• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolka

রাজ্য

শীত কি তবে বিদায় নিল? সপ্তাহান্তেই ৩ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা, ইঙ্গিত আলিপুরের

মাঝে কয়েক দিন ঠান্ডা পড়েছিল ঠিকই, তবে সেই শীতের তেজ এখন অনেকটাই কমে এসেছে। রাতের দিকে হালকা শীতের অনুভূতি থাকলেও সকালে আর তেমন ঠান্ডা নেই। ধীরে ধীরে বাড়ছে তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। রবিবারের মধ্যে দিনের বেলায় শীত কার্যত উধাও হয়ে যাবে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিমের পার্বত্য এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ছিল, যা সরে যাচ্ছে। তবে শুক্রবার ও সোমবার আবার নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই। তবে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই সকালবেলায় কিছুক্ষণ হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় কুয়াশার প্রভাব তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে আগামী কয়েক দিন।এতদিন রাতের তাপমাত্রা কম থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে বাড়ছে। শীতের আমেজ ক্রমশ কমে আসছে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় স্বাভাবিকের কাছাকাছি রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনও স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দুডিগ্রি কম। তবে আগামী তিন দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও দুডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আবহাওয়াবিদদের অনুমান।উত্তরবঙ্গেও আপাতত ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কবার্তা নেই। সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে আগামী তিন থেকে চার দিন। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলায় কুয়াশা একটু বেশি থাকতে পারে।দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পংয়ে তাপমাত্রা থাকবে ১১ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে। মালদহেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে।কলকাতায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই বেড়েছে। রাতের তাপমাত্রা এখনও স্বাভাবিকের নিচে থাকলেও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের সামান্য উপরে। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৬ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।সব মিলিয়ে শীতের দাপট আর বেশি দিন নয়। ধীরে ধীরে গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে রাজ্যের আবহাওয়ায়।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

বিদায় নিতে নারাজ শীত! আরও চার দিন ঠান্ডার সতর্কতা

কলকাতায় টানা দুদিন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরে নেমে এসেছে। দিনের ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আরও প্রায় চার দিন শীতের আমেজ বজায় থাকবে।এর আগে শেষবার ২০২৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ১৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তার পর আবার এই মরশুমের ফেব্রুয়ারিতে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরে নামল। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রার খুব বেশি পরিবর্তন হবে না।উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ বেড়েছে। ঠান্ডা হাওয়ার কারণে শহরের দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রিরও বেশি কম। রবিবার শহরের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৪ ডিগ্রি। আকাশ পরিষ্কার রয়েছে। উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস।সোমবার থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। তবে সেই বৃদ্ধি দুই থেকে তিন ডিগ্রির বেশি হবে না।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী তিন থেকে চার দিন কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। মালদহ-সহ নিচের দিকের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

শনিবারেই কামব্যাক! কলকাতায় ফের ১৪ ডিগ্রির ঘরে নামল পারদ

মাঘ মাস পড়তেই অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন শীত বুঝি বিদায় নিয়েছে। গত কয়েকদিনে উষ্ণ আবহাওয়া সেই ধারণাকেই জোরালো করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফের ফিরল শীত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কাটতেই আবার জমিয়ে ঠান্ডা হাওয়া বইতে শুরু করেছে। তার জেরেই ফের নেমে গেল তাপমাত্রা।শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। প্রায় ১৩ দিন পর আবার ১৪ ডিগ্রির ঘরে ঢুকল শহরের পারদ। এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই দিনটিও ছিল শনিবার। আশ্চর্যের বিষয়, আবার শনিবারেই ফের তাপমাত্রা নামল।গত কয়েকদিন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে শীত অনেকটাই চাপা পড়ে ছিল। ফলে ঠান্ডার আমেজ প্রায় উধাও হয়ে গিয়েছিল। এখন সেই প্রভাব কাটতেই শেষবেলায় উত্তুরে হাওয়ার দাপট টের পাওয়া যাচ্ছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই নিচে নেমেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রার বিশেষ পরিবর্তন হবে না।তবে এই ঠান্ডা দীর্ঘস্থায়ী নয়। সোমবার ও মঙ্গলবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আবার ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। সেই সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রাও বাড়বে।এই মুহূর্তে উত্তর আফগানিস্তান এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। সেটি জম্মু-কাশ্মীর হয়ে রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলার আবহাওয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। শীত শেষ হওয়ার আগে তাই আরও এক দফা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।রাজ্যের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ১০ থেকে ১১ ডিগ্রির ঘরে। কল্যাণীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিউড়িতে তাপমাত্রা নেমেছে ১০.২ ডিগ্রিতে। বাঁকুড়া ও শ্রীনিকেতনে পারদ ১১ ডিগ্রির কাছাকাছি। জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে।আগামী সাত দিনে রাজ্যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। শনিবার পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার কিছু অংশে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। কলকাতা সহ অন্যান্য জেলাতেও সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে।উত্তরবঙ্গে আগামী চার থেকে পাঁচ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তেমন পরিবর্তন হবে না। একই রকম আবহাওয়া থাকবে। রবিবার পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। কালিম্পং সহ উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে। মালদহ ও দক্ষিণের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

ঢাকুরিয়ায় গুলি-বোমার নেপথ্যে কে এই সোনা পাপ্পু? শাসক-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে তোলপাড়

রবিবার রাতে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকা দখলকে কেন্দ্র করেই এই হামলা। এই ঘটনার নেপথ্যে সোনা পাপ্পু এবং তাঁর দলবলের নাম উঠে এসেছে। কে এই সোনা পাপ্পু, আর কার মদতে তিনি এতটা প্রভাবশালী, তা নিয়েই এখন এলাকায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে।কসবা, ঢাকুরিয়া এবং রামলাল বাজার এলাকায় সোনা পাপ্পু এখন আতঙ্কের নাম বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে এলাকায় নিয়ন্ত্রণের কাজ করেন তিনি। রবিবার রাতে ঘটনার পর ৯১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে কাঁকুলিয়া রোডে দেখা যায়। যদিও ওই এলাকা ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে, যার কাউন্সিলর তাঁর স্ত্রী চৈতালি চট্টোপাধ্যায়।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরভোট বা অন্য কোনও নির্বাচনের সময় বিরোধীদের ঘরবন্দি করে রাখার কাজেও সোনা পাপ্পুকে ব্যবহার করা হয়। মাসখানেক আগে কলকাতা পুরনিগমে ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, এই সমস্ত বেআইনি নির্মাণের পিছনেও সোনা পাপ্পুর হাত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পুরনিগমের আধিকারিকরাও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পান না। শাসক দলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতাই এর কারণ বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।কসবা বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আগেও বহুবার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই নির্মাণকে ঘিরে শাসকদলের মধ্যেই দুই থেকে তিনটি গোষ্ঠী এলাকা দখলের লড়াইয়ে নেমেছে। সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই গোটা এলাকা দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে, বিশেষ করে ৬৭ ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ড। রবিবার রাতের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি স্থানীয়দের।এলাকাবাসীদের দাবি, ঢাকুরিয়ার পঞ্চাননতলা বস্তি দীর্ঘদিন ধরেই সোনা পাপ্পুর নজরে ছিল। অভিযোগ, বস্তির বাসিন্দাদের ভয় দেখিয়ে উচ্ছেদ করে সেখানে নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু বর্তমানে ওই বস্তি নিয়ন্ত্রণ করেন বাপি নামে স্থানীয় এক যুবক। এলাকার বেশিরভাগ মানুষ এখন বাপির কথাতেই চলাফেরা করেন। স্থানীয় সূত্রে দাবি, বস্তির কয়েকজন মাতব্বর, যাঁরা শাসক দলেরই এক গোষ্ঠীর আশ্রয়ে রয়েছেন, সোনা পাপ্পুর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সেই কারণেই বস্তির দখল নিতে না পেরে সংঘর্ষের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শাসকদলের একাধিক নেতার ছবি সামনে এসেছে। কখনও তাঁকে কসবার বিধায়ক জাভেদ খানের পাশে দেখা গিয়েছে, আবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল জেলা সভাপতি দেবাশিস কুমারের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকি বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রীকেও সোনা পাপ্পুর মেয়ের অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে বলে দাবি।তবে এই ঘটনার পর দেবাশিস কুমার বলেন, যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের গ্রেফতার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, কারও সঙ্গে ছবি থাকলেই সে অপরাধী শাস্তি পাবে না, এমনটা নয়। যে অন্যায় করবে, সে যে মঞ্চেই থাকুক, তার শাস্তি হওয়া উচিত।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বুদ্ধবাবুর কোলে ছিলেন, এখন মমতার’, নতুন সিপিকে কটাক্ষ বিজেপির

ভোটের মুখে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। কলকাতা পুলিশ কমিশনার পদে আইপিএস সুপ্রতিম সরকারের নিয়োগকে ঘিরে শাসক ও বিরোধীর মধ্যে দড়ি টানাটানি আরও বেড়েছে। বিজেপির দাবি, সন্দেশখালি কাণ্ড সামলানোর পুরস্কার হিসেবেই তাঁকে নগরপালের চেয়ারে বসানো হয়েছে। এই ভাষাতেই নতুন কমিশনারকে কটাক্ষ করেছে বিরোধী দল।বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, সিঙ্গুরে কৃষক আন্দোলনের সময় সুপ্রতিম সরকার বামফ্রন্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ অফিসার হিসেবে কৃষকদের উপর লাঠিচার্জ করেছিলেন। তাঁর কথায়, আগে তিনি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ ছিলেন, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে নিজের ঘনিষ্ঠ করে নিয়েছেন। সিঙ্গুরকে মই হিসেবে ব্যবহার করে আজ তিনি তৃণমূলের কাছের লোক হয়ে উঠেছেন বলে কটাক্ষ করেন সুকান্ত।এদিকে নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই নিয়োগ নিয়ে মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, এটি শুধু সন্দেশখালির পুরস্কার নয়। সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমের চাপে আটকে পড়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। সুপ্রতিম সরকারের অতীত সম্পর্কে প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার সোনালি গুহ আরও ভাল জানেন বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু।তবে রাজ্য সরকার এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট করে বলেন, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক বদলি। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বিজেপিকে পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, এ ধরনের কথা বলাই বিজেপির সংস্কৃতি। উন্নাওয়ের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা ধর্ষণে অভিযুক্তদের মালা দিয়ে বরণ করে, তাদের কাছ থেকে এমন বিকৃত মন্তব্যই স্বাভাবিক।উল্লেখ্য, এতদিন কলকাতা পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ বর্মা। তাঁকে সরিয়ে এবার রাজ্যের ডিরেক্টর অব সিকিউরিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন নগরপাল হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইপিএস সুপ্রতিম সরকার, যিনি এতদিন রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) পদে কর্মরত ছিলেন। এবার শহরের আইনশৃঙ্খলার ভার তাঁর কাঁধে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজনীতি

নির্বাচনী প্রস্তুতির বার্তা নিয়ে কলকাতায় অমিত শাহ, হোটেল বৈঠক থেকে কর্মী সম্মেলনের ব্যস্ত সফর

শুক্রবার রাতে কলকাতায় এসে পৌঁছোলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অমিত শাহ। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি নিউ টাউনের একটি হোটেলে যান। প্রকাশ্যে কোনও কর্মসূচি না থাকলেও, রাতেই দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন তিনি। বিজেপি সূত্রে খবর, এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনের প্রস্তুতি ও কৌশল নির্ধারণ।হোটেলেই অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির একাধিক প্রথম সারির রাজ্য নেতা এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। যদিও বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ মন্তব্য করেননি, দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, কর্মীসংগঠন এবং নির্বাচনী রণকৌশল নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। পরে আরও কয়েক জন শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনাও ছিল বলে খবর।শনিবার তাঁর কর্মসূচি পুরোপুরি কর্মী সম্মেলন ঘিরে। সকাল ১১টা ১০ নাগাদ তিনি যাবেন উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে। আনন্দপুরী মাঠে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বনগাঁ, বসিরহাট, বারাসত ও ব্যারাকপুর এই চারটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মীরা। এরপর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে তিনি রওনা দেবেন বাগডোগরার উদ্দেশে।বিকেলে শিলিগুড়ির এয়ারফোর্স ময়দানে দ্বিতীয় কর্মী সম্মেলনে যোগ দেবেন অমিত শাহ। সেখানে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। কর্মী সম্মেলন শেষে বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ বাগডোগরা থেকেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সফর স্পষ্টভাবেই রাজ্যে বিজেপির নির্বাচনী প্রস্তুতির গতি বাড়ানোর বার্তা বহন করছে, যেখানে সংগঠন মজবুত করা ও কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করাই মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
রাজ্য

জানুয়ারিতেই শেষ শীত? বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদল, সতর্কতা জারি উত্তরে

জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকেই ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীত। দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ এখন অনেকটাই ফিকে। সকাল আর রাতে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় ঠান্ডা প্রায় নেই বললেই চলে। রোদ উঠলেই উধাও হচ্ছে শীতের দাপট। তবে দক্ষিণবঙ্গে যখন এমন আবহাওয়া, ঠিক সেই সময় উত্তরবঙ্গে একেবারে উল্টো ছবি।উত্তর-পশ্চিম ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তর কর্ণাটক পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি সক্রিয় অক্ষরেখা। উত্তর-পূর্ব বিহারের উপর অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই সমস্ত আবহাওয়াগত পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাংলায়।দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। আজ কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। উপকূলবর্তী জেলা ও উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন এলাকাগুলিতে আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নামতে পারে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। দিনের বেলায় শীতের প্রভাব কম থাকলেও সকাল ও সন্ধ্যায় ঠান্ডার অনুভূতি বজায় থাকবে।উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট তুলনামূলকভাবে বেশি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় আজ ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামীকালও দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলা এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। তবে দিনের দিকে আকাশ থাকবে মূলত পরিষ্কার। রোদ উঠতেই ধীরে ধীরে কমবে শীতের আমেজ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

দার্জিলিংয়ে বরফ-বৃষ্টি, কলকাতায় রোদ—দু’মুখো আবহাওয়ায় বাংলা

মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে রাজ্যের দুই প্রান্তে যেন দুই রকম আবহাওয়ার ছবি। এক দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত ও বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যাচ্ছে শীতের আমেজ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে উত্তরের জেলাগুলিতে বড়সড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।সিকিমে প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টির জেরে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে দার্জিলিং ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায়। দার্জিলিংয়ের পাশাপাশি কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় এক বা দুই পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে এই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত উত্তরবঙ্গের কোথাও ঘন কুয়াশার সতর্কতা নেই। শনিবার সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে।আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার তেমন বড় পরিবর্তন হবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় রাতের তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। তবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারের মতো নিচের দিকের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা তুলনামূলক ভাবে বেশি থাকবে।অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে শীতের দাপট অনেকটাই কমে এসেছে। সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা ঠান্ডা থাকলেও, রোদ উঠলেই শীতের আমেজ উধাও হয়ে যাচ্ছে। কলকাতায় এ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকলেও, পশ্চিমের জেলা যেমন পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় তা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে।এক দিন আগে কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৪৭ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে, তবে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা নেই।হাওয়া অফিসের মতে, উত্তরে শীতের গতি কমে যাওয়ার পিছনে বড় কারণ পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এই মুহূর্তে জম্মু ও কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা আছে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থানের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যার প্রভাবেও রাজ্যের আবহাওয়ায় এই বদল দেখা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ঢুকেই বিপাকে নির্মল মাজি, ‘গো ব্যাক’ স্লোগানে তাড়ানো হল বিধায়ককে

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে বুধবার তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজি। অনুষ্ঠানের মঞ্চে ওঠার পরই একাংশ পড়ুয়ারা তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন। চোর, গো ব্যাকএই ধরনের স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে বক্তব্য শেষ না করেই অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।একসময় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ছিলেন নির্মল মাজি। সেই সময়েও একাধিকবার ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তিনি। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ, চেয়ারম্যান থাকাকালীন তিনি পরীক্ষার নম্বর কেটে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন এবং ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। সেই অভিযোগ ঘিরেই তখনও প্রবল অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এমনকী, কলেজের হস্টেলেও ঢুকতে পারেননি তিনি। ফলে এ দিনের বিক্ষোভ নতুন কিছু নয় বলেই মনে করছেন অনেকেই।জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল দশটার কিছু পরে নির্মল মাজি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন। কলেজের গেটে পা দিতেই শুরু হয় স্লোগান। পরে তিনি অডিটোরিয়ামের মঞ্চে উঠলে ফের বিক্ষোভ জোরালো হয়। বিক্ষোভ দেখাতে দেখাতে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে কলেজ গেটের বাইরে বের করে দেওয়া হয়।বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের বলতে শোনা যায়, নির্মল মাজিকে স্বাগত জানাতে পারছি না। গো ব্যাক, গো ব্যাক। নির্মল মাজি হায় হায়, নির্মল মাজি ধিক্কার। প্রতিষ্ঠা দিবসের মতো অনুষ্ঠানে এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

চামড়া পোড়া গন্ধে ঢেকে আনন্দপুর! উদ্ধার ৩ কঙ্কাল-সহ ৮ দগ্ধ দেহাংশ

আনন্দপুরের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরে গোটা এলাকা জুড়ে এখন শুধু পোড়া চামড়ার গন্ধ। পুড়ে যাওয়া গোডাউনের ভিতর থেকে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে তিনটি পোড়া কঙ্কাল-সহ মোট আটটি ঝলসে যাওয়া দেহাংশ। ঘটনাস্থলের ভয়াবহ ছবি কার্যত কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা শহরকে। তদন্তে নেমেছে ফরেনসিক দল। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এবং দমকলের ডিজি।প্রাথমিক তদন্তে দমকল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওই গোডাউনে কোনও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। সেই কারণেই আগুন লাগার পর প্রথম পর্যায়ে কর্মীরা আগুন নেভানোর কোনও চেষ্টাই করতে পারেননি। সোমবার থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, এত বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়, যেখানে একের পর এক কর্মীর ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হচ্ছে, সেই গোডাউনের মালিক কোথায়?স্থানীয় এক যুবক কথা বলতে গিয়ে জানান, বহু বছর আগে এলাকারই এক প্রবীণ ব্যক্তি গঙ্গাধর দাস এই গোডাউনটি তৈরি করেছিলেন। তবে নিয়মকানুন মানা হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর এড়িয়ে যান। দমকল আধিকারিকরা সোমবারই স্পষ্ট করে জানান, গোডাউনে আগুন নেভানোর মতো কোনও ব্যবস্থা ছিল না। মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দমকলমন্ত্রীও সেই কথাই স্বীকার করেন। তবে তখনও গোডাউনের মালিকের দেখা মেলেনি।পরে জানা যায়, আনন্দপুরের ওই গোডাউনটি একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার। গোডাউনটি ভর্তি ছিল নরম পানীয় এবং শুকনো খাবারের প্যাকেটে। তবে গোডাউনের মালিকের দাবি, সেখানে অগ্নি নির্বাপণের সমস্ত ব্যবস্থা ছিল। তাঁর বক্তব্য, চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, ফায়ার এক্সটিংগুইশার ছিল, এখনও সেগুলি সেখানে পড়ে রয়েছে। কিন্তু রাত দুটোর সময় আগুন লাগায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। তাই কেউ ব্যবহার করার সুযোগ পাননি।যদিও দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এ বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দমকলের ডিজির সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছেন যে ওই গোডাউনে অগ্নি নির্বাপণের মতো কোনও ব্যবস্থা ছিল না। ফরেনসিক তদন্ত হবে, এফআইআর দায়ের করা হবে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত চলবে বলেও জানান তিনি।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আর কি শীত পড়বে না বাংলায়? বড় ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর

সরস্বতী পুজোর সময় সামান্য পারদ নামলেও, তার পর থেকেই ফের চড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। আপাতত আর নতুন করে ঠান্ডা পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শীতের আমেজ আরও ফিকে হচ্ছে। সকালে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও, বেলা বাড়তেই তা মিলিয়ে যাচ্ছে।ফেব্রুয়ারির আগেই কি তবে বিদায় নিচ্ছে শীত? আবহাওয়াবিদদের মতে, এর পিছনে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে জম্মু-কাশ্মীর এবং সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে। পাশাপাশি, আগামী ৩০ জানুয়ারি আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ পঞ্জাবের উপর একটি সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যার প্রভাব বিস্তৃত রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থান পর্যন্ত।এদিকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। যদিও ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় কুয়াশার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। কলকাতা এবং আশপাশের জেলাগুলিতেও সকালবেলায় হালকা কুয়াশা থাকতে পারে।আজ কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী সোমবার পর্যন্ত কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা রয়েছে ৩৯ থেকে ৯৩ শতাংশের মধ্যে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

খোলা লিফটের গর্তে পড়ে মৃত্যু! তিন বছরের শিশুর মর্মান্তিক পরিণতি কলকাতায়

নির্মীয়মান বহুতলের একটি খোলা লিফটের গর্ত থেকে উদ্ধার হল তিন বছরের শিশুর নিথর দেহ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে এন্টালি থানার অন্তর্গত ৪/৫১ কনভেন্ট লেন এলাকায়। বুধবার রাতে ওই এলাকার একটি নির্মীয়মান বহুতলের লিফটের গর্ত থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাকে ঘিরে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভ।পরিবারের অভিযোগ, নির্মাণস্থলে কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। লিফটের গর্ত সম্পূর্ণ খোলা অবস্থায় পড়ে ছিল, তার চারপাশে কোনও ঘেরাটোপ বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এমন একটি বিপজ্জনক জায়গা অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছিল।সন্তানকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁরা এই মৃত্যুর বিচার চাইছেন। পরিবারের আরও অভিযোগ, ঘটনার পর প্রোমোটারের কাছে বিচার চাইতে গেলে উল্টে শিশুটির বাবাকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, থানায় বেশি কিছু বললে বিপদ হতে পারে। এমনকী শিশুর মাকেই দোষারোপ করা হয় বলে অভিযোগ।এলাকাবাসীদের বক্তব্য, লিফটের গর্ত ঘিরে রাখা থাকলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটত না। তাঁদের অভিযোগ, অধিক মুনাফার আশায় নির্মীয়মান বহুতলে কোনও নিরাপত্তারক্ষী রাখা হয়নি। নিয়ম মানা হয়নি নির্মাণের ক্ষেত্রেও। তিন বছরের শিশুর মৃত্যুর পর বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে শহরের প্রোমোটার রাজ।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও লিখিত অভিযোগ নেয়নি পুলিশ বলে জানা গিয়েছে। যদিও এলাকার মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। শিশুর মৃত্যুর দায় কার, তা নিয়ে জোরদার তদন্তের দাবি উঠেছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

স্কুলের মধ্যেই ভয়ংকর অভিযোগ! চার বছরের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, গ্রেফতার শিক্ষক

স্কুলের মধ্যেই শিশুকন্যাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মহেশতলায়। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ পক্সো আইনে মামলা রুজু করে দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।স্কুল ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার অন্যান্য দিনের মতোই স্কুলে গিয়েছিল ওই চার বছরের শিশু। অভিযোগ, স্কুলের মধ্যেই বাংলার শিক্ষক চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে গল্পের বই দেওয়ার নাম করে ক্লাসরুমের বাইরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তাঁকে স্কুলের দোতলায় নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনার পর শিশুটি বাড়ি ফিরে মাকে সব কথা জানায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা স্কুলে ছুটে যান। স্কুলের গেটের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার দাবি ওঠে। এর মধ্যেই শিশুকন্যার পরিবারের তরফ থেকে মহেশতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পক্সো ধারায় মামলা রুজু করে। তৎপরতার সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে। সেই মামলা এখনও আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন এতদিন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।এই ঘটনার পর অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলতে চান। পুরো ঘটনার জেরে স্কুলে পঠনপাঠন ব্যাহত হয়েছে। আতঙ্ক ও ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে স্কুল চত্বরে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

অফিস টাইমে বড় বিপত্তি! রবীন্দ্র সদন-নেতাজি ভবনের মাঝে থমকে গেল মেট্রো

সাতসকালে মেট্রো বিভ্রাটে চরম ভোগান্তিতে পড়লেন যাত্রীরা। ব্যস্ত কর্মদিবসের সকালে হঠাৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েন অফিসযাত্রী ও পড়ুয়ারা। কিছু অংশে সাময়িকভাবে মেট্রো চলাচল বন্ধ ছিল। তবে মেট্রো রেলের ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতির কাজ শুরু করেন। প্রায় ৪২ মিনিট পর মেট্রো পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়।মেট্রো রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সদন এবং নেতাজি ভবন স্টেশনের মাঝেই আচমকা যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। সেই কারণেই মেট্রো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যার কথা জানা মাত্রই রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করা হয়। প্রথম দিকে শুধুমাত্র ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং মহানগর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মেট্রো চলছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রায় ৪২ মিনিট পরে গোটা রুটেই পরিষেবা স্বাভাবিক হয়।উল্লেখযোগ্যভাবে, ব্লু লাইনে মেট্রো বিভ্রাট নতুন ঘটনা নয়। এর আগেও একাধিকবার যান্ত্রিক সমস্যার কারণে পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। গত মঙ্গলবারই ব্লু লাইনে মেট্রোর সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। সেই ঘটনার জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে টালিগঞ্জের মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশন থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে অফিসফেরত যাত্রী এবং কলেজ পড়ুয়াদের বড় সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক যাত্রীকে টালিগঞ্জে নেমে অন্য উপায়ে বাড়ি ফিরতে হয়। সন্ধ্যা ৭টা ৯ মিনিট নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।বারবার এই ধরনের বিভ্রাটে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। বিশেষ করে অফিস টাইমে মেট্রো বন্ধ হয়ে গেলে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন নিত্যযাত্রীরা।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভিতর থেকে বন্ধ দরজা, ফোন ধরেননি দু’জনেই! মহেশতলায় রহস্যমৃত্যু

রবিবার সকালে মহেশতলায় একটি ফ্ল্যাট থেকে স্বামী-স্ত্রীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলা পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ি ফুট এলাকায়। মৃতদের নাম তন্ময় দে (৫২) এবং তাঁর স্ত্রী রুমা রক্ষিত (৪৭)। পুলিশ দরজা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুড়ি ফুট এলাকার একটি আবাসনের তিনতলায় ভাড়া থাকতেন ওই দম্পতি। রবিবার সকালে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। দীর্ঘক্ষণ ফোন না ধরায় সন্দেহ হয়। এরপর পরিবারের লোকজন ফ্ল্যাটে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও ভিতর থেকে কোনও সাড়া মেলেনি। দরজায় ধাক্কা দিয়েও কোনও শব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। শোওয়ার ঘরে খাটের উপর অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় স্বামী-স্ত্রীকে। তাঁদের পাশেই একাধিক ঘুমের ওষুধের খালি বাক্স পড়ে ছিল। দ্রুত দুজনকে উদ্ধার করে বেহালা বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুজনেই আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে কী কারণে এই চরম সিদ্ধান্ত, তা জানার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন ওই দম্পতি। ঋণের চাপ বা অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।দুটি দেহই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও সময় জানা যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা-নিউটাউন জুড়ে তল্লাশি, ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় সক্রিয় সিবিআই

বাংলায় আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির অভিযানের এক সপ্তাহের মধ্যেই এবার কলকাতায় তল্লাশিতে নামল সিবিআই। ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলায় শহরের একাধিক জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতা ও নিউটাউন মিলিয়ে মোট পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি শুরু করে সিবিআই। আলিপুর নিউ রোডে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই বাড়িটি নিশা কেজরিওয়ালের। তিনি মূলত আলিপুর নিউ রোডের ২৮ নম্বর প্লটে একটি বহুতল বিলাসবহুল আবাসনে থাকেন।তল্লাশি চলাকালীন বাড়ির বাইরে ছয় জন আধা-সেনা জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। ভিতরেও রয়েছেন আরও দুই জন। সূত্রের খবর, ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কোথায় কোথায় টাকা গিয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত, সেই সব তথ্য খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই সময় প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে একটি সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।ইডির অভিযোগ ছিল, মুখ্যমন্ত্রী সেই সময় তদন্তে বাধা দিয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, কেন্দ্রীয় এজেন্সি ভোটের কৌশল সংক্রান্ত নথি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শহরে সিবিআইয়ের তল্লাশি শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা নিয়ে নতুন মোড়! এবার আবাসনের বাসিন্দাদের তলব পুলিশের

আই-প্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। একদিকে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইডি মামলা দায়ের করেছে এবং সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্য সরকারও আগাম সতর্কতা হিসেবে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশির ঘটনা খতিয়ে দেখতে আবাসনের বাসিন্দা ও প্রতিবেশীদের তলব করল পুলিশ।গত বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ভোর ছটা নাগাদ লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছয় ইডি। শুরু হয় দীর্ঘ তল্লাশি। সেই খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছু সময় পর তাঁকে একটি সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরোতে দেখা যায়। সেই ফাইলে কী ছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।এই ঘটনার তদন্তে নামিয়ে লাউডন স্ট্রিটের ওই আবাসনের একাধিক বাসিন্দা এবং আশপাশের প্রতিবেশীদের নোটিস পাঠিয়েছে পুলিশ। ইডি তল্লাশির সময় তাঁরা কী শুনেছিলেন, অফিসাররা বাড়িতে ঢোকার পর কীভাবে চলাফেরা করছিলেন, তল্লাশির সময় কোনও অশান্তি হয়েছিল কি নাএই সব বিষয়েই তাঁদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও ঘটনার প্রত্যক্ষ বিবরণ সংগ্রহ করতে চাইছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মামলা দায়ের করেছিলেন এবং পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে যে মামলা রুজু করা হয়েছে, এই দুই মামলার ক্ষেত্রেই প্রতীক জৈনের আবাসনের বাসিন্দা ও প্রতিবেশীদের তলব করা হয়েছে।ইডি সূত্রে খবর, তল্লাশির সময় প্রতীক জৈনের বাড়ি বা অফিস থেকে উল্লেখযোগ্য কোনও নথি বা প্রমাণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্তে বাধা দেওয়ার বিষয়ে তাদের হাতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ এসেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। ইডির হাতে থাকা দুটি সিসিটিভি ফুটেজে একটিতে দেখা যাচ্ছে, এক পুলিশ অফিসার সিআরপিএফ জওয়ানকে ধাক্কা দিচ্ছেন। অন্য ফুটেজে প্রতীক জৈনের বাড়ির সামনে বচসার দৃশ্য ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র আকার নিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

রবিবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ ঘটনা, নেতাজি ভবনে লাইনে ঝাঁপ! থমকে গেল কলকাতা মেট্রো

রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনে চরম বিভ্রাট দেখা দেয়। নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঘটনার জেরে আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় মেট্রো পরিষেবা। ভর সন্ধ্যায় এই ঘটনায় দুর্ভোগে পড়েন অসংখ্য যাত্রী।মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার শীতের দিনে যাত্রীদের ভিড় ছিল যথেষ্ট বেশি। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ একটি মেট্রো ট্রেন নেতাজি ভবন স্টেশনে ঢোকার সময় হঠাৎ ওই ব্যক্তি লাইনে ঝাঁপ দেন। চালক দ্রুত ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন। তবুও ওই ব্যক্তি গুরুতর জখম হন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।এই ঘটনার পরেই ব্লু লাইনে মেট্রো চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক মেট্রো রেক দাঁড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পরে পরিষেবা আংশিকভাবে শুরু হলেও দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার, অর্থাৎ টালিগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মেট্রো চালানো হয়।কলকাতা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা হল ব্লু লাইন মেট্রো। রবিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ এই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু যাত্রী সমস্যায় পড়েন। অনেক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা যায় যাত্রীদের। পরিষেবা স্বাভাবিক হবে কি না, সেই অনিশ্চয়তায় বহু মানুষ শেষ পর্যন্ত অন্য যানবাহনের সাহায্যে গন্তব্যে রওনা দেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 27
  • 28
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে অরূপের রক্ষাকবচ বাড়ল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বড় পদক্ষেপে নিষেধ! আদালতে কী হল?

মেসি-কাণ্ডে আপাতত স্বস্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।অরূপ বিশ্বাসকে আগেই রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাই কোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশই আপাতত বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। অরূপের রক্ষাকবচ বাতিলের দাবিতে শতদ্রু দত্ত যে মামলা করেছিলেন, তাতেও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।মঙ্গলবার শুনানিতে মেসি-কাণ্ডের তদন্ত সংক্রান্ত দুটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তিনি জানান, তদন্তে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সবরকম সহযোগিতা করছেন। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, পুলিশ অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তদন্ত শেষ হলে চার্জশিটও জমা দেওয়া যাবে। তবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা যাবে না।গত ডিসেম্বর মাসে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক ফুটবলপ্রেমী যুবভারতীতে জড়ো হয়েছিলেন। অনেকেই মোটা টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ব্যাপক ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার পরই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার দিন মেসির সঙ্গে একাধিক বার তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সমাজমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অরূপের ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেও মেসির ছবি প্রকাশ্যে আসে।অব্যবস্থার অভিযোগে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মেসির ভারত সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ মেসির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।এই মামলায় অরূপ বিশ্বাস ইতিমধ্যেই একাধিক বার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দিয়েছেন। পুলিশের তলবে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়টিও আদালতে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত সেই কারণেই তাঁর রক্ষাকবচ বহাল থাকল বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অরূপের বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ না করার নির্দেশের পর মেসি-কাণ্ডের তদন্ত কোন দিকে এগোয়। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে ফের তৎপরতা, অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদের তলব! জেরার তালিকায় আর কারা?

খুলল কি ফের অভয়া ফাইলস? আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন করে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেছে। এবার ঘটনার রাতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় রয়েছেন অভয়ার সঙ্গে রাতে ডিনার করা বন্ধুরাও।শুধু অভয়ার বন্ধুদেরই নয়, ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা নার্স, চিকিৎসক, নিরাপত্তারক্ষী এবং আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া হাসপাতালের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও ফের জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।আর জি কর-কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন এবং কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে সেই পরীক্ষা এবং তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণেই মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ফের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে কারা ডিনারে ছিলেন, সেই বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে। একই সঙ্গে ফের পরীক্ষা করা হবে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষকে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।অভয়ার মা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, ঘটনার রাতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যথাযথ ভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন। আদালতের তরফেও ঘটনার রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়।এর মধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিক বদল করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সীমা পাহুজাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপনী গর্গকে। কয়েক দিন আগে দিল্লি থেকে চার সদস্যের একটি বিশেষ দলও আর জি কর হাসপাতালে পৌঁছয়। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে ওই দলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই জায়গা ফের খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এবার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের তলব করার খবর সামনে আসায় আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে থাকা বন্ধু, হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসক ও নার্স এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, কর্মীদের বেতনও আটকে! সুপ্রিম কোর্টে কপিল সিব্বলের বিস্ফোরক সওয়াল

তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সব তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরছে না বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে দলের নিয়মিত খরচের হিসাব আদালতের সামনে তুলে ধরেন কপিল সিব্বল। তিনি জানান, তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং কর্মীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ইডির তরফে আদালতে বলা হয়, যে অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়নি, সেগুলি থেকে টাকা নিয়ে দল কাজ চালাতে পারে। তার জবাবে কপিল সিব্বল জানান, ওই অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থায়ী আমানত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ৩৬টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩১টি স্থায়ী আমানত এবং বাকি পাঁচটি সাধারণ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।সিব্বলের দাবি, স্থায়ী আমানত ভাঙলে সেই টাকা ফের ফ্রিজ করে রাখা অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও জানান, পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে চারটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছে না।তৃণমূলের আইনজীবী আরও দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থার মামলায় অপরাধলব্ধ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। কেন এত বেশি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলেন তিনি।দলের কর্মীদের বেতন নিয়েও আদালতে বিস্তারিত তথ্য দেন সিব্বল। তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রায় ২৫০ জন কর্মী রয়েছেন। চলতি মাসে তাঁদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বেতন-সহ অন্যান্য খরচ মেটাতে প্রায় ৫৩ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে আদালতে জানান তিনি।এর পাশাপাশি দলের বিভিন্ন অফিসের খরচের কথাও আদালতে তুলে ধরেন সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের ১৭টি অফিস চালাতে প্রতি মাসে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়। নিরাপত্তা সংস্থা এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও টাকা দিতে হয়। নির্বাচনের সময়ে যাঁরা কাজ করেছিলেন, তাঁদেরও কিছু টাকা এখনও বাকি রয়েছে বলে জানান তিনি।সিব্বল আরও জানান, দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য কলকাতা হাই কোর্টের একক বেঞ্চের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে বিশেষ আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, যখনই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তখনই আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে নেওয়া পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিও আদালতে তোলেন সিব্বল। তাঁর দাবি, ওই সংস্থা থেকে তৃণমূল একটি বিমান নিয়েছিল। সেই সংস্থার অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। তবে কী কারণে ওই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, তা তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেনি বলে অভিযোগ করেন সিব্বল।মামলায় তদন্তকারী সংস্থা এবং তৃণমূলের আইনজীবীর বক্তব্যের মধ্যে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, মঙ্গলবারের শুনানিতে তা স্পষ্ট হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখার যৌক্তিকতা, দলের দৈনন্দিন খরচ এবং কর্মীদের বেতন দেওয়ার বিষয়টি এখন আদালতের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

২৬ হাজার চাকরির ভবিষ্যৎ কি ফের অন্ধকারে? ডেডলাইনের আগেই বড় সিদ্ধান্ত স্কুল সার্ভিস কমিশনের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বড় জট তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগের জেরে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। এরপর শূন্যপদগুলিতে নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রক্রিয়া ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় পর্যন্ত চাকরিহারাদের বেতন দেওয়ার নির্দেশও ছিল।এর মধ্যেই নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের দাবি, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল। পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের কাউন্সেলিংও চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেন ভেরিফিকেশন বন্ধ করা হল, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর করার বিষয়টি নিয়েই এই মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন সংরক্ষণ বিধি কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ অগস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। কতদিন সময় চাওয়া হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংরক্ষণ নীতি কী ভাবে কার্যকর করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।নতুন করে নিয়োগের জন্য যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। ভেরিফিকেশন এবং কাউন্সেলিং থেমে যাওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়।ফলে একদিকে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি জটদুইয়ের মাঝে আটকে রয়েছে ২৬ হাজার নিয়োগের ভবিষ্যৎ। এখন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরের পর কলকাতাতেও মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভিড়ের মধ্যে থেকে উঠল সেই স্লোগান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফের বিক্ষোভের অভিযোগ। হালিশহরের ঘটনার পর এবার খাস কলকাতায় একই ধরনের স্লোগান শুনতে হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে চোর, চোর স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি।নেতাজির মূর্তির পাদদেশে ক্ষুদিরাম বসুর ছবি হাতে নিয়ে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী এবং মাতঙ্গিনী হাজরার কথাও স্মরণ করেন তিনি। মমতা বলেন, এই সংগ্রামীদের কোনও দিন ভোলা যাবে না। তাঁর দাবি, শুধু দেখানোর জন্য নয়, হৃদয় থেকেই এই সমস্ত মহান ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। আচমকা ভিড়ের মধ্যে থেকে চোর, চোর স্লোগান উঠতে শুরু করে বলে অভিযোগ। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা এক ব্যক্তির বক্তব্য, মমতা মালা দেওয়ার সময় তাঁরা কোনও স্লোগান দেননি। পরে তাঁরা স্লোগান দেন বলে জানান তিনি।বিক্ষোভের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। তবে তাঁর গাড়ি চলে যাওয়ার পরেও কিছুক্ষণ স্লোগান ও বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।এই ঘটনার আগে রবিবার হালিশহরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা করেছিল, তবে তিনি জনরোষের মুখে পড়েছিলেন।হালিশহরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে একই স্লোগান ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হল। ঘটনাটি ঘিরে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গলমহল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচায় নতুন আইন, আর কী করতে চলেছে সরকার?

বাঁকুড়ায় সাত জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জঙ্গলমহলের উন্নয়ন থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্যা, আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন তিনি।মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় সাতটি জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গত তিন মাসে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে এবং আগামী দিনে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তার একটি হিসাব তুলে ধরেন তিনি।জঙ্গলমহল এবং প্রান্তিক ও সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে জঙ্গলমহলের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি অর্থের সাহায্যে ধর্মান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। সীমান্ত এলাকায় জমি হস্তান্তর, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকা সংশোধন, ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা বাতিল এবং গো-সুরক্ষার মতো একাধিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি। মহরমের সময় তলোয়ার নিয়ে মিছিল বা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।এরপরই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কিছুদিনের মধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে। একইসঙ্গে এক দেশ, এক প্রধান, এক রাজ্য, এক মুখ্যমন্ত্রী, এক আইন-এর কথাও বলেন তিনি।ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়েও নতুন আইনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আরও দুটি কাজ তাঁর বাকি রয়েছে। তার মধ্যে ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত আইন আনার বিষয়টি রয়েছে।তবে শুধু আইন বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, জঙ্গলমহলের উন্নয়নকেও আগামী দিনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। আগামী তিন মাসের জন্য এই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানিয়েছেন তিনি।বাঁকুড়ার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচা নিয়ে প্রস্তাবিত আইন কেমন হবে এবং কবে তা কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজের ‘১০০ কোটির’ সম্পত্তির হদিশ! তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে এবার নজরে ৩০টি সম্পত্তি

দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে তদন্তে আরও তথ্য সামনে আসছে। সিন্ডিকেট চক্র চালানো এবং তোলাবাজির মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এই তৃণমূল নেতার প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে ঘিরে গ্রেপ্তারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অদিতিকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে দেবরাজ কোনও রক্ষাকবচ পাননি বলে জানা যায়। এরপর বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের অভিযোগ, রাজারহাট এবং আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। গত কয়েক বছরে সেই টাকা ব্যবহার করে দেবরাজ বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দমদম, নিউটাউন এবং বাগুইআটির মতো এলাকায় সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। উত্তরবঙ্গেও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই সম্পত্তিগুলির সবকটি সরাসরি দেবরাজের নামে রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের অনুমান, পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠদের নাম ব্যবহার করে বেশ কিছু সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। গত পাঁচ বছরে, অদিতি মুন্সি বিধায়ক থাকার সময়ে এই সম্পত্তিগুলির বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ওই প্রায় ৩০টি সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা হতে পারে। সম্পত্তিগুলির মালিকানা, কেনার সময়, অর্থের উৎস এবং লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই সংক্রান্ত তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে। সেই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধির কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিই এখন তদন্তকারীদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে কার নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল এবং সেই সম্পত্তি কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর মধ্যেই বারাসত আদালতে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা বলে জানা গিয়েছে। এবার সম্পত্তির নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal