• ৬ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IPL

খেলার দুনিয়া

‌নির্বাসনের মুখে পড়তে হতে পারে রোহিত শর্মাকে, কেন?‌

সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মার কাছে। চলতি আইপিএলে ইতিমধ্যেই পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে হয়ে গেছে। এখনও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হয়েছে। তার ওপর আবার জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে। দলের মন্থর বোলিংয়ের জন্য ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে রোহিত শর্মার। চলতি আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার জরিমানার কবলে পড়তে হল মুম্বই অধিনায়ককে। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ে ২০ ওভার বোলিং করতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ফলে দলের অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার ওপরে শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছে। তাঁর ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচেও মন্থর বোলিংয়ের জন্য শাস্তির কবলে পড়তে হয়েছিল রোহিতকে। ওই ম্যাচে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছিল। দ্বিতীয় বার একই অপরাধ হওয়ায় এবার জরিমানার পরিমান দ্বিগুন। যদি আরও একবার মন্থর বোলিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত হন রোহিত, তাহলে জরিমানার পাশাপাশি এক ম্যাচ নির্বাসিত হতে হবে। শুধু রোহিতেরই জরিমানা হয়নি, প্রথম একাদশে থাকা বাকি ক্রিকেটারদেরও জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে। বাকিদের জরিমানা হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা করে। আইপিএলের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্লো ওভার রেটের জন্য মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জরিমানা করা হয়েছে। অধিনায়ক রোহিত শর্মার ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাকি ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা হয়েছে। এ বারের আইপিএলে এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা। পর পর পাঁচ ম্যাচে হারতে হয়েছে তাদের। বুধবার টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন রোহিত। প্রথমে ব্যাট করে ১৯৮ রান করে পঞ্জাব। জবাবে ১৮৬ রানে শেষ হয় মুম্বইয়ের ইনিংস। ১২ রানে ম্যাচ হারে তারা।এদিকে, রোহিত শর্মার ব্যাটেও রান নেই। ৫ ম্যাচে করেছেন ১০৪। দলের অধিনায়ক রান না পেলেও চিন্তিত নন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে। তিনি বলেন, রোহিত ভাল টাচে আছে। ভাল শুরু করছে। কিন্তু বড় ইনিংস আসছে না। আমি আশাবাদী, দ্রুতই বড় ইনিংস খেলবে রোহিত।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হার্দিকের ব্যাটে অধিনায়কোচিত ইনিংস, কোথায় পৌঁছল গুজরাট টাইটান্স!‌

দলকে শীর্ষে তোলার লড়াইয়ে জ্বলে উঠলের গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর দুরন্ত অপরাজিত ৮৭ রানের সুবাদে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯২/৪ তুলল গুজরাট টাইটান্স।মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। চলতি আইপিএলে এই প্রথম টস ভাগ্য সাহায্য করল সঞ্জুকে। যদিও এদিন অস্বস্তি নিয়েই মাঠে নামতে হয়েছে রাজস্থান রয়্যালসকে। চোটের জন্য গুজরাট টাইটান্স ম্যাচ থেকে ছিটকে যান দলের নির্ভরযোগ্য জোরে বোলার ট্রেন্ট বোল্ট। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে ঢোকেন জিমি নিশাম। অন্যদিকে, প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে গুজরাট টাইটান্স। দর্শন নালকণ্ডের জায়গায় যশ দয়াল ও সাই সুদর্শনের জায়গায় বিজয় শঙ্কর। আইপিএলে অভিষেক হল যশের। তাঁর হাতে টুপি তুলে দেন আশিস নেহরা।ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন গুজরাট টাইটান্সের ওপেনার ম্যাথু ওয়েড। তিমি নিশামের প্রথম ওভারেই তিনটি বাউন্ডারির সাহায্যে তোলেন ১২। পরের ওভারেই শুভমান গিলের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট ওয়েড (৬ বলে ১২)। প্রথম একাদশে ফিরে সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বিজয় শঙ্কর (২)। তৃতীয় ওভারে তাঁকে তুলে নেন কুলদীপ সেন। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে শুভমান গিলকে (১৪ বলে ১৩) ফেরান রিয়আন পরাগ। ৭ ওভারে ৫৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাট টাইটান্স। এরপরই দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তুলে নেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। আগের ম্যাচের মতোই তিনি জ্বলে ওঠেন। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন অভিনব মনোহর। জুটি ওঠে ৮৬। যুজবেন্দ্র চাহাল এসে জুটি ভাঙেন। তাঁর বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অভিনব মনোহর। ৪টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। অভিনব আউট হলেও হার্দিকের ঝন থামাতে পারেননি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, যুজবেন্দ্র চাহালরা। ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হার্দিক। শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে ৮৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। হার্দিকের ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার ও ৪টি ছয়। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ১৪ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতের ১০ হাজারী মাইলস্টোনেও দুঃস্বপ্ন কাটল না মুম্বইয়ের

চলতি আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দুঃস্বপ্ন চলছেই। টানা ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। অথচ এখনও জয়ের মুখ দেখল না। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারল ১২ রানে। দল এখনও জয় না পেলেও টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পোঁছে গেলেন মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলির পর দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছতে রোহিত শর্মার দরকার ছিল ২৫ রান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কাগিসো রাবাডার তৃতীয় বল ডিপ এক্সট্রা কভারের ওপর দিয়ে গ্যালারিতে পাঠিয়ে টি২০ ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছন রোহিত। ১৭ বলে ২৮ রান করেন রোহিত। এদিন ২৮ রান করায় টি২০ ক্রিকেটে তাঁর মোট রান হল ১০০০৩। বিরাট কোহলির রান ১০৪৯৯।মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস প্রথম জয় পেয়েছিল চেন্নাই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অবশ্য এখনও জয়ের মুখ দেখল না। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো (১৩ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৯৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই। ঝড় তুলেও চতুর্থ ওভারে ফিরে যান রোহিত শর্মা। পরের ওভারে ঈশান কিশানকে (৩) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন বৈভব আরোরা। এরপর ঝড় তোলেন বেবি এবি ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। ১০ ওভারে ১০৫/২ রানে পৌঁছে যায় মুম্বই। ওডিয়েন স্মিথের বলে ব্রেভিস ফিরতেই রানের গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। ৪টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ২৫ বলে ৪৯ রান করেন ব্রেভিস। ১ ওভার পরেই রান আউট হন তিলক ভার্মা। ২০ বলে তিনি করেন ৩৬। পরপর ব্রেভিস ও তিলক ভার্মা আউট হলেও পোলার্ড ও সূর্যকুমার যাদব মুম্বইয়ের জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন। পোলার্ড (১১ বলে ১০) রান আউট হতেই চাপে পড়ে যায় মুম্বই। সূর্যকুমার ঝড় তুলে দলকে প্রথম জয় এনে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু রাবাডাকে তুলে মারতে গিয়ে লং অনে ওডিয়েন স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৩০ বলে ৪৩ রান করেন সূর্যকুমার। শেষ ওভারে উনাদকাত (৭ বলে ১২), বুমরা (০) ও টাইমল মিলসকে (০) তুলে নেন স্মিথ (৪/৩০)। মুমইয়ের ইনিংস থেমে যায় ১৮৬/৯ রানে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতদের প্রথম জয়ের সামনে বড় প্রাচীর তুলে দিলেন শিখর–মায়াঙ্ক

সবথেকে দুই সফল দলের কাছে এবারে আইপিএল অভিযান ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ৪টি ম্যাচেই টানা হারতে হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কি পারবে বুধবার চলতি আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিতে? রোহিত শর্মাদের কাছে কিন্তু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল পাঞ্জাব কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৯৮। জয়ের জন্য রোহিত শর্মাদের করতে হবে ১৯৯। টার্গেট কিন্তু যথেষ্ট কঠিন। পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠে এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রমমদীপ সিংয়ের পরিবর্তে এদিন টাইমল মিলসে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় মুম্বই। যদিও ইংল্যান্ডের এই বাঁহাতি জোরে বোলার পাঞ্জাব কিংসের ওপেনারদের বিরুদ্ধে এদিন তেমন সুবিধা করতে পারেননি। দারুণ শুরু করেছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও শিখর ধাওয়ান। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে দুজনে তোলেন ৯৭। শুরুর দিকে শিখরের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে এদিন প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুরুগান অশ্বিন। মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিনি তুলে নেন। ৩২ বলে ৫২ রান করে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। তিন নম্বরে নামা জনি বেয়ারস্টো ৎ বলে ১২) রান পাননি। তাঁকে ফেরান জয়দেব উনাদকাত। লিয়াম লিভিংস্টোন ৩ বলে ২ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাট করেন শিখর ধাওয়ান। ৫০ বলে ৭০ রান করে তিনি বাসিল থাম্পির বলে কায়রন পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিখর ধাওয়ানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও তিনটি ৬। শেষদিকে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ১৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ বলে ১৫ রান করেন শাহরুখ খান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বাসিল থাম্পি ৪৭ রানে ২টি, জয়দেব উনাদকাত ৪৪ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৮ রানে ১টি, মুরুগান অশ্বিন ৩৪ রানে ১টি উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সুযোগ না পেয়ে নাইট রাইডার্স সম্পর্কে কী বললেন প্রাক্তন অধিনায়ক?‌

গতবছর দীনেশ কার্তিককে সরিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট আইপিএলের মাঝপথে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল ইওন মর্গানের হাতে। ব্যাটে হয়তো সেভাবে রান পাননি, কিন্তু দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন মর্গান। দলকে ফাইনালে তুললেও তাঁর যোগ্য মর্যাদা পাননি ইংল্যান্ডের সাদাবলের এই অধিনায়ক। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাংর দিকে ফিরেও তাকায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। জস বাটলার, ক্রিস জর্ডন, জনি বেয়ারস্টো, মইন আলিরা যখন আইপিএল মাতাচ্ছেন, নিজের দেশে বসে রয়েছেন ইওন মর্গান। আইপিএলের নিলামে কোনও দলে সুযোগ না পেয়েও হতাশ নন ইওন মর্গান। তাংর কোনও আক্ষেপও নেই। এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মর্গান বলেন, সত্যি কথা বলতে, আইপিএলকে আমি জয়জয় হিসেবে দেখেছিলাম। আইপিএলের মতো বিশ্বের সবথেকে বড় প্রতিযোগিতায় খেলার অভিজ্ঞতা বছরের পর বছর ধরে কাজে লাগিয়ে এসেছি। আইপিএলে আমার বেশকিছু ভাল স্মৃতি রয়েছে। খুব ভাল অভিজ্ঞতাও রয়েছে। আপাতত আমি বিশ্রামে রয়েছি। এরপর খেলা শুরু করলে আর থামতে পারব না। সেই টি২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা খেলে যেতে হবে। এই বছর আইপিএলে খেলার সুযোগ না পেলেও কোনও আক্ষেপ নেই। কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রতি কোনও অভিমান নেই। হয়তো ওদের পরিকল্পনার সঙ্গে আমি নিজেকে মানাতে পারিনি। তাই দলে রাখেনি। ওদের শুভেচ্ছা রইল। বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে খুব ভাল সময় কাটছে। ইওন মর্গানকে সাদা বলের ক্রিকেটে সবচেয়ে চতুর ক্রিকেটার হিসেবে দেখা হয়। পাশাপাশই তাঁকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সেরা অধিনায়কদের মধ্যে একজন হিসেবে গন্য করা হয়। তাঁর হাত ধরেই ইংল্যান্ডের সাদা বলের ক্রিকেটের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর নেতৃত্বেই ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। গত বছর আইপিএলে শেষপর্বে কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন এবং দলকে ফাইনালে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ব্যর্থ হয়েছিলেন।দীনেশ কার্তিক, ইওন মর্গান, দুই নেতাকেই এবছর দলে রাখেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমনেন্ট। মেগা নিলাম থেকে শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়ে তাঁরা হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। চলতি আইপিএলে দলকে দারুণ নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রেয়স আয়ার। ইতিমধ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫টি ম্যাচ খেলেছে। তিনটিতে জিতেছে, ্২টিতে হেরেছে। আগের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে হারতে হয়েছে নাইট রাইডার্সকে। নাইট রাইডার্সের পরের ম্যাচ শুক্রবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে ইওন মর্গানের অভাব অনুভূত হচ্ছে না নাইট শিবিরে।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

উথাপ্পা–শিবমের ব্যাটে দুঃস্বপ্ন কাটল চেন্নাইয়ের, পেল প্রথম জয়ের স্বাদ

চলতি আইপিএলে প্রথম জয় পেল চেন্নাই সুপার কিংস। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে হারাল ২৩ রানে। চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের নায়ক শিবম দুবে ও রবিন উথাপ্পা। এই দুই ব্যাটারের দাপটেই ৪ উইকেটে ২১৬ রানের বড় ইনিংস গড়ে চেন্নাই। সেই শিখরে পৌঁছতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। যদিও ফাফ ডুপ্লেসির দলের লড়াইকে কুর্ণিশ জানাতেই হবে। বড় ইনিংসের সামনে ভেঙে পড়েনি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। না হলে প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যেত। এইরকম ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন চেন্নাইয়ের ব্যাটিং। যদিও চেন্নাইয়ের শুরুটা ভাল হয়নি। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ হন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন রবিন উথাপ্পা এবং শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। জয়ের জন্য ২১৭ রান তাড়া করতে গেলে যে ধরণের শুরু করা উচিত ছিল, করতে পারেনি। তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান ডুপ্লেসি (৮)। আগের ম্যাচে রান পাওয়া অনুজ রাওয়াত (১২), বিরাট কোহলিরাও (১) ব্যর্থ। সামান্য ঝড় তোলার চেষ্টা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ বলে ২৬)। রবীন্দ্র জাদেজা এসে ম্যাক্সওয়েলের ঝড় থামিয়ে দেন। ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। শাহবাজ আমোদ (২৭ বলে ৪১), সুয়াস প্রভুদেশাই (১৮ বলে ৩৫), দীনেশ কার্তিকরা (১৪ বলে ৩৪) লড়াই জমিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯৩ রানে থেমে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ইনিংস। আইপিএলের অভিষেকে চমক দেখালেন শ্রীলঙ্কার অফ স্পিনার মহেশ থিকসানা। ৩৩ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। ৩৯ রানে ৩ উইকেট পান রবীন্দ্র জাদেজা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে হঠাৎ করে কী হল উথাপ্পা–শিবমের?‌ কেন এত তান্ডব?‌

বলতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়তে হবে। দলের এইরকম সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে জ্বলে উঠলেন রবিন উথাপ্পা ও শিবম দুবে। উথাপ্পাকে ছাপিয়ে গেলেন শিবম। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। এই দুই ব্যাটারের দাপটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে বড় রান চেন্নাই সুপার কিংসের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তুলল ২১৬। রবিন উথাপ্পা করেন ৮৮ , শিবম দুবে ৯৫। টস ভাগ্য মোটেই ভাল যাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধেও এদিন টস হারেন। টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠান ফাফ ডুপ্লেসি। ম্যাচের আগে সুনীল গাভাসকার ভবিষ্যতবানী করেছিলেন, এই উইকেটে ১৮০র বেশি রান উঠবে। বাস্তবে তাইই হল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের যা ব্যাটিং শক্তি, তাতে জিততে গেলে চেন্নাইয়ের সামনে বড় রান করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভাল হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। চলতি আইপিএল দুঃস্বপ্নের মতো কাটছে চেন্নাই সুপার কিংসের এই ওপেনারের। একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতা সত্ত্বেও তাঁর ওপর ভরসা হারায়নি চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টের সেই আস্থার মর্যাদা এদিনও দিতে পারলেন না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন ড্যাডিজ আর্মির অন্যতম সদস্য রবিন উথাপ্পা এবং তরুণ শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গতির কামাল:‌ আইপিএল-এ চমক দিয়ে জাতীয় দলের অপেক্ষায় এই কাশ্মীরি তরুণ

গতবছর আইপিএলে বলের গতি দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উমরান মালিক। চলতি আইপিএলে প্রতি ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘন্টায় ১৫০ কিমি গতিতে। প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ আইপিএলে তাঁর দ্রুততম বলটির গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.১ কিমি। যে বলটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে উমরান মালিকের হাত থেকে বেরিয়েছিল। সোমবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাকেও ছাপিয়ে গেছেন। এদিন তাঁর একটা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.৩ কিমি।উমরান মালিকের বলে গতি দেখে মু্গ্ধ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী আগেই উমরানের বলের গতির প্রশংসা করেছিলেন। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিমি মনে করছেন। উমরান মালিক খুব দ্রুতই দেশের হয়ে খেলবেন। এমনকি এই তরুণ জোরে বোলারকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন মাইকেল ভন। মাইকেল ভন টুইট করে বলেছেন, উমরান মালিক খুব শীঘ্রই ভারতের হয়ে খেলবেন। আমি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকতাম, তাহলে এই গ্রীষ্মে উমরানকে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পাঠাতাম। যাতে তার বোলিংয়ের উন্নতিতে সাহায্য করা যায়। এই মুহূর্তে আইপিএলে কমেন্ট্রি করছেন মাইকেল ভন। খুব কাছ থেকে উমরান মালিকের বোলিং দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। ভন মনে করছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় দলে জায়গা করে নেবেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলার। শুধু মাইকেল ভনই নন, এর আগেই রবি শাস্ত্রীর মুখ থেকেও একই কথা শোনা গেছে। ভারতীয় দলে হেড কোচ থাকার সময় উমরান মালিককে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন শাস্ত্রী। সেই সময় উমরান ভারতীয় দলে নেট বোলার হিসেবে ছিলেন। নেটে উমরান মালিকের বোলিং দেশে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রাখার। যাতে উমরান নিজের দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারেন।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গতি দিয়ে দারুণ নজর কেড়েছেন উমরান মালিক। তাঁর প্রথম ডেলিভারিটি ছিল একটি বিষাক্ত বাউন্সার। যা হার্দিক পান্ডিয়ার হেলমেটে ছোবল মেরেছিল। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক ম্যাচের পরে স্বীকার করেছিলেন যে, উমরানের ওই বাউন্সার তাঁকে তাতিয়ে দিয়েছিল। পরের দুটি বলে অবশ্য বাউন্ডারি মেরেছিলেন হার্দিক। দারুণ গতিতে বোলিং করলেও উমরানের সব থেকে বড় সমস্যা হল ধারাবাহিকতার অভাব। নির্দিষ্ট লেংথে বোলিং করতে পারেন না উমরান মালিক। যার ফলে তিনি অনেক বেশি রান দিয়ে ফেলেন। মালিকের ঈর্ষণীয় গতি ছাড়াও জোরে বোলার হিসেবে অনেক কিছু আছে। তাঁর শরীর আদর্শ ক্রীড়াবিদসুলভ। মসৃণ রান আপ। বোলিং অ্যাকশনও দারুণ। এসবই তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এই বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমান করেই চলেছেন উমরান মালিক।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

উইলিয়ামসনের ব্যাটে বিজয়রথ থেমে গেল হার্দিক পান্ডিয়াদের

সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে অপরাজিত ছিল গুজরাট টাইটান্স। তাদের সেই অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভেঙে দিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। গুজরাট টাইটান্সকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় জয় তুলে নিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আগের তিনটি ম্যাচে সাররাইজার্স হায়দরাবাদের মূল সমস্যা ছিল টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। কেন উইলিয়ামসনরা একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেননি । গুটরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে অন্য ছবি। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে জেতালেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৪৬ বলে তিনি ৫৭ রান করে দলের জয়ে মুখ্য ভুমিকা পালন করলেন। অন্য অপেনার অভিষেক শর্মাও এদিন দারুণ ব্যাট করেন। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এদিন টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। এগিন ভুবনেশ্বর কুমার, ওয়াশিংটন সুন্দরদের সামনে জ্বলে উঠতে পারেননি গুজরাট টাইটান্সের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। ম্যাথু ওয়েড (১৯), শুভমান গিল (৭), সাই সুদর্শন (১১), ডেভিড মিলার (১২), রাহুল তেওয়াটিয়ারা (৬)। অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার (৪২ বলে অপরাজিত ৫০) ও অভিনব মনোহরের (২১ বলে ৩৫) দায়িত্বশীল ইনিংস গুজরাট টাইটান্সকে ১৬২/৭ রানে পৌঁছে দেয়। সানরাইজার্সের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার ও টি নটরাজন ২টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও কেন উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬৪। ৩২ বলে ৪২ রান করে রশিদ খানের বলে অভিষেক ফিরে যাওয়ার পর দলকে টানেন উইলিয়ামসন। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে তিনি যখন আউট হন সানরাইজার্সের রান তখন ১৬.১ ওভারে ১২৯/২। শেষ দিকে ঝড় তুলে দলকে জয় এনে দেন নিকোলাস পুরান। ৫ বল বাকি থাকতে ১৬৮/২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন নিকোলাস পুরান। ৮ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কোহলিদের বিরুদ্ধে নামার আগে কেন আত্মবিশ্বাসী চেন্নাই সুপার কিংস?‌

আইপিএলের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি সাফল্য পেয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অথচ এই দুটি দলই এই মরশুমে এখনও একটা ম্যাচেও জয় পায়নি। টানা ৪ ম্যাচে হার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের। মঙ্গলবার রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মুখোমুখি হচ্ছে রবীন্দ্র জাদেজার দল। প্রথম জয়ের দিকে তাকিয়ে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। যদিও কাজটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য আশাবাদী। চেন্নাই শিবিরকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে তাদের পরিসংখ্যান। আইপিএল এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে চেন্নাই সুপার কিংস এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ২৯ বার মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে ১৯টি ম্যাচে জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতেছে ৯ টি ম্যাচে। একটা ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। ২০১৯ ও ২০২০ আইপিএলে দুটি দলই একটা করে ম্যাচ জিতেছিল। গতবছর অবশ্য দুটি সাক্ষাৎকারেই জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। পরিসংখ্যান চেন্নাই সুপার কিংসের দিকে থাকলেও মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরই ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে। কারণ চলতি আইপিএলে টানা ৩ ম্যাচ জিতে দারুণ ছন্দে রয়েছে ফাফ ডুপ্লেসির দল। বলতে গেলে মঙ্গলবার একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ খেলতে নামছে চেন্নাই সুপার কিংস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে হারলেই প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে যাবে রবীন্দ্র জাদেজাদের কাছে। এর আগেও যে চেন্নাই টানা ৪ ম্যাচে হারেনি, এমন নয়। ২০১০ আইপিএলেও টানা ৪ ম্যাচ হেরেছিল ধোনি ব্রিগেড। তবে সেবার প্রথম ৪ ম্যাচে হারতে হয়নি। এবছর টানা ৪ ম্যাচ হেরে দলের আত্মবিশ্বাস যে তলানিতে পৌঁছেছে, মেনে নিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। তিনি মনে করছেন, ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং, কোনও বিভাগেই ক্রিকেটাররা পরিকল্পনার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ। ব্যাটাররাও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারছেন না। বোলিংয়ে দীপক চাহারের অভাব প্রতিটা ম্যাচেই ফুটে উঠেছে। ক্রিস জর্ডন, অ্যাডাম মিলনে, শিবম দুবে, স্যান্টনাররা দলকে ভরসা দিতে পারেননি। ব্যাটিংয়েও ধারাবাহিকতার অভাব। সবথেকে বড় চিন্ত ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ফর্ম। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটিং গভীরতা অনেক বেশি। ম্যাক্সওয়েল যোগ দেওয়ায় শক্তি আরও বেড়েছে। বোলাররাও দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ফলে চেন্নাইয়ের কাছে জয় তুলে নেওয়া সম্ভব হবে না।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত!‌ ভারতীয় ক্রিকেট দলের এই ওপেনার কে নিয়ে মিমের বন্যা

তুই এই ছেলেকে পছন্দ করেছিস? যে কিনা ব্যাট করতে পারে না। প্রথম বলেই শূন্য রানে বোল্ড হয়? মুম্বই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে বসে রবিবার রাতে মেয়ে আথিয়াকে এই কথা গুলো কি আদৌও বলেছিলেন সুনীল শেট্টি? যদি বলে থাকেন অবাক হওয়ার কিছু নেই। রবিবার হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল।সুনীল শেট্টির মেয়ে আথিয়া লোকশ রাহুলের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, একথা আর কারও অজানা নেই। রবিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালস লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচ ছিল। লোকেশ রাহুল আবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক। বাবা সুনীল শেট্টিকে নিয়ে স্টেডিয়ামে এসেছিলেন আথিয়া। বয়ফ্রেন্ডের খেলা দেখাতে। আর হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই ছিটকে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়কের স্টাম্প। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই লোকেশ রাহুলের স্টাম্প ছিটকে যেতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম ছড়িয়ে পড়ে মিম। নেটিজেনদের অনেকেই মজা করে বলতে শুরু করেন, প্রথম বলে আউট হওয়ার আর দিন পেলেন না লোকেশ রাহুল! বাবাকে নিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন গালফ্রেন্ড। আর সেদিনই কিনা বেইজ্জত হল! সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা শুরু হয়। এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া ও সুনীল শেট্টি, মেয়েবাবা মিলে রাহুলকে দেখতে এলেন। আর ভাই, শূন্য রানেই আউট হয়ে গেলেন। অন্য এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া শেট্টির সামনে মানসম্মান ডুবিয়ে দিলেন লোকেস রাহুল। শ্বশুর সুনীল শেট্টি নতুন জামাই খুঁজতে বেরিয়ে গিয়েছেন। আর একজন সুনীল ও আথিয়ার ছবি পোস্ট করে লেখেন, আথিয়াকে সুুনীল বলছেন, এই তোমার বয়ফ্রেন্ড? রবিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লখনউ সুপার জায়েন্টসের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস। সেই রান তাড়া করতে নামেন রাহুল এবং কুইন্টন ডিকক। কিন্তু লখনউয়ের ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের দক্ষতার কাছে হার মানেন। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল শেষমুহূর্তে বল সুইং করে লোকেশ রাহুলের ব্যাট এবং প্যাডের মধ্যে দিয়ে স্টাম্পে আছড়ে পড়ে।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাটকীয় ম্যাচে লখনউকে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান

এক দলের সামনে ছিল জয়ে ফেরার লড়াই। অন্য দলের সামনে ছিল জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পরাজয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টস। জয়ের কাছাকাছি এসেও শেষরক্ষা করতে পারল না। লোকেশ রাহুলের দলকে ৩ রানে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান রয়্যালস।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ভাল শুরু করেছিলেন রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। আগের ম্যাচগুলিতে ব্যর্থ হওয়ায় এদিন যশস্বী জয়সওয়ালকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখে রাজস্থান টিম ম্যানেজমনেন্ট। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয় রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে। বাটলারের সঙ্গে ওপেনে পাঠানো হয় দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। বাটলার ব্যর্থ হলেও দলকে ভালোই টানছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি।রাজস্থানের ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই লখনউকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আবেশ খান। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই তুলে নেন বাটলারকে। এদিন দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ১১ বলে মাত্র ১৩ রান করে আবেশ খানের বলে তিনি বোল্ড হন। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন ওপরে উঠে এসে অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনও দলকে টানতে পারেননি। জেসন হোল্ডারের বলে তিনি এলবিডব্লুউ হন। ১২ বলে ১৩ রান করেন সঞ্জু। রাজস্থানের মিডল অর্ডারে ধস নামান অপ স্পিনার কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। একই ওভারে ৪ বলের ব্যবধানে তুলে নেন দেবদত্ত পাড়িক্কল (২৯ বলে ২৯) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (৪)। ১০ ওভারের মধ্যে ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শিমরন হেটমায়ের ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ক্রুনাল পান্ডিয়ার হাতে একবার জীবন পেয়ে শেষ দিকে রীতিমতো ঝড় তোলেন হেটমায়ের। ১টি ৪ এবং ৬টি ৬এর সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৩ বলে ২৮ রান করে অবসৃত হন অশ্বিন। নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজস্থান তোলে ১৬৫/৬। লখনউর হয়ে ৩০ রানে ২ উইকেট নেন কৃষ্ণাপ্প গৌতম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে লখনউ। ট্রেন্ট বোল্টের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি লখনউ সুপার জাযান্টসের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম বলেই তুলে নেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০)। পরের বলেই ফেরান কৃষণাপ্পা গৌতমকে (০)। চতুর্থ ওভারে জেসন হোল্ডারকে (৮) তুলে নিয়ে লখনউকে আইসিইউ-তে পাঠিয়ে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ১৪ রানে ৩ উইকেট হারায় লখনউ। এরপর দলকে টানছিলেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। ২৪ বলে ২৫ রান করে কুলদীপ সেনের বলে আউট হন হুডা। আয়ুষ বাদোনি করেন ৫। কুইন্টন ডিকক (৩২ বলে ৩৯), ক্রুনাল পান্ডিয়াদের (২২) জ্বলে উঠতে দেননি যুজবেন্দ্র চাহাল (৪/৩৫)। চামারা করেন ১৩। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৫ রান দরকার ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। কুলদীপ সেনের ওভারে ১১ রান ওঠে। ১৬২/৮ রানে থেমে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৭ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন স্টইনিস।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এবারের আইপিএলে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। চতুর্থ ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখতে পেল না চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারতে হল ৮ উইকেটে। দলকে এখনও জেতাতে না পারলেও এদিন নজির গড়ল চেন্নাই সুপার কিংস। নাম তুলে ফেললেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নাদের তালিকায়। প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে, জাদেজার হাতে পরেই কি ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস?এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সি গায়ে ১৫০ তম ম্যাচ খেলে ফেললেন রবীন্দ্র জাদেজা। রবীন্দ্র জাদেজা হলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নার পর চেন্নাই সুপার কিংসের তৃতীয় ক্রিকেটার যিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছলেন।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি খেলেছেন ২১৭টি ম্যাচ। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তিনি খেলেছেন ২০০ ম্যাচ। আর রবীন্দ্র জাদেজা খেললেন ১৫০ ম্যাচ। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ডোয়েন ব্রাভো। তিনি খেলেছেন ১২৩টি ম্যাচ। রবিচন্দ্রন অশ্বিন খেলেছেন ১২১ ম্যাচ। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ১৫০ ম্যাচে রবীন্দ্র জাদেজার রান ১৫৪৬। উইকেট নিয়েছেন ১১০টি। ক্যাচ ধরেছেন ৬৯টি।চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে একের পর এক মাইলস্টোন করে চললেও চলতি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রবীন্দ্র জাদেজা। টানা ৪ ম্যাচে হারতে হয়েছে। চেন্নাই সমর্থকরা আশা করেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হয়তো দল ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু ব্যাটাররা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাটিং করে ১৫৪/৭ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৭.৪ ওভারে দুই উইকেটের বিনিময়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবছর আইপিএলের আগে অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়। নতুন অধিনায়কের দায়িত্বে এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বঞ্চনার মোক্ষম জবাব, নাইট রাইডার্সকে তছনছ করে দিলেন এই স্পিনার

যাবতীয় বঞ্চনার জবাব। পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন কুলদীপ যাদব। তাঁর দাপটেই টানা ২ ম্যাচ হারের পর জয়ে ফিরল দিল্লি ক্যাপিটালস। নাইট রাইডার্সকে হারাল ৪৪ রানে। ৩৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেন কুলদীপ। টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। শুরু থেকেই ঝড় তুলে উমেশ যাদব, রসিক সালাম দার, প্যাট কামিন্সদের ছন্দ নষ্ট করে দেন দিল্লির দুই ওপেনার। ৪ ওভারেই ৫০ রান পূর্ণ হয়ে যায় দিল্লির। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৬৮। চলতি আইপিএলে এটা তৃতীয় সর্বোচ্চ। সবথেকে বেশি তুলেছে চেন্নাই সুপার কিংস (৭৩/১) লখনউর বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঞ্জাব কিংসের (৭২/২)। পাঞ্জাব তুলেছিল চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে। সবকটিই মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে। ওয়ার্নারের তুলনায় পৃথ্বী শ বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। ২৭ বলে তিনি হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন পৃথ্বী। নাইটদের বিরদ্ধে আগের ৫ ইনিংসে তাঁর রান ৮২,৬৬,১৪,৯৯,৬২।নাইট রাইডার্সকে ব্রেক থ্রু এনে দেন বরুণ চক্রবর্তী। নবম ওভারের চতুর্থ বলে তাঁর গুগলিতে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন পৃথ্বী (২৯ বলে ৫১)। পৃথ্বীর ইনিংসে রয়েছে ৭টা ৪ এবং ২টি ৬। ৯.৫ ওভারে ১০০ রান পূর্ণ হয় দিল্লির। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে তিন নম্বরে উঠিয়ে নিয়ে এসেছিলেন ঋষভ পন্থ। দারুণ শুরুও করেছিলেন। ১৪ বলে ২৭ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে উমেশ যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ঋষভ আউট হওয়ার পরের বলেই ফেরেন ললিত যাদব (১)। তিনি সুনীল নারাইনের বলে এলবিডব্লু হন। নারাইনকে তুলে মারতে গিয়ে পরিবর্ত ফিল্ডার রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রভম্যান পাওয়েল (৮)। ৪৫ বলে ৬১ রান করে উমেশ যাদবের বলে ফিরে যান ওয়ার্নার। পরপর ৪ উইকেট হারিয়ে রান তোলার গতি অনেকটাই কমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালসের।পরের দিকে ঝড় তোলেন অক্ষর প্যাটেল (১৪ বলে অপরাজিত ২২) ও শার্দুল ঠাকুর (১১ বলে অপরাজিত ২৯)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২১৫/৫ তোলে দিল্লি। সুনীল নারাইন ২১ রানে ২ উইকেট নেন। উমেশ যাদব ৪ ওভারে দেন ৫৮। তুলে নেন ১ উইকেট। জয়ের জন্য ২১৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। ৩৮ রানের মধ্যে ফিরে যান দুই ওপেনার ভেঙ্কটেশ আয়ার ও অজিঙ্কা রাহানে। এদিন শুরুটা ভাল করেছিলেন ভেঙ্কটেশ। ৮ বলে ১৮ রান করে তিনি খলিল আহমেদের বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।এদিনও ব্যর্থ রাহানে। ১৪ বলে মাত্র ৮ রান করে খলিল আহমেদের বলে শার্দুল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আনরিখ নোখিয়ার পরিবর্তে এদিন খলিল আহমেদকে খেলায় দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। সুযোগের দারুন সদব্যবহার করেন খলিল। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নাইট রাইডার্সকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ রানা ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। জুটিতে ওঠে ৬৯ রান। নীতিশকে (২০ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ললিত যাদব।পুরনো দলের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্সকে দারুন টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন শ্রেয়স। এগিয়ে এসে কুলদীপকে মারতে গিয়ে স্টাম্পড হন তিনি। ৩৩ বলে ৫৪ করেন শ্রেয়স। শ্রেয়স আয়ার আউট হওয়ার পরপরই ধস নামে নাইট রাইডার্স ইনিংসে। পরপর ফিরে যান সাম বিলিংস (১৫), প্যাট কামিন্স (৪), সুনীল নারাইন (৪), উমেশ যাদব (০)। দলের ষষ্ঠদশ ও নিজের চতুর্থ ওভারে কামিন্স, নারাইন ও উমেশকে ফেরান কুলদীপ। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নাইট রাইডার্সের মেরুদন্ড ভেঙে দেন। আন্দ্রে রাসেল ২১ বলে করেন ২৪। ১৯.৪ ওভারে ১৭১ রানে গুটিয়ে যায় নাইট রাইডার্সের ইনিংস।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লির বিরুদ্ধে নামার আগে আজ কী নিয়ে চিন্তা নাইট রাইডার্সের?‌

আজ আইপিএলে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিন ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তা টপ অর্ডার ব্যাটারদের ফর্ম। প্রথম ম্যাচে রান চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩৪ বলে করেছিলেন ৪৪ রান করেছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। পরের ৩ ম্যাচে তাংর ব্যাটে রান নেই। নীতিশ রানাও রান পাচ্ছেন না। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার, আন্দ্রে রাসেলদের ব্যাটেও ধারাবাহিকতার অভাব। প্রথম তিন ম্যাচে রান না পাওয়া ভেঙ্কটেশ আয়ার আগের ম্যাচে রানে ফিরেছেন। সুতরাং ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় থাকতে হচ্ছে নাইট রাইডার্সকে। বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যাটারদের নিয়ে। মিডল অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে অবশ্য খুব একটা সমস্যা নেই। তাঁদের জন্যই জয় ছিনিয়ে নিতে পারছে। ইতিমধ্যেই নাইট শিবিরে যোগ দিয়েছেন ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ। দলের সঙ্গে যোগ দিলেই রবিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না। এখনও তাঁর কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়নি। তাই অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা করতে পারছে না নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। ফিঞ্চের কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হয়ে গেলে রাহানের পরিবর্তে তাঁকে খেলানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্যাম বিলিংসকে বসিয়ে খেলানো হবে শেলডন জ্যাকসনকে। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ে পরিবর্তন হতে পারে। নীতিশ রানার পরিবর্তে রিঙ্কু সিংকে খেলানোর চিন্তাভাবনা করছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ আগের ৪টি ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি নীতিশ রানা। নেটে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরছেন রিঙ্কু। ব্যাটিং বিভাগে এছাড়া আর পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।নাইট রাইডার্সের তিনটি ম্যাচে জয়ের পেছনে বোলারদেরই অবদান বেশি। বিশেষ করে উমেশ যাদবের কথা বলতে হবে। ৪ ম্যাচে ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন ৯ উইকেট। এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। উইকেট না পেলেও প্রথম ম্যাচে নজর কেড়েছেন রসিক সালাম দার। আগের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছে। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়েছিলেন। এছাড়া সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীরাও দলকে নির্ভরতা দিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ৪ মাচে হার!‌ চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই জমছে মুম্বইয়ের

এখনও পর্যন্ত আইপিএলে জয় অধরা চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। দুটি দলই ৪টি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। অথচ জয় নেই। চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই দারুণ জমে উঠেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের।সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে সাফল্য নেই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। এবছর আইপিলেও তার ব্যাতিক্রম নেই। গত বছর বিরাট কোহলিদের কাছে দুটি সাক্ষাৎকারেই হারতে হয়েছিল রোহিত শর্মাদের। এবছর প্রথম সাক্ষাৎকারেও হার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে চলতি আইপিএলে জয়ের হ্যাটট্রিক সেরে ফেলল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের নায়ক অনুজ রাওয়াত ও বিরাট কোহলি। ২ রানের জন্য কোহলি হাফ সেঞ্চুরি না পেলেও দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি করেন তরুণ অনুজ রাওয়াত।এদিন টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও ঈশান কিষান। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫০। রোহিত শর্মাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন হর্ষাল প্যাটেল। ১৫ বলে ২৬ রান করে হর্ষালের হাতেই ক্যাচ দেন রোহিত। ২ ওভার পরেই ডিওয়ালড ব্রেভিসকে (৮) তুলে নেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। এরপরি ধস নামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ইনিংসে। ৭৬ রানে ৬ উইকেট হারায়। তিলক ভার্মা (০), কিয়েরন পোলার্ড (০), রমনদীপ সিংরা (৬) ব্যর্থ। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শেষ পর্যন্ত ১৫১ রানে পৌঁছয় সূর্যকুমার যাদবের দাপটে। সূর্যকুমার চলতি আইপিএলের টানা দ্বিতীয় অর্ধশতরান পূর্ণ করে ৩৭ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন। জয়দেব উনাদকাত ১৪ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। হর্ষল প্যাটেল ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২টি করে উইকেট দখল করেন।জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরও দারুণ গতিতে রান তুলতে পারছিল না। অনুজ রাওয়াত ও অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসির ওপেনিং জুটিতে রানের গড় ছিল ৬.১২। নবম ওভারের প্রথম বলে ফাফ ডুপ্লেসিকে প্যাভিলিয়নে ফেরান জয়দেব উনাদকাট। ২৪ বলে ১৬ রান করে আউট হন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক। দলের রান তখন ৫০। ডুপ্লেসি আউট হওয়ার পর বিরাট কোহলি ক্রিজে নামতেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের রান তোলার গতি বাড়তে থাকে। অনুজ রাওয়াত ও বিরাট কোহলির জুটিতে ভর করেই ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ৩৮ বলে আইপিএলে জীবনের প্রথম অর্ধশতরান পূর্ণ করেন দিল্লির উইকেটকিপারব্যাটার অনুজ রাওয়াত। বিরাট কোহলিও চেনা ছন্দে ব্যাটিং শুরু করায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাজ কঠিন হয়ে যায়। দুজনের জুটিতে ৫২ বলে ওঠে ৮০ রান। ২টি চার ও ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৪৭ বলে ৬৬ রান করে রান আউট হন অনুজ রাওয়াত। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে আউট হন কোহলি। শেষ পর্যন্ত ৯ বল বাকি থাকতে ১৫২/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌টানা ৪ ম্যাচে হার ধোনিদের!‌ দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্সের

আইপিএলে দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিল কেন উইলিয়ামসের দল। ৪ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই সুপার কিংস। টানা চারটিতেই হার। সত্যিই গতবারের চ্যাম্পিয়নদের কী হাল। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। আগের তিনটি ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। হারের হ্যাটট্রিক করা চেন্নাইকে খাদের কিনারা থেকে তুলে নিয়ে আসার জন্য ব্যাটারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল। কিন্তু ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন উথাপ্পারা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবার ৪ ম্যাচ হয়ে গেল, ঋতুরাজের ব্যাটে বড় রান নেই। এদিন ১৩ বলে ১৬ রান করে টি নজরাজনের বলে বোল্ড হন। তার আগেই রবিন উথাপ্পাকে তুলে নিয়ে চেন্নাইকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। এরপর মইন আলি ও অম্বাতি রায়ডু চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে গেলেও সানরাইজার্স বোলারদের ওপর সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। ২৭ বলে ২৭ রান করে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অম্বাতি রায়ডু। ৩৫ বলে ৪৮ রান করেন মইন। তিনি মার্করামের শিকার। শিবম দুবে (৩), ধোনিরা (৩) ব্যর্থ। ১৫ বলে ২৩ রান করেন রবীন্দ্র জাদেজা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৪/৭ তোলে চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্টেরও চিন্তা ছিল ব্যাটারদের ফর্ম। বিশেষ করে টপ অর্ডার একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেনি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে অবশ্য ছবিটা বদলে গেল। দুর্দান্ত শুরু করেন দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ১২ ওভারে ওঠে ৮৯। এরপর মুকেশ চৌধুরির বলে আউট হন উইলিয়ামসন। ৪০ বলে তিনি করেন ৩২। উইলিয়ামসন আউট হওয়ার পর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। দুর্দান্ত ব্যাট করেন অভিষেক। ৫০ বলে ৭৫ রান করে তিনি ডোয়েন ব্রাভোর বলে আউট হন। ১৫ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল ত্রিপাঠী। ১৭.৪ ওভারে ১৫৫/২ রান তুলে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় হাসিল করে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‘‌শচীনকে আউট করতে কে বলেছে?‌’ শোয়েবকে কেন বলেছিলেন সৌরভ?‌

২০০৮ আইপিএলে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হাইভোল্টেজের ম্যাচ ছিল। এমনিতেই নাইট রাইডার্স ও মুম্বইয়ের ম্যাচে চরম উত্তেজনা থাকে। ওই ম্যাচ আবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে হচ্ছিল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। অন্যদিকে বিপক্ষে ছিলেন শচীন তেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেটার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছিলেন নাইট রাইডার্সের শোয়েব আখতার। আর শচীনকে আউট করার পর সৌরভ গাঙ্গুলি শোয়েবকে বলেছিলেন,শচীনকে আউট করতে কে বলেছে? প্রথমে ব্যাট করে কলতাতা নাইট রাইডার্স ১৫.২ ওভারে মাত্র ৬৭ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন শন পোলক। ১২ রানে তুলে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। ডোয়েন ব্র্যাভো, রোহন রাজে ও ডমিনিক থর্নলে ২টি করে উইকেট নেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট করতে নামলে প্রথম ওভারেই শূন্য রানে শচীন তেন্ডুলকারকে তুলে নেন শোয়েব আখতার। শচীনকে আউট করার পর তাঁর সামনে চিরাচরিত ভঙ্গীতে উচ্ছাসও প্রকাশ করেন। এরপর বাউন্ডারির ধারে ফিল্ডিং করতে যান শোয়েব আখতার। বাইন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকরা শোয়েবকে কটূক্তি করতে থাকে। বিরক্ত হয়ে শোয়েব এসে অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির কাছে অভিযোগ জানান। সৌরভ বাধ্য হয়ে শোয়েব আখতারের ফিল্ডিংয়ের জায়গা পরিবর্তন করেন।সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে শোয়েব আখতার বলেছেন, ওই ম্যাচটা ছিল শচীনের সঙ্গে আমার লড়াই। স্টেডিয়ামে শাহরুখ খানও ছিলেন। শাহরুখ ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জন্য গোটা স্টেডিয়াম ঠাসা ছিল। ম্যাচের আগে শচীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডাও দিয়েছিলাম। শচীন এবং আমি দুজনই একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম ওভারেই আমি শচীনকে আউট করেছিলাম। সেটা খুব ভুল হয়েছিল। শচীনকে আউট করার পর আমি ফাইন লেগে ফিল্ডিং করতে যাই। ফাইন লেগে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের কটূক্তি শুনতে হয়। তখন সৌরভ আমাকে বলেছিল, ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে। মিড উইকেটে চলে এস। তোমাকে কে বলেছে শচীনকে আউট করতে? তাও আবার সেটা মুম্বইতে? শোয়েব আখতার ওই সময় ভেবেছিলেন, তিনি আর হয়তো ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলতে পারবেন না। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। মুম্বইয়ের ভালবাসায় পরে মুগ্ধ হয়েছিলেন শোয়েব আখতার। তিনি বলেন, আমি মুম্বাইয়ে অনেক ম্যাচ খেলেছি। অনেক ভালবাসা পেয়েছি। ওয়াংখেড়েতে আমার দেশকে কেউ গালি দেয়নি। কেউ বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেনি। ওয়াংখেড়েতে আরও ম্যাচ খেলতে পারলে ভাল লাগত। ক্রিকেটজীবনে ৯ বার শচীন তেন্ডুলকারকে আউট করেছেন শোয়েব আখতার। কিন্তু এর মধ্যে ওই একবারই শচীনকে আউট করে তাঁর মনে হয়েছিল ভুল করে ফেলেছিলেন। ২০০৮ আইপিএলেই শেষ বার শচীনকে আউট করেছিলেন শোয়েব আখতার।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ব্যর্থওয়ার্নার, লখনউকে জেতালেন দিল্লিরই এক প্রাক্তন

গত বছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় সানরাইজার্স। নিলাম থেকে তাঁকে ৬.২৫ কোটি টাকায় কেনে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০১২ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছিলেন ওয়ার্নার। ৯ বছর পর পুরনো দলে ফিরেও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। ওয়ার্নারের ব্যর্থতার দিনে জয়ে ফেরা হল না দিল্লি ক্যাপিটালসের। এবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে হার ৬ উইকেটে। দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রাক্তনী কুইন্টন ডিককের দুরন্ত ব্যাটিংই জেতাল লখনউ সুপার জায়ান্টকে। এদিন শুরুটা ভাল করেও বড় রান করতে ব্যর্থ দিল্লি ক্যাপিটালস। মূলত পৃথ্বী শ, ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খানের সৌজন্যে ১৪৯/৩ তোলে। জয়ের জন্য ১৫০ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে। শুরুটাও দুর্দান্ত হয়েছিল। ওপেনিং জুটিতে ৭৩ তুলে ফেলে লখনউ সুপার জায়ান্টস। কুইন্টন ডিকক আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করতে থাকায় অ্যাঙ্করের ভুমিকা পালন করেন লোকেশ রাহুল। দশম ওভারের চতুর্থ বলে জুটি ভাঙেন কুলদীপ যাদব। তাঁকে তুলে মারতে গিয়ে লং অফে পৃথ্বী শর হাতে ক্যাচ দেন লোকেশ রাহুল। ২৫ বলে তিনি করেন ২৪। দু ওভার পরেই এভিন লুইসকে (৫) তুলে নেন ললিত যাদব। ১২.৩ ওভারে লখনউর রান দাঁড়ায় ৮৬/২।এরপর লখনউকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক। ৫২ বলে ৮০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি কুলদীপ যাদবের বলে সরফরাজ খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৯টি ৪ ও ২টি ৬ মারেন ডিকক। শেষ ওভারে লখনউর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৫ রান। প্রথম বলেই দীপক হুডাকে (১৩ বলে ১১) তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দেন শার্দূল ঠাকুর। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। দ্বিতীয় বলে আয়ুষ বাদোনি কোন রান করতে না পারলেও তৃতীয় বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্কোর সমান সমান করেন। চতুর্থ বলে ৬ মেরে দলকে জয় এনে দেন আয়ুষ বাদোনি (৩ বলে অপরাজিত ১০)। ১৪ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রূণাল পান্ডিয়া।জয়ের সরণিতে ফিরতে রোমারিও শেফার্ডের পরিবর্তে ডেভিড ওয়ার্নারের ওপর ভরসা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ এই অসি তারকা। প্রতিটা ম্যাচেই রাতের দিকে শিশির সমস্যায় ফেলছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। পৃথ্বী শর সৌজন্যে দারুণ শুরু করেছিল দিল্লি। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালস তোলে ৫২/০।অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ওভারের প্রথম দুটি বলে ৬ ও ৪ মেরেছিলেন পৃথ্বী। পরের বলে কাট করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে জমা দেন। ৯টি চার ও ২টি ছক্কার ৩৪ বলে ৬১ রান করে আউট হন পৃথ্বী। গতমরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সি গায়ে মরশুমের প্রথম ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। লখনৌ সুপার জায়ান্টের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন। রবি বিষ্ণোইয়ের অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে আয়ুষ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১২ বলে মাত্র ৪ রান করেন ওয়ার্নার। দুই স্পিনার রবি বিষ্ণোই ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের আঁটোসাটো বোলিং চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। রান তোলার গতি মন্থর হয়ে গিয়েছিল। ডট বলের সংখ্যাও বাড়ছিল। চাপ কাটাতে গিয়েই আউট রভম্যান পাওয়েল। হতাশ হতে তিনি স্লগ সুইপে বিষ্ণোইকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন পাওয়েল। ১১ ওভারের মধ্যেই ৭৪ রানে ৩ উইকেট হারায় দিল্লি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খান। জুটি ওঠে ৭৩। এই জুটিই দিল্লিকে ১৪৯/৩ রানে পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে তোলে দিল্লি। ৩৬ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ২৮ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ। রবি বিষ্ণোই ২২ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দিল্লির হয়ে প্রত্যাবর্তন ম্যাচে এ কী হাল ডেভিড ওয়ার্নারের!‌

আইপিএলের দিল্লির জার্সি গায়ে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না ডেভিড ওয়ার্নার। গত মরশুমের মতো এবছরের শুরুতেও আইপিএলে রানের জন্য সেই লড়াই এই অসি তারকার। বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টাসের বিরুদ্ধে ১০ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হলেন। গত বছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় সানরাইজার্স। নিলাম থেকে তাঁকে ৬.২৫ কোটি টাকায় কেনে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০১২ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছিলেন ওয়ার্নার। ৯ বছর পর পুরনো দলে ফিরেও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। জয়ের সরণিতে ফিরতে রোমারিও শেফার্ডের পরিবর্তে ডেভিড ওয়ার্নারের ওপর ভরসা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ এই অসি তারকা। পৃথ্বী শ, সরফরাজ খান ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সৌজন্যে লখনউ সুপার জায়ান্টের বিরুদ্ধে মান বাঁচাল দিল্লি ক্যাপিটালস। মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে তুলল ১৪৯/৩। প্রতিটা ম্যাচেই রাতের দিকে শিশির সমস্যায় ফেলছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। পৃথ্বী শর সৌজন্যে দারুণ শুরু করেছিল দিল্লি। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালস তোলে ৫২/০। আগের ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন আবেশ খান। ম্যাচের সেরাও ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম ওভারে দেন ১৩। জেসন হোল্ডারও ভাল শুরু করতে পারেননি। ৩০ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন পৃথ্বী শ। পাওয়ার প্লের ফিল্ডিং নিষেধাজ্ঞার সুযোগ দারুণ কাজে লাগান। পৃথ্বী ঝড় তোলায় শুরুর দিকে আক্রমণের রাস্তায় যাননি ৯ বছর পর দিল্লির জার্সি গায়ে আবার খেলতে নামা ডেভিড ওয়ার্নার। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ওভারের প্রথম দুটি বলে ৬ ও ৪ মেরেছিলেন পৃথ্বী। পরের বলে কাট করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে জমা দেন। ৯টি চার ও ২টি ছক্কার ৩৪ বলে ৬১ রান করে আউট হন পৃথ্বী। গতমরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সি গায়ে মরশুমের প্রথম ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। লখনৌ সুপার জায়ান্টের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন। রবি বিষ্ণোইয়ের অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে আয়ুষ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১২ বলে মাত্র ৪ রান করেন ওয়ার্নার। দুই স্পিনার রবি বিষ্ণোই ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের আঁটোসাটো বোলিং চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। রান তোলার গতি মন্থর হয়ে গিয়েছিল। ডট বলের সংখ্যাও বাড়ছিল। চাপ কাটাতে গিয়েই আউট রভম্যান পাওয়েল। হতাশ হতে তিনি স্লগ সুইপে বিষ্ণোইকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন পাওয়েল। ১১ ওভারের মধ্যেই ৭৪ রানে ৩ উইকেট হারায় দিল্লি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খান। জুটি ওঠে ৭৩। এই জুটিই দিল্লিকে ১৪৯/৩ রানে পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে তোলে দিল্লি। ৩৬ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ২৮ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ। রবি বিষ্ণোই ২২ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বাংলার কোচ থেকে ঋষভদের ব্যাটিং গুরু! ইরানি কাপে বড় দায়িত্বে লক্ষ্মীরতন শুক্ল

শ্রীনগরে জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের ম্যাচে ব্যাটিং কোচের ভূমিকায় বাংলার কোচ | অধিনায়ক ঋষভ পন্থ, দলে সুদীপ ঘরামি-আকাশদীপ-মুকেশ কুমারবর্ধমান: বাংলার ক্রিকেটে কোচ হিসেবে সাফল্যের পর এবার আরও বড় মঞ্চে দায়িত্ব পেতে চলেছেন লক্ষ্মীরতন শুক্ল। আসন্ন ইরানি কাপে অবশিষ্ট ভারত (Rest of India) দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন বাংলার বর্তমান কোচ। অর্থাৎ, ঋষভ পন্থের নেতৃত্বাধীন তারকা-সমৃদ্ধ দলের ব্যাটিং বিভাগ সামলানোর দায়িত্ব উঠতে চলেছে বাংলার প্রাক্তন অধিনায়কের কাঁধে।যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, ক্রিকেটমহলে খবর, লক্ষ্মীরতনের দায়িত্ব পাওয়া কার্যত নিশ্চিত। খুব শীঘ্রই বিসিসিআই এ বিষয়ে সরকারি ঘোষণা করতে পারে।ইরানি কাপে সাধারণত আগের মরসুমের রঞ্জি ট্রফি জয়ী দলের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয় অবশিষ্ট ভারত। সেই নিয়ম অনুযায়ী এবার অবশিষ্ট ভারতের প্রতিপক্ষ জম্মু-কাশ্মীর। আগামী ১ থেকে ৫ অক্টোবর শ্রীনগরের শের-এ-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের।এই ম্যাচেই নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে লক্ষ্মীরতনকে। তবে তিনি দলের প্রধান কোচ হিসেবে নয়, ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন। তাঁর সঙ্গে বোলিং বিভাগে কাজ করতে পারেন ওড়িশা ও ভারতের প্রাক্তন পেসার দেবাশিস মোহান্তি। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট কোনও প্রধান কোচ ছাড়াই কোচিং ইউনিটের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।বাংলার কোচ হিসেবে লক্ষ্মীরতন শুক্লর কাজ নজর কেড়েছে। তাঁর কোচিংয়ে সাম্প্রতিক রঞ্জি মরসুমে বাংলার পারফরম্যান্সও ছিল উল্লেখযোগ্য। সেই অভিজ্ঞতা এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই ইরানি কাপে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।এবারের অবশিষ্ট ভারত দলে রয়েছে একাধিক পরিচিত মুখ। দলের নেতৃত্বে থাকছেন ভারতের তারকা উইকেটকিপার-ব্যাটার ঋষভ পন্থ। সহ-অধিনায়ক সরফরাজ খান। বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আরও বড় আকর্ষণ, দলে রয়েছেন বাংলার সুদীপ ঘরামি, আকাশদীপ এবং মুকেশ কুমার।তবে আকাশদীপের খেলা এখনও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করছে। চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই মাঠে নামতে পারবেন তিনি।ইরানি কাপ বরাবরই ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। রঞ্জি ট্রফির সেরা দলের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের এই লড়াইয়ে জাতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটারের পাশাপাশি উঠে আসা ঘরোয়া ক্রিকেটারদেরও নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ থাকে। সেই মঞ্চেই এবার ঋষভ পন্থদের ব্যাটিং শক্তিকে আরও ধারালো করার দায়িত্ব পেতে চলেছেন বাংলার লক্ষ্মীরতন শুক্ল।অবশিষ্ট ভারত দলের সম্ভাব্য সদস্যরাঋষভ পন্থ (অধিনায়ক), সনৎ সাঙ্গোয়ান, শিখর মোহন, সুদীপ ঘরামি, সরফরাজ খান (সহ-অধিনায়ক), স্মরণ রবিচন্দ্রন, মানব সুতার, সারাংশ জৈন, আকাশদীপ, মুকেশ কুমার, মুকেশ চৌধরী, আরিয়ান জুয়াল, আরিয়ান পান্ডে, অনুকূল রায়, আয়ুষ দোসেজা।সব মিলিয়ে, বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লর জন্য ইরানি কাপ হতে চলেছে আরও একটি বড় পরীক্ষা। এবার তাঁর ব্যাটিং-পরামর্শে ঋষভ পন্থদের অবশিষ্ট ভারত শ্রীনগরের মাটিতে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে কতটা সফল হয়, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটমহলের।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal