• ২২ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ০৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Howrah

কলকাতা

Corona Guideline: মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্ধ হাওড়ার একাধিক বাজার

রাজ্যের সার্বিক করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের চিন্তা বাড়াচ্ছে কয়েকটি জেলা। তার মধ্যে অন্যতম কলকাতা সংলগ্ন হাওড়া। অভিযোগ উঠছে, হাওড়ার (Howrah) বিভিন্ন এলাকায় করোনাবিধি (Corona Virus) অমান্য করার। এমন পরিস্থিতিতে হাওড়ার কনটেনমেন্ট জোন সংলগ্ন একাধিক বাজার তিনদিনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল স্থানীয় প্রশাসন। ইতিপূর্বে ব্যারাকপুর, সোনারপুর এলাকার বাজার সাময়িক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়করোনা পরিস্থিতির দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিয়েছে নবান্ন। এর মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ। সেই সংক্রমণ এড়াতে ইতিমধ্যে কোমর বেঁধেছে সরকার। জেলার যে যে এলাকায় সংক্রমণের হার বা পজিটিভিটি রেট বেশি, সেই এলাকায় কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করছে স্থানীয় প্রশাসন। সংক্রমণ ঠেকাতে কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে চলছে কড়া বিধিনিষেধ। বন্ধ রাখা হচ্ছে বাজারও। আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্রইতিপূর্বে ব্যারাকপুরের বাজার ৭দিন বন্ধ রাখা হয়েছে। সোনারপুর-রাজপুর বাজারাও তিনদিনের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। হাওড়ায়ও এর ব্যতিক্রম হল না। শনিবার বাজার কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক সারে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। ওই বৈঠকেই হাওড়ার কনটেনমেন্ট জোন সংলগ্ন একাধিক এলাকার বাজার রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর হাওড়ার নস্করপাড়া বাজার, হরগঞ্জ বাজার, বেলুড়, লিলুয়া বাজার। বন্ধ থাকতে পারে সাঁকরাইল, ঘুষুড়ি, ডোমজুড় বাজারও।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

Educated Thief: ২০টি চুরি করে পুলিশের জালে ইংরেজিতে এমএ পাশ যুবক

ইংরেজিতে এমএ করেছে। কিন্তু চুরি করা তাঁর নেশা ও পেশা। উচ্চশিক্ষিত ছেলের এমন অধঃপতন দেখে কিছুদিন আগেই আত্মঘাতী হন মা। চোর ধরতে গিয়ে এমনই সব তথ্য পেয়ে বিস্মিত হাওড়ার সাঁকরাইল থানার পুলিশ।একটি চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে সাঁকরাইল থানার পুলিশ। কিন্তু চুরির ঘটনার মূল পাণ্ডার পরিচয় পেয়ে কার্যত হতবাক তারা। ইংরেজিতে এমএ পাশ করেছেন এই চোর। কিন্তু কোনও ভদ্রস্থ কাজ করতে তাঁর ঘোর অনীহা। বরং চুরিই তাঁর নেশা। সেই নেশাকেই পেশা বানিয়ে একের পর এক চুরি করেছেন আসানসোলের যুবক।জানা গিয়েছে, আসানসোলের বাসিন্দা সৌমাল্য চৌধুরী-সহ মোট তিনজনকে চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দশ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না। সেই চোরের মূল পাণ্ডা সৌমাল্য চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে সে ইংরেজিতে এমএ পাশ করেছেন। কিন্তু চুরি করাই তাঁর নেশা। আর তাকে পেশা হিসেবেই বেছে নেন। এরপর আসানসোল, হাওড়া, হুগলি জেলা মিলিয়ে কমপক্ষে কুড়িটি চুরির ঘটনায় সে যুক্ত।আরও পড়ুনঃ দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ-বোমাবাজিতে উত্তপ্ত জয়নগরসৌমাল্যর বাবা সরকারি অফিসার ছিলেন। মা ছিলেন শিক্ষিকা। ছেলের কুকীর্তির কথা জানতে পেরে আত্মঘাতী হন মা। কিন্তু এতেও শোধরাননি সৌমাল্য। একবার আসানসোল পুলিশের হাতে ধরা পড়ে কয়েকমাসের জন্য জেল খেটে ছাড়া পান। কিন্তু তার পর গত ৯ জুন হাওড়ার সাঁকরাইল থানার অন্তর্গত দুইলা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় দশ ভরি সোনার গয়না চুরি করে চম্পট দেন। স্কুটি করে পালাবার সময় ফ্ল্যাটের এক আবাসিক ওই স্কুটির নম্বর লিখে নেন। এই নম্বরের সূত্র ধরেই পাঁশকুড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সৌমাল্য চৌধুরী ও এক সঙ্গী প্রকাশ শাসমলকে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মাধব সামন্ত নামে আরও এক অভিযুক্তকে।হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ প্রতীক্ষা ঝাঁকরিয়া জানান, মাধব সামন্তকে চুরির মাল বিক্রি করতেন এরা। হাওড়ায় বিভিন্ন এলাকায় নটি চুরি করেছে অভিযুক্তরা। এদের আজ হাওড়া আদালতে পেশ করে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ। অনুমান, বাকি চুরির ঘটনারও কিনারা হয়ে যাবে।

জুন ২০, ২০২১
কলকাতা

Wall Collapse: হনুমানের লাফে পাঁচিল ভেঙে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

এক বাড়ির ছাদ থেকে আরেক বাড়ির ছাদে হনুমান লাফ দিতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পাঁচিল। আর সেই পাঁচিল চাপা পড়ে মারা গেলেন ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা। মর্মান্তিক ওই ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকেলে হাওড়ার বালির হাজরাপাড়া এলাকায়। গত দুদিনের অতিভারী বৃষ্টিতে এমনিতেই জীর্ণ বাড়িটি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। আর তার উপর হনুমান এসে ছাদে লাফ দিতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ছাদের একাংশ। আর তাতেই পাঁচিলের একাংশ ভেঙে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় ষাটোর্ধ্ব ওই মহিলার। এই ঘটনায় কার্যত শোকস্তব্ধ বালির হাওড়ার হাজরাপাড়া। এইভাবে কারও মৃত্যু হতে পারে তা বিশ্বাস করতে পারছেন না কেউই। বেলুড় স্টেট জেনারেল হাসপাতালে মহিলাকে আনা হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, জীর্ণ বাড়ির নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন আরতি দাস নামের ওই মহিলা। শুক্রবার বিকেলে ওই ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যদের চোখের সামনেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যায়। ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে বালির হাজরাপাড়া এলাকা।এদিকে, এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতার আত্মীয় সোমা দে জানান, যখন তিনি এবং তাঁর স্বামী দুজনে মিলে বিকেলে বাড়িতে গাছ লাগাচ্ছিলেন, তখন মেজদিদি আরতি দাস সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় হঠাৎ একটা আওয়াজ হয়। দেখেন মেজদিদি মাটিতে পড়ে আছেন। একটা হনুমান এক ছাদ থেকে আমাদের ছাদে লাভ দেওয়ার সময় একাংশ হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে ওনার মাথায়। আকস্মিক এই ঘটনা চোখের সামনে ঘটে যায়। মৃতার ছেলে অর্ণব দাস জানান, একটা হনুমান এক অ্যাসবেস্টস থেকে অন্য অ্যাসবেস্টসে লাফ দিতে গিয়ে ছাদের একাংশ মায়ের মাথায় এসে পড়ে। সেই সময় বাড়িতে তিনি ছিলেন না। এরপর খবর পেয়েই হাসপাতালে দ্রুত ছুটে আসেন। দেখেন এই ঘটনা।মৃতার ভাই আশীষ দে জানান, শুক্রবার বিকেলে তাঁরা বাড়ির বাগানে গাছ লাগাচ্ছিলেন। তখন একটা হনুমান ছাদের ওপর লাফিয়ে যাওয়ার সময় উপরের সিঁড়ির কাছে প্রায় ৬টি ইঁটের চাঁই ভেঙে মেজদির মাথায় পড়ে। এই ঘটনার উনি মারাত্মকভাবে মাথায় আঘাত পান। ঘটনাটা বালি হাজরাপাড়া লেনে ঘটে। বর্ষায় ইঁটের চাঁই আলগা অবস্থায় ছিল। এই অবস্থায় দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

জুন ১৯, ২০২১
বিবিধ

World Record: ডুব দিয়ে রেকর্ড গড়লেন হাওড়ার তরুণ

পুকুরে বা নদীতে স্নান করার সময়ে জলে মাথা ডোবান প্রায় সকলেই। যাকে বলা হয় ডুব দেওয়া। কিন্তু কখনও কি গুনে দেখেছেন রোজ স্নান করার সময়ে আপনি ঠিক কতগুলি ডুব দিয়েছেন। এবারে লাগাতার ডুব দিয়ে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নাম তুললেন হাওড়ার এক তরুণ। তিনি চার ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ে ১১ হাজারেরও বেশি ডুব দিয়ে এই বিরল রেকর্ডের অধিকারী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়ার তেলকল ঘাটে এই রেকর্ড করেন মুকেশ গুপ্তা নামের ওই তরুণ। দিল্লি থেকে আসা ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডের প্রতিনিধি আনন্দ বেদান্তের সামনেই মাত্র ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডে তিনি ১১,৫০৪টি ডুব দিয়ে রেকর্ড গড়েন। এ ব্যাপারে মুকেশ গুপ্তা জানান, নতুন নতুন রেকর্ড করার ইচ্ছা সব সময় থাকে। একটানা ডুব দেওয়ার রেকর্ড করার ইচ্ছা ছিল। সেইমতো ট্রেনিং তিনি নিয়েছেন। আরও রেকর্ড করার ইচ্ছে আছে তাঁর। এদিন তেলকল ঘাটের গঙ্গায় ১১ হাজারেরও বেশি ডুব দিয়ে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস নাম তুলেছেন। এর আগে একটা ডুব দিয়ে এইভাবে রেকর্ড কেউ করেননি। এই রেকর্ড করার জন্য জন্য আড়াই মাসের ট্রেনিং নিতে হয়েছিল। বেশিরভাগ সময় জলে থাকতে হয়েছিল অনুশীলনের জন্য। তিনি চেষ্টা করবেন আরও রেকর্ড করার। এর জন্য সরকারি সাহায্য প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসের প্রতিনিধি আনন্দ বেদান্ত জানিয়েছেন, ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডে ১১ হাজার ৫০৪টি ডুব দিয়ে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলেছে মুকেশ গুপ্তা। এদিন সকাল সাতটায় ডুব দিতে শুরু করেছিল। সোয়া ১১টা নাগাদ তিনি ডুব শেষ করেন। একটানা ডোবার রেকর্ড এটাই প্রথম এবং এখনও পর্যন্ত শেষ বলে জানিয়েছেন তিনি।

জুন ১৭, ২০২১
কলকাতা

Monsoon: প্রবল বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা হাওড়ার

রাত থেকে একটানা অতিভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে হাওড়া শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। এর জেরে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নিচু এলাকা জলে ডুবে রয়েছে। পুরনিগম এলাকার অধিকাংশ ওয়ার্ডে জল জমেছে। বুধবার দিনভর দফায় দফায় বৃষ্টির পর সারারাত অতিভারী বৃষ্টি হয়। টানা ভারী বৃষ্টির জেরে হাওড়া শহর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। হাওড়ার পঞ্চাননতলা, বেলিলিয়াস রোড, বেনারস রোড, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস, টিকিয়াপাড়া, লিলুয়া ভূতবাগান, পেয়ারাবাগান, কোনা, জিটি রোড জলমগ্ন হয়। এছাড়াও বেনারস রোডের কামিনী স্কুল লেন, ঘোষপাড়া, মহীনাথপাড়া, অক্ষয় চ্যাটার্জ্জি লেন, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা, তিনকড়ি নাথ লেন, সীতানাথ বোস লেন-সহ ১০ নং ওয়ার্ড এদিনের বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়। নিম্নচাপ ও মৌসুমী বায়ুর জোড়া প্রভাবে মুষলধারের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া রেল স্টেশনের কাছে রাস্তা প্রায় ফুট তিনেক জলের তলায় চলে গিয়েছে। এছাড়াও বালিখাল, বালি মিল, অভয়নগর, বসুকাটি, বোসপাড়া বেলুড় স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জলের তলায় চলে যায়। বি গার্ডেন কোলে মার্কেটের মতো এলাকায় হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ঘুসুড়ির জেএন মুখার্জি রোড-সহ হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে যায়। এদিন ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাসে টিকিয়াপাড়া রেল স্টেশনের কাছে রাস্তায় জমা জল ঢুকে বিকল হয়ে যায় একটি অ্যাম্বুল্যান্স।রোগী নামিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুল্যান্সটি বিকল হয় বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার তরফ থেকে পুর প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য ভাস্কর ভট্টাচার্য্য বলেন, সব মিলিয়ে ৪৫ টি পাম্প চালানো হয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে চলছে হাওড়া পুরনিগমের ৯টি এবং কেএমডিএ-র ২টি পাম্পিং স্টেশন। সকাল থেকে জোয়ার ছিল। ওই সময় লকগেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বারোটার পর ভাটার সময় লক গেট খোলা হয়েছে। তার আগে জল বার করা সম্ভব হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যদি মুষলধারে বৃষ্টি আর না হয় তাহলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। তাঁর দাবি, যেসব জায়গায় বেশি পরিমাণ জল দাঁড়ায় ওই সকল জায়গায় জলের উচ্চতা অনেকটাই কমেছে। সকাল থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় আশা করছেন লক গেট খুলে দেওয়ায় খুব তাড়াতাড়ি জল অনেকটাই নেমে যাবে। বর্ষায় বিভিন্ন প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেমন নিকাশি নালার পরিষ্কার করার কাজ চলছিল। অনেকটাই কাজ হয়ে গিয়েছে। যেসব পাম্পগুলো খারাপ হয়ে গিয়েছিল সেগুলো ঠিক করা হয়েছে। বাকি যে কাজ আছে সেগুলোর কাজ চলছে। গত বুধবার প্রচণ্ড বৃষ্টি হয়। এর পাশাপাশি সকাল থেকেও সেই বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছিল। যদি এই বৃষ্টি না হতো তাহলে জলের স্তর অনেকটা কমে যেত। উল্লেখ্য, বর্ষার আগে হাওড়া শহরের রাস্তায় জমা জল জমার মতো সমস্যা সমাধানে গত ১৮মে হাওড়া শরৎ সদনে এক বৈঠক হয়। সেখানে কেএমডিএ, সেচ, এইচ আই টি-র ইঞ্জিনিয়াররা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে স্থায়ী জল সমস্যা সমাধানের জন্য সাতাশটি জায়গাকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

জুন ১৭, ২০২১
কলকাতা

Firhad Hakim: শালিমার শিপ বিল্ডার্সের হাল ফেরাতে পরিদর্শন ফিরহাদের

হাওড়ার শালিমার শিপবিল্ডার্স অনেক দিন ধরেই লোকসানে চলছে। রাজ্য সরকারের অধীনস্থ ধুঁকতে থাকা এই সংস্থাকে কিভাবে চাঙ্গা করা যায় তা ক্ষতিয়ে দেখতে সোমবার সকালে সংস্থাটি পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সংস্থাটির হাল ফেরাতে উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলার ভাবনাচিন্তা শুরু করা হয়েছে। চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে একজন কর্মরত আইএএস অফিসারকে। শালিমার লাভের মুখ দেখলে লাভ সরকারের। তাই শালিমার শিপবিল্ডারকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই কারণেই পরিবহন মন্ত্রীর এই সংস্থা পরিদর্শন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিন শালিমার শিপবিল্ডার্স পরিদর্শন করে সেই সংস্থার পরিকাঠামো সম্পূর্ণ নতুন করে তৈরির কথা জানান। তিনি বলেন, প্রথম কাজ সংস্থার অর্থনৈতিক পুনর্গঠন করা। এর পাশাপাশি সংস্থার যে জায়গাগুলো পড়ে আছে সেই জায়গাগুলোকে ব্যবহার করা। শুধু তাই নয় সরকারের যেসব প্রকল্পের কাজ বাইরে করা হয় সেগুলি এখানে নিয়ে আসা হবে। তিনি জানিয়েছেন, গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স বাইরে থেকে কাজ করিয়ে থাকে। সেখান থেকে তাদের লাভজনক কাজগুলি এখানে টেনে নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও সরকার প্রাইভেট সংস্থাকে দিয়ে যে যে কাজগুলি করিয়ে থাকে সেগুলি শালিমার করবে। পাশাপাশি, রিভার ট্রাফিক সার্ভিসের কাজে প্রাইভেট সংস্থাকে না দিয়ে শালিমার কে দিয়ে করানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এদিন তিনি জানান, বড় নৌকাগুলি অত্যাধুনিকভাবে সাজিয়ে কলকাতার দর্শনীয় স্থানগুলি দর্শন করানো এবং গঙ্গা ভ্রমণের কাজে ব্যবহার করা হবে। এছাড়াও শালিমারে একটা ছোট ড্রাই ডক তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, এখানে যদি ভালো পরিকাঠামো গড়ে তোলা যায় তাহলে আগামী দিনে শালিমার লাভের মুখ দেখবে। এতে সরকারি লাভবান হবে। এই কারণে শালিমার কে নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। এদিন তিনি আরও বলেন, প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো শালিমার শিপবিল্ডার্স সম্পর্কে অনেক কথা শুনেছি। এসে দেখি এটার বিশাল পরিকাঠামো। রাজ্য সরকারের পরিকাঠামোও বড়। কিন্তু কোন কারণে কোম্পানিটা ধুঁকছে। তিনি সেক্রেটারি সঙ্গে কথা বলে এক আইএএস অফিসার কে এই কোম্পানির দায়িত্ব দেওয়া হলো বলে জানান। আগে যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা এতটা দক্ষ ছিলেন না। তিনি আরও জানিয়েছেন, শালিমার শিপবিল্ডার্স এ কিছু সমস্যা আছে। এই শিপবিল্ডার্সের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে করা হবে। যেমন জাহাজ সারানো, নতুন জাহাজ আনার মতো রাজ্য সরকারের কাজ শালিমারে করা হবে। এতদিন এই সমস্ত কাজ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে দিয়ে করানো হতো। এই কাজ করানো হলে শালিমার শিপবিল্ডার্স চলবে। ২০০৪ সালে কিছু অর্ডার নিয়েছিল এই সংস্থা। সেটা দিতে পারছে না। ফলে প্রায় ১৫ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এই লোকসান থেকে লাভের পথে নিয়ে আসার জন্য পরিকাঠামো নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে। অনেক জাহাজ অর্ধেক হয়ে পড়ে আছে এগুলি সম্পন্ন করা হবে। তাঁর আশা সরকার এই সংস্থাকে ভালোভাবে চালাতে পারবে। তিনি আশা করছেন, ভবিষ্যতে সংস্থাটি লাভবান হবে।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

লিলুয়ায় এস আই গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার ৪

লিলুয়া থানা এলাকার বামুনগাছি সি রোডে পুলিশের ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে ধৃতদের মালিপাঁচঘড়া এবং লিলুয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে আরও একাধিক দুষ্কৃতীর খোঁজ করতে চাইছে পুলিশ। সোমবারের ঘটনা আসলে রবিবার হাওড়ার বাঁধাঘাট শ্মশানের একটি ঘটনার জের বলে পুলিশসুত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বামনগাছি সি রোডের বাসিন্দা এলাকার পরিচিত ব্যবসায়ী এবং তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী সন্তোষ মুখিয়া নামে এক ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর তাঁর দেহ নিয়ে তাঁরই সতীর্থরা যখন সালকিয়া বাঁধাঘাট শ্মশানে যান। সেখানে নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য কেন্দ্র করে গোলমাল শুরু হয়। পরস্পরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে। তাতে কয়েকজন আহত হন। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরেই বেলগাছিয়া সি রোডে পুলিশি পাহারা বসানো হয়। বাইকে চেপে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী সোমবার সন্ধ্যায় সি রোডের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে হামলা চালায়। পরের পর বোমা পড়তে থাকে। গুলি চলে।পুলিশ জানিয়েছে, দুষ্কৃতীদের তাড়া করলে লিলুয়া থানার কর্তব্যরত এসআই সুমন ঘোষকে লক্ষ করে গুলি চালানো হয়। দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া একটি গুলি তাঁর বাঁ পা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় হাওড়ার আন্দুল রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। হাওড়া সিটি পুলিসের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, কারও শরীর লক্ষ্য করেই যে গুলি ছোঁড়া হয়েছে, তা পরিষ্কার।হাওড়া সিটি পুলিসের ডি সি(নর্থ) অনুপম সিং জানান, পুলিশের ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাওড়ার মালিপাঁচঘড়া, লিলুয়া প্রভৃতি জায়গা থেকে তাদের ধরা হয়েছে। এই ঘটনায় যুক্ত বাকিদেরও খোঁজ চালান হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে সুমনবাবুর পায়ে। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। এদিন ধৃতদের আদালতে পেশ করা হয়েছে।

জুন ০৮, ২০২১
কলকাতা

চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসককে মারধর ও নার্সিংহোমে ভাঙচুর

রোগী মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা, চিকিৎসককে মারধর ও নার্সিংহোম ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল হাওড়ায়। হাওড়ার বাঁকড়ার জাপানি গেট এলাকার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয় শুক্রবার রাতে। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে পরিবারের লোকজন ভাঙচুর চালায়, এমনকী এক চিকিৎসককে মারধরও করা হয়। স্থানীয় দাসনগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। দুপক্ষের অভিযোগই খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।গত ২৬ মে তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে ওই নার্সিংহোমে ভর্তি হন ডোমজুড়ের গয়েশপুরের বাসিন্দা আতিয়ার রহমান। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর অবস্থার অবনতি হয়ে মৃত্যু হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মৃত বৃদ্ধের এক আত্মীয়ের অভিযোগ, শ্বাসকষ্ট থাকা সত্ত্বেও করোনা পরীক্ষা না করে ওই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ বৃদ্ধের চিকিৎসা শুরু করে। করোনায় ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলেন তিনি। ওই নার্সিংহোমে কোভিডের চিকিৎসা হয় না। এমনকী, করোনা পরীক্ষার জন্য ওই বৃদ্ধের লালারস অন্যত্রও পাঠানো হয়নি। ফলে সঠিক চিকিৎসা না হওয়ার জন্যই রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ বৃদ্ধের পরিবারের। বৃদ্ধ মারা যাওয়ার পরই শুক্রবার রাতে বৃদ্ধের পরিবার ও প্রতিবেশীরা ওই নার্সিংহোমের উপর চড়াও হন। ভাঙচুরের পাশাপাশি নার্সিংহোমের এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ ওঠে। নার্সিংহোমের সিসিটিভিতে ওদিন রাতের পুরো ঘটনা ধরা পড়ে। অপরদিকে, যে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ ও যাঁকে মারধর করার অভিযোগ সেই চিকিৎসক এম আহমেদ রোগীর পরিজনদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানান। পাশাপাশি, তিনি জানান, শ্বাসকষ্টের কারণে ভর্তির সময়েই নার্সিংহোমের তরফে আরটিপিসিআর বা কোভিড পরীক্ষা করাতে বলা হয়েছিল মৃতের পরিবারকে। তাঁরা তা করতে চাননি। চিকিৎসকের কথায়, শ্বাসকষ্ট নিয়ে আসা রোগীদের ওই নার্সিংহোমে সিটি স্ক্যান কিংবা আরটিপিসিআর পরীক্ষা বাইরে থেকে করাতে হয়। বাইরে থেকে পরীক্ষা করে নিয়ে আসার কথা বলা হলেও মৃতের পরিবার তা করেননি। তাই শ্বাসকষ্ট থাকায় ওই রোগীকে ভেন্টিলেটরে দেওয়া হয়েছিল। কোভিড টেস্ট করা হলে, পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট এলে অবশ্যই ওই বৃদ্ধকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হতো বলে জানান নার্সিংহোমের ওই চিকিৎসক। রোগীর পরিজনরা তাঁকে মারধর করেন বলেও জানান তিনি। এদিকে দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়ে প্রকৃত ঘটনা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ২৯, ২০২১
কলকাতা

শিয়রে যশ, প্রস্তুতি হাওড়ার জেটিঘাটেও

ঘূর্ণিঝড় যশ-এর সতর্কতা হিসেবে হাওড়া জেটিঘাটেও নেওয়া হয়েছে একাধিক ব্যবস্থা। লঞ্চগুলিকে দড়ির সাহায্যে এবং লোহার চেনের সাহায্যে বেঁধে রাখা হয়েছে। কর্মীদের যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিপদ মোকাবিলার কাজে। এর আগেও আয়লা, বুলবুল, আম্ফান প্রমুখ ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলা যেভাবে করা হয়েছিল সেইভাবেই আসন্ন ঘূর্ণিঝড় যশ- এর মোকাবিলা করা হচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের কাজে কর্মীরা প্রস্তুত থাকছেন। লাইফ জ্যাকেট রাখা হয়েছে। সরকারি যা নির্দেশ আসবে এবং দপ্তরের আধিকারিকরা যা নির্দেশ দেবেন সেই অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় যশ- এর মোকাবিলায় কাজে নামা হবে। জেটিঘাটের রক্ষণাবেক্ষণ প্রসঙ্গে লঞ্চ কর্মী প্রবীর কুমার হাইত বলেন, এটি আমাদের চতুর্থ অভিজ্ঞতা। এর আগে আয়লা, বুলবুল, আম্ফান হয়ে গিয়েছে। এবার যশ। আমরা পুরনো এবং নতুন দড়ি দিয়ে ভালোভাবে লঞ্চগুলোকে বেঁধে রেখেছি। এক একটা লঞ্চের সাতজন করে কর্মী আছেন। এদিন সব কর্মী উপস্থিত থাকবেন। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ১০ থেকে ১২ জন কর্মী থাকেন। তাঁরা সকলেই উপস্থিত থাকবেন। এদিন ব্যবস্থা থাকবে লাইভ বোট, লাইভ জ্যাকেটের। অফিসের সকল কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। প্রশাসনের নির্দেশমতো কাজ হবে।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

লকডাউনে জুটমিল বন্ধে পথে বসলেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক

করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যে লকডাউনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেল হাওড়ার আরও একটি জুটমিল। কাজ হারালেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।দাশনগরের ভারত জুটমিলের পর এবার বালি বাদামতলার মহাদেব জুটমিল সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ দিয়ে বন্ধ হল। আজ বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় হাজারের উপরে শ্রমিক। মূলত কাঁচামালের আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম বন্ধ হল হাওড়ার বালি বাদামতলা মহাদেব জুটমিল। কর্মহীন হয়ে পড়লেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।মিলের ট্রেড ইউনিয়ন নেতা মিহির দত্ত বলেন, সকালে হঠাৎ কাঁচামাল নেই বলে মিলে সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এই কারখানা বন্ধ হওয়ায় প্রায় এক হাজার কর্মী কাজ হারালেন। কাঁচামালের অজুহাত দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। স্বাধীনতার পর এই প্রথম মিলটি বন্ধ হলো। এটা অন্যায় করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে মানুষ যেখানে খেতে পারছে না সেখানে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া অনৈতিক। আমাদের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন পাট এলে মিলের কাজ হবে।মিল বন্ধের কারণে মিলের সামনে ধর্না দিচ্ছেন কর্মীরা। এদিন সকালে কাজে এসে দেখা যায় মিল বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মিলের এক কর্মী তাফের আলম জানান, এদিন সকালে এসে দেখেন কাঁচা মালের জন্য মিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল কাঁচামাল এলে কাজ হবে। লকডাউনের কারণে পাট রাস্তায় আটকে আছে। এই পরিস্থিতিতে প্রায় এক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়লেন। সরকারি নির্দেশমতো ৩০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ চলছিল। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা না করেই মিল কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি শ্রমিকদের।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

যুবককে পিটিয়ে খুন, রণক্ষেত্র হাওড়া

সামান্য বচসার জেরে যুবককে পিটিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়ার শিবপুর। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটলেও মঙ্গলবারও উত্তেজনা এলাকায়। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে জিটি রোড অবরোধ করেছন স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে মোতায়েন প্রচুর পুলিশ ও র্যাফ।হাওড়ার শিবপুরের বাগদি পাড়ার বাসিন্দা গুড্ডু চৌরাসিয়া নামে ওই যুবক। জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে পাশের পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে ওই যুবক ও তাঁর বন্ধুরা। ক্রমেই তা হাতাহাতিতে পৌঁছে যায়। একে অপরকে লক্ষ্য করে শুরু করে ইটবৃষ্টি। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এলাকার বেশ কয়েকটি দোকানে। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। অভিযোগ, সেই সময় বেধড়ক মারধর করা হয় গুড্ডুকে। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শিবপুর চত্ত্বর। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে জিটিরোড অবরোধ করে উত্তেজিত ঘটনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামে প্রচুর পুলিশ ও ব়্যাফ। তাঁদের সামনেও চলে অবরোধ। এখনও রীতিমতো উত্তপ্ত এলাকা। বাগদি পাড়ার এক বাসিন্দার দাবি, সামান্য খেলাধুলো নিয়ে কথা কাথাকাটাকাটি থেকেই এই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। সামান্য অশান্তির কারণেই পিটিয়ে খুন করা হল যুবককে, নাকি নেপথ্যে লুকিয়ে অন্য রহস্য, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ১১, ২০২১
কলকাতা

ভ্যাকসিন নেই, লাইনে দাঁড়িয়েও ফিরে যেতে হল হাওড়ার বহু মানুষকে

ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় হাওড়ার অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া গেল না। প্রয়োজনের দশ ভাগের এক ভাগ ডোজ এসেছে জেলায়। যে কারণেই তৈরি হয়েছে সমস্যা বলে মত জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের। যার ফলে হাওড়া পুরসভার প্রাথমিক স্বাস্থকেন্দ্রগুলি থেকে পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে ভ্যাকসিন দেওয়া। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, চাহিদা মত ভ্যাকসিন না থাকায় গোলমালের আশঙ্কায় পুরসভা কম সংখ্যক ডোজ নিতে চায়নি। ১লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিনের প্রয়োজন থাকলেও, এসেছে মাত্র ১০হাজার ডোজ। গত শুক্রবার হাওড়ার অধিকাংশ কেন্দ্রে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ বন্ধ থাকবে বলে নোটিস লাগিয়ে দেওয়া হলেও সোমবার সকাল থেকেই বহু মানুষ ভ্যাকসিনের জন্য লাইন দেন। হাওড়া জেলা হাসপাতাল-সহ অন্যান্য হাসপাতালে অল্প সংখ্যক ভ্যাকসিন থাকায় বহু মানুষকেই ফিরে যেতে হয় ভ্যাকসিন না পেয়েই। হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, আমরা মাত্র ১০ হাজার ভ্যাকসিন পেয়েছি। তাই জেলার সরকারি হাসপাতালগুলিতে কিছু করে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রয়োজন ছিল ১ লক্ষ ডোজ। কিন্তু তা না আসায় সব কেন্দ্রে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের নার্সদের

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখালেন নার্সিং কর্মীরা। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে চরম অব্যাবস্থার অভিযোগ। পর্যাপ্ত সাফাই কর্মী ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর অভাবে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোগীর মলমূত্র-সহ বিছানা পরিষ্কার না হওয়ার অভিযোগ রোগীদের। এদিন দুপুরে ডিউটি শেষ করে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন নার্সরা। মূলত পরিকাঠামোর অভাবেই এই কোভিড হাসপাতালে সাফাই সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই বিক্ষোভ দেখালেন নার্সরা। তাঁদের অভিযোগ, ড্রপিং এরিয়া, যেখানে ডিউটি শেষে নার্সরা তাঁদের পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট কিট বা পিপিই কিট ছেড়ে রাখেন সেই এলাকা প্রত্যেক শিফটের পরে পরিষ্কার করার কথা থাকলেও তা করা হয় না। ফলে থেকে যায় সংক্রমণের আশঙ্কা। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাথরুমের জল ওয়ার্ডের ভিতরে ঢুকে পড়ছে। এগুলি পরিষ্কার হচ্ছে না। তার উপর হাসপাতালের রোগীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত খাবার জল। এমনকী, কোনও রোগীর মৃত্যু হলে সেই দেহ পড়ে থাকছে শয্যায়। পাশে থাকা অন্য রোগীরা যার ফলে তীব্র সমস্যায় পড়ছেন বলে অভিযোগ। নার্সদের আরও অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না-থাকাতেই এই নরকীয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীর পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীও থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে এই কর্মচারী পর্যাপ্ত না থাকায় তৈরি হয়েছে সমস্যা। তাঁরা জানান, ২০০ জন রোগী পিছু ১২ ঘণ্টায় মাত্র এক জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থাকছে। ফলে অপরিষ্কার হয়ে পড়ে থাকছে কোভিড ওয়ার্ড। হাসপাতালের এক নার্সের অভিযোগ, রোগীরা শয্যা থেকে পড়ে গেলে তাঁদের বেডে তোলার মতো লোক থাকছে না। অক্সিজেন দেওয়ার লোক নেই। চূড়ান্ত এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও রোগীর পরিবারে তাদের পেশেন্ট সংক্রান্ত খোঁজ খবর নেওয়ার জন্যে একটি ফোন নম্বর দেওয়া হলেও সেই ফোন নম্বরে ফোন এলে রোগীর সেবা করতে গিয়ে পরিজনদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মত সুযোগ পাচ্ছেন না নার্সরা। ফলে রোগীর পরিজনরাও তাঁদের রোগীর খবর না পেয়ে অসহায় বোধ করছেন এবং অভিযোগও করছেন। হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী বা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী না থাকায় সমম্বয়ের অভাবে চিকিৎসা পরিষেবা দিতেও সমস্যা হচ্ছে বলে এদিন দাবিপত্রে জানান বিক্ষোভরত নার্সরা। এদিকে এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, স্বাস্থ্য আধিকারিকদের একটি দলকে বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমস্যা থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এই কোভিড হাসপাতাল নিয়ে বারে বারেই নানান অভিযোগ তুলেছেন রোগীর পরিজনরা। এবারে পরিকাঠামোগত সমস্যা তুলে ধরে বিক্ষোভে সামিল হলেন নার্সরা। পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে বিক্ষোভ উঠে যায়।

মে ০৬, ২০২১
কলকাতা

হাওড়ার স্ট্রংরুমগুলিতে সিসিটিভির কড়া নজরদারি

হাওড়া জেলার সবকটি স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় লাগানো হয়েছে সিসিটিভি। এছাড়াও স্ট্রংরুমের বাইরে একটি এলইডি স্ক্রিন লাগানো রয়েছে। যেখানে সিসিটিভিতে ধরা পড়া স্ট্রংরুমের বাইরের ছবি দেখা যাচ্ছে। কেউ স্ট্রংরুমের বাইরে আসছেন কি না তা যেমন হাওড়ায় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নজর রাখতে পারছেন, তেমনই সাধারণ মানুষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তা দেখতে পাচ্ছেন। স্ট্রংরুমে যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্যই নজরদারির এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও জেলার ১২টি স্ট্রংরুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। স্ট্রংরুমের গেটের বাইরে পাহারা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাওড়া জেলায় যেখানে যেখানে স্ট্রংরুম রয়েছে সেগুলি হল বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষামন্দির, হাওড়া ময়দানের সেন্ট থমাস চার্চ স্কুল, শিবপুরের আইআইইএসটি, সাঁকরাইলের সিকম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পাঁচলার নয়াচক যদুনাথ হাইস্কুল, উলুবেড়িয়ার সিআইপিটি বানীতবলা, শ্যামপুর সিদ্ধেশ্বরী মহাবিদ্যালয়, বাগনানে ভারত অ্যাকাডেমি, আমতার সিআইটি বানিতবলা, উদয়নারায়ণপুরে মাধবীলতা মহাবিদ্যালয়, জগদবল্লভপুরে শোভারানী মেমোরিয়াল কলেজ ও ডোমজুড়ের আজাদ হিন্দ ফৌজ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়। এইসব স্ট্রংরুমগুলিতে রাখা রয়েছে ইভিএম। গত ৬ ও ১০ এপ্রিল দুদফায় হাওড়া জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হয়। ৫ হাজার ৫৫৬টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হয়। সেইমতোই জেলার এই ১২টি স্ট্রংরুমে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ইভিএমে বন্দি রয়েছে ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষের মতামত। হাওড়ায় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানালেন, গত লোকসভা নির্বাচন থেকেই তালা দেওয়া স্ট্রংরুমের নজরদারি বাড়াতে সিসিটিভির ব্যবহার শুরু হয়। এমনকী, স্ট্রংরুমের বাইরে এলইডি স্ক্রিন রাখা হয়। তিনি জানান, সহজেই যাতে স্ট্রংরুমের ছবি স্ক্রিনে ফুটে ওঠে তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা সবই এলইডি স্ক্রিনে দেখতে পাবেন স্ট্রংরুমের অবস্থা। শুধু স্ট্রংরুমের বাইরে থেকে নয়, জেলায় নির্বাচনের কন্ট্রোল রুম থেকেও স্ট্রংরুম থেকে নজরদারি চালানো যাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিন নিয়মিতভাবে নির্বাচন কমিশনের পদস্থ আধিকারিকরা ১২টি স্ট্রংরুমে গিয়ে পরিদর্শন করছেন। সবমিলিয়ে কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে হাওড়ারl স্ট্রংরুমগুলিকে। আগামী ২ মে ফল ঘোষণার দিন খোলা হবে এই স্ট্রংরুমগুলি।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
কলকাতা

করোনা নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাওড়া জেলা প্রশাসনের

উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে হাওড়ার করোনা পরিস্থিতি। লাফিয়ে লাফিয়ে উর্ধগামী হাওড়া পুর এলাকার করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরিস্থিতি দেখে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন নিচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ। হাওড়া প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, গত বছর লকডাউনের পর থেকে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, ধাপে ধাপে সেগুলি প্রায় সবই ফিরিয়ে আনা হবে। তবে এবার কোনও রাস্তা বা বড় এলাকা ধরে কন্টেইনমেন্ট জোন নয়, এবার করা হবে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন। কোনও বাড়ি বা আবাসন থেকে পাঁচজন বা তার বেশি সংখ্যক করোনা আক্রান্তের খবর এলে সেই আবাসন বা নির্দিষ্ট কয়েকটি বাড়িকে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করে নজরদারির আওতায় আনা হবে। এছাড়াও আবার চালু করা হচ্ছে টেলিমেডিসিন ব্যবস্থা। এছাড়া বাজারহাট, জনবহুল এলাকাগুলি একদিন অন্তর জীবাণুমুক্ত করা, সেফ হোম পরিষেবা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ধাপে ধাপে এই কাজগুলি শুরু হয়ে যাবে। হাওড়া জেলা প্রশাসনের এক পদস্থ আধিকারিক এই খবর জানিয়েছেন। হাওড়া শহরে সংক্রমণের বাড়াবাড়ির কথা মাথায় রেখে নেওয়া হচ্ছে আরও কিছু ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন বাজারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের তোড়জোড় চলছে। এক-দুদিনের মধ্যে সেই বৈঠক সেরে কীভাবে নিয়ন্ত্রিতভাবে বাজারগুলি চালু করা যায় এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা করোনা বিধি মেনে চলেন, সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হাওড়ার মঙ্গলাহাটে প্রতি সপ্তাহে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হচ্ছে। আগের মতো সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত মঙ্গলাহাটের বেচাকেনা চলছে। সেখানে অনেকেই মাস্ক পরার বিষয়ে কোনও তোয়াক্কা করছেন না। এই বিশাল পাইকারি হাটেও কীভাবে করোনা বিধি চালু করা যায় বা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ লাগু করা যায়, সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে প্রশাসন। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত করোনা সংক্রান্ত বুলেটিন থেকে জানা যাচ্ছে, গত ১১ এপ্রিল ২৯৩ জন, ১০ এপ্রিল ২৮৯ জন এবং ৯ এপ্রিল ২২৩ জন নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। মাসখানেক আগেও এই দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৩০-৪০ এর মধ্যে ছিল। এই কদিনে যেভাবে তা বেড়ে গেল, এখনই তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আগামী মাসখানেকের মধ্যে সংক্রমণের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। সূত্রের খবর, ১১ এপ্রিলের তথ্য অনুযায়ী হাওড়ার প্রায় ১৮০০ সক্রিয় করোনা রোগীর মধ্যে প্রায় ১৪০০ জনই হাওড়া পুরসভা এলাকার। তাই শহর নিয়েই আপাতত উদ্বেগ বেশি রয়েছে প্রশাসনের। বালিটিকুরি হাসপাতালকে ইতিমধ্যে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করে অতিরিক্ত ৬০০ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে সত্যবালা আইডি হাসপাতালও। সব ধরনের পরিকল্পনা ঠিকঠাক কার্যকর হলে আগামী সপ্তাহ তিনেকের মধ্যে সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ, পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় র‍্যাফ

পুলিশি নিষ্ক্রীয়তার অভিযোগে থানা ঘেরাও তৃণমূলের।শিবপুরে ভোট পরবর্তী সংঘাত তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। বাঁকড়ার পরে এবারে শিবপুরের চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয় ওলাবিবিতলার ভ্যানিশকালি এলাকা। সোমবার রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শিবপুরের অনন্তদেব মুখার্জি লেনে নামে র্যা ফ। অনন্তদেব মুখোপাধ্যায় লেনের ভ্যানিস কালি অগ্রনী সংঘের মাঠের কাছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে মারামারি হয়। সোমবার রাতে এই সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার তৃণমূল চ্যাটার্জিহাট থানা ঘেরাও করে। চ্যাটার্জিহাট থানার ওসির অপসারণের দাবিতে থানা ঘেরাও করে তারা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় বার বার পুলিশকে ফোন করলেও রাতে ঘটনাস্থলে কোনও পুলিশ পাঠানো হয়নি। বিজেপির তরফেও জেলা নেতৃত্ব থানায় গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। তাঁদের অভিযোগ, ভোট শেষ হতেই চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঢুকে মারধর করেছে তৃণমূল। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দাবী বিজেপির মহিলা বাহিনী তৃণমূলের মহিলাদের উপর সোমবার রাতে লাঠি ও রড নিয়ে চড়াও হয়। এতে তৃণমূলের দুই মহিলা গুরুতর আহত হন। যদিও বিজেপি এই আক্রমণের কথা অস্বীকার করেছে। বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। গুরুতর আহত তৃণমূলের এক মহিলা কর্মী মুনমুন চক্রবর্তী বলেন, আমি অফিস থেকে ফিরছিলাম। হঠাৎ ৩০ থেকে ৪০ জন মহিলা আমাকে পিছন থেকে এসে মারধর শুরু করে দিল। মাথায় ইঁট দিয়ে মারলো। তার পর রাস্তায় ফেলে পিঠে লাঠি, টিউবলাইট দিয়ে বেধড়ক মারধর করলো। আক্রমণকারীরা সব বহিরাগত। ওরা প্রত্যেকেই বিজেপির আশ্রিত। এলাকার বাসিন্দারাই আমাকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই মহিলাকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিষয়ে হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, বিজেপি আশ্রিত মহিলা দুষ্কৃতীরা লাঠি, টিউবলাইট নিয়ে চ্যাটার্জিহাটের অনন্তদেব মুখার্জি লেনে বাড়ি বাড়ি ঢুকে ৬৫ থেকে ৭০ বছরের বৃদ্ধবৃদ্ধাদের মারধর করেছে। বেধড়ক মারধর করা হয়েছে তৃণমূলের মহিলা কর্মীদের। স্থানীয় এক বিজেপি নেতার এলাকায় মদের দোকান রয়েছে। ওই নেতাই প্রচুর কালো টাকা ছড়িয়ে বাইরে থেকে মহিলা দুষ্কৃতী নিয়ে এসে এলাকার বাসিন্দাদের মারধর করেছে। ভোটের পর এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত বলেন, হাওড়ায় শনিবার ভোট মিটতেই সব জায়গায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করছে। সোমবার রাতে চ্যাটার্জিহাটেও একই ঘটনা ঘটেছে। হাওড়া জেলা হাসপাতালে প্রচুর বিজেপি কর্মী আহত হয়ে ভর্তি আছেন। এভাবে তৃণমূল আমাদের কর্মীদের মারতে থাকলে আমরা আর হাত গুটিয়ে বসে থাকবো না। আমরাও এবার পাল্টা মারবো। শনিবার ভোট মেটার পরেই রবিবার রাতে বাঁকড়ায় সংঘাতে জড়ায় তৃণমূল ও বিজেপি। সেই সংঘাতের রেশ মিটতে না মিটতেই সোমবার রাতে চ্যাটার্জিহাটে আবার যুযুধান দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয় র্যা ফ। হাওড়ায় ঘটা একের পর এক ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
কলকাতা

পাত্রীর সুপার ইম্পোজ করা ভিডিও দেখে বিয়ে ভাঙল বর

পাত্রীর ভিডিও ছবি সুপার ইম্পোজ করে বিয়ের দিনেই পাত্রের ফোনে পাঠানো হযেছিল। সেই ভিডিও দেখেই বেঁকে বসে পাত্রপক্ষ। রাতে বিয়ে করতে আসেনি বর। বিয়ে ভেঙে যায়। হাওড়ার সাঁতরাগাছি এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার এক পরিবারে মঙ্গলবার ছিল ওই বিয়ের অনুষ্ঠান। ওই দিন সকালেই পাত্রীর ছবি সুপার ইম্পোজ করে সেই অশ্লীল ভিডিও আসে পাত্রের ফোনে। এদিকে, বিয়ের সব প্রস্তুতি সারা হলেও সন্ধ্যায় মেয়ের বাড়ির লোকজন অপেক্ষা করলেও বিয়ে করতে আসেনি বর। আলোকসজ্জায় সাজানো বিয়ের অনুষ্ঠানে মুহুর্তেই নেমে আসে অন্ধকার। স্থানীয় থানায় মেয়ের বাড়ির তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই ফেক ভিডিও কে বা কারা বানালো এবং তা পাত্রপক্ষের কাছে পৌঁছে গেল তার উপযুক্ত তদন্তের দাবি করেছে পাত্রীপক্ষ। সেই ফেক ভিডিও যে সুপার ইম্পোজ করে বানানো হয়েছে তা পাত্রপক্ষকে জানানো সত্বেও কেন বর বিয়ে করতে এলো না তা নিয়ে পাত্রের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো হয়েছে থানায়। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। এদিকে, পাত্রীর বাবা জানান, বিয়ের সব আয়োজন সারা হয়েছিল। এখন ভেঙে যাওয়ায় ক্ষতি হয়ে গেল। শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, এই বিয়ের সঙ্গে আমাদের পরিবারের মানসম্মান জড়িয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

নর্দমায় ভাসছে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড!

যে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে রাজ্যের শাসকদল এবারে হাওড়ায় নর্দমা থেকে পাওয়া গেল সেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড। বুধবার রাতে রাজবল্লভ সাহা লেনের একটি নর্দমায় এই কার্ড পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাটি হাওড়া পুরসভার ২৮নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। স্থানীয় বাসিন্দা অভিজিৎ মণ্ডল জানান, রাতে রাস্তার ধারে কল থেকে জল নিতে গিয়ে দেখেন, নর্দমায় পড়ে রয়েছে ৮ থেকে ১০টি স্বাস্থ্যসাথী কার্ড। কে বা কারা কার্ডগুলো ওখানে ফেলে গেল তা বুঝতে না পেরে, স্থানীয়রাই কার্ডগুলো তুলে গুছিয়ে রাখেন। এলাকার আর এক বাসিন্দা বিশ্বরূপ সাহা জানান, রাজ্য সরকার কার্ডগুলো সাধারণ মানুষের হাতে তুলে না দিয়ে এগুলো নষ্ট করছে।এই ঘটনায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বিজেপির জেলা সদর সভাপতি সুরজিৎ সাহা বলেন, রাজ্য সরকার দুয়ারে আর মানুষের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রাজবল্লভ সাহা লেনের যমের দুয়ারে পড়ে রয়েছে। রাজ্য সরকার মানুষের জীবন নিয়ে খেলছে। এই প্রসঙ্গে মধ্য হাওড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড রাস্তায় পড়ে থাকার খবর শুনেছি। ঠিক কী হয়েছে তা খোঁজ নিয়ে দেখছে প্রশাসন। এদিকে এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

টিফিন, পানীয় জল, এমনকি কলমও 'শেয়ার' করা নিষেধ স্কুলে

ছাত্রীদের একসময়ে সব কিছু সকলে ভাগ করে নেওয়ার শিক্ষা দিয়েছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। শুক্রবার নিউ নর্মাল পরিস্থিতিতে স্কুল খোলার দিনে ছাত্রীদের ভাগ করতে বারণ করার কথা তাঁর মূখেই শোনা গেল। করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ১১মাস বন্ধ থাকার পরে এদিনই প্রথম খুলল স্কুল। সকালে স্কুলে ঢোকার সময়ে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে সার দিয়ে দাঁড়াতে হলো ছাত্রীদের। প্রথমেই থার্মালগান দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হলো, তারপরে হাত স্যানিটাইজার দিয়ে জীবানুমুক্ত করে তারপরেই ক্লাসরুমে ঢুকতে দেওয়া হলো হাওড়া যোগেশচন্দ্র গার্লস স্কুলের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের। এদিন সকালে স্কুলে আসা ছাত্রীদের করোনা বিধি মেনে চলার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি, নিজেদের মধ্যে টিফিন, পানীয় জল, এমনকি কলমও শেয়ার করতে বারণ করেন।এদিন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শুভ্রা চক্রবর্তী বলেন, ছোট বেলায় যাদেরকে সবকিছু ভাগ করে নেবার শিক্ষা দিয়েছিলাম, করোনা পরিস্থিতিতে এবারে সেটাই করতে তাদের বারন করতে হচ্ছে। ছাত্রীদের করোনা বিধি মেনে চলার কথা বলেছি। প্রতি বেঞ্চের দুই ধারে দুইজন ছাত্রী বসবে। এদিন প্রায় এক বছর পরে স্কুলে এসে যারপরনাই খুশি ছাত্রীরা।একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী রিয়া সাহানির কথায়, প্রায় এক বছর পরে আবার বন্ধুদের সাথে দেখা হচ্ছে। অনেক নতুন বন্ধু হয়েছে। খুব আনন্দ হচ্ছে। এদিন ধর্মঘটের মধ্যে স্কুলে আসা নিয়ে এক অবিভাবকের কথায়, ওরা তো অনেকদিন ধরেই গৃহবন্দী হয়ে রয়েছে। তাই বাংলা বনধে স্কুল খোলায় ওদেরকে আর থামানো যায়নি। বামফ্রন্টের ডাকা বন্ধ না মেনে তাই স্কুলে ছুটেছে পড়ুয়ারা। এদিনের বাংলা বনধে হাওড়ার জনজীবনে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া কোন প্রভাব পড়েনি। বাস ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল। বন্ধ না মেনে পথে নামেন মানুষজন। হাওড়া স্টেশনে ট্যাক্সি পরিষেবাও প্রায় স্বাভাবিক ছিল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
রাজ্য

সাধারণের জন্য খুলে গেল বেলুড়মঠের দরজা

দ্বিতীয় দফায় ১৯১দিন বন্ধ থাকার পরে বুধবার থেকে আপামর ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে গেল বেলুড়মঠ। এদিন থেকেই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিওর মেনে লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্যে খুলে দেওয়া হল বেলুড়মঠের দ্বার। গত ২৫শে জানুয়ারী এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন বেলুড়মঠের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবিরানন্দ মহারাজ। লকডাউনের জেরে ২০২০সালে ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল বেলুড় মঠ। ৮২ দিন বন্ধ থাকার পর। ১৫ জুন তা আবার জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় একাধিক করোনা বিধি মেনে গেটে প্রবেশ করান হতো।বেলুড়মঠে ঢোকার সময় সামাজিক দুরত্ব মানা থেকে স্যানেটাইজ করে মঠে ঢোকা, সব করোনাবিধিই মানতে হত ভক্ত থেকে দর্শনার্থী সকলকেই। এর প্রায় দেড় মাস পর ২রা আগস্ট থেকে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় বেলুড় মঠ। সেই সময়ে মঠের আবাসিক প্রায় ৮০জন সন্যাসী করোনায় আক্রান্ত হন। যার জেরেই মূলত দ্বিতীয়বার বেলুড়মঠে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার থেকে প্রত্যহ সকাল ৮.৩০মিনিট থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ও বিকাল ৩.৩০মিনিট থেকে বিকাল ৫.১৫মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকবে মঠের দরজা | মঠের মূল মন্দিরসহ মোট চারটি মন্দিরে প্রবেশ করতে পারলেও, মন্দিরে বসা ও মঠ চত্বরে সময় কাটাতে পারবেন না কেউ | দেখা যাবে না সন্ধ্যা আরতি।কোভিড বিধিকে মান্যতা দিয়ে এই বছরে বেলুড়মঠে বন্ধ রাখা হচ্ছে সাধারণ উৎসব। আগামী ২১মার্চ সাধারণ উৎসব বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে জানান মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ জী মহারাজ। এদিন তিনি আরো জানান, আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারী সরস্বতী পূজা ও আগামী ১৫ই মার্চ ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের জন্মতিথি পুজার দিনেও ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হবে। এই দিনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড়ের ফলে করোনা বিধি ভাঙ্গার আশঙ্কাই করছেন মঠ কর্তৃপক্ষ। এদিন মঠ কর্তৃপক্ষ যে পরিমান দর্শনার্থীর আশা করে ছিলেন সেই তুলনায় কয়েক গুন বেশী ভক্ত ও দর্শনার্থীদের এলেও কোন সমস্যা হয়নি। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের বাসিন্দা স্নাতকোত্তরের ছাত্রী পারমিতা এদিন সকালেই মায়ের সাথে ছুটে আসেন বেলুড়মঠে। তিনি জানান, মঠে ঢোকার সময়ে থার্মাল গান দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে, হাতে দেওয়া হচ্ছে স্যানিটাইজার। পারমিতার ভাষায় আজকের ভোর নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। তিনি আরও জানান, করোনা আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিলেও অনেক শিক্ষাও দিয়েছে। করোনার প্রকোপ কমে গেলেও মাস্ক পরা সহ কিছু বিধিনিষেধ লাগু থাকাই আমাদের পক্ষে মঙ্গলের বলে মনে করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরণ! “রাজভবনে কেন যাব?”—ইস্তফা নয়, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তিনি রাজভবনে যাবেন না। তাঁর সাফ কথা, আমি কেন রাজভবনে যাব? যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে ভেবে আমি পদত্যাগ করতে যাবএটা ভুল। আমরা ভোট হারিনি, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।কংগ্রেসের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনও জোট হবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি কৌশলী উত্তর দেন। জানান, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলবেন না।ভোটের ফল ঘোষণার পর একাধিক গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন মমতা। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। বেলেঘাটায় খুনের ঘটনা, মহিলাদের ধর্ষণের হুমকিএমন অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর কথায়, এতে বিশ্বের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে যে নির্বাচন গণতান্ত্রিক ভাবে হয়নি।তিনি আরও বলেন, মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ। ওঁরা ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু আমরা সেই ভোট রক্ষা করতে পারিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, দেশে কি একটাই দল থাকবে?কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তীব্রভাবে আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, তারা গুণ্ডার মতো আচরণ করেছে। তাঁর দাবি, এভাবে অত্যাচার চলতে থাকলে খুব তাড়াতাড়ি সত্য সামনে চলে আসবে।মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁর দলের উপর যদি অত্যাচার করা হয়, তবে তার জবাব মিলবে। তিনি অভিযোগ করেন, জোর করে ভোট দখল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি দশ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটি বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করবে।তিনি আরও দাবি করেন, ভোট গণনার সময় তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আমাকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। একজন মহিলা হিসেবে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত অপমানজনক।মমতা অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের একাংশ আগেই দেখাতে শুরু করেছিল যে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জিতলে বলেছিলাম বদল চাই, বদলা নয়। কিন্তু এখন তিন দিন ধরে অত্যাচার চলছে।তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরও হামলা হয়েছে। ভাঙর থেকে বারাসত, কলকাতা থেকে জঙ্গলমহলসব জায়গাতেই অশান্তির অভিযোগ তোলেন তিনি।নিজের অবস্থান নিয়ে মমতা বলেন, আমি এখন পদে নেই, আমি স্বাধীন। আমি কখনও বেতন নিইনি, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি।তিনি আরও দাবি করেন, এমন নির্বাচন তিনি আগে কখনও দেখেননি। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন-সহ বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান।সবচেয়ে বড় অভিযোগ হিসাবে তিনি বলেন, প্রায় একশো আসন জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, লড়াই হয়েছে শুধু একটি দলের বিরুদ্ধে নয়, নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।ভোটের ফলের পর রাজ্যের রাজনৈতিক ছবি আমূল বদলে গিয়েছে। একাধিক মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন, কিছু এলাকায় দল টিকে থাকলেও কয়েকটি জেলায় একেবারে শূন্য হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে এই পরিস্থিতিতেও পরাজয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরই চমক! রাজভবনে যাচ্ছেন না মমতা, বললেন “আমরা হারিনি”

সোমবার ভোটের ফল স্পষ্ট হতেই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দাবি উঠতে থাকে যে এবার রাজ্যের ক্ষমতা গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। জল্পনা ছিল, বিকেলের মধ্যেই লোকভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত গড়ালেও তিনি সেখানে যাননি।মঙ্গলবার কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি পরাজয় মানছেন না। তাঁর কথায়, আমরা হারিনি। তাই লোকভবনে যাওয়ার প্রশ্ন নেই। আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। যদি শপথ নিতে হত, তাহলে যেতাম।২০১১ সালে যেমন ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা, তখন ফলাফল স্পষ্ট হতেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়েছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২৬ সালেও একই ছবি দেখা যাবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিলেন মমতা।নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে ইস্তফা দিতে বলতে পারেন। তবে মমতা জানিয়েছেন, সেই নির্দেশ এলেও তিনি ইস্তফা দেবেন না। অর্থাৎ ফলাফলকে তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে রাজি নন।এই অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই আচরণ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের ফল নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, সকাল থেকেই সংবাদমাধ্যমে বিজেপির জয়ের খবর দেখানো হচ্ছিল। কয়েক রাউন্ড গণনার পর থেকেই তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা শুরু হয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলাদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।মমতা আরও বলেন, তাঁকেও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। তাঁর কথায়, একজন মহিলা এবং একজন মানুষ হিসেবে যে অপমান করা হয়েছে, তাতে বোঝা যায় কর্মীদের সঙ্গে কী করা হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! মমতার বাড়ির সামনে থেকে সরল কড়া নিরাপত্তা, কী ঘটছে ভিতরে?

এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর নামের পাশে প্রাক্তন শব্দটি যুক্ত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রায় পনেরো হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি (Mamata Banerjee)।এই পরিস্থিতিতে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ছবি। তাঁর বাড়ির সামনে থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (Mamata Banerjee)।দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই বাড়িতেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলা। সময়ের সঙ্গে বাড়ির আশপাশের পরিবেশ বদলালেও তাঁর বাড়ির গঠন খুব একটা বদলায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ওই এলাকার নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছিল।বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর তাঁর বাড়ির সামনে শক্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। বাড়ির সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বাইরের কেউ ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে গার্ডরেল পেরোতে হত এবং কারণ জানাতে হত। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিজেদের পরিচয় জানিয়ে ঢুকতে হত (Mamata Banerjee)।এখন সেই গার্ডরেল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর আগের মতো বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে পুলিশি নজরদারি এখনও বজায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতে একাধিকবার তাঁর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমনকি অস্ত্র নিয়ে ঢোকার অভিযোগও উঠেছিল। বিভিন্ন সময়ে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।কয়েক মাস আগেও অভিযোগ উঠেছিল, কিছু অচেনা ব্যক্তি তাঁর বাড়ির আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরার মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি সামনে আসার পরই নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছিল।তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সেই নিরাপত্তা বলয়ে শিথিলতা আসায় নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal