• ৬ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kohli

খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : বাইশ গজের বাইরে দুরন্ত ‘‌ব্যাটিং’‌ বিরাট কোহলির

দু বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত। সেঞ্চুরি নেই বিরাট কোহলির। তাতেও অবশ্য জনপ্রিয়তা বিন্দুমাত্র কমেনি ভারত অধিনায়কের। বরং ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ইনস্টাগ্রামে অনুরাগীর ব্যাপারে কোহলি এমন এক নজির গড়েছেন, যা কেবলমাত্র ক্রিশ্চিয়ানো রোনল্ডো, লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়রের রয়েছে। কোহলি মাঠের বাইরে যেভাবে খেলছেন, যে কোনও মুহূর্তে টপকে যেতে পারেন নেইমারকে। আর দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে তো কোনও কথাই নেই। সবার থেকে এগিয়ে থাকবেন, এটাই তো স্বাভাবিক। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়ের দিক দিয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও।কোহলি যে বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় ক্রিকেটার, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে আয়ের দিক থেকে আইপিএলের ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনিই সবথেকে এগিয়ে। শুধু দেশীয় ক্রিকেটারদের মধ্যেই নয়, বিশ্বের সব ক্রিকেটারের মধ্যেও তাঁর আয় বেশি। কোহলির স্পনসর হিসেবে রয়েছে পুমা, মন্ত্র, অডির মতো সংস্থা। কোহলির ইস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা ১৫ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিটি স্পনসর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে কোহলির আয় ৫ কোটি ৮ লক্ষ টাকা। এই মুহূর্তে তিনিই বিশ্বের সবথেকে ধনী ক্রিকেটার।আরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতেরইনস্টাগ্রাম পোস্টের আয়ের দিক থেকে ভারতীয়দের ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও ধোনি সোশ্যাল মিডিয়ায় তেমন অ্যাক্টিভ নন। তবুও ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি। ধোনির স্পনসর হিসেবে রয়েছে ভিভোর মতো কোম্পানি। প্রতিটা স্পনসর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে ধোনির আয় ভারতীয় মুদ্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন রোহিত শর্মা। তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ২ কোটি। অ্যাডিডাসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরস রোহিত। প্রতিটা স্পনসর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে রোহিতের আয় প্রায় ৭৬ লক্ষ টাকা। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লক্ষ। প্রতিটা ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে হার্দিকের আয় ৬৫ লাখ টাকা। তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তাঁর ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। প্রতিটা স্পনসর ইনস্টাগ্রাম থেকে রায়নার আয় ৩৪ লক্ষ টাকা। আর প্রতিটা ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে আয় ৫১ লাখ।আরও পড়ুনঃ কোহলি নাকি অক্সফোর্ড স্ট্রিটেও জামা ছাড়া ঘুরতে পারেন? এ কী বললেন সৌরভ!১৫ কোটির বেশি ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার বিরাট ছাড়া ক্রীড়াবিদদের মধ্যে রয়েছে শুধু বিশ্বের সেরা তিন ফুটবলারের। ইনস্টাগ্রামে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ফলোয়ার সংখ্যা ৩৩.৭ কোটি। রোনাল্ডোর পরে রয়েছেন লিওনেল মেসি। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ২৬ কোটি। নেইমার রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। তাঁর ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারের সংখ্যা ১৬ কোটি।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌শচীন, ধোনির রেকর্ড ভেঙে ওভালে নতুন কীর্তি বিরাট কোহলির

দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটে রান নেই। ভারত অধিনায়ককে নিয়ে চারিদিকে গুঞ্জন কম হচ্ছে না। তার মধ্যেই আবার একটা রেকর্ডের মালিক হয়ে গেলেন বিরাট কোহলি। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তী শচীন তেন্ডুলকারের রেকর্ড। বিশ্বের দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২৩ হাজার রানের মালিক হয়ে গেলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতইংল্যান্ড সিরিজের চতুর্থ টেস্ট চলছে ওভালে। ওভাল টেস্ট বিরাট কোহলির ৪৪০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ৪৯০তম ইনিংসে জেমস অ্যান্ডারসনের বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৩ হাজার রান পূর্ণ করেন বিরাট। ২৩ হাজার রানে পৌঁছতে শচীন তেন্ডুলকারের লেগেছিল ৫২২ ইনিংস। আর রাহুল দ্রাবিড়ের লেগেছিল ৫৭৬ ইনিংস। সেই জায়গায় কোহলি ২৩ হাজার রানে পৌঁছলেন ৪৯০ ইনিংসে। বিশ্বের সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে কোহলি ২৩ হাজার রানে পৌঁছলেন। তাঁর আগে এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন শচীন, দ্রাবিড় ছাড়াও রিকি পন্টিং (৫৪৪), জ্যাক কালিস (৫৫১), কুমার সাঙ্গাকারা (৫৬৮), মাহেলা জয়বর্ধনে (৬৪৫)। কোহলির টেস্টে সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ২৫৪। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭০টি শতরান ও ১১৬টি অর্ধশতরান রয়েছে বিরাটের। ২৯ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান করার নিরিখে ভারত অধিনায়ক রয়েছেন ৭ নম্বরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান শচীন তেন্ডুলকারের। তিনি করেছেন ৩৪৩৫৭ রান। ৬৬৪টি ম্যাচে ৭৮২টি ইনিংসে শচীন এই রান করেছেন। এরপর রয়েছেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা (২৮০১৬), অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং (২৭৪৮৩), শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনে (২৫৯৫৭), দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক কালিস (২৫৫৩৪) এবং ভারতের রাহুল দ্রাবিড় (২৪২০৮)। তিন ফরম্যাটেই বিরাটের গড় ৫০এর উপর। শুধু শচীনের রেকর্ডই ভাঙা নয়, ওভালে এদিন আরও একটি নজির গড়েছেন বিরাট কোহলি। প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে বিদেশের মাটিতে একটা দেশের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিলেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে ১০টি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার নজির গড়লেন কোহলি। ভেঙে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনির রেকর্ড। ধোনি ইংল্যান্ডের মাটিতে দেশকে ৯টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সুনীল গাভাসকার পাকিস্তানের মাটিতে দেশকে ৮টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দেশকে সবথেকে বেশি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ডও কোহলির দখলে। তিনি মোট ৬৫টি টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ধোনি দিয়েছিলেন ৬০টি টেস্টে। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৪৯টি টেস্টে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌CC Test Ranking :শীর্ষে উঠে এলেন জো রুট, রোহিতেরও নীচে কোহলি

ছয় বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে ফের বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটসম্যানের মুকুট উঠল ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুটের মাথায়। ভারতইংল্যান্ড চলতি টেস্ট সিরিজে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। শুধু এই সিরিজে নয়, একবছর ধরে তাঁর ব্যাটে রানের ধারা অব্যাহত। তার পুরস্কার পেলেন রুট। নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনকে সরিয়ে বিশ্বের ১ নম্বর ব্যাটসম্যানের জায়গা দখল করলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।আরও পড়ুনঃ দৈনিক টিকাকরণে দেশে ফের রেকর্ডচলতি সিরিজ শুরুর সময় টেস্ট ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে ৫ নম্বরে ছিলেন রুট। প্রথম দুটি টেস্টে শতরানের সুবাদে উঠে এসেছিলেন ২ নম্বরে। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে আবার সেঞ্চুরি। প্রত্যাশিতমতোই চতুর্থ টেস্ট শুরুর আগে বিশ্বের ১ নম্বর টেস্ট ব্যাটসম্যানের জায়গায় উঠে এলেন।নটিংহ্যাম, লর্ডস ও হেডিংলেতে তিনতিনটি সেঞ্চুরি এসেছে ইংল্যান্ড অধিনায়কের ব্যাট থেকে। এখনও পর্যন্ত ৩ টেস্টে জো রুটের রান ৫০৭, গড় ১২৬.৭৫। এই স্বপ্নের ফর্মের জন্যই নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে সরিয়ে দীর্ঘ ৬ বছর পর টেস্ট ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ১ নম্বের উঠে এলেন রুট। হেডিংলে টেস্টে রান পাওয়ায় জনি বেয়ারস্টো উঠে এসেছেন ২৪ নম্বরে, ৫ ধাপ ওপরে। ডেভিড মালান ব্যাটসম্যানদের তালিকায় উঠে এসেছেন ৮৮ নম্বরে।আরও পড়ুনঃ দলগঠনে চমক এসসি ইস্টবেঙ্গলের, অরিন্দমকে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার প্রস্তাব!জো রুট শীর্ষে উঠে এলেও অবনমন হয়েছে বিরাট কোহলির। হেডিংলেতে কোহলি দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধশতরান করলেও ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে নেমে গিয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে। তাঁকে টপকে ৫ নম্বরে উঠে এসেছেন রোহিত শর্মা। হেডিংলিতে রোহিত দুটি ইনিংসে করেন ১৯ ও ৫৯ রান। প্রথম দশ টেস্ট ব্যাটসম্যানের তালিকা থেকে ছিটকে গেছেন ঋষভ পন্থ, তিনি এখন ১২ নম্বরে রয়েছেন। তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯১ রান করায় চেতেশ্বর পুজারা ৩ ধাপ উঠে চলে এসেছেন ১৫ নম্বরে। অজিঙ্ক রাহানে নেমে গিয়েছেন ১৮ নম্বরে। নেমে গিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা এবং লোকেশ রাহুলও। জাদেজা রয়েছেন ৪৫ নম্বরে, রাহুল ৪৮এ।আরও পড়ুনঃ কেন ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানালেন ডেল স্টেন?হেডিংলে টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য র্যাঙ্কিংয়ে ইংল্যান্ডের বোলারদের অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। বিশ্বের সেরা ৫ বোলারের মধ্যে চলে এসেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ১ ধাপ উঠে তিনি এখন পঞ্চম স্থানে। ৯ ধাপ উঠে অলি রবিনসন চলে এসেছেন ৩৬ নম্বরে। র্যাঙ্কিংয়ে ফের ঢুকে পড়ে ক্রেগ ওভার্টন রয়েছেন ৭৩ নম্বরে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে রবিচন্দ্রন অশ্বিন দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছেন। ১ ধাপ উঠে ১০ নম্বরে রয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। মহম্মদ সামি ১৮ নম্বরে উঠে এসেছেন। ১৯ নম্বরে নেমে গিয়েছেন ইশান্ত শর্মা। বোলারদের ক্রমতালিকায় নেমে গিয়ে ৪১ নম্বরে রয়েছেন মহম্মদ সিরাজ, ৫৬ নম্বরে শার্দুল ঠাকুর।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG‌ Test : হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রথম থেকেই আধিপত্য দেখিয়ে আসছে ভারত। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও নটিংহাম টেস্টে জয় আসেনি। নটিংহামের হতাশা কাটিয়ে লর্ডসে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। হেলিংলেতে কি ব্যবধান বাড়াতে পারবেন বিরাট কোহলিরা? আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। তবে যতই চেতেশ্বর পুজারা, রবীন্দ্র জাদেজাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠুক, তৃতীয় টেস্টে প্রথম একাদশে কোনও পরিবর্তন করছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?শুধু কি পুজারা কিংবা রাহানে? অধিনায়ক বিরাট কোহলির ব্যাটেও রান নেই। ভারতকে হেডিংলেতে দাপট দেখাতে গেলে রানে ফিরতেই হবে ভারতীয় অধিনায়ককে। নিজের ফর্মের চেয়েও দলের স্বার্থের দিকে বেশি তাকিয়ে কোহলি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ফর্ম নিয়ে ভাবছি না। ইংল্যান্ডে একজন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সেট হওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং। প্রথম ২০ রানের জন্য যেভাবে লড়াই করতে হয়, গোটা ম্যাচে সেভাবেই খেলতে হয়। কোনও অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগে না। যে কোনও ব্যাটসম্যানের জন্য ইংল্যান্ডের পরিবেশ সবচেয়ে কঠিন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানতৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড বেশ কয়েকজন সেরা ক্রিকেটারকে পাবে না। বোলিং শক্তি একেবারে বিপর্যস্ত। বিষয়টাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোহলি। তিনি বলেন, ওদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা থাকলেও আমরা ম্যাচ জয়ের পরিইকল্পনা করেই মাঠে নামতাম। বিপক্ষের দুর্বলতার অপেক্ষায় আমরা বসে থাকি না। যে কোনও পরিস্থিতিতে বিশ্বের যে কোনও দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখি। প্রতিপক্ষর শক্তি আমাদের কাছে গুরুত্ব পায় না। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামতে পারেননি ইংল্যান্ডের জোরে বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড। টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন জোফ্রা আর্চার। অলি স্টোন এবং ক্রিস ওকস চোটে কাবু। ব্যক্তিগত ও মানসিক স্বাস্থ্যের কারণ দর্শীয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অনুপস্থিত বেন স্টোকসও। কনকাশনে থাকায় হে়ডিংলে টেস্টে ক্রেগ ওভারটনকেও খেলাতে পারবে না ইংল্যান্ড। কাঁধে চোটের কারণে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন জোরে বোলার মার্ক উডও।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেলর্ডসের উইনিং কম্বিনেশন না ভাঙার পরিকল্পনা রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার। তবে অশ্বিনকে খেলানোর ক্ষীণ সম্ভাবনার কথাও শুনিয়ে রেখেছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, চোটআঘাত সমস্যা না থাকলে উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার প্রশ্ন ওঠে না। লর্ডসে সাফল্যের পর সকলে উত্তেজিত। রোহিতরাহুল দুর্দান্ত শুরুটাই দুটো টেস্টে সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিল। সিরাজকে দেখে ভাল লাগছে। তবে হেডিংলের পিচ দেখে বেশ অবাক কোহলি। যতটা ঘাস থাকবে আশা করেছিলেন, ততটা নেই।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Anderson : বুমরার বাউন্সারে কেমন অসহায় বোধ করেছিলেন অ্যান্ডারসন?‌

লর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় যশপ্রীত বুমরার বিষাক্ত বাউন্সারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল জেমস অ্যান্ডারসনকে। প্রায় ৯০ মাইল গতিতে ধেয়ে আসা বুমরার একটা বাউন্সার তাঁর হেলমেটে আঘাত করে। এই ঘটনা নিয়ে মাঠেই ভারতীয় জোরে বোলারের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় জেমস অ্যান্ডারসনের। বুমরার বাউন্সারে তিনি যে অসহায় বোধ করছিলেন, সে কথা স্বীকার করেছেন ইংল্যান্ডের এই জোরে বোলার। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন অ্যান্ডারসন।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?এক সাক্ষাৎকারে ইংল্যান্ডের এই জোরে বোলার বলেছেন, এত বছর ধরে ক্রিকেট খেলছি, এইরকম অসহায় অবস্থার মধ্যে জীবনে কখনও পড়িনি। ভাবনি বুমরা এত গতিতে বাউন্সার দেবে। প্রথম যে বাউন্সার আমার দিকে ধেয়ে এসেছিল তার গতি ছিল ঘন্টায় প্রায় ৯০ মাইল। ঠিকমতো চোখেও দেখতে পাইনি। ধাঁধাঁ লেগে গিয়েছিল। ম্যাচের তৃতীয় দিন আউট হয়ে সাজঘরে ফেরা আমাদের ব্যাটসম্যানরা মন্থর উইকেটের কথা বলছিল। অথচ মাঠে গিয়ে অন্য পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল আমাকে। অ্যান্ডারসনের মনে হয়েছিল যে বুমরা তাঁকে আউট করার জন্য নয়, আহত করার জন্য বোলিং করছিলেন। তাঁর কথায়, ওই ওভারে ১০১২টা ডেলিভারি করেছিল বুমরা। একটার পর একটা বাউন্সার দিয়ে যাচ্ছিল। একের পর এক নো ডাকা হলেও সেদিকে বুমরা কোনও ভ্রুক্ষেপ ছিল না। আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানলর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় ব্যাটিং করতে নেমেছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন। পিচের অন্যদিকে তখন দাঁড়িয়েছিলেন শতরান করা জো রুট। অ্যান্ডারসনের কথা অনুযায়ী, তিনি ক্রিজে যেতেই ইংল্যান্ড অধিনায়ক এগিয়ে গিয়ে জানিয়েছিলেন যে যশপ্রীত বুমরা অন্যান্য দিনের থেকে কম গতিতে বোলিং করছেন। সেই ধারণার বশবর্তী হয়ে তিনি ভারতীয় ফাস্ট বোলারের প্রথম যে বল ফেস করেছিলেন সেটি প্রায় ঘণ্টায় ৯০ মাইল গতিতে ছুটে আসা বাউন্সার ছিল।ভারতের বিরুদ্ধে নটিংহ্যামের মতো লর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসেও শতরান করেছিলেন জো রুট। তাঁর এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সৌজন্যে ওই ইনিংসে ভারতের থেকে ২৭ রানের লিড নিয়েছিল ইংল্যান্ড। দলের অধিনায়ক একটা কৌশলগত ভুল না করলে তাঁদের লিড ৫০ ছাড়িয়ে যেতে পারত।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেম্যাচের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় রুটের সঙ্গে ব্যাটিং করছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন। ভারতীয় ফাস্ট বোলার যশপ্রীত বুমরার বল তাঁর হেলমেটে লাগলে কনকাশন চেকের আওতায় পড়ে গিয়েছিলেন জিমি। স্নায়ুর চাপে ভুগতে শুরু করেছিলেন ব্রিটিশ ফাস্ট বোলার। তা বুঝে অ্যান্ডারসনকে লক্ষ্য করে বডি লাইন বোলিং করতে শুরু করেছিল ভারত। এমনই আবহে দিনের শেষ ওভারের তিন বল খেলে ফেলেন জো রুট। চতুর্থ বলে সিঙ্গলস নিয়ে কৌশলগত ভুল করে ফেলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। নড়বড়ে অ্যান্ডারসন দিনের শেষে আউট না হয়ে গেলে ইংল্যান্ডের লিড আরও কিছুটা বাড়তে পারত।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌‌শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি?‌ আবেগে মুগ্ধ পিটারসেন

এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটে সবথেকে জনপ্রিয় টি২০। অনেক ক্রিকেটারই যেমন ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটকে বেশি গুরুত্ব দেন, ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহও তুঙ্গে। তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে টেস্ট ক্রিকেট। কিন্তু লালবলের ক্রিকেটের প্রতি বিরাট কোহলির আবেগ দেখে মুগ্ধ ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন। তাঁর মতে, টেস্টে সাফল্যের জন্য কোহলি সবকিছুই করতে পারেন। পাশাপাশি শচীন তেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়দের সঙ্গেও তুলনা করেছেন পিটারসেন।আরও পড়ুনঃ ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?কোহলির চিন্তাভাবনা ও সাহসের প্রশংসা করে ইংল্যান্ডের এই প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, টেস্ট ক্রিকেটে কোহলির চিন্তাভাবনা ও সাহসের প্রশংসা করতেই হবে। নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। টি২০ ক্রিকেটের যুগেও টেস্ট ক্রিকেট ওর কাছে অন্যরকম আবেগের। অন্য ফর্ম্যাটের ক্রিকেটের মতো সমান গুরুত্ব দেয়। শচীন তেন্ডুলকার, রহুল দ্রাবিড়ের যোগ্য উত্তরসুরী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কোহলি জানে বিশ্ব ক্রিকেটে ও একজন কিংবদন্তী। নিজের মানসিকতা দলের বাকিদের মধ্যেও ঢুকিয়ে দিতে পেরেছে।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লর্ডস টেস্ট জয়ে কোহলির উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্ক বড় ভুমিকা পালন করেছে বলে মনে করেন পিটারসেন। তিনি বলেন, একসময় ভারত খুব চাপে ছিল। সেখান থেকে সামি, বুমরার ব্যাটিংয়ে ভারত ম্যাচে ফেরে। তবে কোহলির ক্রিকেট মস্তিস্কের প্রশংসাও করতে হবে। শেষদিকে বোলিং পরিবর্তনে দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদেরই ঘরের মাঠে টেস্ট ম্যাচ জেতা যে উপমহাদেশের দলগুলির পক্ষে সহজসাধ্য নয়, তা জানিয়েই ভারতীয় ক্রিকেট দলের লর্ডস টেস্ট জয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন কেভিন পিটারসেন। তাঁর মতে, ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্ট বৃষ্টিতে পণ্ড না হলে ওই টেস্ট ম্যাচেও জিততে পারত বিরাট কোহলির দল। সেক্ষেত্রে সিরিজে টিম ইন্ডিয়া ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যেত। কোনও অঘটন না ঘটলে চলতি টেস্ট সিরিজ জিততে চলেছে ভারতই।

আগস্ট ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌‌‌লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?‌

লর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিন ঋষভ পন্থ আউট হতেই মাথায় হাত দিয়ে লর্ডসের ব্যালকনিতে চেয়ারে বসে পড়েছিলেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ বাঁচবে তো? আশঙ্কায় দুলছিলেন। মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরার অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে ম্যাচে ফেরে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরই বদলে যায় ছবিটা। মাত্র দুটো সেশনেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনকে গুঁড়িয়ে অবিস্মরণীয় জয় তুলে নেই ভারত। লর্ডসের এই জয়কে বিদেশের মাটিতে অন্যতম সেরা জয় বলে অভিহিত করেছেন বিরাট কোহলি। সতীর্থদের এই পারফরমেন্সে তিনি গর্বিত বলেও জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ মুখে বিষ ঢেলে সৎ মাকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার ছেলে ও বৌমাম্যাচের পর বিরাট কোহলি বলেন, বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডসের এই জয় অন্যতম সেরা। সতীর্থরা যেরকম একাগ্রতা ও মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল, এককথায় অসাধারণ। দলগত প্রচেষ্টায় এই জয় এসেছে। দলের প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। কোথায় খেলছি, সেটা নিয়ে মাথাব্যাথা ছিল না। বিদেশের মাটিতে অনেকগুলো ভাল জয় পেয়েছি। লর্ডসের এই জয় তাদের সঙ্গে এক আসনে রাখব।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদল২০১৪র টেস্ট সিরিজে লর্ডসে জিতলেও, ২০১৮র সিরিজে হারতে হয়েছিল। আগের সিরিজের সেই হারের কথা মাথায় রাখেনি শিবির। সেই কথাই ম্যাচের পর তুলে ধরেছেন কোহলি। তিনি বলেন, ২০১৪তে আমরা লর্ডসে জিতেছিলাম। কিন্তু ২০১৮তে খুবই খারাপভাবে হারতে হয়েছিল। তবুও আমাদের বিশ্বাস ছিল, লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারব। সতীর্থদের এই পারফরমেন্স আমাকে গর্বিত করেছে। বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডস তাদের মধ্যে ওপরের দিকেই থাকবে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান পুরসভায় ৫ জনের পুরপ্রশাসক বোর্ড, দায়িত্বে প্রণব, আইনুলদ্বিতীয় ইনিংসে সামিবুমরা জুটি অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করলেও জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। প্রথম ইনিংসে বড় রানের মূলে এই জুটি। দুজনকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন কোহলি। তবে সামিবুমরার ইনিংসকে অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছেন। কোহলির কথায়, রাহুল ও রোহিত প্রথম ইনিংসে ভিত তৈরি করে দিয়েছিল। সামি ও বুমরার পার্টনারশিপ তো অবিশ্বাস্য। ঋষভের ওপর আরও প্রত্যাশা ছিল। ওর কাছ থেকে আরও কিছু রানের আশা করেছিলাম। ভেবেছিলাম ২০০ রানের লিড নিলেই লড়াই করতে পারব। ২৭১ রানের লিড হবে ভাবিনি। সামি ও বুমরা অসাধারন ব্যাটিং করেছে। ওরাই ইংল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। জানতাম ইংল্যান্ড ম্যাচ বাঁচানোর জন্য লড়াই করবে। আশা ছিল ওদের ৬০ ওভারের মধ্যে আউট করতে পারব। সেটাই হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের

লর্ডস টেস্টের শেষ দিনে নতুন বলে দ্রুত ভারতের শেষ ৪ উইকেট তুলে নেওয়া লক্ষ্য ছিল ইংল্যান্ডের। অন্তরায় হয়ে দাঁড়ালেন মহম্মদ সামি ও যশপ্রীত বুমরা। দুজনের অবিস্মরনীয় ইনিংস ভারতকে শুধু সঙ্কটজনক অবস্থা থেকে বার করে নিয়ে আসেনি, পৌঁছে দিয়েছিল জয়ের দোরগোড়ায়। সামিবুমরা জুটি শুধু দেশের মান বাঁচায় নি, কেড়ে নিয়েছিল রুটের মুখের গ্রাস। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয়। ইংল্যান্ডকে ১৫১ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্কটি২০ যুগে টেস্ট ক্রিকেট নাকি হারিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস ঘাটলে কথাটার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। একদিন আগেই টানটান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে ১ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর ভারতইংল্যান্ড টেস্টও পৌঁছে গিয়ে চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্সে। প্রথম দিন থেকেই পেন্ডুলামের মতো দৌদুল্যমান। কখনও ভারতের দিকে, কখনও আবার ইংল্যান্ডের দিকে। পঞ্চম দিন তো একসময় মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ডের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন টিম ইন্ডিয়ার। নায়ক অবশ্যই মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরা। ব্যাট হাতে এই দুজন পৌঁছে দিয়েছিল লড়াই করার জায়গায়। ক্রিকেট দেবতাও নিশ্চিতভাবে কুর্নিশ করবে সামিবুমরার প্রাইসলেস ইনিংস।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?তৃতীয় দিল শেষ বেলা থেকেই উত্তপ্ত লর্ডস। জিমি অ্যান্ডারসনকে একের পর এক বুমরার বাউন্সার দেওয়াকে কেন্দ্র করে। অ্যান্ডারসনের সঙ্গে বুমরার বাকযুদ্ধ। পরে বাটলারের সঙ্গে, যোগ দেন মার্ক উডও। উডের বাউন্সার হেলমেটে লাগতেই অন্য চেহারায় বুমরা। মুখে নয়, জবাব দিয়ে গেলেন ব্যাটে। লর্ডসেই ব্রিটিশ রাজের পতন ঘটাতে যেন বদ্ধপরিকর।ভারতের লড়াইয়ে ফেরার ভিত গড়ে দিয়েছিলেন চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। চাপে পড়লেই জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই দুই ব্যাটসম্যান। চতুর্থ দিন ভারত যখন ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল, রুখে দাঁড়ান পুজারারাহানে। দুজনে মিলে জুটিতে ১০০ রান তুলে দলকে প্রাথমিক বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। দুই ওপেনার রাহুল (৫), রোহিত (২১) দ্বিতীয় ইনিংসে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। কোহলিও (২০)। দলের সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে রুখে দাঁড়ান পুজারা ও রাহনে। দুর্ভাগ্যের শিকার না হলে বড় রান পেতেন পুজারা (৪৫)। মার্ক উডের হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বল ব্যাটের কানায় লেগে রুটের হাতে। রাহানে (৬১) অবশ্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করেননি।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টচতুর্থ দিনের শেষে ভারতের রান ছিল ১৮১/৬। ক্রিজে ছিলেন ঋষভ পন্থ (১৪) ও ইশান্ত শর্মা (৪)। ঋষভের (২২) ওপর দায়িত্ব ছিলে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু পঞ্চম দিন সকালে দলকে বেশি টানতে পারেননি। ইশান্ত মূল্যবান ১৬ রান যোগ করেন। তিনি যখন ফিরে যান, দলের রান ২০৯। সকলেই ধরে নিয়েছিলেন, ভারতের প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি শুধু সময়ের অপেক্ষা। এরপরই শুরু সামি (অপরাজিত ৫৬) ও বুমরার (৩৪) সেই অবিস্মরনীয় লড়াই। ইশান্ত ১৬ রানে লেগ বিফোর হতে ভারতের অষ্টম উইকেট পড়ে ২০৯ রানে। লিড তখন ১৮২। ইংল্যান্ড যখন জয়ের স্বপ্ন দেখছে, তখনই রুখে দাঁড়ান সামি ও বুমরা। শেষ পর্যন্ত তাঁদের জুটি ভাঙতে পারেননি ইংল্যান্ডের বোলাররা। অসমাপ্ত নবম উইকেট জুটিতে সামি ও বুমরা যোগ করেন রেকর্ড ৮৯ রান। লাঞ্চের পর ৮ উইকেটে ২৯৮ তুলে যখন ইংল্যান্ডকে জেতার জন্য ২৭২ রানের টার্গেট ছুড়ে দিতে ইনিংস ডিক্লেয়ার করেন কোহলি, তখন সামি অপরাজিত ৫৬ রানে।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপসামিবুমরা জুটি ব্যাট করার সময় বারবার মাথায় হাত দিচ্ছিলেন রুট। দেওয়াল লিখনটা তখনই হয়তো চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। চতুর্থ ইনিংসে ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ার ঐতিহ্য রয়েছে রুটের ইংল্যান্ডের। লর্ডসেও তার ব্যাতিক্রম নয়। ২৭১ রানে এগিয়ে থাকাটাই আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল কোহলি ব্রিগেডকে। রুটদের ওপর শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ার রসদ ছিল ওই ২৭১র মধ্যে। প্রথম দুই ওভারে সামিবুমরা জুটি যেভাবে ইংল্যান্ডের ওপর আঘাত হেনেছিলেন, তা থেকে বেরিয়ে আসার মতো দক্ষতা নেই এই ইংল্যান্ড দলের। রুট (৩৩), বাটলার (২৫) কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই রক্তের স্বাদ পেয়ে গিয়েছিলেন বুমরা (৩/৩৩), সিরাজরা (৪/৩২)। শেষ পর্যন্ত ৫১.৫ ওভারে ১২০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারত

লর্ডসে প্রথম দিন ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে দলকে বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় দিন ব্যর্থ। দলের বাকি ব্যটসম্যানরা জ্বলে উঠতে পারলেন না। ফলে বড় রানের স্বপ্ন দেখেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৬৪ রানে থেমে যেতে হল ভারতকে। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ল ৮৮ রানে। ৫ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরালেন জিমি অ্যান্ডারসন। ২৭৬/৩ রানে নিয়ে দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু করে ইংল্যান্ড। এদিন দ্বিতীয় বলেই লোকেশ রাহুলের উইকেটট তুলে নেন অলি রবিনসন। রবিনসনের হাফ ভলি ড্রাইভ করতে গিয়ে ডম সিবলির হাতে সহজ ক্যাচ দেন রাহুল। ২৫০ বলে ১২৯ রানের ইনিংস খেলে তিনি আউট হন। সেই সময় ভারতের রান ছিল ৪ উইকেটে ২৭৮। রাহুল আউট হওয়ার পাঁচ বল পরেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন অজিঙ্ক রাহানে। ২৩ বল খেলে মাত্র ১ রান করে অ্যান্ডারসনের বলে আউট হন রাহানে। দীর্ঘদিন বড় রান নেই রাহানের ব্যাটে। চলতি বছরে ৯টি টেস্টে ১৪টি ইনিংসে তাঁর রান ২৬৯। সর্বাধিক ৬৭।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণদ্রুত দু উইকেট হারানোর পর ঋষভ পন্থের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ভারতকে ৩০০ রানের গন্ডি পার করে দেয়। মার্ক উডের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন ঋষভ। তিনি ৫৮ বলে ৩৭ রান করেন। পাঁচ বল পরেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন মহম্মদ সামি (০)। মঈন আলির বলে তিনি আউট হন। ভারতের সপ্তম উইকেট পড়ে ৩৩৬ রানে।আরও পড়ুনঃ এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর মাত্র ১০.১ ওভার স্থায়ী হয় ভারতের ইনিংস। ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৬৪ রানে। ৮ রান করে ইশান্ত শর্মা আউট হন দলের ৩৬২ রানের মাথায়। এক ওভার পরেই অ্যান্ডারসনের বলে ফেরেন বুমরা (০)। এরপর রবীন্দ্র জাদেজার (৪০) উইকেটট তুলে নেন মার্ক উড। ৬২ রানে ৫ উইকেট নেন জিমি অ্যান্ডারসন। মার্ক উড ও অলি রবিনসন পান দুটি করে উইকেট। মঈন আলির ঝুলিতে ১ উইকেট।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরব্যাট করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার ররি বার্নস ও ডম সিবলে। শুরুর স্পেলে যশপ্রীত বুমরা ও ইশান্ত শর্মা সুবিধা করতে পারেননি। ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। সিবলেকে (১১) তুলে নেন। পরের বলেই ফেরান হাসিব হামিদকে। দীর্ঘদিন পর টেস্টে প্রত্যাবর্তন সুখের হল না হাসিব হামিদের কাছে (০)। বুমরা, ইশান্তের শুরুর ব্যর্থতা ঢেকে দেন মহম্মদল সিরাজ, পরপর দুবলে সিবলে ও হামিদকে ফিরিয়ে। ররি বার্নস ও জো রুট দলকে টেনে নিয়ে যান। বার্নসকে (৪৯) তুলে নেন মহম্মদ সামি। দিনের শেষে ইংল্যান্ড ১১৯/৩। ক্রিজে রয়েছেন রুট (৪৮) ও জনি বেয়ারস্টো (৬)।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : রাহুল–রোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণ

মেঘলা আবহাওয়া, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। টসে জয়। বিপক্ষকে চেপে ধরার একেবারে আদর্শ পরিবেশ। এইরকম পরিবেশের সুবিধা কাজে লাগাতে ব্যর্থ ইংল্যান্ড বোলাররা। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনেই রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলের দাপটে বড় রানের পথে ভারত।মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির জন্য নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরেই খেলা শুরু হয়। শার্দূলের জায়গায় ভারতের প্রথম একাদশে ঢুকেছেন ইশান্ত শর্মা। ইংল্যান্ড দল তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছে। ব্রডের জায়গায় মার্ক উড, ড্যান লরেন্সের পরিবর্তে মঈন আলি, জ্যাক ক্রলির জায়গায় হাসিব হামিদ। ফিটনেস সমস্যা কাটিয়ে অ্যান্ডারসন মাঠে নামলেও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের সুবিধা নিতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের দৃঢ়তায়।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরটস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে কিছুটা দেরি হয়। লাঞ্চের আগেও বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে বৃষ্টির কারণে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ভারতের স্কোর ছিল ১৮.৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৬ রান। রোহিত শর্মা ৩৫ ও লোকেশ রাহুল ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৩২.৫ ওভারে ভারত ১০০ রানের গন্ডি পার করে। এই সময় রোহিতের রান ছিল ৭৫, রাহুলের ১৬। ভারতীয়দের কখনও খালি হাতে ফেরায়নি ঐতিহাসিক লর্ডস। এখানেই বিদেশের মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন রোহিত। থেমে যেতে হল ১৭ রান দুরে। অ্যান্ডারসনের দুরন্ত সিমের জবাব ছিল না হিটম্যানের কাছে। পরপর দুটি বল বাইরে বার করে তৃতীয়টা ভেতরে ঢোকাতেই নড়ে গেল রোহিতের (৮৩) ডিফেন্স। ব্যাট ও পায়ের ফাঁক দিয়ে ঢুকে প্যাডে লেগে উইকেটে। ততক্ষনে ওপেনিং জুটিতে উঠে গেছে ১২৬।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইলর্ডসে এদিন রোহিত ও রাহুলের জুটি ভাঙল ৬৯ বছরের পুরানো রেকর্ড। ১৯৫২ সালে ভিনু মানকড় ও পঙ্কজ রায়ের ওপেনিং জুটিতে উঠেছিল ১০৬ রান। লর্ডসে প্রথম ব্যাট করতে নেমে ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে অ্যালাস্টেয়ার কুক ও অ্যান্ড্র স্ট্রসের ওপেনিং জুটিতে ওঠা ১১৪ রানই ছিল এতদিনের সর্বোচ্চ। সেটিও এদিন ভারতীয় ওপেনাররা ভেঙে দিলেন। ৪৩.৪ ওভারে জেমস অ্যান্ডারসনের বলে রোহিত বোল্ড হতেই ভারতের ওপেনিং জুটি ভাঙে ১২৬ রানে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসচেতেশ্বর পুজারার ব্যাটিং নিয়ে চারিদিকে সমালোচনা ঝড় বইছে। তিনি যে যথেষ্ট চাপে রয়েছেন, আবার বোঝা গেল। লর্ডসেও ব্যর্থ ভারতের এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান। এদিনও শুরুতে দুবার বেঁচে গিয়ে মাত্র ৯ রান করে ফিরলেন অ্যান্ডারসনের বলে। রাহুলের রক্ষণ অবশ্য ভাঙতে পারেননি অ্যান্ডারসনরা। দারুণ ছন্দে রয়েছেন। দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে লর্ডসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নিলেন। অধিনায়ক বিরাট কোহলিও রানে ফিরলেন। তবে হাফসেঞ্চুরি করার আগেই থেমে যেতে হল কোহলিকে। ৪২ রান করে তিনি রবিনসনের বলে জো রুটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। ১২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল। প্রথম দিনের শেষে ভারত তোলে ২৭৬/৩।

আগস্ট ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND Vs ENG: জোড়া ধাক্কা নিয়েই লর্ডস টেস্টে খেলতে নামছেন কোহলিরা

বৃহস্পতিবার থেকে লর্ডসে শুরু হচ্ছে ভারতইংল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্ট। লর্ডস মাঠে নামার আগে অস্বস্তিতে দুই শিবির। নটিংহ্যাম টেস্টে মন্থর বোলিংয়ের জন্য দুই দলেরই কাটা গেছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য দুটি করে মূল্যবান পয়েন্ট। একদিকে চোটের জন্য ভারতের ছিটকে গেছেন শার্দূল ঠাকুর। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের খেলতে পারবেন না স্টুয়ার্ট ব্রড ও জেমস অ্যান্ডারসন। এই জোড়া ধাক্কা নিয়েই লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামছে ভারত ও ইংল্যান্ড।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসবুধবারই আইসিসির ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড জানান, ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে মন্থর বোলিংয়ের জন্য দুই দলেরই পয়েন্ট কাটা যাবে। একইসঙ্গে জরিমানা হিসেবে দিতে হবে ম্যাচ ফির ৪০ শতাংশ। টেস্ট ড্র হওয়ায় দুই দলের পাওয়ার কথা ছিল ৪ পয়েন্ট করে। কিন্তু কোহলিরুটদের ২ পয়েন্ট করে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। পয়েন্ট কাটা যাওয়ায় দলের ওপর অসন্তুষ্ট বিরাট কোহলি। লর্ডসে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, আমাদের খেলার গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। মাত্র ২ ওভারের জন্য শাস্তি পেয়েছি। এত মন্থর বোলিং করলে চলবে না। ভবিষ্যতে নজর রাখতে হবে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরহ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের জন্য লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন শার্দুল ঠাকুর। এই পরিস্থিতিতে ভারতের প্রথম একাদশ কী হবে তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। এখনও প্রথম একাদশ ঠিক করেনি ভারত। তবে রবিচন্দ্রন অশ্বিন কিংবা ইশান্ত শর্মা ও উমেশ যাদবের মধ্যে একজন খেলতে পারেন। তবে কোহলি যা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে অশ্বিনের তেমন স্বস্তিতে থাকার কথা নয়।আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিশার্দুল ঠাকুরের পরিবর্তে কে আসতে পারেন সেটাই বড় প্রশ্ন। এমনিতে অটোমেটিক চয়েস রবিচন্দ্রন অশ্বিন। টেস্ট ক্রিকেটে বিশ্বের ২ নম্বর বোলার সব সময়ই ম্যাচ উইনার। ব্যাটসম্যান হিসেবেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু অশ্বিনকে খেলালে ভারতকে নামতে হবে তিন পেসারে। শার্দুল ঠাকুরের জায়গায় যদি কোনও পেসার নেওয়া হয় সেক্ষেত্রে লড়াই ইশান্ত শর্মার সঙ্গে উমেশ যাদবের। ফিটনেস সমস্যায় ইশান্ত ট্রেন্ট ব্রিজে খেলতে না পারলেও এখন সেই সমস্যা নেই। বিরাট কোহলি বলেছেন, সেরা একাদশ নিয়েই আমরা নামব। আমাদের ২০ উইকেট তোলার বিষয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। এমন কাউকে নেওয়া হবে না যিনি শুধু ব্যাট হাতে কিছু রান যোগ করতে পারেন। প্রথম টেস্টের দল নিয়ে আমরা সত্যিই স্বস্তিতে ছিলাম।আরও পড়ুনঃ এল এম ১০ নন, পিএসজিতে মেসি এল এম ৩০প্রথম টেস্টে ব্যাটিংয়ে হতাশ করেছেন কোহলি, রাহানে, পুজারারা। তা নিয়ে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি বলেন, এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই। ব্যক্তিগত কিছু নিয়ে ভাবি না। দলগতভাবে কতটা শক্তিশালী হয়ে কিছু করতে পারি তা নিয়েই পরিকল্পনা করে থাকি। জাদেজা প্রথম টেস্টে ভাল ব্যাটিং করেছে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে নামবে। আগের টেস্টে রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল খুব ভাল খেলেছে। ব্যাটিং ইউনিট নিয়ে আমরা স্বস্তিতে রয়েছি। এমনকী শার্দুল না খেলতে পারলেও ব্যাটিং গভীরতা কমবে বলে মনে করি না। ঋষভ পন্থের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং নিয়ে কোহলিই বলেন, এটাই তাঁর স্বাভাবিক খেলা। আবার দলের প্রয়োজনে ম্যাচ বাঁচানোর মতো ব্যাটিং করে লম্বা ইনিংসও খেলতে পারে। সব সময়ই যে খুব ডিফেন্সিভ খেলতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। দলের ম্যানেজমেন্ট কী চাইছে সেই বার্তা সম্পর্কে পন্থ ওয়াকিবহাল থাকেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌‌বাউন্সার সামলাতে গিয়ে একি হাল বিরাট কোহলির!‌

ট্রেন্ট ব্রিজ বরাবরই পয়া মাঠ ভারতের কাছে। ২০১৮ সিরিজে একমাত্র জয় এসেছিল এই ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। এবার ভারত অধিনায়ক রান পাননি। কিন্তু জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারত। বৃষ্টির জন্য অবশ্য জয় আসেনি। প্রথম টেস্টে রান না পাওয়ায় হতাশ কোহলি। দ্বিতীয় টেস্টে রানে ফিরতে মরিয়া ভারত অধিনায়ক। লন্ডনে পৌঁছে অনুশীলনে নেমে পড়েছে ভারত। বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে মঙ্গলবার নেটে দীর্ঘক্ষণ টেনিস বলে অনুশীলন করেন কোহলি। বাউন্সার সামলাতে গিয়ে একবার উইকেটের ওপর পড়েও যান। তাঁর মতো দলও অধিনায়কের রানে ফেরার দিকে তাকিয়ে। ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে লোকেশ রাহুল, রবীন্দ্র জাদেজারা রান পেলেও মিডল অর্ডার একেবারে ব্যর্থ। এটাই ভাবাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তবে টিম ম্যানেজমেন্টকে স্বস্তি দিচ্ছে টেল এন্ডারদের ব্যাটিং। এদিকে, দ্বিতীয় টেস্টেও দলে জায়গা হচ্ছে না মায়াঙ্ক আগরওয়ালের। টেন্ট ব্রিজ টেস্টে রোহিত শর্মার সঙ্গে মায়াঙ্ক আগরওয়াল ওপেন করবেন, এটাই ঠিক করেছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু মায়াঙ্কের চোটই বদলে দেয় পরিস্থিতি। রোহিতের সঙ্গী হন লোকেশ রাহুল। সুইং ও সিমিং পরিবেশে দারুণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন এই ভারতীয় ওপেনার। লোকেশ রাহুল সফল হওয়ায় আপাতত ওপেনার নিয়ে সমস্যা মিটেছে ভারতীয় দলের। মায়াঙ্ক সুস্থ হয়ে ফিরলেও লর্ডসে ওপেনিংয়ে তাঁর জায়গা হবে না। সপ্তাহ দুয়েক আগেও লোকেশ রাহুলের প্রথম একাদশে জায়গা পাওয়া ছিল অনিশ্চয়তায় ভরা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ শুরুর আগে ভাবেননি প্রথম একাদশে জায়গা পাবেন। একটা ইনিংসই বদলে দিয়েছে পরিস্থিতি। এর আগে ২০১৮র ইংল্যান্ড সফরে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি রাহুল। এবার অন্য ছন্দে। এদিকে, টপ অর্ডার নিয়ে চিন্তিত ইংল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট। ররি বার্নস, জ্যাক ক্রাউলে, ডম সিবলেরা দুই ইনিংসেই ৩০ রানের গন্ডি পার করতে পারেননি। তাই টপ অর্ডার নিয়ে নতুন করে ভাবছে ইংল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট। হাসিব হামিদকে লর্ডসে খেলানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য অলরাউন্ডার মঈন আলিকে দলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ফেব্রুয়ারিতে দেশের হয়ে শেষবার টেস্ট খেলেছিলেন মঈন। ভারতের বিরুদ্ধে চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন। অলরাউন্ডার বেন স্টোকস না থাকায় মঈনকে দলে নেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌nd vs Eng Test : কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টি

ভারতের কাছে ট্রেন্ট ব্রিজ বরাবরই পয়া মাঠ। ইংল্যান্ড সফরে ট্রেন্ট ব্রিজ কখনও খালি হাতে ফেরায়নি টিম ইন্ডিয়াকে। ২০১৮ সালে সিরিজ ৪১ ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। একমাত্র জয় এসেছিল ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে। এবারও এই মাঠে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করার সুযোগ ছিল বিরাট কোহলিদের সামনে। বাধ সাধল বৃষ্টি। বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়ার জন্য টেস্টের পঞ্চম দিন এক বলও খেলা হল না। টেস্ট অমীমাংসিতভাবে শেষ হল।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিজয়ের জন্য ২০৯ রান তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে ভারত ১ উইকেটে তুলেছিল ৫২। রোহিত শর্মা ও চেতেশ্বর পুজারা দুজনেই ১২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। শেষদিনে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৫৭ রান। ভারতের পক্ষে জেতা খুব একটা কঠিন ছিল না। কিন্তু বৃষ্টির জন্য জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল বিরাট কোহলিদের।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?পঞ্চম দিনের প্রথম দুই সেশন বৃষ্টির জন্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরেও খেলার আশা জেগেছিল। বৃষ্টি থামলেও চা পানের বিরতির পর আবহাওয়ার উন্নতি হয়নি। আলোর অভাব দেখা দিয়েছিল। তাই দিনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন দুই আম্পায়ার। স্বভাবতই বিরক্ত বিরাট কোহলি। শেষ দিনে একনাগাড়ে বৃষ্টি কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে বাধা হয়ে দাঁড়াল।

আগস্ট ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ND vs ENG Test : রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে?‌ ধোঁয়াশা রাখলেন কোহলি

বুধবার থেকে নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজে শুরু হচ্ছে ভারতইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণের এটাই প্রথম টেস্ট। সাধারণত ম্যাচের আগের দিন প্রথম একাদশ ঘোষণা করে দেয় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা রেখে দিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে, মিডল অর্ডারই বা কীভাবে সাজানো হচ্ছে, খোলসা করলেন না।আরও পড়ুনঃ মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়ালম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি বলেন, ম্যাচের দিন সকালে প্রথম একাদশ ঘোষণা করব। রোহিতের সঙ্গে কে ওপেন করবে, তা চূড়ান্ত হয়ে গেছে। প্রথম একাদশ নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। মহম্মদ সিরাজের বলে মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল। অভিমন্যু ঈশ্বরণের ট্রেন্টব্রিজে টেস্ট অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা কম। রোহিত শর্মার সঙ্গে সম্ভবত ওপেন করবেন লোকেশ রাহুল অথবা হনুমা বিহারী। শার্দুল ঠাকুরের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেননি কোহলি। তিনি বলেন, শার্দুল অলরাউন্ডার হিসেবে সুযোগ পেতেই পারে। টেস্টসহ যে কোনও ফরম্যাটেই শার্দুলের উপস্থিতি দলে ভারসাম্য এনে দেয়।আরও পড়ুনঃ বেলজিয়ামের কাছে হেরে সোনার স্বপ্ন শেষ মনপ্রীতদেরচেতেশ্বর পূজারার অফফর্ম ও মন্থর ব্যাটিং নিয়ে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি বলেন, আমি মনে করি পুজারা ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রিকেটার। ওর যা অভিজ্ঞতা রয়েছে তাতে এই বিষয়টি ওর উপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। খেলায় কোথায় কী খামতি হচ্ছে সেটা বুঝে তা পুষিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারই পারে। দলের প্রত্যেকেই ওয়াকিবহাল দলের ভালোর জন্য কী প্রয়োজন। সমালোচনা অপ্রয়োজনীয়। পুজারাও এ সবে গুরুত্ব দেয় না।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুট্রেন্টব্রিজ ভারতের কাছে পয়া মাঠ। ২০১৮ সালের ইংল্যান্ড সফরে ভারত পাঁচ টেস্টের সিরিজে ১৪ ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। ওই সিরিজে একমাত্র জয় এসেছিল ট্রেন্টব্রিজে। এবার কি পয়া মাঠে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করতে পারবে ভারত? বিরাট কোহলি কি ২০১৮ সিরিজের মতো জ্বলে উঠতে পারবেন? দুই ইনিংসে ৯৭ ও ১০৩ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন কোহলি। এবারও তাঁকেই টার্গেট করছে ইংল্যান্ড শিবির। চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি ভারত অধিনায়কও।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াটেস্টে ৫ বার জেমস অ্যান্ডারসনের বলে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি। যদিও ২০১৮র সিরিজে অ্যান্ডারসন একবারও কোহলিকে আউট করতে পারেননি। এবারও বিরাটের উইকেটই যে ইংল্যান্ড টার্গেট করছে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অ্যান্ডারসন। তিনি বলেন, আমাদের যে কোনও বোলার বিরাটের উইকেট পেলে ভালোই। তা নিয়ে কোনও আক্ষেপ থাকবে না। এই উইকেটটা আমাদের কাছে খুব বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। শুধু ব্যাটসম্যান নন, অধিনায়ক হিসেবেও বিরাট দলকে দারুণভাবে পরিচালনা করে, অনেক বড় মাপের ক্রিকেটার। ওর বিরুদ্ধে খেলতে মুখিয়ে রয়েছি। সব সময় বিশ্বের সেরা চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি।

আগস্ট ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Virushka : ভাইরাল বিরাট-অনুষ্কার নাচের ভিডিও

বিরাট কোহলি ও অনুষ্কা শর্মা অর্থাৎ বিরুষ্কা। তাদের দুজনের প্রেমের কথা কারোর অজানা নয়। দীর্ঘদিনের প্রেমের পর বিয়ে করেছেন। বর্তমানে তাদের একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তান হয়েছে।তবে এখনও নতুন প্রেমিক-প্রেমিকার মতো দুজনে এতটাই ভালোবাসায় মশগুল তাঁরা। পর্দায় হোক কিংবা নেটমাধ্যমে পোস্ট করা ছবি, বিরুষ্কা-র কাপল গোলস-এ মুগ্ধ তামাম নেটদুনিয়া। এবার ফের একবার এই জুটি এমন কাণ্ড করলেন যা তাদের অনুরাগীদের মুগ্ধ করে দিয়েছে। প্রকাশ্যে এসেছে একটি ভিডিও। দেখা যাচ্ছে, অনুষ্কার রূপে মজে বেশ কিছুক্ষণ তাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন বিরাট কোহলি। চোখে মুগ্ধতা নিয়ে স্ত্রীয়ের প্রশংসা করতেই কোহলিকে তাঁর স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রীর প্রশ্ন, অমন করে কী দেখছ?। একটুও না দমে অনুষ্কার কাছে কয়েক পা এগিয়ে এসে ভালোবাসা জাহির করতে করতেই তাঁকে ঘিরে আনন্দে নাচতে শুরু করলেন বিরাট। মুখে তখন মোহম্মদ রফির সেই বিখ্যাত গান ইয়ে চাঁদ সা রোশন চেহারা.... আর পায়ে শাম্মি কাপুরের নাচের ছন্দ। স্বামীর এই কাণ্ড দেখে আর চুপ করে থাকতে পারেননি অনুষ্কাও। হাসতে হাসতে তিনিও বিরাটের সঙ্গে ওই নাচে যোগ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুআসলে পুরোটাই একটি জনপ্রিয় সাবানের বিজ্ঞাপনেই দেখা যাবে বিরুষ্কা-এই কান্ড। ইনস্টাগ্রামের দেওয়ালে নিজেই সেই সংস্থার এই বিজ্ঞাপনী প্রচারের ভিডিওটি পোস্ট করেছেন বিরাট কোহলি। বলাই বাহুল্য তাঁদের প্রিয় তারকা-জুটির এই অবতার দেখে দারুণ খুশি অনুরাগীরা। প্রশংসা ও শুভেচ্ছা ভাসছে বিরাটের সেই ভিডিওর কমেন্টবক্স। পাশাপাশি লাইক, শেয়ারও কম নয়।

আগস্ট ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Virushka : খোশমেজাজে বিরাট-অনুষ্কা

ক্রিকেট মাঠে সকলের প্রিয় ক্রিকেটার তিনি। বিরাট কোহলি খেলতে নামলেই শোরগোল পরে যায়। তবে মাঠের বাইরে সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনই বেশ সক্রিয়।এবার ক্যামেরার সামনে একটি ছবি তুলেছেন বিরাট। সঙ্গে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী অনুষ্কাও। যেখানে দেখা যাচ্ছে হাসিমুখে পোজ দিয়েছেন বিরুষ্কা। ফটোতে দেখা যাচ্ছে ২ জনের সামনে একটি বেলি বাটিতে রয়েছে পুষ্টিকর খাওয়ার। ছবিতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ককে দেখা যাচ্ছে একটি ধূসর রঙয়ের গোলগলা টি-শার্ট পরে। অনুষ্কা পরে আছেন কালো রঙয়ের একটি আউটফিট। এই মুহূর্তে ডারহামে রয়েছেন এই তারকা দম্পতি। ফ্যানেদের জন্য ইস্টাগ্রামে ফটো পোস্ট করছেন ২ জনে। যে ছবি পোস্ট হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই দর্শকমলে তাদের অন্যান্য ছবির মতো এটাও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।টি-শার্ট ও প্যান্টে দুর্দান্ত লাগছিল বিরাটকে। জ্যাকেটও পরিহিত ছিলেন তিনি। শুক্রবার নিজের ইংল্যান্ড ডায়েরির একটি ছবি পোস্ট করেছেন অনুষ্কা, যেখানে দেখা যাচ্ছে বিরাটকে। গ্রুপ ছবিতে রয়েছেন কে এল রাহুল ও তাঁর বান্ধবী আথিয়া শেঠিও। রয়েছেন উমেশ যাদব ও তাঁর স্ত্রী তনয়া ও ইশান্ত শর্মা। ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী কমলা রঙয়ের একটি টপ ও নীল রঙয়ের ডেনিম পরেছিলেন।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌সুযোগ পেয়েও প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামলেন না কোহলি, রাহানেরা

বিদেশ সফরে গেলেই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ না পেলে কাঁদুনি গাইতে শুরু করেন। আর সুযোগ পেয়েও মাঠে নামলেন না বিরাট কোহলিরা? ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে মাঠে নামার আগে কাউন্টির বাছাই একাদশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিলেন বিরাট কোহলি, অজিঙ্কা রাহানেরা।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরনিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে নামার আগে কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়নি ভারতীয় দল। তার ফল ভুগতে হয়েছিল। লাল বলের ক্রিকেটে একেবারেই মানিয়ে নিতে পারেননি বিরাট কোহলিরা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অনেক চেষ্টার পর একটা প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যবস্থা করে। ডারহামে বাছাই করা কাউন্টি একাদশের বিরুদ্ধে ৪ দিনের ম্যাচ খেলতে নামে ভারত। যদিও বাছাই কাউন্টি একাদশের হয়ে মাঠে নামেন দুই ভারতীয় ক্রিকেটার আবেশ খান ও ওয়াশিংটন সুন্দর।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংকোহলি, রাহানে ছাড়াও এই প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান মহম্মদ সামি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। অশ্বিনের কথা না হয় আলাদা। সম্প্রতি কাউন্টি ক্রিকেটে সারের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন। তিনি প্র্যাকটিস ম্যাচ পেয়ে গেছেন। কিন্তু কোহলিরা? বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পর থেকেই তো বিশ্রামের মধ্যেই রয়েছেন। টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় দল। রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ৯ রান করে লিন্ডন জেমসের বলে আউট হন রোহিত। জেমসের বলেই ফিরে যান মায়াঙ্ক। তিনি করেন ২৮। চেতেশ্বর পুজারা (২১), হনুমা বিহারীরা (২৪) বড় রান পাননি। তবে নিজেকে মেলে ধরেন লোকেশ রাহুল। তিনি ১০১ রান করে অবসর নেন। রবীন্দ্র জাদেজাও ব্যাট হাতে প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরেন। তিনি ৭৫ রান করে আউট হন। ৯০ ওভারে ভারত ৯ উইকেটে তোলে ৩০৬।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনকরোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ঋষভ পন্থ এই ম্যাচে খেলছেন না। গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়াবেন লোকেশ রাহুল। এদিন মাঠে নামার আগে প্রয়াত ভারতীয় ক্রিকেটার যশপাল শর্মাকে শ্রদ্ধা জানান রোহিতরা। ক্রিকেটাররা কালো ব্যাজ পড়ে মাঠে নামেন।

জুলাই ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Virushka : ভামিকার ৬ মাসের ছবি শেয়ার বিরুষ্কার

৬ মাসে পা দিল অনুষ্কা ও বিরাটের কন্যাসন্তান ভামিকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত ভাগ করে নিলেন বিরুষ্কা। সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত ভাগ করে নিলেন বিরুষ্কা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে আকাশের দিকে তাকিয়ে মাঠের ওপর শুয়ে অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা। মুখ বোঝা যাচ্ছে না। আর তাঁর বুকের ওপর শুয়ে একরত্তি কন্যা ভামিকা। ছোট্ট মেয়েকে আকাশের দিকে হাত তুলে কী যেন দেখাচ্ছেন অনুষ্কা। পরের ছবিতে, সবুজ মাঠে বসে ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দুজনেই আগলে রয়েছেন ভামিকাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ের সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন অনুষ্কা। ক্যাপশনে লিখেছেন, ওর একটা হাসি এক মুহূর্তে আমাদের চারপাশের পৃথিবীটাকে বদলে দেয়। যে ভালোবাসা নিয়ে এই একরত্তি মেয়ে আমাদের দিকে দেখে, আমরা সেই ভালোবাসাতেই বাঁচতে চাই। আমাদের ৩ জন হওয়ার আজ ৬ মাস পূর্তি। ছবির সঙ্গে একটা সুন্দর কেকের ছবিও পোস্ট করেন তিনি। কয়েক মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এই ছবি। সেলিব্রিটি থেকে শুভাকাঙ্খী প্রচুর মানুষ সেই পোস্টের নীচে কমেন্ট করেন। অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল থেকে শুরু করে টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা অনেক সেলিব্রিটিরই এই ছবিতে কমেন্ট ছিল।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ICC WTC: ম্যাচে ফেরালেন শামি

বৃষ্টি বিঘ্নিত টেস্ট ফাইনাল পঞ্চম দিনের খেলা শুরুতেও বিলম্ব। চতুর্থ দিনের শেষে ২ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে অপরাজিত ব্যাটসম্যান উইলিয়ামসন ও রস টেলর বেশী দূর টানতে পারলেন না। শুরু থেকেই শামি-বুমরা-ইশান্ত ত্রয়ী আগুনে পেস বোলিং করছিলেন। উইকেট পড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা ছিল। অবশেষে শামির ফুল লেংথ বলে শরীর না নিয়ে ড্রাইভ করতে গিয়ে শুভমান গিলের হাতে ধরা দিলেন টেলর। শর্ট কভারে শরীর ছুঁড়ে দিয়ে অসাধারণ ক্যাচ গিলের। কয়েক ওভার পর এবার আঘাত হানেন ইশান্ত। দ্বিতীয় স্লিপে রোহিত শর্মার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন হেনরি নিকোলস। দলের রান তখন ১৩৪ / ৪ উইকেটে। ভারত দারুন ভাবে ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টায়। শামি আবার আঘাত হানে, ওয়াটলিংয়ের উইকেট নড়িয়ে দিয়ে নিউজিল্যান্ড শিবিরে কাঁপন ধরিয়ে দেয়। ১৩৫/৫ এ মধ্যাহ্নেভোজে যায় নিউজিল্যান্ড।নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক গ্র্যান্ডহোমকে নিয়ে ম্যাচে ফিরে আসার আপ্রান চেষ্টা করছিলেন। জুটি খুব বেশীক্ষণ স্থায়ী হল না। শামির আগুনে পেস বোলিংয়ের বলের লাইন ভুল করে এলবি ডাব্লিউ হলেন গ্র্যান্ডহোম। ষষ্ঠ উইকেটের পতন দলের। আগের বলে ছক্কা মারার পরের বলেই শামি জেমিসনকে স্বাগত জানান বাউন্সার দিয়ে। সোজা বুমরার হাতে বল যেতেই সপ্তম উইকেটের পতন। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৯২। ভারতের প্রথম ইনিংসের রান অতিক্রম করার পরই ফিরে গেলেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন। অর্ধশতরান থেকে মাত্র ১ রান দূরে থেমে যান। ইশান্তের অফ ষ্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল থার্ডম্যান অঞ্চলে পাঠাতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে বিরাটের হাতে ধরা পরেন। ২২১ রানে অষ্টম উইকেটের পতন।দীর্ঘ সময় পেস আক্রমণের পর বিরাট অশ্বিনকে আক্রমণে নিয়ে আসেন। নিউজিল্যান্ডের রান যখন ২৩৬, অশ্বিনের হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বল ওয়াগনার সামলাতে না পেরে স্লিপে রাহাণের হাতে ক্যাচ দিয়ে দেন। দক্ষতার সাথে রাহাণে বল তালুবন্দী করেন। নবম উইকেটের পতন।নিজিল্যান্ডের দশম উইকেট দখল করলেন জাদেজা। একটু জোরের ওপর বলটা ছেড়েছিলেন জাদেজা, একটু দেরিতে থার্ডম্যানে খেলতে চেয়েছিলেন সাউদি। ব্যাটের নাগাল এড়িয়ে বল লাগে সোজা উইকেটে। সাথে সাথে নিজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। প্রথম ইনিংসে নিজিল্যান্ড ২৪৯ রান করে, তারা ভারতের থেকে এই মুহুর্তে ৩২ রানে এগিয়ে। সময় যদিও খুব বেশী বাকি নেই। এই সামান্য লিড কতটা কাজে লাগে সেটাই দেখার।আরও পড়ুনঃ জেমিসনের বলের দাপটে দিশেহারা ভারতভারতের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল ভালো শুরু করলেও খুব বেশীক্ষণ এই জুটি টানতে পারলো না। দলের ২৪ রানে অন সাইডে ফ্লিক করতে গিয়ে সাউদির বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরলেন। সাউদি আবার আঘাত হানেন, এবার রোহিত ১৯ রানে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরে যান ভারতের রান যখন ৫১। অধিনায়ক বিরাট পুজারাকে নিয়ে অপরাজিত থেকে নির্ধারিত পঞ্চম দিনের খেলা শেষ করলেন। ভারতের রান ৬৪। Stumps in Southampton 🏏India finish the day on 64/2, with a lead of 32! Tim Southee claimed the wickets of the openers.#WTC21 Final | #INDvNZ | https://t.co/nz8WJ8wKfC pic.twitter.com/qlKrCVGAJn ICC (@ICC) June 22, 2021আবহাওয়া ঠিক থাকলে অতিরিক্ত দিন খেলা হলেও ফলাফলের সম্ভবনা খুব কম বলে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের ধারনা। ষষ্ঠ দিন আলোকজ্জ্বল থাকবে এবং সুর্যের দেখা মিলতে পারে বলে আবহাওয়ার পুর্বাভাসে জানা যাচ্ছে।দুই দলই তাঁদের সর্বস্ব দিয়ে জেতার জন্য ঝাঁপাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ম্যাচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

নিউজিল্যান্ড আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ভারতকে পিছনে ফেলে এক নম্বরে

উদ্বোধনী আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক ম্যাচের মাত্র পাঁচ দিন আগে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট দল আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। ইংল্যান্ড সিরিজে জয়লাভের পর কিউয়িরা আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে। লর্ডসে প্রথম টেস্ট ম্যাচ ড্র করার পরে, নিউজিল্যান্ড বার্মিংহামে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে দুই টেস্টের সিরিজ জয়লাভ করে।এই জয় নিউজিল্যান্ডকে আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ভারতীয় ক্রিকেট দলের থেকে ২-পয়েন্টে এগিয়ে দিয়েছে। কিউয়িরা ১২৩ রেটিং পয়েন্ট রয়েছে, অন্যদিকে বিরাট কোহলি এবং কং ১২১ পয়েন্ট নিয়ে ঠিক তাদের পিছনেই রয়েছে। এদিকে, ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান থেকে নেমে চতুর্থ স্থানে আর তাদের অ্যাসেজ প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া সেরা তিনে উঠে এসেছে।টেস্ট চ্যাম্পিয়ন ফাইনালের আগে নিউজিল্যান্ড তাদের প্রথম একাদশের নির্ভরশীল খেলোয়াড় কেন উইলিয়ামসন, টিম সাউদি, মিচেল স্যান্টনার, বিজে ওয়াটলিং এবং কাইল জেমিসনকে ছাড়াই বার্মিংহামে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দেয়। এটা ভারতের পক্ষে খুবই চিন্তার বিষয়।কিউয়িদের দ্রুতগতির বোলার ম্যাট হেনরি ছয় উইকেট নিয়ে দলেকে জয়ের দিশা দেখিয়েছিলেন। কিউয়ি ব্যাটসম্যান ডিভিউন কনওয়ে, উইল ইয়ং এবং রস টেলর প্রত্যেকে অর্ধশতরান করে দলকে আট উইকেটে জয়লাভ করতে সাহায্য করেন।এখন ভারতের প্রধান চিন্তা, নিউজিল্যান্ড কি তাদের জয়ের গতি অব্যাহত রাখতে পারবে? এবং আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে ফেলতে পারে?এইমুহূর্তে কালো টুপির দল স্বপ্নের ফর্মে রয়ছে। ঘরের মাঠে তারা ভারতের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে। এছারাও তারা তাদের সর্বশেষ চারটি টেস্ট সিরিজ টানা জিতে মনোবলেরর চুড়ায় আছে। এদিকে টিম ইন্ডিয়াও ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াকে শেষ দুটি সিরিজে পরাজিত করে টেস্ট চাম্পিয়ান ফাইনালের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলে নিউজিল্যান্ড আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কিছুটা হলেও সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। প্রথমবার আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেই কেন উইলিয়ামসনের দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে ক্রিকেট প্রেমীরা। বিরাটের টিম ইন্ডিয়াও তাদের হাতে তৈরি খাবার তুলে দেবে সেটাও হবে না বলে বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারনা। ম্যচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal