• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India,

খেলার দুনিয়া

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে কেন চাপে নেই রোহিত?‌

সাদা বলের ক্রিকেটে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে ভারত। টি২০ ক্রিকেটে টানা তিনটি সিরিজ জিতেছে রোহিত শর্মার দল। গত বছরের শেষে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ দিয়ে শুরু। কিউয়িদের হোয়াইট ওয়াশ করার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও ৩০ ব্যবধানে জয়। মাঝে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও একদিনের সিরিজ জিতেছে ভারত। তবে ছন্দপতন লালবলের ক্রিকেটে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ঘরের মাঠে সামনে এবার শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া রোহিত শর্মার দল।দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টেস্ট সিরিজে হেরে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে ভারত। পয়েন্টের পার্সেন্টেজের বিচারে রয়েছে পঞ্চম স্থানে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২০ ব্যবধানে না জিতলে আরও পিছিয়ে পড়তে হবে। ফাইনালে ওঠার জন্য ভারতের সামনে রয়েছে ৯টি টেস্ট। এই ৯টি টেস্টেই জেতার চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অন্যদিকে, টি২০ সিরিজে বিধ্বস্ত হওয়ার পর টেস্ট সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। গতবছর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ ১০ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। তারপর ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান বিরাট কোহলিরা। প্রথম টেস্ট জিতে ইতিহাস তৈরির সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর সিরিজ জেতা হয়নি। বাকি দুটি টেস্টে জিতে সিরিজ জেতে প্রোটিয়ারা। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অভিষেক হতে চলেছে রোহিতের। তাঁর লক্ষ্য অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্টে ছাপ রাখতে। তবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে শুধু দুটি টেস্টই নয়, লক্ষ্য সব টেস্ট জেতা। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্টে খেলতে নামার আগে চাপে নেই হিটম্যান রোহিত। দলের ওপর ভরসা করছেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয় ছাড়া কিছু ভাবছেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। তিনি বলেন, দল হিসেবে আমরা খুব ভাল জায়গায় আছি। এরজন্য বিরাটকে কৃতিত্ব দিতে হবে। ক্যাপ্টেন হিসেবে দলটা তৈরি করেছে। ওর সাফল্যকে ধরে রেখে আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আমি শুধু জয়ের কথা ভাবছি।দীর্ঘদিন পর চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানেকে ছাড়াই খেলতে নামবে ভারত। এই দুই ব্যাটারের জায়গা সহজে ভরাট হবে না বলে মনে করছেন রোহিত। তাঁর কথায়, পুজারা, রাহানের পরিবর্ত যারাই দলে আসুক তাদের কাজটা সহজ হবে না। দলের জন্য রাহানে ও পুজারার অবদান কখনও ভোলার নয়। দলকে প্রচুর ম্যাচে জিতিয়েছে। ভারতকে ১ নম্বর টেস্ট দল করার পেছনে ওদের বড় অবদান রয়েছে। চেতেশ্বর পুজরার জায়গায় তিন নম্বরে শ্রেয়স আয়ারের খেলার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে রাহানের জায়গায় হনুমা বিহারি কিংবা শুভমান গিলের মধ্যে একজন। এছাড়া দীর্ঘদিন পর আবার টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামতে চলেছেন রবীন্দ্র জাদেজা।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনেও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি কোহলি

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে নামছেন বিরাট কোহলি। তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই দীর্ঘ পথে বরাবরই দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়েছেন। যা রনজি খেলার সময়ও দেখা গিয়েছিল। দিল্লি রনজি দলের সতীর্থ পুনিত বিস্তের মুখে শোনা গেছে সেই দায়বদ্ধতার গল্প। বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনেও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন দলের জন্য। প্রত্যয়ী মানসিকতা নিয়ে। ২০০৬ সালের দিল্লি বনাম কর্ণাটক রনজির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলছিল। সবে তখন ১৭ বছর বয়স বিরাট কোহলির। ততদিনে জায়গা করে নিয়েছেন দিল্লি রনজি দলে। কর্ণাটক ম্যাচ চলাকালীন দ্বিতীয় দিন রাতে মারা গিয়েছিলেন কোহলির বাবা প্রেম। তৃতীয় দিন সকালে দিল্লি ড্রেসিংরুমে সকলেই শোকে বিহ্বল। থমথমে পরিবেশ। কোচ চেতন চৌহান থেকে শুরু করে অধিনায়ক মিঠুন মানহাস, সকলেই কোহলিকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য। কারও কথা শোনেননি কোহলি। ব্যাট করতে যাওয়ার জন্য ড্রেসিংরুমের এককোণে দাঁড়িয়ে তৈরি হচ্ছিলেন। দলের প্রতি কোহলির সেই দায়বদ্ধতার কথা আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে পুনিত বিস্তের। কোহলির শততম টেস্ট খেলতে নামার প্রাক্কালে সেদিনের ঘটনার কথা স্মরণ করে পুনিত বলেন, তৃতীয় দিন সকালে আমার ও কোহলির ব্যাট করতে নামার কথা। আগের দিন রাতে কোহলির পিতৃবিয়োগ হয়েছে। কোচ চেতন চৌহান, অধিনায়ক মিঠুন মানহাস, দলের বাকিরা কোহলিকে বারবার বুঝিয়েছিল বাড়ি ফিরে গিয়ে এই শোকের পরিবেশে পরিবারের পাশে থাকার জন্য। কিন্তু কোহলি কারও কথা শোনেনি। ওর পরিকল্পনা ছিল অন্য। কোহলি চায়নি একজন ব্যাটারকে হারিয়ে দল বিপদে পড়ুক। আমার সঙ্গে ব্যাট করতে নেমেছিল। এখনও ভাবলে অবাক হই, কতটা মনের জোর থাকলে ওইরকম পরিস্থিতিতে মাঠে নামা যায়। ব্যাট করতে নেমে পুনিতের সঙ্গে জুটিতে ১৫২ রান তুলেছিলেন কোহলি। মাত্র ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছিলেন তিনি। আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়েছিলেন কোহলি। পুনিত বিস্ত সেই ইনিংসে করেছিলেন ১৫৬। পুনিতের মতে কোহলির ওই ইনিংস চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ওই রকম মানসিক পরিস্থিতিতে কোহলিকে ব্যাট করতে পাঠানো ঠিক হবে কিনা, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু মাঠে নেমে দাপটের সঙ্গে ব্যাট করেছিল কোহলি। শোককে পেছনে ফেলে প্রত্যয়ী হয়ে উঠেছিল। আমি ওকে সান্তনা দেব কী, কোহলিই আমাকে বারবার বলছিল, আউট হওয়া চলবে না, লম্বা ইনিংস খেলতে হবে।

মার্চ ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রেয়স–জাদেজা ঝড়ে উড়ে গেল শ্রীলঙ্কা, টানা সপ্তম সিরিজ জয় ভারতের

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টি২০ সিরিজ জয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও কি ৩০ ব্যবধানে সিরিজ জিততে পারবে ভারত? শ্রেয়স আয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজার দুরন্ত ব্যাটিং ভারতকে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল। ২০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। এই নিয়ে দেশের মাঠে টানা সপ্তমবার টি২০ সিরিজ জিতল।ধরমশালায় টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শ্রীলঙ্কা প্রথম ১০ ওভারে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি। রান তোলার গতি ছিল খুবই শ্লথ। শেষ ৩ ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শানাকার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁ্ড়ে দেয় শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৫ উইকেটে ১৮৩ রান। ২টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। শেষ ৪ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৭২ রান। পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শনাকার পঞ্চম উইকেট জুটিতে ২২ বলে ওঠে ৫০। নিসঙ্কা অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ৪৩ বলে। ভুবনেশ্বর কুমারের বলে এলবিডব্লু আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে করেন ৭৫ রান। নিসঙ্কা ১৯ তম ওভারের শেষ বলে আউট হলেও শ্রীলঙ্কাকে বড় রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক শানাকা। ১৯ বলে ৪৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ১৮৩/৫। ভুবনেশ্বর কুমার ৩৬ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৪ রানে ১টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ২৭ রানে ১টি ও রবীন্দ্র জাদেজা ৩৭ রানে ১টি উইকেট দখল করেন।রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রোহিতের (১) উইকেট হারায় ভারত। প্রথম ওভারের শেষ বলে তুলে নেন দুষ্মন্ত চামিরা। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ১৬ রান করে ঈশান কিষাণ আউট হন। ভারতের রান তখন ৪৪। এরপরই শ্রেয়স আয়ার ও সঞ্জু স্যামসনের জুটি ভারতকে জয়ের দিকে এগিয়ে দেয়। ঝোড়ো ব্যাটিং করে তাঁরা জুটিতে তোলেন ৮৪ রান। ২৫ বলে ৩৯ রান করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। এরপর শ্রেয়সের সঙ্গে জুটি বেঁধে দুরন্ত ব্যাটিং করে ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১৭ বলে বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। শ্রেয়স ৪৪ বলে ৭৪ ও জাদেজা ১৮ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

বিধ্বস্ত ইউক্রেন, ঘরের ছেলের ঘরে ফিরে আসার প্রহর গুনছেন বর্ধমানের পরিবার

গোলা-গুলির লড়াইয়ে তপ্ত ইউক্রেন। রাশিয়ার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ইউক্রেনও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। দিন যত গড়াচ্ছে ততই ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেরও উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই এই রাজ্যের অনেক ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে কর্মসূত্রে যাওয়া মানুষ ইউক্রেনৈ আটকে পড়েছেন। যেমনটা ইউক্রেনের পলতভা শহরে আটকে রয়েছে বর্ধমানের রায়ান ১ নম্বর পঞ্চায়েতের নারায়ণদীঘি এলাকার বাসিন্দা তারাচরণ ভকতের ছেলে রোহিত ভকত। ছেলের কথা ভেবে এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছন ভকত পরিবারের সদস্যরা। রোহিতের মা গীতা ভকত শনিবার জানিয়েছেন, ইউক্রেনে তাঁর ছেলে সারে তিন বছর আগে কম্পিউটার সায়েন্স ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করার জন্য যায়। আচমকা রাশিয়ান হামলা শুরু হয়ে যাওয়ায় গোটা ইউক্রেন জুড়ে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। অন্যান্য দেশের লোকেরা সবাই নিজের নিজের দেশে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই সেখানকার ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তার ছেলে ও ছেলের সঙ্গীরা। সড়ক পথে প্রায় ৩০০কিলোমিটার দূরে হাঙ্গেরির সীমান্তে নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে বেরিয়েও রাস্তা বন্ধ থাকায় সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। সেখান থেকেই প্লেনে ভারতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিল ভারতীয় দূতাবাস।রোহিতের পরিবার জানিয়েছে, এই মুহূর্তে তাঁরা রীতিমত উদ্বেগে রয়েছেন। ছেলের সঙ্গে ঘন ঘন যোগাযোগ রাখছেন ফোনের মাধ্যমে। রোহিত তাদের বড় ছেলে। তাঁদের সাড়ে তিন বছরের আরেকটি পুত্র সন্তান আছে। বর্ধমান শহরের সিএমএস ( বি সি রোড) স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনার জন্য রোহিতকে ইউক্রেনে পাঠানো হয় উচ্চ শিক্ষার জন্য। কিন্তু পড়াশোনার একদম শেষ পর্যায়ে এসে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় ক্যারিয়ারের কি হবে তা নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে সব আশঙ্কাকে ছাপিয়ে এখন ঘরের ছেলের ঘরে ফিরে আসার প্রহর গুনছেন মা, বাবা থেকে গোটা পরিবার ও পাড়া প্রতিবেশীরা।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে আটকে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার তিন ছাত্র, উৎকণ্ঠায় পরিবার

ইউক্রেনে বেজে গিয়েছে যুদ্ধের দামামা। রাশিয়া ও ইউক্রেণের মধ্যে প্রতিনিয়ত চলছে গুলি-গোলার লড়াই। যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনের মধ্যেই প্রাণ গিয়েছে শতাধিক মানুষের। এমন যুদ্ধ বিধ্বস্ত পরিস্থিতির মধ্যেই একরাশ আতঙ্ক বুকে নিয়ে ইউক্রেনে আটকে রয়েছে বহু ভারতীয় ছাত্র ছাত্রী। আটকে পড়াদের মধ্যে এই রাজ্যের পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমার তিন বাঙালি পড়ুয়াও রয়েছে। সন্তানরা যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেণ থেকে কিভাবে বাড়ি ফিরবে তা ভেবেই এখন চরম উৎকন্ঠায় রয়েছেন এই পড়ুয়াদের অভিভাবকরা।যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনের খারকিভে আটকে রয়েছে কালনার পূর্বস্থলীর চুপি কালীতলা এলাকার ছাত্র শেখ আকিব মহম্মদ। এখন ছেলে ইউক্রেনে কি অবস্থার মধ্যে রয়েছে, কি ভাবে বাড়ি ফিরবে তার কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁর বাবা মা। ছেলের কথা ভেবে শুক্রবার সকাল থেকে বাবা মায়ের উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে গিয়েছে।পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আকিব মহম্মদ ২০১৮ সালে ইউক্রেনে খারকিভ ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ার জন্য যায়। তার পর থেকে সব কিছু ঠিকঠাক থাকলেও যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার পর বৃস্পতিবার থেকে আকিবকে রাখা হয়েছে আণ্ডারগ্রাউণ্ডে। সেখানে তাঁর সঙ্গেই রয়েছে পাঁচশোজন ভারতীয় ছাত্র ছাত্রী। তাঁরা সবাই ডাক্তারি পড়ুয়া। সবাই সেখানে আতঙ্কে রয়েছে। চেহারা মোটা হওয়ায় আণ্ডারগ্রাউণ্ডের ভিতর শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছে বলে আকিব তাঁর পরিবারকে জানিয়েছে। এছাড়াও সে তার পরিবারকে জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ইউক্রেনে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এটিএম পরিষেবা। এখন তাঁর কাছে আছে কিছু শুকনো খাবার। এইসব জেনে পূর্বস্থলীর বাড়িতে আকিবের বাবা মা সহ পরিবারের সবাই চোখের জল ফেলে দিন কাটাচ্ছেন।আকিবের বাবা শেখ আমজাদ ও মা সুলতানা বেগম তাঁদের ছেলেকে দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা চাইছেন, কেন্দ্রের সরকার যত দ্রুত সম্ভব ইউক্রেণনে আটকে থাকা সকল ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করুক।একই ভাবে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের পরিস্থিতিও যথেষ্ট ভয়াবহ। সেই কিয়েভে এখন আটকে রয়েছে কালনার মুক্তারপুর এলাকার একই পরিবারের দুই পড়ুয়া দীপক হালদার ও বিভাস হালদার। তাঁরা কম্পিউটার ডিপ্লোমা করতে ইউক্রেনে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এই পড়ুয়াদের পরিবার সদস্য ধনঞ্জয় হালদার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুই ভাই হোস্টেল ছেড়ে ভারতীয় দূতাবাসে চলে গিয়েছে। ওই দিন অনলাইনে তাঁদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের কথা হয়েছে। বিভাষ ও দীপক দুজনেই পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছে, ইউক্রেনের পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। মুহুর্মুহু রাশিয়ান হামলায় ত্রস্ত হয়ে রয়েছে গোটা ইউক্রেন। তাই দুই ভাই সেখানে এখন শুকনো খাবার খেয়েই রয়েছে। ভারত সরকার দ্রুত দুই সন্তানকে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করুক এই আর্জি প্রশাসনের কাছে রেখেছে তাঁদের বাবা মা। পরিবারের সদস্যরা দিনরাত প্রার্থনা করছেন যাতে তাঁদের ঘরের ছেলেরা যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরে আসতে পারে।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, আমরাও এই খবর পেয়েছি। আকিব, বিভাস ও দীপককে দেশে ফেরানোর বিষয়ে রাজ্য সরকার সবরকম ব্যবস্থা করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
বিদেশ

ইউক্রেনজুড়ে শুরু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কিয়েভ, উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের, চালু হেলপলাইন

ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে ইউক্রেনে সেনা অভিযানের ঘোষণা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার মিনিট খানেকের মধ্যেই ইউক্রেনের রাজধানী কিভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে দিল রাশিয়ার সেনা বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কিভ-সহ ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের খবর এসেছে। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ছবি দেখে চমকে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।সকালে রাশিয়ার কিভ, খারকোভ, ওডেসা-সহ বিভিন্ন শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের ছবি এবং ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। চারপাশ থেকে গল গল করে কালো ধোঁওয়া বেরনোর ছবি দেখে আতঙ্কিত হয়েছেন অনেকেই। এমনকী বিস্ফোরণের মুহূর্তে তীব্র আলো আর ধোঁয়ার মেঘের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।This is the port of Ochakov. After the Russian strikes targeted the Ukrainian Navy.#Russia #Ukraine #Putinpic.twitter.com/OwPIChIyge Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ভারতের দাবি, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সামরিক সংঘাত বাড়লে ধাক্কা খাবে শান্তি ও নিরাপত্তা। রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস ত্রিমূর্তি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বড়সড় সংকট তৈরি করতে চলেছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের পরিস্থিতি।রাষ্ট্রসঙ্ঘে ত্রিমূর্তি বলেন, পরিস্থিতি বিপজ্জনক। তৈরি হতে পারে বড়সড় সঙ্কট। বিঘ্নিত হতে পারে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও শান্তি। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপের দিকে না যায়, সে বিষয়েও বার্তা দিয়েছে ভারত।শান্তি বজায় রাখা কতটা জরুরি সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে ত্রিমূর্তি উল্লেখ করেছেন, কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিকদের ইউক্রেন থেকে অবিলম্বে দেশে ফেরাতে সাহায্য করা হচ্ছে।Russian missile hitting Frankivsk airport.#Russia #Ukraine #Donbasspic.twitter.com/tm3s9bDlFu Intel Rogue (@IntelRogue) February 24, 2022ইতিমধ্যেই দুটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভারতে ফিরেছে নাগরিকদের নিয়ে। তবে এখনও কয়েক হাজার ভারতীয় ইউক্রেনে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সোমবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘের বৈঠকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকা-সহ ইউক্রেনে প্রায় ২০ হাজার ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বর্তমানে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই পড়ুয়া। তাঁদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তাই ভারতের কাছে অগ্রাধিকার পাবে বলেও জানানো হয়েছে।গত সপ্তাহেই বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ইউক্রেনের সঙ্গে এয়ার বাবল চুক্তি শিথিল করা হয়েছে। দেশের উড়ান সংস্থাগুলি চাহিদা অনুযায়ী বিমানের ব্যবস্থাও করতে পারে। ইউক্রেনে বসবাসকারী ভারতীয়দেরও চার্টার্ড বা যাত্রীবাহী সাধারণ বিমানে দ্রুত দেশে ফিরে আসার অনুরোধে জানানো হয়েছে। সাহায্যের জন্য বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।ইউক্রেনে এখনও আটকে রয়েছে কয়েক হাজার ভারতীয়। বেশ কয়েকজনকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও বৃহস্পতিবার মাঝপথ থেকে বিমান ফেরানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করল ভারত। নম্বরগুলি হল, 1800118797 (Toll free), +91-11-23012113, +91-11-23014104, +91-11-23017905

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইডেনে সেই চেনা ছবি, ভারতের কাছে আবার হোয়াইট ওয়াশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

দীর্ঘদিন পর আবার ইডেনের গ্যালরিতে দর্শক। বিরাট কোহলি না থাকলেও রোহিত শর্মা, শ্রেয়স আয়ারদের টানে মাঠে এসেছিলেন ক্রিকেটপ্রমীরা। দুজনই মন জয় করতে ব্যর্থ। ইডেনের হৃদয় জয় করে নিলেন প্রাক্তন নাইট রাইডার্স তারকা সূর্যকুমার যাদব। তাঁর দুরন্ত ৩১ বলে ৬৫ রানের সৌজন্যে ১৮৪/৫ তোলে ভারত। সূর্যকুমারের তৈরি ভিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ টি২০ ম্যাচে ১৭ রানে জয় ভারতের। একদিনের সিরিজের পর টি২০ সিরিজেও হোয়াইট ওয়াশ ক্যারিবিয়ানরা।সিরিজ আগে জিতে যাওয়ায় ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে এদিন ভারত যে পরীক্ষানিরীক্ষার রাস্তায় হাঁটবে, এটা জানাই ছিল। প্রথম একাদশে চারচারটি পরিবর্তন করে তৃতীয় টি২০ ম্যাচে খেলতে নেমেছিল ভারত। বিরাট কোহলির জায়গায় শ্রেয়স আয়ার, ঋষভ পন্থের জায়গায় ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল ভুবনেশ্বর কুমার ও যুজবেন্দ্র চাহালকে। এই দুজনের পরিবর্তে প্রথম একাদশে আবেশ খান ও শার্দূল ঠাকুর।CHAMPIONS 🎉#TeamIndia pic.twitter.com/9CRlRacaff BCCI (@BCCI) February 20, 2022টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে এদিন নিজের জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারে ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (৪)। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও শ্রেয়স আয়ার। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ওয়ে ৫৩। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ শ্রেয়স। ১৬ বলে ২৫ রান করে হেডেন ওয়ালশের বলে জেসন হোল্ডারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পরের ওভরেই ফিরে যান ঈশান। ৩১ বলে তিনি করেন ৩৪। চার নম্বরে নেমে অধিনায়ক রোহিত শর্মাও (৭) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৯৩ রানে চতুর্থ উইকেট পড়ে ভারতের।WWW 🇮🇳🏆 pic.twitter.com/opFYridB7m Shreyas Iyer (@ShreyasIyer15) February 20, 2022রোহিত ফিরে যাওয়ার পর ইডেনের বাইশ গজে রাজত্ব করে গেলেন সূর্যকুমার যাদব ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ৩১ বলে তিনি করেন ৬৫। মারেন ৭টি ৬। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে আউট হন সূর্যকুমার। ২০ ওভারে ভারত তোলে ১৮৪/৫। ভেঙ্কটেশ আয়ার ১৯ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।জয়ের জন্য ১৮৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ওভারেই দীপক চাহার তুলে নেন কাইল মেয়ার্সকে (৬)। সাই হোপও (৮) সুযোগ পেয়ে এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রভম্যান পাওয়েল ও নিকোলাস পুরান দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান। পাওয়েল (২৫) ফিরতেই ধস ক্যারিবিয়ান ইনিংসে। পরপর ফিরে যান কিয়েরন পোলার্ড (৫), জেসন হোল্ডার (২), রস্টন চেজ (১২)। একা লড়াই করেন নিকোলাস পুরান। তাঁকে সঙ্গ দেন রোমারিও শেফার্ড। ৪৭ বলে ৬১ রান করে আউট হন পুরান। শেফার্ড ২১ বলে করেন ২৯। ২০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে ১৬৭/৯। হর্ষল প্যাটেল ২২ রানে ৩ উইকেট নেন। দীপক চাহার, ভেঙ্কটেশ আয়ার ও শার্দূল ঠাকুর ২টি করে উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে সৌরভের দিকে তোপ দাগলেন ঋদ্ধিমান!‌

বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, টেস্ট দল থেকে বাদ পড়তে পারেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁকে আর টেস্ট দলের জন্য ভাবছেন না জাতীয় নির্বাচকরা। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট চায় ভবিষতের দিকে তাকাতে। শনিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য যে দল ঘোষিত হয়েছে, তাতে নেই ঋদ্ধিমান সাহা। বাদ পড়ে সৌরভ গাঙ্গুলির ভুমিকায় অবাক ঋদ্ধি। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। সৌরভের নীরবতায় অবাক তিনি। জাতীয় দলের সদ্য প্রাক্তন এই উইকেটকিপার বলেন, কানপুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পেইন কিলার খেয়ে ব্যাট করে ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলাম। ওই ইনিংসের পর সৌরভ গাঙ্গুলি হোয়াটসআপ করে আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। এমনকী আমাকে বলেছিলেন, যতদিন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকবেন, আমার চিন্তার কিছু নেই। বোর্ড প্রেসিডেন্টের এই কথা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল। হঠাৎ পরিস্থিতি এরকম বদলে যাবে, ভাবতে পারছি না। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লেও এখনই ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা নেই ঋদ্ধিমান সাহার। বরং প্রত্যাবর্তনের মঞ্চ হিসেবে আইপিএলকেই বেছে নিচ্ছেন। আইপিএলে ভাল খেলতে চান। তিনি যে বাদ পড়তে চলেছেন, সেকথা জানতেন ঋদ্ধিমান। জাতীয় নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা আগেই ঋদ্ধিমানকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, জাতীয় দলের পরিকল্পনায় তিনি আর নেই। তরুণদের তুলে নিয়ে আসার জন্যই বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর রনজি না খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই প্রসঙ্গে ঋদ্ধি বলেন, ব্যক্তিগত কারণে রনজি খেলব না বলে সিএবি প্রেসিডেন্টকে জানিয়েছিলাম। তবে দল নক আউট পর্যায়ে উঠলে খেলার ইচ্ছে রয়েছে, সেকথাও বলেছিলাম। অনেক ক্রিকেটারই তো বিশ্রাম নেয়। সেরকম আমিও নিয়েছিলাম।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্বেও রোহিত, কেন বাদ ঋদ্ধিমান?‌

যাবতীয় জল্পনাকল্পনার অবসান। প্রত্যাশমতোই রোহিত শর্মার হাতে লালবলের ক্রিকেটের দায়িত্বও তুলে দিলেন জাতীয় নির্বাচকরা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করা হয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। টেস্ট দল থেকে বাদ গেছেন ঋদ্ধিমান সাহা, চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। টি২০, একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব আগেই রোহিতের হাতে তুলে দিয়েছিলেন নির্বাচকরা। টেস্ট দলের নেতৃত্ব তুলে দেওয়াটা ছিল সময়ের অপেক্ষা। যেমন প্রত্যাশামতোই নির্বাচকরা দলে রাখেননি পুজারা, রাহানে, ঋদ্ধিদের। এই তিন ক্রিকেটার যে বাদ যাবেন, ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। পুজারা ও রাহানের সামনে টেস্ট দলে ফেরার সম্ভাবনা থাকলেও ঋদ্ধিমানকে জাতীয় নির্বাচকরা পরিস্কার বার্তা দিয়েছেন ভবিষ্যতের জন্য তাঁকে টেস্ট দলে ভাবছে না টিম ম্যানেজমেন্ট। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে ঋদ্ধিকে আকারইঙ্গিতে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ও পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁকে আর ভবিষ্যতের জন্য ভাবা হচ্ছে না। ঋষভ পন্থ প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে রয়েছেন। দ্বিতীয় উইকেটকিপার হিসেবে ঋদ্ধির জায়গায় শ্রীকর ভরতকে নেওয়া হয়েছে। শুধু পুজারা, রাহানে ও ঋদ্ধিকেই নয়, বাদ দেওয়া হয়েছে ইশান্ত শর্মাকেও। টেস্ট দলে ফেরানো হয়েছে কুলদীপ যাদবকে। চোটের জন্য দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে রবীন্দ্র জাদেজা। তাঁকেও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট দলে ফেরানো হয়েছে। ফিট থাকলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনও টেস্ট সিরিজে খেলবেন। দলে নেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশের বাঁহাতি স্পিনার সৌরভ কুমারকে। চোটের জন্য শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে খেলতে পারবেন না লোকেশ রাহুল। তাঁর জায়গায় নেওয়া হয়েছে প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে। যিনি রোহিত শর্মার পরিবর্তে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সুযোগ পেয়েছিলেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ঘোষিত দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), যশপ্রীত বুমরা (সহ অধিনায়ক), মায়াঙ্ক আগরওয়াল, প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চাল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আয়ার, হনুমা বিহারী, শুভমান গিল, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), কেএস ভরত (উইকেটকিপার), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (ফিট থাকলে), রবীন্দ্র জাদেজা, জয়ন্ত যাদব, কুলদীপ যাদব, মহম্মদ সামি, মহম্মদ সিরাজ, উমেশ যাদব, সৌরভ কুমার।বেছে নেওয়া হয়েছে টি২০ দল। বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্থকে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। দলে নেওয়া হয়েছে সঞ্জু স্যামসন ও রবীন্দ্র জাদেজাকে। ঘোষিত দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), যশপ্রীত বুমরা (সহ অধিনায়ক), ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শ্রেয়স আয়ার, সূর্যকুমার যাদব, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষাণ (উইকেটকিপার), ভেঙ্কটেশ আয়ার, দীপক চাহার, দীপক হুডা, রবীন্দ্র জাদেজা, যুজবেন্দ্র চাহাল, রবি বিষ্ণোই, কুলদীপ যাদব, মহম্মদ সিরাজ, ভুবনেশ্বর কুমার, হর্ষল প্যাটেল, আবেশ খান।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রোহিতকে আবার দুহাত ভরে দিল ইডেন, টি২০ সিরিজ জয় ভারতের

রোহিত শর্মা ইডেনের বরপুত্র। ক্রিকেটের নন্দনকানন কখনও তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। অধিনায়ক হিসেবে ইডেনেই প্রথম টি২০ সিরিজ জিতেছিলেন রোহিত। টানা দ্বিতীয় সিরিজ জয়। একদিনের সিরিজে হোয়াইট ওয়াসের পর টি২০ সিরিজেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইডেনে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের ৮ রানে হারিয়ে টি২০ সিরিজও জিতে নিল ভারত। আগের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভুগতে হয়েছিল ক্যারিবিয়ানদের। দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে পরে ব্যাট করেও জয়ের রাস্তায় ফিরতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে এদিন ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ঈশান কিশান (২)। এরপর জুটি বেঁধে ভারতকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক ও সহঅধিনায়ক। জুটিতে ওঠে ৪৯ রান। অস্টম ওভারে ছন্দপতন। রস্টন চেজের বলে ব্রেন্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (১৯)। সূর্যকুমার যাদব (৮) দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। নিজস্ব মেজাজে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন বিরাট কোহলি। ৪১ বলে ৫২ রান করে রস্টন চেজের বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর ভারতে ১৮৬/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ১৮ বলে ৩৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। ২৮ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। রস্টন চেজ ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৮৭ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে। তবে ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার। ষষ্ঠ ওভারে আউট হন কাইল মেয়ার্স (৯)। তাঁকে তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ব্রেন্ডন কিং ৩০ বলে ২২ রান করে রবি বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও রভম্যান পাওয়েল। জুটিতে ওঠে ১০০। এই জুটিই ক্যারিবিয়ানদের জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। ভুবনেশ্বর কুমার এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন নিকোলাস পুরানকে (৬২)। রভম্যান পাওয়েল লড়াই করেও দলকে জেতাতে পারেননি। ৩৬ বলে ৬৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৮/৩ রানে থেমে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার, যুজবেন্দ্র চাহাল ও রবি বিষ্ণোই ১টি করে উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্বপ্নের অভিষেক রবি বিষ্ণোইয়ের, ইডেনে জয় দিয়ে শুরু ভারতের

একদিনের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর টি২০ সিরিজেও দারুণভাবে শুরু করল ভারত। ইডেনে প্রথম ম্যাচেই ক্যারিবিয়ানদের হারাল ৬ উইকেটে। দুর্দান্ত বোলিং করে ইডেনে স্বপ্নের অভিষেক রবি বিষ্ণোইয়েই। আরও একটা বরপুত্র পেল ক্রিকেটের নন্দন কানন।শিশিরের কথা মাথায় রেখে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ক্যারিবিয়ানরা। পঞ্চম বলে ব্রেন্ডন কিংকে (৪) তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও খুব বেশি চাপে পড়েনি ক্যারিবিয়ানরা। পরিস্থিতি সামাল দেন কাইল মেয়ার্স ও নিকোলাস পুরান। মেয়ার্সকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৪ বলে ৩১ করেন মেয়ার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিডল অর্ডারে ধস নামান রবি বিষ্ণোই। দেশের জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচেই নজর কাড়লেন দেশের এই প্রতিশ্রুতিবান লেগ স্পিনার। তাঁর ও যুজবেন্দ্র চাহালের দাপটে মিডল ওভারে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। রান তোলার গতি অনেকটাই শ্লথ হয়ে যায়।লং অফ বাউন্ডারিতে দাঁড়িয়ে শুরুতেই বড় ভুল করে ফেলেছিলেন রবি বিষ্ণোই। যুজবেন্দ্র চাহালের বলে নিকোলাস পুরানের ক্যাচ ধরে বাউন্ডারি লাইন স্পর্শ করে ফেলেন। শুরুতে জীবন পেয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান পুরান। তবে ম্যাচের একাদশ ওভারে প্রায়াশ্চিত্য করেন রবি বিষ্ণোই। দ্বিতীয় বলে তাঁর স্পিনের ফাঁদে পড়ে এলবিডব্লু হন রস্টন চেজ (৪)। পঞ্চম বলে তুলে নেন রভম্যান পাওয়েলকে (২)। বিষ্ণোইয়ের এই জোড়া ধাক্কা সামলাতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। রান তোলার গতিও কমে যায়। এরপরই আকিল হোসেনকে (১০) তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। শেষপর্যন্ত ৪৩ বলে ৬১ রান করে হর্ষল প্যাটেলের বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পুরান। দলকে ১৫৭/৭ রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। ১৯ বলে ২৪ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। রবি বিষ্ণোই ১৭ রানে ২ উইকেট নেন। ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন হর্ষল প্যাটেল। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে ভারত। রোহিত শর্মা ইডেনের বরপুত্র। ইডেন তাঁকে কখনও খালি হাতে ফেরায়নি। এদিনও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে। তাঁর দাপটেই ৫ ওভারে ৫৭ রানে পৌঁছে যায় ভারত। অস্টম ওভারে ছন্দপতন। রস্টন চেজের বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে আউট রোহিত। ততক্ষণে তাঁর নামের পাশে ১৯ বলে ৪০ রান। ওপেনিং জুটিতে ঈশান কিশানের সঙ্গে তোলেন ৬৪। রোহিত ফিরে যাওয়ার পর ভারতকে টানছিলেন ঈশান ও কোহলি। ৪২ বলে ৩৫ রান করে সেই রস্টন চেজের বলেই দ্বাদশ ওভারে আউট হন ঈশান। পরের ওভারেই কোহলিকে (১৩ বলে ১৭) তুলে নিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেন ফাবিয়ান অ্যালেন। চার নম্বরে নেমে ঋষভ পন্থও (৮) ব্যর্থ। তিনি শেলডন কটরেলের শিকার। ১১৪ রানে ৪ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন সূর্যকুমার যাদব ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ১৮.৫ ওভারে ১৬২/৪ রান তুলে জিতে নেয় ভারত। ১৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন সূর্যকুমার যাদব। ১৩ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ভেঙ্কটেশ আয়ার।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌ইডেনে অন্য খেলা হবে’, কেন একথা বললেন কিয়েরন পোলার্ড?‌ ‌

ক্রিকেট খেলিয়ে বিশ্বের সেরা দেশগুলিকে যদি ধারাবাহিকতার নিরিখে বিচার করা হয়, সবথেকে পিছিয়ে থাকবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একসময় গোটা ক্রিকেট বিশ্ব ক্যারিবিয়ানদের আতঙ্গে ভুগত। সেই দিন আর নেই। এখন আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ডের মতো দলগুলিও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে দিচ্ছে। সুতরাং ভারতের মতো দেশও যে হারাবে, এতে আবার নতুনত্ব কোথায়। একদিনের সিরিজে রোহিত শর্মা ব্রিগেডের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। এবার টি২০ সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। ভারত যতই একদিনের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করুক টি২০ ক্রিকেটে অন্য খেলা হবে। ইডেনে টি২০ সিরিজ শুরু হওয়ার আগের দিন ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তেমনই ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড।ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে মাঠে নামার আগে পোলার্ড বলেন, একদিনের সিরিজে কী হয়েছে সেটা মাথায় রাখছি না। নতুন সিরিজ শুরু হচ্ছে। এই ফর্ম্যাটে আমরা ভাল খেলি। টি২০ সিরিজের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনাগুলো কাজে লাগাতে পারলে সিরিজ জিততে সমস্যা হবে না। আমাদের দলের ধারাবাহিকতার অভাব আছে, সেকথা মানছি। কিন্তু এই ফর্ম্যাটে সব দলকেই আমাদের সমীহ করতে হবে। কথাটা ভুল বলেননি ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। টি২০ অভিজ্ঞতার নিরিখে তাঁর দল সত্যিই শক্তিশালী। সাই হোপ, নিকোলাস পুরান, জেসন হোল্ডাররা সারা বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন টি২০ লিগে খেলে বেড়ান। আর আইপিএল খেলার সুবাদে এখানকার পরিবেশ, ভারতীয় ক্রিকেটারদের হাতের তালুর মতোই চেনেন। তাই টি২০ সিরিজের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাসী গোটা ক্যারিবিয়ান শিবির।ইডেনের বাইশ গজ নিয়ে খুশি ক্যারিবিয়ানরা। বুধবার অনুশীলনের আগে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে উইকেট পরীক্ষা করেন পোলার্ড। ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, উইকেটে বল ভাল ক্যারি করবে। বাউন্স আছে। দারুণ উইকেট। তবে রাতের দিকে শিশিরের জন্য বোলারদের সমস্যায় পড়তে হবে। পোলার্ডের কথাতেই ইঙ্গিত, টস জিতলে আগে ব্যাটিং করার ঝুঁকি নেবেন না।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ইন্দো-বাংলাদেশ প্রযোজনায় নতুন ছবি

গ্রীন টাচ বাংলাদেশ এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মাসুম বললেন- এপার বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ) ওপার বাংলার (বাংলাদেশ) মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা শুরু করতে চলেছি নতুন বাংলা ছবি। ছবির নাম একটা নতুন ছবি । এই ছবির পরিচালনার দায়িত্বে আছেন অরুদীপ্ত দাশগুপ্ত। উনি এর আগে হিন্দী বাংলায় এপারের বেশ কিছু ছবি পরিচালনা করলেও এপার বাংলা ওপার বাংলার মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রথম ছবি করতে চলেছেন অরুদীপ্ত। ছবির গল্প লিখেছেন সঞ্জয় দাস। এই ছবিতে অভিনেত্রী হিসাবে রয়েছেন বাংলাদেশের হ্যারিজন, ভালবাসতে মন লাগে, প্রমুখ সিনেমা খ্যাত এবং জান্তব (চ্যানেল), বন্ধু আমার নাটকের সফল অভিনেত্রী নির্জনা। এ ছাড়াও অভিনেতা হিসাবে থাকছেন আরো অনেক প্রতিথযশা এপার বাংলা ওপার বাংলার চেনা মুখ অভিনেতা অভিনেত্রী। এছাড়াও ওপার বাংলার আর একজনের নাম উল্ল্যেখ না করলেই নয়। তিনি হলেন মনিরুল ইসলাম মাসুম। যিনি এই ছবির কাস্টিং ডিরেক্টর হিসাবে থাকছেন।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আত্মবিশ্বাসের অভাব কোহলির?‌ রোহিত কী উত্তর দিল দেখুন

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে চূড়ান্ত ব্যর্থ বিরাট কোহলি। তিম ম্যাচে সংগ্রহ ২৬। প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৮ রান, দ্বিতীয় ম্যাচে ১৮। আর তৃতীয় ম্যাচে কোনও রান করতে পারেননি। নেতৃত্ব হারানোর পর থেকে কি আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিয়েছে কোহলির? ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে ব্যর্থতার পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্নটা সপাটে বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন ভারতীয় দলের নতুন অধিনায়ক রোহিত শর্মা।একদিনের সিরিজে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইট ওয়াশ করার পর ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে রোহিতের কাছে প্রশ্ন উড়ে এসেছিল, কোহলির কি আত্মবিশ্বাস বাড়ানো জরুরি? প্রশ্নটা হেসে উড়িয়ে দেন রোহিত। বলেন, বিরাট কোহলির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর প্রয়োজন? কী কথা বলছেন? দীর্ঘদিন সেঞ্চুরি পায়নি, এটা ঠিক কথা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজেই তো দুটি হাফসেঞ্চুরি করেছে। আমার মনে হয় না কোথাও ভুল আছে। ওর আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। কোহলির ফর্ম নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টও চিন্তিত নয়। সুনীল গাভাসকারও মনে করছেন, কোহলির টেকনিকে কিংবা আত্মবিশ্বাসে কোনও অভাব রয়েছে। আসলে ভাগ্যের সহায়তা পাচ্ছেন না প্রাক্তন অধিনায়ক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে টপ অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা দারুণভাবে সামলে দিয়েছে মিডল অর্ডার। দলের মিডল অর্ডারের ব্যাটিংয়ে খুশি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর দাবি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সবকিছুই পরিকল্পনামাফিক হয়েছে। রোহিত বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে মিডল অর্ডার সেভাবে রান পায়নি। মাঝের ওভারগুলো কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে, এই নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট যথেষ্ট চিন্তায় ছিল। কিন্তু ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে সিরিজে মিডল অর্ডার দারুণ খেলেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাট করেছে। এটা দলের কাছে ইতিবাচক দিক। রোহিত আরও বলেন, টপ অর্ডার রান পাওয়ায় মিডল অর্ডার ব্যাট করার সুযোগ পাচ্ছিল না। এই সিরিজে টপ অর্ডার ব্যর্থ। মিডল অর্ডার দারুণ চাপ সামলেছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড কোহলির

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে একদিনের সিরিজে হোয়াট ওয়াশের পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আগেই সিরিজ জিতে নিয়েছিল রোহিত শর্মার দল। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ৯৬ রানে জিতে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইট ওয়াশ ভারতের। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম একদিনের সিরিজেই দারুণ কৃতিত্ব রোহিতের। আর রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড বিরাট কোহলির। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই বিরাট কোহলির। ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকিয়েছিলেন কোহলির ব্যাটের দিকে। দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে যদি সেঞ্চুরি আসে। সেঞ্চুরি তো দুরের কথা, লজ্জার রেকর্ডের সামিল হতে হতে হল প্রাক্তন অধিনায়ককে। প্রথম ম্যাচে ৮ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে আউট হয়েছিলেন ১৮ রানে। আর তৃতীয় একদিনের ম্যাচে নামের পাশে শূন্য। এই নিয়ে দেশের মাঠে ৮ বার শূন্য রানে আউট হলেন কোহলি। স্পর্শ করলেন হরভজন সিং ও সুরেশ রায়নার রেকর্ড। এই দুজনও ৮ বার করে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে চারটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে ভারত। লোকেশ রাহুল, দীপক হুডা, শার্দূল ঠাকুর, যুজবেন্দ্র চাহালের জায়গায় শিখর ধাওয়ান, শ্রেয়স আয়ার, দীপক চাহাল ও কুলদীপ যাদব। টস জিতে এদিন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় ভারত। ১৫ বলে ১৩ রান করে আউট হন রোহিত। ২ বল পরেই আউট হন কোহলি। দুজনকেই তুলে নেন আলজেরি জোসেফ। শিখর ধাওয়ানও (১০) ব্যর্থ। ৪২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শ্রেয়স আয়ার ও ঋষভ পন্থের পার্টনারশিপ চাপ থেকে উদ্ধার করে ভারতকে। ৫৪ বলে ৫৬ রান করে আউট হন ঋষভ। সূর্যকুমারও (৬) ব্যর্থ। ১১১ বলে ৮০ রান করে আউট হন শ্রেয়স। ওয়াশিংটন সুন্দর (৩৩) ও দীপক চাহার (৩৮) ভারতকে ২৬৫ রানে পৌঁছে দেয়। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের কাছে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকে এদিনও বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ভারতীয় বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, দীপক চাহার, মহম্মদ সিরাজদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সামনে অসহায় হয়ে পড়েছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। একসময় ৮২ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি। মিডল অর্ডারে কিছুটা লড়াই করেন নিকোলাস পুরান (৩৪)। লোয়ার অর্ডারে আলজেরি জোসেফ (২৯) ও ওডিয়েন স্মিথ (৩৬) রুখে দাঁড়ালেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৩৭.১ ওভারে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ২৭ রানে, মহম্মদ সিরাজ ২৯ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। দীপক চাহার ও কুলদীপ যাদব নেন ২টি করে উইকেট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নেতা হিসেবে অভিষেক সিরিজ স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত

দেশের ১০০০তম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেতৃত্ব দিতে নেমে দলকে জিতিয়েছিলেন। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচেও জয়। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ পকেটে। একদিনের ক্রিকেটের নেতা হিসেবে অভিষেক সিরিজ সত্যিই স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৪৪ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইট ওয়াশের গ্লানি অন্তত কিছুটা কাটল।ম্যাচ শুরুর আগেই এদিন ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চোটের জন্য ছিটকে যান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। তাঁর জায়গায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দিতে নামেন নিকোলাস পুরান। শিশির সমস্যার কথা মাথায় রেখে এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান তিনি। ভারতের ওপেনিংয়ে চমক। লোকেশ রাহুল প্রথম একাদশে থাকা সত্ত্বেও অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ঋষভ পন্থ। ৪ নম্বরে ব্যর্থ হওয়ায় এদিন ঋষভকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল পাওয়ার প্লের সুবিধা নেওয়ার জন্য। কিন্তু টপ অর্ডারেও নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ। ৩৪ বলে মাত্র ১৮ রান করে তিনি ওডিয়েন স্মিথের বলে জেসন হোল্ডারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর আগেই ফিরে যান অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে রোহিতকে (৫) তুলে নেন কেমার রোচ।That Winning Feeling! 👏 👏@prasidh43 picks his fourth wicket as #TeamIndia complete a 4⃣4⃣-run win over West Indies in the 2nd ODI. 👍 👍 #INDvWI @PaytmScorecard ▶️ https://t.co/yqSjTw302p pic.twitter.com/R9KCvpMImH BCCI (@BCCI) February 9, 2022বিরাট কোহলি এদিনও বড় রান করতে ব্যর্থ। ৩০ বলে ১৮ রান করে তিনি ওডিয়েন স্মিথের বলে উইকেটের পেছনে সাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। দলকে চাপ থেকে উদ্ধার করেন ৪ নম্বরে নামা লোকেশ রাহুল ও সূর্যকুমার যাদব। জুটিতে ওঠে ৯১। ৪৮ বলে ৪৯ রান করে রান আউট হন লোকেশ রাহুল। ৮৩ বলে ৬৪ রান করেন সূর্যকুমার যাদব। তাঁকে ফেরান ফাবিয়ান অ্যালেন। ওয়াশিংটন সুন্দর (২৪), ও দীপক হুডার (২৯) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ২৩৭/৯ রানে পৌঁছয় ভারত।জয়ের জন্য ২৩৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৭ ওভারে তুলে ফেলে ৩০। এরপরই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধাক্কা দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তুলে নেন ব্রেন্ডন কিংকে (১৮)। এক ওভার পরেই ফেরান ড্যারেন ব্রাভোকে (১)। পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ক্যারিবিয়ানদের। একসময় ১১৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায়। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে বেসামাল হয়ে পড়েন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। কিছুটা লড়াই করেন সামরাহ ব্রুকস (৪৪), আকিল হোসেন (৩৪) ও ওডিয়েন স্মিথ (২৪)। শেষ পর্যন্ত ৪৬ ওভারে ১৯৩ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ৯ ওভার বোলিং করে ৩টি মেডেনসহ ১২ রানে ৪ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৪১ রানে ২ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওপেনিংয়ে ঋষভ!‌ চমক ভারতের, কী বললেন গাভাসকার?‌

ব্যক্তিগত কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে খেলেননি লোকেশ রাহুল। তাঁর পরিবর্তে রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করেছিলেন ঈশান কিষান। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ঈশানের পরিবর্তে দলে দলে লোকেশ। তবে তিনি প্রথম একাদশে থাকা সত্ত্বেও রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ঋষভ পন্থ। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের এই স্ট্র্যাটেজিতে চমকে গিয়েছিলেন সবাই।কেন ঋষভ পন্থকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল? আসলে ২০২৩ একদিনের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। আগে লোয়ার মিডল অর্ডারে পাঠানো হত ঋষভকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে ৪ নম্বরে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল। দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও ৪ নম্বরে পাঠানো হয়েছিল। ব্যর্থ হয়েছিলেন। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে একেবারে ওপেনিংয়ে। টপ অর্ডারে তুলে নিয়ে এসে ঋষভকে বার্তা দেওয়া হল, তাঁর কাছ থেকে দল আরও বেশি রান আশা করে।ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের এই স্ট্র্যাটেজি প্রসঙ্গে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, শুধুমাত্র পরীক্ষানিরীক্ষার জন্যই টিম ম্যানেজমেন্ট এই পরিকল্পনা নিয়েছে। এই পরিকল্পনা যদি কার্যকরী হয়, তাহলে পরের বছর বিশ্বকাপে ঋষভকে ওপেনিংয়ে দেখা দেখা যেতে পারে। কেন ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে, তার ব্যাখাও দিয়েছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, প্রথম ১০ ওভারে ভারতের রান তোলার গতি আগের থেকে অনেক মন্থর হয়ে গেছে। ফিল্ডিং নিষেধাজ্ঞার সুযোগ নিয়ে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্য প্রথম ১০ ওভারে ৬০ থেকে ৭০ রান তোলা। তাই ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে।ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে অন্য একটা বার্তাও দিতে চেয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। গাভাসকার বলেল, ক্রিজে নেমেই উল্টোপাল্টা ব্যাট চালিয়ে ঋষভের দ্রুত আউট হয়ে চলে আসার প্রবণতা রয়েছে। টপ অর্ডারে পাঠিয়ে ওর ওপর আরও দায়িত্ব চাপানো হল। ঋষভকে বার্তা দেওয়া হয়েছে, দল ওর কাছ থেকে আরও বেশি রান আশা করে। ঋষভকে ওপেনিংয়ে পাঠানো নিয়ে আবার প্রশ্নও তুলেছেন গাভাসকার। তিনি বলেন, ঋষভকে যদি ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়, তাহলে ফিনিশারের দায়িত্ব পালন করবে কে?

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাইলস্টোনের ম্যাচ জিতে স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা

দেশের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছে আগেই। তবে সেটা টি২০ ক্রিকেটে। বিরাট কোহলিকে সরিয়ে একদিনের নেতৃত্ব পেয়েছেন গতবছর ডিসেম্বরে। চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যেতে না পারায় একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দেশের হাজারতম একদিনের ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক। মাইলস্টোনের ম্যাচ জিতে স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা। একেবারে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জেতালেন। মাইলস্টোনের ম্যাচে এদিন সবকিছুই রোহিতের পক্ষে গেছে। টসে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম ধাক্কা দেন মহম্মদ সিরাজ। তুলে নেন সাই হোপকে (৮)। এরপর দ্বাদশ ওভারে ৪ বলের ব্যবধানে ব্রেন্ডন কিং (১৩) ও ডোয়েন ব্রাভোকে (১৮)। তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন ওয়াশিংটন সুন্দর। মিডল অর্ডারে ধস নামান যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০ নম্বর ওভারে পরপর ২ বলে ফেরান নিকোলাস পুরান (১৮) ও অধিনায়ক কিয়েরণ পোলার্ডকে (০)। আকিল হোসেনকে (০) ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৭৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে রুখে দাঁড়ান জেসন হোল্ডার ও ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭৮। স্পিনাররা সুবিধা করতে পারছেন না দেখে জুটি ভাঙতে রোহিত দ্বারস্থ হন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর। তিনি হোল্ডারকে (৫৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। অ্যালেন করেন ২৯। ৪৩.৫ ওভারে ১৭৬ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।ভারতের যা ব্যাটিং শক্তি, ১৭৭ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। দারুণ শুরু করেছিলেন রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশান। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮৪। রোহিত ও ঈশানই দলের জয়ের ভিত তৈরি করে দেন। ৫১ বলে ৬০ রান করে আলজেরি জোশেফের বলে এলবিডব্লিউ হন রোহিত। কোহলিও (৮) বেশিক্ষণ স্থায়ী হননি। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ ঈশান কিশান। ৩৬ বলে ২৮ রান করে তিনি আউট হন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হন ঋষভ পন্থ (১১)। ১১৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ে এনে দেন সূর্যকুমার যাদব (অপরাজিত ৩৪) ও অভিষেককারী দীপক হুডা (অপরাজিত ২৬)। ২৮ ওভারে ১৭৮/৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে বাজিমাত, রবি–রাজের দাপটে ৫ বার বিশ্বসেরা ভারত

ম্যাচের অন্তিমলগ্ন পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত ভারতের। ইংল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন যশ ধুল ব্রিগেড। এই নিয়ে ৫ বার বিশ্বসেরার তকমা ছিনিয়ে নিল ভারত। একটা সময় আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ১৮৯ রান তাড়া করে জয় আসবে তো। কিন্তু অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে যেভাবে স্নায়ু চাপ ধরে রাখার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন যশ ধুলরা, এককথায় অবিশ্বাস্য। আর ভারতকে বিশ্বকাপের বৈতরণী পার করার নায়ক হরিয়ানার বাঁহাতি ব্যাটার নিশান্ত সিন্ধু। ম্যাচের প্রথমার্ধ যদি রাজ বাওয়া ও রবি কুমারের হয়, দ্বিতীয়ার্ধটা অবশ্যই নিশান্ত সিন্ধুর। দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি করে ভারতে বিশ্বসেরার খেতাব এনে দিলেন। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ড শিবিরকে ধাক্কা দেন রবি কুমার। দুরন্ত ইনসুইংয়ে তুলে নেন ওপেনার জ্যাকব বেথেলকে (২)। চতুর্থ ওভারে সবথেকে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। রবি কুমারের বল ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন টম প্রেস্ট (০)। অধিনায়ক টম প্রেস্টের দিকে তাকিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর চওড়া ব্যাট জিতিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংরেজরা। রবি কুমার, রাজ বাওয়াদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পাল্টা আক্রমণ হানার চেষ্টা করছিলেন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জর্জ থমাস। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি ধারাবাহিক। পরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে জর্জ থমাসকে তুলে নেন রাজ বাওয়া। ৩০ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। এক ওভার পরেই পররপর ২ বলে উইলিয়াম লাক্সটন (৪) ও জর্জ বেলকে (০) তুলে নেন রাজ। জেমস রেউয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রেহান আমেদ। সেই রাজ বাওয়াই আবার জুটি ভাঙেন। ফেরান রেহানকে (১০)। এরপর অ্যালেক্স হর্টন (১০) সঙ্গ দেন জেমসকে। জুটিতে ওঠে ৩০। হর্টনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কৌশল তাম্বে। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জেমস রেউ ও জেমস সেলস। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৩ রান। এই জুটিই ইংল্যান্ডে লড়াইয়ে ফেরায়। ৪৪ তম ওভারে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন রবি কুমার। তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে স্কোয়ার লেগে কৌশল তাম্বের হাতে ক্যাচ দেন জেমস রেউ। ১১৬ বলে ৯৫ রান করেন তিনি। জেমস রেউ যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান তখন ১৮৪। একই ওভারের চতুর্থ বলে থমাস অ্যাস্পিনোয়ালকে (০) তুলে নেন রবি কুমার। জোসুয়া বাইডনকে (১) ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন রাজ বাওয়া। ৪৪.৫ ওভারে ১৮৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড। রবি কুমার ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন, ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন রাজ বাওয়া।ইংল্যান্ডের মতো ভারতেরও শুরুটা ভাল হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান ওপেনার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (০)। হার্নুর সিং ও শেখ রশিদ দলকে কিছুটা টানেন। হার্নুর (৪৬ বলে ২১) আউট হওয়ার পর ধৈর্যের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন রশিদ। তিনি ও অধিনায়ক যশ ধুল দারুণভাবে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৮৪ বলে ৫০ রান করে নিজের উইকেট উপহার দেন রশিদ। পরপরই আউট হন ধুল। ৩২ বলে ১৭ রান করে আউট হন ধুল। ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপরই মঞ্চে আবির্ভাব রাজ বাওয়া ও নিশান্ত সিন্ধুর। দুজনের ৬৭ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে বিশ্বজয়ের দিয়ে এগিয়ে দেয়। ১৬৪ রানের মাথায় রাজ বাওয়া (৫৪ বলে ৩৫) আউট হওয়ার আবার চাপে পড়ে যায় ভারত। চাপ আরও বেড়ে যায় কৌশল তাম্বে (১) দ্রুত ফেরায়। শেষ পর্যন্ত ৫৪ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন নিশান্ত সিন্ধু। ৪৭.৪ ওভারে ১৯৫ রান তুলে বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রবি–রাজের দাপটে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন ভারতের

অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে বরাবরই আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে ভারত। এই বিশ্বকাপের আগে ৭ বার ফাইনালে উঠে ৪ বার চ্যাম্পিয়ন। যশ ধুলদের সামনে ছিল পঞ্চমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দারুণভাবে জ্বলে উঠল ভারত। রাজ বাওয়ার দাপটে বড় রান করতে ব্যর্থ ইংল্যান্ড। ৪৪.৫ ওভারে গুটিয়ে যায়। রাজ বাওয়া নেন ৫ উইকেট, রবি কুমার নেন ৪ উইকেট।ফাইনালে ছিল সেয়ানে সেয়ানে লড়াই। প্রতিযোগিতায় একটা ম্যাচেও যেমন না হেরে ফাইনালে উঠে এসেছিল ভারত, ইংল্যান্ডও অপরাজিত তকমা নিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছিল। মনে হচ্ছিল দারুণ জমে উঠবে ফাইনাল। কিন্তু ভারতীয় বোলারদের দাপটে একেবারেই সুবিধা করতে পারল না ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই যে ধাক্কা খেয়েছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ড শিবিরকে ধাক্কা দেন রবি কুমার। দুরন্ত ইনসুইংয়ে তুলে নেন ওপেনার জ্যাকব বেথেলকে (২)। চতুর্থ ওভারে সবথেকে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। রবি কুমারের বল ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন টম প্রেস্ট (০)। অধিনায়ক টম প্রেস্টের দিকে তাকিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর চওড়া ব্যাট জিতিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংরেজরা। রবি কুমার, রাজ বাওয়াদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পাল্টা আক্রমণ হানার চেষ্টা করছিলেন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জর্জ থমাস। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি ধারাবাহিক। পরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে জর্জ থমাসকে তুলে নেন রাজ বাওয়া। ৩০ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। এক ওভার পরেই পররপর ২ বলে উইলিয়াম লাক্সটন (৪) ও জর্জ বেলকে (০) তুলে নেন রাজ। জেমস রেউয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রেহান আমেদ। সেই রাজ বাওয়াই আবার জুটি ভাঙেন। ফেরান রেহানকে (১০)। এরপর অ্যালেক্স হর্টন (১০) সঙ্গ দেন জেমসকে। জুটিতে ওঠে ৩০। হর্টনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কৌশল তাম্বে। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জেমস রেউ ও জেমস সেলস। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৩ রান। এই জুটিই ইংল্যান্ডে লড়াইয়ে ফেরায়। ৪৪ তম ওভারে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন রবি কুমার। তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে স্কোয়ার লেগে কৌশল তাম্বের হাতে ক্যাচ দেন জেমস রেউ। ১১৬ বলে ৯৫ রান করেন তিনি। জেমস রেউ যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান তখন ১৮৪। একই ওভারের চতুর্থ বলে থমাস অ্যাস্পিনোয়ালকে (০) তুলে নেন রবি কুমার। জোসুয়া বাইডনকে (১) ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন রাজ বাওয়া। ৪৪.৫ ওভারে ১৮৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড। রবি কুমার ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন, ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন রাজ বাওয়া।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ! কেন হঠাৎ টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের?

প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে টেলিগ্রামের একাধিক চ্যানেলের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কিছু চ্যানেল পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল।সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সক্রিয় একাধিক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এটি কোনও মতপ্রকাশ বা কণ্ঠরোধের বিষয় নয়। বরং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, কয়েকজন দুষ্কৃতীর কর্মকাণ্ডের জন্য বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবহারকারী সমস্যার মুখে পড়ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়ছে।এদিকে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার দাবি, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সন্দেহভাজন চ্যানেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তদন্তে দেখা যায়, কিছু চ্যানেল প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছিল।তবে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। পরীক্ষার্থীদের কোনওভাবেই এমন প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনও বার্তা বা চ্যানেলের তথ্য প্রশাসনকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রশ্নে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজারে আপাতত ব্রেক! হকার উচ্ছেদে বড় রায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস হাজার হাজার পরিবারের

হকার উচ্ছেদ নিয়ে চলা বিতর্কে বড় স্বস্তির খবর। কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একাধিক এলাকায় হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় আগের উচ্ছেদ নোটিস এখনই কার্যকর করা যাবে না।আদালতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, জীবিকার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। হাজার হাজার পরিবার ছোট দোকান, ঠেলাগাড়ি বা অস্থায়ী ব্যবসার উপর নির্ভর করে সংসার চালায়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করে দিলে তাদের জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে।মামলাকারীদের আইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁদের শত্রুর মতো আচরণ করা নয়। অথচ বহু জায়গায় আচমকা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয় আদালতে। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষ রাত জেগে নিজেদের দোকান ও জীবিকা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করা হয়।আদালতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও জায়গায় মানুষ বসবাস বা ব্যবসা করে এলে সেই বিষয়টি বিবেচনা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করা উচিত নয়। অতীতে সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।অন্যদিকে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট জমি বহু বছর আগে আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। সেই জমি ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। তাই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে বলে দাবি করে রেল।শুনানির সময় আদালত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে যাঁদের বৈধ অনুমতি বা লাইসেন্স ছিল, তাঁদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আপাতত উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বহু হকার ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কের উপর নজর থাকবে প্রশাসন, আদালত এবং সাধারণ মানুষের।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

একসময় ছিল দেশের ভরসা, আজ বিস্মৃত ইতিহাস! ফের আলোচনায় ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস

একসময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস। দুই বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সীমান্ত রক্ষা এবং জঙ্গি দমনএকাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে এই বাহিনী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গৌরব অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও গুরুত্বহীনতার কারণে বাহিনীটি প্রায় বিস্মৃতির আড়ালে চলে গিয়েছে।সম্প্রতি এই বাহিনীকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দার্জিলিং সফরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসকে আবারও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজার যুবক-যুবতীকে এই বাহিনীতে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মহিলাদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের কথা জানানো হয়েছে।ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হত। দেশভাগের আগে বিভিন্ন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা। স্বাধীনতার পরও সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে বাহিনীর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। একসময় জঙ্গি দমন অভিযানে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিয়োগ, পরিকাঠামো এবং আধুনিকীকরণেও গতি কমে আসে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল। ফলে বহু দক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী সদস্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীটি তার পুরনো অবস্থান হারায়।এবার সেই পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে এই বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।এছাড়াও ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।একসময় যে বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ ছিল, তাকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধব শিবির! হঠাৎ উধাও একাধিক সাংসদ, দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক নাটক

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের বড় অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে। একসময় শিবসেনা ভেঙে আলাদা শিবির গড়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই ঘটনার পর নতুন করে ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। সূত্রের খবর, দলের একাধিক সাংসদ আচমকাই যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংসদ শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর। এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। ফলে তাঁদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ উদ্ধব শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।দল ভাঙার এই সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন একটি নামও ঘুরছে। সূত্রের দাবি, পুরো পরিকল্পনাকে ঘিরে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং সেই কারণেই সাংসদদের আচমকা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।এদিকে একনাথ শিন্ডেও বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সম্ভাব্য বৈঠকের পর বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে শিবিরের এক শীর্ষ নেতা। সেই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।একসময় যে দল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী মুখ ছিল, সেই দলের ভবিষ্যৎ এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে থাকা শিবির কি এই ধাক্কা সামলাতে পারবে, নাকি আবারও বড় ভাঙনের সাক্ষী হবে মহারাষ্ট্রসেই উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ! কলকাতা পুলিশকে চিঠি, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মেসিকে ঘিরে বিতর্কে ফের নতুন মোড়। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠালেন আর্জেন্টিনার মহাতারকার ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মেসির মাঠে উপস্থিতির সময় নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা বিধি আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা কর্মী উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ।ম্যানেজমেন্ট টিমের দাবি, নির্ধারিত তালিকার বাইরে একাধিক ব্যক্তি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। এমনকি অনেক অননুমোদিত ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা কর্মীকেও সেখানে দেখা যায়। এর ফলে মাঠের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে পরিকল্পিত কিছু কর্মসূচি বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন মেসি এবং তাঁর দলের সদস্যরা।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর দাবি, মেসির সফরের পরামর্শদাতা ও প্রতিনিধি পুলিশকে পাঠানো ইমেলে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, মাঠে বহু অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং সেই কারণেই সফরের কিছু অংশ বাতিল করতে হয়েছিল।শতদ্রু দত্ত আরও দাবি করেছেন, এতদিন যেসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছিল, সেই চিঠি নাকি তারই সমর্থন করছে। তাঁর মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই অভিযোগগুলির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। সেই আবহের মধ্যেই এই চিঠি সামনে আসায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। ফুটবল মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন আলোচনা একটাই, যুবভারতীতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসার পর গোটা ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত ও আলোচনার দাবি উঠেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal