• ১ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ipl,

খেলার দুনিয়া

আবেশ খানের দাপটে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস

কাছাকাছি এসেও দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় অধরা থেকে গেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ডোবাল সেই ব্যাটারদের ব্যর্থতা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের ১৬৯/৭ রানের জবাবে ১৫৭/৯ রানে থেমে গেল সানরাইজার্স। লোকেশ রাহুলের দল জিতল ১২ রানে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। জয়ের নায়ক আবেশ খান। মু্ম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়করাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাওয়ার প্লের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতে বিপর্যয়ে পড়লেও লখনউকে বড় রানে পৌঁছে দেয় অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডার দায়িত্বশীল ব্যাটিং। এদিন দ্বিতীয় ওভারেই কুইন্টন ডিকককে (১) হারায় লখনউ। সানরাইজার্স অধিনায়ক উইলিয়ামস ভুবনেশ্বরের সঙ্গে নতুন বল তুলে দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দরের হাতে। দ্বিতীয় ওভারেই তিনি তুলে নেন ডিকককে। এক ওভার পরেই ফেরান এভিন লুইসকে (১)। পঞ্চম ওভারে মণীশ পাণ্ডেকে (১১) তুলে নিয়ে লখনউকে আরও ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন রোমারিও শেফার্ড। এরপরই দীপক হুডাকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। দুজনে জুটি বেঁধে তোলেন ৮৭। ষষ্ঠদশ ওভারের প্রথম বলে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রোমারিও শেফার্ড। ৩৩ বলে ৫১ রান করে আউট হন হুডা। উনিশতম ওভারের প্রথম বলে লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন টি নটরাজন। ৫০ বলে ৬৮ রান করেন লোকেশ। একই ওভারে ক্রূণাল পান্ডিয়াকে (৬) ফেরান। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন আয়ুষ বাদোনি (১৯)। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৯ তোলে লখনউ সুপার জায়ান্টস। ওয়াশিংটন সুন্দর, রোমারিও শেফার্ড এবং টি নটরাজন ২টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট হারায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আউট হন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন (১৬)। দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পেলেন না তিনি। আর এক ওপেনার অভিষেক অভিষেক শর্মাও (১৩) ব্যর্থ। তিন নম্বরে নামা রাহুল ত্রিপাঠি ৩০ বলে ৪৪ রান করে আউট হন। রাহুল আউট হওয়ার আগেই ফেরেন এইডেন মার্করাম (১২)। দুটি উইকেটই নেন ক্রূণাল পান্ডিয়া। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন নিকোলাস পুরান ও ওয়াশিংটন সুন্দর। পরপর দুবলে পুরানকে (২৪ বলে ৩৪) ও আব্দুল সামাদকে (০) তুলে নিয়ে হায়দরাবাদকে চাপে ফেলে দেন আবেশ খান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য হায়দরাবাদের দরকার ছিল ১৬। ২০ তম ওভারের প্রথম বলেই ওয়াশিংটন সুন্দরকে (১৮) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। চতুর্থ বলে ফেরান ভুবনেশ্বর কুমারকে (১)। শেষ বলে তুলে নেন শেফার্ডকে (৮)। ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন আবেশ খান। ৩৪ রানে ৩ উইকেট হোল্ডারের।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আরও একটা মাইলস্টোন ধোনির, তবু দলকে জেতাতে পারছেন না কেন?‌

এবারের আইপিএলে কী হাল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের? তিন ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই সুপার কিংস। দল না জিতলে কী হবে, একের পর এক মাইলস্টোন গড়েই চলেছেন চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। কদিন আগেই টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোন পার করেছেন। রবিরার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে ৩৫০টি টি২০ ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ভরতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে টি২০ ফরম্যাটে সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন রোহিত শর্মা। জাতীয় দল, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ৩৭২টি ম্যাচ। আর ধোনির মোট ম্যাচের সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে দেশের হয়ে খেলেছেন ৯৮টি টি২০ ম্যাচ। আর আইপিএলে খেলেছেন ২২২টি ম্যাচ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া টি২০ মিলিয়ে খেলেছেন ৩০টি ম্যাচ। আর ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টি২০ ম্যাচ খেলার দিক দিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ৩৩৬টি ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন দীনেশ কার্তিক। কার্তিক খেলেছেন ৩২৯ টি ম্যাচ। আর পঞ্চম স্থানে থাকা বিরাট কোহলি খেলেছেন ৩২৮টি ম্যাচ। চলতি আইপিএলে দুদুটি মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন ধোনি। উইকেটের সামনে ও পেছনে ভাল পারফরমেন্স করলেও দলকে এখনও জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন ধোনি। দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ বলে ১৬ রান করেছিলেন। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ২৮ বলে করেন ২৩। আইপিএল শুরুর আগে স্বেচ্ছায় নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার ওপর। জাদেজা দলকে নেতৃত্ব দিলেও ধোনি দারুণ সাহায্য করছেন উত্তরসূরীকে। রবিবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে ৫৪ রানে হেরেছে চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব তোলে ১৮০/৮। জবাবে ১৮ ওভারে ১২৬ রানে শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের ইনিংস। টানা তিন ম্যাচ হারের পর চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার মুখে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা। তিনি বলেন, পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথম বল থেকেই আমরা মোমেন্টাম পাইনি। পাওয়ার প্লের ওভারগুলিতে একাধিক উইকেট হারিয়েছিলাম। এখান থেকে আমাদের প্রত্যাবর্তনের রাস্তা খুঁজে বের করতে হবে। এখনও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। -----------

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে টেক্কা দিতে চলেছেন সচিব জয় শাহ!‌

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরে কি কোনঠাসা বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি? বিরাট কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর বিতর্ক থেকে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি আরও জোরালো হতে চলেছে আইপিএলের প্লে অফ ও ফাইনালের স্থান নির্বাচন নিয়ে। এই ব্যাপারেও বোর্ড প্রেসিডেন্টকে পেছনে ফেলে লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে বোর্ড সচিব জয় শাহ। বেশ কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবারের আইপিএলের তিনটি প্লে অফ ম্যাচ ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু হঠাৎ করে কলকাতাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে লখনউ ও আমেদাবাদ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটা ঘনিষ্ট সূত্র থেকে এমনই জানা গেছে। করোনার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ঠিক করেছিল আইপিএলের লিগ পর্বের ম্যাচগুলি মহারাষ্ট্রের চারটি স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে। এই স্টেডিয়ামগুলি হল মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন, ওয়াংখেড়ে, ডিওয়াই পাতিল ও পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম। তখন প্লে অফ ও ফাইনালের স্থান চূড়ান্ত হয়নি। পরে বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, কলকাতার ইডেন গাডেন্সে প্লে অফের ম্যাচগুলি ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু বোর্ডের একটি সুত্র জানিয়েছে, লখনউ ও আমেদাবাদকে প্লে অফ ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এই দুটি ভেনুতে প্লে অফ আয়োজনের যুক্তি হল, যেহেতু এই দুটি শহর এবছর আইপিএলে প্রথম খেলছে, তাই এই দুটি শহরে প্লে অফ আয়োজন করা হোক। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে লখনউকে প্রথম কোয়ালিফায়ার এবং এলিমিনেটর ম্যাচ দুটি আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, আহমেদাবাদকে দেওয়া হতে পারে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার এবং ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্ব। আসলে বোর্ড সচিব জয় শাহ চান, তাঁর নিজের শহর আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইপিএলের ফাইনাল হোক। বোর্ডের ওই সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, যেহেতু লখনউ এবং আহমেদাবাদ এই বছর প্রথম আইপিএল খেলছে, তাই প্লে অফ ম্যাচগুলি এই দুটি শহরে আয়োজিত হলে দারুণ ব্যাপার হবে। এই নিয়ে আমরা কয়েকদিন আগে আলোচনায় বসেছিলাম। বোর্ডের বেশ কয়েকজন কর্তা এই ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি আবার আমরা বৈঠকে বসব। সেই বৈঠকেই সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আশা করছি লখনউ ও আমেদাবাদেই প্লে অফ ম্যাচগুলি এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। মূলত বোর্ড সচিব জয় শাহর জন্যই ফাইনাল আমেদাবাদ পেতে পারে। এক্ষেত্রে বোর্ড প্রেসিডেন্টকে পেছনে ফেলে দিতে চলেছেন তিনি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হার্দিকের মস্তিষ্ক, ফার্গুসনের দাপটে দারুণ জয় গুজরাট টাইটান্সের

দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এমন সময়ই লকি ফার্গুসনকে আক্রমণে নিয়ে এসে মোক্ষম চাল গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার। ঋষভকে ফার্গুসন তুলে নিতেই জয়ের আশা শেষ দিল্লির। ফার্গুসনের দুরন্ত বোলিং দ্বিতীয় জয় এনে দিল গুজরাট টাইটান্সকে। দিল্লির বিরুদ্ধে জিতল ১৪ রানে।পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ বিজয় শঙ্কর। এর পরেও ডাগ আউটে বসে থাকতে হবে ঋদ্ধিমান সাহাকে? শনিবার গুজরাট টাইটান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে প্রশ্নটা উঠেই গেল। চলতি আইপিএলে বাংলার আকাশদীপ, মহম্মদ সামি, শাহবাজ আমেদরা যেখানে নিজেদের মেলে ধরছেন, সেখানে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগই পাচ্ছেন না ঋদ্ধিমান সাহা। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের গুজরাট টাইটান্স বড় রান তুলল। সৌজন্যে প্রাক্তন নাইট রাইডার্স তারকা শুভমান গিল।চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয়ের খোঁজে এদিন টস জিতে পুনেতে মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ম্যাচেই তৃতীয় বলেই ধাক্কা খায় গুজরাট টাইটান্স। ম্যাথু ওয়েডকে (১) তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরের বলেই ফেরেন বিজয় শঙ্কর। ২০ বলে মাত্র ১৩ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন। বিজয় শঙ্করকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন টেস্ট খেলতে নেমেছেন। এরপর শুভমানের সঙ্গে জুটি বেঁধে গুজরাটকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। চতুর্দশ ওভারের শেষ বলে হার্দিককে ফেরান খলিল আমেদ। ২৭ বলে ৩১ রান করে আউট হন হার্দিক।একের পর এক উইকেট পড়লেও অন্যপ্রান্তে শুভমানের ঝড় অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৮৪ রান করে তিনি খলিল আমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শুভমানের ইনিংসে রয়েছে ৬টি ৪ এবং ৪টি ৬। রাহুল তেওয়াটিয়া ৮ বলে করেন ১৪। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ তোলে গুজরাট টাইটান্স। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৩৪ রানে ২ উইকেট খলিল আমেদের।জয়ের জন্য ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালসের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ খুঁজে পেলেন না পৃথ্বী শ। ৭ বলে ১০ রান করে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন পৃথ্বী। একই ওভারে মনদীপ সিংকে (১৬ বলে ১৮) তুলে নেন ফার্গুসন। ঋষভ পন্থ ও ললিত যাদব দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অধিনায়কের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ললিত (২২ বলে ২৫) রান আউট।পঞ্চদশ ওভারে লকি ফার্গুসনকে আবার আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর এই সিদ্ধান্ত একেবারে মাস্টারস্ট্রোক। ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ঋষভকে তুলে নিয়ে গুজরাটকে ম্যাচে ফেরান ফার্গুসন। ৭টি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ঋষভ। একই ওভারে অক্ষর প্যাটেলকে (৮) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন লকি ফার্গুসন। বাকি কাজটা সারেন মহম্মদ সামি ও রশিদ খান। পরপর দুবলে রভম্যান পাওয়েল (১২ বলে ২০) ও খলিল আমেদকে (০) তুলে নেন সামি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৭/৯ তোলে দিল্লি। ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। ৩০ রানে ২ উইকেট সামির।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাতীয় দলে ব্রাত্য উমেশ আইপিএলে গড়লেন অনন্য নজির

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে জাতীয় দলে তিনি ব্রাত্য। লাল বলের ক্রিকেটে অবশ্য এখনও তিনি অপরিহার্য। তবে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর দক্ষতায় যে মরচে ধরেনি, প্রমাণ করে চলেছেন উমেশ যাদব। শুক্রবার পাঞ্জাব কিংলের বিরুদ্ধে তিনি অনন্য নজির গড়েছেন। পেছনে ফেলে দিয়েছেন রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইল, ইউসুফ পাঠানদের। একটা দলের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি ম্যাচের সেরার পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ড এতদিন ছিল রোহিত শর্মা, ক্রিস গেইল, ইউসুফ পাঠানের। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৫ বার করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন রোহিত ও গেইল। আর অধুনা ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে ৫ বার ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন ইউসুফ পাঠান। তাঁদের রেকর্ড ভেঙে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ৬ বার ম্যাচের সেরার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন উমেশ। শুক্রবার তিনি এই রেকর্ড ভেঙেছেন। আরও একটা নজির রয়েছে উমেশ যাদবের ঝুলিতে। আইপিএলে এখনও পর্যন্ত জোরে বোলারদের মধ্যে তিনিই সব থেকে বেশি ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। শুক্রবার কলকাতা নাইট রাইডার্স ও পাঞ্জাব কিংসের মধ্যে ম্যাচেও উমেশ যাদব ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন। এই নিয়ে তিনি মোট ১০ বার ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেলেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন লসিথ মালিঙ্গা, যশপ্রীত বুমরা, আশিস নেহরা, জয়দেব উনাদকাত। প্রত্যেকেই ৬ বার করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন। এছাড়া ৫ বার করে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছেন ডেল স্টেন, সন্দীপ শর্মা ও ভুবনেশ্বর কুমার। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে যখন কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট দলে নিয়েছিল, অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো খুব বেশি সুযোগ উমেশ যাদব পাবেন না। কিন্তু সুযোগ পেয়ে প্রতিটা ম্যাচেই পাওয়ার প্লের ওভারগুলিতে আগুন ঝড়িয়েছেন। প্যাট কামিন্স এখনও কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের সঙ্গে যোগ দেননি। ইতিমধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিনটি ম্যাচেই দলের বোলিংকে নেতৃত্ব দিয়েছেন উমেশ যাদব। দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই জোরে বোলার। ইতিমধ্যেই ৩ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন ৮ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় তিনি রয়েছেন শীর্ষে। বর্তমানে তিনিই আইপিএলে পার্পল ক্যাপএর মালিক।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাটলারের তান্ডবে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবছর আইপিএলে শুরুটা ভাল হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হার রোহিত শর্মার দলের। শনিবার রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার ২৩ রানে। বাটলার ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই। এদিন রোহিতদের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন রাজস্থান রয়্যালসের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসের। তৃতীয় ওভারে আউট হন জশ্বস্বী জয়সোয়াল। তাঁকে ফেরান যশপ্রীত বুমরা। মাত্র ১ রান করে আউট হন জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের ষষ্ঠ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন টাইমল মিলস। এরপর বাটলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটি ওঠে ৮২। ২১ বলে ৩০ রান করে কায়রণ পোলার্ডের বলে আউট হন সঞ্জু। সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ৩টি ৪ ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৪ বলে ৩৫ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। হেটমায়ের আউট হওয়ার ২ বল পরেই আউট হন বাটলার। তার আগে অবশ্য তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেছিলেন। বাটলারে সেঞ্চুরি আসে ৬৬ বলে। মারেন ১১টি ৪ ও ৫টি ৬। ওভারের শেষ বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ফেরান বুমরা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ রান করে রাজস্থান রয়্যালস। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন বুমরা। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টাইমল মিলস। চলতি আইপিএলে এখনও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাত্র ১০ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন। তাঁকে ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। আনমোলপ্রীত সিংও (৫) রান পাননি। ৪ ওভারে ৪০ রান তোলার ফাঁকে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও তরুণ তিলক ভার্মা। তাঁর ব্যাটিং দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি জীবনের দ্বিতীয় আইপিএল ম্যাচ খেলছেন। ঈশানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১২.৫ ওভারে ১২১ রানও তুলে ফেলেছিল মুম্বই। ট্রেন্ট বোল্ট ঈশান কিশানকে (৪৩ বলে ৫৪) তুলে নিতেই ধস মুম্বই ইনিংসে। পরপর ফিরে যান তিলক ভার্মা (৩৩ বলে ৬১), টিম ডেভিড (১(১), ড্যানিয়েল সামস (০)। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন পোলার্ড (২৪ বলে ২২)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭০ তোলে মুম্বই। রাজস্ঝানের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নভদীপ সাইনি ও যুজবেন্দ্র চাহাল।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলসের ‘‌মাসলসে’‌ উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস, জয়ে ফিরল নাইট রাইডার্স

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে আন্দ্রে রাসেলের চোট চিন্তা বাড়িয়েছিল কলকাতা টিম ম্যানেজমেন্টের। ফিল্ডিং করার সময় কাঁধে চোট পেয়েছিলেন। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, শুক্রবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন তো? সব জল্পনা উড়িয়ে মাঠে নেমেছিলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর পেশীর তান্ডবে উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস। দুরন্ত ইনিংস খেলে জয়ে ফেরালেন কলকাতা নাইট রাউডার্সকে। নাইটরা জিতল ৬ উইকেটে। এদিন মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাটিং করতে পাঠান নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব। ১ রান উমেশ যাদবের বলে এলবিডব্লু হয়ে ডাগ আউটে ফেরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৩ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলেন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৯ বলে ৩১ রান করে তিনি শিবম মাভির বলে সাউদির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ান (১৫ বলে ১৬) আউট হতেই হঠাৎ ধস নামে পাঞ্জাব ইনিংসে। পরপর ফিরে যান লিয়াম লিভিংস্টোন (১৯), শাহরুখ খান (০), রাজ বাওয়া (১১), হরপ্রীত ব্রার (১৪) ও রাহুল চাহার (০)। ওডেন স্মিথ (৯) ও কাগিসো রাবাদার (২৫) সৌজন্যে ১৮.২ ওভারে ১৩৭ রানে পৌঁছয় পাঞ্জাব কিংস। আগের দুটি ম্যাচের মতো ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এদিনও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন উমেশ যাদব। ৪ ওভারে ১ মেডেন সহ ২৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন। ৩৬ রানে ২ উইকেট নেন টিম সাউদি। সুনীল নারাইন, শিবম মাভি ও আন্দ্রে রাসেল ১টি করে উইকেট পান। জয়ের জন্য ১৩৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। দ্বিতীয় ওভারে আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (১২)। ভেঙ্কটেশ আয়ারও (৩) এদিন রান পাননি। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ১৫ বলে ২৬ রান করে আউট হন। শ্রেয়স আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন নীতিশ রানা (০)। ৭ ওভারের মধ্যে ৫১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপর জ্বলে ওঠেন আন্দ্রে রাসেল। আগের ম্যাচের ব্যর্থতা পুশিয়ে দেন। ক্রিটে নেমে ঝড় তুলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ১৪.৩ ওভারে ১৪১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ৩১ বলে ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৮টি ৬ ও ২টি ৪। সাম বিলিংস ২৩ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। রাহুল চাহার ১৩ রানে ২ উইকেট পান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভিন লুইসের ঝড়ে প্রথম জয় পেল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস

১২ বলে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। অনভিজ্ঞ শিবম দুবের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তাঁর ওভারে ২৫ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এভিন লুইস। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় তুলে নিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। তৃতীয় ওভারে ব্যক্তিগত ১ রান করে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এরপরই রবিন উথাপ্পা ও মঈন আলি ঝড় তোলেন। ৪.৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ করে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৭৩। এরপর ব্যক্তিগত ৫০ রানেই আউট হন রবিন উথাপ্পা। চেন্নাইয়ের রান তখন ৭.৩ ওভারে ৮৪। ১০.১ ওভারে মঈন আলি আবেশ খানের বলে বোল্ড হন। ২২ বলে তিনি করেন ৩৫। এরপর অম্বাতি রায়ুডু ও শিবম দুবে ৩৭ বলে যোগ করেন ৬০ রান। ২০ বলে ২৭ রান করে আউট হন রায়ুডু। ১৮.২ ওভারে শিবম দুবে আউট হন আবেশ খানের বলে। ৩০ বলে ৪৯ রান করেন দুবে। চেন্নাইকে ২১০/৭ রানে পৌঁছে দেন ধোনি (৬ বলে ১৬)। এদিন তিনি টি২০ ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন।জয়ের জন্য ২১১ রান তাড়া করতে নেমে ভাল শুরু করেন কুইন্টন ডিকক ও অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ১০.২ ওভারে ৯৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ওপেনিং জুটি ভাঙেন ডোয়েইন প্রিটোরিয়াস। লোকেশ ১১.২ ওভারে পড়ে দ্বিতীয় উইকেট। ৬ বলে ৫ রান করে তুষার দেশপাণ্ডের শিকার হন মণীশ পাণ্ডে। ডিকককে (৪৫ বলে ৬১) প্রিটোরিয়াস আউট করেন। তা সত্ত্বেও জয়ের দিকে এগিয়ে যায় লক্ষ্ণৌ। দীপক হুডা ৮ বলে ১৩ রান করে আউট হন। শেষ ২ ওভারে লক্ষ্ণৌর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩৪ রান। ১৯ তম ওভারে শিবম দুবের বলে ২৫ রান তোলেন এভিন লুইস (২৩ বলে অপরাজিত ৫৫)। চলতি আইপিএলে দ্রুততম অর্ধশতরান (২৩ বলে) করেন লুইস। আয়ূষ বাদোনি ৯ বলে অপরাজিত ১৯ রান করে দলকে জয় এনে দেন। ১৯.৩ ওভারে ২১১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় লক্ষ্ণৌ।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের চিন্তা বাড়ালেন আন্দ্রে রাসেল

পঞ্চদশ আইপিএলের প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ের পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে হার। অল্পরানের পুঁজি নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই করেছিলেন নাইট যোদ্ধারা। তবে শেষরক্ষা করতে পারেনি। হারের থেকেও নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে বড় ধাক্কা আন্দ্রে রাসেলের চোট। নাইট রাইডার্সের অন্যতম বড় ভরসা পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় ঘাড়ে চোট পান রাসেল। চোট পেলেও মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাননি দলের এই নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার। শেষ ওভারে বোলিংও করেন। ম্যাচের শেষ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। যদিও দলকে জেতাতে পারেননি রাসেল। প্রথম দুটি বলে ছয় ও চার মেরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে জয় এনে দেন দীনেশ কার্তিক। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় রাসেলের চোট নিয়ে কিছু বোঝা যায়নি। ম্যাচের পর নাইট রাইডার্সের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম আন্দ্রে রাসেলের চোটের কথা জানান। তিনি বলেন, বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে রাসেল ডাইভ দিয়েছিল। তখন ওর ঘাড়ে চোট লেগেছে। তার পরেও ও বোলিং করতে চেয়েছিল। কাঁধে সমস্যা নিয়েও শেষ ওভারে বোলিং করেছিল। পরের ম্যাচে রাসেলকে পাওয়া যাবে কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি নাইট রাইডার্স কোচ। আন্দ্রে রাসেলের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনও অবকাশ নেই। কিন্তু প্রচন্ড চোটপ্রবন। ২০১৪ থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। ব্যাট ও বল হাতে দলকে বহু ম্যাচ জিতিয়েছেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে তাঁর চোট চিন্তা বাড়িয়েছে টিম ম্যানেজনেন্টের। ২০১৭ সালে তো গোটা মরশুমই মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল আন্দ্রে রাসেলকে। এবছর নিলামের আগে যখন নাইট রাইডার্স তাঁকে রেখে দিয়েছিল, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। গোটা মরশুমে আদৌও তিনি ফিট থাকবেন কিনা। দ্বিতীয় ম্যাচের পর সেই জল্পনা জোরালো হয়ে উঠল।

মার্চ ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয়, হারল নাইটরা

দ্বিতীয় ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতল ৩ উইকেটে। আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ২০ ওভারও ক্রিজে টিকতে পারল না শ্রেয়স আয়ারের দল! ১৮.৫ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ১২৮ রানে। সর্বোচ্চ রান আন্দ্রে রাসেলের ২৫। দুর্দান্ত বোলিং করে নাইট রাইডার্সকে বিধ্বস্ত করলেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২০ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। বাংলার আকাশদীপ নিয়েছেন ৩ উইকেট।টস জিতে এদিন নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় শ্রেয়স আয়ারের দল। ৩.১ ওভারে দলের ১৪ রানের মাথায় ভেঙ্কটেশ আয়ার আকাশ দীপের বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তিনি ১৪ বলে করেন ১০। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় কেকেআর। ১০ বলে ৯ রান করে মহম্মদ সিরাজের বলে শাহবাজ আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অজিঙ্ক রাহানে। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে নীতীশ রানা আকাশ দীপের দ্বিতীয় শিকার। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন ডেভিড উইলি। রানা করেন ৫ বলে ১০। ৪৪ রানে তৃতীয় উইকেটটি পড়ে কেকেআরের।এরপরই নাইটদের ইনিংসে ধস নামান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪ ওভারে ২০ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ার (১০ বলে ১৩), সুনীল নারিন (৮ বলে ১২), শেল্ডন জ্যাকসন (১ বলে ০) ও টিম সাউদি (৫ বলে ১) হাসারাঙ্গার শিকার। নবম ওভারে সুনীল নারায়ন ও শেলডন জ্যাকসনকে পরপর দুই বলে ফেরান তিনি। স্যাম বিলিংস (১৫ বলে ১৪) ও আন্দ্রে রাসেল (১৮ বলে ২৫) হর্ষল প্যাটেলের শিকার। নাইট রাইডার্সকে লজ্জা থেকে বাঁচান উমেশ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী। জুটিতে ওঠে ২৭ রান। উমেশ যাদব ১২ বলে ১৮ রান করেন। বরুণ চক্রবর্তী ১৬ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। আকাশ দীপ ৪৫ রানা ৩ উইকেট নেন। হর্ষল প্যাটেলের ৪ ওভারে ২টি মেডেন, ১১ রানের বিনিময়ে তিনি নেন ২ উইকেট। মহম্মদ সিরাজ ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ১টি উইকেট দখল করেন। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সও শুরুতে বিপর্যয়ে পরে। ১৭ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায়। আউট হন ফাফ ডুপ্লেসি (৫), অনুজ রাওয়াত (০) ও বিরাট কোহলি (১২)। প্রথম ওভারেই অনুজকে তুলে নেন উমেশ যাদব। পরের ওভারেই ডুপ্লেসিকে ফেরান টিম সাউদি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে কোহলিকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় ধাক্কা দেন উমেশ। কিন্তু প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড উইলি ও শেরফানে রাদারফোর্ড। একাদশতম ওভারের শেষ বলে ডেভিড উইলিকে (২৮ বলে ১৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে টেনে নিয়ে যান শেরফানে রাদারফোর্ড ও শাহবাজ আমেদ। ২০ বলে ২৭ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্পড হন শাহবাজ। রাদারফোর্ড (২৮) ও হাসারাঙ্গা (৪) আউট হলেও দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন দীনেশ কার্তিক (অপরাজিত ১৪) ও হর্ষল প্যাটেল ( অপরাজিত ১০)। ৪ বল বাকি থাকতে ১৩২/৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কেন জরিমানার কবলে উইলিয়ামসন?‌ তাঁর আউট নিয়ে তীব্র বিতর্ক

গত বছর আইপিএলে একেবারেই ভাল করতে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবছর ভাল দল গড়ে সাফল্য পাওয়াই মূল লক্ষ্য ছিল। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই হারতে হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। সঞ্জু স্যামসনের রাজস্থান রয়্যালস সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে উড়িয়ে দিয়েছে ৬১ রানে। হারের পাশাপাশি আরও একটা বড় ধাক্কা খেয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দলের মন্থর বোলিংয়ের জন্য ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের।এবারের আইপিএলে অবশ্য কেন উইলিয়ামসনকে প্রথম জরিমানার কবলে পড়তে হয়নি। এর আগে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মারও মন্থর বোলিংয়ের জন্য জরিমানা হয়েছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তাই দলের অধিনায়ককে জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক উইলিয়ামসনও একই অপরাধে অভিযুক্ত।আইপিএলের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৯ মার্চ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আইপিএল ২০২২এর ম্যাচে স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানা করা হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। ন্যূনতম ওভার রেটের ব্যাপারে যেহেতু এটা দলের প্রথম ভুল তাই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার আবার একই অপরাধ হলে, আরও বড় শাস্তি পেতে হবে উইলিয়ামসনকে।এদিকে, রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে উইলিয়ামসনের আউট নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর ক্যাচ নিয়ে সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও উইলিয়ামসনকে যেভাবে আউট দিয়েছেন আম্পায়ার, বেশ অসন্তুষ্ট হায়দরাবাদ শিবির। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বলে উইলিয়ামসনের ক্যাচ ধরার জন্য ঝাঁপিয়েছিলেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। বল তাঁর গ্লাভস থেকে বেরিয়ে যায়। সেই বল ধরেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, দেবদত্তর হাতে জমা পড়ার আগে বল মাটি স্পর্শ করেছে।উইলিয়ামসনের বিতর্কিত ক্যাচের ব্যাপারে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ হেড কোচ টম মুডি বলেন, উইলিয়ামসনকে আউট দেওয়ায় আমরা অবাক হয়ে যাই। টিভিতে রিপ্লে দেখার পর সন্দেহ আরও ওটা আউট নয়। যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেটা সবাই দেখেছে।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গত বছরের মতোই প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতা, বদলায়নি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

গত বছর আইপিএলে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। সময় গড়িয়েছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদে কিন্তু কোনও পরিবর্তন হয়নি। এবারও আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই ডুবতে হল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। রাজস্থান রয়্যালসের কাছে প্রথম ম্যাচে হারতে হল ৬১ রানে। বোলারদের পাশাপাশি জ্বলে উঠতে ব্যর্থ ব্যাটাররাও। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২১০ রান তোলে রাজস্থান। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন হাফসেঞ্চুরি করলেও বাকি ব্যাটাররাও দলের বড় ইনিংসে অবদান রাখেন। দারুণ শুরু করে ছিলেন দুই ওপেনার জস বাটলার ও জস্বশ্বী জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে জুটিতে ওঠে ৫৮। এরপরই আউট হন জয়োসোয়াল (১৬ বলে ২০)। তাঁকে তুলে নেন রোমারিও শেফার্ড। জস বাটলার ২৮ বলে করেন ৩৫। ২৯ বলে ৪১ রান করে আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল।আগের বছরের ফর্ম ধরে রেখেছেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। তিনি ২৭ বলে ৫৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ১৩ বলে ৩২ রান করে তিনি টি নটরাজনের বলে বোল্ড হন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে টি নটরাজন ও উমরান মালিক ২টি করে উইকেট নেন। ভুবনেশ্বর কুমার ও রোমারিও শেফার্ড ১টি করে উইকেট পান। এবছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটিং শক্তি খুব একটা খারাপ নয়। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, রাহুল ত্রিপাঠী, নিকোলাস পুরান, এইডেন মার্করামের মতো ব্যাটাররা রয়েছেন। তা সত্ত্বেও প্রথম ম্যাচে ব্যর্থতা। আসলে সামনে বড় রানের টার্গেট চাপে ফেলে দিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তার ওপর ট্রেন্ট বোল্ট, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদের দুরন্ত বোলিং। শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। পরপর ফিরে যান উইলিয়ামসন (২), রাহুল ত্রিপাঠী (০), নিকোলাস পুরান (০), অভিষেক শর্মা (৯), আব্দুল সামাদ (৪), রোমারিও শেফার্ডরা (২৪)। একসময় ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারায় সানরাইজার্স। এরপর রুখে দাঁড়ান মার্করাম ও ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৯ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ওয়াশিংটন সুন্দর ১৪ বলে করেন ৪০। মার্করান ৪১ বলে ৫৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। যুজবেন্দ্র চাহাল ২২ রানে ৩টি, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ১৬ রানে ২টি ও ট্রেন্ট বোল্ট ২৩ রানে ২টি উইকেট নেন।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইটদের কাছে হারের শাস্তি!‌ ধোনিদের দিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করালেন ফ্লেমিং

কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে প্রথম ম্যাচে হেরে দলের ক্রিকেটারদের এ কী কঠোর শাস্তি দিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং! ক্রিকেটারদের দিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করালেন! রবীন্দ্র জাদেজা, মহেন্দ্র সিং ধোনি, ডোয়েন ব্র্যাভোদের বালিসিমেন্ট দিয়ে ইঁট গাঁথতে বাধ্য করলেন! হ্যাঁ, এমন কান্ডটাই ঘটিয়েছেন স্টিফেন ফ্লেমিং। শুধু তাই নয়, ধোনিরা কেউ ফাঁকি দিচ্ছেন কিনা, সেদিকেও ছিল তাঁর সজাগ দৃষ্টি। ফ্লেমিংয়ের এই শাস্তি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। অনেকে আবার তুলনা করছেন ২০০২ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার ফুটবল দলের সঙ্গে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য উত্তর কোরিয়ার ফুটবলারদের নাকি কয়লা খনিতে কাজ করতে পাঠানো হয়েছিল।আসলে ব্যাপারটা তা নয়। নাইট রাইডার্সের কাছে হারের পর রবীন্দ্র জাদেজাদের কোনও শাস্তির মুখেও পড়তে হয়নি। দলের মধ্যে একাত্মবোধ বাড়ানোর জন্য এই ধরনের পরিকল্পনা করেছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। ধোনি, জাদেজাদের হাতে বালি, সিমেন্ট, ইট তুলে দিয়েছিলেন দেওয়াল গাঁথার জন্য। ফ্লেমিংয়ের উদ্দেশ্য ছিল, দলের একাত্মবোধ যাতে দেওয়ালের গাঁথনির মতোই শক্ত হয়, সেটা সকলকে বোঝানো। যাতে গোটা দল একটা পরিবারের মতো হয়ে উঠতে পারে। ফ্লেমিং মনে করছেন, দলের মধ্যে একাত্ববোধ ভালভাবে গড়ে উঠলে মাঠের মধ্যে সেরা পারফরমেন্স বেরিয়ে আসবে। ইটবালিসিমেন্ট দিয়ে দলের মধ্যে এই রকম একাত্মবোধ গড়ে তোলার প্রয়াস সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে ইন্ডিয়া সিমেন্টের বিজ্ঞাপনও সেরে নিতে চাইছে। আবার ধোনিদের একাত্মবোধের দিকটিও তুলে ধরা হচ্ছে। এখন দেখার, টিম ম্যানেজমেন্টের এই প্রয়াস কতটা কাজে লাগে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং বলেছেন, দলের মধ্যে একাত্মবোধ গড়ে তোলা ভীষণ জরুরি। আমরা সেটাই করছি। ভিডিওতে দেখা গেছে, ডোয়েন ব্র্যাভো একটা ইট দেখিয়ে বলছেন, এটা ১ নম্বর।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, কুলদীপের সঙ্গে চাকরের মতো ব্যবহার করত নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট!‌

গত বছর আইপিএল চলাকালীনই একসময় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন কুলদীপ যাদব। দিনের পর দিন রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। নাইট কর্তাদের কাছে রিলিজও চেয়েছিলেন। কিন্তু পাননি। তাঁর সঙ্গে নাকি চাকরের মতো ব্যবহার করতেন নাইট কর্তারা। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন কুলদীপ যাদবের কোচ কপিল পাণ্ডে। এমনকি নাইট কর্তাদের জন্য এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন কুলদীপ, মনে করছেন তিনি। বেশ কয়েক মরশুম ধরে কলকাতা নাইট রাইডার্সে ব্রাত্য কুলদীপ যাদবকে এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তুলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ করে দিয়েছেন, দলকে জেতানোর মতো দক্ষতা এখনও তাঁর রয়েছে। নাইট রাইডার্সে কুলদীপকে চাকরের মতো রাখা হত বলে জানিয়েছেন কপিল পাণ্ডে। তিনি বলেন, কুলদীপের সঙ্গে নাইট রাইডার্স চাকরের মতো ব্যবহার করত। না খেলিয়ে দিনের পর দিন ওকে বসিয়ে রাখত। ওর মধ্যে হতাশা এসে গিয়েছিল। আমাকে বলত, স্যর আমাকে কেন খেলার সুযোগ দিচ্ছে না, বুঝতে পারছি না। আমাকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। কোথায় সমস্যা জানি না। ওকে যেদিন ছেড়ে দিয়েছিল, খুব খুশি হয়েছিলাম। নাইট রাইডার্সের জন্য কুলদীপ যে আর্থিকভাবে ক্ষতি হয়েছেন, সেকথাও জানিয়েছেন কপিল পাণ্ডে। তিনি বলেন, দুবছর ধরে খেলার সুযোগ না পেয়ে ওর দর অনেক কমে গিয়েছে। ওর যা কোয়ালিটি ৯১০ কোটি টাকা পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু মাত্র ২ কোটি টাকা দর উঠেছিল এবারের নিলামে। নাইট রাইডার্সের জন্যই ওর এতটা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তবে ওকে বলেছি, ক্ষতি নিয়ে না ভাবতে। দেশের হয়ে খেলার জন্য মনোযোগ দাও। একসময় কুলদীপ যাদবকে বাড়ি ফিরে গিয়ে ঘরে বসে থাকার কথাও নাকি বলেছিলেন দীনেশ কার্তিক, ইওয়িন মর্গানরা। এমনই দাবি করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ। তিনি বলেন, কুলদীপ যাদবের ম্যাচ জেতানোর মতো ট্র্যাক রেকর্ড আছে। ও একটু আবেগপ্রবন। যদি দলকে না জেতাতে পারে, কিংবা খারাপ বোলিং করে কিংবা দল থেকে বাদ পড়ে তাহলে খুব ভেঙে পড়ে। কার্তিক ও মর্গান অধিনায়ক থাকার সময় কুলদীপকে তো বলা হয়েছিল বাড়ি গিয়ে বসে থাকতে।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কিসের ভয়ে ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে কফি খেতে যেতেন না বিরাট কোহলি?‌

তারকাখচিত দল নিয়েও আইপিএলে সাফল্য পায়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। কখনও বিরাট কোহলির সঙ্গে দলে ছিলেন ক্রিস গেইলের মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান। কখনও আবার এবি ডিভিলিয়ার্স। ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে তো ১১ বছর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে কাটিয়েছেন বিরাট কোহলি। বিশ্বের দুই সেরা ব্যাটসম্যান মিলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এবছর আইপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ডিভিলিয়ার্স। কোহলিও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের নেতৃত্বে নেই। এবছর দল চ্যাম্পিয়ন হলে ডিভিলিয়ার্সকে ভীষণ মনে পড়বে বিরাট কোহলির।সম্প্রতি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের পক্ষ থেকে একটা ভিডিও টুইটারে পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিওতে বিরাট কোহলি বলেছেন, এবছর যদি আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হই, তাহলে এবি ডিভিলিয়ার্সের কথা প্রথম মনে পড়বে। নিজে কী পেলাম, তার থেকেও ওর কথা বেশি করে মনে পড়বে। চ্যাম্পিয়ন হলে ওই জয়টা ডিভিলিয়ার্সের কাছে খুব বড় মনে হবে। আরসিবির সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক মানুষের জীবনে ডিভিলিয়ার্সের প্রভাব চিরদিন থেকে যাবে। ২০২২ আইপিএলে ডিভিলিয়ার্স যে খেলবেন না, আগেই জানতেন বিরাট কোহলি। গত বছর টি২০ বিশ্বকাপ খেলে দুবাই থেকে ফেরার সময়ই ডিভিলিয়ার্সের সিদ্ধান্তের কথা জেনেছিলেন তিনি। ডিভিলিয়ার্স হোয়াটসঅ্যাপে কোহলিকে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে কোহলি বলেন, আমার এখনও মনে আছে, টি২০ বিশ্বকাপ খেলে দুবাই থেকে ফিরছিলাম। আমি একটা ভয়েস নোট পেয়েছিলাম। ভয়েস নোট খুলে সেটা শুনি। সেই ভয়েস নোটে ডিভিলিয়ার্স আইপিএলে না খেলার কথা জানিয়েছিল।সেই সময় অনুষ্কা বিরাটের পাশে ছিল। অনুষ্কাকে ডিভিলিয়ার্সের ভয়েস নোটের কথা জানাতেই, অনুষ্কা বিরাটকে বলেছিলেন, আমাকে বোলো না। ডিভিলিয়ার্স যে খেলা ছাড়তে পারেন সেটা এক বছর আগেই নাকি বুঝতে পেরেছিলেন অনুষ্কা। এমনই জানিয়েছেন বিরাট। আরসিবিতে খেলার সময় হোটেলে পাশাপাশি ঘরে থাকতেন কোহলি ও ডিভিলিয়ার্স। ডিভিলিয়ার্স তাঁকে কফি খেতে বললে যেতে চাইতেন না কোহলি। কোহলি ভাবতেন, ডিভিলিয়ার্স কফি খেতে খেতে হয়তো বলে বসবেন, তিনি আর আইপিএলে খেলবেন না।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মহম্মদ সামির দুরন্ত বোলিংয়ে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের

মহম্মদ সামির প্রথম স্পেল নড়িয়ে দিয়েছিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ভিত। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারলেন না লোকেশ রাহুলরা। আইপিএলের দুই নতুন দলের লড়াইয়ে বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নিল গুজরাট।টস জিতে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি লক্ষ্ণৌর। প্রথম বলেই অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০) তুলে নেন মহম্মদ সামি। তাঁর স্বপ্নের ডেলিভারি রাহুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডের হাতে। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। আবার সামির হাত থেকে বেরিয়ে আসে স্বপ্নের ডেলিভারি। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল সুইং করে ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে কুইন্টন ডিককের (৭) মিডল ও লেগস্টাম্পের মাথায় আঘাত করে। চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা খায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। চতুর্থ ওভারে বরুণ অ্যারনকে তুলে মারতে গিয়ে আউট হন এভিন লুইস (১০)। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শুভমান গিল। পরের ওভারে মণীশ পান্ডের (৬) স্টাম্প ছিটকে দেন সামি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। মনে হচ্ছিল হয়তো ১০০ রানের গন্ডি টপকাতে পারবে না। এরপর রুখে দাঁড়ান দীপক হুডা ও আয়ূশ বাদোনি। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ১৪.২ ওভারে ১০০ রানের গন্ডি পার করে লক্ষ্ণৌ। অবশেষে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রশিদ খান। ৪১ বলে ৫৫ রান করে তিনি এলবিডব্লু হন। এরপর আয়ূশের সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে যান ক্রূণাল পান্ডিয়া। ৪১ বলে ৫৪ রান করে আউট হন আয়ূশ। ১৩ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রূণাল। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৮ তোলে লক্ষ্ণৌ। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন সামি। ৪৫ রানে ২ উইকেট বরুণ অ্যারনের। ব্যাট করতে নেমে গুজরাট টাইটান্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ওভারেই দুষ্মন্ত চামিরার বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। এক ওভার পরে বিজয় শঙ্করকেও (৪) তুলে নেন তিনি। এরপর ম্যাথু ওয়েড ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া দলকে টেনে নিয়ে যান। ২৮ বলে ৩৩ রান করে দাদা ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে আউট হন হার্দিক। পরের ওভারেই ম্যাথু ওয়েডকে (২৯ বলে ৩০) তুলে নেন দীপক হুডা। এর পর গুজরাটকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড মিলার ও রাহুল তেওয়াটিয়া। ২১ বলে ৩০ রান করে আউট হন মিলার। দলকে জয় এনে দেন তেওয়াটিয়া (২৪ বলে অপরাজিত ৪০) ও অভিনব মনোহর (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ২ বল বাকি থাকতে ১৬১/৫ তুলে জিতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ যুজবেন্দ্র চাহালের

এবারের মেগা নিলামে সব দলই খোলনলচে বদলে গেছে। আগে প্রতিযোগিতায়গুলিতে ভাল পারফরমেন্স করা সত্ত্বেও নিয়মের যাঁতাকলে অনেক ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে পারেনি পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। যুজবেন্দ্র চাহালকে অবশ্য কথা দিয়েও কথা রাখেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। পুরনো দলের বিরুদ্ধে এমনই মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন চাহাল।আইপিএলে মঙ্গলবার মুখোমুখি হচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস। এবছর রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে নামবেন যুজবেন্দ্র চাহাল। রাজস্থান অবশ্য তাঁর কাছে নতুন নয়। ২০১০ সালে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতেই নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মরশুমে একটা ম্যাচেও খেলার সুযোগ পাননি চাহাল। পরের বছর যোগ দেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে। ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত থাকলেও মাত্র ১টা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১৪ সালের নিলামে তাঁকে তুলে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ২০১৪ থেকে ২০২১, টানা ৮ বছর ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। খেলেছেন ১১৩টি ম্যাচ। উইকেট নিয়েছেন ১৩৯টি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সঙ্গে অন্যরকম সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সেই দল তাঁকে রাখবে না, ভাবতে পারেননি চাহাল।রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করার আগে পুরনো দলের প্রতি অভিমান ঝড়ে পড়ছিল চাহালের গলায়। তিনি বলেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর আমাকে নিজেকে মেলে ধরার প্ল্যাটফর্ম দিয়েছিল। খ্যাতি, ভালবাসা সব পেয়েছি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স থেকে। কিন্তু আমার সঙ্গে এইরকম ব্যবহার করবে, ভাবতে পারিনি। কখনোই ভাবিনি আমাকে আরসিবি ছাড়তে হবে। অনেকেই হয়তো ভাবছে, আমি টাকার জন্য দল ছেড়েছি। আসলে তা নয়। আমাকে আরসিবির ক্রিকেট ডিরেক্টর মাইক হেসন বলেছিলেন, ওরা বিরাট, ম্যাক্সওয়েল ও মহম্মদ সিরাজকে ধরে রাখছে। সঙ্গে এও বলেছিলেন, আমাকে নিলাম থেকে নেওয়া হবে। কথা দিয়েও কিন্তু ওরা কথা রাখেনি।চাহাল আরও বলেন, আরসিবি যদি আমাকে ধরে রাখার প্রস্তাব দিত, আমি রাজি হয়ে যেতাম। কিন্তু সে সুযোগ দেয়নি। রাজস্থান রয়্যালস আমার ওপর ভরসা রেখেছে। এটাই আমার প্রথম দল। সেরাটা দিয়ে রাজস্থানকে সাফল্য এনে দেওয়ার চেষ্টা করব। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে যেমন পারফরমেন্স করতাম, রাজস্থানের জার্সি গায়েও নিজেকে সেভাবে উজার করে দেব।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কুলদীপের ব্যাপারে কেন নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে বিঁধলেন অক্ষর প্যাটেল?‌

রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশানের দাপটে দিশেহারা বোলাররা। রোহিত ঝড় আটকাতে কুলদীপ যাদবের শরণাপন্ন হয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। গতির তারতম্য ঘটিয়ে রোহিতকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন কুলদীপ। পরে তুলে নেন আরও দুটি উইকেট। পঞ্চদশ আইপিএলে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে নতুন জীবন পেলেন এই চাইনাম্যান বোলার। গত কয়েকটা মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সে থাকলেও অধিকাংশ সময়ই রিজার্ভ বেঞ্চে কাটাতে হয়েছে কুলদীপকে। সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীর দাপটে প্রথম একাদশে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে চলে গিয়েছিল কুলদীপ যাদবের ক্রিকেটজীবন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে এই চাইনাম্যান বোলারের ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিয়েছেন। পেয়েছেন ম্যাচের সেরার পুরস্কারও। কুলদীপকে পুরনো ছন্দে দেখে খুশি সতীর্থরাও। কুলদীপের এই ছন্দে ফেরার কারণ কী? একদিকে যেমন রয়েছে হেড কোচ রিকি পন্টিংয়ের পরামর্শ, তেমনই রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থা। প্রস্তুতি শিবিরে কুলদীপকে লেংথ বোলিংয়ের দিকে নজর দিতে বলেছিলেন পন্টিং। প্রথম ম্যাচে তাঁর পরামর্শমতো বোলিং করেই সাফল্য পেয়েছেন কুলদীপ। নিজের মুখেই স্বীকার করে নিয়েছেন সেকথা। দলের সতীর্থ অক্ষর প্যাটেলও জানিয়েছেন পন্টিং ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সাপোর্টও কুলদীপের সেরাটা বার করতে সাহায্য করেছে। কুলদীপের ব্যাপারে কলকাতা নাইট রাইটার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে সমালোচনা করতে ছাড়েননি অক্ষর। তিনি বলেন, নাইট রাইডার্সে নিজের জায়গার ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না কুলদীপ। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পারছিল না। দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দেওয়ার পর বুঝতে পেরেছে এখানে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে। তাই নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছে। যে কোনও ক্রিকেটারের ক্ষেত্রেই এমন হয়। কেউ যদি জানে দলে তার জায়গা নিশ্চিত, দুএকটা ম্যাচে খারাপ খেললেও বাদ পড়বে না, তখন সেরাটা বেরিয়ে আসে। কুলদীপের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডুপ্লেসির বড় রান সত্ত্বেও হার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের, নায়ক অখ্যাত ক্যারিবিয়ান

এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ফাফ ডুপ্লেসির জন্য দারুণভাবে ঝাঁপিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। একজন দক্ষ বিদেশি ব্যাটারের পাশাপাশি নেতৃত্বের দায়িত্বও সামলাতে পারবেন। প্রথম ম্যাচেই টিম ম্যানেজমেন্টের প্রত্যাশাপূরণ করলেন ফাফ ডুপ্লেসি। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে বড় ইনিংস গড়তে পেরেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। ২০ ওভারে তুলেছিল ২০৫/৪। তা সত্ত্বেও পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। শেষদিকে ঝড় তুলে পাঞ্জাবকে জয় এনে দিলেন ওডিয়েন স্মিথ। টস জিতে এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। দারুণ শুরু করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫০। রাহুল চাহারের বলে অনুজ রাওয়াত (২০ বলে ২১) ফিরে যাওয়ার পর বর্তমান অধিনায়কের সঙ্গে হাল ধরেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ডুপ্লেসি ও কোহলি মিলে ঝড় তোলেন। জুটিতে ওঠে ১১৮। ৫৭ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ডুপ্লেসি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৭টি ৬। ২৯ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন বিরাট কোহলি। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দীনেশ কার্তিক। ১৪ বলে ৩২ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০৫ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর।পাঞ্জাব কিংসও শুরুটা খারাপ করেনি। ওপেনিং জুটিতে ৭ ওভারে ৭১ রান তুলে ফেলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৩২ রান করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে আউট হন মায়াঙ্ক। তবে রানের গতি কমেনি। ভানুকা রাজাপক্ষের ঝড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বোলাররা। ১১.২ ওভারে শিখর ধাওয়ানের (২৯ বলে ৪৩) উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। তবে দলকে সবথেকে বড় ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। প্রথম স্পেলে প্রচুর রান দিলেও দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে পরপর ২ বলে তুলে নেন বিধ্বংসী রাজাপক্ষকে (২২ বলে ৪৩) ও রাজ বাওয়াকে (০)। পরপর দু উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু শাহরুখ খান (২০ বলে অপরাজিত ২৪) ও ওডিয়েন স্মিথের (৮ বলে অপরাজিত ২৫) ঝোড়ো ব্যাটিং ৬ বল বাকি থাকতেই জয় এনে দেয় পাঞ্জাবকে (২০৮/৫)।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত কুলদীপ, অক্ষর–ললিতের দাপটে দুরন্ত জয় দিল্লি ক্যাপিটালসের

গত দুই মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডাগ আউটে বসে থাকতে হয়েছিল। ঢাকা পড়েছিলেন সুনীল নারাইন ও বরুণ চক্রবর্তীর ছায়ায়। কুলদীপ যাদবের দিকে ফিরেও তাকায়নি নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। মাঠে নামার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাঁর ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস কর্তারা। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিলেন কুলদীপ যাদব। দিল্লিতে পেলেন নতুন জীবন। এই চাইনাম্যানের দাপটেই জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত শর্মা, কিয়েরন পোলার্ডের মতো ব্যাটাররা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৪ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএল অভিযান শুরু করল দিল্লি ক্যাপিটালস।কুলদীপ যাদব দুরন্ত বোলিং করলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের জয়ের নায়ক অবশ্য অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। যেভাবে হারা ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন, তাঁদের লড়াইকে কুর্নিশ করতেই হবে। এদিন মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে টস জিতে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ওপেনিং জুটিতে মুম্বই তোলে ৬৭। এরপরই রোহিত শর্মাকে (৩২ বলে ৪১) তুলে নিয়ে দলকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন কুলদীপ। ১ ওভার পরেই আনমোলপ্রীত সিংকেও (৮) তুলে নেন কুলদীপ। ৮৩ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই। তিলক ভার্মাকে (২২) তুলে নেন খলিল আহমেদ। তবে মুম্বইয়ের মিডল অর্ডারে বড় ধাক্কা দেন সেই কুলদীপ। মোক্ষম সময়ে তুলে নেন পোলার্ডকে (৩)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দুরন্ত ব্যাটিং করে যান ঈশান কিশান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে মুম্বই। ঈশান কিশান ৪৮ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। ২৭ রানে ২ উইরকেট পান খলিল আমেদ।জয়ের জন্য ১৭৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩০। এরপর একই ওভারে টিম সেইফার্ট (২১) ও মনদীপ সিংকে (০) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন মুরুগান অশ্বিন। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (১) দ্রুত ডাগ আউটে ফেরায় আরও চাপে পড়ে যায় দিল্লি। একসময় ৭২ রানে ৫ উইকেট হারায়। একসময় মনে হচ্ছিল দিল্লির পক্ষে জেতা সম্ভব হবে না। এরপরই জ্বলে ওঠেন দিল্লির লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। বল হাত ব্যর্থ হলেও ১১ বলে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে ম্যাচে ফেরার শার্দূল ঠাকুর। তিনি আউট হওয়ার সময় দিল্লির রান ছিল ১৩.২ ওভারে ১০৪/৪। এরপরই জ্বলে ওঠেন অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। তাঁদের ৩০ বলে ৭৫ রানের জুটি দিল্লিকে জয়ের পথে নিয়ে যায়। ৩৮ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ললিত। ১৭ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন অক্ষর প্যাটেল। ৮ বল বাকি থাকতে ১৭৯/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন বাসিল থাম্পি। ১৪ রানে ২ উইকেট মুরুগান অশ্বিনের।

মার্চ ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে মোদি! বাংলার জন্য আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটির প্রকল্প ঘোষণা

ভোটের আবহে কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় পাঁচ বছর পর আবার ব্রিগেড ময়দানে তাঁর জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সভার মঞ্চে রাখা হয়েছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে সাজানো হয়েছে পুরো মঞ্চ।সভা শুরু হওয়ার আগে ব্রিগেডের সরকারি অনুষ্ঠান থেকে বাংলার জন্য প্রায় আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের নতুন দিশা খুলবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব ভারতের উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। তাঁর কথায়, সড়ক, রেল এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আঠারো হাজার কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্পের সূচনা হয়েছে।তিনি জানান, এই সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন আরও সহজ ও উন্নত হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, খড়গপুর থেকে মৌরিগ্রাম পর্যন্ত দ্রুতগতির সড়ক প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের বহু এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। এছাড়াও দুবরাজপুর বাইপাস এবং কংসাবতী ও শিলাবতী নদীর উপর নতুন সেতু তৈরি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।এই অনুষ্ঠানে ছয়টি রেলস্টেশনকে আধুনিকীকরণের প্রকল্পেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি এই ছয়টি স্টেশনকে নতুনভাবে উন্নত করা হচ্ছে।এছাড়াও তিনি জানান, হলদিয়া বন্দর এবং কলকাতা বন্দরের সংস্কার কাজও শুরু হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের ফলে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুরো পূর্ব ভারতের উন্নয়নেও বড় প্রভাব পড়বে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গিরিশপার্কে রণক্ষেত্র! ইটের আঘাত মন্ত্রীর পেটে, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

কলকাতার গিরিশপার্ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়েছিল। সেই ইটের আঘাত তাঁর পেটে লেগেছে বলে তিনি জানান। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি সেই আঘাতের দাগও দেখান। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে এবং তারাই এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।শনিবার দুপুরে ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা রয়েছে। সেই সভায় যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ গিরিশপার্ক এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনের এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের কর্মী সমর্থকেরা বাসে করে ব্রিগেডে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের বাসে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ সহ একাধিক কর্মী আহত হন। আহত হন বৌবাজার থানার ওসিও।অন্যদিকে মন্ত্রী শশী পাঁজার দাবি, বিজেপি কর্মীরাই প্রথম হামলা চালায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ করা হয় এবং মারধর করা হয়। মন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি আশ্রিত বহিরাগত দুষ্কৃতীরা বাসভর্তি ইট, বোতল এবং বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। তাঁর কথায়, তারাই তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে।শশী পাঁজা বলেন, তাঁর বাড়ি রাস্তার ধারে হওয়ায় দুষ্কৃতীরা সরাসরি সেখানে আক্রমণ চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইট, বোতল ও লাঠি নিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের উপর হামলা করা হয় এবং তাকেও আঘাত করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তাঁর দলের একাধিক কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ও নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হয়েছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপরও হামলা চালায় এবং মহিলা পুলিশকর্মী ও এলাকার কাউন্সিলরের উপরও আক্রমণ করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অনেকেই বাংলার বাসিন্দা নয়, বাইরে থেকে আনা হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, বিজেপির বয়কট সংক্রান্ত একটি ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা নিয়ে প্রথমে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় এবং ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। তাঁর কথায়, সেই সময় পুরো এলাকা যেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, একটি বড় ইট তাঁর পেটে লাগে এবং তখন তাঁকে দ্রুত ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকদের বাসে হামলা! ভোরে বেলদায় ভাঙচুর, উত্তেজনা চরমে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় বিজেপি সমর্থকদের একটি বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা বাসটি ঘিরে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বেলদা থানার পাতলি এলাকায়।জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর প্রায় পাঁচটা ত্রিশ মিনিট নাগাদ বাসটি আহার মুণ্ডা এলাকার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী বাসটি থামিয়ে চালকের কাছে জানতে চায় বাসটি কোথায় যাচ্ছে। চালক জানান, তাঁরা ব্রিগেডে হওয়া সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।অভিযোগ, এই কথা শুনেই কয়েকটি মোটরবাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা বাসটিকে ঘিরে ধরে। এরপর লাঠি নিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে বাসের কাচ ভেঙে ফেলা হয়। সেই সময় বাসের চালক এবং খালাসিও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর চালিয়ে দুষ্কৃতীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।কিছু সময় বাসটি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকার পর পরে সেটিকে ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্রিগেডের সভায় সমর্থকদের যাওয়া আটকাতেই শাসকদল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। নারায়ণগড় ব্লকের তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ তদন্ত করলেই সত্য সামনে আসবে। তাঁর দাবি, বিজেপি নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে।তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বেলদা থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় জনসভা হওয়ার কথা। সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চ সাজানো হয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে। এই বিষয়টি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে নামবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রিগেড ময়দানে যাবেন।দুপুরের দিকে ব্রিগেডে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। মঞ্চে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা বাগান থেকে বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে মঞ্চ।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে মোদীর সভা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা! তিন হাজার রক্ষী, আকাশে উড়বে না কিছুই

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে জাতীয় সড়ক উদ্বোধনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তাও দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাকে ঘিরে বিজেপি শিবিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণ উড়ান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আকাশে কোনও ড্রোন উড়তে দেওয়া হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে নজরদারি চালাবে পুলিশ।সভাস্থলে প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হচ্ছে। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবেন উপকূল নিরাপত্তা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার আধিকারিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রিগেড ময়দানে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন বিজেপির একাধিক নেতা।শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। গোটা এলাকাকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন উপ পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরা।চার থেকে পাঁচটি সেক্টর মিলিয়ে একজন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনাররাও দায়িত্ব পালন করবেন।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে যে মিছিল ব্রিগেডের দিকে আসবে, সেই সব রাস্তায় প্রায় পঞ্চাশটি পিকেট বসানো হয়েছে।শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল ব্রিগেডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই সব রাস্তায় বসানো হয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারি ক্যামেরা। ব্রিগেডের মঞ্চ এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ।উড়ান নিষিদ্ধ এলাকা হওয়ায় আকাশে কোনও ড্রোন ব্যবহার করা হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে পুলিশ নজরদারি চালাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

‘১৪ মার্চ ভুলিনি’—নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে শুভেন্দু, একই দিনে শ্রদ্ধা মমতারও

ভোটের আবহে আবারও আলোচনায় উঠে এল নন্দীগ্রাম। দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের ঘটনাকে স্মরণ করে শনিবার নন্দীগ্রামে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে একই দিনে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণ করে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।শনিবার সকালেই নন্দীগ্রামের মালোপাড়ায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতারা এবং বিজেপির একাধিক পদাধিকারী। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের সেই দিনটি ভোলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, জমি ও বাড়ি রক্ষার জন্য নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের যে লড়াই ছিল, সেই ঐতিহাসিক দিনের স্মৃতি আজও মানুষের মনে রয়েছে।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে সকালে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই সহ সমস্ত শহিদদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাচ্ছেন।প্রতি নির্বাচনের আগেই নন্দীগ্রামের ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন নির্বাচনের আগে আবারও নন্দীগ্রামকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, পরে অধিকারী পাড়ার শহিদ বেদিতেও শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার কথা রয়েছে শাসকদলের নেতাদের। সেখানে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী এবং ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যুক্ত নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীরা প্রথমে অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি পালন করছেন। তারপর সোনাচূড়া শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তাঁদের।অন্যদিকে বেলা এগারোটার দিকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকেও আলাদা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথমে ভাঙাবেড়া এলাকায় শহিদদের স্মরণ করা হবে। এরপর অধিকারী পাড়া এবং মালোপাড়ায় কর্মসূচি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেড মঞ্চে বড় চমক? বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের মুখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার মঞ্চেই তিনি পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা হয়নি। নিজেও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি ওই চিকিৎসক।জানা গিয়েছে, ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ডাক পেয়েছেন নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং সভায় যাবেন বলেই ভাবছেন। তবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, সেই বিষয়ে সরাসরি উত্তর দিতে চাননি তিনি।এই প্রসঙ্গে চিকিৎসক বলেন, তিনি সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও সভায় আমন্ত্রিত হয়ে যাওয়া মানেই যে সেই দলে যোগ দেওয়া, এমনটা নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী মনোভাবাপন্ন চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। আর জি কর হাসপাতালের এক তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।সেই সময় জুনিয়র চিকিৎসকদের একাধিক মিছিল এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। রাতভর আন্দোলন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।শুধু তাই নয়, সেই সময় তিনি আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন।তবে পরে তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।এরপর চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও চিকিৎসক সংগঠনের প্রতিনিধি কি না, তা তারা জানে না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতেই পারেন, কিন্তু চিকিৎসকদের সম্মিলিত আন্দোলনের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলার অধিকার তাঁকে কেউ দেয়নি বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।পরে আবার আন্দোলনের কিছু মুখের বিরুদ্ধে সমালোচনাও করতে দেখা যায় তাঁকে। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।এখন সেই নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক সূত্রে খবর, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা করতে পারে বিজেপি।সেই কারণে প্রশ্ন উঠছে, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভবিষ্যতে নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারেন। তবে এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের হাতেই রয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal