• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IPL

দেশ

করোনার কোপে একসঙ্গে বাতিল বহু ট্রেন

দেশজুড়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে কোভিড। এই পরিস্থিতিতে ট্রেন পরিষেবা চালু থাকা নিয়ে রীতিমতো সংশয় তৈরি হয়েছে। সেই সংশয় আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিয়ে মঙ্গলবার একযোগে ৪০টি ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল। রেলের তরফে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, করোনার জেরে এই ট্রেনগুলিতে যাত্রীসংখ্যা একধাক্কায় অনেকটা কমেছে।কম যাত্রীর জেরেই পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত এই ৪০টি ট্রেনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।তবে, এই ট্রেন বাতিলের ফলে এ রাজ্যে যাত্রীদের নতুন করে সমস্যায় পড়ার কথা নয়। কারণ অধিকাংশ ট্রেনই বাতিল হয়েছে উত্তর-পশ্চিম রেলের। এর মধ্যে কিছু ট্রেন আংশিক সময়ের জন্য বাতিল করা হলেও, অধিকাংশই বাতিল করা হয়েছে পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আঘাত হানার পরই শিয়ালদহ এবং হাওড়া ডিভিশনে বহু চালক এবং গার্ড আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে এই দুই শাখাতেই প্রচুর ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। যার জেরে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের।এদিকে, শিয়ালদহ ও হাওড়া শাখায় পরপর বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীমহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।প্যাসেঞ্জার ট্রেন বন্ধ হয়ে যাবে, এমন গুজবও শোনা যাচ্ছে ইতিউতি। এরই মধ্যে উত্তর-পশ্চিম রেলের ৪০টি ট্রেন বাতিলের খবরে প্যাসেঞ্জার ট্রেন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জল্পনা আরও বাড়ল। যদিও, রেলের তরফে বারবার আশ্বস্ত করা হয়েছে কোনওভাবেই ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না। গত রবিবারও রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান সুনীত শর্মা জানিয়েছেন, রেলকর্মীদের বড় অংশ কোভিডে আক্রান্ত তবুও রেল বন্ধ হবে না। এ নিয়ে কোনও রাজ্য এখন পর্যন্ত কোনও বার্তা দেয়নি। ফলে পরিষেবা বন্ধের আশঙ্কা নেই। রেল মন্ত্রকের তরফেও ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্যাসেঞ্জার ট্রেন কিংবা কোনও দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ হচ্ছে না। পরিষেবা স্বাভাবিকই থাকছে। বিশেষ কারণে কোথাও ট্রেন বাতিল হতে পারে, কিন্তু তা স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
টুকিটাকি

চুল ঝরছে? ত্বকে সমস্যা? বাড়িতে কর্পূর থাকলে একাধিক সমস্যার সমাধান

আমাদের দেশে প্রাচীন কাল থেকেই পুজো-পাঠে আর খাবারের সুগন্ধ বাড়াতে কর্পূরের ব্যবহার করা হয়। চোখ বন্ধ করেও শুধু মাত্র গন্ধেই কর্পূর চেনা যায়। তবে শুধু পুজো-পাঠ বা খাবারের সুগন্ধ বাড়াতেই নয়, বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও প্রাচীন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় যুগ যুগ ধরে কর্পূর ব্যবহার করা হয়। আজ জেনে নেওয়া যাক কর্পূরের কয়েকটি অজানা, আশ্চর্য ব্যবহার...১. কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের গন্ধে মশা ঘর ছেড়ে পালাবে।২. ঘরের দুর্গন্ধ কাটাতে কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। দেখবেন এটি রুম ফ্রেশনারের কাজ করবে।৩. সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা বুকে কফ জমে গেলে কর্পূরের সাহায্য নিতে পারেন। কর্পূরের গন্ধে বন্ধ নাক ছেড়ে যাবে। সরষের তেল বা নারিকেল তেলের সঙ্গে আন্দাজ মতো কর্পূর মিশিয়ে সামান্য গরম করে নিন। উষ্ণ অবস্থাতেই এই তেলের মিশ্রণটি বুকে, পিঠে ভাল করে মালিশ করতে পারলে দ্রুত আরাম পাওয়া যাবে।৪. অতিরিক্ত চুল ঝরা রোধ করতে আর খুশকির সমস্যা দূর করতে কর্পূর একেবারে অব্যর্থ একটি উপাদান। নিয়মিত মাথায় মাখার তেলের সঙ্গে কর্পূরের গুঁড়ো মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে পারলে চুল ঝরার পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে। চুলে শ্যাম্পু করার আগে এই তেলের মিশ্রণ মাথার তালুতে আর চুলের গোড়ায় মাখতে পারলে খুশকির সমস্যাও দ্রুত কমবে।৫. ব্রণ ও ব্রণর দাগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী! কয়েক ফোঁটা কর্পূর এসেনশিয়াল অয়েল বা কর্পূরের গুঁড়ো এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, নারকেল তেল বা আমন্ড তেলের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক দিন কেখে দিন। এ বার ওই তেল ব্রণ আক্রান্ত ত্বকে ভাল করে মালিশ করতে পারলে ব্রণর সমস্যা দ্রুত কমবে, সেই সঙ্গে ব্রণর দাগও ফিকে হয়ে যাবে।৬. ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যায় কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী। এক টুকরো ভোজ্য কর্পূর সামান্য জলের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকের আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে, কিছু ক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যা দ্রুত কমে যাবে। তবে খেয়াল রাখবেন, কখনওই কাটা বা ক্ষত স্থানে কর্পূর ব্যবহার করবেন না। কারণ কর্পূর রক্তের সঙ্গে মিশে গেলে শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে।৭. ছারপোকা তাড়াতে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। ছারপোকার সমস্যা থেকে মুক্ত পেতে প্রথমে বিছানার চাদর ধুয়ে, তোষক, ম্যাট্রেস সব দীর্ঘ ক্ষণ রোদে দিন। এর পর একটি বড় কর্পূরের টুকরো কাপড়ে মুড়ে বিছানা ও ম্যাট্রেসের মাঝে রেখে দিন। কর্পূরের গন্ধে ছারপোকারা বিছানার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না।৮. বাড়িতে পিঁপড়ের উপদ্রব বেড়েছে? তাহলে এই সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই পেতে বাজার চলতি ক্ষতিকর কীটনাশকের পরিবর্তে জলের সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের ঘন্ধে পিঁপড়ে ঘর ছেড়ে পালাবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

করোনা নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাওড়া জেলা প্রশাসনের

উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে হাওড়ার করোনা পরিস্থিতি। লাফিয়ে লাফিয়ে উর্ধগামী হাওড়া পুর এলাকার করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরিস্থিতি দেখে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন নিচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ। হাওড়া প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, গত বছর লকডাউনের পর থেকে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, ধাপে ধাপে সেগুলি প্রায় সবই ফিরিয়ে আনা হবে। তবে এবার কোনও রাস্তা বা বড় এলাকা ধরে কন্টেইনমেন্ট জোন নয়, এবার করা হবে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন। কোনও বাড়ি বা আবাসন থেকে পাঁচজন বা তার বেশি সংখ্যক করোনা আক্রান্তের খবর এলে সেই আবাসন বা নির্দিষ্ট কয়েকটি বাড়িকে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করে নজরদারির আওতায় আনা হবে। এছাড়াও আবার চালু করা হচ্ছে টেলিমেডিসিন ব্যবস্থা। এছাড়া বাজারহাট, জনবহুল এলাকাগুলি একদিন অন্তর জীবাণুমুক্ত করা, সেফ হোম পরিষেবা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ধাপে ধাপে এই কাজগুলি শুরু হয়ে যাবে। হাওড়া জেলা প্রশাসনের এক পদস্থ আধিকারিক এই খবর জানিয়েছেন। হাওড়া শহরে সংক্রমণের বাড়াবাড়ির কথা মাথায় রেখে নেওয়া হচ্ছে আরও কিছু ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন বাজারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের তোড়জোড় চলছে। এক-দুদিনের মধ্যে সেই বৈঠক সেরে কীভাবে নিয়ন্ত্রিতভাবে বাজারগুলি চালু করা যায় এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা করোনা বিধি মেনে চলেন, সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হাওড়ার মঙ্গলাহাটে প্রতি সপ্তাহে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হচ্ছে। আগের মতো সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত মঙ্গলাহাটের বেচাকেনা চলছে। সেখানে অনেকেই মাস্ক পরার বিষয়ে কোনও তোয়াক্কা করছেন না। এই বিশাল পাইকারি হাটেও কীভাবে করোনা বিধি চালু করা যায় বা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ লাগু করা যায়, সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে প্রশাসন। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত করোনা সংক্রান্ত বুলেটিন থেকে জানা যাচ্ছে, গত ১১ এপ্রিল ২৯৩ জন, ১০ এপ্রিল ২৮৯ জন এবং ৯ এপ্রিল ২২৩ জন নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। মাসখানেক আগেও এই দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৩০-৪০ এর মধ্যে ছিল। এই কদিনে যেভাবে তা বেড়ে গেল, এখনই তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আগামী মাসখানেকের মধ্যে সংক্রমণের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। সূত্রের খবর, ১১ এপ্রিলের তথ্য অনুযায়ী হাওড়ার প্রায় ১৮০০ সক্রিয় করোনা রোগীর মধ্যে প্রায় ১৪০০ জনই হাওড়া পুরসভা এলাকার। তাই শহর নিয়েই আপাতত উদ্বেগ বেশি রয়েছে প্রশাসনের। বালিটিকুরি হাসপাতালকে ইতিমধ্যে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করে অতিরিক্ত ৬০০ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে সত্যবালা আইডি হাসপাতালও। সব ধরনের পরিকল্পনা ঠিকঠাক কার্যকর হলে আগামী সপ্তাহ তিনেকের মধ্যে সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
বিবিধ

বহুগুণসম্পন্ন কমলালেবু, জেনে নিন নানাবিধ উপকারিতা

কমলালেবুর রস বা জুস খেতে সকলেই পছন্দ করেন। এতে একদিকে যেমন আছে ভিটামিন সি, তেমনই আছে খনিজও। ফলে রোজকার খাদ্য তালিকায় যদি এই ফলটা থাকে তাহলে শুধু ক্যালোরি নয়, একসঙ্গে অনান্য অনেক সমস্যার সমাধান করে দেবে কমলালেবুর রস।বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি প্রতিদিন কমলালেবুর রস খাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ওবেসিটি, ডায়াবেটিসের মতো দৈহিক সমস্যা দূরে রাখা সম্ভব হবে। শুধু তাই নয় মস্তিষ্ক গঠনেও সাহায্য করে কমলালেবু। পাশাপাশি কমলালেবুতে ফ্যাট থাকে না, ক্যালোরির পরিমাণও অত্যন্ত কম। তাই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কমলালেবুর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত এই ফল খেলে পেটে ব্যথা, ডায়েরিয়া, বদহজম হতে পারে। অন্যদিকে, হার্ট ও কিডনির রোগে যাঁদের হাই পটাশিয়াম যুক্ত খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাঁদের অবশ্যই কমলালেবু খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদদের সঙ্গে আলোচনা করে তবে খেতে হবে।কমলালেবুর গুণাগুণ:১. কমলালেবুতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি এবং হেসপিরিডিন যা উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এতে প্রাকৃতিক উপাদান হিসাবে থাকা ফ্ল্যাভনোয়েড শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা নিয়ে থাকে।২. ক্যানসার প্রতিরোধে কমলালেবুর জুড়িমেলা ভার। ত্বক, মুখের ভিতর, ব্রেস্ট, ফুসফুস, পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে কমলালেবু। লিউকোমিয়া প্রতিরোধেও কমলালেবুর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। গবেষণায় জানা দিয়েছে, কমলালেবুতে আরও একটি উপাদান থাকে যাকে বলে লিমোনেন । এই উপাদান ক্যানসার রোধে খুবই উপযোগী।৩. কমলালেবুতে ভিটামিন সি, কোলিন, পটাশিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার থাকে। যা স্ট্রোক, এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। ফলে যাঁদের হার্টের সমস্যা রয়েছে তাঁরা চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো কমলালেবু খেতে পারেন।৪. প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান অর্থাৎ ভিটামিন সি থাকায় নানা ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে কমলালেবু।৫. যাঁদের কিডনিতে পাথরের সমস্যা রয়েছে তাঁদের কাছে কমলালেবু খুবই উপকারী এক ফল। নিয়মিত তা খেতেই পারেন। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
স্বাস্থ্য

এক টমেটোর হাজারো গুণ, শুনলে আপনিও চমকে যাবেন

লাল টুকটুকে রূপের বাহার দেখে মন তো ভুলবেই। সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে।এমন কোনও খাবার পেলে সকলেই চোখ ভরে দেখবেন ও মন ভরে খাবেন। টমেটো হচ্ছে তেমনই একটি সবজি, যা স্বাদে ও স্বাস্থ্যে একেবারে একে অপরকে টেক্কা দেয় বললেই চলে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টমেটোতে এমন গুণ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানুষের হার্ট সতেজ ও চাঙ্গা থাকে। মারণ রোগ ক্যানসারের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে টমেটো।টমেটোর মধ্যে কোনওরকম চর্বি জাতীয় উপাদান নেই। তাই এটি খেলে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা নেই। উলটে শরীরে ভিটামিন সির জোগান বাড়বে। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আর করোনার এই সময় তা কতটা জরুরি, সেকথা তো সবারই জানা। হাড়ের জোর বাড়ানোর ক্ষমতাও রয়েছে টমেটোতে। এতে থাকা লাইকোপিনের উপস্থিতিতে আবার ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।কাঁচা খান বা পাঁকা, স্যুপ খান বা চাটনি বা সস, যেভাবে ইচ্ছা টমেটো খেতেই পারেন। কিন্তু এত গুণের পরিমাণ জেনে আবার যথেচ্ছ পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। পেটের সহ্য করার ক্ষমতা বুঝে তবেই স্বাদের কথা ভাববেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্লে অফ ম্যাচে কেন খেললেন না ঋদ্ধিমান?‌ 

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বহুবার চোট পেয়ে দলের বাইরে ছিটকে গেছেন। আবার সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য আইপিএলে প্লে অফে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য বাড়তি ঝুঁকি নিলেন না বাংলার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ব্যাট করার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লেগেছিল ঋদ্ধিমানের। ব্যাট হাতে ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন। পরে অবশ্য গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়াননি। তাঁর পরিবর্তে কিপিং করেছিলেন শ্রীবৎস গোস্বামী। দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচের পর আরও দুটি ম্যাচ খেলেন ঋদ্ধি। চোট কিছুটা বেড়েছে। তাই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ম্যাচে ঝুঁকি নিলেন না। টিম ম্যানেজমেন্টও চায়নি ঋদ্ধিকে খেলাতে। যদি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ফাইনালে ওঠে আর ঋদ্ধির চোটের যদি উন্নতি হয় তাহলে তিনি ফাইনালে খেলবেন।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

কোন ব্যাটে খেলে সাফল্য পেলেন ঋদ্ধি?‌ 

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের ওপর নির্ভর করছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্লে অফের ভাগ্য। এক বাঙালী ক্রিকেটারের হাতেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিদায় ঘন্টা বেজেছে। বিষয়টা এইভাবে দেখছেন না ঋদ্ধিমান সাহা। নাইট রাইডার্সের বিদায়ের প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি বলেন, কলকাতা একসময় আমার হোম টিম ছিল। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সময় কলকাতা আবেগ আমার মনে কাজ করেনি। এখন আমি হায়দরাবাদের ক্রিকেটার। দলকে প্লেঅফে তুলতে পেরে তৃপ্ত। একটা ম্যাচে মিডল অর্ডারে মন্থর ব্যাটিং করে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। বেশ কয়েকটা ম্যাচ বসে থাকার পর ওপেনিংয়ে সুযোগ। ওপেন করতে যাওয়ার আগে টিম ম্যানেজমেন্টের আলাদা কোনও নির্দেশ ছিল না বলে জানান ঋদ্ধি। তাঁকে নিজের স্বাভাবিক খেলা খেলতে বলা হয়েছিল। ব্যাট করতে নামার আগে সূর্যকুমার যাদবকে স্ট্যাম্পড করেছিলেন। ক্রুনাল পান্ডিয়ার ক্যাচ ধরেছিলেন। এই দুটি শিকারের মধ্যে সূর্যকে স্টাম্পড করাটাকেই এগিয়ে রাখছেন ঋদ্ধি। রনজি ফাইনালের ব্যাটেই মঙ্গলবার খেলেছেন। আবার সাফল্য। প্রথম একাদশ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর ফিরে এসে তিন ম্যাচে রান করেছেন ৮৭, ৩৯ ও অপরাজিত ৫৮। এই তিনটি ইনিংসের মধ্যে প্রথমটাকেই এগিয়ে রেখেছেন ঋদ্ধি। তাঁর কথায়, দল থেকে বাদ পড়ে ফিরে এসে সুযোগ কাজে লাগিয়েছিলাম। ওই ইনিংসটাই সবথেকে বেশি তৃপ্তি দিয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
খেলার দুনিয়া

দিল্লি–বেঙ্গালুরু প্লে অফে, ঝুলে রইল কলকাতার ভাগ্য

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ১৫২/৭ (২০ ওভার) দিল্লি ক্যাপিটালস ১৫৪/৪ (১৯ ওভার) দিল্লি ক্যাপিটালস ৬ উইকেটে জয়ী ধারাবাহিকতা দেখিয়েও নিজেদের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত ঝুলে ছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে অফের ভাগ্য। সোমবার মাটে নামার আগে প্লে অফের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল দিল্লি। হেরেও প্লে অফে চলে গেল বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে নাইট রাইডার্সের প্লে অফের ভাগ্য ঝুলে রইল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের ওপর। এদিন টসে জিতে বেঙ্গালুরুকে ব্যাট করতে পাঠান শ্রেয়াস আয়ার। পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় বেঙ্গালুরু। ফিলিপেকে (১২) ফেরান রাবাডা। দেবদত্ত পাড়িক্কল ও বিরাট কোহলি দলকে টেনে নিয়ে যান। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ফেরান কোহলিকে (২৯)। অর্ধশতরান করার পর নর্টিয়ের বলে বোল্ড হন দেবদত্ত পাড়িক্কল (৫০) ও মরিসকে (০)। রাবাডা ফেরান শিবম দুবেকে (১১ বলে ১৭)। বেঙ্গালুরুর বড় ভরসা ডিভিলিয়ার্স (৩৫)। আউট হতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ বেঙ্গালুরুর (১৫২/৭)। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শর (৬ বলে ৯) উইকেট হারায় দিল্লি। তবে দলকে চাপে পড়তে দেননি শিখর ধাওয়ান ও অজিঙ্ক রাহানে। তাঁদের ৮৮ রানের পার্টনারশিপ দিল্লির জয়ের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়। শিখর ধাওয়ানকে (৫৪) তুলে নেন শাহবাজ আমেদ। শ্রেয়াস আয়ারকেও (৭) তিনি ফেরান। রাহানেকে (৪৬ বলে ৬০) ফেরান ওয়াশিংটন। দিল্লি তখন প্রায় জয়ের দোরগোড়ায়। ১৯ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দিল্লি (১৫৪/৪)।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌নিজেদের প্লে অফের ভাগ্য কার হাতে ছেড়ে দিলেন নাইট অধিনায়ক মর্গ্যান?‌

রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জয়টাইপ্লে অফের জন্য নাইট রাইডার্সের কাছে লাইফলাইন। তবে আদৌও প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে কিনা নির্ভর করছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদমুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের ওপর। হায়দরাবাদ হারলেই প্লে অফের টিকিট এসে যাবে ইওন মর্গ্যানদের হাতে। নিজেদের হাতে কিছু নেই। ঈশ্বরের ওপরই নিজেদের ভাগ্য ছেড়ে দিয়েছেন নাইট রাইডার্স অধিনায়ক। প্লে অফের প্রসঙ্গে মর্গ্যান বলেন, রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে রান রেটের বিষয়টা আমাদের মাথায় ছিল। তার আগে আমাদের জয়টা জরুরি ছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আমাদের এর বেশি কিছু করার ছিল না। সবকিছু ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দিয়েছি। রবিবার জয়ের জন্য বোলারদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন মর্গান। তিনি বলেন, দলের সামগ্রিক বোলিং খুবই ভাল হয়েছে। এক কথায় বলতে গেলে অসাধারণ। বোলাররা নিজেদের সেরাটা দিয়েছিল। রাজস্থান ব্যাটসম্যানরা জবাব দিতে পারেনি। পাওয়ার প্লের মধ্যে ৪ উইকেট হারালে যে কোনও দলের পক্ষে ম্যাচে ফেরা কঠিন হয়ে যায়। রাজস্থানও ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ১৯১ রান জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল বলে মনে করছেন মর্গান। তিনি বলেন, উইকেট খুবই ভাল ছিল। ১০ থেকে ১৫ ওভারের মধ্যে আমরা বেশ কয়েকটা উইকেট হারিয়েছিলাম। তবে শেষটা ভাল হওয়ায় বড় রানে পৌঁছতে পেরেছিলাম।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে প্লে অফের লাইফলাইন পেল নাইট রাইডার্স

সংক্ষিপ্ত স্কোর: কলকাতা ১৯১/৭, ২০ ওভারে। রাজস্থান ১৩১/৯, ২০ ওভারে। কলকাতা ৬০ রানে জয়ী। প্লেঅফের লড়াইয়ে থাকতে গেলে জেতা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রাজস্থান রয়্যালসের সামনে। রাজস্থানকে ৬০ রানে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন বেঁচে রইল কলকাতার। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও জ্বলে উঠতে পারলেন না আন্দ্রে রাসেল। শুভমান গিল (২৪ বলে ৩৬), রাহুল ত্রিপাঠী (৩৪ বলে ৩৯) ও মর্গানদের (৩৫ বলে অপরাজিত ৬৮) দাপটে ২০ ওভারে ১৯১/৭ তোলে নাইট রাইডার্স। ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই নীতীশ রানাকে (০) তুলে নিয়ে নাইটদের চাপে ফেলে দিয়েছিলেন জোফ্রা আর্চার। শুভমান ও রাহুলের ৭২ রানের জুটি বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিল। সুনীল নারাইন (০) ব্যর্থ। কার্তিকের (০) খারাপ সময় অব্যাহত। ৪ ম্যাচ পর প্রথম একাদশে ফিরে বড় রান পেলেন না রাসেল (১১ বলে ২৫)। ১৯২ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না রাজস্থানের সামনে। কামিন্সের প্রথম বলেই ছয় হাঁকিয়ে শুরু করেছিলেন উথাপ্পা। প্রথম পাঁচ বলে ওঠে ১৯। শেষ বলে উথাপ্পাকে (২ বলে ৬) তুলে নেন কামিন্স। এক ওভার পরে আবার কামিন্সের ধাক্কা। স্টোকসকে (১১ বলে ১৮) ফেরান। ওভারের শেষ বলে স্মিথকেও (৪ বলে ৪) ফেরান কামিন্স। সঞ্জু স্যামসনকে (৪ বলে ১) তুলে নেন শিবম মাভি। পরের ওভারে আবার কামিন্সের (৪/৩৪) ধাক্কা। ফেরান রিয়ান পরাগকে (৭ বলে ০)। ৫ ওভারের মধ্যে সেরা ৫ ব্যাটসম্যানকে হারায় রাজস্থান। বাটলার (২২ বলে ৩৫) ও তেওয়াটিয়া (২৭ বলে ৩১) কিছুটা লড়াই করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩১/৯ তোলে রাজস্থান।

নভেম্বর ০১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

সুনীল নারাইনকে নিয়ে কী বলল নাইট রাইডার্স কর্তৃপক্ষ?‌

দলের সেরা অস্ত্রের বিরুদ্ধে বল ছোঁড়ার অভিযোগ। প্রায় দেড়দিন চুপচাপ ছিল। অবশেষে সুনীল নারাইনের ব্যাপারে মুখ খুলল কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। নারাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ায় নাইট কর্তৃপক্ষ অবাক। দলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আবু ধাবিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর অফিসিয়ালরা সুনীল নারাইনের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ এনে রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় আমরা অবাক। নারাইন ২০১২ থেকে আইপিএলে ১১৫টা ম্যাচ খেলেছে। ২০১৫তে ওর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা পড়ার পন ৬৮টা ম্যাচ খেলে ফেলেছে। ওই সময় আইসিসির অনুমোদিত সংস্থা নারাইনের বোলিং অ্যাকশনের ছাড়পত্র দিয়েছিল। এই মরশুমেও নারাইন ছটা ম্যাচ খেলে ফেলেছে। এতদিন ম্যাচ অফিসিয়ালরা কোনও অভিযোগ তোলেননি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আইপিএলের এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়াকে সম্মান করি। এই বিষয় নিয়ে অতীতে আমরা সবসময় সহযোগিতা করে এসেছি। ভবিষ্যতেও করব। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবে। আইপিএল পরিচালকবর্গ যেভাবে সহযোগিতা করে আসছে তা প্রশংসনীয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ও কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যাচের পর আইপিএলের পক্ষ থেকে নারাইনের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন নিয়ে একটি বিবৃতি পাঠানো হয়েছিল। সেই বিবৃতিতে লেখা ছিল, আইপিএলের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন নিয়ম মেনে ফিল্ড আম্পায়াররা সুনীল নারাইনের বিরুদ্ধে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। তাঁকে সতর্কিত করা হয়েছে। তবে প্রতিযোগিতায় বোলিং করতে পারবেন। দ্বিতীয়বার অভিযোগ জমা পড়লে বোলিং করতে দেওয়া হবে না।

অক্টোবর ১২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

১০ বছর আগের স্মৃতিই ভরসা চেন্নাই সুপার কিংসের

চেন্নাই সুপার কিংস শিবিরের স্মৃতিতে ভেসে উঠছে ১০ আগের ছবি। শুরুতে একের পর এক পরাজয়। শেষদিকে প্রতিটা ম্যাচেই অগ্নিপরীক্ষায় নামতে হয়েছিল ধোনির দলকে। সেখান থেকে চ্যাম্পিয়ন। এবছর চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কিনা সময়ই বলবে, তবে চেন্নাইয়ের অবস্থা যে সঙ্কটজনক, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। আপাতত ৭ ম্যাচে ২টিতে জয়। ৪ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ লিগে ৭ নম্বরে। প্লে অফে যেতে গেলে বাকি ৭ ম্যাচের মধ্যে ৬টিতে জিততে হবে। এই অবস্থায় বুধবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে অগ্নিপরীক্ষায় নামছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। হায়দরাবাদের কাছে হার মানেই একটা লাইফ লাইন কমে যাওয়া। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট চিন্তিত ব্যাটসম্যানদের ফর্ম নিয়ে। এখনও জ্বলে উঠতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা। ওপেনিংয়ে শেন ওয়াটসন ও ফাপ ডুপ্লেসি কয়েকটা ম্যাচে ভাল শুরু করলেও মিডল অর্ডার ভরসা জোগাতে পারেনি। ধোনির অবস্থাও যথেষ্ট খারাপ। ব্যাটে রান নেই। তঁার মুখেও বারবার শোনা গেছে ব্যাটিং নিয়ে চিন্তার কথা। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ব্যাটসম্যানরা দায়িত্ব না নিলে আবার ভুগতে হবে চেন্নাইকে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
কলকাতা

কোভিড রোগীদের জন্য একাধিক জনমুখী পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের

ফের করোনা আক্রান্ত মানুযের কথা চিন্তা করে পুজো্র আগে জনমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। কলকাতা ও শহরতলিতে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কোভিড টেস্ট করাতে গেলে এখন সাধারণ মানুষকে দিতে হয় ২২৫০। কিন্তু রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে , এই বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলিতে এখন থেকে টেস্ট করাতে গেলে লাগবে ১৫০০। এছাড়াও রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুরসভা বিনামূল্যে রাজ্যের সকল কোভিড রোগীকে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেয়। কিন্তু যে সকল কোভিড রোগী বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন , তাদের জন্যও অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া কমানো দরকার। রাজ্য সরকার সেই সংক্রান্ত রেগুলেটরি কমিশনের কাছে অনুরোধ করছে , অবিলম্বে পুজো্র আগেই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সহনশীল স্তরে নামিয়ে আনা হোক। আরও পড়ুনঃ স্পা-এর আড়ালে মধুচক্র , ধৃত টেলি অভিনেতা সহ ১৬ এছাড়াও গত ১০ অক্টোবর হাওড়ার এএসআই বালটুকরিতে ইতিমধ্যেই কোভিড রোগীদের ৪৮ টি শয্যা্র ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলকাতার এম আর বাঙুরে সো্মবার থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য চালু হল ৫৬ টি শয্যা। আরও ৪৯৬ টি শয্যা আগামী দু থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে চালু হবে। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন কোভিড হাসপাতালে ২৪৭৫ জন নার্স শীঘ্রই নিযুক্ত করা হবে। পুজোর সময় প্রশাসনের জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অফিসার ও আধিকারিকদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

দিল্লিকে হারিয়ে শীর্ষে পৌঁছে গেল মুম্বই

সংক্ষিপ্ত স্কোর:‌ দিল্লি ২০ ওভারে ১৬২/‌৪, শিখর ধাওয়ান অপরাজিত ৬৯ (‌৫২)‌, ক্রুনাল ২/‌২৬। মুম্বই ১৯.‌৪ ওভারে ১৬৬/‌৫। ডিকক ৫৩ (‌৩৬), সূর্যকুমার ৫৩ (‌৩২)‌, রাবাডা ২/‌২৮‌। মুম্বই ৫ উইকেটে জয়ী। লিগ টেবিলের শীর্ষে ছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দ্বিতীয় স্থানে মুম্বই ইন্ডিয়ানস। দিল্লিকে হারিয়ে রোহিত শর্মারা শীর্ষে পৌঁছতে পারে কিনা সেটাই ছিল দেখার। দিল্লির বিজয়রথ থামিয়ে ৫ উইকেটে জিতে শীর্ষে উঠে গেল মুম্বই। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে খেলতে নেমেছিল দিল্লি। ঋষভ পন্থের জায়গায় অজিঙ্কা রাহানে, শিমরন হেটমেয়ারের জায়গায় অ্যালেক্স ক্যারে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম ওভারেই পৃথ্বীকে (‌৩ বলে ৪)‌ হারায় দিল্লি। সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারলেন না রাহানে ১৫ (‌১৫)‌। শিখর ধাওয়ান (‌৫২ বলে অপরাজিত ৬৯)‌ ও শ্রেয়স আয়ারই (‌৩৩ বলে ৪২) দিল্লিকে টেনে নিয়ে যান। ২০ ওভারে দিল্লি তোলে ১৬২/‌৪। ‌ ব্যাট করতে নেমে মুম্বইও শুরুতে ধাক্কা খায়। পঞ্চম ওভারে আউট হন রোহিত শর্মা (‌১২ বলে ৫)‌। কুইন্টন ডিকক (‌৩৬ বলে ৫৩)‌ ও সূর্যকুমার যাদব (‌৩২ বলে ৫৩)‌ দলকে টেনে নিয়ে যান। ইশান কিশান করেন ১৫ বলে করেন ২৮। হার্দিক পান্ডিয়া ব্যর্থ (০‌)‌। দ্রুত কয়েকটা উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় মুম্বই। শেষ পর্যন্ত ২ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যান রোহিতরা।

অক্টোবর ১১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

এই কাজটি আবার করলে আইপিএলে বল করতে পারবেন না সুনীল নারাইন oi

শেষ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে দলকে জয় এনে দিলেও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচের দিনটা ভাল কাটল না সুনীল নারাইনের। আবার তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ উঠল। তবে আইপিএলে তিনি বোলিং করতে পারবেন। আবার যদি অভিযোগ ওঠে সেক্ষেত্রে তাঁকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন কমিটির কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে এসে বোলিং করতে হবে। ২০১৪ সাল থেকেই বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন নারাইন। ওই বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তাঁর বিরুদ্ধে দু–দুবার অভিযোগ উঠেছিল। অ্যাকশন শোধরানোর জন্য ২০১৫ বিশ্বকাপেও খেলতে পারেননি। ২০১৫ আইপিএলেও আবার সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ ওঠে। ওই বছর নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বোলিং নিষিদ্ধ হয়। ২০১৬–র এপ্রিলে আইসিসি বোলিং অ্যাকশন ত্রুটিমুক্ত ঘোষণা করলেও ভারতে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন নারাইন। ২০১৮–র মার্চে পাকিস্তান সুপার লিগে আবার তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ ওঠে। এরপর অ্যাকশন ঠিক করার জন্য কার্ল ক্রো–র শরণাপন্ন হন নারাইন। কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে ইংল্যান্ডের লিস্টারের এক বায়োমেকানিস্টের কাছেও পাঠিয়েছিল। বোঝাই যাচ্ছে এখনও পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত হননি এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার।

অক্টোবর ১১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

নাইটদের জয়েও কাঁটা নারিনের হলুদ কার্ড

হলুদ কার্ড দেখে এখন লাল কার্ডের আশঙ্কা। ফুটবলের পরিভাষাতেই বোঝানো যেতে পারে সুনীল নারিনের অবস্থা। কিংস ইলেভেন ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস জয়ের পরেও নাইটদের কাঁটা এখন নারিনের বোলিং অ্যাকশন। শনিবারের ম্যাচে আইপিএলের সন্দেহজনক বেআইনি বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত নিয়ম মেনে নারিনের অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন আম্পায়াররা। তবে এখনও টুর্নামেন্টে বোলিং করতে পারবেন। তবে ফের এমন রিপোর্ট জমা পড়লে বোর্ডের বোলিং অ্যাকশন কমিটির ছাড়পত্র না পাওয়া অবধি হাত ঘোরাতে পারবেন না কেকেআরের ট্রাম্প কার্ড, এই ক্যারিবিয়ান বিস্ময় স্পিনার।

অক্টোবর ১১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

"ম্যাচ অফ দ্যা মিলিমিটার" : শেষ বলে ২ রানে নাটকীয় জয় নাইটদের

সংক্ষিপ্ত স্কোর নাইট রাইডার্স: ২০ ওভারে ১৬৪/৬(কার্তিক ৫৮ (২৯), শুভমান ৫৭ (৪৭), অর্শদীপ ১/ ২৫। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব : ২০ ওভারে ১৬২/৫ রাহুল ৭৪ (৫৮), মায়াঙ্ক ৫৬ (৩৯), প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ৩/২৯, নারাইন ২/২৮। ম্যাচে ফল : নাইট রাইডার্স ২ রানে জয়ী। "ম্যাচ অফ দ্যা মিলিমিটার"। কলকাতা নাইট রাইডার্স ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ম্যাচ এভাবেই অভিহিত করা যেতে পারে। সুবিধাজনক জায়গা থেকেও জয় অধরা থেকে গেল পাঞ্জাবের। শেষ বলে ২ রানে নাটকীয় জয় নাইটদের। ম্যাচে বারবার পট পরিবর্তন। শুরুটা ভাল না হলেও নাইটরা ১৬৪/৬ রানে পৌঁছয় শুভমান গিল ও দীনেশ কার্তিকের সৌজন্যে। শুভমান করেন ৫৭, কার্তিক ২৯ বলে ৫৮। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে দুজনে বলেন ৮২। ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে কিংস ইলেভেন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১১৫। একসময় ২ উইকেটে রান ছিল ১৪৪। এরপরই ম্যাচ ঘুরে যায়। নারাইনের শেষ ২ ওভারই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। শেষ বলে ৬ হলে ম্যাচ সুপার ওভারে যেত। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের শট বাউন্ডারি লাইনের কয়েক মিলিমিটার আগে পড়ল। ৬ হল না ৪ হল। মিলিমিটারেই জিতে ৩ নম্বরে উঠে এল নাইট রাইডার্স।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজ্য

জাতীয় সড়কের বেহাল সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ তৃণমূল যুব'র

২ নম্বর ব্লকের জাতীয় সড়কের খানাখন্দে ভরা সার্ভিস রোড। এই সার্ভিস রোডটি দুর্গাপুরের ওল্ড কোর্ট মোড়ের পাশেই অবস্থিত। আর এই ভাঙাচোরা রাস্তার জন্য প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে দুর্ঘটনা। সোমবার এই খানাখন্দে ভরা দুই নম্বর জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোডে মাছ ছেড়ে দিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নামল দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। ওল্ড কোর্ট মোড়ে এদিন অবস্থান বিক্ষোভে বসে পড়েন তৃণমূল যুব কর্মী- সমর্থকরা। দলের যুব শাখার পশ্চিম বর্ধমান জেলার নেতা রূপেশ যাদব বলেন, কেন্দ্রের এসব ব্যাপারে কোনও তাপ-উত্তাপ নেই, শুধু রাজনীতি করতেই ব্যস্ত।বিজেপি সরকারের এই ধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
খেলার দুনিয়া

ধোনির ভুলে বড় রান পৃথ্বীর, আবার হার চেন্নাইয়ের

সংক্ষিপ্ত স্কোর: দিল্লি ২০ ওভারে ১৭৫/৩ (পৃথ্বী ৬৪, পন্থ ৩৭, ধাওয়ান ৩৫, চাওলা ২/৩৩)। চেন্নাই ২০ ওভারে ১৩১/৭ (ডুপ্লেসি ৪৩, রাবাডা ৩/২৬, নর্টিয়ে ২/২১)। মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো পোড়খাওয়া উইকেটকিপারও তাহলে ভুল করে। যার মাশুল দিতে হল চেন্নাই সুপার কিংসকে। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে হার ৪৪ রানে। পরপর ২ ম্যাচে হার ধোনি ব্রিগেডের। ম্যাচের প্রথম ওভারে দীপক চাহারের দ্বিতীয় বল দিল্লি ওপেনার পৃথ্বী শর ব্যাটের ভেতরের কানা ছুঁয়ে ধোনির হাতে পৌঁছয়। ধোনি বুঝতে পারেননি বল ব্যাটে লেগেছে। কোনও আবেদন করেননি। ধোনির ভুল কাজে লাগিয়ে বড় রান পৃথ্বীর। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ধোনি। ওপেনিং জুটিতে ৯৪ তোলেন পৃথ্বী ও শিখর ধাওয়ান। পীযূশ চাওলা তুলে নেন শিখর ধাওয়ানকে (২৭ বলে ৩৫)। এক ওভার পরেই ফেরান পৃথ্বীকে (৪৩ বলে ৬৩)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শ্রেয়শ আয়ার (২২ বলে ২৬) ও ঋষভ পন্থ (২৫ বলে ৩৭)। ২০ ওভারে ১৭৫/৩ তোলে দিল্লি। চেন্নাই সুপার কিংসের শুরুটাও ভাল হয়নি। ওয়াটসন (১৬ বলে ১৪) অক্ষর প্যাটেলের বলে ফিরে যান। নর্টিয়ে তুলে নেন মুরল বিজয়কে (১৫ বলে ১০)। ঋতুরাজও ব্যর্থ (৫), কেদার যাদব করেন ২৬। ডুপ্লেসি (৩৫ বলে ৪৩) ফিরতেই চাপে পড়ে যায় চেন্নাই। ক্যাপ্টেন ধোনি করেন ১২ বলে ১৫। ২০ ওভারে চেন্নাই তোলে ১৩১/৭।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
খেলার দুনিয়া

রাহুলের একার রানই তুলতে না পেরে বিরাট হার

লোকেশ রাহুলে মাত বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। দুবাইয়ে শোচনীয়ভাবে ৯৭ রানে হারল কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের কাছে। টস জিতে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন বিরাট। অধিনায়কের ব্যাটিং তাণ্ডবে তিন উইকেটে ২০৬ তোলে কিংস ইলেভেন। ১৪টি চার ও ৭টি ছক্কার সুবাদে ৬৯ বলে ১৩২ করে অপরাজিত থাকেন রাহুল। এই আইপিএলের প্রথম শতরান, সেই সঙ্গে আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান কোনও ভারতীয়র ব্যাট থেকে। নতুন বলে উমেশ যাদব, ডেল স্টেনরা চূড়ান্ত ব্যর্থ, পরের ম্যাচে বাদ পড়লেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। জবাবে খেলতে নেমে ৩ ওভার বাকি থাকতে ১০৯ রানে অল আউট হয়ে যায় আরসিবি। তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে ৫ বল খেলে মাত্র ১ রানে যখন অধিনায়ক বিরাট ফেরেন স্কোরবোর্ডে তখন চার রানে তিন উইকেট। শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৫৬ রানে। ওয়াশিংটন সুন্দর ৩০ ও এবি ডি ভিলিয়ার্স ২৮ করায় তিন অঙ্কের রানে পৌঁছায় আরসিবি। অশ্বিন ও বিষ্ণোই তিনটি করে, কটরেল ২টি, সামি ও ম্যাক্সওয়েল ১টি করে উইকেট পান। বিপক্ষকে ১৮০-তে বেঁধে ফেলা গেলে ফল অন্যরকম হতে পারত বলে মনে করেন বিরাট। পরিকল্পনা প্রয়োগে খামতি ও ভুলত্রুটি শুধরে পরের ম্যাচ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর আরসিবি ক্যাপ্টেন। দলগত সংহতিতেই জয় বলে জানিয়ে বিষ্ণোইয়ের প্রশংসা করেছেন রাহুল। নিজের ব্যাটিং নিয়ে উদ্বেগ থাকায় ম্যাচের আগের দিন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন বলে জানান কিংস অধিনায়ক।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

রঞ্জিত মল্লিককে জড়িয়ে ধরলেন অভিষেক, ক্যামেরার সামনে আবেগঘন মুহূর্ত

বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে যান তিনি। প্রায় দুঘণ্টা সেখানে ছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান, এই সাক্ষাতে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে তাঁর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ছোটবেলায় তাঁর দেখা প্রথম সিনেমার নাম ছিল গুরুদক্ষিণা, যেখানে অভিনয় করেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। অভিষেক আরও বলেন, অভিনেতার অধিকাংশ ছবি তাঁর জন্মের আগেই মুক্তি পেয়েছিল। ১৯৯২ সালে প্রয়াত কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।অভিষেক জানান, এদিন তিনি রাজনীতির কথা বলতে যাননি। তবে কেন্দ্র কীভাবে রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে এবং গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার কীভাবে কাজ করেছে, সে কথাগুলি রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তিনি তুলে ধরেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, ওকে আমার খুব ভাল লাগে। খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব। অভিনেতার এই মন্তব্যে মুহূর্তটি আবেগঘন হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য, উন্নয়নের পাঁচালি নামে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার কর্মসূচির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। এই প্রচারে গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলির কথা লোককথার ঢঙে তুলে ধরা হচ্ছে। গ্রামের মহিলাদের কাছে সহজ ভাষায় সরকারের কাজ পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

নাগরিকত্বে সামান্য সন্দেহ হলেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ! সুপ্রিম কোর্টে বড় দাবি নির্বাচন কমিশনের

এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠল সুপ্রিম কোর্টে। শুনানির সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, কেন্দ্রীয় সরকার কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব নির্ধারণ না করা পর্যন্ত সেই ব্যক্তির ভোটাধিকার কি থাকবে না।এর জবাবে কমিশনের আইনজীবী জানান, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল যাঁরা ভারতীয় নাগরিক নন, তাঁদের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে, তা নিশ্চিত করা। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা তাঁকে দেশছাড়া করার কোনও অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই। নাগরিকত্ব নির্ধারণের চূড়ান্ত দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।শুনানিতে কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়, নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট ইআরও কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় না রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে তার মানে এই নয় যে ওই ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নন, এমন সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে হয়ে যাচ্ছে।এই মামলার শুনানি আগামী ১৫ জানুয়ারি ফের শুরু হবে প্রধান বিচারপতির এজলাসে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন ও দোলা সেন শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি আদালতে অভিযোগ করেন, এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশ সমাজমাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুথ লেভেল অফিসারদের কাজের নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে।এছাড়াও তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, এসআইআর শুনানিতে ভোটাররা নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা লিখিত প্রমাণ তাঁদের দেওয়া হচ্ছে না। কমিশনের তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়েও প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। এই বিষয়গুলি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি একই অভিযোগ তুলেছিলেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের মামলা খারিজ

কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বিরুদ্ধে তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দিল আদালত। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ এই মামলার শুনানির পর জানান, তৃণমূলের অভিযোগ আদালতে টেকেনি।এ দিন কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু আদালতে জানান, ইডি কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর দাবি, আইপ্যাক সংস্থার ডিরেক্টরের বাড়ি ও দফতরে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কিন্তু সেই তল্লাশির সময় তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশীস চক্রবর্তী সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তা হলে তিনি যে তথ্যের ভিত্তিতে আদালতে মামলা করলেন, সেই তথ্যের উৎস কী, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রের আইনজীবী।ইডির সওয়ালে আরও বলা হয়, যেসব নথির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। ফলে ইডির বিরুদ্ধে নথি বাজেয়াপ্ত করার অভিযোগ ঠিক নয়। এমনকি ইডির আইনজীবী মন্তব্য করেন, যদি কারও বিরুদ্ধে মামলা করতে হয়, তা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সেই মামলায় পক্ষ করা উচিত।এই যুক্তির ভিত্তিতেই বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দেন। তবে ইডির তরফে দায়ের করা আলাদা মামলাটি এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।রায় ঘোষণার পর রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইডির আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, তৃণমূলের কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। সেই কারণেই আদালত এই মামলা খারিজ করেছে। অন্যদিকে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, ইডি স্পষ্ট জানিয়েছে তারা কোনও নথি নেয়নি। যে কাগজপত্র নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছিল, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। আদালতে এই সব যুক্তি উঠে আসায় বিষয়টি অন্য দিকে মোড় নিতে পারে বুঝেই শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে বলা হয়, নথি বাজেয়াপ্ত না হয়ে থাকলে মামলা চালিয়ে যাওয়ার অর্থ নেই। তার পরেই মামলা খারিজ হয়ে যায়।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

গ্রামীণ স্কুলে বইয়ের আলো, পাহাড়হাটিতে একদিনের বইমেলায় উৎসবের আমেজ

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারী ২ নম্বর ব্লকের পাহাড়হাটি বাবুরাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো একদিনের বইমেলা। ছাত্রীদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি একটি সম্পূর্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হওয়ায় মেয়েদের মানসিক ও বৌদ্ধিক বিকাশে বইয়ের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতেই এই আয়োজন বলে জানান কর্তৃপক্ষ।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জানান, বর্তমান সময়ে মোবাইল ও ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে বইয়ের প্রতি ছাত্রীদের আগ্রহ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গা থেকেই বইকে কাছাকাছি আনার জন্য এই একদিনের বইমেলার আয়োজন। তিনি আরও জানান, প্রথমবার এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার শুভ সূচনা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়। স্কুল চত্বরে সাজানো হয় বিভিন্ন প্রকাশনার বইয়ের স্টল। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, সাধারণ জ্ঞান, জীবনী থেকে শুরু করে পাঠ্য সহায়ক নানা বইয়ের সম্ভারে খুশি ছাত্রীরা। অনেকেই নিজের পছন্দের বই কিনে নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।উল্লেখ্য, শহর থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত এই গ্রামীণ বিদ্যালয়ের আশপাশে নিয়মিত বইয়ের দোকানের বিশেষ সুবিধা নেই। ফলে ছাত্রীদের বই কেনার সুযোগ সীমিত। সেই অভাব পূরণ করতেই এই বইমেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।বিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এবছরের সাফল্যে তাঁরা আপ্লুত। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দেখে আগামী বছরও এই বইমেলার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বইমেলার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গরিবের টাকা কবে মিলবে? একশো দিনের কাজ নিয়ে হাইকোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ

একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা দ্রুত শ্রমিকদের হাতে পৌঁছনোই আদালতের প্রধান লক্ষ্যএমনই পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল স্পষ্ট জানান, যত দ্রুত সম্ভব গরিব মানুষরা যেন তাঁদের প্রাপ্য টাকা পান, সেটাই আদালতের উদ্দেশ্য। আদালতের মতে, যাঁরা মনরেগার আওতায় কাজ করেন, তাঁরা মূলত গরিব মানুষ, তাই তাঁদের টাকার ব্যবস্থা করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, কেন্দ্র যত অভিযোগই করুক না কেন, সবার আগে শ্রমিকদের টাকা দেওয়া উচিত। অন্যদিকে কেন্দ্রের তরফে ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল জানান, এই প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। তাই দোষীদের শাস্তি দেওয়া ও তদন্ত চালানো জরুরি। কেন্দ্রের দাবি, গোটা দুর্নীতির সঙ্গে রাজ্য প্রশাসন যুক্ত থাকায় রাজ্যের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।শুনানির সময় আইনজীবী অশোক চক্রবর্তী প্রশ্ন তোলেন, তাহলে এখন এই মামলা করার উদ্দেশ্য কী। সেই সময় বিচারপতি জানান, এই মামলার সঙ্গে আদালত অবমাননার আরও একটি মামলা একসঙ্গে শোনা হবে। আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, অগাস্ট মাস থেকে অপেক্ষা চলছে, অন্তত শ্রমিকদের স্কিমের টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। আর কতদিন দেরি হবে। তাঁর বক্তব্য শুনে বিচারপতি বলেন, আদালতও চায় শ্রমিকদের হাতে দ্রুত টাকা পৌঁছাক।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে বকেয়া টাকা কেন্দ্রকে মেটাতে হবে। তবে রাজ্যের অভিযোগ, টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র নানা শর্ত চাপাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রের লেবার বাজেটের শর্ত কোনওভাবেই মানা হবে না। মনরেগার কাজ ফের কীভাবে শুরু করা হবে, তা নিয়েও রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, অনৈতিকভাবে কেন্দ্র এই টাকা আটকে রেখেছে। গরিব মানুষ তাঁদের প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। এটা কোনও দয়া নয়, এটা তাঁদের অধিকার। অন্যদিকে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চেয়েছে গরিব মানুষ যেন টাকা পান। তবে একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট এটাও বলেছে, টাকা যেন সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায়। কেন্দ্রের দাবি, হিসাবেই গরমিল থাকায় টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মজয়ন্তী পালনে ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ, সংবর্ধনা শিক্ষক সমাজকে

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী ধুমধাম করে পালন করল ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ। এদিন সকালে প্রভাতফেরিতে অংশ নেয় কয়েক শো মানুষ। বিশেষ সজ্জিত ট্যাবলো প্রভাতফেরিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। স্বামীজির গলায় মাল্যদান করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি অরুন নন্দী।এদিন বিকেলে ক্লাব প্রাঙ্গনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। পাশাপাশি এলাকার ১২জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রী ও ৯ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সোমবার সন্ধ্যায় ক্লাব প্রাঙ্গনে আবৃত্তি, সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রানবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজক ক্লাবের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ সুখরঞ্জন সাহা, সহ সম্পাদক আশুতোষ দে বলন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করেছি নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।এছাড়া সারাবছর নানা সমাজসেবা মূলক কাজ করে আমাদের ক্লাব। রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য শিবির, চক্ষু পরীক্ষা শিবির নিয়মিত ভাবে আয়োজন করে ক্লাব। স্বামীজি সংঘের কার্যকর্তা অনুপম গাইন, সঞ্জু সাহা, খোকন সরকার, কালাচাঁদ দে সহ অন্যদের সক্রিয় ভূমিকায় দিনভর অনুষ্ঠান সার্বিক সফলতা পেয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে আর নয়! ভারতীয়দের জন্য বড় নিষেধাজ্ঞা, ফিরতে বলল কেন্দ্র

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারত সরকার। নাগরিক গণআন্দোলনে উত্তাল ইরানে আপাতত ভারতীয়দের যেতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা এই মুহূর্তে ইরানে রয়েছেন, তাঁদেরও যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানে কোনও ভারতীয় নাগরিকের যাত্রা নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে পর্যটক, পড়ুয়া, ব্যবসায়ী-সহ ইরানে থাকা সমস্ত ভারতীয়কে যে কোনও উপায়ে ভারত ফিরে আসতে বলা হয়েছে। যে সব এলাকায় বিক্ষোভ চলছে, সেগুলি এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।ইরানে থাকা ভারতীয়দের নিজেদের পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং জরুরি নথি সব সময় সঙ্গে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেও বলা হয়েছে। যাঁরা এখনও দূতাবাসে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেননি, তাঁদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই জরুরি যোগাযোগের জন্য বিশেষ ফোন নম্বর এবং ইমেল পরিষেবাও চালু করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইরানে তীব্র আন্দোলন চলছে। ভেঙে পড়া অর্থনীতি, চরম আর্থিক সঙ্কট এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভ দমন করতে কড়া পদক্ষেপ করেছে ইরান সরকার। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ফাঁসির হুমকিও দেওয়া হয়েছে। খবর অনুযায়ী, আজই প্রথম কোনও আন্দোলনকারীকে ফাঁসি দেওয়া হতে পারে।এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের ঘটনায় মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বিক্ষোভকারীদের পিছু না হটার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সাহায্য আসছে। তবে সেই সাহায্য কী ধরনের, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal