• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India,

খেলার দুনিয়া

দুরন্ত হার্দিক, বিশ্বকাপে হারের মধুর প্রতিশোধ নিল ভারত

গত বছর টি২০ বিশ্বকাপে এই দুবাইয়ে পাকিস্তানের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল ভারত। এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিল ভারত। দলকে দুরন্ত জয় এনে দিলেন হার্দিক পান্ডিয়া।টস জিতে এদিন পাকিস্তানকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। ভুবনেশ্বর কুমার, হার্দিক পান্ডিয়াদের দাপটে বড় ইনিংস গড়তে পারেনি পাকিস্তান। ১৯.৫ ওভারে তোলে ১৪৭। দুরন্ত বোলিং করেন ভুবনেশ্বর কুমার ও হার্দিক পান্ডিয়া। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খেয়েছিল পাকিস্তান। ভুবনেশ্বর কুমারের বলে অর্শদীপের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। ৯ বলে তিনি মাত্র ১০ রান করেন।বাবর আজম ফিরে যাওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন রিজওয়ান ও ফখর জামান। ষষ্ঠ ওভারে আবেশ খানের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে দীনেশ কার্তিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ফখর জামান। ৬ বলে তিনি করেন ১০ রান। এরপর রিজওয়ান ও ইফতিখার আমেদের জুটিতে ওঠে ৪৫। ২২ বলে ২৮ রান করে হার্দিকের বলে আউট হন ইফতিখার। মহম্মদ রিজওয়ানকেও তুলে নেন হার্দিক। ৪২ বলে ৪৩ রান করেন রিজওয়ান। খুশদিল শাহ (২), আসিফ আলিরা (৯) সুবিধা করতে পারেননি। ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন হার্দিক পান্ডিয়ার। অর্শদীপ সিং নেন ২ উইকেট। আবেশ খান ১টি উইকেট পান। জয়ের জন্য ১৪৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। দেশের হয়ে টি২০ অভিষেক ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই নাসিম শাহ তুলে নেন লোকেশ রাহুলকে (০)। বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক। অভিষেকলগ্ন আরও স্মরণীয় করে রাখতে পারতেন পাকিস্তানের এই জোরে বোলার। ওভারের চতুর্থ বলে স্লিপে বিরাট কোহলির ক্যাচ ফেলে দেন ফখর জামান। যদি তালুবন্দী করতে পারতেন, আবার নামের পাশে আর একটা শূন্য বসে যেত কোহলির।প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করছিলেন কোহলি ও রোহিত শর্মা। যদিও পাকিস্তানের জোরে বোলারদের সামনে ততটা স্বপ্রতিভ ছিলেন না। বিশ্রাম কাটিয়ে দীর্ঘদিন বাইশ গজে ফেরা কোহলিকে বেশ নার্ভাস লাগছিল। তার মধ্যেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অষ্টম ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে। মহম্মদ নওয়াজকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে লং অফে ইফতিখার আমেদের হাতে ধরা পড়েন রোহিত। ১৮ বলে তিনি করেন ১২।প্রাথমিক চাপ কাটিয়ে কোহলি বেশ ভালোই ব্যাটিং করছিলেন। উইকেটে জমে গিয়েছিলেন। কিন্তু মহম্মদ নওয়াজ বড় শট খেলার প্রলোভন দেখিয়ে তুলে নেন কোহলিকে। ৩৪ বলে ৩৫ রান করে লং অফে ধরা পড়েন কোহলি। জীবনের শততম টি২০ ম্যাচে বড় রান পেলেন না।রোহিত আউট হওয়ার সময় পাকিস্তানের আক্রমণে শানানোর দায়িত্বে ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার মহম্মদ নওয়াজ ও লেগস্পিনার সাদাব খান। এই দুই স্পিনারের ছন্দ নষ্ট করার জন্য রবীন্দ্র জাদেজাকে ব্যাটিং অর্ডারে চার নম্বরে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল। পাঁচ নম্বরে নামা সূর্যকুমার যাদবকে সঙ্গী করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন জাদেজা। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন নাসিম শাহ। তুলে নেন সূর্যকুমারকে। ১৮ বলে ১৮ রান করে আউট হন তিনি।এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান জাদেজা ও হার্দিক। শেষদিকে নাটক জমে ওঠে। ১৭তম ওভারে নাসিমের চতুর্থ বলে আম্পায়ার এলবিডব্লু আউট দেন জাদেজাকে। রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান জাদেজা। পরের বলেই ছক্কা হাঁকান। ১৯ তম ওভারে হ্যারিস রউয়ের বলে তিনটি বাউন্ডারি মেরে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন হার্দিক। পরের ওভারের প্রথম বলে জাদেজাকে (২৯ বলে ৩৫) তুলে নেন মহম্মদ নওয়াজ। ৬ মেরে দলকে জয় এনে দেন হার্দিক। ২ বল বাকি থাকতে ১৪৮/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। ১৭ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন নওয়াজ। অভিষেক ম্যাচে ২৭ রানে ২ উইকেট নাসিং শাহর।

আগস্ট ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রত্যাশামতোই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় ভারতের

জিম্বাবোয়ে যে কোনও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে না জানাই ছিল। প্রত্যাশামতোই একম্যাচ বাকি থাকতে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতে নিল ভারত। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৫ উইকেটে জিতলেন লোকেশ রাহুলরা। লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বে প্রথম একদিনের সিরিজ জয়।শনিবার হারারেতে ১৬২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২৫.৪ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। তবে প্রথম ম্যাচের মতো দাপট ছিল না লোকেশ রাহুলদের। ১৬৭ রান তোলার ফাঁকে ৫ জন ব্যাটারকে হারাতে হয় ভারতকে।প্রথম ম্যাচের মতো এদিনও টস জিতে জিম্বাবোয়েকে ব্যাট করতে পাঠান লোকেশ রাহুল। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে জিম্বাবোয়ে। ৩৮.১ ওভারে ১৬১ রানে ইনিংস শেষ হয়ে যায়। জিম্বাবোয়ের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন সিন উইলিয়ামস। তিনি করেন ৪২। রায়ান বার্ল ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজা দুজনেই ১৬ রান করেন। বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। শার্দুল ঠাকুর ৭ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট দখল করেন মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব ও দীপক হুডা।এদিন শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন লোকেশ রাহুল। দীর্ঘদিন পর ব্যাট হাতে নেমে তিনি ব্যর্থ। ভিক্টর নিয়াউচির বলে এলবিডব্লু আউট হন রাহুল। ৫ বলে তিনি করেন ১ রান। শিখর ধাওয়ান ২১ বলে ৩৩ রান করেন। শুভমান গিল ৩৪ বলে করেন ৩৩। ঈশান কিষাণ চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১৩ বলে ৬ রানের বেশি করতে পারেননি। সঞ্জু স্যামসন ৩টি চার ও ৪টি ছয়ের সাহায্যে ৩৯ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। দীপক হুডা ৩৬ বলে করেন ২৫। অক্ষর প্যাটেল ৭ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। লুক জংউই ২টি উইকেট পান। ১টি করে উইকেট পান তানাকা চিভাঙ্গা, ভিক্টর নিয়াউচি ও সিকান্দর রাজা।

আগস্ট ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋষভ ও হার্দিকের দাপটে একদিনের সিরিজও ভারতের

ঋষভ পন্থের অসাধারন ব্যাটিং, হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরমেন্স। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজ জিতে নিল ভারত। সিরিজের ফল ভারতের পক্ষে ২১। জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪২.১ ওভারেই জযের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। একসময় ৭২ রানে ৪ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে হার্দিক পান্ডিয়া ও ঋষভ পন্থের ১১৫ বলে ১৩৩ রানের পার্টনারশিপ ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ভারত। এদিনও পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি জস বাটলারের দল। ৪৫.৫ ওভারে ২৫৯ রানে গুটিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জস বাটলার সর্বাধিক ৬০ রান করেন। হার্দিক পান্ডিয়া নেন ৪ উইকেট, যুজবেন্দ্র চাহাল ৩টি ও মহম্মদ সিরাজ দুটি উইকেট পান।শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ১২ রানে ২ উইকেট হারায়। জনি বেয়ারস্টো ও জো রুট দুজনকে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই আউট করেন মহম্মদ সিরাজ। ইংল্যান্ডের এই দুই ব্যাটারই তিন বলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। চার উইকেট পড়ে গিয়েছিল ৭৪ রানে। সেখান থেকে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেন মঈন আলি ও জস বাটলার। অধিনায়ক বাটলারের ৮০ বলে ৬০ রানের ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার ও দুটি ছয়। সাতটি চারের সাহায্যে ওপেনার জেসন রয় করেন ৩১ বলে ৪১। মঈন আলি দুটি করে চার ও ছক্কার সাহায্যে করেন ৪৪ বলে ৩৪। ৩৩ বলে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন নয়ে নামা ক্রেগ ওভার্টন। বেন স্টোকস ২৯ বলে ২৭, লিয়াম লিভিংস্টোন ৩১ বলে ২৭ রান করেন। ১৫ বলে ১৮ রান করেন ডেভিড উইলি।জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। ২.১ ওভারে দলগত ১৩ রানের মাথায় শিখর ধাওয়ান রিস টপলির প্রথম শিকার হন। ৩ বলে ১ রানে শিখর ধাওয়ান আউট হন। চারটি চারের সাহায্যে ১৭ বলে ১৭ করেন রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলি ২২ বলে ১৭ রান করেন, তিনি তিনটি চার মারেন। ৮.১ ওভারে ৩৮ রানে ভারতের তৃতীয় উইকেট পড়েছিল। প্রথম পাওয়ারপ্লে-র শেষে ১০ ওভারে স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৪৩। ১৬.২ ওভারে সূর্যকুমার যাদব (২৮ বলে ১৬) ক্রেগ ওভার্টনের বলে কট বিহাইন্ড হন। ৭২ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঋষভ ও হার্দিক। ৫৫ বলে ৭১ রান করে আউট হন হার্দিক। ১১৩ বলে ১২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টপলি।

জুলাই ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাদ যাবেন কোহলি?‌ তাঁর ফর্মে ফেরা নিয়ে দারুণ কথা বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি

২০১৯ সাল থেকে ব্যাটে বড় রান নেই। কপিলদেব থেকে শুরু করে ভেঙ্কটেশ প্রসাদ অনেকেই টি২০ দল থেকে বিরাট কোহলিকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছেন। কিন্তু কোহলির ওপর ভরসা রাখছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর বিশ্বাস, কোহলি ঠিকই ফর্মে ফিরবেন। তবে ফর্মে ফেরার রাস্তা কোহলিকেই খুঁজে বার করতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌরভ। লন্ডনে বসে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৌরভ বলেন, কোহলি যে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী খেলতে পারছে না, সেটা ও নিজেই জানে। আমার বিশ্বাস, কোহলি দ্রুত ফর্মে ফিরবে। কিন্তু ফর্মে ফেরার রাস্তা কোহলিকে নিজেই খুঁজে বার করতে হবে। দক্ষতা না থাকলে এতগুলো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা কোহলির পক্ষে সম্ভব হত না। এখন ওর খারাপ সময় যাচ্ছে। আশা করছি দ্রুত এই খারাপ সময় কাটিয়ে উঠবে। গত ১২১৩ বছর ধরে যে ভাবে খেলেছে, কোহলিকে সেই ফর্মে ফিরতে হবে ওকে। একমাত্র কোহলিই সেটা করে দেখাতে পারবে।সব ক্রিকেটারেরই যে এই রকম খারাপ সময় আসে, সেকথাও জানিয়েছেন সৌরভ। শচীন, দ্রাবিড় এবঁ নিজের উদাহরণ তুলে ধরে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট বলেন, সব ক্রিকেটারেরই খারাপ সময় আসে। শচীন, দ্রাবিড়কেও এই পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। আমার জীবনেও খারাপ সময় এসেছিল। ভবিষ্যতের ক্রিকেটারদেরও এইরকম সময় আসবে। এটা খেলার অঙ্গ। কোনও কিছু না ভেবে মাঠে নেমে সেরা খেলাটা খেলতে হবে। কোহলি দেশের হয়ে যত রান করেছেন, সকলের মনে রাখা উচিত বলে মনে করছেন সৌরভ। তাঁর কথায়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলির রান দেখুন। একজন ভাল ক্রিকেটার ছাড়া এই রান করা সম্ভব নয়। কোহলি একটা খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সেটা কোহলি নিজেও জানে। আমি নিশ্চিত ও এই খারাপ সময় কাটিয়ে উঠবে।

জুলাই ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুমরার দাপটে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের ক্রিকেটে দাপট অব্যাহত ভারতের। টি২০ সিরিজ জেতার পর এবার একদিনের সিরিজেও এগিয়ে গেল ১০ ব্যবধানে। জস বাটলারের দলকে সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচে ১০ উইকেটে হারাল ভারত। ভারতের জয়ের নায়ক যশপ্রীত বুমরা। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল ইংল্যান্ড।আকাশ মেঘলা, বাইশ গজে ঘাস। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করেননি ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। জোরে বোলিংয়ের উপযুক্ত পরিবেশ পেয়ে বল হাতে জ্বলে ওঠেন যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামি। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ডকে ধাক্কা দেন বুমরা। নিজের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে তুলে নেন জেসন রয়কে (০)। একবল পরেই তুলে নেন জো রুটকে (০)। দীর্ঘদিন পর সাদাবলের ক্রিকেটে ফেলে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি রুট। পরের ওভারেই বেন স্টোকসকে (০) ফেরান মহম্মদ সামি। ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে জনি বেয়ারস্টোকে (২০ বলে ৭ রান) তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডকে কোনঠাসা করে দেন বুমরা।অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে লিয়াম লিভিংস্টোনকে (০) তুলে নেন বুমরা। এরপর মইন আলিকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করার চেষ্টা করেন অধিনায়ক জস বাটলার। জুটিতে ওঠে ২৭। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন মইন আলিকে (১৪)। একের পর এক উইকেট হারানোয় পাল্টা আক্রমণের রাস্তা বেছে নেন বাটলার (৩০)। মহম্মদ সামির বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ধরা পড়েন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ক্রেগ ওভার্টনকেও (৮) তুলে নেন সামি। এইসময় ইংল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ৬৮। এরপর ডেভিড উইলি ও ব্রাইডন কার্সের জুটি ইংল্যান্ডকে ১০০ রান পার করে দেয়। কার্স ২৬ বলে ১৫ রান করে বুমরার বলে আউট হন। ২৬ বলে ২১ রান করে ডেভিড উইলিও বুমরার বলে বোল্ড হন। ২৫.২ ওভারে ১১০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ৭.২ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন বুমরা। ৭ ওভারে ৩১ রান খরচ করে নেন ৩ উইকেট সামি।জয়ের জন্য ১১১ রানের টার্গেটে রোহিত শর্মার দল পৌঁছে যায় কোনও উইকেট না হারিয়েই। অধিনায়কের ব্যাট থেকে এল ঝকঝকে অর্ধশতরান। ৫৮ বলে ৭৬ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৫৪ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন শিখর ধাওয়ান। ১৮.৪ ওভারে ১১৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

জুলাই ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কোহলিকে ভারতীয় দল থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুললেন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক!

জাতীয় দল থেকে বিরাট কোহলিকে বাদ দেওয়ার দাবি উঠল! আর সেই দাবি কিনা তুললেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব! হ্যাঁ, এটাই সত্যি। বিরাট কোহলিকে ভারতীয় টি২০ দল থেকে ছেঁটে ফেলা উচিত বলে মন্তব্য করে বোমা ফাটালেন কপিল দেব। তাঁর বক্তব্য, রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে টেস্ট দল থেকে বাদ দেওয়া হলে, সাম্প্রতিক ফর্মের বিচারে কোহলিকে কেন টি২০ দল থেকে বাদ দেওয়া হবে না?দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই বিরাট কোহলির। তাসত্বেও অতীত ভাঙিয়ে তিনি খেলে চলেছেন। যতই হোক বিরাট কোহলি বলে কথা। নামের পাশে অজস্র রেকর্ড। তাঁর মতো ক্রিকেটারকে কি সহজে দল থেকে ছেঁটে ফেলা যায়? ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাকি দুটি টি২০ ম্যাচে রান না পেলে কোহলির দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে যাবে। যেমন প্রশ্ন তুলেছেন কপিলদেব।কোহলির দলে থাকা নিয়ে কপিল বলেন, কোহলিকে ডাগ আউটে পাঠানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশ্বের দুই নম্বর স্পিনার যদি বিদেশে টেস্ট খেলার সুযোগ না পায়, তাহলে ফর্ম হারানো কোহলিকেও দিনের পর দিন খেলিয়ে যাওয়ার কোনও যুক্তি। কখনও ক্লান্তি, কখনও আবার ফর্ম ফিরে পাওয়ার আছিলায় বিশ্রাম নিচ্ছেন কোহলি। তাঁর পরিবর্তে যাঁরা সুযোগ পাচ্ছেন, নিজেদের মেলে ধরছেন। সেই বিষয়টা উল্লেখ করে কপিল বলেন, কোহলি প্রত্যাশা অনুসারে পারফরম্যান্স করতে পারছে না। মারকাটারি ব্যাটিংয়ের জন্যই তো ও সুনাম অর্জন করেছিল, কিন্তু এখন ও নিজের যোগ্যতা অনুসারে খেলতে পারছে না। তাই ওকে বাদ দিয়ে তরুণদের সুযোগ দেওয়া উচিত। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাবে ভারত। শোনা যাচ্ছে টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম নিতে পারেন কোহলি।

জুলাই ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বড় ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে, টেস্টে নেই রোহিত!‌ নেতৃত্ব দেবেন বুমরা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অসমাপ্ত সিরিজের পঞ্চম টেস্টে মাঠে নামার আগে জোর ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে। সিরিজ নির্ণায়ক এই টেস্টে খেলতে পারবেন না অধিনায়ক রোহিত শর্মা। কোভিড থেকে সেরে উঠলেও এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি রোহিত। তাঁর পরিবর্তে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেবেন যশপ্রীত বুমরা। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বুধবার সন্ধে পর্যন্ত রোহিতের না খেলার কথা সরকারিভাবে জানানো হয়নি। লেস্টারশায়ারের বিরুদ্ধে প্রস্ততি ম্যাচ খেলার সময়ই করোনায় আক্রান্ত হন রোহিত শর্মা। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করার পর তাঁর অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। প্রথম ইনিংসে ২৫ রান করেছিলেন রোহিত। করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ব্যাটিং করতে নামেননি। হোটেলেই কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। লেস্টারশায়ারের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পর ভারতীয় দল এজবাস্টনে চলে আসে। বুধবারের অনুশীলনে রোহিতকে দেখা যায়নি। শুক্রবার থেকে টেস্ট শুরু। অনুশীলনে না আসায় রোহিতকে নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক শীর্ষকর্তা সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, রোহিতের আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ও এখন কোয়ারেন্টিনে রয়েছে। টেস্ট ম্যাচে খেলতে পারবে না। লোকেশ রাহুল না থাকায় দলকে নেতৃত্ব দেবে যশপ্রীত বুমরা। তবে সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রোহিতের আরও একবার আরটিপিসিআর পরীক্ষা হবে। সেই পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এলে টিম ম্যানেজমেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে রোহিতকে খেলানো হবে কিনা। গতবছর জুলাইতে এই টেস্ট সিরিজ শুরু হয়েছিল। ৫ ম্যাচের সিরিজে ভারত ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। পঞ্চম টেস্টের আগে দুই শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় সিরিজ স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। দুই দেশের বোর্ড এই বছর অসমাপ্ত সিরিজ সম্পূর্ণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ভারত যদি শেষ টেস্ট ড্র রাখতে পারে, তাহলে সিরিজ জিতে যাবে। টেস্টের পরেই বাটলারদের বিরুদ্ধে টি২০ ও একদিনের সিরিজ খেলবে ভারত।

জুন ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচের আগে ঋষভকে নিয়ে কেন চিন্তা ভারতীয় শিবিরে?‌

দারুণ জমে উঠেছে ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা টি২০ সিরিজ। প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশাখাপত্তনম ও রাজকোটে জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ভারত। রবিবার বেঙ্গালুরুতে সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচ। ছন্দে ফেরা ভারত যে এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে এখনও টি২০ সিরিজ জিততে পারেনি ভারত। রবিবার বেঙ্গালুরুতে জিতলে নজির গড়বে ঋষভ পন্থের দল। ২০১৫ সালে ভারত সফরে এসে দক্ষিণ আফ্রিকা তিন ম্যাচের টি২০ সিরিজ জিতেছিল ২০ ব্যবধানে। ২০১৯ সালের টি২০ সিরিজ ১১ ড্র হয়। এছাড়া ২০১৬ সালে টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়াংখেড়েতেও ভারতকে ৪ রানে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চলতি সিরিজে ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগছে প্রোটিয়ারা। সিরিজের প্রথম ম্যাচে দিল্লিতে ভারতের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আর আগের ম্যাচে রাজকোটে দক্ষিণ আফ্রিকা টি২০ আন্তর্জাতিকে সবচেয়ে কম রানের রেকর্ড গড়েছে। তবে সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচে যে অন্য লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে চাপে থাকবে প্রোটিয়ারা। যার প্রমাণ আগের দুটি ম্যাচেই দেখা গেছে। বিশাখাপত্তনম ও রাজকোটে দক্ষিণ আফ্রিকা পুরো ২০ ওভারও ব্যাট করতে পারেনি। দারুণ দাপট দেখিয়েছিলেন আবেশ খানরা। বোলাররা দারুণ ছন্দে থাকলেও ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় ভারত। অস্বস্তির কারণ অধিনায়ক ঋষভ পন্থের ফর্ম এবং তাঁর আউট হওয়ার ধরণ। শ্রেয়স আয়ারও সেরা ছন্দে নেই। ঋতুরাজ গায়কোয়ারের ব্যাটেও ধারাবাহিকতার অভাব। তবে টি২০ বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়ার লক্ষ্যে বেঙ্গালুরুতে নিজেদের প্রমাণ করতে মুখিয়ে থাকবেন শ্রেয়স আয়ার ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। আগের ম্যাচে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ঢেকে দিয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক ও হার্দিক পান্ডিয়া। বেঙ্গালুরুতে এই দুই ব্যাটারের দিকে তাকিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টন। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ঘুরে দাঁড়াতে গেলে পারফরমেন্সে উন্নতি ঘটাতে হবে। রাজকোটে কাগিসো রাবাডা ও ওয়েন পার্নেলের অভাব প্রকট হয়েছে ডেথ ওভারে। শেষ পাঁচ ওভারে ভারত ৭৩ রান তুলে ফেলে। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা ব্যাট হাতে তেমন কিছু করতে না পারলেও তাঁর অধিনায়কত্বের প্রশংসা অনেকেই করছেন। আগের ম্যাচে চোট পেয়ে তিনি অনিশ্চিত। যদি একান্তই খেলতে না পারেন, তাঁর আভাব বোধ করবে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেক্ষেত্রে দলকে নেতৃত্ব দেবেন কেশব মহারাজ।

জুন ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সিরিজের সমতা ফেরানোর আগে ঋষভকে নিয়ে কেন বিশেষ ক্লাস দ্রাবিড়ের?‌

প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশাখাপত্তনমে তৃতীয় ম্যাচ জিতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে ভারতীয় শিবিরে। আজ রাজকোটে সিরিজে সমতা ফেরানোর লড়াই ঋষভ পন্থদের সামনে। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবিরকে চিন্তায় রাখছে ব্যাটারদের ফর্ম। ব্যাটারদের রানে ফেরার পাশাপাশি মন্থর পিচের দিকেও তাকিয়ে ভারত। কারণ, মন্থর পিচে প্রোটিয়া ব্যাটারদের কাবু করার পরিকল্পনা। ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগছে ভারতীয় দলের ব্যাটিং। প্রথম ম্যাচে বড় রান করলেও কটকে দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যর্থ। বিশাখাপত্তনমে তৃতীয় ম্যাচে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ঈশান কিষান বড় রানের ভিত গড়ে দিলেও মিডল অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। বিশেষ করে একেবারেই চেনা ছন্দে নেই অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও শ্রেয়স আয়ার। শ্রেয়স আয়ার তিনে নেমে দিল্লি ম্যাচে ২৭ বলে ৩৬ রান, কটকে ৩৫ বলে ৪০, বিশাখাপত্তনমে ১১ বলে ১৪ করেন। শ্রেয়স তিন ম্যাচে যেভাবে খেলেছেন তাতে বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদবরা এসে গেলে তাঁর প্রথম একাদশে জায়গা ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাবে। পেসারদের বিরুদ্ধে তাঁকে আগ্রাসী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। চলতি সিরিজে পেসারদের ৪৬ বলে ৩৮ রান করেছেন শ্রেয়স। স্পিনারদের বিরুদ্ধে তিনি ২৭ বলে করেছেন ৫২। এই অবস্থায় আজ রাজকোটের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে শ্রেয়সের দিকে থাকবে নজর।ঋষভ পন্থও চেনা ছন্দে নেই। চলতি বছর ফেব্রুয়ারির পর থেকে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর অর্ধশতরান নেই। এমনকি আইপিএলেও হাফ সেঞ্চুরি পাননি। ভারতের এখন বাকি দুটি ম্যাচই ডু অর ডাই। চার নম্বরে পন্থ যাতে ব্যাট হাতে স্বমহিমায় ফেরেন সেজন্য বৃহস্পতিবার নেটে তাঁর ক্লাস নিতে দেখা গিয়েছে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়কে। ব্যাটিং স্টান্স কেমন হবে, কীভাবে কোন শট মারতে হবে সেই সংক্রান্ত পরামর্শই পন্থকে দিয়েছেন দ্রাবিড়। এই ক্লাসের সুফল আজ দেখা যাবে কিনা তা বলবে সময়।এদিকে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে ভারত তাকিয়ে মন্থর উইকেটের দিকে। সেই কথাই শোনা গেছে দলের জোরে বোলার হর্ষাল প্যাটেলের মুখে। তিনি বলেন, আমরা মন্থর পিচে খেলতে ভালবাসি। এই ধরণের উইকেটে লড়াইয়ের সুযোগ থাকে। যদিও রাজকোটে গতিময় উইকেটে খেলতে হবে না দুই দলকে। রাজকোটের উইকেটে রান আছে। ফলে বড় স্কোরের ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ভারত প্রথম দুটি ম্যাচে হেরে যাওয়ার পরেও তৃতীয় টি ২০ আন্তর্জাতিকে প্রথম একাদশে বদল আনেনি। ফলে ধরে নেওয়াই যায় রাজকোটে উইনিং কম্বিনেশনই ধরে রাখবে ভারত। ফলে উমরান মালিক ও অর্শদীপ সিংকে অভিষেকের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

জুন ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হংকংকে উড়িয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে এশিয়ান কাপের মূলপর্বে ভারত

এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে কি যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে ভারত? মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছিল। হংকংয়ের বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগেই অবশ্য ইগর স্টিম্যাকের দলকে স্বস্তি দেয় প্যালেস্তাইন। গ্রুপ বিতে নিজেদের শেষ ম্যাচে ফিলিপিন্সকে ৪০ ব্যবধানে হারিয়ে ভারতের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল। হংকংয়ের কাছে হারলেও মূলপর্বে যাওয়া আটকাত না ভারতের। মূলপর্বে পৌঁছে গেলেও সুনীল ছেত্রীরা অবশ্য আত্মতুষ্ট হয়ে পড়েননি। হংকংকে হারিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে পৌঁছল ভারত।ভারতহংকং ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই ভারতের এশিয়ান কাপে যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। যুবভারতীতে আনন্দউৎসবে মেতে ওঠেন। গ্যালারিতে জ্বলে ওঠে মোবাইলের ফ্ল্যাশ। স্টিম্যাক ব্রিগেডও জ্বলে ওঠে মাঠে। দর্শকরা নিজেদের আসনে ঠিকভাবে বসার আগেই গোল। প্রথম মিনিটেই ভারতকে এগিয়ে দেন আনোয়ার আলি। আশিক কুরুনিয়ানের সেন্টার হংকং ডিফেন্স আংশিক প্রতিহত করলে সেই বল যায় আনোয়ারের কাছে যায়। তিন কাঠিতে বল রাখতে ভুল করেননি আনোয়ার। শারিরীক অসুস্থতার জন্য একসময় ফুটবলজীবনই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল আনোয়ারের। এই গোল তাঁকে নতুন জীবন দেবে সন্দেহ নেই।২৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত ভারত। রোশন সিংয়ের সেন্টার ধরে সাহাল আব্দুল সামাদের শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪১ মিনিটে ভারতীয় গোলকিপার গুরপ্রীত সিংয়ের ভুলে সমতা ফেরাতে পারত হংকং। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ায় ভারত। জিকসন সিংয়ের ফ্রি কিক থেকে বাঁপায়ের দুরন্ত ভলিতে গোল করেন সুনীল ছেত্রী। দ্বিতীয়ার্ধেও ভারতের খেলার ঝাঁঝ ছিল চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করার মতো জায়গায় চলে এসেছিলেন সুনীল ছেত্রী। গোলরক্ষককে একা পেয়েও সুবিধাজনক জায়গা থেকে সুনীলে সরাসরি হংকং-এর গোলরক্ষক ইয়াপ হুং ফাই-এর হাতে মারেন। এই সুযোগের দুই মিনিট আগে উদান্ত সিং-এর শট আউট সুইং হয়ে বাইরে বেড়িয়ে যায়। ৫৯ মিনিটে সাহাল আবদুল সামাল এবং উদান্ত সিং-এর পরিবর্তে স্টিম্যাচ নামান লিস্টন কোলাসো এবং মনবীর সিংকে। ৭৬ মিনিটে সুনীল ছেত্রীর পরিবর্তে নামেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ। দুই পরিবর্তন খেলোয়াড় ব্রেন্ডন এবং মনবীরের যুগলবন্দীতে তৃতীয় গোলটি পায় ভারত। ৮৫ মিনিটে ব্রেন্ডনের পাস থেকে গোল করে যান মনবীর সিং। গোটা স্টেডিয়াম যখন ৩-০ গোলে ম্যাচ জেতার আনন্দে বিভোর তখন দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে সেই আনন্দকে বাড়িয়ে দেয় ঈশান পন্ডিতার গোল। মনবীর সিং-এর পাস থেকে গোল করে যান সুপার সাব ঈশান পন্ডিতা। হংকং-এর বিরুদ্ধে এই জয় গ্রুপ ডি-এর শীর্ষে স্থানে জায়গা করে দিল ভারতকে (৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট)। দ্বিতীয় স্থানে রইল হংকং (৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট)।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ব্যর্থ হয়ে গেল ভুবনেশ্বরের দুরন্ত বোলিং, আবার হার ভারতের

৭ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই কটকের বারাবাটি স্টেডিয়ামে বিধ্বস্ত হয়েছিল ধোনির ভারত। ঋষভ পন্থদের সামনে ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না ঋষভরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর কুমার।এদিনও টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। কাগিসো রাবাডার অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১)। এরপর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ঈশান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়স আইয়ার ৩৫ বলে ৪৫ রান যোগ করেন। সপ্তম ওভারে ঈশান কিষাণকে তুলে নেন আনরিখ নরটিয়ে। ২টি ছয় ও ৩টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ৩৪। ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।অধিনায়ক ঋষভ পন্থও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৭ বলে ব্যক্তিগত ৫ রান করে আউট হন দলের ৬৮ রানের মাথায়। তাঁকে তুলে নেন কেশব মহারাজ। হার্দিক পাণ্ডিয়া ১২ বলে ৯ রান করে ওয়েন পার্নেলের বলে বোল্ড হলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯০। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু ১৩.৫ ওভারে তিনি ডোয়েন প্রিটোরিয়াসের বলে কট বিহাইন্ড হন। ২টি করে চার ও ছয় মেরে শ্রেয়স ৩৫ বলে করেন ৪০। ১৭ তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেলকে (১১ বলে ১০) বোল্ড করেন নরটিয়ে। ১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ভারতের। শেষ ৫ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪৪ রান। দীনেশ কার্তিক শেষ দিকে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ভারতকে ১৪৮/৬ রানে পৌঁছে দেয়। ২১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন কার্তিক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি করে ৪ ও ৬। ৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন হর্ষল প্যাটেল। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে আনরিখ নরটিয়ে ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। কাগিসো রাবাডা ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন, একটি উইকেট পান তিনিও।জয়ের জন্য ১৪৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারেই ফিরে যান কুইন্টন ডিককের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাঁকে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এক ওভার পরে আবার ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকার। এবার আউট ডোয়েন প্রিটোরিয়াস (৪)। তিনিও ভুবনেশ্বরের শিকার। ষষ্ঠ ওভারে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১৩.২ ওভারে চাহালের বলে বোল্ড হন বাভুমা। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৫। বাভুমা আউট হলেও চাপে পড়েননি ক্লাসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। ৪৬ বলে ৮১ রান করে করে আউট হন ক্লাসেন। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। ওয়েন পার্নেলকে (১) ফেরান ভুবনেশ্বর। তাসত্ত্বেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১০ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের লক্ষ্যে (১৪৯/৬) পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিন দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।

জুন ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় দল কি পারবে ঘুরে দাঁড়াতে?‌ কী বললেন ভুবনেশ্বর

সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে ২১১ রান করেও শেষরক্ষা হয়নি। ডেভিড মিলার ও রাসি ভান ডার ডুসেনের দাপটে হারতে হয়েছিল। কটকে সিরিজে সমতা ফেরানোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভারত। ঋষভ পন্থের দলের কাছে কাজটা খুব একটা সহজ হবে না।কটকের বরাবাটি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার সাফল্য কিন্তু খারাপ নয়। ২০১৫ সালে এই বরাবটি স্টেডিয়ামেই ভারতকে ৯২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে ভরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বরাবাটি স্টেডিয়ামে ৫ বছর পর টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামবে ভারত। ভারত অবশ্য তাকিয়ে ৭ বছর আগের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে।করোনার জন্য এতদিন ক্লোজড ডোর অনুশীলনই হচ্ছিল। শনিবার কটকের ছবিটা ছিল আলাদা। অনুশীলন দেখতেই গ্যালারি ভর্তি। কটকে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে অনুশীলন করছে ভারতীয় দল। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সহ অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়ার ব্যাটিং অনুশীলনে আগ্রাসী মেজাজ, বড় শট খেলা দেখা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন দর্শকরা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ভাল হয়েছে। বোলিংয়ের জন্যই ডুবতে হয়েছিল ভারতকে। সেকথা মাথায় রেখে বোলিং বিভাগে উন্নতির জন্য পরিকল্পনা করছে ভারতীয় শিবির।কটকে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সবথেকে অভিজ্ঞ বোলার ভুবনেশ্বর কুমার বলেন, সিরিজের প্রথম ম্যাচে আমাদের কোথায় ভুলত্রুটি হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সকলেই আইপিএল খেলে এসেছে এবং এই দলে যারা রয়েছে, প্রত্যেকেই আইপিএলে ভাল খেলেছে। সবাই জানে ম্যাচে কী কী করতে হবে। একটা দিন খারাপ যেতেই পারে। আগের ম্যাচে বোলিং বিভাগের সেটাই হয়েছিল। আমরা সকলেই ঘুরে দাঁড়াতে মুখিয়ে রয়েছি।ভারতীয় দলের ব্যাটিং বিভাগে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বরাবাটি স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে বোলিং আক্রমণে পরিবর্তন আসে কিনা সেটা দেখার। তবে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় নিজে দ্রুত পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চান না। সকলকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে চান। বরাবাটির উইকেটে হাইস্কোরিং ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা। পেসার কমিয়ে স্পিনার রবি বিষ্ণোইকে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্শদীপ সিং বা উমরান মালিকের অভিষেক কটকে হয় কিনা তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে প্রথম একাদশে পরিবর্তন না হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চূড়ান্ত উত্তেজনার ম্যাচে শেষমুহূর্তের গোলে নাটকীয় জয় ভারতের

এএফসি এশিয়ান কাপের কোয়ালিফায়ারের গ্রুপ লিগের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নাটকীয় জয় তুলে নিল ভারত। দ্বিতীয়ার্ধের দশ মিনিটের চূড়ান্ত উত্তেজনার ম্যাচে আফগানিস্তানকে ২-১ গোলে পরাজিত করল ভারত। ভারতের জয়সূচক গোলটি আসে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের হয়ে গোল দুটি করেন সুনীল ছেত্রী এবং সাহাল আব্দুল সামাদ।দুই দলই এদিন চাপ নিয়ে মাঠে নেমেছিল। এদিন দিনের প্রথম ম্যাচে কম্বোডিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারায় হংকং। ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা পৌঁছে যায় গ্রুপ শীর্ষে। পরের পর্বে যেতে গেলে আফগানিস্তান ও ভারতের কাছে জেতাটা জরুরি ছিল। ভাল শুরু করে আধিপত্য দেখালেও প্রথমার্ধে গোল তুলতে ব্যর্থ ভারত। আফগানিস্তানের গা-জোয়ারি ফুটবলের কাছে সমস্যায় পড়তে হয় সুনীল ছেত্রীদের। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে কয়েকটি পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলে ভারতীয় দলের কোচ uiইগর স্টিম্যাক। অনিরুদ্ধ থাপা ও ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজের জায়গায় শুরু থেকেই মাঠে নামান জিকসন ও আশিক কুরুনিয়ানকে। আশিকের গতিকে কাজে লাগানোর জন্য এই স্ট্রাটেজি নিয়েছিলেন স্টিম্যাক। ম্যাচের প্রথম থেকেই দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে আফগানিস্তান রক্ষণকে চাপে রাখেন মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা। কিন্তু গোলমুখ খুলতে পারেননি। এদিন সুনীল ছেত্রীকে কড়া নজরে রেখেছিলেন আফগান ডিফেন্ডাররা। সুনীল আটকে যেতেই ভারতের কাছে গোল করার কাজটা কঠিন হয়ে যায়। প্রথমার্ধে গোল করার মতো সহজ সুযোগ তৈরি হয়নি। অন্যদিকে, আফগানিস্তানও ঘর বাঁচাতেই বেশি ব্যস্ত ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ভারত। নাটক জমে ওঠে ম্যাচের শেষলগ্নে। ৮৬ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রী। কিন্তু এই এগিয়ে যাওয়া বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ভারত। দুমিনিটের মধ্যেই আফগানিস্তান সমতা ফিরিয়ে আনে প্রতি আক্রমণ থেকে পাওয়া কর্নার থেকে হেড করে। সবাই যখন ধরে নিয়েছে ম্যাচ ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, তখনই জ্বলে ওঠেন সাহাল আব্দুল সামাদ। ৯২ মিনিটে তাঁর করা গোলেই জয় ছিনিয়ে নেয় ম্ভারত। এই ম্যাচে জয়ের ফলে পরবর্তী ম্যাচে হংকংকে হারালেই ভারত পৌঁছে যাবে এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে। তবে, সেই ম্যাচে যদি ভারত ড্র করে বা হেরে যায় তা হলে সরাসরি এএফসি এশিয়ান কাপে পৌঁছে যাবে হংকং। ড্র করলে গোল পার্থক্যে এগিয়ে যাবে তারা। তবে, ভারত দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও পরবর্তী রাউন্ডে যেতে পারবে। সেক্ষেত্রে সেরা পাঁচটি দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের মধ্যে জায়গা করে নিতে হবে ভারতকে।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার আবার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’‌, প্রোটিয়াদের কাছে ৭ উইকেটে হার ভারতের

বোর্ডে ২১২ রান তুলেও শেষরক্ষা হল না। এবার দেশের হয়ে খেলতে নেমে কিলার হয়ে উঠলেন ডেভিড মিলার। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। দুজনের দুরন্ত ব্যাটিংই ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল প্রোটিয়াদের। ভারতের ২১১/৪ রান ৫ বল বাকি থাকতেই তুলে ফেলল দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ভারতের দুই ওপেনার ঈশান কিশান ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ওপর কোনও প্রভাব খেলতে পারেননি কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাডা, আনরিখ নর্টিয়েরা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ভারত তুলে ফেলে ৫১। এরপরই ধাক্কা খায় ভারত। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই পার্নেলের বলে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৫ বলে তিনি করেন ২৩। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও শ্রেয়স আয়ার। ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ঈশান। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৭৬ রান করে তিনি আউট হন। আইপিএলে সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দেশের হয়ে নিজেকে মেলে ধরলেন। শ্রেয়স আয়ার করেন ২৭ বলে ৩৬। তাঁকে তুলে নেন প্রিটোরিয়াস। শ্রেয়স যখন আউট হন, ভারতের রান তখন ১৬.১ ওভারে ১৫৬। পাওয়ার প্লেতে ঝড় তোলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও হার্দিক পান্ডিয়া। দুজনে ১৪ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ১৯.১ ওভারের মাথায় আউট হন ঋষভ। ভারতের রান তখন ২০২। ১৬ বলে ২৯ রান করেন ঋষভ। ঝড় তুলে ১২ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১১ রান তোলে ভারত। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রান। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও টি২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের স্কোর ভারতের।জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের বিরুদ্ধে এই সিরিজকে পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য বেছে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। সিরিজ শুরুর আগেই অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা বলেছিলেন, বিশ্বকাপের জন্য ব্যাটিং অর্ডার ঠিক করে নিতে চান। কুইন্টন ডিককের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন বাভুমা। তিনি নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হন। ৮ বলে মাত্র ১০ রান করে তিনি ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ১৩ বলে ২৯ রান করে হর্ষল প্যাটেলের বলে বোল্ড হন। কুইন্টন ডিকক ১৮ বলে করেন ২২।৮.৪ ওভারে ৮১ রানে ৩ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর দলকে এগিয়ে নিয়ে যান রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও ডেভিড মিলার। আইপিএলে দারুণ ছন্দে ছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের এই ব্যাটার। ভারতের বিরুদ্ধেও সেই ছন্দ অব্যাহত রাখেন। ২২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন। অন্যদিকে, শুরুতে সতর্ক থাকলেও পরের দিকে ঝড় তুলে ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ডুসেন। শেষ ৩ ওভারে জয়ের জন্য ৩৪ রান দরকার ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। ১৭ তম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ২২ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন মিলার ও ডুসেন। ১৯.১ ওভারে ২১২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৬ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডুসেন। ৩১ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মিলার।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি, ২ গোলে জয় ভারতের

১০৬ আর ১৭১ নম্বরের মধ্যে পার্থক্য যে অনেকটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন সুনীল ছেত্রিরা। এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ভারত। প্রত্যাশামতোই ২০ প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল। ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। এদিন দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে জোড়া গোল করেন তিনি।কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। দল সাজানোর পরিকল্পনাতেই তার প্রমাণ। সামনে একা মনবীর সিংকে রেখে দল সাজিয়েছিলেন ইগর স্তিমাচ। সুনীল ছেত্রিকে রেখেছিলেন একটু নীচের দিকে। সুনীলের পাশে দুই প্রান্তে ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ এবং লিস্টন কোলাসো। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে প্রথম থেকেই কম্বোডিয়াকে চাপে রেখেছিল ভারত। প্রথম কয়েক মিনিটের মধ্যেই দুদুটি গোলের সুযোগ চলে এসেছিল সুনীল ছেত্রিদের সামনে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। আক্রমণে ঝড় তুলে ম্যাচের ১২ মিনিটেই এগিয়ে যায় ভারত। একক প্রয়াসে বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে যান লিস্টন কোলাসো। তাঁকে অবৈধভাবে আটকান কম্বোডিয়ার চোউন চানচাভ। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। ডান পায়ের দুরন্ত শটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও ভারতের দাপট অব্যাহত থাকে। একাধিক বার গোল করার মতো পরিস্থিত তৈরি করেছিলেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ, রোশন সিং নাওরেমরা। কিন্তু ফাইনাল থার্ডে গিয়ে শেষ কাজটা ঠিক মতো করতে পারছিল না ভারত। সুনীল ছেত্রিও একবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। কিন্তু তিন কাঠিতে বল পাঠাতে পারেননি। ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচে ৫৯ মিনিটে। ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজের ক্রস থেকে হেডে দ্বিতীয় পোস্টের কোন ঘেঁসে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। দ্বিতীয়ার্ধে বেশি সময় সুনীলকে মাঠে রাখেননি স্টিম্যাচ। ৬৮ মিনিটে দলের প্রধান অস্ত্রকে তিনি তুলে নেন। পুরো ম্যাচ খেললে হয়তো এদিন হ্যাটট্রিক করতে পারতেন সুনীল। কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণে সুনীলের প্রধান সঙ্গী মনবীর সিং একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেননি। মাঝমাঠে ভাল খেলতে পারেননি অনিরুদ্ধ থাপাও। এই দুই ফুটবলারকেই দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পরিবর্তন করে দেন স্টিম্যাচ। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে ভারত তৃতীয় গোলটিও পেয়ে যেতে পারত যদি সহজ সুযোগ নষ্ট না করতেন মহম্মদ আশিক কুরুনিয়ান।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রক্ষণের ভুলে এশিয়া কাপের ফাইনালের স্বপ্ন শেষ ভারতের

রক্ষণের ভুলের মাশুল দিতে হল ভারতীয় হকি দলকে। সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ৪৪ গোলে ড্র করে এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। পয়েন্ট সমান হলেও গোলের ব্যবধানে দক্ষিণ কোরিয়ার থেকে পিছিয়ে থাকায় ফাইনালে জায়গা করে নিতে পারল না ভারত। এখন ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে জাপানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। আয়োজক দেশ মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলবে ভারত।সুপার ফোরে গোল পার্থক্যে এগিয়ে ছিল দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়া। তাই ফাইনালে যেতে গেলে ভারতের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। জেতার লক্ষ্যে ম্যাচের শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিল ভারতীয় দল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে দক্ষিণ কোরিয়ার বক্সে। প্রথম কোয়ার্টারে মাত্র ৮ মিনিটেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন নীলম সঞ্জীব। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে খেলায় ফিরে আসে দক্ষিম কোরিয়া। ১৩ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়াকে সমতায় ফেরান জাং জং হিউন। ১৮ মিনিটে গোল করে দক্ষিণ কোরিয়াতে এগিয়ে দেন জি উ চিয়ন। ২১ মিনিটে মনিন্দর সিংয়ের গোলে সমতা ফেরায় ভারত। এক মিনিট পরেই শেশে গৌড়া ভারতকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ২৭ মিনিটে কিম জুং হো কোরিয়ার হয়ে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ভারত প্রাধান্য বজায় রেখেছিল। ৩৭ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় ভারত। মারেস্মরণ শক্তিভেল গোল করে ভারতকে ৪৩ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। কিন্তু ৪৪ মিনিটে জুং মাঞ্জাইয়ের গোলে সমতা ফিরিয়ে আনে দক্ষিণ কোরিয়া। শেষ কোয়ার্টারে কোনও দলই কোনও গোল করতে পারেনি।গ্রুপ লিগে বড় জয় পেয়েছিল ভারতীয় হকি দল। মরণবাঁচন ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৬০ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারত। যার দরুণ পাকিস্তানকে টেক্কা দিয়ে সুপার ফোরে জায়গা করে নিয়েছিলেন মনিন্দর, নীলমরা। এ বার সেই গোলপার্থক্যের কারণেই সুপার ফোর থেকে ফাইনালে ওঠা হল না গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতের। ভারত খেতাব জয়ের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে ইন্দোনেশিয়ায় এই বারের এশিয়া কাপে অংশ নিতে এসেছিল কিন্তু ডিফেন্সের দুর্বলতার কারণে শেষ পর্যন্ত ফাইনালে আর পৌঁছনো হল না।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতীয় দলকে হারিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান!‌

দিন ১৫ কর্ণাটকের বেলারিতে চলেছে নিবিড় প্রস্তুতি। তাসত্ত্বেও তৈরি ভারতীয় দল! প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেই তার প্রমাণ পাওয়া গেল। বুধবার যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে এটিকে মোহনবাগানের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচে হারল ইগর স্টিম্যাকের ভারতীয় ফুটবল দল। সবুজমেরুণ ব্রিগেড জিতল ২১ ব্যবধানে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো ও কিয়ান নাসিরি। ভারতীয় দল প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ান কাপে কোয়ালিফায়ারের প্রস্তুতির জন্য। অন্যদিকে, এটিকে মোহনবাগান তৈরি হচ্ছে এএফসি কাপের মূলপর্বের গ্রুপ লিগের ম্যাচের জন্য। জুয়ান ফেরান্দোর দল যে ভালোই তৈরি, এদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে বোঝা গেল। সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে এদিন দারুণ ফুটবল উপহার দেয় সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। ভারতীয় দলে থাকা এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা অবশ্য সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই মাঠে নেমেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে শুরুতে তিন বিদেশিকে মাঠে নামিয়েছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। প্রথমার্ধে দারুণ ফুটবল উপহার দেন লিস্টন কোলাসোরা। দ্বিতীয়ার্ধে পুরো দলকে বদলে দেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের খেলান। তাতেও ছন্দ নষ্ট হয়নি এটিকে মোহনবাগানের। বরং ইগর স্টিম্যাকের ফুটবলাররা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। ভারতীয় দলের রক্ষণে যে দুর্বলতা আছে, এদিন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো, কিয়ান নাসিরিরা। কলকাতায় অনুশীলনের পাশাপাশি আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। দুটি ম্যাচই আই লিগের বাছাই করা ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দলের বিরুদ্ধে।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচের সামনে মিতালিরা, ভারত কি পারবে সেমিফাইনালে যেতে?‌

মহিলাদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের ছাড়পত্র কি পাবে ভারত? মিতালি রাজদের ভবিষ্যত এখন নিজেদের হাতে। রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ খেলতে নামছে ২০১৭ বিশ্বকাপের রানার্সরা। সেফিফাইনালের টিকিট পেতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ভারতীয় দলের সামনে। হারলে কিংবা পয়েন্ট ভাগাভাগি হলেও মিতালি রাজদের সামনে সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। সেক্ষেত্রে ভারতের সামনে এসে পড়বে অনেক জটিল অঙ্ক। ভারতীয় শিবির অবশ্য কোনও জটিল অঙ্কের সামনে যেতে চায় না। লক্ষ্য, প্রোটিয়াদের হারিয়েই সেমিফাইনালের টিকিট জোগাড় করা। ৭ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে পোঁছে গেছে অস্ট্রেলিয়া। ৬ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট দক্ষিণ আফ্রিকার। দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে তারাও সেমিফাইনালের টিকিট পেয়ে গেছে। বাকি দুটি জায়গার জন্য লড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড ও ভারতের মধ্যে। ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। ভারত ও ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৬। নেট রান রেটে এগিয়ে থাকার সুবাদে ইংল্যান্ড (+০.৭৭৮) রয়েছে চতুর্থ স্থানে। ভারত (+০.৭৬৮) রয়েছে পঞ্চম স্থানে। ভারত যদি শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় তাহলে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। কারণ সেক্ষেত্রে পয়েন্টের বিচারে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে যাবে। ভারত হারলেও সেমিফাইনালের টিকিট পেতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের কাছে জঘন্যভাবে হারতে হবে গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে। ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ ভেস্তে গেলেও মিতালি রাজদের সামনে সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ এসে যাবে। ম্যাচ ভেস্তে গেলে ভারতের পয়েন্ট হবে ৭। ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও পয়েন্ট ৭। নেট রানরেটে ক্যারিবিয়ানদের (-০.৮৯০) থেকে এগিয়ে ভারত (+০.৭৬৮)। বোলিং নিয়ে চিন্তা না থাকলেও ভারতের মূল সমস্যা ব্যাটিং। টপ ও মিডল অর্ডারদের ব্যাটাদের ধারাবাহিকতার অভাব। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জিততে গেলে স্মৃতি মান্ধানা, মিতালি রাজদের রান পেতে হবে। বড় জুটি গড়ে তুলতে হবে ভারতকে। সেই কথাই শোনা গেছে ভারতীয় দলের ওপেনার শেফালি ভার্মার মুখে। মরণবাঁচন ম্যাচে নামার আগে তিনি বলেন, আমাদের সামনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। দলের প্রত্যেকেই সেটা জানে। সবাই ১০০ শতাংশ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। জিততে গেলে আমাদের বড় জুটি তৈরি করতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালের টিকিট পাবে ভারত?‌ জটিল অঙ্ক মিতালিদের সামনে

কদিন আগেই মহিলাদের বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ভারতের সুবিধা করে দিয়েছিল পাকিস্তান। আর বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার কাজ কঠিন করে দিল। পাকিস্তানকে উড়িয়ে নেট রান রেট বাড়িয়ে নিয়ে লিগ টেবিলে ভারতের ওপরে উঠে গেল ইংল্যান্ড। এখন সেমিফাইনালে যেতে গেলে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই মিতালি রাজদের। ভারতের সেমিফাইনালের ওঠার সমীকরণ বদলে দিল বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। ৬ ম্যাচে ১২ পয়েন্টে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগেই তারা সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে গেছে। ৬ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট পেয়ে সেমিফাইনালে নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকা। ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্টে তৃতীয় স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ ছিল। বৃষ্টির জন্য ম্যাচ ভেস্তে যায়। দুই দলই ১ পয়েন্ট করে পায়। যদি এই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারত, তাহলে ভারতের সুবিধা হয়ে যেত। কিন্ত তা হল না। ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট পাওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা রইল। শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ড খেলবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট ইংল্যান্ডের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিতলে ৭ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট হবে ৮। ফলে জিতলে তারাও সেমিফাইনালে চলে যাবে। কারণ নেট রান রেটে ভারতের থেকে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ভারত যদি শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় তাহলে তাহলে ৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। সেক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আর শেষ চারের টিকিট পাওয়া সম্ভব হবে না। ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ ভেস্তে গেলেও মিতালি রাজরা সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। কারণ ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট তখন সমান হয়ে গেলেও নেট রান রেটে ক্যারিবিয়ানদের তুলনায় ভারত এগিয়ে। মিতালি রাজরা অবশ্য আশাবাদী, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েই শেষ চারের টিকিট পাবেন।

মার্চ ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়, তবু কি সেমিফাইনালে উঠতে পারবে ভারত?‌

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরপর দুই ম্যাচে হারে পর ঘুরে দাঁড়াল ভারত। গ্রুপ লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশকে ১১০ রানে উড়িয়ে মহিলাদের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার রাস্তা অনেকটাই প্রশস্ত করলেন মিতালি রাজরা। ৬ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট দাঁড়াল ৬। ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও পয়েন্ট ৬। নেট রান রেটে ক্যারিবিয়ানদের পেছনে ফেলে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে উঠে এল ভারত। ভারতের জয়ে এদিন বড় অবদান রাখলেন বোলাররা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ ছিল মরণবাঁচনের লড়াই। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মিতালি রাজ। লক্ষ্য ছিল বড় রান তুলে বাংলাদেশকে চাপে ফেলা। একই সঙ্গে বড় ব্যবধানে জিতে নেট রানরেট বাড়িয়ে রাখা। বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি নেট রান রেট বাড়ানোর লক্ষ্যে সফল মিতালি রাজরা। ব্যাট কতরতে নেমে এদিন ভাল শুরু করেছিলেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৪। এরপর হঠাৎই ধস নামে ভারতীয় ইনিংসে। পরপর ফিরে যান স্মৃতি মান্ধানা (৩০), শেফালি ভার্মা (৪২) ও মিতালি রাজ (০)। দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। ক্রিজে নেমে হরমনপ্রীত কাউর বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ঝুঁকি নিতে গিয়ে তিনি রান আউট হন। ৩৩ বলে ১৪ রান করেন হরমনপ্রীত। রিচা ঘোষ (২৬), পূজা বস্ত্রকার (অপরাজিত ৩০), স্নেহ রানাদের (২৭) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২৯ তোলে ভারত। বাংলাদেশের হয়ে রিতু মনি ৩৭ রানে ৩টি ও নাহিদা আখতার ৪২ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ২২৯ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায়। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে। বাংলাদেশের টপ অর্ডারের কোনও ব্যাটারই রান করতে পারেননি। একসময় ৩৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে লতা মণ্ডল (২৪) ও সালমা খাতুনের (৩২) জুটি বিপর্যয় কিছুটা সামাল দেয়। রিতু মনি করেন ১৬। ভারতের হয়ে স্নেহ রানা ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন। দুরন্ত বোলিং করে ১৯ রানে ২ উইকেট তুলে নেন ঝুলন গোস্বামী। পূজা বস্ত্রকার ২৬ রানে নেন ২ উইকেট। গ্রুপ লিগে ভারত শেষ ম্যাচে খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত।

মার্চ ২২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal