• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India,

খেলার দুনিয়া

‌IND vs ENG Test: ঔদ্ধত্য ভেঙে চুরমার, লজ্জাজনক আত্মসমর্পন কোহলিদের

লর্ডস টেস্ট জেতার পর একটু বেশিই ঔদ্ধত্য দেখিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ভাবখানা এমন, যেন সিরিজই জিতে ফেলেছেন। কোহলিদের লর্ডসের সেই ঔদ্ধত্য লিডসে ভেঙে চুরমার। হেডিংলেতে লজ্জাজনক আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। তৃতীয় টেস্টে মাত্র ৪০.৪ ওভারে ৭৮ রানে গুটিয়ে গেল ভারতের প্রথম ইনিংস। সর্বোচ্চ রান রোহিত শর্মার ১৯। ভারতীয় ব্যাটিংয়ের মেরুদন্ড ভেঙে দিলেন জেমস অ্যান্ডারসন।আজ টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বিরাট কোহলি। চলতি সিরিজে এই প্রথম টস জেতেন ভারতীয় অধিনায়ক। উইকেটে ঘাস না থাকায় কোহলি যথেষ্ট অবাক হয়েছিলন। আগের দিন প্রেস কনফারেন্সে সেকথা বলেও ছিলেন। ভারতীয় শিবিরের লক্ষ্য ছিল প্রথমে ব্যাট করে বড় রান ইংল্যান্ডের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া। কিন্তু কোহলির প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে গেল।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনিঘাস না থাকলেও এদিন শুরু থেকেই হেডিংলের উইকেট ছিল সিম সহায়ক। ম্যাচের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই লোকেশ রাহুলকে (০) তুলে নেন জেমস অ্যান্ডারসন। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে উইকেটের পেছনে জস বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন রাহুল। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে চেতেশ্বর পুজারাকেও (১) তুলে নেন অ্যান্ডারসন। পুজারাও বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন। ভারতের রান তখন ৪। এরপর কোহলিকেও (৭) তুলে নেন অ্যান্ডারসন। তিনিও উইকেটের পেছনে বাটলারের হাতে ধরা পড়েন। ভারতের তৃতীয় উইকেট পড়ে ২১ রানে। রোহিত শর্মার সঙ্গে জুটি বেঁধে লড়াই করছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। মধ্যাহ্নভোজের আগে রাহানেও (১৮) আউট। অলি রবিনসনের বলে তিনি বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন। মধ্যাহ্নভোজের সময় ভারতের রান ছিল ৪ উইকেটে ৫৬।মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরও ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের সাজঘরে ফেরার মিছিল অব্যাহত থাকে। প্রথম আউট হন ঋষভ পন্থ (২)। রবিনসনের বলে তিনিও উইকেটকিপার জস বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ৫৮ রানে, ২৯.১ ওভারের মাথায়। ম্যাচের ৩৭তম ওভারে রোহিত শর্মার লড়াই শেষ। ক্রেগ ওভার্টনের বলে তিনি রবিনসনের হাতে ক্যাচ দেন। ১০৫ বল খেলে ১৯ রান করেন রোহিত। তাঁর ১৯ রানই দলের সর্বোচ্চ। এরপর ৬৭ রানেই ভারতের ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম উইকেটের পতন ঘটে। রোহিত ফেরার পরের বলেই শূন্য রানে আউট হন মহম্মদ সামি। এরপর ফিরে যান রবীন্দ্র জাদেজা (৪)। তিনি স্যাম কারেনে বলে এলবিডব্লুউ হন। পরের বলেই যশপ্রীত বুমরাকে তুলে নেন কারেন।আরও পড়ুনঃ আজ নবান্নেই ঠিক হবে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যতবুমরা আউট হওয়ার পর ভারতের সামনে টেস্টের প্রথম ইনিংসে সবথেকে কম রানে গুটিয়ে যাওয়ার হাতছানি। সেই লজ্জায় অবশ দলকে পড়তে দেননি ইশান্ত শর্মা ও মহম্মদ সিরাজ ১১ রান যোগ করায়। সিরাজ ৩ রান করে ওভারটনের বলে রুটের হাতে ক্যাচ দিতেই গুটিয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। ইশান্ত ৮ রানে অপরাজিত থাকেন। ৮ ওভারে ৬ রানে ৩ উইকেট নেন অ্যান্ডারসন। ওভারটন ১৪ রানে ৩টি, রবিনসন ও কারেন ২টি করে উইকেট নেন।টেস্টে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে সবথেকে কম রানে গুটিয়ে যাওয়ার তালিকায় ভারতের এদিনের স্কোর রয়েছে সপ্তম স্থানে। ১ নম্বরে নিউজিল্যান্ডের ৪৫, ২০১৩ সালে কেপটাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। এরপর ২০০৫ সালে কেপটাউনেই জিম্বাবোয়ের ৫৪। তিন ও চারে রয়েছে পাকিস্তানের দুটি কম রানের কীর্তি। ২০০২ সালে শারজায় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৫৯ ও ২০১০ সালে বার্মিংহ্যামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৭২ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। পাঁচ থেকে সাতে ভারতের তিন লজ্জাজনক স্কোর। ১৯৮৭ সালে দিল্লিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৭৫ এবং ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৭৬। এই দুটি টেস্টেই ভারত হেরে গিয়েছিল। এর পরেই লিডসে আজকের ৭৮।

আগস্ট ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG‌ Test : হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রথম থেকেই আধিপত্য দেখিয়ে আসছে ভারত। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও নটিংহাম টেস্টে জয় আসেনি। নটিংহামের হতাশা কাটিয়ে লর্ডসে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। হেলিংলেতে কি ব্যবধান বাড়াতে পারবেন বিরাট কোহলিরা? আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। তবে যতই চেতেশ্বর পুজারা, রবীন্দ্র জাদেজাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠুক, তৃতীয় টেস্টে প্রথম একাদশে কোনও পরিবর্তন করছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?শুধু কি পুজারা কিংবা রাহানে? অধিনায়ক বিরাট কোহলির ব্যাটেও রান নেই। ভারতকে হেডিংলেতে দাপট দেখাতে গেলে রানে ফিরতেই হবে ভারতীয় অধিনায়ককে। নিজের ফর্মের চেয়েও দলের স্বার্থের দিকে বেশি তাকিয়ে কোহলি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ফর্ম নিয়ে ভাবছি না। ইংল্যান্ডে একজন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সেট হওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং। প্রথম ২০ রানের জন্য যেভাবে লড়াই করতে হয়, গোটা ম্যাচে সেভাবেই খেলতে হয়। কোনও অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগে না। যে কোনও ব্যাটসম্যানের জন্য ইংল্যান্ডের পরিবেশ সবচেয়ে কঠিন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানতৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড বেশ কয়েকজন সেরা ক্রিকেটারকে পাবে না। বোলিং শক্তি একেবারে বিপর্যস্ত। বিষয়টাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোহলি। তিনি বলেন, ওদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা থাকলেও আমরা ম্যাচ জয়ের পরিইকল্পনা করেই মাঠে নামতাম। বিপক্ষের দুর্বলতার অপেক্ষায় আমরা বসে থাকি না। যে কোনও পরিস্থিতিতে বিশ্বের যে কোনও দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখি। প্রতিপক্ষর শক্তি আমাদের কাছে গুরুত্ব পায় না। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামতে পারেননি ইংল্যান্ডের জোরে বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড। টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন জোফ্রা আর্চার। অলি স্টোন এবং ক্রিস ওকস চোটে কাবু। ব্যক্তিগত ও মানসিক স্বাস্থ্যের কারণ দর্শীয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অনুপস্থিত বেন স্টোকসও। কনকাশনে থাকায় হে়ডিংলে টেস্টে ক্রেগ ওভারটনকেও খেলাতে পারবে না ইংল্যান্ড। কাঁধে চোটের কারণে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন জোরে বোলার মার্ক উডও।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেলর্ডসের উইনিং কম্বিনেশন না ভাঙার পরিকল্পনা রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার। তবে অশ্বিনকে খেলানোর ক্ষীণ সম্ভাবনার কথাও শুনিয়ে রেখেছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, চোটআঘাত সমস্যা না থাকলে উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার প্রশ্ন ওঠে না। লর্ডসে সাফল্যের পর সকলে উত্তেজিত। রোহিতরাহুল দুর্দান্ত শুরুটাই দুটো টেস্টে সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিল। সিরাজকে দেখে ভাল লাগছে। তবে হেডিংলের পিচ দেখে বেশ অবাক কোহলি। যতটা ঘাস থাকবে আশা করেছিলেন, ততটা নেই।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Anderson : বুমরার বাউন্সারে কেমন অসহায় বোধ করেছিলেন অ্যান্ডারসন?‌

লর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় যশপ্রীত বুমরার বিষাক্ত বাউন্সারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল জেমস অ্যান্ডারসনকে। প্রায় ৯০ মাইল গতিতে ধেয়ে আসা বুমরার একটা বাউন্সার তাঁর হেলমেটে আঘাত করে। এই ঘটনা নিয়ে মাঠেই ভারতীয় জোরে বোলারের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় জেমস অ্যান্ডারসনের। বুমরার বাউন্সারে তিনি যে অসহায় বোধ করছিলেন, সে কথা স্বীকার করেছেন ইংল্যান্ডের এই জোরে বোলার। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন অ্যান্ডারসন।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?এক সাক্ষাৎকারে ইংল্যান্ডের এই জোরে বোলার বলেছেন, এত বছর ধরে ক্রিকেট খেলছি, এইরকম অসহায় অবস্থার মধ্যে জীবনে কখনও পড়িনি। ভাবনি বুমরা এত গতিতে বাউন্সার দেবে। প্রথম যে বাউন্সার আমার দিকে ধেয়ে এসেছিল তার গতি ছিল ঘন্টায় প্রায় ৯০ মাইল। ঠিকমতো চোখেও দেখতে পাইনি। ধাঁধাঁ লেগে গিয়েছিল। ম্যাচের তৃতীয় দিন আউট হয়ে সাজঘরে ফেরা আমাদের ব্যাটসম্যানরা মন্থর উইকেটের কথা বলছিল। অথচ মাঠে গিয়ে অন্য পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল আমাকে। অ্যান্ডারসনের মনে হয়েছিল যে বুমরা তাঁকে আউট করার জন্য নয়, আহত করার জন্য বোলিং করছিলেন। তাঁর কথায়, ওই ওভারে ১০১২টা ডেলিভারি করেছিল বুমরা। একটার পর একটা বাউন্সার দিয়ে যাচ্ছিল। একের পর এক নো ডাকা হলেও সেদিকে বুমরা কোনও ভ্রুক্ষেপ ছিল না। আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানলর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় ব্যাটিং করতে নেমেছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন। পিচের অন্যদিকে তখন দাঁড়িয়েছিলেন শতরান করা জো রুট। অ্যান্ডারসনের কথা অনুযায়ী, তিনি ক্রিজে যেতেই ইংল্যান্ড অধিনায়ক এগিয়ে গিয়ে জানিয়েছিলেন যে যশপ্রীত বুমরা অন্যান্য দিনের থেকে কম গতিতে বোলিং করছেন। সেই ধারণার বশবর্তী হয়ে তিনি ভারতীয় ফাস্ট বোলারের প্রথম যে বল ফেস করেছিলেন সেটি প্রায় ঘণ্টায় ৯০ মাইল গতিতে ছুটে আসা বাউন্সার ছিল।ভারতের বিরুদ্ধে নটিংহ্যামের মতো লর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসেও শতরান করেছিলেন জো রুট। তাঁর এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সৌজন্যে ওই ইনিংসে ভারতের থেকে ২৭ রানের লিড নিয়েছিল ইংল্যান্ড। দলের অধিনায়ক একটা কৌশলগত ভুল না করলে তাঁদের লিড ৫০ ছাড়িয়ে যেতে পারত।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেম্যাচের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় রুটের সঙ্গে ব্যাটিং করছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন। ভারতীয় ফাস্ট বোলার যশপ্রীত বুমরার বল তাঁর হেলমেটে লাগলে কনকাশন চেকের আওতায় পড়ে গিয়েছিলেন জিমি। স্নায়ুর চাপে ভুগতে শুরু করেছিলেন ব্রিটিশ ফাস্ট বোলার। তা বুঝে অ্যান্ডারসনকে লক্ষ্য করে বডি লাইন বোলিং করতে শুরু করেছিল ভারত। এমনই আবহে দিনের শেষ ওভারের তিন বল খেলে ফেলেন জো রুট। চতুর্থ বলে সিঙ্গলস নিয়ে কৌশলগত ভুল করে ফেলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। নড়বড়ে অ্যান্ডারসন দিনের শেষে আউট না হয়ে গেলে ইংল্যান্ডের লিড আরও কিছুটা বাড়তে পারত।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌jinka Rahane: সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানে

দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। চারিদিক থেকে শুধুই সমালোচনার ঝড়। অনেকেই প্রথম একাদশ থেকে ছেঁটে ফেলার দাবি তুলেছিলেন। সমালোচকদের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুললেন অজিঙ্কা রাহানে। শুধু আত্মপক্ষ সমর্থনই করেননি, ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক পাশে দাঁড়িয়েছেন সতীর্থ চেতেশ্বর পুজারারও।আরও পড়ুনঃ বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে নামার আগে হুঙ্কার রয় কৃষ্ণারবুধবার থেকে হেডিংলেতে ভারতইংল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট শুরু। তার আগে সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অজিঙ্কা রাহানে বলেন, কে কী বলল, তা গায়ে মাখি না। সমালোচনাগুলিকে আশীর্বাদ হিসেবেই দেখি। সব গুরুত্বপূর্ণ মানুষদেরই সমালোচনা হজম করতে হয়। নিজের পারফরম্যান্সের থেকেও দিনের শেষে দলকে কতটা দিতে পারলাম, সেটাই আমার কাছে বড় ব্যাপার। চেতেশ্বর পুজারা ও আমি দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি। এই পর্যায়ে কীভাবে চাপ ও কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় জানি। অন্যরা কী বলল, তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে দলের সাফল্যে মনোনিবেশ করি।আরও পড়ুনঃ ভারতীয় ফুটবল জগৎ থেকে খসে পড়ল আরও এক অলিম্পিয়ানলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৬১ রান করে দলের জয়ের ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। ম্যাচের অতি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এইরকম ইনিংস খেলতে পেরে তিনি খুশি বলে জানিয়েছেন রাহানে। তিনি বলেনস উইকেটে টিকে থাকাটাই আমার ও চেতেশ্বর পুজারার পরিকল্পনা ছিল। মন্থর হলেও সেদিন ২০০ বল খেলে পুজারা যে ইনিংস উপহার দিয়েছে, তা অমূল্য। লর্ডসে ব্যাটিং করার সময় আমরা কে অপরকে তাতিয়েছিলাম। ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে ১৭০১৮০ রান তোলাও যে সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে, আগেই বুঝতে পেরেছিলেন বলে জানান রাহানে।আরও পড়ুনঃ এ কী করল শ্রী সিমেন্ট! চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গল২০১৪ ও ২০১৮ সিরিজে ইংল্যান্ডের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছিল ভারত। সেই পরাজয়ের কথা মাথায় রাখছেন না রাহানে। লর্ডস টেস্টের জয়কে বড় সাফল্য বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে সেখানে আটকে না গোটা দল সামনের দিকে তাকাচ্ছে বলে রাহানে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, আপাতত হেডিংলে টেস্ট জেতাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা প্রতিটা ম্যাচ ধরে এগিয়ে চলেছি। গোটা দল আত্মবিশ্বাসী। তাই আমরা এইরকম ভাল ক্রিকেট খেলতে পারছি।হেডিংলের পরিবেশ, উইকেট নিয়ে চিন্তা করছি না। পরিবেশ যাই হোক না কেন, ১০০ শতাংশ উজার করে দেব। চোটের জন্য লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে পারেননি শার্দুল ঠাকুর। তবে তৃতীয় টেস্টের আগে তিনি পুরো ফিট বলে জানিয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে। তবে প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌ohammad Siraj : বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ

ইংরেজদের সঙ্গে সিরাজের লড়াইয়ের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ভারতবর্ষ শাসন করছিল, বাংলার নবাব সিরাজউদদৌল্লাকে সহজে বশ্যতা স্বীকার করাতে পারেননি। তিনিই ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। সিরাজউদদৌল্লাকে বাগে আনতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল। পলাশীর যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হেরে বশত্যা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন বাংলার নবাব।আরও পড়ুনঃ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসিবাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে বশে নিয়ে এলেও লর্ডসে অবশ্য মহম্মদ সিরাজকে বাগে নিয়ে আসতে পারেনি ইংরেজরা। লর্ডস যুদ্ধে বরং সিরাজেরই দাপট। কেন দাপট থাকবে না? এই যুদ্ধে মীর্জাফরের মতো তো কেউ ছিলেন না মহম্মদ সিরাজের সঙ্গে। বরং পাশে পেয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা, ইশান্ত শর্মার মতো সতীর্থদের। যাঁদের ভুমিকা ছিল মীর মদনের মতোই। ভারতের লর্ডস অভিযানের সাফল্যের পেছনে মহম্মদ সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে মহম্মদ সিরাজের ধাক্কাতেই শুরুতে বেসামাল হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। পরপর দুবলে ডম সিবলে ও হাসিব হামিদকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিল। রুট ও বেয়ারস্টোর ১২১ রানের পার্টনারশিপ ভেঙে ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন সিরাজই। প্রথম ইনিংসে তুলে নিয়েছিলেন ৯৪ রানে ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জ্বলে ওঠেন সিরাজ ৩২ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জস বাটলার ও মঈন আলির জুটি গড়ে উঠছিল। এই জুটি ভাঙতে না পারলে ভারতের জয় কঠিন হয়ে যেত। মঈন ও বাটলার, দুজনকেই তুলে নেন সিরাজ। সুতরাং লর্ডস জয়ে সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না। নবাব সিরাজউদদৌল্লা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হেরে গেলেও বাইশ গজের অন্য যু্দ্ধে এই প্রজন্মের সিরাজের কাছে পরাভূত ইংরেজরা।আরও পড়ুনঃ ময়দানে ফিরে এল পরিচিত ফু...রু...ফু...রু..শব্দ, শুরু কলকাতা লিগলর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিনের শেষ বেলায় মহম্মদ সিরাজ যে ফাস্ট বোলিংটা করেন, তাতে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। কীভাবে এই হায়দরাবাদি জোরে বোলার উঠে এসেছেন, দেখে নেওয়া যাক। অস্ট্রেলিয়া সফরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেও ভারতীয় টেস্ট দলে জায়গা পাকা করতে পারছিলেন না মহম্মদ সিরাজ। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পাননি হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার। তবে ইংল্যান্ডে সফরের প্রথম ম্যাচেই টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে সুযোগ পান সিরাজ। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি তিন উইকেট নিয়েছিলেন। তরুণ ক্রিকেটারকে লর্ডসে আরও একটা সুযোগ দেন কোহলি। যা হাতছাড়া করতে চাননি সিরাজ। মোট আট উইকেট নিয়ে ম্যাচে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। যিনি হায়দরাবাদের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৮১টি উইকেট নিয়েছেন। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ৪৫টি উইকেট নেওয়া সিরাজকে চিনতে ভুল করেননি নির্বাচক। তবে বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর চলতি সিরিজে অন্তত সিরাজের জায়গা টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে পাকা বলে ধরে নেওয়া যায়। সিরিজ জুড়ে ফর্মের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আগামী দিনেও যে তিনি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য হতে চলেছেন, তা মেনে নিচ্ছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২০১৭ সালে ভারতীয় দলে প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। যদিও টি২০ এবং ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। দেশের হয়ে সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৭ উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। ভারতীয় দলের জার্সিতে একটি ওয়ান ডে ও তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলে মোট তিনটি উইকেট নিয়েছেন হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌‌‌লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?‌

লর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিন ঋষভ পন্থ আউট হতেই মাথায় হাত দিয়ে লর্ডসের ব্যালকনিতে চেয়ারে বসে পড়েছিলেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ বাঁচবে তো? আশঙ্কায় দুলছিলেন। মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরার অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে ম্যাচে ফেরে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরই বদলে যায় ছবিটা। মাত্র দুটো সেশনেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনকে গুঁড়িয়ে অবিস্মরণীয় জয় তুলে নেই ভারত। লর্ডসের এই জয়কে বিদেশের মাটিতে অন্যতম সেরা জয় বলে অভিহিত করেছেন বিরাট কোহলি। সতীর্থদের এই পারফরমেন্সে তিনি গর্বিত বলেও জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ মুখে বিষ ঢেলে সৎ মাকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার ছেলে ও বৌমাম্যাচের পর বিরাট কোহলি বলেন, বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডসের এই জয় অন্যতম সেরা। সতীর্থরা যেরকম একাগ্রতা ও মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল, এককথায় অসাধারণ। দলগত প্রচেষ্টায় এই জয় এসেছে। দলের প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। কোথায় খেলছি, সেটা নিয়ে মাথাব্যাথা ছিল না। বিদেশের মাটিতে অনেকগুলো ভাল জয় পেয়েছি। লর্ডসের এই জয় তাদের সঙ্গে এক আসনে রাখব।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদল২০১৪র টেস্ট সিরিজে লর্ডসে জিতলেও, ২০১৮র সিরিজে হারতে হয়েছিল। আগের সিরিজের সেই হারের কথা মাথায় রাখেনি শিবির। সেই কথাই ম্যাচের পর তুলে ধরেছেন কোহলি। তিনি বলেন, ২০১৪তে আমরা লর্ডসে জিতেছিলাম। কিন্তু ২০১৮তে খুবই খারাপভাবে হারতে হয়েছিল। তবুও আমাদের বিশ্বাস ছিল, লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারব। সতীর্থদের এই পারফরমেন্স আমাকে গর্বিত করেছে। বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডস তাদের মধ্যে ওপরের দিকেই থাকবে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান পুরসভায় ৫ জনের পুরপ্রশাসক বোর্ড, দায়িত্বে প্রণব, আইনুলদ্বিতীয় ইনিংসে সামিবুমরা জুটি অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করলেও জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। প্রথম ইনিংসে বড় রানের মূলে এই জুটি। দুজনকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন কোহলি। তবে সামিবুমরার ইনিংসকে অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছেন। কোহলির কথায়, রাহুল ও রোহিত প্রথম ইনিংসে ভিত তৈরি করে দিয়েছিল। সামি ও বুমরার পার্টনারশিপ তো অবিশ্বাস্য। ঋষভের ওপর আরও প্রত্যাশা ছিল। ওর কাছ থেকে আরও কিছু রানের আশা করেছিলাম। ভেবেছিলাম ২০০ রানের লিড নিলেই লড়াই করতে পারব। ২৭১ রানের লিড হবে ভাবিনি। সামি ও বুমরা অসাধারন ব্যাটিং করেছে। ওরাই ইংল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। জানতাম ইংল্যান্ড ম্যাচ বাঁচানোর জন্য লড়াই করবে। আশা ছিল ওদের ৬০ ওভারের মধ্যে আউট করতে পারব। সেটাই হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T-20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসি

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান একই গ্রুপে রয়েছে, আগেই জানা গিয়েছিল। সেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলবেন বিরাট কোহলিরা। সুপার ১২-র গ্রুপ দুইতে খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। মঙ্গলবারই টি ২০ বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করল আইসিসি।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২৩ অক্টোবর শুরু হবে সুপার ১২-র খেলা। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৩ অক্টোবরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৪ অক্টোবর বাবর আজমদের বিরুদ্ধে দুবাইতে খেলতে নামবেন বিরাট কোহলিরা। ৩১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবে ভারত। ভারতের পরের ম্যাচ ৩ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। এই পরিস্থিতিতে তারা টি২০ বিশ্বকাপে খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?৫ নভেম্বর ও ৮ নভেম্বর যোগ্যতা অর্জনকারী দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ বিরাট কোহলিদের। সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১০ ও ১১ নভেম্বর। ফাইনাল হবে ১৪ নভেম্বর। তবে ফাইনালের জন্য একটা দিন রিজার্ভ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। বিরাট কোহলিদের গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ অক্টোবর থেকে মূলপর্বের যোগ্যতা অর্জনের খেলা শুরু হবে। দুপুর ২টোয় ঘরের মাঠে পাপুুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচ খেলবে ওমান। রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচও একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যে ওমানের মাঠে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একদিন পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আবু ধাবিতে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ এ-র মোকাবিলা শুরু হবে। এই গ্রুপে আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, শ্রীলঙ্কা, নামিবিয়ার মতো দলগুলি লড়াই করবে। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে রাউন্ড ওয়ানের মোকাবিলা। দুই গ্রুপের দুটি করে দল সুপার ১২ রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টপাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপ। ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতা। ২০১৬ সালে শেষবার টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল প্রতিযোগিতার পরবর্তী সংস্করণ। করোনা ভাইরাসের জেরে দুই বছরের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই টুর্নামেন্ট। চলতি বছরের টি২০ বিশ্বকাপ ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও অতিমারীর জেরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় আইসিসি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ওমানে আয়োজিত হবে টুর্নামেন্ট। উদ্যোক্তার ভূমিকায় থাকবে বিসিসিআই। কবে থেকে শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্ট, তা জানা গিয়েছিল আগেই।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের

লর্ডস টেস্টের শেষ দিনে নতুন বলে দ্রুত ভারতের শেষ ৪ উইকেট তুলে নেওয়া লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডের। অন্তরায় হয়ে দাঁড়ালেন মহম্মদ সামি ও যশপ্রীত বুমরা। দুজনের অবিস্মরনীয় ইনিংস ভারতকে শুধু সঙ্কটজনক অবস্থা থেকে বার করে নিয়ে আসেনি, পৌঁছে দিয়েছিল জয়ের দোরগোড়ায়। সামিবুমরা জুটি শুধু দেশের মান বাঁচায় নি, কেড়ে নিয়েছিল রুটের মুখের গ্রাস। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয়। ইংল্যান্ডকে ১৫১ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্কটি২০ যুগে টেস্ট ক্রিকেট নাকি হারিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস ঘাটলে কথাটার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। একদিন আগেই টানটান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে ১ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর ভারতইংল্যান্ড টেস্টও পৌঁছে গিয়ে চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্সে। প্রথম দিন থেকেই পেন্ডুলামের মতো দৌদুল্যমান। কখনও ভারতের দিকে, কখনও আবার ইংল্যান্ডের দিকে। পঞ্চম দিন তো একসময় মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ডের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন টিম ইন্ডিয়ার। নায়ক অবশ্যই মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরা। ব্যাট হাতে এই দুজন পৌঁছে দিয়েছিল লড়াই করার জায়গায়। ক্রিকেট দেবতাও নিশ্চিতভাবে কুর্নিশ করবে সামিবুমরার প্রাইসলেস ইনিংস।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?তৃতীয় দিল শেষ বেলা থেকেই উত্তপ্ত লর্ডস। জিমি অ্যান্ডারসনকে একের পর এক বুমরার বাউন্সার দেওয়াকে কেন্দ্র করে। অ্যান্ডারসনের সঙ্গে বুমরার বাকযুদ্ধ। পরে বাটলারের সঙ্গে, যোগ দেন মার্ক উডও। উডের বাউন্সার হেলমেটে লাগতেই অন্য চেহারায় বুমরা। মুখে নয়, জবাব দিয়ে গেলেন ব্যাটে। লর্ডসেই ব্রিটিশ রাজের পতন ঘটাতে যেন বদ্ধপরিকর।ভারতের লড়াইয়ে ফেরার ভিত গড়ে দিয়েছিলেন চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। চাপে পড়লেই জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই দুই ব্যাটসম্যান। চতুর্থ দিন ভারত যখন ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল, রুখে দাঁড়ান পুজারারাহানে। দুজনে মিলে জুটিতে ১০০ রান তুলে দলকে প্রাথমিক বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। দুই ওপেনার রাহুল (৫), রোহিত (২১) দ্বিতীয় ইনিংসে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। কোহলিও (২০)। দলের সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে রুখে দাঁড়ান পুজারা ও রাহনে। দুর্ভাগ্যের শিকার না হলে বড় রান পেতেন পুজারা (৪৫)। মার্ক উডের হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বল ব্যাটের কানায় লেগে রুটের হাতে। রাহানে (৬১) অবশ্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করেননি।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টচতুর্থ দিনের শেষে ভারতের রান ছিল ১৮১/৬। ক্রিজে ছিলেন ঋষভ পন্থ (১৪) ও ইশান্ত শর্মা (৪)। ঋষভের (২২) ওপর দায়িত্ব ছিলে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু পঞ্চম দিন সকালে দলকে বেশি টানতে পারেননি। ইশান্ত মূল্যবান ১৬ রান যোগ করেন। তিনি যখন ফিরে যান, দলের রান ২০৯। সকলেই ধরে নিয়েছিলেন, ভারতের প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি শুধু সময়ের অপেক্ষা। এরপরই শুরু সামি (অপরাজিত ৫৬) ও বুমরার (৩৪) সেই অবিস্মরনীয় লড়াই। ইশান্ত ১৬ রানে লেগ বিফোর হতে ভারতের অষ্টম উইকেট পড়ে ২০৯ রানে। লিড তখন ১৮২। ইংল্যান্ড যখন জয়ের স্বপ্ন দেখছে, তখনই রুখে দাঁড়ান সামি ও বুমরা। শেষ পর্যন্ত তাঁদের জুটি ভাঙতে পারেননি ইংল্যান্ডের বোলাররা। অসমাপ্ত নবম উইকেট জুটিতে সামি ও বুমরা যোগ করেন রেকর্ড ৮৯ রান। লাঞ্চের পর ৮ উইকেটে ২৯৮ তুলে যখন ইংল্যান্ডকে জেতার জন্য ২৭২ রানের টার্গেট ছুড়ে দিতে ইনিংস ডিক্লেয়ার করেন কোহলি, তখন সামি অপরাজিত ৫৬ রানে।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপসামিবুমরা জুটি ব্যাট করার সময় বারবার মাথায় হাত দিচ্ছিলেন রুট। দেওয়াল লিখনটা তখনই হয়তো চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। চতুর্থ ইনিংসে ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ার ঐতিহ্য রয়েছে রুটের ইংল্যান্ডের। লর্ডসেও তার ব্যাতিক্রম নয়। ২৭১ রানে এগিয়ে থাকাটাই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল কোহলি ব্রিগেডকে। রুটদের ওপর শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ার রসদ ছিল ওই ২৭১র মধ্যে। প্রথম দুই ওভারে সামিবুমরা জুটি যেভাবে ইংল্যান্ডের ওপর আঘাত হেনেছিলেন, তা থেকে বেরিয়ে আসার মতো দক্ষতা নেই এই ইংল্যান্ড দলের। রুট (৩৩), বাটলার (২৫) কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই রক্তের স্বাদ পেয়ে গিয়েছিলেন বুমরা (৩/৩৩), সিরাজরা (৪/৩২)। শেষ পর্যন্ত ৫১.৫ ওভারে ১২০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস।

আগস্ট ১৬, ২০২১
দেশ

Independence Day: দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বীর বিপ্লবীদের পীঠস্থান বর্ধমান

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে বর্ধমান জেলার নাম। দেশ মাতৃকাকে ব্রিটিশ শৃঙ্খল মুক্ত করার শপথ নিয়ে এই জেলার বহু বীর সন্তান বিপ্লবী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অবশ্যাই অগ্রগণ্য এই জেলার সদর দক্ষিণ মহকুমার বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বোস, রাসবিহারী ঘোষ ও অনিল বরণ রায়। এই চার দেশবরেণ্য বিপ্লবীর নাম আজও ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। এনারা ছাড়াও অবিভক্ত বর্ধমান জেলার আরও অনেকে আছেন যারা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে জোরদার করার কাজে সামিল হয়েছিলেন। তাঁরা হয় তো বিস্মৃতির অতলে রয়ে গিয়েছেন। তবে দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে ব্রতী হবেন বর্ধমান জেলার আপামর বাসিন্দা। ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা যায়, লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে ১৯০৫ সালে সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে যে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল তার ঢেউ আছড়ে পড়েছিল বর্ধমান জেলাতেও। শুধু শহর বর্ধমানের মানুষজনই নয়, গ্রামীন বর্ধমানের মানুষজনও সেই সময়ে সামিল হয়েছিলেন বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদ আন্দোলনে। তদানীন্তন সময়কালে অবিভক্ত বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামের সন্তান কাজী নজরুল ইসলামের দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা স্বাধীনতা আন্দোলনকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ১৯২৫ সালে বর্ধমানে এসে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদের আতিথ্য গ্রহন করেছিলেন। এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিহাসবিদরা মনে করেন দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কোন অংশেই কম ছিল না বর্ধমানের গুরুত্ব। স্বদেশী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিপ্লবী আন্দোলন, সবেরই উত্তোরণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বর্ধমানের বিপ্লবীদের নাম। এই জেলার জ্যোতিন্দ্রনাথ বন্দ্যেপাধ্যায় যৌবনে বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে অবশ্য তিনি আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করে নিরালঙ্গ স্বামী নামে পরিচিত হন। ১৮৭৬ সালে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ভারত সভা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই ভারত সভার তিনটি শাখা গড়ে উঠেছিল বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তে।ওই শাখাগুলি বর্ধমান শাখা, কালনা শাখা ও পূর্বস্থলী হিতকরী সভা নামে আত্মপ্রকাশ করে। কালনার কবিরাজ বংশীয় উপেন্দ্রনাথ সেন ও দেবেন্দ্রনাথ সেনের উদ্যোগে কালনা ও কাটোয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বঙ্গভঙ্গ বিরোধী সভা।ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, সেই সভায় স্বয়ং সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।কালনা মহকুমা ইতিহাস ও পুরাতত্ব চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সিদ্ধেশ্বর আচার্য্য বলেন, স্বদেশী আন্দোলনের ঢেউ সেই সময়ে কালনার বাঘনা পাড়ার যুবক মহলে প্রভাব ফেলেছিল। ১৯০৬ সালে বিদেশী দ্রব্য লুঠ করে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছিল কালনার বাঘনা পাড়ার যুবকরা। সেই ঘটনায় ব্রিটিশ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন গৌর গোবিন্দ গোস্বামী, মণিগোপাল মুখোপাধ্যায়, সন্তোষ বন্দ্যোপাধ্যায়, বৃন্দাবন গোস্বামী, বলাই গঙ্গোপাধ্যায় ও বলাই দেবনাথ। সিদ্ধেশ্বরবাবু এও বলেন, এদের গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত মোকদ্দমাই ছিল বঙ্গে প্রথম রাজনৈতিক মোকদ্দমা। তদানিন্তন সময়ে বাঘনা পাড়ায় স্বদেশী ভাণ্ডারও প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। ১৯৪২ শে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে বাঘনা পাড়ার যুবকরা জড়িত হয়েছিলেন বলে সিদ্ধেশ্বর আচার্য্য জানিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে উৎসাহিত করার জন্য নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু দুবার বর্ধমানে এসেছিলেন। ইংরেজ আমলে জাতীয় শিক্ষা নিয়েও বর্ধমান জেলা উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছিল। ইংরেজি বিদ্যালয়ের পরিবর্তে জাতীয় বিদ্যালয় স্থাপনে খণ্ডঘোষের তোরকোনায় রাসবািহারী ঘোষ প্রভূত অর্থ দান করেছিলেন। কালনা, বর্ধমান সদর, বৈকন্ঠপুর নানা স্থানে জাতীয় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বান্ধব সমিতি, মহামায়া সমিতি প্রভৃতি নামে জেলার কালনা, পূর্বস্থলী ও মন্তেশ্বরে বিপ্লববাদী গুপ্তসমিতি গড়ে উঠেছিল। মানকরের জমিদার রাজকৃষ্ণ দিক্ষিত ও দুর্গাপুরের ভোলানাথ রায় সেই সময়ে স্বদেশী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে কারারুদ্ধ হন।স্বরাজ তহবিলের চাঁদা তোলার জন্য ১৯২১-২২-তে চিত্তরঞ্জন দাস বর্ধমানে এসেছিলেন। তাঁর আগমনে বর্ধমান জেলায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ভিন্ন মাত্রা পেয়েছিল। জাতীয়তাবাদী কবিতা লোখার জন্য বর্ধমানের জামালপুরের গোপালপুর গ্রাম নিবাসী গোবিন্দরাম বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্কুল থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছিল । ১৯২২ সালের ৫ জানুয়ারি এই গোপালপুরের ইংরেজ বিরোধী মানুষজনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা পায় গোপালপুর মুক্তকেশী বিদ্যালয়। গান্ধীজীর অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রথম পরিচালন সমিতি এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত হয়, ইংরেজদের নিয়ম মেনে রবিবার নয় - বিদ্যালয় ছুটি থাকবে সোমবার। সেই থেকে আজও রবিবার পুরোমাত্রায় পঠনপাঠন চালু থাকে গোপালপুর মুক্তকেশী বিদ্যালয়ে। এই বিদ্যালয় ছুটি থাকে সোমবার। পরাধীন ভারতবর্ষের মাটিতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ভিন্নমাত্রায় পৌছে দিতে বর্ধমানের মহিলারাও মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। এই বিষয়ে উল্লেখযোগ্য নির্মলা সান্যাল ও সুরমা মুখোপাধ্যায়ের নাম । ১৯৩১ -তে কংগ্রেসের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় বর্ধমান জেলা কৃষক সমিতি। তদানীন্তন কালেই কৃষক সমিতির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যে সভার সভাপতি হয়েছিলেন ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত। তাঁর নামেই পরবর্তীকালে হাটগোবিন্দপুরে গড়ে ওঠে ভূপেন্দ্রনাথ মহাবিদ্যালয়।পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে অবিভক্ত বর্ধমান জেলাবাসীর অবদান কোন অংশেই কম ছিল না। এই জেলার বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বসু, রাসবিবাহী ঘোষ, অনিলবরণ রায় প্রমুখ দেশবরেণ্য বিপ্লবীর নাম দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। এঁরা ছাড়াও জেলার আরও যাঁরা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন তাঁদের অবদানও জেলাবাসী মনে রেখেছে। ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে বর্ধমানবাসী সকল বিপ্লবী স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহনকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে তাই ব্রতী হবেন।

আগস্ট ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ‌লর্ডসে রুটের রাজত্বে লজ্জায় পড়লেন কোহলি, এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড

ভারতের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন জো রুট। ট্রেন্ট ব্রিজের পর আবার শতরান। তাঁর অধিনায়কোচিত লড়াই লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে দিল ইংল্যান্ডকে। ভারতের ৩৬৪ রানের জবাবে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে তুলল ৩৯১। এগিয়ে গেল ২৭ রানে। অধিনায়ক জো রুট ১৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন।আরও পড়ুনঃ ক্রিকেটের মক্কাতে কলুষিত ক্রিকেটদ্বিতীয় দিন ২৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড যখন সঙ্কটে, ব্যাট হাতে লর্ডসের বাইশ গজে আগমন অধিনায়ক জো রুটের। তারপর ররি বার্নসের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দেন। দ্বিতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ১১৯। জো রুট ৪৮ ও জনি বেয়ারস্টো ৬ রানে ক্রিজে ছিলেন। তৃতীয় দিন সকাল থেকেই দারুণ ছন্দে ছিলেন ইংল্যান্ডের এই দুই ব্যাটসম্যান। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ইংল্যান্ড তোলে ২১৬/৩। রুট ৮৯ ও বেয়ারস্টো ৫১ রানে ক্রিজে ছিলেন।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?তৃতীয় দিন লর্ডসের উইকেট অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। উইকেটে বোলারদের জন্য কিছুই ছিল না। বল সুইং হচ্ছিল না। সিমও করাতে পারছিলেন সামিরা। বাধ্য হয়ে শর্ট বলের স্ট্রাটেজিতে গিয়েছিলেন ভারতীয় জোরে বোলাররা। সেই পথেই সাফল্য পেলেন মহম্মদ সিরাজ। জনি বেয়ারস্টোকে একের পর এক শর্ট বল দিয়ে ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছিলেন। ওভার দ্য উইকেটে সাফল্য না পেয়ে সিরাজ স্ট্র্যাটেজি বদলাতেই সাফল্য পান। রাউন্ড দ্য উইকেটে এসে অ্যাঙ্গেল বদল করে শরীর লক্ষ্য করে শর্ট বল করতেই নিজেকে সামলাতে পারেননি বেয়ারস্টো (৫৭)। বল গ্লাভসে লেগে প্রথম স্লিপে কোহলির হাতে জমা পড়ে। ততক্ষনে অধিনায়ক জো রুটের সঙ্গে জুটিতে তুলে ফেলেছেন ১২১ রান। ইংল্যান্ডও পৌঁছে গেছে নিরাপদ স্থানে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সিএবি সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলিএরপর বাটলারকে (২৩) সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান জো রুট। ইশান্তের বলে বাটলার বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরার পর মঈন আলি রুটের সঙ্গে জুটি বাঁধেন। দুজনে ইংল্যান্ডকে ৩০০ রানের গন্ডি পার করে দেন। ২৭ রান করে ইশান্তের বলে মঈন কোহলির হাতে ক্যাচ দেন। পরের বলেই সাম কারেনকে (০) তুলে নেন ইশান্ত। দুর্দান্ত ব্যাটিং পরিবেশের সুযোগ কাজে লাগান রুট। এদিন বেশ কয়েকটি মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন। প্রথম ইংল্যান্ড অধিনায়ক হিসেবে এক ক্যালেন্ডার বছরে পাঁচ-পাঁচটি সেঞ্চুরি। তিনটি ভারতের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে একটি দ্বিশতরান। অভিষেক হওয়ার পর সবথেকে কম সময়ে দ্রুততম ৯০০০ রানের মালিক হলেন রুট। অ্যালিস্টার কুকের পর সবথেকে কম বয়সে এই মাইলস্টোনে পৌঁছলেন। টেল এন্ডাররা সঙ্গ দিতে না পারায় দ্বিশতরান হাতছাড়া হল রুটের। ভারতের হয়ে সিরাজ ৯৪ রানে ৪ উইকেট, ইশান্ত ৬৯ রানে ৩ উইকেট ও সামি ৯৫ রানে ২ উইকেট নেন।

আগস্ট ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lords Test : ক্রিকেটের মক্কাতে কলুষিত ক্রিকেট

লর্ডস নাকি ক্রিকেটের মক্কা। আর সেই ক্রিকেটের মক্কাতেই কলুষিত হল ক্রিকেট? হ্যাঁ, ভারতইংল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিন লর্ডসে ঘটল দুটি অপ্রীতিকর ঘটনা। অসম্মানের মুখে পড়তে হল লর্ডসকে।মধ্যাহ্নভোজের ঠিক আগে। ম্যাচের ৬৯ তম ওভারে ঘটল অবাঞ্ছিত ঘটনা। মহম্মদ সামি বোলিং করছিলেন জো রুটকে। ডিপ থার্ডম্যান অঞ্চলে বাউন্ডারি লাইনের ধারে ফিল্ডিং করছিলেন লোকেশ রাহুল। হঠাৎ দেখা যায় বিরাট কোহলি কিছু ইঙ্গিত করছেন লোকেশ রাহুলের দিকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাপারটা পরিস্কার হয়ে যায়। দেখা যায় রাহুলের পাশে পড়ে রয়েছে অসংখ্য শ্যাম্পেনের ছিপি। সঙ্গে সঙ্গে ভারত অধিনায়ক আম্পায়ারদের নজরে আনেন বিষয়টি। খেলা কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ থাকে।আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গিঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার হয়ে ওঠেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। অনেকেই লেখেন, রাহুলের উচিত ছিল ছিপিগুলি দর্শকদের দিকেই ফিরিয়ে অভব্যতার জবাব দেওয়া। কেউ আবার লিখেছেন ক্রিকেটের মক্কা হঠাৎ যেন বার হয়ে উঠেছে। সবমিলিয়ে এই ঘটনাগুলি ক্রিকেট মাঠে যে অবাঞ্ছিত তা যেমন স্পষ্ট হয়েছে। আয়োজকদেরও এই ধরনের ঘটনা আআটকানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি উঠেছে।আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতিআরও একটি অপ্রীতিকর ঘটনার সাক্ষী থাকল লর্ডস। এদিন খেলা চলাকালীন আচমকাই দেখা যায় মাঠে ঢুকে পড়েছেন ইংরেজ দর্শক। পরনে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের জার্সি। কোনওভাবেই তিনি মাঠ ছাড়তে রাজি হচ্ছিলেন না। মাঠের নিরাপত্তারক্ষীরা ওই দর্শককে মাঠের বাইরে নিয়ে যেতে গেলে তিনি দেখাতে থাকেন তাঁর জার্সিতে ভারতীয় দলের লোগো। তিনি নিজেকে ভারতীয় দলের একজন প্রমাণে মরিয়া ছিলেন। তাঁর জার্সিতে নম্বরও লেখা ছিল। নাম লেখা ছিল জারভো। তাঁর কাছে পৌঁছে যান রবীন্দ্র জাদেজা, মহম্মদ সিরাজরা। অনেক বুঝিয়ে সেই দর্শককে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। এমন অবাঞ্ছিত ঘটনায় ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌unil Gavaskar : পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?‌

একের পর টেস্টে ব্যর্থতা। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানেকে নিয়ে চারিদিকে সমালোচনার ঝড়। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, এই দুই ক্রিকেটারের পরিবর্ত খোঁজার সময় এসেছে। সমালোচনায় বিদ্ধ চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানের পাশে দাঁড়িয়েছেন সুনীল গাভাসকার, ভিভিএস লক্ষ্মনের মতো প্রাক্তনরা। সতীর্থ লোকেশ রাহুলও আড়াল করেছেন পুজারা ও রাহানেকে।রাহানে ও পুজারার পাশে দাঁড়িয়ে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, ভারতের এই দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সহজে হাল ছাড়বে না। ভুললে চলবে না নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে রাহানেই সবচেয়ে বেশি রান করেছিল। দুই ক্রিকেটারই টেকনিক সমস্যায় ভুগছে। এরজন্য শুধু রাহানে ও পুজারাকে দোষ দিলে চলবে না। ওদের এই ব্যর্থতার জন্য দলের কোচিং স্টাফরাও দায়ী। ওরা তো সব দেখছে। কোথায় ভুল হচ্ছে কোচিং স্টাফরা তো জানে। তাহলে কেন ভুল শুধরে দিচ্ছে না। পুজারা, রাহানেকে ব্যর্থ বললে অতীতকে অপমান করা হবে।আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গিগাভাসকারের মতো রাহানে ও পুজারার পাশে দাঁড়িয়েছেন ভিভিএস লক্ষ্মণও। দেশের এই প্রাক্তন ব্যাটসম্যান বলেন, এই খারাপ ফর্ম থেকে কীভাবে বার হওয়া যায় তা চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে ভালভাবেই জানে। তবে ওরা যেভাবে বারবার একই কায়দায় আউট হচ্ছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। শেষ আট থেকে দশ মাস বিভিন্ন টেস্ট ম্যাচে একই ভাবে আউট হচ্ছে পুজারা ও রাহানে। দুজনের ব্যাটিং টেকনিকে ভুল হচ্ছে। দলের কোচিইং স্টাফদের দায়িত্ব নিতে হবে ভুল শুধরে দেওয়ার। বাইরের সমালোচনায় কান না দিয়ে আপাতত নিজেদের খেলার দিকে মনসংযোগ করতে হবে পুজারা ও রাহানেকে। আশা করছি টেকনিকে ভুল শুধরে এই সিরিজেই বড় রান করবে এই দুই ব্যাটসম্যান।আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতিট্রেন্ট ব্রিজে রাহানে ও পুজারা দুজনেই ব্যর্থ। লর্ডসেও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৩ বল খেলে মাত্র ৯ রান করেছেন চেতেশ্বর পুজারা। অন্যদিকে ২৩ বল খেলে ১ রান করে আউট হন অজিঙ্কা রাহানে। নটিংহ্যামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪ রান করে আউট হয়েছিলেন পুজারা। রাহানে করেছিলেন ৫। ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ হারানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা নেওয়া পুজারা শেষ ১০টি ইনিংসে অর্ধশতরান পাননি। অন্যদিকে রাহানেও শেষ ৭ ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি পাননি। শেষ ১৫টি টেস্ট ইনিংসে ২৭.৮-র গড়ে ৩৮৯ রান করেছেন পূজারা। শেষ ১৪টি টেস্ট ইনিংসে রাহানের ব্যাট থেকে এসেছে ২৬৯ রান। ফলে ভারতীয় দল থেকে এই দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের বিদায় আসন্ন বলে ক্রিকেট মহলের একাংশ মনে করতে শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যেদুই সতীর্থর পাশে দাঁড়িয়েছেন লোকেশ রাহুল। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ভাল পারফরমেন্স করে এসেছে পুজারা ও রাহানে। অনেক কঠিন ম্যাচ বার করেছে। এই ব্যর্থতা থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসতে হবে, সেই কৌশল পুজারা ও রাহানের জানা আছে। রাহুল আরও বলেন, ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে তাদেরই মাটিতে প্রতিদিন দলের সব ক্রিকেটার ভাল খেলবে, এর কোনও মানে নেই। দিনের শেষে দলগত পারফরমেন্সই আসল।

আগস্ট ১৪, ২০২১
বিদেশ

Taliban: তালিবান-ত্রাসে কাঁপছে আফগানিস্তান, হুঁশিয়ারি ভারতকেও

তালিবানের কবলে প্রায় চলেই এসেছে কাবুল। শুক্রবার আফগানিস্তানের কান্দাহার, হেরাত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহর দখল করার পর কাবুলের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল তালিবানরা। আফগানিস্তানের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশই দখল করে নিয়েছে তালিবানিরা। শুরু হয়েছে নিরাপরাধদের উপর অত্যাচারও। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মেয়েদের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে জঙ্গিদের সঙ্গে বিয়ে করতে বা তাদের যৌনদাসী হয়ে থাকতে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের তরফে তাদের প্রতিনিধিদেরও ফেরানোর কাজ শুরু হয়েছে।এদিকে, আফগানিস্তানকে সাহায্য করলে ভারতকেও ফল ভুগতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে তালিবানে তরফে। কাতারের রাজধানী দোহা থেকে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তালিবানের মুখপাত্র সুহেল শাহিন বলেন, যদি আফগানিস্তানে সেনা নিয়ে আসে ভারত, তাহলে আমার মনে হয় এটা তাদের জন্য ভাল হবে না। আফগানিস্তানে অন্য দেশগুলির সেনাবাহিনীর কী অবস্থা হয়েছে তা তারা দেখেছে। তাই এই পরিস্থিতি তাদের জন্য খোলা বইয়ের মতো।আরও পড়ুনঃ শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারতআমেরিকার তরফে জানানো হয়েছে, তাদের প্রায় কয়েক হাজার নাগরিককে বিমানে করে উদ্ধার করে আনার পরিকল্পনা চলছে। আমেরিকার তরফে তিন হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে কাবুলে মার্কিন দূতাবাসে আটকে থাকা আধিকারিকদের উদ্ধারের জন্য। অন্যদিকে, ব্রিটেনের তরফেও ৬০০ সৈন্য পাঠানো হচ্ছে ব্রিটিশ নাগরিকদের উদ্ধারের জন্য। গতকালই কাবুলের বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় মার্কিন বিমান। আজই উদ্ধারকার্য শেষ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও জানিয়েছেন, আফগানিস্তানকে সবরকমভাবে সমর্থন জানানো হলেও বাইরে থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি শোধরানো নিয়ে বিশেষ কিছু করা সম্ভব নয়। শুক্রবার লোগহার প্রদেশের রাজধানী পুল-ই-আলম শহরও দখল করে নেয় তালিবানরা, যা কাবুল থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। খইরদ্দিন লোগারি শহরের বাসিন্দারাও বুঝতে পারছেন না যে তারা তালিবানদের দখলে চলে গিয়েছেন কিনা। গতকালই কান্দাহারের বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন আফগান সেনাদের শহর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। তালিবানের তরফেও জানানো হয়, কান্দাহার সম্পূর্ণরূপে দখল করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত নয়া নির্দেশিকা জারি করল নবান্নএদিকে, গতকালই খবর মেলে কান্দাহার, হেরাতের মতো আফগানিস্তানের বড় বড় শহর দখল নিয়েছে তালিবানিরা। একটি সাক্ষাৎকারে তালিবান মুখপাত্র মুহাম্মদ সোহেল শাহিন বলেন, তালিবানরা আফগানিস্তানের ৯০ শতাংশই দখল করে নিয়েছে। দানিশের মৃত্যু প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমাদের সেনার হাতে ওনার মৃত্যু হয়েছে, এ কথা বলতে পারেন না। উনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি কেন? আমরা বহুবারই ঘোষণা করেছিলাম যে সাংবাদিকরা আমাদের এলাকায় এলে তারা যেন সেই বিষয়ে আমাদের অবগত করেন। আমরা তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করব। কিন্তু দানিশ কাবুলের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ছিল। কে পুলিশ, কে সেনা আর কে সাংবাদিক, কোনও ফারাকই বোঝা যাচ্ছিল না। দুই পক্ষের গুলির লড়াইয়ের মাঝে তাঁর মৃত্যু হয়, সুতরাং কার গুলি লেগে মৃত্যু হয়েছে, এ কথা বলা সম্ভব নয়।

আগস্ট ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারত

লর্ডসে প্রথম দিন ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে দলকে বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় দিন ব্যর্থ। দলের বাকি ব্যটসম্যানরা জ্বলে উঠতে পারলেন না। ফলে বড় রানের স্বপ্ন দেখেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৬৪ রানে থেমে যেতে হল ভারতকে। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ল ৮৮ রানে। ৫ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরালেন জিমি অ্যান্ডারসন। ২৭৬/৩ রানে নিয়ে দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড। এদিন দ্বিতীয় বলেই লোকেশ রাহুলের উইকেটট তুলে নেন অলি রবিনসন। রবিনসনের হাফ ভলি ড্রাইভ করতে গিয়ে ডম সিবলির হাতে সহজ ক্যাচ দেন রাহুল। ২৫০ বলে ১২৯ রানের ইনিংস খেলে তিনি আউট হন। সেই সময় ভারতের রান ছিল ৪ উইকেটে ২৭৮। রাহুল আউট হওয়ার পাঁচ বল পরেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন অজিঙ্ক রাহানে। ২৩ বল খেলে মাত্র ১ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে আউট হন রাহানে। দীর্ঘদিন বড় রান নেই রাহানের ব্যাটে। চলতি বছরে ৯টি টেস্টে ১৪টি ইনিংসে তাঁর রান ২৬৯। সর্বাধিক ৬৭।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণদ্রুত দু উইকেট হারানোর পর ঋষভ পন্থের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ভারতকে ৩০০ রানের গন্ডি পার করে দেয়। মার্ক উডের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন ঋষভ। তিনি ৫৮ বলে ৩৭ রান করেন। পাঁচ বল পরেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন মহম্মদ সামি (০)। মঈন আলির বলে তিনি আউট হন। ভারতের সপ্তম উইকেট পড়ে ৩৩৬ রানে।আরও পড়ুনঃ এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর মাত্র ১০.১ ওভার স্থায়ী হয় ভারতের ইনিংস। ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৬৪ রানে। ৮ রান করে ইশান্ত শর্মা আউট হন দলের ৩৬২ রানের মাথায়। এক ওভার পরেই অ্যান্ডারসনের বলে ফেরেন বুমরা (০)। এরপর রবীন্দ্র জাদেজার (৪০) উইকেটট তুলে নেন মার্ক উড। ৬২ রানে ৫ উইকেট নেন জিমি অ্যান্ডারসন। মার্ক উড ও অলি রবিনসন পান দুটি করে উইকেট। মঈন আলির ঝুলিতে ১ উইকেট।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরব্যাট করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার ররি বার্নস ও ডম সিবলে। শুরুর স্পেলে যশপ্রীত বুমরা ও ইশান্ত শর্মা সুবিধা করতে পারেননি। ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। সিবলেকে (১১) তুলে নেন। পরের বলেই ফেরান হাসিব হামিদকে। দীর্ঘদিন পর টেস্টে প্রত্যাবর্তন সুখের হল না হাসিব হামিদের কাছে (০)। বুমরা, ইশান্তের শুরুর ব্যর্থতা ঢেকে দেন মহম্মদল সিরাজ, পরপর দুবলে সিবলে ও হামিদকে ফিরিয়ে। ররি বার্নস ও জো রুট দলকে টেনে নিয়ে যান। বার্নসকে (৪৯) তুলে নেন মহম্মদ সামি। দিনের শেষে ইংল্যান্ড ১১৯/৩। ক্রিজে রয়েছেন রুট (৪৮) ও জনি বেয়ারস্টো (৬)।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : রাহুল–রোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণ

মেঘলা আবহাওয়া, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। টসে জয়। বিপক্ষকে চেপে ধরার একেবারে আদর্শ পরিবেশ। এইরকম পরিবেশের সুবিধা কাজে লাগাতে ব্যর্থ ইংল্যান্ড বোলাররা। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনেই রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলের দাপটে বড় রানের পথে ভারত।মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির জন্য নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরেই খেলা শুরু হয়। শার্দূলের জায়গায় ভারতের প্রথম একাদশে ঢুকেছেন ইশান্ত শর্মা। ইংল্যান্ড দল তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছে। ব্রডের জায়গায় মার্ক উড, ড্যান লরেন্সের পরিবর্তে মঈন আলি, জ্যাক ক্রলির জায়গায় হাসিব হামিদ। ফিটনেস সমস্যা কাটিয়ে অ্যান্ডারসন মাঠে নামলেও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের সুবিধা নিতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের দৃঢ়তায়।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরটস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে কিছুটা দেরি হয়। লাঞ্চের আগেও বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে বৃষ্টির কারণে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ভারতের স্কোর ছিল ১৮.৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৬ রান। রোহিত শর্মা ৩৫ ও লোকেশ রাহুল ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৩২.৫ ওভারে ভারত ১০০ রানের গন্ডি পার করে। এই সময় রোহিতের রান ছিল ৭৫, রাহুলের ১৬। ভারতীয়দের কখনও খালি হাতে ফেরায়নি ঐতিহাসিক লর্ডস। এখানেই বিদেশের মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন রোহিত। থেমে যেতে হল ১৭ রান দুরে। অ্যান্ডারসনের দুরন্ত সিমের জবাব ছিল না হিটম্যানের কাছে। পরপর দুটি বল বাইরে বার করে তৃতীয়টা ভেতরে ঢোকাতেই নড়ে গেল রোহিতের (৮৩) ডিফেন্স। ব্যাট ও পায়ের ফাঁক দিয়ে ঢুকে প্যাডে লেগে উইকেটে। ততক্ষনে ওপেনিং জুটিতে উঠে গেছে ১২৬।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইলর্ডসে এদিন রোহিত ও রাহুলের জুটি ভাঙল ৬৯ বছরের পুরানো রেকর্ড। ১৯৫২ সালে ভিনু মানকড় ও পঙ্কজ রায়ের ওপেনিং জুটিতে উঠেছিল ১০৬ রান। লর্ডসে প্রথম ব্যাট করতে নেমে ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে অ্যালাস্টেয়ার কুক ও অ্যান্ড্র স্ট্রসের ওপেনিং জুটিতে ওঠা ১১৪ রানই ছিল এতদিনের সর্বোচ্চ। সেটিও এদিন ভারতীয় ওপেনাররা ভেঙে দিলেন। ৪৩.৪ ওভারে জেমস অ্যান্ডারসনের বলে রোহিত বোল্ড হতেই ভারতের ওপেনিং জুটি ভাঙে ১২৬ রানে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসচেতেশ্বর পুজারার ব্যাটিং নিয়ে চারিদিকে সমালোচনা ঝড় বইছে। তিনি যে যথেষ্ট চাপে রয়েছেন, আবার বোঝা গেল। লর্ডসেও ব্যর্থ ভারতের এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান। এদিনও শুরুতে দুবার বেঁচে গিয়ে মাত্র ৯ রান করে ফিরলেন অ্যান্ডারসনের বলে। রাহুলের রক্ষণ অবশ্য ভাঙতে পারেননি অ্যান্ডারসনরা। দারুণ ছন্দে রয়েছেন। দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে লর্ডসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নিলেন। অধিনায়ক বিরাট কোহলিও রানে ফিরলেন। তবে হাফসেঞ্চুরি করার আগেই থেমে যেতে হল কোহলিকে। ৪২ রান করে তিনি রবিনসনের বলে জো রুটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। ১২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল। প্রথম দিনের শেষে ভারত তোলে ২৭৬/৩।

আগস্ট ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND Vs ENG: জোড়া ধাক্কা নিয়েই লর্ডস টেস্টে খেলতে নামছেন কোহলিরা

বৃহস্পতিবার থেকে লর্ডসে শুরু হচ্ছে ভারতইংল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্ট। লর্ডস মাঠে নামার আগে অস্বস্তিতে দুই শিবির। নটিংহ্যাম টেস্টে মন্থর বোলিংয়ের জন্য দুই দলেরই কাটা গেছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য দুটি করে মূল্যবান পয়েন্ট। একদিকে চোটের জন্য ভারতের ছিটকে গেছেন শার্দূল ঠাকুর। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের খেলতে পারবেন না স্টুয়ার্ট ব্রড ও জেমস অ্যান্ডারসন। এই জোড়া ধাক্কা নিয়েই লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামছে ভারত ও ইংল্যান্ড।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসবুধবারই আইসিসির ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড জানান, ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে মন্থর বোলিংয়ের জন্য দুই দলেরই পয়েন্ট কাটা যাবে। একইসঙ্গে জরিমানা হিসেবে দিতে হবে ম্যাচ ফির ৪০ শতাংশ। টেস্ট ড্র হওয়ায় দুই দলের পাওয়ার কথা ছিল ৪ পয়েন্ট করে। কিন্তু কোহলিরুটদের ২ পয়েন্ট করে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। পয়েন্ট কাটা যাওয়ায় দলের ওপর অসন্তুষ্ট বিরাট কোহলি। লর্ডসে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, আমাদের খেলার গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। মাত্র ২ ওভারের জন্য শাস্তি পেয়েছি। এত মন্থর বোলিং করলে চলবে না। ভবিষ্যতে নজর রাখতে হবে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরহ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের জন্য লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন শার্দুল ঠাকুর। এই পরিস্থিতিতে ভারতের প্রথম একাদশ কী হবে তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। এখনও প্রথম একাদশ ঠিক করেনি ভারত। তবে রবিচন্দ্রন অশ্বিন কিংবা ইশান্ত শর্মা ও উমেশ যাদবের মধ্যে একজন খেলতে পারেন। তবে কোহলি যা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে অশ্বিনের তেমন স্বস্তিতে থাকার কথা নয়।আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিশার্দুল ঠাকুরের পরিবর্তে কে আসতে পারেন সেটাই বড় প্রশ্ন। এমনিতে অটোমেটিক চয়েস রবিচন্দ্রন অশ্বিন। টেস্ট ক্রিকেটে বিশ্বের ২ নম্বর বোলার সব সময়ই ম্যাচ উইনার। ব্যাটসম্যান হিসেবেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু অশ্বিনকে খেলালে ভারতকে নামতে হবে তিন পেসারে। শার্দুল ঠাকুরের জায়গায় যদি কোনও পেসার নেওয়া হয় সেক্ষেত্রে লড়াই ইশান্ত শর্মার সঙ্গে উমেশ যাদবের। ফিটনেস সমস্যায় ইশান্ত ট্রেন্ট ব্রিজে খেলতে না পারলেও এখন সেই সমস্যা নেই। বিরাট কোহলি বলেছেন, সেরা একাদশ নিয়েই আমরা নামব। আমাদের ২০ উইকেট তোলার বিষয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। এমন কাউকে নেওয়া হবে না যিনি শুধু ব্যাট হাতে কিছু রান যোগ করতে পারেন। প্রথম টেস্টের দল নিয়ে আমরা সত্যিই স্বস্তিতে ছিলাম।আরও পড়ুনঃ এল এম ১০ নন, পিএসজিতে মেসি এল এম ৩০প্রথম টেস্টে ব্যাটিংয়ে হতাশ করেছেন কোহলি, রাহানে, পুজারারা। তা নিয়ে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি বলেন, এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই। ব্যক্তিগত কিছু নিয়ে ভাবি না। দলগতভাবে কতটা শক্তিশালী হয়ে কিছু করতে পারি তা নিয়েই পরিকল্পনা করে থাকি। জাদেজা প্রথম টেস্টে ভাল ব্যাটিং করেছে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে নামবে। আগের টেস্টে রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল খুব ভাল খেলেছে। ব্যাটিং ইউনিট নিয়ে আমরা স্বস্তিতে রয়েছি। এমনকী শার্দুল না খেলতে পারলেও ব্যাটিং গভীরতা কমবে বলে মনে করি না। ঋষভ পন্থের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং নিয়ে কোহলিই বলেন, এটাই তাঁর স্বাভাবিক খেলা। আবার দলের প্রয়োজনে ম্যাচ বাঁচানোর মতো ব্যাটিং করে লম্বা ইনিংসও খেলতে পারে। সব সময়ই যে খুব ডিফেন্সিভ খেলতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। দলের ম্যানেজমেন্ট কী চাইছে সেই বার্তা সম্পর্কে পন্থ ওয়াকিবহাল থাকেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
দেশ

Begging: দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

করোনা মহামারি কেড়ে নিয়েছে সাধারণ মানুষের অনেক কিছু। মাথায় হাত পড়ার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। এমন সব খবর তো গত এক দেড় বছরে অনেক শোনা গিয়েছে। কিন্তু এবার যে খবর সামনে আসছে সেটা শুনে মুষরে পড়তে পারেন অনেকেই। দিল্লি সরকারের একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, দিল্লির রাস্তায় গত কয়েক মাসে ভিখারির সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট- এর সেই সার্ভের রিপোর্ট বলছে, করোনা মহামারির এই চূড়ান্ত দুঃসময়ে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বেকার হয়ে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিচলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেখানে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। দিল্লির রাস্তায় এখন ৫২ শতাংশ বেড়েছে বেকারের সংখ্যা। গত পাঁচ বছর ধরে বহু নতুন ভিখারি দেখা গিয়েছে দিল্লির রাস্তায়। সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, মাত্র ৮ শতাংশ ভিখারি ছোটবেলা থেকে ভিক্ষা করতে বাধ্য হয়েছে। আইএইচডি-র রিপোর্ট বলছে, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অশিক্ষা এবং শারীরিক সমস্যার জন্য ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য হয়েছেন অনেকে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় এমন মানুষদের ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখা গিয়েছে যাঁরা করোনা মহামারির সময় কাজ হারিয়েছেন। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন যাঁরা তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষের মাথার উপরে ছাদ নেই। অর্থাৎ শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় মাথা গোঁজার কোন ঠাই নেই তাঁদের। দিল্লির রাস্তায় ভিক্ষাবৃত্তি করা মানুষদের ৪৫ শতাংশ ঝুপড়িতে থাকতে বাধ্য হন। করোনা মহামারির জন্য কাজ হারিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ্য হওয়া মানুষদের সংখ্যাটা উল্লেখযোগ্য। তাঁদের মধ্যে অনেকেই অবশ্য ছোটখাটো কাজ করেন। কিন্তু হাতে যা টাকা আসে তা দিয়ে সংসার চলে না। ফলে বাড়তি উপার্জনের জন্য তারা ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করছেন। কুড়ি শতাংশ ভিখারি এমন রয়েছেন যাঁরা এই পেশায় আসার আগে দিনমজুর, কারখানার শ্রমিক, পরিচারক বা পরিচারিকা হিসেবে কাজ করতেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Neeraj Chopra : নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?‌

তিনি কোনও বলিউডি তারকা নন। দেশের কোনও রাজনৈতিক নেতাও নন। কিংবা ক্রিকেট, ফুটবলের কোনও সুপারস্টারও নন। সুতরাং সামাজিক মাধ্যমে তাঁর যে অনুরাগীর সংখ্যা বেশি থাকবে এমন প্রত্যাশা করাটাই অন্যায়। অলিম্পিকে একটা সোনা জয়ই বদলে দিয়েছে আবহ। নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা একলাফে পৌঁছে গেছে আড়াই লক্ষর বেশি।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনঅলিম্পিকে যাওয়ার আগে ইনস্টাগ্রামে নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা ছিল ৫০এরও কম। টোকিও অলিম্পিকে যাওয়ার পর ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের এই পোস্টার বয়কে ফলো করতে শুরু করেন অনেকেই। আর সেই সংখ্যাটাআ রীতিমতো চোখ কপালে তোলার মতো জায়গায় পৌঁছে গেছে। ইতিমধ্যেই ইনস্টাগ্রামে নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষর কাছাকছি পৌঁছে গেছে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?সোনা জয়ী এই অ্যাথলিট অবশ্য অনুসরণ করেন মাত্র ১৬০ জনকে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন বলিউডের দুই অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও রনদীপ হুডা। রুপোলি পর্দার এই দুই তরকাকে ফলো করার বড় কারণ হল দুজনেই খেলাধুলা ও শরীরচর্চা ভালবাসেন। পঞ্চাশ বছর পার করলেও অক্ষয় কুমার এখনও নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। রনদীপ হুডাও সময় পেলেই সাঁতার এবং ঘোড়সওয়ারি নিয়ে সময় কাটান। এক সময় জাতীয় স্তরে সাঁতার ও ঘোড়সওয়ারিতে পদকও জিতেছিলেন রনদীপ হুডা। তাই নীরজের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন এই দুই অভিনেতা। নীরজ চোপড়ার অনুসরনের তালিকায় এই দুজন ছাড়াও রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পিভি সিন্ধু, সাইনা নেহওয়াল, বীজেন্দ্র সিংহ, দীপক পুনিয়া, বক্সার মনোজ কুমার, মীরাবাই চানুর মতো ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন। রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন?‌ জানতে পড়ুন

ভারতইংল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্ট ১২ আগস্ট থেকে শুরু হবে লর্ডসে। দ্বিতীয় টেস্টে হাজির থাকতে লন্ডন উড়ে যাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। যদিও তাঁকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না।কেন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন পর্ব থেকে ছাড় পাচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? ব্রিটিশ সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রোটেকল অনুযায়ী ভ্যাকসিন নেওয়া আছে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের। তাই তাঁকে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। সৌরভ সরাসরি মাঠে হাজির থাকতে পারবেন। বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইংল্যান্ড না গেলেও সিরিজ চলাকালীন যে কোনও টেস্টে হাজির থাকতে পারেন বোর্ড সচিব জয় শাহ, ভাইসপ্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা, কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমলও।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিএদিকে, দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে সোমবারই নটিংহাম থেকে লন্ডন পৌঁছল ভারতীয় দল। সূর্যকুমার যাদব, পৃথ্বী শরাও দলের সঙ্গে লন্ডন গেছেন। তবে তাঁরা এখন অনুশীলনে নামতে পারবেন না। ১২ আগস্ট লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু। ১৩ আগস্ট এই দুই ক্রিকেটারের ১০ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হবে। পরের দিন থেকে তাঁরা অনুশীলনে নামতে পারবেন। ফলে দ্বিতীয় টেস্টে খেলার কোনও সুযোগ নেই। তৃতীয় টেস্ট থেকে সূর্যকুমার ও পৃথ্বী খেলার জন্য বিবেচিত হবেন।এদিকে, ট্রেন্ট ব্রিজে প্রথম টেস্টে সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও বৃষ্টির জন্য জয় আসেনি। চূড়ান্ত হতাশ অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তবে প্রথম টেস্টে বেশকিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন। টেল এন্ডারদের ব্যাটিংয়ে তিনি খুশি। যশপ্রীত বুমরা জীবনের সর্বোচ্চ ২৮ রান করেছেন। মহম্মদ সামির অবদান ১৩। মহম্মদ সিরাজ ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?টেল এন্ডারদের ব্যাটিং প্রসঙ্গে কোহলি বলেন, ওরা নেটে নিয়মিত ব্যাট করে। ব্যাটিংয়ে সবসময় অবদান রাখতে চায়। ট্রেন্ট ব্রিজে সফল হয়েছে। দলের এই তিন টেল এন্ডারের কাছ থেকে ৫০র বেশি রান পাওয়াটা দলের কাছে অনেকটা সোনা পাওয়ার মতো। আমরা ৪০ রানের আশেপাশে এগিয়ে যাওয়ার আশা করেছিলাম। টেল এন্ডারদের প্রয়াসে শেষ পর্যন্ত ৯৫ রানে এগিয়ে গিয়েছিলাম।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌nd vs Eng Test : কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টি

ভারতের কাছে ট্রেন্ট ব্রিজ বরাবরই পয়া মাঠ। ইংল্যান্ড সফরে ট্রেন্ট ব্রিজ কখনও খালি হাতে ফেরায়নি টিম ইন্ডিয়াকে। ২০১৮ সালে সিরিজ ৪১ ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। একমাত্র জয় এসেছিল ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে। এবারও এই মাঠে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করার সুযোগ ছিল বিরাট কোহলিদের সামনে। বাধ সাধল বৃষ্টি। বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়ার জন্য টেস্টের পঞ্চম দিন এক বলও খেলা হল না। টেস্ট অমীমাংসিতভাবে শেষ হল।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিজয়ের জন্য ২০৯ রান তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে ভারত ১ উইকেটে তুলেছিল ৫২। রোহিত শর্মা ও চেতেশ্বর পুজারা দুজনেই ১২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। শেষদিনে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৫৭ রান। ভারতের পক্ষে জেতা খুব একটা কঠিন ছিল না। কিন্তু বৃষ্টির জন্য জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল বিরাট কোহলিদের।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?পঞ্চম দিনের প্রথম দুই সেশন বৃষ্টির জন্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও খেলার আশা জেগেছিল। বৃষ্টি থামলেও চা পানের বিরতির পর আবহাওয়ার উন্নতি হয়নি। আলোর অভাব দেখা দিয়েছিল। তাই দিনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন দুই আম্পায়ার। স্বভাবতই বিরক্ত বিরাট কোহলি। শেষ দিনে একনাগাড়ে বৃষ্টি কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে বাধা হয়ে দাঁড়াল।

আগস্ট ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ! কেন হঠাৎ টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান কেন্দ্রের?

প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে টেলিগ্রামের একাধিক চ্যানেলের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কিছু চ্যানেল পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল।সরকারি সূত্রের দাবি, শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সক্রিয় একাধিক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এটি কোনও মতপ্রকাশ বা কণ্ঠরোধের বিষয় নয়। বরং পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, কয়েকজন দুষ্কৃতীর কর্মকাণ্ডের জন্য বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবহারকারী সমস্যার মুখে পড়ছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপর প্রভাব পড়ছে।এদিকে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার দাবি, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সন্দেহভাজন চ্যানেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তদন্তে দেখা যায়, কিছু চ্যানেল প্রকাশ্যে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করছিল।তবে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রতারণামূলক। পরীক্ষার্থীদের কোনওভাবেই এমন প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনও বার্তা বা চ্যানেলের তথ্য প্রশাসনকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রশ্নে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের পর এবার সমাজবাদী পার্টি? বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় উত্তরপ্রদেশ রাজনীতি

দেশের রাজনীতিতে আবারও দলভাঙার জল্পনা ঘনীভূত হচ্ছে। তৃণমূল এবং শিবসেনাকে ঘিরে বিতর্কের পর এবার সমাজবাদী পার্টিকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।সূত্রের দাবি, আগামী দিনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংসদে আনার প্রস্তুতি চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং তাদের সাংসদদের অবস্থান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আবহেই সমাজবাদী পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন জল্পনা সামনে এসেছে।এক মন্ত্রীর দাবি, সমাজবাদী পার্টির ভিতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং দল ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ নাকি অন্য রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি কথিত তালিকাকে ঘিরে। দাবি করা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদের নাম নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে এবং তা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।এদিকে সমাজবাদী পার্টির শীর্ষ নেতারা এই সমস্ত জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের মধ্যে কোনও ভাঙনের পরিস্থিতি নেই এবং বিরোধীদের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।দলের এক প্রবীণ নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনও তালিকা কারও হাতে দেননি এবং দল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর দাবি, সমাজবাদী পার্টি আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনাকে সামনে রেখে এই ধরনের জল্পনা আরও বাড়তে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দলবদল ও রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।ফলে সমাজবাদী পার্টিকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে নজর রয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। আপাতত দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যেই উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজারে আপাতত ব্রেক! হকার উচ্ছেদে বড় রায়, স্বস্তির নিঃশ্বাস হাজার হাজার পরিবারের

হকার উচ্ছেদ নিয়ে চলা বিতর্কে বড় স্বস্তির খবর। কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একাধিক এলাকায় হকার উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় আগের উচ্ছেদ নোটিস এখনই কার্যকর করা যাবে না।আদালতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যেভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, জীবিকার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার। হাজার হাজার পরিবার ছোট দোকান, ঠেলাগাড়ি বা অস্থায়ী ব্যবসার উপর নির্ভর করে সংসার চালায়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করে দিলে তাদের জীবন ও জীবিকা সংকটে পড়বে।মামলাকারীদের আইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁদের শত্রুর মতো আচরণ করা নয়। অথচ বহু জায়গায় আচমকা বুলডোজার নিয়ে গিয়ে দোকান ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয় আদালতে। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষ রাত জেগে নিজেদের দোকান ও জীবিকা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করা হয়।আদালতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও জায়গায় মানুষ বসবাস বা ব্যবসা করে এলে সেই বিষয়টি বিবেচনা না করে হঠাৎ উচ্ছেদ করা উচিত নয়। অতীতে সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথাও তুলে ধরা হয়।অন্যদিকে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট জমি বহু বছর আগে আইনসম্মতভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। সেই জমি ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। তাই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আইন মেনেই করা হচ্ছে বলে দাবি করে রেল।শুনানির সময় আদালত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে যাঁদের বৈধ অনুমতি বা লাইসেন্স ছিল, তাঁদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত আপাতত উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে বহু হকার ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কের উপর নজর থাকবে প্রশাসন, আদালত এবং সাধারণ মানুষের।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

একসময় ছিল দেশের ভরসা, আজ বিস্মৃত ইতিহাস! ফের আলোচনায় ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস

একসময় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস। দুই বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সীমান্ত রক্ষা এবং জঙ্গি দমনএকাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে এই বাহিনী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গৌরব অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও গুরুত্বহীনতার কারণে বাহিনীটি প্রায় বিস্মৃতির আড়ালে চলে গিয়েছে।সম্প্রতি এই বাহিনীকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দার্জিলিং সফরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসকে আবারও শক্তিশালী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজার যুবক-যুবতীকে এই বাহিনীতে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে মহিলাদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সংরক্ষণের কথা জানানো হয়েছে।ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলসের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে মূলত পাহাড়ি অঞ্চলের যোদ্ধাদের নিয়োগ করা হত। দেশভাগের আগে বিভিন্ন যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তারা। স্বাধীনতার পরও সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে বাহিনীর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। একসময় জঙ্গি দমন অভিযানে নিয়মিত ব্যবহৃত হলেও পরিস্থিতি বদলের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিয়োগ, পরিকাঠামো এবং আধুনিকীকরণেও গতি কমে আসে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল। ফলে বহু দক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী সদস্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীটি তার পুরনো অবস্থান হারায়।এবার সেই পরিস্থিতি বদলানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে এই বাহিনীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।এছাড়াও ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।একসময় যে বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ ছিল, তাকে আবারও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার এই উদ্যোগ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

ফের ভাঙনের মুখে উদ্ধব শিবির! হঠাৎ উধাও একাধিক সাংসদ, দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক নাটক

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের বড় অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে। একসময় শিবসেনা ভেঙে আলাদা শিবির গড়েছিলেন একনাথ শিন্ডে। সেই ঘটনার পর নতুন করে ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। সূত্রের খবর, দলের একাধিক সাংসদ আচমকাই যোগাযোগের বাইরে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ফোন বন্ধ থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অন্তত ছয় থেকে সাতজন সাংসদ শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলেও খবর। এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অন্দরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। সেই অসন্তোষই এবার প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁদের নাম সামনে এসেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। ফলে তাঁদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ উদ্ধব শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।দল ভাঙার এই সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন একটি নামও ঘুরছে। সূত্রের দাবি, পুরো পরিকল্পনাকে ঘিরে বিশেষ কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং সেই কারণেই সাংসদদের আচমকা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নিয়ে এত আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।এদিকে একনাথ শিন্ডেও বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ সম্ভাব্য বৈঠকের পর বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরের আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন শিন্ডে শিবিরের এক শীর্ষ নেতা। সেই মন্তব্যের পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।একসময় যে দল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী মুখ ছিল, সেই দলের ভবিষ্যৎ এখন নতুন করে প্রশ্নের মুখে। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে থাকা শিবির কি এই ধাক্কা সামলাতে পারবে, নাকি আবারও বড় ভাঙনের সাক্ষী হবে মহারাষ্ট্রসেই উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।

জুন ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাত্র ২৮ বছরেই ইতিহাসের দরজায় এমবাপে! আর মাত্র তিন গোল, তারপরই বিশ্ব ফুটবলে মহারেকর্ড

বিশ্ব ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে জিতিয়ে রেকর্ডের খাতায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করে তুললেন এই তারকা ফুটবলার।আট বছর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক কিশোরকে দেখে বিস্মিত হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার ক্ষমতা নজর কেড়েছিল সকলের। সেই কিশোরই আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। বয়স এখনও মাত্র ২৮, অথচ ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন একের পর এক ঐতিহাসিক মাইলফলকের সামনে।সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স বেশ কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি। এমবাপেকে কড়া নজরে রেখেছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ। ফলে তাঁকে খুব বেশি জায়গা দেওয়া হয়নি।দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি কোচ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন করেন। এমবাপেকে মাঝের জায়গা থেকে সরিয়ে প্রান্তে খেলানো শুরু হয়। আর সেই পরিবর্তনের ফল মিলতে সময় লাগেনি। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে সতীর্থের পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে।এরপর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন তিনি। অতিরিক্ত সময়ে দুরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের জয়।তবে শুধু ম্যাচ জেতানো নয়, এই দিনটি এমবাপের জন্য বিশেষ হয়ে থাকল আরও একটি কারণে। ফ্রান্সের জার্সিতে তাঁর মোট গোলসংখ্যা পৌঁছে গেল ৫৮-তে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন দেশের প্রাক্তন কিংবদন্তি অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এলেন।একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৪। প্রথম বিশ্বকাপে চার গোল, পরের আসরে আট গোল এবং এবার শুরুতেই দুই গোল করে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন এই মাইলফলকে। এর ফলে তিনি ছাড়িয়ে গিয়েছেন ফরাসি কিংবদন্তি জুল ফন্টেকেও।এখন বিশ্ব ফুটবলের নজর একটাই প্রশ্নে। আর মাত্র তিন গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এমবাপে। বয়স, ফর্ম এবং ধারাবাহিকতা বিচার করলে সেই রেকর্ড ভাঙা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও প্রমাণ হল, কিলিয়ান এমবাপে শুধু বর্তমানের তারকা নন, তিনি ভবিষ্যতের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আর সেই কিংবদন্তির নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় এখন গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসিকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ! কলকাতা পুলিশকে চিঠি, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মেসিকে ঘিরে বিতর্কে ফের নতুন মোড়। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি পাঠালেন আর্জেন্টিনার মহাতারকার ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রতিনিধিরা। সেই চিঠিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মেসির মাঠে উপস্থিতির সময় নির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা বিধি আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। সেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। শুধুমাত্র কয়েকজন অনুমোদিত ক্যামেরা কর্মী উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ।ম্যানেজমেন্ট টিমের দাবি, নির্ধারিত তালিকার বাইরে একাধিক ব্যক্তি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। এমনকি অনেক অননুমোদিত ফটোগ্রাফার ও ক্যামেরা কর্মীকেও সেখানে দেখা যায়। এর ফলে মাঠের পরিবেশ বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু ব্যক্তি বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তাঁর ব্যক্তিগত পরিসর ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে পরিকল্পিত কিছু কর্মসূচি বাতিল করে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন মেসি এবং তাঁর দলের সদস্যরা।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর দাবি, মেসির সফরের পরামর্শদাতা ও প্রতিনিধি পুলিশকে পাঠানো ইমেলে স্পষ্টভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, মাঠে বহু অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং সেই কারণেই সফরের কিছু অংশ বাতিল করতে হয়েছিল।শতদ্রু দত্ত আরও দাবি করেছেন, এতদিন যেসব অভিযোগ সামনে আনা হয়েছিল, সেই চিঠি নাকি তারই সমর্থন করছে। তাঁর মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই অভিযোগগুলির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এদিকে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেসি। সেই আবহের মধ্যেই এই চিঠি সামনে আসায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। ফুটবল মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন আলোচনা একটাই, যুবভারতীতে সেদিন আসলে কী ঘটেছিল?চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আসার পর গোটা ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত ও আলোচনার দাবি উঠেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal