• ১ চৈত্র ১৪৩২, রবিবার ১৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

KK

বিনোদুনিয়া

সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধা জানানো হল শিল্পের মাধ্যমে

সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা সবার প্রিয় সংগীতশিল্পী কেকের প্রয়াণ হয়েছে এবং তার জন্য সঙ্গীতপ্রেমীরা বিভিন্ন রকম এই শহরে তাঁকে সম্মান জানিয়ে ইভেন্টের আয়োজন করেছে ইতিমধ্যে। তেমনই এক সন্ধ্যার সাক্ষ্য থেকে গেল কলকাতাবাসী। দক্ষিণ কলকাতার সাদার্ন এভিনিউয়ের কাছে গ্যালারি গোল্ডে এই বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।এখানে লাইভ আর্ট এর মাধ্যমে ৪৫ জন শিল্পী কেকে কে স্মরণ করলেন তাঁর গানের মাধ্যমে। প্রখ্যাত শিল্পী অ্যানি আহমেদ যিনি হইচই এর চরিত্রহীন ওয়েব সিরিজে গান করেছিলেন তিনি বহু গানের মাধ্যমে প্রয়াত শিল্পীকে সম্মান জানালেন।

জুন ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গানের মাধ্যমে কেকে কে শ্রদ্ধা কলকাতার শিল্পীদের

কেকের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ দেশবাসী।তিনি যে আমাদের মধ্যে আর নেই সেটা মেনে নিতেই কষ্ট হচ্ছে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে থমথমে পরিবেশ বিনোদন মহলে। এদিন দক্ষিণ কলকাতার ক্যাফে ক্যাফে আলাপ প্রিয় শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিনোদন জগতের এক ঝাঁক তারকা।সারেগামা মঞ্চ খ্যাত অনুষ্কা পাত্র, রিক বসু, নবাগত সংগীত পরিচালক জুটি শুভম-শুভঙ্কর উপস্থিত ছিলেন এই বিশেষ অনুষ্ঠানে। এদের পাশাপাশি উপস্তিত ছিলেন অনুষ্কা চক্রবর্ত্তী, রেমো, জিৎ চক্রবর্ত্তী, সায়ন মুখোাধ্যায়, অধিরাজ গঙ্গোপাধ্যায়, নীলাঙ্কুর মুখোাধ্যায় এবং দীপান্বিতা নাথ।কেকের গানে জমজমাট ছিল সন্ধ্যা। আলোচনা হল এই বিশিষ্ট শিল্পীকে নিয়ে। কথা প্রসঙ্গে উঠে এল কেকে কিভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবনে গানের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন। কেকের জারা সা গানটি গাইলেন রিক বসু।

জুন ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকের এনক্রিপটটেড নিয়ে উন্মাদনা

Klikk Originals এর আগামী ওয়েব সিরিজ এনক্রিপটটেড এরএর মিউজিক, টিজার ও পোস্টার মুক্তি পেল হাওড়ার অবনী মলে। ছবির পরিচালনা করেছেন সৌপ্তিক সি। সর্বপ্রথম বাংলা ওয়েব সিরিজের টাইটেল গান গেয়েছে এবং অভিনয় করেছে বাংলা রক ব্যান্ড ক্যাকটাস। এটি বাংলা ওটিটির ইতিহাসে সর্বপ্রথম সংযোজন। এর আগে নীল নির্জনে ছবিতেও ফিচার করা হয়েছিল ক্যাকটাস ব্যান্ডকে। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী ও সঙ্গীত পরিচালক অম্লান চক্রবর্তী সহ ক্যাকটাস ব্যান্ড। এদিন সদ্য প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাল ক্যাকটাস ব্যান্ড। ক্যাকটাসের লাইভ পারফরম্যান্স দেখতে মলে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল দেখার মতো। কলাকুশলীরা দর্শকদের নিজস্বীর আবদারও রাখেন। সবমিলিয়ে একটা জমজমাট সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল অবনী মল।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কেকে'র প্রয়াণে বিশাল স্তব্ধতা

কেকে-র প্রয়াণে দেশবাসীর চুপ হয়ে গেছেন। কেকে-র প্রিয়জন থেকে শুরু করে তার অগুণিত ভক্ত কারোরই মনে ভালো নেই। একটি পোস্টের মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা শেয়ার করলেন পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ। টুইট করে তিনি লিখেছেন, আমার ছোট ভাই। একসঙ্গে দিল্লি থেকে এসেছিলাম। আমাদের প্রথম ব্রেক, প্রথম ছবি, প্রথম সফলতা একসঙ্গে- মাচিস। ছোড় আয়ে হাম ওহ গলিয়াঁ, লতাজির পানি পানি রে-তে দ্বিতীয় গানও গেয়েছিলেন। অগণিত সময়, অগণিত মুহূর্ত, অনেকটা যন্ত্রণা, সবটাই একটু একটু করে হারালো।Mera chhota Bhaiyaa.Hum saath aaye thay dilli se. Humara pehla break pehli film pehli kaamyaabi ek saath- MAACHIS(Chhodh aaye hum wo galiyan. He also sang the 2nd music in Lata jis pani pani re)Anginat lamhe.. anginat yaadein..Bepanah dard..Bichhdey sabhee baari baari.. pic.twitter.com/gHrJHqpA9g Vishal Bhardwaj (@VishalBhardwaj) June 1, 2022উল্লেখ্য বিশাল ভরদ্বাজের একাধিক ছবিতে গান গেয়েছেন কেকে। তাঁর পরিচালনাতে ১৯৯৬ সালে ছোড় আয়ে হাম ওহ গলিয়াঁ গানটা গেয়েছিলেন। বিশাল ভরদ্বাজের সঙ্গীত পরিচালনায় রঙ্গুন সিনেমাতেও গেয়েছিলেন কেকে।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কে কে র মৃত্যুর জন্য এবার রূপঙ্করকে ট্রোল ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের

ভারতীয় সঙ্গীতের এক তারকা কে কে কে হারিয়ে আমরা সবাই মুহ্যমান। নজরুল মঞ্চে গতকাল পর্যন্ত যার লাইভ পারফরম্যান্সের সাক্ষী থাকলেন দর্শকরা সেই কে কে আজ আমাদের সঙ্গে নেই ভাবতে পারছেন না অনেকেই। এরকম একটা পরিস্থিতিতে সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্করের ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল সমালোচনা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারা কেউই রূপঙ্করকে ছেড়ে কথা বলেননি। এবার অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় রূপঙ্করের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাস্বর লিখেছেন, আজ থেকে রূপুংকরবাবুর নাম দিলীপ ঘোষ হোক। কারণ উনিও আলটপকা কথা বলে লাইমলাইটে থাকতে চান। কি অসহ্য সময়, নিজেকেই বলছেন KK-র থেকে ভালো গায়ক। সে তো মানুষ বলবে আপনি লাফাচ্ছেন কেন? রাঘবদা বা কাউকে তো এসব বলতে শুনি না। কমেন্ট বক্সে অভিনেত্রী রিমঝিম গুপ্ত লিখেছেন, এই লোকটা কারও মৃত্যুকেও একটা পাবলিসিটি স্টান্ট করতে পারে জাস্ট ভাবে না। ছি!! আমরা কোন সমাজে, কোন যুগে বসবাস করছি।প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে রূপঙ্কর সংবাদবাদ্যমকে কেকে-র মৃত্যু প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করেছেন রূপঙ্কর। তিনি বলেছেন, দু:খ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। কেকে অত্যন্ত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। এটা ওঁর মৃত্যুর বয়স নয়। অতীতে অনেক মিউজিশিয়ান ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ওর সেই বয়স নয়। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি কেকে-র বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইনি। মানুষ বুঝতে না পারলে সত্যি খারাপ লাগবে। বাংলা গান, বাংলা সাহিত্য নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম আমি। চিনিই না মানুষটাকে। ওঁর উপর কেন রাগ থাকবে। আমি ওঁর ভক্ত। আমার বক্তব্য নিয়ে কেউ অন্য কিছু ভেবে থাকলে সেটা তাঁদের ভুল।

জুন ০১, ২০২২
রাজ্য

বরাক উপত‍্যকার একাদশ অমর ভাষা শহীদদের স্মরণে 'বাংলা পক্ষ'

মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরে বাংলা পক্ষ সংগঠনের জেলা শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার ১৯ শে মে বরাক উপত্যকার একাদশ অমর ভাষাশহীদদের স্মরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। এই শোভাযাত্রায় বাংলা পক্ষের সসদ্যদের সাথে পা মেলান বহরমপুর সহ মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষজন। শোভাযাত্রার পথে বর্ণপরিচয় স্রষ্ঠা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন ও ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়।ভাষা আন্দোলন বলতে আমরা সাধারণ ভাবে যে দিনটির কথা জানি সেটা হল ২১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু স্বাধীন ভারতের মাটিতে হওয়া বাংলা ভাষা আন্দোলন দিবস ১৯ শে মে এবং ১ লা নভেম্বরের কথা অনেকেই জানে না। উল্লেখ্য, আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র সরকারি ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেহেতু সেই অঞ্চলে বসবাসকারী জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল বাংলাভাষী। এই গণ ঘটনাটি ১৯৬১ সালের ১৯ মে, ১১ জন প্রতিবাদে সামিল ভাষা আন্দোলনকারি কে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আসাম রাজ্য পুলিশ নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে।পদযাত্রার শেষে বহরমপুরের কালেক্টরেট ক্লাবের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গর্গ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, নুরুল হাসান ও কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে মঞ্চ আলোকিত করেন অধ্যাপক মধু মিত্র, ও অধ্যাপক জ্যোতির্ময় রায়চৌধুরী।জ্যোতির্ময় বাবু কিভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ আন্দামানের বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন সেই কথা তুলে ধরেন, মধু মিত্র মুর্শিদাবাদে বাংলা পক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে হিন্দী আগ্রাসনের বিরোধিতা শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন ভারতের প্রত্যেক রাজ্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণের মাধ্যমে নিজের জাতির ভবিষ্যত সুরক্ষিত করছে, বাংলা ব্যতিক্রম হতে পারে না। বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যেমন বাংলা ভাষা দাবি করে তেমন বাংলার রাজ্য সরকারি চাকরিতেও বাংলা ভাষা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করে। সার্বিক ভাবে বাংলা পক্ষ বাংলা ভাষাকে কাজের ভাষা করে তুলতে চায়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র তথা বাংলা পক্ষবার্তার প্রধান নুরুল হাসান তাঁর বক্তব্যে বাংলা পক্ষে প্রয়োজনীয়তা, লক্ষ্য ও বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি মুর্শিদাবাদের রেশম, বিড়ি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের কথা তুলে ধরেন। এতো কাজের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জেলার ছেলে দের কেন ভিনরাজ্যে যেতে হবে সেই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন বাংলা পক্ষ দাবি করে বেসরকারি চারকিতেও ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। সভায় উপস্থিত জেলা সংগঠনের পর্যবেক্ষক তথা শীষ পরিষদ সদস্য মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন বাংলা পক্ষ ভবিষ্যতের সংগঠন, তরুণ প্রজন্মের সংগঠন। বাংলার যুব সমাজের চাকরি, ব্যবসা, টেণ্ডারে ভূমিপুত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু সাংস্কৃতিক ভাবে বাংলা ভাষা তথা বাঙালিকে বাঁচানো যাবে না। রাজনৈতিক ভাবেই হিন্দি আগ্রাসনের প্রতিবাদ করতে হবে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহিরাগতদের সংখ্যা বাড়ায় বাঙালির চিকিৎসা পরিষেবায় সমস্যার কথা বলেন। বলেন বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে বাঙালির বঞ্চনার কথা। আগামীতে এই বিষয়েও বাংলা পক্ষ প্রতিবাদে সরব হবে বলে তিনি জানান। এই সভাটি সঞ্চালনা করেন মুর্শিদাবাদের বাংলা পক্ষের অন্যতম সংগঠক অরিন্দম চন্দ্র।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুর্দান্ত লড়াই করেও স্বপ্ন শেষ নাইটদের, প্লে অফে লখনউ

নাটকীয় ম্যাচে ফয়সালা হল শেষ ওভারে। দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারল না নাইট রাইডার্স। শ্রেয়স আয়ারের দলকে ২ রানে হারিয়ে প্লে অফে পৌঁছে গেল লখনউ সুপার জাযান্টস। কুইন্টন ডিকক ও লোকেশ রাহুলের দাপটে প্রথমে ব্যাট করে ২১০ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করে লখনউ সুপার জায়ান্টস। সামনে বড় রানের টার্গেট দেখে চাপে পড়ে যান নাইট রাইডার্সের ব্যাটাররা। তার প্রতিফলন শুরুতেই দেখা যায়। প্রথম ওভারেই ধাক্কা। স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই চতুর্থ বলেই ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (০) তুলে নেন মহসীন খান। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। এবার মহসীন ফেরান আইপিএলে অভিষেককারী নাইটদের ওপর ওপেনার অভিজিৎ টোমারকে। ৮ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হন অভিজিৎ। ৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ঝড় তোলেন নীতীশ রানা ও শ্রেয়স আয়ার। দুজনে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অষ্টম ওভারে আবার ধাক্কা। এবার নীতীশকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ২২ বলে ৪২ রান করে আউট হন নীতীশ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শ্রেয়স ও স্যাম বিলিংস। শ্রেয়সকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মার্কাস স্টইনিস। ২৯ বলে ৫০ রান করেন শ্রেয়স। ২৪ বলে ৩৬ রান করে বিলিংস আউট হন। রাসেল করেন ৫।এরপর ম্যাচ জমিয়ে দেন রিঙ্কু সিং। ঝড় তুলে ১৫ বলে ৪০ রান করে তিনি দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। স্টইনিসের বলে তিনি যখন আউট হন জয় থেকে ৩ রান দূরে নাইটরা। শেষ বলে দরকার ছিল ৩। কিন্তু উমেশ যাদাবকে (০) বোল্ড করে লখনউকে নাটকীয় জয় এনে দেন স্টইনিস। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন স্টইনিস।টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন লখনউর দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম দিকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৪৪। এরপর ক্রমশ নাইট বোলারদের ওপর জাঁকিয়ে বসেন ডিকক ও লোকেশ রাহুল। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডিকক। অন্যদিকে, ৪১ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল।লখনউ সুপার জায়ান্টসের এই দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নাইট উমেশ যাদবরা। আন্দ্রে রাসেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আইপিএলে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিকক। এদিন ৫৯ বলে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।৬ বছর আগে ২০১৬ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে করেছিলেন ১০৮। এদিন ডিককের ব্যাটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ডিকক। ৭০ বলে ১৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১০টি চার ও ১০টি ছয়। চলতি আইপিএলে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি ৬ মারার রেকর্ডেরও অধিকারী হলেন। ৫১ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হায়দরাবাদকে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখল নাইটরা

সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন জিইয়ে রাখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইটদের জয়ের নায়ক আন্দ্রে রাসেল। ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারের।বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। কিন্তু উমেশ যাদবের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ পাননি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রারম্ভিক ব্যাটাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ৩১ রান। তার মাঝেই হারাতে হয় ১ উইকেট। নিজের প্রথম ওভারেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ১৭ বলে মাত্র ৯ রান করে বোল্ড হন উইলিয়ামসন। ওই ওভারে মাত্র ১ রান দেন রাসেল। উইলিয়ামসন আউট হলেও নিজের ছন্দ ধরে রাখেন অভিষেক শর্মা। ইনিংসের অষ্টম ও সুনীল নারাইনের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে পরপর দুটি ছয় মারেন। নারাইনের ওই ওভারে ওঠে ১৭ রান। পরের ওভারে রাহুল ত্রিপাঠিকে তুলে নিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে আবার ধাক্কা দেন টিম সাউদি। ১২ বলে ৯ রান করে সাউদির বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দেন ত্রিপাঠি। দ্বাদশ ওভারের পঞ্চম বলে অভিষেককে তুলে নেন বরুণ চক্রবর্তী। ২৮ বলে ৪৩ রান করে আউট হন অভিষেক। পরের ওভারেই নিকোলাস পুরানকে (২) তুলে নেন নারাইন। তখনই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন রাসেল।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার (৬ বলে ৭)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। অজিঙ্কা রাহানেকেও (২৪ বলে ২৮) তুলে নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ারও (১৫) দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেলের দাপটে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছয় নাইটরা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করেন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তুলে ২৮ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলের দাপটে বড় রান তুলে হায়দরাবাদকে চ্যালেঞ্জ কলকাতার

শনিবার আইপিএলের ম্যাচে মুখোমুখি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখার জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যে দল হারবে, প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যাবে। মরণবাঁচন ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৭৭/৬।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। প্রথম একাদশে ফিরেছেন উমেশ যাদব এবং স্যাম বিলিংস। অন্যদিকে, সানরাইজার্স হায়দরাবাদও দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন ওয়াশিংটন সুন্দর এবং টি নটরাজন।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার। ৬ বলে ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে তিনি বোল্ড হন। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। অস্টম ওভারের তৃতীয় বলে নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। একই ওভারের শেষ বলে অজিঙ্কা রাহানেকেও তুলে নেন। ২৪ বলে ২৮ রান করে আউট হন রাহানে। বাউন্ডারি লাইনে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শশাঙ্ক সিং। এক ওভার পরেই অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকেও তুলে নেন উমরান মালিক। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলকে নির্বরতা দিতে ব্যর্থ শ্রেয়স। এদিন ৯ বলে মাত্র ১৫ রান করে তিনি আউট হন। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।৯৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স মনে হচ্ছিল এদিন বড় রানে পৌঁছতে পারবেন না শ্রেয়স আয়াররা। কিন্তু ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে আউট হন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তোলেন রাসেল। ২৮ বলে ৪৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে নাইটরা। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক। ১টি উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার, মার্কো জানসেন এবং টি নটরাজন।

মে ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কামিন্সদের দুরন্ত বোলিংয়ে বেঁচে রইল নাইটদের প্লে অফের ক্ষীণ আশা

বোর্ডে খুব বেশি রান না নিয়েও দারুণ লড়াই। প্যাট কামিন্সদের দুরন্ত বোলিং মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৫২ রানের সহজ জয় এনে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। একই সঙ্গে নাইটদের প্লে অফের ক্ষীণ সম্ভাবনা এখনও বেঁচে রইল। এদিন জয়ের জন্য মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে ১৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল নাইট রাইডার্স। জয়ের জন্য লক্ষ্যটা খুব একটা বড় ছিল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে। কিন্তু প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় মুম্বই। টিম সাউদির ওভারের শেষ বলে উইকেটকিপার শেলডন জ্যাকসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ৬ বলে মাত্র ২ রান করেন তিনি। চলতি আইপিএলে বিরাট কোহলির মতো তিনিও চূড়ান্ত ব্যর্থ। কোহলির ব্যর্থতা বাকিরা পুশিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই দলে রোহিতের ব্যর্থতা পুশিয়ে দেওয়ার ব্যাটার নেই। মিডল অর্ডারকে যিনি এতদিন নির্ভরতা দিয়ে এসেছেন, সেই সূর্যকুমার যাদব হাতের পেশিতে চোট পেয়ে আইপিএলের বাইরে। রোহিত আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল ঈশান কিষানের ওপর। ভালোই খেলছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই ওপেনার। রোহিতের ব্যর্থতা ঢেকে দিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান। কিন্তু তিলক ভার্মা (৬), রমণদীপ সিং (১৬ বলে ১২), টিম ডেভিডরা (৯ বলে ১৩) সঙ্গ দিতে পারেননি ঈশানকে। এদিন আগ্রাসী বোলিং করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মিডল অর্ডারকে গুড়িয়ে দেন আন্দ্রে রাসেল ও প্যাট কামিন্স। রাসেল তুলে নেন তিলক ও রমণদীপকে। অন্যদিকে প্যাট কামিন্সের শিকার ঈশান (৪৩ বলে ৫১), ড্যানিয়েল সামস (১), মুরুগান অশ্বিন (০)। কায়রন পোলার্ড ১৬ বলে ১৫ রান করে রান আউট হন। ১৭.৩ ওভারে ১১৩ রানে শেষ হয়ে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংস। এদিন প্রথম পাঁচপাঁচটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬০। ভেঙ্কটেশ আয়ারকে তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। ২৪ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। রাহানের সঙ্গে জুটি বেঁছে দলকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ। একাদশ ওভারে রাহানেকে (২৪ বলে ২৫) তুলে নেন সেই কার্তিকেয়া। শ্রেয়স আয়ার (৬) এদিনও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৫ বলে ৯ রান করে বুমরার বলে আউট হন রাসেল। একই ওভারে নীতিশ রানাকেও তুলে নেন বুমরা। ২৬ বলে ৪৩ রান করে উইকেটের পেছনে ঈশান কিশানের হাতে ক্যাচ দেন নীতিশ। নীতিশ আউট হওয়ার পরপরই নাইটদের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ১৯ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ ১০ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন বুমরা। ১৬৫/৯ রানে থেমে যায় নাইটরা।

মে ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুমরার বিধ্বংসী বোলিংয়ে বড় রানের স্বপ্ন চুরমার নাইটদের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৫/৯ রান তুলতে সমর্থ হয় নাইটরা। দুরন্ত বোলিং করে ১০ রানে ৫ উইকেট নিলেন বুমরা। আইপিএলে এটাই তাঁর সেরা বোলিং। দলকে বড় ইনিংসের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বেঙ্কটেশ আয়ার ও নীতিশ রানা। যশপ্রীত বুমরার দাপটে নাইটদের বড় রানের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। এদিন প্রথম পাঁচপাঁচটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শিবম মাভি, অনুকূল রায়, অ্যারন ফিঞ্চ, বাবা ইন্দ্রজিৎ, হর্ষিত রানা প্রথম একাদশের বাইরে। পরিবর্তে প্রথম একাদশে ভেঙ্কটেশ আয়ার, অজিঙ্কা রাহানে, শেলডন জ্যাকসন, বরুণ চক্রবর্তী ও প্যাট কামিন্স। প্রথম একাদশে পরিবর্তনের ব্যাপারে এবছর চলতি আইপিএলে সব দলকেই টেক্কা দিয়ে গেছে নাইট রাইডার্স। এদিন টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬০। এরপরই প্রথম ধাক্কা খায় নাইটরা। ভেঙ্কটেশ আয়ারকে তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। ২৪ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল নীতিশ রানাকে। রাহানের সঙ্গে জুটি বেঁছে দলকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ। একাদশ ওভারে রাহানেকে (২৪ বলে ২৫) তুলে নেন সেই কার্তিকেয়া। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার এদিনও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৮ বলে ৬ রান করে তিনি মুরুগান অশ্বিনের বলে আউট হন। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন আন্দ্রে রাসেলকেও এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। তিনিও ব্যর্থ। ৫ বলে ৯ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। একই ওভারে নীতিশ রানাকেও তুলে নেন বুমরা। ২৬ বলে ৪৩ রান করে উইকেটের পেছনে ঈশান কিশানের হাতে ক্যাচ দেন নীতিশ। নীতিশ আউট হওয়ার পরপরই নাইটদের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ১৯ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ ১০ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন বুমরা।

মে ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জ্বলে উঠতে ব্যর্থ শ্রেয়সরা, প্লে অফের স্বপ্ন শেষ নাইটদের

ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ শ্রেয়স আয়ারের দল। লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে ৭৫ রানে হেরে প্লে অফের স্বপ্নের সলিল সমাধি নাইট রাইডার্সের। গত বছরের মতো স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন করতে পারলেন না সুনীল নারাইনরা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই ডুবতে হল নাইটদের। এদিন বল হাতে ভাল শুরু করেও লখনউ সুপার জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রাখতে পারেনি নাইট রাইডার্স। নাইটদের সামনে জয়ের জন্য ১৭৭ রানের টার্গেট রেখেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি নাইটদের। লখনউ সুপার জায়ান্টসের মতো প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় নাইটরা। ষষ্ঠ বলে ফিরে যান বাবা ইন্দ্রজিৎ। বোর্ডে তখনও কোনও রান ওঠেনি। ইন্দ্রজিৎকে তুলে নেন মহসীন খান। প্রথম ওভারের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবার আঘাত। এবার দুষ্মন্ত চামিরার শিকার নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ৯ বলে মাত্র ৬ রান করে তিনি আয়ুশ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নাইটদের রান তখন ৩.৪ ওভারে ১১/২। এক ওভার পরেই আরন ফিঞ্চকে (১৪ বলে ১৪) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে ফর্মে থাকা নীতিশ রানাকে (১১ বলে ২) বোল্ড করেন আবেশ খান। ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে নাইটরা। এরপর ক্রিজে নেমে পাল্টা আক্রমণের রাস্তা বেছে নেন আন্দ্রে রাসেল। জেসন হোল্ডারের এক ওভারে তিনটি ৬, ১টি ৪ ও ২ রান নিয়ে তোলেন ২৪। দ্বাদশ ওভারের প্রথম বলেই রিঙ্কু সিংকে (১০ বলে ৬) তুলে নেন রবি বিশ্নই। এক ওভার পরেই রাসেলের ঝড় থামিয়ে দেন আবেশ খান। ১৯ বলে ৪৫ রান করে আউট হন রাসেল। নাইটদের জয়ের আশা তখনই শেষ হয়ে যায়। একই ওভারে অনুকূল রায়কেও (০) তুলে নেন আবেশ। ১২ বলে ২২ রান করে আউট হন সুনীল নারাইন। শেষ পর্যন্ত ১৪.৩ ওভারে ১০১ রানে থেমে যায় নাইটদের ইনিংস। ৩ টি করে উইকেট নেন আবেশ খান ও জেসন হোল্ডার।এদিন ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ সুপার জায়ান্টসও। তবু কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডার সৌজন্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭১। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন ডিকক। ২৭ বলে ৪১ রান করেন দীপক হুডা। ২৭ বলে ২৫ রান করেন ক্রূণাল। মার্কাস স্টয়নিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৬/৭ রানে পৌঁছয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৪ বলে ২৮ রান করেন স্টয়নিস।

মে ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ কলকাতা নাইট রাইডার্স

জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রাখতে পারল না কলকাতা নাইট রাইডার্স।প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে লখনউ সুপার তোলে ৭ উইকেটে ১৭৬। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে কাফ মাসলসে চোটের জন্য ছিটকে যান নাইট রাইডার্সের বোলিংয়ের অন্যতম ভরসা স্তম্ভ উমেশ যাদব। চলতি আইপিএলে ১০ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে বোলারদের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় ৬ নম্বরে রয়েছেন উমেশ যাদব। শুরুর দিকে তাঁর অভাব বুঝতে দেননি টিম সাউদি, সুনীল নারাইনরা। পরে অবশ্য ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি।ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রথম ওভারেই কোনও বল না খেলেই রান আউট হয়ে ফিরে যান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল (০)। শুরুর ধাক্কা চমৎকারভাবে সামাল দেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭১। অষ্টম ওভারে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। তুলে নেন কুইন্টন ডিকককে। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন ডিকক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৪টি চার ও ৩টি ছয়। ১৩ তম ওভারে দীপক হুডাকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ২৭ বলে ৪১ রান করে শ্রেয়স আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন দীপক হুডা।২ ওভার পরেই ক্রূণাল পান্ডিয়াকে তুলে নেন সেই রাসেলই। ২৭ বলে ২৫ রান করেন ক্রূণাল। ১৫ ওভারে লখনউ সুপার জায়ান্টসের রান ছিল ১২২/৪। এই সময় মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না লখনউ সুপার জায়ানন্টস। মার্কাস স্টয়নিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৬/৭ রানে পৌঁছয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৪ বলে ২৮ রান করেন স্টয়নিস। শিবম মাভির এক ওভারে ৩টি ৬ মারেন তিনি। ১৮ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন আয়ূষ বাদোনি। ৪ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জেসন হোল্ডার। ২২ রানে ২ উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। ১টি করে উইকেট নেন টিম সাউদি, শিবম মাভি ও সুনীল নারাইন।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়ার প্রতিবাদে পথে নামল বাংলা পক্ষ

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, এর প্রতিবাদে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রেলের চাকরির পরীক্ষাকেন্দ্র বাংলার বাইরে নির্ধারণ করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং এই সমস্যা দূর করার দাবি করে ইউনিয়ন রেল মন্ত্রীকে বাংলা পক্ষ-এর তরফে একটি প্রতিবাদ পত্র পাঠানো হলো। এই প্রতিবাদ পত্রে রেলের পরীক্ষায় বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র জনিত সমস্যাগুলিকে তুলে ধরে রাজ্যের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়েছে।রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ার ফলে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের উক্ত রাজ্যে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য নির্ধারিত দিনের আগেই সেখানে হোটেল বা মেস ব্যবস্থা করে চলে যেতে হত। সেক্ষেত্রে তাদের থাকা খাওয়ার জন্য অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। কর্ম পার্থীদের বেশীর ভাগই নিম্নবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত আর্থিক পরিকাঠামোই বসবাস করেন। কেউ কেউ টিউশন করে দিন গুজরান করেন, দূর দূরান্তে যাতায়াতের ফলে তাঁদের সময় ও মুল্য দুটোয় অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়।এছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই কর্ম প্রার্থীদের তাদের পরিবারের কোন অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে অন্য রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়। মহিলা কর্ম প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই তাদের অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে তবেই ভিন রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্র যেতে বাধ্য হন। এর ফলে যেমন পরিবারের উপর আর্থিক বোঝা চাপে তেমন ভাবেই অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যার জন্য যোগ্য প্রার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারেন না।বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, তাই রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।জয় বাংলা pic.twitter.com/tSkGULWvMG বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) May 6, 2022তাছাড়া দূর পাল্লার রেলযাত্রার জন্য কমপক্ষে তৃতীয় শ্রেনী-র শয়ন যানের (স্লিপার ক্লাস) রিজার্ভেশন না করতে পারলে যাতায়াত অসম্ভব হয়ে ওঠে। এত কম সময়ের মধ্যে রেলের টিকিট রিজার্ভেশন এককথায় অবাস্তব। তাই অনেকেই পরীক্ষা দিতে যেতে পারেন না। যদিও তৎকালে ব্যবস্থায় টিকিট কাটার চেষ্টা করা হয় তাঁর মূল্যও সেই বেকার ছেলে-মেয়েদের কাছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। শুধু মাত্র তপশীলি ও উপ-জাতিদের জন্য রেলের তরফ থেকে টিকিটের মুল্য পাওয়া যায়। সাধরণ ক্যাটাগরি প্রাথীরা রেল কর্ত্তিপক্ষর কাছ থেকে যাতায়াত বাবদ কোনওরকম সাহায্য পান না। বর্ধমান শহরের এক চাকরি পার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে দেশের একদম দক্ষিণের রাজ্যের তিরুচেরাপল্লী তে। হাওড়া থেকে রেল যাত্রা শুরু করলে যেখানে পৌঁছতে কমপক্ষে ৪২ ঘণ্টা সময় লাগে। যাত্রাপথ ও টিকিটের মুল্যের কথা ভেবে তিনি পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। এছাড়াও উত্তরাখন্ড, বারানসি, গোরক্ষপুর সহ দূরদূরান্তের বিভিন্ন যায়গায় বাংলার ছেলে মেয়েদের পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে।মুর্শিদাবাদ জেলার ছেলে রাধাবল্লব পাল, চাকরীর পড়াশোনার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য থাকেন বর্ধমান শহরে। তিন বছর আগের আবেদন করা রেলের গ্রুপ-বি (অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার) চাকরির পরীক্ষার সেন্টার পড়েছে ওড়িশা রাজ্যের ভুবনেশ্বর শহরে। টিউশনের পয়সায় রেলের টিকিট কেটে আগের দিন থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের আসে পাশের হোটলে রাত কাটাতে হবে। কানপাতলে বাংলার ঘরে ঘরে এরকম বহু উদাহরণ পাওয়া যাবে।এছাড়াও বিগত দিনের বিভিন্ন ঘটনা পরম্পরায় দেখা গেছে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের ভিন রাজ্যে পরীক্ষা দিতে গিয়ে নানা ভাবে শারীরিক হেনস্থা এবং আক্রমণের স্বীকার হয়েছেন।ইতিমধ্যেই কর্ম প্রার্থীদের তরফে রেল দপ্তরের কাছে এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এই দাবি মানা না হলে আগামী দিনে বাংলা পক্ষ সংগঠনের তরফে আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে প্লে অফের অক্সিজেন পেল নাইট রাইডার্স

টানা ৫ ম্যাচ জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্লে অফের সম্ভাবনাও থেকেও অনেকটাই দুরে সরে গিয়েছিল। অবশেষে জয়ের মুখ দেখল শ্রেয়স আয়ারের দল। মরণবাঁচন ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের অক্সিজেন পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। জয়ের জন্য ১৫৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ৫ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়েই জয় তুলে নিল। বোলারদের দাপটে এদিন রাজস্থান রয়্যালকে কম রানে বেঁধে রেখেছিল নাইটরা। জয়ের জন্য সামনে লক্ষ্য ছিল ১৫৩। খুব একটা কঠিন লক্ষ্য ছিল না। তবু পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে অ্যারন ফিঞ্চ ও বাবা ইন্দ্রজিৎকে হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল নাইট রাইডার্স। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ও নীতিশ রানা চাপ কাটিয়ে দলের জয়ের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। ১০ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, এখনও সঠিক কম্বিনেশন নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট বেছে নিতে পারল না। খারাপ ফর্মের জন্য এদিন ভেঙ্কটেশ আয়ারকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে অ্যারন ফিঞ্চের সঙ্গে বাবা ইন্দ্রজিৎকে ওপেন করতে পাঠানো হয়। দুই ওপেনারই এদিন দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই অ্যারন ফিঞ্চকে (৭ বলে ৪) তুলে নেন কুলদীপ সেন। ২ ওভার পরেই প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার শিকার বাবা ইন্দ্রজিৎ। ১৬ বলে ১৫ রান করে তিনি আউট হন। ৩২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ও নীতিশ রানা। জুটিতে ওঠে ৬০ রান। শ্রেয়সকে (৩২ বলে ৩৪) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ট্রেন্ট বোল্ট। এরপর রাজস্থান রয়্যালসের বোলারদের আর কোনও সুযোগ দেননি নীতিশ রানা ও রিঙ্কু সিং। তাঁদের ৬৬ রানের জুটি নাইট রাইডার্সকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ৫ বল বাকি থাকতে ১৫৮/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ৩৭ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন নীতিশ রানা। ২৩ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসের শুরুটাও ভাল হয়নি। নাইট বোলারদের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল জস বাটলারের ঝড় আটকানো। সেই লক্ষ্যে সফল উমেশরা। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন উমেশ। নবম ওভারের তৃতীয় বলে বাটলারকে তুলে নেন টিম সাউদি। ২৫ বলে তিনি ২২ রান করে আউট হন। আগের ম্যাচগুলোর মতো দাপট দেখাতে পারেননি বাটলার। এরপর অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন করুণ নায়ার। ১৩ বলে ১৩ রান করে অনুকূল রায়ের বলে রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। রিয়ান পরাগ ১২ বলে করেন ১৯। দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ৪৯ বলে ৫৪ রান করেন তিনি। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৩ বলে ২৭ রান করে রাজস্থানকে ১৫২/৫ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন শিমরন হেটমায়ার। ৪৬ রানে ২ উইকেট নেন সাউদি। ১ টি করে উইকেট পান উমেশ যাদব, অনুকূল রায় ও শিবম মাভি।

মে ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাটলার আটকে যেতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ রাজস্থানের, মান বাঁচালেন সঞ্জু

প্লে অফের ছাড়পত্র আসবে কিনা সেকথা নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারও খুব বেশি আশাবাদী নন। সম্মান বাঁচানোই এখন মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল শ্রেয়সরা। জস বাটলার, সঞ্জু স্যামসন সমৃদ্ধ রাজস্থান রয়্যালসকে আটকে রাখল মাত্র ১৫২/৫ রানে। দারুণ বোলিং করলেন উমেশ যাদব, সুনীল নারাইনরা। বাটলার আটকে যেতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ রাজস্থানের। ডু অর ডাই ম্যাচে এদিন প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। খারাপ ফর্মের জন্য প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়ের গতবছর দলকে প্লে অফে তোলার নায়ক ভেঙ্কটেশ আয়ার। তাঁর পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছেন অনুকূল রায়। এছাড়াও প্রথম একাদশে নেওয়া হয় শিবম মাভিকে। অন্যদিকে, ড্যারিল মিচেলের জায়গায় করুণ নায়ারকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। টস জিতে এদিন রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। উমেশ যাদবদের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল জস বাটলারের ঝড় আটকানো। নাইট বোলাররা সেই কাজে সফল। এদিন দারুণ শুরু করেছিলেন উমেশ যাদব। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন। ৭ রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। বাটলার ও সঞ্জু স্যামসন দলকে টেনে নিয়ে গেলেও সেই দাপট ছিল না। নবম ওভারের তৃতীয় বলে বাটলারকে তুলে নেন টিম সাউদি। ২৫ বলে তিনি ২২ রান করে আউট হন। এরপর অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন করুণ নায়ার। প্রথম একাদশে এদিন সুযোগ পেয়েও নিজেকে অবশ্য ভালভাবে মেলে ধরতে পারলেন না করুণ নায়ার। ১৩ বলে ১৩ রান করে তিনি অনুকূল রায়ের বলে রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রিয়ান পরাগ ১২ বলে ১৯ রান করে সাউদির বলে আউট হন। একের পর এক উইকেট পেলেও দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ৪৯ বলে ৫৪ রান করে তিনি শিবম মাভির বলে রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সুনীল নারাইন, উমেশ যাদবরা এদিন একেবারেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ দেননি সঞ্জুকে। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৩ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকেন শিমরন হেটমায়ার। তাঁর সৌজন্যেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫২/৫ রানে পৌঁছয় রাজস্থান রয়্যালস। ৪৬ রানে ২ উইকেট নেন সাউদি। ১ টি করে উইকেট পান উমেশ যাদব, অনুকূল রায় ও শিবম মাভি।

মে ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সংসারে অশান্তির আগুন নিয়ে রাজস্থানের বিরুদ্ধে নামছে নাইট রাইডার্স

সোমবার আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের কাছে বলতে গেলে ডু অর ডাই ম্যাচ। প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই শ্রেয়স আয়ারের দলের কাছে। এই রকম মরণবাঁচন ম্যাচের আগে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়ে নাইট শিবির।চলতি আইপিএলে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম ৪ ম্যাচে তিনটিতে জিতে শুরুর দিকে বেশ ভাল জায়গাতেই ছিল। তারপর হঠাৎই ছন্দপতন। শেষ পাঁচটি ম্যাচ হেরে একেবারে খাদের কিনারে। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলিতে জিততেই হবে নাইট রাইডার্সকে। এই অবস্থায় সোমবার এমন একটা দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে, যারা যথেষ্ট ভাল ছন্দে রয়েছে। সুতরাং নাইটদের কাছে কাজটা যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি সব ম্যাচেই জিততে হবে নাইটদের। কাজটা যে যথেষ্ট কঠিন, সেকথা খুব ভালভাবেই জানেন নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তাই প্লে অফের স্বপ্ন তিনি দেখছেন না। শ্রেয়সের একটাই লক্ষ্য দলের সম্মান রক্ষা করা। সেই লক্ষ্যেই সতীর্থদের নিজেদের উজার করে দেওয়ার কথা বলেছেন। যদিও নাইট শিবিবের অসন্তোষের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। যার নমুনা পাওয়া গেছে টিম সাউদির কথায়। দলের এই জোরে বোলার সরাসরি ওপেনারদের দিকে আঙুল তুলেছেন। প্যাট কামিন্সকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।জস বাটলারের কথা মাথায় রেখে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে প্যাট কামিন্সকে প্রথম একাদশে ফেরানোর ভাবনা শুরু হয়েছে। ভেঙ্কটেশ আয়ার, আন্দ্রে রাসেলদের ফর্মও চিন্তায় রাখছে নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে। ব্যাটে একমাত্র রান রয়েছে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ও নীতিশ রানার। নীতিশ রানাকে কেন আরও ওপরে তুলে নিয়ে আসা হচ্ছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আসলে সঠিক কম্বিনেশন বেছে নিতে না পারার জন্যই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নাইট রাইডার্সকে। গতবছর আইপিএলে শেষ পর্বে টানা ম্যাচ জিতে প্লে অফে পৌঁছে গিয়েছিল নাইটরা। এবছর কাজটা একটু বেশিই কঠিন।দুই দলের সাক্ষাৎকারে নাইট রাইডার্স সামান্য হলেও এগিয়ে রয়েছে। ২৬ সাক্ষাৎকারের মধ্যে নাইটরা জিতেছে ১৩টি ম্যাচে, অন্যদিকে রাজস্থান জিতেছে ১২ ম্যাচে। চলতি আইপিএলের প্রথম পর্বের সাক্ষাৎকারে ৭ রানে জিতেছিল রাজস্থান রয়্যালস। এবার নাইটদের সামনে প্রতিশোধের সুযোগ। শ্রেয়স আয়ারের দলকে জিততে গেলে জস বাটলারকে আটকাতেই হবে।

মে ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সকে ভেন্টিলেশনে ঠেলে দিলেন প্রাক্তনী কুলদীপ

গত বছর আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্লে অফের ছাড়পত্র জোগাড় করে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এ মরশুমে সেই সম্ভাবনা যথেষ্ট ক্ষীণ। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে এদিন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হারল ৪ উইকেটে। টানা ৫ ম্যাচ হেরে প্লে অফের রাস্তা যথেষ্ট কঠিন করে ফেলল নাইটরা। নাইটদের ভেন্টিলেশনে ঠেলে দিলেন কুলদীপ যাদব। দুরন্ত বোলিং করে নাইটদের ব্যাটিংকে তছনছ করে দেন।দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি নাইট রাইডার্সের। নাইট শিবির থেকেও প্রত্যাঘাত এসেছিল দারুণভাবেই। ১৪৬ রান হাতে নিয়ে ম্যাচ জিততে গেলে বোলারদের জ্বলে ওঠাটা জরুরি। প্রথম বলেই পৃথ্বী শকে (০) তুলে নিয়ে দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে চ্যালেঞ্জটা ছুঁড়ে দিয়েছিলেন উমেশ যাদব। নিজের বলেই তিনি পৃথ্বীর ক্যাচ নেন। পরের বলেই আরও একটা উইকেট পেতে পারতেন উমেশ। তাঁর বল মিচেল মার্শের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটকিপার বাবা ইন্দ্রজিতের সামনে পড়ে বেরিয়ে যায়। প্রথম ওভারেই ওঠে ১১। দ্বিতীয় ওভারে আবার ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই দলকে দারুণ ব্রেক থ্রু এনে দেন ২০ বছর বয়সী তরুণ জোরে বোলার হর্ষিত রানা। তুলে নেন মিচেল মার্শকে। ফ্লিক করতে গিয়ে ডিফ স্কোয়ার লেগে ভেঙ্কটেশ আয়ারের হাতে সহজ ক্যাচ দেন মার্শ (৭ বলে ১৩)। ১৭ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। পরিস্থিতি দারুণভাবে সামাল দেন ললিত যাদব ও ডেভিড ওয়ার্নার। গতবছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদ জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। এবছর নিলামে দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁকে তুলে নেয়। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তারপর থেকেই দারুণ ছন্দে এই অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে এদিনও দারুণ চাপ সামলালেন। ললিত যাদবকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে উমেশ যাদব বল করতে এসে ওয়ার্নার (২৬ বলে ৪২) ও ঋষভ পন্থকে (২) তুলে নেন। অন্যদিকে ললিত যাদবকে (২২) ফেরান সুনীল নারাইন। পরপর ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। চাপ কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত দলকে জয় এনে দেন অক্ষর প্যাটেল (১৭ বলে ২৪) ও রভম্যান পাওয়েল (১৬ বলে অপরাজিত ৩৩)। ১ ওভার বাকি থাকতে ১৫০/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণির সামনে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্যাটাররা। যদিও নাইট শিবিরে প্রথম ধাক্কা দেন চেতন সাকারিয়া। দ্বিতীয় ওভারে তিনি অ্যারন ফিঞ্চের (৩) স্টাম্প ছিটকে দেন। এদিন লোয়ার অর্ডার থেকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (৬)। তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। অষ্টম ওভারে পরপর দুবলে বাবা ইন্দ্রজিৎ (৬) ও সুনীল নারাইনকে (০) তুলে নিয়ে নাইটদের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান কুলদীপ যাদব। জ্বলে ওঠার মুখে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকেও (৩৭ বলে ৪২)। তুলে নেন। পরের বলেই ফেরান রাসেলকে (০)। নীতিশ রানা (৩৪ বলে ৫৭) ও রিঙ্কু সিংয়ের (১৬ বলে ২৩) সৌজন্যে ১৪৬/৯ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন কুলদীপ।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন সৈনিক কুলদীপের ঘূর্ণিতেই বেহাল দশা নাইট রাইডার্সের

বৃহস্পতিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শ্রেয়স আয়ারদের কাছে ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত নাইট রাইডার্সকে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রাক্তন সৈনিক কুলদীপ যাদবের স্পিনেই বেসামাল নাইটরা। তাঁর ঘূর্ণিতে ভেঙে পড়ল নাইটদের মিডল অর্ডার। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১৪৬ তুলল নাইট রাইডার্স। ১৪ রানে ৪ উইকেট নিলেন কুলদীপ। গত বছর আইপিএলে প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টিতে জয় পেয়েছিল। শেষ ৭ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে নিয়েছিল নাইটরা। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা অতীতে রয়েছে নাইট রাইডার্সের। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারল না। টানা ৪ ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে জয়ে ফেরার লক্ষ্যে এদিন প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল নাইট রাইডাস। প্রথম একাদশে ফেরানো হয় অ্যারন ফিঞ্চ। এছাড়া এদিন প্রথম সুযোগ দেওয়া হয় বাবা ইন্দ্রজিৎ ও হর্ষিত রানাকে। প্রথম একাদশে ফেরার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ফিঞ্চ। একবার জীবন পেয়েও মাত্র ৩ রান করে আউট হন। টস জিতে এদিন নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দ্বিতীয় ওভারে চেতন সাকারিয়ার দ্বিতীয় বলে অ্যারন ফিঞ্চের ক্যাচ তালুবন্দী করতে পারেননি রভম্যান পাওয়েল। পরের বলেই অবশ্য ফিঞ্চের (৩) স্টাম্প ছিটকে দেন সাকারিয়া। প্রথম একাদশে ফিরেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। এদিন ওপেনিংয়ে ফেরানো হয়েছিল ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (৬)। তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। অষ্টম ওভারে পরপর দুবলে বাবা ইন্দ্রজিৎ (৬) ও সুনীল নারাইনকে (০) তুলে নিয়ে নাইটদের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান কুলদীপ যাদব। এরপর নীতিশ রানাকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার (৩৭ বলে ৪২)। পরপর দুবলে শ্রেয়স ও আন্দ্রে রাসেলকে (০) তুলে নিয়ে আবার নাইটদের চাপে ফেলে দেন কুলদীপ। শেষ পর্যন্ত নীতিশ রানা (৩৪ বলে ৫৭) ও রিঙ্কু সিংয়ের (১৬ বলে ২৩) সৌজন্যে ১৪৬/৯ রানে পৌঁছয় নাইট রাইডার্স। দুরন্ত বোলিং করে ৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন কুলদীপ। ১৮ রানে ৩ উইকেট মুস্তাফিজুরের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঘুরে দাঁড়াতে গত বছরের পারফরমেন্সই প্রেরণা নাইটদের কাছে

প্রথম ৪ ম্যাচে ৩টিতে জয়। তারপর টানা ৪ ম্যাচে হার। ৮ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে অষ্টম স্থানে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। টানা ৪ ম্যাচে পরাজয় পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে নাইট রাইডার্সের। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হচ্ছে শ্রেয়স আয়ারের দল। প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জিততেই হবে নাইট রাইডার্সকে।কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা অতীতে রয়েছে নাইট রাইডার্সের। গত বছর আইপিএলে প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টিতে জয় পেয়েছিল। শেষ ৭ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে নিয়েছিল নাইটরা। সেই ঘটনা প্রেরণা হয়ে উঠতে পারে নাইটদের কাছে। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে গত বছরের উদাহরণ তুলে ধরেছেন নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তাঁর আশা এবছরও তেমন কিছু ঘটাতে পারবে দল। সতীর্থদের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন না শ্রেয়স আয়ার।দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট অধিনায়ক বলেছেন, প্রথম ৪ ম্যাচের মধ্যে আমরা তিনটিতে জিতেছিলাম। তারপর ছন্দ হারিয়েছি। সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক হয়নি। আশা করছি দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে দল ছন্দে ফিরবে। দিল্লির বিরুদ্ধে জিতলেই আমাদের থামানো কঠিন হবে। সতীর্থদের ওপর ভরসা আছে। আশা করছি দিল্লির বিরুদ্ধেই দল ঘুরে দাঁড়াবে। ইডেন গার্ডেন্সে প্লে অফ খেলার দিকেও তাকিয়ে নাইট রাইডার্স অধিনায়ক।দিল্লি ক্যাপিটালস ও নাইট রাইডার্স, দুই দলের কাছেই এই ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে দল এই ম্যাচ থেকে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারবে, প্লে অফের লড়াইয়ে তারাই অক্সিজেন পেয়ে যাবে। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে অবশ্য কিছুটা হলেও নাইটরা এগিয়ে রয়েছে। দুই দলের ৩০ বার সাক্ষাৎকারের মধ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছে ১৬ ম্যাচে। ১৩টি ম্যাচ জিতেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। একটা ম্যাচে কোনও ফলাফল হয়নি।দুই দলই অবশ্য সমস্যা নিয়েই বৃহস্পতিবার মাঠে নামতে চলেছে। নাইট রাইডার্স যেমন এখনও প্রথম একাদশ তৈরি করে উঠতে পারেনি। একই অবস্থা দিল্লি ক্যাপিটালসেরও। নাইটদের সবথেকে বড় মাথাব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে রহস্যময় স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীর ফর্ম। তাংর রহস্য ধরে ফেলেছেন বিপক্ষের ব্যাটাররা। দলের ব্যাটারদেরও ধারাবাহিকতার অভাব। সাম বিলিংস, শেলডন জ্যাকসনরাও দলকে ভরসা দিতে ব্যর্থ। ওপেনিং জুটি ক্লিক করছে না। সুনীল নারাইনকে দিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। তিনিও ব্যর্থ। দিল্লির বিরুদ্ধে হয়তো ভেঙ্কটেশ আয়ারকে আবার ওপেনিংয়ে ফেরানো হতে পারে।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে মোদি! বাংলার জন্য আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটির প্রকল্প ঘোষণা

ভোটের আবহে কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় পাঁচ বছর পর আবার ব্রিগেড ময়দানে তাঁর জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সভার মঞ্চে রাখা হয়েছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে সাজানো হয়েছে পুরো মঞ্চ।সভা শুরু হওয়ার আগে ব্রিগেডের সরকারি অনুষ্ঠান থেকে বাংলার জন্য প্রায় আঠারো হাজার আটশো ষাট কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের নতুন দিশা খুলবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব ভারতের উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। তাঁর কথায়, সড়ক, রেল এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আঠারো হাজার কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্পের সূচনা হয়েছে।তিনি জানান, এই সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন আরও সহজ ও উন্নত হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, খড়গপুর থেকে মৌরিগ্রাম পর্যন্ত দ্রুতগতির সড়ক প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের বহু এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। এছাড়াও দুবরাজপুর বাইপাস এবং কংসাবতী ও শিলাবতী নদীর উপর নতুন সেতু তৈরি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।এই অনুষ্ঠানে ছয়টি রেলস্টেশনকে আধুনিকীকরণের প্রকল্পেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি এই ছয়টি স্টেশনকে নতুনভাবে উন্নত করা হচ্ছে।এছাড়াও তিনি জানান, হলদিয়া বন্দর এবং কলকাতা বন্দরের সংস্কার কাজও শুরু হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের ফলে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুরো পূর্ব ভারতের উন্নয়নেও বড় প্রভাব পড়বে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গিরিশপার্কে রণক্ষেত্র! ইটের আঘাত মন্ত্রীর পেটে, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

কলকাতার গিরিশপার্ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়েছিল। সেই ইটের আঘাত তাঁর পেটে লেগেছে বলে তিনি জানান। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি সেই আঘাতের দাগও দেখান। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে আনা হয়েছে এবং তারাই এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।শনিবার দুপুরে ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা রয়েছে। সেই সভায় যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ গিরিশপার্ক এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনের এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের কর্মী সমর্থকেরা বাসে করে ব্রিগেডে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের বাসে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ সহ একাধিক কর্মী আহত হন। আহত হন বৌবাজার থানার ওসিও।অন্যদিকে মন্ত্রী শশী পাঁজার দাবি, বিজেপি কর্মীরাই প্রথম হামলা চালায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের উপর আক্রমণ করা হয় এবং মারধর করা হয়। মন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি আশ্রিত বহিরাগত দুষ্কৃতীরা বাসভর্তি ইট, বোতল এবং বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। তাঁর কথায়, তারাই তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে।শশী পাঁজা বলেন, তাঁর বাড়ি রাস্তার ধারে হওয়ায় দুষ্কৃতীরা সরাসরি সেখানে আক্রমণ চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইট, বোতল ও লাঠি নিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের উপর হামলা করা হয় এবং তাকেও আঘাত করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তাঁর দলের একাধিক কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ও নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হয়েছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপরও হামলা চালায় এবং মহিলা পুলিশকর্মী ও এলাকার কাউন্সিলরের উপরও আক্রমণ করা হয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অনেকেই বাংলার বাসিন্দা নয়, বাইরে থেকে আনা হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, বিজেপির বয়কট সংক্রান্ত একটি ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা নিয়ে প্রথমে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় এবং ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। তাঁর কথায়, সেই সময় পুরো এলাকা যেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, একটি বড় ইট তাঁর পেটে লাগে এবং তখন তাঁকে দ্রুত ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকদের বাসে হামলা! ভোরে বেলদায় ভাঙচুর, উত্তেজনা চরমে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় বিজেপি সমর্থকদের একটি বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা বাসটি ঘিরে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বেলদা থানার পাতলি এলাকায়।জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর প্রায় পাঁচটা ত্রিশ মিনিট নাগাদ বাসটি আহার মুণ্ডা এলাকার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী বাসটি থামিয়ে চালকের কাছে জানতে চায় বাসটি কোথায় যাচ্ছে। চালক জানান, তাঁরা ব্রিগেডে হওয়া সভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।অভিযোগ, এই কথা শুনেই কয়েকটি মোটরবাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা বাসটিকে ঘিরে ধরে। এরপর লাঠি নিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে বাসের কাচ ভেঙে ফেলা হয়। সেই সময় বাসের চালক এবং খালাসিও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর চালিয়ে দুষ্কৃতীরা দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।কিছু সময় বাসটি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকার পর পরে সেটিকে ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্রিগেডের সভায় সমর্থকদের যাওয়া আটকাতেই শাসকদল ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। নারায়ণগড় ব্লকের তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ তদন্ত করলেই সত্য সামনে আসবে। তাঁর দাবি, বিজেপি নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে প্রচার পাওয়ার চেষ্টা করছে।তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বেলদা থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় জনসভা হওয়ার কথা। সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডের মঞ্চ সাজানো হয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে। এই বিষয়টি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে নামবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রিগেড ময়দানে যাবেন।দুপুরের দিকে ব্রিগেডে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। মঞ্চে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। দার্জিলিংয়ের চা বাগান থেকে বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে মঞ্চ।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে মোদীর সভা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা! তিন হাজার রক্ষী, আকাশে উড়বে না কিছুই

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে জাতীয় সড়ক উদ্বোধনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তাও দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাকে ঘিরে বিজেপি শিবিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণ উড়ান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আকাশে কোনও ড্রোন উড়তে দেওয়া হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে নজরদারি চালাবে পুলিশ।সভাস্থলে প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হচ্ছে। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবেন উপকূল নিরাপত্তা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার আধিকারিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রিগেড ময়দানে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন বিজেপির একাধিক নেতা।শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। গোটা এলাকাকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন উপ পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরা।চার থেকে পাঁচটি সেক্টর মিলিয়ে একজন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনাররাও দায়িত্ব পালন করবেন।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে যে মিছিল ব্রিগেডের দিকে আসবে, সেই সব রাস্তায় প্রায় পঞ্চাশটি পিকেট বসানো হয়েছে।শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল ব্রিগেডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই সব রাস্তায় বসানো হয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারি ক্যামেরা। ব্রিগেডের মঞ্চ এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ।উড়ান নিষিদ্ধ এলাকা হওয়ায় আকাশে কোনও ড্রোন ব্যবহার করা হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে পুলিশ নজরদারি চালাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

‘১৪ মার্চ ভুলিনি’—নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে শুভেন্দু, একই দিনে শ্রদ্ধা মমতারও

ভোটের আবহে আবারও আলোচনায় উঠে এল নন্দীগ্রাম। দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের ঘটনাকে স্মরণ করে শনিবার নন্দীগ্রামে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে একই দিনে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণ করে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।শনিবার সকালেই নন্দীগ্রামের মালোপাড়ায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতারা এবং বিজেপির একাধিক পদাধিকারী। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের সেই দিনটি ভোলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, জমি ও বাড়ি রক্ষার জন্য নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের যে লড়াই ছিল, সেই ঐতিহাসিক দিনের স্মৃতি আজও মানুষের মনে রয়েছে।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে সকালে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই সহ সমস্ত শহিদদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাচ্ছেন।প্রতি নির্বাচনের আগেই নন্দীগ্রামের ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন নির্বাচনের আগে আবারও নন্দীগ্রামকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, পরে অধিকারী পাড়ার শহিদ বেদিতেও শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার কথা রয়েছে শাসকদলের নেতাদের। সেখানে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী এবং ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যুক্ত নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীরা প্রথমে অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি পালন করছেন। তারপর সোনাচূড়া শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তাঁদের।অন্যদিকে বেলা এগারোটার দিকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকেও আলাদা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথমে ভাঙাবেড়া এলাকায় শহিদদের স্মরণ করা হবে। এরপর অধিকারী পাড়া এবং মালোপাড়ায় কর্মসূচি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেড মঞ্চে বড় চমক? বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের মুখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার মঞ্চেই তিনি পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা হয়নি। নিজেও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি ওই চিকিৎসক।জানা গিয়েছে, ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ডাক পেয়েছেন নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং সভায় যাবেন বলেই ভাবছেন। তবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, সেই বিষয়ে সরাসরি উত্তর দিতে চাননি তিনি।এই প্রসঙ্গে চিকিৎসক বলেন, তিনি সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও সভায় আমন্ত্রিত হয়ে যাওয়া মানেই যে সেই দলে যোগ দেওয়া, এমনটা নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী মনোভাবাপন্ন চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। আর জি কর হাসপাতালের এক তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।সেই সময় জুনিয়র চিকিৎসকদের একাধিক মিছিল এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। রাতভর আন্দোলন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।শুধু তাই নয়, সেই সময় তিনি আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন।তবে পরে তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।এরপর চিকিৎসকদের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও চিকিৎসক সংগঠনের প্রতিনিধি কি না, তা তারা জানে না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতেই পারেন, কিন্তু চিকিৎসকদের সম্মিলিত আন্দোলনের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলার অধিকার তাঁকে কেউ দেয়নি বলেও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।পরে আবার আন্দোলনের কিছু মুখের বিরুদ্ধে সমালোচনাও করতে দেখা যায় তাঁকে। সেই ঘটনার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।এখন সেই নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক সূত্রে খবর, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা করতে পারে বিজেপি।সেই কারণে প্রশ্ন উঠছে, নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভবিষ্যতে নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারেন। তবে এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের হাতেই রয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal