• ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ill

রাজ্য

রাইস মিল মেসিনারীর আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী বর্ধমানে

বর্ধমান জেলা রাইস মিলস এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনায় বর্ধমানের আলমগঞ্জের কল্পতরু ময়দানে চতুর্থ রাইস মিল মেসিনারীর আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হল। ২৫ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিন ধরে এই প্রদর্শনী চলবে।এই মেলায় দেশী-বিদেশী প্রায় ১৭০টি কোম্পানির আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ মেশিনারী এবং প্রদর্শনীর স্টল বসেছে। বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশের মানুষ এই এক্সপোতে মিলিত হয়েছেন তাদের বিশ্বমানের প্রযুক্তিতে তৈরি মেশিনারী নিয়ে।প্রদর্শনী থেকে উপকৃত হবেন পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ রাজ্যের একাধিক জেলার এই ট্রেডের ব্যবসায়ীরা।২০১৫ সালে প্রথম এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৭, ১৯ সালে করার পর ফের এবছর এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। তিনদিনের এই মেলায় বিচিত্রা অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে।শুক্রবার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা সভাধিপতি সম্পা ধারা, পূর্ব বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন প্রমুখ।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
নিবন্ধ

স্বপ্ন পূরণ (ছোট গল্প)

এখনও পাঁচালির আওয়াজ কানে বাজছে দীপ্তর। সেই ছোটো থেকে দেখে আসা স্বপ্নটা আজ সত্যি হলো।কোজাগরী পূজো রাত; রূপোর থালার মত চাঁদের আলোয় ভেসে যাচ্ছে জগত সংসার। এই রাতে নিজেকে সব থেকে সুখী মানুষ মনে হচ্ছে ওর। অথচ কিছু মাস আগেও উল্টো ছিল। আজ দশ বছর পর গ্রামের বাড়িতে এসেছে লক্ষ্মী পূজো উপলক্ষে। এতদিন কলকাতায় আসলেও গ্রামের বাড়িতে আসে নি। এতদিন পরে মনের গোপন কুঠুরিতে লুকিয়ে রাখা স্বপ্ন গুলো প্রকাশ করার সাহস পেয়েছে।গ্রামের ছেলে দীপ্ত, মা বাবাকে হঠাৎ এক দুর্ঘটনায় হারিয়ে শহরে মামার বাড়িতে যখন আসে তখন ও ক্লাস এইট। একে তো এই বয়স তারপর মা বাবাকে হারানো;সব মিলিয়ে দীপ্ত যেন একদম চুপচাপ হয়ে গেছিলো। ওর মামাতো দিদি দীয়া ওকে আগলে রাখতো সবসময়। দীপ্ত দীয়ার থেকে বছর পাঁচের ছোটো কিন্তু মনে হত অনেক ছোটো। দীয়ার সাহচর্যে ও আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। দিদিভাইকে দীপ্ত সহজেই সব কথা বলতে পারত অকপটে। এই বয়সের যেসব পরিবর্তন সেসব কথাও দিদিকেই বলত। কারণ দিদি ছাড়া ওরকম করে ওকে কেউই বুঝত না। যদিও মামীমা খুবই স্নেহ করতেন। গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছা হলেও দিদিকেই বলত। এইভাবে ও বড়ো হতে থাকলো।দীপ্ত যেবার উচ্চ মাধ্যমিক দেবে ওর দিদির বিয়ে হয়ে গেল। আবার দীপ্ত একা হয়ে গেল। এইসময় ওদের পাশের বাড়িতে একটি পরিবার ভাড়া এল। যতীন কাকু ও স্বপ্না কাকী মা আর ওনাদের মেয়ে রিমা। কাকীমাকে প্রথম থেকেই দীপ্তর মনে হয়েছিল ওর মায়ের মত দেখতে অনেকটা। ওর খালি ইচ্ছা করত ওনার কাছে যেতে। মামীমার সাথে খুব অল্প দিনের মধ্যেই ওনার বেশ ভাব হয়ে গেল। মাঝে মাঝেই এটা ওটা দিয়ে দীপ্ত ওদের বাড়িতে যেত আবার রিমাও আসত ওদের বাড়িতে। ওরা আসাতে দীপ্তর একাকীত্ব যেন একটু লাঘব হলো। যদিও ও রিমা কে একটু এড়িয়ে চলত কারণ ওর মনে হত মেয়েটা বয়সের তুলনায় অনেক বেশি পাকা। রিমা তখন ক্লাস এইট। কাকী মা বলাতে মাঝে মাঝে রিমা কে পড়া দেখিয়ে দিতে হত। যদিও রিমার ভাব কায়দা ভালো লাগতো না। এইভাবেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেই পাশ করে কলেজে ভর্তি হলো।সেবার দূর্গা পূজোর অষ্টমীর দিন পাড়ার পূজোতে অঞ্জলি দেবার সময় শাড়ি পড়ে ওর পাশে এসে দাঁড়িয়ে রিমা এমনভাবে তাকালো যে দীপ্ত একটু অবাক হলো, কিন্তু বয়সের তুলনায় বাড়ন্ত রিমা কে সেদিন এত সুন্দর লাগছিল যে দীপ্তও ঘায়েল হয়েই গেল। আড়ালে বসে মদনদেব হাসলেন। তার শরে বিদ্ধ হলো দুটি হৃদয়। যদিও এর প্রকাশ ঘটেনি পরস্পরের কাছে। কিন্তু কতদিন আর ওইভাবে চলে। এসে গেল বাঙালীর ভ্যালেন্টাইন ডে সরস্বতী পূজা। দীপ্ত কলেজ যাবে বলে তৈরি হচ্ছে এমন সময় রিমা এসে ওর মামীমার কাছে বায়না ধরে দীপ্তর সাথে কলেজে যাবে। মামীমা রিমা কে খুব ভালোবাসেন তাই দীপ্তকে বলেন রিমা কে নিয়ে যেতে। তখনও কি ঘটতে চলেছে দীপ্তর আন্দাজ ছিল না। রিমা বাড়ি থেকে বেড়িয়ে বলে কলেজ না ও যেখানে বলবে সেখানে যেতে হবে। এই বলে দীপ্তকে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। যেখানে দুজনে মদন শরে বিদ্ধ হয়, দুটি মনের মিলন ঘটে, অধরে অধরে মিলনের সাথে সাথে। সবার সামনে কিন্তু সবার অজ্ঞাতেই চলল দুজনের প্রেম।রিমা মাধ্যমিক পাশ করল মোটামুটি রেজাল্ট করে। দীপ্ত গ্রাজুয়েশন করে গ্রামের বাড়িতে ফিরে গেল; সেখানে যা জমি জমা আছে চাষ করবে বলে। আর সাথে চলল চাকরির জন্য পরীক্ষা দেওয়া। মামা মামীমা খুব আপত্তি জানিয়ে ছিলেন, কিন্তু দীপ্তর গ্রামের প্রতি টানটা যায়নি। মাঝে মাঝে মামার কাছে আসে। এর একবছর পর হঠাৎ দিদিভাইয়ের এক দূরসম্পর্কের আত্মীয়ের সূত্রে একটা মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে একটা চাকরি পেল। মামার চাপে পরে বাধ্য হলো চাকরিটা করতে। চলে গেল আমেদাবাদ।এবার সবার চোখে রিমার পরিবর্তন ধরা পড়তে লাগল। সেই প্রাণোচ্ছল মেয়েটা যেন কেমন চুপচাপ হয়ে গেল। আসতে আসতে দীপ্তদের বাড়িতে যাওয়া কমতে লাগলো। হঠাৎ দীপ্তর মামীমা খেয়াল করলেন যে রিমার মা আগের মত মেলামেশা করছে না। দীপ্ত ওর দিদিকেই সবটা জানাল। সব জেনে দীয়া গেল রিমার মায়ের সাথে কথা বলতে ওদের ব্যাপারে। রিমার মা দীয়াকে অনেক কথা শুনিয়ে দিলেন। এরপর ওর মামা মামীমা ও দীপ্তর কথা ভেবে কথা বলতে গেলে ওনাদের খুব অপমান করেন রিমার মা বাবা। এটা দীপ্ত মেনে নিতে পারে না। রিমা কে প্রস্তাব দেয় বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে বিয়ে করতে হবে। কিন্তু রিমা রাজী হয় না। দুজনের মধ্যে চলতে লাগল টানাপোড়েন। এইভাবে চলতে চলতে হঠাৎ রিমারা চলে গেল। দীপ্তর সাথে কোনো রকম যোগাযোগ করল না। পরে বন্ধু মারফত শুনে ছিল রিমার বিয়ে হয়ে গেছে।এরপর দীপ্ত শুধু নিজের কেরিয়ার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। চাকরিতে যাতে আরও উন্নতি হয় সেদিকে মনপ্রাণ লাগিয়ে দিল। ওর সততা আর সরলতা সবার মন জয় করে নিল। তরতর করে উন্নতি হতে লাগল। দীপ্ত যখন যার অধীনে কাজ করে সেই ওকে খুব ভালোবেসে ফেলে। কাজের উন্নতির সাথে সাথে বাড়ি আসা কমতে থাকে। এদিকে মামা মামীমা বিয়ের জন্য ক্রমশ জোর দিতে থাকে। বারবার এড়িয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত দিদিভাইয়ের কাছে হার মেনে বিয়ে করতে রাজি হয়। দীপ্তর গ্রামের বাড়ির পাশের গ্রামের এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে মধুমিতার সাথে বিয়ে হয় দীপ্তর। মধুমিতা গ্রামের মেয়ে ও গরিবের মেয়ে হলেও খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছিল। তবুও বিয়ের পর দুটো বছর বেশ ভালো কাটল। তারপর ওদের মাঝে এল ওদের ছেলে অন্বয়, যাকে ওরা কুট্টুস বলে। কুট্টুস তখন দুবছরের হঠাৎই মধুমিতার ব্যবহারে যেন অনেক পরিবর্তন আসতে থাকে। সারাক্ষণ ফোন নিয়ে বসে থাকে, ছেলেকেও সেভাবে যত্ন করে না। কথায় কথায় দীপ্তর বয়স নিয়ে, যোগ্যতা নিয়ে অপমানজনক কথা বলে। দীপ্তর সাথে ওর বয়সের ফারাক অনেক বেশি বলে হঠাৎ করে ওর দীপ্ত কে নিয়ে ওর মধ্যে সমস্যা দেখা যায়। দীপ্ত প্রথম প্রথম খুব একটা পাত্তা না দিলেও শেষ পর্যন্ত পারে না।শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা প্রায় ডিভোর্সের পর্যায়ে চলে যায়; কিন্তু দীপ্ত ছেলে ছেড়ে থাকতে পারবে না এটা বুঝতে পারে। তাই দীর্ঘ সময় বাপের বাড়িতে রেখে দিলেও শেষ পর্যন্ত ওদের আবার ফিরিয়ে নিয়ে যায় কাজের জায়গায়। সেখানে আরেক অশান্তি শুরু হয়। সমস্যা যখন বেশ সমাধান হতে শুরু করে ঠিক সেই সময় দীপ্তর এক পিসতুতো ভাই মানস কাজের সূত্রে ওদের ওখানে গিয়ে ওঠে। সে প্রায় মধুমিতার কাছাকাছি বয়সের। তার নজর পরে মধুমিতার ওপর। তাই দীপ্ত আর মধুমিতার মধ্যে আবার বিবাদ লাগানোর জন্য রিমার কথা অনেক বেশি বেশি করে বাড়িয়ে বলে মধুমিতার কাছে। মধুমিতার মনে আবার ঝড় ওঠে। এই সময় মানস সুযোগ নিতে চায়। কিন্তু মধুমিতার মনে মানসের জন্য তো কোনো জায়গা ছিল না তাই ও মানসের এই ব্যাপারটা মেনে নিতে পারে না। ও দীপ্তর কাছে সব বলে। এবং মানস যাতে আর না আসে সে ব্যবস্থা করতে বলে দীপ্ত কে।দীপ্ত বোঝে এই মেয়ের সাথে ঝগড়া করে হবে না আস্তে আস্তে বুঝিয়ে ঠিক করতে হবে। ও এই ব্যাপারে দিদিভাইয়ের সাহায্য নেয়। আস্তে আস্তে মধুমিতার মধ্যে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। ওর শুধু একটাই রাগ রিমার কথা দীপ্ত কেন ওকে বলেনি। দীপ্ত ওকে বোঝায় রিমার কথা ও মনে করতে চায়না; ওটা ওর একটা বেদনাময় অংশ ছিল। যেদিন থেকে মধুমিতার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় সেদিন থেকে ও শুধু মধুমিতার। দীপ্ত শেষ পর্যন্ত বোঝাতে সক্ষম হয়। আস্তে আস্তে মধুমিতা নিজের ভুল বুঝতে পারে। তারপর থেকে মন দিয়ে সংসার করতে চেষ্টা করে। দীপ্ত আর মধুমিতার মধ্যে সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়। ওদের মধ্যে আরেক অতিথি আসে মাস তিনেক আগে। ওদের মেয়ে অন্বেষা।এই আনন্দের সময় দীপ্তর মনে পড়ে ওর মায়ের কথা। একদিন কথাপ্রসঙ্গে মধুমিতার কাছে ও বলে আমার স্বপ্ন ছিল আমার স্ত্রী আমার মায়ের মত করে বাড়িতে লক্ষ্মী পূজো করবে। মধুমিতা সেকথা শুনে রাজী হয়ে যায়। আনন্দের সাথে এবার গ্রামের বাড়িতে এসে এবার দীপ্তর কথা মতো একদম লাল পাড়ে শাড়ি, পায়ে আলতা পড়ে লক্ষ্মী পূজো করে আর শেষে পাঁচালি পড়ে একদম মায়ের মতো করে।দীপ্তর মনে পড়ে যায় হারিয়ে যাওয়া মায়ের সাথে বসে লক্ষ্মী পূজো দেখার কথা। আজ আনন্দে দীপ্তর চোখে ঘুম নেই। ঘরের মধ্যে ছেলে মেয়ে নিয়ে মধুমিতা ঘুমিয়ে পড়েছে, সারাদিন খাটাখাটনি করে ক্লান্ত হয়ে। দীপ্ত ব্যালকনিতে আনন্দের জ্যোৎস্নায় স্নান করছে। আজ যে ওর মনে বাসা বেঁধে ছিল যে স্বপ্ন তা পূরন হয়েছে।শ্রীমতি রাখি রায়বর্ধমান

নভেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে অবৈধ বালি পাচার রুখল বর্ধমান জেলা পুলিস

রাতের অন্ধকারে অবৈধ ভাবে পাচার হচ্ছিল বালি পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চারটি বালি বোঝায় ট্রাক বাজেয়াপ্ত করেছে গলসি থানার পুলিশ। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অতিরিক্ত বালি বোঝায় ট্রাক আটক করে পরিবহন দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে আবারও গলসি এলাকায় বালি চুরি প্রকাশ্যে এসেছে।পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গোহগ্রাম গলসি রোডে হানা দেয় গলসি থানার পুলিশ। ওই সময় গাড়িগুলি গোহগ্রামের দিক থেকে আসছিল। পথেই পুলিশ ট্রাকগুলিকে থামালে চালকরা বালির কোন বৈধ্য কাগজ দেখাতে পারেনি। ঘটনায় অভিযুক্ত চারজন ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবী, পুলিশের নজর এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে পাচার করা হচ্ছিল বালি। তারা জানায়, কদিন আগে গোহগ্রামের পাশে গোপডাল এলাকায় সরকারি অনুমোদন নিয়ে একটি ঘাট চালু হয়েছে। আর এতেই এলাকার কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে বালি পাচার শুরু করেছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

বেআইনিভাবে পাচারের সময় গাড়িভর্তি রেশন সামগ্রী সহ পাচারকারীদের গ্রেফতার করলো পুলিশ

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের কুবাজপুর এলাকার ঘটনা। পুলিশ জানায় ধৃতদের নাম শেখ সালাম ও শেখ হাসিবর। বাড়ি ভাতারের বিজিপুর এলাকায়।ভাতারের কুবাজপুর বাসস্ট্যাণ্ডে দোকান রয়েছে সালামের। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে রেশন সামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের কারবার চালাতে সে। কয়েক মাস আগেও তাঁর দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ রেশন দ্রব্য উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও রুজু করেছিল পুলিশ। বর্তমানে সে জামিনে মুক্ত ছিল। আবারও পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় বিপুল পরিমাণ রেশন দ্রব্য পাচার চক্র চালাচ্ছিল সালাম। গোপন সূত্রে খবর আসে পুলিশের কাছে। ভাতার থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাড়ি ভর্তি ১৩৫ বস্তা গম সহ সালাম ও হাসিবুরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলার রুজু করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সালামকে হেফাজতে আবেদন জানিয়ে দুজনকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।ভাতার থানার ওসি অরুন কুমার সোম জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ রেশনদ্রব্য কিভাবে সংগ্রহ করেছে সে এবং ওই রেশনদ্রব্য কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃত সালামকে হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

ক্রেন নিয়ে অবৈধভাবে গাছ কাটার অভিযোগ বর্ধমানে, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

ফের বিতর্কে বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর বসির আহমেদ ওরফে বাদশা। তার বিরুদ্ধে বর্ধমানের বাবুরবাগ এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরোনো গাছ কাটার অভিযোগ করে বনদপ্তরের দ্বারস্থ হলেন খোদ বর্ধমান শহর জয়হিন্দ বাহিনীর সহ সভাপতি মুক্তার মিঞা। বাদশার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সোমবার দিনের বেলা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘদিনের পুরোনো একটি শিরিশ গাছ কাটছিল তারা। কাটা গাছটি নিয়ে যাওয়ার জন্য সঙ্গে ছিল ক্রেন। বনদপ্তরে খবর গেলে বনদপ্তরের কর্মীরা আসতেই গাছ অর্ধেক কেটে রেখেই ক্রেন সহ কিছু কাটা কাঠ নিয়ে বেপাত্তা হয় অভিযুক্তরা। মুক্তার মিঞা অভিযোগ করেন, এই গাছটি রাস্তার উপরে রয়েছে। দীর্ঘদিনের পুরোনো এই গাছ কাউন্সিলর বিক্রি করার উদ্দেশ্যে কেটে নেওয়ার জন্য এসেছিল। আমি খবর পাওয়া মাত্র বনদপ্তরে জানাই। বনদপ্তরের কর্মীরা আসতেই সবাই পালিয়ে যায়। বসির আহমেদ সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে বনদপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন মুক্তার মিঞা। স্থানীয় বাসিন্দা সেখ রাজিবুল বলেন, অনেক দিনের পুরোনো গাছ কাউন্সিলর বাদশা সহ বেশ কয়েকজন কাটতে এসেছিল। আমরা বনদপ্তরকে বিষয়টি জানিয়েছি। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা অনিমা মল্লিক জানান, গাছটি অনেক পুরোনো শুকিয়ে গেছে। ডালপালা কাটার জন্য আমরা কাউন্সিলরকে জানিয়েছিলাম। উনি কি করেছেন আমরা জানি না। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই কাউন্সিলর বসির আহমেদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। গাছটি মারা গেছে, কেটে ফেলার জন্য আমার কাছে স্থানীয়রা এসেছিল। আমি বনদপ্তর ও পৌরসভাকে জানাতে বলেছিলাম। পরে শুনলাম কেউ গাছটা কেটে নিচ্ছে। আমিই বনদপ্তরকে জানিয়েছিলাম বলে দাবী করেন কাউন্সিলর। অতিরিক্ত বনাধিকারিক সোমনাথ চৌধুরী জানান, গতকাল গাছটি কাটা হচ্ছিল বলে আমাদের কাছে খবর আসে। আমাদের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যাওয়া মাত্রই সবাই পালিয়ে যায়। কাটা গাছের কিছু অংশ আমরা ঘটনাস্থল থেকে বাজেয়াপ্ত করি। আজ স্থানীয়রা কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। আমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করবো। এই গাছ কাটার জন্য কয়েকজন অনুমতি নিতে এসেছিলেন। কিন্তু কাগজপত্রে অসঙ্গতি থাকায় আমরা তাদের অনুমতি দিইনি। যারা এটা করেছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেব।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে কাউন্সিলর বসির আহমেদের বিরুদ্ধে তার দলেরই এক কর্মী তুহিনা খাতুনকে মারধর ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে ওই মামলায় জামিনে রয়েছেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর।

অক্টোবর ১১, ২০২২
রাজ্য

ভাতারের হতদরিদ্র নির্মান শ্রমিকের কপাল খুললো ৬০ টাকায়, লটারিতে কোটিপতি

৬০ টাকায় কোটিপতি এক নির্মাণ শ্রমিক । নির্মাণ শ্রমিক প্রসেনজিৎ মণ্ডলের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বাসুদা গ্রামে।প্রসেনজিৎ মণ্ডল রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালান। মাঝেমধ্যেই তাঁর লটারি টিকিট কাটার অভ্যাস আছে। মা পরিচারিকার কাজের পাশাপাশি জনমজুরি করেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও ভাতার বাজারে প্রসেনজিৎ রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজে গিয়েছিলেন। কাজের ফাঁকে ৬০ টাকা দিয়ে ভাতার কিষাণ মাণ্ডির বাজারে একটি লটারির দোকানে এক ঘর টিকিট কাটেন। দুপুর নাগাদ তিনি খবর পান তার কাটা টিকিটে ১ কোটি টাকা পুরস্কার হয়েছে। খবর পেতেই কার্যত চক্ষু চড়কগাছ। খুশির জোয়ার পরিবারে।প্রসেনজিতের মা শুভা দেবী বলেন, অনেক কষ্ট করে পরের বাড়িতে কাজ করে ছেলেকে বড় করেছি। ওপরওয়ালার ইচ্ছায় তার ছেলে এক কোটি টাকার পুরস্কার জিতেছে। এই টাকা নিয়ে কিছু জমি জায়গা ও একটা বাড়ি করার ইচ্ছা আছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুন আউশগ্রামে, স্বীকার অভিযুক্তর

পরকীয়ার জেরেই খুন করেছে স্বীকার করলো অভিযুক্ত। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই রাগের বশে সাদেক শেখকে খুন করেছে পুলিশের কাছে একথা জানাল পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামে খুনের ঘটনায় ধৃত চন্দন মেটে। ধৃত শুক্রবার দাবি করে তার স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল সাদেক শেখের। বারবার নিষেধ সত্বেও সাদেক শোনেনি। তাই রাগের বশেই তাকে কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে মেরেছিলাম। মরে যাবে বুঝতে পারিনি।যদিও নিহতের স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগপত্রে জানান,পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বচসার জেরেই চন্দন মেটে তার স্বামী সাদেক শেখকে পরিকল্পনা মাফিক খুন করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চন্দন মেটেকে আটক করার পর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাকে বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়। আদালত ধৃতকে ৭ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যায়।বৃহস্পতিবার বিকেলে আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামের মেটেপাড়ার কাছে সাদেক শেখকে রক্তাক্তবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। বীরভূমের সিয়ান হাসপাতালে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয়। পেশায় কৃষক সাদেক শেখ। স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন তার স্বামী চন্দনকে ২০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। ওই টাকা বৃহস্পতিবার বিকেলে চাইতে গিয়েছিলেন তার স্বামী সাদেক শেখ। টাকা দিতে অস্বীকার করলে সাদেকের সঙ্গে চন্দনের বচসা হয়। চন্দন তখন হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। গোলেনূর শেখ জানান তারপর চন্দনের বাড়ি থেকে সাদেক বেড়িয়ে এসে যখন ভেদিয়া দীননাথপুর মালিয়াড়া রাস্তায় উঠছিলেন তখন চন্দন পিছন থেকে ভারী বস্তু দিয়ে সাদেকের মাথায় আঘাত করে।যদিও এদিন ধৃত চন্দন বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে সাদেক শেখের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। আমার স্ত্রীকে লজে নিয়ে যেত। আমি না থাকা অবস্থায় বাড়িতেও যেত। বৃহস্পতিবার বাড়ি ঢুকেই দেখি সাদেক আমার ঘর থেকে বেড়িয়ে আসছে। তখন রাগের মাথায় কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে পিঠে আঘাত করতে গিয়েছিলাম। মাথায় লেগে গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

হিলি এক্সপোর্ট অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ ট্রাক মালিকদের

লোকাল গাড়িকে গুরুত্ব কম দিয়ে বাইরের গাড়ি কে আগে এক্সপোর্ট করানোর অভিযোগে গতকাল হিলি থানায় জমায়েত হয়েছিল ট্রাক মালিকরা। আজ আবার তারা হিলি এক্সপ্রোট এসোসিয়েশন অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।, পাশাপাশি ভাড়াও কম দেওয়া হচ্ছে তাদের, অতি শীঘ্র তাদের দাবি না মেনে নিলে এক্সপোর্ট বন্ধ করার হুমকি দেন তারা, এই প্রসঙ্গে হিলি ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সন্দীপ দত্ত আমাদের কি জানিয়েছে তা শুনে নেবো তার কাছ থেকে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

নদিয়ায় ছেলের হাতে খুন বাবা, স্বামী কে বাঁচাতে গিয়ে আহত মা

নদিয়ায় ছেলের হাতে খুন হল বাবা, স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত মা। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নবদ্বীপের চন্দ্র কলোনি এলাকায়। জানা যায় মৃত্যের নাম ইন্দ্র দেবনাথ বয়স ৩৮। আজ ভোরে সৎ ছেলে তার বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, মা সীমা হালদার ছেলেকে আটকাতে গেলে তাকেও বাঁ হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ মারে ছেলে। ঘটনার খবর পেয়ে নবদ্বীপ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহটি উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন চিকিৎসক। এই ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে বাপন হালদারকে আটক করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। কি কারণে বাবাকে খুন করল ছেলে তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আগস্ট ২৯, ২০২২
দেশ

চোখের পলকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল টুইন টাওয়ার অবশেষে শেষ রক্ষা হল না

দীর্ঘ ৯ বছরের আইনি লড়াইয়ে হেরে গিয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নয়ডার ৪০তলার সুপারটেক টুইন টাওয়ার। অভিযোগ উঠেছিল এটি নাকি অবৈধভাবে তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত দুটি টাওয়ারের মধ্যে দূরত্ব রাখা হয় ১৬ মিটার। কিন্তু এই দুটি টাওয়ারের মধ্যে দূরত্ব ছিল ৯ মিটারের থেকেও কম। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে টুইন টাওয়ার ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। ভাঙতে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক একত্রিত করা হয়েছিল, সময় লেগেছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। কোটি কোটি টাকার ব্যয়ে তৈরি টুইন টাওয়ারের ভবিষ্যত্ অবশেষে ধুলোয় পরিণত হল। আগেই টাওয়ার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।এমনকি বাড়ির পোষ্যদেরও সবাই নিজেদের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন। এলাকাবাসীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ঘরের জানালা দরজার সব বন্ধ রাখার।এই দুটি বহুতলের ১০০ মিটার উচ্চতার একটির নাম অ্যাপেক্স এবং ৯৭ মিটার উচ্চতার আরেকটি বহুতলের নাম সিয়ানে। এই দুই বহু তলকে ভাঙতে যৌথভাবে কাজ করেছে মুম্বাই এবং দক্ষিণ আফ্রিকার দুটি সংস্থা। ভাবলে অবাক হবেন, এখানে প্রায় ৯০০ টির বেশি ফ্ল্যাট ছিল। এই টুইন টাওয়ারের সংলগ্ন এলাকায় বাস করছেন প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার। যাদেরকে রবিবার সকাল ৯টার মধ্যেই অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল চারটের পর তাদেরকে আবার ওই এলাকায় ফিরিয়ে আনার কথা।এই টুইন টাওয়ার ভাঙতে ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ৩,৭০০ কেজির বিস্ফোরক পদার্থ। এই টাওয়ার ভাঙতে সময় লেগেছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। মাত্র এইটুকু সময়ের মধ্যেই ধ্বংসাবশেষ জমেছে প্রায় ৫৫ হাজার টন। নয়ডার এই টুইন টাওয়ারের বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ এসেছিল। যার কারণে সুপ্রিম কোর্ট এটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়। ২০১৩ সালে যখন এই টুইন টাওয়ার তৈরির কাজ শুরু হয়, তখন প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। যার কারণে স্থানীয় এমারেল্ড কোর্ট সোসাইটির বাসিন্দারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।এই দুটি টাওয়ারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ফ্ল্যাট বিক্রি করা হয়ে গিয়েছিল, যা সুদ সহ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই টাওয়ারটি ভেঙেছে এডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিং। সাথে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষজ্ঞদের দল। এই টাওয়ার ভাঙার পর যদি কোন জরুরি অবস্থা তৈরি হয় তাই নিকটস্থ হাসপাতালে ৫০টি বেড বুক করে রাখা হয়েছিল। কারণ এর ফলে যে পরিমাণ ধুলো তৈরি হবে তার কারণে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এক্ষেত্র ওই এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যগত সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এমনকি এই অঞ্চলের পরিবেশের দূষণের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।চোখের পলকে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে টুইন টাওয়ার ভেঙে পড়তেই চারিদিকে সাদা ধোঁয়া এবং ধুলো ছড়িয়ে পড়ে। যদিও নিরাপত্তা এবং পরিবেশ দূষণের কথা ভেবে আগে থেকেই সমস্ত রকম ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছিল। টাওয়ারটি ভেঙে পড়ার পরেই শুরু হয়ে যায় জল স্প্রে। টুইন টাওয়ারের চারিপাশের প্রায় ৫০০ বর্গমিটার এলাকাকে নিষিদ্ধ জোনে রূপান্তরিত করা হয়। যেখানে ওই মুহূর্তে কোন মানুষ, যানবাহন কিংবা প্রাণী যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে দিকে কড়া নজর রাখা হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে কড়া পাহারায় রয়েছেন প্রায় ৪০০ পুলিশ কর্মী। বিভিন্ন সড়কে বিধি নিষেধ এবং রুট পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে যানবাহন চলাচলের সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ১৫০ থেকে ২০০ জন ট্রাফিক কর্মী আলাদাভাবে মোতায়েন করা রয়েছে। এমনকি যাত্রীরা যাতে রুট পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে পারেন, তাই আপডেট তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজনীতি

বিধায়কের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ দলের অঞ্চল সভাপতির, ভাইরাল ভিডিও, কটাক্ষ বিজেপির

শাসকদল তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের দূর্নীতির কর্মকান্ড ক্রমেই সামনে আসছে। এবার মহিষাদলের বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুললো দলেরই অঞ্চল সভাপতি। মহিষাদল ব্লকের নাটশাল-২ এর তৃণমূলের বর্তমান অঞ্চল সভাপতি কমলাকান্ত মন্ডল, এবং স্ত্রী জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ কণিকা মন্ডল। অঞ্চল সভাপতি কমলা কান্ত মন্ডলের একটি ভিডিও ভাইরাল রয়েছে। সেই ভিডিওতে তিনি বলছেন,নাটশাল-২ অঞ্চলে সরকারি যে কাজ হয়ে থাকে তা থেকে বিধায়ক কাটমানি নিয়ে থাকেন। কাটমানির অর্থ চার ভাগ করে পাট পাট নিয়ে নেওয়া হয়। নিয়ম মেনে কাজ করা হয়নি, রাস্তার কাজ ছোট ও কম উচ্চতায় করা হয়। কাটমানি নিয়ে নিম্ন মানের কাজ হয়ে থাকে। পাশাপাশি নাটশাল-২ গ্রামপঞ্চায়েতে যাকে প্রধান করেছেন তিনি তৃতীয় শ্রেণী পাশ। অনেক সদস্য মাস্টার ডিগ্রি থাকলেও তাদের করা হয়নি। কারন কাটমানি নিতে পারা যাবে না তাই।মঙ্গলবারই কলকাতার কাম্যাক স্ট্রিট অফিসে তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই বৈঠকের কয়েক ঘন্টা কাটতে না কাটতে দলের অঞ্চল সভাপতির এই ধরনের ভিডিও নিয়ে রাজনীতি চর্চা শুরু হয়েছে।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জি। তিনি বলেন, রাজ্য জুড়ে যেখানে তৃণমূলের মন্ত্রী, নেতারা কাটমানি নিচ্ছে সেখানে একজন বিধায়ক নিচ্ছে, তৃণমূল দলটাই দূর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। পাশাপাশি দলের মধ্যে এতো বেশি গোষ্ঠী দ্বন্দ তার জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। ব্লক সভাপতি বিধায়কের সমন্ধে বলছে আবার বিধায়ক ব্লক সভাপতি বিরুদ্ধে বলছেন। এটাই এই রাজনৈতিক দলের কালচার। এই ধরনের অভিযোগ ব্লক, জেলা, রাজ্য সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ছে।যদিও দলের অঞ্চল সভাপতি করা অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, অঞ্চলের মিনিমাম কন্ট্রোল যার নেই, সে এই ধরনের মন্তব্য করছে, যার কোনো মূল্য নেই, যার কোনো গ্রহনযোগ্যতা নেই, যতটুকু পাওয়ার তার থেকে বেশি পাওয়ার জন্য এইধরনের অভিযোগ করছে।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

বানভাসি ডুকুর গ্রামের বাসিন্দারা দিন কাটাচ্ছেন অজয়ের পাড়ে, প্রশাসনিক শুকনো আশ্বাস ছাড়া কিছুই জোটেনি

বছর ঘুরে গেল। তবুও মাথা গোঁজার ঠাঁই হল না বানভাসিদের। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া পঞ্চায়েতের ডুকুর গ্রাম। বছর খানেক ধরে পলিথিনের ছাউনি বেঁধে বাস করছেন গ্রামবাসীর একাংশ। তাঁদের অভিযোগ,প্রশসানিক আধিকারিকেরা এলাকা পরিদর্শন করলেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ। শুধু মিলেছে প্রতিশ্রুতি। তাঁদের দাবি, ব্লক প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েও কাজ হয়নি। ফলে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়।গত বছর অক্টোবরের ১ তারিখে আউশগ্রামের সাঁতলার কাছে অজয়ের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় ডুকুর গ্রাম। বাড়িঘর হারিয়ে নদের বাঁধে তাঁবুতে আশ্রয় নেয় গ্রামের ৪২টি পরিবার। তাদের দাবি, শুধু বাড়িঘরই ভাঙেনি, চাষের জমিতে বালির স্তূপ জমে যায়। তিন দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারের বন্দবস্ত করা হয়েছিল। তারপর খোঁজ নিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু শুকনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া এখনো কিছু মেলেনি ঘরহারা মানুষজনদের। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,খুবই খারাপ বিষয়।খোঁজ নিয়ে দেখছি। তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীকে নোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করার অভিযোগে স্বামীকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল কালনা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক

সিঙেরকোনের আনোকা গ্রামে নিজের স্ত্রীকে নোড়া দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করায় তাঁর স্বামীকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল কালনা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক সুধীর কুমার। মঙ্গলবার ২০১৭র আগস্ট মাসের ১৭ তারিখ নিজের স্ত্রীকে নিজের বাড়িতেই নোড়া দিয়ে থেঁতলে খুন করার অভিযোগ ওঠে তাঁর স্বামী নীলু বাগের বিরুদ্ধে।জানা যায় বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর উপর পণের জন্য নানান রকম ভাবে অত্যাচার চালাতো তার স্বামী নিলু বাগ। তার স্ত্রী যেদিন খুন হন, তার আগের দিন নিলু তাঁর স্ত্রীকে বাপের বাড়ি পাঠিয়েছিল পয়সা নিয়ে আসার জন্য। সেখান থেকে সে পয়সা না নিয়ে আসায় রাতের বেলায় তাঁকে খুন করে। এর পরই কালনা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। সংশোধনাগারে রেখেই তার এতদিন ধরেই বিচার চলছিল। কালনা থানার তৎকালীন তদন্তকারী অফিসার শরিফুল ইসলাম সহ মোট পনেরো জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর এদিন মঙ্গলবার তাকে সাজা শোনায় কালনা আদালতের বিচারক।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

'অপেক্ষা করলে হয়ত আরও কিছু পাওয়া যেতে পারে' অনুব্রত প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি

বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের চারদিনের সিবিআই হেফাজতকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন চালকল থেকে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। সিবিআই হেফাজতে থাকলে আরো অনেক কিছু জানা যাবে। আরও অনেক সম্পত্তির হদিস মিলবে। অন্যদিকে ক্যানিংয়ে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। সেইজন্যই এইসব ঘটছে। হয়তো দেখা যাবে ওই তৃণমূল নেতা চাকরীর নামে টাকা নিয়েছিল। তবে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হবে। বোলপুরে মলয় পিটের মেডিকেল কলেজ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, গরুর টাকায় অনুব্রত মণ্ডল মেডিকেল কলেজ বানিয়েছেন। উল্লেখ্য মলয় পিট অনুব্রত মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার আগের দিন অনুব্রতের বাড়িতে দেখা করতে আসেন।শনিবার রাজ্য কিষাণমোর্চার বৈঠকে বর্ধমানের টাউনহলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, পূর্ব-বর্ধমান জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিত তা।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বিষমদকাণ্ডে মৃত্যু বেড়ে ৮

বর্ধমানে বিষমদকাণ্ডে ফের দুজনের মৃত্য হল। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮। এর আগে ৬জনের মৃত্য়ু হয়েছিল। গতকাল মৃত্যু হয়েছিল শম্ভু শর্মা ও ভবানীপ্রসাদ সাঁইয়ের। তাঁর আগে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল ভাতের হোটেলে মদ খেয়ে। তাঁরা হলেন, শেখ সুবরতি (৩৪), শেখ হালিম (৪০), চিন্ময় দে (৩৮), গৌতম দে (৪২)। রবিবার বর্ধমানের খাগড়াগড় পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মীর মেহবুব(২৬) ওরফে বাপ্পা এবং বাপন শেখ(২৮)-এর মৃত্যু হয়েছে। এদের পরিবারের দাবি, এরা দুজনেই বর্ধমানের কলেজমোড় এলাকার তারামা হোটেল থেকে মদ খেয়েছিল। এরা মাঝে-মধ্যেই কলেজ মোড়ের এই হোটেল থেকে মদ খেত বলে জানিয়েছে তাঁদের পরিবার।তাঁদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারামা হোটেল থেকে মদ খাওয়ার পরেই তাঁরা অসুস্থতা বোধ করে। ক্রমাগত বমি ও পেটে যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। মীর মেহবুবকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাপন শেখ স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় দুজনের। পুলিশ ও আবগারি দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খাগড়াগড়ের বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন, ভাতের হোটেলে কিভাবে মদ বিক্রি হয়? দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন তাঁরা।

জুলাই ১০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রহস্যজনক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬, বন্ধ মদের দোকান, হানা চোলাইয়ের ঠেকে

হোটেলের খাবার (মদ?) খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় ফের বর্ধমান শহরে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন শম্ভু শর্মা ও ভবানীপ্রসাদ সাঁই। পরিবারের সদস্যদের দাবি, মদ খেয়ে অসুস্থ হয়েছিল। এদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। ভাতের হোটেলে মদকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে দুটি মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবারের বক্তব্য, মদ নয় তাঁরা শারীরিক ভাবে অসুস্থ ছিল।মদ খেয়ে অসুস্থ না খাদ্যে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু? সেই রহস্য রয়েই গিয়েছে। শনিবার বর্ধমান শহরের সমস্ত মদের দোকান বন্ধ ছিল। কেন মদের দোকান বন্ধ তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি আবগারি দফতর। তবে মদে খেয়ে অসুস্থ হওয়ার পর মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক থাকলেও শহরের অভিযুক্ত হোটেলগুলি থেকে সরকারি মদ ক্যাপটেন উদ্ধার হয়েছে। সেই ক্যাপটেন আদৌ সরকারি কাউন্টার থেকে এসেছে না এর পিছনে অন্য রহস্য আছে তা নিয়ে তদন্ত চলছে।এদিকে এদিন বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায় চোলাইয়ের ঠেকে হানা দেয় পুলিশ ও আবগারি দফতর। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এদিকে উদ্ধার হওয়ার মদের নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। অন্য ক্ষেত্রে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সহজে প্রকাশ্যে এলেও এক্ষেত্রে রহস্যজনক ভাবে মৃতদের পোস্টমর্টেমের প্রাথমিক রিপোর্টে কী উল্লেখ আছে তা জানায়নি পুলিশ। তবে ভাতের হোটেলে মদের অবৈধ কারবারের রমরমা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বর্ধমানবাসী।

জুলাই ০৯, ২০২২
রাজ্য

ভাতের হোটেলে বেআইনি মদ খেয়ে বর্ধমানে রহস্যমৃত্যু ৪ জনের, গাফিলতি কার?

ভাতের হোটেলে মদ। অভিযোগ, সেই অবৈধ ভাবে বিক্রি হওয়া মদ খেয়ে মৃত্যু হল চার জনের। মৃতরা হলেন শেখ হালিম (৪০), শেখ সুবরতি (৩৪), চিন্ময় দে (৩৮) ও গৌতম দে (৪২)। মৃতদের বাড়ি বর্ধমান শহরে। বাহিরসর্বমঙ্গলা পাড়ায় বাড়ি হালিম ও সুবরতির। ময়ুরমহলে বাড়ি চিন্ময় ও গৌতমের। অসুস্থরা ভর্তি রয়েছে হাসপাতালে। তাঁদের খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। তবে শহরের নানা ভাতের হোটেলে বেআইনি ভাবে মদ বিক্রী নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। তবে ঘটনার পর পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা শহরজুড়ে তল্লাশি শুরু করে। নড়ে-চড়ে বসেছে আবগারি দফতরেও।জানা গিয়েছে, যে হোটেলে মৃতরা মদ খেয়েছিল সেখান থেকে আবগারি দফতরের অনুমোদিত দেশি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। তা নিয়ে বড় দুশ্চিন্তায় পড়েছে আবগারি দফতর। ওই মদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখবে তারা। মদ প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে আবগারি দফতর।রহস্যজনক ভাবে ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় বর্ধমান শহরে। শুক্রবার সকাল থেকে এডিজি ওয়েস্টার্ন জোন সঞ্জয় সিং ও জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেনের নেতৃত্বে বর্ধমান শহরের বিভিন্ন হোটেল ও ধাবায় হানা দেয় পুলিশ। এদিকে মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্ত হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। ময়নাতদন্ত রিপোর্টেই প্রাথমিকভাবে বোঝা যাবে মৃত্যুর কারণ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান শহরের লক্ষ্মীপুরে জিটি রোডের ধারে মৃত ও অসুস্থরা বৃহস্পতিবার রাতে ওই হোটেল থেকে মদ কিনে খেয়েছিল। তবে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁরা সবাই কি আলাদা আলাদা হোটেল থেকে মদ কিনে খেয়েছিল? এক মৃতের স্ত্রীর বক্তব্য, তাঁর স্বামী আরও চারজনের সঙ্গে মদ খেতে বসেছিল। মদ খাওয়ার পরেই তাঁর স্বামীর খিঁচুনি শুরু হয়। মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বের হতে শরু করে। স্বামীকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।বর্ধমান শহরের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভাত খাওয়ার হোটেলে অবৈধ ভাবে মদ বিক্রী নতুন কোন ঘটনা নয়। তাঁদের বক্তব্য, শহর লাগোয়া ও জাতীয় সড়কের পাশের খাওয়ার হোটেলগুলিতে বেআইনি ভাবে মদ বিক্রি হয়। কোনও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ ও আবগারি দফতর এই বেআইনি কারবার বন্ধ করতে কখনও উদ্যোগী হয়নি বলে অভিযোগ। স্বভাতই বেআইনি কারবার ক্রমশ বেড়েছে। চিন্ময় ও গৌতমের পরিবারের সদস্যরা অবশ্য় মদ খেয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেনি।জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন এদিন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে মদ খেয়ে দুজন মারা গেছে বলে আমরা বর্ধমান হাসপাতাল থেকে খবর পাই। এদিন আরও দুজন মারা যাওয়ার খবর আসে। তবে এই মৃতদের পরিবার মদ খাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন।মৃতদেহগুলির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে বর্ধমানের কোনও হাসপাতালে কেউ ভর্তি হয়েছে কিনা সেই ব্যাপারেও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। আবগারি দফতর মদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষায় পাঠিয়েছে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তার রিপোর্ট চলে আসবে।

জুলাই ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার কলকাতা ফিরছেন ইস্টবেঙ্গলে খেলা সাড়া জাগানো স্ট্রাইকার

একসময় কলকাতা ময়দানে বেশ সাড়া জাগিয়ে শুরু করেছিলেন। কিন্তু খুব বেশিদিন কলকাতা ময়দানে খেলতে পারেননি। পাড়ি দিয়েছিলেন গোয়ায়। সেখান থেকে মনিপুর। আবার কলকাতা ফিরছেন উইলিস প্লাজা। তবে কলকাতার কোনও বড় ক্লাবে নয়, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর এই স্ট্রাইকারকে খেলতে দেখা যাবে ভবানীপুর ক্লাবে। এছাড়া মোহনবাগানের প্রাক্তন ডিফেন্ডার ক্রিজো ইচেডোনাকেও খেলতে দেখা যাবে ভবানীপুরে। ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর উইলিস প্লাজাকে ভারতীয় ফুটবল মানচিত্রে প্রথম পরিচয় করিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদ জার্সিতে ২০১৭-১৮ মরসুমে ২৪ ম্যাচে ১১ গোল করেছিলেন। তবে তিনি বেশি সাফল্য পেয়েছিলেন চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সি গায়ে। চার্চিলের হয়ে ২০১৮-২০২০ পর্যন্ত খেলেছেন প্লাজা। ৩৫ ম্যাচে করেছে ২৯ গোল। ২০১৮-১৯ আই লিগে ২১ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার খেতাব অর্জন করেন তিনি। ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর জাতীয় দলের ফুটবলার উইলিস প্লাজা। তিনি এখনও পর্যন্ত নিজের দেশের হয়ে ২৩ ম্যাচে ৭ গোল করেছেন। ইস্টবেঙ্গল এবং চার্চিল ব্রাদার্স ছাড়াও দুই স্পেলে প্লাজা খেলেছেন মহমেডান স্পোর্টিং-এ।চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সিতে আই লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জিতেছেন গোল্ডেন বুট। পরে চার্চিল ব্রাদার্স ছেড়ে আইজল এফসি-তে যোগ দেন প্লাজা। গত আই লিগে আইজল এফসির হয়ে মাঠ কাঁপান। এবার তাঁকে ভবানীপুরের জার্সিতে দেখা যাবে। কলকাতা লিগের জন্য প্লাজাকে সই করানোর পথে ভবানীপুর ক্লাব। বরাবরই কলকাতা লিগ এবং দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগের জন্য শক্তিশালী দল গড়ে ভবানীপুর। এ বারও তার ব্যতিক্রম নয়। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান এখনও ঠিক মতো দল গুছিয়ে উঠতে না পারলেও কিংশুক দেবনাথ, কৌশিক সরকার, সঞ্জু প্রধান-এর মতো তারকাদের নিয়ে ব্যাপক শক্তিশালী দল গঠন করছে ভবানীপুর। মোহনবাগানের প্রাক্তন ডিফেন্ডোর ক্রিজো ইচেডোনা এবং রিয়াল কাশ্মীরের জার্সিতে ভারতীয় ফুটবল মাতানো নোহেরো ক্রিজোকেও এ বার দেখা যাবে ভবানীপুরের জার্সিতে। প্লাজা-ক্রিজো জুটি ফিট হয়ে গেলে কলকাতা লিগে বহু দলের রাতের ঘুম উড়ে যাবে।

জুন ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘গেম অফ থ্রোনস’ এ ফিরছেন জন স্নো

গত এক দশকে ছোটপর্দার সবচেয়ে জনপ্রিয় শো যে গেম অব থ্রোনস সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শেষ হওয়ার পরেও এই শো নিয়ে চর্চা থামেনি। চর্চা না থামার একটি বড় কারণ হল চলতি বছরের আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে এই জনপ্রিয় সিরিজেরই প্রিকুয়েল। যার নাম হাউজ অব দ্য ড্রাগন। এই সিরিজের নির্মাতাদের পক্ষ থেকে জানা গেছে ফিরে আসছে জন স্নো। গেম অব থ্রোনস-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রগুলির একটি জন স্নো। এই চরিত্রে অভিনয় করে কিট হ্যারিংটনও পৌঁছে গিয়েছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এহেন একটি চরিত্র যে আবার ফিরে আসছে সে ঘোষণার পর থেকেই জন স্নো এবং গেম অব থ্রোনস-এর ভক্তদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ এবং উদ্দীপনা দেখা গিয়ছে।গেম অব থ্রোনস-এর নির্মাতা এইচবিউও-র তরফে জানানো হয়েছে জন স্নো-কে নিয়ে গেম অব থ্রোনস-এ একটি স্পিন অফ বানাতে চলেছে তারা। গেম অব থ্রোনস-এর গল্প যেখানে শেষ হল, সেখানে জন স্নো আবার ফিরে গিয়েছে উত্তরে, উত্তর থেকে আসা বিপদ থেকে দেশ রক্ষা করতে, পাঁচিল রক্ষা করতে। তার পরে কী হল? তাই নিয়েই এই গল্প ভাবা হচ্ছে। এই গল্পেও কিট হ্যারিংটনকেই দেখা যাবে জন স্নো-এ ভূমিকায়। তবে এই কাহিনি নিয়ে কতগুলি সিজন হতে চলেছে, প্রত্যেকটিতে কতগুলো পর্ব থাকবে সেই বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

জুন ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’, রাজস্থানকে উড়িয়ে ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

জস বাটলারের দুরন্ত ইনিংস ম্লান হয়ে গেল ডেভিড মিলারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অভিষেক আইপিএলেই ফাইনালে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটান্স। ৩ বল বাকি থাকতে ১৯১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয়। ট্র্যাজিক হিরো হয়েই থেকে গেলেন বাটলার।বাটলারের দাপটে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান তুলে গুজরাট টাইটান্সের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই হয়নি গুজরাট টাইটান্সের। আগের বেশ কয়েকটা ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে বড় রান তুলে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিল। ঘরের মাঠে এদিন প্রত্যাশার চাপ পূরণ করতে পারেননি ঋদ্ধি। ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তিনি উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নিজের আঁতুর ঘরে খালি হাতেই ফিরতে হল ঋদ্ধিকে। বল হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন মহম্মদ সামি। ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৪৩। মাত্র ১ উইকেট পেয়েছিলেন। ব্যাট হাতে আরও এক ঘরের ক্রিকেটার হতাশ করেন।বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই ঋদ্ধি আউট। মনে হচ্ছিল ট্রেন্ট বোল্টদের সামনে ভেঙে পড়বে গুজরাট টাইটান্স। তা কিন্তু হয়নি। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে রাজস্থান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন শুভমান গিল ও ম্যাথু ওয়েড। ৭ ওভারেই পৌঁছে যায় ৬৮ রানে। ওয়েডের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে শুভমান আউট। ২১ বলে ৩৫ রান করেন শুভমান। এরপরই ছন্দপতন। দশম ওভারের তৃতীয় বলে ওয়েডকে তুলে নেন ওবেদ ম্যাকক। ৩০ বলে ৩৫ রান করেন ওয়েড।ওয়েড আউট হওয়ার পর গুজরাটের হাল ধরেন ডেভিড মিলার ও হার্দিক পান্ডিয়া। এই দুজনই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান দরকার ছিল গুজরাট টাইটান্সের। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার প্রথম তিন বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে ফাইনালে তোলেন মিলার। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া।প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসেরও। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। যশ দয়ালের আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন সঞ্জু স্যামসন। জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ৪২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তারপরই ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। ২৬ বলে ৪৭ রান করেন সঞ্জু স্যামসন। এই দুজনের দাপটেই গুটরাজ টাইটান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। ২০ বলে ২৮ রান করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল।

মে ২৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal