• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

বিদেশ

রাশিয়ার হস্টেলে রক্তাক্ত তাণ্ডব! ভারতীয় পড়ুয়াদের উপর ছুরি নিয়ে হামলা কিশোর নাৎসি সদস্যের

রাশিয়ার একটি স্টেট মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির হস্টেলে ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়েছে এক কিশোর। এই ঘটনায় চার জন ভারতীয় পড়ুয়া আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। বাকি তিন জনের অবস্থা স্থিতিশীল।পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী কিশোরের বয়স প্রায় পনেরো বছর। সে নব্য নাৎসি গোষ্ঠী ন্যাশনাল সোশালিজম/ হোয়াইট পাওয়ার-এর সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে। এই সংগঠনকে ২০২১ সালে রাশিয়ার সুপ্রিম কোর্ট জঙ্গি গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করেছিল।ঘটনাটি ঘটেছে এমন একটি হস্টেলে, যেখানে মূলত বিদেশি পড়ুয়ারা থাকেন। জানা গিয়েছে, পুলিশ পৌঁছনোর আগেই কিশোরটি হস্টেলের ভিতরে ঢুকে কয়েক জন পড়ুয়ার উপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায়। হামলার সময় তার মুখে নাৎসি স্লোগান ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এমনকি এক আহত পড়ুয়ার রক্ত দিয়ে সে দেওয়ালে স্বস্তিকা চিহ্ন এঁকেছিল বলেও অভিযোগ।রাশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় কিশোরটি পুলিশের বাধার মুখে প্রতিরোধ করে। সে দুজন পুলিশকর্মীকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে। পরে সে নিজের শরীরেও আঘাত করে বলে জানা গিয়েছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চারপাশ বরফে ঢাকা। সেখানে পুলিশের হাতে আটক কিশোরকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আহত চার ভারতীয় পড়ুয়ার মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। বাকি তিন জনের চিকিৎসা চলছে এবং তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল।হামলাকারী কিশোরকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় একটি শিশু হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। তার শারীরিক অবস্থাও গুরুতর বলে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক! আরজি কর দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট জমা ইডি-র

ভোটের মুখে নতুন করে চর্চায় উঠে এল আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি মামলা। এই মামলায় প্রথম চার্জশিট জমা করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডি-র জমা দেওয়া চার্জশিটে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের পাশাপাশি নাম রয়েছে বিপ্লব সিংহ ও সুমন হাজরার। সুমন হাজরার সংস্থা হাজরা মেডিক্যালের নামও চার্জশিটে উল্লেখ করেছে ইডি। কলকাতা নগর দায়রা আদালতের ইডি-র বিশেষ আদালতে এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রথম প্রকাশ্যে আনেন হাসপাতালের তৎকালীন নন-মেডিক্যাল ডেপুটি সুপার আখতার আলি। পরে তিনিও একই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় সিবিআই-এর হাতে গ্রেপ্তার হন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রথমে সিবিআই প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে গ্রেপ্তার করে। প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন তিনি। সেই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীনই ইডি এই মামলার তদন্তভার নেয়।ইডি সন্দীপ ঘোষ-সহ অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে আদালতের অনুমতি চায়। আদালতের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তদন্তের সূত্র ধরেই আরজি কর হাসপাতালে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে।প্রসঙ্গত, আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েই আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি সামনে আসে। ওই দুই মামলার তদন্তই সমান্তরালে চালাচ্ছিল সিবিআই। পরে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অংশে ইডি তদন্ত শুরু করে।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষ অধ্যক্ষ থাকাকালীন একাধিক টেন্ডারে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। হাসপাতালের ভিতরে বেআইনি পার্কিং চালানো, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে যন্ত্রপাতি কেনা এবং একাধিক সংস্থাকে বেআইনি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে বিপ্লব সিংহ ও সুমন হাজরার নাম উঠে আসে। অভিযোগ, সন্দীপ ঘোষ তাঁদের নিয়ম ভেঙে টেন্ডার পাইয়ে দিতেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

সোনার দামে হঠাৎ ধস! এখন কিনলে লাভ না ক্ষতি? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

আকাশছোঁয়া দাম, তারপরই হঠাৎ ধস। সোনার দামে এই ওঠানামা এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনও দিন এক লাফে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা বেড়ে যাচ্ছে সোনার দাম। আবার তার পরের দুদিনেই এক ধাক্কায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা কমে যাচ্ছে। এর মধ্যেই চলছে বিয়ের মরশুম। ফলে এখন সোনা কেনা ঠিক হবে কি না, তা নিয়ে বড় দ্বিধায় সাধারণ মানুষ।অনেকে মনে করছেন, সোনার দাম আরও কিছুটা কমতে পারে, তাই এখনই কেনা ঠিক নয়। আবার অনেকেই অপেক্ষা করতে নারাজ। তাঁদের আশঙ্কা, সুযোগ হাতছাড়া হলে আবার দাম বেড়ে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, সোনার দাম কি আরও কমবে, না কি এখনই কিনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ?সম্প্রতি সোনার দাম বাড়তে বাড়তে ১০ গ্রামে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছিল। সেখান থেকেই শুরু হয়েছে পতন। ফেব্রুয়ারির গোড়ার দিকে সেই দাম নেমে আসে প্রায় ১ লাখ ৩৫ থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার আশপাশে। বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আগামী দিনে সোনার দামে আরও কিছুটা পতন হতে পারে।বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল আমেরিকার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাণিজ্যনীতি এবং পাল্টা শুল্ক চাপের কারণে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হচ্ছে। ডলার যত শক্তিশালী হয়, ততই সোনার দামে চাপ পড়ে। সেই কারণে অনেক বিনিয়োগকারী সোনা থেকে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন। চাহিদা কমায় সোনার দামও ধীরে ধীরে নামছে।এর আগে বিশ্ব জুড়ে অস্থিরতার জেরে সোনার দাম হু হু করে বেড়েছিল। বিভিন্ন দেশের মধ্যে সংঘাত, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিনিয়োগকারীরা সোনাকেই সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। শেয়ার বাজারেও ফের আগ্রহ বাড়ছে। ফলে অনেকেই সোনা বিক্রি করে শেয়ার বাজারে টাকা ঢালছেন। এই প্রফিট বুকিংয়ের চাপেও সোনার দাম নামছে।তবে প্রশ্ন হল, সোনার দাম কতটা কমতে পারে? আবার কি ১০ গ্রাম সোনার দাম ৭০ হাজার টাকায় নেমে আসবে? বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে এক ধাক্কায় প্রায় ২০ হাজার টাকা দাম কমেছে, তাতে ৭০ হাজারে নামা একেবারে অসম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে যদি বড় পতন হয়, তার প্রভাব ভারতের বাজারেও পড়তে পারে।এ ছাড়াও ডলারের তুলনায় টাকার দাম কিছুটা বাড়ছে। এতে আমদানির খরচ কমে। তার প্রভাবও সোনার দামে পড়ে। যদিও বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে জানাচ্ছেন, রাতারাতি ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে সোজা ৭০ হাজারে সোনার দাম নেমে যাবে, এমনটা ভাবা ঠিক নয়। এই পতন ধীরে ধীরে হবে এবং মাঝেমধ্যে দাম আবার বাড়তেও পারে।তাঁদের পরামর্শ, হঠাৎ দাম কমেছে দেখে একসঙ্গে অনেক টাকা ঢেলে সোনা কেনা ঠিক হবে না। বরং দাম কমলে অল্প অল্প করে সোনা কেনাই বেশি নিরাপদ। দাম আরও অনেকটা নামলে তখন পরিমাণ বাড়ানো যেতে পারে। এতে ঝুঁকি অনেকটাই কম থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে চেম্বারের মধ্যেই হাতুড়ে ডাক্তারকে কুপিয়ে খুন, থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ অভিযুক্তের

বর্ধমান শহরে নৃশংস খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। শহরের বাদামতলা এলাকায় নিজের চেম্বারের মধ্যেই এক হাতুড়ে ডাক্তারকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করায় এলাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতের নাম রাজা ভৌমিক (৪৫)। তিনি বর্ধমান শহরের বাবুরবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং গত দুবছর ধরে বাদামতলা এলাকায় একটি চেম্বার চালিয়ে চিকিৎসা করতেন। এই ঘটনায় শক্তিগড়ের আমড়া গ্রামের বাসিন্দা জীবন রুইদাস নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ প্রতিদিনের মতোই চেম্বার খোলেন রাজা ভৌমিক। কিছুক্ষণ পরেই চেম্বারে ঢোকে জীবন রুইদাস। অভিযোগ, তার সঙ্গে থাকা ব্যাগের মধ্যেই ছিল একটি ধারালো কাটারি। চেম্বারের ভেতরে ঢুকেই আচমকা রাজা ভৌমিকের উপর হামলা চালায় অভিযুক্ত। মাথায় একের পর এক কোপ মারলে ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন রাজা ভৌমিক।এই নৃশংস কাণ্ড ঘটানোর পর অভিযুক্ত সরাসরি বর্ধমান থানায় গিয়ে হাজির হয় এবং পুলিশের কাছে খুনের কথা স্বীকার করে। এরপর পুলিশ তাকে সঙ্গে নিয়ে বাদামতলার চেম্বারে যায়। সেখান থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসকরা রাজা ভৌমিককে মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্তের ঠাকুমা প্রায় এক মাস আগে মারা যান। অভিযুক্তের দাবি, রাজা ভৌমিকের চিকিৎসার কারণেই তাঁর ঠাকুমার মৃত্যু হয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পনা করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ক ব্যানার্জী জানান, অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুনের কারণ, পূর্বপরিকল্পনা এবং অভিযুক্তের মানসিক অবস্থা, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাদামতলা এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। খুনের ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

ব্যাঙ্ক কর্মী নিয়ে বনসালদের বাড়িতে ইডি, বস্তাভর্তি কী উদ্ধার হল কয়লা কাণ্ডে?

বালি ও কয়লা পাচার মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোলের একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরেই দুর্গাপুর-পাণ্ডবেশ্বর ও জামুরিয়া এলাকায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।তদন্ত চলাকালীন জামুরিয়ায় বনসাল পরিবারের বাড়িতে ইডি আধিকারিকরা ঢোকেন দুই ব্যাঙ্ক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে। তাঁদের হাতে ছিল বড় বড় বস্তা। সূত্রের খবর, ওই তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে। বেলা পৌনে তিনটে নাগাদ রাজেশ বনসালের বাড়ি থেকে তিনটি চালের বস্তা হাতে নিয়ে বেরোতে দেখা যায় ইডি আধিকারিকদের। বস্তার ভিতরে ঠিক কী রয়েছে, তা স্পষ্ট না হলেও প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, সেগুলির মধ্যে কোটি কোটি টাকা বা গুরুত্বপূর্ণ নথি থাকতে পারে।ইডির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, কয়লা কারবারে হাওয়ালা লেনদেনের সঙ্গে জামুরিয়ার বনসাল পরিবারের যোগ রয়েছে। জানা যাচ্ছে, বিভিন্ন কারখানা আইনসম্মত বা বেআইনি ভাবে কয়লা কিনলেও সরাসরি আর্থিক লেনদেন করত না। এই লেনদেনের মধ্যস্থতাকারীর কাজ করত রাজেশ বনসালের একটি ট্রেডিং সংস্থা। কয়লা ব্যবসায় বনসাল পরিবারের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ। কত টাকা কোথা থেকে কোথায় গেছে, তা খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।শুক্রবার ভোরেও কয়লা কাণ্ডের তদন্তে আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় ইডি। সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ কলকাতা থেকে তিনটি গাড়িতে করে ইডির একটি দল জামুরিয়ায় পৌঁছয়। জামুরিয়া বাজার সংলগ্ন রাজেশ বনসালের বাড়ি, তাঁর দুই ছেলে সুমিত ও অমিত বনসালের আবাসন, পাঞ্জাবি মোড়ে একটি হার্ডওয়্যার দোকান এবং একটি গুদামেও তল্লাশি চালানো হয়।এ ছাড়াও জামুরিয়া হাটতলা এলাকার বনসাল হার্ডওয়্যারেও ইডির অভিযান চলছে। তদন্তকারীদের ধারণা, কয়লা পাচার সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই এই সব জায়গায় তল্লাশি। একই সঙ্গে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের দুর্গাপুর সিটি সেন্টারের বাড়িতেও হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। গোটা ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিল্পাঞ্চলে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সাতসকালেই পশ্চিম বর্ধমানে ইডির হানা, বালি-কয়লা পাচারে বড় নাম উঠে আসছে?

রাজ্যে ফের অ্যাকশন মোডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মঙ্গলবার সাতসকালেই পশ্চিম বর্ধমান জেলায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি। বালি ও কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। নবগ্রাম, দুর্গাপুর ও পাণ্ডবেশ্বর-সহ জেলার একাধিক এলাকায় একসঙ্গে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা।৩ ফেব্রুয়ারি সকালেই প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে পশ্চিম বর্ধমানে পৌঁছয় ইডির দল। তদন্তকারীরা ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেডের কয়লা বেআইনিভাবে উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন বলে সূত্রের খবর। নবগ্রামে প্রথম তল্লাশি শুরু হয়, পরে দুর্গাপুর ও পাণ্ডবেশ্বরেও অভিযান ছড়িয়ে পড়ে।দুর্গাপুরে বালি কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচিত প্রবীর দত্তের বাড়িতে পৌঁছন ইডির আধিকারিকরা। দীর্ঘদিন ধরেই বালির ব্যবসার সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। আগে তিনি পানাগড়ে থাকতেন। প্রায় দুই বছর আগে দুর্গাপুরে একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করে সেখানে থাকতে শুরু করেন। সম্প্রতি তাঁর দুবাই সফরের খবরও সামনে এসেছে।ভোরের দিকে ইডির তিন সদস্যের একটি দল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তল্লাশি চালাতে গেলে প্রথমে বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় ইডি আধিকারিকরা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন। বালি পাচারের সঙ্গে আর কারা যুক্ত, এই চক্র কতদূর বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখার চেষ্টা চলছে। প্রবীর দত্তের ভাইয়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে।এর আগে কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। তার পর এবার দুর্গাপুরে এই অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টাতেই সর্বনাশ, র‌্যাডার থেকে উধাও হয়ে গেল বিমান

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। টেবিলটপ রানওয়ে না কি কম দৃশ্যমানতাকোনটি এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি সকালে মুম্বই থেকে বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অজিত পওয়ার। সকাল প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁর প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে নামার সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছলে যায়। তার পরেই আছড়ে পড়ে বিমানে বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনার পর ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য অনুযায়ী, বম্বার্ডিয়ার লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমানটি সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে উড়ান শুরু করে। আরব সাগরের উপর দিয়ে উড়ে সেটি বারামতীর দিকে যায়। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দৃশ্যমানতা কম থাকায় তখন বিমানটি নামতে পারেনি বলে জানিয়েছে এয়ারক্রাফ্ট অপারেটর ভিএসআর ভেনচার।এর পরে সকাল ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। ঠিক তিন মিনিট পর, অর্থাৎ সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ র্যাডার থেকে উধাও হয়ে যায় বিমানটি। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, রানওয়ে ১১-র প্রান্তে একটি বিমান আছড়ে পড়ে আগুন ধরে গিয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমানটি মাটিতে পড়তেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের গোলায় পরিণত হয়। ঘন কালো ধোঁয়া ও লেলিহান শিখা পুরো বিমানটিকে গ্রাস করে নেয়। ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট, পাইলট এবং ফার্স্ট অফিসার। দুর্ঘটনায় কেউই বাঁচেননি।ডিজিসিএ এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ না করলেও, বিমান সংস্থার তরফে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে, কম দৃশ্যমানতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে রানওয়ের গঠন ও অবতরণ প্রক্রিয়ায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ঢুকেই বিপাকে নির্মল মাজি, ‘গো ব্যাক’ স্লোগানে তাড়ানো হল বিধায়ককে

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে বুধবার তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজি। অনুষ্ঠানের মঞ্চে ওঠার পরই একাংশ পড়ুয়ারা তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন। চোর, গো ব্যাকএই ধরনের স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে বক্তব্য শেষ না করেই অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।একসময় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ছিলেন নির্মল মাজি। সেই সময়েও একাধিকবার ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তিনি। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ, চেয়ারম্যান থাকাকালীন তিনি পরীক্ষার নম্বর কেটে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন এবং ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। সেই অভিযোগ ঘিরেই তখনও প্রবল অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এমনকী, কলেজের হস্টেলেও ঢুকতে পারেননি তিনি। ফলে এ দিনের বিক্ষোভ নতুন কিছু নয় বলেই মনে করছেন অনেকেই।জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল দশটার কিছু পরে নির্মল মাজি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন। কলেজের গেটে পা দিতেই শুরু হয় স্লোগান। পরে তিনি অডিটোরিয়ামের মঞ্চে উঠলে ফের বিক্ষোভ জোরালো হয়। বিক্ষোভ দেখাতে দেখাতে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে কলেজ গেটের বাইরে বের করে দেওয়া হয়।বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের বলতে শোনা যায়, নির্মল মাজিকে স্বাগত জানাতে পারছি না। গো ব্যাক, গো ব্যাক। নির্মল মাজি হায় হায়, নির্মল মাজি ধিক্কার। প্রতিষ্ঠা দিবসের মতো অনুষ্ঠানে এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টাতেই সর্বনাশ, ১০০ ফুট উপর থেকে আছড়ে পড়ল অজিত পওয়ারের বিমান

বুধবার সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতি বিমানবন্দরে নামার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের ব্যক্তিগত বিমান। প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার পর পাইলট দ্বিতীয়বার বিমান নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময়ই আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে।ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন আরও চার জন। তাঁদের মধ্যে দুজন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং দুজন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছিল, তা নিয়ে সামনে এসেছে প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রথমবার অবতরণে ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটি দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টা করে। সেই সময় প্রায় ১০০ ফুট উপর থেকে খুব দ্রুত গতিতে নিচের দিকে নামতে শুরু করে বিমানটি। দেখেই মনে হচ্ছিল, বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটতে চলেছে। মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে।বিমানটি ভেঙে পড়ার পর পরই একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে এবং কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রবল আগুনের কারণে কেউই বিমানের কাছে পৌঁছতে পারেননি।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, যে মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন অজিত পওয়ার, সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমান। বিমানটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল ভিটি-এসএসকে। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটি বারামতিতে দ্বিতীয়বার অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটরেডার২৪-ও জানিয়েছে, দ্বিতীয় অবতরণের চেষ্টার সময়ই বিমানটি ভেঙে পড়ে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রাইভেট প্লেন ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত, প্রয়াত অজিত পাওয়ার

আজ সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতীতে খুবই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান মুম্বাই থেকে বারামতীর দিকে যাচ্ছিল, সেখানে জরুরি অবতরণ করার সময় বিমানটি ছাড়িয়ে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে ভস্মীভূত হয়। দুর্ঘটনার কারণে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ বিমানের সাথে থাকা সকলেই মারা গেছেন।DGCA ও স্থানীয় প্রশাসনের খবর অনুযায়ী, সকাল ৮:৪০ টার সময় বারামতী বিমানবন্দরেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানটিতে ছিল মোট ছয়জন, যার মধ্যে পাওয়ারসহ পাইলট, সহকারী পাইলট ও অন্যান্য সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং কেউই বাঁচেননি।স্থানীয় ঘটনাস্থলে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুনে ঘিরে যায় এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। নিহতদের দেহ সংগ্রহ করে হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে, দলিলাগুলো নিশ্চিত হওয়ার পর আরও বিস্তারিত জানানো হবে।এই শোকাবহ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে গভীর শোক দেখা দিয়েছে। নেতারা এবং সাধারণ মানুষ অজিত পাওয়ারের অকাল প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় ধাক্কা, বসিরহাটের বিডিও সাসপেন্ড

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীন বসিরহাট-২ ব্লকের বিডিও তথা অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার সুমিত প্রতিম প্রধানকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে তাঁকে ভোটার তালিকা সংশোধনের সমস্ত কাজ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।রবিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী ভট্টাচার্যকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত বিডিও বেআইনিভাবে ১১ জন অতিরিক্ত এআরও নিয়োগ করেছিলেন। কমিশনের মতে, ওই ধরনের নিয়োগ করার কোনও আইনগত ক্ষমতাই তাঁর ছিল না। তবু তিনি নিজে থেকেই নোটিস জারি করে শুনানি প্রক্রিয়া চালাচ্ছিলেন।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ১৩সি ধারা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এই নিয়োগকে কমিশন অনিয়ম বলেই চিহ্নিত করেছে। শুধু তাই নয়, ওই বেআইনি ভাবে নিযুক্ত অতিরিক্ত এআরও-রা এতদিন যে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বা কাজ করেছেন, সেগুলিও সম্পূর্ণ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে।পাশাপাশি, পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং মুখ্যসচিবের কাছ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ টিভি৯ বাংলাকে বলেন, সুষ্ঠুভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানোর ক্ষেত্রে এই প্রথম কোনও কঠোর ও ইতিবাচক পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। তাঁর কথায়, নিয়ম মেনে কাজ করতে গেলে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত প্রয়োজন, আর এটিই তার প্রথম ধাপ।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

পরিত্যক্ত গুদামে লুকোনো ছিল মৃত্যু মজুত, উদ্ধার ৯৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট

প্রজাতন্ত্র দিবসের ঠিক আগেই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। প্রায় ১০ হাজার কেজি বিস্ফোরক মিলল একটি পরিত্যক্ত ওয়ারহাউস থেকে। এত বিপুল বিস্ফোরক কোথা থেকে এল, কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় নাশকতার ছক ছিল কি না, তা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি শনিবার রাতে রাজস্থানের নাগৌর জেলার হারসৌর গ্রামে একটি পরিত্যক্ত গুদামে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় ৯ হাজার ৫৫০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। মোট ১৮৭টি বস্তায় ভরা ছিল এই বিস্ফোরক। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালানো হয়।এই ঘটনায় সুলেমান খান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে আগেও তিনটি অপরাধমূলক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তাকে জেরা করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।প্রসঙ্গত, এর আগেও দেশের একাধিক বড় বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার হয়েছিল। গত বছরের নভেম্বর মাসে দিল্লির লালকেল্লার কাছে যে গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, সেখানেও এই বিস্ফোরক ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছিল।শুধু অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নয়, ওই ওয়ারহাউস থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে নয় কার্টন ডিটোনেটর, ১২ কার্টন নীল ফিউজ তার এবং পাঁচ বান্ডিল লাল তার। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই সবই বিস্ফোরক তৈরির কাজে ব্যবহার করা হত।তবে ধৃত সুলেমান খান জেরায় দাবি করেছে, এই বিস্ফোরক রাজস্থানের বেআইনি খননকারীদের কাছে সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল। যদিও পুলিশ এই দাবি খতিয়ে দেখছে। পুরো ঘটনার পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই বড় সম্মান, বিশিষ্ট সেবা পদক পাচ্ছেন কর্নেল সোফিয়া কুরেশি

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের রাতেই এল বড় সুখবর। কর্নেল সোফিয়া কুরেশিকে বিশিষ্ট সেবা পদকে সম্মানিত করার ঘোষণা করল রাষ্ট্রপতি ভবন। দেশের সামরিক বাহিনীতে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান, কঠিন অপারেশনাল দায়িত্বে দক্ষ নেতৃত্ব এবং কমান্ড স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মান দেওয়া হচ্ছে।২৫ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই কেন্দ্রের তরফে গ্যালান্ট্রি ও ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডসের তালিকা প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরে মোট ৮৫ জনকে বিশিষ্ট সেবা পদকে সম্মানিত করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর অফিসারদের অসাধারণ কাজ ও দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবেই এই পদক প্রদান করা হয়।দেশবাসীর কাছে কর্নেল সোফিয়া কুরেশি বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন অপারেশন সিঁদুর-এর সময়। ওই অপারেশনের সরকারি ব্রিফিংয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। কীভাবে পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা, তার বিস্তারিত তথ্য, ছবি ও প্রমাণ দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন সোফিয়া। তাঁর আত্মবিশ্বাসী নেতৃত্বে দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে গর্বের অনুভূতি। সেই সঙ্গে আবারও সামনে আসে নারী শক্তির বার্তা।তবে কর্নেল সোফিয়া কুরেশির পরিচিতি শুধু এই অপারেশনেই সীমাবদ্ধ নয়। এর আগেও তাঁর পেশাদারিত্ব ও দক্ষ নেতৃত্ব জাতীয় স্তরে প্রশংসিত হয়েছে। ২০১৬ সালে তিনি প্রথম মহিলা অফিসার হিসেবে ১৮টি দেশের অংশগ্রহণে একটি আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়ায় ভারতীয় বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেই সময়েই তিনি প্রথমবার খবরের শিরোনামে উঠে আসেন।সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, একের পর এক কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং দায়িত্বে সফল নেতৃত্ব দেওয়া, বাহিনীর প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা এবং অপারেশনাল দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্যই তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, এ বছর রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন বিভাগে একাধিক সামরিক সম্মান অনুমোদন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে কীর্তি চক্র, শৌর্য চক্র এবং বীরত্বের জন্য সেনা পদক। পাশাপাশি পরম বিশিষ্ট সেবা পদক, অতি বিশিষ্ট সেবা পদক এবং যুদ্ধ সেবা পদকও রয়েছে তালিকায়।এছাড়াও সম্মানপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ৮১ জন মেনশন-ইন-ডিসপ্যাচেস। তাঁরা অপারেশন রক্ষক, অপারেশন স্নো লেপার্ড, অপারেশন হিফাজত, অপারেশন অর্কিড, অপারেশন মেঘদূত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানে অংশ নিয়ে সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। উদ্ধার ও আহতদের সরিয়ে নেওয়ার মতো ঝুঁকিপূর্ণ মিশনেও তাঁদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ জানুয়ারির শোক আরও গভীর! প্রয়াত ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন তারকা ইলিয়াস পাশা

চার বছর আগে এই দিনেই, ২২ জানুয়ারি, প্রয়াত হয়েছিলেন কিংবদন্তি ফুটবলার ও কোচ সুভাষ ভৌমিক। সেই শোকের দিনেই ফের এক দুঃসংবাদ। বৃহস্পতিবার সকালে প্রয়াত হলেন প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার ইলিয়াস পাশা। লাল-হলুদ শিবিরের এক সময়কার নির্ভরযোগ্য রক্ষণভাগের এই ফুটবলার দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ময়দানে।ভারতীয় ফুটবলকে একাধিক তারকা উপহার দিয়েছে বেঙ্গালুরু। আমেদ খান, অরুময় নৈগম, বাবু মানি, নারায়ণস্বামী উলগানাথন, কার্লটন চ্যাপম্যানদের সেই তালিকায় ছিলেন ইলিয়াস পাশাও। ১৯৮৯ সালে আইটিআই থেকে কলকাতায় এসে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে যোগ দেন তিনি। তার এক বছর পরেই ইস্টবেঙ্গলে নাম লেখান। গায়ে ওঠে ১৭ নম্বর জার্সি। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।ডান প্রান্তের রাইট ব্যাক হিসেবে পাশার দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। ওভারল্যাপিং দৌড়ে বিপক্ষ রক্ষণে আতঙ্ক তৈরি করতেন তিনি। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত টানা নটি মরশুম ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছেন। এই সময়ে দুটি গোলও করেছিলেন। তার মধ্যে একটি মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। ১৯৯৬ সালের কলকাতা লিগে ডার্বিতে পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন পাশা। সেই ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়।১৯৯৩ সালে ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পান ইলিয়াস পাশা। তাঁর নেতৃত্বেই ইরাকের শক্তিশালী ক্লাব আল জাওরার বিরুদ্ধে ৬-২ গোলে জয় পায় ইস্টবেঙ্গল। একই বছরে কাঠমান্ডুতে ওয়াই ওয়াই কাপও জেতে লাল-হলুদ। ইলিয়াস পাশা ইস্টবেঙ্গলে থাকাকালীন ছবার কলকাতা লিগ, পাঁচবার ডুরান্ড কাপ, দুবার রোভার্স কাপ, চারবার এয়ারলাইন্স গোল্ড কাপ এবং একবার করে বরদলুই ট্রফি ও ফেডারেশন কাপ জেতেন। বাংলার জার্সিতে সন্তোষ ট্রফিও জয় করেছিলেন তিনি।ক্লাব ফুটবলে সফল হলেও জাতীয় দলে সেই সাফল্য পাননি পাশা। শুধুমাত্র ফুটবল খেলার জন্য চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। জীবনের শেষ দিকে আর্থিক সংকটে পড়লেও ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ লাল-হলুদ শিবির।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে ফের গ্রেপ্তার! সিসিটিভি-ভিডিও দেখে আরও ৫ জনকে তুলল পুলিশ

ঝাড়খণ্ডে এক শ্রমিকের রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় যে ব্যাপক অশান্তি ছড়িয়েছিল, সেই ঘটনায় আরও পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই এই পাঁচ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ফলে এই ঘটনায় মোট গ্রেপ্তারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৬-এ।গত শুক্রবার ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙার এক সংখ্যালঘু যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায়। ক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় নেমে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে, ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়। একাধিক জায়গায় ভাঙচুর চলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকে। শুক্রবারের পর শনিবারও এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। জাতীয় সড়ক ও রেললাইন অবরোধের পাশাপাশি সাংবাদিকদের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ। তিনি জানিয়েছিলেন, সিসিটিভি ও ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হবে, তারা যেখানেই থাকুক না কেন। সেই ঘোষণার পরই একে একে শুরু হয় গ্রেপ্তারি। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মিম নেতা তথা বেলডাঙা ১ ব্লকের সভাপতি মতিউর রহমান সহ একাধিক ব্যক্তি।এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কলকাতা হাই কোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে পুলিশ আরও পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম নূর আলম, রবিউল ইসলাম, নূর আলম মোল্লা, লাদিম শেখ এবং তুফাইল শেখ। পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও সোশাল মিডিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ধৃতদের বহরমপুর আদালতে তোলা হবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
বিদেশ

পেট্রোলের দাম চাইতেই মৃত্যু! বাংলাদেশে গাড়ি চাপা দিয়ে খুন হিন্দু যুবক

বাংলাদেশে ফের এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। রাজবাড়ি জেলায় পেট্রোল পাম্পে কাজ করা এক যুবককে গাড়ি চাপা দিয়ে পিষে মারার অভিযোগ উঠেছে। নিহত যুবকের নাম রিপন সাহা, বয়স প্রায় ৩০ বছর। অভিযোগ, পেট্রোলের দাম চাইতেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজবাড়ি জেলার গোয়ালান্দা মোড়ের করিম ফিলিং স্টেশনে ডিউটি করছিলেন রিপন। সেই সময় একটি কালো রঙের এসইউভি গাড়ি পেট্রোল পাম্পে আসে। গাড়িতে প্রায় ৫ হাজার টাকার তেল ভরানো হয়। কিন্তু তেল নেওয়ার পর টাকা না দিয়েই গাড়িটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন চালক। রিপন সেই সময় গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে টাকা চাইতে যান। অভিযোগ, টাকা দেওয়ার বদলে গাড়িটি তাঁর উপর দিয়েই চালিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িটি একটি ল্যান্ড ক্রুজার। সেটির মালিক রাজবাড়ি জেলার প্রাক্তন বিএনপি নেতা আবুল হাসান ওরফে সুজন। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। অভিযুক্ত আবুল হাসান অতীতে বিএনপির জেলা কমিটির ট্রেজারার ও যুবদলের সভাপতি ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। পেশায় তিনি একজন ঠিকাদার।ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে এসেছে। সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়িটি পেট্রোল ভরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রিপন ও তাঁর এক সহকর্মী সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। রিপন গাড়ির পিছনে দৌড়ান। কিছু দূর গিয়ে পেট্রোল পাম্পের আর এক কর্মী দেখতে পান, হাইওয়ের উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে রিপনের দেহ। মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত ছিল তাঁর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এই ঘটনার পর আবারও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত বছরের শেষে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে একের পর এক হিন্দু নিগ্রহ ও হত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। গত ১৮ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত একাধিক হিন্দু হত্যার খবর সামনে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
দেশ

ইরান থেকে ভারতে ফিরলেন আটকা পড়া ভারতীয়রা, IGI বিমানবন্দরে শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য

অবশেষে শেষ হলো আতঙ্ক। ইরান থেকে আটকে থাকা ভারতীয়রা ফিরলেন দেশে। শুক্রবার রাতে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই বাণিজ্যিক বিমান অবতরণ করে। ইরানের বিক্ষোভ-আন্দোলনের জেরে যে সতর্কবার্তা দিয়েছিল ভারতীয় সরকার, তা কার্যকর হয়, আর শেষ পর্যন্ত আটকে থাকা সবাই নিরাপদে দেশে ফিরে এল।ভারতের বিদেশমন্ত্রক আগেই বলেছিল, প্রয়োজন ছাড়া ইরানে যাওয়া বারণ। ইরানে থাকা ভারতীয়দের দ্রুত ভারতে ফিরে আসতে বলা হয়েছিল এবং তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে ইরানের আকাশপথ বন্ধ থাকায় বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। অবশেষে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল চালু হতেই আটকে থাকা ভারতীয়রা দেশে ফিরলেন।ভারতে ফিরে এসেই সবাই কেন্দ্রীয় সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন। তারা জানালেন, তেহরান থেকে সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন এবং উদ্ধারকাজে দূতাবাস ক্রমাগত তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল।এক এমবিবিএস পড়ুয়া বলেন, বিক্ষোভের খবর শুনেছি, কিন্তু নিজের চোখে কোনও মিছিল দেখিনি। শেষ কয়েকদিন ইন্টারনেট বন্ধ ছিল। অন্য একজন ভারতীয়, যিনি এক মাস ধরে ইরানে ছিলেন, তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীরা আমাদের গাড়ির সামনে এসে কিছু অশান্তি করত। ইন্টারনেট না থাকার কারণে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। সবাই চিন্তায় ছিল।একজন ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারও জানান, সবাই ভয়ভীতিতে ছিল। তেহরানে আগুন লাগানো হচ্ছিল, ভিড় কিছুটা ভয়ঙ্কর ছিল। তবে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা শাসকদের সমর্থকের তুলনায় কম ছিল।কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, এখনও ইরানে প্রায় ৯০০০ ভারতীয় রয়েছেন। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে সরকার তাদের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 82
  • 83
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal