• ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Howrah

রাজনীতি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে তালা ঝুলল তৃনমূল অফিসে

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দের জেরে তৃণমূল পার্টি অফিসে তালা লাগানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিল হাওড়ার শিবপুরে। শিবপুরে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে তালা ঝোলানোর অভিযোগ তোলে। শিবপুর থানায় পরষ্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করল দুই পক্ষই। ৩৭নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দীলিপ ঘোষ জানান, ওটি কাউন্সিলরের অফিস। শিবপুর বাজারে ওই অফিস ঘরটি ভাড়া নিয়ে তিনি কাউন্সিলরের অফিস করেছিলেন। এমনকি সেই ঘরের ভাড়া তিনি এখনও দেন। হঠাৎই গত শনিবার রাতে ওই কার্যালয়ের তালা ভেঙে সেখানে অন্য একটি তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতি কৌশিক গুপ্ত এই কাজ করেন। তাই তিনি এ ব্যাপারে শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছন। ওই কার্যালয়টি ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূলের কার্যালয় ছিল বলে জানান ওয়ার্ড সভাপতি কৌশিক গুপ্ত। এই অফিসে আগে প্রতি সপ্তাহে একদিন প্রাক্তন জেলা সভাপতি অরূপ রায় আসতেন বলেও জানান তিনি। দলীয় ওই কার্যালয়ের সাইন বোর্ডে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূলের কার্যালয় বলে লেখা ছিল। সেটি দীলিপবাবু তুলে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের হাওড়া জেলার চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, শিবপুর বাজারের ওই অফিসটি দলীয় কার্যালয়। ওখানে সকলেই বসতে পারেন। দীলিপ ঘোষ ও কৌশিক গুপ্ত এঁদের দুজনের কাছেই আলাদা আলাদা চাবি থাকে। ওঁরা যখন হোক গিয়ে বসবে। দলের জেলা সভাপতি লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলেন, চেয়ারম্যান অরূপ রায় বিষয়টি দেখছেন। এ ব্যাপারে আমি ওঁনার সঙ্গে আলোচনা করবো। এদিকে দীলিপবাবু কার্যালয়টিতে তালা মেরে দিয়ে চলে যাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে দলের তরফে শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানান কৌশিকবাবু।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট। হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় হাওড়া জেলা প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের। পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার কথায়, প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি, তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট।  হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে  দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের।  পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার  কথায়,  প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি,  তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

উদ্বোধনের আগেই গঙ্গাযাত্রা নির্মীয়মান বিশ্রামগৃহের

নির্মীয়মান বিশ্রাম গৃহের ভেঙে পড়ল গঙ্গায়। এ যেন একেবারে গঙ্গাযাত্রা। সাঁকরাইলের মাণিকপুর ফাঁড়ির সারেঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের হীরাপুরে গঙ্গার পাড়ে থাকা শ্মশানে শ্মশানযাত্রীদের জন্য নির্মীয়মান একটি বিশ্রামাগার এদিন ভেঙ্গে পড়ে নদীতে। রবিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই জায়গাটিতে গঙ্গার পাড়ে ইঁট দিয়ে তৈরি গার্ডওয়াল রয়েছে বহু বছর আগে থেকেই। সেই গার্ডওয়ালের ভিতরে তৈরি করা হচ্ছিল এই বিশ্রামগৃহটি। জেলা ও ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের বৈতরণী প্রকল্পের টাকায় এই ভবনটি গড়া হচ্ছিল শ্মশানযাত্রীদের বিশ্রামের জন্য। রবিবার সকালে নদীগর্ভে রীতিমতো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নীল-সাদা রঙের একতলা বাড়িটি। বাড়িটি ধ্বসে পড়ে গঙ্গাবক্ষে। যদিও এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা জখমের ঘটনা ঘটেনি। মাস ছয়েক আগে এই ভবননি নির্মানের কাজ শুরু হয়। সম্প্রতি কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে ছিল। কয়েকদিনের মধ্যে উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল বিশ্রামগৃহটির। এদিন সকালে ঘটনার খবর পেয়ে পরিস্থিতি দেখতে আসেন স্থানীয় পঞ্চায়েতের প্রধান মৃদুলা বাছার, সাঁকরাইলের বিডিও সহ একাধিক প্রশাসনিক কর্তা। গত কয়েকদিন ধরেই গঙ্গা নদীতে চলছে ভরা কোটাল। তার জেরেই এই ঘটনা বলে অনুমান এলাকার বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

'মমতার মমতা' প্রকল্পে কুড়ি টাকায় মাংস-ভাত!

মাত্র কুড়ি টাকায় দুপুরে পেটপুরে মাংস ভাত ? করোনা আবহে দুর্মূল্যের বাজারে একথা কেউ বিশ্বাস করবেন না। আর এই অবিশ্বাস্য বিষয়টাকে বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগী হাওড়া পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন পুরপিতা বাপি মান্না। এই কাউন্সিলর এবল এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উদ্যোগে এই অভিনব প্রকল্প চালু করা হয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে মমতার মমতা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিদিন মধ্যাহ্নে প্রায় ২০৫ থেকে ৩০০ জন মানুষের জন্য স্বল্প মূল্যে মধ্যাহ্ন ভোজনের ব্যবস্থা করা হবে। যেখানে মাত্র কুড়ি টাকা দিলেই পাতে পড়বে সপ্তাহে একদিন মাংস ভাত। এছাড়াও ডিম-সবজি ভাত, ১৫ টাকায় নিরামিষ ভাত সহ এরকম হরেক রকম দুপুরের মেনু। বাপি মান্না বলেন, ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এই অভিনব আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের সহযোগিতায় এই আয়োজন। এলাকায় দিন আনা দিন খাওয়া অনেক গরিব মানুষদের প্রতিদিন দুপুরে হোটেলে খাবারের জন্য যেতে হয় তারা এখান থেকে সুলভ মূল্যে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজন করতে পারবেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষও চাইলে এখানে আসতে পারবেন। বাপি মান্না বলেন, প্রতিদিন দুপুরে স্বল্প মূল্যে সুলভ আহারের ব্যবস্থা করেছি। খুব অল্প মূল্যে আমরা এই খাবার সরবরাহ করব। অল্প দামে যে কেউ এখান থেকে খাবার কিনতে পারবে। এখানে তিন দিন নিরামিষ এবং চার দিন আমিষ থাকবে। ভাত, ডাল, সবজি, মাছ ছাড়াও সপ্তাহে একদিন মাংস ভাত থাকছে। কুড়ি টাকায় আমিষ ও ১৫ টাকায় নিরামিষ খাবার মিলবে। প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ জনের টার্গেট রাখছি। প্রকল্পটি সারা বছর চালানোর চেষ্টা করব। এখানে এলে কেউ অভুক্ত থেকে ফিরে যাবে না। ক্যারি ব্যাগ সিস্টেমে খাবার দেওয়া হবে। নামমাত্র টাকা দিয়েই সেই খাবার পার্সেল সিস্টেমে তাঁরা পাবেন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

করোনা আবহে মঙ্গলাহাট খুলছে শনিবার

দীর্ঘ টালবাহানার পরে প্রায় ৬মাস পরে খুলতে চলেছে হাওড়ার শতাব্দী প্রাচীন মঙ্গলাহাট। শনিবার রাতে খুলে রবিবার সকাল পর্যন্ত চলবে মঙ্গলাহাট। করোনা সংক্রমণের জেরে লকডাউনের সময় থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয় এই হাট। গত সপ্তাহে হাট খোলার সিদ্ধান্ত জানায় প্রশাসন। নামে মঙ্গলাহাট হলেও বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে শনিবার রাত ৯টা থেকে খুলবে মঙ্গলাহাট। চলবে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। বর্তমানে শুধুমাত্র স্থায়ী দোকানগুলিই খোলার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। হাওড়া ময়দান চত্বর জুড়ে রাস্তার ফুটপাতে বসা খুচরো বিক্রেতা এবং স্টলগুলিকে আপাতত বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। শনিবার রাতের মঙ্গলাহাটে কীরকম জনসমাগম হচ্ছে, করোনার স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করে আগামী দিনে ধাপে ধাপে হাটের পুরানো চেহারা ফিরিয়ে আনা হবে। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে আপত্তি জানিয়েছিলেন মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। যদিও শুক্রবার তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে শনিবার রাতে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। হাওড়া হাট সমন্বয় সমিতির সহ সম্পাদক কানাই পোদ্দার বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। আপাতত শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত হাট চালু করে তাঁরা ব্যাবসার পরিস্থিতি দেখবেন। তিনি জানান, এইভাবে আস্তে আস্তে চালু হোক। হাটের ঢোকার গেটে রাখা হবে স্যানিটাইজার। এমনকি ব্যাবসায়ীদের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিতে চিকিৎসক বসানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলাহাটে মোট প্রায় ১১টি বড় বিল্ডিং রয়েছে, যেখান থেকে পাইকারি হারে নানা বস্ত্র বিক্রি করা হয়।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

তোলা না দেওয়ায় মারধর ব্যবসায়ীকে

পুলিশ ফাঁড়ির থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে তোলাবাজদের তান্ডব।  তোলা দিতে না চাওয়ায় ব্যাবসায়ীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তোলাবাজরা। রেহাই পেলেন না ব্যাবসায়ীকে তোলাবাজদের হাত থেকে বাঁচাতে আসা ওই ব্যাবসায়ীর বাবা। তোলাবাজদের মারে মাথা ফাটল তাঁরও। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ পুলিশ জানলেও কিছুই করেনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিনা  পয়সায় ‘গুটকা’ না দেওয়ায় রড আর লোহার বালা দিয়ে মেরে এক ব্যবসায়ী যুবক ও তাঁর বাবার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল। হাওড়ার চ্যার্টাজিহাটের সাঁতরাগাছি মোড়ে এই ঘটনা ঘটেছে।  প্রায় ১মাস আগেই জগাছায় এক ছাঁট লোহার ব্যবসায়ীর কাছে তোলা না পেয়ে তাকে গুলি করার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল এলাকায়।  এবারে বিশ্বকর্মা পূজার রাতে চ্যাটার্জিহাট এলাকায় তোলাবাজদের দাপট দেখা গেলো আবার।  স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে,  রাত্রিবেলায় ভয় দেখিয়ে  স্থানীয় দোকানদারদের ওপর  তোলাবাজি শুরু করেছে এলাকার কিছু দুষ্কৃতী। তোলা না দিলেই মুদিখানার মালিক, স্টেশনারি দোকানদার বা অন্যান্যদের  চড় থাপ্পড় মারছে, এমনকি   খুনের হুমকিও দিচ্ছে ওই দূষ্কৃতিরা।  প্রতিদিন তোলা দিতে দিতে অতিষ্ট এক ব্যবসায়ী যুবক প্রতিবাদ করতেই বৃহস্পতিবার রাতে ওই  ঘটনাটি ঘটে। লোহার রড বের করে স্টেশনারী দোকানের মালিক ওই যুবককে মাথায় আঘাত করে। হাতে পরে থাকা লোহার মোটা বালা দিয়ে বারবার আঘাত করা হয় ওই যুবকের মাথায় ও মুখে। ছেলেকে মারতে দেখে তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন বাবা-মা। দুষ্কৃতীরা বাবাকেও মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তাঁর  মাথাতেও চারটি সেলাই দিতে হয়। মাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে খুনের হুমকি দেয় ওই দূষ্কৃতিরা।  শুক্রবার  আক্রান্ত দোকানদার সঞ্জীব কুমার বলেন, ‘‘ওরা প্রতিদিনই  জিনিসপত্র নিয়ে যায় বিনা পয়সায়। টাকাও চায়,  না দিলে মারধর করে। ওরা আমাকে এমন ভাবে মেরেছে য়ে মাথার দুদিকে ৬টা সেলাই পড়েছে।’’ ওই যুবকের মা মীরাদেবী বলেন, ‘‘চেঁচামেচি শুনে দোকানের সামনে গিয়ে দেখি আমার ছেলেকে দু’জন ছেলে মিলে লোহার রড, হাতের মোটা লোহার বালা দিয়ে মেরেই চলেছে। ওর গেঞ্জি রক্তে ভেসে যাচ্ছে। আমি তখন ওর বাবাকে ডেকে আনি। কিন্তু ওর বাবাকেও  মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। আমাকে নোংরা ভাষায় গালিগাজাজ করে।’’  স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,  চক্রবেড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির কাছেই এই ঘটনা ঘটেছে।  প্রায় আধঘন্টা ধরে দুই দূষ্কৃতি তান্ডব চালালেও পুলিশের দেখা পাওয়া যায়নি। এলাকার মানুষজনের আরো অভিযোগ,  ফাঁড়ির সামনেই একটি ক্লাবে ওই তোলাবাজদের ওঠাবসা। তাই পুলিশ সব জানলেও কিছু করে না। এলাকার বাসিন্দা প্রবীর বসু বলেন, ‘‘দিনের পর দিন এই তোলাবাজির ঘটনা ঘটছে। সামনে পুলিশের ফাঁড়ি থাকলেও পুলিশ সর্ম্পূণ নিষ্ক্রীয়।’’ এদিকে আক্রান্ত ব্যবসায়ী চ্যাটার্জিহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত একজন দুষ্কৃতীকেও পুলিশ ধরতে পারেনি। হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক  বলেন, ‘‘ও তো এমন কিছু ঘটনা নয়। গুটকা কেনা নিয়ে দু’পক্ষের মারপিট হয়েছে। তোলাবাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।’’ ওই পুলিশ অফিসারের দাবি, পুলিশের কাছে আগে কোনও ব্যবসায়ী তোলাবাজি, মারধরের অভিযোগ করেননি। করলে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। তাই পুলিশি নিষ্ক্রীয়তার অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন।  তোলাবাজি ও মারধরের লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও পুলিশ বিষয়টিকে  সামান্য মারপিটের ঘটনা বলে দাবি করছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
ব্যবসা

হাওড়া জেলার বিভিন্ন বাজারে অভিযানে ইবি

করোনা পরিস্থিতিতে লাগামহীনভাবে বেড়ে চলা সবজির দামে লাগাম টানতে রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর হাওড়া সিটি পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ অভিযান চালাল হাওড়ার একাধিক বাজারে। হরগঞ্জ বাজার, বেলুড় বাজার, বালি বাজার, কালীবাবুর বাজার, গোরা বাজার, রামরাজাতলা বাজার, বাঁকড়া বাজার-এই সাতটি বাজারে অভিযান চালানো হয়। সেখানে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন ইবির আধিকারিকরা। আলু ও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে আগামী দিনে আবারও অভিযান চালানো হবে বলে হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে।এদিকে, বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে লেনদেন থেকে কোভিড-১৯ ছড়ানোর আশঙ্কা কিছুদিন ধরেই করা হচ্ছে। তাই এবারে বাজারের বিক্রেতাদের করোনা পরীক্ষা করল হাওড়া সিটি পুলিশ। রবিবার হাওড়ার পাইকারী আনাজ বাজারগুলির অন্যতম ধূলাগড় ট্রাক টার্মিনালে থাকা মানুষজনের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হলো। মাস্ক আপ সাঁকরাইল নামের এই সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠানে এদিন ধূলাগড় ট্রাক টার্মিনালের বাসিন্দাদের র্যান্ডম অ্যান্টিজেন টেস্ট পরীক্ষা করা হয় বলে সিটি পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

করোনা প্রতিরোধে 'ঘরে ফেরা' গৃহহীনদের

করোনা সংক্রমণের হার কমছে বলে দাবি হাওড়ায় জেলা প্রশাসনের। হাওড়া পুরসভা এলাকায় কমেছে কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। সাফল্যের সেই হার ধরে রাখতে এবারে শহরের নানা অংশে থাকা গৃহহীনদের পুরসভার ভবঘুরে আবাসে পাঠাতে উদ্যোগ নিল হাওড়া পুরসভা। হাওড়ায় কইপুকুরে রয়েছে পুরসভার একটি গৃহহীনদের জন্য আবাসগৃহ। পোষাকি নাম ঘরে ফেরা। কিছুদিন আগেই শহরে থাকা গৃহহীনদের জন্য এই ঘর তৈরি করে পুরসভা। বৃহস্পতিবার হাওড়া পুরসভার এক পদস্থ আধিকারিক জানান, এই শহুরে গৃহহীন আবাসগৃহে ইতিমধ্যেই ৫০জনের বেশী আবাসিক রয়েছেন। তিনি আরও জানান, করোনা সংক্রমণ যেন এদের মধ্যেও ছড়িয়ে না পড়ে তাই তাদের শহরের গৃহহীন আবাসগৃহে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরতে নিষেধ করা হচ্ছে করোনা সংক্রমণের ভয়ে, সেখানে খোলা আকাশের নিচে কাটানো এই মানুষগুলোর মধ্যে যেকোনো সময়ে ছড়াতে পারে কোভিড-১৯ সংক্রমণ। এমনকি সংক্রামিত হওয়ার পরে তাদের থেকেও ছড়াতে পারে কোভিড-১৯ সংক্রমণ। সেই সম্ভাবনা রূখতেই শহুরে গৃহহীনদের পুরসভার আবাসগৃহে পাঠাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে পুরসভাসুত্রে খবর। পুরসভার এক পদস্থ আধিকারিক জানান, তিনি নিজে বুধবারে হাওড়ার কইপুকুরের ওই আবাসগৃহ পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, আবাসগৃহে থাকা মানুষজন মূলত রাতটুকুই কাটান। এদিকে গত ৩সেপ্টেম্বর তারিখে প্রকাশিত কন্টেনমেন্ট জোনের তালিকা অনুযায়ী হাওড়া পুরসভা এলাকায় কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ছিল ১২ এবং সারা জেলায় ছিলো ৭৪টি কন্টেনমেন্ট জোন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত কন্টেনমেন্ট জোনের নতুন তালিকা অনুযায়ী হাওড়া শহরের পাশাপাশি জেলাতেও কমেছে কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। হাওড়া পুরসভা এলাকায় কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫টি এবং সারা জেলায় মাত্র ৬০টি কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুজোর আগেই বাঙালির রসনাতৃপ্তি, হাওড়ার পাইকারি মাছ বাজারে বাংলাদেশের ইলিশ

অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। পুজো উপলক্ষে হাওড়ার পাইকারি মাছ বাজারে এলো বাংলাদেশের ইলিশ। বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা দরে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই সেই ইলিশ মাছ কিনতে ভিড় খুচরো ব্যাবসায়ীদের। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর মোট ২০ মেট্রিক টন মাছ এসেছে বাজারে। রাজ্যের ইলিশ আমদানিকারী সংস্থা ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মুকসুদ বলেন, পুজোর আগে পদ্মার ইলিশ ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় এসেছে। এই ভালো লাগার আনন্দের কোনও সীমা নেই। কারণ সকলেই জানি যে, এপার বাংলার মানুষ ওপারের পদ্মার ইলিশের জন্য কতটা উদগ্রীব। আমরা গত ২০১২ সাল থেকে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি যাতে বাংলাদেশ রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। কিন্তু যাই হোক গত বছর পুজো উপলক্ষে তাঁরা আমাদের ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ দিয়েছিলেন। আর এই বছর ওনারা পুজো উপলক্ষে আমাদের ১৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ দিচ্ছেন। এটা অনেক বড়ো আনন্দের।মানুষ যে ইলিশ মাছ কিনতে কতটা পাগল সেটা আজকে বাজারে মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আমরা আশা করছি হয়তো বাংলাদেশ সরকার বাঙালির এই উৎসাহ দেখে ভবিষ্যতে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে দেবে। সোমবার ২০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ এসেছে। আজকে প্রায় ৩০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ আসবে। এরপর যে রকম আমদানি হবে মাছ আসতে থাকবে। প্রায় ১৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ আসবে। বিভিন্ন সাইজের ইলিশের বিভিন্ন দাম রয়েছে। ৫০০ গ্রাম থেকে ১২০০ গ্রাম পর্যন্ত সাইজের ইলিশ আছে। মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০০-১৩০০ টাকা পর্যন্ত। অকশন হচ্ছে। এর কোনও ফিক্সড রেট নেই। যা আসবে এই বাজারে সামনেই বিক্রি হবে। আমরা সফল যে আমাদের রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার, বাংলাদেশ সরকার সবাই এগিয়ে এসেছেন। আমাদের চেষ্টা সার্থক হলো। উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুটি ট্রাকে সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে ঢুকেছে পদ্মার ইলিশ। আজ মঙ্গলবার থেকেই বাজারে সেই ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। হাওড়ার বাজারে ইলিশ কিনতে ইতিমধ্যেই ভিড় জমিয়েছেন ক্রেতারা। একটি ইলিশ মাছ কিনে খুশি বীণা মন্ডল বলেন, এমন ভালো ইলিশ মাছ কিনে খুব আনন্দ হয়েছে। প্রত্যেক বছর যেন এমন মাছ পাই। বাঙালি ইলিশ মাছ খেতে খুব ভালোবাসে। পুজোর আগে ইলিশ পেলাম সেটাই বেশি আনন্দের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
ব্যবসা

শর্তসাপেক্ষে মঙ্গলাহাট খোলার অনুমতি প্রশাসনের

আর মঙ্গলবারে নয় এবারে শনিবারে বসবে হাওড়ার শতাব্দী প্রাচীন মঙ্গলাহাট। বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে ভিড় এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। প্রায় ৬ মাস পরে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার আবার বসবে এই হাট। গত ২৪ মার্চ থেকে করোনা আবহে প্রশাসনের নির্দেশে বন্ধ ছিল মঙ্গলাহাট। হাট চালু হওয়ার পর দুসপ্তাহ দেখা হবে যে কোভিড রীতি মেনে হাটে ব্যবসা হচ্ছে কিনা। একইসঙ্গে হাট চালু হওয়ার জন্য কোভিড সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে কিনা। যদি তা হয় তাহলে হাট ফের বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। শনিবার রাত ৯ টা থেকে খুলবে মঙ্গলাহাট। চলবে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। শুধুমাত্র স্থায়ী দোকানগুলিই চালু থাকবে। হাওড়া ময়দান চত্বর জুড়ে রাস্তার ফুটপাথে বসা খুচরো বিক্রেতা এবং স্টলগুলিকে আপাতত বসার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। শনিবার রাতের মঙ্গলাহাটে কীরকম জনসমাগম হচ্ছে, করোনার স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছেসেসব পর্যবেক্ষণ করে ধাপে ধাপে হাটের পুরানো চেহারা ফিরিয়ে আনা হবে। পাশাপাশি সোম ও মঙ্গল দুদিন নয়, এবার মঙ্গলাহাট বসবে সপ্তাহে একদিন শনিবার। শুধু শনিবার রাতেই চালু থাকবে মঙ্গলাহাট। মূলত পাইকারি কেনাবেচা হবে। হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য জানালেন, হাওড়া ময়দানে যেখানে হাট বসে সেই চত্বরেই হাওড়া জেলা হাসপাতালসহ প্রচুর প্রশাসনিক ভবন রয়েছে। এখানে নানা কাজে নিত্যদিন প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন। তাই কোনওভাবেই যাতে ওই এলাকায় সংক্রমণ না ছড়ায় তা বিচার করেই রাতে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে আপত্তি জানিয়েছেন মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। তাঁদের দাবি, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার পর হাট কীভাবে চালু করা সম্ভব, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁদের কিছুই জানানো হয়নি। শনিবার রাতে পাইকারি কেনাবেচার জন্য কম মানুষই আসবেন এবং ওই দিনে কলকাতার একটি পাইকারি বস্ত্রহাট খোলা থাকে বলে ক্রেতার সংখ্যা আরও কমবে বলে আশঙ্কা তাঁদের। জানা গিয়েছে, মঙ্গলাহাটে মোট প্রায় ১১টি বড় বিল্ডিং রয়েছে, যেখান থেকে পাইকারি হারে নানা বস্ত্র বিক্রি করা হয়। সেগুলি খোলা থাকবে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের বড় অংশ। হাওড়া হাট সমন্বয় সমিতির সহ সম্পাদক কানাই পোদ্দার বলেন, শনিবার রাতে তো কোনও ক্রেতাই আসবে না। তাঁর দাবি, রবিবার হলে ভালো, তা না হলে কোনও একটা দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হাট খোলার অনুমতি না দিলে তা ব্যবসায়ীদের কোনও কাজে আসবে না। তাছাড়া এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে প্রশাসনের তরফে কেউই তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেননি বলে দাবি ওই প্রতিনিধির। প্রয়োজনে ফের প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে এই নতুন নিয়ম পরিবর্তনের আবেদন করা হবে বলে জানান কানাইবাবু। হাট বন্ধ থাকায় চূড়ান্ত আর্থিক সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার ব্যবসায়ী। ১ জুন থেকে আনলক পর্ব শুরু হতেই ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে হাট খোলার আর্জি জানিয়ে আসছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের পাশে কংগ্রেস, বিজেপিকে তোপ শুভঙ্করের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের এক প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, ডাঃ মায়া ঘোষ, তপন আগরওয়াল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, শামিম আখতার, সুজিত পাটোয়ারী, তপন মণ্ডল, প্রতাপ মণ্ডল, অর্ঘ্য গণ-সহ অন্যান্য নেতারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।ঘটনার পর বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলেছিল। কিন্তু আজ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। হাথরস, উন্নাওয়ের মতো ঘটনার তালিকায় এখন এই এলাকার নামও জুড়ে গেল। কেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসছে, তার উত্তর দিতে হবে।বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্কর আরও বলেন, কোনও অপরাধ ঘটতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ঘটল। অতীতেও বাংলায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আর সেই কারণেই সরকার পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল। বিজেপি তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের সরকার এলে মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। কিন্তু আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?কংগ্রেসের দাবি, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানায় দল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের নতুন কোচের প্রথম হুঁশিয়ারি! ডার্বি নিয়ে এমন বার্তা দিতেই উত্তেজনায় ফুটবল মহল

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিস। এক বছরের চুক্তিতে সবুজ-মেরুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত দুই মরশুমে তিনি পাঞ্জাবের দায়িত্ব সামলেছেন। স্প্যানিশ কোচ সের্জিও লোবেরাকে বিদায় জানিয়ে নতুন কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই নতুন কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভালো ফুটবল নয়, জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।ফুটবল মহলে প্যানোস নামেই বেশি পরিচিত এই গ্রিক কোচ। আক্রমণাত্মক এবং গতিময় ফুটবল খেলাতে তিনি বিশ্বাসী। দীর্ঘদিন গ্রিসের বিভিন্ন প্রথম সারির ক্লাবে কাজ করার পর ভারতে এসে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিদেশি ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যানাজিওটিস বলেন, আগামী মরশুমের আগে দলের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া তৈরি করাই তাঁর প্রথম কাজ। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চান তিনি। মোহনবাগানের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন। সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের কাছে বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন।নতুন কোচের কথায়, বড় ক্লাবের দায়িত্ব মানেই বড় প্রত্যাশা। মোহনবাগানের সমর্থকদের ভালোবাসা এবং আবেগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। কঠোর পরিশ্রম, পেশাদার মানসিকতা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা অর্জনই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ক্লাবের ট্রফি জয়ের ধারাও বজায় রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী পঁচিশ জুলাই ডুরান্ড প্রতিযোগিতায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বি নিয়ে প্যানাজিওটিস বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই এই ম্যাচ। এর গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই জানেন। তবে শুধু আবেগ নয়, সঠিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই ডার্বিতে নামবে তাঁর দল। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েও সাহসী ফুটবল খেলে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মোহনবাগান।নতুন কোচের এই আত্মবিশ্বাসী বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এখন সকলের নজর আসন্ন ডার্বি এবং নতুন কোচের হাত ধরে মোহনবাগানের নতুন অধ্যায়ের দিকে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় অমিত শাহ, ভার্চুয়ালি মোদী! শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেখান থেকেই দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, আজ গোটা দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা এবং দেশগঠনের ভাবনা আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।কলকাতার এই অনুষ্ঠান থেকে মোদী বলেন, রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকলে দেশের মহান নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই সরকার পরিচালিত হয়। তাঁর দাবি, গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর এই উদ্যাপন আরও বড় আকারে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুধু একজন নেতার জীবন নয়, এটি একটি জনআন্দোলনের অনুপ্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। যে সময় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন চারদিকে কংগ্রেসের প্রবল প্রভাব ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের আদর্শে অটল থেকে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিকূল পরিবেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর এই উদ্যোগ আজও বহু মানুষের কাছে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রবাদ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! গণধর্ষণের অভিযোগে কাঁপল বারুইপুর

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে বড় মোড় এল। খুনের মামলার সঙ্গে এবার ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তদন্তে একাধিক গুরুতর ধারা যোগ হওয়ায় মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে তিন অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং ফরেন্সিক বিশ্লেষণও সম্পূর্ণ হয়নি। প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও আদালতে তুলে ধরা হয়। সেই কারণেই ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে নাবালিকার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। তদন্তে নেমে প্রথম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর তার জেরাতেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ এই মামলায় ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, নাবালিকার বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত বিশেষ আইন এবং নাবালিকা অপহরণের একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।সোমবার আদালতে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

শেষমেশ নির্বাচন কমিশনে বড় চাল! ‘আসল তৃণমূল’ প্রমাণে বিস্ফোরক দাবি, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

আসল তৃণমূল কে, সেই প্রশ্নের জবাব এবার নির্বাচন কমিশনের সামনে। সোমবার নির্ধারিত সময়ে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়া হয়েছে। সেই নথিতে নিজেদেরই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করেছে দল। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বাধীন শিবিরের দাবি আইনসম্মত নয় বলেও একাধিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের দাবি, দলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে প্রতি তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম থাকলেও, দুই হাজার ছয় সালে সংবিধান সংশোধন করে সেই মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই দুই হাজার বাইশ সালে শেষ সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বৈধ। এই অবস্থায় তিন বছরের মেয়াদের দাবি সম্পূর্ণ ভুল এবং আইনসম্মত নয় বলেই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।নথিতে আরও বলা হয়েছে, যদি ধরা হয় দুই হাজার পঁচিশ সালেই দলের সাংগঠনিক মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যাঁরা পরে জোড়াফুল প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের প্রার্থীপদও প্রশ্নের মুখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নির্বাচিত হওয়াও আইনগতভাবে বৈধ হবে না। সেই পরিস্থিতিতে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত বলেও দাবি করা হয়েছে।কালীঘাট শিবির আরও জানিয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা নিজেদের একটি ব্লক হিসেবে স্পিকারের কাছে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু দলের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ব্লকের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার অধিকার নেই। প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, এরপর রাজ্য স্তরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। ফলে একটি ব্লকের পক্ষে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সংবিধানবিরোধী বলেই দাবি করা হয়েছে।দলের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার আগে অন্তত দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। সেই বিজ্ঞপ্তি কোথায় প্রকাশ করা হয়েছে, তার কোনও তথ্য ঋতব্রত শিবির দেয়নি বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিতে বলা হয়েছে, দলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কেরা পদাধিকারবলে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। সেই হিসেবে বর্তমান সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কদের মতামত ছাড়া কোনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সম্ভব নয়। অথচ সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই অভিযোগ করা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের আরও দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা বারবার দলের সংবিধানের কথা উল্লেখ করছেন। অর্থাৎ তাঁরাও কার্যত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধান এবং দলের অস্তিত্ব স্বীকার করছেন। তাই নিজেদের পৃথক দাবি আইনগতভাবে টিকবে না বলেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।এই নথি জমা পড়ার পর আসল তৃণমূল এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ! বন্ধ দরজার বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা, কী কথা হল?

কলকাতা সফরে এসে আচমকাই অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারি কর্মসূচির তালিকায় এই সাক্ষাতের কোনও উল্লেখ ছিল না। তাই এই হঠাৎ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে, তবুও এর নেপথ্যে অন্য কোনও বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রথমে ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একশো পঁচিশ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখান থেকে তাঁর মিলন মেলায় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা থাকলেও আচমকাই তিনি বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় পনেরো মিনিট অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর, সেখানে চা-আড্ডার মধ্যেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ নিয়েই শুরু হয়েছে নানা রাজনৈতিক জল্পনা।এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের একাধিকবার দেখা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সেই সময় তাঁর হাতে রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সেই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।এর কিছুদিন আগে নিজের নতুন ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতেও গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।যদিও এই সাক্ষাৎ নিয়ে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক তাৎপর্যের কথা স্বীকার করেনি, তবুও সময় এবং পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে অমিত শাহ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত সর্বত্রই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে সামনে এল নতুন সিসিটিভি ফুটেজ! মৃত্যুর আগে কার সঙ্গে হাঁটছিল নাবালিকা? বাড়ছে রহস্য

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যা ঘিরে নতুন করে জোরালো হয়েছে তদন্ত। তদন্তকারীরা ফুটেজটি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকার পরনে ছিল নীল রঙের সালোয়ার-কামিজ। তাঁর সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায় এক যুবককে, যার পরনে ছিল লাল রঙের জামা এবং মাথায় নীল রঙের টুপি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই যুবক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের একজন হতে পারেন। তবে ফুটেজে কোথায় যাওয়া হচ্ছিল বা এরপর কী ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিষয়টি জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।নাবালিকার মা ঘটনার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর মেয়ে যে যন্ত্রণা সহ্য করে প্রাণ হারিয়েছে, অভিযুক্তদেরও আইনের মাধ্যমে সেই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, অতীতে বহু এমন ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার পাওয়া যায়নি। এবার তিনি দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচার চান।এলাকার এক প্রতিবেশী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে যুবকের মাথায় টুপি থাকায় মুখ স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর হাতে একটি খাবারের প্যাকেটও ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা ফুটেজের মান উন্নত করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই খুনের পাশাপাশি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। এছাড়া একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal