• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

রাজ্য

টানা ৮ ঘন্টা ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তৃণমূল নেতা অভিষেক, ফের তলব করা হতে পারে!

৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)-এর দফতরে। একেবারে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ। ইডির তলবে সাড়া দিয়ে বুধবার সকাল প্রায় সাড়ে ১১টায় সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছু নথি নিয়ে যান তিনি। তারপর থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা অতিক্রান্ত। প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জানা গিয়েছে, দুপুর সাড়ে ১২টা ১০ মিনিট থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। আধ ঘন্টা পর অভিষেকের দেওয়া বয়ান নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল বৈঠক করে। তারপর থেকে এখনও দুদফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। অভিষেকের বয়ান রেকর্ড করা হয়।I.N.D.I.A-এর বৈঠকে দিল্লি যাননি। ইডি-র তলবে সাড়া দিয়ে এদিন ইডির দফতরে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমাণ্ড। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার অভিষেককে তলব করে ইডি। এদিন তলবেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দেখছে তৃণমূল। দলের এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই অভিষেককে তলব, যাই হোক না কেন আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাব। আজ আদালতে ইডির মৌখিক রক্ষাকবচ নিয়ে সিজিও-তে এসেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ড ও কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেককে। কুন্তল ঘোষের চিঠিতেও অভিষেকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসে তিনি নিজেই ওই সংস্থাকে আমার কোম্পানি বলে দাবি করেছিলেন, সেই কারণে ইডি আধিকারিকরা তাঁর কাছ থেকে ওই সংস্থার কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

ফের ইডির তলব অভিষেককে, কড়া আক্রমণ নরেন্দ্র মোদিকে

ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তলব। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ১৩ই সেপ্টেম্বর, বুধবার তাঁকে সশরীরে ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই তলব। এদিকে এই তলবের পরই টুইট করে অভিষেক বিঁধেছেন নরেন্দ্র মোদীকে। এর আগে ইডির তলবের সময় অভিষেক জানিয়ে ছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যস্ত থাকবেন। তাই যেতে পারছেন না। ইডিও অনেক দিন চুপচাপ ছিল।FIRST meet of INDIAs coordination comm is on 13th Sept in Delhi, where Im a member. But, @dir_ed conveniently served me a notice just now to appear before thm on the VERY SAME DAY! One cant help but marvel at the TIMIDITY VACUOSNESS of the 56-inch chest model. #FearofINDIA Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 10, 2023তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে লিখেছেন, ভারতের সমন্বয় কমিটির প্রথম বৈঠক ১৩ই সেপ্টেম্বর দিল্লিতে। ওই কমিটির আমি একজন সদস্য। কিন্তু, ইডি ওই দিন হাজির হওয়ার জন্য এখনই একটি নোটিশ দিয়েছে! ৫৬ইঞ্চি ছাতির ভীরুতা এবং শূন্যতা দেখে অবাক না হয়ে কেউ পারে না।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

পরিযায়ী শ্রমিকদের স্বার্থে মালদায় বাংলা পক্ষর সাংগঠনিক সভা

মালদার বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করতে মালদা শহরে জেলার সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হল। মালদার মূল সমস্যা পরিযায়ী শ্রমিক। নানা রাজ্যে গিয়ে সমস্যায় পড়ে মালদা সহ নানা জেলার বাঙালিরা৷ কিন্তু অন্য রাজ্যে কাজে কেন যেত হবে? বাংলায় কি কাজ নেই? বাংলা পক্ষ ৫ বছরের লড়াইয়ে বুঝেছে, বাংলায় কাজ আছে, বাঙালির কাজ নেই। এমনকি মালদায় কাজ না থাকলে বিহার-ইউপির লোকজন এত বাড়ছে কেন? মালদা-মুর্শিদাবাদে বিভিন্ন যে শিল্প তালুক তৈরি হচ্ছে সেখানে অধিকাংশই চাকরি ও কাজ করছে বিহার-ইউপির লোকজন। অথচ বাঙালি অন্য রাজ্যে কাজে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরছে। নানা রাজ্যে কাজে গিয়ে বাংলাদেশী সন্দেহে আক্রমণের শিকার হয়। কিন্তু বাংলার শহর ও শিল্পাঞ্চল গুলোয় চাকরি-কাজ- ব্যবসা বহিরাগতদের হাতে। আমরা তাই সমস্ত বেসরকারি চাকরি-কাজে ও টেন্ডারে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই।বাংলা পক্ষের দাবি, এছাড়া মালদায় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে, মূলত আম নির্ভর শিল্পে আরও জোর দিতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে এবং তা জেলার ছেলেমেয়েদের দিতে হবে। মালদার যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব খারাপ। লোকাল ট্রেন নেই। মালদা থেকে শিলিগুড়ি দুই দিনাজপুর হয়ে (বিহার নয়) লোকাল ট্রেন চালাতে হবে। ফারাক্কার টোল ট্যাক্স তুলে দিতে হবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম ফারাক্কা। কিন্তু এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে দিল্লিকে টাকা ট্যাক্স হিসাবে দিতে হবে কেন? রেলের ডিভিশন অফিস মালদা থেকে সরিয়ে ভাগলপুরে নিয়ে যাওয়া যাবে না।আজকের সাংগঠনিক মিটিং এ উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জেলা সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, মালদার নেতৃত্ব রফিক আহমেদ, শুভ্রজ্যোতি দত্ত, মালদার ভূমিপুত্র তথা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কমিটির সদস্য ডঃ আব্দুল লতিফ প্রমুখ।আগামীতে পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার সমাধান ও ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চালুর দাবিতে জেলা জুড়ে জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলবে বাংলা পক্ষ।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
দেশ

ধূপগুড়িতে জয় তৃণমূলের, উচ্ছ্বসিত মমতা গেলেন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী ধূপগুড়ি উপ নির্বাচনে তৃণমূলের জয় প্রসঙ্গে বলেন, আমি ধুপগুড়ির মানুষকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। চা বাগান থেকে রাজবংশী সবাই যেভাবে তৃণমূলকে সমর্থন করেছেন। বিজেপির একটা শক্ত ঘাঁটি। বিজেপির মন্ত্রীরা সবাই ওখানে পড়েছিলেন। উত্তরবঙ্গের বড় জয়। সারা ভারতে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে চারটিতে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট জয়লাভ করেছে। উত্তর প্রদেশের মত জায়গাতে বিজেপি হেরেছে। ত্রিপুরায় দুটো আসনে জিতেছে বিজেপি। সেখানে কাউকে লড়তেই দেয়নি। ৯০ শতাংশ ভোটে জয়লাভ করেছে। ইন্ডিয়া জোটের বড় জয় এটা।ধূপগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়ের প্রাপ্ত ভোট- ৯৬,৯৬১। বিজেপির তাপসী রায় পেয়েছেন ৯২,৬৪৮। বাং-কংগ্রেসের জোট প্রার্থী পেয়েছেন১৩,৬৬৬ ভোট। তৃণমূল প্রার্থী ভোট জিতেছেন ৪,৩১৩টি ভোটে। শতাংশের বিচারে তৃণমূল পেয়েছে ৪৬ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

এক ধাক্কায় কত বেতন বাড়ল বাংলার মন্ত্রী-বিধায়কদের বেতন?

শহিদ মিনারের নীচে এখন অবস্থানে বসে আছে ডিএ আন্দোলনকারীরা। মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এদিকে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণায় এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়ল বিধায়ক মন্ত্রীদের বেতন। বাংলা দিবস নিয়ে বিধানসভায় আলোচনার শেষে এই বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্য সরকারী কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন চলছে। টানা শহিদ মিনারে বসে রয়েছেন সরকারী কর্মীরা। নতুন নিয়োগ বা উন্নয়ন প্রকল্পও থমকাচ্ছে অর্থের অভাবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের রাজ্যের বিধায়কদের বেতন দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম। চলাফেরা, দুটো খাওয়া, সবই ওই টাকায় করতে হয়। সেটা পর্যবেক্ষণ করেই আমাদের সরকার তাই বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কত বাড়ছে বেতন?মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মোতাবেক- বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন একধাক্কায় ৪০ হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।এতদিন বিধায়কদের বেতন ছিল প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে। তা বেড়ে হল ৫০ হাজার টাকা।রাজ্যের প্রতিমন্ত্রীরা এত দিন মাসে ১০ হাজার ৯০০ টাকা করে বেতন পেতেন। এখন তা বেড়ে হল ৫০ হাজার ৯০০ টাকা।পূর্ণমন্ত্রীদের বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা। তাঁরা বেতন বাবদ এবার থেকে পাবেন ৫১ হাজার টাকা করে।বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে পূর্ণমন্ত্রীরা মন্ত্রীরা এখন থেকে প্রতি মাসে পাবেন দেড় লক্ষ টাকার বেশি। প্রতিমন্ত্রীরা পাবেন প্রায় ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯০০ টাকা। বিধায়করা পেতে চলছেন মাসিক ১ লাখ ২১ হাজার টাকা বেতন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বেতন নেন না বলে জানিয়েছেন।মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, আমরা মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাকে সমর্থন করছি না। আমরা চাই আশাকর্মী, ভিলেজ পুলিশ, সিভিক পুলিশ, চুক্তিভিত্তিক সব শিক্ষক, ভোকেশনাল টিচাররা সম কাজে সম বেতন পাক। আর আমরা যখন হাউজে ছিলাম না তখন উনি একতরফাভাবে মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন।সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, কর্মীরা ডিএ বাড়াতে বললেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন টাকা নেই। কর্মীও বহু জায়গায় নিয়োগ হচ্ছে না। অথচ মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বাড়ালেন উনি। এটাকেই বলে তেলা মাথায় তেল দেওয়া। বাংলার মানুষকে পুরোটায় নজর রাখতে অনুরোধ করছি। আদালতেও এটা আমরা জানাবো। আমরা আন্দোলন আরও জোরদার করবো।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৩
দেশ

ইন্ডিয়া কেন ভারত? মোদি সরকারের উদ্দেশ্য প্রকাশ্যে আনলেন অভিষেক

দ্য প্রেসিডেন্ট অফ ভারত, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পক্ষ থেকে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষ্যে দেশবিদেশের অতিথিদের নৈশভোজের আমন্ত্রণপত্র, এই লেখা ঘিরেই আপাতত চরম বিতর্ক। তাহলে কী এবার সত্যি ইন্ডিয়ার বদলে শুধুই ভারত? দেশের নামকরণ বিতর্কে গতকালই কেন্দ্রের তীব্র বিরোধিতা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন মোদী সরকারের এই নাম বদলের কৌশল? এক বার্তায় সেটাই ব্যাখ্যা করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।সংবিধানে ভারত এবং ইন্ডিয়া এই দুয়েরই উল্লেখ রয়েছে। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে সব বাদ দিয়ে দেশের নাম শুধু ভারত রাখার দাবি উঠছে। এই নেপথ্যে আরএসএস-এর দর্শন রয়েছে বলে মনে করে বিরোধীীা। পাশাপাশি বিরোধী জোটের নাকরণ হওয়ায় ইন্ডিয়া নামটি মানতে কষ্ট হচ্ছে গেরুয়া শিবিরের। তাই এই পদক্ষেপের ভাবনা। মনে করছে বিরোধী দলগুলো। এদিকে পদ্ম শিবিরের বক্তব্য, ব্রিটিশদের দেওয়া দেশের ইন্ডিয়া নামটি কেন এখনও ব্যবহার হবে। আগামী সংসদ অধিবেশনে এই নামকরণ সংক্রান্ত বিল পেশ করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।INDIA vs BHARAT is just a distraction orchestrated by the BJP. Lets cut to the chase and hold the govt accountable for skyrocketing prices, rampant inflation, communal tensions, unemployment, border disputes and their empty rhetoric of Double Engine and Nationalism. #StayFocused Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 6, 2023কি লিখেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?বুধবার দুপুরে দেশের নামবদল বিতর্কে বিরাট ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়। এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ভারত বনাম ইন্ডিয়া আসলে বিজেপির দ্বারা সংগঠিত একটি বিভ্রান্তি মাত্র। আসল ইস্যুগুলি থেকে নজর ঘুরিয়ে দিতে চাইছে। আসুন আমরা এই প্ররোচনায় পা না দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কাঠগড়ায় তুলি। সরাসরি আক্রমণ করি আকাশছোঁয়া দাম, ব্যাপক মূদ্রাস্ফিতি, সাম্প্রদায়িক বিভাজন, বেকারত্ব, সীমান্ত বিরোধ, ডাবল ইঞ্জিন সরকারের শূন্যতা এবং জাতীয়তাবাদের ফাঁকা আওয়াজের জন্য।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
রাজ্য

বাঁকুড়ায় গাড়ি তাড়া করে এলোপাথাড়ি গুলি, মারাত্মক জখম বর্ধমানের তৃণমূল শ্রমিক নেতা

পাশের জেলার তৃণমূল নেতাকে গুলি। মঙ্গলবার দুপুরবেলা বাঁকুড়ায় রাস্তায় চলে গুলি। জানা গিয়েছে, এদিন বেলা দেড়টা নাগাদ একটি চার চাকা গাড়িতে চড়ে চালক সহ পাঁচ যুবক বাঁকুড়া দুর্গাপুর রাজ্য সড়ক ধরে বাঁকুড়া থেকে দুর্গাপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এই পাঁচজনই বাঁকুড়া জেলা আদালতে আইনি কাজে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে তাঁদের গাড়ি ধাওয়া করতে থাকে একটি বাইক। ওই বাইকে দুজন সওয়ারী ছিল বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। বাইক ধাওয়া করছে দেখা মাত্রই গতি বাড়ে চার চাকার। গাড়িটি বাঁকুড়া শহর লাগোয়া কেশিয়াকোল এলাকা ছেড়ে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছাকাছি আসতেই বাইকের পিছনে বসে থাকা যুবক দুহাতে দুটি বন্দুক নিয়ে গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। গুলিতে গাড়িতেই জখম হন জিয়াবুল হক শেখ, নূর মহম্মদ শা ওরফে টগর এবং গোবিন্দ মণ্ডল নামে তিন যুবক। মাথায় গুলি লাগে নূরের। জখমদর ভর্তি করা হয় বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এছাড়াও তাদের সঙ্গে ছিল গলসির গোহগ্রামের সেখ রবিউল। গুরুতর জখম হন বাগাই।এর মধ্যে জিয়াবুলের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের দয়ালপুর গ্রামে। নূরের বাড়ি গলসির তেঁতুলমুড়ি গ্রামে। নুর গলসি ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের আইএনটিটিইউসির নেতা। গোবিন্দর বাড়ি বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানার পাবড়াডিহি গ্রামে। এদিকে গুলির আওয়াজে স্থানীয়রা চলে আসে। তাঁদের দেখেই দুস্কৃতীরা যে পথে এসেছিল সেই পথেই ফিরে যায়। পুলিশ বাঁকুড়া থেকে বেরোনোর সব রাস্তা ঘিরে ফেলে। তল্লাশি শুরু হয় বাঁকুড়া থেকে বেরোতে থাকা প্রতিটি বাস ও ছোট গাড়িতে। কেন তৃণমূল নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চলল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৩
কলকাতা

র‍্যাগিংয়ে মৃত ছাত্রের মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ মমতার, একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ছেলের অকাল মৃত্যুর শোক এখনও কাটেনি। দোষীদের সাজার দাবিতে সোচ্চার ছাত্রের বাবা মা। এরইমধ্যেই সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব়্যাগিংয়ে নিহত পড়ুয়ার মা, বাবা নবান্নে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। কথা বলতে বলতে এদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতের মা। শান্তনা দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। এরই মাঝে মৃতের মাকে তাঁর বাড়ির কাছে চাকরি এবং ভাইয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর তরফে মৃত ছাত্রের পরিবারকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, নিহতের স্মৃতিতে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালের নামকরণ করা হবে। ওই হাসপাতালেই বসানো হবে তার মূর্তি।গত ৯ আগস্ট রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের বারান্দা থেকে পড়ে দিয়ে স্নাতকস্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু হয়। যা ঘিরে শোরগোল পড়ে য়ায়। ব়্যাগিংয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই নাবালক পড়ুয়ার। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্তে নেমে বর্তমান ও প্রাক্তনী মিলিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরই ১৩ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তদের জেরায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের অনুমান, ব়্যায়গিংয়ের জেরেই ওই পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে।ইউজিসি গাইডলাইন মেনে কেন যাদবপুরে সিসি ক্যামেরা নেই তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আতসকাচে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভমিকাও। স্টুডেন্টস অফ ডিন ও রেজিস্ট্রারকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে লালবাজার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কি কথা হল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের? বৈশাখী তখন কি করছিলেন?

একদা একসঙ্গেই দল করতেন।একজনের ইডির তালিকায় নামও ছিল। গ্রেফতারও হয়েছিলেন। আরেকজন শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি। এবার তাঁদের দেখা হল আলিপুর কোর্ট লকআপে। দুজনই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হল কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের।শনিবার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলিপুর আদালতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। সেখানে জানতে পারেন ওই কোর্ট লকআপেই রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গাড়িতে উঠেছিলেন কিন্তু ফের তিনি নেমে পড়েন। একসময়ের সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে কোর্ট লকআপে যান শোভন। দূর থেকে তাঁদের মধ্যে কথাও হয়।দুজনে কী কথা বললেন?শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দূর থেকে দেখলাম। দেখা করার সেই পরিবেশ, পরিস্থিতি নেই।পার্থ চট্টোপাধ্যায় কী পরিস্থিতির শিকার? শোভন বলেন, পার্থদা পরিস্থিতির শিকার তো বটেই! আমাকেও তো গ্রেফতার করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তো আর প্রশাসন থেকে আলাদা কিছু নয়! এত দিন এক সঙ্গে ছিলাম। না দেখা করে চলে গেলে মনে হত, এখান থেকে চলে গেলাম! দূর থেকে দেখা হয়েছে। স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। শোভন যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান তখন বৈশাখী গাড়িতেই বসেছিলেন। এই প্রসঙ্গে বৈশাখী বলেছেন, দীর্ঘ দিনের সঙ্গী তো।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজনীতি

ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের প্রচার সভায় বিরাট প্রতিশ্রুতি অভিষেকের, সমালোচনা বিরোধীদের

ইন্ডিয়া জোট গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যেই জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার চলছে। এখানে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও কংগ্রেস সমর্থিত সিপিএম প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই। আগামী ৫ই সেপ্টেম্বর ধুপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচন। রবিবারই শেষ হচ্ছে প্রচারের মেয়াদ। শুক্রবার সেখানে জনসভায় বক্তব্য রেখেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দলের হয়ে লাগাতার প্রচার করছেন উত্তরবঙ্গের এই বিধানসভার উপনির্বাচনে। শনিবার ধুপগুড়িতে প্রচার করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ধুপগুড়ি মহকুমা হবে বলে প্রচার মঞ্চ থেকে ধুপগুড়িবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ ঘোষণা, এর সঙ্গে মহকুমা হাসপাতালও হয়ে যাবে।বক্তব্য রাখার সময় স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে চান, আপনাদের কি দাবি রয়েছে। তখন ধূপগুড়িকে পৃথক মহকুমা করার দাবি ওঠে উপস্থিতিদের মধ্য থেকে। প্রচার মঞ্চেই সেই দাবি মেনে নেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিষেক বলেন, আমি কথা দিয়ে কথা রাখি। আমি কথা রাখার ছেলে। আমি দাবি শুনে বলতে পারতাম, ১ বছর, দেড় বছর, ২ বছর পর হবে। দেখছি দেখবো বলতে পারতাম। বলতে পারতাম মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানাবো। কিন্তু আমি নিজের কাঁধে দায়িত্ব নিচ্ছি। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছি যে ধুপগুড়ি মহকুমা হবে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ধুপগুড়ি মহকুমা হিসাবে ঘোষণা হবে। এখন থেকে সবুজ আবির খেলতে শুরু করুন।ভোটমুখী ধুপগুড়িতে অভিষেকের এই ঘোষণার পরই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। দলের রাজ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, প্রশাসনের অংশ নন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এটা তাঁর সংসদীয় এলাকাও নয়। কিন্তু তাও তিনি প্রশাসনিক প্রতিশ্রুতি দিলেন কী করে? কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী বলেন, অভিষেক এই ঘোষণা করে নিজের পিসি তথা মুখ্যমন্ত্রীকেই চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করালেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

বাড়ল দুর্গা পুজোর আর্থিক সহযোগিতা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

১০ দিয়ে শুরু, ২৫, ৫০ থেকে ৬০ ছুঁয়ে এবছর ৭০ হাজার। ২০২২ এর দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান ছিল ৬০ হাজার টাকা। সেই পড়িমান বেড়ে ক্লাব পিছু ৭০ হাজার টাকা করল রাজ্য সরকার। আজ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দুর্গা পুজো নিয়ে একাধিক ছাড়ের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান যে, সরকারি বিভিন্ন দফতরের বিজ্ঞাপনও পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া হবে। বিজ্ঞাপন বাবদও কিছু টাকা ক্লাবগুলি পাবে।২০২৩ র এই বছর দুর্গাপুজোর বিসর্জন করারও দিন ধার্য করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজো কমিটিগুলিকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিমা নিরঞ্জন শেষ করে ফেলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী সেরা পুজোগুলিকে নিয়ে পূজা কার্নিভ্যাল রেড রোডে অনুষ্টিত হবে লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন, অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার সাথে সাথেই যেনো পুজো কমিটিগুলিতে বেজে উঠলো বাজলো তোমার আলোর বেণু...। তিনি এই অনুদানের ঘোষনার সাথে সাথেই সকলকে অনুরোধ করেন, সকলেই যেন সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখে, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শারদীয় উৎসব পালন করেন।আজ মঙ্গলবার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসন ও বাংলার পুজো কমিটিগুলো নিয়ে বৈঠকে বসেন। সারা রাজ্যের সমস্ত সরকারি অফিসে এই বৈঠক সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। সেখানেও স্থানীয় জেলাশাসক সহ এলাকার সাংসদ, মহকুমাশাসক, বিধায়ক সহ বিশিষ্ট সরকারি আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দফতরকে সতর্কতামূলক বিষয়ে নানা পরামর্শ প্রদান করে বলেন, স্কুল ছাত্রদের স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে যেন পুলিশের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। প্রত্যেক পূজা মণ্ডপের প্রবেশ ও বাহিরের পথ যেন আলাদা হয়। প্রাথমিক অগ্নি নির্বাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও মণ্ডপে রাখতে হবে। এছাড়াও প্রতিমা নিরঞ্জনের জায়গায় জলাশয়ের পাশে যেন আলো ও ব্যারিকেডের ব্যবস্থা করা হয়। যে সমস্ত জায়গায় দর্শক সমাগম বেশি হয় সেখানে জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সরকারি জরুরি বিভাগগুলির হেল্পলাইন নম্বরগুলো যেন পুজোর সময় কার্যকারি থাকে। পুজো কমিটিগুলিকে তাঁদের ভিড় নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রতিনিয়ত মাইকে ঘোষণা করতে হবে। সরকার প্রদত্ত জনকল্যাণমূলক হোর্ডিং সকলের দৃষ্টির সামনে লাগাতে হবে। এছাড়াও সরকারের বিভিন্ন দফতর বিজ্ঞাপন হিসাবে যে হোর্ডিং দেবে সেগুলিও সঠিক জায়গায় লাগাতে হবে। বাংলার আড়ম্বরপুর্ণ দুর্গাপুজো যে বহু মানুষের এক বিরাট রোজগারের দিশা সেই কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই পুজোকে কেন্দ্র করে বঙ্গে ৬০ হাজার কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়। তিনি প্রত্যেক পুজো কমিটিগুলির উদ্দশ্যে বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন লোকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের তাঁরা যেন তাঁদের পুজোয় জায়গা করে দেন। তাঁদেরও যাতে পুজোর সময় কিছু বাড়তি রোজগার হয় সেটাও আমাদের দেখতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার বারোয়ারিতে দুর্গা পুজো হয়। শহর কলকাতার তিন হাজার বাদ দিলে বাকি ৩৭০০০ পূজা হয় জেলায়। তিনি বিভিন্ন আবাসনের পুজোরও ভুয়াসী প্রশংসা করেন। তিনি পরিবহণ দপ্তর ও রাজ্য পুলিশকে পুজোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।২০১৮ তে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজোয় সরকারের তরফ পুজো কমিটিগুলির পাশে দাড়ানোর জন্য ১০হাজার টাকা অনুদান দেন। বছর গড়াতে গড়াতে সেই অনুদান ৭০ হাজারে পৌঁছে গেল। উল্লেখ্য ২০২২ এ পুজো কমিটি পিছু ৬০ হাজার অনুদান ছিল। গতবছর ২০২২ এ সারা রাজ্যে মোট ৪২ হাজার ২৮টি পুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। এ ছাড়াও এবছরে বিদ্যুতের বিলে ছাড়ের পরিমানও বাড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, গতবছর বিদ্যুতের বিলে ছাড় ছিল ২/৩ এবছরে তে বেড়ে হল ১/৪। তিনি এবিষয়ে সিইএসসি এবং রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদকে নির্দেশ দিয়ে দেন এই বৈঠকে।তিনি জানান, ২০২২ থেকেই অগ্নিনির্বাপক সংস্থার অনুমতি বাবদ কোনও টাকা দিতে হয় না। এবছরেও কোনও টাকা দিয়ে হবে না সেই সংক্রান্ত বিষয়ে। তাছাড়া তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার মহিলা পরিচালিত পুজোগুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট দফতর গুলিকে।

আগস্ট ২২, ২০২৩
রাজ্য

ইমাম, মোয়াজ্জেমদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ভাতা বাড়ল পুরোহিতদেরও

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় ভাতা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে। তার ফলে ইমামদের ভাতা বেড়ে হল ৩,০০০ টাকা। মোয়াজ্জেমদের ভাতা বেড়ে হল ১,৫০০ টাকা। তাঁরা কোনওকিছু করতে চাইলে ঋণও পেতে পারেন। ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের সঙ্গেই সভায় পুরোহিতদের ভাতাও ৫০০ টাকা করে বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার ফলে পুরোহিতদের ভাতা বেড়ে হল ১,৫০০ টাকা। তিনি বলেন, রাজ্যে তিনটি অর্থনৈতিক করিডর হচ্ছে। তাই রাজ্য ছেড়ে বাইরে যাওয়ার কথা কাউকে ভাবতে হবে না। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ভাতা বাড়ানোর ঘোষণায় খুশি নন ইমাম-মোয়াজ্জেমরা। এই ব্যাপারে রাজ্য ইমামস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহম্মদ ইয়াহিয়া বলেন, আমরা চাই ইমামদের ভাতা ২,৫০০ টাকা আর মোয়াজ্জেমদের ১,০০০ টাকা বাড়ানো হোক। দরকার হলে আগামী মাসে ফের ইমাম-মোয়াজ্জেমদের নিয়ে সভা ডাকুন। এটাই আমাদের অনুরোধ।

আগস্ট ২১, ২০২৩
কলকাতা

যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিপিএমের ছাত্র ইউনিয়নকে নিশানা মমতার

যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যু ইস্যুতে সিপিএমকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নেতাজি ইন্ডোরে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় যাদবপুরের সিপিএম অনুমোদিত ইউনিয়নকে আক্রমণ করেন। সমালোচনা করেন সিপিএম এবং তাদের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির। সম্প্রতি যাদবপুরে এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। যাদবপুর ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন সংগঠন ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। ঘটছে হাতাহাতি, সংঘর্ষের ঘটনা।সোমবার নেতাজি ইন্ডোরের সভায় যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদবপুর নিয়ে আগে আমরা গর্ববোধ করতাম। যাদবপুরে কীভাবে একটা ছাত্রকে সিপিএমের ইউনিয়ন মেরে ফেলল। এরা জীবনে বদলাবে না। এত রক্ত নিয়েও এরা বদলায়নি। বছরের পর বছর রক্ত নিয়ে খেলেও এদের শান্তি নেই।সভায় সিপিএমের পাশাপাশি বিজেপিকেও একহাত নেন। ডাক দেন, বিজেপি হঠাও ইন্ডিয়া বাঁচাও। কংগ্রেস বা সিপিএম তাঁকে যতই বিজেপিপন্থী বলুক না-কেন, গেরুয়া শিবিরকে তোপ দেগে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাকে ভাতে মারতে চায় মোদী সরকার। একদলের সরকারের নীতি চলবে না। আমরা সকলের উন্নতির পক্ষে। মোদী সরকার আর ৬ মাস থাকবে। আর একটু ৬ মাস কষ্ট করতে হবে আপনাদের, তারপর সব ম্যানেজ করে নেব।২৬টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের ইন্ডিয়া জোটে রয়েছে জোটে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেসও। কিন্তু, তারপরও জোটসঙ্গী বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসকে সোমবারের বক্তব্যে রেয়াত করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপির সঙ্গে তিনি এই দুই সর্বভারতীয় জোটসঙ্গী দলকেও এক আসনে নিশানায় রেখে বুঝিয়ে দেন, জোট শুধু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে। রাজ্যে তৃণমূল আছে তাদের একলা চলো নীতিতেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একসঙ্গে বোর্ড গঠন করছে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি। হিংসা লাগানোর জন্য টাকা দেওয়া হচ্ছে। বাংলায় সিপিএম-কংগ্রেসকে আমাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

আগস্ট ২১, ২০২৩
কলকাতা

র‍্যাগিং কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, মমতা বড় দায়িত্ব দিলেন টিএমসিপি নেত্রী রাজন্যাকে

দুদিন আগেই যাদবপুরে মিছিল করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেত্রী রাজন্যা হালদার। আহত রাজন্যকে ভর্তি করা হয়েছিল কেপিসি হাসপাতালে। এর আগে ২১ জুলাই ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবসের মঞ্চে বক্তব্য রেখে সবার নজর কেড়েছেন তিনি। এবার রাজন্যা হালদারকে বড় দায়িত্ব দিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। তাঁকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ইউনিটের সভানেত্রী করা হল। চেয়ারম্যান করা হয়েছে সঞ্জীব প্রামানিককে আপাতত দুজনের এই কমিটি যাদবপুরে দলের ছাত্র সংগঠন দেখবে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে। দুই মন্ত্রী অরূপ ও বিশ্বাস ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে গতকালই বৈঠক করেন দলনেত্রী। সেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নেতৃত্বকে। দুজনের এই কমিটি যাদবপুর নিয়ে সরাসরি রিপোর্ট করবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে।

আগস্ট ১৮, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে ‘দালাল’, সম্বোধন করে নিশানা মমতার

ফের নবান্ন রাজভবন সংঘাত চরমে। একদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিষয়ে রাজযপালের একের পর এক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের লাগাতার আক্রমণ। আজ, বুধবার ঝাড়গ্রাম থেকে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে বেনজির আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা। দালাল বলতেও ছাড়লেন না সিভি আনন্দ বোসকে।বুধবার ঝাড়গ্রামে বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করতে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বকেয়া অর্থ না পাওয়া, ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে বাংলাকে টাকা না দেওয়া, আবাস যোজনা নিয়ে এদিন আগাগোড়া মোদী সরকারকে তোপ দাগতে থাকেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনও উপাচার্য নেই। নেই রেজিস্ট্রারও। কৃতী পড়ুয়ারা সার্টিফিকেট পাচ্ছেন না। এ জন্য আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আমি জানি ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যেটা তরি হয়েছে আমাদের গভর্নর মহাশয়, তিনি এখন কালো চশমা পড়ে- সেটা অবশ্য তিনি পড়তেই পারেন একটার জায়গায় দশটা, জ্ঞান দিয়ে বেরাচ্ছেন। আমরা পাঠালেও করেনা। নিজের ইচ্ছামত কেরালা থেকে লোক এনে ঢুকি দিচ্ছে (উপাচার্য)। কেরালার অনেক বন্ধু আমার এখানে থাকে, তাতে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে ভিসি হতে গেলে ১০ বছর তাঁর প্রফেসর হিসাবে অভিজ্ঞতা থাকা উচিত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একজনকে ভিসি করেছেন যিনি কেরালায় আইপিএস ছিলেন, যাঁর এডুকেশনের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। এখানে ঝাড়গ্রাম ইউনিভার্সিটি করে দিয়েছি। কিন্ত না আছে কোনও উপাচার্য, না আছে কোনও রেজিস্ট্রার। তার কারণ পাঠালেই উনি উনি ওনার মত বিজেপির একটা লোককে বসিয়ে দেবেন। এরপরই মুখ্যসচিবকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ যে, ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নির্বাচনের জন্য উচ্চ শিক্ষা দফতর থেকে যেন অবিলম্বে তিনটি সুপারিশ করে দেওয়া হয়।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আমি সব করে দিচ্ছি, আর উনি (রাজ্যপাল) দালালি করে সব আটকে দিচ্ছেন। আমরা এটা মানবো না। স্ট্রেট মানবো না।এদিন রাজ্যপাল আনন্দ বোসকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি আপনার সৎ সাহস থাকে যেটা বিধানসভায় পাস হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী সব রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হবে তবে সেটা পাস করিয়ে দিন।

আগস্ট ০৯, ২০২৩
রাজ্য

গ্রেফতারির পালা ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের, এবার তলব বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে

ঘুষ দিয়ে বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি। এমন অভিযোগে ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদের চার শিক্ষক গ্রেফতার হয়েছেন। এবার বাঁকুড়ায় কর্মরত ৭ জন প্রাথমিক শিক্ষক নুয়ে ধন্দ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার ৭ জন প্রাথমিক শিক্ষককে বুধবার নিজাম প্যালেসে তলব করেছে সিবিআই। এই সাত জনের বিরুদ্ধে ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। তলব পাওয়া সাত শিক্ষক ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেট পাশ করে চাকরি পেয়েছিলেন। মূলত ২০১৪-র টেট দুর্নীতির অভিযোগ মামলাতেই সোমবার প্রাথমিকের ৪ শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। শিক্ষকের চাকরি পেতে এঁরা প্রত্যেকে ৫-৬ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের ধৃত ওই ৪ জন অযোগ্য প্রাথমিক শিক্ষক জেরায় নিজেরা দোষ কবুল করেছে।সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে প্রথম টাকার বিনিময়ে চাকরি মেলার অভিযোগে ৪ শিক্ষককে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। গ্রেফতার হওয়া ৪ শিক্ষক মুর্শিদাবাদ জেলার। সিবিআই-এর চার্জশিটে এই ৪ ধৃত শিক্ষকের নাম ছিল সাক্ষী হিসাবে। কিন্তু বিচারক প্রশ্ন তোলেন যে চার্জশিটে কেন সাক্ষী হিসেবে নাম রয়েছে তাদের? এরপরই এই ৪ জন অযোগ্য শিক্ষিককে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন বিচারক। ৪ ধৃত অযোগ্য শিক্ষিক হলেন- জাহিরউদ্দিন শেখ, সায়গল হোসেন, সীমার হোসেন ও সৌগত মণ্ডল। বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায় জন ধৃত ৪ শিক্ষককে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এবার বুধবার বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে সিবিআই তলবের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
শিক্ষা

এবার রাজ্যের বেসরকারি স্কুলেও বাংলা বাধ্যতামূলক, সিদ্ধান্ত মমতা মন্ত্রিসভার

এবার থেকে রাজ্যের সমস্ত বেসরকারি স্কুলে বাংলা ভাষা পড়ানো বাধ্যতামূলক হচ্ছে। প্রথম ভাষা ও দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে বাংলা ও ইংরেজি নিতেই হবে। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের শিক্ষানীতি অনুমোদিত হয়। সেই শিক্ষানীতিতেই স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সব বেসরকারি স্কুলে বাংলা এবং ইংরেজি পড়তেই হবে। শুধু তাই নয়, তৃতীয় ভাষা হিসেবে যে অঞ্চলে যে ভাষার কার্যকরিতা বেশি সেই অঞ্চলে সেই ভাষা পড়া যাবে। সেক্ষেত্রে হিন্দিও হতে পারে, সাঁওতালিও হতে পারে।পাশাপাশি মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বাংলায় স্বাস্থ্য কমিশনের ধাঁচে তৈরি হচ্ছে শিক্ষা কমিশন। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে হবে এই কমিশন। শীঘ্রই রাজ্যের তরফে কমিশনের সদস্যদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে। যাঁরা বেসরকারি স্কুলগুলি সম্পর্কে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ শুনবে। এক্ষেত্রে গাইডলাইনও এই কমিশন তৈরি করবে। কখনও মাত্রাতিরিক্ত ফি বৃদ্ধি, তো কখনও আবার সিলেবাস-পরীক্ষা নিয়ে রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এবার সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বড়সড় পদক্ষেপ করল রাজ্য মন্ত্রিসভা।বিভিন্ন সংগঠনের তরফে দাবি ছিল, রাজ্য সরকার পরিচালিত বাংলার সব স্কুলে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা পড়ানো বাধ্যতামূলক করা হোক, সেই সঙ্গে বাংলা পড়ানোর জন্য প্রতিটি স্কুলে দুজন করে স্থায়ী বাংলার শিক্ষক নিয়োগ করা হোক। সেই দাবি পূরণে এবার সিলমোহন দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা।বর্ধমান শহরের এক ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, আমাদের বিদ্যালয় সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর অধীন, এখানে বর্তমানে পঞ্চম শ্রেনী থেকে অষ্টম শ্রেনী অবধি বাংলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও নবম ও দশম শ্রেনীতে কেউ ২য় ভাষা বাংলা নিয়ে পড়তেই পাড়েন। এই মুহুর্তে আমাদের বর্ধমান মডেল স্কুলে ১০ জন বংলার শিক্ষক/শিক্ষিকা আছেন। তিনি আরও জানান, রাজ্য সরকারের শিক্ষা সংক্রান্ত কোনও নির্দেশিকা এল আমরা তা অবশ্যই মেনে চলব। আমাদের যা পরিকাঠামো আছে তাতে আমাদের কোনও সমস্যাই পরতে হবে না।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

আমাকে দেখে হাত নেড়েছেন, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে দেখে বেরিয়ে বললেন মমতা

কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন তিনি। তাঁর সিওপিডি আছে। সোমবার তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ভেন্টিলেশন থেকে মুক্ত হলে বাইপ্যাপ সাপোর্টে আছেন বুদ্ধদেববাবু। সোমবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে উডল্যান্ডস হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনিট দশেক ছিলেন তিনি। কেমন আছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী? উডল্যান্ডস থেকে বেরিয়ে তা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, হাসপাতালে ঢুকেই সোজা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কেবিনের কাছে চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে চিকিৎসকদের থেকে বুদ্ধদেবের স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজখবর নেন।পরে সংবাদ মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার যতটুকু মনে হল উনি আমাকে দেখে হাত নাড়লেন। এখন উনি ভালই আছেন, স্টেবল আছেন। বাইপ্যাপ চলছে। ওনার জ্ঞান আছে, বাদবাকিটা উনি কেমন আছেন, এটা যাঁরা এখানে মেডিক্যাল বোর্ডে আছেন, ট্রিটমেন্ট করছেন তাঁরাই বলতে পারেন। আমি তো আর ডাক্তার নই।মুখ্যমন্ত্রীর বলার পরই বুদ্ধদেববাবুর জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য এক চিকিৎসকের কথায়, ওনাকে একটু আগেই আমরা ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন থেকে বার করতে পেরেছি সাফল্যেপ সঙ্গে। ওনার সব প্যারামিটার স্টেবল আছে। আগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে ভালো আছেন উনি।বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে ইনভেনসিভ ভেন্টিলেশন থেকে বার করে আনা হয়েছে। আপাতত শুধু মাত্র বাইপ্যাপ সার্পোটের উপরেই রয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আপাতত ভেন্টিলেশনের বাইরে রয়েছেন তিনি। এর আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে গিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ৩১, ২০২৩
দেশ

মনিপুরে বিরোধী জোটের প্রতিনিধি দল, বৈঠক সারলেন রাজ্যপালের সঙ্গে

হিংসাদীর্ণ মণিপুরে পরিদর্শন করছেন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা। মূলত বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিরা মনিপুর গিয়েছেন। এদিন সেখানে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিদল। মোদি সরকারকে মণিপুর পরিস্থিতির জন্য দায়ী করে আক্রমণ শানিয়েছেন ওই দলের সদস্য়রা। পাশাপাশি রাজ্যপালকে পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আনার জন্য দাবি জানান। রবিবার কংগ্রেসের লোকসভার নেতা তথা ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম প্রতিনিধি অধীর চৌধুরী বলেন, গতকাল থেকে সাধারণ মানুষের যন্ত্রনা-দুর্দশা দেখছি। যাবতীয় বিষয় নিয়ে আমি রাজ্যপালকে বলেছি। আমার সব কথাতেই মান্যতা দিয়ে সহমত প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় সরকারের যে খামতি আমার চোখে পড়েছে, সাধারণ মানুষের সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে, এই সমস্ত ইস্যু আমরা রাখব। দ্রুত মণিপুরের সমস্যার সমাধান বার করার জন্য আলোচনার দাবি জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।দীর্ঘ সময় ধরে মণিপুরে হিংসা চলছে। এই সপ্তাহেও এলোপাথারি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। সম্প্রতি দুই মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানোর ভিডিও সর্বত্র ভাইরাল হয়ে যায়। যা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। হিংসার জেরে গ্রাম ছেড়েছেন বহু মানুষ। পাশাপাশি ওই রাজ্যে চলছে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক লুটপাট। এখনও পর্যন্ত ১৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়ার নির্মম ঘটনা মনিপুরের সর্বত্র। মহিলাদের ওপর নির্যাতন বাড়ছে। মনিপুরের ঘটনা নিযে সংসদের বাদল অধিবেশন উত্তাল হয়ে উঠেছে।

জুলাই ৩০, ২০২৩
রাজ্য

উনি (মমতা) মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন, বিজেপি রাজ্যনেতা করেছে, বললেন শুভেন্দু

একসময় দুজনই একদলে ছিলেন। জনগণ মনো অধিনায়কা বলে বক্তব্য শুরু করতেন। এখন ২ জন সম্মুখ সমরে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী নিশানা করতেই ওয়াকআউট করে পরে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী নজিরবিহীন আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।শুভেন্দুর বক্তব্য, উনি আমাকে মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি আমাকে রাজ্যে নেতা করে দিয়েছে। বিরোধী দলনেতাকে হজম করা মুশকিল তাই ভাববাচ্যে কথা বলছেন। ২০১৮ সালে আমার এলাকা কাঁথিতে ভোট লুঠ করতে দিইনি বলেই উনিশের নির্বাচনে কাঁথি-তমুলকে আপনাকে জিতিয়েছিলাম।২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। বাবা শিশির অধিকারী ও ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূলের সাংসদ হয়েছিলেন। তার আগে ২০১৮-তেও ঘাসফুল ভোট লুট করেছিল বলে ফের সরব বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেছেন, ২০১৮ সালে ভোট লুঠ করেছিলেন বলেই উনিশের লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর, মালদহ উত্তর, বালুরঘাট, রানাঘাট, ব্যারাকপুর, বর্ধমান, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রামে হেরেছিলেন। যাদের ভোট দিতে আটকেছেন তাঁরাই বদলা নেবে।শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে জেলার নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি তাঁকে রাজ্যের নেতা করেছে।

জুলাই ২৭, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 75
  • 76
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal