• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ipl,

খেলার দুনিয়া

IPL: পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরে প্লে অফের জটিল সমীকরণের সামনে নাইট রাইডার্স

শেষ পর্যন্ত প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে তো কলকাতা নাইট রাইডার্স? ইওয়িন মর্গানের দলের ওপর অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। আর এই মেঘের ঘনঘটা তৈরি করে দিয়েছে লোকেশ রাহুলের পাঞ্জাব কিংস। শুক্রবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যেত নাইটরা। কিন্তু ৫ উইকেটে হেরে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে অফের রাস্তা পরিস্কার করে দেওয়ার পাশাপাশি পাঞ্জাব কিংসের সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। আর নিজেদের ভবিষ্যত ঠেলে দিয়েছে অনিশ্চয়তার দিকে।পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরে প্লে অফের জটিল সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই মুহূর্তে ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে নাইটরা। পাঞ্জাব কিংসেরও ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। কিন্তু নেট রান রেটে পাঞ্জাব ও মুম্বইয়ের থেকে এগিযে নাইটরা। চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে প্লে অফে। চেন্নাইয়ের ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। দিল্লির ১১ ম্যাচে ১৬। এই দুটি দলকে বাকি দলগুলি ধরতেই পারবে না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে লিগের বাকি দুটি ম্যাচ জিততেই হবে নাইটদের। পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলগুলির দিকে। নাইটদের এত জটিল সমীকরণের সামনে পড়তে হত না, যদি পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিততে পারত। শুক্রবার লোকেস রাহুলের অধিনায়কোচিত অর্ধশতরানের পর শাহরুখ খানের ছক্কায় নাটকীয় শেষ ওভারে জয় পাঞ্জাবের। তিন বল বাকি থাকতে নাইটদের ৫ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় পাঁচে উঠে এসে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিয়েছে পাঞ্জাব কিংস। ভেঙ্কটেশ আয়ারের শেষ ওভারে দরকার ছিল ৫ রান। প্রথম বলে এক রান নেন শাহরুখ খান। দ্বিতীয় বলে আউট হন লোকেশ রাহুল। চারটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৫৫ বলে ৬৭ রান করে আউট হন তিনি। তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জেতান শাহরুখ। একটি চার ও দুটি ছয় মেরে ৯ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন।জয়ের জন্য ১৬৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে দারুণ ছন্দে শুরু করেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে ২৭ বলে ৪০ রান করেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল। ৭০ রানের মাথায় প্রথম উইকেট পড়ে পাঞ্জাবের। নিকোলাস পুরাণ ৭ বলে ১২ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর দ্বিতীয় শিকার। ১৫.৩ ওভারে আউট হন এইডেন মার্করাম, তিনি করেন ১৬ বলে ১৮। দীপক হুডা চার বলে ৩ রান করে আউট হন। ১৬.৩ ওভারে হুডা আউট হওয়ার পর পাঞ্জাবের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৩৪।শেষ দুই ওভারে জেতার জন্য পাঞ্জাবের প্রয়োজন ছিল ১২ বলে ১৫ রান। ১৯তম ওভারে বল করতে আসেন শিবম মাভি। প্রথম বলে চার মারেন লোকেশ রাহুল। পরের বলে কোনও রান হয়নি। তৃতীয় বলে লোকেশ রাহুলের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে তালুবন্দি করেন রাহুল ত্রিপাঠি। তিনি পরিষ্কারভাবে ক্যাচ নেওয়ার কথা বললেও আম্পায়াররা তৃতীয় আম্পায়ারের দ্বারস্থ হন। যদিও রিপ্লেতে দেখা যায় বল ত্রিপাঠির হাতে জমা পড়ার আগে মাটি স্পর্শ করেছিল। ফলে জীবন পান রাহুল। যদিও এই আউট নিয়ে আম্পায়ারিংয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ১৯তম ওভারের শেষ বলে রাহুল চার মারায় শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাঞ্জাবের প্রয়োজন ছিল ৫ রান। তিন বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় পাঞ্জাব কিংস। বরুণ চক্রবর্তী দুটি উইকেট নেন ৪ ওভারে ২৪ রানের বিনিময়ে। একটি করে উইকেট নেন শিবম মাভি, সুনীল নারিন ও আয়ার।টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স করেছিল ৭ উইকেটে ১৬৫। সর্বাধিক ৬৭ রান করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার। রাহুল ত্রিপাঠি ৩৪ ও নীতীশ রানা ৩১ রান করেন। অর্শদীপ সিং ৩২ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট দখল করেন। রবি বিষ্ণোই দুটি এবং মহম্মদ শামি একটি উইকেট দখল করেন। পাঞ্জাব কিংস কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে দেওয়ায় চলতি আইপিএলের দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে অফে জায়গা পাকা হয়ে গেল দিল্লি ক্যাপিটালসের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে গেলে গভীর সঙ্কটে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবারের আইপিএলে প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে না গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স? আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে রোহিত শর্মার দলের ওপর। শনিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৪ উইকেটে হেরে গভীর সঙ্কটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটারদের ব্যর্থতাই ডুবিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি রোহিত শর্মা। এদিনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। দ্বিতীয় ওভারেই আবেশ খানের বলে রাবাডার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (৭)। কুইন্টন ডিকক (১৯) ও সূর্যকুমার যাদব (৩৩) সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুললেও যথেষ্ট ছিল না। দুজনকেই তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। সৌরভ তেওয়ারি করেন ১৫। তিনিও অক্ষর প্যাটেলের শিকার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান অক্ষর। ৪ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। আবেশ খানও দুর্দান্ত বোলিং করেন। ১৫ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। এই দুই বোলারের দাপটে ২০ ওভারে ১২৯/৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।দিল্লির জয় অবশ্য সহজে আসেনি। জয়ের জন্য ১৩০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়। ১৫ রান ওঠার ফাঁকেই ফিরে যান দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান (৮) ও পৃথ্বী শ (৬)। ৯ রান করে কুল্টারনাইলের বলে বোল্ড হন স্টিভ স্মিথ। এরপর দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (২২ বলে ২৬) ও শ্রেয়স আয়ার। অক্ষর প্যাটেল (৯), শিমরণ হেটমায়েররা (১৫) দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। এরপর অবিচ্ছেদ্য জুটিতে দলের জয় নিশ্চিত করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও শ্রেয়স আয়ার। শ্রেয়স আয়ার ৩৩ বলে ৩৩ এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২১ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার শেষ ওভারের প্রথম বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতান অশ্বিন।শনিবার মুম্বইয়র বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রইল দিল্লি। নেট রান রেটে চেন্নাই সুপার কিংসের থেকে পিছিয়ে ঋষভরা পন্থরা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রইল ষষ্ঠ স্থানে। প্লে অফে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ল রোহিতদের সামনে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: চূড়ান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

এক নম্বরের সঙ্গে লিগ টেবিলে শেষে থাকা দলের লড়াই। শীর্ষে থাকা দলই যে ফেবারিট সে কথা বলাই বাহুল্য। প্রত্যাশামতোই সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস। আর কোনও জটিল সমীকরণ প্লে অফ থেকে ছিটকে দিতে পারবে না ধোনি ব্রিগেডকে। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রইল চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারানোর কিছু ছিল না। শুধু নিজেদের প্রমান করার তাগিদ। সেই প্রমান করার ম্যাচেও জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যানরা। একমাত্র ব্যতিক্রম ঋদ্ধিমান সাহা। তিনি রুখে না দাঁড়ালে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছতে পারত না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারেই তারা প্রথম উইকেট হারায়। আগের ম্যাচে রান পাওয়া জেসন রয় এদিন মাত্র ২ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও (১১) এদিন ব্যর্থ। প্রিয়ম গর্গ করেন ৭। ৪৬ বলে ৪৪ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋদ্ধিমান। অভিষেক শর্মা ও আব্দুল সামাদ দুজনেই করেন ১৮। রশিদ খান ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৪ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জস হ্যাজেলউড ২৪ রানে ৩টি এবং ডোয়েন ব্র্যাভো ১৭ রানে ২ উইকেট নেন।চেন্নাইয়ের যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৩৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। তার উপর দূর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের কথা বলতে হবে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। ওপেনিং জুটিতে ফাফ ডুপ্লেসির সঙ্গে তোলেন ৭৫। ৩৮ বলে ৪৫ রান করে জেসন হোল্ডারের বলে ঋতুরাজ আউট হন। ১৭ বলে ১৭ রান করে রশিদ খানের বলে বোল্ড হন মঈন আলি। ৩৬ বলে ৪১ রান করে হোল্ডারের বলে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়নাও (২) হোল্ডারের শিকার। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অম্বাতি রায়ুডু (অপরাজিত ১৭) ও ধোনি (১১)। ১৯.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Betting: বেটিং চক্র বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ কালনার বাসিন্দারা

বেটিং চক্রের খপ্পরে পড়ে ইতিমধ্যেই নিঃস্ব হয়েছে বহু পরিবার। এমনকী সর্বস্বান্ত হয়ে অনেকে আত্মহননের পথও বেছে নিয়েছেন। তার পরেও বেটিং চক্রের রমরমা বন্ধ না হওয়ায় মঙ্গলবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার বাসিন্দারা। বেটিং চক্রের ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে এদিন কালনার মহকুমা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে তাঁরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের আর্জি জানিয়েছেন। বেটিং চক্রের বিরুদ্ধে কালনার বাসিন্দারা সরব হওয়ায় নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন।আইপিএল টুর্নামেন্ট চলাকালীন রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানেও সক্রিয় হয়েছিল বেটিং চক্র। জেলার মেমারি থানার পুলিশ বর্ধমান ও মেমারির বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ওই সময়ে চক্রের বেশ কয়েকজন পাণ্ডাকে গ্রেপ্তার করেছিল। তারপরেও বেটিং চক্র এই জেলায় যে সক্রিয় রয়েছে তা কালনার বাসিন্দাদের আনা অভিযোগ থেকেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।গণস্বাক্ষর সম্বলিত লিখিত অভিযোগে কালনার বাসিন্দারা মহকুমা শাসককে জানিয়েছেন, আইপিএল টুর্নামেন্ট চলাকালীন বেটিং চক্রের খপ্পরে পড়ে কালনা মহকুমার বহু পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। সর্বস্বান্ত হয়ে অনেক মানুষের জীবন গিয়েছে। ওই সময়ে যারা আইপিএল বেটিং চক্র চালিয়েছিল তারাই এখন আবার নতুন ফন্দি এঁটে বেটিং চক্র চালাচ্ছে। এর ফলে আবার অনেক পরিবার নিঃস্ব হবে ,অনেকের প্রাণ যাবে। কালনা মহকুমা ও তার আশপাশ এলাকায় বেটিং চক্র চালাচ্ছে এমন ১৮ জনের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে বাসিন্দারা মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ অনুযায়ী বেটিং চক্র চালানোর ঘটনায় জড়িতরা মূলত কালনা ও কালনার যোগীপাড়া, বারুইপাড়া, জাপট ও কাঁশাড়িপাড়ার বাসিন্দা। এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন ও কালনা মহকুমায় বেটিং চক্রের সক্রিয়তা বন্ধের আর্জিও মহকুমা শাসককে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। বেটিং চক্রের সক্রিয়তা বন্ধে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয় সেদিকেই এখন তাঁরা তাকিয়ে রয়েছেন।মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ পত্রকালনার মহকুমা শাসক সুরেশ কুমার জগৎ এবিষয়ে বলেন ,অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়টি পুলিশকে জানানো হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Match : মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে প্লে অফের লড়াইয়ে রাখলেন হার্দিক পান্ডিয়া

পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স মুখোমুখি হওয়ার আগে দুই দলের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়। নাইট রাইডার্স জিতে যাওয়ায় প্লে অফে ওঠার লড়াইয়ে ম্যাচ রোহিত ও রাহুল দুজনের দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণ ভাবে টিকে রইল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ঘাড়ে চোটের জন্য এই ম্যাচে খেলতে পারেননি মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর পরিবর্তেন প্রথম একাদশে সুযোগ পান মনদীপ সিং। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে ১৪ বলে ১৫ রান করে আউট হন মনদীপ। তাঁকে ফেরান ক্রুনাল পান্ডিয়া। এরপর দুবলের মধ্যে ক্রিস গেইল ও লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন কিয়েরণ পোলার্ড। ৪ বলে ১ রান করে আউট হন গেইল। ২১ বলে ২২ রান করে আউট হন লোকেশ রাহুল। নিকোলাস পুরাণকে (৩ বলে ২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাব কিংসকে আরও চাপে ফেলে দেন যশপ্রীত বুমরা। ৭.৩ ওভারের মধ্যে ৪৮ রানে ৪ উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। এরপর পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬১ রান যোগ করেন এইডেন মার্করাম ও দীপক হুডা। ২৯ বলে ৪২ রান করে রাহুল চাহারের বলে বোল্ড হন মার্করাম। তিনি ৬টি বাউন্ডারি মারেন। ১৫.২ ওভারে ১০৯ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ে পাঞ্জাব কিংসের। দীপক হুডা ২৬ বলে ২৮ রান করে আউট হন। হরপ্রীত ব্রার ১৯ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৫ তোলে পাঞ্জাব কিংস। পোলার্ড ৮ রানে ২টি এবং বুমরা ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৩৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ১৬ রানের মাথায় আউট হন রোহিত শর্মা (৮)। তাঁকে তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। পরের বলেই ফেরান সূর্যকুমার যাদবকে (০)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও সৌরভ তেওয়ারি। ২৭ বলে ২৯ রান করে মহম্মদ সামির বলে আউট হন ডিকক। ইশান কিশানের জায়গায় সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেন সৌরভ তেওয়ারি। হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে তোলেন ৩১। এই জুটিই মুম্বইকে জয়ের দিকে এগিয়ে দিয়েছিল। ৩৭ বলে ৪৫ রান করে নাথান এলিসের বলে আউট হন সৌরভ। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন হার্দিক পান্ডিয়া (৩০ বলে অপরাজিত ৪০) ও কিয়েরণ পোলার্ড (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ১৯ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL-KKR Match : বল ও ব্যাট হাতে কামাল, নাইট রাইডার্সকে জেতালেন সুনীল নারাইন

দুই দলের কাছেই ছিল গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের তুলনায় নাইট রাইডার্সের কাছে বেশি। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে মর্গানদের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পয়েন্ট তালিকায় দুইয়ে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৩ উইকেটে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই জয়ের ফলে নাইট রাইডার্সের ১১ ম্যাচে পয়েন্ট ১০। অন্যদিকে, ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্টেই রইল দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইটদের জয়ের নায়ক সুনীল নারাইন। বল হাতে দাপট দেখানোর পর ব্যাটেও কামাল করেন নারাইন। টসে জিতে নাইট রাইডার্স অধিনায়ক মর্গান দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠান। খারাপ শুরু করেনি দিল্লি। চোটের জন্য এদিন পৃথ্বী শ খেলতে পারেননি। তাঁর জায়গায় ওপেন করতে নামেন স্টিভ স্মিথ। হতাশ করেননি এই অসি ব্যাটার। শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে ভালোই টানছিলেন স্মিথ। ২০ বলে ২৪ রান করে আউট হন শিখর। তাঁকে ফেরান ফার্গুসন। এক ওভার পরেই নারাইন তুলে নেন শ্রেয়স আয়ারকে (১)। শিখর ধাওয়ান আউট হওয়ার পর স্মিথের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। স্মিথকে (৩৪ বলে ৩৯) ফার্গুসন তুলে নিতেই ধস নামে দিল্লির ইনিংসে। পরপর ফিরে যান হেটমায়ের (৪), ললিত যাদব (০), অক্ষর প্যাটেল (০)। দ্রুত এই তিন ব্যাটারকে হারানোর চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি দিল্লি। এদিন নাইট রাইডার্সের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন সুনীল নারাইন। ১৮ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। ঋষভ পন্থের (৩৬ বলে ৩৯) লড়াই দিল্লিকে ২০ ওভাআরে ১২৭/৯ রানে পৌঁছে দেয়। শারজার মন্থর উইকেটে ১২৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না নাইট রাইডার্সের কাছে। কিন্তু এত কম রানের পুঁজি নিয়ে কতটা লড়াই করতে পারবেন দিল্লির বোলাররা, সেটাই ছিল দেখার। এই কম রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই করে গেলেন আবেশ খান, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল, আনরিখ নর্টিয়েরা। ভেঙ্কটেশকে (১৪ বলে ১৫) তুলে নিয়ে নাইট শিবিরে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন ললিত যাদব। পরের ওভারেই আবেশ খান তুলে নেন রাহুল ত্রিপাঠীকে (৯)। শুভমান (৩৩ বলে ৩০) ও মর্গানকে (০) পরপর দু ওভারে হারিয়ে কিছুটা হলেও চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। কার্তিকও (১৪ বলে ১২) বেশিক্ষণ দলকে টানতে পারেননি। তিনি আউট হওয়ার পর নারাইন (১০ বলে ২১) দ্রুত ম্যাচ শেষ করতে চেয়েছিলেন। জয়ের জন্য ১২৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ১০ বল বাকি থাকতেই তিন উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। দুটি করে ৪ ও ৬ মেরে ২৭ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন নীতিশ রানা। আবেশ খান ৩ ওভারে ১৩ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : রাজস্থানকে হারিয়ে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

সোমবার দুবাইয়ে আইপিএলের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস। প্লে অফে যাওয়ার জন্য দুই দলের কাছেই এই ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূ্র্ণ ছিল। ৭ উইকেটে রাজস্থানকে হারিয়ে অঙ্কের বিচারে প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখল রাখল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একই সঙ্গে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাটিং নেয় রাজস্থান রয়্যালস। দুই দলই প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। সানরাইজার্স বাদ দিয়েছিল ডেভিড ওয়ার্নার, মণীশ পাণ্ডে, কেদার যাদব, খলিল আহমেদের। অন্যদিকে, রাজস্থান রয়্যালসে চোটের কারণে ছিল না কার্তিক ত্যাগী। ডেভিড মিলার, তাবরেজ শামসিও বাদ পড়েছেন। দলে ফেরানো হয় এভিন লুইস, ক্রিস মরিসকে। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। ১.১ ওভারে মাথায় ব্যক্তিগত ৬ রানে আউট হন এভিন লুইস। এরপর যশস্বী জয়সওয়ালকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৬ রান যোগ করেন সঞ্জু স্যামসন। ২৩ বলে ৩৬ রান করেন যশস্বী। লিয়াম লিভিংস্টোন চারে নেমে সফল হননি। ৪ রান করে রশিদ খানের শিকার হন। ১০.১ ওভারে ৭৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় রাজস্থান রয়্যালস।পাওয়ার প্লের শেষে ৬ ওভারে রাজস্থান রয়্যালসের রান ছিল ১ উইকেটে ৪৯। ১৩.৪ ওভারে ১০০ রান পূর্ণ করে রাজস্থান রয়্যালস। সঞ্জু স্যামসন ও মহীপাল লোমরোর চতুর্থ উইকেটে জুটিতে ওঠে ৮৪ রান। এই জুটির ওপর ভর করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৪ তোলে রাজস্থান। সঞ্জু স্যামসন ৫৭ বলে করেন ৮২। এবারের আইপিএলে দ্বিতীয় অর্ধশতরানের সুবাদে দিল্লি ক্যাপিটালসের শিখর ধাওয়ানকে টপকে সর্বাধিক রানের মালিক হয়ে গেলেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু। ১০ ম্যাচে তিনি ৪৩৩ রান করেছেন। ১০ ম্যাচে শিখর ধাওয়ান করেছেন ৪৩০ রান। লোমরোর ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ডেভিড ওয়ার্নারের পরিবর্তে এদিন হায়দরাবাদের হয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন জেসন রয়। দারুণ শুরু করেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ঋদ্ধিমান সাহাকে সঙ্গে নিয়ে ৫ ওভারে তোলেন ৫৭। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ঋদ্ধিমান আউট হন। ১১ বলে তিনি করেন ১৮। এরপর দলকে টানেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও জেসন রয়। দলের ১১৪ রানের মাথায় আউট হন জেসন রয়। ৪২ বলে তিনি করেন ৬০। পরের ওভারেই প্রিয়ম গর্গ (০) ফিরে গেলেও সানরইজার্সের জয় পেতে অসুবিধা হয়নি। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন উইলিয়ামসন (৪১ বলে অপরাজিত ৫১) ও অভিষেক শর্মা (১৬ বলে অপরাজিত ২১)। ১৮.৩ ওভারে ১৬৭/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরবাদ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌KKR-Andre Russell : দিল্লির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আন্দ্রে রাসেল কেন চিন্তার কারন নাইট টিম ম্যানেজমেন্টের?‌

মঙ্গলবার শারজায় আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস। প্লে অফের ছাড়পত্রর জন্য এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ।এই মুহূর্তে ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে আইপিএলের লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে থেকে প্লে অফের রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার করে ফেলেছে ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস। অন্যদিকে, ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তাদের সামনেও প্লে অফে ওঠার সুযোদ রয়েছে। দিল্লির থেকেও কলকাতার কাছে ম্যাচটা অবশ্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হারলেই প্লে অফে লড়াই কঠিন হয়ে পড়বে মর্গানদের সামনে। দিল্লির বিরুদ্ধে এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের মাথা ব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেলের চোট।আগের ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হারের পাশাপাশি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বড় ধাক্কা দিয়ে গেছে আন্দ্রে রাসেলের চোট। ফিল্ডিং করার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন রাসেল। মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁকে আর বল করাতে পারেননি মর্গান। রাসেল মাঠে থাকলে হয়তো হারতে হত না নাইট রাইডার্সকে। কারণ প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর পরিবর্তে ডেথ ওভারে তাঁর হাতেই বল তুলে দিতেন মর্গান। দিল্লির বিরুদ্ধে রাসেলের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। পরপর দুটি ম্যাচ জিতে আগের ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হারতে হয়েছে নাইট রাইডার্সকে। জয়ের কাছাকাছি এসেও শেষরক্ষা হয়নি। ছোটখাট ভুল শুধরে দিল্লির বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। এছাড়া অন্য কোনও রাস্তা খোলা নেই ইওয়িন মর্গানদের সামনে। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই দুরে সরে যেতে হবে। এতদিন আবু ধাবিতে খেলে এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। দিল্লির বিরুদ্ধে এবার শারজায় মাঠে নামতে হবে। শারজার উইকেট আবু ধাবির থেকে অপেক্ষাকৃত মন্থর। দিল্লি বধের জন্য বরুণ চ্ক্রবর্তী, সুনীল নারাইনের দিকে তাকিয়ে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। নাইট রাইডার্সের টপ অর্ডার যেমন রানের মধ্যে রয়েছে, মিডল অর্ডারের রান পাওয়াটা স্বস্তি দিচ্ছে নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে। তবে দিল্লির শক্তিশালী জোরে বোলিংয়ের বিরুদ্ধে শুভমান, ভেঙ্কটেশ, ত্রিপাঠীদের বড় পরীক্ষা। শুভমানরা স্বসম্মানে উত্তীর্ণ হলেই প্লে অফের রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার হয়ে যাবে নাইটদের সামনে। পরীক্ষায় বসতে হবে বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইনদেরও। চলতি আইপিএলে ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে সবথেকে এগিয়ে রয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটাররা। শিখর ধাওয়ান, পৃথ্বী শ, শ্রেয়স আয়ার, ঋষভ পন্থ, শিমরণ হেটমায়ের সমৃদ্ধ ব্যাটিং লাইন যে কোনও বোলিং শক্তিকে বেগ দিতে পারে। টানা ৪ ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে রয়েছে ঋষভ পন্থের দলের। ফলে নাইটদের কাছে লড়াইটা সহজ হবে না।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌‌uldeep Yadav : হাঁটুতে মারাত্মক চোট, আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন কুলদীপ যাদব

সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না কুলদীপ যাদবের। চলতি আইপিএলের প্রথম পর্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডাগ আউটে বসেই সময় কেটেছিল। টি২০ বিশ্বকাপেও জাতীয় দলে জায়গা পাননি। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বেও প্রথম একাদশে ব্রাত্য। এবার হাঁটুতে চোট পেয়ে দীর্ঘদিনের জন্য বাইশ গজ থেকে ছিটকে গেলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই চাইনাম্যান বোলার। চলতি বছরের আইপিএল তো নয়ই, ঘরোয়া ক্রিকেটেও দীর্ঘদিন মাঠে নামতে পারবেন না।কিছুদিন আগে আবু ধাবিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অনুশীলনে ফিল্ডিং করার সময় হাঁটুতে মারাত্মক চোট পান কুলদীপ যাদব। তাঁর হাঁটু ঘুরে যায়। স্ক্যান করে দেখা যায় চোট যথেষ্ট গুরুতর। আইপিএলের বাকি ম্যাচে আর মাঠে নামতে পারবেন না। এরপরই টিম ম্যানেজমেন্ট কুলদীপকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। দেশে ফেরার পর মুম্বইয়ের হাসপাতালে তাঁর হাঁটুর অস্ত্রোপচার হয়েছে। পুরো সুস্থ হতে ৪ থেকে ৬ মাস সময় লাগতে পারে। ফলে ঘরোয়া ক্রিকেটেও দীর্ঘদিন মাঠে বাইরে কাটাতে হবে মুম্বইয়ের এই চাইনাম্যান বোলারকে। হয়তো রনিজর শেষদিকে মাঠে ফিরতে পারেন। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলবে।আইপিএলের প্রথম পর্বে ডাগ আউটে বসে সময় কেটেছিল কুলদীপের। দ্বিতীয় পর্ব শুরুর আগে সুযোগ না পাওয়ার জন্য মুখ খুলেছিলেন টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে। কুলদীপের আক্রমণের নিশানায় ছিলেন নাইট রাইডার্সের বিদেশি অধিনায়ক, কোচসহ অন্যান্যরা। এরপরও চলতি আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বেও এই নাইট স্পিনারকে প্রথম একাদশে দেখা যায়নি।২৬ বছরের কুলদীপ যাদব ভারতের হয়ে ৭টি টেস্ট, ৬৫টি একদিনের ম্যাচ ও ২৩টি টি২০ ম্যাচ খেলছেন। তিন ফর্ম্যাট মিলিয়ে তাঁর উইকেট সংখ্যা ১৭৪। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুটি হ্যাটট্রিকের মালিক এই বাঁহাতি চায়নাম্যান ২০১৯ সালের ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। দুই বছর আগে কুলদীপকে শংসাপত্র দিয়েছিলেন স্বয়ং টিম ইন্ডিয়ার কোচ রবি শাস্ত্রী। বলেছিলেন, বিদেশের মাটিতে কুলদীপই সেরা ভারতীয় স্পিনার। সেই ক্রিকেটারের আন্তর্জাতিক আঙিনা থেকে আচমকাই হারিয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে আইপিএলকে তুলে ধরা হচ্ছে। নাইট রাইডার্স শিবিরে একের পর এক ম্যাচে প্রথম একাদশের বাইরে কাটিয়ে কুলদীপ জাতীয় নির্বাচকদের চোখের আড়ালে চলে গিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কয়েক মাস আগে শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে শেষবার মাঠে দেখা গিয়েছিল কুলদীপ যাদবকে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL Match : হর্ষল প্যাটেলের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে প্লে অফের দিকে এগিয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

হর্ষল প্যাটেলের দুরন্ত হ্যাটট্রিক। যুজবেন্দ্র চাহালের অসাধারণ বোলিংয়ের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন। রোহিত শর্মার দলকে ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের রাস্তা পরিস্কার করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে তিন নম্বরে রইল বিরাট কোহলির দল। ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে নেমে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।অতি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে পরে ব্যাট করে রান তাড়া করা সহজ হবে বলে মনে করেছিলেন তিনি। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানান জোরে বোলার যশপ্রীত বুমরা। দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার দেবদত্ত পাড়িক্কলকে তুলে নেন। কোনও রান না করেই আউট হন তিনি। শুরুতেই উইকেট হারিয়ে কিছুটা হলেও চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। এরপর অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে মারমুখী মেজাজে ব্যাটিং করতে শুরু করেন কেএস ভরত। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৮ রান। ভরত (৩২) যখন আউট হন, তখন ৭৫ রানে পৌঁছে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ভরতের ২৪ বলের ইনিংসে রয়েছে ২টি চার ও ২টি ছয়।ভরত আউট হওয়ার পর কোহলির সঙ্গে জুটি বাঁধেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ক্রিজে নেমে বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাটিং করতে থাকেন এই অসি ব্যাটসম্যান। ক্রিজের অন্য প্রান্ত আঁকড়ে ধরে থাকেন বিরাট কোহলি। টি২০ কেরিয়ারে এদিন দশ হাজার রান পূর্ণ করেন তিনি। ৪২ বলে ৫১ রান করে আউট হন বিরাট। ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা আসে তাঁর ব্যাট থেকে। ৩৭ বলে ৫৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন ম্যাক্সওয়েল। ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন তিনি। ৬ বলে ১১ রান করে আউট হন এবি ডিভিলিয়ার্স। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ৩ উইকেট নেন যশপ্রীত বুমরা। পাড়িক্কল, ম্যাক্সওয়েল ও ডিভিলিয়ার্সের উইকেট নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রধান ধাক্কা দিয়েছেন বুমরাই। ১টি করে উইকেট নেন অ্যাডাম মিলনে, রাহুল চাহার ও ট্রেন্ট বোল্ট। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের যা ব্যাটিং লাইন, তাতে জয়ের জন্য ১৬৭ রানের লক্ষ্য তেমন কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু কাজটা কঠিন করে দেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বোলাররা। দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডিকক দারুণ শুরু করেছিলেন। ৫.২ ওভারে ওঠে ৫৭। এরপর কুইন্টনকে (২৩ বলে ২৪) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ৩ ওভার পরেই রোহত শর্মাকে (২৮ বলে ৪৩) ফেরান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। রোহিত ফেরার পরেই ধস নামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংসে। ইশান কিশান (৯), সূর্যকুমার যাদব (৮), ক্রূনাল পান্ডিয়া (৫), কিয়েরণ পোলার্ড (৫), হার্দিক পান্ডিয়া (৩) সমৃদ্ধ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের স্বপ্নের ব্যাটিং লাইন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। হার্দিক, পোলার্ড, মিলনকে (০) পরপর ৩ বলে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক করেন হর্ষল প্যাটেল। রাহুল চাহারকেও (০) তুলে নেন তিনি। আগের ম্যাচে ৫ উইকেট নেওয়ার পর এদিন ১৭ রানে ৪ উইকেট নেন হর্ষল। যুজবেন্দ্র চাহাল ১১ রানে নেন ৩ উইকেট। ১৮.১ ওভারে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় মু্ম্বই ইন্ডিয়ানন্সের ইনিংস।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Match : রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে নাটকীয় জয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

রোমাঞ্চকর ম্যাচ, নাটকীয় শেষ দুটি ওভার। ম্যাচের ১৯ তম ওভারই পার্থক্য গড়ে দিল। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর ওই ওভারে ২২ রান তুলে প্রায় হারা ম্যাচ জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিলেন স্যার রবীন্দ্র জাদেজা। আবু ধাবিতে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে শেষ বলে ২ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফে পৌঁছে গেল চেন্নাই সুপার কিংস। চাপের মুখে শেষ বলে দলকে জয়সূচক রানটি এনে দেন দীপক চাহার। দিল্লি ক্যাপিটালসকে সরিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানও ফের দখল করল চেন্নাই সুপার কিংস।ডেথ ওভারে ৬ বলের মধ্যে আউট হয়েছিলেন মঈন আলি, সুরেশ রায়না ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্স যখন জয়ের গন্ধ পাচ্ছে তখন ১৯তম ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে সাধারণ মানে নামিয়ে পরিত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন রবীন্দ্র জাদেজা। ২টি ছয়ের পর ২টি চার মেরে এক ওভারে ২২ রান নিলেন। ফলে শেষ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের জন্য প্রয়োজন হয়ে পড়ে ৪ রান।শেষ ওভারেও রুদ্ধশ্বাস নাটক অপেক্ষা করছিল। প্রথম বলে স্যাম কারেনকে আউট করেন সুনীল নারাইন। কারেন করেন ৪ রান। পরের বলটিতে কোনও রান না হলেও তৃতীয় বলে তিন রান নিয়ে নেন শার্দুল ঠাকুর। চতুর্থ বলে রান নিতে পারেননি রবীন্দ্র জাদেজা। পঞ্চম বলে তিনি লেগ বিফোর হন। ৮ বলে ২২ রান করে আউট হন তিনি। শেষ বলে প্রয়োজনীয় এক রান নিয়ে চেন্নাই শিবিরে স্বস্তি এনে দেন দীপক চাহার।এদিন ধোনি যখন ব্যাট হাতে বাইশ গজে প্রবেশ করেন, চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের জন্য তখন দরকার ২০ বলে ৩৪। আগের ধোনি হলে চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যেত, চেন্নাই জিতবে। বরুণ চক্রবর্তীর ডেলিভারি মাহির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক খুঁজে স্টাম্পে আঘাত করতেই মনে হচ্ছিল চেন্নাইয়ের জয় হয়তো অধরাই থেকে যাবে। ধোনির অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে গেলেন স্যার রবীন্দ্র জাদেজা। ক্যাপ্টেন কুলএর দেওয়া স্যার উপাধির মর্যাদা দিয়ে গেলেন। ধোনিকে জ্বলে উঠতে না দেওয়ার পেছনে নাইট ক্যাপ্টেন ইওয়িন মর্গানের মস্তিষ্কের প্রশংসাও করতে হবে। বরুণ চক্রবর্তীর রীতিমতো শিকার হয়ে দাঁড়িয়েছেন। গতবছর আইপিএলেও দুবাইয়ে ধোনিকে তুলে নিয়েছিলেন বরুণ। এবছরও সেই বরুণেরই শিকার। ধোনি ক্রিজে আসতেই বরুণকে আক্রমণে নিয়ে এসেছিলেন মর্গান। সুফলও পেয়েছিলেন। কিন্তু সব বুমেরাং করে দেন রবীন্দ্র জাদেজা।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে প্রথম পর্বে নাইট রাইডার্সকে ডুবিয়েছিল ব্যাটিং। দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটসম্যানরা নিজেদের মেলে ধরলেও জয় এল না। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে শুভমান গিলকে (৯) হারালেও বড় রান পেতে অসুবিধা হয়নি নাইটদের। ভেঙ্কটেশ আয়ায় (১৫ বলে ১৮) ভাল শুরু করেও আটকে গেলেন। রাহুল ত্রিপাঠী (৩৩ বলে ৪৫) অবশ্য ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে পরীক্ষায় লেটার মার্কস না পেলেও পাশ করে গেল মিডল ও লোয়ার মিডল অর্ডার। নীতিশ রানা (২৭ বলে অপরাজিত ৩৭), আন্দ্রে রাসেল (১৫ বলে ২০), দীনেশ কার্তিকদের (১১ বলে ২৬) সৌজন্যে ১৭১/৬ রানে পৌঁছয় নাইটরা।জয়ের জন্য ১৭২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করেন চেন্নাই সুপার কিংসের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৪ রান। নবম ওভারের প্রথম বলে আন্দ্রে রাসেলকে স্টেপ আউট করে ছক্কা মারার পরের বলটিই ঠিকভাবে সামলাতে না পেরে মর্গ্যানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। দুটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪০ রান করেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। এরপর মঈন আলিকে সঙ্গে নিয়ে ১০.৫ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের ১০০ রান পূর্ণ করিয়ে দেন ফাফ ডুপ্লেসি। ১১.৩ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে লকি ফার্গুসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। সাতটি চারের সাহায্যে তিনি করেন ৩০ বলে ৪৪ রান। ১৪.২ ওভারে দলের ১১৯ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় সিএসকে। সুনীল নারাইনের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৯ রান করেন অম্বাতি রায়ুডু।শেষ চার ওভারে সিএসকের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪০ রান। ১৭তম ওভারের চতুর্থ বলে মঈন আলিকে ফেরান লকি ফার্গুসন। ২টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৩২ রান করেন মঈন। শেষ তিন ওভারে চেন্নাইয়ের জয়ের জন্য ৩১ রান দরকার ছিল। ব্যক্তিগত ১১ রানে রান আউট হন সুরেশ রায়না। চেন্নাইয়ের পঞ্চম উইকেট পড়ে ১৪২ রানের মাথায়। কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই এই ওভারের তৃতীয় বলে বরুণ চক্রবর্তীর গুগলিতে ঠকে বোল্ড হন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ৪ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি সিএসকে অধিনায়ক। বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ২৩ রানের বিনিময়ে ধোনির উইকেটটি তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। ১৮তম ওভারে তিনি মাত্র ৫ রান খরচ করেন। এর আগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ রান তোলে। সর্বাধিক ৪৫ রান করেন রাহুল ত্রিপাঠি। নীতীশ রানা অপরাজিত থাকেন ২৭ বলে ৩৭ রান করে। ১১ বলে ২৬ রান করেন দীনেশ কার্তিক। শার্দুল ঠাকুর ও জশ হ্যাজলউড নেন দুটি করে উইকেট।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : দুরন্ত হোল্ডারও জেতাতে পারলেন না সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে

প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে সানরাজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জেতা জরুরি ছিল পাঞ্জাব কিংসের কাআছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কম রানের পুঁজি নিয়েইও দুর্দান্ত জয় পেল লোকেশ রাহুলের দল। সানরাইজর্স হায়দরাবাদকে ৫ রানে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে রইল পাঞ্জাব কিংস। ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে ৫ নম্বরে উঠে এল পাঞ্জাব কিংস। এই প্রথম শারজায় এত কম রানের পুঁজি নিয়ে আইপিএলে জিতল কোনও দল। টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠায় সানরাইজার্স হায়দরবাদ। পঞ্চম ওভারে অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (২১ বলে ২১) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। একই ওভারে ফেরান মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (৬ বলে ৫)। শারজার এই উইকেটে রান তোলা ব্যাটসম্যানদের কাছে যথেষ্ট কঠিন ছিল। ক্রিস গেইল (১৭ বলে ১৪), এইডেন মার্করাম (৩২ বলে ২৭), নিকোলাস পুরান (৪ বলে ৮), দীপক হুডা (১০ বলে ১৩), কেউই সুবিধা করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৫ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস। হরপ্রীত ব্রার ১৮ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। নাথান এলিস করে ১২। সানরাইজার্সের হয়ে দুর্দান্ত বল করেন জেসন হোল্ডার। ১৯ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। সন্দীপ শর্মা, ভুবনেশ্বর কুমার, রশিদ খান, আব্দুল সামাদ ১টি করে উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১২৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মহম্মদ সামি প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই আউট করেন ডেভিড ওয়ার্নারকে। আগের ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন অসি ওপেনার। এদিন মাত্র ২ রান করে কট বিহাইন্ড হন। তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে সামি তুলে নেন কেন উইলিয়ামসনের উইকেট। ৬ বলে ১ রানে বোল্ড হন সানরাইজার্স অধিনায়ক। ঋদ্ধিমান সাহা লড়াই চালালেও অপর প্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে। মণীশ পাণ্ডে ১৩ ও কেদার যাদব ১২ রান করে রবি বিষ্ণোইয়ের বলে বোল্ড হন। কেদার যাদব ও আবদুল সামাদকে একই ওভারে আউট করেন বিষ্ণোই। ১৩ ওভারে ৬০ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর জেসন হোল্ডার ও ঋদ্ধিমান সাহা সানরাইজার্সকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। ৩৭ বলে ৩১ রান করে রান আউট হন ঋদ্ধিমান। ঋদ্ধি ফেরার পর রশিদ খানকে সঙ্গে নিয়ে ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন জেসন হোল্ডার। ১৯ ওভারের প্রথম বলে রশিদ খান অর্শদীপ সিংয়ের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হন ৩ রান করে। শেষ ওভারে সানরাইজার্সের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৭ রান। কিন্তু নাথান এলিসের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং পাঞ্জাব কিংসকে ৫ রানে জয় এনে দেয়। বল হাতে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পর পাঁচটি ছয়ের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৭ রান করে অপরাজিত থাকেন জেসন হোল্ডার। ম্যাচের সেরাও হন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১২০/৭ তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মহম্মদ সামি ৪ ওভারে ১ টি মেডেনসহ ১৪ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন। ৪ ওভারে ২৪ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই। এটি তাঁর আইপিএল কেরিয়ারের সেরা বোলিং। অর্শদীপ নেন ১টি উইকেট।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌ IPL : আইপিএলে প্রথম দল হিসেবে প্লে অফ নিশ্চিত করল দিল্লি ক্যাপিটালস

কেন তারা এই আইপিএলের সবথেকে ভারসাম্যপূর্ণ দল, প্রমাণ করেই চলেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে প্রথম দল হিসেবে প্লে অফের জায়গা নিশ্চিত করল ঋষভ পন্থের দল। শনিবার আবু ধাবিতে সঞ্জু স্যামসনের দলকে ৩৩ রানে হারাল দিল্লি ক্যাপিটালস। ১০ ম্যাচ খেলে তাদের সংগ্রহ ১৬ পয়েন্ট।শনিবার টসে জিতে দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ভেবেছিলেন, পরের দিকে বাইশ গজের চরিত্র কিছুটা বদলাবে। তাতে তাড়া করা সহজ হবে। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত বুমেরং হয়ে গেল। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটসম্যানদের ওপর দারুণ প্রভাব বিস্তার করেন আবেশ খান, এনরিখ নর্টিয়ে, রবিচন্দ্রন অশ্বিনরা।দিল্লির ব্যাটিং যথেষ্ট শক্তিশালী। তার ওপর শিখর ধাওয়ানরা দারুণ ছন্দে রয়েছেন। কিন্তু রাজস্থানের বিরুদ্ধে রান পেলেন না শিখর। মাত্র ৮ রান করে কার্তিক ত্যাগীর বলে প্লে ডাউন হয়েল ফিরে যান। শুরুর দিকে বল ব্যাটে আসছিল না। ফলে সেভাবে টাইমিং করতে পারছিলেন না পৃথ্বী শ (১০)। স্লো বলই তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যেতে হয় তাঁকে। এরপর শ্রেয়স আয়ার ও ঋষভ পন্থ দলকে টেনে নিয়ে যান। দুজেন জুটিতে ওঠে ৬২ রান। মুস্তাফিজুর রহমানের স্লো বাউন্সার পুল করতে গিয়ে প্লে ডাউন হয়ে যান ঋষভ। ২টি চারসহ ২৪ বলে ২৪ রান করেন ঋষভ। রাহুল তেওয়াটিয়ার বলে স্ট্যাম্পড হন শ্রেয়স। একটি চার ও দুটি ছক্কা সহ ৩২ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। ১৮ বলে ২৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন শিমরন হেটমায়ের। ৭ বলে ১২ রান করে আউট হন অক্ষর প্যাটেল। ১৫ বলে ১৪ রান করেন ললিত যাদব। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৪/৬ তোলে দিল্লি। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মুস্তাাফিজুর রহমান ও চেতন সাকারিয়া। ১টি করে উইকেট নেন কার্তিক ত্যাগী ও রাহুল তেওয়াটিয়া। জয়ের জন্য ১৫৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না রাজস্থান রয়্যালসের কাছে। তার ওপর ইনিংসের প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যে লিয়াম লিভিংস্টোন (১), যশস্বী জয়সওয়াল (৫) এবং ডেভিড মিলারের (৭) উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। ২ রান করে আউট হন তরুণ রিয়ান পরাগ। ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন মহীপাল লোমরোর। ক্রিজের অন্যদিক আঁকড়ে ধরে রেখে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। তবে সতীর্থদের কাছ থেকে কোনও সাহায্য পাননি। ৫৩ বলে ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন সঞ্জু। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১২১ রান তুলতে সমর্থ হয় রাজস্থান। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ২ উইকেট নেন এনরিখ নর্টিয়ে। ১টি করে উইকেট নেন আবেশ খান, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, কাগিসো রাবাডা ও অক্ষর প্যাটেল।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL, KKR : চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের জন্য কাদের জন্য দিকে তাকিয়ে নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট?‌

রবিবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম পর্বে চেন্নাইয়ের কাছে হারতে হয়েছিল নাইটদের। এবার প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে কাজটা সহজ হবে না নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় পর্বে দুটি দলই দুটি করে ম্যাচ জিতেছে। নাইট রাইডার্সকে আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝকঝকে মনে হচ্ছে। পরপর দুটি ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলে উঠে এসেছে ৪ নম্বরে। রবিবার চেন্নাই সুপার কিংসকে হারাতে পারলেই প্লে অফের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে ভরসা জোগাচ্ছে টপ অর্ডার এবং বরুণ চক্রবর্তীর বোলিং। আগের দুটি ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন ভেঙ্কটেশ আয়ার, শুভমান গিল ও রাহুল ত্রিপাঠী। বরুণ চক্রবর্তীর বোলিংও ধাঁধায় ফেলছে ব্যাটসম্যানদের।দ্বিতীয় পর্বে নাইটদের বদলে যাওয়ার রহস্য টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের পারফরমেন্স। প্রথম সাক্ষাৎকারে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে হয়েছিল নাইটদের। ৩১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়েছিল। পরের দিকে কার্তিক, রাসেল, কামিন্সদের ঝোড়ো ব্যাটিং বাঁচাতে পারেনি নাইট রাইডার্সকে। দ্বিতীয় পর্বে নাইটদের দুটি জয়ে পেছনে রয়েছে টপ অর্ডারের অবদান। ভেঙ্কটেশ আয়ার, শুভমান গিল, রাহুল ত্রিপাঠীরা দলকে উতরে দিয়েছেন। তবে মিডল অর্ডারকে এখনও পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধেই হয়তো পরীক্ষার মুখে। কারণ, চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা বোলাররা ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ব্যাটসম্যানদের কাজ কঠিন করে দিচ্ছে। চেন্নাই সুপার কিংসের অবশ্য কোনও বিভাগ নিয়ে চিন্তা নেই। টানা ৫ ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছে। আগের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্রতিকূল অবস্থা থেকেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ডেথ ওভারে শার্দূল, দীপকরা দারুণ বোলিং করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় রান করতে দেননি। ব্যাটিংয়েও টপ অর্ডার দলকে নির্ভরতা দিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, ধোনি ব্রিগেডের ব্যাটিং লেজ যথেষ্ট লম্বা। তার ওপর রয়েছে অধিনায় ধোনির ক্রিকেটীয় মস্তিষ্ক। ফলে নাইটদের কঠিন লড়াইয়ের সামনে পড়তে হবে। একটা পরিসংখ্যান দুই শিবিরকেই আশাবাদী করে তুলেছে। দুই দলই দ্বিতীয় পর্বে হারিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। দুই দলের শেষ পাঁচটি সাক্ষাতে চারটি ম্যাচেই জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। গত বছরের আইপিএলে প্রথম সাক্ষাতে সিএসকে ৬ উইকেটে জিতলেও ফিরতি ম্যাচে কেকেআর জিতেছিল ১০ রানে। এখনও অবধি আইপিএলে দুই দল পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে ২৬ বার। ১৬টিতে জিতেছে সিএসকে, ৯টিতে কেকেআর, একটি ম্যাচ অমীমাংসিত ছিল।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL : কোহলি রান পেলেও হেরে গভীর সঙ্কটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

প্লে অফে যাওয়ার জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে জেতা জরুরি ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ধোনিদের কাছে ৬ উইকেটে হেরে গভীর সঙ্কটে বিরাট কোহলিরা। যদিও ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হয়নি কোহলিদের এই পরিস্থিতিতে পড়তে হবে। ভাল শুরু করেও হারতে হল।শারজায় মাঝে মাঝেই মরু ঝড় দেখা যায়। শুক্রবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ও চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচের আগে তেমনই মরু ঝড়। চারিদিক ধুসর। মরু ঝড়ের জন্য নির্ধারিত সময়ের আধ ঘণ্টা পর টস। খেলা শুরু হয় ১৫ মিনিট দেরিতে। টসে জিতে চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত। এদিন পাহাড় প্রমাণ চাপ নিয়ে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ক্রিকেটপ্রেমীরা প্রত্যাশা করেছিলেন, মরু ঝড়ের মতোই ঝড় উঠবে কোহলির ব্যাটিংয়ে। রান পেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ক্যাপ্টেন। দলকে বড় রানের জন্য শক্ত ভিতও গড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বাকিরা কাজে লাগাতে পারেননি।এদিন ভাল শুরু করেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বিনা উইকেটে তোলে ৫৫। ১০ ওভারে ওঠে ৯২। ১০০ রানে পৌঁছয় ১১.১ ওভারে। ১৩.২ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ওপেনিং জুটি ভাঙেন ডোয়েন ব্র্যাভো। তুলে নেন বিরাট কোহলিকে। ৬টি ৪ ও ১টি ৬এর সাহায্যে ৪১ বলে ৫৩ রান করেন তিনি। কোহলির আগে ৩৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ১৬ ওভারের শেষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের রান ছিল ১ উইকেটে ১৩১। ১৭তম ওভারে দুটি উইকেট তুলে নেন শার্দুল ঠাকুর। পঞ্চম বলে আউট করেন এবি ডিভিলিয়ার্সকে। রায়নার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ১১ বলে ১২ রান করেন তিনি। পরের বলেই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। পাঁচটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে ৫০ বলে ৭০ রান করে আউট হন তিনি। পাড়িক্কল আউট হওয়ার পর পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন টিম ডেভিড। সিঙ্গাপুরের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এদিন আইপিএল অভিষেক হল তাঁর। যদিও অভিষেকে নজর কাড়তে ব্যর্থ ডেভিড। ৩ বলে ১ রান করে দীপক চাহারের শিকার হলেন তিনি। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ডোয়েইন ব্র্যাভোর বলে জাদেজার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৯ বলে ১১ রান করেন তিনি। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৬ রানের বেশি এগোতে পারেনি বিরাট কোহলির দল। ডোয়েন ব্র্যাভো ৪ ওভারে ২৪ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট নেন। শার্দুল ঠাকুর চার ওভারে ২৯ রানের বিনিময়ে দুটি উইকেট পেয়েছেন। দীপক চাহার একটি উইকেট দখল করেন।জয়ের জন্য ১৫৭ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭১। রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৬ বলে ৩৮ করেন রুতুরাজ। পরের ওভারেই ডুপ্লেসিকে (২৬ বলে ৩১) তুলে নেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মঈন আলি ও অম্বাতি রায়ডু। মঈন ২৩ ও রায়ডু ৩২ রান করে আউট হন। চেন্নাইকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ধোনি (অপরাজিত ১১) ও সুরেশ রায়না (অপরাজিত ১৭)। ১৮.১ ওভারে ৪ উইকেটে ১৫৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটারের ফর্ম নিয়ে চিন্তিত রাজস্থান রয়্যালস

শনিবার আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালস মুখোমুখি হবে লিগ টেবিলে পাঁচ নম্বরে থাকা রাজস্থান রয়্যালসের। কালকের ম্যাচ জিতলেই প্লে অফ নিশ্চিত করে ফেলবে দিল্লি ক্যাপিটালস। অন্যদিকে, প্লে অফের সম্ভাবনা জোরালো করতে রাজস্থান রয়্যালসের কাছেও জেতাটা জরুরি। প্রথম সাক্ষাতকারে ঋষভ পন্থের দলের বিরুদ্ধে তিন উইকেটে জিতেছিল সঞ্জু স্যামসনের নেতৃত্বাধীন রাজস্থান রয়্যালস। দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে যেমন প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ, পাশাপাশি রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে প্লে অফের ছাড়পত্র নিশ্চিত করার হাতছানি। দিল্লি ও রাজস্থান আইপিএলে পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে ২৩ বার। ১২ বার জিতেছে রাজস্থান রয়্যালস, ১১ বার জিতেছে দিল্লি। পরিসংখ্যানের বিচারে রাজস্থান এগিয়ে থাকলেও ভারসাম্যের বিচারে এগিয়ে ঋষভ পন্থের দন। দিল্লির ব্যাটিং বিভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী। শিখর ধাওয়ান, ঋষভ পন্থ, পৃথ্বী শ, শ্রেয়স আয়াররা দারুন ছন্দে। ব্যাটিং বিভাগ যেমন শক্তিশালী তেমনই কাগিসো রাবাডা ও এনরিখ নর্টজের আগুনে পেস সমস্যায় ফেলছে ব্যাটসম্যানদের। দক্ষিণ আফ্রিকার এই দুই জোরে বোলারকে সামলাতে হিমশিম খেতে হবে সঞ্জু স্যামসনদের। দুই দলের প্রথম একাদশেই পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে দিল্লির মার্কাস স্টইনিসের খেলার বিষয়টি নির্ভর করবে স্ক্যান রিপোর্টের উপর। আগের ম্যাচে মাত্র সাতটি বল করার পরই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল স্টইনিসকে। তাঁর কাফ ইনজুরি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও নর্টজে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, স্টইনিস ভালোই আছেন, আশা করি খেলতে অসুবিধা হবে না। তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। তবু স্ক্যান রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। দিল্লি ক্যাপিটালস সূত্রে খবর, স্টইনিস ফিট না হলে স্টিভ স্মিথকে খেলাতে পারে। টম কারান বা বেন ডোয়ারশুইসকে খেলানোর ভাবনাও রয়েছে দিল্লির। প্লে অফ প্রায় পাকা হয়ে যাওয়ায় কাউকে বসিয়ে ললিত যাদবকেও সুযোগ দেওয়া হতে পারে।রাজস্থান রয়্যালসকে কিছুটা অস্বস্তিতে রাখছে ক্রিস মরিসের ফর্ম। আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে রান পাননি, বল হাতেও ওভারপিছু প্রায় ১২ রান দিয়েছেন। দিল্লি ম্যাচে তাঁকে চেনা ছন্দে পেতে চাইছে রাজস্থান রয়্যালস। আইপিএলের প্রথমার্ধে টানা পাঁচটি ম্যাচ জেতা দিল্লি ক্যাপিটালসের বিজয়রথ থামিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। ফের তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপের বিরুদ্ধে ডেথ বোলিংয়ে আরও কৃপণ হতেই হবে স্যামসনের দলের বোলারদের।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

V‌irat Kohli : আজ চেন্নাইয়ের কাছে হারলেই কি নেতৃত্ব হারাবেন কোহলি?‌

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। কয়েকদিন পর আবার চমক বিরাট কোহলির। জানিয়েছিলেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের হয়ে নেতা হিসেবে এই আইপিএলই শেষ। কোহলির এই মনোবাসনা পূর্ণ নাও হতে পারে। চলতি আইপিএলেই নেতৃত্ব হারাতে পারেন কিং কোহলি। আজ চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। ধোনিদের কাছে হারলেই প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে যাবে রয়্যাল চ্যলেঞ্জার্সের কাছে। এই অবস্থায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর বিরাট কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যাচের আগের দিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জর্সের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট কোহলি। প্রাক্তন নাইট অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরও বলেছেন, নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা বিরাট আইপিএলের শেষেই করতে পারতেন। কারণ, তাঁর এই সিদ্ধান্তে দলের ছন্দ নষ্ট হতে পারে। সঞ্জয় মঞ্জরেকরও বিরাটের জাতীয় দল ও আরসিবির অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময় সঠিক হয়নি বলেই মনে করেন। এক প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, কেকেআর ম্যাচে বিরাটকে বারবার অসহায় দেখিয়েছে। তিনি যে খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন তা বারবার প্রকট হয়েছে। সে কারণেই বিরাটকে আরসিবি চলতি আইপিএলেই অধিনায়কত্ব থেকে সরাতে পারে যদি দল কাঙ্ক্ষিত ফল না করে। এর আগে গত আইপিএলে দীনেশ কার্তিককে সরিয়ে ইওয়িন মর্গ্যানকে নেতৃত্বের ভার দিয়েছে কেকেআর। সানরাইজার্স হায়দরাবাদেও ডেভিড ওয়ার্নারকে সরিয়ে কেন উইলিয়ামসনকে ক্যাপ্টেন করা হয়েছে। কেউ নিজে থেকে ছাড়ার ঘোষণা করেছেন, কাউকে সরানো হয়েছে। ফলে কেকেআর ম্যাচের পর বলাই যায় আরেকটা খারাপ ম্যাচ গেলেই বিরাটকে যদি আরসিবি ক্যাপ্টেন্সি থেকে সরিয়ে দেয় তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। নাইট রাইডার্স ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন কোহলি। সেই সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল না, তা সাংবাদিক বৈঠকে এসে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন টিম ডিরেক্টর তথা কোচ মাইক হেসন। বিরাট আইপিএলের দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর আগে অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা করে যে সঠিক কাজ করেননি তেমনটাই মনে করছে আরসিবি ম্যানেজমেন্ট। প্রকাশ্যে কেউ না মুখ খুললেও সকলেই মনে করছেন, বিরাট যদি এই আইপিএলেই শেষবার নেতৃত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করে থাকতেন তাহলে তিনি তো প্রথমেই সেই ঘোষণা করে দিতে পারতেন। বিরতির পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর আগে এমন ঘোষণায় দলের বাঁধন নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়।ইতিমধ্যেই বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিদের অনুরোধ করেছে, টি ২০ বিশ্বকাপের ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে। বিরাট যদি খারাপ খেলেন এবং অধিনায়ক বদল হয় তাহলে কোহলিকেও বিশ্রাম দিতে পারে আরসিবি। তবে যদি আজকের ম্যাচ-সহ কয়েকটি ম্যাচ আরসিবি জিতে প্লে অফে জায়গা পাকা করে ফেলে তাহলে প্লে অফের আগেও বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে ভারত অধিনায়ককে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

V‌enkatesh Iyar : ভেঙ্কটেশ আয়ারের জীবনে বড় ভুমিকা সৌরভ গাঙ্গুলির

ছোটবেলা থেকে ডান হাতেই ব্যাটিং করতেন। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলির খেলা দেখে তাঁকে অনুকরণ করতে করতেই বাঁহাতে ব্যাটিং শুরু করেন। দাদার মতোই বাঁহাতে ব্যাটিং, ডানহাতে মিডিয়াম পেস বোলিং। সৌরভের মতোই ছক্কা মারতে চাইতেন। দাদার মতোই ব্যাটিং করাই ছিল লক্ষ্য। অজান্তে এভাবেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের নতুন তারকা ভেঙ্কটেশ আয়ারের জীবনে বড় ভুমিকা রয়েছে সৌরভ গাঙ্গুলির। মা পাশে না দাঁড়ালে হয়তো ক্রিকেটারই হতে পারতেন না ভেঙ্কটেশ আয়ার। নামি সংস্থার চাকরি নিয়েই জীবন কাটাতে হত কলকাতা নাইট রাউডার্সের এই অলরাউন্ডারকে। মায়ের জন্যই আজ আইপিএলের মঞ্চে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মধ্যপ্রদেশের এই তরুণ ক্রিকেটার। দক্ষিণ ভারতীয় পরিবারে সাধারণত সন্তানদের উচ্চশিক্ষার প্রতিই উৎসাহিত করে থাকেন অভিভাবকরা। ভেঙ্কটেশ আয়ারের ক্ষেত্রে হয়েছে ঠিক তার উল্টোটাই ঘটেছিল। ছোটবেলায় তাঁকে ঘরে বইয়ে মুখ গুঁজে বসে থাকার ওপর জোর দেননি মা। বরং বাইরে গিয়ে খেলাধুলোর ওপর বেশি জোর দিতেন। তা সত্ত্বেও উচ্চশিক্ষা আটকায়নি বেঙ্কটেশ আয়ারের। ২০১৬ সালে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় শীর্ষ স্থানীয়দের মধ্যে একজন ছিলেন ভেঙ্কটেশ। তাঁর বি.কম ডিগ্রির সঙ্গেই রয়েছে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সির ডিগ্রি। ক্রিকেট না পড়াশোনা, কোনটাকে বেছে নেবেন তা ঠিক করতে গিয়ে উভয় সঙ্কটে পড়েছিলেন সিএ ফাইনালের আগে। মধ্যপ্রদেশের অনূর্ধ্ব ২৩ দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর ইতিমধ্যেই তখন টি ২০ ও ৫০ ওভারের ক্রিকেটে মধ্যপ্রদেশ সিনিয়র দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠেছেন। সিএ ফাইনালের জন্য প্রস্তুত হতে গেলে হয় ক্রিকেট ছাড়তে হত, নাহলে সাময়িকভাবে ক্রিকেট কেরিয়ার থামিয়ে রাখতে হত। তখনই ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার কথা ভেবে সিএ থেকে সরে দাঁড়িয়ে এমবিএ পড়ার সিদ্ধান্ত নেন ভেঙ্কটেশ। এমবিএ এন্ট্রান্স পরীক্ষায় ভাল নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে ভাল কলেজেও ভর্তি হন। সেখানকার ফ্যাকাল্টি তাঁর ক্রিকেট প্রতিভা দেখে কলেজে উপস্থিতি, নোট তৈরি করা, সুবিধামতো পরীক্ষার ব্যবস্থা করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তাতেই ক্রিকেট কেরিয়ার এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। মেধাবী, আর সেই কারণেই ক্রিকেট ও পড়াশুনোয় ভারসাম্য বজায় রেখে এগোতে অসুবিধাই হয়নি ভেঙ্কটেশের। নিজের মেধার প্রতি আস্থা ভেঙ্কটেশের বরাবরই। তিনি মজা করে বলেছেন, ক্রিকেটে না এগোলে আমি নিশ্চিতভাবেই আইআইএম বা আইআইটিতে থাকতাম।ক্রিকেটকেই কেরিয়ার হিসেবে বেছে নেন ১৯ বছর বয়সে। ২০১৮ সালে মধ্যপ্রদেশের হয়ে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক। তার আগে ২০১৫ সালে ঘরোয়া একদিনের ক্রিকেট খেলে ফেলেছেন। ইন্দোরে বর্ষাকালে যখন ক্রিকেটের অফসিজন, তখন সারা সপ্তাহ পড়াশোনা করে চেন্নাইয়ে উইকেন্ড লিগে খেলতেন ভেঙ্কটেশ। ২০১৮ সালে বেঙ্গালুরুতে বিগ ফোরএর অন্যতম অ্যাকাউন্টিং ফার্ম ডেলয়েটের ভারতের সদর দফতরে চাকরি পান। ক্রিকেটের জন্য সেই চাকরি প্রত্যাখ্যান করেন। এ জন্য আক্ষেপ নেই বেঙ্কটেশের। কারণ সেই বছরই তাঁর মধ্যপ্রদেশের হয়ে রঞ্জি অভিষেক ঘটে। ভেঙ্কটেশের কথায়, ওই চাকরি নিলে আমাকে অন্য শহরে যেতে হত। যার প্রভাব পড়ত ক্রিকেটে। আমার বাবা মানবসম্পদের কনসালট্যান্ট। মা হসপিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে অনেক বছর কর্মরত ছিলেন। তাঁরা চেয়েছিলেন আমার কমপ্লিট একটা বেসিক ডিগ্রি থাক। সে কারণেই এমবিএ পড়া। ফ্যাকাল্টিদের সহযোগিতায় ক্রিকেট চালিয়েও এমবিএ ডিগ্রি লাভ করতে পেরেছি। চাকরি ছাড়লেও যে ইনিংস বেঙ্কটেশকে রঞ্জি অভিষেকের সুযোগ করে দেয় তা কম নাটকীয় নয়। একদিনের ক্রিকেট মরশুম ভাল গেলেও শতরান পাননি। এরই মধ্যে ছত্তিশগড়ের বিরুদ্ধে দুটো তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ আসে। প্রথমটিতে রান পাননি। দ্বিতীয়টির মধ্যে আবার ছিল এমবিএ ইন্টারনাল পরীক্ষা। কলেজ গিয়ে পরীক্ষা দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে কয়েকটি সিগনাল ভেঙে মাঠে গিয়ে ভেঙ্কটেশ দেখেন দলের রান ৬ উইকেটে ৬০। ক্রিজে নেমে তাঁর মাথায় ঘুরছে পরীক্ষায় কোনটা মিস করেছেন, কোনটা আরও ভাল লেখা যেত। সেই পরিস্থিতিতে দিনের শেষে ৯৬ রানে অপরাজিত থেকে পরের দিন শতরান পূর্ণ করেন। পরদিন কলেজে গিয়ে আবার পরীক্ষা দেন। আর এই ম্যাচের পরেই রনজি অভিষেক হয় ভেঙ্কটেশের।উচ্চশিক্ষা লাভের পর মায়ের উৎসাহেই নামি সংস্থার চাকরি ছেড়ে ক্রিকেটে মনোনিবেশ। মধ্যপ্রদেশের হয়ে ধামাকাদার ব্যাটিং। আর তারপর আইপিএলের আসরে। এবারের নিলামে তাঁকে ২০ লক্ষ টাকায় কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবছর ২৮ ফেব্রুয়ারি পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রদেশ ৫০ ওভারে তিন উইকেটে ৪০২ রান তুলেছিল। জিতেছিল ১০৫ রানে। সেই ম্যাচেই ২০টি চার ও সাতটি ছক্কার সাহায্যে ১৪৬ বলে ১৯৮ রান করেছিলেন ভেঙ্কটেশ। আইপিএলের নিলামের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নজর কেড়েছিল এই ইনিংসটি। ওপেন করতে নেমে ইনিংসের ৪৭তম ওভারের প্রথম বলে তিনি রান আউট হয়েছিলেন দ্বিশতরান থেকে মাত্র দুই রান দূরে। বল হাতেও ২৪ রানে তুলে নিয়েছিলেন ২ উইকেট। বিজয় হাজারে ট্রফির ১৯৮ রানের ইনিংস খেলার আগে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি ২০-তে ৫ ম্যাচে ২২৭ রান করেন, যা মধ্যপ্রদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বাধিক। গড় ৭৫.৬৬, স্ট্রাইক রেট ১৪৯.৩৪। আইপিএলের প্রথমার্ধে সুযোগ না পেলেও ড্রেসিংরুমে কাটিয়ে অনেক কিছু শিখে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। খেলার বাইরে ভেঙ্কটেশ বই পড়তে ভালোবাসেন। রান্নার শো আর মুভি দেখাও তাঁর পছন্দের। প্রিয় নায়ক রজনীকান্ত। রজনীকান্তের বিখ্যাত পাঞ্চলাইন ইয়েন ভাঝি, থানি ভাঝি, যার অর্থ আমার পথ ইউনিক, সেটাই নিজের জীবনের পাঞ্চলাইন হিসেবে মনে করেন ভেঙ্কটেশ। আইপিএলের অভিষেকেই বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি লম্বা রেসেরই ঘোড়া।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌আবার জয়, দ্বিতীয় পর্বে অনেক বেশি ঝকঝকে লাগছে নাইট রাইডার্সকে

আইপিএলের প্রথম পর্বের সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বের কলকাতা নাইট রাইডার্সের আকাশপাতাল পার্থক্য। প্রথম পর্বে রীতিমতো ধুঁকছিল। একসময় মনে হচ্ছিল প্লে অফে ওঠাই কঠিন হয়ে যাবে নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় পর্বে ছবিটা বদলে গেছে। অনেক ঝকঝকে লাগছে নাইটদের। আগের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে হারানোর পর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আবার জয়। রোহিত শর্মার দলকে মর্গানরা হারিয়েছে ৭ উইকেটে। জয়ের নায়ক সেই ভেঙ্কটেশ আয়ার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ২০১৫ সাল থেকে শেষ ১৩টি সাক্ষাতে মুম্বইয়ের কাছে ১২টি ম্যাচেই হারতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। গত বছর আবু ধাবিতে হারতে হয়েছিল দুটি ম্যাচেই। ফলে নিঃসন্দেহে এদিনের জন্য তৃপ্তিদায়ক নাইটদের কাছে। রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডি ককের ওপেনিং জুটির সৌজন্যে ভাল শুরু করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আগের ম্যাচে ফিটনেসজনিত কারণে রোহিত শর্মা খেলেননি। এদিন আনমোলপ্রীত সিংয়ের জায়গায় তিনি ফের জুটি বাঁধেন ডি ককের সঙ্গে। রোহিতের ব্যাটিং টি ২০ বিশ্বকাপের আগে ভারতকে স্বস্তিতে রাখলেও সূর্যকুমার যাদব চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩ করার পর এদিন ১০ বলে ৫ রানে আউট হলেন। পাওয়ারপ্লেতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দুই ওপেনার তোলেন ৫৬ রান। ৯.২ ওভারে ৭৮ রানে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ওপেনিং জুটি ভাঙেন সুনীল নারিন। চারটি চারের সাহায্যে ৩০ বলে ৩৩ রান করে আউট হন রোহিত শর্মা। কুইন্টন ডিকক করেন ৫৫। তিনি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে আউট হন। ঈশান কিষাণ করেন ১৪। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন কিয়েরণ পোলার্ড। ২০ ওভারে মুম্বই তোলে ১৫৫/৬। নাইট রাইডার্সের ফার্গুসন ২৭ রানে ২, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ৪৩ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৫৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১০ ওভারে ১ উইকেটে ১১১ রান তুলে ফেলে কেকেআর। শুভমান গিল ১৩ রানে আউট হওয়ার পর কেকেআরের স্কোর ছিল ৩ ওভারে ১ উইকেটে ৪০। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৮৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েন ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও রাহুল ত্রিপাঠি। ১১.৪ ওভারে দলের ১২৮ রানের মাথায় ৩০ বলে ৫৩ করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন আইয়ার। তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭৬.৬৬, চারটি চার ও তিনটি ছয় মারেন তিনি। শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী মেজাজে। রাহুল ত্রিপাঠির ইনিংসে রয়েছে আটটি চার ও তিনটি ছয়। রাহুলের এদিনের স্ট্রাইক রেট ১৭৬.১৯। ৯ ম্যাচে তাঁর মোট রান ২৬১, গড় ৩৭.২৮, স্ট্রাইক রেট ১৪৫। ২৯ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জেতে কেকেআর। ৪ ওভারে ৪৩ রানে তিনটি উইকেটই পেয়েছেন জসপ্রীত বুমরাহ। ৯ ম্যাচে কেকেআরের পয়েন্ট ৮, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সেরও আট। কিন্তু রোহিতের দল নেট রান রেটের কারণে চলে গেল ছয়ে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : সানরাইজার্সকে উড়িয়ে শীর্ষে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস

আইপিএলে চলছে সাপলুডোর খেলা। এই খেলায় কখনও এগিয়ে যাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস। কখনও আবার দিল্লি ক্যাপিটালস। আগের ম্যাচ জিতে যেমন শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিল চেন্নাই। বুধবার সানরাইজার্স হায়দরবাদকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে আবার শীর্ষে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস। টপ অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতার মাশুল গুনতে হল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব অনেক ক্রিকেটারের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার। টি২০ বিশ্বকাপে সুযোগ পাননি শিখর ধাওয়ান। নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত ভুল, প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছিল তাঁর কাছে। তেমনি আবার নিজেকে প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছিল ঋদ্ধিমান সাহার কাছেও। নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যর্থ ঋদ্ধি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কিংবা আইপিএল, সবসময় অন্যের ছায়ায় ঢাকা পড়ে থাকতে হয়েছে ঋদ্ধিমানকে। ব্যক্তিগত কারণে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বেয়ারস্টো। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে ঋদ্ধি। বড় সুযোগ ছিল নিজেকে প্রমাণ করার। জ্বলে উঠতে ব্যর্থ ঋদ্ধি (১৭ বলে ১৮)। কাগিসো রাবাডার ১৪৩ কিমি গতিতে ধেয়ে আসা বাউন্সার পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে শিখর ধাওয়ানের হাতে। ঋদ্ধিমান সাহার মতো দিনটা সানরাইজার্সেরও ছিল না। গোটা দলেরই ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ওভারেই ডেভিড ওয়ার্নারকে (০) দিয়ে শুরু। তাঁকে তুলে নেন আনরচ নর্টিয়ে। অধিনায়ক উইলিয়ামসন (১৮), মণীশ পাণ্ডে (১৭), কেদার যাদবরাও (৩) ব্যর্থ। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার নর্টিয়ে, রাবাডা শুরুতেই ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিলেন সানরাইজার্সের। অক্ষর প্যাটেলও দারুণ বোলিং করেন। আব্দুল সামাদ (২৮), হোল্ডার (১০), রশিদ খানদের (২২) সৌজন্যে ১৩৪/৯ রানে পৌঁছয় সানরাইজার্স। দিল্লির যা ব্যাটিং শক্তি, জয়ের জন্য এই টার্গেট একেবারেই কঠিন ছিল না। তার ওপর দারুণ ছন্দে রয়েছেন শিখর ধাওয়ান (৪২)। চোট কাটিয়ে দ্বিতীয় পর্বে ফিরে শ্রেয়স আয়ারও (অপরাজিত ৪৭) নিজেকে দুর্দান্তভাবে মেলে ধরলেন। ঋষভ পন্থও (অপরাজিত ৩৫) ছন্দ ধরে রেখেছেন। ফলে জিততে অসুবিধা হয়নি দিল্লির। ১৭.৫ ওভারে ১৩৯/২ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। চলতি আইপিএলে কেন তারা সবথেকে ভারসাম্যপূর্ণ দল, বুঝিয়েই চলেছে দিল্লি ক্যাপিটালস।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal