• ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hot

দেশ

হোটেলে আগুন, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! বাংলাদেশিদের জাল আধার-পাসপোর্ট বানানোর অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার একাধিক গাফিলতির অভিযোগের মধ্যেই এবার উঠে এসেছে জাল পরিচয়পত্র চক্রের অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জাল নথি তৈরিতে সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লির সমস্ত হোটেল, রেস্তরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল এবং সিনেমা হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিজের ছত্তরপুরের আবাসিক ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন লাভকেশ বাজাজ। অভিযোগ, সেই ঠিকানা ব্যবহার করে আধার কার্ড, পাসপোর্ট-সহ একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হত। অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন এই পুরনো মামলার তথ্যও ফের সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের জানুয়ারিতে দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় জাল নথি ব্যবহার করে এক বাংলাদেশি পরিবারের থাকার খবর পায় পুলিশ। তদন্তে একটি বাড়ি থেকে এক মহিলা এবং তাঁর নাতিকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন পরিচয়পত্রে আলাদা নাম ও ঠিকানা থাকলেও ছবিটি ছিল একই ব্যক্তির।পুলিশের দাবি, ওই জাল নথিগুলির মধ্যে থাকা একটি ঠিকানা দক্ষিণ দিল্লির ছত্তরপুর এলাকার। তদন্তে সেই ঠিকানার সূত্র ধরেই লাভকেশ বাজাজের নাম উঠে আসে। পরে জেরায় তিনি নাকি স্বীকার করেন যে, অর্থের বিনিময়ে নিজের ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিলেন।এর আগে জালিয়াতি চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। কিছুদিন জেলে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।দিল্লি পুলিশের তদন্ত এখন দুই দিকেই এগোচ্ছে। একদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও নিরাপত্তা গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অন্যদিকে জাল পরিচয়পত্র চক্রের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্ভাব্য যোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও সংযোগ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুন ০৬, ২০২৬
দেশ

২১ জনের মৃত্যু, তারপর সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য! অনুমতি ছিল মাত্র ৬ ঘরের, চলছিল ২৫ ঘরের হোটেল?

দিল্লির ভয়াবহ হোটেল অগ্নিকাণ্ডে বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনার পর সামনে আসতে শুরু করেছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট না হলেও প্রাথমিক তদন্তে হোটেলের নির্মাণ ও অনুমোদন সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন উঠে এসেছে।বুধবার দক্ষিণ দিল্লির মালব্যনগর এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ আগুন লাগে। দুর্ঘটনায় অন্তত একুশ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, হোটেলটির অনুমোদন ও বাস্তব নির্মাণের মধ্যে বড় ফারাক ছিল। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন ছিল সীমিত সংখ্যক কক্ষের জন্য, অথচ বাস্তবে অনেক বেশি ঘর তৈরি করে ব্যবসা চালানো হচ্ছিল। এই তথ্য সামনে আসার পর প্রশাসনিক তদারকি এবং নিয়ম মেনে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।স্থানীয়দের দাবি, বুধবার সকাল নাগাদ ভবনের নীচতলায় থাকা একটি রেস্তোরাঁ থেকে প্রথম ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় একাধিক দমকল ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান।দমকল কর্মীরা ভবনের ভিতর থেকে বহু মানুষকে উদ্ধার করেন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দুর্ঘটনার পরও কিছু মানুষ ভবনের উপরের তলায় আটকে ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিরোধী নেতাদের একাংশের অভিযোগ, নিয়ম ভেঙে নির্মাণ এবং প্রশাসনিক গাফিলতির কারণেই এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। যদিও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি।স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছেও একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি ভবন ব্যবসা চালিয়ে গেল, তা নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনের কোনও অংশের গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। আহতদের চিকিৎসা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।এদিকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।দিল্লির এই অগ্নিকাণ্ড ফের একবার প্রশ্ন তুলে দিল, নিরাপত্তা বিধি এবং নির্মাণ সংক্রান্ত নিয়মকানুন কতটা কঠোরভাবে মানা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায় কার, তা আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৩, ২০২৬
বিদেশ

গদ্দাফির পুত্রকে বাড়িতে ঢুকে গুলি! লিবিয়ায় ফের রক্তাক্ত রাজনীতি

লিবিয়ার প্রাক্তন একনায়ক মুয়াম্মার গদ্দাফির পুত্র ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা সইফ আল-ইসলাম গদ্দাফিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর বাড়িতে ঢুকে চার জন বন্দুকবাজ এই হামলা চালায় বলে সইফের রাজনৈতিক দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৫৩ বছর। এক সময় তাঁকেই লিবিয়ার ভবিষ্যৎ শাসক হিসেবে দেখা হতো।সইফের বোন জানিয়েছেন, আলজেরিয়া সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বা এর পিছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি বিবৃতি আসেনি।২০১১ সালে মুয়াম্মার গদ্দাফির পতনের মাধ্যমে লিবিয়ায় দীর্ঘ কয়েক দশকের একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটে। বিদ্রোহীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন গদ্দাফি। সেই ঘটনার বহু বছর পর আবারও গদ্দাফি পরিবারের নাম উঠে এল সইফ আল-ইসলামের মৃত্যুকে ঘিরে।যদিও সইফ আল-ইসলাম কোনও সরকারি পদে ছিলেন না, তবুও তেলসমৃদ্ধ উত্তর আফ্রিকার এই দেশের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী এক মুখ। বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে একত্রিত করার ক্ষমতা ছিল তাঁর। বিরোধীদের জন্য তিনি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারতেন বলেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।১৯৭২ সালে জন্ম সইফ আল-ইসলামের। তিনি ছিলেন মুয়াম্মার গদ্দাফির দ্বিতীয় সন্তান। এক সময় তাঁকেই লিবিয়ার কার্যত পরবর্তী শাসক হিসেবে ধরা হতো। গদ্দাফি সরকারের মধ্যে তিনি সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন সইফ। তবে তিনি ধরা পড়েন এবং দীর্ঘদিন বন্দি ছিলেন। পরে মুক্তি পেয়ে নিজের বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। সেখানেই আততায়ীদের হামলায় প্রাণ হারালেন গদ্দাফির পুত্র। এই মৃত্যুর পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশে হিন্দু খুনের প্রতিবাদে কড়া সিদ্ধান্ত, হোটেলে ‘নো এন্ট্রি’ বাংলাদেশিদের

বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। দেশজুড়ে নৈরাজ্যের আবহে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর একের পর এক হামলার অভিযোগ উঠছে। দীপু চন্দ্র দাসের হত্যার পর এবার অমৃত মণ্ডল নামে আরও এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়েছে বলে খবর। প্রতিবেশী দেশের এই ঘটনায় আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ভারত সরকার। এবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হল সাধারণ মানুষও।বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন মালদহ ও শিলিগুড়ির হোটেল ব্যবসায়ীরা। তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নো এন্ট্রি বোর্ড ঝুলবে হোটেলগুলিতে। দেশের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোটেল মালিকেরা।হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে ঘর দেওয়া হবে না। তবে মানবিকতার কারণে যাঁরা মেডিক্যাল ভিসায় চিকিৎসার জন্য ভারতে আসছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়া হচ্ছিল। এবার সেই ছাড়ও তুলে নেওয়া হল। মেডিক্যাল ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসায় আসা বাংলাদেশিদেরও আর হোটেলে জায়গা দেওয়া হবে না।হোটেল মালিক সংগঠনগুলির দাবি, বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘুদের উপর নির্মম অত্যাচার চলছে এবং কিছু মহল থেকে শিলিগুড়ি করিডর ও সেভেন সিস্টার্স নিয়ে হুমকির মতো মন্তব্য করা হচ্ছে, তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সেই কারণেই আর কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। শিলিগুড়ির একাধিক হোটেলে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।এই বিষয়ে হোটেল মালিক সংগঠনের এক প্রতিনিধি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সেখানে যা ঘটছে এবং যে ধরনের মন্তব্য সামনে আসছে, তার প্রতিবাদ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত। সংগঠনের অধীনে থাকা ১৮২টি হোটেল ছাড়াও আরও ৩০ থেকে ৪০টি হোটেল একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরও বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠার পর কলকাতা ও শিলিগুড়ি-সহ একাধিক জায়গায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে ঘর না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার ফের সেই একই পথে হাঁটলেন হোটেল ব্যবসায়ীরা।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
দেশ

সেলফির অছিলায় খুন! কবাডি টুর্নামেন্টে গুলি করে হত্যা খেলোয়াড়কে

সোমবার পঞ্জাবের মোহালিতে চলছিল একটি কবাডি টুর্নামেন্ট। সেই সময় হঠাৎই মোটরসাইকেলে করে সেখানে আসে দুষ্কৃতীরা। সেলফি তোলার কথা বলে কাছাকাছি এসে কবাডি খেলোয়াড় রানা বালাচৌরিয়াকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় তারা। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন রানা।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রানার মুখ এবং শরীরের উপরের অংশে চার থেকে পাঁচটি গুলি লাগে। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে মোহালির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে চিকিৎসকরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় ওই কবাডি খেলোয়াড়ের।এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে কুখ্যাত বামবিহা গ্যাং। তাদের তরফে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানানো হয়েছে, রানা নাকি তাদের বিরোধী জগ্গু ভগবানপুরিয়া ও লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হয়ে কাজ করছিলেন। সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ওই গ্যাং।মোহালি পুলিশ জানিয়েছে, মোটরসাইকেলে করে দুই থেকে তিন জন দুষ্কৃতী ঘটনাস্থলে এসেছিল। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওই কবাডি টুর্নামেন্টে গান গাইতে আসার কথা ছিল এক জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গায়কের। দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করার উদ্দেশ্যেই এসেছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সব সম্ভাবনাই মাথায় রেখে তদন্ত চলছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
কলকাতা

ঘনিষ্টতার মূল্য ২০ হাজার টাকা! দিতে রাজি না হওয়ায় খুন হতে হল আদর্শকে

কলকাতার কসবার হোটেলে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আদর্শ লোসালকারের খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে আরও ভয়ংকর তথ্য। ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতার শর্তে দুই হাজার টাকার দাবি ছিল ঠিকই, কিন্তু প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল অন্তত কুড়ি হাজার টাকা হাতানো। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতেই কোমল সাহা ও তার লিভ-ইন সঙ্গী ধ্রুব মিত্র নৃশংসভাবে খুন করে আদর্শকে এমনটাই দাবি পুলিশের।গত শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটার মধ্যে একই ঘরে ছিলেন তিনজন। পুলিশের মতে, সেই সময়েই ঘটে ধস্তাধস্তি। আদর্শ বাধা দিতেই বেডশিটে জড়িয়ে তাঁর শ্বাসরোধ করা হয়। ধ্রুবর হাতে আদর্শের নখের আঁচড়ের চিহ্ন মিলেছে, যা সন্দেহকে আরও জোরালো করছে। রাত ১২টার কিছু পরই মারা যান আদর্শ।এরআগে, শনিবার কসবার হোটেল থেকে উদ্ধার হয় আদর্শের বিবস্ত্র দেহ। গ্রেপ্তারের পর থেকে কোমল ও ধ্রুব বারবার বয়ান বদলাচ্ছে। কখনও আলাদাভাবে, কখনও মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করছে পুলিশ। ঘটনার পুনর্গঠন করতে দুজনকেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে হোটেল কক্ষে।পুলিশ সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার ডেটিং অ্যাপে পরিচয় হওয়ার পর কোমল প্রথমে দুহাজার টাকা দাবি করেন ঘনিষ্ঠতার বিনিময়ে। তবে আদর্শ সেই টাকা দেননি বলে দাবি অভিযুক্ত যুগলের। কিন্তু আদর্শই অনলাইনে কসবার হোটেলের দুটি ঘর বুক করেছিলেন। প্রথমে কোমল ও ধ্রুব একসঙ্গে একটি ঘরে ঢোকে।তারপর প্রায় দশ মিনিটের জন্য কোমল আদর্শের ঘরে যায়। এর মধ্যেই হোটেল কর্মী কয়েকটি বিয়ারের বোতল নিয়ে আসে আদর্শই অনলাইনে অর্ডার করেছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আদর্শ নিজেই বাইরে গিয়ে চিপস কিনে ঘরে ফেরেন। এরপর করিডরে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা যায় কোমল ও ধ্রুবকে। পুলিশের দাবি, ওই সময়ই দুজন কুড়ি হাজার টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করে। এরপর কোমল আদর্শের ঘরে চলে যান এবং তার কিছু পরেই ঘটে খুন।তদন্তে আরও জানা গেছে, এই যুগল ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ভিনরাজ্যের একাধিক ব্যক্তির কাছে টাকা হাতানোর অভিযোগেও জড়িত। ফলে আদর্শের মৃত্যু শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বড়সড় প্রতারণা চক্রের ইঙ্গিত বলেই মনে করছে পুলিশ।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
কলকাতা

অনলাইন অ্যাপের দুনিয়া থেকে মৃত্যু! আদর্শ হত্যায় কলকাতায় হইচই, পুলিশের হাতে বড় তথ্য

কলকাতার কসবা এলাকায় হোটেল ঘিরে রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ। বীরভূমের দুবরাজপুরের বাসিন্দা ও পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আদর্শ লোসাল্কার খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর দুই সঙ্গী ধ্রুব মিত্র ও কমল সাহাকে। দুজনকেই শনিবার গভীর রাতে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি তদন্তে তাঁদের ভূমিকাই সবচেয়ে সন্দেহজনক বলে উঠে এসেছে।শুক্রবার সন্ধ্যায় আদর্শ কসবার ওই হোটেলে ওঠেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক তরুণী এবং এক যুবক। জানা গিয়েছে, ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে আলাপ হয় আদর্শের। নিজের ফোন থেকেই অ্যাপ ব্যবহার করে হোটেলের চতুর্থ তলার দুটি রুম বুক করেন তিনি। আদর্শ একা নিজের রুমে ঢোকেন, আর অপর রুমে চেক ইন করেন ওই তরুণী ও ধৃত যুবক।পরে তরুণী প্রথমে আদর্শের রুমে যান। কিছুক্ষণ পর সেখানে যোগ দেন অপর যুবকও। পুলিশ সূত্রে মিলেছে, টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে আদর্শের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়ায়। পরে আদর্শকে অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে হোটেল থেকেই সটকে পড়ে দুই সঙ্গী।শনিবার হোটেলের স্টাফরা দরজা না খুলতেই সন্দেহ করেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, মেঝেতে পড়ে আছে আদর্শের নিথর শরীর। তাঁর পা দড়ি দিয়ে বাঁধা। রুম থেকে উদ্ধার হয় অব্যবহৃত কন্ডোম। শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন লক্ষ করা যায়।ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে স্পষ্ট হয়েছে, শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে আদর্শকে। রিপোর্টে আরও পাওয়া গেছে, ঘটনার আগে তিনি মদ্যপান করেছিলেন। ধৃতদের জেরায় উঠে এসেছে তাঁরা নাকি ভয় পেয়ে পা বেঁধেছিলেন, যাতে আদর্শ উঠে তাঁদের আক্রমণ না করতে পারেন। তবে পুলিশের মতে, ধৃতদের এই দাবি সম্পূর্ণ সন্দেহজনক এবং প্রত্যেকটি বক্তব্য খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অনলাইন ডেটিং প্ল্যাটফর্মকে কেন্দ্র করে প্রতারণা বা ব্ল্যাকমেলিংয়ের মতো কোনও ব্যান্ড সক্রিয় কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুনের উদ্দেশ্যে নাকি অর্থ বা অন্য কোনও কারণে তাঁদের পরিকল্পনাসেটিও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে।এই রহস্যময় খুনে পুরো শহরজুড়েই ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রশ্ন উঠছেঅ্যাপে পরিচয়ের ফাঁদে আরও কেউ কি জড়িয়ে পড়েছেন? তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
কলকাতা

হোটেল রুমে যুবকের দেহ, সঙ্গে কন্ডোম! খুনের পর টাকাও উধাও? তদন্তে দগ্ধ লালবাজার

কসবাকাণ্ডের তদন্ত আরও জটিল আকার নিচ্ছে। লালবাজারের হোমিসাইড শাখা সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের আগে অনলাইনে বুক করা হয়েছিল দুটি ঘর। মৃত যুবক আদর্শ লোসালকাকে যেভাবে পাওয়া গিয়েছে, তা দেখে তদন্তকারীদের অনুমানতাকে নির্মমভাবে খুনের পর দেহ সরানো হয়েছে। ঘরের মেঝেতে খাটের ঠিক নিচে উল্টে পড়ে ছিল তার দেহ। পা বাঁধা ছিল তোয়ালে দিয়ে। মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন।বীরভূমের দুবরাজপুরের বাসিন্দা ৩৩ বছরের আদর্শ শুক্রবার রাতেই কসবার হোটেলে ঢুকেছিলেন তিনজনের সঙ্গে। হোটেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দলে ছিলেন এক মহিলা ও দুই পুরুষ। ভোরবেলা মহিলা এবং এক ব্যক্তি হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে যান। পরে রুম পরিষ্কার করতে গিয়ে কর্মীরা দেখেন মেঝেতে রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশে খবর দেওয়া হয়। ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে কন্ডোম। যা দেখে তদন্তকারীরা মনে করছেন, খুনের পিছনে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা আর্থিক বিরোধদুটোই সমান ভাবে সম্ভব।হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা আধার কার্ড জমা দিয়েছিল। কিন্তু কার্ডগুলি আসল কি না, তা এখন যাচাই করছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, খুনের পর আদর্শের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হোটেলের দুই পুরনো কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।অক্টোবরের শেষ দিকেই পার্ক স্ট্রিটের একটি হোটেল থেকে বক্স খাটের ভেতর থেকে এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনার সঙ্গেও অদ্ভুত মিল নিয়ে ফের আতঙ্ক ছড়িয়েছে শহরে। সেদিনও তিন যুবক রুম নিয়েছিলেন, পরে দুজন পালিয়ে যান। এবার আর এক হোটেল থেকে মিলল যুবকের দেহ। তদন্তকারীদের মতে, দুটি ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। কসবার এই মৃত্যু এখন শহরজুড়ে নতুন রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
উৎসব

চোটখন্ড উন্নয়নী সংঘ দুর্গোৎসব ঘিরে চার দিনের আয়োজনে আনন্দমুখর পরিবেশ

চোটখন্ড উন্নয়নী সঙ্ঘের আয়োজিত দুর্গোৎসব এ বছরও যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনন্দমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো। টানা চারদিন ধরে শিষ্টাচার মেনে পূজা-পার্বণ, বিবিধ খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মাতৃ আরাধনায় সামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা।প্রথামত ষষ্টী-তে দেবীর বোধনের মাধ্যমে পুজারম্ভ হয়। সপ্তমী তিথিতে নবপত্রিকার স্নান, অষ্টমী তিথিতে সন্ধিপূজা ও বলিদান, ও নবমী তিথিতে হোম যজ্ঞ-র আয়োজন কর হয়। দশমী তিথিতে দেবী অপরাজিতার পুজার মাধ্যমে সাঙ্গ হয় এবছরের আরাধনা, অপেক্ষা আরেকটি বছরের।দশমী তিথিতে দেবী দুর্গার পূজা-পর্ব শেষে আয়োজিত হয় সান্ধ্যকালীন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এলাকার কচিকাঁচা থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ কৃতী শিল্পীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন। এর পাশাপাশি চারদিন ধরে চলতে থাকা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ক্লাবের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় স্মারক পুরস্কার।একাদশীর দিনে প্রথা অনুযায়ী দিনের বেলা ঢাক-ঢোল বাদ্যি সহযোগে এলাকার আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা দেবী প্রতিমা নিরঞ্জনে অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যার পর চোটখন্ড উন্নয়নী সঙ্ঘের পক্ষ থেকে প্রায় ২০০০ জন ভক্তের মাঝে চোটখন্ড বারোয়ারী তলায় খিচুড়ি ভোগ বিতরণ করা হয়। ভোগ প্রাপ্তির আনন্দে চারিদিক মুখরিত হয়ে ওঠে।চোটখন্ড উন্নয়নী সঙ্ঘের সম্পাদক সান্তনু চট্টোপাধ্যায় জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও সকলে মিলেমিশে দুর্গোৎসব পালন করাই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। স্থানীয় মানুষজনের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে উৎসবের আমেজ আরও বেড়ে ওঠে। ক্লাবের অপর এক সদস্য চঞ্চল মোহন্ত জনতার কথাকে জানান, সারাবছরই আমরা প্রত্যেকেই নানাবিধ কাজে ব্যস্ত থাকি। এই চারটে দিন পজোর ব্যস্ততায় বারোয়ারী তলায় কি ভাবে কেটে যায় বুঝতেই পারিনা। পাড়ার মা, বোন ও ছোটছোট ছেলেমেয়েরা প্রচুর আনন্দ করে/করেন। তিনি জানান, আবার আরেকটি বছরের অপেক্ষা, তিনি আরও বলেন তাঁরা সামনের বছর আরও ভালো কিছু করার পরিকল্পনা করবেন। সকলে মিলে বসেই সেই পরিকল্পনা করবেন বলে জানান।

অক্টোবর ০৩, ২০২৫
রাজনীতি

'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' দেখাতে বাম্পার কৌশল বঙ্গ BJP-র! রাজ্যে আরও এক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জর্জরিত বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস। এবার সেই সিনেমাকেই কেন্দ্র করে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে নিজেদের উদ্যোগে আলাদা এক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছে তারা।সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই উৎসবে দেশি-বিদেশি, আঞ্চলিক এবং বাংলা ছবির প্রদর্শনী হবে। এর জন্য শহরের কয়েকটি কেন্দ্রীয় সরকারি অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। উৎসবে থাকবেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা-পরিচালকরা। পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিজেপি নেতা-অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ। সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও।এদিকে, ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশে মুক্তি পেলেও দ্য বেঙ্গল ফাইলস এখনও পর্যন্ত বাংলার প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি। ফলে এই সমান্তরাল উৎসবেই ছবিটি দেখানো হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। রুদ্রনীল ঘোষ অবশ্য জানাচ্ছেন, আমাদের ভুল কিংবা অন্যায় মেনে নেওয়ার জায়গা তৈরি হয় না। অথচ সেই যুক্তিতে অর্ধেক বাংলাবাসীকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই একটা বিকল্প মঞ্চ দরকার। এই উৎসব সেই নিরপেক্ষ জায়গা তৈরির চেষ্টা।রুদ্রনীলের দাবি, উৎসবে এমন সব ছবি দেখানো হবে যেগুলি মানবিকতা আর গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলবে। সেখানেই থাকছে দ্য বেঙ্গল ফাইলস। তাঁর বক্তব্য, দেশজুড়ে ছবি মুক্তি পেলেও বাংলায় ব্যবসায়ীদের নানা চাপের মুখে পিছিয়ে যেতে হয়। হল মালিকরা অশান্তির ভয়ে ঝুঁকি নেন না। সবাই আসলে ২০২৬-এর রাজনৈতিক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই দর্শকদের সামনে সেই জানলা খুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

দীঘায় জনজোয়ার! জানেন তো জগন্নাথ মন্দিরের বাড়তি আকর্ষণ সম্পর্কে?

টানা তিনদিনের ছুটি (১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস, ১৬ আগস্ট জন্মাষ্টমী, ১৭ আগস্ট রবিবার) ঘিরে দিঘায় পর্যটকের ভিড় বাড়ছে। এই প্রথমবার দিঘার জগন্নাথ ধামে হবে জন্মাষ্টমী উদযাপন। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে মঙ্গল আরতি, কীর্তন, ধর্মীয় আলোচনা ও প্রসাদ বিতরণ। সাধারণত রাত ৯টায় বন্ধ হওয়া মন্দির এদিন খোলা থাকবে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। হোটেল বুকিং প্রায় সম্পূর্ণ, নিরাপত্তা ও পরিষেবা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। ভক্তদের জন্য কলস অভিষেকের আয়োজনও থাকছে।দিঘা জগন্নাথ ধামের ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম কর্মকর্তা তথা কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, প্রথমবার দিঘা জগন্নাথ ধামে জন্মাষ্টমী উদযাপন হবে। সকাল থেকে শুরু হবে মঙ্গল আরতি ও কীর্তন। দুপুরে প্রসাদ বিতরণ হবে, দিনভর থাকবে কীর্তন ও ধর্মীয় আলোচনা। রাত বারোটা হবে শ্রীকৃষ্ণ জন্মোৎসব পূজা, যেখানে হাজারো ভক্ত একসঙ্গে প্রার্থনায় অংশ নেবেন। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মন্দির প্রাঙ্গণে পুলিশ টহল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নিয়োজিত থাকবে।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
দেশ

নেট প্রভাবী জ্যোতির মোবাইলে ‘জাট রনধাওয়া’ নামে কার নম্বর সেভ ছিল

হরিয়ানার জনপ্রিয় ইউটিউবার ও ভ্রমণ ব্লগার জ্যোতি মলহোত্রা সম্প্রতি পাকিস্তানের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য শাকির ওরফে রানা শাহবাজের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং তার নম্বর মোবাইলে জাট রনধাওয়া নামে সেভ করে রেখেছিলেন ।পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, মলহোত্রা পাকিস্তানে ভ্রমণের সময় পাকিস্তান হাই কমিশনের এক কর্মকর্তা, এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই সম্পর্কের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং তাদের সঙ্গে এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন ।তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন, মলহোত্রা ভারতীয় সেনাবাহিনীর সংবেদনশীল তথ্য পাকিস্তানি সংস্থার কাছে সরবরাহ করতেন এবং তার সামাজিক প্রভাব ব্যবহার করে পাকিস্তানের পক্ষে ইতিবাচক প্রচার চালাতেন । এই ঘটনায় আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

মে ১৮, ২০২৫
দেশ

পাক গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার ইউটিউবার, পাকিস্তানেও গিয়েছেন তিনি

পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে হরিয়ানার হিসারে গ্রেফতার হলেন ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রা। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে কমিশনের মাধ্যমে ভিসা নিয়ে তিনি পাকিস্তানে যান, যেখানে লাভজিহাদের ফাঁদে পড়ে পাক হাইকমিশনের কর্মচারী দানিশের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গোয়েন্দা সূত্রের মতে, জ্যোতি পাকিস্তানি গোয়েন্দা এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন এবং বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য পাচার করে দিতেন ।পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার জনপ্রিয় ব্লগার জ্যোতি রানী। হরিয়ানা পুলিশ জানিয়েছে, জ্যোতি রানী পাকিস্তান হাইকমিশনের ওই কর্মকর্তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছিলেন এবং দুবার পাকিস্তান ভ্রমণ করেন।অপারেশন সিন্দুরের সময় পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে শুক্রবার হরিয়ানা পুলিশ ৩৩ বছর বয়সী ভ্রমণ ব্লগার জ্যোতি রানীকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে , রানির একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে যার নাম ট্র্যাভেল উইথ জো। তার ৩,৭৭,০০০ এরও বেশি সাবস্ক্রাইবার এবং ১,৩২,০০০ এরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে। দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তার সাথে সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় হোটেলে আগুনের জেরে মৃত্যু মিছিল, সিট গঠন করে তদন্ত শুরু

হোটেলে আগুন লাগার জেরে ১৪ জনের মৃত্যু হল। কলকাতার বড়বাজারে মেছুয়া ফলপট্টিতে একটি হোটেলে আগুন লেগে দমবন্ধ হয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়। একজন কার্নিস থেকে পড়ে মারা যান। বুধবার সকালে হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হোটেল মালিক পলাতক বলে পুলিশ জানিয়েছে। সিট গঠন করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গতকাল সন্ধে সাড়ে ৭টা নাগাদ কলকাতার বড়বাজারের মেছুয়া ফলপট্টির ঋতুরাজ হোটেলে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই পর্যায়ক্রমে সেখানে যায় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। তবে তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। ল্যাডার থেকে জল ছড়িয়ে, গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে কয়েক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নেভানো গেলেও রোখা যায়নি মৃত্যু মিছিল। সাড়ে ১২টা নাগাদ যখন আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে গোটা হোটেল গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়েছিল। কার্যত দমবন্ধ হয়ে পরপর মৃত্যু হয়েছে হোটেল আবাসিকদের। রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোররাত পর্যন্ত ওই হোটেলের সিঁড়ি, ঘর, ব্যালকনি থেকে পরপর ১৩ জনের নিথর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও দমকলকর্মীরা।অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি ছাড়াও ঘটনাস্থলে যান রাজ্যের আর এক মন্ত্রী শশী পাঁজা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন দিঘায়। তিনি ফোনে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, শশী পাঁজাদের। মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, কীভাবে এই ঘটনা ঘটল দমকল ও পুলিশ তার খতিয়ে দেখবে। FIR করে ঘটনার তদন্ত হবে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৫
রাজ্য

বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে চলল গুলি, মৃত যুবক

বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে এসে বর পক্ষের সাথে কনে পক্ষের হাতাহাতি, ভাঙচুর বিয়ে বাড়িতে। খুনের অভিযোগ কনে পক্ষের একজনকে।কনে পক্ষের দাবি খুন করা হয়েছে আশিষ বেদ নামে বছর ২০ র এক যুবককে, গুলির শব্দ শোনা গেছে বলে এলাকাবাসীর দাবি। ঘটনাকে ঘিরে দুর্গাপুরের অমরাবতী সংলগ্ন ভ্যামবে কলোনি হরি মন্দির সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। পুলিশ ঘিরে রেখেছে ঘটনাস্থল। গতকাল এই এলাকায় একটি বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠান ছিল, বিয়ে বাড়িতে আসানসোল থেকে বর পক্ষের লোকজন আসার কিছুক্ষন পর বিয়ে বাড়ির ডান্স প্লাটফর্ম এ গান চেঞ্জ করাকে কেন্দ্র করে অশান্তির শুরু, গান চেঞ্জ করতে রাজি হয়নি কনেবাড়ির লোকজন, এরপরই শুরু হয় দু পক্ষের হাতাহাতি, ঠিক এইসময় কনে বাড়ির আত্মীয় আর্টিস্ট বেদকে টেনে হিচড়ে নিয়ে এসে খুনের অভিযোগ কনে বাড়ির লোকজনদের, গুলি করে খুনের অভিযোগও আনছে এলাকার মানুষ। তবে ঠিক কি কারণে এই মৃত্যু তা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ময়না তদন্তর জন্য আর্টিস্ট বেদের মৃতদেহ দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায় নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ। গোটা ঘটনার জেরে টানটান উত্তেজনা দুর্গাপুরে ভ্যাঁমবে কলোনি এলাকায়।নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ অক্ষয় বেদ, নামে একজনকে আটক করেছে, আরো কয়েকজনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

মার্চ ১০, ২০২৫
কলকাতা

অবশেষে কলকাতা প্রেস ক্লাবে সদস্য হতে পারবেন চিত্র সাংবাদিকরা

কলকাতা প্রেস ক্লাবে এবার থেকে সদস্য হতে পারবেন সরকারি অ্যাক্রিডেটেড চিত্র সাংবাদিকরা। প্রেস ফোটোগ্রাফারদের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল কলকাতা প্রেস ক্লাবে ভোটাধিকার সহ সদস্য হওয়ার। চিত্র সাংবাদিকরা সদস্য হবেন কি হবেন না, তা নিয়ে প্রেস ক্লাবে বিশেষ সাধারণ সভায় ভোট প্রক্রিয়া হয়। ভোটের ফলাফলে দেখা যায় ৫ ভোটে প্রেস ফটোগ্রাফারদের সদস্য হওয়ার প্রস্তাব জয়ী হয়েছে। ভোট হয় গোপন ব্যালটে। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১৮৬টি ও প্রস্তাবে বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৮১টি। এর আগে আরেকবার ভোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রস্তাব বাতিল হয়েছিল। তবে ভোটে জয়ের পর অতিউৎসাহী দুএকজন ফটোগ্রাফারদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে অত্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রেস ক্লাব গঠন হওয়ার ৭৯ বছর পর প্রেস ফটোগ্রাফাররা সদস্য হওয়ার ছাড়পত্র পেল।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৪
দেশ

পুরীতে হোটেল বুকিংয়ের নামে ফেক ওয়েবসাইট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতারণা

সাইবার প্রতারণার শিকার খোদ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। পুরী বেড়াতে যাওয়ার জন্যে অনলাইনে হোটেল বুক করে প্রতারণার শিকার বিচারপতি সোমশুভ্র ঘোষাল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজস্থান ও আরামবাগ থেকে মূল অভিযুক্ত সহ দুজনকে গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২০২২-এর ৮ অক্টোবর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোমশুভ্র ঘোষাল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন, তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে পুরীতে ঘুরতে যাওয়ার জন্যে অনলাইন মাধ্যমে একটি ৫ তারা হোটেল বুকিং করার চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁকে সেই হোটেলের বুকিং প্রসিডিউরের জন্যে একজন ফোন করে। সেখানে তাঁকে হোটেলে বুকিং করার জন্যে টাকা জমা করতে বলা হয় এবং একটি একাউন্ট ডিটেলস দেওয়া হয়। তিনি সেই একাউন্টে ৯২ হাজার টাকা ট্রান্সফার করেন। তবে কিছুদিন পরে ওই হোটেলে খোঁজ নিলে জানতে পারেন তাঁর নামে ওই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে, ওই হোটেলের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে এই প্রতারণা চক্র চালানো হচ্ছিল। এরপরই টাকা কোন অ্য়াকাউন্টে জমা পড়েছে সেই সূত্র ধরে রাজস্থানের ভরতপুর এলাকায় হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রেম চাঁদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতা নিয়ে আসা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরামবাগ থেকে আরও এক প্রতারক স্বর্ণদীপ রায়কে গ্রেফতার করা হয়।

জুন ১০, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

রাহুল দে (এডি গুপ্তার) ক্যামেরায় নতুন লুকে মডেল অভিনেত্রী সঞ্চিতা দাস

বাংলা সিনেমা জগত ও মডেলিং জগতের খুব পরিচিত নাম সঞ্চিতা দাস। মডেলিং থেকে অভিনয় দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এই অভিনেত্রী মডেল। সম্প্রতি দেখা গেল রাহুল দের (এডি গুপ্তা) শ্যুটে পুরোপুরি ভিন্ন লুকে। জমকালো লুকে দর্শকদের নজর কেরেছে এই অভিনেত্রী।নতুন মিউজিক ভিডিও তে অভিনয় করতে দেখা যাভে এই অভিনেত্রীকে। শুধু অভিনয় নয়, মডেলিং জগতে বেশ কিছু নামকরা ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা যাবে তাকে।ফটোগ্রাফার রাহুল দে (এডি গুপ্তা) জানান সঞ্চিতার লুকটা খুব ভালো। নানান লুকে ওকে ফটোতে খুব ভালো লাগে। আশা করছি আমার ক্যামেরার তোলা প্রতিটি ছবিতে ওকে খুব ভালো লাগবে।তবে অভিনেত্রী, মডেল সঞ্চিতা দাস জানান ভালো প্রজেক্টে ভালো চরিত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। যেখানে নিজের ভালো অভিনয় উপহার দিতে পারবো আমার দর্শকদের। কারন ভালো চরিত্র পাওয়া প্রতিটি অভিনেত্রীর কাছে সবচেয়ে বড়ো পাওনা।

অক্টোবর ০২, ২০২৩
রাজ্য

জন্মদিনের পার্টিতে বান্ধবীকে হোটেলে নিয়ে রাতভর যৌন নিগ্রহ, অভিযুক্ত চার বন্ধু সহ ম্যানেজার শ্রীঘরে

বার্থডে পার্টিতে বান্ধবীকে শ্লীলতাহানি। অভিযোগ বন্ধু ও তার তিন সঙ্গীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত এই ৪ জনকে গ্রেফতার করল চুঁচুড়া থানার পুলিশ। একইসঙ্গে এলাকার এক নামী হোটেলের ম্যানেজারকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত পাঁচজনের বিরুদ্ধেই পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।বুধবার সন্ধ্যায় চুঁচুড়ার কাপাসডাঙ্গার বাসিন্দা যুবক দেবপ্রিয় বিশ্বাস তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে খাওয়ানোর নাম করে চুঁচুড়ারই বাসিন্দা এক স্কুলপড়ুয়া বান্ধবীর বাড়িতে আমন্ত্রণ জানাতে গিয়েছিল। এরপর ওই বান্ধবীকে সঙ্গে করে নিয়ে যায় চুঁচুড়া বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি হোটেলে। সেখানে তখন তার তিন বন্ধু আগে থেকেই হাজির ছিল। ওই হোটেলেই রাতভোর ওই চার বন্ধু ওই নাবালিকাকে যৌননিগ্রহ করে বলে অভিযোগ।গভীর রাত অবধি মেয়ে বাড়ি না-ফেরায় চিন্তিত হয়ে নাবালিকার অভিভাবকরা চুঁচুড়া থানার দ্বারস্থ হন। তদন্তে নেমে পরদিন ভোরে চুঁচুড়া শহরের বহু পরিচিত একটি হোটেল থেকে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই স্কুলপড়ুয়া নাবালিকা পুলিশকে জানায়, তাঁর পূর্বপরিচিত বলেই দেবপ্রিয়র জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিল। কিন্তু, খাওয়াদাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে এইভাবে অসভ্যতা করা হবে, সেটা সে ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি।ওই নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালেই দেবপ্রিয় বিশ্বাস-সহ তার তিন বন্ধু সৌম্যদীপ পাত্র, দেবরাজ দাস এবং নিবারণ বালাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের চুঁচুড়া আদালতের বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। নাবালিকার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়েছে। যে হোটেলে যৌননির্যাতন করা হয়েছিল, সেই হোটেলের ম্যানেজার গৌরাঙ্গ বিশ্বাসকেও গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধেও পকসো আইন লাগু হয়েছে। হোটেলের ঘর ভাড়া নিয়ে কোনও নিয়ম মানেনি ম্যানেজার।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

শীঘ্রই মুম্বই পাড়ি দিচ্ছেন চিত্রগ্রাহক অভি সেনগুপ্ত

কলকাতা শহরে মডেলিং ফটোগ্রাফি ওয়ার্ল্ডের চেনা নাম অভি সেনগুপ্ত। তার ক্যামেরাতে ধরা পরেছে টলিউডের নামকরা তারকা দের অপরুপ বহু ছবি। তার ক্যামেরার জাদুতে ছবির রুপ অন্য মাত্রা নেয়। সম্প্রতি অভিনেতা সৌরভ দাস ও দর্শনা বনিক এর একটি প্রজেক্টের লুক সেট করেছেন তিনি। খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে সেই ছবি।নানান ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে অভি সেনগুপ্ত ও তার টিম কে। প্রচন্ড প্রফেশনাল এই টিম বলতে পারেন কলকাতা শহরে বেশ সুনামের সাথে কাজ করেন।শাড়ীর ব্র্যান্ডের নানান শ্যুটে অনন্য ক্রিয়েটিভির ছোঁয়া এনেছেন এই তারকা ফটোগ্রাফার। কলকাতা শহরের বাইরে মুম্বাই শহরে বেশ কিছু প্রজেক্টের কথা চলছে তার সাথে। বলাইবাহুল্য অভি সেনগুপ্তের তোলা প্রতিটি ছবিতে থাকে অনন্য ক্রিয়েটিভি।

মে ২৯, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক! সেনেগাল ফুটবলারদের সঙ্গে ‘অপরাধীর মতো’ আচরণের অভিযোগ

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। তার আগেই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। আমেরিকায় পৌঁছনোর পর সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে যেন তাঁরা কোনও অপরাধী।জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমেরিকায় পৌঁছেছিল সেনেগাল দল। বিমানবন্দরে নামার পরই নিরাপত্তাকর্মীরা ফুটবলারদের ব্যাগ, ট্রলি এবং অন্যান্য সামগ্রী বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করেন। অভিযোগ, মাদকদ্রব্যের সন্দেহে দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। ঘটনাস্থলের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।শুধু সেনেগাল নয়, উজবেকিস্তান দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কে অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর ফুটবলারদের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় মাদক সন্ধানী কুকুর এবং ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আবার অনেকে জানতে চেয়েছেন, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা কেন এই বিতর্ক নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করছে না।এর আগেও বিশ্বকাপ ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আয়োজক দেশকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের মতে, খেলাধুলার মঞ্চ সব সময় দেশ, সংস্কৃতি এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিরিক্ত কড়া বা অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ সামনে আসা উদ্বেগের বিষয়। যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির পাশের তৃণমূল কার্যালয়ে সিআইডি হানা, এবার সরাসরি হাই কোর্টে মামলা!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। অভিযোগ, কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষী ছাড়াই তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং বেআইনিভাবে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে সই জাল কাণ্ডে নিজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের আশঙ্কায় ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন নিয়ে আগামীকাল শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে সই জাল কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। কার্যালয়টি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অবস্থিত। ঘটনাস্থলে একটি মহিলা দল-সহ সিআইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। পাশাপাশি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।সিআইডির দাবি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তল্লাশি পরোয়ানাও ছিল বলে জানানো হয়।সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে ছিলেন। ফলে কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা দলের কোষাধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তীর সঙ্গেই সিআইডি আধিকারিকদের কথা হয়। তিনি প্রথমে তল্লাশির অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে কিছু সময় বাগ্বিতণ্ডা চলে। তবে শেষ পর্যন্ত সিআইডি আধিকারিকরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান।এই তল্লাশিকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে তল্লাশি করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কোনও সাক্ষীর উপস্থিতি ছিল না এবং সেই সুযোগে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। যদিও সিআইডির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে তাদের কাছে বৈধ তল্লাশি পরোয়ানা ছিল।তল্লাশি শেষে সিআইডি আরও জানিয়েছিল, কার্যালয় থেকে কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের দিকে। আদালত এই অভিযোগগুলিকে কীভাবে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ! সাড়ে সাত বছর পর ডায়মন্ড হারবারে দায়ের এফআইআর

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে সিআইডির সমন ঘিরে বিতর্কের মাঝেই নতুন করে চাপে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, যিনি ববি নামেও পরিচিত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ চল্লিশের বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।অভিজিৎ দাসের দাবি, দুই হাজার আঠারো সালের একুশ ডিসেম্বর ডায়মন্ড হারবারের কপাটহাট মোড়ে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। সেই সময় তিনি বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, পরিকল্পনা করে তাঁর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল।হামলায় গুরুতর জখম হন অভিজিৎ। কোমর থেকে পা পর্যন্ত আঘাত লাগে তাঁর। অভিযোগ, মারধরের ফলে তাঁর মেরুদণ্ডেও চিড় ধরে। মাথাতেও গুরুতর আঘাত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল তাঁকে।অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, সেই সময় তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি আবার এই ঘটনার বিচার চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ একচল্লিশ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় দেড়শো জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে অভিজিৎ দাস বলেন, হামলার আগে তিনি সম্ভাব্য আক্রমণের খবর পেয়েছিলেন এবং পুলিশকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, হামলার পর তাঁকে প্রায় মৃত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছিল এবং আজও সেই আঘাতের শারীরিক প্রভাব বহন করছেন।এতদিন পরে কেন অভিযোগ নিয়ে ফের সামনে এলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, সে সময় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। তাই তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এখন তিনি আশা করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অভিযোগপত্রে নাম থাকা জাহাঙ্গির খানকে ইতিমধ্যেই অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিযোগে নাম থাকা অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সাড়ে সাত বছর আগের একটি রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গির গ্রেফতারের পরেই আগুন! জেলা পরিষদের দফতরে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য

আলিপুরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বহুতল দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল প্রায় পৌনে দশটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা ভবন থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় দমকলকে। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, যে অংশে আগুন লাগে সেটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের দফতর। আগুন লাগার পর গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিশেষভাবে নজরে এসেছে জাহাঙ্গির খানের ব্যবহৃত দফতরেও আগুন লাগার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সপ্তাহে কয়েকদিন তিনি ওই দফতরে আসতেন এবং তাঁর সঙ্গে বহু লোকজনের যাতায়াত ছিল। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জানা যাচ্ছে, ভবনের চারতলায় বসতেন জাহাঙ্গির খান। ফলে ওই অংশে আগুন লাগার ঘটনা ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল এবং প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, জেলা পরিষদের পূর্ত দফতরের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাটমানি এবং সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল।বিধায়কের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে চারটি ঠিকাদারি সংস্থা সম্প্রতি ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তে বুধবার পুলিশ প্রশাসনের জেলা পরিষদে গিয়ে নথিপত্র খতিয়ে দেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সংশ্লিষ্ট দফতরে আগুন লাগার ঘটনা অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে মনে করছেন তিনি।দেবাংশু পাণ্ডার অভিযোগ, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি। দমকল, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে আগুন লাগল এবং কোনও নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।তবে জাহাঙ্গির খানের গ্রেফতারের পরপরই তাঁর সঙ্গে যুক্ত দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তরসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে যাচ্ছে কোন দফতর? সামনে এল সম্ভাব্য তালিকা, চমকে দিতে পারে একাধিক নাম

গত পয়লা জুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট পঁয়ত্রিশ জন। কিন্তু এখনও তাঁদের মধ্যে কার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম সামনে এসেছে।শপথ নেওয়া পঁয়ত্রিশ জনের মধ্যে তেরো জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং উনিশ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন সবার নজর দফতর বণ্টনের দিকে।সূত্রের খবর, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে মানিকতলার প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায়ের হাতে। উচ্চশিক্ষা দফতরের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্বও সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে যেতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।অন্যদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক ও চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।এ ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রম দফতরের দায়িত্বও তাঁর হাতে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের হাতে যেতে পারে কৃষি দফতর। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে। কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক অরূপ দাসের হাতে সেচ দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও আইন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা সংখ্যালঘু ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন। পাশাপাশি আইন দফতরের দায়িত্বও তিনি নিজের কাছেই রাখতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা হয়নি। ফলে কোন মন্ত্রীর হাতে শেষ পর্যন্ত কোন দফতর যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। এখন সবার নজর, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপরেখা সামনে আসে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে আরও বড় ধাক্কা! সুখেন্দুর পর এবার ইস্তফা সুস্মিতা দেবের, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসে অস্বস্তি আরও বাড়ল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের এক সদস্য। সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে মতভেদের আলোচনা চলার মধ্যেই একের পর এক সাংসদের পদত্যাগ দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।দলীয় সূত্রে জল্পনা, আরও কিছু নেতা ও সাংসদ ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটতে পারেন। রাজনৈতিক মহলে এমনও আলোচনা চলছে যে সদ্য রাজ্যসভার সদস্য হওয়া কোয়েল মল্লিকও পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।সুস্মিতা দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অসমের শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। পরে দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতা দেবকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। পরে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়। পাশাপাশি অসমে দলের সংগঠন বিস্তারের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সংগঠনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সংসদের দুই কক্ষেই এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। লোকসভায় দলের কিছু সাংসদ আলাদা অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে রাজ্যসভায়ও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমছে। সুখেন্দু শেখর রায় ও সুস্মিতা দেবের ইস্তফার ফলে দলের শক্তি আগের তুলনায় কমেছে। ভবিষ্যতে আরও কোনও পদত্যাগ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে একের পর এক ইস্তফা এবং দলীয় অন্দরের অসন্তোষের খবরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

সেনা শিবিরে আচমকা বিস্ফোরণ! মুহূর্তে প্রাণ গেল দুই জওয়ানের, শোকস্তব্ধ দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই সেনা জওয়ান। উরির একটি সেনা শিবিরে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মৃত্যু হয় তাঁদের। মঙ্গলবার বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উরির কমলকোট এলাকার একটি সেনা শিবিরে নিয়মিত অস্ত্র হস্তান্তরের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জেরে গুরুতর আহত হন দুই জওয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার নিরানব্বই বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁদের।জানা গিয়েছে, মৃত দুই জওয়ানই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার এবং সহকর্মীদের মধ্যে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও জম্মু ও কাশ্মীরে এক সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। রাজৌরি জেলায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লেফটেন্যান্ট বীরেশ্বর গোস্বামী। সেনা সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুই জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সেনাবাহিনী।এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি-সহ একাধিক জেলায় জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর শুরু হয় বিশেষ অভিযান। জঙ্গলঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় চলছে তল্লাশি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গির খোঁজ না মিললেও সেনাবাহিনীর ধারণা, তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে।উরির সেনা শিবিরে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই পুরো ঘটনার বিস্তারিত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুন ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal