• ২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

US

বিনোদুনিয়া

শিল্পী মেয়ের অনুরোধে, গানের খাতা-র ধুলো ঝেড়ে ফের স্বমহিমায় সঙ্গীতশিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য

রাতের চোখে ঘুম যে নামে, চাঁদের পাশে মেঘ যে থামে, আমার পাশে নেই তো তুমি মা, তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা...... হ্যাঁ, ঠিক-ই ধরেছেন, মা ও মেয়ের সম্পর্কের বন্ধন নিয়ে স্টার জলসা-র জনপ্রিয় সিরিয়াল মা-এর টাইটেল সঙ্গীতের কথাই বলছি। এই মুহুর্তে বাংলা সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয়তম মধুরা ভট্টাচার্যর যেন তাঁর শিল্পী সত্ত্বার পাশে মায়ের উপস্থিতি না পেলে, তাঁর অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে যাচ্ছিলো।মেয়েদের বড় করে তুলতে গিয়েই সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের খাতা কবেই আলমারী তে তুলে রেখেছিলেন। তাঁর একটাই লক্ষ্য ছিলো যেভাবেই হোক সন্তানদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। আজ মধুরা সফল একজন সঙ্গীত শিল্পী ও বড় কন্যা সুমিত্রা একজন প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ডিজাইনার। মঞ্চের পাটাতন শক্ত হতেই মেয়ে মধুরা টেনে ধরলেন মা শম্পা ভট্টাচার্য-র হাত। এবার আর উপেক্ষা করতে পারলেন না মা।শম্পা ভট্টাচার্য-র সঙ্গীত শিক্ষা শুরু খুব ছোটো বয়সে। তাঁর ঠাকুমা শান্তিময়ী দেবী সেই সময়ের একজন বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ছিলেন, তিনি বেশ কয়েকটি কবিতার বই লিখেছিলেন। তদকালীন সময়ে তিনি এক বিদুষী মহিলা ছিলেন। শম্পার বাবা সাধনানন্দ মিশ্র রবীন্দ্রসঙ্গীত ও পুরাতনী গানে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ছোটো বয়স থেকেই শম্পা বাড়িতে এক সুন্দর সাংগীতিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীত ও ইতিহাসে মাস্টার্স করেন। তিনি যেকোনও ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানে অত্যন্ত পারদর্শী। তিনি ১৯৮১ সাল থেকে অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি এবং রজনীকান্তর গানের ধারায় আকাশবাণীর শিল্পী হিসেবে ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। এছাড়াও তিনি পুরাতনী গানেও খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কারণ তার বাবা এবং ঠাকুমার কাছ থেকে সেই গান তিনি শিখেছিলেন। তিনি একটি আদ্যন্ত সঙ্গীতীক পরিবারের বংশধর। ১৯৮৬ তে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি-র ক্যাসেট প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানের একজন বি-হাই (B-High) শিল্পী, এবং শম্পা ১৯৮১ থেকে কলকাতা দূরদর্শনের সাথে যুক্ত।শম্পা কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন জায়গা যেমন, রবীন্দ্র সদন, মধুসূদন মঞ্চ, শিশির মঞ্চ, গিরিশ মঞ্চ, মহাজাতি সদন, অহীন্দ্র মঞ্চ, উত্তম মঞ্চ, শরৎ সদন-এ অনুষ্ঠান করেছেন। তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় মেলা তে তাঁর মধুর কন্ঠের মুর্ছনা ছড়িয়ে দিয়েছেন। শম্পা বিষ্ণুপুর ঘরনার প্রবাদপ্রতিম শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত তারাপদ চক্রবর্তী-র পিঠস্থান বিষ্ণুপুর মেলা এবং বাংলার বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।মেয়ে মধুরা সাথে মা শম্পাশম্পা ভট্টাচার্য নীহার রঞ্জন বন্দোপাধ্যায়, সিদ্ধেশ্বর ভট্টাচার্যের কাছ থেকে তার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি সুকুমার মিত্র, বিমান মুখোপাধ্যায়, মীরা দত্ত রায়-র কাছ থেকে নজরুল গীতি এবং বাংলা আধুনিক গান শেখেন। শম্পা অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি, রজনীকান্ত গীতি শিক্ষা লাভ করেন নীলা মজুমদার কাছে।তাঁর রবীন্দ্রসংগীত শিক্ষা লাভ প্রবাদ প্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুচিত্রা মিত্র-র কাছে এবং তিনি শ্রীমতি সুমিত্রা সেনের কাছ থেকেও রবীন্দ্র সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন যখন তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতের ছাত্রী ছিলেন। শান্তিনিকেতনে থাকাকালীন তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতের আরও দুই মহিরূহ শ্রীমতী কণিকা বন্দোপাধ্যায় ও শ্রীমতি নীলিমা সেন-র কাছে রবীন্দ্রসংগীত শেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য সমন্ধে জনতার কথা কে কন্যা বিশিষ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা বলেন, মা বাবা সমন্ধে কি আর বলবো, আমি আজ যা কিছু, যেটুকু হতে পেরেছি সমস্তটাই মা এবং বাবার জন্য। আমার সঙ্গীত জীবনের প্রথম গুরু আমার মা। আমার খুব মনে পড়ে, আমি যখন ছোট ছিলাম, মা রেওয়াজ করতে বসলেই আমার বসার যায়গা ছিল মায়ের হারমোনিয়াম ও তবলা। সেগুলি কে চেয়ার ভেবে বসে পড়তাম। কেননা ওই দুটো যন্ত্র-ই আমার বসার উচ্চতায় থাকতো। আজ বুঝতে পারি মাকে কতটা বিরক্ত করতাম! আমার গানের হাতে খড়ি মায়ের কাছেই। তাঁর কাছেই আমার প্রথাগত শিক্ষা শুরু। এখনও যেকোনো ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গান যেমন, অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি যাঁর গানই হোক তোলার প্রয়োজন হলেই মায়ের স্মরনাপন্ন হতে হয়। আর রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্ষেত্রে বলতে গেলে তিনি চলমান গীতবিতান, যে গানই বলি সেটা তাঁর তোলা আছে। কি করে যে এত রবীন্দ্রসঙ্গীত জানেন আমি জানি না। আমরা বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীরা নিজেদের গান গাইতে গেলেই খাতা বা ট্যাব ছাড়া গাইতে ভরসা পাই না। তিনি কি করে এত রবীন্দ্রসঙ্গীতের কথা-সুর একেবারে নোটেশন মিলিয়ে অবলীলায় গাইতে পারেন, ভাবতে অবাক লাগে। হয়ত তখনকার দিনের শিক্ষা পদ্ধতিটাও সেরকমই ছিল, তাই তিনি পারেন।মেয়ে মধুরার উৎসাহে শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য আবার জনসমক্ষে। বেতার ও দুরদর্শন ক্ষ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের ডালি সাজিয়ে উপস্থিত সামাজিক মাধ্যমে। মধুরার উদ্যোগে তাঁর নতুন ফেসবুক পেজ গানে গানে শম্পা ভট্টাচার্য তে উঁকি দিলেই শোনা যাচ্ছে ঘরোয়া মেজাজে সেই উদাত্ত কণ্ঠের অতুল প্রসাদী, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদী চিত্ত দুয়ার খুলিবি কবে মা - চিত্ত-কুটীরবাসিনী মন ছুঁইয়ে যায়, নেটনাগরিক দের প্রসংশায় বোঝা যায় যে সঠিকভাবে সঙ্গীত পরিবেশন করতে পারলে এই প্রজন্ম-ও ভালো গান শুনতে প্রস্তুত। কুটির বাসিনী শম্পা-র চিত্ত দুয়ার খুলতে মেয়ে মধুরা সত্যিই সফল।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শুভাপ্রসন্নের উপস্থিতিতে ইন্টিরিয়র ডিজাইনিং এর প্রদর্শনী

২০২২ এর ২৯ ছপ্রিল ২০২২ এ ইনফুসিও ২০২২ শীর্ষক আইএনাইএফডি সল্টলেক বার্ষিক ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রদর্শনী হল। প্রদর্শনীটি সিআইআই- সুরেশ নেওটিয়া সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ফর লিডারশিপ, ডিসি-৩৬, সেক্টর-এ এবং প্রর্দশনীটি শুরু হয় সকাল ১০ টায়, শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টায়।সকাল ১০ প্রখ্যাত শ্রী শুভপ্রসন্ন ভট্টাচার্য এই প্রর্দশনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আইএনাইএফডি সল্টলেকের সেন্টার ম্যানেজার অর্ণব রায় সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে জানান, আইএনাইএফডি সল্টলেকের ইনফিউসিও শিক্ষার্থীদের ডিজাইন তৈরি করতে অনুপ্রাণিত করে। আমাদের অভিজাত শিক্ষার্থীরা চিত্র এবং প্রোটোটাইপগুলি প্রদর্শন করে যা তাদের উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতা ব্যবহার করার ক্ষমতা উপলব্ধি করতে তাদের ব্যাপকভাবে সাহায্য করে। এটি একজন ব্যক্তির প্রকৃত প্রতিভা এবং দক্ষতার সঠিক বিকাশ ঘটায়। করোনা মহামারী বিশ্বকে বদলে দিয়েছে এবং বিশ্বের নাগরিকদের নতুন প্যাটার্নে ভাবতে শিখিয়েছে। নকশা দর্শন, এইভাবে, বিকশিত হয়েছে এবং নতুন, টেকসই চিন্তার ধরণ আবির্ভূত হয়েছে। তাছাড়া এই বছর প্রদর্শনীটি ছিল ডিজাইন: ইনসাইড-আউটসাইড প্রদর্শনের একটি প্ল্যাটফর্ম। এই বিষয়টি মাথায় রেখে প্রদর্শনীটি তিনটি বিভাগে বিস্তৃত ছিল। এই প্রদর্শনীতে ডিজাইন করা দুটি সেলফি বুথ ছিল - যেমন ছিল ভারতীয় এবং মিশরীয় যুগ। শিক্ষার্থীদের দ্বারা প্রস্তুত করা বুথগুলি গতিশীল ছিল। প্রতিটি ফটোগ্রাফের জন্য স্টাইল পরিবর্তন করার সুযোগ এবং তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ও ব্যবস্থা করা হয়।শুভাপ্রসন্ন ছাড়াও বিচারক আসনে ছিলেন সমাজের প্রখ্যাত ব্যক্তিবর্গ। এঁরা হলেন দেবপম সরকার (সাংবাদিক), মিসেস সোমা কাজী (স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার), শ্রী জয়ন্ত সাহা (এসিপি, বিধাননগর) এবং আর. রাজা সিনহা।বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় গ্রামীণ নাগরিকের সুবিধার পরিবর্তনশীল চেহারা এবং ক্রমবর্ধমান মানবিক চাহিদার সাথে তাদের সম্পর্ক শীর্ষক একটি আলোচনা সভা। এই অধিবেশনের প্রধান বক্তা ছিলেন অয়ন সেন (স্থপতি); মিস শতরূপা মজুমদার (এনজিও); মিঃ সুপ্রিয় মুখার্জি (মিডিয়া প্রফেশনাল); মিস বৃন্দা সরকার (সাংবাদিক); শ্রী সুশোভন ভট্টাচার্য (বিকল্প শক্তি বিশেষজ্ঞ)। ২৯শে এপ্রিল, ২০২২-এ, প্রাক্তন ছাত্র সায়ন্তন দানার একটি উপস্থাপনা দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয় এবং তারপরে একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এর বিষয়বস্তু ছিল ডিজিটাল অঙ্কনের চেয়ে ম্যানুয়াল ড্রয়িং কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিষেক বসুর মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম 'নজরিয়া'

নজরিয়া- অ্যা মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম। গানের গল্প, গল্পে গল্পে গান, নৃত্য গীত আধারিত এই ছবিটির লেখক, সংগীত পরিচালক এবং সমগ্র কাজটি পরিচালনা করেছেন অভিষেক বসু। ছবির শুভ সূচনা হয়ে গেল ২০শে এপ্রিল, শহরের এক বিখ্যাত হোটেল ব্যাঙ্কোয়েটে। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী, সংগীত নাটক পুরস্কারে ভূষিত,প্রি গ্র্যামি নমিনি শ্রদ্ধেয় সন্তুর বাদক পন্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য, চলচ্চিত্র অভিনেতা ,চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা অনিন্দ্য সরকার, অভিনেত্রী অনিন্দিতা সরকার, এবং অন্যান্য বিশিষ্ট টলিউড ব্যক্তিত্ব।নজরিয়া - An incomplete love story is the greatest of all। নৃত্যগীত সমন্বিত ছবিটির পরিচালক অভিষেক বসু। দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার এবং বিবিসি পুরস্কার আরও নানান পুরস্কার এগিয়ে যাবার ছাড়পত্র হিসাবেই গ্রহণ করেছেন ধ্রুপদী ঘরানায় শিক্ষিত এই পারকাশনিস্ট অভিষেক বসু।অভিষেক পরিচালিত এই ছবির কেন্দ্রে রয়েছেন অভিজ্ঞ কত্থক শিল্পী তন্বী চৌধুরী, যিনি নিজে কত্থক নৃত্য পরিবেশন করে মোহিত করছেন সারা পৃথিবীর দর্শককে, গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে। রয়েছেন বিশিষ্ঠ অভিনেতা ফৈয়জ খান,মডেল ও অভিনেতা দেবারুণ স্বরাজ, পোশাক পরিকল্পনায় বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার তেজস গান্ধী, শ্রদ্ধেয় প্রযোজক হেমন্ত মার্দা, সন্তুর বাদক চিরদীপ সরকার, পিয়ানিস্ট অভিক গাঙ্গুলী এবং ছবিটির সঙ্গে যুক্ত আরও কলা কুশালিরা। তন্নী চৌধুরীর অভিযাত্রী হিসেবে এটি প্রথম কাজ। অভিনেত্রী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দুটি ভিন্ন শাজে নিজের বলিষ্ঠ অভিনয় দিয়ে নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন।ছবিটি ইতিমধ্যেই দাদাসাহেব ফালকে, গেল্ডেন আর্থ ফিল্ম এওয়ার্ড, (টেক্সাস,ইউ এস এ) ওয়ান আর্থ এওয়ার্ড (ব্যাঙ্গালোর), লিফ্ট অফ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল প্যারিস, মিলান গোল্ড এওয়ার্ডস(ইটালি),নিউ ইয়র্ক মুভি এওয়ার্ড, ডাইরেক্ট মান্থলি অনলাইন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (ইউ এস এ) এর মত কিছু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নমিনেশন পেয়েছে। এবং আমেরিকান ট্র্যাক মিউজিক এওয়ার্ড, টেক্সাস শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, সুইডেন ফিল্ম এওয়ার্ড ভার্জিন স্প্রিং সিনে ফিস্টের মত কয়েকটি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। ইনডিঅন অনলাইন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে দুটি পুরস্কার এবং ভারত ইনডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল পুরস্কারও এসেছে। অপেক্ষায় আছে আরও আটটি পুরস্কারের।কাহিনী বিন্যাস অনেকটা এরকম-মহারাজা অভিমন্যু সিং এর মহারানী রানী সৌগন্ধ্যা, নৃত্যকলায় এবং সৌন্দর্যে অতুলনীয়া। রাজারা যেমন হয় রক্ষনশীল, রানীকে পর্দানসীন রাখতে চায়, তার অন্তঃস্থিত শিল্প সত্তায় কোন মনযোগ দেন না রাজা। একাকী রানী মনের মানুষ চায়, এমন মানুষ যে শিল্প বুঝবে, তার শিল্পী মনকে ছায়া দেবে, আলো দেবে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সাদা মাটা ধ্রুব আসে রানীর বন্ধুহীন জীবনে। প্রেমের বাঁধনে বাঁধা পড়ে সুগন্ধা ও ধ্রুব। এর পর কী হলো? প্রেম কী পরিনতি পেল? নাকি আধখানা কথাই ভালোবাসার গল্পটিকে শ্রেষ্ঠত্ব দেবে? জানতে হলে আপনাকে নজরিয়া দেখতে হবে।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ওভারে ৪ উইকেট! তবুও কুম্বলের রেকর্ড অধরা রাসেলের‌

১৯ ওভার শেষে গুজরাট টাইটান্সের রান ছিল ১৫১/৫। ইনিংসের শেষ ওভারে আন্দ্রে রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ম্যাচে ওটাই ছিল রাসেলের প্রথম ওভার। বল হাতে বিধ্বংসী ভূমিকায় অবতীর্ণ দ্রেরাস। শেষ ওভারে তুলে নিলেন চার-চারটি উইকেট। আইপিএলের ইতিহাসে ১ ওভারের স্পেলে এটাই সেরা বোলিং। তবে সেরা বোলিং করেও অনিল কুম্বলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারলেন না আন্দ্রে রাসেল। আইপিএলে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া বোলাদের তালিকা যথেষ্ট লম্বা। তবে সেই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ভারতের প্রাক্তন লেগ স্পিনার অনিল কুম্বলে। আইপিএলে তাঁর সেরা বোলিং ৫ রানে ৫ উইকেট। ২০০৯ সালে কেপ টাইনে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে এই রেকর্ড গড়েছিলেন কুম্বলে। ৩.১ ওভার বল করে ১টিসহ ৫ উইকেট নিয়েছিলেন কুম্বলে। আর এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন রাসেল। আইপিএলে এটাই অবশ্য আন্দ্রে রাসেলের সেরা বোলিং নয়। দুদুবার তিনি ৫ উইকেট নিয়েছেন। তিনি সেরা বোলিং করেছিলেন গতবছর আইপিএলে। চেন্নাইয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৩.২ ওভার বল করে ১৫ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে ইনিংসের ১৮ তম ওভারে পরপর ২ বলে ফিরিয়েছিলেন কায়রণ পোলার্ড ও মার্কো জানসেনকে। আর শেষ ওভারে তুলে নিয়েছিলেন ক্রূণাল পাণ্ডিয়া, যশপ্রীত বুমরা ও রাহুল চাহারকে। এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ইনিংসের শেষ ওভারে রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ও দ্বিতীয় বলে ফেরান অভিনব মনোহর ও লকি ফার্গুসনকে। পঞ্চম ও শেষ বলে তুলে নেন রাহুল তেওয়াটিয়া ও যশ দয়ালকে। যশ দয়ালকে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন রাসেল। বাকি তিনজনের ক্যাচ ধরেন রিঙ্কু সিং।এবারের আইপিএলে খুব বেশি বোলিং করার সুযোগ পাননি আন্দ্রে রাসেল। গুজরাট টাইটান্স ম্যাচ নিয়ে মোট বল করেছেন ১৪.৪ ওভার। ৮ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ১০ উইকেট। চলতি আইপিএলে এই ম্যাচের আগে রাসেলের সেরা বোলিং ছিল ২০ রানে ২ উইকেট, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৩৮ রানে তুলে নিয়েছিলেন ১ উইকেট। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে কোনও উইকেট পাননি। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে শূন্য রানে ১ উইকেট। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে উইকেটহীন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ১ উইকেট। আগের ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ১ উইকেট।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলের অলরাউন্ড পারফরমেন্সেও জয়ে ফিরল না নাইট রাইডার্স

বল ও ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরমেন্স সত্ত্বেও জয় অধরা থেকে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। গুজরাট টাইটান্সের কাছে শ্রেয়স আয়ারের দলকে হারতে হল ৮ রানে। টপ অর্ডার ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মূল্যহীন হয়ে গেল আন্দ্রে রাসেলের লড়াই। বল হাতে ৫ রানে নিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে ২৫ বলে করেন ৪৮ রান। গুজরাটের তোলা ১৫৬/৯ রানের জবাবে ১৪৮/৮ রানে থেমে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্সের ইনিংস। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় গুজরাট টাইটান্স। শুভমান গিলের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ঋদ্ধিমান সাহা। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ফিরে যান শুভমান (৭)। তাঁকে তুলে নেন টিম সাউদি। এরপর গুজরাটকে টেনে নিয়ে যান ঋদ্ধিমান ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। জুটিতে ওঠে ৭৫। রান তোলার গতি খুব একটা খারাপ ছিল না গুজরাটের। ১০.২ ওভারে উঠে যায় ৮৩। এরপরই ধাক্কা। ঋদ্ধিকে (২৫ বলে ২৫) তুলে নেন উমেশ যাদব। সপ্তদশ ওভারের দ্বিতীয় বলে ডেভিড মিলার ২০ বলে ২৭ রান করে আউট হন। তাঁকে তুলে নেনে শিবম মাভি। পরের ওভারেই হার্দিককে ফেরান টিম সাউদি। ৪৯ বলে তিনি করেন ৬৭। শেষ ওভারে আন্দ্রে রাসেলের হাতে বল তুলে দেন শ্রেয়স আয়ার। শেষ ওভারে চমক রাসেলের। চারচারটি উইকেট তুলে নেন। এক ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ৫ রান খরচ করে তিনি পান ৪ উইকেট। শেষ ওভারে প্রথম দুই বলে রাসেল তুলে নেন অভিনব মনোহর (২) ও লকি ফার্গুসনকে (০)। ওভারের পঞ্চম এবং ষষ্ঠ বলে তিনি তুলে নেন রাহুল তেওয়াটিয়া (১৭) এবং যশ দয়ালকে (০)। ১৫৬/৯ রানে থেমে যায় গুজরাট। ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এদিন প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। অ্যারন ফিঞ্চের পরিবর্তে দলে স্যাম বিলিংস, প্যাট কামিন্সের পরিবর্তে টিম সাউদি এবং শেলডন জ্যাকসনের পরিবর্তে রিঙ্কু সিং। রিঙ্কু এবং সাউদি ম্যাচে অবদান রাখলেও ব্যর্থ হয়েছেন স্যাম বিলিংস (৪)। ৩৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল নাইট রাইডার্স। এরপর লড়াই চালান রিঙ্কু সিং (৩৫), ভেঙ্কটেশ আয়ার (১৭)। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ডুবতে হল কলকাতাকে। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার আউট হন ১২ রানে। নীতীশ রানা করেন ২। সুনীল নারাইনের ব্যাট থেকে আসে ৫ রান। শেষ দিকে লড়াই করেন রাসেল। তবে ২০ ওভারে ১৪৮/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি নাইটরা। গুজরাতের হয়ে ২টি করে উইকেট পান মহম্মদ শামি, যশ দয়াল ও রশিদ খান।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
রাজ্য

'শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়', রাজ্য়পালকে কড়জোড়ে মমতা

Bengal Global Business Summit 2022-এ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় যেমন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন, পাল্টা তাঁকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে রাজ্যপালের উপস্থিতি ও বক্তব্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন মমতা। তাছাড়া এভাবেই রাজ্যের পাশে থাকার আবেদনও রেখেছেন রাজ্যপালের কাছে। দুজনের বক্তব্য শুনলে মনে হবে তাহলে কী রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী সংঘাত বলে কিছু ছিল না। কিন্তু এই বানিজ্য সম্মলনেই শিল্পপতিদের সাক্ষী রেখে রাজ্যপালের কাছে কড়জোড়ে আবেদন করে মমতা রীতমতো অস্বস্তিতে ফেলে দিলেন। যা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।রাজ্যপালের বক্তব্যের প্রশংসা করেই ধনখড়ের দিকে হাতজোড় করেন মমতা। তখন অনেকটাই হতবাক দেখাচ্ছিল রাজ্যপালকে। মমতা বলেন, রাজ্যপাল স্যার, কিছু মনে করবেন না, আপনার মাধ্যমে একটা কথা বলতে চাই। মহামান্য রাজ্যপালকে সমস্ত শিল্পসংস্থার তরফে একটা কথা বলছি। আমরা কেন্দ্রীয় সকারের কাছ থেকে সমস্ত রকম সহযোগিতা চাই। একইসঙ্গে রাজ্যপালদের বৈঠকে একটা কথা অবশ্যই বলবেন প্লিজ। শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়। মমতার এই বক্তব্যের পর রাজ্য-রাজনীতিতে হইচই শুরু হয়ে যায়। পুরোটাই নাটক বলে মন্তব্য করেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এমন সময় মুখ্যমন্ত্রী একথা বলেন তখন আর মঞ্চে জবাব দেওয়ার পরিস্থিতি ছিল না রাজ্যপালের। তবে এদিন মঞ্চে নানা দফায় রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপাল ধনখড়ের মুখে ভূয়সী প্রশাংসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মলনে এক মঞ্চে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বছরভর বাংলার নানান ইস্যুতে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সংঘাত লেগেই থাকে। এমনকী রাজ্যপালকে অপসারণ করার জন্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর কাছেও দরবার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই রাজ্যপাল এদিন প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন বাংলাকেও।২ বছর পর ফের নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশনে বুধবার বানিজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে। এই বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মেলনে হাজির হয়েছেন ১৯টি দেশের ২৫০জন প্রতিনিধি। এদিন নিউটাউনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেন শিল্পপতি আজিম প্রেমজি ও গৌতম আদানির সঙ্গে। জিন্দাল গোষ্ঠীর সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে ব্রিটেনের ৪৯ জন প্রতিনিধি এসেছেন। সম্মেলন শুরুতে ভাষণ দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।এদিন বক্তব্যে রাজ্যপাল বলেন, মহামতি গোখলে বলেছিলেন বাংলা আজ যা ভাবে কাল গোটা দেশ ভাবে। প্রধানমন্ত্রী মোদিও তাই বলেছেন। মোদীজির লুক ইস্ট নীতি মেনে এগিয়ে যাবে বাংলা। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মানব সম্পদে এগিয়ে বাংলা। দেশের অর্থনৈতিক ছবি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা বাংলার আছে। পূর্বভারতের ইকোনমিক হাব হবে বাংলায়। শিল্পপতিদের বাংলায় শিল্প স্থাপনের জন্য উৎসাহ দেন ধনখড়। তিনি বলেন, বাংলায় বিনিয়োগ করলে শিল্পপতিদের লাভ হবে। আশা করা যায় বাংলা আগামিদিনে আরও উন্নত হবে। এই বাণিজ্য সম্মেলন পথ দেখাবে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
বিদেশ

সিডিনির সমুদ্র সৈকতে ভেসে উঠল বিরল প্রজাতির রঙ্গীন সি-ড্রাগন

অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসল অতিকায় প্রাণবন্ত রঙ্গীন বিরল প্রানী। বেশ কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়। সেই বৃষ্টির জলে সমুদ্রপৃষ্টের জলস্তর অনেকটা স্ফীত হয়ে উঠেছে, তারই সাথে গত কয়েকদিনে অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র সৈকতে বেশ কিছু অদ্ভুত এবং প্রাণবন্ত প্রাণী ভেসে আসছে। তীরে ভেসে আসা সর্বশেষ সামুদ্রিক প্রাণীটি বিশেষজ্ঞদের বিস্মিত করেছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের সমুদ্র সৈকত জুড়ে মৃত মাছ - সিড্রাগন - এর ছবি ফুটে উঠেছে। এখনও অবধি, সিড্রাগনগুলি ক্রনুল্লা, মালাবার এবং সেন্ট্রাল কোস্ট অঞ্চলে দেখা গেছে। কিন্তু এই আটকে পড়া সামুদ্রিক ড্রাগনগুলিকে স্বাভাবিকের চেয়ে কমপক্ষে ১০ গুণ বড় দেখা গেছে, যা প্রানী বিজ্ঞানীদের রিতীমত অবাক ও আতঙ্কিত করে তুলছে।এই প্রানীগুলি নিয়ে রীতিমত গবেষণা শুরু করে দিয়েছেন প্রানী বিজ্ঞানীরা। ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি সিডনির সামুদ্রিক বাস্তুবিদ্যার অধ্যাপক, ডঃ ডেভিড বুথ সিডনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন যে, রং-বেরংয়ের সি-ড্রাগনগুলি এভাবে সমুদ্র পৃষ্টে এসে পরার কারন হতে পারে টানা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, অতি মাত্রায় দুষন সমুদ্রের জলে এসে পড়ায় তাঁরা পাড়ে এসে উঠেছে। তিনি জানিয়েছেন মাত্র দু-সপ্তাহের মধ্যে সিডনির সৈকত জুড়ে ২০ টিরও বেশি সামুদ্রিক ড্রাগন দেখা গিয়েছে।এই সিড্রাগনগুলি প্রায়শই অস্ট্রেলিয়ান জলে দেখতে পাওয়া যায় এবং তাদের এতটা পথ পাড়ি দিয়ে পথভ্রষ্ট হওয়াটা কিছুটা অস্বাভাবিক। বুথ ব্যাখ্যা করেছেন যে এই ছোট সিড্রাগনগুলি আগাছাযুক্ত এবং তারা তাদের পুরো জীবনকালে তাদের এলাকা থেকে ২০ থেকে ৫০ মিটারের বেশি দূরে সরে যায় না। শক্তিশালী স্রোতের সময়, তারা সমুদ্রের ভিত্রে গুল্ম আঁকড়ে ধরে থাকে যাতে পথ ভ্রষ্ট না হয়।বিচগোয়ার বেটি র্যাটক্লিফ সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন যে তিনি এক সপ্তাহের মধ্যে ৭টি সিড্রাগনের উপর হোঁচট খেয়েছেন। কমলা, হলুদ এবং বেগুনি রঙের রাঙ্গানো প্রাণীগুলি খুবই প্রাণবন্ত ছিল, তিনি বলেন, আগামী কয়েকদিন ধরে তিনি আরও বেশি খুঁজতে থাকবেন যাতে আরও বেশী সামুদ্রিক প্রানী পেতে পারেন।আবাসস্থল হারানোর জন্য সংবেদনশীল এবং পরিবেশগত কারণগুলিকে তীরে চলে আসা সিড্রাগনের প্রধান কারণ হিসাবে বিবেচনা করছেন পরিবেশবিদরা।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যর্থতা কাটালেন নীতিশ, ঝড় তুললেন রাসেল, কোথায় পৌঁছল নাইট রাইডার্স?‌

টপ অর্ডারের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আবার শীর্ষস্থান ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তুলল ১৭৫। টানা ৫ ম্যাচ পর রানে ফিরলেন নীতিশ রানা। শেষ দিকে ঝড় তুললেন আন্দ্রে রাসেল। তবে নাইটদের জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচ সুখের হল না অ্যারন ফিঞ্চের কাছে।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচ ছিল শীর্ষে ওঠার লড়াই। প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। অজিঙ্কা রাহানের জায়গায় শেলডন জ্যাকসন, স্যাম বিলিংসের জায়গায় অ্যারন ফিঞ্চ আর রাসিক সালাম দারের জায়গায় আমন হাকিম খান। অন্যদিকে প্রথম একাদশে একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চোট পাওয়া ওয়াশিংটন সুন্দরের জায়গায় জগদীশ সুচিথ। ডিউ ফ্যাক্টরের কথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। টানা ৪ ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় রাহানের পরিবর্তে নাইটদের হয়ে ওপেন করতে নামেন অ্যারন ফিঞ্চ। নাইট জার্সিতে অভিষেক ম্যাচে ব্যর্থ এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। ৫ বলে মাত্র ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা নাইট শিবিরে। প্রথম বলেই ভেঙ্কটেশকে (৬) তুলে নেন নটরাজন। ২ বলের ব্যবধানে ফেরান সুনীল নারাইনকে (৬)। ৫ ওভারের মধ্যে ৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। নীতিশ রানার সঙ্গে জুটি বেঁধে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। শ্রেয়সকে (২৫ বলে ২৮) তুলে নিয়ে উমরান মালিক আবার ধাক্কা দেন নাইট শিবিরকে। শেলডন জ্যাকসনও (৭) সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ব্যর্থতা কাটিয়ে দিন রানে ফিরলেন নীতিশ রানা। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ৫৪ রান করে তিনি নটরাজনের বলে পুরানের হাতে ক্যাচ দেন। প্যাট কামিন্স (৩), আমন হাকিম খানরা (৫) রান না পেলেও শেষ দিকে ঝন তোলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর দাপটেই ২০ ওভারে ১৭৫/৮ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। ৪টি করে চার ও ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। টি নটরাজন ৩৭ রানে ৩টি ও উমরান মালিক ২৭ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পূর্ব কলকাতার মাহেশ্বরী সভার উদ্যোগে ১৩ তম বার্ষিক গাঙ্গোর মহোৎসব

সদ্য সমাপ্ত হোলিকা দহনের পরের দিন থেকে অর্থাৎ চৈত্রের নবরাত্রির তৃতীয় দিন (শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথি) থেকে ১৬ দিনব্যাপী গাঙ্গোর পুজোর বিধান আছে শাস্ত্রে। উত্তর ও পশ্চিম ভারতে বিশেষ করে রাজস্থানে বাংলার দুর্গাপুজোর মতোই মহা ধুমধামে এই উৎসব পালিত হয়। কলকাতাও এর ব্যতিক্রম নয়। শহরের পশ্চিম প্রান্ত বড়বাজারে আগে এই উৎসব সীমাবদ্ধ ছিল। এখন জন বিস্তৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।২০০৯ সালে পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষের মঙ্গল কামনায় গাঙ্গোর উৎসব পালন করছে দুদিনব্যাপী। প্রতি বছরই কাঁকুড়গাছি সংলগ্ন রোজ ব্যাঙ্কয়েটে হাজার মানুষের সমাগম হয়। মূলত এই উৎসব পালিত হয় দেবাদিদেব মহাদেব,পার্বতী ও তাঁদের পুত্র গণেশের অর্চনার মধ্য দিয়ে। বিয়ের উপযুক্ত মেয়েরা মানত করেন মহাদেবের মত স্বামীর কামনায়। সদ্য বিবাহিত মেয়েরা অর্চনা করেন তাঁদের কাঙ্ক্ষিত মহাদেবের মত স্বামী পেয়ে । মেয়েরা গাঙ্গোর উৎসবে অংশ নিয়ে স্বামী সন্তানের মঙ্গল কামনা করেন।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবেন বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের বেশ কিছু ব্যক্তিত্বরা এবং রাজনৈতিক নেতারাও। উৎসবের অন্যতম আয়োজক পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সভাপতি এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী হেমন্ত মার্দা। তিনি জানালেন, ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে মানুষের মিলন মেলায় থাকে তৃপ্তি সুখ। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা বছরব্যাপী সামাজিক দায়িত্বও পালন করে। কোভিড পরিস্থিতিতে মানুষের প্রয়োজনে খাদ্য,ওষুধ, ডাক্তার পরিষেবা এমনকি অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে রোগীদের সহায়তা করেছে। এ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার ব্যবস্থা করে রোগীদের হাসপাতালে পাঠানোরও ব্যবস্থা করেছে। এই বছর উৎসব উপলক্ষে প্রায় ২৫০ জন আর্থিকভাবে দুর্বল ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের প্রয়োজনীয় খাতা, পেন, পেন্সিল তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এই সামাজিক দায়বদ্ধতাকে প্রচারের আলোয় আনার কথা ভাবা হয় না। সকলের হাসিমুখ দেখার মধ্যেই যে নিবিড় শান্তি ও তৃপ্তি আছে আমাদের কাছে সেটাই কাম্য।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিনব্যাপী উৎসবের শুভ সূচনা করেন বৃহত্তর কলকাতা প্রদেশ মাহেশ্বরী সমাজের সভাপতি বিনোদ জাজু। তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চল মাহেশ্বরী সভা প্রতি বছরের মত এবারও উৎসবের আয়োজন যেমন করেছে তেমন বছর ধরে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত থাকে। যা প্রশংসার যোগ্য। উৎসবের প্রথম দিনে স্থানীয় বিধায়ক ও পুরপিতা পরেশ পাল সংগঠনের প্রশংসা করে বলেন, সামাজিক বিকাশের স্বার্থে সংগঠনের সব কাজেই যথাসাধ্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন - ভাওয়ার রাঠি, সুরেশ ঝাওয়ার, গোপাল দামানী, ভগবতী মুন্দ্রা, নারায়ণ মণিহার প্রমুখ। প্রথম দিনের পূজা পরিচালনা করেন বিজয় কোমল চান্দক। স্ত্রী আচারের অঙ্গ মেহেন্দি র আয়োজন করেন অনিতা রাঠী। প্রায় ২০০ মহিলা ভক্তকে মেহেন্দি পরান মঞ্জু ঝাওয়ার ও অঞ্জু ভূত্রা। মেহেন্দি অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যপূর্ণ রাজস্থানী গাঙ্গোর সঙ্গীত পরিবেশন করে তরুণীরা। সন্ধায় সংগঠনের সদস্য শিলজা ও বানোয়ারি বাহেটির বাসগৃহে অনুষ্ঠিত হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। ভক্তিমূলক গান রচনা করেন শশী কোঠারি ও বিনয় লাহোটি। সঙ্গীতে অংশ নেন প্রায় ১৬ জন নারীপুরুষ।শিল্পীদের তালিকায় ছিলেন ভামিকা মহতা, রুচিকা মাহেশ্বরী, পদ্মাবাগরি, রবি তাপারিয়া, গিরিরাজ কোঠারি প্রমুখ। গাঙ্গর গীত পরিবেশন করেন রাজকুমার দুজারি ও গিরিরাজ কোঠারি। বড়বাজার অঞ্চলে গত ১৫০বছর ধরে এই উৎসব পালিত হচ্ছে। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সদস্যা রতন বাহেটি বলেন, উৎসবের মধ্য দিয়ে রাজস্থানী ঐতিহ্য অবলম্বন করে মানুষের সামাজিক মেলবন্ধন গড়ে তোলাই লক্ষ্য।দ্বিতীয়দিনের পূজা পরিচালনা করেন রেশমি ও রাজেশ চান্দক। প্রায় দুহাজার মহিলা ভক্তের উপস্থিতিতে উৎসব সফল হয়ে ওঠে। এই উৎসব সফল করে তুলতে সুনিতা বাহেটি, রাজকুমারী দামানী, লীলা মণিহার এর মত সদস্যাদের সহযোগিতা স্মরণীয়। উৎসবের দু দিনে সমাজের বিভিন্ন স্তরের বহু বিখ্যাত মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গল্পটা ফুটিয়ে তুলতে আমার খুব একটা অসুবিধা হয়নিঃ রাম গোপাল ভারমা

আগামী ৮ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে জনপ্রিয় পরিচালক রাম গোপাল ভরমার পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি ডেঞ্জারাস। ভারতের প্রথম সমকামী অপরাধমূলক ছবি ডেঞ্জারাস। দুজন সমকামী মেয়ের ভালোবাসার গল্প বলবে পরিচালকের এই ছবি। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপ্সরা রাণী ও নয়না গাঙ্গুলি।ছবি প্রসঙ্গে রাম গোপাল ভরমা জানালেন, গল্পটা ফুটিয়ে তুলতে আমার খুব একটা অসুবিধা হয়নি। আমার গল্পটাকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার জন্য সেরকম অভিনেত্রীদের প্রয়োজন। অপ্সরা ও নয়না সত্যিই খুব ভালো কাজ করেছে।অভিনেত্রী নয়না গাঙ্গুলি জানালেন, এরকম বিষয়ের ওপর অভিনয় করতে গেলে মনের দিক থেকে অনেক স্ট্রং হতে হবে। পরিবার ও বন্ধুদের সাপোর্ট না থাকলে এরকম বিষয়ে পারফর্ম করা একটু মুশকিল। আমি হ্যাঁ বলেছিলাম কারণ আজ পর্যন্ত এরকম সাবজেক্টে কাজ করিনি। কিন্তু আমি প্রাউড ফিল করি যে এরকম সাবজেক্টে অভিনয় করেছি। এটা আমার কাছে অভিনয়ের রিসার্চ ছিল।অভিনেত্রী অপ্সরা রাণী এই ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে জানালেন, আমি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি যে রাম গোপাল ভরমার ছবিতে আমি অভিনয় করছি। যখন গল্পটা শুনি সত্যিই খুব ভালো লেগেছিল আমার। আমি খুবই খুশি যে এরকম একটা ভিন্নধর্মী স্ক্রিপ্ট পেয়েছি।আগামী ৭ এপ্রিল রাম গোপাল ভারমার জন্মদিন। বিশেষ দিনেই পি-আর টিমের পক্ষ থেকে পরিচালকের প্রি-বার্থডে সেলিব্রেশন করা হল। ১৯৯০ সালে শিবা ছবির জন্য কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। ৩৩ বছর পর তাঁর ডেঞ্জারাস ছবির জন্য কলকাতায় আসাটা একটা স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে রইল সকলের কাছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ত্রিপুরার শিল্পীদের মিউজিক ভিডিও 'হৃদি'

জি মিউজিক বাংলা থেকে মুক্তি পেল মিউজিক ভিডিও হৃদি। এই মিউজিক ভিডিওর সঙ্গে ত্রিপুরার সব শিল্পীরা যুক্ত রয়েছেন। ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন অনুপম গোস্বামী। সুরকার সুরজিৎ পটারী, গানের কথা লিখেছেন সৈকত সরকার, সঙ্গীত ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন তাপস ধর, গান গেয়েছেন অর্পিতা সরকার ও কিষাণ দাস এবং অভিনয় করেছেন পূজা দেবনাথ ও কর্ণজিৎ ভট্টাচার্য। মিউজিক ভিডিও নিয়ে অর্পিতা জনতার কথা কে জানালেন, হৃদির সঙ্গে ত্রিপুরার কিছু শিল্পী জড়িত রয়েছে। প্রত্যেকের প্রচেষ্টায়, প্রত্যেকের ডেডিকেশনে কাজটি মুক্তি পেল। গানের ব্যাপারে আপনাদের বলতে পারি গানটি তিন-সাড়ে তিন বছর আগে আমাকে পাঠানো হয়েছিল। এটা একটা ভালোবাসার গান যেখানে ছেলেটি তার প্রেমিকার প্রতি অনুভূতি প্রকাশ করছে। অর্পিতা আরও জানান,মিউজিক ভিডিওর গল্পটা খুব সহজ। আর সহজ জিনিসের সঙ্গেই অডিয়েন্সরা বেশি কানেক্ট করতে পারে। গানটি অনেক মানুষের কাছে পৌঁছেছে এবং তারা যতটা যেভাবে পারছে আরও আরও ভালোবাসা দিয়ে যাচ্ছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

গলসি-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে সিআইডির বিশেষ দল

পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার অন্তর্গত সন্তোষপুরে অগ্নিকান্ডের তদন্তে কলকাতা সিআইডির ফরেন্সিক ফিঙ্গার টিমের বিশেষ দল। এই দলে রয়েছেন সিআইডির ইন্সপেক্টর সৈবাল বাগচিসহ চার জন। এঁদের মধ্যে একজন ফোটগ্রাফার ও দুজন ফিঙ্গারপিন্ট এক্সপার্ট রয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এই টিম গলসি থানায় আসে। তারপর থানার একজন অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সন্তোষপুট গ্রামের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি ও গাড়িগুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন।সন্তোষপুর এলাকা থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৩৯জন গ্রামবাসীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করেছে গলসী থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজনকে পুলিশ হেফাজত নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে পুলিশ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ৩৯ জন ধৃতের মধ্যে অনেকেই নির্দোষ। তাঁদের অবিলম্বে ছেড়ে দিতে হবে এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যাঁরা মূল অভিযুক্ত তাদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছে গ্রামবাসীরা।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

ভয়াবহ খুন ও তার প্রতিবাদে আগুন লাগানোর পরের দিন শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম

থমথমে গলসির সন্তোষপুর গ্রাম। কানপাতলেই পুলিসের রুটমার্চের ভারি বুটের আওয়াজ। খুনের বদলা আগুনের পর শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম। রাতভর পুলিশের তল্লাশিতে আগুন লাগানোর অভিযোগে পুলিশ ৩১ জনকে আটক করেছে। উল্লেখ্য পূর্ব বর্ধমানের গলসির সন্তোষপুর গ্রামে সোমবার স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদে স্বামী উৎপল ঘোষকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তাঁর বন্ধু মনোজ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুরে। পুলিশের জেরায় ধৃত মনোজ উৎপল ঘোষকে খুনের কথা স্বীকার করেছে।অন্যদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই গলসি থানায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মহিলারা। তাদের দাবি, পুলিশ নির্দোষ ব্যক্তিদের গ্রাম থেকে তুলে এনেছে। মৃত উৎপল ঘোষের কাকা ভরত ঘোষ দাবী করেন, প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার বহিরাগত লোক নিয়ে এসে বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। তিনি বলেন, আগুন লাগানো আমরা সমর্থন করি না। আইনি পথেই আমরা চাইছি দোষী শাস্তি পাক। বাড়িতে আগুন লাগানোর সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল বলেই অভিযোগ। পুলিশের চখের সামনেই বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। পুলিশের ধরপাকড়ের ভয়ে এই মুহুর্তে পুরুষশূন্য সন্তোষপুর। গ্রামে চলছে র্যাফের টহল।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ের ছায়া গলসিতে, প্রতিবাদী স্বামীকে নৃশংস হত্যা, গ্রেফতার 'বন্ধু', আগুন ধরাল ক্ষিপ্ত জনতা

স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় স্বামীকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল বন্ধু। ধৃতের নাম মনোজ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুরে। প্রতিবেশী উৎপল ঘোষ(৩৩)কে নৃশংস ভাবে খুনের অভিযোগে গলসি থানার পুলিশ সোমবার দুপুরে মনোজকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশের দাবি, ধৃত মনোজ জেরায় উৎপল ঘোষকে খুনের কথা কবুলও করেছে।এই খুনের ঘটনায় আর কেউ মনোজের সহযোগী ছিল কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। মৃতের পরিবার পুলিশের কাছে অভিযুক্ত মনোজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। গলসির সন্তোষপুরের বাসিন্দা উৎপল ঘোষ পেশায় মৎসজীবী। গ্রামের পুকুরে তিনি মাছ চাষ করতেন।তাঁদেরই প্রতিবেশী মনোজ ঘোষ।মৃতের আত্মীয় শম্ভুনাথ পাণ্ডে জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতেই নিজের ৬ বছর বয়সী ছেলেকে পড়াচ্ছিলেন উৎপল। ওই সময়ে পরিচিত কেউ উৎপলকে ফোন করে ডাকে। সেই ফোন আসার পর উৎপল তাঁর ছোট ছেলেকে বাড়িতে স্ত্রীর কাছে রেখে বাইরে বের হয়।এরপর রাত আনুমানিক ৯ টা নাগাদ এলাকার লোকজন দেখেন গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে উৎপল। আর একটা কুড়ুলের ধারালো অংশ তাঁর মাথায় গেঁথে রয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌছায়। কুড়ুলটি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ উৎপলকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে এলাকারই যুবক মনোজ ঘোষের সঙ্গে পুরানো শত্রুতা ছিল উৎপলের। কি কারণে শত্রুতা তৈরি হয়েছিল তা জানার জন্য পুলিশ মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে। পুলিশ জানতে পেরেছে, উৎপলের স্ত্রীকে প্রায়সই উত্যক্ত করতো মনোজ। সেটা মেনে নিতে না পেরে উৎপল প্রতিবাদ করে। আর তার কারণেই উৎপলের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে মনোজের। এমনটা জানার পরেই পুলিশ মনোজের খোঁজ চালানো শুরু করে। রাতেইএলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ মনোজকে ধরে থানায় নিয়ে যায়।এদিন সকালে পুলিশ উৎপলের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠিয়ে মনোজকে মারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জেরায় মনোজ স্বীকার করে নেয়, ফোন করে উৎপলকে পুকুর পাড়ে ডেকে নিয়ে সে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে তাকে খুন করেছে। জেরায় এই কথা কবুল করার পরেই গলসি থানার পুলিশ এদিন বিকালে মনোজ ঘোঘকে গ্রেপ্তার করে। উৎপলকে খুনের ঘটনার মনোজকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এই খবর সন্তোষপুরে পৌছাতেই গ্রামে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। তারইমধ্যে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে উৎপল ঘোষের মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে ফিরলে এলাকাবাসীর ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে। উত্তেজিত এলাকার লোকজন এর পরেই চড়াও হয় মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা এবং কাকার বাড়িতে। তারা মনোজের বাড়িতে থাকা একটি বাইক ও মনোজের জ্যাঠার বাড়িতে থাকা একটি চারচাকা গাড়ি ও বাইকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এমনকি মনোজের কাকার বাড়ির একটি ট্র্যাক্টর ও খড়ের পালুইতেও উত্তেজিত এলাকাবাসী আগুন ধরিয়ে দেয়।দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছে বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। মৃতের আত্মীয় শম্ভুনাথ পাণ্ডে জানান, উৎপলের স্ত্রীকে নানা ভাবে উত্যক্ত করতো মনোজ। স্ত্রীর কাছ থেকে সেই কথা জানার পর উৎপল তার প্রতিবাদ জানিয়ে মনোজকে শোধরানোর কথা বলে। কিন্তু শোধরানো দূরের কথা, উল্টে মনোজ উত্যক্ত করেই যেত উৎপলের স্ত্রীকে। এই ঘটনা মেনে নিতে না পেরে উৎপল কিছু দিন আগে গলসি থানায় গিয়ে মনোজের বিরুদ্ধে অভিযোগও জানিয়ে ছিল। পুলিশ মনোজকে ধমক দিয়ে শোধরানোর কথা বলে তখনকার মতো ছেড়ে দেয়।তবে থানায় অভিযোগ জানানোর চটে গিয়ে মনোজের বাড়ির লোকজন উৎপলের বাড়িতে চড়াও হয়ে উৎপলকে প্রাণে মেরে দেবার হুমকি দিয়ে যায়। শম্ভুনাথ পাণ্ডে বলেন, সেই থেকে দুই পরিবারের মধ্যে তৈরি হয় বিবাদ। তবে হুমকি মতোই মনোজ যে এত পরিকল্পনা করে নৃশংস ভাবে উৎপলকে প্রাণে মরে দেবে তা আমরা ও পাড়া প্রতিবেশীর কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মেঘের ঠিকানা খুঁজছেন তথাগত

মুক্তি পেল রেজারাকশন এন্টারটেনমেন্ট প্রযোজিত, সেলিব্রিটি ফ্যাশন ফটোগ্রাফার তথাগত ঘোষের পরিচালনায় মিউজিক ভিডিও মেঘের ঠিকানা। এই মিউজিক ভিডিওতে গানটি গেয়েছেন শ্রেষ্ঠা দে, গানের সুর করেছেন সৌপ্তিক মজুমদার। মিউজিক ভিডিওতে রয়েছেন নবাগতা নীল দে। পাহাড়ের সুন্দর বরফ ঢাকা পটভূমিতে এক নিঃসঙ্গ মেয়ের প্রকৃতির সঙ্গে মিলে মিশে বাঁচার একান্ত নির্জন গল্প মানুষের সামনে তুলে ধরল মিউজিক ভিডিও মেঘের ঠিকানা। সেই নির্জনতার গুঞ্জনও পাওয়া যাবে গানের মধ্যে।মিউজিক ভিডিও প্রসঙ্গে তথাগত জানালেন, নারীর মন আর প্রকৃতি কোথাও গিয়ে মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়। এই মিউজিক ভিডিওতে একজন একলা নারীর মধ্যে দিয়ে সেরকমই এক সংমিলনের গল্প তুলে ধরতে চেয়েছি আমরা। বরফ আর কুয়াশা ঢাকা পাহাড়ের মাঝে এক একলা মেয়ে খুঁজতে বেরিয়েছে মেঘের ঠিকানা। ভালো থাকার রসদ। মিউজিক ভিডিওর মধ্যে দিয়ে সেই মন ভালো করা অভিযান তুলে ধরতে চলেছি আমরা।এই মিউজিক ভিডিওর অভিনেত্রী নীল জানালেন, তথাগত ঘোষের সঙ্গে কাজ করতে পারা সত্যি একটা দারুণ অভিজ্ঞতা। এই মিউজিক ভিডিওর শুটিংটা আমরা ভীষণ মজা করে করেছি। তথাগতর গাইডেন্স আমার অভিনয় করার ক্ষেত্রেও অনেক সাহায্য করেছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হার্দিকের মস্তিষ্ক, ফার্গুসনের দাপটে দারুণ জয় গুজরাট টাইটান্সের

দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এমন সময়ই লকি ফার্গুসনকে আক্রমণে নিয়ে এসে মোক্ষম চাল গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার। ঋষভকে ফার্গুসন তুলে নিতেই জয়ের আশা শেষ দিল্লির। ফার্গুসনের দুরন্ত বোলিং দ্বিতীয় জয় এনে দিল গুজরাট টাইটান্সকে। দিল্লির বিরুদ্ধে জিতল ১৪ রানে।পরপর দুম্যাচে ব্যর্থ বিজয় শঙ্কর। এর পরেও ডাগ আউটে বসে থাকতে হবে ঋদ্ধিমান সাহাকে? শনিবার গুজরাট টাইটান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে প্রশ্নটা উঠেই গেল। চলতি আইপিএলে বাংলার আকাশদীপ, মহম্মদ সামি, শাহবাজ আমেদরা যেখানে নিজেদের মেলে ধরছেন, সেখানে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগই পাচ্ছেন না ঋদ্ধিমান সাহা। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের গুজরাট টাইটান্স বড় রান তুলল। সৌজন্যে প্রাক্তন নাইট রাইডার্স তারকা শুভমান গিল।চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয়ের খোঁজে এদিন টস জিতে পুনেতে মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়ামে টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ম্যাচেই তৃতীয় বলেই ধাক্কা খায় গুজরাট টাইটান্স। ম্যাথু ওয়েডকে (১) তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরের বলেই ফেরেন বিজয় শঙ্কর। ২০ বলে মাত্র ১৩ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে বোল্ড হন। বিজয় শঙ্করকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন টেস্ট খেলতে নেমেছেন। এরপর শুভমানের সঙ্গে জুটি বেঁধে গুজরাটকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। চতুর্দশ ওভারের শেষ বলে হার্দিককে ফেরান খলিল আমেদ। ২৭ বলে ৩১ রান করে আউট হন হার্দিক।একের পর এক উইকেট পড়লেও অন্যপ্রান্তে শুভমানের ঝড় অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৮৪ রান করে তিনি খলিল আমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শুভমানের ইনিংসে রয়েছে ৬টি ৪ এবং ৪টি ৬। রাহুল তেওয়াটিয়া ৮ বলে করেন ১৪। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ তোলে গুজরাট টাইটান্স। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৩৪ রানে ২ উইকেট খলিল আমেদের।জয়ের জন্য ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালসের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ খুঁজে পেলেন না পৃথ্বী শ। ৭ বলে ১০ রান করে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন পৃথ্বী। একই ওভারে মনদীপ সিংকে (১৬ বলে ১৮) তুলে নেন ফার্গুসন। ঋষভ পন্থ ও ললিত যাদব দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অধিনায়কের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ললিত (২২ বলে ২৫) রান আউট।পঞ্চদশ ওভারে লকি ফার্গুসনকে আবার আক্রমণে নিয়ে আসেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর এই সিদ্ধান্ত একেবারে মাস্টারস্ট্রোক। ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ঋষভকে তুলে নিয়ে গুজরাটকে ম্যাচে ফেরান ফার্গুসন। ৭টি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ঋষভ। একই ওভারে অক্ষর প্যাটেলকে (৮) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন লকি ফার্গুসন। বাকি কাজটা সারেন মহম্মদ সামি ও রশিদ খান। পরপর দুবলে রভম্যান পাওয়েল (১২ বলে ২০) ও খলিল আমেদকে (০) তুলে নেন সামি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৭/৯ তোলে দিল্লি। ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। ৩০ রানে ২ উইকেট সামির।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলসের ‘‌মাসলসে’‌ উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস, জয়ে ফিরল নাইট রাইডার্স

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে আন্দ্রে রাসেলের চোট চিন্তা বাড়িয়েছিল কলকাতা টিম ম্যানেজমেন্টের। ফিল্ডিং করার সময় কাঁধে চোট পেয়েছিলেন। আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, শুক্রবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন তো? সব জল্পনা উড়িয়ে মাঠে নেমেছিলেন আন্দ্রে রাসেল। তাঁর পেশীর তান্ডবে উড়ে গেল পাঞ্জাব কিংস। দুরন্ত ইনিংস খেলে জয়ে ফেরালেন কলকাতা নাইট রাউডার্সকে। নাইটরা জিতল ৬ উইকেটে। এদিন মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাটিং করতে পাঠান নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় পাঞ্জাব। ১ রান উমেশ যাদবের বলে এলবিডব্লু হয়ে ডাগ আউটে ফেরেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৩ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলেন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৯ বলে ৩১ রান করে তিনি শিবম মাভির বলে সাউদির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ান (১৫ বলে ১৬) আউট হতেই হঠাৎ ধস নামে পাঞ্জাব ইনিংসে। পরপর ফিরে যান লিয়াম লিভিংস্টোন (১৯), শাহরুখ খান (০), রাজ বাওয়া (১১), হরপ্রীত ব্রার (১৪) ও রাহুল চাহার (০)। ওডেন স্মিথ (৯) ও কাগিসো রাবাদার (২৫) সৌজন্যে ১৮.২ ওভারে ১৩৭ রানে পৌঁছয় পাঞ্জাব কিংস। আগের দুটি ম্যাচের মতো ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এদিনও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন উমেশ যাদব। ৪ ওভারে ১ মেডেন সহ ২৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন। ৩৬ রানে ২ উইকেট নেন টিম সাউদি। সুনীল নারাইন, শিবম মাভি ও আন্দ্রে রাসেল ১টি করে উইকেট পান। জয়ের জন্য ১৩৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। দ্বিতীয় ওভারে আউট হন অজিঙ্কা রাহানে (১২)। ভেঙ্কটেশ আয়ারও (৩) এদিন রান পাননি। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ১৫ বলে ২৬ রান করে আউট হন। শ্রেয়স আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন নীতিশ রানা (০)। ৭ ওভারের মধ্যে ৫১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপর জ্বলে ওঠেন আন্দ্রে রাসেল। আগের ম্যাচের ব্যর্থতা পুশিয়ে দেন। ক্রিটে নেমে ঝড় তুলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ১৪.৩ ওভারে ১৪১/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ৩১ বলে ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৮টি ৬ ও ২টি ৪। সাম বিলিংস ২৩ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। রাহুল চাহার ১৩ রানে ২ উইকেট পান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সের চিন্তা বাড়ালেন আন্দ্রে রাসেল

পঞ্চদশ আইপিএলের প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ের পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে হার। অল্পরানের পুঁজি নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই করেছিলেন নাইট যোদ্ধারা। তবে শেষরক্ষা করতে পারেনি। হারের থেকেও নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে বড় ধাক্কা আন্দ্রে রাসেলের চোট। নাইট রাইডার্সের অন্যতম বড় ভরসা পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় ঘাড়ে চোট পান রাসেল। চোট পেলেও মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাননি দলের এই নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার। শেষ ওভারে বোলিংও করেন। ম্যাচের শেষ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। রাসেলের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। যদিও দলকে জেতাতে পারেননি রাসেল। প্রথম দুটি বলে ছয় ও চার মেরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে জয় এনে দেন দীনেশ কার্তিক। ম্যাচ শেষ হওয়ার সময় রাসেলের চোট নিয়ে কিছু বোঝা যায়নি। ম্যাচের পর নাইট রাইডার্সের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম আন্দ্রে রাসেলের চোটের কথা জানান। তিনি বলেন, বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে রাসেল ডাইভ দিয়েছিল। তখন ওর ঘাড়ে চোট লেগেছে। তার পরেও ও বোলিং করতে চেয়েছিল। কাঁধে সমস্যা নিয়েও শেষ ওভারে বোলিং করেছিল। পরের ম্যাচে রাসেলকে পাওয়া যাবে কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি নাইট রাইডার্স কোচ। আন্দ্রে রাসেলের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনও অবকাশ নেই। কিন্তু প্রচন্ড চোটপ্রবন। ২০১৪ থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। ব্যাট ও বল হাতে দলকে বহু ম্যাচ জিতিয়েছেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে তাঁর চোট চিন্তা বাড়িয়েছে টিম ম্যানেজনেন্টের। ২০১৭ সালে তো গোটা মরশুমই মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল আন্দ্রে রাসেলকে। এবছর নিলামের আগে যখন নাইট রাইডার্স তাঁকে রেখে দিয়েছিল, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। গোটা মরশুমে আদৌও তিনি ফিট থাকবেন কিনা। দ্বিতীয় ম্যাচের পর সেই জল্পনা জোরালো হয়ে উঠল।

মার্চ ৩১, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : কর্কটের অভিষ্টসিদ্ধি, মিথুনের দায়িত্ববৃদ্ধি

মেষ/ARIES: লাভের আশা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: কর্মে সাফল্য পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।কর্কট/CANCER: অভীষ্টসিদ্ধি হতে পারে।সিংহ/LEO: ফাটকা ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: বাড়তি আয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: স্বজনের সান্নিধ্য পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: অস্থিরতা ভাব জন্মাতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: প্রশংসিত হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: উন্নতির যোগ রয়েছে।কুম্ভ/AQUARIUS: বিত্তহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: আঘাত পেতে পারেন।

মার্চ ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ...
  • 64
  • 65
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal