• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Jagannath

রাজ্য

দীঘায় জনজোয়ার! জানেন তো জগন্নাথ মন্দিরের বাড়তি আকর্ষণ সম্পর্কে?

টানা তিনদিনের ছুটি (১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস, ১৬ আগস্ট জন্মাষ্টমী, ১৭ আগস্ট রবিবার) ঘিরে দিঘায় পর্যটকের ভিড় বাড়ছে। এই প্রথমবার দিঘার জগন্নাথ ধামে হবে জন্মাষ্টমী উদযাপন। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে মঙ্গল আরতি, কীর্তন, ধর্মীয় আলোচনা ও প্রসাদ বিতরণ। সাধারণত রাত ৯টায় বন্ধ হওয়া মন্দির এদিন খোলা থাকবে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। হোটেল বুকিং প্রায় সম্পূর্ণ, নিরাপত্তা ও পরিষেবা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। ভক্তদের জন্য কলস অভিষেকের আয়োজনও থাকছে।দিঘা জগন্নাথ ধামের ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম কর্মকর্তা তথা কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, প্রথমবার দিঘা জগন্নাথ ধামে জন্মাষ্টমী উদযাপন হবে। সকাল থেকে শুরু হবে মঙ্গল আরতি ও কীর্তন। দুপুরে প্রসাদ বিতরণ হবে, দিনভর থাকবে কীর্তন ও ধর্মীয় আলোচনা। রাত বারোটা হবে শ্রীকৃষ্ণ জন্মোৎসব পূজা, যেখানে হাজারো ভক্ত একসঙ্গে প্রার্থনায় অংশ নেবেন। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মন্দির প্রাঙ্গণে পুলিশ টহল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নিয়োজিত থাকবে।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

লালগোলা রাজবাড়ির ঐতিহাসিক রথযাত্রা, রাস্তায় মানুষের ঢল

সীমন্তের গঞ্জ শহর লালগোলা রাজবাড়ির রথযাত্রা উৎসবকে কেন্দ্র করে জেলার মানুষের বড় উন্মাদনা। ফলে রাজবাড়ির রথের রশি টানতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজির হন সাধারন মানুষ থেকে ভক্তগন। নিয়ম মেনে রাজবাড়ির জগন্নাথ মন্দিরে পুজাপাঠের মধ্য দিয়ে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে রথ বাজারে মাসির বাড়ি পৌঁছয় জগন্নাথ দেব। সেই সঙ্গে রাজ বাড়ির রথকে ঘিরে বাসিন্দাদের উচ্ছ্বাস পরিনত হল সম্প্রীতির মহোৎসবে। রাজপরিবার সুত্রে জানা যায়, পুরীর আদলে পেতলের পাত দিয়ে মোড়া প্রায় ৪০ ফিট উচ্চতার ৬ চাকার এই রথটি ১৮৪০ সালে তৈরি করান লালগোলার মহারাজা মহেশ নারায়ণ রায়। অবশ্য এর আগে ১৮২৩ সালেও লালগোলায় একটি কাঠের রথ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বলে জানা যায়। লালগোলা রাজ পরিবারের কূল দেবতা দধিমানব দেব। এই দেবতাকেই রথের দিন জগন্নাথ দেব হিসেবে পুজা করা হয়। রথের দিন তাঁকে রথ বাজারে মাসির বাড়ি নিয়ে আসা হয়, সেখানে বিধি মেনে সাত দিন পুজা করার পর উল্টো রথের দিন ফের রাজ বাড়ির জগন্নাথ মন্দিরে নিয়ে যাওয়ায় রীতি। রথ উপলক্ষ্যে বেশ কয়েক দিন মেলা বসে রাজ বাড়ি প্রাঙ্গনে। সাকার্স রথমেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। শিশু কিশোরদের জন্য বসে হরেক কিসিমের নাগরদোলা। মহিলাদর জন্য সংসারের টুকিটাকি থেকে আধুনিক রেস্তোরাঁ। যেখানে পাওয়া যায় ভিন রাজ্যের খাবারের হরেক পদ। লালগোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য অজয় ঘোষ বলেন , লালগোলার রথের ঐতিহ্য বাংলা জুড়ে। ফলে মানুষ এই দিনের অপেক্ষায় থাকেন।রথের কদিন শ্বশুর বাড়ি থেকে ছেলে মেয়েদের নিয়ে বাপের বাড়ি লালগোলাতে ফেরেন বিবাহিত মহিলারা। এখানেই লালগোলার রথের বিশেষ মাহাত্ম্য। এদিকে রথের দঁড়িতে টান দিতে অন্যান্যদের সঙ্গে সমবেত হন সারজামান শেখ, সাহিল শেখ, ফিরোজ হোসেনদের মতো অনেকেই। তাদের দাবি, রাজ বাড়ির রথের সঙ্গে এলাকার মানুষের শেকড়ের সম্পর্ক। এখানে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে থেকেও বড় হয়ে ওঠে ভাবের আদান প্রদান,সম্প্রদায়ের মেল বন্ধন। তাছাড়া রথের মেলা কে ঘিরে এলাকার ছোট বড় সব মানুষ মেতে ওঠেন সমান ভাবে। লালগোলা রাজবাড়ির রথের পাশাপাশি জিয়াগঞ্জের সাদক বাগ আঁকড়ার বৈষ্ণবীয় রথ কে ঘিরে জেলার মানুষের সমাগম লক্ষ্য করা যায়। নশিপুর রাজবাড়ির রথের ঐতিহ্য বেশ প্রাচীন। রথের মেলায় রকমারি ফুল ও ফলের গাছ পাওয়া যায়। ফলে গাছ প্রেমী মানুষের আকর্ষণ রয়েছে নশিপুর রাজবাড়ি মেলার প্রতি।

জুন ২৭, ২০২৫
রাজ্য

রথযাত্রা ও জিলিপি বাংলার সংস্কৃতির একটি মিষ্টি সংযোগ

রথ দেখতে গিয়ে কলা না বেচলেও জিলিপি খাননা এরকম মানুষ মেলা ভার। রথযাত্রা ও জিলিপির সম্পর্কটি বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি মিষ্টি সংযোগ। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায়, রথযাত্রা মানেই একটি উৎসব, আর এই উৎসবের অনিবার্য অংশ হচ্ছে জিলিপি।কেন রথযাত্রায় জিলিপি খাওয়ার রেওয়াজ?ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি: জিলিপি একটি বহু পুরনো ও জনপ্রিয় ভারতীয় মিষ্টান্ন। রথযাত্রা উপলক্ষে ভোগ ও প্রসাদে মিষ্টির ব্যবহার প্রচলিত, এবং জিলিপি তার মধ্যে একটি প্রধান আইটেম।উৎসবের আনন্দে শামিল হওয়া: রথযাত্রার দিন সকালে বা রথ টানার পর জিলিপি খাওয়ার প্রথা বহু জায়গায় প্রচলিত। এটি যেন রথের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।জাগন্নাথদেবের ভোগ: ওড়িশার পুরীতে রথযাত্রার সময় জগন্নাথদেবের জন্য যে ৫৬ ভোগ দেওয়া হয়, তাতে নানা রকমের মিষ্টির মধ্যে জিলিপির মতো মিষ্টিও থাকে (যদিও সেখানে জিলিপিকে স্থানীয়ভাবে অন্য নামে ডাকা হতে পারে)।লোকাচার ও বাজার সংস্কৃতি: বাংলার বিভিন্ন মেলাতে যেমন রথের মেলা হয়, সেখানে জিলিপি ও অন্যান্য মিষ্টি খাবার বিক্রি হয় ব্যাপকভাবে। এটি এক ধরনের লোকাচার হয়ে দাঁড়িয়েছে রথ মানেই জিলিপি!রথ ও জিলিপির সম্পর্ক হলো উৎসব, ভক্তি ও ঐতিহ্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। রথ টানার পর একগাদা গরম জিলিপি খাওয়ার আনন্দ বাঙালির হৃদয়ে বিশেষভাবে গেঁথে আছে।

জুন ২৭, ২০২৫
রাজ্য

বাংলার পুরী: দীঘা জগন্নাথ মন্দির

দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন হল বুধবার। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে তৈরী হয়েছে এই মন্দির। পর্যটন কেন্দ্র দীঘার অন্যতম নয়া আকর্ষণ এই মন্দিরটি। এটি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের স্থাপত্যশৈলীও অনুকরণ করা হয়েছে। মন্দিরে স্থাপিত হয়েছে জগন্নাথ দেব, বলভদ্র, দেবী সুভদ্রা-র মূর্তি।পুরীর জগন্নাথ মন্দিরটি কুড়ি একরের বেশি জায়গা জুড়ে বৃস্তিত। ৩০শে এপ্রিল, অক্ষয় তৃতীয়ার শুভদিনে মন্দিরটি উদ্বোধন হয়েছে। মন্দির উদ্বোধনের আগে থেকেই দীঘিয় উৎসবের মরসুমে শুরু হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 2018 সালে দিঘার এই জগন্নাথ মন্দির নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছিলেন। দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (DSDA) মন্দির নির্মাণের জন্য 20 একপ্রকার জমি প্রদান করেন।হাউজিং ইনফ্যাস্ট্রাকচার ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশন (HIDCO) কে এই মন্দির নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 2022সালের অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ তিথিতে রাজ্য মন্ত্রী আখিল গিরি এই মন্দির নির্মাণ কাজের সূচনা করেন।মন্দিরের চূড়া প্রায় ৬৫মিটার (২১৩ফুট )। মন্দিরের মেঝেতে ভিয়েতনামের মার্বেল ব্যবহার করা হয়েছে। মন্দিরের মূল কাঠামোটি রাজস্থানের বোনসি পাহাড়ের বিখ্যাত লাল বেলেপাথর দিয়ে তৈরী।পুরীর মন্দিরের মতোই এখানে সিংহদ্বার, বাঘ্রদ্বার, হস্তিদ্বার, ও অশ্বদ্বার রয়েছে।দিঘার মনোরঞ্জন সমুদ্র সৈকতের কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে নবনির্মিত জগন্নাথ মন্দির। এই মন্দিরটি দিঘাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।শতাব্দী পাল ঘোষ

এপ্রিল ৩০, ২০২৫
দেশ

পুরীতে হোটেল বুকিংয়ের নামে ফেক ওয়েবসাইট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতারণা

সাইবার প্রতারণার শিকার খোদ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। পুরী বেড়াতে যাওয়ার জন্যে অনলাইনে হোটেল বুক করে প্রতারণার শিকার বিচারপতি সোমশুভ্র ঘোষাল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজস্থান ও আরামবাগ থেকে মূল অভিযুক্ত সহ দুজনকে গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২০২২-এর ৮ অক্টোবর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোমশুভ্র ঘোষাল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন, তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে পুরীতে ঘুরতে যাওয়ার জন্যে অনলাইন মাধ্যমে একটি ৫ তারা হোটেল বুকিং করার চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁকে সেই হোটেলের বুকিং প্রসিডিউরের জন্যে একজন ফোন করে। সেখানে তাঁকে হোটেলে বুকিং করার জন্যে টাকা জমা করতে বলা হয় এবং একটি একাউন্ট ডিটেলস দেওয়া হয়। তিনি সেই একাউন্টে ৯২ হাজার টাকা ট্রান্সফার করেন। তবে কিছুদিন পরে ওই হোটেলে খোঁজ নিলে জানতে পারেন তাঁর নামে ওই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে, ওই হোটেলের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে এই প্রতারণা চক্র চালানো হচ্ছিল। এরপরই টাকা কোন অ্য়াকাউন্টে জমা পড়েছে সেই সূত্র ধরে রাজস্থানের ভরতপুর এলাকায় হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রেম চাঁদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতা নিয়ে আসা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরামবাগ থেকে আরও এক প্রতারক স্বর্ণদীপ রায়কে গ্রেফতার করা হয়।

জুন ১০, ২০২৪
উৎসব

উল্টোরথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, ঝলসে প্রাণ গেল ৬ জনের

উল্টোরথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল পড়শি রাজ্য ত্রিপুরার কুমারঘাটে। বিশেষ ডিজাইনে তৈরি সেই রথে অনেকে মানুষ সওয়ার হয়েছিলেন। রথের ভিতরে থাকা অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।। তবে মৃতের সংখ্যা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কীভাবে ঘটল এমন ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা? জানা গিয়েছে, রথের একটি লোহার অংশ আচমকা বৈদ্যুতিক তার স্পর্শ করে। অজান্তেই মুহূর্তে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন অনেকেই। সবার সামনে তাঁরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে থাকেন একে একো। তাঁদের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখলেও কারও কিছু করার ছিল না সেই সময়। শুধু চোখের সামনে বিয়োগ যন্ত্রণা সহ্য করা ছাড়া।এরই মধ্যে রথে আগুন ধরে যায়। ওই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেন লোকজন। জানা গিয়েছে, রথের দড়ি টানছিলেন যাঁরা, তাঁরা প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৩
রাজ্য

পুরীতে জাল হোটেল বুকিংয়ের অনলাইন ফাঁদ, সতর্ক করল কলকাতা পুলিশ

বাঙালির ভ্রমণের অন্যতম প্রধান ডেস্টিনেশন জগন্নাথধাম পুরী। এই সিজনে পর্যটকদের ভীড় আরও বারবে। সেই পুরীতে অনলাইন হোটেল বুকিং নিয়ে সতর্ক করল কলকাতা পুলিশ। বুধবার কলকাতা পুলিশ ফেসবুক পোস্ট করে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছে। কিভাবে প্রতারণা চক্র সক্রিয় থাকে তা বোঝার জন্য টিপস দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।কি লিখেছে কলকাতা পুলিশ?পুরীতে ছুটি কাটাবেন? ভালো কথা। অনলাইনে খুঁজে পেতে হোটেলের ওয়েবসাইট বের করলেন। বুকিং সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়ে ওয়েবসাইটে দেওয়া হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর অথবা ইমেইল-এ যোগাযোগ করলেন। উত্তরও এলো, ঘর ভাড়া বাবদ ৫০ শতাংশ টাকা অগ্রিম পাঠাতে হবে। আপনি পাঠিয়ে দিলেন। কিন্তু পুরীতে নেমে হোটেলে পৌঁছে দেখলেন, আপনার নামে কোনও বুকিং তো হয়ইনি, ওই ৫০ শতাংশ টাকাও হোটেলের কাছে আসেনি। বস্তুত, আপনার অস্তিত্ব সম্পর্কেই জানে না তারা!পরে আপনি জানতে পারলেন, ওই ওয়েবসাইটটি জাল, এবং কিছু জালিয়াত দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে সেখানে দেওয়া ফোন নম্বর ও ইমেইল আইডি।কলকাতাবাসীর কাছে পুরীভ্রমণের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে এই পুরীরই কিছু হোটেলের নাম করে এই ধরনের একাধিক জালিয়াতির অভিযোগ জমা পড়েছে লালবাজারের সাইবার থানায়। আমাদের তদন্ত তো চলছে বটেই, তবে এই সুযোগে অনলাইন লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম: ১। ডোমেইন নেম, অর্থাৎ লিঙ্কটি খুঁটিয়ে দেখুন, হোটেল বা অন্যান্য পরিষেবা প্রদানকারীর নামের সঙ্গে সঙ্গতি আছে কিনা যাচাই করুন২। লিঙ্কে ক্লিক করার পর পেজ খুললে লিঙ্কের পাশে তালা চিহ্ন আছে কিনা দেখুন। এতে পেজটি সুরক্ষিত কিনা তা বোঝা যায়৩। ওয়েবসাইট চেকার এবং নিরাপদে ইন্টারনেটে বিচরণ করার প্রক্রিয়া অর্থাৎ সেফ ব্রাউজিং টুল ব্যবহার করুন৪। ওয়েবসাইটে বানান ভুল, কাঁচা হাতের ডিজাইন, ইত্যাদি দেখলে সাবধান হন৫। ওয়েবসাইটের বয়স অর্থাৎ ডোমেইন এজ যাচাই করতে অনলাইন সার্চ করুন৬। অবিশ্বাস্য ভালো কোনওরকম অফার দেখলে সাবধান হন৭। হোটেল বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ওই হোটেলে থেকেছেন এমন গ্রাহকদের রিভিউ খুঁজুন, বা কোনও স্ক্যাম-এর রিপোর্ট আছে কিনা সার্চ করে দেখুন৮। শিপিং বা রিটার্ন পলিসি জাতীয় তথ্য ভালো করে পড়ুন৯। কী কী পেমেন্ট অপশন আছে তা ভালো করে দেখে নিন১০। নানারকম বিশ্বস্ততার পরিচয়, অর্থাৎ ট্রাস্ট সিগনাল, যেমন বিবিধ পুরস্কারের উল্লেখ ইত্যাদির দ্বারা প্রভাবিত হবেন না১১। ওয়েবসাইটে ভাইরাস স্ক্যান করুন

নভেম্বর ৩০, ২০২২
দেশ

করোনা ভ্রুকুটি এড়িয়ে দেশ জুড়ে মহাসমারোহে পালিত রথযাত্রা, পুরী'র জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার কিছু না জানা কথা

দুবছর করোনা বিধিনিষেধ থাকায় জগ্ননাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হলেও ভক্তশূন্য ছিল পুরী। ২০২০-তে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সমুদ্র শহর পুরীতে কার্ফু জারি করে হয়েছিল। রথযাত্রায় জনসমাগম আটকাতে ওই নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। পুরীর মানুষও সেই দিন রাস্তায় বের হতে পারেননি। যাঁরা বেড়াতে গিয়েছিলেন তাঁদের হোটেল ছেড়ে বেরোতে পারেননি। শুধুমাত্র সেবায়িতরা রথ নিয়ে প্রভু জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রাকে পৌঁছে দিয়েছেন গুন্ডিচা মন্দিরে। ভক্ত সমাগম যাতে না হতে পারে সেজন্যই এই কার্ফু জারি করা হয়েছিলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এবারে সেইরকম কোনও নিধিনিষেধ নেই। সেই কারনেই বাঁধভাঙ্গা ভক্তসমাগম দেবশহর পুরীতে।পুরাণ-এ কথিত আছে একদা সুভদ্রা তাঁর ভাই কৃষ্ণ ও বলরামের কাছে নগর ঘুরিয়া দেখার জন্য জোড়াজুড়ি করেন। বোনের অনুরোধে সুভদ্রার দুই ভাই ও বোনকে সাথে নিয়ে রথে করে নগর পরিভ্রমণের জন্য বের হন। তাঁদের ভ্রমণকালে রথ থেকে নেমে গুন্ডিচায় মাসির বাড়ি যান। সেখানে সাত দিন থাকেন তাঁরা। সাত দিনের নগর যাত্রা পূর্ণ করে বোন সুভদ্রাকে নিয়ে পুরী ফিরে আসেন জগন্নাথ ও বলরাম। বিভিন্ন মতবাদের সাথেসাথে জনশ্রুতি অনুযায়ী এই ঘটনার পর থেকেই পুরী তে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়ে আসছে। জাতি ধর্মের উর্ধে উঠে পুরীর রথযাত্রা বিশ্ববন্দিত। পুরীর সাথেসাথে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। কলকাতায় ইস্কন মন্দির, মাহেশ, মহিষাদল, হুগলির গুপ্তিপাড়া ছাড়াও বহু জায়গায় সাড়ম্বরে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়।জগন্নাথ দেবের রথ এই জায়গায় এসে স্বাভাবিক ভাবে থমকে যায়জগন্নাথদেবের নগর যাত্রার সময় মন্দির থেকে কয়েক কিলোমিটার যাওয়ার পর এক জায়গায় দাঁড়িয়ে যায়। শত চেষ্টাতেও সেখান থেকে নাড়ানো যায়না তাঁর রথকে। কথিত আছে ইসলাম ধর্মবলম্বী এক জগন্নাথ ভক্তের সমাধির সামনে এসে দেবতার কিছুক্ষণের জন্য স্তব্দ হয়ে যায়। প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী দেবতার সেই ভক্তের নাম সালবেগ। কোনও এক সময় তিনি জগন্নাথ দেবতার দর্শনের জন্য মন্দির পৌঁছতে পারেননি তিনি। সালবেগ মৃত্যুর পর ধার্মিক প্রথা অনুযায়ী তাঁকে সমাধিস্ত করা হয়। তাঁর এই সমাধির সামনে এসে জগন্নাথের রথ কোনও এক অদৃশ্য বলে নিজে থেকেই দাঁড়িয়ে পড়ে। প্রবল বলপ্রয়োগ করেও কিছুক্ষণের জন্য রথের চাকা এক ইঞ্চি ঘোরানো যায় না। রথে উপস্থিত সকলে মিলে সালবেগের আত্মার উদ্দেশে শান্তি কামনা করলে রথ আসতে আসতে আবার এগোতে শুরু করে। সেই ঘটনা পরম্পরায়, তার পর থেকেই প্রত্যেক বছর সালবেগের সমাধিতে রথ থামানো শুরু হয়।প্রত্যেক দেবতার রথের নাম ও বৈশিষ্ঠমন্দিরে তিন দেবতা একসাথে বিরাজমান হলেও, জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা তিনটি পৃথক রথে করে নগর পরিভ্রমণে বের হন। তাঁদের প্রত্যকের রথের নাম ও আকৃতি ভিন্ন। জগন্নাথের রথের নাম নন্দীঘোষ, এটি বাকি দুটি রথের থেকে উঁচু হয়। এর উচ্চতা প্রায় ৪৫.৬ ফুট। পূর্বে অষ্টাদশ সিদ্ধির পরিচয়জ্ঞাপক ১৮টি চাকা থাকলেও এখন এই রথে ১৬টি চাকা থাকে। নন্দীঘোষ রথের মাথায় যে কাপড়ের ধ্বজা থাকে তার নাম ত্রৈলোক্যমোহিনী ও তার রশির নাম শঙ্খচূড় নাগিনী। রথের দ্বারপাল হলেন ব্রহ্মা ও ইন্দ্র। নন্দীঘোষ রথে উপস্থিত নয়জন পার্শ্ব দেব উপস্থিত থাকেন তাঁরা হলেন, নারায়ণ, বরাহ, গোবর্ধন, নৃসিংহ, কৃষ্ণ/গোপীকৃষ্ণ, রাম, ত্রিবিক্রম, হনুমান ও রুদ্র। এবং এই দেবতাদের সাথে থাকেন ধ্যানমগ্ন ঋষিবণ ব্যাসদেব, নারদ, দেবল, পরাশর, শূক, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র ও মরীচি। রথের উপরিভাগ লাল ও হলুদ কাপড়ে মোড়া থাকে। এই রথের কালো রঙের চারটি ঘোড়ার নাম যথাক্রমে শঙ্খ, বলহাকা, শ্বেতা, হরিদশ্ব। রথের সারথি হলেন মাতলি ও রক্ষক গরুড়। তাঁর রথের কলসের নাম হিরন্ময়। নন্দীঘোষ নির্মাণে ছোট বড় মিলিয়ে সর্বমোট ৮৩২টি কাঠের টুকরো লাগে।ভাই বলরামের রথের নাম তালধ্বজ। যার উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট। এই রথে জগ্ননাথ দেবের রথের থেকে ২টি চাকা কম থাকে, তালধ্বজ রথে চাকার সংখ্যা ১৪টি। রথের ধ্বজার নাম উন্মনী এবং রশির নাম বাসুকী নাগ। তালধ্বজ রথে নয় জন পার্শ্বদেবতা থাকেন, তাঁরা হলেন গণেশ, কার্তিক, সর্বমঙ্গলা, প্রলম্ব, হলায়ুধ, মৃত্যুঞ্জয়, নাটেশ্বর, মহেশ্বর ও শেষদেব। রথের দ্বারপাল হলেন রুদ্র ও সাত্যকি। রথের সারথি মাতলি এবং রক্ষক বাসুদেব। এই রথের শ্বেতবর্ণের চারটি ঘোড়ার নাম তীব্র, ঘোড়া, দীর্ঘশর্মা, ও স্বর্নাভ। সুদর্শন চক্রের পাশে দুটি পাখির (কাকাতুয়া) নাম যথা স্বধা এবং বিশ্বাস। রথটি সবুজ ও লাল কাপড়ে মোড়া থাকে। ৭৬৩টি ছোট বড় কাঠের টুকরো দিয়ে নির্মিত এই তালধ্বজ। বোন সুভদ্রার রথের নাম দর্পদলন, প্রায় ৪৪.৬ ফুটের উচ্চতা এই রথটির। মোট চাকার সংখ্যা ১২, যা বলরামের রথের থেকে ২টি কম। রথের ধ্বজার নাম নাদম্বিক এবং রশির নাম স্বর্ণচূড় নাগ। ধ্বজার পাশে যে দুটি পাখি থাকে তাঁদের নাম শ্রুতি ও স্মৃতি। রথটি কালো ও লাল কাপড়ে মোড়া থাকে। দেবী সুভদ্রার রথযাত্রায় নজন পার্শ্বদেবী হলেন যথাক্রমে চন্ডী, চামুণ্ডা, মঙ্গলা, উগ্রতারা, বনদুর্গা, শূলিদুর্গা, শ্যামাকালী, বিমলা ও বরাহি। দ্বারপালিকা ভূদেবী ও শ্রীদেবী। সারথি অর্জুন এবং রক্ষক জয়দুর্গা। লাল রঙের চারটি ঘোড়ার নাম রচিকা, মোচিকা জিতা ও অপরাজিত। রথটি তৈরিতে মোট ৫৯৩টি টুকরো কাঠ লাগে।রথ নির্মান পক্রিয়া রথ নির্মাণের প্রতিটা ধাপের জন্য দিন নির্দিষ্ট করা থাকে।সেই নিয়মনীতির অন্যথায় করা যাবে না কোনও ভাবেই। ঠিক করা আছে নির্দিষ্ট সূত্রধর, চিত্রকর, শিল্পী ও কারিগর। অজ্ঞাত কোনও এক কালে মহারাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন প্রত্যেক বছর তিনটি রথকে নতুন ভাবে নিয়ম রীতি মেনে নির্মাণ ও সমস্ত প্রথা এবং উৎসবের যে প্রবর্তন করেছিলেন, আজও পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে সেই ভাবেই সমস্ত বিষয়গুলি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।প্রত্যেক বছর রথ নির্মাণের জন্য কাঠ সংগ্রহ শুরু হয় মাঘমাসের বসন্ত পঞ্চমী থেকে তিথি থেকে। সেই কাঠ আনা হয় দশপল্লা জেলার রণপুর জঙ্গল থেকে। প্রথমে রথের জন্য কাঠ দিতেন রণপুরের মহারাজা। পরবর্তীকালে তাঁর আত্মীয় সুত্রে সেই কাঠের স্বত্ব নিয়ে কাঠের জোগান দিতেন দশপল্লার রাজা। এখন গড়জাত-রাজ্য ওড়িশার অন্তর্গত হওয়ায় রথের কাঠ সরবরাহ করে থাকে ওড়িশা সরকার। তিনটি রথেরই নির্মানকার্য শুরু হয় প্রতিবছর বৈশাখমাসের শুক্লা তৃতীয়া অর্থাৎ অক্ষয়তৃতীয়ার পুণ্য তিথিতে এবং শেষ হয় নেত্রোৎসব তথা জগন্নাথ বিগ্রহের চক্ষুদান বা চক্ষু অঙ্কনের দিন।#BadaDanda is filled with sea of devotees for the spiritual journey of the Holy Trinity. #ଜୟଜଗନ୍ନାଥ#JaiJagannatha 🙏🏻 #ରଥଯାତ୍ରା୨୦୨୨ #RathaJatra2022 pic.twitter.com/gGDw2c7tJ9 Naveen Patnaik (@Naveen_Odisha) July 1, 2022জগন্নাথ মন্দিরের সামনে পূর্বদিকে আছে অরুণ স্তম্ভ। এখান থেকে গুণ্ডিচা মন্দির পর্যন্ত বিস্তৃত রাজপথের নাম বড়দাণ্ড। এই রাস্তার পাশেই নির্মাণ করা হয় তিনটি রথ তিনটি। প্রত্যেক রথে নির্মান করার জন্য নির্দিষ্ট করা আছে সূত্রধর, চিত্রকর অন্যান্য আরও শিল্পী ও কারিগর। যেহেতু এই কাজ ছাড়া অন্য কোনও কাজ করতে পারেন না সেই কারনে এদের প্রত্যেকের আয়ের জন্য জন্য দেয়া আছে যথেষ্ট পরিমাণে দেবত্ত্ব সম্পত্তি। তারা তাঁদের নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিক সময়ে পালন করে থাকেন যথা সময়ে।

জুলাই ০১, ২০২২
দেশ

ফের খুলতে চলেছে জগন্নাথ মন্দিরের দরজা, খুশি পুন্যার্থী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা

করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্ধ হয়েছিল পুরীর জগন্নাথ মন্দির। ফের খুলতে চলেছে হিন্দুদের এই তীর্থ ক্ষেত্র। আগামি ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ভক্তদের জন্য ফের খুলে দেওয়া হবে মহাপ্রভূর মন্দির। কেবল কোভিডটিকার দুটি ডোজ নেওয়া আছে শুধু তাঁরাই মন্দিরে করোনা বিধি মেনে প্রবেশ করতে পারবেন। শুক্রবারই মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে খুশি পুন্যার্থীীা। পুরীর কালেক্টর সমর্থ ভার্মা মন্দির খোলার কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, প্রতি রবিবার জীবণুমুক্তকরণের জন্য জগন্নাথদেবের মন্দির বন্ধ থাকবে। রবিবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন মন্দির খোলা থাকবে। কোভিড পরিস্থিতিতে এর আগেও মন্দির বন্ধ রাখতে হয়েছে। এবারও করোনা বিধি মেনে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হবে।জানা গিয়েছে, শহরের বাইরে ভক্ত অর্থাৎ বহিরাগত পুন্যার্থীরা মন্দিরের পূর্বদিকের দরজা দিয়ে প্রবেশ করবেন। স্থানীয়রা জগন্নাথ মন্দিরে ঢুকবেন পশ্চিমদিকের দরজা দিয়ে। পুরী প্রশাসনের কারফিউ বিধি মেনে ও করোনার পরিস্থিতি বিবেচনা করে মন্দির ভক্তদের জন্য খোলা-বন্ধ হবে। এই মন্দির খোলার খবরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছে। পর্যটকের দেখা না মেলায় পুরী শহরের অর্থনৈতিক অবস্থার হাল বেশ খারাপ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
দেশ

Puri: খুলছে পুরীর মন্দির, কী কী নিয়ম মানতে হবে জানুন

ভক্তদের দর্শন দেবেন প্রভু জগন্নাথ। আগামী ১৬ অগস্ট থেকে খুলছে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির। প্রথমে ১৬ অগস্ট থেকে শুধুমাত্র স্থানীয়দের জন্য খোলা হচ্ছে মন্দির। সবার জন্য খোলা হবে ২৩ অগস্ট থেকে। বুধবার শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তবে মন্দিরে ঢুকতে গেলে মানতে হবে অনেক নিয়ম। তৈরি করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল বা এসওপি।আরও পড়ুনঃ বুমরা, সামির ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, গুটিয়ে গেল ১৮৩ রানেমন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, পুণ্যার্থীদের হয় টিকাকরণের সংশাপত্র, নয়তো কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট দেখাতে হবে। প্রতি সপ্তাহে শনি ও রবিবার বন্ধ থাকবে মন্দির। কারণ ওই দুদিন পুরীতে লকডাউন থাকে। শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান কৃষ্ণ কুমার বলেন, আমরা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল তৈরি করেছি। সেই নিয়ম মানতে হবে। মন্দিরের বাইরে কিয়স্ক তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ভক্তদের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বা টিকাকরণের সংশাপত্র দেখাতে হবে। শনি ও রবিবার ছাড়াও বিশেষ বিশেষ দিনে ভিড় এড়াতে মন্দির বন্ধ থাকবে। মন্দির দর্শনের সময়ও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভগবান দর্শন করা যাবে। ভক্তদের মন্দিরের ভিতরে ভোগ প্রদান করতে বা প্রদীপ জ্বালাতে নিষেধ করা হয়েছে। মন্দিরের মধ্যে কোনও বিগ্রহ স্পর্শ করতেও নিষেধ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পরে গত ২৪ এপ্রিল থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জগন্নাথ মন্দির। রথযাত্রা উপলক্ষেও ভক্তদের উপস্থিত থাকার অনুমতি ছিল না।

আগস্ট ০৫, ২০২১
সম্পাদকীয়

Rathayatra: 'পথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি'....

পথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি,মূর্তি ভাবে আমি দেব-হাসে অন্তর্যামী।রথের চাকা গড়িয়ে চলে, জীবনের সঙ্গে ঘড়ির কাঁটার মত। কিন্তু কে সত্য? জগৎ না ব্রহ্ম? সেটা নিয়ে আজও বড় সন্দিহান এই ঘোর কলির আমরা। অর্থাৎ এই অখন্ড মন্ডলাকার জগৎ সংসারের উৎকৃষ্ট জীব মানুষ।জগতের নাথ কিন্তু ব্রহ্ম হতে কিট পরমানু সর্বভূতে প্রেমময় হয়ে বিরাজমান। তাঁর কিন্তু জাত-পাত, বর্ণ, ধর্ম নিয়ে কোনও বিভেদ নেই। যত চিন্তা মানুষের। আমাদের ভাবা উচিত আজ এই মহামারী, অসহিষ্ণুতা, অবিমৃষ্যকারিতা, অদূরদর্শিতা মনুষ্য সমাজকে অবক্ষয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে, তার কারণ আমরা সবাই সেই দক্ষ বাজিগরের হাতের পুতুলের খেলায় এই মোহময় মায়ার চক্রে শুধু নেচে চলেছি ধ্বংসের দিকে। তাকিয়ে দেখছি, শুনছি, বুঝছি কিন্তু নেশাগ্রস্তের মতো মত্ত অসহায়। সবাই তো মত্ত, হাত কে ধরবে? হাতটা নিঃসংকোচে নির্দ্বিধায় নিঃষ্কাম ভাবে ধরার কেউ নেই। সবাই তো আমরা মোহময় বাসনা, কামনা আর ক্রোধের দ্বারা বশীভূত। সকলই তোমার ইচ্ছা... বলে কুকাজ, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, অপদার্থতা আর নিজের আত্ম অহং-এ লিপ্ত। আজ বড় প্রয়োজন আত্মসমীক্ষার, অহংবোধের ইতি টানার আর আমিত্বের বিসর্জন দেওয়ার। কবে সম্ভব হবে সেটা জানা নেই, আদৌ আমরা পারবো কি?তাই এই রথযাত্রা প্রাক্কালে জগতের নাথের কাছে এটাই পার্থনা ত্রাহিমম আমাদের সমস্ত অপরাধ, অবিবেচকের মত কাজ আর নানা অসভ্যতাকে তুমি নিজগুণে ক্ষমা করে দিও কারণ আমরা তো রিপু জয়ী মৃত্যুঞ্জয়ী নই, শুধু জ্ঞানপাপী। ওম নমহঃ ভগবতে বাসুদেবায় নমহঃ ওম হরিনারায়ণ প্রভু জগন্নাথ দেবায় নমহঃজয় জগ্ননাথ।। জয় জগ্ননাথ।। জয় জগ্ননাথ।।

জুলাই ১১, ২০২১
নিবন্ধ

Jagannath: রথের রশি টানতে না পারার অক্ষমতায় বেদনাতুর শিক্ষক জগন্নাথ, এ এক মর্মস্পর্শী সংগ্রামের কাহিনী

জন্মের সময় থেকেই দুটি হাত নেই। সেই কারণে সাধ থাকলেও প্রভু জগন্নাথ দেবের রথের রশি টানতে পারেন না প্রতিবন্ধী জগন্নাথ বাউরী। পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের এই জগন্নাথ রথের দিন প্রভু জগন্নাথদেব স্মরণে ব্রতী হন ঠিকই । তবে দুই হাত না থাকার কারণে রথের রশি টানতে না পারাটা রথের দিনে তাঁকে বড়ই বেদনাতুর করে তোলে।আরও পড়ুনঃ মাতৃ দিবস ও রবীন্দ্রনাথআউসগ্রাম ১ ব্লকের বেরেন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলুটি গ্রামে বাড়ি বছর আটত্রিশের জগন্নাথ বাউরীর। তিনি বাড়ির বড় ছেলে। তাঁর ছোট ভাইয়ের নাম বলরাম। জগন্নাথ বাবু জানান, জন্মের সময় থেকেই তাঁর দুটি হাত নেই। তখন থেকেই তাঁদের গ্রামের লোকজন প্রভু জগন্নাথ দেবের সঙ্গে তাঁর তুলনা করতে শুরু করে। এমনকি তাঁর বাবা লক্ষণচন্দ্র বাউরী ও মা সুমিত্রা বাউরীও মনে করতেন প্রভু জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদে একদিন তিনি নিজের পায়ে দাঁড়াবেন। তাঁকে স্কুলে ভর্তি করার জন্য শৈশবে তাঁর বাবা নিয়ে যান বেলুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভূতনাথ পাল মহাশয় তাঁর বাবাকে বলেন, প্রভু জগন্নাথ দেবকে স্মরণ করে তোমার ছেলের নাম রাখ জগন্নাথ। তাঁর বাবা প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের সেই কথা মেনে নেন। এরপর থেকে জগন্নাথ বাউরী নামেই তাঁর পরিচিতি হয়। ওই নামেই প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হয় তাঁর লেখাপড়া জীবন।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজিরযুগ বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়েই বদলেছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ধরন ধারন। কিন্তু বিশ্বাস ও ভক্তি ভাবে কোনও বদল আসেনি বাউরী পরিবারে । দিন আনা দিন খাওয়া বাউরী পরিবারের সকলে আজও সব কাজে তাই প্রভু জগন্নাথ দেবের প্রতি ভরসা রেখেই চলেন। একসময়ে জগন্নাথবাবুর বাবা ও মা ক্ষেতমজুরির কাজ করে বহু কষ্টে সংসার চালাতেন। জগন্নাথ বাবু জানান, তাঁর পা ধরে পায়ে পেন্সিল গুঁজে দিয়ে তাঁকে বাংলা ও ইংরেজি অক্ষর লেখা শিখিয়েছিলেন বেলুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভূতনাথ পাল। পায়ে করে লেখা শিখতে পারার পরেই তাঁর লেখাপড়া শেখার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়। এরপর থেকে শত কষ্টের মধ্যেও তিনি লেখাপড়া চালিয়ে যান। সাফল্যের সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তিনি বেসিক ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হন। ট্রেনিং সম্পূর্ণ হওয়ার পর তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি পান।বিগত প্রায় ১২ বছেররও বেশী সময়কাল ধরে তিনি আউসগ্রামের জয়কৃষ্ণপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। জগন্নাথ বাবু বলেন ,পায়ের আঙুলে চক পেনসিল গুঁজে নিয়ে তিনি পায়ে করেই বোর্ডে লিখে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের পড়া বোঝান । তা নিয়ে কোনও অবিভাবক বা পড়ুয়া কেউ কোনদিন আপত্তি তোলেনি। বরং তাঁরা তাঁর পড়ানোটাকেই মান্যতা দিয়েছেন।বিদ্যালয়ের সহকর্মী ছাত্র-ছাত্রীরাও সকলে তাদের প্রিয় জগন্নাথ স্যারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরশিক্ষক জগন্নাথ বাউরী তাঁর সংসার জীবনের দায়দায়িত্বও যথাযথ ভাবে পালন করেন। স্ত্রী লক্ষী বাবা-মা-ভাই-বোন সকলকে নিয়ে এখন জগন্নাথ বাবুর ভরা সংসার। এই বাউরী পরিবার রথযাত্রা উৎসবের দিনটি ভক্তি সহকারে পালন করেন। জগন্নাথ বাউরী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, প্রভু জগন্নাথ দেবের দুটি হাত নেই। একইভাবে জন্মের পর থেকে তাঁরও দুটি হাত নেই। তিনি দেবতা জগন্নাথ দেব হতে না পারলেও তাঁর শারীরিক গঠন জগন্নাথ দেবের মতই। তাই জ্ঞান হবার পর থেকে প্রভু জগন্নাথ দেবকে তিনি তাঁর আরাধ্য দেবতা বলে মেনে আসছেন। সেই কারণেই প্রতিবছর তিনি রথযাত্রা উৎসবের দিনে প্রভু জগন্নাথ দেবের প্রার্থনা করেন। জগন্নাথবাবুর আক্ষেপ, দুটি হাত নেই বলে আমি রথের রশি টানতে পারি না। এই বিষয়টি আমাকে বড়ই ব্যথিত করে। সাধ থাকলেও রথের রশি টানার বাসনা হয়তো এই জীবনে আর পূরণ হবেে না।

জুলাই ১২, ২০২১
দেশ

Lord Jagannath: ভক্তদের অনুপস্থিতিতে শুরু জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা

গতবছর করোনার (Corona Pandemic) প্রথম ঢেউয়ের কারণে ইতিহাসে প্রথমবার ভক্তদের ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছিল পুরীর (Puri) জগন্নাথ দেবের (Lord Jagannath) স্নানযাত্রা। বছর ঘুরতেও ছবিটা বদলাল না। দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হলেও আছড়ে পড়েছে মারণ ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। আর তাই রথযাত্রার আগে রীতি মেনে এবারেও জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার আয়োজন করা হলেও, তাতে থাকছেন না কোনও ভক্ত। এমনকী, রাজ পরিবারের ঘনিষ্ঠ কর্মচারী কোভিডে আক্রান্ত হওয়ায় থাকবেন না পুরীর গজপতি রাজা দিব্যসিংহ দেবও। যদিও প্রস্তুতিতে কোনও খামতি নেই। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রীতি মেনে সমস্ত কিছুর আয়োজন শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, স্নানযাত্রায় অনূর্ধ্ব ৫০০ জন সেবায়েত কোভিড-পরীক্ষা করিয়ে আচার সম্পন্ন করার অনুমতি পেয়েছেন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দ্রুত উপনির্বাচনের আর্জি মুখ্যমন্ত্রীরকথিত আছে, জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে স্বয়ম্ভু মনুর যজ্ঞের প্রভাবে আবির্ভূত হয়েছিলেন প্রভু জগন্নাথ। তারপর এই পূণ্যতিথিটিকে জগন্নাথদেবের জন্মদিন হিসেবে পালন করার নির্দেশ দেন মনু। সেই জন্মদিন উপলক্ষে পৌরাণিক কাল থেকে এই বিশেষ স্নান উৎসব পালিত হয়ে আসছে আজও। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম পূর্ণিমাতেই জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার আয়োজন করা হয়। এদিন গর্ভগৃহ থেকে মূর্তি তুলে এনে স্নান মণ্ডপে স্থাপন করা হয়। সেখানেই সুগন্ধি জল দিয়ে স্নান করানো হয় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে। স্নানের পাশাপাশি চলে মূর্তির সাজসজ্জা-অলঙ্করণ ইত্যাদি। ১০৮ ঘড়া জলে স্নানের পরেই জ্বরে কাবু হয়ে পড়েন জগন্নাথদেব। তাই এইসময় গৃহবন্দি অবস্থায় থাকেন। রথ পর্যন্ত বিশ্রাম নেন। তাই ভক্তরা জগন্নাথ দেবের দর্শন পান না। এই কয়েকদিন পুজোও হয় না তাঁর। রীতিমত কম্বল চাপা দিয়ে পড়ে থাকেন জগতের নাথ। তবে রথযাত্রার দিন রাজবেশে রথে করে তিনি যাবেন মাসির বাড়িতে। এ বার তা সম্পন্ন হবে ১২ জুলাই।তবে তার আগে এই স্নান যাত্রার আয়োজনে কোথাও কোনও খামতি রাখেনি মন্দির প্রশাসন। ইতিমধ্যে ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। মন্দির চত্বরে যেমন কোনও ভক্ত প্রবেশ করতে পারবেন না, তেমনই জগন্নাথ দেবের স্নান দেখতেও কেউ উপস্থিত থাকতে পারবেন না। যদিও, জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা গোটা বিশ্বে লাইভ স্ট্রিম করা হবে বলে জানিয়েছে পুরীর মন্দির কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, রাজা দিব্যসিংহ দেবের অনুপস্থিতিতে তাঁরই এক প্রতিনিধি হিসেবে নির্দিষ্ট রীতি পালন করে সোনার ঝাড়ু দিয়ে স্নানবেদী পরিষ্কার করবেন বলেই খবর। কারণ কোভিডবিধি মেনে আপাতত নিভৃতাবাসে রয়েছেন রাজা দিব্যসিংহ দেব। এদিকে, ১৪৭৫টি আইসক্রিমের কাঠি দিয়ে জগন্নাথ দেবের মূর্তি বানিয়ে তাক লাগালেন ওডিশার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ নায়েক। তাঁর কীর্তি দেখে অবাক নেটিজেনরাও।

জুন ২৪, ২০২১
রাজনীতি

বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নিশীথ-জগন্নাথ

যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলেন বিজেপির দুই সাংসদ জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার দুপুরে একসঙ্গে বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফা দিয়ে আসেন বিজেপির দুই সাংসদ তথা বিধায়ক। দলের নির্দেশেই বিধায়ক পদ ছেড়ে সাংসদ পদে বহাল থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।নিয়ম অনুযায়ী এক ব্যক্তি একই সঙ্গে সাংসদ এবং বিধায়ক পদে থাকলে ৬ মাসের মধ্যে কোনও একটি পদ তাঁকে ছাড়তে হয়। সেই নিয়ম মেনেই বিধায়ক পদ ছাড়লেন তাঁরা। যদিও এই সিদ্ধান্তের জন্য বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদকে। বিরোধীরা বলছেন, এভাবে ইস্তফা দিয়ে মানুষের বিশ্বাস ভেঙেছেন দুই বিজেপি সাংসদ। দুই বিধায়কের ইস্তফার অর্থ, ওই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোটের এই ব্যাপক খরচ কে দেবে? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও বিধানসভা ভোটে দাঁড়ানোর যৌক্তিকতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এ বিষয়ে অবশ্য এদিন সাফাই দিয়ে বিজেপির দুই নেতা বলছেন, এটা পুরোপুরি দলের সিদ্ধান্ত। আগের বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক ছিল মাত্র ৩ জন। পরিষদীয় রাজনীতিতে সেভাবে কারও অভিজ্ঞতা ছিল না। সাংসদদের অনেকের সেই অভিজ্ঞতা থাকায় দল তাঁদের প্রার্থী করেছিল। বিজেপির দুই নেতা স্বীকার করে নিয়েছেন, দলের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। তাই দলের সিদ্ধান্ত মেনেই ইস্তফা দিয়েছেন তাঁরা। তবে, বিজেপির দুই সাংসদের দাবি, উপনির্বাচনে আরও বড় ব্যবধানে জিতবে গেরুয়া শিবির। ভোটের পর তৃণমূল যেভাবে বেলাগাম হিংসা চালাচ্ছে, মানুষ তারই জবাব দেবে।

মে ১২, ২০২১
রাজনীতি

চার্জশিটে নাম তৃণমূলের ষড়যন্ত্রেই, দাবি বিজেপি সাংসদের

লোকসভা নির্বাচনে জেতার পর থেকে উন্নয়নমুখী কর্মধারাকে স্তব্ধ করে দিতেই আমার বিরুদ্ধে একের পর এক জঘন্য ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের সিআইডি চার্জশিটে নাম থাকার প্রসঙ্গে এমন দাবি করলেন নদিয়ার রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর তিনি বলেন, আমি এতে ভীত নই, আজীবন আমি মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে যাব, এটাই আমার শপথ। এদিন বগুলাতে বিজেপি নদীয়া জেলা দক্ষিণ, ৩৮ নং জেড. পি-র উদ্যোগে রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ। তৃণমূল থেকে অনেকেই এদিন সাংসদের হাত থেকে বিজেপির পতাকা নেন। বগুলা বেনফিস মার্কেটে আয়োজিত এই সভায় অন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক আশিসকুমার বিশ্বাস-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ। জগন্নাথবাবু আরও বলেন, সীমাহীন দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে আজ তৃণমূল দলটি। আর রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে এদের দলদাসে পরিণত হয়েছে বলেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। মানুষ সুবিচার পাচ্ছেন না। সম্প্রতি কৃষ্ণগজ্ঞ বিধায়ক সভা কেন্দ্রের প্রয়াত বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের খুনের মামলায় আদালতে পুলিসের চার্জশিট দাখিল সংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য প্রসঙ্গে কথা গুলি বলেন, সাংসদ জগন্নাথ সরকার। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে রক্তদাতা ছিলেন ৮৬ জন। এদিন মুড়াগাছা কলোনির দাপুটে সিপিআইএম নেতা অমরেশ ঢালির নেতৃত্বে এলাকার ১৬টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করে। মামজোয়ান গ্ৰামের ৩০টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেয়। সবমিলিয়ে এলাকার তৃণমূল, সিপিআইএম এবং কংগ্রেস দল ছেড়ে প্রায় চার শতাধিক কর্মী-সমর্থক এদিন বিজেপি শিবিরে যোগদান করেন বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা ডা. দুলালচন্দ্র বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal