• ১ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolka

কলকাতা

ভোটের ফলের পর রক্তাক্ত খুন! এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী হত্যায় আরও এক গ্রেপ্তার

এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী তাপস নস্কর খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে হাসনাবাদ থেকে অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতের নাম ভোলা কর। রবিবার তাঁকে শিয়ালদহ আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবরবিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরের দিন, মঙ্গলবার গভীর রাতে খুন হন তাপস নস্কর। ঘটনার পরই একজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই আরও এক অভিযুক্তের খোঁজ মেলে। এরপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হাসনাবাদের মিঠুন মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই ভোলা করকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাপস খুনের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআরে ভোলা করের নাম ছিল। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো ঘটনার পিছনের কারণ জানার চেষ্টা চলছে। যদিও পুলিশের দাবি, এই খুনের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই।স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ ছিলেন তাপস নস্কর। সেই সূত্রে এলাকায় প্রোমোটিংয়ের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অবৈধ কাজের অভিযোগ ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় থানায় তাপসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল।নির্বাচনের আগে পুলিশ তাঁকে সতর্ক করেছিল বলেও জানা গিয়েছে। এমনকি ভোটের আগে তাঁকে নজরবন্দিও রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান তাপস। ভোট শেষ হওয়ার পর ফের এন্টালিতে ফিরে আসেন তিনি।তারপরই ৫ তারিখ গভীর রাতে এন্টালির চৌধুরী লেনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। স্থানীয় মানুষ পুলিশে খবর দিলে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাপসের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে।ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়, যার মধ্যে ভোলা করের নামও ছিল।এই খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ালেও কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দা জানিয়েছেন, এটি রাজনৈতিক খুন নয়। তাঁর দাবি, নির্মাণ ব্যবসা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিবাদের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। বেশ কিছুদিন বাইরে থাকার পর সম্প্রতি এলাকায় ফিরেছিলেন তাপস। তারপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

ফের রক্তাক্ত শহর! এন্টালিতে প্রোমোটার খুন, ধারাল অস্ত্রের পর গুলির অভিযোগে চাঞ্চল্য

বেলেঘাটার পর এবার এন্টালিতে নৃশংস খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পটারি রোড এলাকায় এক প্রোমোটারকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শুধু ধারাল অস্ত্রই নয়, গুলিও চালানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম তাপস নস্কর। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক অপরাধমূলক অভিযোগ ছিল। গুলি চালানোসহ নানা অপরাধের কারণে তিনি দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি এলাকায় ফেরেন।পরিবারের দাবি, তাপসের সঙ্গে এলাকার তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত দীপক দাস ওরফে নেটুর দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছিল। মূলত প্রোমোটিং সংক্রান্ত ঝামেলা থেকেই এই বিরোধ চরমে ওঠে। অভিযোগ, বুধবার সন্ধ্যায় নেটুর লোকজন তাপসকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। বলা হয়, পুরনো সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হবে। কিন্তু পরে পটারি রোডের একটি গলিতে তাঁকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়।তাপসের মেয়ে সায়নী নস্করের অভিযোগ, তাঁর বাবাকে শুধু কুপিয়েই নয়, গুলিও করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তাপস এক তৃণমূল কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। অন্যদিকে, তিনি সদ্য নির্বাচিত এক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতেন। এলাকার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল বলে অভিযোগ। সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই খুন হয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রোমোটিং ব্যবসা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছিল।এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রোমোটিং নিয়ে এলাকায় অশান্তি চলছিল এবং সেই কারণেই তাপসকে পাড়ায় ঢুকতে দেওয়া হত না। অন্যদিকে, মৃতের মেয়ে অভিযোগ করেছেন, মিটমাটের নাম করে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাঁর বাবাকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

নতুন মাসেই বড় ধাক্কা, অটো গ্যাসের দামে লাফ—আবার কি বাড়বে ভাড়া?

নতুন মাস শুরু হতেই মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা অনুভব করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ার পাশাপাশি অটোতে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও বেড়েছে। লিটার প্রতি অটো গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬ টাকা ৪৪ পয়সা। ফলে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে লিটার প্রতি ৮৯ টাকা ৪০ পয়সা। এর ফলে অটো ভাড়া আবার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কিছুদিন আগেও এই গ্যাসের দাম অনেক কম ছিল। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়ে জ্বালানির দামে বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এক মাস আগেও জ্বালানি পাওয়ার আশঙ্কায় বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অটোর দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছিল।এর আগে জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে বিভিন্ন রুটে অটো ভাড়া ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এখন আবার দাম বাড়ায় নতুন করে ভাড়া বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।অটোচালকদের একাংশ জানিয়েছেন, আপাতত ভাড়া বাড়ানোর কথা ভাবছেন না, তবে গ্যাসের দাম কমলে তাঁদের সুবিধা হবে। অন্যদিকে কিছু চালক বলছেন, ইতিমধ্যেই ভাড়া বেড়েছে এবং পরিস্থিতির কারণে আরও বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।রাজনৈতিক মহলেও এই বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা জানিয়েছেন, ভোটের পরেই গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়বে এবং খরচ আরও বাড়বে।

মে ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি মোদির! ৪ মে-র পর বাংলায় সরকার গঠনের ইঙ্গিত

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচারের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সভা থেকে তিনি দাবি করেন, গত কয়েকদিন রাজ্য ঘুরে তিনি বুঝতে পেরেছেন, আগামী ৪ মে-র পর রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হবে। সেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে আবার বাংলায় আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাজ্যের মানুষকে নিজের মানুষ বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, বাংলায় এলে তিনি মানসিক শান্তি অনুভব করেন। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে এখন জঙ্গলরাজ চলছে। একের পর এক জুট মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থানের অভাব তৈরি হয়েছে। এর ফলে যুব সমাজ কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে এবং বয়স্করা একা হয়ে পড়ছেন।প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, রোজগার মেলার মাধ্যমে যুবকদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে এবং শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা হবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশনের সম্পূর্ণ সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।তিনি আরও জানান, রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজের গ্যারান্টি চালু করা হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে কন্টেন্ট তৈরির কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিজেপি সরকার এলে কলকাতা মেট্রোর দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে।মহিলা নিরাপত্তা নিয়েও গুরুত্ব দেন মোদি। তিনি বলেন, এমন সরকার দরকার যেখানে বাড়ির মেয়েরা নিশ্চিন্তে রাস্তায় বেরোতে পারেন। পাশাপাশি তিনি ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা পেতে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।কলকাতার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে মোদি বলেন, কলকাতাকে অন্য শহরের মতো বানাতে গিয়ে তার নিজস্ব ঐতিহ্য নষ্ট করা হয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি দাবি করেন।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটে মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের আগে এই সভার মাধ্যমে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলেই তাণ্ডবের আশঙ্কা! কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা

দাবদাহের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর জন্য কমলা সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া দপ্তর। রবিবার বিকেল বা সন্ধ্যা নাগাদ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় আগামী কয়েকদিন ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়াবিদদের মতে, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং উত্তর চব্বিশ পরগনায় প্রবল ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বা তারও বেশি গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবারও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতার আবহাওয়ায় জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। রোদের তেজও থাকবে তীব্র। তবে বিকেলের দিকে আকাশে পরিবর্তন আসতে পারে এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আগামী মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঝড়বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, বুধবারের মধ্যে তাপমাত্রা তিন থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে।উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় সত্তর থেকে একশো দশ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বৈশাখেই আগুন ঝরাবে আকাশ! বাংলায় ৪০ ছুঁতে চলেছে পারদ, বড় সতর্কবার্তা মৌসম ভবনের

চৈত্র মাসে তেমন গরম অনুভূত হয়নি বাংলায়। মাঝে কয়েকদিন তাপমাত্রা বাড়লেও বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া বেশ আরামদায়কই ছিল। কিন্তু বৈশাখ মাস শুরু হতেই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা অনেকটাই বাড়বে।শুধু গরমই নয়, এবার বর্ষাতেও স্বস্তির বৃষ্টি কম হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে এল নিনো পরিস্থিতি। জুন মাসের মধ্যে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যার ফলে গোটা দেশে প্রায় ৮ শতাংশ কম বৃষ্টি হতে পারে। যদিও কিছু কিছু রাজ্যে স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সার্বিকভাবে বৃষ্টির পরিমাণ কমই থাকবে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও একই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।মৌসম ভবন জানিয়েছে, বৈশাখের শুরুতেই গরমের দাপট বাড়বে বাংলায়। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে। পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। কলকাতাতেও তাপমাত্রা বেড়ে ৩৭ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে।তবে চলতি সপ্তাহে কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। পয়লা বৈশাখের দিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বর্ধমানসহ কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। পরের দিনও দক্ষিণবঙ্গের কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে কলকাতার ক্ষেত্রে এখনই বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। বরং নববর্ষের দিন থেকেই তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও গরম থেকে খুব একটা স্বস্তি মিলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
কলকাতা

রাতের শহরে চাঞ্চল্য, গাড়ি থেকে উদ্ধার প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা! ভোটের আগে বড় প্রশ্ন

ভোটের আগে রাতের শহরে বড়সড় চাঞ্চল্য ছড়াল। নেতাজি নগর থানা এলাকায় নাকা চেকিং চলাকালীন একটি গাড়ি থেকে প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে পুলিশ এবং নজরদারি দলের যৌথ তল্লাশিতে এই বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার হয়। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে এবং গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে নিয়মিত নাকা চেকিং চলছিল। সেই সময় আলিপুর দিক থেকে একটি গাড়ি আসতে দেখে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত আধিকারিকদের। গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে সেখান থেকে ৩৭ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা উদ্ধার হয়।গাড়িতে থাকা আশুতোষ আগরওয়াল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু এত বড় অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তার কোনও স্পষ্ট উত্তর তিনি দিতে পারেননি। ফলে এই টাকা পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।ঘটনার পরেই বিষয়টি জানানো হয় আয়কর বিভাগকে। নিয়ম মেনে উদ্ধার হওয়া টাকা তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, টাকার প্রকৃত মালিককে তলব করা হবে। তিনি যদি বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেন, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। অন্যথায় সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা পড়বে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলি একাধিক ওসি, নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপে চাঞ্চল্য

ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের অন্দরে আবার বড়সড় রদবদল হল। এতদিন ধরে প্রশাসনিক মহলে একের পর এক আমলার বদলি নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই সঙ্গে পুলিশের উপরতলায় বদলি নিয়েও জল্পনা ছিল। এবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে কলকাতা পুলিশে একাধিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে।শনিবার লালবাজারের তরফে কমিশনারের ১৮১ এবং ১৮২ নম্বর নির্দেশ জারি করা হয়। সেই নির্দেশ অনুযায়ী ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার বেশ কয়েকজন আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই রদবদলে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সরিয়ে অন্য দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে।পার্ক স্ট্রিট থানার ওসি হীরক দলাপতি এবং বিজয়গঞ্জ বাজার থানার ওসি অংশুমান রায়কে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগে পাঠানো হয়েছে। চেতলা থানার ওসি অমিতাভ সরকারকে বিশেষ টাস্ক ফোর্সে বদলি করা হয়েছে।অন্যদিকে, নতুন করে বেশ কয়েকটি থানায় নতুন ওসি নিয়োগ করা হয়েছে। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে নীলকান্ত রায়কে পার্ক স্ট্রিট থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্যামপুকুর থানার অতিরিক্ত ওসি রাজ কুমার মিশ্রকে গড়িয়াহাট থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এন্টালি থানার অতিরিক্ত ওসি মনীশ সিংকে বিজয়গঞ্জ বাজার থানায় পাঠানো হয়েছে। বিশেষ টাস্ক ফোর্স থেকে মনোজ দত্তকে ফিরিয়ে এনে চেতলা থানার নতুন ওসি করা হয়েছে।এছাড়াও হেয়ার স্ট্রিট এবং ঠাকুরপুকুর থানার ওসিদের মধ্যেও বদলি হয়েছে। এই দুই থানার বর্তমান ওসি লোপসাং তশেরিং ভুটিয়া এবং রাজীব সাহুর মধ্যে দায়িত্ব বিনিময় করা হয়েছে।এদিকে, ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিক প্রশান্ত মজুমদারের আগের বদলির নির্দেশ বাতিল করা হয়েছে। তাঁকে আগের দায়িত্বেই বহাল রাখা হয়েছে। নতুন এই নির্দেশিকায় গত ২৯ মার্চের আগের কিছু নির্দেশেও আংশিক পরিবর্তন ও সংশোধন আনা হয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এই রদবদল ঘিরে কলকাতা পুলিশের অন্দরে এবং প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
বিদেশ

কলকাতাকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! পাক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ভবিষ্যতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যদি কোনও সংঘাত তৈরি হয়, তবে তা আর সীমান্তে আটকে থাকবে না, বরং ভারতের ভিতরেও ছড়িয়ে পড়বেএমনই হুমকি দিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি সরাসরি কলকাতার নাম নিয়ে আক্রমণের কথাও বলেন, যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।শনিবার সিয়ালকোটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খোয়াজা আসিফ বলেন, ভারত যদি কোনও মিথ্যা অজুহাতে অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার ফল ভালো হবে না। তিনি দাবি করেন, সেই সংঘাত সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা কলকাতা পর্যন্ত গড়াবে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারতে শীঘ্রই একটি ভুয়া হামলা হতে পারে। তাঁর দাবি, ভারত নিজেই এমন হামলার পরিকল্পনা করছে এবং পরে সেটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে তুলে ধরবে। যদিও এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ দেননি।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যদি ভারত এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, তাহলে গত বছরের থেকেও বড় অপমানের মুখে পড়তে হবে। তাঁর কথায়, সংঘাত আর সীমান্তবর্তী কয়েকশো কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তারা ভারতের ভিতরে ঢুকে হামলা চালাতে পারে।অন্যদিকে, সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই মাসেই পাকিস্তানের ভিতরে এক বা একাধিক হামলা হতে পারে। সেই হামলার পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে অস্থিরতা তৈরি করে তার দায় ভারতের উপর চাপানোর পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলে সমর্থন পেতে বা কূটনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য এমন কৌশল নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেও বাইরের শত্রু তত্ত্ব সামনে আনা হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াল পাকিস্তান।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ফর্ম নিয়ে তুমুল সংঘর্ষের পরও থামছে না উত্তেজনা! সিইও দপ্তরের সামনে আবার অবস্থান

ফর্ম নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর বুধবার সকালেও নির্বাচন দফতরের সামনে চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধর্না ও অবস্থান শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিপুল সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।অভিযোগ, এক ব্যক্তি ব্যাগভর্তি ফর্ম নিয়ে নির্বাচন দফতরে ঢুকেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রচুর ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার নির্বাচন দফতরের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে বচসা চরমে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর রাতেও দফতরের সামনে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত ও বিক্ষোভ চলতে থাকে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা কিছুটা সরে যান।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, এ ধরনের অসামাজিক কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বুধবার সকাল থেকেই আবার দফতরের সামনে জমায়েত শুরু হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।এদিকে রাতের ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে এই বিতর্কে ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরে তাণ্ডব! ফর্ম ৬ ঘিরে মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, হাতাহাতি চরমে

ভোটের মুখে ফর্ম ৬ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল সিইও দফতর চত্বরে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অশান্তিতে উসকানির অভিযোগ জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার মাধ্যমে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নাম বাংলার ভোটার তালিকায় তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভিযোগ ঘিরেই বিক্ষোভে নামেন তৃণমূলপন্থী বিএলওরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে তা দ্রুত ধস্তাধস্তিতে পৌঁছয়।পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী সিইও দফতর ছেড়ে বেরোনোর পর কয়েকজন যুবক ব্যাগভর্তি ফর্ম ৬ জমা দেন। এই ঘটনাকে ঘিরেই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।এর আগে সোমবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ভোটার তালিকায় কারচুপি হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাইরের রাজ্যের ভোটারদের নাম বাংলার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে।মঙ্গলবারও সেই অভিযোগ সামনে এনে সোশাল মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে তৃণমূল। সেখানে দাবি করা হয়েছে, প্রথমে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, তারপর অন্যদের নাম তোলা হচ্ছে, যারা নির্দিষ্ট একটি দলের হয়ে ভোট দেবে।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

ফুলে ঢাকা দেহ ফিরতেই কান্নায় ভেঙে পড়ল বিজয়গড়! শেষবারের মতো ‘বাবিন’কে দেখে স্তব্ধ পাড়া

গোটা বিজয়গড় এখন শোকে স্তব্ধ। চারদিকে শুধু কান্নার শব্দ। কেউই যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না, তাঁদের প্রিয় বাবিন আর নেই। এমন দৃশ্য যে দেখতে হবে, তা কোনওদিন কল্পনাও করেননি পাড়ার মানুষ। গত রাত থেকেই ভারী হয়ে ছিল পরিবেশ। আজ সেই নীরবতা ভেঙে চারদিকে শুধুই শোক আর আর্তনাদ।আজ সকালে রাহুলের নিথর দেহ ফিরল তাঁর নিজের বাড়িতে। ফুল দিয়ে সাজানো শববাহী গাড়িতে করে নিজের পাড়ায় ফিরে এলেন তিনি। জীবনের মঞ্চে যিনি নায়ক ছিলেন, তিনি আজ নীরব হয়ে শুয়ে রইলেন সবার সামনে।সকাল থেকেই রাহুলের বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুরাগীরা। একে একে পৌঁছে যান তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, সহকর্মী এবং টলিউডের একাধিক পরিচিত মুখ। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, উষসী চক্রবর্তী, রূপাঞ্জনা মৈত্র, চৈতী ঘোষাল, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, রুকমা রায়ের মতো অনেকেই এসে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সকলের চোখে জল, মুখে একটাই কথাএভাবে বিদায় জানাতে হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি।রবিবার আচমকা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকে ডুবে যায় টলিউড। ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কীভাবে সবার সামনে তিনি জলে তলিয়ে গেলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সবাই।ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। যদিও এখনও সরকারি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, তাঁর ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণে নোনাজল ঢুকে গিয়েছিল। সেই সঙ্গে বালিও ঢুকে যায় শরীরে। এর ফলে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এই কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবার, বন্ধু এবং অনুরাগীরা উত্তর খুঁজছেন, কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল। শোকের মধ্যেই এখন সেই প্রশ্নই ঘুরছে সবার মনে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
রাজ্য

চমকে দেবে আবহাওয়া! ঝড় কমতেই তাপের দাপট, দক্ষিণবঙ্গে ফের তীব্র গরমের আশঙ্কা

আকাশ এখন মেঘলা থাকলেও ধীরে ধীরে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। তবে এর মধ্যেই বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া তৈরি হতে চলেছে।তবে বৃষ্টির হাত থেকে পুরোপুরি রেহাই মিলবে না। মঙ্গলবার গোটা দক্ষিণবঙ্গেই হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম-সহ পশ্চিমের কিছু জেলায় হালকা ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে বুধবার থেকে ধীরে ধীরে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।শুক্র ও শনিবারের মধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আগের দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫৩ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে থাকছে, ফলে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে।উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়ার পরিস্থিতি বেশ অস্থির। মঙ্গলবার সেখানে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়িতে ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মালদহ-সহ অন্যান্য জেলাতেও ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ধীরে ধীরে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

আবার ফিরছে তাণ্ডব! ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপবে বাংলা, একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা

বৃহস্পতিবার বিকেলে খারাপ আবহাওয়ার জেরে হঠাৎই ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডব দেখেছিল রাজ্যবাসী। প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছিল যে মুখ্যমন্ত্রীর বিমান অবতরণ করতেও সমস্যায় পড়ে। সেই ঘটনার পর ফের একই রকম দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে শুক্রবার থেকে রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এবার একাধিক জেলার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে ঝড়-বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত এই সতর্কতা জারি থাকবে।শুক্রবার পশ্চিমাঞ্চলের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় কালবৈশাখীর জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।উত্তরবঙ্গেও একই পরিস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি জেলায় দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার ওই সব এলাকায় ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দমদম এলাকায় প্রায় পনেরো কিলোমিটার উঁচু উলম্ব মেঘ তৈরি হয়েছিল। তার জেরেই আচমকা ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চলে। প্রবল হাওয়ায় অনেক জায়গায় ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়। এবার সেই রকম পরিস্থিতি আবার তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে আগাম সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কলকাতায় রক্তারক্তি! ছাদে মদের আসরেই গুলি, খুন তৃণমূল সমর্থক

অন্ধকার রাতেই কলকাতায় ভয়াবহ খুনের ঘটনা ঘটল। তৃণমূল সমর্থক এক যুবককে গুলি করে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডে। মৃতের নাম রাহুল দে, বয়স ৩৬ বছর। এই ঘটনায় জিৎ মুখোপাধ্যায় নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জিৎ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন রাহুল দে। রাতে বাড়ির ছাদে বসে কয়েকজন মিলে আড্ডা দিচ্ছিলেন এবং মদ্যপান করছিলেন বলে অভিযোগ। হঠাৎ রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ গুলির শব্দ শুনতে পান আশপাশের মানুষ। পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ছাদে থাকা অন্যরা সেখান থেকে পালিয়ে যান এবং রাহুলের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়।রাহুলের পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে দেখেন, তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। কাছেই আহত অবস্থায় পড়েছিলেন জিৎ। দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা রাহুলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল ও জিৎ একে অপরকে আগে থেকে চিনতেন, তবে দীর্ঘদিন যোগাযোগ ছিল না। জিৎ অতীতে একাধিকবার অসামাজিক কাজের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। একসময় তিনি স্থানীয় তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবে কাজ করলেও পরে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। এমনকি দল থেকেও তাঁকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়।সম্প্রতি আবার তিনি এলাকায় ফিরে আসেন এবং পরিবারের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। অভিযোগ, সেই সময়ই তিনি রাহুলকে বাড়িতে ডেকে এই আসরের আয়োজন করেন। এর মধ্যেই দুই গোষ্ঠীর দুষ্কৃতীরা সেখানে ঢুকে পড়ে এবং ছাদে গিয়ে গুলি চালায়।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সিন্ডিকেট এবং টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের জেরেই এই হামলা। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
কলকাতা

গড়িয়ায় চাঞ্চল্য! বিউটিপার্লারে ঢুকে নৃশংস খুন, তারপরই যুবকের রহস্যমৃত্যু

ভোটের আবহের মধ্যেই কলকাতা সংলগ্ন গড়িয়ার মহামায়াতলায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল। একটি বিউটিপার্লার থেকে উদ্ধার হল জোড়া দেহ। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন এক মহিলা এবং এক যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই এই খুন এবং আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।মৃত মহিলার নাম রূপবানি দাস, বয়স প্রায় পঞ্চাশ বছর। তিনি মহামায়াতলা এলাকায় একটি বিউটিপার্লার চালাতেন। মঙ্গলবার দুপুরে এক যুবক পার্লারে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এই দৃশ্য দেখে আশেপাশের দোকানদারেরা আতঙ্কে সেখান থেকে সরে যান।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে একই পার্লারের ভিতর থেকেই ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, যুবক কাশ্মীরের বাসিন্দা। তবে এখনও তার সম্পূর্ণ পরিচয় জানা যায়নি।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমস্যার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। মহিলাকে খুন করার পর যুবক আত্মঘাতী হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দুই দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ভরদুপুরে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভোটের আগে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই অ্যাপ ক্যাবে ২৫ লক্ষ! নিউটাউনে পুলিশের হানা, গ্রেফতার এক

রাজ্যে ভোটের আবহের মধ্যেই কলকাতায় বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার নিউটাউনের সিটি সেন্টারের কাছে একটি অ্যাপ ক্যাব থেকে ২৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনি গুজরাতের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে তথ্য পেয়ে সকাল থেকেই নিউটাউনের ওই এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছিল বিধাননগর গোয়েন্দা পুলিশ এবং ইকোপার্ক থানার পুলিশ। সন্দেহজনক একটি অ্যাপ ক্যাবকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময় গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম সুরেশ ঠাকুর। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি গুজরাতের বাসিন্দা। তাঁর দাবি, কলকাতার বড়বাজার এলাকা থেকে এই টাকা নিয়ে নিউটাউনে যাচ্ছিলেন। তবে এত বড় অঙ্কের টাকার সঠিক নথি তিনি দেখাতে পারেননি বলে জানা গেছে। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।উল্লেখযোগ্য, এর আগেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নাকাতল্লাশির সময় নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। কয়েকদিন আগে আলিপুরদুয়ারে একটি গাড়ি থেকে প্রায় ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই ক্ষেত্রেও টাকার উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।গত ১৫ মার্চ রাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ৫০ হাজার টাকার বেশি নগদ বা ১০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের জিনিস নিয়ে যাতায়াত করলে তার সঠিক নথি দেখাতে হয়। এই নিয়ম ভাঙলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।এই ঘটনার পর ভোটের আগে নগদ টাকার লেনদেন এবং তার উৎস নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

অটো নেই, বাসও উধাও! গ্যাসের দাম বাড়তেই শহরে যাতায়াতে চরম সঙ্কট

কলকাতায় গ্যাসের দামের বড় বৃদ্ধি এবং ভোটের প্রস্তুতির জেরে পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বহু অটো রাস্তায় নামছে না। তার উপর ভোটের কাজে বাস তুলে নেওয়া শুরু হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কলকাতায় অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। প্রতি লিটার গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা। এক ধাক্কায় প্রায় ৮ টাকা বেড়েছে দাম। এর আগেও মার্চের শুরুতে দাম বেড়েছিল। তখন লিটার প্রতি দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বেড়ে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা হয়েছিল। বারবার দাম বাড়ায় অটো চালকদের অনেকেই রাস্তায় নামতে চাইছেন না। ফলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ শতাংশ অটো বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। যেগুলি চলছে, সেগুলিও অনিয়মিত এবং অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াও বেড়েছে।এর মধ্যে আবার ভোটের জন্য ধীরে ধীরে বাস কমতে শুরু করবে। নির্বাচন কমিশনের কাজে বহু বাস তুলে নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১৬০০ বেসরকারি বাস নেওয়া হয়েছে বলে বাসমালিকদের দাবি। এই বাসগুলি নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হবে। সামনে আরও বাস নেওয়া হতে পারে। কলকাতা ও আশপাশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে বাস তোলার প্রস্তুতি চলছে।বাসমালিকদের মতে, শহরে প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস চলে। তার মধ্যে প্রায় দুই হাজার বাস রাস্তায় কমে যেতে পারে। ফলে যাত্রীদের সমস্যার শেষ থাকবে না। সরকারি বাসের সংখ্যাও এমনিতেই কম, ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।অন্যদিকে শুধু বাস নয়, স্কুলবাস, অ্যাপ ক্যাব, পুলকারসব ধরনের গাড়িই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা হবে। এতে রাস্তায় সাধারণ মানুষের জন্য গাড়ির সংখ্যা আরও কমে যাবে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে অটো কিছুটা ভরসা দেয়, কিন্তু এবার গ্যাসের সঙ্কটের কারণে সেই সুযোগও কমে গেছে। গ্যাস ভরার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে চালকদের, ফলে রাস্তায় অটো কম দেখা যাচ্ছে।পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী মাসের শুরু থেকেই এই সমস্যা আরও বাড়বে। ভোটের কারণে একসঙ্গে অনেক গাড়ি তুলে নেওয়া হলে শহরের রাস্তায় বের হওয়া মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মার্চ ২০, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 30
  • 31
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal