• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata

কলকাতা

অনলাইন অ্যাপের দুনিয়া থেকে মৃত্যু! আদর্শ হত্যায় কলকাতায় হইচই, পুলিশের হাতে বড় তথ্য

কলকাতার কসবা এলাকায় হোটেল ঘিরে রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ। বীরভূমের দুবরাজপুরের বাসিন্দা ও পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আদর্শ লোসাল্কার খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর দুই সঙ্গী ধ্রুব মিত্র ও কমল সাহাকে। দুজনকেই শনিবার গভীর রাতে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি তদন্তে তাঁদের ভূমিকাই সবচেয়ে সন্দেহজনক বলে উঠে এসেছে।শুক্রবার সন্ধ্যায় আদর্শ কসবার ওই হোটেলে ওঠেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক তরুণী এবং এক যুবক। জানা গিয়েছে, ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে আলাপ হয় আদর্শের। নিজের ফোন থেকেই অ্যাপ ব্যবহার করে হোটেলের চতুর্থ তলার দুটি রুম বুক করেন তিনি। আদর্শ একা নিজের রুমে ঢোকেন, আর অপর রুমে চেক ইন করেন ওই তরুণী ও ধৃত যুবক।পরে তরুণী প্রথমে আদর্শের রুমে যান। কিছুক্ষণ পর সেখানে যোগ দেন অপর যুবকও। পুলিশ সূত্রে মিলেছে, টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে আদর্শের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়ায়। পরে আদর্শকে অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে হোটেল থেকেই সটকে পড়ে দুই সঙ্গী।শনিবার হোটেলের স্টাফরা দরজা না খুলতেই সন্দেহ করেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, মেঝেতে পড়ে আছে আদর্শের নিথর শরীর। তাঁর পা দড়ি দিয়ে বাঁধা। রুম থেকে উদ্ধার হয় অব্যবহৃত কন্ডোম। শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন লক্ষ করা যায়।ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে স্পষ্ট হয়েছে, শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে আদর্শকে। রিপোর্টে আরও পাওয়া গেছে, ঘটনার আগে তিনি মদ্যপান করেছিলেন। ধৃতদের জেরায় উঠে এসেছে তাঁরা নাকি ভয় পেয়ে পা বেঁধেছিলেন, যাতে আদর্শ উঠে তাঁদের আক্রমণ না করতে পারেন। তবে পুলিশের মতে, ধৃতদের এই দাবি সম্পূর্ণ সন্দেহজনক এবং প্রত্যেকটি বক্তব্য খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অনলাইন ডেটিং প্ল্যাটফর্মকে কেন্দ্র করে প্রতারণা বা ব্ল্যাকমেলিংয়ের মতো কোনও ব্যান্ড সক্রিয় কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুনের উদ্দেশ্যে নাকি অর্থ বা অন্য কোনও কারণে তাঁদের পরিকল্পনাসেটিও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে।এই রহস্যময় খুনে পুরো শহরজুড়েই ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রশ্ন উঠছেঅ্যাপে পরিচয়ের ফাঁদে আরও কেউ কি জড়িয়ে পড়েছেন? তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
কলকাতা

কুয়াশা–ঠান্ডায় কাঁপছে কলকাতা, কিন্তু নিম্নচাপ কি আবার শীত থামাবে?

শীত একবার ঢুকেই যেন আবার পথ হারাচ্ছে বাংলায়। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যদিও খানিকটা নেমেছে, তবু আবহবিদদের চোখ এখন বঙ্গোপসাগরের দিকেই। সাগরের উপর তৈরি হতে থাকা নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের কারণে দক্ষিণবঙ্গে শীতের পথ আটকে দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের প্রাথমিক পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, ফলে শীতের গতি কিছুটা শ্লথ হবে।এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে একটু কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৮ ডিগ্রি, স্বাভাবিকের থেকে মাত্র আধ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবারের তুলনায় পারদ এক ঢোঁক নামলেও শীত যে ঠিক জাঁকিয়ে বসার পথে, সেটা নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের অবস্থাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্নচিহ্ন।আজ, শনিবার ভোর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কুয়াশার আস্ত চাদর। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার মাত্রা ৯০ শতাংশ ছুঁয়েছে। বেলা বাড়লে কুয়াশা কেটে রোদ উঠলেও শীতল হাওয়া এত তাড়াতাড়ি দাপট দেখাতে পারছে না। আগামী কয়েক দিনে উত্তর ও দক্ষিণ, দুই বঙ্গে মিলিয়েই আবহাওয়ার খুব বেশি পরিবর্তন হবে না বলে মত আবহবিদদের।নভেম্বর শুরু হতেই বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ স্পষ্ট। উত্তরের পার্বত্য এলাকাগুলিতে শীত তো আগেই জেঁকে বসেছে। কলকাতায় শীতের কোমল হাওয়া ফিরলেও ঠিক সেই ভাবে জমে ওঠার আগে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে পূবালী বায়ু ও সাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা যাচ্ছে, আন্দামান সাগরের উপর ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল, বইছে ঝোড়ো হাওয়া। মঙ্গলবার পর্যন্ত সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। তবে এই ঘূর্ণাবর্তের সরাসরি প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা কম, তবু শীতল বাতাসের পথ আটকানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলেই আবহবিদদের আশঙ্কা।সুতরাং, আচমকা কুয়াশা নেমে আসলেও, আকাশে রোদ এলেও, শীতের জাঁকজমক এখনও অনিশ্চিত। কলকাতার শীতপ্রেমীরা তাই তাকিয়ে আছে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের দিকেশেষ পর্যন্ত শীত কি সত্যিই নিজের জায়গা করে নিতে পারবে, নাকি সাগরের নিম্নচাপ আবার শীতরোদকুয়াশার খেলায় নতুন গোল বাধাবে?

নভেম্বর ২২, ২০২৫
কলকাতা

“চার বছর ধরে অভিযোগ!”—অবশেষে চাপের মুখে পদত্যাগ করলেন অধ্যাপক কল্যাণ ভট্টাচার্য

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হল শুক্রবার। প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি ও শারীরিক হেনস্থার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কল্যাণ ভট্টাচার্য। সকাল থেকেই চাপে ছিলেন তিনি। আর সেই চাপের উৎস হাসপাতালের ছাত্রছাত্রীদের একটানা আন্দোলন। অধ্যক্ষের দফতরের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেডিক্যাল কলেজের পরিবেশ।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই প্রথম বর্ষের ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন এইচওডি। একাধিক ছাত্রী বারবার বিষয়টি অভিযোগ জানালেও ব্যবস্থা হয়নি বলে দাবি পড়ুয়াদের। অবশেষে সাম্প্রতিক হেনস্থার অভিযোগ সামনে আসতেই ফেটে পড়ে ক্ষোভ। শুক্রবার দুপুর বারোটার পর থেকেই স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সদস্যরা প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে অবস্থান শুরু করেন। তাঁরা জানান, তাঁরা লিখিত আকারেই এমন অভিযোগ গত কয়েক বছর ধরে তুলে আসছেন, কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বিকেলের দিকে পরিস্থিতি জটিল হতে থাকলে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন এইচওডি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক মৈত্রেয়ী মণ্ডলকে। একই সঙ্গে সাত সদস্যের একটি কমিটিও তৈরি হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে সেই কমিটির রিপোর্ট যাবে অধ্যক্ষের হাতে। এরপর তা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানো হবে, আর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সেখানকার কর্তৃপক্ষ।এক বিক্ষোভকারী ছাত্র বলেন, আমাদের দাবি আংশিকভাবে পূরণ হলেও ক্ষোভ থেকেই যাচ্ছে। চার বছর ধরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কোনও দিন ব্যবস্থা হল না। আজ আন্দোলনের জেরে পদক্ষেপ হল। অন্যদিকে এমএসভিপি অঞ্জন অধিকারী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। মেডিক্যাল কলেজে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছে। হেড স্যার ইস্তফা দিয়েছেন। এখন সমস্তটাই কমিটির রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে।এই পুরো ঘটনা ফের একবার প্রশ্ন তুলছেশিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তাহীনতার উদ্বেগ কতটা গভীর? আর চাপ না থাকলে কি কোনও অভিযোগ কখনও গুরুত্ব পায়?

নভেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

ভূমিকম্প! কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, স্পষ্ট অনুভুত কম্পন, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫.৫, উৎসস্থল বাংলাদেশ

শুক্রবার সকালেই আচমকা আতঙ্ক। ঘড়ির কাঁটা তখন প্রায় ১০টা ৮ মিনিট। কোনও পূর্বাভাস ছাড়াই কেঁপে উঠল কলকাতা-সহ গোটা রাজ্য। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে দক্ষিণের কাকদ্বীপসর্বত্র অনুভূত হল ভূমিকম্পের দোল। ঘরের পাখা, চেয়ার, টেবিল, দেওয়ালের ছবি একের পর এক দুলে ওঠায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মধ্যে। বহু এলাকায় বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। যদিও এখনো পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।কোথায় ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র?আমেরিকার জিওলজিক্যাল সার্ভে (USGS) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। কেন্দ্রস্থল ছিল বাংলাদেশের নরসিংদী থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে, মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। উৎসস্থলের অগভীরতার কারণেই জোরালো ভাবে কেঁপে ওঠে দুই দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।বাংলাদেশে আতঙ্ক, রাস্তায় নেমে এলেন মানুষপ্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও ভয়াবহ দোল অনুভূত হয়। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও বরিশাল পর্যন্ত কম্পন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর বহু মানুষ নিরাপত্তার জন্য বাড়ি থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। সমাজমাধ্যমে শেয়ার হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়বিল্ডিং থেকে দ্রুত নেমে আসছেন অধিবাসীরা, কোথাও ঝাড়বাতি বা সিলিং ফ্যান দুলছে প্রবল দোলনে।কলকাতায় অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতাকলকাতা সাধারণত বড় ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল নয়। তাই এই ধরনের তীব্র কম্পন শহরে খুবই বিরল। শীতের আমেজে অনেক বাড়িতেই সিলিং ফ্যান বন্ধ ছিল, ফলে কম্পন আরও স্পষ্ট দেখা যায় বলে জানান শহরের বাসিন্দারা। বিভিন্ন জায়গায় ঝুলে থাকা লাইট, দেওয়ালে টাঙানো ছবি দুলে ওঠার দৃশ্য ধরা পড়েছে।হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনাসব জায়গাতেই এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষায়, দোলন অন্তত কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল।সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে পড়েছেভূমিকম্পের পরপরই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে নানা ভিডিও ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন সাধারণ মানুষ। কারও বাড়ির সিলিং ফ্যান দুলছে, কোথাও আবার কর্মীরা অফিস থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসছেনএমন বহু দৃশ্য ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্যেই। যাঁর সত্যতা জনতার কথা যাচাই করেনি।বর্তমান পরিস্থিতিএখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কলকাতা ও বঙ্গের বিভিন্ন দমকল ও প্রশাসনিক দফতর সতর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রস্থল অগভীর হওয়ায় কম্পন তীব্র অনুভূত হলেও বড় বিপর্যয় হয়নি।রাজ্যজুড়ে এই অস্বাভাবিক ভূমিকম্পে সতর্কতা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শপরবর্তী ২৪ ঘণ্টা সাবধান থাকা, বাড়ির ভারী জিনিসপত্র স্থিরভাবে বাঁধা রাখা এবং প্রয়োজনে খোলা জায়গায় সরিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখা জরুরি।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
রাজ্য

ঘূর্ণাবর্তে আটকে শীত! কলকাতায় শীতের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও কেন ঢুকতে পারছে না উত্তুরে হাওয়া?

নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই হঠাৎ করে নেমে এসেছিল শীতের ছোঁয়া। এক লাফে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৭ ডিগ্রিতে, আর শহরবাসী ভেবেছিলএবার বুঝি আগেভাগেই এসে পড়ছে শীত। কিন্তু ঘূর্ণাবর্ত আর পূবালী হাওয়ার জোড়া খাঁড়া পুরো পরিস্থিতি পাল্টে দেয়। গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা ফের চড়তে শুরু করায় কলকাতায় শীতের যে আমেজ তৈরি হয়েছিল, তা একেবারে মিলিয়ে যায়।তবে বুধের সকালেই ফের খানিকটা নামল পারদ। কলকাতার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ১৮ ডিগ্রির আশপাশে। যদিও শহরবাসী শীতের হালকা ছোঁয়া পেলেও আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেনএখনই জাঁকিয়ে শীত নামার সম্ভাবনা কম। দক্ষিণবঙ্গে যে শীতল উত্তুরে হাওয়া ঢোকার কথা, সেই পথেই ফের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নতুন ঘূর্ণাবর্ত। সঙ্গে পূবালী হাওয়ার টান। ফলে শীতল বায়ুর প্রবেশপথ এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৯ ডিগ্রি, বুধবার তা সামান্য নেমে ১৮ ডিগ্রিতে দাঁড়িয়েছে। তবে আগামী দুতিন দিনে তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টি নেই, আকাশ একেবারে পরিষ্কারতবে তাই বলে শীত যে জমিয়ে পড়বে, তার নিশ্চয়তা নেই।এদিকে জেলায় জেলায় শীতের দাপট জোরকদমে চলছে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলদার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারসব জায়গাতেই ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে সকাল। সাধারণত এই সময় যতটা ঠান্ডা থাকে, তার তুলনায় এবার একটু বেশি উষ্ণ হলেও কুয়াশার চাদরে মুড়েই শুরু হচ্ছে দিন। পাহাড়ে ঘোরার পরিকল্পনা করা পর্যটকদের জন্য আবহাওয়া আপাতত মনোরম হলেও তাপমাত্রা কবে নামবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাতে পারছেন না আবহবিদরা।সবটাই নির্ভর করছে ঘূর্ণাবর্ত কাটার ওপর। যতক্ষণ না উত্তুরে হাওয়ার পথ পুরোপুরি খুলছে, ততক্ষণ কলকাতায় শীত ঠিকমতো নামবে না। তাই শহরবাসী এখনও অপেক্ষায়কবে সেই কাঙ্ক্ষিত ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে পড়ে লেপ-কম্বল বের করার সময় আসবে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

হাওয়ার দাপটে ঠান্ডা জোরালো! বাংলায় পারদ নামছে নভেম্বরের মাঝেই

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার সামনে এল এমন তথ্য, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ এমএম ক্যালিবারের তিনটি কার্তুজযার মধ্যে দুটি তাজা এবং একটি ফাঁকা শেল। সাধারণ মানুষের হাতে এ ধরনের কার্তুজ থাকে না। সাধারণত সেনাবাহিনী বা বিশেষ অনুমোদনপ্রাপ্ত সংস্থার কাছেই এই ধরনের কার্তুজ থাকে। ফলে বিস্ফোরণের ঘটনার পর এই উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে তীব্র রহস্য।সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠছেকার্তুজগুলি কি বিস্ফোরণের সময়ই ছিল, নাকি পরে কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রাখা হয়েছে তদন্তকে ঘোলাটে করতে? ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি কার্তুজ খতিয়ে দেখছেন। সেগুলির উৎপত্তি থেকে শুরু করে ব্যবহারের সম্ভাব্য সময়সবই যাচাই হচ্ছে দ্রুতগতিতে।এদিকে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং এনআইএ তদন্ত আরও জোরদার করেছে। বিশেষত আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজের একাধিক কর্মীর উপর নজর বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষ কোনও যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বিস্ফোরণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ১৫ জন চিকিৎসকের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।তদন্তকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওখলা অফিসেও হানা দিয়েছেন এবং বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করেছেন। বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে ছিলেন ডঃ উমর। জানা গিয়েছে, তিনি বিভিন্ন হাওয়ালা রুটের মাধ্যমে ২২ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং তার ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী ছিল, তাও এখন তদন্তের কেন্দ্রে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। লালকেল্লার মতো সংবেদনশীল এলাকার পাশে বিস্ফোরণের ঘটনায় একের পর এক তথ্য সামনে আসায় গোটা রাজধানীতে আবারও ছড়িয়েছে উদ্বেগ।তদন্ত যত এগোচ্ছে, রহস্য ততই গভীর হচ্ছে। কার্তুজ উদ্ধার, নিখোঁজ চিকিৎসক, হাওয়ালা লেনদেনসব মিলিয়ে বিস্ফোরণের পেছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় থাকার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এখনও পাওয়া তথ্য বরফের চূড়া মাত্র। আসল সূত্র পাওয়া গেলে উঠে আসতে পারে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

বড়বাজারে ভোরবেলার দহনলীলায় ছাই শতাধিক দোকান! ২৪ ইঞ্জিনের লড়াইয়ে আগুন কাবু

শনিবার ভোরে ঘুম ভাঙতেই বড়বাজারের এজরা স্ট্রিট জীবন্ত নরক। ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে হঠাৎই একটি ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকানের দ্বিতীয় তলায় আগুন ধরা মাত্র মুহূর্তে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। ঘিঞ্জি বাজার, সারি সারি বৈদ্যুতিন সামগ্রী, তার, এসি, ইনভার্টারসব মিলিয়ে আগুন মুহূর্তে ভয়াবহ রূপ নেয়। বিস্ফোরণের মতো দুমদাম শব্দে একের পর এক ইলেকট্রনিক জিনিস ফেটে যেতে থাকে। আশেপাশের বাসিন্দারা দৌড়ে এসে নিজেরাই জল ঢালার চেষ্টা করেন, কিন্তু আগুনের দাপট এতটাই বেশি যে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরো ভবনটিই আগুনের গ্রাসে চলে যায়।খবর পেয়ে প্রথমে দমকলের ছটি ইঞ্জিন আসে, পরে একে একে বাড়তে বাড়তে ২৪টি ইঞ্জিন নামানো হয় আগুন নেভাতে। কিন্তু ঘিঞ্জি গলি, উঁচু ভবন, দাহ্য সামগ্রীর মজুত এবং প্রচণ্ড তাপসব মিলিয়ে দমকলের জন্য কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে রাস্তার উল্টো দিকের আরও একটি বিল্ডিংয়েও। প্রথমে একটি তলা জ্বলতে দেখা গেলেও মুহূর্তে আগুন লাফিয়ে ওঠে তলা থেকে তলায়, শেষে ছাদ পর্যন্ত আগুন গ্রাস করে ফেলে। সিলিন্ডার ফাটার শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে বারবার। চিৎকার-চেঁচামেচি, দমকলের সাইরেন, বিস্ফোরণের আওয়াজপুরো বড়বাজার এলাকায় তৈরি হয় আতঙ্কের পরিবেশ।দমকল কর্মীরা দুই দিক থেকে জল মারছেন, কিন্তু যে বিল্ডিংয়ে প্রথম আগুন লেগেছিল, তার মাঝের অংশে পৌঁছনোই প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। টিনের ছাদ আগুনে লাল হয়ে থাকায় সেখানে দাঁড়ানোটাই বিপজ্জনক। স্থানীয় বাসিন্দারাও বাড়ির ছাদ থেকে দমকলকে সাহায্য করছেন। আগুন যাতে আর ছড়িয়ে না পড়ে সেই কারণে আশেপাশের বাড়িগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।প্রায় পাঁচ ঘণ্টার লড়াইয়ের পর সকাল দশটা নাগাদ আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু তার আগে ভয়াবহ ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। দমকল সূত্র জানিয়েছে, অন্তত একশোরও বেশি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই দাহনে। বহু দোকানদারের সারাজীবনের সঞ্চয়, মালপত্রসবই চোখের সামনে ছাই হয়ে গিয়েছে। হাহাকার চারদিকে। তদন্তে দমকল এখন খতিয়ে দেখছে আগুন লাগার কারণশর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনও সমস্যা।বড়বাজারের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শহরবাসীকে আবারও মনে করিয়ে দিলঅতিরিক্ত দাহ্য সামগ্রী মজুত থাকলে এবং সংকীর্ণ গলিতে দোকান সাজালে বিপদ কতটা দ্রুত ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

শীতের আনন্দে আচমকা ব্রেক! রবিবার থেকে বাড়বে পারদ, ঘন কুয়াশায় রাজ্যের জেলাগুলিতে বিপত্তি

রাজ্যের আবহাওয়া হঠাৎই বদলে যেতে চলেছে। টানা কয়েক দিন ধরে শীতের হাওয়া আর কম তাপমাত্রার জেরে সকাল-সন্ধ্যায় জমে থাকা ঠান্ডায় সকলে শিরশিরানি টের পাচ্ছিলেন। অনেকের ঘরে ফ্যান বন্ধ, কেউ কেউ বের করে ফেলেছেন গরম জামা। শনিবার সকালেও সেই একই শীতল আমেজ। পশ্চিম দিক থেকে বাধাহীন শীতল হাওয়া বয়ে যাচ্ছে, ফলে তাপমাত্রা নেমেছে স্বাভাবিকের দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে। কিন্তু এই শীত-জমাট পরিস্থিতির শেষ হতে চলেছে খুব দ্রুতই। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, রবিবার থেকেই পুরো আবহাওয়ায় শুরু হবে বড় ধরনের বদল।শনিবার পর্যন্ত যদিও বঙ্গোপসাগরে কোনও আবহাওয়াগত সিস্টেম ছিল না, তাই বৃষ্টির সম্ভাবনাও ছিল না। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টে যাবে হাওয়ার গতিপথ। রবিবার থেকে রাজ্যে ঢুকবে পূবালী বাতাস, সঙ্গে বেড়ে যাবে আর্দ্রতা। এর ফলে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় রবিবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে, পারদ উঠে আসবে স্বাভাবিকের কাছাকাছি। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কমে গিয়ে রাজ্যের আকাশে থাকবে জলীয় বাষ্পের আধিক্য। কুয়াশা বাড়বে উত্তর ও দক্ষিণদুই বাংলাতেই, বিশেষত ভোরবেলায় দৃশ্যমানতা অনেকটাই কমে গিয়ে ২০০ মিটারে নামতে পারে। পাহাড়ি জেলা এবং উপকূলের এলাকাগুলিতে কুয়াশার দাপট আরও বেশি থাকবে, কোথাও কোথাও দেখা যেতে পারে মেঘলা আকাশও।এদিকে দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত, যার প্রভাব পড়ছে শ্রীলঙ্কার উপকূলে। দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকাতেও তৈরি হয়েছে আরেকটি আপার এয়ার সার্কুলেশন। এই দুটি সিস্টেম মিলেই রাজ্যের বাতাসে আর্দ্রতা বাড়াবে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।উত্তরবঙ্গে এখনই তেমন কোনও বড় পরিবর্তন নেই। সেখানে চলবে শুষ্ক ও ঠান্ডা আবহাওয়া, বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। স্বাভাবিকের থেকে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কম তাপমাত্রা নিয়েই আগামী ৬-৭ দিন বজায় থাকবে শীতের আমেজ।কলকাতায় শনিবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের প্রায় তিন ডিগ্রি নীচে। রাতের পারদ এখনো ১৭ ডিগ্রি ঘরে। তবে রবিবার থেকে শহরের তাপমাত্রা বেড়ে পৌঁছতে পারে ১৯ বা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ঘোরাফেরা করেছে ৪১ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে।অর্থাৎ, কয়েক দিন যে জোরালো শীতের আভাস মিলছিলসেটি রবিবার থেকেই নরম হতে চলেছে। শীত-হাওয়া সরলেও ভোরের কুয়াশা কিন্তু আরও ঘন হবে। ফলে সকালবেলার যাতায়াতে বাড়তে পারে সমস্যাও।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

রাত বাড়লেই কাঁপছে কলকাতা! নভেম্বরেই বাংলায় শীতের হানা, কুয়াশায় ঢাকা ভোর

বঙ্গজুড়ে নেমে এসেছে শীতের আমেজ! নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ঠান্ডার দাপট চোখে পড়ার মতো। উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের জেলা গুলিতে কয়েকদিন ধরেই সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ক্রমশ নামছে। আর এবার সেই শীতল হাওয়া এসে পৌঁছেছে রাজধানী কলকাতায়ও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য বলছে, এ বছরের শীতের মরশুমে বৃহস্পতিবারই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ঠান্ডা দিন কাটাল কলকাতা।এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় তিন ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও নেমেছে ২.৬ ডিগ্রি নিচে, যা ২৮ ডিগ্রির ঘরে স্থির হয়েছে। অর্থাৎ দিন-রাতের ফারাক যতটা কমছে, ততটাই তীব্র হচ্ছে শীতের ছোঁয়া। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিনে আরও কিছুটা নামবে পারদ।নভেম্বরের শুরু থেকেই হিমেল হাওয়া ছুঁয়ে গিয়েছে গোটা বাংলা। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমসব জায়গাতেই ভোরবেলা ঠান্ডার আমেজ এখন স্পষ্ট। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে ঘন কুয়াশা, হাতে গরম চা নিয়েই শুরু হচ্ছে দিন। পার্বত্য অঞ্চলে কুয়াশার দাপট আরও বেশি।কলকাতা ও আশেপাশের জেলাতেও রাত বাড়লেই ঠান্ডা বেড়ে যাচ্ছে। সকালবেলায় রাস্তায় নেমে কুয়াশা, গায়ে হালকা উষ্ণতা জড়ানো পোশাকসব মিলিয়ে শীতের আগমন যেন আগেভাগেই ধরা দিয়েছে। আবহবিদদের মতে, এবার হয়তো নভেম্বরেই জাঁকিয়ে পড়তে পারে শীত, যা গত কয়েক বছরের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে।আপাতত রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। হাওয়া শুকনো থাকায় শীত আরও দ্রুত নামবে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে, পুরুলিয়ায় পারদ আরও নামার ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস।বাংলার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য রাজ্যেও শীতের দাপট তীব্র হচ্ছে। রাজধানী দিল্লিতে শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, চণ্ডীগড় ও উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে ঠান্ডা সতর্কতা।এই নভেম্বরেই এমন ঠান্ডা? তা হলে কি এবার সত্যিই আগেভাগে নামবে শীত, আর দীর্ঘস্থায়ী হবে এই হিমেল আমেজ? কফির কাপে ধোঁয়া উঠছে, আর শহরজুড়ে উষ্ণ আলোয় ভাসছে শীতের শুরুবাংলা যেন তৈরি নতুন শীত-উৎসবের জন্য।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ ডিগ্রির নিচে পারদ, কলকাতায়ও ঠান্ডার কামড় শুরু!

অবশেষে রাজ্যে জাঁকিয়ে নামল শীত। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বাংলাজুড়ে ঠান্ডার কামড় আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতা ও রাজ্যের পশ্চিম জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশা আর শীতল বাতাসে জমে উঠেছে আবহাওয়া। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শীতল পশ্চিমী হাওয়ার জেরে এবার পারদ নামছে দ্রুত।রাজ্যের পশ্চিম জেলাগুলিতে যেমন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নিচে নেমে গিয়েছে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে। সকাল-বিকেল গায়ে চাদর জড়ানোর প্রয়োজন পড়ছে অনেকেরই। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, অন্তত শনিবার পর্যন্ত শীতের এই আমেজ বজায় থাকবে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে মধ্য বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণাবর্ত ছিল তা ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে। দক্ষিণ বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকাতেও একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। পাশাপাশি, উত্তর তামিলনাড়ু ও সংলগ্ন অঞ্চলে আরেকটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। যদিও এই সিস্টেমগুলির প্রভাব বাংলার আবহাওয়ায় খুব একটা পড়ছে না, বরং ঠান্ডা হাওয়ার প্রবাহে আরও নামছে তাপমাত্রা।উত্তরবঙ্গের দিকেও নেমেছে হালকা কুয়াশা। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে সকালবেলায় ঘন কুয়াশার পরত দেখা যাচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাচ্ছে ভোরবেলায়। তবে আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।কলকাতায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের নিচে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৫০ থেকে ৮৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। এই কারণে সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের বেলায় সূর্যের তেজ সামান্য বাড়ছে।অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য রাজ্যেও শীতের দাপট বেড়েছে। দিল্লি, রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশেও রাতের দিকে পারদ দ্রুত নামছে। তবে দক্ষিণ ভারতে, বিশেষ করে কেরল ও মাহেতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।সবমিলিয়ে, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই শীতের দাপট স্পষ্ট বাংলার আকাশে। ঠান্ডা হাওয়ার দাপটে সকালবেলায় গরম পোশাকের খোঁজ শুরু হয়ে গিয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের সর্বত্র। আবহাওয়াবিদদের মতে, এ বছর স্বাভাবিক সময়েই আসছে শীত, আর ডিসেম্বরের শুরুতেই পারদ নামতে পারে আরও নিচে।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
স্বাস্থ্য

কোলকাতায় ডেঙ্গুর দেরিতে ঊর্ধ্বগতি, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে!

কোলকাতায় মৌসুমের শেষের দিকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে, যার ফলে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।সূত্রের খবর থেকে জানা যাচ্ছে যে, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (KMC) এলাকায় গত তিন সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩২ থেকে বেড়ে ১,১০৬ হয়েছে। বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC) জানিয়েছে, বিধাননগরএলাকায় নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ৩২টি নতুন কেস ধরা পড়েছে; চলতি বছরের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৭।বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও ভর্তি বাড়ছে জানা গিয়েছে, পিয়ারলেস হাসপাতালে বর্তমানে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।ম্যানিপাল হাসপাতাল (ঢাকুরিয়া) তে গত এক সপ্তাহে ৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর এবং তারা আইসিইউতে আছেন।কেন বাড়ছে সংক্রমণ?বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমের শেষ দিকেও অবিরাম ও ছিটেফোঁটা বৃষ্টি মশার প্রজননের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করছে। ফলে, সাধারণত অক্টোবরের শেষের দিকে যেখানেই সংক্রমণ কমে আসে, এ বছর সেটি নভেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহ ধরে শহরে গড়ে প্রতিদিন সামান্য বৃষ্টি হয়েছে, যা মশার প্রজননস্থল নষ্ট করতে বাধা দিচ্ছে।চিকিৎসকরা বলছেন, বেশিরভাগ ডেঙ্গু রোগী হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার জ্বরে আক্রান্ত হলেও, উপেক্ষা করলে তা গুরুতর হতে পারে।ডাঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেনঃঅনেকেই জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর ভেবে অবহেলা করছেন। কিন্তু জ্বরের সঙ্গে শরীর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা বা র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত।ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করবেন?১) KMC ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যৌথভাবে মশা দমন অভিযান শুরু করেছে। নাগরিকদের প্রতি তাদের আহ্বান ২) ঘর ও আশপাশে জমে থাকা জল ফেলে দিন,৩) জলের পাত্র সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করুন,৪) পুরো দেহ ঢাকা পোশাক পরুন,৫) এবং দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচান।স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নজরদারি দল কাজ করছে এবং আক্রান্ত এলাকায় বিশেষ স্প্রে অভিযান চলছে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই সাবধান না হলে শহরে ডেঙ্গুর প্রভাব আরও বাড়তে পারে। তাই সাধারণ মানুষকে সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে কারণ ডেঙ্গুর কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই, তবে সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই একমাত্র কার্যকর প্রতিরোধ।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

শীত এল অবশেষে! ১৯ ডিগ্রির নিচে কলকাতার পারদ, উত্তর-পশ্চিমের হাওয়ায় কাঁপছে বঙ্গে

অবশেষে নামল পারদ, নেমে এল কলকাতার অন্দরে শীতের ছোঁয়া। শুক্রবার সকালে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের শেষ আপডেট অনুযায়ী, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। চারপাশে হালকা ঠান্ডা হাওয়া, সকালের দিকে ঘন কুয়াশা নভেম্বরের শুরুতেই যেন ডিসেম্বরের আবহ।আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, শীতের দফা এখনই শেষ নয়, বরং শুরু হচ্ছে প্রকৃতির শীতল অধ্যায়। আগামী তিন থেকে চার দিনে আরও অন্তত ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে পারদ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, ফলে দিনভর আকাশ থাকবে ঝকঝকে নীল।পশ্চিমী হাওয়ার প্রভাব এখন রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়া বইছে পুরোদমে। এর জেরেই রাজ্যের তাপমাত্রা একে একে নামছে ১৫ ডিগ্রির ঘরে। এদিন বাঁকুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৪.৫ ডিগ্রিতে, শ্রীনিকেতনে ১৪.৯, পুরুলিয়ায় ১৫, কল্যাণীতে ১৫.৩, উলুবেড়িয়ায় ১৬, মেদিনীপুরে ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায় ১৯.২ আর দমদমে ১৯.৪ ডিগ্রিতে থেমেছে পারদ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিন ভোরবেলায় ঘন কুয়াশা ঘিরে ফেলবে কলকাতা, হাওড়া, হাবড়া ও আশপাশের অঞ্চলগুলি। তুলনায় দাপট বেশি থাকবে উপকূলের জেলাগুলিতে। তবে এই ঠান্ডা এখনও পূর্ণ শীত নয়, বরং তার প্রাক্কাল।আবহাওয়ার মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পূর্ব বাংলাদেশ ও গাল্ফ অফ মানার অঞ্চলেও রয়েছে আরও দুটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি উত্তর পাঞ্জাবে সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যদিও এই ঘূর্ণাবর্তগুলির কোনও বড় প্রভাব পড়ছে না দক্ষিণবঙ্গে, ফলে হাওয়া এখন পুরোপুরি শীতের অনুকূলে।শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ঘোরাফেরা করছে ৩৮ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পরবর্তী কয়েকদিনে শুষ্ক বাতাসের প্রভাবে ভোরের দিকে ঠান্ডা আরও প্রকট হবে।শীতপ্রেমীদের মুখে ইতিমধ্যেই হাসি ফিরেছে। শহরের দোকান-বাজারে দেখা মিলছে শীতের পোশাকের জৌলুস। সকাল-সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘ গরমের পর শহরবাসীর কাছে এই হালকা শীতই এখন এক টুকরো স্বস্তি।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
কলকাতা

SIR আতঙ্কে ফাঁকা নিউটাউন ও গুলশান কলোনি? বিস্ময়কর পরিসংখ্যান সামনে

শুভেন্দু অধিকারীর দাবিতেই কি মিলছে বাস্তবের প্রতিফলন? নিউটাউন ও গুলশান কলোনিতে শুরু হয়েছে অদ্ভুত নড়াচড়া। SIR চালু হতেই যেন হাওয়া হয়ে যাচ্ছেন বহু মানুষ। প্রশাসনের খাতায় উঠেছে চমকপ্রদ তথ্যগুলশান কলোনির বাসিন্দাদের ৮৫ শতাংশই নাকি বহিরাগত! ভোটার তালিকায় যাঁদের নামই নেই।কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত গুলশান কলোনিজনসংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ। যা এক বিধানসভা কেন্দ্রের জনসংখ্যার প্রায় সমান। কিন্তু ভোটার সংখ্যা মেরেকেটে মাত্র ২০ হাজার! অর্থাৎ পুরো এলাকার ৯০ শতাংশ মানুষ এই ওয়ার্ডের ভোটার নন। তাঁরা বহু বছর ধরে এখানে বসবাস করলেও স্থায়ী ভোটার তালিকায় নাম নেই। প্রশ্ন উঠছেএরা কারা?SIR-এর পঞ্চম দিনে গুলশান কলোনিতে ভোটার তালিকা হালনাগাদে গিয়ে রীতিমতো বিপাকে পড়েছেন BLO-রা। কার্যত গোলকধাঁধা হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। এক একটি ভবন ৫ থেকে ৬ তলা, প্রতিটি ফ্লোরে অন্তত ৫-৬টি ফ্ল্যাট। অথচ এক বুথে গড়ে ১৬০০ ভোটার! একাধিক ফ্ল্যাটে ঘুরেও ভোটার খুঁজে পাচ্ছেন না কর্মকর্তারা।BLO ওয়াসিম আক্রম জানান, এক তলা থেকে চারতলা ঘুরে একজনের নাম পেলাম, বাকিরা কেউই স্থানীয় নন। কেউ বলছেন বিহার, কেউ রিপন স্ট্রিটের বাসিন্দা। কিন্তু ভোটার কার্ড নেই।তৃণমূলের স্থানীয় প্রতিনিধি মহম্মদ মিনাজও জানিয়েছেন, অনেকেই অন্য এলাকার ভোটার। ঠিকানা বদল করেননি। ফলে গুলশান কলোনিতে ভোটার সংখ্যা এতটাই কম।SIR চালু হওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, নিউটাউন ও গুলশান কলোনি ফাঁকা হচ্ছে, কারণ বেআইনি ভাবে থাকা বহিরাগতরা পালাচ্ছেন। প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য যেন সেই দাবিকেই আরও উসকে দিল।স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বহু বছর ধরে এই এলাকায় ভাড়া থাকেন বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা শ্রমিক, ব্যবসায়ী বা অস্থায়ী কর্মীরা। ভোটার তালিকায় নাম না থাকলেও তাঁরা বছরের পর বছর এখানে বসবাস করছেন। এখন SIR-এর কারণে ভয় পেয়েছেন অনেকে।যদিও শাসক দলের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনাএসআইআর ঘিরে বিরোধীর বক্তব্য কতটা রাজনৈতিক, আর কতটা বাস্তব, তা নিয়েই এখন তর্কের কেন্দ্রবিন্দু গুলশান কলোনি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় নেমে এল শীতের হাওয়া! পারদ নামতেই হালকা শিরশিরে ঠান্ডা

অবশেষে শহর থেকে মেঘ সরে গিয়ে শুরু হল শুষ্ক আবহাওয়া। রাতের দিকেই হালকা ঠান্ডার অনুভূতি মিলছিল, মঙ্গলবার সকাল থেকে তা আরও স্পষ্ট। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ২১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় এক ডিগ্রি কম। এক সপ্তাহের ভ্যাপসা ভাবের পর এই সামান্য তাপমাত্রা পতনেই মিলছে আরাম।সম্প্রতি রাজ্যের উপকূল ছুঁয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় মন্থা। এরপরেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছিল নতুন নিম্নচাপ। তবে তার প্রভাব প্রধানত উপকূলেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বাতাস এখন পরিষ্কার, আবহাওয়া শুষ্ক। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ২০ ডিগ্রির নিচে নেমে গেছে। তবে হাওয়া অফিস পরিষ্কার জানিয়েছে, এখনই তেমন বড় ধরনের পারদ পতন হবে না। শীত আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।এখন নিম্নচাপ অবস্থান করছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এবং মায়ানমার উপকূলে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা বাংলাদেশ ও মায়ানমারের কাছে প্রভাব ফেলবে। ওই এলাকাগুলির সমুদ্র উত্তাল থাকবে। ফলে বাংলায় এর প্রভাব সীমিতই থাকবে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর।আগামী শুক্রবার আবার আবহাওয়ায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা। জলীয় বাষ্প বাড়বে, সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতে। বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্য উপকূলবর্তী এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।কলকাতায় মঙ্গলবার সকালে হালকা কুয়াশার ছবি ধরা পড়েছে। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪২ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে। ধীরে ধীরে শৈত্যপ্রবাহের আভাস মিলতে শুরু করলেও এখনই মোটা গরম জামা বের করার সময় আসেনি। তবে সকালের হালকা ঠান্ডা আর সন্ধ্যার মৃদু হাওয়া শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে স্পষ্ট।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
কলকাতা

হাঁটতে বেরিয়ে হঠাৎ গুলি! প্রতিবেশী প্রেমিকের নাম বলেই লুটিয়ে পড়লেন মহিলা

হরিদেবপুরে সোমবার ভোরের শুটআউট ঘিরে চাঞ্চল্য। সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ গুলিবিদ্ধ হলেন এক মহিলা। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত প্রেমিক বাবলু ঘোষকে পাকড়াও করল কলকাতা পুলিশ। ধরা পড়লেন পিটিএসের কাছে একটি গাড়ি থেকে। পুলিশের নজরে এ ঘটনাকে বড় সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছেকারণ ঘটনার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার অভিযুক্ত।পুলিশ সূত্রের খবর, ৫০ বছর বয়সি মৌসুমী হালদার প্রতিদিনের মতো হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই মোটরবাইকে করে দুই যুবক আসে। লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি লাগে মৌসুমীর পিঠে। লুটিয়ে পড়েই তিনি আততায়ীর নাম বলে দেনবাবলু। এলাকাবাসীও জানতেন, প্রতিবেশী বাবলু ঘোষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল মৌসুমীর।জানা গিয়েছে, বাবলুর মুরগির ব্যবসা ছিল। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকেই মৌসুমীর সঙ্গে তাঁর প্রেম। এমনকি চুপিসারে বিয়েও করেছেন তারাএমনটাই ছড়িয়েছিল এলাকায়। বাবলুর মেয়ের বিয়েও হয়ে গেছে। অভিযোগ, কিছুদিন ধরে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলেন মৌসুমী। কিন্তু তাতে রাজি ছিল না বাবলু। ওই মহিলাকে সংসার ছেড়ে তাঁর সঙ্গে থাকতে জোরাজুরি করত। শেষমেশ প্রেমের জটিলতাই রক্তাক্ত পরিণতি নিল।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, বাবলু কোনও গ্রাহকের কাছ থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জোগাড় করে সোমবার সকালে গুলি চালায়। এরপর নিজের বাড়ির তালা বন্ধ করে জিনিসপত্র তুলে পালানোর চেষ্টা করে ভাড়ার গাড়িতে। প্রতিবেশীরা গাড়ির নম্বর দেখে রাখেন। সেই সূত্রেই শুরু হয় পুলিশের অভিযান।হরিদেবপুর থানার ওসি প্রসূন দে সরকার ও অতিরিক্ত ওসি সুদীপ্ত দেবঘরিয়ার নেতৃত্বে শুরু হয় অপারেশন। গাড়ির মালিককে ফোন করে খদ্দের সেজে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। জানা যায়, গাড়িটি হাওড়ার পাঁচলায় আছে। পুলিশ গাড়ির নম্বর ট্র্যাক করে, আরেক দল পাঁচলার পথে রওনা দেয়।কিন্তু গাড়িটি মাঝপথেই ধরা পড়ে। পিটিএসের কাছে নম্বর মিলিয়ে পুলিশ গাড়ি থামায় এবং ভিতরেই বাবলুকে দেখা যায়। পাঁচলায় পালানোর পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি পুলিশের। তার আগেই হাতকড়া পড়ল তার হাতে। আজ তাকে আদালতে তোলা হবে।দ্রুত পদক্ষেপে এই গ্রেফতারকলকাতা পুলিশের তদন্ত এবং তৎপরতার বড় নিদর্শন হয়ে রইল বলে মত অনেকের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

১৪ বছর পর কলকাতায় মেসি! “মাঠ কাঁপাবে” ডিসেম্বরে?

কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক বিশাল সুখবর! ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি (Lionel Messi) তাঁর বহু প্রতীক্ষিত GOAT Tour of India 2025-এর জন্য এ বছরের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা ময়দান মাতাতে আসছেন। ১৪ বছর পর বিশ্বকাপজয়ী এই মহাতারকার ভারতে ফেরা নিঃসন্দেহে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে চলেছে।আগামী ডিসেম্বরে আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি তাঁর ভারত সফরের সূচনা করবেন কলকাতাতেই। আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, তিনি ১২ই ডিসেম্বর রাতে মহানগরে পৌঁছাবেন এবং ১৩ই ডিসেম্বর কলকাতায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।কলকাতার আইকনিক সল্টলেক স্টেডিয়ামে (যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন) মূল অনুষ্ঠানগুলি হবে, যেখানে ২০১১ সালে মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে খেলেছিলেন।GOAT কনসার্ট এবং GOAT কাপ, ১৩ই ডিসেম্বর এই দুটি প্রধান ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। GOAT কাপ হবে একটি সেলিব্রেটর সেভেন-এ-সাইড (seven-a-side) সফট-টাচ ফুটবল ম্যাচ। বেশ কয়েকজন ভারতীয় কিংবদন্তির উপস্থিতির সম্ভবনা ওই খেলায়, সুত্রের খবর, এই বিশেষ ম্যাচে মেসির সঙ্গে মাঠে নামতে পারেন ভারতীয় ক্রীড়া জগতের তারকারা, যেমন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, বাইচুং ভুটিয়া এবং লিয়েন্ডার পেজ প্রমুখ।ম্যচের শেষে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে মেসিকে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হতে পারে। এছাড়াও এই সফরের অঙ্গ হিসাবে কলকাতা শহরে মেসির একটি মূর্তি উন্মোচন-র আয়োজন চলছে।এই সফরে নানাবিধ অনুষ্ঠানের মধ্যে, ফুড অ্যান্ড টি ফেস্টিভ্যালঅনুষ্ঠিত হবে। কলকাতায় তাঁর প্রিয় পানীয় আর্জেন্তিনীয় ভেষজ চা মাটে-এর সঙ্গে আসামের চায়ের ফিউশন করে একটি বিশেষ খাদ্য ও চা উৎসবের আয়োজন করা হবে।কলকাতা ছাড়াও মেসি ভারতে আরও কয়েকটি শহর সফর করবেন, সেকারনে তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কলকাতার পর মেসি আরও চারটি-শহরে সফর করবেন। যেগুলি হল আহমেদাবাদ, মুম্বাই এবং নয়া দিল্লী। ১৫ই ডিসেম্বর তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করে তাঁর ভারত সফর শেষ করবেন। এই সফরের ইভেন্টগুলোর টিকিটের মূল্য ৩,৫০০ টাকা থেকে শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।মেসির প্রতিক্রিয়াদীর্ঘ ১৪ বছর পর ভারতে আসা নিয়ে মেসি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। একটি সরকারি বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই সফর করতে পারা আমার জন্য খুবই সম্মানের। ভারত খুব স্পেশাল একটি দেশ, এবং ১৪ বছর আগে আমার সেখানে কাটানো মুহূর্তগুলোর খুব ভালো স্মৃতি আছে এখানকার ভক্তরা ছিল অসাধারণ। ভারত ফুটবল প্রেমী দেশ (passionate football nation), এবং আমি ফুটবলের প্রতি আমার ভালোবাসা নতুন প্রজন্মের ভক্তদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছি।২০২৫ এর ডিসেম্বর মাসে ফুটবল কিংবদন্তির আগমন শুধু কলকাতার নয়, গোটা ভারতের ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে এক বিশাল উৎসবের বার্তা নিয়ে আসছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২৫
কলকাতা

মহানগরে 'মহাবৃষ্টি' - টানা বৃষ্টিতে অচল কলকাতা, কোমর সমান জলে বিপর্যস্ত জনজীবন

গতকাল রাত থেকে টানা মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়েছে কলকাতা শহর। রাতের অঝোর বর্ষণ সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় শহরের একাধিক রাস্তায় জল জমে যায়। অফিস যাতায়াতের সময়ে তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়েন সাধারণ মানুষ।সবচেয়ে বেশি জল জমেছে পার্ক সার্কাস, টালিগঞ্জ, কাঁকুড়গাছি, বাদামতলা, রাজাবাজার এবং বেলেঘাটা এলাকায়। উত্তর কলকাতার হাতিবাগান, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া, যাদবপুরেও সকাল থেকে কোমর সমান জলে হাঁটতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।মেট্রো, বাস ও ট্যাক্সি পরিষেবা ভোগান্তির মুখে পড়ে। বহু জায়গায় গাড়ি বিকল হয়ে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে যায়। এসএসকেএম, এনআরএস-সহ বিভিন্ন হাসপাতালের বাইরেও জল জমে রোগী ও চিকিৎসকদের যাতায়াত ব্যাহত হয়।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমি অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের উপর সক্রিয় থাকায় নিম্নচাপের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।কলকাতা পুরসভা জরুরি কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি পাম্পিং স্টেশনের মাধ্যমে দ্রুত জল নামানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে সতর্ক রাখা হয়েছে।বৃষ্টির দাপটে নাজেহাল সাধারণ মানুষ বলছেন, প্রতি বছরই সামান্য বৃষ্টিতেই একই ছবি। নর্দমা ও ড্রেনেজ সংস্কার না হলে পরিস্থিতির বদল হবে না।শহরের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন কলকাতার বৃষ্টি মানেই কি জলযন্ত্রণা?

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫
রাজ্য

রুট বাড়তেই বাড়ছে যাত্রীদের ভিড়, ৮ সেপ্টেম্বর কত যাত্রী চড়েছেন মেট্রোতে?

হাওড়া, শিয়ালদা ও সেক্টর ফাইভ, অন্যদিকে বিমানবন্দরে নোয়াপাড়া মেট্রো চালু হতেই ভিড় বেড়েছে কলকাতা মেট্রোতে। গতকাল অর্থাৎ ৮ সেপ্টেম্বর মেট্রোতে প্রায় ৮ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করেছেন। মেট্রোর ব্লু লাইন ব্যবহার করেছেন প্রায় ৫.৭০ লক্ষ যাত্রী এবং গ্রিন লাইনে যাত্রীর সংখ্যা ছিল ২.০৯ লক্ষ। নিয়মিত পরিষেবা ও যাত্রী-সুবিধার কারণে ক্রমশই বেশি মানুষ মেট্রোকে ভরসা করছেন বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষযদীর্ঘ লাইন এড়াতে যাত্রীদের ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থার ব্যবহার করতে অনুরোধ জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। স্মার্ট কার্ড এবং মোবাইল কিউআর টিকিটের মাধ্যমে যাতায়াত করলে ৫% বোনাস বা ছাড় পাওয়া যাবে, যা অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং অথবা রিচার্জের সময় প্রযোজ্য।গত তিন দিনে বিশেষ প্রচার অভিযানের মাধ্যমে মেট্রো রেলওয়ে এবং ইস্টার্ন রেলওয়ে যৌথভাবে মোট ৭০১৬টি নতুন স্মার্ট কার্ড ইস্যু করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

সাময়িক বিরতি নিয়ে ফের তেড়ে ফুঁড়ে ফিরছে বর্ষা! আজও পুজোর কেনাকাটা ভেস্তে দেবে বৃষ্টি?

সপ্তাহের শুরুতে কিছুটা বিরতি নেবে বর্ষা। রবিবার ও সোমবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাত তুলনামূলকভাবে কম হবে। তবে ছিটেফোঁটা হালকা বৃষ্টি কিছু এলাকায় হতে পারে। এই সময়ে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরমও বাড়তে পারে। কিন্তু সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে আবারও বৃষ্টির মাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে। আজ কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিচ্ছিন্নভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও সর্বত্র বৃষ্টি হবে না। পরিস্থিতি তেমন গুরুতর নয়, তাই সতর্কতা জারির প্রয়োজনও পড়েনি। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে আজ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে হলুদ সতর্কতা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারের কিছু জায়গায় ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিও নেমে আসতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজনীতি

'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' দেখাতে বাম্পার কৌশল বঙ্গ BJP-র! রাজ্যে আরও এক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জর্জরিত বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস। এবার সেই সিনেমাকেই কেন্দ্র করে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে নিজেদের উদ্যোগে আলাদা এক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছে তারা।সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই উৎসবে দেশি-বিদেশি, আঞ্চলিক এবং বাংলা ছবির প্রদর্শনী হবে। এর জন্য শহরের কয়েকটি কেন্দ্রীয় সরকারি অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। উৎসবে থাকবেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা-পরিচালকরা। পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিজেপি নেতা-অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ। সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও।এদিকে, ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশে মুক্তি পেলেও দ্য বেঙ্গল ফাইলস এখনও পর্যন্ত বাংলার প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি। ফলে এই সমান্তরাল উৎসবেই ছবিটি দেখানো হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। রুদ্রনীল ঘোষ অবশ্য জানাচ্ছেন, আমাদের ভুল কিংবা অন্যায় মেনে নেওয়ার জায়গা তৈরি হয় না। অথচ সেই যুক্তিতে অর্ধেক বাংলাবাসীকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই একটা বিকল্প মঞ্চ দরকার। এই উৎসব সেই নিরপেক্ষ জায়গা তৈরির চেষ্টা।রুদ্রনীলের দাবি, উৎসবে এমন সব ছবি দেখানো হবে যেগুলি মানবিকতা আর গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলবে। সেখানেই থাকছে দ্য বেঙ্গল ফাইলস। তাঁর বক্তব্য, দেশজুড়ে ছবি মুক্তি পেলেও বাংলায় ব্যবসায়ীদের নানা চাপের মুখে পিছিয়ে যেতে হয়। হল মালিকরা অশান্তির ভয়ে ঝুঁকি নেন না। সবাই আসলে ২০২৬-এর রাজনৈতিক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই দর্শকদের সামনে সেই জানলা খুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 28
  • 29
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মস্কোয় ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার আটক! জোর করে রুশ সেনায় যোগ দেওয়ানোর অভিযোগ, কাঁদতে কাঁদতে স্ত্রীর আর্জি

মস্কোয় আটক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার চন্দন গুপ্তা। তাঁর স্ত্রী স্নেহা গুপ্তার দাবি, কোনও অপরাধ না করেও তাঁর স্বামীকে আটক করে জেলে রাখা হয়েছে। তাঁকে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্নেহা। তবে ঠিক কী কারণে চন্দনকে আটক করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।জানা গিয়েছে, চন্দন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। স্ত্রী স্নেহা এবং ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই মস্কোয় থাকছিলেন তিনি। রবিবার দুপুরে মস্কো পুলিশ তাঁকে আটক করে বলে পরিবারের দাবি। এর পরেই সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন স্নেহা।সেই ভিডিওতে স্নেহা জানান, চন্দন নয়ডার একটি সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করেন। চাকরির সূত্রেই সংস্থাটি তাঁকে রাশিয়ায় পাঠিয়েছিল। পরে বৈধ কাজের ভিসা নিয়ে স্ত্রী এবং সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে মস্কোয় যান চন্দন। সেখানে থাকার সময়ই তাঁকে পুলিশ আটক করে বলে অভিযোগ।স্নেহার দাবি, তাঁর স্বামী কোনও অন্যায় করেননি। তা সত্ত্বেও তাঁকে আটক করে জেলে রাখা হয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, সেই বিষয়ে পরিবারকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি বলেও দাবি তাঁর।এরই মধ্যে আরও গুরুতর অভিযোগ করেছেন স্নেহা। তাঁর দাবি, চন্দনকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে হেনস্তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।স্বামীকে দেশে ফেরাতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে চন্দনের পরিবার। স্নেহার কথায়, ১০ বছরের সন্তানকে নিয়ে তিনি মস্কোয় কার্যত অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। তিনি রুশ ভাষা বুঝতে পারেন না। ফলে তাঁর স্বামীর সঙ্গে ঠিক কী ঘটছে, কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, তা জানতেও সমস্যায় পড়ছেন।কান্নায় ভেঙে পড়ে স্নেহা আবেদন জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। অন্য দিকে, চন্দনকে ঠিক কোন অভিযোগে আটক করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর স্ত্রীর করা রুশ সেনায় যোগ দেওয়ানোর অভিযোগও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। গোটা বিষয়টি নিয়ে পরিবারের তরফে সরকারের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

শ্রদ্ধা ওয়াকারের ঘটনার স্মৃতি ফেরাল গুয়াহাটি! স্ত্রীকে খুন করে মুণ্ডু ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখল স্বামী

গুয়াহাটিতে এক তরুণীকে খুনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্ত্রীকে খুন করার পর তাঁর মাথা ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনায় সন্দেহের তির তাঁর স্বামী রামানুজন গোস্বামীর দিকে। তবে এখনও তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৫ বছরের রিয়া তালুকদারের সঙ্গে রামানুজনের বিয়ে হয়েছিল। তাঁরা গুয়াহাটির হাতিগাঁও এলাকায় থাকতেন। প্রতিবেশীদের দাবি, সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে সেই বচসা তীব্র আকার নেয়। এরপর রাত আটটা নাগাদ রামানুজন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি।পরের দিন রাতের দিকে ওই বাড়ি থেকে পচা গন্ধ বের হতে শুরু করে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসার পর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। তখন ফ্রিজের ভিতর কালো প্লাস্টিকের ব্যাগে মোড়া অবস্থায় রিয়ার মাথা পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁর হাতের কয়েকটি আঙুলও কাটা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।এই ঘটনার পর থেকেই রামানুজনের দিকে সন্দেহের তির ঘুরেছে। তবে এখনও তাঁকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, রামানুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।জানা গিয়েছে, রিয়া ফ্যান্সি বাজারের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাজারে কাজ করতেন। তাঁর মা-বাবা কেউই জীবিত নেই। পরিবারের বলতে এক ভাই রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।রিয়ার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।এই ঘটনা সামনে আসতেই ২০২২ সালের শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের কথাও মনে পড়ছে। ২০২২ সালের মে মাসে দিল্লির মেহরৌলিতে শ্রদ্ধাকে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর প্রেমিক আফতাবের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ছিল, হত্যার পর শ্রদ্ধার দেহ একাধিক টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল।শ্রদ্ধা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ছেড়ে আফতাবের সঙ্গে দিল্লিতে চলে এসেছিলেন। পরে তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এমনকি এর আগে আফতাবের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছিলেন শ্রদ্ধা বলে জানা যায়।গুয়াহাটির বর্তমান ঘটনার সঙ্গে শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের সরাসরি কোনও যোগ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার ভয়াবহতার কারণে পুরনো সেই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি নতুন করে ফিরে এসেছে। গুয়াহাটির ঘটনায় এখন মূল সন্দেহভাজন রামানুজনের সন্ধানেই জোর দিচ্ছে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার পুরো চিত্র স্পষ্ট হবে না।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

সত্য নিকেতনে ছ’তলা বাড়ি ভেঙে মৃত্যু ৭ জনের! চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই বাড়ির মালিক আটক

দিল্লির সত্য নিকেতনে ছতলা একটি বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনার প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা পর রাজস্থানের বিওয়াড়ি থেকে বাড়ির মালিক হরিরাম গুপ্তকে আটক করেছে পুলিশ।দুর্ঘটনার পর থেকেই বাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেছিল দিল্লি পুলিশ। সোমবার সকালেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়। এর পর বাড়ির মালিকের সম্ভাব্য গোপন আস্তানাগুলিতে তল্লাশি চালাতে একাধিক দল তৈরি করা হয়। তিন-চারটি দল বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালায়। তাঁর মালিকানাধীন একটি হার্ডওয়্যারের দোকানেও পুলিশ যায়। তবে স্থানীয়দের দাবি, গত দুদিন ধরে দোকানটি বন্ধ ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিরাম গুপ্ত এলাকায় হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেক্টর ২৩ এবং পালাম বিহার এলাকায় তাঁর পরিবারের একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছের এই এলাকায় বহু বাড়ি মেস বা পিজি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অধিকাংশ বাড়ির নিচেই রয়েছে বেসমেন্ট। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টির জেরে ভেঙে পড়া বাড়িটির নিচে জল জমেছিল। সেই সময় বেসমেন্টে নির্মাণকাজ চলছিল। এর ফলে বাড়িটির ভিত দুর্বল হয়ে গিয়ে ধস নামতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বাড়িটি নির্মাণের ক্ষেত্রেও নিয়ম মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরসভার দাবি, আবাসিক বাড়ির সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৭ দশমিক ৫ মিটার হতে পারে। কিন্তু ধসে পড়া বাড়িটির উচ্চতা তার চেয়ে বেশি ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নির্মাণের সময় কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ চাণক্যপুরীর কাছে মোতিবাগ এলাকায় ভারী বৃষ্টির মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ছতলা বাড়িটি। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের আটটি ইঞ্জিন। পরে আরও ইঞ্জিন পাঠানো হয়। শুরু হয় উদ্ধারকাজ।স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িতে বহু পড়ুয়া পিজি হিসেবে থাকতেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেই বাড়িতে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাড়িতে অন্তত ৫০ জন পড়ুয়া থাকতে পারেন। পাশের একটি বাড়ির এক পড়ুয়াও জানান, ধসের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি কয়েক জনের আর্তনাদের শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন।এই ভয়াবহ ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে নেমেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও দুর্ঘটনা নিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি পড়ুয়ার জীবন অত্যন্ত মূল্যবান এবং যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে ঘটনাটিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল।সত্য নিকেতনের এই বাড়ি ধসের ঘটনায় এখন একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বেসমেন্টে নির্মাণকাজ, জল জমা, বাড়িটির উচ্চতা এবং নির্মাণের সময় নিয়ম মানা হয়েছিল কি নাসব দিকই তদন্তের আওতায় রয়েছে। এর মধ্যেই বাড়ির মালিককে রাজস্থান থেকে আটক করায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৩ অক্টোবর একই দিনে দুই দেশে ভারতের দুই ম্যাচ! ক্রিকেট ইতিহাসে কি প্রথম বার এমন কাণ্ড?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সামনে ঠাসা সূচি। আর সেই সূচির জেরেই ৩ অক্টোবর তৈরি হতে পারে এক বিরল পরিস্থিতি। একই দিনে দুই আলাদা দেশে ভারতের দুটি ম্যাচ হতে পারে। একটি ওয়ানডে, অন্যটি টি-টোয়েন্টি। দুই ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। কোনওটিতেই দ্বিতীয় সারির দল নামানোর সুযোগ থাকবে না।সূচি অনুযায়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। তার পর ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের বিরুদ্ধে ম্যাচ রয়েছে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত। আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দিক থেকে এই সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ৩০ সেপ্টেম্বর এবং তৃতীয় ম্যাচ ৩ অক্টোবর হওয়ার কথা।অন্য দিকে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানে শুরু হবে এশিয়ান গেমস। ক্রিকেট হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ভারত এই প্রতিযোগিতার গত বারের চ্যাম্পিয়ন। পাশাপাশি অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এশিয়ান গেমস গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারত এই প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী দল নিয়েই নামতে চাইবে।এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনাল হওয়ার কথা ১ অক্টোবর। ফাইনাল ৩ অক্টোবর। ভারত সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। ফলে অন্তত সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। সেমিফাইনালে জিতলে ৩ অক্টোবর ফাইনাল খেলতে হবে ভারতকে। আর সেমিফাইনালে হারলেও একই দিনে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ রয়েছে। অর্থাৎ এশিয়ান গেমসে ভারত সেমিফাইনালে উঠলেই ৩ অক্টোবর আবার মাঠে নামতে হবে।এই জায়গাতেই তৈরি হচ্ছে সমস্যা। কারণ ৩ অক্টোবরই পঞ্জাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় ওয়ানডে হওয়ার কথা। অর্থাৎ একই দিনে ভারতের একটি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে খেলতে পারে, অন্য একটি দল জাপানে এশিয়ান গেমসের ম্যাচ খেলতে পারে।ভারতের এশিয়ান গেমসের দল ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। সেই দলে একাধিক পরিচিত ক্রিকেটার রয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের দল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে একই দিনে দুই দেশে ম্যাচ হলে কোন ক্রিকেটার কোন দলে থাকবেন, তা নিয়েও তৈরি হবে বড় প্রশ্ন।এশিয়ান গেমসের দলে থাকা শ্রেয়স আইয়ার, জশপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা এবং অক্ষর পটেলরা ওয়ানডে দলেরও গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। স্বাভাবিক ভাবেই একই সময়ে দুই দেশে তাঁদের খেলানো সম্ভব নয়। ফলে নির্বাচকদের সামনে দল বাছাই নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ৩ অক্টোবর ভারতীয় ক্রিকেটে অত্যন্ত বিরল একটি দিন হয়ে উঠতে পারে। একই দিনে দুই আলাদা দেশে, দুই আলাদা ফরম্যাটে ভারতের দুই দল মাঠে নামতে পারে। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে ঘটেছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পালাবদলের পর প্রথম পুজোতেই বড় ঘোষণা! ক্লাবগুলিকে কত টাকা অনুদান, হবে কি কার্নিভ্যাল?

পালাবদলের পর বাংলায় এ বার প্রথম দুর্গাপুজো। তাই পুজো কমিটিগুলির অনুদান, পুজোর উদ্বোধন এবং কার্নিভ্যাল হবে কি না, তা নিয়ে আগে থেকেই নানা জল্পনা ছিল। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকের পরেই দুর্গাপুজো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ বার রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। পাশাপাশি পুজোর জন্য বিদ্যুৎ এবং দমকলের কোনও খরচ দিতে হবে না বলেও জানানো হয়েছে। অনুদানের জন্য কী ভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়েও পুজো কমিটিগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলির জন্য আলাদা বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের উদ্দেশে তিনি অনুরোধ করেছেন, আর্থিক ভাবে সক্ষম বড় পুজো কমিটিগুলি যেন সরকারি অনুদান না নেয়। সেই সব কমিটিকে তিনি ধন্যবাদ জানাবেন বলেও জানান।এর আগে তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়া শুরু হয়েছিল। প্রথম দিকে প্রতি ক্লাবকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরবর্তী সময়ে সেই অনুদানের পরিমাণ বেড়েছে। ২০২৫ সালে প্রতিটি পুজো কমিটি ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান পেয়েছিল। পালাবদলের পর এ বার অনুদানের পরিমাণ নিয়ে তাই বিশেষ নজর ছিল পুজো উদ্যোক্তাদের।পুজোর উদ্বোধন নিয়েও এ দিন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েক বছর ধরে মহালয়ার আগেই বিভিন্ন পুজোর উদ্বোধন হতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এ বার মহালয়ার আগে কোনও পুজোর উদ্বোধন হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেনে বড় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।এ বার আর দুর্গাপুজোর কার্নিভ্যালও হবে না। তার বদলে সরকারের তরফে শারদ সম্মানের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে পালাবদলের পর বাংলার প্রথম দুর্গাপুজোয় একাধিক ক্ষেত্রে বদল আসতে চলেছে।বিসর্জন নিয়েও এ দিন নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ২৪ অক্টোবরের মধ্যে বিসর্জনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। বিসর্জনের সময় ক্রেন ব্যবহার করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পুজো কমিটিগুলির অনুদান থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ ও দমকলের খরচ, পুজোর উদ্বোধন, কার্নিভ্যাল এবং বিসর্জনএকাধিক বিষয়ে সোমবারের বৈঠক থেকে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে সরকারি বিজ্ঞাপনে ‘বড় ভুল’! দুর্গার ১১ হাত দেখে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে সরকারি আমন্ত্রণপত্রে দুর্গার ছবি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সরকারি বিজ্ঞাপনে দশভুজার বদলে ১১ হাতের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে সামাজিক মাধ্যম, বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা শুরু হয়।পুজোর প্রস্তুতি নিয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সেই বৈঠকের আগে সরকারি একটি আমন্ত্রণপত্র উদ্যোক্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। সেখানেই দুর্গার ১১ হাতের ছবি দেখা যায় বলে অভিযোগ ওঠে।প্রচলিত ধর্মীয় রীতিতে দেবী দুর্গাকে দশভুজা হিসাবেই দেখা হয়। কিন্তু সরকারি বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত ছবিতে একটি হাত অতিরিক্ত দেখা যাওয়ায় প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি প্রথমে প্রকাশ্যে আনেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ। তিনি এই ছবি নিয়ে কটাক্ষও করেন। তাঁর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা শুরু হয়।এর পরেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই তিনি এই ভুলের জন্য ক্ষমা চান।মুখ্যমন্ত্রী জানান, সকালে একটি ত্রুটিপূর্ণ সরকারি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ভুলের জন্য তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমা চেয়ে নেন। পাশাপাশি বিজ্ঞাপন প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাকে সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে এই ধরনের বিষয়ে সরকার আরও সতর্ক থাকবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।এর আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকেও এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি জানান, তিনি বিজ্ঞাপনটি দেখেননি। তবে তাঁর কথায়, কোনও সংস্থার ছাপার ভুল থেকেই এমনটা হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি সংশোধন করে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে এ দিনের বৈঠকে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে বৈঠকের আগেই সরকারি বিজ্ঞাপনে দুর্গার ১১ হাতের ছবি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কই বিশেষ নজর কেড়ে নেয়। পরে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার পর সেই বিতর্কে আপাতত ইতি পড়ে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে বড় সুখবর! প্যারাটিচার থেকে শিক্ষাবন্ধু, একসঙ্গে বহু কর্মীর বেতন বাড়াল রাজ্য

নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একাধিক স্তরের কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্যারাটিচার, শিক্ষাবন্ধু, বিশেষ শিক্ষাকর্মী, ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকে ও এমএসকে-র সহায়ক কর্মী-সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি বন সহায়ক এবং ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে।প্যারাটিচারদের বেতন প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক, দুই স্তরেই ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এত দিন প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচাররা মাসে ১১ হাজার ৯৪১ টাকা করে বেতন পেতেন। এবার তা বেড়ে হবে ১৬ হাজার ৯৪১ টাকা। উচ্চ প্রাথমিক স্তরের প্যারাটিচারদের বেতন ১৫ হাজার ৫২৩ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২০ হাজার ৫২৩ টাকা। এই বেতন বৃদ্ধি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এই সিদ্ধান্তে প্রাথমিক স্তরের ২০ হাজার ৩৪৩ জন এবং উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ২১ হাজার ৮৪৯ জন প্যারাটিচার উপকৃত হবেন। অর্থাৎ দুই স্তর মিলিয়ে বহু প্যারাটিচারের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।শিক্ষাবন্ধুদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২৮০ জন শিক্ষাবন্ধু উপকৃত হবেন। বিশেষ শিক্ষাকর্মীদেরও ৫ হাজার টাকা করে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁদের ক্ষেত্রেও ১ নভেম্বর থেকে নতুন বেতন কার্যকর হবে।শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রেই নয়, বন দফতরের কর্মীদের জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে পারিশ্রমিক বৃদ্ধির কথা। বন সহায়কদের পারিশ্রমিক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফরেস্ট গার্ডদের পারিশ্রমিকও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ছে। এই বৃদ্ধি ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।এছাড়াও ম্যানেজমেন্ট কর্মী, এসএসকের সহায়ক এবং এমএসকের সহায়ক কর্মীদের বেতনও ৫ হাজার টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্তরে কাজ করা কর্মীদের একাংশের মাসিক আয় বাড়তে চলেছে।প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। এই বর্ধিত ভাতা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের বদলি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে পারস্পরিক বদলির জন্য বিধিবদ্ধ কাঠামো তৈরি করতে নতুন বিল আনা হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বিলটি বিধানসভায় পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।ফলে একদিকে বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের বেতন ও পারিশ্রমিক বৃদ্ধির ঘোষণা, অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের বদলির জন্য নতুন আইনি কাঠামোদুই ক্ষেত্রেই এদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বাল্যবিবাহ করলেই এবার কড়া শাস্তি! বাড়ি বাড়ি অভিযান, পুরোহিত-কাজিদের নিয়েও বড় বার্তা

পশ্চিমবঙ্গে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। বাল্যবিবাহের ঘটনা ঠেকাতে বাড়ি বাড়ি নজরদারি এবং অভিযান চালানোর কথা জানানো হয়েছে। নাবালিকার বিয়ে দেওয়া, বিয়েতে সাহায্য করা বা বিয়ে সম্পন্ন করার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে বাল্যবিবাহ নিয়ে কড়া অবস্থানের কথা জানান। তাঁর বক্তব্য, বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। যে পরিবার নাবালিকার বিয়ে দেবে, সেই বিয়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও প্রশাসনের নজরের বাইরে থাকবেন না।রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যেসব ক্ষেত্রে নাবালিকা বধূর সন্ধান মিলেছে, সেই পরিবারের পাশাপাশি তাঁদের স্বামীদের কাছেও শোকজ নোটিস পাঠানো হতে পারে। স্ত্রী বিয়ের সময় ১৮ বছর বয়স পার করেছিলেন কি না, তা প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে হবে।বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে স্কুলের শংসাপত্র, আধার কার্ড, জন্মের শংসাপত্র-সহ সরকারি নথি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। বয়স সংক্রান্ত যথাযথ প্রমাণ দিতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।শুধু বিয়ে দেওয়া পরিবার বা স্বামীর বিরুদ্ধেই নয়, বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করার সঙ্গে যুক্ত পুরোহিত এবং কাজিদের নিয়েও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, নাবালিকার বিয়েতে কেউ সাহায্য করলে তাঁর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে আইন দেশে বহু বছর ধরেই রয়েছে। মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছরের আগে বিয়ে আইনত নিষিদ্ধ। বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।বাংলায় বাল্যবিবাহ রুখতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সময় থেকেই সামাজিক আন্দোলন হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দেশে একাধিক আইন করে এই প্রথা বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এখনও রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বাল্যবিবাহের অভিযোগ সামনে আসে। বিশেষ করে কিছু সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকায় এই সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ রয়েছে।এবার সেই কারণেই বাড়ি বাড়ি নজরদারির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। কোনও পরিবারে নাবালিকার বিয়ে হয়েছে কি না, বিয়ের সময় তাঁর বয়স কত ছিল এবং বিয়ের সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন, সেই সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে।নাবালিকা বধূর সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের নজর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। হাসপাতালেও বয়স সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হতে পারে। নাবালিকার ক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বা শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠলে শিশুদের সুরক্ষা সংক্রান্ত কঠোর আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।প্রশাসনের বার্তা, নাবালিকার বয়স ১৮ বছরের কম হলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। বাল্যবিবাহের পাশাপাশি নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ থাকলে পৃথক ভাবেও আইনি পদক্ষেপ হতে পারে।ফলে রাজ্যে বাল্যবিবাহ রুখতে এবার নজরদারি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি অভিযান, বয়সের নথি যাচাই এবং বাল্যবিবাহের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাএই তিন দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারের এই পদক্ষেপে রাজ্যে বাল্যবিবাহের প্রবণতা কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal