• ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ২০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Howrah

রাজ্য

তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ, খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি

এলাকায় ব্যবসা করার জন্য তোলা চাওয়া হয়েছিল রেস্তোরাঁ থেকে। দাবিমতো সেই টাকা না পেয়ে রেঁস্তোরায় হামলা এবং মারধরের অভিযোগ উঠল হাওড়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার চ্যাটার্জীহাট থানা এলাকায় শাস্ত্রী নরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলি রোডে। মাস খানেক আগে তোলা চেয়ে না পাওয়ায় এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতী এক মুদিখানার দোকানদারকে লোহার রড দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। তাঁকে বাঁচাতে এসে মার খেয়েছিলেন তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মাও। সোমবার বেশি রাতে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল হাওড়ার চ্যার্টাজিহাট থানা এলাকার। সোমবার রাতে রেঁস্তোরা বন্ধ করার সময় দুই যুবক টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ। টাকা না দেওয়ায় রেস্তোরাঁর মালিকের ছেলে এবং কর্মচারীর ওপর হামলা চালানো এবং মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের হাত থেকে বাঁচতে তাঁরা উল্টোদিকের সাইকেলের দোকানে লোকানোর চেষ্টা করলে সেখানে গিয়েও আক্রমণ করে ৬-৭ জন দুষ্কৃতী। অভিযোগ দায়ের হয়েছে চ্যাটার্জিহাট থানায়। সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে হামলার ছবি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা থেকে কেনা বেচার পর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ দোকান বন্ধ করতে যাচ্ছিলেন দোকান মালিকের ছেলে মহম্মদ কাদির। প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ায় রাস্তায় লোকজন নেই বললেই চলে। ওই সময় হঠাৎ এক যুবক এসে দোকানের র্কমী মহম্মদ দানেশের কাছে টাকা চায়। এরপর ধীরে ধীরে ধীরে আরও ৬-৭ জন যুবক এসে গালিগালাজ শুরু করে। দুষ্কৃতীদের দাবি, এলাকায় ব্যবসা করতে গেলে টাকা দিতে হবে। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এরপর ওই দুষ্কৃতীরা মহম্মদ দানেশ সহ দোকান মালিকের ছেলে মহম্মদ কাদেরকে বেধড়ক মারধর করতে শুরু করে। মারখেয়ে রাস্তায় পড়ে যান তাঁরা। রাস্তার ওপর ঘুষি, লাথি চলতে থাকে। এই হামলা প্রসঙ্গে রেস্তোরাঁর এক কর্মচারী ফারুক আনসারি জানান, সোমবার রাত প্রায় ১১-১৫ মিনিট নাগাদ তাঁরা রেঁস্তোরা বন্ধ করে বেরোচ্ছিলেন। সেই সময় একজন লোক রেঁস্তোরায় আসে। ওই লোকটি টাকা দাবি করে। কেন জিজ্ঞাসা করায় সে বলে এখানে ব্যবসা করার জন্য তাঁকে টাকা দিতে হবে। রেঁস্তোরা মালিক সেই টাকা দিতে অস্বীকার করায় লোকটি বচসা শুরু করে। দোকান খুলতে দেবে না বলে হুমকি দেয়। এরই মধ্যে সেখানে প্রায় চার পাঁচজন জন চলে আসে। এরা সকলে মিলে মারধর শুরু করে রেঁস্তোরার মালিক এবং তাঁর ছেলেকে। এই ঘটনার সময় পুলিশের একটি টহলদারি ভ্যান এসে পড়ায় দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, ‘‘তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ আমরা পাইনি। বিরিয়ানি না পেয়ে একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে শুনেছি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেব।’’

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

দল ছেড়ে বিরাগভাজন শুভেন্দু, কোথাও পুড়েছে কাট-আউট, কোথাও ছবিতে কালি

মেদিনীপুর কলেজ ময়দানের জনসভায় অমিত শাহের উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর পোস্টারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ হয় মালদার চাঁচলে। নানা জায়গায় ক্ষোভ উগরে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি ও পোস্টার পুড়িয়ে বিক্ষোভ হয়। এবার হাওড়ার ইছাপুরে শুভেন্দুর পোস্টারে কালি লেপে দেওয়া ছবি দেখা গেল। ছবিতে লেখা চোর। তবে কে বা কারা এই ঘটনায় যুক্ত তা জানা যায়নি। কয়েকদিন আগেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফে হাওড়ার ইছাপুর জলের ট্যাঙ্ক মোড় এলাকায় এই পোস্টার দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু দল পাল্টে বিজেপিতে যেতেই তাঁর ছবিতে কালি লাগিয়ে তাঁকে চোর বলে আখ্যা দেওয়া হল। এই প্রসঙ্গে বিজেপির হাওড়া সদরের সভাপতি সুরজিৎ সাহা বলেন, আয়নায় দেখলে যেরকম লাগবে এটা ঠিক সেরকম। শুভেন্দুদার মুখে নয়, এটা কালি লেগেছে তৃণমূলের মুখেই। ওরা শুভেন্দুদার মতো একজন দক্ষ সংগঠককে ধরে রাখতে পারেননি। ওরা নিজেরাই চোর। তাই শুভেন্দুদার মতো লোককে চোর বলছে। এই প্রসঙ্গে হাওড়ার তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তৃণমূল এই কাজ করেনি, উন্নয়নের কথা বলছি আমরা তাতেই সময় কেটে যাচ্ছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

হাওড়া স্টেশন থেকে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা সহ ধৃত ১

কয়েক লক্ষ টাকা ভরতি ব্যাগ নিয়ে হাওড়া স্টেশনে ঘোরাঘুরি করছিল এক ব্যক্তি। শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ সেই ব্যক্তির খোঁজেই তল্লাশি চালাচ্ছিল আরপিএফ জওয়ানরা। তল্লাশি চালানোর সময় জওয়ানদের চোখে পড়ে পাশের ক্যাব রোডে পিঠে নীল রঙের পিট্টু ব্যাগ নিয়ে এক ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছে। জওয়ানদের দেখে ভয় পেয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল সে। তার কাছ থেকে ২৪লক্ষ ৫০হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্সের ৮নম্বর প্ল্যাটফর্মে। ধৃত ব্যক্তির নাম সরোজ কুমার(২৪)। বিহারের বেগুসরাই জেলার ছেরিয়া বারিয়ারপুর থানা এলাকার ১০নম্বর ওয়ার্ডের সাপুরের বাসিন্দা। আরও পড়ুন ঃ পূর্বস্থলীতে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধা্র সে আরো জানায় শনিবার ডাউন পাটনা-হাওড়া জনশতাব্দী এক্সপ্রেস হাথিদাহ জংশন থেকে হাওড়া আসে ওই বিপুল পরিমাণ নগদ নিয়ে। ওই টাকা কলকাতার বউবাজারের এক সোনার দোকানে দেওয়ার জন্য তাকে দিয়েছিলেন তার মালিক পবন। এরপরে তাকে আরো নানা কথা জিজ্ঞাসা করা হলে সে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি। এরপর বিকেল ৪টে নাগাদ নিজেদের হেফাজত থেকে নগদ অর্থসহ ধৃত ব্যক্তিকে হাওড়া জিআরপিকে হস্তান্তর করা হয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

ফের হাওড়ায় পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার

এবার গোটা হাওড়া শহরজুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টার পড়ল। নবান্নের সামনে থেকে শুরু করে হাওড়া স্টেশন, রবিবার গভীর রাতে গোটা শহর জুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে যায়। যার ফলে রাজীবকে নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। বনমন্ত্রীর প্রশংসা করে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। টালিগঞ্জের একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, স্তাবকতা করলেই দলে গুরুত্ব পাওয়া যায়। হ্যাঁতে হ্যাঁ বললেই ভাল, না বললেই খারাপ। যাঁরা স্তাবকতা করে ঠান্ডা ঘরে বসে থাকেন, তাঁরাই এখন দলে সামনের সারিতে থাকেন বলেও সোচ্চার হন রাজীব। পরে ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে তিনি আরও বলেন, এর পরে দেখুন আরও কী হয়। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশি আসন জেতানোই এখন আমাদের লক্ষ্যঃ গুরুং রাজীবের এই অবস্থানের পর রবিবারই কলকাতায় রাজীবের সমর্থনে সততার প্রতীক বলে পোস্টার পড়েছিল। তারপর রবিবার রাতেই গোটা হাওড়া শহর জুড়ে রাজীবের সমর্থনে অসংখ্য পোস্টার পড়ে। পোস্টারের প্রচারের দায়িত্বে আমরা দাদার কর্মী বলে উল্লেখ রয়েছে। নবান্নের সামনের রাস্তা, হাওড়া স্টেশন, হাওড়া ময়দান, হাওড়া কোর্ট, দানেশ শেখ লেন, কোনা এক্সপ্রেসওয়ের মতো বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার পড়লেও রাজীবের নিজের বিধানসভা এলাকা ডোমজুড়ে কোনও পোস্টার পড়েনি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

চোরের মায়ের বড় গলা, নাম না করে রাজীবকে কটাক্ষ অরূপ রায়ের

দলের নাম না করে শনিবারই এক সভা থেকে তোপ দেগেছেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলেরই আরেক মন্ত্রী অরূপ রায়। রবিবার অরূপ রায় বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা। চালুনি আবার ছুঁচের বিচার করে। যারা যত বেশি ব্ল্যাকমেলার। ব্ল্যাকমেল করে বড় পদ পাওয়া। ভাঙা কাঁসির আওয়াজ বেশি বলে না। যাদের পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত দু্র্নীতিতে ভরা তারা বেশি চিৎকার করে। তাতে কিছু যায় আসবে না। যোগ্যতার থেকে অনেক বেশি তাকে দিয়েছে দল। এদিন অরূপ আরও বলেন, দলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছেন। তাঁরা কাজ করছেন নিঃস্বার্থভাবে। তাঁরা মন্ত্রীও নন, বিধায়কও নন। কিন্তু একজন দলের জন্য কিছু ত্যাগ না করে শুধু নিতে এসেছেন, তাঁদের মুখে এসব কথা শোভা পায় না। একইসঙ্গে তৃণমূল নেতাদের দল ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অরূপ রায় এদিন দাবি করেন, তৃণমূল হল জনসমুদ্র। সমুদ্রের জল কোনওদিন কমে না। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হতে চললেও দেখা নেই শীতের প্রসঙ্গত, অরূপ রায়ের সঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ভাল নয়। এর আগেও বহুবার তাদের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এবার রাজীবকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে যেন সেই দ্বন্দ্বই আরও প্রকট হল। এদিকে, বেসুরো কথা বলার পরই উত্তর কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টারও পড়েছে। আর এই প্রেক্ষাপটে নাম না করে অরূপ রায়ের খোঁচা যে তৃণমূল শিবিরে আরও অস্বস্তি বাড়ল, তা বলাই যায়। অন্যদিকে, এদিন ফিরহাদ হাকিম দলের বেসুরোদের উদ্দেশে নাম না করে বলেন, মানসিক অবসাদ একটা বাজে জিনিস। এক জন কেউ হুক্কা হুয়া করলে আরও অনেকে তা দেখে হুক্কা হুয়া শুরু করে দেন। এদিন রাজীব প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলেই আছেন, দলেই থাকবেন। ও পরিণত নেতা। গ্যাস খাবেন না বলেই মনে করি।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ায় নতুন পুর কমিশনার

ফের বদল করা হল হাওড়ার পুর কমিশনার। এবারে হাওড়া পুরসভার কমিশনার করা হল পশ্চিমবঙ্গের ২০১২ ব্যাচের আইএএস অভিষেক কুমার তেওয়ারিকে। তিনি এতদিন রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম সচিবের পদে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এর আগে হাওড়া পুরসভার প্রাক্তন কমিশনার ধবল জৈনকে মূল্যায়ন পর্ষদে বদলি করা হয়েছিল। তাঁকে এদিন নতুন নির্দেশিকা জারি করে রাজ্য কৃষি বিপণন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করা হয়েছে। মাসখানেক আগে ধবল জৈনকে হাওড়া পুরসভার কমিশনার পদ থেকে বদলি করার পর এখানকার জেলাশাসক মুক্তা আর্য্যকে পুরসভার কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আরও পড়ুন ঃ চলন্ত ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে যাওয়া যাত্রীকে বাঁচিয়ে সাহসিকতার পরিচয় আরপিএফ কর্মীর প্রসঙ্গত, প্রায় দুবছর ধরে হাওড়ায় কোনও নির্বাচিত পুর বোর্ড না থাকায় প্রায় শিকেয় উঠেছে পুর পরিষেবা। সেই পরিস্থিতিতে কখনও পুরবাসীকে সুষ্ঠ পরিষেবা দিতে তৈরী করা হচ্ছে প্রশাসক মন্ডলী। কখনও তা ভেঙ্গে দিয়ে পুর কমিশনারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে দায়িত্ব। পুরসভার কাজ চালাতে পূর্ণ সময়ের একজন কমিশনারের দাবিও উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। যদিও বারেবারে পুর কমিশনার বদলের ফলে পুর পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছেন হাওড়ার বাসিন্দারা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

অভিনব কায়দায় কেপমারি, লক্ষাধিক টাকার সোনার গহনা লুট

প্রকাশ্য রাস্তায় এক প্রৌঢ়াকে কথার জালে ভুলিয়ে প্রায় ২লক্ষ টাকার সোনার গহনা নিয়ে চম্পট দিল দুই যুবক। প্রৌঢ়ার নাম বাসন্তী দেবী শর্মা (৬০)। বাড়ি হাওড়া থানা এলাকার ভগবান গাঙ্গুলি লেনে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে শিবপুরে জনবহুল জিটি রোডে। বৃদ্ধার ছেলে হেমন্ত কুমার শর্মা জানালেন, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর মা বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। জিটি রোড ধরে বাসন্তী দেবী শিবপুরের দিকে কাজে যাচ্ছিলেন। তখনই এক অপরিচিত যুবক তাঁর পিছনে আসতে শুরু করে। সে বৃদ্ধাকে জানায়, লকডাউনের পর থেকে আর্থিক কষ্টে ভুগছে তার পরিবার। এই কথা বলে বৃদ্ধার কাছে আর্থিক সাহায্য চায় সে। বাসন্তীদেবী ওই যুবককে জানান, তিনি সামান্য কিছু টাকা দিয়ে আর্থিক সাহায্য করতে পারেন। এর থেকে বেশি কিছু করতে পারবেন না। তখন ওই যুবক অপর এক যুবককে দেখিয়ে জানান, ওই যুবককে টাকা দিতে না পারলে তাকে মেরে ফেলবে অপর ওই যুবক। বৃদ্ধার গায়ের গয়না খুলে বিক্রি করে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে ওই যুবক তাকে ছেড়ে দেবে। কিছুক্ষনের জন্য বৃদ্ধা গয়না খুলে দিলে সে উপকৃত হবে। অনেক পীড়াপীড়ির পরে বৃদ্ধা ওই যুবককে তার গায়ের সমস্ত গয়না খুলে দেন। হাতের সোনার একটি বালা, তিনটি সোনার আংটি ও গলার একটি সোনার চেন তার হাতে তুলে দেন। আরও পড়ুন ঃ বদলি করা হল পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে তারপর ওই যুবক তার মাকে ডেকে আনতে যাচ্ছে বলে বৃদ্ধাকে সন্ধ্যাবাজার এলাকার একটি জায়গায় বসিয়ে চম্পট দেয়। পালিয়ে যায় অপর এক যুবকও। ওই বৃদ্ধা শিবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিকের কথায়, বৃদ্ধা ও তাঁর ছেলের বক্তব্য শুনে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কিভাবে সামান্য কয়েক মিনিটের পরিচয়ে এক অপরিচিত যুবকের হাতে নিজের গায়ে পরে থাকা গহনা নিজের হাতে খুলে তুলে দিতে পারেন এক মহিলা সেই কথাও ভাবচ্ছে তদন্তকারীদের।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বসছে এক হাজার সিসিটিভি

হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। অনেক সময় অপরাধ করে পালিয়ে গেলেও অপরাধীরা ধরা পড়ছে না। তাই এবার হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকার অপরাধ প্রবন এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে বলে সিটি পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রেলের এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের প্রতিবাদ , লাঠি হাতে মিছিল বিধায়কের বেলুড়, শিবপুর, কমিশনারেট এলাকার মধ্যে থাকা জাতীয় সড়ক ও দাসনগরের বালিটিকুরির মতো ১০১২টি এলাকাকে মূলত অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বেলুড়ের বজরংবলী এলাকায় ২৫টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। হাওড়ার নগরপাল কুণাল আগারওয়াল জানালেন, কয়েকটি অপরাধপ্রবণ এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। ইতিপূর্বেই হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সিসিটিভির নজরদারির আওতায় রয়েছে। কিন্তু আরো নজরদারি প্রয়োজন বলেই মনে করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, একটি বেসরকারি সংস্থাকে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কয়েক দফায় খুব দ্রুতই এক হাজারটি সিসিটিভি বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় বন্ধ হচ্ছে সেফ হোম

সাধারণ মানুষের সচেতনতার জেরে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে। তাই এবার হাওড়ার অধিকাংশ সেফ হোম বন্ধ করতে চলেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। আগামী ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। করোনা আক্রান্তদের পৃথকভাবে রাখতে জেলা জুড়ে তৈরি করা হয় বেশ কয়েকটি সেফ হোম। যেখানে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হত। গত কয়েকদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত তিন দিনে হাওড়া জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন প্রতি ১৬০থেকে ১৭০-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, জেলার দশটি সেফ হোমের মধ্যে সাতটি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১লা ডিসেম্বর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। আমতা, ডোমজুড় ও বাকসীর সেফ হোম তিনটি চালু থাকবে। ওই আধিকারিক আরো জানান, বর্তমানে আক্রান্তরা সেফ হোমে থাকতে চাইছেন না। তাই তাঁদের বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক আক্রান্তের সাথে একজন চিকিৎসাকে ট্যাগ করে দেওয়া হচ্ছে। ওই চিকিৎসক রোগীর নিয়মিত খবর নেবেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

হোটেল থেকে সংকটজনক অবস্থায় যুবক- যুবতী উদ্ধার

হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন হোটেলের একটি ঘর থেকে এক যুবক ও যুবতীকে সংকটজনক অবস্থায় উদ্ধার করল গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে , হোটেলটি হাওড়া স্টেশনের কাছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে তাঁদের নাম প্রীতম প্রামানিক (২২) ও সরস্বতী মাইতি মিদ্দে (২০)। তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির বাসিন্দা। হোটেলে জমা দেওয়া আধার র্কাড থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে প্রীতমের বয়স ২২ ও সরস্বতীর বয়স ২০। হোটেল মালিক বলেন, দুজনেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে ওঠেন। তাঁরা হোটেলের দোতলার ১০১ নম্বর রুমে ছিলেন। হোটেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৬টা নাগাদ স্বামী - স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে ঘর নেন তাঁরা। দুজনেরই মুখ দিয়ে গাঁজলা বেরোচ্ছিল। মুখ থেকে উৎকট ঝাঁঝালো গন্ধ বেরিয়ে আসছিল। আরও পড়ুন ঃ প্রধানমন্ত্রী কি দেশের নাগরিক নয়? প্রশ্ন কৈলাসের হোটেলের ম্যানেজার ঈষান মিশ্র জানান, শনিবার দুপুর র্পযন্ত অনেকবার ডাকাডাকি করার পরও ১০১ নম্বর ঘরের বোর্ডার দরজা না খোলায় তাঁদের সন্দেহ হয়। শেষ র্পযন্ত তাঁরা থানায় খবর দেন। গোলাবাড়ি থানার পুলিশ এসে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে দুজনকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল সুত্রে জানা যায় দুজনের অবস্থাই আশংকাজনক। যুবক -যুবতী কীটনাশক জাতীয় কিছু খেয়েছিলেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। হোটেলের কর্মীরা জানান, শুক্রবার থেকে ঘরেই ছিলেন তাঁরা। শনিবার সকাল থেকে তাঁদের সাড়া শব্দ না পেয়ে কর্মীদের সন্দেহ হয়। সেই কথা হোটেলের মালিককে জানালে তিনিই পুলিশকে খবর দেন। কি কারণে তাঁরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তা জানতে পুলিশ দুই পরিবারের লোককে ডেকে পাঠিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

হাওড়া ব্রিজে মিনিবাসে অগ্নিকাণ্ড , উত্তেজনা

হাওড়া ব্রিজের ১৭ নং পিলারের কাছে একটি কলকাতাগামী একটি যাত্রীবোঝাই বাসে আগুন লেগে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে পলাতক বাসের চালক ও কন্ডাক্টর। জানা গিয়েছে , ধোঁয়া দেখতে পেয়েই যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। যাত্রী সহ সকলে বাস থেকে নিরাপদে নিচে নেমে আসেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ২টি ইঞ্জিন। আরও পড়ুন ঃ এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে তারা বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার সময় বাসের যাত্রী থাকলেও কোনো হতাহতের খবর নেই। বাসটিকে ব্রিজ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসে আগুন লাগার জেরে ব্রিজে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং এবার হাওড়া শহরে। হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন বেলেপোল এর হ্যাংস্যাং ক্রসিংয়ে লাগানো হয়েছে ওই বিশাল হোর্ডিং। নিচে লেখা আমরা দাদার অনুগামী। হোর্ডিংয়ের উপরে লেখা চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির। এছাড়াও শুভেন্দুকে একজন দক্ষ প্রশাসক, দক্ষ সংগঠক, উদার ও নির্ভীক জননেতা এবং বঙ্গের বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হোর্ডিংয়ে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবিও। আরও পড়ুন ঃ বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত এই হোর্ডিংয়ের কিছুটা দূরেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফ থেকে লাগানো হয়েছে আরও একটি হোর্ডিং। তাতে লেখা যার কাছে সবকিছু বলা যায়। যাকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। যাকে আপন বলে ভাবা যায়। যার কাছে বিশ্বাসটুকু রাখা যায়। সেইতো জননেতা। তুমি আমাদের সেই নেতা। আমাদের এই সম্পর্ক যেন থাকে চির অটুট। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে এই দুই হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কে বা কারা এই হোর্ডিং দিয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

লোকাল ট্রেন চালু হতেই জনসমুদ্র হাওড়া স্টেশন

রাজ্যের সঙ্গে রেল কতৃপক্ষের বৈঠকে ঠিক হয়েছিল , ১১ নভেম্ব্র থেকে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। মানতে হবে সমস্ত কোভিডবিধিও। বুধবার সকাল থেকে সেইমতোই চলছিল সবকিছু। কিন্তু বেলা গড়াতেই অফিস টাইমে ব্যান্ডেল লোকাল হাওড়া স্টেশনে পৌঁছাতেই জন সমুদ্রে ভেসে গেল স্টেশন চত্বর। যাত্রীদের বাস ধরার দৌড়ে সমস্ত বিধিনিষেধই হার মানল। তাই দেখে হতবাক হয়ে পড়েন রেল কর্তৃপক্ষ। এদিন সকালের অফিস টাইমে পুরনো ছবিই দেখা গেল হাওড়া স্টেশনে। কোভিড নীতি মেনে রেল কর্তৃপক্ষ ট্রেনে এবং হাওড়া স্টেশনে বিভিন্ন ব্যবস্থা করলেও অফিস টাইমের ভিড়ে শিকেয় ওঠে সামাজিক দূরত্ব বিধি। আরও পড়ুন ঃ দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির রেলের হিসেব অনুযায়ী আগে প্রতিটি লোকাল ট্রেনে কম-বেশি ১২০০জন যাত্রী যাতায়াত করত। কোভিড পরিস্থিতিতে সেই সংখ্যা ৬০০থেকে ৭০০তে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এদিন অফিস টাইমের ভিড় সব পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয়। তিনজনের বসার সিটে দুজনের বসার কথা থাকলেও ভিড়ের সময়ে সেই সিটেই চারজন করে যাত্রীকে বসতে দেখা যায়। উল্লেখ্য , এদিন পরিকল্পনা মতো ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয় হাওড়া স্টেশনকে। মাস্ক ছাড়া এদিন যাত্রীদের কাউকেই ট্রেনে যাতায়াত করতে দেওয়া হয়নি। ভীড় এড়াতে রেল পুলিশের তরফ থেকে বারবার মাইকিং করা হয়। হুইসেল বাজিয়ে ভীড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায় আরপিএফ কর্মীদের। সকালে হাওড়া স্টেশনে ঘুরে ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার ইশাক খান। আরপিএফের তরফে উপস্থিত ছিলেন রজনীশ ত্রিপাঠী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। এদিন লোকাল ট্রেনে হকারদের উঠতে দেওয়া হয়নি। এদিন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনের ডি আর এম ঈশাখ খান বলেন প্রয়োজন হলে অফিস টাইমে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। তিনি আরো বলেন, মানুষকে সচেতন হতে হবে। ফোর্স দিয়ে মানুষকে নিয়ম মানানো সম্ভব নয়। এদিন সকালেও হাওড়া স্টেশনে দফায় দফায় জীবাণুমুক্তকরণ করা হয়। পরিস্থিতি যা আজ থেকেই ক্রমে ছন্দে ফিরছে হাওড়া স্টেশন। এদিন ভোর চারটে নাগাদ প্রায় সাড়ে সাত মাস পর হাওড়া স্টেশন থেকে প্রথম লোকাল ট্রেন যাত্রা শুরু করে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবি , রণক্ষেত্র হাওড়া

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তপ্ত হল হাওড়া। শনিবার তার গ্রেফতারির দাবিতে হাওড়া সিটি পুলিশের পুলিশ কমিশনারের অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। তারা পথ অবরোধেও সামিল হয়। বিক্ষোভ সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহের বাংলা ছাড়ার পরই একাধিক সাহায্য নিয়ে বিভিষণ হাঁসদার দ্বারস্থ তৃণমূল সদস্যা জানা গিয়েছে , এদিন সকালে জগদীশপুর হাইস্কুলের মাঠে বিজেপির গ্রিন হাওড়া ক্লিন হাওড়া কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় জগদীশপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সদলবলে বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় লিলুয়া থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় বিজেপির তরফ থেকে। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ পুলিশ অভিযুক্তকে তো গ্রেফতার করেনি , উলটে তাদের দু জন কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে। ওই দুই কর্মীর মুক্তি এবং পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরাকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে বসে পড়েন হাজার হাজার বিজেপি কর্মী ও সমর্থক। তাদের সামাল দিতে হিমশিম খায় পুলিশ। নামানো হয় বিশেষ পুলিশ বাহিনীকে। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিজেপির এই বিক্ষোভ। অবশেষে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে বলে পুলিশ কর্তারা আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা চলে যান।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ার কলেজে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে উত্তেজনা

অবিলম্বে সম্পুর্ন রেজাল্ট হাতে তুলে দেওয়া সহ একাধিক দাবিতে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখালেন হাওড়ার নরসিংহ দত্ত কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি এখনই রেজাল্ট না হাতে পেলে কিভাবে পরবর্তীতে তারা ভর্তি হবেন ? এদিন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এদিন কলেজের সামনে পড়ুয়ারা এবং অভিভাবকরা কলেজের গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। থার্ড ইয়ারের স্টুডেন্টদের ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্টে ইতিহাসের নম্বর না দেওয়ায় কার্যত বিপাকে পড়েছেন এইসব পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ , কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতার নম্বর না যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ইতিহাস অনার্সের পড়ুয়ারা। একটি বিষয়ে ফলাফল অসম্পূর্ণ থাকায় তাঁরা স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি হতে পারছেন না। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ালো হাওড়ার নরসিংহ দত্ত কলেজের সামনে। এই মাসের ১০ নভেম্বর এমএ-তে ভর্তির লাস্ট ডেট। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে খুব তাড়াতাড়ি স্টুডেন্টদের রেজাল্ট হাতে দিয়ে দেওয়া হবে। দুর্গাপূজার সপ্তমীর দিন রেজাল্ট আউট হয়। কিন্তু সেখানে ইতিহাসের নম্বর ছিল না বলে অভিযোগ। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার এই বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষা সোমা বন্দোপাধ্যায় জানান , প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্যই নম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়কে ফের নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই সমস্যা মিটে যাবে। এই প্রসঙ্গে ছাত্রীরা জানান, আমাদের বলা হয়েছিল লক্ষ্মীপুজোর পরে আমাদের রেজাল্ট দিয়ে দেওয়া হবে, কিন্তু এখনও তা হয়নি। তাছাড়া পড়ুয়াদের আরো অভিযোগ , অন্যান্য বিষয়ে গড়ে নম্বর দেওয়া হয়েছে । যে ফার্স্ট ক্লাস পায় তাকেও কম নম্বর দিয়েছে। এছাড়াও দ্বিতীয় পত্রে কোনও নম্বর নেই। পড়ুয়ারা আরো বলেন, আমরা চাইছি এই মুহুর্তে আমাদের রেজাল্ট আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হোক। আমাদের প্রাপ্য নম্বর দেওয়া হোক। দরকার পড়লে আমরা খাতা রিভিউ করব। প্রয়োজনে বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীকেও জানাবেন তাঁরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার

কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়েছিল ৯ বছর বয়সী এক বালক। বর্ধমান থেকে হারিয়ে যায় বালকটি। নাম সোমনাথ বিশ্বাস। সে বর্ধমানের গোপালপুরের বাসিন্দা। দমদমের একটি আবাসিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। মঙ্গলবার রাতে তাকে হাওড়ার বালি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিশ্চিন্দা থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে , এদিন ২ নং জাতীয় সড়কের বামুনডাঙা থেকে তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ , এলাকায় আতঙ্ক জানা গিয়েছে , লকডাউনের সময় থেকে সোমনাথ বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে রয়েছে। এক ব্যক্তি সাইকেলে তাকে বর্ধমান থেকে হাওড়ায় নিয়ে এসেছে বলে সে পুলিশকে জানিয়েছে। রাস্তায় পুলিশ দেখে ওই ব্যক্তি সোমনাথকে জাতীয় সড়কের উপর নামিয়ে চম্পট দেয়। এরপর ওই বালককে উদ্ধার করেন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। জানা গেছে, ওই বালকের বাবা-মা নেই। তাই সে ঠাকুমার কাছেই থাকে। লকডাউনে স্কুল থেকে বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে চলে এসেছে। কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়ে হারিয়ে যায় সোমনাথ। তার দাবি, এরপরে এক কাকু তাকে বাড়ি পৌঁছনোর নাম করে এক সাইকেল আরোহীর হাতে তুলে দিয়েছেন। তার মাধ্যমেই এদিন সে বালিতে পৌঁছায়। কিন্তু বামুনডাঙাতে পুলিশ দেখে চম্পট দেয় ওই ব্যক্তি। এরপর তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। এরপরে নিশ্চিন্দা থানার পুলিশের হাতে সোমনাথকে তুলে দেওয়া হয়।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

সবার অলক্ষ্যে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে পড়ে মহিলার দেহ, পুলিশি তৎপরতায় দেহ উদ্ধার

হাওড়া স্টেশনের সামনে এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হল। শুক্রবার রাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে যাত্রীদের বসার ছাউনির নিচে সিমেন্টের বেঞ্চের উপর ওই মহিলাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ এসে ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। ভবঘুরে প্রকৃতির ওই মৃতা মহিলার পরিচয় এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। জানা গেছে, দীর্ঘক্ষণ ধরে তিনি ওইভাবেই সেখানে পড়েছিলেন। কিন্তু সেখানে বিষয়টি কারও নজরে আসেনি বলে অভিযোগ। হাওড়া স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করা কোনও যাত্রীও এই বিষয়টি নজরে আনেননি। শেষপর্যন্ত রাতে ঘটনাটি জানাজানি হলে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ সেখানে আসে এবং পুলিশের তৎপরতায় ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রশ্ন উঠেছে দীর্ঘক্ষণ ধরে এভাবে হাওড়া স্টেশনের বাইরে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে ওই মহিলা পড়ে থাকলেও কেন এই বিষয়টি সবার নজর এড়িয়ে গেল।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজ্য

পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন

পথ দুর্ঘটনা কমানোর জন্য হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক বিভাগের তরফ থেকে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি নেওয়া হল। মঙ্গলবার এই সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন করে হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড। হাওড়ার ওল্ড এবং নিউ কমপ্লেক্সের সামনে পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী এবং গাড়ি চালকদের এই নিয়ে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি হাওড়া স্টেশন এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে দেওয়া হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার। হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক গার্ড এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই ধরনের কর্মসূচি আগামীদিনেও লাগাতার চলবে। আরও পড়ুন ঃ আমি আমি হল সর্বনাশের মূল : শুভেন্দু অধিকারী হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড সূত্রের খবর, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর প্রচার উপলক্ষ্যে মাস্ক বিলি এবং গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এদিন হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ডের তরফ থেকে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্স ও নিউ কমপ্লেক্সের সামনে যেসব কুলিরা ঠেলাগাড়ি ব্যবহার করে তাদের ঠেলায় রিফ্লেক্টর টেপ লাগানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে আসা বেশ কিছু প্রাইভেট গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফএর বড় রিফ্লেক্টর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এই রিফ্লেক্টর স্টিকারে রাতে আলো পড়লে উজ্জ্বল দেখাবে। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে এই প্রচার কর্মসূচি চলবে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
উৎসব

জল থেকে কাঠামো তোলার জন্য এজেন্সি নিয়োগ হাওড়া পুরনিগমের

বিজয়া দশমী থেকেই প্রতিমা নিরঞ্জন শুরু হয়েছে হাওড়ার বিভিন্ন ঘাটে। গঙ্গার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি জলাশয় চিহ্নিত করা হয়েছে যেখানে প্রতিমা বিসর্জন হবে। বিসর্জনকে কেন্দ্র করে পুরনিগম একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। গঙ্গায় ফেলা ছোট কাঠামোগুলি দ্রুত তোলার জন্য বিশেষজ্ঞ এজেন্সিকে এবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিসর্জনের জন্য তাদের কাজে লাগানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ বিধি মেনেই হল সিঁদুর খেলা ও বিসর্জন জানা গিয়েছে , জলাশয়ের কাছাকাছি অস্থায়ীভাবে কাঠের ভ্যাট তৈরি করা হয়েছে। জলাশয় থেকে প্রতিমার কাঠামো ভ্যাটে ফেলার পরে সেই কাঠামো অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি , বড় কাঠামো জল থেকে তোলার জন্য হাইড্রা মেশিনের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ঘাটের থেকে আবর্জনা তোলার জন্য ই-রিক্সার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাওড়া পুরনিগমের দাবি , ইতিমধ্যেই প্রায় ৭৫ শতাংশ প্রতিমার কাঠামো জল থেকে তোলা সম্ভব হয়েছে। আজও কাঠামো তোলার কাজ চলছে।পুরকর্মীদের এই কাজে লাগানো হয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
রাজ্য

কয়েক দফা দাবিতে হাওড়া কর্পোরেশনে স্মারকলিপি প্রদান ডিওয়াইএফআইয়ের

হাওড়ায় পুর পরিষেবার হাল ফেরানো ও শূন্যপদে অবিলম্বে স্থায়ী নিয়োগের দাবি সহ কয়েক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়া কর্পোরেশন অভিযান করল বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। এদিন শতাধিক ডিওয়াইএফআই কর্মী- সমর্থক জেলা যুব কার্য্যালয়ের সামনে জমায়েত হন। সেখান থেকে মিছিল করে এসে পৌঁছন হাওড়া ময়দান চত্বরে। আরও পড়ুনঃ আমি ভালো আছি , মৃত্যুর গুজবে বিরক্ত হয়ে জানালেন রেজ্জাক সেখানে পুলিশ মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে ডিওয়াইএফআই কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে পুরসভা ভবনের মূল গেটের সামনে চলে আসেন। সেখানে পুলিশ তাদের বাধা দিলে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। পুরসভার বন্ধ মূল ফটকে উঠে পড়েন কিছু সমর্থক। পরে ডিওয়াইএফআই -এর চার জনের এক প্রতিনিধি দল পুরসভায় এসে ডেপুটেশন জমা দেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বালুরঘাটে পথকুকুরের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, প্রতিবাদে সরব পশুপ্রেমীরা; কড়া শাস্তির দাবি শ্রীলেখা মিত্রের

দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পথকুকুরের ওপর যৌন নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পশুপ্রেমী থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাণী অধিকারকর্মীরা। অভিনেত্রী ও প্রাণীপ্রেমী শ্রীলেখা মিত্রও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।বালুরঘাটের প্রাণীপ্রেমী এবং Honorary Animal Welfare Officer ব্রতীন চক্রবর্তী তাঁর সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দাবি করেন, গত রাতে প্রায় ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ চৌরঙ্গীপাড়া এলাকার এক বাসিন্দার কাছ থেকে তিনি ফোন পান। অভিযোগ অনুযায়ী, এলাকার এক মদ্যপ রংমিস্ত্রি প্রায় প্রতি রাতেই রাস্তা থেকে পথকুকুর ধরে নিয়ে গিয়ে তাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালায়।পোস্টে আরও দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তের এই আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে বাড়ি ছেড়ে শিলিগুড়িতে চলে গিয়েছেন। খবর পাওয়ার পর পুলিশকে জানানো হলে প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে সতর্ক করে। তবে তিনি অতিরিক্ত মদ্যপ অবস্থায় থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সমস্যা হয় বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে বালুরঘাটের বিভিন্ন পশুপ্রেমী সংগঠন আন্দোলনে নামার ডাক দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরীহ প্রাণীর ওপর এই ধরনের নৃশংসতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রাণী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইন প্রয়োগের দাবিও তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।অভিনেত্রী ও প্রাণী অধিকারকর্মী শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, মানুষের হাতে ধর্ষণ, নির্যাতন, বিষপ্রয়োগ, পাথর ছুড়ে মারা কিংবা কুকুরের মাংসের জন্য পাচারএসবের শিকার হয় অসংখ্য পথকুকুর। কিন্তু তারা নির্বাক হওয়ায় অধিকাংশ ঘটনাই সামনে আসে না।তিনি আরও বলেন, যারা প্রাণীদের ওপর নিষ্ঠুরতা চালিয়েও সমাজে অবাধে ঘুরে বেড়ায়, তাদের বিরুদ্ধে সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে তারা মানুষের বিরুদ্ধেও আরও ভয়ঙ্কর অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে। প্রাণী অধিকারকর্মীরা এই ধরনের ঘটনার ওপর নজর রাখছেন বলেও তিনি সতর্কবার্তা দেন।এছাড়াও শ্রীলেখা মিত্র জানান, West Bengal Animal Rights Activists Front নামে একটি নিবন্ধিত সংগঠন গঠন করা হয়েছে, যার সভাপতি তিনি নিজে। খুব শীঘ্রই একটি সাংবাদিক বৈঠক করে প্রাণী নির্যাতন রোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাজ্যের বিভিন্ন পশুপ্রেমী মানুষকে একত্রিত করার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান।প্রাণী অধিকারকর্মীদের মতে, প্রাণীদের ওপর যৌন নির্যাতন একটি অত্যন্ত গুরুতর জঘন্য অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বর্তমান আইনের আওতায় কঠোর তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

'ম্যানস বেস্ট ফ্রেন্ড' কুকুর, তবু এত ভয় কেন? ব্যাখ্যা দিলেন বিশেষজ্ঞে

কুকুরকে দীর্ঘদিন ধরেই বলা হয় মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী। তবু বাস্তবে দেখা যায়, কুকুর সামনে এলেই অনেকেই রাস্তা বদলে ফেলেন, থমকে যান কিংবা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অথচ বিড়ালকে ঘিরে এমন ভীতি তুলনামূলকভাবে অনেক কম। কেন এই পার্থক্য? এর উত্তর দিয়েছেন পশু চিকিৎসক ডা. বিনোদ শর্মা।ডা. শর্মা জানান, কুকুরকে ঘিরে মানুষের ভয় মূলত তাদের আচরণ নয়, বরং মানুষের ধারণা, অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক প্রভাবের ফল। তাঁর মতে, বিড়ালের তুলনায় কুকুর আকারে বড়, শক্তিশালী এবং জনবহুল এলাকায় বেশি দেখা যায়। ফলে অনেকের মনে কুকুরের কামড় বা আক্রমণের আশঙ্কা বেশি কাজ করে।তিনি বলেন, এই ভয় অনেক ক্ষেত্রেই জন্মগত নয়, বরং শেখা। ছোটবেলার খারাপ অভিজ্ঞতা, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে শোনা ঘটনা কিংবা সংবাদমাধ্যমে কুকুরের আক্রমণের খবর মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করে। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি বাস্তব ঝুঁকির চেয়ে মানসিক ধারণার ফল।ডা. শর্মার মতে, কুকুরকে ভয় পাওয়া মানেই প্রাণীকে ঘৃণা করা নয়। অনেক সময় মানুষকে প্রাণী-বিদ্বেষী বলে মনে করা হলেও এই ধারণা সঠিক নয়। কুকুরকে ভয় পাওয়া অনেকের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভয়ের প্রতিক্রিয়া, আবার কারও ক্ষেত্রে তা ফোবিয়ার পর্যায়েও পৌঁছাতে পারে।তিনি জানান, প্রকৃত ফোবিয়ার ক্ষেত্রে শুধু অস্বস্তি নয়, তীব্র মানসিক ও শারীরিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। যেমনহৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, শরীর কাঁপা, কান্না কিংবা কুকুরের সম্ভাব্য উপস্থিতি এড়িয়ে চলার প্রবণতা, যা দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে, যাঁরা কেবল কুকুর অপছন্দ করেন, তাঁরা দূরত্ব বজায় রাখলেও এমন তীব্র আতঙ্কে ভোগেন না।কুকুরের কিছু আচরণ মানুষ প্রায়ই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন বলেও জানিয়েছেন ডা. শর্মা। তাঁর মতে, লেজ নাড়ানো মানেই কুকুর বন্ধুসুলভএমন ধারণা সবসময় ঠিক নয়। যদি কুকুর দ্রুত, শক্তভাবে এবং উঁচু করে লেজ নাড়ে, তবে সেটি উত্তেজনা বা সতর্কতারও ইঙ্গিত হতে পারে।এছাড়া কুকুরের ঠোঁট চাটা, হাই তোলা বা মুখ ঘুরিয়ে নেওয়াকে অনেকেই স্বাভাবিক বা মজার আচরণ মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এগুলো অনেক সময় কুকুরের অস্বস্তি বা মানসিক চাপের সংকেত।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। অনেকেই মনে করেন, স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কুকুর শান্ত রয়েছে। কিন্তু কোনও কুকুর যদি হঠাৎ একেবারে স্থির হয়ে যায়, শরীর শক্ত করে রাখে এবং একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে, তবে সেটি আক্রমণের আগাম সতর্কবার্তাও হতে পারে।ডা. শর্মার পরামর্শ, কুকুরের আচরণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং তাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করাই অপ্রয়োজনীয় ভয় কমানোর অন্যতম উপায়। অপরিচিত কুকুরের কাছে যাওয়ার আগে অবশ্যই মালিকের অনুমতি নেওয়া উচিত।সবশেষে তিনি বলেন, কুকুরকে ভয় পাওয়া কোনও দুর্বলতা বা প্রাণীদের প্রতি বিদ্বেষের প্রকাশ নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ভয় মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, পরিবেশ এবং মানসিক ধারণা থেকেই তৈরি হয়। (দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত)

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মহিলার ব্যাগ খুলতেই চোখ ছানাবড়া! এ যেন অস্ত্রের ভাণ্ডার, আন্তঃরাজ্য চক্রের খোঁজে সিআইডি

গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বড় সাফল্য পেল সিআইডি। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থেকে এক মহিলাকে আটক করে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। রবিবার সকালে অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড় এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম পূজা বিশ্বাস। তিনি হাবরা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, নৈহাটি-অশোকনগর রোড দিয়ে একটি ম্যাটাডোরে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে যাত্রা করছিলেন তিনি। আগেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখছিল সিআইডি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোটা পথ তাঁকে অনুসরণ করা হয়।অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড়ে ম্যাটাডোর থেকে নামার পরই সাদা পোশাকের সিআইডি আধিকারিকরা তাঁকে ঘিরে ফেলেন। এরপর তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অশোকনগর থানার পুলিশ। পরে পূজা বিশ্বাসকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা।প্রত্যক্ষদর্শী সুখেন সরকার বলেন, সকালে এসে দেখি এক মহিলাকে ঘিরে পুলিশ ও সিআইডি তল্লাশি চালাচ্ছে। পরে জানতে পারি তাঁর ব্যাগ থেকে প্রচুর গুলি ও বন্দুক উদ্ধার হয়েছে। এই এলাকায় এমন ঘটনা আগে দেখিনি। মহিলাকেও কখনও এখানে দেখিনি। পুলিশ ও সিআইডি খুব ভালো কাজ করেছে।প্রাথমিক তদন্তে সিআইডির অনুমান, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও কার্তুজ বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়েছে। তবে এগুলি কোথায় পৌঁছানোর কথা ছিল, কী উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল এবং এই অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর কোনও আন্তঃরাজ্য চক্র রয়েছে কি না, সেই দিকেও তদন্তকারীরা নজর দিচ্ছেন।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ফিরছে কি করোনা আতঙ্ক? গড়িয়ার ১০ বছরের বালক আইসিইউ-তে ভর্তি

দেশে নতুন করে করোনা সংক্রমণের খবর সামনে আসতেই উদ্বেগ বাড়ছে। তার মধ্যেই দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার এক ১০ বছরের বালক করোনা আক্রান্ত হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে আনা হয়।চিকিৎসকদের সন্দেহ হওয়ায় শিশুটির সোয়াব পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে সে করোনা পজিটিভ বলে ধরা পড়ে। এরপর তাকে হাসপাতালের আইসিইউ-র আইসোলেশন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।শিশু বিশেষজ্ঞ সাহেলি দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, বালকটি গত তিন-চার দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল। এক্স-রে পরীক্ষায় তার ডান ফুসফুসে নিউমোনিয়ার লক্ষণ ধরা পড়েছে। ভাইরাল পরীক্ষায় সার্স-কোভ-২ পজিটিভ এসেছে।তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় শিশুটিকে অ্যান্টিবায়োটিকের পরিবর্তে নেবুলাইজেশন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তায় রাখা হয়েছে। শিশুটির মাকেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে এবং তাঁরও কোভিড পরীক্ষা করা হতে পারে।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি হওয়া এখন সাধারণ বিষয়। তাই করোনা নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। অধিকাংশ নতুন সংক্রমণই মৃদু প্রকৃতির এবং হাসপাতালে ভর্তির হারও কম বলে তাঁরা জানিয়েছেন।তবে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নতুন করে সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ২৬ জুন থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে ১২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশনার জানিয়েছেন। পাশাপাশি কোমর্বিডিটি থাকা ৪ জন রোগীর মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে কোভিড নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
বিদেশ

আচমকা বিকল ফেসবুক! ডেস্কটপে খুলছে না, আতঙ্কে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী

রবিবার দুপুরে আচমকা বিশ্বজুড়ে আংশিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ফেসবুক। ভারতীয় সময় প্রায় দুপুর ১টা নাগাদ এই সমস্যা শুরু হয়। লক্ষাধিক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, তাঁরা কম্পিউটার বা ডেস্কটপ থেকে ফেসবুক ব্যবহার করতে পারছেন না। তবে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনেকেই এখনও ফেসবুক ব্যবহার করতে সক্ষম হচ্ছেন।ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, ডেস্কটপে ফেসবুক খুলতে গেলে একটি বার্তা দেখা যাচ্ছে। সেখানে লেখা, অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে উপলব্ধ নয়। ফলে পোস্ট দেখা, তথ্য আদানপ্রদান বা নতুন কিছু পোস্ট করা কোনও কাজই করতে পারছেন না অনেকেই।এই বিভ্রাট শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও দেখা গিয়েছে। এক লক্ষেরও বেশি ব্যবহারকারী সমাজমাধ্যমে অভিযোগ জানিয়েছেন যে ফেসবুক ঠিকমতো কাজ করছে না। অনেকেই এক্সে পোস্ট করে সমস্যার কথা জানিয়েছেন।মেটা এখনও এই বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। কবে পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়েও সংস্থার পক্ষ থেকে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।মোবাইল অ্যাপে পরিষেবা আংশিকভাবে চালু থাকলেও ডেস্কটপ ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখে পড়েছেন। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সার্ভারজনিত সমস্যা হতে পারে। তবে মেটার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

দিল্লির আন্দোলন থামিয়ে ছুটলেন ওমর আবদুল্লা! কাশ্মীরে ভয়াবহ বন্যা

অতিবৃষ্টির জেরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। শনি ও রবিবারের টানা ভারী বৃষ্টিতে রাজৌরি, পুঞ্চ-সহ একাধিক জেলা কার্যত জলের তলায় চলে গিয়েছে। নদীর জলস্তর দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় নিচু অঞ্চলগুলি প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক হিসেবে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।মৌসম ভবন আগেই ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছিল। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি দুদিন ধরে অব্যাহত থাকায় দারহালি, খান্দালি, সুকতোহ ও জামোলা নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে যায়। বহু এলাকায় নদীর জল বাড়িঘর, রাস্তা ও বাজারে ঢুকে পড়ে।সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজৌরি জেলায়। দারহালি নদীর বাঁধ ভেঙে জল বাসস্ট্যান্ডের পার্কিং এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং বহু গাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পুঞ্চ জেলায় বাড়ি ধসে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজৌরিতে ভূমিধ্বসে আরও একজনের প্রাণহানি ঘটেছে। দুই জেলায় অন্তত পাঁচ জন এখনও নিখোঁজ বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল প্লাবিত এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বহু পরিবারকে ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, জল নামার পর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ আরও স্পষ্ট হবে।এই দুর্যোগের জেরে দিল্লিতে পূর্ণরাজ্যের দাবিতে চলা আন্দোলন আপাতত স্থগিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি শ্রীনগরে ফিরে যাচ্ছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৬
দেশ

হাসপাতালেও অনশন ভাঙলেন না সোনম, মুক্তির দাবিতে হাই কোর্টে স্ত্রী

২১ দিন অনশনের পর জোর করে সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়েও তাঁর অনশন ভাঙানো যায়নি। তিনি চিকিৎসা নিতে অস্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলি অভিযোগ করেছেন, তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সেই কারণেই তিনি দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।শনিবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়েছে, সোনমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়েছে এবং পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যাচ্ছে। রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক সূচক আপাতত স্থিতিশীল থাকলেও চিকিৎসকদের মতে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোনমকে আইভি ফ্লুইড দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা নিতে অস্বীকার করেছেন। এমনকি কোনও ওরাল ওষুধও গ্রহণ করছেন না। অর্থাৎ, জোর করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলেও তিনি এখনও অনশন প্রত্যাহার করেননি।গীতাঞ্জলি জানিয়েছেন, বারবার আবেদন করা সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সোনমকে ছাড়ছে না এবং বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতিও দিচ্ছে না। তাঁর দাবি, এতদিন যাঁরা সোনমের চিকিৎসা করছিলেন, তাঁরাই যেন চিকিৎসার দায়িত্ব পান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতাল চত্বরে একশোর বেশি পুলিশ মোতায়েন করে সোনমকে কার্যত বন্দি করে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, সোনম ওয়াংচুকের সমর্থনে আন্দোলন আরও জোরদার হচ্ছে। এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষ যন্তরমন্তরে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। রবিবার থেকেই তাঁদের এই কর্মসূচি শুরু হবে।সোনমের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও তিনি অনশনে অটল রয়েছেন। এখন নজর দিল্লি হাই কোর্টের দিকে, যেখানে তাঁর স্ত্রী দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্যের আইনজীবী অনুপস্থিত, থমকে গেল অভিষেকের মামলার শুনানি! এরপর কী বলল হাইকোর্ট?

আমতলার পার্টি অফিস ভাঙা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে রাজ্যের কোনও আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি শুরু করা যায়নি।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলা ১২টার সময় মামলার শুনানি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের পক্ষ থেকে কোনও আইনজীবী হাজির না হওয়ায় বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী জানান, রাজ্যের বক্তব্য ছাড়া শুনানি সম্ভব নয়। পরে রাজ্যের আইনজীবী নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে এজলাসে উপস্থিত হন এবং সওয়ালের জন্য আরও সময় চান।বিচারপতি রাজ্যকে ফের নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারকেও মামলার কপি দিতে বলা হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, জেলাশাসকের কাছ থেকে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে। এরপর মামলার পরবর্তী শুনানির সময় ধার্য করা হয়েছে দুপুর দেড়টায়।অভিযোগ, আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি অফিস বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল। শনিবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুলডোজার চালিয়ে অফিসের একাংশ ভেঙে দেওয়া হয়। এমনকি শাবল দিয়ে ডিজি লকারও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ। রবিবারও বুলডোজার পার্টি অফিসের সামনে পৌঁছে যায়। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে যান অভিষেকের আইনজীবী।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, পার্টি অফিসটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়নি। তিনি অভিযোগ করেছেন, এর পিছনে বিজেপি নেতাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদত রয়েছে। শনিবার তিনি বলেন, যে আইনের যে ধারায় আপনারা এই অত্যাচার করেছেন, একই আইনের একই ধারায় ৩১ ফিরিয়ে দেব সুদ সমেত।আমতলা পার্টি অফিস ভাঙাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। এখন নজর আদালতের পরবর্তী শুনানির দিকে, যেখানে রাজ্যের জবাবের পর মামলার ভবিষ্যৎ দিক নির্ধারণ হতে পারে।

জুলাই ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal