• ১২ কার্তিক ১৪৩৩, শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kohli

খেলার দুনিয়া

দিল্লির বিরুদ্ধে জয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের, তবু দাবি উঠল কোহলি হঠাও

বিরাট কোহলিকে তাহলে আর অপরিহার্য বলা যাবে না। তিনি রান না পেলেও যে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর যে জেতে, প্রমাণ হয়ে গেল। শুধু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধেই নয়, চলতি আইপিএলে আগেও কোহলির ব্যর্থতার দিনে জিতেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। কোহলিপ্রেমীরা এতটাই হতাশ যে, কয়েকটা ম্যাচ বিশ্রাম নেওয়ার দাবিও তুলেছেন নেট নাগরিকরা। কেউ কেউ আবার দাবি তুলেছেন, কোহলি হঠাও।কোহলি রান না পেলেও বড় ইনিংস গড়তে সমস্যা হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ১৮৯/৫ রান তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ১৭৩/৭ রানে থেমে যায় দিল্লি। দিল্লির পরাজয় ১৬ রানে।এদিন, আইপিএলে মাইলস্টোনের ছড়াছড়ি। প্রথম লখনউ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে আইপিএলে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। তেমনই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। মহম্মদ সিরাজের কাছে আবার আইপিএলের পঞ্চাশতম ম্যাচ। লোকেশ রাহুলের মতো শততম ম্যাচ স্মরণীয় করতে রাখতে পারলেন না গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তবে তাঁর ব্যাটেই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। আর শেষদিকে ঝড় তুলে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেড় দীনেশ কার্তিক।Some well deserved awards after a memorable game. 🔝👏🏻👏🏻#PlayBold #WeAreChallengers #IPL2022 #Mission2022 #RCB #ನಮ್ಮRCB #DCvRCB pic.twitter.com/XeuhdE1cCm Royal Challengers Bangalore (@RCBTweets) April 16, 2022টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। প্রথম একাদশে দুটি দলই একটা করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। সরফরাজ খানের জায়গায় দিল্লির প্রথম একাদশে ঢোকেন মিচেল মার্শ। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে আকাশ দীপের জায়গায় হর্ষাল প্যাটেল। বোনের মৃত্যুর জন্য জৈব সুরক্ষা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন হর্ষাল। ফিরে এসে আবার জৈব সুরক্ষা বলয়ে যোগ দেন ১১ এপ্রিল। তিন দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দিল্লির বিরুদ্ধে মাঠে নামেন।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা এদিন ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। দ্বিতীয় ওভারে ফর্মে থাকা অনূজ রাওয়াতকে (০) তুলে নেন শার্দূল ঠাকুর। পরের ওভারেই অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসিকে ফেরান খলিল আমেদ। ১১ বলে ৮ রান করে ডু্প্লেসি অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দেন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স সবথেকে বড় ধাক্কা খায় সপ্তম ওভারে। ললিত যাদবের দুরন্ত থ্রোতে রান আউট হন বিরাট কোহলি। ১৪ বলে তিনি করেন ১২।এরপরই রুখে দাঁড়ান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। রীতিমতো তিনি ঝড় তোলেন কুলদীপ যাদবের এক ওভারে নেন ২৩। কুলদীপের বলেই অবশ্য তাঁকে ফিরতে হয়। ৩৪ বলে ৫৫ রান করে তিনি ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হন সুয়াস প্রভুদেশাই (৬)। এরপর বাইশ গজে তান্ডবলীলা চালান দীনেশ কার্তিক। মুস্তাফিজুর রহমানের এক ওভারে চারটি ৪ ও দুটি ছক্কাসহ নেন ২৮। ২৬ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন দীনেশ কার্তিক। শেষ পর্যন্ত ৩৪ বলে ৬৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে ৬ ও ৪। শাহবাজ আমেদ ২১ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন।জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে। দারুণ শুরু করেছিসলেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও পৃথ্বী শ। ওপেনিং জুটিতে ৪.৩ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয়। এরপরই মহম্মদ সিরাজের ধাক্কা। তুলে নেন পৃথ্বীকে (১৩ বলে ১৬)। ওয়ার্নারের ঝড় অবশ্য থামানো যায়নি। ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হলেও পরপর দুই ম্যাচে দিল্লিকে নির্ভরতা দিলেন ওয়ার্নার। দলকে ভালোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন এই অসি ওপেনার। হাসারাঙ্গার বলে এলবিডব্লু হতেই সমস্যায় পড়ে দিল্লি। ৪টি চার ও ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৩৮ বলে ৬৬ রান করে আউট হন ওয়ার্নার। দিল্লির হয়ে অভিষেক ম্যাচও স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না মিচেল মার্শ (২৪ বলে ১৪)। হাসারাঙ্গার দুরন্ত থ্রোতে রান আউট। রভম্যান পাওয়েল (০), ললিত যাদবরা (১) দ্রুত ফেরায় চাপে পড়ে যায় দিল্লি। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (১৭ বলে ৩৪) ঝড় তোলার চেষ্টা করেও সফল হননি। শার্দূল ঠাকুর করেন ১৭। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ২৯ রানে ৩ উইকেট নেন জস হ্যাজেলউড। ৩১ রানে ২ উইকেট সিরাজের।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কোহলিদের বিরুদ্ধে নামার আগে কেন আত্মবিশ্বাসী চেন্নাই সুপার কিংস?‌

আইপিএলের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি সাফল্য পেয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অথচ এই দুটি দলই এই মরশুমে এখনও একটা ম্যাচেও জয় পায়নি। টানা ৪ ম্যাচে হার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের। মঙ্গলবার রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মুখোমুখি হচ্ছে রবীন্দ্র জাদেজার দল। প্রথম জয়ের দিকে তাকিয়ে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। যদিও কাজটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য আশাবাদী। চেন্নাই শিবিরকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে তাদের পরিসংখ্যান। আইপিএল এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে চেন্নাই সুপার কিংস এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ২৯ বার মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে ১৯টি ম্যাচে জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতেছে ৯ টি ম্যাচে। একটা ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। ২০১৯ ও ২০২০ আইপিএলে দুটি দলই একটা করে ম্যাচ জিতেছিল। গতবছর অবশ্য দুটি সাক্ষাৎকারেই জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। পরিসংখ্যান চেন্নাই সুপার কিংসের দিকে থাকলেও মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরই ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে। কারণ চলতি আইপিএলে টানা ৩ ম্যাচ জিতে দারুণ ছন্দে রয়েছে ফাফ ডুপ্লেসির দল। বলতে গেলে মঙ্গলবার একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ খেলতে নামছে চেন্নাই সুপার কিংস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে হারলেই প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে যাবে রবীন্দ্র জাদেজাদের কাছে। এর আগেও যে চেন্নাই টানা ৪ ম্যাচে হারেনি, এমন নয়। ২০১০ আইপিএলেও টানা ৪ ম্যাচ হেরেছিল ধোনি ব্রিগেড। তবে সেবার প্রথম ৪ ম্যাচে হারতে হয়নি। এবছর টানা ৪ ম্যাচ হেরে দলের আত্মবিশ্বাস যে তলানিতে পৌঁছেছে, মেনে নিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। তিনি মনে করছেন, ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং, কোনও বিভাগেই ক্রিকেটাররা পরিকল্পনার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ। ব্যাটাররাও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারছেন না। বোলিংয়ে দীপক চাহারের অভাব প্রতিটা ম্যাচেই ফুটে উঠেছে। ক্রিস জর্ডন, অ্যাডাম মিলনে, শিবম দুবে, স্যান্টনাররা দলকে ভরসা দিতে পারেননি। ব্যাটিংয়েও ধারাবাহিকতার অভাব। সবথেকে বড় চিন্ত ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ফর্ম। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটিং গভীরতা অনেক বেশি। ম্যাক্সওয়েল যোগ দেওয়ায় শক্তি আরও বেড়েছে। বোলাররাও দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ফলে চেন্নাইয়ের কাছে জয় তুলে নেওয়া সম্ভব হবে না।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ৪ মাচে হার!‌ চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই জমছে মুম্বইয়ের

এখনও পর্যন্ত আইপিএলে জয় অধরা চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। দুটি দলই ৪টি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। অথচ জয় নেই। চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই দারুণ জমে উঠেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের।সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে সাফল্য নেই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। এবছর আইপিলেও তার ব্যাতিক্রম নেই। গত বছর বিরাট কোহলিদের কাছে দুটি সাক্ষাৎকারেই হারতে হয়েছিল রোহিত শর্মাদের। এবছর প্রথম সাক্ষাৎকারেও হার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে চলতি আইপিএলে জয়ের হ্যাটট্রিক সেরে ফেলল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের নায়ক অনুজ রাওয়াত ও বিরাট কোহলি। ২ রানের জন্য কোহলি হাফ সেঞ্চুরি না পেলেও দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি করেন তরুণ অনুজ রাওয়াত।এদিন টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও ঈশান কিষান। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫০। রোহিত শর্মাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন হর্ষাল প্যাটেল। ১৫ বলে ২৬ রান করে হর্ষালের হাতেই ক্যাচ দেন রোহিত। ২ ওভার পরেই ডিওয়ালড ব্রেভিসকে (৮) তুলে নেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। এরপরি ধস নামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ইনিংসে। ৭৬ রানে ৬ উইকেট হারায়। তিলক ভার্মা (০), কিয়েরন পোলার্ড (০), রমনদীপ সিংরা (৬) ব্যর্থ। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শেষ পর্যন্ত ১৫১ রানে পৌঁছয় সূর্যকুমার যাদবের দাপটে। সূর্যকুমার চলতি আইপিএলের টানা দ্বিতীয় অর্ধশতরান পূর্ণ করে ৩৭ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন। জয়দেব উনাদকাত ১৪ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। হর্ষল প্যাটেল ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২টি করে উইকেট দখল করেন।জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরও দারুণ গতিতে রান তুলতে পারছিল না। অনুজ রাওয়াত ও অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসির ওপেনিং জুটিতে রানের গড় ছিল ৬.১২। নবম ওভারের প্রথম বলে ফাফ ডুপ্লেসিকে প্যাভিলিয়নে ফেরান জয়দেব উনাদকাট। ২৪ বলে ১৬ রান করে আউট হন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক। দলের রান তখন ৫০। ডুপ্লেসি আউট হওয়ার পর বিরাট কোহলি ক্রিজে নামতেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের রান তোলার গতি বাড়তে থাকে। অনুজ রাওয়াত ও বিরাট কোহলির জুটিতে ভর করেই ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ৩৮ বলে আইপিএলে জীবনের প্রথম অর্ধশতরান পূর্ণ করেন দিল্লির উইকেটকিপারব্যাটার অনুজ রাওয়াত। বিরাট কোহলিও চেনা ছন্দে ব্যাটিং শুরু করায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাজ কঠিন হয়ে যায়। দুজনের জুটিতে ৫২ বলে ওঠে ৮০ রান। ২টি চার ও ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৪৭ বলে ৬৬ রান করে রান আউট হন অনুজ রাওয়াত। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে আউট হন কোহলি। শেষ পর্যন্ত ৯ বল বাকি থাকতে ১৫২/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কিসের ভয়ে ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে কফি খেতে যেতেন না বিরাট কোহলি?‌

তারকাখচিত দল নিয়েও আইপিএলে সাফল্য পায়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। কখনও বিরাট কোহলির সঙ্গে দলে ছিলেন ক্রিস গেইলের মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান। কখনও আবার এবি ডিভিলিয়ার্স। ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে তো ১১ বছর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে কাটিয়েছেন বিরাট কোহলি। বিশ্বের দুই সেরা ব্যাটসম্যান মিলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এবছর আইপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ডিভিলিয়ার্স। কোহলিও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের নেতৃত্বে নেই। এবছর দল চ্যাম্পিয়ন হলে ডিভিলিয়ার্সকে ভীষণ মনে পড়বে বিরাট কোহলির।সম্প্রতি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের পক্ষ থেকে একটা ভিডিও টুইটারে পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিওতে বিরাট কোহলি বলেছেন, এবছর যদি আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হই, তাহলে এবি ডিভিলিয়ার্সের কথা প্রথম মনে পড়বে। নিজে কী পেলাম, তার থেকেও ওর কথা বেশি করে মনে পড়বে। চ্যাম্পিয়ন হলে ওই জয়টা ডিভিলিয়ার্সের কাছে খুব বড় মনে হবে। আরসিবির সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক মানুষের জীবনে ডিভিলিয়ার্সের প্রভাব চিরদিন থেকে যাবে। ২০২২ আইপিএলে ডিভিলিয়ার্স যে খেলবেন না, আগেই জানতেন বিরাট কোহলি। গত বছর টি২০ বিশ্বকাপ খেলে দুবাই থেকে ফেরার সময়ই ডিভিলিয়ার্সের সিদ্ধান্তের কথা জেনেছিলেন তিনি। ডিভিলিয়ার্স হোয়াটসঅ্যাপে কোহলিকে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে কোহলি বলেন, আমার এখনও মনে আছে, টি২০ বিশ্বকাপ খেলে দুবাই থেকে ফিরছিলাম। আমি একটা ভয়েস নোট পেয়েছিলাম। ভয়েস নোট খুলে সেটা শুনি। সেই ভয়েস নোটে ডিভিলিয়ার্স আইপিএলে না খেলার কথা জানিয়েছিল।সেই সময় অনুষ্কা বিরাটের পাশে ছিল। অনুষ্কাকে ডিভিলিয়ার্সের ভয়েস নোটের কথা জানাতেই, অনুষ্কা বিরাটকে বলেছিলেন, আমাকে বোলো না। ডিভিলিয়ার্স যে খেলা ছাড়তে পারেন সেটা এক বছর আগেই নাকি বুঝতে পেরেছিলেন অনুষ্কা। এমনই জানিয়েছেন বিরাট। আরসিবিতে খেলার সময় হোটেলে পাশাপাশি ঘরে থাকতেন কোহলি ও ডিভিলিয়ার্স। ডিভিলিয়ার্স তাঁকে কফি খেতে বললে যেতে চাইতেন না কোহলি। কোহলি ভাবতেন, ডিভিলিয়ার্স কফি খেতে খেতে হয়তো বলে বসবেন, তিনি আর আইপিএলে খেলবেন না।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডুপ্লেসির বড় রান সত্ত্বেও হার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের, নায়ক অখ্যাত ক্যারিবিয়ান

এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে ফাফ ডুপ্লেসির জন্য দারুণভাবে ঝাঁপিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। একজন দক্ষ বিদেশি ব্যাটারের পাশাপাশি নেতৃত্বের দায়িত্বও সামলাতে পারবেন। প্রথম ম্যাচেই টিম ম্যানেজমেন্টের প্রত্যাশাপূরণ করলেন ফাফ ডুপ্লেসি। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে বড় ইনিংস গড়তে পেরেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। ২০ ওভারে তুলেছিল ২০৫/৪। তা সত্ত্বেও পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। শেষদিকে ঝড় তুলে পাঞ্জাবকে জয় এনে দিলেন ওডিয়েন স্মিথ। টস জিতে এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। দারুণ শুরু করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫০। রাহুল চাহারের বলে অনুজ রাওয়াত (২০ বলে ২১) ফিরে যাওয়ার পর বর্তমান অধিনায়কের সঙ্গে হাল ধরেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ডুপ্লেসি ও কোহলি মিলে ঝড় তোলেন। জুটিতে ওঠে ১১৮। ৫৭ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ডুপ্লেসি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৭টি ৬। ২৯ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন বিরাট কোহলি। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দীনেশ কার্তিক। ১৪ বলে ৩২ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০৫ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর।পাঞ্জাব কিংসও শুরুটা খারাপ করেনি। ওপেনিং জুটিতে ৭ ওভারে ৭১ রান তুলে ফেলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৩২ রান করে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে আউট হন মায়াঙ্ক। তবে রানের গতি কমেনি। ভানুকা রাজাপক্ষের ঝড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বোলাররা। ১১.২ ওভারে শিখর ধাওয়ানের (২৯ বলে ৪৩) উইকেট হারায় পাঞ্জাব কিংস। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। তবে দলকে সবথেকে বড় ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। প্রথম স্পেলে প্রচুর রান দিলেও দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে পরপর ২ বলে তুলে নেন বিধ্বংসী রাজাপক্ষকে (২২ বলে ৪৩) ও রাজ বাওয়াকে (০)। পরপর দু উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু শাহরুখ খান (২০ বলে অপরাজিত ২৪) ও ওডিয়েন স্মিথের (৮ বলে অপরাজিত ২৫) ঝোড়ো ব্যাটিং ৬ বল বাকি থাকতেই জয় এনে দেয় পাঞ্জাবকে (২০৮/৫)।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ব্যর্থ বিরাট কোহলি, ভারতের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টেও জয়ের পথে ভারত। ভারতের ২৫২ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১০৯ রানে। প্রথম ইনিংসে ১৪৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩০৩ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে ভারত। জয়ের জন্য ৪৪৭ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তুলেছে ২৮/১।আগের দিনের ৬ উইকেটে ৮৬ রান হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। তাদের ইনিংস যে দীর্ঘস্থায়ী হবে না, প্রথম দিনেই বোঝা গিয়েছিল। দিনের তৃতীয় ওভারে বুমরার বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লসিথ এম্বুলডেনিয়া। ৯৫ রানের মাথায় শ্রীলঙ্কার সপ্তম উইকেটের পতন হয়। অষ্টম ও নবম উইকেট পড়ে ১০০ রানে। ৩৪তম ওভারে অশ্বিনের বলে সুরঙ্গা লাকমল (৯) বোল্ড হন। পরের ওভারেই ডিকওয়েলাকে (২১) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। ৮ রান করে অশ্বিনের বলে স্টাম্পড হন বিশ্ব ফার্নান্দো। মাত্র ৩৫.৫ ওভারে ১০৯ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস। যশপ্রীত বুমরা ২৪ রানে ৫ উইকেট নেন। দেশের মাটিতে এক ইনিংসে এই প্রথম ৫ উইকেট পেলেন বুমরা। অশ্বিন ও সামি ২টি করে উইকেট নেন।১৪৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল ভারত। ওপেনিং জুটিতে ১০ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই ধাক্কা খায় ভারত। এম্বুলডেনিয়ার বলে আউট হন মায়াঙ্ক আগরওয়াল (২২)। অর্ধশতরানের আগে ফেরেন রোহিত শর্মা (৪৬)। ধনঞ্জয় ডিসিলভার বলে তিনি অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের হাতে ক্যাচ দেন। ১১৬ রানের মাথায় আউট হন হনুমা বিহারী (৩৫)। জয়বিক্রমাকে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। বিরাট কোহলি আবার ব্যর্থ। ১৬ বলে মাত্র ১৩ রান করে তিনি জয়বিক্রমার নীচু হয়ে যাওয়া বলে এলবিডব্লু হন।কোহলি ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন ঋষভ পন্থ ও শ্রেয়স আয়ার। এই জুটিই ভারতকে ৩০০ রানের লিড এনে দেন। ৩১ বলে ৫০ রান করে আউট হন ঋষভ। ৮৭ বলে ৬৭ রান করেন শ্রেয়স। জাদেজা করেন ২২। অশ্বিন ১৩। ৯ উইকেটে ৩০৩ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে ভারত। শ্রীলঙ্কার হয়ে জয়বিক্রমা ৭৮ রানে ৪টি ও এম্বুলডেনিয়া ৮৭ রানে ৩ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ৪৪৭ রানে লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই লাহিরু থিরিমানেকে (০) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তুলেছে ১ উইকেটে ২৮। হার বাঁচাতে শ্রীলঙ্কার এখনও চাই ৪১৯। যা অসম্ভব এই শ্রীলঙ্কা দলের পক্ষে।

মার্চ ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে গোলাপি বল নিয়েই চিন্তা ভারতীয় শিবিরের

শনিবার বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে নৈশালোকে শুরু হচ্ছে ভারতশ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় টেস্ট। গোলাপি বলে খেলা হবে এই ম্যাচ। গোলাপি বলে এখনও সেভাবে সড়গড় হতে পারেননি ভারতীয় ক্রিকেটাররা। তাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে যথেষ্ট চিন্তিত ভারতীয় শিবির। ম্যাচের আগের দিন সহঅধিনায়ক যশপ্রীত বুমরার মুখেই শোনা গেল সেই চিন্তার কথা। এখন পর্যন্ত গোলাপি বলে মাত্র তিনটি টেস্ট খেলেছে ভারত। দেশের মাঠে একটা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, আর একটা আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। দুটি টেস্টে সহজে জিতলেও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গোলাপি বলের টেস্টে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল ভারতকে। মাত্র ৩৬ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বিরাট কোহলির দল। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুতে গোলাপি বলের টেস্টে মাঠে নামার আগে মানসিক প্রস্তুতির ওপর জোর দিচ্ছে ভারতীয় দল। ম্যাচের আগে বুমরা বলেন, পেশাদার ক্রিকেটারদের দ্রুত সব কিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। গোলাপি বলে ফিল্ডিং করা একটা আলাদা রকমের অভিজ্ঞতা। যতটা সময় নিয়ে বল কাছে আসবে বলে মনে হয়, তার আগেই চলে আসে। দুপুরের দিকে বল বেশি স্যুইং হয় না। তবে বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে সুইং বেশি হয়। এই সব খুঁটিনাটি বিষয় মাথায় রেখে, আলোচনা করেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। গোলাপি বলে আমরা বেশি টেস্ট খেলিনি। যখন খেলেছি, তখন কঠিন পরিস্থিতিতেও খেলেছি। তাই কোনও মাপকাঠি চূড়ান্ত হয়নি। যেটুকু অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং অন্যদের কাছ থেকে ফিডব্যাক পেয়েছি তার ওপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গোলাপি বলের সঙ্গে আমরা ফিল্ডিং, বোলিং, ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত নই। রোজ রোজ তো গোলাপি বলে ক্রিকেট খেলি না। তাই কী ধরনের পরিবর্তন করতে হবে, সেটা মাঠে নেমেই ঠিক করব। প্রথম একাদশ কী হবে, তা খোলসা করেননি বুমরা। ম্যাচের আগে বাইশ গজ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। বুমরা বলেন, পিচের পরিস্থিতি দেখে ঠিক হবে কী কম্বিনেশন হওয়া উচিত। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নামব। অক্ষর প্যাটেল আগের সিরিজেও দলে ছিল। বল ও ব্যাট দুটোতেই দলে অবদান রাখে। প্রথম একাদশে জায়গা পাবে কিনা সেটা এখনও বলা সম্ভব নয়। তিন সিমার না তিন স্পিনারে নামা হবে তা পিচ দেখেই চূড়ান্ত হবে। এদিকে, বেঙ্গালুরু টেস্টে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা শ্রীলঙ্কা শিবিরে। দ্বিতীয় টেস্টেও খেলতে পারবেন না দুষ্মন্ত চামিরা। তবে তাঁর থেকেও বড় ধাক্কা ফর্মে থাকা পাথুম নিসাঙ্কার ছিটকে যাওয়া। ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি ২০ আন্তর্জাতিকে তিনি ঝোড়ো ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। শ্রীলঙ্কার এই ওপেনার মোহালি টেস্টেও অর্ধশতরান পেয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন ৬১ রানে। কিন্তু পিঠের চোট তাঁকে ছিটকে দিল বেঙ্গালুরু টেস্ট থেকে। ভারত সফরে শ্রীলঙ্কার যে কয়েকজন কিছুটা সফল তাঁদের মধ্যে নিসাঙ্কা অন্যতম। শ্রীলঙ্কার অনভিজ্ঞ টেস্ট দলে নিসঙ্কার ব্যাটিং গড়ও ৪০-এর উপর। সিরিজে সমতা ফেরানোর লড়াইয়ে নামার আগে চোট সমস্যাও চ্যালেঞ্জ শ্রীলঙ্কার।

মার্চ ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির শততম টেস্টে নজর কাড়লেন জাদেজা, স্পর্শ করলেন ৬০ বছরের পুরনো রেকর্ড

ভারত-শ্রীলঙ্কা মোহালি টেস্টে সকলের নজর ছিল বিরাট কোহলির দিকে। এটাই ছিল কোহলির শততম টেস্ট। মাইলস্টোনের ম্যাচে প্রাক্তন অধিনায়কের ব্যাটে স্মরনীয় কিছু দেখতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। শততম টেস্টে মাত্র ১ ইনিংস ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছিলেন কোহলি। হাফসেঞ্চুরিও করতে পারেননি। যাবতীয় নজর কেড়ে নিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। স্পর্শ করলেন ভারতীয় ক্রিকেটের ৬০ বছরের পুরনো রেকর্ড। তাঁর দাপটেই তিনদিনের কম সময়ে শ্রীলঙ্কাকে ইনিংস ও ২২২ রানে হারিয়ে টেস্ট সিরিজে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেটে ৫৭৪ রান তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল ভারত। রবীন্দ্র জাদেজা ১৭৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তোলে ৪ উইকেটে ১০৮ রান। পাথুম নিসাঙ্কা ২৬ ও চরিথ আসালঙ্কা ১ রানে ক্রিজে ছিলেন। এদিন দলের ১৬১ রানের মাথায় আসালঙ্কাকে (২৯) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। দুওভার পরেই নিরোসান ডিকওয়েলাকে (২) তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজা। একই ওভারে ফেরান সুরঙ্গা লাকমলকে (০)। লাকমল ফেরার পরপরই পরিস্কার হয়ে যায় যে, বেশিদুর এগোতে পারবে না শ্রীলঙ্কা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ আগেই ১৭৪ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। পাথুম নিসাঙ্কা একা লড়াই করে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে বুমরা ও অশ্বিন ২টি করে উইকেট নেন। ব্যাট হাতে সাফল্যের পর বল হাতেও দু্র্দান্ত মুন্সিয়ানা দেখিয়ে ৪১ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজা। ৬০ বছর পরে ভারতীয় ক্রিকেটে অনন্য নজির গড়লেন রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ১৭৫ রান করেন তিনি। বল হাতে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে ৪১ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন। পর পর দুবলে বিশ্ব ফার্নান্ডো ও লাহিরু কুমারাকে আউট করে পাঁচ বছর পরে ফের টেস্টে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিলেন জাদেজা। একই টেস্টে ১৫০র বেশি রান ও ৫ উইকেটের কৃতিত্ব এর আগে রয়েছে দুই ভারতীয়র। ১৯৫২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভিনু মানকড় এক টেস্টে করেছিলেন ১৮৪ রান ও বল হাতে ১৯৬ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। তার ১০ বছর পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে পলি উমরিগড় এক টেস্টে ১৭২ রান করেছিলেন ও ১০৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। ভারতীয় হিসেবে রবীন্দ্র জাদেজা এই তালিকায় তৃতীয় ক্রিকেটার যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ভারতীয়রা ছাড়া এই তালিকায় রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেনিস অ্যাটকিনসন, গ্যারি সোবার্স ও পাকিস্তানের মুস্তাক মহম্মদ। প্রথম ইনিংসে ৪০০ রানে এগিয়ে যাওয়ায় শ্রীলঙ্কাকে ফলোঅন করায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে শ্রীলঙ্কা। তৃতীয় ওভারেই হারায় লাহিরু থিরিমানেকে (০)। তাঁকে তুলে নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে লড়াই করা পাথুম নিসাঙ্কা করনে মাত্র ৬ রান। তিনিও অশ্বিনের শিকার। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬০ ওভারে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। নিরোসান ডিকওয়েলা ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ করেন ২৮, ধনঞ্জয় ডিসিলভা ৩০, আসালঙ্কা ২০। ভারতের হয়ে অশ্বিন ৪৭ রানে ৪টি ও জাদেজা ৪৬ রানে ৪টি উইকেট নেন। এদিন কপিলদেবের ৪৩১ টেস্ট উইকেটের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন অশ্বিন।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌শততম টেস্টে বড় রান করতে ব্যর্থ কোহলি, পন্থের দাপটে ভারত ভাল জায়গায়

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার প্রথম টেস্ট। মাইলস্টোনের ম্যাচ বিরাট কোহলিরও। মোহালিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জীবনের শততম টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন কোহলি। মাইলস্টোনের ম্যাচে অনেকেই কোহলির কাছ থেকে সেঞ্চুরি প্রত্যাশা করেছিলেন। তাঁর ভক্তদের হতাশ করলেন কোহলি। শততম টেস্টে বড় রান করতে ব্যর্থ। অধিনায়ক রোহিত শর্মাও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। তা সত্ত্বেও প্রথম দিনের শেষে বড় রান ভারতের। ৬ উইকেটে তুলল ৩৫৭। সৌজন্যে ঋষভ পন্থ। যদিএ ধৈর্য হারিয়ে মাত্র ৪ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না ভারতীয় দলের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। মোহালিতে আইএস বিন্দ্রা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫২। এরপরই লাহিরু কুমারার বলে আউট হন রোহিত (২৯)। লোকেশ রাহুলের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৩৩ রান করে এমবুলদেনিয়ার বলে লেগ বিফোর আউট হন। ৮০ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন ভারতের দুই ওপেনার।চেতেশ্বর পুজারার বিকল্প হিসেবে হনুমা বিহারিকে তিন নম্বরে সুযোগ দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সুযোগের সদব্যবহার করলেন হনুমা। কোহলির সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান। জুটিতে ওঠে ৯০। শততম টেস্টে কোহলির দিকে তাকিয়েছিলেন সকলেই। অনেকেই ভেবেছিলেন, দীর্ঘদিন বড় রান না পাওয়া কোহলি ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জ্বলে উঠবেন। ভাল শুরু করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। এমবুলদেনিয়ার স্পিনে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন কোহলি। ৭৬ বলে তিনি করেন ৪৫। এদিন টেস্ট ক্রিকেটে ৮০০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। কোহলি যখন আউট হন ভারতের রান ১৭০। কোহলি আউট হওয়ার পরপরই ফেরেন হনুমা বিহারি। তিনি করেন ৫৮। শ্রেয়স আয়ারও (২৭) বড় রান পাননি।Listen in to what Virat Kohli has to say on his playing his landmark Test today. @Paytm #INDvSL | @imVkohli pic.twitter.com/MAtUcgJcVo BCCI (@BCCI) March 4, 2022৫ নম্বরে ক্রিজে নেমে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গীতে ব্যাট করতে থাকেন ঋষভ পন্থ। ৭৩ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এরপর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। লসিথ এমবুলদেনিয়ার ১ ওভারে নেন ২২। ম্যাচের দ্বিতীয় নতুন বলে সুরঙ্গা লাকমলের ওভারে বোল্ড হন ঋষভ। ৯টি ৪ ও ৪টি ৬য়ের সাহায্যে ৯৭ বলে ৯৬ রান করে ঋষভ। রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১০৪। এই নিয়ে ৫ বার নব্বইয়ের ঘরে আউট হলেন ঋষভ। দিনের শেষে ভারত ৮৫ ওভারে তোলে ৩৫৭/৬। রবীন্দ্র জাদেজা ৪৫ ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১০ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌শততম টেস্টের মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়ে এ কী কথা বললেন কোহলি!‌

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেই খেলা হয়ে যেত জীবনের শততম টেস্ট। চোটের জন্য সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানোয় মাইলস্টোনে পৌঁছনো সম্ভব হয়নি বিরাট কোহলির। অবশেষে শুক্রবার মোহালিতে আসছে সেই স্মরণীয় মুহূর্ত। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন জীবনের শততম টেস্ট। ক্রিকেটজীবনের এই মাইলস্টোনের সামনে এসে দাঁড়িয়ে আপ্লুত কোহলি। অপেক্ষায় রয়েছেন কখন আসবে সেই সোনালী মুহূর্ত।জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর দিনও কোহলি ভাবেননি দেশের হয়ে ১০০ টেস্ট খেলতে পারবেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইটে এক সাক্ষাৎকারে কোহলি বলেন, দেশের হয়ে খেলাটাই আমার কাছে স্বপ্ন ছিল। ভাবিনি কোনও দিন ১০০ টেস্ট খেলতে পারব। ঈশ্বরের আশীর্বাদ থাকায় খেলতে পারছি। শততম টেস্ট যে শেষ পর্যন্ত খেলতে পারছি, তার জন্য আমি আপ্লুত। নিজের ফিটনেসের ওপর জোর দিয়েছি। এটা আমার পরিবার, কোচের কাছে গর্বের মুহূর্ত। প্রত্যেকে আমার জন্য খুশি এবং গর্বিত। কোহলি আরও বলেন, কী পাব, কী পাব না, তা নিয়ে কখনও ভাবিনি। সামনে যে সুযোগ এসেছে, সেটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। বরাবরই লক্ষ্য থাকত বড় রান করার। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলার আগে জুনিয়র ক্রিকেটে আমার ৭৮টা প্রচুর দ্বিশতরান ছিল। কখনও ছোট ইনিংস খেলার কথা ভাবিনি, যত বেশি সময় সম্ভব ব্যাট করতে চাইতাম। টেস্ট ক্রিকেটকেই আসল ক্রিকেট মনে করেন কোহলি। তাঁর মতে, ক্রিকেটারের দক্ষতা, প্রতিভার বিচার হয় টেস্ট ক্রিকেটেই। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরির কথা আজও চোখের সামনে ভাসছে কোহলির। তাঁর কথায়, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওদের মাটিতেই প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলাম। ওই দিনটারস কথা আমার কাছে সারাজীবন মনে থাকবে। আমার মতো একজন তরুণ ক্রিকেটারকে ওই সেঞ্চুরি অনেকটাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। ওই টেস্টের পর থেকেই আমি খেলায় আরও উন্নতি করতে শুরু করি। আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়। টেস্ট ক্রিকেট খেলার জন্য অনেক পরিশ্রমও করতে হয়েছে বলে দাবি করেন কোহলি। তাঁর কথায়, হঠাৎ করে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে শুরু করিনি। এরজন্য আমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। টেস্ট ক্রিকেট বাঁচিয়ে খেলাটাকে উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা করেছি বরাবর। টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নিজের আত্মা এবং হৃদয় সমর্পণ করেছি।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে কেন চাপে নেই রোহিত?‌

সাদা বলের ক্রিকেটে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে ভারত। টি২০ ক্রিকেটে টানা তিনটি সিরিজ জিতেছে রোহিত শর্মার দল। গত বছরের শেষে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ দিয়ে শুরু। কিউয়িদের হোয়াইট ওয়াশ করার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও ৩০ ব্যবধানে জয়। মাঝে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও একদিনের সিরিজ জিতেছে ভারত। তবে ছন্দপতন লালবলের ক্রিকেটে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ঘরের মাঠে সামনে এবার শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া রোহিত শর্মার দল।দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টেস্ট সিরিজে হেরে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে ভারত। পয়েন্টের পার্সেন্টেজের বিচারে রয়েছে পঞ্চম স্থানে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২০ ব্যবধানে না জিতলে আরও পিছিয়ে পড়তে হবে। ফাইনালে ওঠার জন্য ভারতের সামনে রয়েছে ৯টি টেস্ট। এই ৯টি টেস্টেই জেতার চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অন্যদিকে, টি২০ সিরিজে বিধ্বস্ত হওয়ার পর টেস্ট সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। গতবছর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ ১০ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। তারপর ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান বিরাট কোহলিরা। প্রথম টেস্ট জিতে ইতিহাস তৈরির সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর সিরিজ জেতা হয়নি। বাকি দুটি টেস্টে জিতে সিরিজ জেতে প্রোটিয়ারা। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অভিষেক হতে চলেছে রোহিতের। তাঁর লক্ষ্য অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্টে ছাপ রাখতে। তবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে শুধু দুটি টেস্টই নয়, লক্ষ্য সব টেস্ট জেতা। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্টে খেলতে নামার আগে চাপে নেই হিটম্যান রোহিত। দলের ওপর ভরসা করছেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয় ছাড়া কিছু ভাবছেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। তিনি বলেন, দল হিসেবে আমরা খুব ভাল জায়গায় আছি। এরজন্য বিরাটকে কৃতিত্ব দিতে হবে। ক্যাপ্টেন হিসেবে দলটা তৈরি করেছে। ওর সাফল্যকে ধরে রেখে আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আমি শুধু জয়ের কথা ভাবছি।দীর্ঘদিন পর চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানেকে ছাড়াই খেলতে নামবে ভারত। এই দুই ব্যাটারের জায়গা সহজে ভরাট হবে না বলে মনে করছেন রোহিত। তাঁর কথায়, পুজারা, রাহানের পরিবর্ত যারাই দলে আসুক তাদের কাজটা সহজ হবে না। দলের জন্য রাহানে ও পুজারার অবদান কখনও ভোলার নয়। দলকে প্রচুর ম্যাচে জিতিয়েছে। ভারতকে ১ নম্বর টেস্ট দল করার পেছনে ওদের বড় অবদান রয়েছে। চেতেশ্বর পুজরার জায়গায় তিন নম্বরে শ্রেয়স আয়ারের খেলার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে রাহানের জায়গায় হনুমা বিহারি কিংবা শুভমান গিলের মধ্যে একজন। এছাড়া দীর্ঘদিন পর আবার টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামতে চলেছেন রবীন্দ্র জাদেজা।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনেও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি কোহলি

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে নামছেন বিরাট কোহলি। তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই দীর্ঘ পথে বরাবরই দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়েছেন। যা রনজি খেলার সময়ও দেখা গিয়েছিল। দিল্লি রনজি দলের সতীর্থ পুনিত বিস্তের মুখে শোনা গেছে সেই দায়বদ্ধতার গল্প। বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনেও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন দলের জন্য। প্রত্যয়ী মানসিকতা নিয়ে। ২০০৬ সালের দিল্লি বনাম কর্ণাটক রনজির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলছিল। সবে তখন ১৭ বছর বয়স বিরাট কোহলির। ততদিনে জায়গা করে নিয়েছেন দিল্লি রনজি দলে। কর্ণাটক ম্যাচ চলাকালীন দ্বিতীয় দিন রাতে মারা গিয়েছিলেন কোহলির বাবা প্রেম। তৃতীয় দিন সকালে দিল্লি ড্রেসিংরুমে সকলেই শোকে বিহ্বল। থমথমে পরিবেশ। কোচ চেতন চৌহান থেকে শুরু করে অধিনায়ক মিঠুন মানহাস, সকলেই কোহলিকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য। কারও কথা শোনেননি কোহলি। ব্যাট করতে যাওয়ার জন্য ড্রেসিংরুমের এককোণে দাঁড়িয়ে তৈরি হচ্ছিলেন। দলের প্রতি কোহলির সেই দায়বদ্ধতার কথা আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে পুনিত বিস্তের। কোহলির শততম টেস্ট খেলতে নামার প্রাক্কালে সেদিনের ঘটনার কথা স্মরণ করে পুনিত বলেন, তৃতীয় দিন সকালে আমার ও কোহলির ব্যাট করতে নামার কথা। আগের দিন রাতে কোহলির পিতৃবিয়োগ হয়েছে। কোচ চেতন চৌহান, অধিনায়ক মিঠুন মানহাস, দলের বাকিরা কোহলিকে বারবার বুঝিয়েছিল বাড়ি ফিরে গিয়ে এই শোকের পরিবেশে পরিবারের পাশে থাকার জন্য। কিন্তু কোহলি কারও কথা শোনেনি। ওর পরিকল্পনা ছিল অন্য। কোহলি চায়নি একজন ব্যাটারকে হারিয়ে দল বিপদে পড়ুক। আমার সঙ্গে ব্যাট করতে নেমেছিল। এখনও ভাবলে অবাক হই, কতটা মনের জোর থাকলে ওইরকম পরিস্থিতিতে মাঠে নামা যায়। ব্যাট করতে নেমে পুনিতের সঙ্গে জুটিতে ১৫২ রান তুলেছিলেন কোহলি। মাত্র ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছিলেন তিনি। আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়েছিলেন কোহলি। পুনিত বিস্ত সেই ইনিংসে করেছিলেন ১৫৬। পুনিতের মতে কোহলির ওই ইনিংস চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ওই রকম মানসিক পরিস্থিতিতে কোহলিকে ব্যাট করতে পাঠানো ঠিক হবে কিনা, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু মাঠে নেমে দাপটের সঙ্গে ব্যাট করেছিল কোহলি। শোককে পেছনে ফেলে প্রত্যয়ী হয়ে উঠেছিল। আমি ওকে সান্তনা দেব কী, কোহলিই আমাকে বারবার বলছিল, আউট হওয়া চলবে না, লম্বা ইনিংস খেলতে হবে।

মার্চ ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির ওপর চাপ বাড়ালেন শ্রেয়স, শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইট ওয়াশ ভারতের

বিরাট কোহলির ওপর কি চাপ বাড়িয়ে দিলেন নাইট রাইডার্সের নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার? টি২০ ক্রিকেট থেকে দিন দশেকের বিশ্রাম নিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়েই জ্বলে উঠলেন শ্রেয়স আয়ার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনটি ম্যাচেই অর্ধশতরান। তাঁর দাপটেই সিরিজের তৃতীয় টি২০ ম্যাচেও জিতল ভারত। ৬ উইকেটে হারাল শ্রীলঙ্কাকে। নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর শ্রীলঙ্কাকেও টি২০ সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ ভারতের। একই সঙ্গে টানা ১২টি টি২০ ম্যাচ জিতে আফগানিস্তান ও রোমানিয়ার বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করল ভারত। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনকা। আবেশ খান ও মহম্মদ সিরাজের দাপটে শুরুতেই বেসামাল হয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার। প্রথম ওভারেই মহম্মদ সিরাজ তুলে নেন দানুষ্কা গুণতিলকাকে (০)। পরের ওভারেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ১০ বলে ১ রান করে আবেশ খানের বলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পাথুম নিসাঙ্কা। চতুর্থ ওভারে তৃতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কায চরিথ আসালঙ্কাকে (৪) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে বেকায়দায় ফেলে দেন আবেশ খান। ২৯ রানে শ্রীলঙ্কার চতুর্থ উইকেটের পতন। নবম ওভারে জানিথ লিয়ানাগেকে (৯) তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। ১২.১ ওভারে দীনেশ চান্দিমল (২৭ বলে ২২) আউট হলে শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৬০। এরপর শ্রীলঙ্কাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক দাসুন শনাকা। ২৯ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মারেন ৯টি চার ও ২টি ছয়। করুণারত্নে ১৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ১৪৬/৫। ভারতের যা ব্যাটিং শক্তি, এই রান তুলতে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। শুরুতে রোহিত শর্মা ফিরে গেলেও সমস্যায় পড়তে হয়নি। ৯ বলে মাত্র ৫ রান করে দুষ্মন্ত চামিরার বলে আউট হন রোহিত। এই নিয়ে ৬ বার চামিরার শিকার হলেন ভারতীয় অধিনায়ক। ঈশান কিশান চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় রোহিতের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। সঞ্জুও (১২ বলে ১৮) বড় রান করতে পারেননি। দীপক হুডা ১৬ বলে ২১ রান করে আউট হন। ভেঙ্কটেশ আয়ারও (৫) ব্যর্থ। এরপর ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শ্রেয়স আয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজা। ৪৫ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে চলতি সিরিজে তিনি ২০৪ রান করলেন। তিন ম্যাচের টি২০ আন্তর্জাতিক সিরিজে বিরাট কোহলির সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড এদিন ভেঙে দিলেন শ্রেয়স। তিনটি চারের সাহায্যে ১৫ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১৬.৫ ওভারে ১৪৮/৪ তুলে ম্যাচ জিতে যায় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আত্মবিশ্বাসের অভাব কোহলির?‌ রোহিত কী উত্তর দিল দেখুন

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে চূড়ান্ত ব্যর্থ বিরাট কোহলি। তিম ম্যাচে সংগ্রহ ২৬। প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৮ রান, দ্বিতীয় ম্যাচে ১৮। আর তৃতীয় ম্যাচে কোনও রান করতে পারেননি। নেতৃত্ব হারানোর পর থেকে কি আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিয়েছে কোহলির? ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে ব্যর্থতার পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্নটা সপাটে বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন ভারতীয় দলের নতুন অধিনায়ক রোহিত শর্মা।একদিনের সিরিজে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইট ওয়াশ করার পর ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে রোহিতের কাছে প্রশ্ন উড়ে এসেছিল, কোহলির কি আত্মবিশ্বাস বাড়ানো জরুরি? প্রশ্নটা হেসে উড়িয়ে দেন রোহিত। বলেন, বিরাট কোহলির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর প্রয়োজন? কী কথা বলছেন? দীর্ঘদিন সেঞ্চুরি পায়নি, এটা ঠিক কথা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজেই তো দুটি হাফসেঞ্চুরি করেছে। আমার মনে হয় না কোথাও ভুল আছে। ওর আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। কোহলির ফর্ম নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টও চিন্তিত নয়। সুনীল গাভাসকারও মনে করছেন, কোহলির টেকনিকে কিংবা আত্মবিশ্বাসে কোনও অভাব রয়েছে। আসলে ভাগ্যের সহায়তা পাচ্ছেন না প্রাক্তন অধিনায়ক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে টপ অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা দারুণভাবে সামলে দিয়েছে মিডল অর্ডার। দলের মিডল অর্ডারের ব্যাটিংয়ে খুশি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর দাবি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সবকিছুই পরিকল্পনামাফিক হয়েছে। রোহিত বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে মিডল অর্ডার সেভাবে রান পায়নি। মাঝের ওভারগুলো কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে, এই নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট যথেষ্ট চিন্তায় ছিল। কিন্তু ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে সিরিজে মিডল অর্ডার দারুণ খেলেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাট করেছে। এটা দলের কাছে ইতিবাচক দিক। রোহিত আরও বলেন, টপ অর্ডার রান পাওয়ায় মিডল অর্ডার ব্যাট করার সুযোগ পাচ্ছিল না। এই সিরিজে টপ অর্ডার ব্যর্থ। মিডল অর্ডার দারুণ চাপ সামলেছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড কোহলির

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে একদিনের সিরিজে হোয়াট ওয়াশের পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আগেই সিরিজ জিতে নিয়েছিল রোহিত শর্মার দল। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ৯৬ রানে জিতে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইট ওয়াশ ভারতের। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম একদিনের সিরিজেই দারুণ কৃতিত্ব রোহিতের। আর রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড বিরাট কোহলির। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই বিরাট কোহলির। ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকিয়েছিলেন কোহলির ব্যাটের দিকে। দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে যদি সেঞ্চুরি আসে। সেঞ্চুরি তো দুরের কথা, লজ্জার রেকর্ডের সামিল হতে হতে হল প্রাক্তন অধিনায়ককে। প্রথম ম্যাচে ৮ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে আউট হয়েছিলেন ১৮ রানে। আর তৃতীয় একদিনের ম্যাচে নামের পাশে শূন্য। এই নিয়ে দেশের মাঠে ৮ বার শূন্য রানে আউট হলেন কোহলি। স্পর্শ করলেন হরভজন সিং ও সুরেশ রায়নার রেকর্ড। এই দুজনও ৮ বার করে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে চারটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে ভারত। লোকেশ রাহুল, দীপক হুডা, শার্দূল ঠাকুর, যুজবেন্দ্র চাহালের জায়গায় শিখর ধাওয়ান, শ্রেয়স আয়ার, দীপক চাহাল ও কুলদীপ যাদব। টস জিতে এদিন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় ভারত। ১৫ বলে ১৩ রান করে আউট হন রোহিত। ২ বল পরেই আউট হন কোহলি। দুজনকেই তুলে নেন আলজেরি জোসেফ। শিখর ধাওয়ানও (১০) ব্যর্থ। ৪২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শ্রেয়স আয়ার ও ঋষভ পন্থের পার্টনারশিপ চাপ থেকে উদ্ধার করে ভারতকে। ৫৪ বলে ৫৬ রান করে আউট হন ঋষভ। সূর্যকুমারও (৬) ব্যর্থ। ১১১ বলে ৮০ রান করে আউট হন শ্রেয়স। ওয়াশিংটন সুন্দর (৩৩) ও দীপক চাহার (৩৮) ভারতকে ২৬৫ রানে পৌঁছে দেয়। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের কাছে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকে এদিনও বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ভারতীয় বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, দীপক চাহার, মহম্মদ সিরাজদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সামনে অসহায় হয়ে পড়েছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। একসময় ৮২ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি। মিডল অর্ডারে কিছুটা লড়াই করেন নিকোলাস পুরান (৩৪)। লোয়ার অর্ডারে আলজেরি জোসেফ (২৯) ও ওডিয়েন স্মিথ (৩৬) রুখে দাঁড়ালেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৩৭.১ ওভারে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ২৭ রানে, মহম্মদ সিরাজ ২৯ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। দীপক চাহার ও কুলদীপ যাদব নেন ২টি করে উইকেট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌'ক্রিকেট ছেড়ে বাবার সঙ্গে অটো চালাও', কেন মহম্মদ সিরাজকে একথা বলা হয়েছিল?

জাতীয় দলের হয়ে এই মুহূর্তে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মহম্মদ সিরাজ। তিন ধরনের ফরম্যাটেই ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। অথচ এই সিরাজকেই এক সময় শুনতে হয়েছিল, যাও, ক্রিকেট ছেড়ে বাবার সঙ্গে অটো চালাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় এইভাবে ট্রোল হয়েও ভেঙে পড়েননি। দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন। জায়গা করে নিয়েছিলেন জাতীয় দলে। বাকিটা ইতিহাস।২০১৯ সালের ঘটনা। সেই মরশুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জার্সি গায়ে আইপিএল খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। কিন্তু ওই বছরটা খুব খারাপ কেটেছিল তাঁর কাছে। ৯টা ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। উইকেট পেয়েছিলেন মাত্র ৭টি। ইকনমি রেট ছিল ১০-এর কাছাকাছি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মরশুমও ভাল যায়নি। ওই বছরই কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে ২.২ ওভারে ৩৬ রান দিয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। পাঁচপাঁচটি ছক্কাও হজম করতে হয়েছিল তাঁকে। একই ওভারে পরপর দুটি বিমার দেওয়ায় বিরাট কোহলি বাধ্য হয়ে মহম্মদ সিরাজকে বোলিং থেকে সরিয়ে নেন। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে ট্রোল করেন নেট নাগরিকরা। সেই দুঃসময়ের কথা তুলে ধরে মহম্মদ সিরাজ বলেন, কেকেআরের বিরুদ্ধে পরপর দুটি বিমার দিয়েছিলাম। ওই ম্যাচের পর অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সমালোচনা করে বলেছিল, ক্রিকেট ছেড়ে ফিরে যাও, বাবার সঙ্গে অটো চালাও। আমি অবশ্য সমালোচনায় কান দিইনি। ওই সময় ধোনিভাইয়ের কথা মাথায় রেখেছিলাম। ধোনিভাই একবার আমাকে বলেছিল, লোকে কে কী বলল, সেটা মাথায় না রাখতে। ভাল খেললে সবাই প্রশংসা করবে, খারাপ খেললে সমালোচনায় ভরিয়ে দেবে। সমালোচনায় কান দিও না। ধোনিভাইয়ের এই কথাগুলো মাথায় রেখেছিলাম। একসময় যারা আমাকে ট্রোল করেছিল, পরেই তারা আমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিল।২০২০ আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ভারতীয় টেস্ট দলে সুযোগ পান সিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অভিষেক হয় সিরাজের। আসন্ন আইপিএলের মেগা নিলামের আগে যে তিন জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে আরসিবি তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। সাত কোটি টাকায় তাঁকে ধরে রেখেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির পথ অনুসরণ করবেন?‌ সন্ধিক্ষণের মুখে রোহিত ও ভারত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে রবিবার একদিনের সিরিজ খেলতে নামছে ভারত। ভারতের কাছে এটি হাজারতম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। একদিকে ভারত যেমন সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে, তেমনি সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক রোহিত শর্মাও। এই প্রথম দেশকে একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিতে নামবেন। নতুন অধিনায়ক জানিয়ে দিয়েছেন, বিরাট কোহলির পথ অনুসরণ করেই তিনি দেশকে নেতৃত্ব দেবেন।গত বছর ডিসেম্বরেই একদিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়ে যেত নেতা রোহিতের। কিন্তু হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যেতে পারেননি। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে অধিনায়কের আর্ম ব্যান্ড হাতে মাঠে নামবেন রোহিত।আমেদাবাদে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে রোহিত বলেন, কোহলি অধিনায়ক থাকার সময় আমি সহঅধিনায়ক ছিলাম। কোহলির দেখানো পথেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। অধিনায়ক হয়েই যে আমি সবকিছু বদলে দেব, এমন ভাবার প্রয়োজন নেই। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলায় পরিবর্তন হতেই পারে। কোন ক্রিকেটারের কাছ থেকে দল কী প্রত্যাশা করছে, সে ব্যাপারে সবাই যাতে সুস্পষ্ট ধারণা পায়, সেটা নিশ্চিত করব। দলের সবাই নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। দলের একটা কাঠামো রয়েছে, সেই অনুযায়ীই আমরা খেলব।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় ভারতীয় দল। করোনার জন্য শিখর ধাওয়ান, ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শ্রেয়স আয়ারকে পাবে না ভারত। মায়াঙ্ক আগরওয়ালও রয়েছেন কোয়ারেন্টিনে। বোনের বিয়ের জন্য লোকেশ রাহুলও প্রথম ম্যাচে নেই। ব্যাকআপ হিসেবে ডাকা হয়েছে ঈশান কিশান ও শাহরুখ খানকে। প্রথম ম্যাচে রোহিতের সঙ্গে ওপেন করবেন ঈশান কিশান। মোতেরায় মাঠে নামার আগে খোলসা করে দিয়েছেন রোহিত।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বোলিং কম্বিনেশনে পরিবর্তন হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর আবার দেখা যাবে কুলচা জুটি। যুজবেন্দ্র চাহালের সঙ্গে কুলদীপ যাদবকে খেলানোর কথা সাংবাদিক সম্মেলনে বলে গেছেন রোহিত। যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। শার্দূল ঠাকুর, মহম্মদ সিরাজ, দীপক চাহারদের ওপর জোরে বোলিং সামলানোর দায়িত্ব। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে অলরাউন্ডার হিসেবে ভেঙ্কটেশ আয়ারকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ভেঙ্কটেশ। অলরাউন্ডার হিসেবে দীপক হুডা অথবা ওয়াশিংটন সুন্দরকে খেলানো হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বেঙ্গালুরুতে কোহলির শততম টেস্ট খেলার ইচ্ছেপূরণে বাধা হতে চলেছে বোর্ড

প্রিয় মাঠ বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে কি জীবনের শততম টেস্ট খেলা হবে না বিরাট কোহলি? সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ প্রবল হয়ে উঠছে। আর কোহলিকে বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে না দেওয়ার পেছনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভুমিকা বড় হয়ে দাঁড়াতে চলেছে। অর্থাৎ বোর্ড কর্তারা ইচ্ছে করেই হয়তো বেঙ্গালুরুতে কোহলির আটকে দিতে পারেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক একেবারেই ভাল নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির গায়ে যেভাবে মিথ্যাবাদী তকমা সাঁটিয়ে দিয়েছেন, তা ভালভাবে নেননি অন্য বোর্ড কর্তারা। যার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে তিনটি টেস্টেই খেললে এতদিন শততম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কিন্তু জোহানেসবার্গে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কোহলি। জোহানেসবার্গে খেললে সেটাই হত কোহলির ৯৯ তম টেস্ট। পরে কেপ টাউনে সিরিজের শেষ টেস্টে খেলেন। ফলে ৯৯তম টেস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেই খেলে ফেলেছেন। ভারতের পরবর্তী টেস্ট সিরিজ ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুটি টেস্ট হবে বেঙ্গালুরু ও মোহালিতে। বেঙ্গালুরুতেই প্রথম টেস্ট হওয়ার কথা। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের হয়ে খেলেন কোহলি। সেই সুবাদে বেঙ্গালুরু তাঁর ঘরে মাঠ। বেঙ্গালুরুতে প্রচুর সমর্থকও রয়েছে কোহলির। সেসব কথা মাথায় রেখে কোহলি চেয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে পরিকল্পিতভাবে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ভারত ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে তিনটি টি ২০ ম্যাচও হবে। টেস্ট সিরিজ শেষ হলে তিনটি টি ২০ ম্যাচ হওয়ার কথা মোহালি, ধরমশালা ও লখনউতে। যদিও এই সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। দুটি টেস্ট বেঙ্গালুরু ও মোহালি। একটি টেস্ট দিনরাতের করার ব্যাপারে উদ্যোগী বোর্ড। কিন্তু মোহালিতে দিনরাতের টেস্ট আয়োজন করা সমস্যা। কারণ মোহালিতে সন্ধেবেলা খুব বেশি শিশির পড়ছে। তাই বেঙ্গালুরুতে গোলাপি বলের টেস্টের সম্ভাবনা বেশি। করোনার জন্য যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সূচিতে অদলবদল হতে পারে। বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, টি২০ সিরিজ শেষ করে তারপর টেস্ট সিরিজ হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রথম দুটি টি২০ ম্যাচ ধরমশালায় খেলার পর দুটি দল মোহালি আসবে। সেখানে ১টি টি২০ ও ১টি টেস্ট ম্যাচ হতে পারে। তারপর দ্বিতীয় টেস্ট হতে পারে বেঙ্গালুরুতে। সেক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুতে দিনরাতের টেস্ট হলেও কোহলিকে দর্শকহীন মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার বিতর্কে সৌরভ গাঙ্গুলি?‌ ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

বিরাট কোহলিকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে বিতর্কে জনিয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। আবার নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। যা নিয়ে উত্তাল ক্রিকেটমহল। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির অবশ্য কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি।কী এমন করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি যে তাঁকে নিয়ে আবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে? এক্তিয়ার বহির্ভূতভাবে তিনি নাকি ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিনিধির টুইটে এই ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি কখনোই জাতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে থাকতে পারেন না। দল নির্বাচনের বৈঠকে আহ্বায়ক হিসেবে বোর্ড সচিব জয় শাহ থাকতে পারেন। কিন্তু বেশ কয়েকটা বৈঠকে সৌরভ গাঙ্গুলি নাকি হাজির ছিলেন।You know what else is problematic apart from the obvious Ganguly- Shah duo? The presence of Rohit Sharma.The day a leader decides to share power is the day he loses the room. So many news saying that dressing room is a divided house.Two lions never ruled a jungle together! https://t.co/dYhornzxAN Cricketjeevi (@wildcardgyan) February 1, 2022একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেল একটি অনুষ্ঠানে প্রশ্ন তুলেছে কোন নিয়মে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকেন। ওই অনুষ্ঠানে দাবি করা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সব নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের অভিযোগ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি সৌরভ। এমনকি কোনও বোর্ড কর্তাও এই ব্যাপারে মন্তব্য করেননি। তবে অনেক কর্তা এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বিরাট কোহলি দাবি করেছিলেন, তিনি বোর্ড কর্তাদের জানিয়েই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। পরে বোর্ড কর্তারা জানান, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে তাঁরা কিছু জানতেন না। এরপর একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে বিরাট কোহলিকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এরপরই কোহলিপ্রেমীরা সৌরভের অপসারণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়ে ওঠেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‌বিশ্বকাপ জেতেনি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার?‌ কী বললেন শাস্ত্রী

মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড পাওয়ার পর ভারতীয় দলকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। লালবলের ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘদিন শীর্ষে ছিল ভারত। একদিনের ক্রিকেটেও দুর্দান্ত সাফল্য। তবে একটাই আক্ষেপ, কখনও আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এরজন্য কোহলিকে অনেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। বিশ্বকাপ জেতেননি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার, এমনটা মনে করছেন না রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেডস্যার বলেন, একজন ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপ জয়ের মাপকাঠি দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্রিকেটার কেমন খেলছে, আইকন হয়ে উঠেছে কিনা সেটা দেখতে হবে। অনেক বড় বড় ক্রিকেটারও বিশ্বকাপ জেতেনি। সৌরভ, কুম্বলে, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণও তো বিশ্বকাপ জেতেনি। তাহলে এরা খারাপ ক্রিকেটার হয়ে গেল? বিশ্বকাপ জেতার জন্য শচীন তেন্ডুলকারকে ৬টি বিশ্বকাপ খেলতে হয়েছে। আমাদের দেশে মাত্র দুজন অধিনায়ক বিশ্বকাপ জিতেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা ও লালবলের ক্রিকেটে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ভারতের তুলনায় অনেক কম শক্তিশালী ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এইরকম দলের কাছে টেস্ট ও একদিনের সিরিজে পরাজয় অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। শাস্ত্রী অবশ্য মনে করছেন, এই হারে সমর্থকদের বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ভারতের এই ব্যর্থতা সাময়িক। সব ম্যাচ কখনোই জেতা সম্ভব নয়। ৫ বছর ধরে ভারত বিশ্বের একনম্বর দল ছিল। সাফল্যের অনুপাত ৬৫ শতাংশ। হঠাৎ করে তাদের পারফরমেন্স নেমে যাবে? এই ব্যর্থতা কাটিয়ে খুব তাড়াতাড়ি ভারত ঘুরে দাঁড়াবে। গতবছরই টি২০ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন জাতীয় নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরের দিনই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোহলির ব্যক্তিগত ব্যাপার। ওর এই সিদ্ধান্তকে সবাইকে সম্মান জানাতেই হবে। সুনীল গাভাসকার, শচীন তেন্ডুলকার, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়করাও ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য নেতৃত্ব ছেড়েছিল।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘আমার খুব আনন্দ হচ্ছে’, ইন্দ্রনীল সেন জেলে যেতেই বিস্ফোরক বুদ্ধদেব-পুত্র সুচেতন!

পুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তাঁকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এ বার মুখ খুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। ইন্দ্রনীলের সঙ্গীত সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তা সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন সুচেতন। তাঁর অভিযোগ, ইন্দ্রনীলের আচরণ ছিল অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ। প্রাক্তন মন্ত্রীর জেলবন্দি হওয়ার খবর তাঁকে খুশি করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কলেজ পাশ করার পর ২০০৫ সালে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গীত সংস্থায় চাকরি শুরু করেন সুচেতন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করেছিলেন তিনি। সেই সময় রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এর পর ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে বলে দাবি সুচেতনের। সেই পরিস্থিতিতে সংস্থার চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।সুচেতনের অভিযোগ, ২০১৩ সালে তিনি ইস্তফাপত্র পাঠালেও ইন্দ্রনীল তা গ্রহণ করেননি। ইস্তফাপত্রের কপি দেওয়ার কথা বলে তাঁকে অফিসে ডেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। সুচেতনের কথায়, তাঁর ঔদ্ধত্য এতটাই ছিল যে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ পর্যন্ত করেননি। সেটা রিসিভ করে আমাকে কপি দেবেন বলে ডেকে পাঠিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে অপেক্ষা করিয়েছেন। নিজে কথা বলেননি, বাকি কর্মীদের দিয়ে বলে পাঠাচ্ছিলেন, অপেক্ষা করতে হবে। ভাবুন কী অপমানজনক! একটা ইস্তফাপত্র সই করতে এতখানি ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন।ইন্দ্রনীলের সংস্থায় কাজ করা রেকর্ডিস্ট এবং অন্য সঙ্গীতশিল্পীদের পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন সুচেতন। তাঁর দাবি, অনেক সময় কাজ করানোর পরেও শিল্পীদের ঠিকমতো টাকা দেওয়া হত না। এক সময়ে নিজের টাকা থেকে কয়েক জন শিল্পীর পারিশ্রমিক মিটিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সুচেতনের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এতটাই খারাপ হয়েছিল যে বাবার অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে যেন তিনি তাঁদের বাড়ির আশপাশে না আসেন, সে কথা দলকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণের সময়েও তৎকালীন মন্ত্রীকে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে ঢুকতে দিতে চাননি বলে জানিয়েছেন সুচেতন।ইন্দ্রনীল সেনের জেলবন্দি হওয়ার প্রসঙ্গে সুচেতন বলেন, পাপ ও কৃতকর্মের ফল ভোগ করছেন। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। তাঁর আরও বক্তব্য, আমার মনে হয়, শুধু আমি নই, যাঁরা ওঁর দুর্নীতির পরিচয় পেয়েছেন, তাঁরা সকলে আজ খুশি।ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে আর্থিক দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে সুচেতনের বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অভিযোগের ভিত্তিতে করা। অভিযোগগুলির সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

‘বড় চোর জেলে যাবেই’, বারুইপুরের সভা থেকে কাকে নিশানা করলেন শুভেন্দু?

বড় চোর জেলে যাবেই, চিন্তা করবেন না। ধৈর্য রাখুন। শুক্রবার বারুইপুরের সভা থেকে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কারও নাম না করেই তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন তিনি।শুভেন্দু বলেন, আপনাদের মনে প্রশ্ন আছে, বড় চোর কবে যাবে? বড় চোর যাবে। আমার রাজনীতিতে সহ্য, ধৈর্য ধরি। সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক নেতার গ্রেফতারির প্রসঙ্গেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি সেই তালিকায় ইন্দ্রনীল সেন ও অজিত মাহাতোর নামও উঠে এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ দিনের সভা থেকে তৃণমূল ও সিপিএমের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, সিপিএম ও তৃণমূল এখন একসঙ্গে কাজ করছে। দুই পক্ষকে নিশানা করে তিনি বলেন, বেবি আর আন্টি এখন একসঙ্গে চা খাচ্ছেন। তাঁর এই মন্তব্যের লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, সাহস থাকলে আপনি লড়ুন। আবার হারাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, ওঁরা কলকাতায় না থেকে দিল্লি যাচ্ছেন। আপনি দিল্লি যান। পশ্চিমবঙ্গে আপনার আর কিছু হবে না।উল্লেখ্য, দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক এবং পরবর্তী কিছু প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএমের একাংশের অবস্থানে মিল দেখা গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্যের আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখে দিল্লিতে কেরলের সিপিএম নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের সংসদীয় নেতৃত্বের একাংশের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে। এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই এম এ বেবির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চা খাওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, হেরেই পঞ্চত্বপ্রাপ্তি একটা দলের।এ দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নাম না করে নিশানা করেন শুভেন্দু। ডিজে প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গোটা জেলায় গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছ। ২০১৪ সালের পর থেকে একটাও ভোট করতে দাওনি। ৭ লক্ষ ভোটে জিতেছেন উনি। কিন্তু ৬ মাস কোথায়? সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন। রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি। তারই জবাবে এ দিনের সভা থেকে নাম না করে পাল্টা আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু। তবে বড় চোর বলতে কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
দেশ

দীপাবলির আগে কলকাতা-দিল্লি বিমানের ভাড়া ৮০ হাজার! টিকিটের দাম দেখে মাথায় হাত যাত্রীদের

উৎসবের মরশুমে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করছেন? তা হলে বিমান টিকিট কাটার আগে এক বার ভাড়া দেখে নেওয়া জরুরি। দুর্গাপুজোয় যাঁরা ছুটি পাননি, তাঁদের অনেকেই দীপাবলির ছুটিতে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু উৎসবের আগে বিমান ভাড়া যে ভাবে বাড়ছে, তাতে যাত্রীদের পকেটে বড়সড় টান পড়তে পারে। কলকাতা থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের টিকিটের দাম বেড়ে প্রায় ৮০ হাজার টাকা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে যে টিকিটের দাম ১০ থেকে ১১ হাজার টাকার মধ্যে থাকে, তার দাম এতটা বেড়ে যাওয়ায় অবাক যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, ৬ নভেম্বর কলকাতা-দিল্লি রুটে বিমানের টিকিটের দাম এক ধাক্কায় ১১ হাজার ৬৬৯ টাকা থেকে বেড়ে ৭৮ হাজার ৬৯৮ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ, এই রুটে টিকিটের দাম প্রায় সাত গুণ বেড়েছে। উৎসবের মরশুমে বাড়ি ফেরার জন্য যাঁরা শেষ মুহূর্তে টিকিট কাটতে চাইছেন, তাঁদের অনেককেই এখন বেশি টাকা খরচ করার কথা ভাবতে হচ্ছে।শুধু কলকাতা-দিল্লি রুটেই নয়, দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটেও বিমান ভাড়া বেড়েছে। মুম্বই থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের টিকিটের দাম ১১ হাজার ৫৩১ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ হাজার ৫৭৭ টাকা হয়েছে। দিল্লি থেকে আহমেদাবাদ যাওয়ার ভাড়া ৬ হাজার ১২১ টাকা থেকে বেড়ে ২৩ হাজার ৪১৩ টাকা হয়েছে। দিল্লি-হায়দরাবাদ রুটে টিকিটের দাম ৮ হাজার ৯৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৭ হাজার ৮৯৫ টাকা হয়েছে। অন্য দিকে, বেঙ্গালুরু থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের ভাড়া ১৫ হাজার ৯০১ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ হাজার ৫০৬ টাকা হয়েছে।উৎসবের সময়ে যাত্রীদের চাহিদা বাড়লে বিমান টিকিটের দামেও তার প্রভাব পড়তে পারে। তবে বিভিন্ন বিমান সংস্থার দাবি, কোন ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কাটা হচ্ছে, কোন ধরনের আসন পাওয়া যাচ্ছে এবং কতগুলি আসন বাকি রয়েছে, তার উপরেও ভাড়ার পার্থক্য নির্ভর করে। তাই একই রুটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে টিকিটের দাম আলাদা হতে পারে।দুর্গাপুজোয় বাড়ি ফিরতে না পারা অনেকেই দীপাবলির ছুটিতে পরিবারের কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিমান টিকিটের এত বেশি দাম তাঁদের পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই উৎসবের মরশুমে বিমানযাত্রার পরিকল্পনা থাকলে টিকিটের দাম বিভিন্ন সংস্থার ওয়েবসাইটে মিলিয়ে দেখে নেওয়াই ভাল।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
বিদেশ

হ্রদ ভেঙে ভাসল ভুটান, তবু প্রাণহানি শূন্য! কীভাবে বিপর্যয় সামলাল পড়শি দেশ?

হ্রদ ভেঙে বিপুল পরিমাণ জল নেমে এসে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে রাস্তা, বাড়িঘর, গাছপালা এবং গবাদি পশু। তবু এখনও পর্যন্ত ভুটানে সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর মেলেনি। এর পিছনে রয়েছে বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদগুলির উপর নিয়মিত নজরদারি এবং আগাম সতর্কবার্তার ব্যবস্থা। নেপালের বিপর্যয়ের পর পাহাড়ি হ্রদগুলির বিপদ সম্পর্কে আরও সতর্ক হয়েছিল ভুটান। সেই প্রস্তুতিই এ বার কাজে এসেছে বলে মনে করছেন ভূ-বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবে বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতি এখনও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর ভুটানের গাসা জেলার ওয়াকিলা পাহাড়ের নীচে থাকা সিনতাপু হ্রদ থেকে প্রায় ৭৪ লক্ষ ঘন মিটার জল নেমে আসে মো চু নদীতে। প্রবল জলস্রোতের সঙ্গে পাথর, মাটি ও গাছপালা ভেসে যায়। গাসা ও পুনাখা এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। বেশ কিছু জায়গায় রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় উত্তর ভুটানের একাধিক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বহু গবাদি পশুও জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ভুটান প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিপজ্জনক হ্রদগুলির উপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হয়। হ্রদের জলস্তরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে যাতে দ্রুত সতর্কবার্তা দেওয়া যায়, তার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ যন্ত্র বসানো হয়েছে। হ্রদের জল বিপজ্জনক হয়ে ওঠার সঙ্কেত পাওয়ার পর সাইরেন বাজিয়ে নদীর ধারের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়। জল নেমে আসার আগেই তাঁদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি বলে মনে করা হচ্ছে।ভুটানের এই বিপর্যয়ের খবর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের প্রশাসনকেও সতর্ক করা হয়। কারণ, ভুটানের মো চু নদী পুনাখায় ফো চু নদীর সঙ্গে মিশে পুনাৎসাংচু নদী তৈরি করেছে। এই নদী ভারতে ঢোকার পর সঙ্কোশ নামে পরিচিত। ফলে ভুটানে জল বাড়লে তার প্রভাব পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের নদী সংলগ্ন এলাকায়।বন্যার আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গের ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। কুমারগ্রাম, বানারহাট ও ময়নাগুড়ি এলাকায় প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে শুরু করে। আলিপুরদুয়ার জেলার নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ১২ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। সঙ্কোশ ও জলঢাকা নদীর ধারের বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ওই দুই নদীর জলস্তর স্বাভাবিক থাকলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি বলে মনে করছে প্রশাসন।ভুটানে আরও একটি বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সিনতাপু হ্রদ থেকে নেমে আসা কাঠ, পাথর ও মাটি লুনানা এবং গাংচেন তাগ নদীর মিলনস্থলে তাকতসেমাথাং এলাকায় জমে একটি কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করেছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়ে থাকলে তা ভেঙে আচমকা জল নেমে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে নতুন করে হড়পা বানের আশঙ্কা রয়েছে। তাই নদী উপত্যকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।ভুটানের ১৭টি বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদের মধ্যে সিনতাপু অন্যতম। ২০২৩ সালের মে ও জুন মাসে এই হ্রদ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞেরা। নেপালে হড়পা বানের বিপর্যয়ের পর থেকেই ভুটানের বিপজ্জনক হ্রদগুলির উপর নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, হ্রদের জলস্তর নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পরীক্ষামূলক ভাবে বিশেষ পদ্ধতিও ব্যবহার করা হচ্ছে।চোপড়া কলেজের অধ্যক্ষ তথা ভূ-বিশেষজ্ঞ মধুসূদন কর্মকার জানিয়েছেন, বিপর্যয়ের ঝুঁকি কমাতে ভুটান বিভিন্ন পদ্ধতি পরীক্ষা করে দেখছে। লুনানার থোরথোরমি হ্রদে সাইফন পদ্ধতি ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রিত ভাবে জলস্তর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পদ্ধতিতে হ্রদের জল ধীরে ধীরে বের করে জলস্তর কমানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা হিমবাহ হ্রদ ভেঙে বড় বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা কমাতে সাহায্য করতে পারে।তবে আগাম সতর্কবার্তা ও নজরদারি থাকলেও ভুটানের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়নি। রাস্তা, ঘরবাড়ি এবং গবাদি পশুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। কৃত্রিম হ্রদে জমে থাকা জল নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাই আপাতত ভুটান ও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকার প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। বিপর্যয়ের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি কতটা, তা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্বাস্থ্যসাথীর ৩০ লক্ষ উপভোক্তার খোঁজ নেই! ২৫ হাজার কোটি টাকা খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের প্রায় ৩০ লক্ষ উপভোক্তার খোঁজ মিলছে না বলে দাবি উঠেছে। নতুন করে উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে এই গরমিল ধরা পড়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। রাজ্য সরকারের দাবি, স্বাস্থ্যসাথীর উপভোক্তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেই কাজের জন্য তথ্য যাচাই করতে গিয়েই পুরনো তালিকায় থাকা বহু নামের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।নবান্ন সূত্রে খবর, বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করার সময় দেখা যাচ্ছে, অনেকের নামে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড থাকলেও তাঁদের অস্তিত্বের খোঁজ মিলছে না। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০ লক্ষ এমন উপভোক্তার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ঘটনায় রাজ্যের কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ খরচ হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকেরা। সেই অঙ্ক ২৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। তবে এই অর্থের পরিমাণ এবং উপভোক্তাদের তালিকায় গরমিলের বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।বিষয়টি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট দফতরকে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের উপভোক্তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিমা যোজনার আওতায় আনার কথা আগেই ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সেই অনুযায়ী, উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করে ধাপে ধাপে তাঁদের নাম আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে।এই যাচাইয়ের সময়েই স্বাস্থ্যসাথীর পুরনো তালিকায় থাকা বহু নাম নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। আধিকারিকদের বক্তব্য, যাঁদের নামে কার্ড রয়েছে, তাঁদের প্রকৃত পরিচয় এবং অস্তিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। সেই সঙ্গে প্রকল্পের সুবিধা দিতে গিয়ে সরকারি অর্থের কোনও অপচয় হয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।শুধু স্বাস্থ্যসাথী নয়, আগের সরকারের আমলে চালু হওয়া অন্যান্য প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকাতেও একই ধরনের গরমিল থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। তবে সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। স্বাস্থ্যসাথীর উপভোক্তা তালিকা যাচাইয়ের কাজ শেষ হলে প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
বিদেশ

সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! ইজরায়েলে ফের ক্ষমতায় ফিরবেন নেতানিয়াহু?

প্রায় দুদিন ধরে ভোটগণনার পর ইজরায়েলে নির্বাচনের ফলের ছবি স্পষ্ট হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেকটাই দূরে তাঁর জোট। ফলে ইজরায়েলে পরবর্তী সরকার কারা গড়বে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।ইজরায়েলের সংসদ কেনেসেটের মোট আসন ১২০। সরকার গড়তে প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। কিন্তু নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। বিরোধী জোটের ঝুলিতে রয়েছে ৪৮টি আসন। অন্য দিকে, রাম এবং জয়েন্ট লিস্ট-সহ আরব দলগুলি পেয়েছে মোট ১৯টি আসন। ফলে কোনও জোটই একক ভাবে সরকার গড়ার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল আগামী ৪ নভেম্বর ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হেরজোগের হাতে তুলে দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির। তার পরে ১০ নভেম্বর নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন কে জোগাড় করতে পারবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই পরিস্থিতিতে ফের ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা শুরু করেছেন নেতানিয়াহু। ইহুদি ভোটারদের আবেগকে সামনে রেখে তিনি আরব দলগুলির সঙ্গে জোট না করার পক্ষে সওয়াল করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতা দখলের জন্য আরব দলগুলির সঙ্গে হাত মেলালে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। পাশাপাশি, সরকার গঠনের সমর্থন জোগাড় করতে বিভিন্ন ইহুদি দলের সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছেন তিনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী শিবিরের কিছু দল নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালে তাঁর সরকার গড়ার পথ সহজ হতে পারে। বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকোটের শিবির থেকে কয়েকটি দল সরে এলে সংখ্যার অঙ্কে বদল আসতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনা কতটা বাস্তব, তা এখনও পরিষ্কার নয়।অন্য দিকে, একসময় মনে করা হচ্ছিল, সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে আরব দলগুলি। এই দলগুলি ইজরায়েলে বসবাসকারী প্যালেস্তিনীয় জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু আইজেনকোট আরব দলগুলির সঙ্গে জোটে যেতে রাজি নন বলে জানা গিয়েছে। যদিও জোটের বাইরে থেকে তাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।ফলে ইজরায়েলের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত কারা সরকার গড়বে। নেতানিয়াহুর দল সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় তাঁকে অন্য দলের সমর্থন জোগাড় করতে হবে। আগামী কয়েক দিনেই সেই রাজনৈতিক অঙ্ক অনেকটাই স্পষ্ট হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির নামে ব্যাঙ্ক থেকে ২৯০ কোটি টাকা ঋণ! এ বার ইডির নজরে দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট

২৯০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে শুক্রবার সকালে কলকাতা ও উত্তরপাড়ার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। ঝাড়খণ্ডের একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া টাকা কলকাতায় পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ভুয়ো সংস্থা তৈরি করে বিপুল অঙ্কের টাকা সরানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের নজরে রয়েছেন দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট।শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে উত্তরপাড়ার শিবতলা স্ট্রিটে সুদীপ্ত ঘোষের বাড়িতে পৌঁছন ইডির আধিকারিকেরা। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুদীপ্তর বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।সুদীপ্ত জানিয়েছেন, ইডি তদন্ত করছে। তবে এই দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েই এসেছেন বলেও জানিয়েছেন সুদীপ্ত। তদন্তে তিনি সহযোগিতা করছেন বলে তাঁর বক্তব্য।অন্য দিকে, লেকটাউনের অভিজাত অবনী অক্সফোর্ড আবাসনের প্রথম পর্যায়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অশোক সারথির বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকেরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সেখানে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির জন্য ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া প্রায় ২৯০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তদন্তের সঙ্গে জড়িত বেসরকারি সংস্থাটির নাম কোহিনূর পাওয়ার প্রাইভেট লিমিটেড। অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডে ৬৬ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির কথা বলে ব্যাঙ্কের একাধিক সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছিল।তদন্তকারীদের সন্দেহ, প্রকল্প তৈরির জন্য নেওয়া ওই বিপুল অঙ্কের টাকা নির্ধারিত কাজে ব্যবহার না করে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে অন্যত্র সরানো হয়ে থাকতে পারে। এই আর্থিক লেনদেনে অশোক সারথির ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তের বিষয়।তল্লাশির সময় বিভিন্ন নথি, ব্যাঙ্কের লেনদেনের তথ্য এবং ডিজিটাল নথি খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকেরা। এই মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, এখন সে দিকেই নজর রয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বন দফতরে সরকারি চাকরির টোপ, ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা!

বন দফতরে স্থায়ী সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা অজিত মাহাতোর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।ঘটনার সূত্রপাত বেশ কিছু দিন আগে। ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবা এলাকার বাসিন্দা সজল দাস অজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা বলে বন দফতরে স্থায়ী চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন অজিত।অভিযোগ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে চার দফায় অজিতকে মোট ১০ লক্ষ টাকা দেন সজল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি পাননি তিনি। এর পর টাকা ফেরত চাইলেও তা পাননি বলে অভিযোগ।সজলের আরও দাবি, টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আরও ২ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। একই ভাবে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আরও কয়েক জন বেকার যুবকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে অজিতের নিজের বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তবে অজিত মাহাতোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশি তদন্তের পরেই এই ঘটনায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal