• ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ill

রাজ্য

রাতারাতি বদলে গেল হাওড়া স্টেশন! বুলডোজার চালিয়ে উচ্ছেদ শতাধিক দোকান

হাওড়া স্টেশনের বাইরে শনিবার গভীর রাতে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালাল রেল পুলিশ। আগেই নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো রাতেই বুলডোজার নিয়ে স্টেশন চত্বরে পৌঁছে যায় পুলিশ ও আরপিএফ। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে বসে থাকা ডালা এবং অস্থায়ী দোকান সরিয়ে দেওয়া হয়। বুলডোজার চালিয়ে একের পর এক দোকান ভেঙে ফেলা হয়। গোটা স্টেশন চত্বর পরিষ্কার করে দেওয়া হয় রাতারাতি।এই উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় হাওড়া স্টেশন এলাকায়। রাতেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমে যায় বহু মানুষের। যদিও পুলিশ ছিল কড়া অবস্থানে। মাইক হাতে পুলিশকে বলতে শোনা যায়, এখানে ভিড় করবেন না। যাত্রীরা স্টেশনে চলে যান। যাঁদের বাস ধরার, বাস ধরুন। এখানে কোনও নাটক হচ্ছে না। প্রশাসনকে প্রশাসনের কাজ করতে দিন।পুলিশ সূত্রে খবর, দেড়শোরও বেশি অবৈধ দোকান সরানো হয়েছে এই অভিযানে। প্রচুর পুলিশ ও আরপিএফ মোতায়েন ছিল এলাকায়। তাঁদের উপস্থিতিতেই শুরু হয় বুলডোজার অভিযান। রাতভর চলে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া।ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, একদিন আগেই রেলের তরফে জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারপরই শনিবার রাতে অভিযান চালানো হয়। অনেকেই আগেভাগে নিজেদের ডালা ও সামগ্রী অন্যত্র সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন।রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবেই এই উচ্ছেদ অভিযান করা হয়েছে। স্টেশনের বাইরে রাস্তা ও ফুটপাত ফাঁকা থাকলে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতে সুবিধা হবে বলেই দাবি রেলের। বহু যাত্রীও এই পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

তপসিয়ার আগুনের পর কড়া বার্তা, রাতারাতি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল বেআইনি বহুতল

তপসিয়ার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনার পরেই প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপে কলকাতায় নেমেছে বুলডোজার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিলজলা থানা এলাকার ওই চামড়া কারখানার বহুতল ভাঙার কাজ শুরু হয়। প্রশাসনের দাবি, ভবনটি সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে নির্মিত হয়েছিল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থারও কোনও অস্তিত্ব ছিল না।মঙ্গলবারের ভয়াবহ ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দুজন। গুরুতর আহত অবস্থায় একাধিক ব্যক্তি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর পুলিশ কারখানার মালিক জাফর নিশার-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, বহুতলটি কোনও অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়াই তৈরি হয়েছিল এবং সেখানে নিরাপত্তার ন্যূনতম মানদণ্ডও মানা হয়নি।বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নেবে। তাঁর নির্দেশেই পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর, বিদ্যুৎ দফতর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তাদের অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। শুধু ওই কারখানাই নয়, কলকাতার কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, একবালপুর-সহ বিভিন্ন এলাকায় থাকা বেআইনি কারখানা ও ঝুঁকিপূর্ণ নির্মাণ চিহ্নিত করে বিদ্যুৎ ও জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।নির্দেশের পরেই বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বুলডোজার। বিশাল পুলিশবাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে বহুতল খালি করে ভাঙার কাজ শুরু হয়, যা রাত পর্যন্ত চলেছে। যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য গোটা এলাকা ঘিরে রাখা হয়।রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, যেসব ভবনের ফায়ার লাইসেন্স বা এনওসি নেই, সেগুলিকে নোটিস পাঠানো শুরু হয়েছে। প্রথমে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে, কিন্তু তাতেও নিয়ম না মানলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, তপসিয়ার ভবনটির সিঁড়ি এতটাই সরু ছিল যে, অনেকেই দ্রুত বেরোতে পারেননি। বিকল্প জরুরি নির্গমন পথ থাকলে হয়তো পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত।এদিকে এই ঘটনায় সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি অভিযোগ করেছেন, যথাযথ নোটিস ও পুনর্বাসনের সুযোগ না দিয়ে এভাবে বহুতল ভেঙে ফেলা অসাংবিধানিক। তাঁর দাবি, ভবনের অন্যান্য ভাড়াটিয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবা উচিত ছিল। পাশাপাশি এই বেআইনি কারখানা চালু রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তারও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন তিনি।তপসিয়ার এই ঘটনার পর রাজ্যের পুর এলাকা ও শিল্পাঞ্চলে নজরদারি বাড়াতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিধানসভায় ঘোষণা করা হয়েছে, রাজ্যের সাতটি পুরনিগম, ১২১টি পুরসভা এবং তিনটি শিল্পাঞ্চলকে ধাপে ধাপে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হবে। প্রশাসনের মতে, এতে বেআইনি নির্মাণ ও নিরাপত্তাহীন শিল্পকারখানার উপর আরও কড়া নজর রাখা সম্ভব হবে।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

দেশ ভাগের চক্রান্ত? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বিস্ফোরক মমতা

লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পেশ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ৫৪৩টি আসন বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দক্ষিণের একাধিক রাজ্য বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে। এবার সেই বিরোধিতায় সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।কোচবিহারে নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র আগাম ফলাফল বুঝতে পেরে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে। তিনি বলেন, এখন যখন লোকসভায় ৫৪১টি আসন রয়েছে, তা বাড়িয়ে ৮৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, এইভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং বা শিলিগুড়ির মতো জায়গার অস্তিত্বই মুছে যেতে পারে।বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় এবং এক মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধেও একসময় প্রতিবাদ হয়েছিল এবং আজও সেই লড়াইয়ের মানসিকতা বজায় রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলার উপর বারবার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অতীতে ভোটের সময় হিংসার ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর দাবি, বাংলা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মানুষই শেষ কথা বলবে। এই মন্তব্যের পর ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
দেশ

সংসদে বড় ধাক্কা! সংবিধান সংশোধনী বিল পাস না হতেই চরম চাপে কেন্দ্র

সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকেও শেষ পর্যন্ত বড় ধাক্কা খেল কেন্দ্রীয় সরকার। ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল লোকসভায় পাস করাতে পারল না সরকার। এই বিল পেশ ও পাস করানোর উদ্দেশ্যেই বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল, কিন্তু প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না মেলায় বিলটি আটকে যায়।এই সংবিধান সংশোধনী বিলের সঙ্গে যুক্ত ছিল আসন পুনর্বিন্যাস বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল। মূলত মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এর আগে ২০২৩ সালে সর্বসম্মতিতে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস হলেও তা কার্যকর হয়নি। সেই বিলকে আইনে পরিণত করতে নতুন করে সংশোধনী আনা হয়েছিল।বিলটি নিয়ে সংসদে তুমুল বিতর্ক হয়। শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ৫২৮ জন সাংসদের মধ্যে ভোটাভুটিতে ২৯৮ জন বিলের পক্ষে এবং ২৩০ জন বিপক্ষে ভোট দেন। কিন্তু সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩৫২টি সমর্থন, যা জোগাড় করতে পারেনি সরকার।এই ভোটাভুটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল, এতদিন সরকারকে সমর্থন করা বিজেডি-র অবস্থান বদল। দলের নেতা নবীন পট্টনায়কের নেতৃত্বে তাঁদের সাংসদরা আসন পুনর্বিন্যাস বিলের বিরোধিতা করেন, যা ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলে।লোকসভায় শাসক জোটের সাংসদের সংখ্যা ২৯৩, আর বিরোধীদের সংখ্যা ২৩৩। রাজ্যসভাতেও শাসক জোট এগিয়ে থাকলেও এই গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করাতে ব্যর্থ হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, সংবিধান সংশোধনী বিল পাস না হওয়ায় আপাতত বাকি দুই বিল নিয়েও এগোবে না কেন্দ্র। এদিকে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গেল। এখন কেন্দ্রীয় সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড়সড় ঝাঁকুনি! বালিগঞ্জে ‘সোনা পাপ্পু’র বাড়িতে হঠাৎ ইডির হানা

ভোটের আগেই শহরে আবার সক্রিয় হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বুধবার সকালে বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে তথাকথিত ত্রাস সোনা পাপ্পুর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি। জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং তোলাবাজির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইডি সূত্রে খবর, একসঙ্গে মোট ছটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। শুধু সোনা পাপ্পুর বাড়িই নয়, তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রাহুল দাসের কাকুলিয়া রোডের বাড়িতেও পৌঁছেছে তদন্তকারী দল। পাশাপাশি একটি নির্মাণ সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।অভিযোগ, প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে জোর করে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং তোলাবাজি চালাত সোনা পাপ্পু ও তাঁর সহযোগীরা। এই তোলাবাজির বিপুল পরিমাণ টাকা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছত বলেও অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই শুরু হয়েছে এই অভিযান।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সোনা পাপ্পুকে শাসক দলের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই চেনা হয়। সম্প্রতি কাকুলিয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের ঘটনাতেও তাঁর নাম উঠে আসে। যদিও এখনও পর্যন্ত পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করতে পারেনি। সেই সময় শাসক দলের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর ছবি প্রকাশ্যে আসায় বিতর্ক আরও বাড়ে।এই পরিস্থিতিতে ভোটের মুখে ইডির এই অভিযান রাজনৈতিক মহলেও নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই বড় ধরপাকড়! এক মাসে উদ্ধার প্রায় ৪০০ কোটি টাকার অবৈধ সামগ্রী

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কড়া নজরদারিতে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা, তার সত্যতা যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক মাসে বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৪০০ কোটিরও বেশি টাকার অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। সম্প্রতি পাঁচটি নির্বাচনী রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, সঙ্গে তাদের ১২টি সীমান্তবর্তী রাজ্যের প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। সেখানে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, নির্বাচন যেন সম্পূর্ণভাবে হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত এবং প্রলোভনমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।এই লক্ষ্যেই বড় পরিসরে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাঁচটি বিধানসভা নির্বাচনে ৫ হাজার ১৭৩টিরও বেশি উড়ন্ত দল মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে যে কোনও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশির জন্য ৫ হাজার ২০০টিরও বেশি নজরদারি দল কাজ করছে।সূত্রের খবর, ইলেকট্রনিক জব্দ ব্যবস্থাপনা চালু হওয়ার পর ২৫ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থার যৌথ অভিযানে মোট ৪০৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকারও বেশি অবৈধ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ১৭ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা নগদ, ৩৭ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকার মদ, প্রায় ১৬ লক্ষ লিটারেরও বেশি মদ উদ্ধার হয়েছে। মাদকদ্রব্যের মূল্য প্রায় ১৬৭ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা। এছাড়া প্রায় ২৩ কোটি টাকার মূল্যবান ধাতু এবং আরও ১৬৩ কোটির বেশি টাকার অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে।অভিযোগ দ্রুত মেটানোর জন্য জেলা স্তরে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক দলগুলিও একটি বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারছেন। জানা গিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে ২৫ মার্চের মধ্যে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোট ৭০ হাজার ৯৪৪টি অভিযোগ জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৭০ হাজার ৮৩১টি অভিযোগ ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কমিশনের দাবি, প্রায় ৯৫ শতাংশ অভিযোগ ১০০ মিনিটের মধ্যেই সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

মহিলা সংরক্ষণে বড় বদল! জনগণনা বাদ দিয়ে নতুন চাল কেন্দ্রের, বাড়তে পারে লোকসভা আসন

সংসদে শীঘ্রই মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগে বলা হয়েছিল, জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে কেন্দ্র নতুন পথ বেছে নিতে চাইছে।সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই সংসদে দুটি সংবিধান সংশোধনী বিল আনা হতে পারে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতেই আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। আগে যেখানে নতুন জনগণনার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন সেই ধাপ বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। ফলে দ্রুত মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার পথে এগোতে চাইছে কেন্দ্র।এই সংশোধনী কার্যকর হলে লোকসভায় আসনের সংখ্যাও অনেকটাই বাড়তে পারে। বর্তমানে যেখানে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩, সেখানে তা বেড়ে প্রায় ৮১৬ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেও আসন সংখ্যা ৪২ থেকে বেড়ে ৬৩ হতে পারে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।তবে এই বিল পাশ করাতে সংসদে দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই বিরোধীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে। যদিও সব দল এই প্রস্তাবে সমর্থন দেবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী নিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে দ্রুত সংরক্ষণ কার্যকর হবে, নাকি আরও বিতর্ক বাড়বেতা এখন দেখার।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

নতুন বিলে বদলে যাবে পরিচয়! রূপান্তরকামীদের জন্য কড়া নিয়মে দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক

লোকসভায় শীঘ্রই পেশ হতে চলেছে রূপান্তরকামী ব্যক্তি অধিকার সুরক্ষা সংশোধনী বিল। এই বিল পাশ হলে কোনও ব্যক্তি আর নিজের ইচ্ছেমতো নিজেকে রূপান্তরকামী হিসেবে ঘোষণা করতে পারবেন না। এর জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রক্রিয়ার পর মেডিক্যাল শংসাপত্র জমা দিতে হবে।বিল সামনে আসতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। একদিকে কেন্দ্রের সমাজকল্যাণ মন্ত্রকের দাবি, রূপান্তরকামীদের সঠিক সংজ্ঞা না থাকায় অনেক ভুয়ো দাবি সামনে আসছে। এর ফলে প্রকৃত রূপান্তরকামী ব্যক্তিরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই এই সংশোধন প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।অন্যদিকে রূপান্তরকামীদের সংগঠনগুলির অভিযোগ, এই বিল তাদের অধিকার খর্ব করবে। তাঁদের মতে, এই নিয়ম চালু হলে নিজের পরিচয় নির্ধারণের স্বাধীনতা কমে যাবে। অনেক সংগঠনই বলছে, এতে লিঙ্গ পরিচয়ের বিষয়টি সহজ হওয়ার বদলে আরও জটিল হয়ে উঠবে।এই বিলের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই আইন কার্যকর হলে রূপান্তরকামী মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকার আরও সংকুচিত হবে।বাংলাতেও এই ইস্যুতে প্রতিবাদের ছবি সামনে এসেছে। আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়ায় প্রায় পঞ্চাশজন রূপান্তরকামী অধিকারকর্মী পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা এই প্রস্তাবিত বিলের কপি পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই আন্দোলন।আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারকে এই বিল নতুন করে ভাবতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে রূপান্তরকামীদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।সব মিলিয়ে সংসদে বিল পেশ হওয়ার আগেই বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে উত্তেজনা এবং উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
বিদেশ

মেক্সিকো তপ্ত! মোস্ট ওয়ান্টেড ড্রাগ কার্টেল নেতা এল মেনচো নিহত, শহরে তাণ্ডব ও আগুন

মেক্সিকো জ্বলছে। দেশ তথা বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর ও মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। মেক্সিকোর সেনা দেশের বিভিন্ন অংশে মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছিল। জালিস্কো শহরে সামরিক অভিযানের সময় আহত হন এল মেনচো। তাকে আকাশপথে মেক্সিকো সিটিতে নিয়ে যাওয়ার সময় মৃত্যুর খবর আসে।এল মেনচো জালিস্কো নিউ জেনেরেশন কার্টেলের নেতা ছিলেন। তার মাথার উপরে ১৫ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ছিল। আমেরিকা এই গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিল। সেনাদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে আহত হন এল মেনচো। অভিযানে তাঁর ছাড়াও আরও ছয়জনকে নিকেশ করা হয়েছে, দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে রকেট লঞ্চার ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সংঘর্ষে তিনজন সেনা আহত হয়েছেন।এল মেনচোর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শহরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। কার্টেলের সদস্যরা বন্দুক নিয়ে রাস্তায় নামেন। পশ্চিম জালিস্কোর কমপক্ষে ২০টি রাস্তা অবরোধ করা হয়। রাস্তায় থাকা গাড়ি ও ট্রাক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আশেপাশের রাজ্যগুলিতেও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দরে ঢুকেও তাণ্ডব চালানো হয়।মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবম নাগরিকদের শান্ত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে মিলিত হয়ে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
দেশ

সাইরেন বাজতেই নিভে গেল আলো, উত্তরপ্রদেশে হঠাৎ ব্ল্যাকআউট ঘিরে আতঙ্ক

সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা। হঠাৎ সাইরেনের তীব্র শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা উত্তরপ্রদেশ। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অন্ধকারে ডুবে যায় রাজ্যের সবকটি জেলা। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যোগীরাজ্যে। প্রথমে বড়সড় কোনও হামলার আশঙ্কা তৈরি হলেও পরে জানা যায়, জঙ্গি হামলা বা যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রস্তুতি নিতে গোটা রাজ্য জুড়ে একটি মক ড্রিল চালানো হচ্ছিল।প্রশাসন সূত্রে খবর, সাইরেন বাজতেই সক্রিয় হয়ে ওঠে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ও প্রশাসন। বরেলি, মিরাট, লখনউ, কানপুর-সহ রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরের সংবেদনশীল এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী। এই মক ড্রিলে অংশ নেয় সিভিল ডিফেন্স, এডিআরএফ, এনডিআরএফ, দমকল এবং স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরাও। সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে আতঙ্ক না ছড়ায়, সে কারণে আগেই এই মহড়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, গোটা রাজ্যে ব্ল্যাকআউট করা হলেও জরুরি পরিষেবা যেমন হাসপাতাল, রেল স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাগুলিকে এর বাইরে রাখা হয়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানেই এই মহড়া চালানো হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ধীরে ধীরে সমস্ত জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়। সরকারের দাবি, এই মক ড্রিল সম্পূর্ণ সফল হয়েছে।প্রশাসন সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি বা বিমান ও ড্রোন হামলার আশঙ্কা থাকলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য ব্ল্যাকআউট ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শহরের সমস্ত আলো বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে শত্রুপক্ষ সহজে লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করতে না পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে নাগরিকদের ঘরের ভিতরেই থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঘরের মাঠে লজ্জার হার! ভারতের ‘ভিলেন’ কে, ইঙ্গিত দিলেন সানি

শুভমান গিলের নেতৃত্বে এখনও পর্যন্ত ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি ভারত। এবার ঘরের মাঠেই প্রথমবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ হারতে হল টিম ইন্ডিয়াকে। বিরাট কোহলি একা লড়াই করলেও দলকে জেতাতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কোথায় ভুল হল? এই সিরিজ হারের জন্য দায়ী কে? নাম না করেই সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর।গাভাসকর বলেন, তিনি কারও নাম নিতে চান না। তবে তাঁর মতে, ভারতের ফিল্ডিংয়ে বড় ঘাটতি ছিল। কয়েকজন ক্রিকেটার বিপক্ষকে খুব সহজে সিঙ্গল নিতে দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, রোহিত শর্মা খুব দ্রুত ফিল্ডিং করেন, বিরাট কোহলি যে কত বড় অ্যাথলিট তা সবাই জানে। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে ফিল্ডিং আরও ভালো হতে পারত। সেই কারণেই ড্যারিল মিচেল এবং গ্লেন ফিলিপসদের চাপে রাখা যায়নি। তাঁরা অনায়াসেই বড় রান করে যান।এখানেই থামেননি গাভাসকর। তিনি বলেন, যতক্ষণ না বিরাট কোহলি কাউকে পাশে পাচ্ছেন, ততক্ষণ তাঁর পক্ষে ম্যাচ জেতানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এই ম্যাচেও কোহলি খুব কম সাহায্য পেয়েছেন। গোটা সিরিজে ভারতের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ম্যাচের শুরু। ভালো শুরু না হলে বড় রান তাড়া করা কঠিন হয়ে যায়। এই সিরিজে বারবার খারাপ শুরু করেছে ভারত, যার ফলেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে।সিনিয়র ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে গাভাসকর তরুণদের মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, তরুণ ক্রিকেটারদের কোহলির কাছ থেকে শেখা উচিত। কোহলি শুধু একটাই কাজ জানেন, রান করা। তাঁর লড়াকু মানসিকতাই তাঁকে আলাদা করে তোলে। তিনি কখনও হার মানেন না। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান।কোহলির ১০৮ বলে ১২৪ রানের ইনিংসকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন গাভাসকর। তিনি বলেন, এই ইনিংস থেকে তরুণরা শিখতে পারে কীভাবে চাপ সামলাতে হয় এবং কীভাবে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা যায়। ৩৭ বছর বয়সেও যেভাবে দ্রুত স্ট্রাইক রোটেট করেছেন কোহলি, তার তুলনা পাওয়া কঠিন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তিনি কাউকে পাশে পাননি। আর তার ফলেই ম্যাচ এবং সিরিজ দুটোই হারতে হল ভারতকে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
বিদেশ

পেট্রোলের দাম চাইতেই মৃত্যু! বাংলাদেশে গাড়ি চাপা দিয়ে খুন হিন্দু যুবক

বাংলাদেশে ফের এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। রাজবাড়ি জেলায় পেট্রোল পাম্পে কাজ করা এক যুবককে গাড়ি চাপা দিয়ে পিষে মারার অভিযোগ উঠেছে। নিহত যুবকের নাম রিপন সাহা, বয়স প্রায় ৩০ বছর। অভিযোগ, পেট্রোলের দাম চাইতেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজবাড়ি জেলার গোয়ালান্দা মোড়ের করিম ফিলিং স্টেশনে ডিউটি করছিলেন রিপন। সেই সময় একটি কালো রঙের এসইউভি গাড়ি পেট্রোল পাম্পে আসে। গাড়িতে প্রায় ৫ হাজার টাকার তেল ভরানো হয়। কিন্তু তেল নেওয়ার পর টাকা না দিয়েই গাড়িটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন চালক। রিপন সেই সময় গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে টাকা চাইতে যান। অভিযোগ, টাকা দেওয়ার বদলে গাড়িটি তাঁর উপর দিয়েই চালিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িটি একটি ল্যান্ড ক্রুজার। সেটির মালিক রাজবাড়ি জেলার প্রাক্তন বিএনপি নেতা আবুল হাসান ওরফে সুজন। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। অভিযুক্ত আবুল হাসান অতীতে বিএনপির জেলা কমিটির ট্রেজারার ও যুবদলের সভাপতি ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। পেশায় তিনি একজন ঠিকাদার।ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে এসেছে। সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়িটি পেট্রোল ভরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রিপন ও তাঁর এক সহকর্মী সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। রিপন গাড়ির পিছনে দৌড়ান। কিছু দূর গিয়ে পেট্রোল পাম্পের আর এক কর্মী দেখতে পান, হাইওয়ের উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে রিপনের দেহ। মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত ছিল তাঁর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এই ঘটনার পর আবারও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত বছরের শেষে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে একের পর এক হিন্দু নিগ্রহ ও হত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। গত ১৮ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত একাধিক হিন্দু হত্যার খবর সামনে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কিউয়ি বোলারকে নিয়ে বিরাট ছেলেখেলা! নতুন বছরে পুরনো মেজাজে কোহলি......

নতুন বছরেও পুরনো মেজাজে কোহলি, সাত কিউয়ি বোলারকে নিয়ে বিরাট ছেলেখেলা! প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটে জয় ভারতের। কোহলির দাপটে বডোদরায় জয়, নিউ জ়িল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ়ে এগিয়ে ভারতবডোদরার নতুন স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের শেষে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। শুভমন গিলের নেতৃত্বাধীন দলের এই জয়ের মূল কারিগর বিরাট কোহলি, যাঁর ব্যাট থেকে এল দায়িত্বপূর্ণ ও ম্যাচজয়ী ৯৩ রান।টস হারিয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউ জ়িল্যান্ড নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে তোলে ৩০০ রান। ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও হেনরি নিকোলস শুরুটা মজবুত করেন। প্রথম উইকেটে ১১৭ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে দাপট দেখান দুজন। নিকোলস ৬২ এবং কনওয়ে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। মাঝের ওভারে চার নম্বরে নামা ড্যারেল মিচেল একাই লড়াই চালিয়ে যান। ৭১ বলে ৮৪ রানের ঝকঝকে ইনিংসে নিউ জ়িল্যান্ডকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন তিনি। শেষ দিকে ক্রিস্টিয়ান ক্লার্কের ঝোড়ো ব্যাটে কিউয়িরা পৌঁছয় ৩০০ রানে।ভারতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মহম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদুজনেই নেন ২টি করে উইকেট। হর্ষিত রানাও ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তবে চোটের কারণে ওয়াশিংটন সুন্দর পুরো কোটা শেষ করতে না পারায় ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়।৩০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। শুভমন গিল ধীরে খেলেও দায়িত্ব নেন৭১ বলে করেন ৫৬ রান। তবে ইনিংসের আসল নিয়ন্ত্রণ নেন বিরাট কোহলি। চেনা ছন্দে, সাবলীল অথচ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ম্যাচ নিজের মুঠোয় নিয়ে আসেন তিনি।🗣️ If I look back at my whole journey, its nothing short of a dream come true. ✨🎥 Virat Kohli reflects on his incredible career after becoming the 2⃣nd highest run-getter in mens international cricket🙌👏#TeamIndia | #INDvNZ | @imVkohli | @idfcfirstbank pic.twitter.com/87BgcZlx4b BCCI (@BCCI) January 11, 2026এই ইনিংসেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৮ হাজার রান পূর্ণ করেন কোহলি। পাশাপাশি কুমার সাঙ্গাকারাকে ছাপিয়ে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক রান সংগ্রাহকদের তালিকায় উঠে আসেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর সামনে এখন শুধুই সচিন তেন্ডুলকর।কোহলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন শ্রেয়স আয়ার। সহ-অধিনায়ক ৪৭ বলে ৪৯ রান করে দলের ভিত মজবুত করেন। তবে কোহলি আউট হওয়ার পর হঠাৎ ছন্দ হারায় ভারত। দ্রুত কয়েকটি উইকেট পড়ায় ম্যাচ জমে ওঠে। সেই সময় চাপের মুখে দায়িত্ব নেন লোকেশ রাহুল। শেষ দিকে হর্ষিত রানার সাহসী ২৯ রানের ইনিংস এবং রাহুলের অপরাজিত ২৯ রানে ৪৯ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।নিউ জ়িল্যান্ডের হয়ে বল হাতে লড়াই চালান কাইল জেমিসন। ৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি ভারতকে চাপে ফেললেও শেষরক্ষা করতে পারেননি কিউয়ি অধিনায়ক।সব মিলিয়ে কোহলির অভিজ্ঞতা, মাঝের ওভারের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং এবং শেষের ঠান্ডা মাথার লড়াইয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। তবে জয়ের আনন্দের মাঝেই ওয়াশিংটন সুন্দরের চোট ভারতীয় শিবিরের চিন্তার কারণ হয়ে রইল।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৫০-র লড়াইয়ে ফিরছেন শুভমন-শ্রেয়স, পিচ নিয়ে সংশয়ে ভারতীয় থিঙ্ক-ট্যঙ্ক

দক্ষিণ আফ্রিকা অধ্যায় শেষ। এবার ঘরের মাঠে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের নতুন পরীক্ষা ভারতের। রবিবার শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়, যেখানে একাদশে একাধিক বদল প্রায় নিশ্চিত। চোট কাটিয়ে ফিরছেন অধিনায়ক শুভমন গিল ও সহ-অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। অন্য দিকে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে এই সিরিজ়ে বিশ্রামে রাখা হয়েছে জসপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ড্যকে। ফলে নতুন কম্বিনেশনেই নামতে চলেছে ভারত।ওপেনিংয়ে বদলের ইঙ্গিত নেই। যশস্বী জয়সওয়াল ও রোহিত শর্মার বাঁহাতি-ডানহাতি জুটি এক দিনের ক্রিকেটে এখনও দলের সবচেয়ে ভরসার জায়গা। তিন নম্বরে বিরাট কোহলি অবধারিত। সাম্প্রতিক ঘরোয়া ক্রিকেটেও তাঁর ব্যাট যে কতটা ছন্দে, তা চোখে পড়ার মতো। চার নম্বরে ব্যাট করবেন শুভমন গিল। অধিনায়ক হিসেবে চাপ থাকলেও, এক দিনের ফরম্যাটে তাঁর ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। পাঁচ নম্বরে ফিরছেন শ্রেয়স আয়ার। অস্ট্রেলিয়া সফরের চোট কাটিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন তাঁর। প্রস্তুতির অভাব নেই, তা বিজয় হজারে ট্রফিতেই বোঝা গেছে।মিডল অর্ডারে ছনম্বরে থাকবেন লোকেশ রাহুল। শেষ ম্যাচে খেলা রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও তিলক বর্মার জায়গায় এই ম্যাচে অভিজ্ঞতাকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে। সাত নম্বরে অলরাউন্ডারের ভূমিকায় রবীন্দ্র জাডেজানিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে যাঁর কার্যকারিতা নিয়ে কোনও দ্বিধা নেই টিম ম্যানেজমেন্টের।বোলিং আক্রমণে থাকবে চার বিশেষজ্ঞ। স্পিনে কুলদীপ যাদব, পেসে মহম্মদ সিরাজের জায়গা প্রায় পাকা। তাঁদের সঙ্গে দেখা যেতে পারে হর্ষিত রানা ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে। শেষ এক দিনের দলে থাকা অর্শদীপ সিংয়ের বদলে এই ম্যাচে সিরাজকে ফেরানো হচ্ছে বলেই ইঙ্গিত।প্রতিপক্ষকে হালকা করে দেখছে না ভারত। কিউয়ি শিবিরে ডেভন কনওয়ে, ড্যারেল মিচেল, গ্লেন ফিলিপস বা কাইল জেমিসনের মতো ম্যাচ-ঘোরানো ক্রিকেটার রয়েছেন। তার উপর ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ় হারের স্মৃতি এখনও তাজা।আর একটি বড় প্রশ্ন বডোদরার নতুন কোটাম্বি স্টেডিয়ামের পিচ। এই মাঠে প্রথম এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পিচের আচরণ এখনও অজানা। শিশিরের প্রভাবও থাকতে পারে। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই অনিশ্চয়তার কথাই তুলে ধরেছেন শুভমন। সব মিলিয়ে টসের ভূমিকা বড় হয়ে উঠতে পারে। নতুন মাঠ, নতুন কম্বিনেশনরবিবারের ম্যাচে তাই চ্যালেঞ্জ যেমন আছে, তেমনই নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের সুযোগও ভারতের সামনে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

দীপু দাস খুনের পর অমৃত মণ্ডল, বাংলাদেশের জটিল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগে ভারত

ফের অশান্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পদ্মাপারের দেশে। এই পরিস্থিতিতে আবারও আক্রান্ত হচ্ছেন সংখ্যালঘুরা। একের পর এক হিন্দু যুবককে খুনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। ইউনূস প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিয়ে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।২০২৪ সালের অগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলেও পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি হয়নি। সেই সময়েও হিন্দু-সহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। তখনই ভারত বাংলাদেশ সরকারকে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে সতর্ক করেছিল।এবার ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ফের নতুন করে হিংসা ছড়িয়েছে। ময়মনসিংহে দীপু দাস নামে এক হিন্দু যুবককে মারধরের পর জীবন্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ভারতে বিভিন্ন জায়গায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাজবাড়ি জেলায় অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট নামে আরও এক যুবককে পিটিয়ে খুন করা হয়। গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, ওই যুবক তোলাবাজি ও সন্ত্রাস চালাত। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সেই ক্ষোভ থেকেই তাঁর উপর হামলা চালানো হয়।বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর চলতে থাকা হিংসা নিয়েই বৃহস্পতিবার সরব হয় নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, হিন্দু যুবক দীপু দাসের হত্যার তীব্র নিন্দা করছে ভারত। তিনি জানান, বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ-সহ সংখ্যালঘুদের উপর একের পর এক হিংসার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই সমস্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে বলে ভারত আশা করছে।বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আরও জানান, বাংলাদেশের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে ভারত। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে এখনও পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের উপর প্রায় ২ হাজার ৯০০টির বেশি হিংসার ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেন তিনি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচন যেন অবাধ ও স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছে ভারত।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
বিদেশ

হট টাব থেকে সুইমিং পুল, এপস্টেইন নথিতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর ছবি

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনকে ঘিরে ফের তোলপাড় আমেরিকার রাজনীতি। এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত হাজার হাজার পাতার নথি প্রকাশ করল মার্কিন ন্যায় বিভাগ। সেই নথিতে বারবার উঠে এসেছে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের নাম। প্রকাশ্যে এসেছে একাধিক ছবি। কিন্তু বিস্ময়ের বিষয়, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম ও ছবি সেখানে প্রায় নেই বললেই চলে।প্রকাশিত ছবিগুলির একটিতে তরুণ বিল ক্লিন্টনকে একটি হট টাবে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। ছবির একটি অংশ কালো রঙে ঢেকে রাখা হয়েছে। অন্য একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, এক মহিলার সঙ্গে সাঁতার কাটছেন ক্লিন্টন। ওই মহিলা এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ ও প্রেমিকা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল বলে মনে করা হচ্ছে। আরও একটি ছবিতে ক্লিন্টনের পাশে দেখা গিয়েছে পপ সংগীতের কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনকে। তাঁদের পাশেই ছিলেন গায়িকা ডায়ানা রস।এই সব ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। নব্বইয়ের দশক এবং দুই হাজার দশকের শুরুতে এপস্টেইনের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতার কথা আগে একাধিকবার সামনে এসেছে। কিন্তু সদ্য প্রকাশিত নথিতে তাঁর কোনও ছবি নেই। নামও এসেছে মাত্র একবার, একটি যোগাযোগের খাতায়। সেই খাতাটি কার, তাও স্পষ্ট নয়।অথচ এর আগে প্রকাশিত নথিতে ট্রাম্পের উপস্থিতির কথা জানা গিয়েছিল। এমনকি এপস্টেইনের ব্যক্তিগত বিমানে তাঁকে দেখা যাওয়ার কথাও উঠে এসেছিল। সেই কারণেই নতুন নথিতে তাঁর অনুপস্থিতিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেকের ধারণা, নিজেকে আড়াল করতে বিল ক্লিন্টনের দিকেই আলো ঘোরানোর চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। উল্লেখযোগ্য ভাবে, মাসখানেক আগেই এপস্টেইনের সঙ্গে বিল ক্লিন্টনের সম্পর্ক নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছিলেন ট্রাম্প। সেই তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানা যায়।এই পরিস্থিতিতে বিল ক্লিন্টনের শিবির থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র বলেন, এপস্টেইন সংক্রান্ত তদন্ত শুধুমাত্র বিল ক্লিন্টনকে লক্ষ্য করে করা হচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, বহু পুরনো ছবি প্রকাশ করতেই পারে প্রশাসন, কিন্তু গোটা বিষয়টি শুধু ক্লিন্টনকে ঘিরে নয়। তিনি বলেন, এপস্টেইনের ক্ষেত্রে দুধরনের মানুষ ছিলেন। একদল, যাঁরা অপরাধের কথা প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। আরেক দল, যাঁরা এরপরও যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। তাঁদের দাবি, বিল ক্লিন্টন প্রথম দলের মধ্যেই পড়েন।নাম না করলেও ক্লিন্টন শিবির যে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই নিশানা করছে, তা স্পষ্ট। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ট্রাম্প যতই চেষ্টা করুন না কেন, এপস্টেইন কেলেঙ্কারি থেকে নিজের নাম পুরোপুরি সরিয়ে রাখা তাঁর পক্ষে সহজ হবে না।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
রাজ্য

মৃত ভোটারের তালিকায় জীবিত কাউন্সিলর! নিজের সৎকার করতে শ্মশানে হাজির তৃণমূল নেতা

ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য হুগলির ডানকুনিতে। মৃত ভোটারের তালিকায় উঠে এল এক জীবিত কাউন্সিলরের নাম। আর সেই তালিকা দেখে নজিরবিহীন প্রতিবাদে নামলেন তিনি নিজেই। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের আয়োজন করে শ্মশানে পৌঁছে গেলেন ওই কাউন্সিলর। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।ঘটনাটি ডানকুনি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সূর্য দে দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকার বাসিন্দা। তিনি চণ্ডীতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। মঙ্গলবার সকালে যখন ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হয়, তখন দেখা যায় সূর্য দে-র নাম মৃত ভোটারের তালিকায় রয়েছে। তাঁর ক্রমিক নম্বর ৪০ এবং বুথ নম্বর ২২৬। জীবিত কাউন্সিলর নিজের চোখেই দেখেন, তাঁকে সরকারি নথিতে মৃত দেখানো হয়েছে।এই ভুলে ক্ষুব্ধ হয়ে কাউকে কিছু না জানিয়েই অভিনব প্রতিবাদে নামেন সূর্য দে। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগাড় করেন তিনি। তারপর সেগুলি সঙ্গে নিয়ে সরাসরি শ্মশানে পৌঁছে যান। কাউন্সিলরের এমন প্রতিবাদে ডানকুনি জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।শ্মশানে বসেই নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করেন সূর্য দে। তিনি বলেন, তিনি নিজেই হেঁটে এসেছেন নিজের সৎকার করতে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে কীভাবে মৃত দেখানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে বলেন, যেহেতু তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে, তাই এসে যেন তাঁকেই চুল্লিতে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।ভোটার তালিকার খসড়ায় এমন গরমিল ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal