• ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ১৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India,

খেলার দুনিয়া

Mayank Agarwal : মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল

ইংল্যান্ড সফরে চোটআঘাত যেন কিছুতেই পেছন ছাড়ছে না ভারতীয় শিবিরের। এবার চোটের শিকার ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল। নেটে ব্যাটিং করার সময় মহম্মদ সিরাজের বাউন্সার আছড়ে পড়ে তাঁর মাথার পেছন দিকে। চোটের জন্য ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন ভারতীয় দলের এই ওপেনার।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুনিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল খেলতে গিয়ে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন শুভমান গিল। তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছেন আবেশ খান, ওয়াশিংটন সুন্দর। এই দুই ক্রিকেটারও ইংল্যান্ড সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। এবার কনকাশনের কারণে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাসোমবার ট্রেন্টব্রিজে নেটে ব্যাটিং করার সময় মহম্মদ সিরাজের বলে মাথার পিছন দিকে মায়াঙ্কের চোট লাগে। সিরাজের শর্ট বল খেলতে গিয়ে বলের ওপর থেকে চোখ সরিয়ে নেওয়ায় মাথার পিছনে চোট পান। হেলমেট খুলে মাটিতে বসে পড়েন তিনি। ফিজিও নীতিন প্যাটেল এসে মায়াঙ্ককে নেট থেকে সরিয়ে নেন। তাঁর কনকাশন পরীক্ষা হবে। তাই প্রথম টেস্ট খেলতে পারবেন না। উল্লেখ্য, এর আগে প্রস্তুতি ম্যাচে সিরাজের শর্ট বলেই চোট পেয়ে গোটা সিরিজ থেকে ছিটকে গিয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়ামায়াঙ্ক আগরওয়াল ছিটকে যাওয়ায় রোহিত শর্মার সঙ্গে প্রথম টেস্টে লোকেশ রাহুল ওপেন করতে পারেন। যদিও ইংল্যান্ড সিরিজে লোকেশ রাহুলকে মিডল অর্ডারের জন্য ভেবেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। পৃথ্বী শ এখনও শ্রীলঙ্কা থেকে ইংল্যান্ডে পৌঁছতে পারেননি। চোটের কারণে আগেই সিরিজ থেকে ছিটকে গিয়েছেন ওপেনার শুভমান গিল। এই পরিস্থিতিতে লোকেশ রাহুল ছাড়া দলে স্পেশ্যালিস্ট ওপেনার বলতে রয়েছেন বাংলার অভিমন্যু ঈশ্বরন। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই তাঁকে মাঠে নামিয়ে ঝুঁকি নেবে না টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে ওপেন করার থেকে রাহুল এখন মিডল অর্ডারেই খেলতে বেশি পছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে সুযোগ এসে গেলেও যেতে পারে বাংলার ওপেনার অভিমন্যু ঈশ্বরনের কাছে। বুধবার থেকে ইংল্যান্ডে শুরু হচ্ছে প্রথম টেস্ট ম্যাচ। এখন দেখার টিম ম্যানেজমেন্ট কাকে দলে নেয়, লোকেশ রাহুল, না বাংলার ঈশ্বরণকে।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌মনপ্রীতরা কি পারবেন ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটাতে?‌

মঙ্গলবার টোকিও অলিম্পিকে বেলজিয়ামকে হারাতে পারলেই ঘটবে ৪১ বছরের শাপমুক্তি। ভারতীয় পুরুষ হকি দলের সামনে খুলে যাবে পদকের দরজা। হারলেও পদকের সম্ভাবনা থাকতে। সেক্ষেত্রে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামতে হবে মনপ্রীতদের। ভারত কি পারবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বেলজিয়ামকে হারিয়ে টোকি অলিম্পিকের ফাইনালে পৌঁছতে? সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী মনপ্রীতরা।২০১৬ রিও অলিম্পিকে এই বেলজিয়ামের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। মনপ্রীতদের সামনে এবার প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। মনপ্রীতদের কাছে কাজটা কঠিন হলেও একেবারে অসম্ভব নয়। মহিলাদের হকিতে রানি রামপালরা বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রমান করে দিয়েছে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। রানি রামপালদের সাফল্য তাগিদ বাড়িয়ে দিয়েছে মনপ্রীতদের। বিশ্বের ১ নম্বর দল হলেও বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ভারতের আশার আলো সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান। রেড লায়ন্সদের বিরুদ্ধে শেষ ৫ ম্যাচে ৪টিতে জয় মনপ্রীতদের। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে এই বেলজিয়ামের কাছেই হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। অতীত মাথায় রাখছেন না মনপ্রীতরা। আগের ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় শিবিরের। গ্রুপ লিগের ম্যাচের কথা ভুলে কোয়ার্টার ফাইনালে নতুনভাবে শুরু করেছিলেন মনপ্রীতরা। আগের ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে দারুণ জয় তুলে নিলেও বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বারবার সতীর্থদের সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। সতীর্থদের বলেছেন, আমাদের কাজ এখনও শেষ হয়নি। এখনও দুটো ম্যাচ বাকি। মাটিতে পা রেখে বেলজিয়াম ম্যাচে ফোকাস করতে হবে। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মনপ্রীত। তাঁর কথায়, গত দেড়দুবছর ধরে অস্ট্রেলিয়া ও বেলজিয়াম বিশ্বের ১ নম্বর জায়গা ধেরে রেখেছে। সুতরাং বেলজিয়াম যথেষ্ট কঠিন প্রতিপক্ষ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ওদের বিরুদ্ধে জিততে গেলে আমাদের দক্ষতার শীর্ষে উঠতে হবে। কোয়ার্টার ফাইনালে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে হলুদ কার্ড দেখে মাঠের বাইরে যেতে হয়েছিল অধিনায়ক মনপ্রীতকে। বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোচ গ্রাহাম রিড খেলোয়াড়দের সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বেলজিয়ামের মতো দলের বিরুদ্ধে পুরো ম্যাচ ১১ জন মাঠে থাকা জরুরি। আবেগ নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। কার্ড দেখা চলবে না।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Women Hockey : ‘‌চক দে ইন্ডিয়া’‌, অলিম্পিক হকির ইতিহাসে রানিরা

টোকিও অলিম্পিকে চক দে ইন্ডিয়া। ইতিহাস রানি রামপালদের। সোনা জয়ের অন্যতম ফেবারিট শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ভারতীয় মহিলা হকি দল। আগের দিন গ্রেট ব্রিটেনের দর্পচূর্ণ করে সেমিফাইনালে উঠেছেন মনপ্রীতরা। এদিন অস্ট্রেলিয়ার দম্ভে আঘাত করে সেমিফাইনালে রানি রামপালরা। স্বর্ণযুগে ভারতীয় হকি। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠাই একসময় অনিশ্চিত ছিল। পুল এর প্রথম ৩ ম্যাচে পরাজয়। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। গ্রুপ লিগে পরপর দুম্যাচে আয়ারল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধ অবিশ্বাস্য জয়। তবুও কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত ছিল না ভারতের সামনে। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে আয়ারল্যান্ড হারলে তবেই শেষ আটের ছাড়পত্র পাওয়া যেত। ভাগ্য সহায় ছিল রানি রামপালদের। ব্রিটেনের কাছে আয়ারল্যান্ডের পরাজয় টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের হকিতে কোয়ার্টার ফাইনালের ছাড়পত্র এনে দিয়েছিল ভারতকে।কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের লড়াই সহজ ছিল না। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া র্যাঙ্কিংয়ে অনেকটাই এগিয়ে। তবুও গুটিয়ে থাকেননি রানি রামপালরা। আসলে গ্রুপ লিগের শেষ দুটি ম্যাচের পারফরমেন্স আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। অঘটনের স্বপ্ন দেখেছিলেন রানি রামপালরা। তাঁদের স্বপ্ন দেখা যে একেবারেই অমূলক ছিল না, প্রমাণ হয়ে গেল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত খেলা উপহার দিল ভারত। রানি রামপালদের স্বপ্ন দেখিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ সাক্ষাৎকার। ২০১৯ সালের আগস্টে টোকিও অলিম্পিকের টেস্ট ইভেন্টে ২২ ড্র হয়েছিল সেই ম্যাচ। আমরাও পারি, এই বিশ্বাস দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন কোচ সোয়ার্ড মারিজিনে।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া। ২ মিনিটেই গোল করার সুযোগ পেয়েছিল। ভারতীয় ডিফেন্ডারদের তৎপরতায় গোল পায়নি। ৯ মিনিটে রানি রামপালের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২০ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। উল্টে ২২ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ভারতকে এগিয়ে দেন পেনাল্টি কর্ণার বিশেষজ্ঞ গুরজিৎ কাউর। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুদ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের চাপ বাড়ায় অস্ট্রেলিয়া। সুযোগও তৈরি করে। কিন্তু তিনকাঠির নীচে ভারতীয় গোলকিপার সবিতা পুনিয়া অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন। ভারতীয় ডিফেন্সও দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দেয়। ম্যাচে ৭ টি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। অলিম্পিকে সোনা জয়ের অন্যতম ফেবারিটকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস রানি রামপালদের। অলিম্পিকে ভারতের মহিলা দলের সেরা সাফল্য ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে। সেবারই প্রথম অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছিল ভারতীয় মহিলা হকি দল। ৬ দলের মধ্যে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছিল।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌PV Sindhu : প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধু

টোকিও অলিম্পিকে দেশকে পদক এনে দিলেন পিভি সিন্ধু। চীনের হে বিং জিয়াংকে ২১১৩, ২১১৫ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতলেন। অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে ব্যক্তিগত বিভাগে দুদুটি পদক জিতে ইতিহাস গড়লেন সিন্ধু। সেমিফাইনালে বিশ্বের একনম্বর তারকা তাই জুর কাছে হেরে গিয়েছিলেন। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যায়নি পিভি সিন্ধুর। ব্রোঞ্জের সম্ভাবনা ছিল। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ের এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার প্রতিপক্ষ ছিল হে বিং জিয়াও। অলিম্পিকে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামার আগে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে হে বিং জিয়াও এগিয়ে ছিলেন। এর আগে এই দুই শাটলার মুখোমুখি হয়েছিলেন ১৫ বার। বিং জিয়াও জিতেছিলেন ৯ বার, আর সিন্ধু জিতেছিলেন ৬ বার। অলিম্পিকে জিতে পরিসংখ্যান কিছুটা উন্নত করলেন সিন্ধু।আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারেরপ্রথম গেমের শুরুতেই হে বিং জিয়াওয়ের বিরুদ্ধে ৪০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিলেন পিভি সিন্ধু। সেখান থেকে সমতা ফেরান চীনের এই তারকা। একসময় ম্যাচের ফল ছিল ৮৮। এরপর ম্যাচের ওপর আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন পিভি সিন্ধু। পরপর ৬ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ১৪৮ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ পয়েন্টে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু। সেমিফাইনালে তাই জুর বিরুদ্ধে যে যে ভুল করেছিলেন এই ভারতীয় শাটলার, এদিন প্রথম গেমে সেই ভুল গুলি শুধরে নেন। স্ম্যাশ, নেট প্লে, ড্রপ শট নেওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন। দ্বিতীয় গেমেও সিন্ধু ধারবাহিকতা দরে রেখেছিলেন। দারুণ শুরু করে ৪১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। কিন্তু দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন চীনের হে বিং জিয়াও। ১১৮ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় স্কোর ১১১১ করেন। সেখান থেকে আবার ম্যাচে এগিয়ে যেতে থাকেন সিন্ধু। শেষ পর্যন্ত ২১১৫ পয়েন্টে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন এইই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। আরও পড়ুনঃ স্ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাপ্রথম ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে অলিম্পিকে ব্যক্তিগত বিভাগে দুদুটি পদক জয়ের কৃতিত্ব দেখালেন পিভি সিন্ধু। আর ভারতীয় হিসেবে দ্বিতীয়। তাঁর আগে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন কুস্তিগীর সুশীল কুমার। তিনি ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে একধাপ ভাল করে রুপো জিতেছিলেন। অন্যদিকে পিভি সিন্দু ২০১৬ রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।

আগস্ট ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: উদ্বেগ বাড়িয়ে ডেল্টার প্রভাবে ফের বাড়ছে সংক্রমণ

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিনে নতুন করে রাজ্যে ৭৬৯ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। উদ্বেগ বাড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও উত্তরবঙ্গের সংক্রমণের হারও। কলকাতাতেও গত দুদিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে সংক্রমণ। জেলায় করোনা সংক্রমণের দিকে নজর করলে বোঝা যাবে, রাজ্যের কয়েকটি অংশে সিংহ ভাগ আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পঙ ও জলপাইগুড়ি মিলিয়ে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২০৬। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৈনিক আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে দার্জিলিঙে (৬৫), তার পরেই রয়েছে জলপাইগুড়ি (৬১)। আরও পড়ুনঃ অনুমতি ছাড়াই ম্যারাথনে দৌঁড়লেন দিলীপ-সৌমিত্ররাদক্ষিণবঙ্গে এখনও উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯, যা রাজ্যেও সর্বোচ্চ। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে ব্যারাকপুর কমিশনারেট ও বারাসত পুর এলাকায় একাধিক কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারতে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও ফের বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮৩১। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৯ হাজার ২৫৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৩৫১ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮২৪। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৫২। করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৮ লক্ষ ২০ হাজার ৫২১ জন।এই মুহূর্তে ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা নিচ্ছে ডেল্টা রূপ। ডেল্টার হাত ধরেই ভারতে তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রসঙ্গে গুলেরিয়া বলেন, হাম বা চিকেন পক্সের ক্ষেত্রে আর ভ্যালু প্রায় ৮। অর্থাৎ এক জনের থেকে আট জনের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমরা দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় দেখেছি এক জনের থেকে পুরো পরিবারকে আক্রান্ত হতে। চিকেন পক্সের ক্ষেত্রেও এটাই হয়। ডেল্টা রূপে আক্রান্ত এক জনের পক্ষে গোটা পরিবারকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা রয়েছে।ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে সেরো সার্ভেতে দেখা গিয়েছে অ্যান্টিবডির পরিমাণ অনেকটাই। তবে এই বিষয় নিয়ে বেশি খুশি হওয়ার কারণ নেই বলেই জানিয়েছেন গুলেরিয়া। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি আগে কেরলে অ্যান্টিবডি অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেখানে সংক্রমণ বাড়ছে। কারণ একটা সময়ের পরে শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ও ক্ষমতা দুইই কমতে থাকে। ফলে একমাত্র টিকাই ভরসা। যত দ্রুত সম্ভব সবাইকে টিকা দেওয়া দরকার। তবেই দেশে সংক্রমণ কমানো যাবে বলে মনে করেন এইমস প্রধান।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Puja Rani: রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ীর কাছে হেরে স্বপ্ন শেষ বক্সার পূজা রানির

অনেক আশা ছিল পূজা রানিকে ঘিরে। হতাশ করলেন হরিয়ানার এই বক্সার। লাভলিনা বড়গোহাঁই পারলেও ব্যর্থ হলেন পূজা রানি। টোকিও অলিম্পিকের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে পদক জয়ের সম্ভাবনা হাতছাড়া করলেন ভারতের এই মহিলা বক্সার। মিডলওয়েট ক্যাটেগরিতে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী তথা বিশ্বের তিন নম্বর বক্সার চীনের লি কুইয়ানের সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না পূজা রানি। ৫-০ ব্যবধানে উড়ে গেলেন এই ভারতীয় বক্সার।টোকিও অলিম্পিকে মহিলা বক্সিংয়ের ৬৯ কেজি বিভাগে সেমিফাইনালে পৌঁছে পদক নিশ্চিত করেছিলেন লাভলিনা। লাভলিনার মতো লড়াই লড়তে পারলেন না পূজা। ম্যাচে প্রথম থেকেই ব্যাকফুটে ছিলেন এই ভারতীয় বক্সার। তিন রাউন্ড থেকে তিনি কোনও পয়েন্টই ঘরে তুলতে পারেননি। উল্টে আক্রমণাত্মক স্ট্রাটেজিতে ম্যাচের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেন কুইয়ান। চিনা প্রতিপক্ষের আক্রমণাত্মক মুভমেন্টের জবাব দিতে পারেননি ভারতের পূজা।২০১৮ সালে বক্সিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব জিতেছিলেন চিনের লি কুইয়ান। কেন তিনি বিশ্বের এক নম্বর তারকা, তা ফের প্রমাণ করলেন ৩১ বছরের বক্সার। ২০১৭ ও ২০১৯ সালের এশিয়ান বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা কুইয়ানের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি পূজা। ২০১৯ ও ২০২১ সালের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জেতা এই ভারতীয় বক্সার শনিবার ঘুরেই দাঁড়াতে পারলেন না। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে আবজেরিয়ার ইচরাক চাইবকে ৫-০ পয়েন্টের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন পূজা রানি। ওই ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্স দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা। সেই বক্সার যে কোয়ার্টার ফাইনালে এভাবে হারবেন, তা হয়তো কল্পনার মধ্যেই আনেননি অনেকে। যদিও এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে পথ চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পূজা।চলতি অলিম্পিকের প্রি-কোয়াটার ফাইনাল থেকেই ছিটকে যেতে হয়েছিল কিংবদন্তি মেরি কমকে। ইতিমধ্যে মহিলাদের বক্সিংয়ে ৬০ কেজি বিভাগের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বিদায় নেন ভারতের সিমরনজিৎ কৌর। এই দুই হারের ক্ষততে প্রলেপ দেন লাভলিনা বরগোঁহাই। মহিলাদের ৬৯ কেজি বিভাগের সেমিফাইনালে পৌঁছে দেশের জন্য পদক নিশ্চিত করেন অসমের বক্সার। চাইনিজ তাইপের চেন নিয়েন-চিনকে ৪-১ পয়েন্টের ব্যবধানে হারিয়েছেন লাভলিনা। তিন রাউন্ডেই দাপট অব্যাহত রেখে তিনি সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন। ভারতের জন্য অন্তত একটা ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছেন বরগোঁহাই।

জুলাই ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hockey: জয়ের হ্যাটট্রিক, দ্বিতীয় স্থানে থেকে অলিম্পিক হকির শেষ আটে ভারত

কোয়ার্টার ফাইনালের ছাড়পত্র নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। পুল এ-তে কত নম্বর স্থান দখল করে, সেটাই ছিল দেখার। জাপানকে ৫-৩ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে টোকিও অলিম্পিকের হকির শেষ আটে ভারত। টানা ৩ ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে গেল।অলিম্পিকে ভারতের সবচেয়ে বেশি সাফল্য হকিতেই। অথচ ১৯৮০ সালের অলিম্পিকে সোনা জেতার পর আর পদকই আসেনি।একের পর এক অলিম্পিকে শুধুই ব্যর্থতায় হতাশ হতে হয়েছে ভারতীয় হকিকে। এবার মনপ্রীতরা ৪১ বছরের পদকের খরা মেটাতে পারেন কিনা সেদিকেই সকলের নজর।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে জয় দিয়ে টোকিও অলিম্পিক অভিযান শুরু করেছিল ভারত। তারপর অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭-১ ব্যবধানে হার। অনেকেই মনপ্রীতদের নিয়ে সংশয়ে ছিলেন। তবে স্পেনকে তিন গোলে হারানোর পর শক্তিশালী আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জয় ভারতের জায়গা সুনিশ্চিত করে দেয় অলিম্পিক হকির কোয়ার্টার ফাইনাল।এদিন প্রথম কোয়ার্টারে ভারত এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ভারতের লিড গিয়ে হয় ২-১। তৃতীয় কোয়ার্টারে ফল ছিল ৩-২। চতুর্থ কোয়ার্টারে হল সবচেয়ে বেশি গোল। এর ফলে ৫-৩ গোলে জিতে পুল এ-র দুইয়ে থেকে শেষ আটে জায়গা পাকা করলেন মনপ্রীতরা।১৭ ও ৫৬ মিনিটে ম্যাচে জোড়া গোল করেন গুরজন্ত সিং। ১৩ মিনিটে প্রথম গোলটি করেছিলেন হরমনপ্রীত সিং। এ ছাড়া ৩৪ মিনিটে শমশের সিং ও ৫১ মিনিটে নীলকান্ত শর্মাও গোল করে দলের জয়ে অবদান রাখেন।গ্রুপ পর্যায়ের খেলার শেষে পুল এ-র শীর্ষে রইল অস্ট্রেলিয়া। পাঁচটির মধ্যে চারটিতে জিতে ভারত রইল দুইয়ে। অস্ট্রেলিয়া চারটি ম্যাচে জিতেছে এবং একটি ড্র করেছে। প্রতি পুলে ছটি করে দলের মধ্যে থেকে চারটি করে দল পৌঁছায় কোয়ার্টার ফাইনালে। ভারতের পরের প্রতিপক্ষ অবশ্য এখনও চূড়ান্ত হয়নি।হকিতে ভারত শেষ অলিম্পিক সোনা জিতেছিল ১৯৮০ সালে। ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে পঞ্চম, ১৯৮৮-র সিওল অলিম্পিকে ষষ্ঠ, ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিকে সপ্তম, ১৯৯৬ সালের আটলান্টা অলিম্পিকে ভারত অষ্টম স্থানে শেষ করেছিল হকিতে। ২০০০ সালে সিডনি ও ২০০৪ সালের এথেন্স অলিম্পিকে ভারত হকিতে ছিল সপ্তম স্থানে। ২০০৮ সালে অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনই করতে পারেনি। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে দ্বাদশ ও ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে ভারতকে অষ্টম স্থানে থেকেই অভিযান শেষ করতে হয়েছিল।

জুলাই ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Hockey: আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত

অলিম্পিক হকিতে এগিয়ে চলেছে ভারত। গ্রুপ লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গতবারের সোনাজয়ী আর্জেন্টিনাকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার পাশাপাশি পুল এতে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করল।একপ্রকার কঠিন গ্রুপে রয়েছে ভারত। বর্তমান বিশ্বসেরা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে রয়েছে আগের অলিম্পিকে সোনাজয়ী আর্জেন্টিনা। পুলের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিতলেও অস্ট্রেলিয়াআর কাছে বড় ব্যবধানে হারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। পরের ম্যাচে স্পেনের বিরুদ্ধে অবশ্য দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান মনপ্রীতরা। ৩০ ব্যবধানে জিতে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এদিন আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল ভারত।আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে জিতলেই কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়া নিশ্চিত ছিল ভারতের। পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত জয় তুলে নিলেন মনপ্রীতরা। অলিম্পিকে যাওয়ার আগে আর্জেন্টিনায় প্রস্তুতি সফরে গিয়েছিল ভারত। শেষ ম্যাচে ৪২ ব্যবধানে জিতেছিল। যদিও সেই জয়ের কথা মাথায় রেখে মাঠে নামেননি মনপ্রীতরা। গুটিয়ে না থেকে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভারত। ৪ মিনিটে প্রায় ভারতকে এগিয়ে দিচ্ছিলেন দলপ্রীত। খুব কাছ থেকে নেওয়া তাঁর ফ্লিক আটকে দেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার। ১৫ মিনিটে ড্রিবল করতে গিয়ে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সিমরণজিৎ সিং। ১৭ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। স্কোরিং সার্কেলের মধ্যে লুকাস রোসিকে আটকে দেন ভারতীয় ডিফেন্ডাররা। প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। যদিও ভারতের আধিপত্য বেশি ছিল।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। ৪২ মিনিটে পরপর দুটি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রুপিন্দাররা। ৪৩ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন বরুণ কুমার। চতুর্থ কোয়ার্টারে নাটক জমে ওঠে। ৪৮ মিনিটে প্রথম পেনাল্টি কর্ণার পায় আর্জেন্টিনা। মাইকো ক্যাসেলা গোল করে সমতা ফেরান। অনেকেই মনে করছিলেন ম্যাচ হয়তো ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে। তখনই জ্বলে ওঠেন ভারত। ৫৭ মিনিটে বিবেক প্রসাদ সাগর গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ২ মিনিট পর আবার গোল ভারতের। ৮ নম্বর পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে হরমনপ্রীত সিং ৩১ করেন। ৪ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট পেয়ে পুল এতে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করল ভারত।

জুলাই ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Praveen Yadav : তরুণদীপের পর অলিম্পিক থেকে বিদায় প্রবীণ যাদবেরও

তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকেও শেষরক্ষা হল না ভারতের প্রবীন যাদবের। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যাডি এলিসনের কাছে হেরে অলিম্পিকের ব্যক্তিগত বিভাগ থেকেও বিদায় নিলেন।প্রথম রাউন্ডে বিশ্বের ২ নম্বর রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটির গালসান বাজারঝাপভকে হারিয়ে চমকে দিয়েছিলেন প্রবীন যাদব। প্রথম সেটে প্রবীন যাদব স্কোর করেন ২৯। অন্যদিকে গালসান বাজারঝাপভ করেন ২৭। প্রথম সেট ২৯২৭ স্কোরে জিতে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে যান প্রবীন যাদব। দ্বিতীয় সেটে মরিয়া হয়ে ওঠেন গালসান বাজারঝাপভ। প্রথম দুটি শটে তিনি পারফেক্ট ১০ করেন। কিন্তু শেষ শটে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন। দ্বিতীয় সেটে তাঁর পয়েন্ট দাঁড়ায় ২৭। অন্যদিকে প্রবীন যাদব সংগ্রহ করেন ২৮ পয়েন্ট। ২০ ব্যবধানে জিতে পরের রাউন্ডে পৌঁছে যান ভারতীয় এই তিরন্দাজ।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলকিন্তু প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম দুটি সেটে কিছুটা লড়াই করলেও তৃতীয় সেটে জঘন্য পারফরমেন্স প্রবীন যাদবে। প্রথম সেটে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যাডি এলিসন করেন ২৮ (৯+১০+৯) স্কোর। অন্যদিকে প্রবীণ যাদব করেন ২৭ (৯+৮+১০)। প্রথম সেট জিতে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যান ব্র্যাডি এলিসন। দ্বিতীয় সেটে প্রবীণ যাদব স্কোর করেন ২৬ (১০+৯+৭)। এলিসন করেন ২৭ (৮+১০+৯)। তৃতীয় সেটে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হন ভারতীয় তিরন্দাজ। এলিসন যেখানে স্কোর করেন ২৮ (৮+৯+৯)। প্রবীণ যাদব স্কোর করেন ২৬ (৮+৮+৭)। ৬০ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান ব্র্যাডি এলিসন।আরও পড়ুনঃ কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধুপ্রবীণ যাদবের আগে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেন তরুণদীপ রাই। তবে তিনি ইজরায়েলের ইটে সানির বিরুদ্ধে দুর্দান্ত লড়াই করেছিলেন। প্রবীণ যাদব কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি। মিক্সড ইভেন্টে দীপিকা কুমারীর সঙ্গে জুটি বেঁধে ব্যর্থ হয়েছিলেন। পুরুষদের দলগত বিভাগেও ব্যর্থতা। তিরন্দাজি থেকে পদকের আশা প্রায় শেষ ভারতের।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tarundeep Rai : তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগের প্রি–কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় তরুণদীপ রাইয়ের

দলগত ও মিক্সড ইভেন্টের পর ব্যক্তিগত ইভেন্টেও ব্যর্থতা শুরু হল। ব্যক্তিগত ইভেন্টের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছলেও কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ তরুণদীপ রাই। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে ইজরায়েলের। ইটে সানির সঙ্গে দুর্দান্ত লড়াই করেও ৬৫ ব্যবধানে হেরে অলিম্পিক থেকে বিদায় নিতে হল।দলগত ইভেন্টের ব্যর্থতা কাটিয়ে ব্যক্তিগত ইভেন্টের দারুণভাবে শুরু করেছিলেন ভারতের এই অভিজ্ঞ তিরন্দাজ। রাউন্ড অফ ৩২এ তাঁর প্রতিপক্ষ ছিল ইউক্রেনের ওলেক্সি হুনবিন। তাঁকে ৬৪ ব্যবধানে হারিয়ে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলেন তরুণদীপ রাই। ওলেক্সি হুনবিনের বিরুদ্ধে সেরা ছন্দে ছিলেন তিনি।আরও পড়ুনঃ কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধুপ্রিকোয়ার্টার ফাইনালে ভারতীয় এই তিরন্দাজকে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হয়েছিল। আর শেষ ষোলোর লড়াইয়ে সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি তরুণদীপ। প্রথম সেটে তিনটি শটে তিনি সংগ্রহ করেন ২৪ স্কোর। অন্যদিকে ইটে সানি স্কোর করেন ২৮। প্রথম সেট জিতে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন ইজরায়েলি এই তিরন্দাজ। দ্বিতীয় সেটে অবশ্য দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান তরুণদীপ। ২৭২৬ ব্যবধানে জিতে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে সমতা ফেরান। তৃতীয় সেটে লড়াই আরও জমে ওঠে। দুজনই স্কোর করেন ২৭। তৃতীয় সেট অমীমাংসিতভাবে শেষ হওয়ায় দুজনই ১ পয়েন্ট করে পান। চতুর্থ সেট জিতে এগিয়ে যান তরুণদীপ রাই। দুর্দান্ত পারফরমেন্সের ভিত্তিতে তিনি স্কোর করেন ২৮। অন্যদিকে ইটে সানি স্কোর করেন ২৭। চতুর্থ সেটের শেষে তরুণদীপ ৫৩ এগিয়ে যান।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াপঞ্চম সেটে লড়াই জমে ওঠে। কিন্তু দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি তরুণদীপ রাই। ২৭২৮ ব্যবধানে পঞ্চম সেটে হেরে যান। দুজনের পয়েন্ট দাঁড়ায় ৫৫। কিন্তু মোট স্কোরের বিচার এগিয়ে থাকার সুবাদে ম্যাচ জিতে পরের রাউন্ডে পৌঁছে যান ইজরায়েলি তিরন্দাজ। আজই পুরুষদের ব্যক্তিগত ইভেন্টে প্রবীণ যাদব ও মহিলাদের সিঙ্গলস রিকার্ভে নামবেন দীপিকা কুমারী।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌India Women Hockey : গ্রেট ব্রিটেনের কাছেও হার, অলিম্পিক থেকে কার্যত ছিটকে গেলেন রানিরা

টানা ৩ ম্যাচ হেরে অলিম্পিক থেকে কার্যত ছিটকে গেল ভারতীয় মহিলা হকি দল। পুল এর ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে রানি রামপালরা হারলেন ৪১ ব্যবধানে।প্রথম ম্যাচে হল্যান্ডের কাছে ৫১ ব্যবধানে হেরেছিল ভারতীয় মহিলা হকি দল। দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির কাছে হার ২০ ব্যবধানে। পরপর দুটি ম্যাচ হেরে অনেকটাই ব্যকফুটে চলে গিয়েছিল ভারত। পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখতে গেলে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে জিততেই হত ভারতকে। কিন্তু রানি রামপালরা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াম্যাচের শুরু থেকেই গ্রেট ব্রিটেনের আধিপত্য। ২ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। হানা মার্টিন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। শুরুতেই গোল হজম করে হতদ্যোম হয়ে পড়ের রানি রামপালরা। তবে ১২ মিনিটে পরপর দুটি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। ১৭ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। নবনীত কাউর গোলের সামনে ফ্রি হিট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ২ মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ায় গ্রেট ব্রিটেন। সেই হানা মার্টিন আবার গোল করেন। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান গুরজিৎ কাউর।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা খেলায় ফেরে ভারত। শুরুতেই পরপর তিনটি পেনাল্টি কর্ণারও আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ৪১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় গ্রেট ব্রিটেন। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩১ করেন লিলি ওসলে। এখানেই ম্যাচে ফেরার আশা শেষ হয়ে যায় রানি রামপালদের। ম্যাচ শেষ হওয়ার মিনিট তিনেক আগে ডি বক্সের মধ্যে শরীর দিয়ে বল আটকালে পেনাল্টি পায় গ্রেট ব্রিটেন। গ্রেস ব্যালসডন পেনাল্টি থেকে ৪১ করেন।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধু

গ্রুপ লিগে দুটি ম্যাচেই জয়। অলিম্পিকে মহিলাদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন পিভি সিন্ধু। পদক জয়ের পথে এগোলেন আরও একধাপ। পিভি সিন্ধু গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার ঝড়ে উড়ে গিয়েছিলেন ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। জে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ ধরে রাখলেন। সিন্ধু এদিন চেয়াংকে হারালেন ২১৯, ২১১৬ ব্যবধানে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএনগান চেয়াংয়ের পক্ষে খুব বেশি প্রতিরোধ করার সুযোগ ছিল না। প্রথম গেমে এদিন চেয়াংকে দাঁড়াতেই দেননি। শুরু থেকেই ম্যাচে লিড নিতে থাকেন সিন্ধু। একসময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপর আস্তে আস্তে লিড বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২১৯ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরেন এনগান চেয়ুং। সিন্ধুর সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করতে থাকেন। একসময় ৬২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন সিন্ধু। সেখান থেকে টানা ৫ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ৭৬ ব্যবধানে এগিয়ে যান চেয়ুং। দ্বিতীয় গেমের শেষ দিকে লড়াই দারুণ জমে ওঠে। কখনও এগিয়ে যান চেয়ুং, কখনও আবার সিন্ধু। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান বিশ্বে ৬ নম্বর এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াগ্রুপের প্রথম ম্যাচে ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজ জয়। গ্রুপ লিগে সহজ প্রতিপক্ষ পেলেও এবার আসল লড়াই কোয়ার্টার ফাইনালে। তবে পদক জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করলেন পিভি সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। স্বপ্নপূরণের দিকে আরও একধাপ এগোলেন।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Krunal Pandya : ‌করোনায় আক্রান্ত ক্রুণাল পান্ডিয়া, স্থগিত ভারত–শ্রীলঙ্কা ম্যাচ

শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় শিবিরে করোনার থাবা। আক্রান্ত ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। স্থগিত হয়ে গেল ভারতশ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচ। ক্রুণালের সংস্পর্শে আসা ৮ জনকে টিম হোটেলেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে নিয়মমাফিক র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের পরই ক্রুণালের করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরই ভারতীয় দলের মেডিক্যাল টিম ক্রুণালের সংস্পর্শে আসা ৮ জনকে শনাক্ত করে টিম হোটেলেই আইসোলেশনে রেখেছে। দলের আর কোনও সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, তা জানার জন্য সকলের আরটিপিসিআর পরীক্ষা হবে।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতক্রিকেটাররা জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন উঠছে শ্রীলঙ্কার জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়েও। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের আগে শ্রীলঙ্কার রিজার্ভ ক্রিকেটারদের মধ্যেও একজন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাছাড়া ইংল্যান্ড সফর সেরে ফেরা ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ও অ্যানালিস্ট জিটি নিরোশনের করোনা ধরা পড়ায় অতিরিক্ত কয়েক দিন আইসোলেশনে থাকতে হয় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের। তারপর ফের সিরিজের দিনক্ষণ বদলে একদিনের সিরিজ শুরু হয়েছিল। টি২০ সিরিজ শেষের কথা ২৯ জুলাই। দলে বাকি সদস্যদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এলে মঙ্গলবারের স্থগিত ম্যাচ বুধবার হবে। সূচি অনুযায়ী তৃতীয় টি২০ ম্যাচ বৃহস্পতিবারই হবে। তবে সবটাই নির্ভর করবে আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্টের উপরই। শ্রীলঙ্কা দলের কেউ অবশ্য করোনা আক্রান্ত নন।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালএকজন ক্রিকেটারে করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় কয়েকদিন আগে টসের পর স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পরে সেই ম্যাচ খেলা হয়। এবার অনেকটা একই অবস্থা ভারতের শ্রীলঙ্কা সফরে। শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই স্থগিত হল ম্যাচ। শ্রীলঙ্কা থেকে পৃথ্বী শ ও সূর্যকুমার যাদবের ইংল্যান্ড রওনা হওয়ার কথা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা কবে রওনা দেবেন তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এমনিতেই ইংল্যান্ডে গিয়ে কঠোর নিভৃতবাসে থাকতে হবে। ফলে প্রথম টেস্টের জন্য তাঁরা বিবেচিত হতেন না। দ্বিতীয় টেস্টের আগে তাঁরা দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। কিন্তু সবটাই নির্ভর করছে ভারতীয় শিবিরে করোনা পরিস্থিতির ওপর।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Badminton : গ্রুপ লিগে শেষ ম্যাচ জিতেও বিদায় সাত্ত্বিকসাইরাজ ও চিরাগ জুটির

গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে জিতেও শেষরক্ষা হল না। টোকিও অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনে পুরুষদের ডাবলস থেকে ছিটকে যেতে হল এই ভারতীয় জুটিকে। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি। গ্রুপ লিগে চাইনিজ তাইপে, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত দুটি করে ম্যাচ জিতলেও বেশি সেট জেতার ব্যাপারে পিছিয়ে থাকায় বিদায় নিতে হলে ভারতীয় জুটিকে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরগ্রুপ লিগে অবশ্য দারুণভাবে শুরু করেছিল সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি। গ্রুপ এতে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই উড়িয়ে দিয়েছিল বিশ্ব ডাবলস র্যাঙ্কিংয়ে তিন নম্বরে থাকা চাইনিজ তাইপের ইয়াং লি এবং চিলিন ওয়াং জুটিকে। গ্রুপ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্বের ১ নম্বর জুটি ইন্দোনেশিয়ার মার্কাস ফার্নাল্ডো গিডেয়োন ও কেভিন সঞ্জয়া সুকামুলজো বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাস নিয়েই কোর্টে নেমেছিল। কিন্তু পেরে উঠেননি। হারতে হয় ২১১৩, ২১১২ ব্যবধানে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াগ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচ ছিল গ্রেট ব্রিটেনের বেন লেন ও সিন ভেন্ডির বিরুদ্ধে। শুরু থেকেই ম্যাচে দাপট দেখাতে থাকে সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি। প্রথম সেটে একসময় অনেকটা এগিয়েও যায়। পরের দিকে বেন লেন ও সিন ভেন্ডি খেলায় ফেরেন। ব্যবধান কমালেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২১১৭ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমে অবশ্য লড়াই বেশ জমে উঠেছিল। কখনও এগিয়ে যায় ভারতীয় জুটি, কখনও আবার গ্রেট ব্রিটেনের জুটি। তবে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত ২১১৯ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেয় সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতজিতেও হতাশ হতে হল ভারতীয় জুটিকে। কারণ চাইনিজ তাইপের লি ইয়ং এবং ওয়াং চি লিন বিশ্বের ১ নম্বর জুটি ইন্দোনেশিয়ার মার্কাস ফার্নাল্ডো গিডেয়োন ও কেভিন সঞ্জয়া সুকামুলজোকে হারায়। চাইনিজ তাইপে, ইন্দোনেশিয়া ও ভারতীয় জুটির পয়েন্ট সমান হয়ে যায়। বেশি সেট জেতায় চাইনিজ তাইপের জুটি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছে। ভারতীয় ব্যাডমিন্টনে এখন পদকের আশা শুধু পিভি সিন্ধুর।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Hockey : স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত

অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর দারুণ ভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। পুল এতে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে স্পেনকে হারাল ৩০ ব্যবধানে। ভারতের জয়ের নায়ক রুপিন্দার পাল সিং। জোড়া গোল করেন তিনি। একটি গোল করেন সিমরণ সিং। স্পেনকে হারিয়ে ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ভারত।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরপ্রথম ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ৩২ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। দুর্দান্ত খেলেছিলেন রুপিন্দার ও গোলকিপার শ্রীজেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্বের ১ নম্বর দল অস্ট্রেলিয়ার কাছে দাঁড়াতেই পারেনি ভারত। ৭১ ব্যবধানে উড়ে যায়। তিনকাঠির নীচে জঘন্য খেলেন শ্রীজেশ। মূলত তাঁর দোষেই বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল ভারতকে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াস্পেনের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের ভুল শুধরে মাঠে নেমেছিলেন মনপ্রীতরা। এদিন অনেক বেশি সপ্রতিভ ছিলেন। তবে ম্যাচের শুরুর দিকে স্পেনের প্রাধান্য ছিল। ভারতের লক্ষ্য ছিল প্রতি আক্রমণ থেকে গোল তুলে নেওয়া। সেই লক্ষ্যে সফল মনপ্রীতরা। ১৬ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সিমরণজিৎ সিং। ২ মিনিট পর পেনাল্টি কর্ণার পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। ১৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় ভারত। পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান রুপিন্দার পাল সিং। প্রথম কোয়ার্টারে ২০ ব্যবধানেই এগিয়ে ছিল ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠা স্পেন। কিন্তু শক্তিশালী ভারতীয় ডিফেন্স ভেদ করতে পারেনি। গোলকিপার শ্রীজেশও দক্ষতার পরিচয় দেন।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতদ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আবার ভারতকে চেপে ধরে স্পেন। প্রথমার্ধের মতো সেই একই স্ট্র্যাটেজি, মাঝখান দিয়ে আক্রমণ করা। ভারতও পাল্টা চাপ দিতে শুরু করে। এরই মাঝে আম্পায়ার লক্ষ্য করেন স্পেনের ১২ জন খেলোয়াড় মাঠে রয়েছে। আম্পায়ার খেলা থামিয়ে স্পেনের মিগুয়েল ডিলাসকে হলুদ কার্ড দেখান। ৫ মিনিটের জন্য তাঁকে মাঠের বাইরে বসতে হয়। বিপক্ষ ১০ জন হয়ে যাওয়ার সুযোগ নিতে পারেনি ভারত। ম্যাচের ৫১ মিনিটে তৃতীয় গোল পায় ভারত। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩০ করেন রুপিন্দার পাল সিং। ম্যাচের শেষ কোয়ার্টারে তিনতিনটি পেনাল্টি কর্ণার পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি স্পেন।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sharath Kamal : অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলের

অলিম্পিক থেকে পদক জিতে দেশে ফিরবেন। এই স্বপ্ন নিয়েই টোকিও গিয়েছিলেন। স্বপ্নপূরণ হল না শরথ কমলের। তৃতীয় রাউন্ডে চানের মা লংয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক অভিযান শেষ এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার। ম্যাচের ফল ৪১। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছিলেন শরথ কমল। ৪২ ব্যবধানে জিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃতীয় রাউন্ডে। এদিনও চীনের মা লংএর কাছে প্রথম গেম হেরে পিছিয়ে পড়েছিলেন। দ্বিতীয় গেমে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেও শেষ রক্ষা হল না।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াপ্রথম গেমের শুরুতেই ৩৫ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছিলেন শরথ কমল। সমতা ফিরিয়ে ৫৫ করেন। এরপর টানা ৪টি পয়েন্ট তুলে নিয়ে ৯৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান মা লং। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি শরথ কমল। ১১৭ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমে শুরু থেকেই লড়াই জমে ওঠে একসময় ৮৪ পয়েন্টে শরথ কমল এগিয়ে গেলেও সমতা ফেরান মা লং। ৮৮ অবস্থা থেকে টানা ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়ে গেম জিতে নেন শরথ।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩তৃতীয় গেমেও সেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। বিশ্বের ২ নম্বর তারকাকে বিন্দুমাত্র জমি ছাড়েননি এই ভারতীয় টেবিল টেনিস তারকা। তবে তিনতিনবার গেম পয়েন্ট বাঁচিয়েও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ১৩১১ পয়েন্টে তৃতীয় গেম জিতে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে যান মা লং। চতুর্থ গেমে শরথ কমলকে একেবারেই দাঁড়াতে দেননি চীনের এই টেবিল টেনিস তারকা। ১১৪ ব্যবধানে গেম জিতে নেন। ৩১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার আশা কার্যত শেষ হয়ে যায় শরথ কমলের। পঞ্চম গেমেও একেবারেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। ১১৪ ব্যবধানে উড়ে যান।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sharath Kamal: ‌অলিম্পিক টিটি–র তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমল

অলিম্পিকে পদকের স্বপ্ন নিয়েই এবার টোকিও পাড়ি। সেই স্বপ্নের দিকে ক্রমশ এগিয়ে চলেছেন ভারতীয় টেবিল টেনিস তারকা শরথ কমল। পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়াকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে পুরুষদের সিঙ্গলসের তৃতীয় রাউন্ডে পৌছে গেলেন। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমলের থেকে বেশ কয়েকধাপ পিছিয়ে পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমল রয়েছেন ৩২ নম্বরে। অন্যদিকে, থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া রয়েছেন ৫৬ নম্বরে। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও শরথ কমলকে যথেষ্ট বেগ দিয়েছিলেন পর্তুগালের এই তারকা।প্রথম গেমে শরথ কমলকে দাঁড়াতেই দেননি থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। ১১২ পয়েন্টে গেম জিতে নেন। জড়তা কাটিয়ে দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ফিরে আসেন শরথ কমল। ১১৮ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন শরথ কমল। ১১৫ পয়েন্টে তৃতীয় গেম জিতে নেন। চতুর্থ গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। দুর্দান্ত লড়াই করে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান।ম্যাচে সমতা ফেরায় পরই যেন সম্বিত ফেরে শরথ কমলের। পঞ্চম গেমে আবার জ্বলে ওঠেন। ১১৬ পয়েন্টে জিতে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ষষ্ঠ গেমে অবশ্য লড়াই দারুণ জমে উঠেছিল। একসময় স্কোর ছিল ৯৯। সেখান থেকে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান শরথ কমল। তৃতীয় রাউন্ডে তাঁর সামনে চীনের মা লং।২০০৪ সালে এথেন্স অলিম্পিকে প্রথম খেলার সুযোগ পান শরথ কমল। সাফল্য পাননি। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকেও সেই ব্যর্থতা। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে খেলার ছাড়পত্র পাননি। এশিয়ান কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে ইরানের নোশাদ আলামিনানকে হারিয়ে ২০১৬ রিও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু রোমানিয়ার আদ্রিয়ান ক্রিসানের কাছে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল শরথ কমলকে। ভাল প্রস্তুতি নিয়েই যে এবার টোকিও অলিম্পিকে গিয়েছেন শরথ কমল, প্রথম রাউন্ড থেকেই প্রমাম দিয়ে যাচ্ছেন।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Archery : কোয়ার্টার ফাইনালেই অভিযান শেষ ভারতীয় পুরুষ তীরন্দাজ দলের

মহিলাদের তীরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে হতাশ করেছিলেন দীপিকা কুমারী। মিক্সড ইভেন্টেও ব্যর্থতা। র্যাঙ্কিং রাউন্ডেও অনেক পেছনে শেষ করেছিল ভারতীয় তীরন্দাজরা। পুরুষদের দলগত বিভাগে দুর্দান্ত শুরু করেও শেষরক্ষা হল না ভারতের। কাজাখস্তানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন অতনু দাসরা। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে রিপাবলিক কোরিয়ার কাছে ০৬ ব্যবধানে হেরে অলিম্পিকে পদক জয়ের আশা শেষ ভারতীয় পুরুষ দলের। এলিমিনেশন রাউন্ডে এদিন কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন অতনু দাস, প্রবীণ যাদব ও তরুণদীপ রাই। অতনু দাসরা প্রথম সেটে স্কোর করেন ৫৫। কাজাখস্তানের স্কোর ৫৪। প্রথম সেট জিতে ২ পয়েন্ট ঘরে তোলে ভারত। দ্বিতীয় সেটেও অতনুদের দাপট অব্যাহত ছিল। ভারত স্কোর করে ৫২, অন্যদিকে কাজাখস্তানের স্কোর ৫০। দ্বিতীয় সেট জিতে আরও ২ পয়েন্ট ঘরে তোলেন ভারতীয় তীরন্দাজরা। তৃতীয় সেটে অবশ্য কাজাখস্তান এগিয়ে যায়। কাজাখস্তান স্কোর করে ৫৭। ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৫৬। তৃতীয় সেট জিতে ২ পয়েন্ট পেয়ে ব্যবধান কমায় কাজাখস্তান। চতুর্থ সেটে অবশ্য প্রতিপক্ষকে কোনও সুযোগই দেননি অতনুরা। ৫৫৫৪ ব্যবধানে জিতে ২ পয়েন্ট পেয়ে যান। ৬২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় ভারত। কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথম সেটে ৫৯৫৪ স্কোরে জিতে ২ পয়েন্ট পেয়ে এগিয়ে যায় কোরিয়া। দ্বিতীয় সেটেও সেই কোরিয়ার আধিপত্য। কোরিয়া স্কোর করে ৫৯, ভারত ৫৭। তৃতীয় সেটে কোরিয়ার স্কোর ৫৬, ভারতের ৫৪। ৬০ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় কোরিয়া। টোকিও অলিম্পিকের যে যে ইভেন্ট থেকে ভারতের পদকে আশা রয়েছে, তার মধ্য তীরন্দাজি অন্যতম। অথচ এই বিভাগের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। র্যাঙ্কিং রাউন্ডে অনেকটাই পিছিয়ে শেষ করেন ভারতীয় তীরন্দাজরা। মিক্সড ইভেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে হেরে বিদায় নেয় বিশ্বের এক নম্বর মহিলা তীরন্দাজ দীপিকা কুমারী ও প্রবীণ যাদব জুটি। ফলে পুরুষদের দলগত ইভেন্ট ভারতীয় আর্চারদের কাছে প্রমাণ করার মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাপ নিয়েই এদিন কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন অতনু রাইরা।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sutirtha Mukherjee : অলিম্পিক টিটি–র দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় বঙ্গতনয়া সুতীর্থার

প্রথম রাউন্ডে সুইডেনের লিসা বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে চমক দিয়েছিলেন সুতীর্থা মুখার্জি। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের ফু ইউয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক থেকে বিদায় নিলেন এই বাঙালি টেবিল টেনিস তারকা। ৪০ ব্যবধানে সুতীর্থাকে উড়িয়ে জিতলেন ফু ইউ। বয়স যে কোনও বাধা নয়, প্রমাণ করে দিলেন এই পর্তুগালের প্যাডলার। অভিজ্ঞতা দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন ফু ইউ।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপ্রথম রাউন্ডে বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে দেশবাসীর প্রত্যাশা বাড়িয়েছিলেন সুতীর্থা। আরও একটা অঘটনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে একেবারেই জ্বলে উঠতে পারলেন না। পর্তুগালের ফু ইউয়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। বলতে গেলে অভিজ্ঞতার কাছে হারতে হল সুতীর্থাকে। তার ওপর জীবনের প্রথম অলিম্পিক। চাপ তো ছিলই। সেই চাপ থেকেও বেরিয়ে আসতে পারেননি এই বাঙালী টেবিল টেনিস তারকা।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল ফু ইউয়ের। প্রথম গেমে মাত্র ৩টি পয়েন্ট সংগ্রহ করতে সমর্থ হন সুতীর্থা। তাও আবার তিনটি পয়েন্টই এসেছিল ফু ইউয়ের ভুলের জন্য। প্রথম গেম ১১৩ ব্যবধানে জিতে নেন ফু ইউ। দ্বিতীয় গেমেও সুতীর্থাকে দাঁড়াতেই দেননি ৪২ বছর বয়সী চীনা বংশোদ্ভুত এই পর্তুগালের টেবিল টেনিস তারকা। ১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুকোচ সৌম্যদীপ রায়ের পরামর্শ নিয়ে তৃতীয় গেমে শুরুর দিকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সুতীর্থা। কিন্তু তাঁকে কোনও সুযোগ দেননি। ফু ইউ। ১১৫ ব্যবধানে জিতে ৩০ গেমে এগিয়ে যান। চতুর্থ গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন ফু ইউ। ১১৫ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান বর্ষীয়ান এই টেবিল টেনিস তারকা। সুতীর্থা বিদায় নেওয়ায় টেবিল টেনিসে ভারতের আশা শুধু শরথ কমল ও মনিকা বাত্রা। কিন্তু মনিকা যেভাবে বিতর্কে জড়িয়ে ফোকাস হারাচ্ছেন, কতদূর এগোবেন বলা কঠিন।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : ‌টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারত

একদিনের সিরিজের পর টি২০ সিরিজেও ভারতের দাপট অব্যাহত। প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৩৮ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। দুরন্ত বোলিং করে দলকে জেতালেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২২ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন সূর্যকুমার যাদবআরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরটসে জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা। মেঘলা আবহাওয়া ও মন্থর উইকেটের কথা মাথায় রেখেই তিনি প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অধিনায়কের সিদ্ধান্তর মর্যাদা দেন দুষ্মন্ত চামিরা। দিনের প্রথম বলেই তুলে নেন টি২০ ক্রিকেটে অভিষেককারী পৃথ্বী শকে (০)। শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান ও সঞ্জু স্যামসন। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই ফিরে যান সঞ্জু (২০ বলে ২৭)। ভারতের রান তখন ৫১/২।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেধাওয়ানের সঙ্গে পরে সূর্যকুমারের জুটি বেশ জমে উঠেছিল। মন্থর উইকেটে নিজেদের সেরা শট খেলতে পারছিলেন না ধাওয়ান ও সূর্যকুমার। ৩৬ বলে ৪৬ রান করে করুণারত্নের বলে আউট হন ধাওয়ান। পরের ওভারেই হাসারাঙ্গার বলে ফেরেন সূর্যকুমার। ৩৪ বলে তিনি করেন ৫০। সূর্যকুমারের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ২টি ৬। টি২০ সিরিজেও খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পারলেন না হার্দিক পান্ডিয় (১২ বলে ১০)। ১৪ বলে অপরাজিত ২০ রান করে ভারতকে ২০ ওভারে ১৬৪/৫ রানে পৌঁছে দেন ঈশান কিশান।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মিনোড ভানুকাকে (৭ বলে ১০) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে (১০ বলে ৯) ফেরান যুজবেন্দ্র চাহাল। আভিস্কা ফান্দান্দোকে (২৩ বলে ২৬) তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। চরিথ আসালঙ্কা ও আশেন বান্দারা দলকে টেনে নিয়ে যান। বান্দারাকে (১৯ বলে ৯) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন হার্দিক পান্ডিয়া। আসালঙ্কাকে (২৬ বলে ৪৪) দীপক চাহার তুলে নিতেই শ্রীলঙ্কার জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। ১৮.৩ ওভারে ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস।

জুলাই ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

গল টেস্টে ভয়াবহ মুহূর্ত! রাহুলের শটে হেলমেটে বল, হাসপাতালে শ্রীলঙ্কার ওপেনার

ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই গলে তৈরি হল উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কেএল রাহুলের জোরালো সুইপ শটের বল সরাসরি গিয়ে আঘাত করল শ্রীলঙ্কার ওপেনার নিশান মধুশকার হেলমেটে। শর্ট লেগে ফিল্ডিং করার সময় এই আঘাত পান তিনি। ঘটনার পর দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও। কনকাশন পরীক্ষা করার পর মধুশকাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দশম ওভারে। প্রভাত জয়াসূর্যের করা ওভারের পঞ্চম বলটি রাহুল সুইপ করেন। বলটি ব্যাটের মাঝখান থেকে প্রচণ্ড গতিতে শর্ট লেগ অঞ্চলের দিকে ছুটে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মধুশকা বিপদ বুঝে দ্রুত মাথা নিচু করার চেষ্টা করলেও বলের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই বলটি তাঁর হেলমেটের মাঝামাঝি অংশে সজোরে আঘাত করে।আঘাতের পর বলটি ফাইন লেগের দিকে চলে যায়। ফলে রান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভারতের ব্যাটাররা রান সম্পূর্ণ করেন। রাহুল অবশ্য প্রথমে রান নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না। কিন্তু নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা যশস্বী জয়সওয়াল ইতিমধ্যেই দৌড় শুরু করে দেওয়ায় রানটি সম্পূর্ণ করতে হয়। রান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধুশকার দিকে ছুটে যান রাহুল। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।এরপর দ্রুত মাঠে প্রবেশ করেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও এবং চিকিৎসাকর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মধুশকার কনকাশন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার পর তাঁকে আর মাঠে রাখা হয়নি। ফিজিওর সঙ্গে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁর চোটের প্রকৃতি বা গুরুতরতা এবং তিনি পরবর্তীতে এই টেস্টে ব্যাট করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।মধুশকার চোটের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মাথায় সরাসরি বল লাগার ঘটনায় ক্রিকেটে কনকাশন প্রোটোকল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, প্রথম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছে ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুলের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় দল। প্রথম উইকেটে দুজনে ৬৬ বলে ৪৭ রান যোগ করেন।তবে ১১তম ওভারের শেষ বলে ছন্দপতন ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন জয়সওয়াল। ৩৭ বলে ৩২ রানের ইনিংসে তিনি মারেন পাঁচটি চার।জয়সওয়াল ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন রাহুল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। দুজনেই ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। পাড়িক্কল আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করার পাশাপাশি রাহুলও নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। ফলে প্রথম সেশনেই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।লাঞ্চের সময় ২৭ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১০১ রান। একদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট, অন্যদিকে মধুশকার চোটপ্রথম দিনের প্রথম সেশন তাই দুই দলের জন্য দুই ভিন্ন ছবি তুলে ধরল। এখন সকলের নজর নিশান মধুশকার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী আপডেটের দিকে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শতবর্ষের ঐতিহ্যে দেশপ্রেমের আবহ, দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তিতে দেশপ্রেম ও ঐতিহ্যের আবহে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে। শতবর্ষ প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। পতাকা উত্তোলনের পর বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের অঙ্গীকারই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল বার্তাএমনই আহ্বান জানান তিনি।বিদ্যালয়ের বরিষ্ঠ শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, বিবিধের মাঝে মিলন মহানএই আদর্শকে সামনে রেখে দেশভাগ ও পরাধীনতার গ্লানি পেরিয়ে স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ঐক্য, সম্প্রীতি ও দেশাত্মবোধের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।অনুষ্ঠানের সূচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর উদয়পল্লীর বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। ত্রিবর্ণ পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মনীষীদের বাণী, দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পাঠের মাধ্যমে স্বাধীনতার ইতিহাস ও চেতনাকে তুলে ধরা হয়। শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডলের পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় অঙ্কন, প্রবন্ধরচনা, কুইজ, নৃত্য ও সঙ্গীত-সহ একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিক্ষিকা সুনীতা সাহার ব্যবস্থাপনা এবং দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রতিযোগিতাগুলিতে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় ছাত্রছাত্রীরা। কুইজে প্রথম স্থানাধিকারী দলের সদস্য সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী শ্রাবণী ভট্টাচার্য জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকায় বিদ্যালয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।এদিন নবম শ্রেণির ছাত্রীদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় দেওয়াল পত্রিকা স্পন্দন-এর বিশেষ রঙিন সংখ্যা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিশু সংসদের প্রধানমন্ত্রী, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সায়ন্তিকা কর্মকারের নেতৃত্বে মন্ত্রী ও সহকারীরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলায়।পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে। সবুজ ভলেন্টিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে ইকো ক্লাবের উদ্যোগে জাম গাছ রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।শেষপর্বে শিক্ষাকর্মী প্রদীপ বিশ্বাসের দায়িত্বে এবং তরুণ দাসের নেতৃত্বে উপস্থিত সকলের মধ্যে লুচি, মিষ্টি-সহ নানা খাবার বিতরণ করা হয়। স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশপ্রেম, সাংস্কৃতিক চেতনা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তাকে একসূত্রে বেঁধে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা শুধু একটি দিন নয়, বারবার ফিরে আসে—জয়ের পতাকায়, গৌরবের মুহূর্তে

স্বাধীনতাশব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭-এর সেই ঐতিহাসিক সকাল। দীর্ঘ পরাধীনতার অন্ধকার পেরিয়ে ভারতবর্ষ সেদিন পেয়েছিল নিজের আকাশ, নিজের পতাকা, নিজের পরিচয়। কিন্তু স্বাধীনতা কি কেবল একটি তারিখ? কেবল একটি দিনের উদ্যাপন? কেবল লালকেল্লার প্রাচীর থেকে ভেসে আসা ভাষণ, জাতীয় পতাকার উত্তোলন আর জাতীয় সঙ্গীতের গর্বিত সুর?না।স্বাধীনতা আসলে ফিরে ফিরে আসে।কখনও তা আসে একটি ক্রিকেট মাঠে, কখনও অলিম্পিকের ট্র্যাকের ওপর, কখনও হকির সবুজ ঘাসে, কখনও কোনও বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে, কোনও সুরকারের সুরে। কখনও আবার আসে এমন এক ভারতীয়ের চোখের জলে, যে নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের মঞ্চে উঠতে দেখে বুকের ভিতর অদৃশ্য এক ঢেউ অনুভব করে।১৯৮৩ সাল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের সামনে তখন দাঁড়িয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিল দেবের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলা সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের জয় ছিল না। তা ছিল আত্মবিশ্বাসের বিস্ফোরণ। সেদিন যেন ভারত বুঝেছিলআমরাও পারি। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরাও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের গল্প লিখতে পারি। ১৯৪৭-এ যে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল, ১৯৮৩-তে তার আত্মবিশ্বাস যেন আরও একবার স্বাধীনতার স্বাদ পেল।তারও বহু আগে, ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের হকিতে ভারত প্রথম সোনা জিতেছিল। ধ্যানচাঁদের জাদুকাঠিতে ভারতীয় হকি তখন বিশ্বকে দেখিয়েছিল এক অন্যরকম শিল্প। পরপর বহু অলিম্পিকের মঞ্চে ভারতীয় হকি দলের সাফল্য দেশের ক্রীড়া-পরিচয়ের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠেছিল। তেরঙ্গা যখন বিদেশের মাটিতে উঠত, তখন মনে হতোএই তো স্বাধীনতা! বন্দুকের গর্জন নয়, স্টিক আর বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণেও একটি জাতি তার অস্তিত্বের ঘোষণা করতে পারে।তারপর আসে অ্যাথলেটিক্সের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতের অলিম্পিক সাফল্যের ইতিহাসে নীরজ চোপড়ার সোনার পদক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। টোকিও অলিম্পিকের সেই রাতএকজন ভারতীয় যখন জ্যাভলিন ছুড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখলেন, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ঘরে ঘরে যেন আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়ল। মাঠে একজন, কিন্তু গর্বে ছিল ১৪০ কোটিরও বেশি হৃদয়।ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের আর এক অমর নাম পি. টি. উষা। আশির দশকে এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে তাঁর দৌড় ভারতীয় মেয়েদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিল। ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার-সহ একাধিক পদক জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেনভারতের মেয়েরাও বিশ্বের দ্রুততম ট্র্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর পায়ের শব্দ শুধু একটি দৌড়ের শব্দ ছিল না; তা ছিল সামাজিক বাধা, সংশয় আর প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক তরুণীর স্বাধীনতার ঘোষণা।এরপর এল ক্রিকেটের আর একটি নতুন অধ্যায়। ২০০৭ এ প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে তরুণ ভারতীয় দল যখন ট্রফি হাতে তুলল, তখন ক্রিকেটের নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার স্বাদ যেন আরও একবার নতুন করে ধরা দিল। আর ২০১১ সালে ঘরের মাঠে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই ছক্কাআজও ভারতীয় ক্রীড়া-স্মৃতির অন্যতম আবেগঘন ছবি। একজন অধিনায়ক ট্রফি তুলেছিলেন, কিন্তু আসলে যেন কোটি কোটি মানুষ নিজেদের স্বপ্নকে তুলে ধরেছিল।স্বাধীনতার এই গল্প শুধু খেলাধুলায় থেমে নেই।ভারতীয় সংস্কৃতির বিশ্বজয়ের কথাও তো একইভাবে বলতে হয়। সত্যজিৎ রায়ের Pather Panchali কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিল। ১৯৯২ এ বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান ও অনন্য সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সত্যজিৎ রায়কে সম্মানসূচক অনারারি অস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি। এই পুরস্কার কোনো একটি নির্দিষ্ট ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর সমগ্র চলচ্চিত্র জীবন, শিল্পসত্তা এবং বিশ্বসিনেমায় তাঁর গভীর ও স্থায়ী প্রভাবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। অসুস্থ সত্যজিতের বিছানায় শুয়ে অস্কার হাতে নিয়ে যে বক্তব্য দেন তা আজও আপামোর চলচিত্রপ্রেমীর কানে বাজে। পরে ২০০৯ সালে এ. আর. রহমান Slumdog Millionaire চলচ্চিত্রের জন্য দুটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সুরের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেন। অস্কারের মঞ্চে তাঁর সুরের প্রতিধ্বনি যখন বিশ্ব শুনেছিল, তখন সেটিও ছিল এক ধরনের স্বাধীনতানিজের মাটির সুরকে পৃথিবীর কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বাধীনতা।বিজ্ঞানেও এমন অসংখ্য মুহূর্ত এসেছে। মহাকাশে ভারতের সাফল্য, চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণ, মঙ্গলযানের অসাধারণ অভিযানপ্রতিটি সাফল্যের মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে সেই একই অনুভূতি। একসময় যে দেশ নিজের মানুষের খাদ্য ও অর্থনীতির চিন্তায় সংগ্রাম করছিল, সেই দেশই একদিন মহাকাশের অজানা প্রান্তে নিজের পতাকা পৌঁছে দেয়। এই অগ্রযাত্রাও স্বাধীনতারই আর এক ভাষা।কারণ স্বাধীনতা মানে শুধু পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে শেখা।স্বাধীনতা মানেআমি পারব বলার সাহস।স্বাধীনতা মানেব্যর্থতার পরেও আবার উঠে দাঁড়ানো।স্বাধীনতা মানেবিশ্বের চোখে চোখ রেখে নিজের পরিচয় ঘোষণা করা।তাই ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করব কেন? আমরা মনে করব সেই সব দিনকে, যেদিন ভারত নতুন করে জিতেছিল। কোনও খেলোয়াড়ের হাতে যখন পদক উঠেছে, কোনও বিজ্ঞানীর অভিযানে যখন ভারতীয় পতাকা মহাকাশ ছুঁয়েছে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে যখন ভারত বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে, কোনও তরুণ-তরুণী যখন অসম্ভবকে সম্ভব করেছেসেই প্রতিটি মুহূর্তে স্বাধীনতা নতুন করে জন্ম নিয়েছে।স্বাধীনতার বয়স আজ ৭৯ বছর। কিন্তু স্বাধীনতা বৃদ্ধ হয়নি। বরং প্রতিটি নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে তার বয়স কমে আসে। কোনও শিশুর হাতে ক্রিকেট ব্যাটে, কোনও কিশোরীর দৌড়ের জুতোয়, কোনও তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর তুলিতে, কোনও সুরকারের যন্ত্রেস্বাধীনতা প্রতিদিন নতুন হয়ে ওঠে।১৫ই আগস্ট তাই শুধু অতীতের স্মৃতির দিন নয়। এটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিনও।যে তেরঙ্গা ১৯৪৭ সালে পরাধীনতার আকাশে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে উঠেছিল, সেই তেরঙ্গাই আজও ওঠেলর্ডসের মাঠে, অলিম্পিকের মঞ্চে, বিশ্বকাপের আসরে, অস্কারের মঞ্চে, মহাকাশযানের অভিযানে, কিংবা কোনও অচেনা ভারতীয়ের ছোট্ট সাফল্যের মুহূর্তে।সেখানেই স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্য।স্বাধীনতা একবার অর্জন করা কোনও স্মারক নয়স্বাধীনতা এমন এক অনুভূতি, যা প্রতিটি প্রজন্ম নিজের সাফল্য দিয়ে নতুন করে অর্জন করে।তাই ১৫ই আগস্ট শুধু একটি দিন নয়।স্বাধীনতা বারবার ফিরে আসে।জয়ের পতাকায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, করতালির শব্দে, স্বপ্নপূরণের হাসিতেআর কোটি কোটি ভারতীয়ের বুকের ভিতর নিঃশব্দে উচ্চারিত একটি শব্দেভারত।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষুদিরামের ফাঁসির মঞ্চ থেকে মাতঙ্গিনীর রক্তাক্ত পতাকা, বাঙালির হৃদয়ে অমর এই পাঁচ স্বাধীনতা সংগ্রামী

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাংলার মাটি যেমন জন্ম দিয়েছে ক্ষুদিরাম বসুর মতো কিশোর বিপ্লবীকে, তেমনই তাম্রলিপ্তের মাটিতে উঠে এসেছে মাতঙ্গিনী হাজরা, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রামী নেতৃত্ব। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার লড়াইকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছিল।মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ইতিহাসে অমর হয়ে যান ক্ষুদিরাম বসু। ১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক ডগলাস কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে বোমা হামলার ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হন। ১১ আগস্ট ১৯০৮ তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুর মুখেও তাঁর নির্ভীকতা ও হাসিমুখ বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে।অন্যদিকে, ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে পূর্ব মেদিনীপুরের মাতঙ্গিনী হাজরা হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। গান্ধীবুড়ি নামে পরিচিত এই বৃদ্ধা ২৯ সেপ্টেম্বর তমলুক থানার দিকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়েই তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর আত্মবলিদান বাংলার নারীশক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সুশীল ধারা-র। ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তিনি সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেন। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের যুদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বও সামলেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিদ্যুৎ বাহিনী, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।সতীশচন্দ্র সামন্ত ছিলেন তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রথম সর্বাধিনায়ক। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গঠিত এই সমান্তরাল সরকার তমলুক ও কাঁথি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্রিটিশ প্রশাসনের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী সংগঠন, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এই সরকারের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের নেতৃত্বে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্বাধীনতার পরও তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেমে থাকেনি। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান থেকে মাতঙ্গিনীর পতাকা হাতে মৃত্যুবরণ, আর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের সংগঠিত প্রতিরোধ, এই সমস্ত অধ্যায় প্রমাণ করে, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু কয়েকজন বিপ্লবীর কাহিনি নয়। এটি ছিল অসংখ্য মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের সম্মিলিত ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানের মাটিতে জন্ম বীর বিপ্লবীর, রাসবিহারী বসুর কর্মকাণ্ডে কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ শাসন

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে রাসবিহারী বসু এক অনন্য নাম। ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের অন্যতম প্রধান সংগঠক এই বিপ্লবীর জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-২ ব্লকের সুবলদহ গ্রামে। ১৮৮৬ সালের ২৫ মে বিনোদবিহারী বসু ও ভুবনেশ্বরী দেবীর ঘরে জন্ম তাঁর।সুবলদহেই কেটেছে রাসবিহারী বসুর শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়। গ্রামের পাঠশালায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার শুরু। ঠাকুরদা কালীচরণ বসুর তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার পাশাপাশি লাঠিখেলা, সাঁতার ও নৌকা চালনার মতো শারীরিক কসরতেও দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে দানা বাঁধে দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা। পরবর্তী সময়ে চন্দননগরে পড়াশোনা করার সময় বিপ্লবী চিন্তাধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয়।কর্মজীবনে দেরাদুনের ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হেডক্লার্কের কাজ করলেও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করা। বাংলার পাশাপাশি উত্তর ভারত ও পাঞ্জাবের বিপ্লবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তোলেন তিনি। ১৯১২ সালে দিল্লিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের উপর বোমা হামলার ষড়যন্ত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এরপর ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি জাপানে পালিয়ে যান।জাপানে গিয়েও থেমে থাকেননি রাসবিহারী। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগঠিত করতে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স লিগ গড়ে তোলেন। ১৯৪২ সালে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে সেই সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।১৯৪৫ সালের ২১ জানুয়ারি টোকিওতে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে সুবলদহের মাটিতে জন্ম নেওয়া এই বিপ্লবীর দেশমুক্তির স্বপ্ন ও সংগ্রাম আজও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।বর্ধমান মডেল স্কুলের নৃত্য বিভাগের প্রধান শিক্ষিকা প্রখ্যাত ওডিশি নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্র জানান, এবারের তাঁদের থিম The Rhythm of Togetherness এটি Dance ও Sociology বিভাগের এক অনন্য যৌথ উপস্থাপনা, যেখানে নৃত্য ও সমাজবিজ্ঞানের নিজস্ব ভাবনাগুলি সুন্দরভাবে একসূত্রে মিলিত হয়েছে। এই থিমের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরতে চেয়েছি ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের চিত্র। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতি, খাদ্য, পোশাক ,সংস্কৃতি ইত্যাদি নানান ক্ষেত্রে আমরা ভিন্ন হলেও আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়আমরা ভারতীয়। এই বৈচিত্র্যের মধ্যকার ঐক্যই আমাদের শক্তি ও গর্ব।বিভিন্ন মডেল ও চার্টের মাধ্যমে বিষয়টির ব্যাখ্যার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের লোকনৃত্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে।নৃত্যের ছন্দ এবং সমাজবিজ্ঞানের ভাবনাদুইয়ের অপূর্ব মেলবন্ধনে The Rhythm of Togetherness আমাদের মনে করিয়ে দেয় বৈচিত্র্য আমাদের পরিচয়, ঐক্য আমাদের শক্তি।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal