনতে পাচ্ছেন??......হ্যাঁ বলুন বলুন,কোথায় আছে ও? আমাকে ঠিকানা তা দিন।সুকৃতী তখন ওনাকে ঠিকানা দিলেও ওখানকার পুলিশ স্টেশনে ফোন করে ।সেখানে ওর চেনা একজন অফিসার আছে। তাকে বলে মিঠির বাবা কে পৌঁছে দিতে ।আর ওনাকে ঐ অফিসারের সঙ্গে দেখা করতে বলে রেখে দেয়।এরপর আবার হাসপাতাল যায়, মিঠির খবর নিতে।তখনো জ্ঞান ফেরেনি।ডাক্তার বাহাত্তর ঘন্টা সময় দিয়েছে।সুকৃতী বারবার ভাবে আর একটু যদি আগে পৌঁছাতে পারত তাহলে আজ মেয়েটার এই অবস্থা হতো না।এবার ফোনে খবর নেয় ধরা পড়া দলের। এই দলটা কে বেশ কিছুদিন ধরেই ধরার চেষ্টা চলছিল কিন্তু কিছুতেই পারছিল না ।আজ মিঠির সাহসের কারণে সম্ভব হল।অথচ মেয়েটাকে রক্ষা করতে পারল না।এইসব ভাবছে হসপিটাল করিডোরে দাঁড়িয়ে এমন সময় উদ্বেগপুর্ণ কন্ঠ কানে এলো।মিঠির বাবা চলে এসেছেন।আমার মেয়েটা কেমন আছে? কোথায় সে? কি হয়েছে? বলতে বলতে এগিয়ে আসে সুকৃতীর দিকে।সুকৃতী বলে আপনি শান্ত হয়ে বসুন।ও এখন এখানেই আছে ।চিন্তা করবেন না ।সব ঠিক হয়ে যাবে।সুকৃতীর হাতটা ধরে কেঁদে ফেলেন । আমায় মেয়ের প্রাণ টা ফিরিয়ে দাও ।আর আমি কিছু চাই না মা।তুমি শুধু আমার মেয়েটাকে ফিরিয়ে দাও।তুমিও আমার মেয়ের মতো ।আমি খুব ভুল করেছি । আমি যে বাবা, আমার দরজা ওর জন্য চিরকাল খোলা সেটা বলতে ভুলে গেছিলাম।সুকৃতীর মনে পরে গেলো নিজের বাবার কথা।আজ বাবা নেই,কিন্তু বাবাও ঠিক এই কথাটাই বলতেন।আমাদের অভিভাবকদের কাজ ভালো মন্দ টা বলে দেওয়া।তারপর সন্তান কোনটা বেছে নেবে সেটা তার ব্যাপার। ভুল করে যদি ভুল পথে যায় ও আমাদের দরজা সব সময় খোলা সন্তানের জন্য।আমরা যে বাবা মা।ভুল বুঝে যদি ফিরে আসতে চায় তাকে সাদরে গ্রহণ করা বাবা মায়ের কাজ।সুকৃতীর চোখটা ভিজে গেলো ।পুলিশ হলেও মনটা তো আছে ।এরপর মিঠি সুস্থ হয়ে বাবার সঙ্গে বাড়ি গেলো আর সুনন্দ আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা জেলে।জামিন অযোগ্য ধারায় কেস দিয়েছে সুকৃতী।শাস্তি ওরা পাবেই।পরিশেষে বলি মিষ্টি কথায় ভুলতে নেই। ভুল ধরা পড়লে এইভাবে সাহসের সঙ্গে এগোতে হয়।লেখিকাঃ রাখি রায়রাখি রায়-র কলমে আরও কিছু লেখাআরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ উত্তরণ (বাংলা ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাতআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- তৃতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- চতুর্থ পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)-অন্তিম পর্ব

নভেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Rape: বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মাকে খুনের হুমকি দিয়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবক। ধৃতের নাম সফিকুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার কেসিয়ায়। কাটোয়া থানার পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে কাটোয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অভিযুক্ত সফিকুলকে গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতকে কাটোয়া মহকুমা আদলতে পেশ করে পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। আদালতে এদিনই তরুণী তাঁর গোপন জবানবন্দী দেয়। বিচারক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেফাজতের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, কাটোয়া শহরের কুমোরপাড়া এলাকায় বাড়ি বছর ২৩ বয়সী তরুণীর। বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন। তরুণীর বাবা ফুলের ব্যবসা করেন। গত শনিবার লিখিত অভিযোগে তরুণীর বাবা কাটোয়া থানার পুলিশকে জানান, গত মাসের ২৬ তারিখ বিকেল তাঁর মেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি তাঁর মেয়ের কোনও সন্ধান পান না।তরুণীর বাবা পরদিন কাটোয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন। এরপর গত ১৩ অক্টোবর তরুণী নিজেই বাড়ি ফিরে আসে। তরুণী এই কদিন কোথায় ছিল তা তরুণীর কাছে জানতে চায় তাঁর বাবা। জিজ্ঞাসাবাদে তরুণী তাঁর বাবাকে জানায় সফিকুল ইসলাম জোরপূর্ব তাঁকে রাস্তা এক অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যায়। তারপর পরিবারের লোকজনদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে সফিকুল তাঁর সঙ্গে জোর করে সহবাস করে। প্রতিবাদ করলে তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতনও করে সফিকুল। কোনওভাবে প্রাণ বাঁচিয়ে তাঁর মেয়ে ওই অজ্ঞাত জায়গা থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। বৃদ্ধর আরও অভিযোগ তাঁর মেয়ে বাড়ি ফিরে আসার দদিন পর রাত সাড়ে দশটা নাগাদ সফিকুল ইসলাম লাথি মেরে তাঁর বাড়ির দরজা খুলে ঘরের ভিতরে ঢোকে। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে তাঁর মেয়েকে ফের জোর করে তুলে নিয়ে যায়। বৃদ্ধ বাধা দিতে গেলে সফিকুল গুলি করে বৃদ্ধকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়।এই ঘটনার পরের দিন তরুণীর বৃদ্ধ বাবা সফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। অপহরণ, ধর্ষণ ও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ অভিযুক্ত সফিকুলের খোঁজ শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার সফিকুল ইসলাম কাটোয়া থানার পুলিশের জালে ধরা পড়ে।উদ্ধার হয় তরুণীও। ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে পুলিশ আগ্নেআস্ত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Death : পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধু

বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে গিয়ে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতর নাম সৌরভ অধিকারী(১৯)। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কোলে মল্লিকাপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে বৃহস্পতিবায় মেমারির নুদিপুরে পিকনিক করতে যান। এদিন হগলীর বৈঁচির সেচখাল থেকে উদ্ধার হয় সৌরভের মৃতদেহ। সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ এনেছেন তাঁর পরিবার। এদিনই যুবকের মৃত দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। মেমারি থানার পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে তাঁর তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবক সৌরভ বৃহস্পতিবার তাঁর চার বন্ধুর সঙ্গে পিকনিক করতে বেরহয়। পিকনিক করার জন্য ওইদিন তাঁরা মেমারির নুদিপুরে ডিভিসির সেচ ক্যানেলের লকগেট সংলগ্ন এলাকায় যায়। তার পর থেকে রাত অবধি সৌরভের আর কোন খোঁজ পাননা তাঁর পরিবার। সৌরভের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার কারণ নিয়ে তাঁর পরিবারকে বন্ধুরা নানারকম কথা বলে বলে অভিযোগ। তা নিয়েই তৈরি হয় রহস্য। যুবকের হদিশ পেতে তাঁর পরিবার রাতেই মেমারি থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। এদিন সকাল থেকে মেমারি থানার পুলিশের উপস্থিতিতে ডুবুরি নামিয়ে নুদিপুরে সেচ খালে শুরু হয় তল্লাশি। তারই মধ্যে বেলায় হুগলির পাণ্ডুয়া থানার অন্তর্গত বৈচির সেচ খালের লকগেটের কাছে এক যুবকের মৃতদেহ ভাসতে থাকার খবর আসে পুলিশের কাছে। মেমারি থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে যুবকের পরিবার বৈঁচি পৌছে দেখেন সেখানকার ক্যানেলের জলে সৌরভের মৃতদেহ ভাসছে। এর পরেই সৌরভের পরিবার অভিযোগ করে সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে। সৌরভের মৃত্যুর জন্য তাঁর আত্মীয় মিলন আধিকারী সৌরভের বন্ধুদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মেমারি থানার পুলিশ সৌরভের তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ যদিও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই যুবকের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তার ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Madhuchakra: গলসির হোটেলে মধুচক্রের আসরে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ৪ যুবতী ২ যুবক

হোটেলে চলা মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ৪ জন যুবতী ও ২ জন যুবক রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুলিশ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছের একটি হোটেলে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা গলসির পারাজ, উত্তর ২৪ পরগণার মিনাখাঁ, মেমারির বৈদ্যডাঙা ও বর্ধমান থানার পালিতপুর এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনার কথা জেনে ওই হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছেন গলসির বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ জানিয়েছে, কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছে একটি হোটেলে মধুচক্রের আসর বসেছিল। সেই খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে ৪ যুবতী ও ২ যুবকে ধরে ফেলে। ঘটনার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ৬ ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম যুবতীদের জামিন মঞ্জুর করলেও যুবকদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Rape : ঝাড়ফুঁকের নামে অসুস্থ তরুণীকে সারারাত ধর্ষণ, গ্রেফতার ভণ্ড ওঝা

ঝাড়ফুঁকের নাম করে রাতে অসুস্থ তরুণীকে নদীর চরে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ওঝা। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতি দূরে থকা শ্মশানের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখ ওরফে খ্যাপাবাবা। তার বাড়ি জেলার কেতুগ্রাম থানার মোড়গ্রামে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ রবিবার রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। পাশাপাশি পুলিশ এদিনই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি আদালতে নথিভুক্ত করায়। বিচারক ধৃতকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ মমতারপুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা তরুনীর বাড়ি কেতুগ্রামের মোড়গ্রামে। একই গ্রামে বাড়ি মারু শেখ ওরফে সফিকুল শেখের। বুজরুকি কারবার চালানোর জন্য মারু শেখ নিজেই তাঁর নাম খ্যাপাবাবা রাখে। এলাকার দরিদ্র পরিবারের কেউ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকলে তাঁকে সুস্থ করে দেওয়ার কথা বলে মূল্য নিয়ে মারু ঝাড়ফুঁক করে দিত। নির্যাতিতা তরুনীর বাবা পুলিশেকে জানান, তাঁর ১৯ বছরের মেয়ে মাস খানেক ধরে অসুস্থ হয়ে রয়েছে। ডাক্তারি চিকিৎসা করানো হলেও রোগ সারেনি। ইদানিং তাঁর মেয়ের মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে থাকে। খ্যাপাবাবা ঝাড়ফুঁক করে দিলে মেয়ে যদি সুস্থ হয় এইকথা ভেবে তিনি খ্যাপাবাবার শরণাপন্ন হন। নির্যাতিতার বাবা বলেন, শনিবার অমাবস্যার দিন অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে মঙ্গলকোটের ঝিরেলা গ্রামের শ্মশানে নিয়ে যাবার কথা মারু তাঁকে বলে ।একই সঙ্গে মারু তাঁকে আরও জানায়,ঝিরেলা গ্রামে অজয় নদীর অনতিদূরে শ্মশানের কাছাকাছি পীরতলাতেই তার গুরু থাকেন। গুরু থাকলে ঝাড়ফুঁক করতে সুবিধা হবে। সেই মতো শনিবার সন্ধ্যায় অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে তিনি মারু শেখের সঙ্গেই ঝিরেলা গ্রামে যান।আরও পড়ুনঃ স্বামীর সঙ্গে মালদ্বীপে সানা, সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন সেই ছবিনির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁরা ঝিরেলা গ্রামে পৌছানোর পর সেখানকার ধুমক্ষেত্রতলায় তাঁর বাবাকে বসিয়ে রাখে মারু। এর পর ঝাড়ফুঁক করার জন্য মারু তাঁকে অজয়নদের ধারে নিয়ে চলে যায় ।সেখানে যাওয়ার পর ভয় দেখিয়ে মারু ওরফে খ্যাপাবাবা তাঁকে সারা রাত ধরে ধর্ষণ করে। পরদিন বাড়ি ফিরে খ্যাপাবাবার কুকীর্তির কথা তরুণী তাঁর বাবা মাকে বলে। ঘটনা সবিস্তার জানিয়ে ওই দিনই নির্যাতিতা মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ ওই রাতে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেপ্তার করে। ভণ্ড ওঝার দৃষ্টান্ত মূলক সাজার দাবি করেছে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ০৯, ২০২১
কলকাতা

তারুণ্যে ভরা বামেদের তালিকা

শুধু নতুন মুখই নয়, দীর্ঘ পরম্পরা ছেড়ে কম বয়সি প্রার্থীতেও এ বার জোর দিল বামেরা।শুক্রবার বামেদের ঘোষিত তালিকায় এসেছে অনেক নতুন মুখ।প্রথম দুদফা ভোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামফ্রন্ট। কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর জন্য নির্ধারিত আসন ছেড়ে শুক্রবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তবে বামেদের প্রার্থী ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস ও আইএসএফ-এর প্রতিনিধিরা। বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দুদফায় ৬০টি আসনে ভোট হবে। সমঝোতা অনুযায়ী কংগ্রেস ও আইএসএফ-এর জন্য বরাদ্দ আসন ছেড়ে শুক্রবার বামফ্রন্টের প্রার্থী ঘোষণা করেন বিমান। মোট ৩৯টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে সিপিএমের ২৮টি, সিপিআই-এর ৬টি এবং ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপি-র ২টি করে আসন রয়েছে। সিপিএম-এর তালিকায় রয়েছে এসএফআই-এর প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি মধুজা সেন রায়, সৈকত গিরির মতো তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা। তালডাংরায় অমিয় পাত্রের বদলে মনোরঞ্জন পাত্রকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। ইন্দাসে দিলীপ কুমার মালিককে সরিয়ে প্রার্থী করা হয়েছে নয়ন শীলকে। চণ্ডীপুরে প্রার্থী হয়েছেন আশিস গুছাইত। ডেবরা আসন থেকে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিদ্বন্দিতা করে আসা জাহাঙ্গির করিমকে সরিয়ে প্রাণকৃষ্ণ মণ্ডলকে প্রার্থী করেছে বামেরা। তাপস সিংহকে রামনগর থেকে সরিয়ে নারায়ণগড়ে প্রার্থী করেছে সিপিএম। গত বিধানসভা নির্বাচনে নারায়ণগড়ে দাঁড়িয়ে হেরে গিয়েছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি এ বার আর প্রার্থী হচ্ছেন না। রামনগরে বামেদের নতুন প্রার্থী সব্যসাচী জানা।সিপিএম নেতা পুলিনবিহারী বাস্কেকে গোপিবল্লভপুর থেকে সরিয়ে জঙ্গলমহলেরই আসন কেশিয়াড়িতে প্রার্থী করেছে দল। শালবনিতে বামেরা প্রার্থী করেছে দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত সুশান্ত ঘোষকে। তিনি আগে গড়বেতা থেকে দাঁড়াতেন। এ বার গড়বেতায় প্রার্থী করা হয়েছে তপন ঘোষকে। জঙ্গলমহলের পরিচিত মুখ দেবলীনা হেমব্রম প্রার্থী হয়েছেন বাঁকুড়ার রানিবাঁধ থেকে। সব মিলিয়ে বামেদের প্রার্থী তালিকায় ৫০-এর ঊর্ধ্বে নেতার সংখ্যা কমই রয়েছে বলা যায়। এদিন প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর বিমান বসু বলেন, এই তালিকায় তরুণরা ভাল সংখ্যায় আছে। কারণ আমাদের দিক থেকে আমরা তরুণ মুখ তোলার চেষ্টা করেছি। আমাদের মধ্যে তরুণ, মাঝামাঝি বয়সিদের সংখ্যা বেশি আছে। অল্প কয়েকজন ৫০ বছরের উপরে রয়েছে।

মার্চ ০৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক! সেনেগাল ফুটবলারদের সঙ্গে ‘অপরাধীর মতো’ আচরণের অভিযোগ

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। তার আগেই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। আমেরিকায় পৌঁছনোর পর সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে যেন তাঁরা কোনও অপরাধী।জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমেরিকায় পৌঁছেছিল সেনেগাল দল। বিমানবন্দরে নামার পরই নিরাপত্তাকর্মীরা ফুটবলারদের ব্যাগ, ট্রলি এবং অন্যান্য সামগ্রী বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করেন। অভিযোগ, মাদকদ্রব্যের সন্দেহে দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। ঘটনাস্থলের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।শুধু সেনেগাল নয়, উজবেকিস্তান দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কে অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর ফুটবলারদের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় মাদক সন্ধানী কুকুর এবং ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আবার অনেকে জানতে চেয়েছেন, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা কেন এই বিতর্ক নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করছে না।এর আগেও বিশ্বকাপ ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আয়োজক দেশকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের মতে, খেলাধুলার মঞ্চ সব সময় দেশ, সংস্কৃতি এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিরিক্ত কড়া বা অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ সামনে আসা উদ্বেগের বিষয়। যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির পাশের তৃণমূল কার্যালয়ে সিআইডি হানা, এবার সরাসরি হাই কোর্টে মামলা!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। অভিযোগ, কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষী ছাড়াই তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং বেআইনিভাবে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে সই জাল কাণ্ডে নিজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের আশঙ্কায় ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন নিয়ে আগামীকাল শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে সই জাল কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। কার্যালয়টি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অবস্থিত। ঘটনাস্থলে একটি মহিলা দল-সহ সিআইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। পাশাপাশি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।সিআইডির দাবি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তল্লাশি পরোয়ানাও ছিল বলে জানানো হয়।সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে ছিলেন। ফলে কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা দলের কোষাধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তীর সঙ্গেই সিআইডি আধিকারিকদের কথা হয়। তিনি প্রথমে তল্লাশির অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে কিছু সময় বাগ্বিতণ্ডা চলে। তবে শেষ পর্যন্ত সিআইডি আধিকারিকরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান।এই তল্লাশিকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে তল্লাশি করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কোনও সাক্ষীর উপস্থিতি ছিল না এবং সেই সুযোগে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। যদিও সিআইডির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে তাদের কাছে বৈধ তল্লাশি পরোয়ানা ছিল।তল্লাশি শেষে সিআইডি আরও জানিয়েছিল, কার্যালয় থেকে কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের দিকে। আদালত এই অভিযোগগুলিকে কীভাবে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ! সাড়ে সাত বছর পর ডায়মন্ড হারবারে দায়ের এফআইআর

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে সিআইডির সমন ঘিরে বিতর্কের মাঝেই নতুন করে চাপে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, যিনি ববি নামেও পরিচিত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ চল্লিশের বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।অভিজিৎ দাসের দাবি, দুই হাজার আঠারো সালের একুশ ডিসেম্বর ডায়মন্ড হারবারের কপাটহাট মোড়ে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। সেই সময় তিনি বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, পরিকল্পনা করে তাঁর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল।হামলায় গুরুতর জখম হন অভিজিৎ। কোমর থেকে পা পর্যন্ত আঘাত লাগে তাঁর। অভিযোগ, মারধরের ফলে তাঁর মেরুদণ্ডেও চিড় ধরে। মাথাতেও গুরুতর আঘাত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল তাঁকে।অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, সেই সময় তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি আবার এই ঘটনার বিচার চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ একচল্লিশ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় দেড়শো জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে অভিজিৎ দাস বলেন, হামলার আগে তিনি সম্ভাব্য আক্রমণের খবর পেয়েছিলেন এবং পুলিশকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, হামলার পর তাঁকে প্রায় মৃত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছিল এবং আজও সেই আঘাতের শারীরিক প্রভাব বহন করছেন।এতদিন পরে কেন অভিযোগ নিয়ে ফের সামনে এলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, সে সময় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। তাই তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এখন তিনি আশা করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অভিযোগপত্রে নাম থাকা জাহাঙ্গির খানকে ইতিমধ্যেই অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিযোগে নাম থাকা অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সাড়ে সাত বছর আগের একটি রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গির গ্রেফতারের পরেই আগুন! জেলা পরিষদের দফতরে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য

আলিপুরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বহুতল দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল প্রায় পৌনে দশটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা ভবন থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় দমকলকে। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, যে অংশে আগুন লাগে সেটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের দফতর। আগুন লাগার পর গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিশেষভাবে নজরে এসেছে জাহাঙ্গির খানের ব্যবহৃত দফতরেও আগুন লাগার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সপ্তাহে কয়েকদিন তিনি ওই দফতরে আসতেন এবং তাঁর সঙ্গে বহু লোকজনের যাতায়াত ছিল। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জানা যাচ্ছে, ভবনের চারতলায় বসতেন জাহাঙ্গির খান। ফলে ওই অংশে আগুন লাগার ঘটনা ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল এবং প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, জেলা পরিষদের পূর্ত দফতরের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাটমানি এবং সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল।বিধায়কের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে চারটি ঠিকাদারি সংস্থা সম্প্রতি ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তে বুধবার পুলিশ প্রশাসনের জেলা পরিষদে গিয়ে নথিপত্র খতিয়ে দেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সংশ্লিষ্ট দফতরে আগুন লাগার ঘটনা অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে মনে করছেন তিনি।দেবাংশু পাণ্ডার অভিযোগ, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি। দমকল, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে আগুন লাগল এবং কোনও নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।তবে জাহাঙ্গির খানের গ্রেফতারের পরপরই তাঁর সঙ্গে যুক্ত দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তরসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে যাচ্ছে কোন দফতর? সামনে এল সম্ভাব্য তালিকা, চমকে দিতে পারে একাধিক নাম

গত পয়লা জুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট পঁয়ত্রিশ জন। কিন্তু এখনও তাঁদের মধ্যে কার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম সামনে এসেছে।শপথ নেওয়া পঁয়ত্রিশ জনের মধ্যে তেরো জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং উনিশ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন সবার নজর দফতর বণ্টনের দিকে।সূত্রের খবর, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে মানিকতলার প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায়ের হাতে। উচ্চশিক্ষা দফতরের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্বও সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে যেতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।অন্যদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক ও চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।এ ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রম দফতরের দায়িত্বও তাঁর হাতে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের হাতে যেতে পারে কৃষি দফতর। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে। কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক অরূপ দাসের হাতে সেচ দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও আইন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা সংখ্যালঘু ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন। পাশাপাশি আইন দফতরের দায়িত্বও তিনি নিজের কাছেই রাখতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা হয়নি। ফলে কোন মন্ত্রীর হাতে শেষ পর্যন্ত কোন দফতর যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। এখন সবার নজর, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপরেখা সামনে আসে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে আরও বড় ধাক্কা! সুখেন্দুর পর এবার ইস্তফা সুস্মিতা দেবের, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসে অস্বস্তি আরও বাড়ল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের এক সদস্য। সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে মতভেদের আলোচনা চলার মধ্যেই একের পর এক সাংসদের পদত্যাগ দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।দলীয় সূত্রে জল্পনা, আরও কিছু নেতা ও সাংসদ ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটতে পারেন। রাজনৈতিক মহলে এমনও আলোচনা চলছে যে সদ্য রাজ্যসভার সদস্য হওয়া কোয়েল মল্লিকও পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।সুস্মিতা দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অসমের শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। পরে দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতা দেবকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। পরে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়। পাশাপাশি অসমে দলের সংগঠন বিস্তারের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সংগঠনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সংসদের দুই কক্ষেই এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। লোকসভায় দলের কিছু সাংসদ আলাদা অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে রাজ্যসভায়ও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমছে। সুখেন্দু শেখর রায় ও সুস্মিতা দেবের ইস্তফার ফলে দলের শক্তি আগের তুলনায় কমেছে। ভবিষ্যতে আরও কোনও পদত্যাগ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে একের পর এক ইস্তফা এবং দলীয় অন্দরের অসন্তোষের খবরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

সেনা শিবিরে আচমকা বিস্ফোরণ! মুহূর্তে প্রাণ গেল দুই জওয়ানের, শোকস্তব্ধ দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই সেনা জওয়ান। উরির একটি সেনা শিবিরে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মৃত্যু হয় তাঁদের। মঙ্গলবার বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উরির কমলকোট এলাকার একটি সেনা শিবিরে নিয়মিত অস্ত্র হস্তান্তরের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জেরে গুরুতর আহত হন দুই জওয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার নিরানব্বই বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁদের।জানা গিয়েছে, মৃত দুই জওয়ানই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার এবং সহকর্মীদের মধ্যে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও জম্মু ও কাশ্মীরে এক সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। রাজৌরি জেলায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লেফটেন্যান্ট বীরেশ্বর গোস্বামী। সেনা সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুই জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সেনাবাহিনী।এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি-সহ একাধিক জেলায় জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর শুরু হয় বিশেষ অভিযান। জঙ্গলঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় চলছে তল্লাশি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গির খোঁজ না মিললেও সেনাবাহিনীর ধারণা, তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে।উরির সেনা শিবিরে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই পুরো ঘটনার বিস্তারিত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুন ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal