• ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

রাজ্য

নিউটনের চলন্ত বাসে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন

নিউটনের রাস্তায় চলন্ত বাসে আগুন লেগে বিপত্তি ঘটেছে। ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন। এই ঘটনার জেরে নিউ টাউন বিশ্ববাংলা মোড় থেকে সাপুর্জি রাস্তায় তৈরি হয় প্রচন্ড যানজট।স্থানীয় সূত্রে খবর, নিউটাউন থেকে আলিপুর রুটের ২৬০ নম্বর বাস যখন যাত্রী নিয়ে আলিপুর থেকে নিউটাউনের দিকে আসছিল বিশ্ববাংলা মোড়ের কাছে আসতেই দেখা যায় গাড়ির ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। এরপরই তড়িঘড়ি যাত্রীদেরকে বাস থেকে নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। দমকলে ও পুলিশে খবর দেওয়া হলে ঘটনার স্থলে এসে পৌঁছে টেকনোসিটি থানার পুলিশ ও দমকল এর একটি। বাসটি ততক্ষণে আগুনে পুড়ে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। তবে এই আগুন লাগার ফলে বিশ্ব বাংলা মোড় থেকে সাপুর্জিগামী রাস্তায় তৈরি হয় যানজট। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি, তবে দমকলের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট এর ফলে এই আগুন।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পদত্যাগের ঘোষণা ঘিরে শোরগোল, কোন কেন্দ্রে কোন দলের প্রার্থীর সম্ভাবনা?

শেষমেশ ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আগামী মঙ্গলবার মাস্টারদা সূর্য সেনের মূর্তির নীচে দাঁড়িয়ে সব প্রশ্নের জবাব দেবেন। আগামিকাল হাইকোর্টে যাবেন তাঁর দায়িত্বে থাকা মামলাগুলি ছেড়ে দেওয়ার জন্য স্বাক্ষর করতে। রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন এই বিতর্কিত বিচারপতি। এই নিয়ে চলছে জোর চর্চা। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় যোগ দিতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তমলুক কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সদ্য পদত্যাগ করা বিচারপতির। বিচারপতির পদত্যাগ ঘিরে তুমুল শোরগোল পরে গিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্ব বিচারপতির এই সিদ্ধান্তের কড়স সমালোচনা করেছে। সিপিএম বলছে, এর ফলে চাকরি প্রার্থীরা বিপাকে পড়ল। অধীর চৌধুরী তাঁকে কংগ্রেসে যোগদানের আবেদন জানিয়েছেন।

মার্চ ০৩, ২০২৪
নিবন্ধ

'পাখি' র, সাধ অনেক। সাধ্য অল্প। তবুও আয়োজন ছিল। যা 'না বললেই নয়"

না, পাখি-তে ফাঁকি নেই। ঠাস বুনন। সমকালীন জীবনকে তুলে ধরাই নাটকের ধর্ম। সময় তাই নাটকের প্রাণ ভোমরা। তাই মনোজ মিত্রের পাখিকে জানতে গেলে ফিরে যেতে হবে আজ থেকে প্রায় ৪৮ বছর আগে। নকশাল আন্দোলন এর অন্তিম পর্বে। কলকাতায় নুতন সরকার। গড়ের মাঠে পেলেকে রুখে দিচ্ছে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সবুজ মেরুন বাহিনী। অন্যদিকে একে একে বন্ধ হচ্ছে শিল্প কারখানা। হারিয়ে যাচ্ছে তরুণের স্বপ্ন। উচ্চবিত্ত হচ্ছে মধ্যবিত্ত। মধ্য নিম্ন। সমাধি হচ্ছে স্বপ্নের।মনোজ মিত্রের পাখি নাটকে নীতিশ স্বপ্ন সমাধি। একদল অর্থপুষ্ট বন্ধুর সেলসম্যান সাথি। ফেরি করে। অন্যের বাড়িতে পৌঁছে দেয় হেরিকেন। তাদের বাড়িতে আলো জ্বলে। কিন্তু নিজের বাড়িতেই ঘোর অন্ধকার। স্বপ্ন বড় নয়। তবুও সমাজের চোখে তা দুঃস্বপ্ন। প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকায় বড়লোক বন্ধুদের খাওয়ানোর দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা। দশম বিবাহ বার্ষিকীতে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার প্রচেষ্টা। অন্যদিকে কষ্টিপাথরে যাচাই করা যোগ্য সহধর্মিনী বিলাসিতাই ভাবে নীতু র স্বপ্নকে। নুন আনতে পান্তা পুরানো সংসারের ঘানি টানতে টানতে স্বপ্নই শেষ হয়ে গেছে তার জীবনে। কঠিন বাস্তবতার মোড়কে তার জীবন দর্শন। অর্থহীনরা প্রসব করে অর্থহীন স্বপ্ন। আবিষ্কার করতে হয় আত্মসম্মানকে বাঁচিয়ে রাখার নবনব কৌশল। তবুও স্বামীর পাশে। ভালোবেসে।নীতুর সাধ অনেক। সাধ্য অল্প। তবুও আয়োজন ছিল। ছিল হৃদয়বান মাসতুতো ভাইয়ের সাহচর্য, উষ্ণ উপস্থিতি। কিন্তু বাধ সাধলো একটা চিঠি। বড়লোক বন্ধুদের করুণা মাখা একটি ছোট্ট চিঠি। নিমন্ত্রণের ইচ্ছে প্রকাশই যথেষ্ট। আয়োজন বিলাসিতা। বেমানান। ব্যর্থ উপার্জনের সঙ্গে সঙ্গতে। গরিবির নির্মমতায় নিষ্পেষিত নীতু।স্বপ্নের সমাধিতে দিশেহারা নীতুর একমাত্র অবলম্বন শ্যামা। ভালোবাসাই সমাধান। নিজেদের পর্ণ কুঠিরে দুজনে খুঁজে পায় দুজনকে। মেতে উঠে ভালোবাসার আলিঙ্গনে। সোহাগে সান্ত্বনায় উপভোগ করে পূর্ণতা প্রাপ্তির আনন্দ।গত ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বর্ধমান অনীকের সৌজন্যে সংস্কৃতি লোক মঞ্চে ফিরে এলো ১৯৭৭ সাল। শিল্প হারা রাজ্যের ঝরাজীর্ণ অর্থনীতির শিকার নীতু র চরিত্রে শিক্ষক ডক্টর দিলীপ বিশ্বাসের অসাধারণ উপস্থাপনায়। কখনো স্বপ্ন, কখনো সমাধি। কখনো আবেগময়, কখনো আবেগহীন। পরিশেষে বাস্তবতায় আত্মসমর্পণ। শ্যামার চরিত্রে সহধর্মিনী রুনু মুখোপাধ্যায়ের যোগ্য সঙ্গত। নিয়ন্ত্রিত আবেগ সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে কঠিন বাস্তবের সম্মুখীন হওয়া একটি জীবনকে। যোগ্য কপতি। উকিলের চরিত্রে বাবলুদা এবং নিতুর ভাইয়ের চরিত্রে অনিমেষদার সাবলীল অভিনয়। টানটান নাটকে দর্শক মন্ডলী ক্ষণিকেই ফিরে গিয়েছিল ১৯৭৭ সালের কলকাতায়। শুনছিল সময়ের পদধ্বনি। আলোক-আবহ নিখুঁত এবং নিটোল! নেশা ছাপিয়ে যায় পেশা কে। তাই হয়তো অভিনয়ের গুণে বিভিন্ন পেশায় থাকা কুশীলবদের প্রত্যেকটি চরিত্র হয়ে উঠেছিল প্রাণশক্তিতে ভরপুর, জীবন্ত। সঠিকভাবেই আয়না ধরা হয়েছিল জীবনের প্রতি।অনন্তদেব গুহ, (শিক্ষক ও নাট্যপ্রেমী)

মার্চ ০৩, ২০২৪
রাজ্য

প্রতিবন্ধী ঐক্য মঞ্চের বিক্ষোভ, স্মারকলিপি মন্ত্রীকে

পশ্চিমবঙ্গ প্রতিবন্ধী ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে সল্টলেকের করুণাময়ীর সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং ডেপুটেশন কর্মসূচি পালিত হয়। মানবিক ভাতার পরিমাণ মাসিক ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০০ টাকা করার দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনে শশী পাঁজাকে ডেপুটেশন দেন প্রতিনিধি দল। পশ্চিমবঙ্গ প্রতিবন্ধী ঐক্যমঞ্চ আরো দাবি-* অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা এবং বিভিন্ন আবাস যোজনায় প্রতিবন্ধীদের অন্তর্ভুক্তি।*প্রতিবন্ধীদের জন্য ১০০ দিনের কাজ এবং জব কার্ড প্রদান।* প্রতিবন্ধীদের উপযুক্ত শৌচাগার নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ।*প্রতিবন্ধীদের বিনামূল্যে মাসে ১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ও বছরে ৬টি রান্নার গ্যাস প্রদান।*সমস্ত বাসে দুইটি আসন সংরক্ষণ সহ বিনা ভাড়ায় যাতায়াতের অধিকার।

মার্চ ০১, ২০২৪
কলকাতা

ডিএলএড ঐক্যমঞ্চ পক্ষের বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার সল্টলেকে

২০২২ প্রাথমিক টেট পাস ডিএলএড ঐক্যমঞ্চ পক্ষ থেকে APC ভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। লোকসভা ভোটের আগে ন্যূনতম ৫০০০০ শূন্যপদে ২০২২ প্রাথমিক টেট পাসদের অবিলম্বে ইন্টারভিউ নোটিসের দাবিতে ২০২২ প্রাথমিক টেট পাস ডিএলএড ঐক্যমঞ্চ সল্টলেক করুণাময়ীর সামনে APC ভবন অভিযান করে।তাঁদের দাবি:১) TET-2023 এর রেজাল্টের আগে, ছয় বছর বঞ্চিত TET-2022 পাস দের সুযোগ দিতে। সমস্ত জেলারআপ টু ডেট শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে।২) RTE ACT মেনে সমস্ত প্রাথমিক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি যুক্ত করে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।৩) পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বছরে দুবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে হবে।৪) TET-2022 পাস করা সকলের নাম, রোল নং, ট্রেনিং ধরণ, টেট মার্কস, কাস্ট, ক্যাটাগরি, যাবতীয় তথ্য পিডিএফ আকারে প্রকাশিত করতে হবে।৫) B.Ed/B.Ed(Special Education), Certificate/Diploma in Physical Education/B.P.Ed এবং NIOS এর ট্রেনিং দিয়ে TET পাস করা প্রার্থীদের Eligibility Certificate নোটিফিকেশন দিয়ে বাতিল করতে হবে।৬) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় EXEMPTED CATEGORY শূন্যপদ পূরণ করতে পর্যাপ্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে বাকি থাকা শূন্যপদ NON-EXEMPTED CATEGORY তে থাকা প্রার্থী দিয়ে পূরণ করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪
কলকাতা

সোশ্যাল মিডিয়া চাকরির প্রলোভন, লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষধিক টাকা প্রতারণা। এই ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলো বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা রাজীব গোস্বামী বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন যে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া মারফত একটি চাকরির এসএমএস পান। সেই সূত্র ধরে তিনি যোগাযোগ করলে তাকে একটি সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে অ্যাড করা হয়। সেখানে তাকে বিভিন্ন প্রিপেড টাস্ক করতে বলা হয় যেখান থেকে তিনি রোজগার করতে পারবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তিনি সেই প্রিপেড টাস্ক করতে গিয়ে ১৬ লক্ষ টাকা দিয়ে দেন। এরপরই টাকা চাইতে গেলে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় প্রতারকরা।ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে অভিযোগকারীর সেই টাকা গিয়ে পৌঁছেছিল বেশকয়েকজনের অ্যাকাউন্টে। এরপরই গতকাল নোয়াপাড়া এবং জগদ্দলে হানা দিয়ে কৌশিক বোস, সন্তোষ কুমার সাউ এবং চন্দন কুমার সাউকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাদেরকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই ঘটনার মূল অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

সিভিক ভলেন্টিয়ারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য নিউটাউনে

সিভিক ভলেন্টিয়ারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নিউটাউনের হাতিয়ারায়। পারিবারিক অশান্তি, নাকি আর্থিক অনটন সিভিক ভলেন্টিয়ারের মৃত্যুর কারণ? তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে ইকোপার্ক থানার পুলিশ।পরিবারের দাবি, লেকটাউন ট্রাফিকে কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার কৌশিক দেবনাথ গত এক বছর আগে নিউটাউন হাতিয়ারা হেলাবটতলা এলাকায় বিয়ে করে। এবং বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন ধরনের দাবি করতে থাকে তাঁর স্ত্রী। জানা গিয়েছে, কৌশিক দেবনাথকে দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিচ্ছিল। তাঁর বাবা মাকে ছেড়ে স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোথাও গিয়ে থাকতে হবক। স্ত্রীর এই দাবি মানতে পারেনি কৌশিক। এরপরই কৌশিকের স্ত্রী নিজের বাবা-মায়ের বাড়িতে চলে যায়। এবং নিয়মিত ফোন করে কৌশিককে মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছিল, পাশাপাশি কৌশিকের মা-বাবাকেও ফোন করে গালিগালাজ দিয়েছে বলে অভিযোগ। আর এই মানসিক অবসাদে গতকাল রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে হাতিয়ারায় নিজের বাড়িতে আত্মঘাতী হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। যদিও মৃত্যুর পিছনে প্রকৃত কি কারণ রয়েছে তা জানতে তদন্তে নেমেছে ইকোপার্ক থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪
রাজ্য

কলকাতায় একাধিক জায়গায় ইডির হানা, এবার কোন বেআইনি চক্রের সন্ধানে তল্লাশি?

ফের একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার নিউটাউন সিআরপিএফ ক্যাম্প থেকে সকালে কলকাতার একাধিক জায়গায় অভিযানে বেরিয়েছে ইডির একাধিক দল। ইডি সূত্রে খবর, ভুয়ো কল সেন্টার প্রতারণা মামলায় আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিল ব্যবসায়ী কুনাল গুপ্তা। ইডি জানতে পেরেছিল এই কল সেন্টার প্রতারণার টাকা তার ঘনিষ্ঠদের ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করা হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই এদিন সকালবেলায় কুনাল গুপ্তা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী এবং কয়েকজন আত্মীয়র অফিস, বাড়ি সহ একাধিক জায়গায় হানা যায় ইডি। বেনিয়াপুকুর, এন্টলি, বাগুইআটির একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালি: ৪ জায়গায় উঠলো ১৪৪ ধারা, শিবুর পুলিশ হেফাজত, এলাকায় সরকারি শিবির

সন্দেশখালি ৪টি জায়গা থেকে তুলে নেওয়া হল ১৪৪ ধারা। ১৯টি জায়গার মধ্যে ৪টি জায়গা থেকে তুলে নেওয়া হল ১৪৪ ধারা। মণিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালের ঘাট, দুর্গামণ্ডপ গ্রাম পঞ্চায়েতের দাউদপুর বেরমজুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আতাপুর ও পুলেপাড়া থেকে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হয়। সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের ৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ১৫টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১২ পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে ১৫টি জায়গায়। এদিকে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল ন্যাজাটে যায়। এই প্রতিনিধি দলে চিলেন রাজ্যের ৩ মন্ত্রী। পাশাপাশি সন্দেশখালিতে সাধারণ মানুষের অভিযোগ করার জন্য সরকারি ক্যাম্প করা হয়। সেখানে প্রায় ২০০ জন অভিযোগ জানিয়েছেন।এদিন বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে তৃণমূল নেতা শিবু হাজরাকে। আদালতে পুলিশের তরফে যে রিমান্ড প্রেয়ার আর আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে, সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন শিবু। সেই সময়েই পুলিশের জালে পড়ে যান তিনি। শিবু অভিযোগের কথাও স্বীকার করেছেন পুলিশের কাছে। শাসনের দক্ষিণ শিকারি ঘেরি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। পুলিশের সেই নথিতে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেব উল্লেখ করা হয়েছে শিবুকে। পুলিশ সেখানে বলেছে, জামিন পেলে এলাকায় শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে, তদন্তও প্রভাবিত হতে পারে। এই যুক্তিতেই পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। আদালত ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযোগের কথা স্বীকার করেছেন শিবু। তবে কোনও অভিযোগের কথা, তা উল্লেখ করেনি পুলিশ। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ এ, ৩৫৪ বি, ৩৭৬ ডি, ৩০৭, ৩৪১, ৩২৩, ৫০৬, ৫০৯ ও ৩৪ নম্বর ধারায় মামলা রুজু হয়েছে শিবুর বিরুদ্ধে। বাকি মামলাগুলি আগেই হয়েছিল। পরে এক মহিলার গোপন জবানবন্দি নেওয়ার পর শনিবার মামলায় যুক্ত হয় ৩৭৬ ডি (গণধর্ষণ) ও ৩০৭ (খুনের চেষ্টা) ধারা।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

কেমন আছে, মিঠুন চক্রবর্তী? তাঁর সঙ্গে দেখা করে বাইরে এসে জানালেন শমীক

গতকালের তুলনায় আজ অনেক বেশি ভালো আছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমি জানিনা কিছু মানুষ কেন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন তার দ্রুত আরোগ্য কামনার জন্য। আধঘন্টা গল্প হল। রাজনীতির বিষয় নিয়ে আলোচনা হল। সমস্ত কিছু পরীক্ষা ডাক্তাররা করেছে। বর্তমানে যেই সরকারটা আছে সেই সরকারটার ছবি বানাতে তাকে প্রয়োজন। ছবি উনি করবেন। এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে উনি করবেন। আমাদের পার্টির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিকাশকে গতকাল রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে, দূর দূর পর্যন্ত যার এই ঘটনার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। থানার পাশেই তাঁর বাড়ি। যাকে বলছে গ্রেফতার করেছে তাকে পুলিশ বলছিল একটু ম্যানেজ করার চেষ্টা করার জন্য পুলিশ তাঁকে বলেছে। আর শাহাজাহান, শিবু হাজরাদের ওদের কোলে বসিয়ে রেখেছে। এই নাটক কত দিন চলছে চলবে এখনো। সরকারটা কাজ চলছে তৃণমূলে, এইজন্যেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন এগিয়ে বাংলা, এইরকম সরকারও নেই এরকম প্রদেশও নেই। এইজন্যেই এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে তার জন্যই মিঠুন দাকে তাড়াতাড়ি বেরোতে হবে।। শেখ শাহজাহানকে তলব করছে না তৃণমূল কংগ্রেসকে তলব করছে ই ডি। তৃণমূল যখন চাইবে শাহজাহান তখন আত্মপ্রকাশ করবে। গতকাল একটি নাটক করল সাসপেন্ড করে, মানুষের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিরুদ্ধে কৃষকের বিরুদ্ধে অত্যাচার করে তাদের জীবন জীবিকা লুট করে যখন পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিল না দল সাসপেন্ড করলো পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিল। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দল সাসপেন্ডও করতে পারবে না ওই একটি শোকজ করলে করতে পারে। আর যদি মনে হয় তৃণমূল সরকারটা যতদিন আছে ততদিন ওকে জামাই আদর করে রাখবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
রাজ্য

পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ সন্দেশখালিতে! অশান্তি আটকাতে ব্যাপক ধরপাকড়

গত বুধবার থেকে প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে সন্দেশখালি। উত্তর ২৪ পরগনার এপ্রান্তে আইন হাতে নিয়েই প্রতিবাদে নেমে বেপরোয়াভাবে চলে ভাঙচুর-আগুন। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তার ঘনিষ্ঠ উত্তম সরদার, শিবু হাজরা-সহ এলাকায় তাদের অনুগামীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এই দ্বীপাঞ্চলের আদিবাসী সমাজ থেকে শুরু করে স্থানীয় অন্য বাসিন্দারা। মহিলারা হাতে লাঠি, ঝাঁটা, কাঠারি, বাঁশ নিয়ে প্রতিবাদ দেখিয়েছেন গত কয়েকদিন ধরে।ইতিমধ্যেই শাহজাহান ঘনিষ্ঠ উত্তম সরদার, শিবু হাজরার বাড়ি-পোল্ট্রি ফার্মে ভাঙচুর-আগুন ধরানো হয়েছে। শাহজাহান-সহ উত্তম-শিবুর গ্রেফতারিতে সুর চড়াচ্ছে সন্দেশখালি। পরিস্থিতি সামলাতে শুক্রবার রাত থেকে সন্দেশখালির একটি বড় অংশ জুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকে এলাকায় মাইক প্রচার। প্রত্যেককে বাড়িতে থাকার পরামর্শ পুলিশের। সন্দেশখালির অলি-গলিতে টহল চলছে পুলিশ, র্যাফের-এর।প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল গত বুধবার থেকে। ওই দিন শেখ শাহজাহন ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি উত্তম সরদারের বাড়িতে চড়াও হয় উন্মত্ত জনতা। তার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। উত্তমকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। শাহজাহানের মদতেই উত্তম সরদার এলাকায় জোর করে জমি দখল থেকে শুরু করে নানা অবৈধ কাজ চালাত বলে অভিযোগ। এছাড়াও শাহজাহানের আর এক শাগরেদ শিবপ্রসাদ হাজরা ওরফে শিবু হাজরার পোলট্রি ফার্ম অফিসেও আগুন ধরায় জনতা। বুধবারের পর শুক্রবারেও শিবুর আরও একটি পোলট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে বাড়িতেও ভাঙচুর চালায় গ্রামবাসীরা।শাহজাহানরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবাদ এমনভাবেই চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল গ্রামবাসীরা। যাঁদের একটি বড় অংশই মহিলা। এদিকে, সন্দেশখালিতে আইনের শাসন হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে নড়েচড়ে বসে নবান্ন। শুক্রবার রাত ৯.৩০ থেকে সন্দেশখালি ২ নং ব্লকের ৮টি পঞ্চায়েত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সন্দেশখালির প্রতিটি দ্বীপে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।শনিবার সকাল থেকে ধামাখালি থেকে সন্দেশখালি ঢোকার রাস্তায় নাকা চেকিং পুলিশের। সবাইকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ পুলিশ কর্তাদের। দোষীরা শাস্তি পাবেই, বারবার আশ্বাস সরকারের। শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ধামাখালি থেকে একের পর এক বোট আসছে। সেই বোটগুলিতে পুলিশের আরও বাহিনী পাঠানো হচ্ছে সন্দেশখালিতে। এলাকায় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। প্রশাসনের আবেদন অমান্য করলে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখার বার্তা দিয়ে মাইকে-টেটোয় প্রচার পুলিশের।পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ সন্দেশখালিতে! অশান্তি আটকাতে ব্যাপক ধরপাকড়পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ সন্দেশখালিতে! অশান্তি আটকাতে ব্যাপক ধরপাকড়

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার পোল্ট্রি ফার্মে আগুন, বাড়ি ভাঙচুর, ধুন্ধুমার সন্দেশখালি

শুক্রবারও তুমুল উত্তেজনা সন্দেশখালিতে। ফের শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার পোল্ট্রি ফার্ম-বাড়িতে আগুন-ভাঙচুর কয়েকশো ক্ষুব্ধ জনতার। শাহজাহান ও তার অনুগামী উত্তম সরদার, শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে বৃহস্পতিবারে পর শুক্রবারেও লাঠি, ঝাঁটা, বাঁশ, কাঠারি হাতে পথে নেমে বিক্ষোভে সোচ্চার হাজার-হাজার মহিলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন সন্দেশখালিতে।উত্তেজনা যেন কিছুতেই থামছেই না সন্দেশখালিতে। শুক্রবার সন্দেশখালির জেলিয়াখালিতে তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরার আরও একটি পোল্ট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে দেয় কয়েকশো জনতা। এর কিছুক্ষণের মধ্যে মহিলাদের আরও একটি দল চড়াও হয় শিবু হাজরার বাড়িতে। সেখানেও বেপরোয়াভাবে ভাঙচুর চালানো হয়।ক্ষুব্ধ জনতার অভিযোগ, গায়ের জোরে দখল করা জমিতেই পোল্ট্রি ফার্ম বানিয়েছেন তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরা। শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ দোর্দণ্ডপ্রতাপ এই তৃণমূল নেতা এলাকায় ভয় দেখিয়ে-আতঙ্ক তৈরি করে স্থানীয়দের কাজে লাগাত পোল্ট্রি ফার্মে। ন্যায্য পারিশ্রমিক না দিয়ে দিনের পর দিন এলাকার অনেককে ফার্মে কার্যত ভয় দেখিয়ে কাজ করানো হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।শিবু ও তার দলবদল শেখ শাহজাহানের মদতেই এলাকায় দিনের পর দিন ধরে জমি দখল থেকে শুরু করে নানা অপরাধমূলক কাজকর্ম চালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একটি বড় অংশের। এর আগে গত বুধবারেও শিবপ্রসাদ হাজরা ওরফে শিবু হাজরার আরও একটি পোল্ট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে দেয় গ্রামবাসীরা। এবার ফের একবার বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠল সন্দেশখালিতে।লাঠি, বাঁশ হাতে এদিন শাহাজাহান, উত্তম সরদার, শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান হাজার-হাজার মহিলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সন্দেশখালিতে বিপুল সংখ্যায় পুলিশ-র্যাফ-এর কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। উত্তেজিত গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টায় পুলিশকর্তারা।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

নথি নিয়ে ইডি দপ্তরে হাজির প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ট কলকাতা কাউন্সিলর

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে নথি নিয়ে হাজির হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট কলকাতা পৌরসভার ১০১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাসগুপ্ত। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁর ভূমিকা কি ছিল, সম্পত্তির হিসেব ও ব্যাংকের ডিটেলস নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।গত বছরের নভেম্বর মাসে নিয়োগকাণ্ডে নাম জড়ায় বাপ্পাদিত্যের। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাকরি সংক্রান্ত নথি পাওয়া গিয়েছিল বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দাবি।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের স পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিয়মিত ওঠাবসা ছিল। সেই কারণে নিয়োগ মামলায় পার্থের ভূমিকা সম্পর্কে বাপ্পাদিত্য অনেকটাই জানেন বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। প্রাথমিকের নিয়োগে পার্থের কী ভূমিকা ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখতে চাইছে ইডি। সেই কারণেই ইডি মনে করছে ব্যাপাদিত্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এদিন তলব করা হয়।ইডি দফতরে প্রবেশ করার সময় ব্যাপাদিত্য বলেন, আজকে ইনকাম স্টেটমেন্ট, আই টি রিটার্ন, এসেট ৱ্যাবিলিটি ডিটেলস এই কাগজ গুলো চেয়েছে সেগুলো নিয়ে এসেছি। দেখা যাক কথা বলি। আইটি রিটার্ন রয়েছে ১২ বছরের। যা যা কাগজ চেয়েছে সেই গুলো নিয়ে এসেছি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট সেই কারণে ডাকা হচ্ছে হয়তো। প্রাথমিকের নিয়োগের সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। সিবিআই যখন বাড়িতে রেড করে যে এডমিট কার্ড পেয়েছে একটাও প্রাথমিকের নয়। সেগুলো আজ জমা করে দেব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজ্য

সিজিও কমপ্লেক্সে ভুয়ো ইডি আধিকারিককে দড়ি বেঁধে হাজির উত্তেজিত জনতা, কেন এমন ঘটলো?

এবার মিলল ভুয়ো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিক। এদিন দুপুরে হাত বাধা ও গলায় ইডির ভুয়ো আই কার্ড ঝোলানো অবস্থায় এক ব্যক্তিকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে বেশ কিছু উত্তেজিত মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি তাঁদের পরিবারের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে করার ফন্দি আঁটে। এমনকি অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই পরিবারের থেকে টাকা নিয়েছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের। ইডি অফিসের সামনেই অভিযুক্তকে বেধারক মারধরও চলে। প্রদীপ সাহা, সোনারপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ বিরাটির বাসিন্দা একটি মেয়ের সাথে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে পরিচিতি বাড়ে এবং অভিযুক্ত প্রদীপ সাহা নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। এমনকি মেয়েটির সাথে বিয়ের কার্ড পর্যন্ত ছাপা হয়ে গেছে। এরপর মেয়েটির পরিবারের লোকেদের সন্দেহ হওয়ায় তারা ইডি দপ্তরে এসে প্রদীপ সাহার সম্বন্ধে খোঁজ নিলে জানতে পার, ওই নামে কেউ ইডি অফিসে কাজ করে না। এরপরই মঙ্গলবার প্রদীপ সাহাকে বেঁধে নিয়ে তারা উপস্থিত হয় ইডির অফিসে। ইডি অফিসের বাইরে অভিযুক্ত প্রদীপ সাহাকে মারধর করতে থাকে তারা। পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠছে বুঝতে পেরে রক্তাক্ত অবস্থায় অভিযুক্তকে গাড়িতে করে ইডি অফিসের সামনে থেকে নিয়ে যায় অভিযোগকারী পরিবার। ওই যুবক নিজে কিছু বলেনি বলে জানায়। গলায় ঝোলানো ইডির পরিচয় পত্র অভিযোগকারী পরিবারের লোকজন ঝুলিয়ে দিয়েছে বলে অভিযুক্তের দাবি।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৪
রাজ্য

শাহজাহানকে এবার ইডির তলব, তল্লাশিতে কি কি মিলল?

গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়েছিল ইডি গোয়েন্দারা। যা ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ওই অঞ্চল। স্থানীয়রা বেদম মারধর করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। অভিযান গুটিয়ে সন্দেশখালি ছাড়তে বাধ্য হন গোয়ন্দা দল। সেই থেকে নিখোঁজ সন্দেশখালির বাহুবলী শেখ শাহজাহান। মাঝে একবার অনুগামীদের উদ্দেশে ভিডিও বার্তা দিলেও তাঁর হদিশ মেলেনি। প্রশ্নের মুখে পড়ে পুলিশের ভূমিকা। এই ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় ফের সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় শাহজাহানের বাড়িতে বুধবার তল্লাশি চালায় ইডির গোয়েন্দারা। প্রায় সাড়ে ছয় ঘন্টা অভিযান চলে। এদিনও বাড়িতে ছিলেন না ওই তৃণমূল নেতা। তবে, শাহজাহানকে হাতে পেতে মরিয়া ইডি। ফলে অভিযুক্তের নাগাল পেতে অভিযান শেষে এদিন শাহজাহানের বাড়িতে সময় সেঁটে দিয়েছে ইডি।ওই সমনে উল্লেখ, রেশন মামলায় শেখ শাহজাহানের হাজিরা জরুরি। ২০০২ সালের আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইনের ধারা অনুযায়ী, ২৯ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে শাহজাহানকে কলকাতায় ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে। সঙ্গে নিয়ে যাতে হবে আধার কার্ড, পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড এবং নিজের পাসপোর্ট আকারের ছবি।গত ৫ জানুয়ারি ইডির অভিযানের পর থেকেই ফেরার শেখ শাহজাহান। ইডি গোয়েন্দাদের অনুমান এই তৃণমূল নেতা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। শাহজাহানকে খুঁজতে বুধবার তালা ভেঙে তাঁর বাড়িতে ঢোকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দুর্নীতির তদন্তে নথির হদিশ পেতে ভাঙা হয় শাহজাহানের ঘরের আলমারি। চলে চিরুনিতল্লাশি। তারপর বেলা পৌনে হটো নাগাদ ইডি গোয়েন্দারা ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। বেরনোর সময় শেখ শাহজাহানের বাড়ির দরজায় সেঁটে দেওয়া হয়েছে ইডির সময়।এদিনের অভিযানের আগে ও পরে ইডি গোয়েন্দাদের নিরাপত্তায় ছিল পুলিশ। তল্লাশির সময় ছিলেন দুই নিরপেক্ষ সাক্ষী। জানা গিয়েছে, শাহজাহানের বাড়িতে এ দিনের তল্লাশিতে রেশন দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও নথি উদ্ধার করতে পারেননি ইডি গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, এই তৃণমূল নেতার ঘর থেকে ১০টি অনথিভুক্ত জমি সংক্রান্ত দলিল, সোনার গয়েনা কেনান রশিদ, পঞ্চায়েত ভোটে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূল প্রার্থীদের তালিকা ও ব্যবসার অংশীদারি দলিল উদ্ধার করা হয়েছে।গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি মামলায় শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারীরা। প্রবল বাধার মুখে পড়েছিলেন তাঁরা। শাহজাহান অনুগামীদের আক্রমণে মাথা ফেটে যায় ইডির এক আধিকারিকের। আক্রমণ করা হয় সংবাদ মাধ্যমেের ওপর। সেদিন থেকে বেপাত্তা হয়ে যায় শাহজাহান শেখ। সেই সময় ইডির বিরুদ্ধে চুরি, শ্লীলতাহানি সহ একাধিক অভিযোগ করে এফআইআরও করা হয়েছিল।বুধবার ভোর পাঁচটা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে মোট ২২টা গাড়ির কনভয় রওনা দেয় নিউ টাউন সিআরপিএফ ক্যাম্প থেকে। এদিন মোট ১২৫ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী শাহজাহানের বাড়ি ঘিরে ফেলে। এই তৃণমূল নেতার সব বাড়িতেই তালা দেওয়া ছিল। পুলিশও ভিডিওগ্রাফি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ইডি তখন জানিয়ে দেয় ঘরের ভিতরে তল্লাশির ভিডিও করা যাবে না। বাইরে থেকে ভিডিও করা যাবে। তদন্তকারীরাও এদিন ভিডিও ফোটোগ্রাফার নিয়ে গিয়েছে। তালা খোলার জন্য দুজন লোককে সঙ্গে নিয়ে যায় ইডি।শাহজাহানের বাড়ি ঘিরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। জওয়ানদের সঙ্গে রয়েছে কাঁদানে গ্যাস। ন্যাজাট থানা থেকে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। শাহজাহানের বাড়ির মূল দরজার সামনে পাহারায় রয়েছে রাজ্য পুলিশও। তাদের কাছেও রয়েছে কাঁদানে গ্যাস। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের মাথায় হেলমেট, হাতে গার্ড পরে সব রকম ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। জেলা পুলিশকে এ দিন আগাম খবর দিয়ে রাখা হয়েছিল ইডির তরফ থেকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে ঢুকল ২০০ কিমি বেগে গাড়ি! মাথায় আঘাত মমতার

বুধবার বর্ধমানের সভা সেরে সড়কপথে কলকাতায় আসার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি। চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধ্যায় রাজ্যপালের সহ্গে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী ভয়ঙ্কর ইঙ্গিত করেছেন। দাবি করেন, যে ভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তাতে তাঁর মৃত্যুও হতে পারত! মমতা জানান, একটি গাড়ি ২০০ কিলোমিটার বেগে তাঁর কনভয়ে ঢুকে পড়েছিল। যে কারণে তাঁর গাড়ির চালক জোরে ব্রেক কষেন। তাতেই তাঁর মাথায় আঘাত লেগেছে।আঘাতের কারণে বর্তমানে তাঁর শীতকরছে, মাথাও ব্যথা করছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী। জ্বর আসতে পারে বলে আশঙ্কা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।কীভাবে আঘাত পেলেন তিনি? কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, জানি না ঠিক কী হল। আমরা একটা গলি দিয়ে বেরচ্ছি। সামনে একটা গাড়ি প্রায় ২০০ স্পিডে যাচ্ছে। পুরো মরেই যেতাম। যে ড্রাইভার ছিল, ও সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক কষে। তখন ড্যাশবোর্ডটা আমার মাথায় এসে লাগে। রক্তও বেরিয়েছিল। তাই নিয়ে কাজ করে গেলাম।দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর গাড়ির কাচটা খোলা ছিল তাঁর। জনসংযোগের জন্যই ওই কাচ খোলা রেখেছিলেন তিনি। বলেন, যদি কাচটা বন্ধ থাকত তাহলে কাচ-ড্যাশবোর্ড সব শুদ্ধ আমার সারা শরীরের ওপর পড়ত। মানুষের আশীর্বাদে বেঁচেছি।শেষে তিনি বলে যান, আমার মাথা টনটন করছে। গা বমি বমি করছে। তাই বাড়ি চলে যাচ্ছি।ওই গাড়িতে কে ছিলেন? তা জানেন না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। পুলিশ সবটা দেখছে।বুধবার কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে বর্ধমানে গিয়ে প্রশাসনিক সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ফেরার পথে আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় আর কপ্টারে নয়, গাড়িতে চেপে কলকতার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সড়ক পথে ফেরার পথেই চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি জিটি রোডে ওঠার সময়ে চালক আচমকা জোরে ব্রেক কষেন। তাতেই মুখ্যমন্ত্রীর কপাল গাড়ির উইন্ড স্ক্রিনে ঠুকে যায়। মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে অন্য একটি গাড়ি ঢুকে পড়াতেই এই বিপত্তি বলে সেই সময়ই জানা গিয়েছিল।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজনীতি

নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ নানা প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দিলেন

এবার ইডির স্ক্যানারে প্রসন্ন-আগে তাঁর বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই আগের বার তিনি জামিন পেয়েছিলেন। কিন্তু ইডি মনে করছে আরও তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে। তাই ফের তদন্ত হচ্ছে। জাল এতো বড় যে কে যুক্ত আর কে নয়, অনেকে অজান্তে যুক্ত হয়ে পড়েছে। কে সুবিধা পেয়েছে কে পায়নি, এভাবেই বিশাল বিস্তার হয়েছে। তার কিনারা খোঁজার চেষ্টা চলছে। অবশেষে সংহতি মিছিলে আদালতের অনুমতি-আগে তৃণমূলের মধ্যে সংহতি করুন। সংহতির নামে হিন্দু বিরোধীদের এককাট্টা করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার মনে হয় না কোনও হিন্দু এই সংহতি মিছিলে যাবে। যার শরীরে হিন্দু রক্ত আছে সে রামের বিরুদ্ধে যাবে না। কিছু হারামখোর যাবে। যারা তৃণমূলের উচ্ছিষ্ট ভোগী, এই করেই যারা খাচ্ছে আর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, এরকম কিছু লোক যাবে। আর যারা সিএএ পাস হওয়ার পর সারা বাংলায় আগুন জ্বালিয়ে ট্রেন বাস রেল জাতীয় সড়ক অচল করেছিল, সেই সমস্ত রাষ্ট্রবিরোধীদের নিয়ে এখানে রামের বিরুদ্ধে মিছিল হবে। আইএসএফের সভার অনুমতি ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই-সবাইকে আদালতে যেতে হয়। কারণ এখানে সরকার বলে কিছু নেই। আমরা খুঁজে পাইনা সরকার কোথায় আছে। অনুমতি কে দেবে? পুলিশ কোথায়? টাকা তুলতে চাঁদা তুলতে আর ফুটবল খেলতে ব্যস্ত। প্রশাসন কে চালাবে? কোর্ট আছে। ভালো মন্দ যাই হোক কোর্টের কাছেই বিরোধীদের যেতে হয়। তৃণমূলের নেতা খুন হলেও পুলিশে ভরসা না রেখে কোর্টে যেতে হয়। সন্দেশখালি নিয়ে রাজ্যকে রাজধর্ম মনে করালো হাইকোর্ট-আদালত বা রাজ্যপাল। এই দুটি স্তম্ভই এখন মানুষের ভরসা। সমস্যায় পড়লে মানুষ এখন আদালতে যায় বা রাজ্যপালের কাছে যায়। কারণ আর কারও কাছে আশা নেই। কেউ কানমোলা দিচ্ছে। কেউ চিঠি লিখে রাজধর্ম মনে করিয়ে দিচ্ছে। সরকার ঘুমাতে চলে গেছে। বেহায়া নির্লজ্জ দের কিছু হয় না। কুকুরের বিবাহবার্ষিকী পালন-হেমন্ত বিশ্ব শর্মা একবার গল্প করছিলেন, কেন তিনি কংগ্রেস ছেড়েছেন। রাহুল গান্ধী একবার তাকে বাড়িতে খেতে ডেকেছিলেন। রাহুল আমাদের সঙ্গে খাননি। সামনে কুকুর বিস্কুট খচ্ছিল। পশ্চিমবঙ্গে আগে জমিদারের বউরা পুতুলের বিয়ে দিত। এখন কেউ কুকুরের ডায়ালিসিস করছে। কেউ বিবাহবার্ষিকী করছে। আপনার আমার টাকায় ভূতের শ্রাদ্ধ হচ্ছে। গরীব মানুষ কিছু পায়না। এরকম লোক, যারা দাপিয়ে বেড়ায়, তারাই ফুর্তি করে। ভুয়ো জব কার্ড ধরতে কমিটি-১৪ লক্ষ ৪২ হাজার ভুয়ো জব কার্ড। হয় মালিক নেই। অথবা যার নামে কার্ড তার হাতে কার্ড নেই। এই লোকের কাজের টাকা উঠছে। কিন্তু খেয়ে ফেলছে কে? কোথায় যাচ্ছে এই টাকা? এটাও তদন্ত করে বের করার দরকার আছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

এবার সন্দেশখালির ঘটনার যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

সন্দেশখালির বেপাত্তা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শাহজাহান শেখের সন্ধানে এবার রাজ্য পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। বুধবার এই নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। নির্দেশ অনুযায়ী, এই বিশেষ তদন্তকারী দল প্রয়োজনে আধা সেনা ও রাজ্য পুলিশের সহযোগিতা নিতে পারবে। তদন্তকারী দলের মাথায় যৌথভাবে থাকবেন সিবিআইয়ের ও রাজ্যের এস পি পদমর্যাদার একজন করে অধিকারিক। এই তদন্তের উপর নজরদারি রাখবে আদালত।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা কেন্দ্র কোথাও সন্দেশখালি তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে পারবে না। সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্টও হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া জমা দেওয়া যাবে না।রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে তৃণণূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিলেন ইডি গোয়েন্দারা। যা জানতে পেরেই ধুন্ধুমার বেঁধে যায় সেখানে। স্থানীয়রা মারধর চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের লক্ষ্য করে। ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়িও। এরপর মোট তিনটি এফআইআর হয় ন্যাজাট থানায়। তার মধ্যে একটি এফআইআর করে ইডি। একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। তৃতীয় এফআইআরটি করেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির কেয়ারটেকর। হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক প্রথম দুটি এফআইআরের তদন্ত করবে সিট।রাজ্য জানিয়েছে তাদের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দলে থাকবেন আইপিএস জসপ্রীত সিং। যদিও সিবিআইয়ের তরফে এখনও কোনও আধিকারিকের নাম ঘোষণা করা হয়নি। বৃহস্পতিবারের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিনই বিশেষ তদন্তকারী দল-কে তদন্তের অগ্রগতির সংক্রান্ত রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে।মঙ্গলবার সন্দেশখালি মামলায় তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির চারদিকে নজরদারির জন্য সিসি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। বুধবার রাজ্য হাইকোর্টে জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ১০টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। শাহজাহান মার্কেটেও ইন্সস্টল করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এরপরই এজলাসে রাজ্য ও সিবিআই-ইডি বাকযুদ্ধ হয়। সিবিআই বলে ওসামা বিন লাদেনের মতো ভয়েস মেসেজ করছেন শাহজাহান অথচ পুলিশ তাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না। ইডি তাতে সহমত পোষণ করে। এরপরই সন্দেশকালি মামলার তদন্তে পুলিশ-সিবিআই সিট গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতি জয় সেগুপ্ত।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রী, তৃণমূলের বিধায়ক ও নেতার বাড়িতে সাতসকালে ইডির হানা

সন্দেশখালির ঘটনার পর ফের ময়দানে ইডি। এবার শহর কলকাতায় ত্রিফলা অভিযানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার সকালে সল্টলেক সিজিও কমল্পেক্স থেকে ইডির একাধিক দল বিভিন্ন দিকে বেরোয়। রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর বাড়িতে হানা দেয় ইডি। এরই পাশাপাশি বরাহনগরের তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়ের বাড়িতেও পৌঁছে যায় ইডির আরও একটি দল। এছাড়াও উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতেও পৌঁছে যায় ইডির অন্য একটি দল। মূলত পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তেই এই অভিযান বলে খবর।শুক্রবার সাতসকালে রাজ্যের এক মন্ত্রী ও আরেক বিধায়কের বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিরা। সুজিত বসুর দুটো বাড়িতেই হানা দেয় ইডি। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তল্লাশি চলছে বলে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে তল্লাশি চলছে বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়ের বৌবাজারের বাড়িতে। উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন প্রধান সুবোধ চক্রবর্তীর বিরাটির খলিসাকোটার বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডির আধিকারিকরা। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির এই তল্লাশি বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৪
রাজ্য

বিহিত চাইতে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক, তিরে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও অমৃতা সিনহা

এবার একযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ দাবি করে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। এছাড়া, বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ থেকেও মামলা সরানোর আর্জি জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।নিয়োগ মামলা থেকে অভিষেকের সম্পত্তি- এছাড়াও আর্থ সামাজিক নানা বিষয়ে প্রকাশ্যে নিজের মতামত জানান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সন্দেশখালির ঘটনার পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। বলেছিলেন, বাংলায় সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আইনশ়ৃঙ্খলার পরিস্থিতি মোটেই ভাল নয়। কেন কিছু বলছেন না রাজ্যপাল? এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল সম্পত্তির উৎস জানতে চেয়েছিলেন তিনি? বলেছিলেন, স্বচ্ছতা রাখতে অভিষেকের উচিত সোশাল মিডিয়ায় তাঁর সম্পত্তির হিসাব পোস্ট করা।বহু সময় বিচারপতির সেইসব মন্তব্য রাজ্যের শাসক দলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের দাবি, এতে প্রভাব পড়ে মামলায়। এসবের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন, বিষয়ের বাইরে গিয়ে মামলার বিষয় নিয়ে আদালতের বাইরে মন্তব্য করা থেকে যেন বিরত থাকেন। সেই মর্মে যেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ নিয়েও সম্প্রতি শাসক দল প্রশ্ন তুলেছিল। তৃণমূলের মুখপাত্রদের মতে, মামলার প্রকৃত রায় এখনও অজানা। তার আগেই বিচারপতির পর্যবেক্ষণ থেকে মামলায় নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। শীর্ষ আদালতে আবেদনে অভিষেক জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হোক যে তিনি যেন একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। সেই বেঞ্চ নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা শুনবে। মূলত বিচারপতি সিনহার এজলাসে যে মামলাগুলি রয়েছে, সেই মামলাগুলি যাতে ওই বিশেষ বেঞ্চে যায়।

জানুয়ারি ১০, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • ...
  • 91
  • 92
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal