• ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Burdwan

রাজনীতি

বর্ধমানে সিপিএম পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার শাসকদলের

আবারও সিপিএম পার্টি অফিসে হামলার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায় ২ নম্বর এরিয়া সিপিএমের পার্টি অফিসে হামলা চালানো হয়। পার্টি অফিসের বাইরে শহীদ বেদীতেও ভাঙচুর করার পাশাপাশি অফিসার তালা ভেঙে অন্য তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় সিপিএম সমর্থকেরা। তাঁরা জানান, দুস্কৃতিরা জানালা, দরজা ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।প্রসঙ্গত, বুধবার বামেদের আইন অমান্য অভিযানের রাতে হাটুদেওয়ান এলাকাতেও একটি সিপিএমের কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। জেলা সিপিএমের অভিযোগ ৩১শে আগষ্ট আইন অমান্য আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়েছিল, তার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে আমাদের পার্টি অফিসে হামলা চালাচ্ছে।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ নস্যাৎ করা হয়েছে। জেলা তৃনমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, কোন পার্টি অফিসে হামলার ঘটনাই ঠিক নয়। তবে এর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন যোগ নেই। সিপিএম নিজেরাই এই কাজ করতে পারে। ৩১শে আগষ্ট সিপিএম তান্ডব চালিয়ে বিশ্ববাংলা লোগো থেকে শুরু করে বিধায়কের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। দলের নির্দেশে আমরা শান্ত আছি। এর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন যোগ নেই।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

২ নম্বর জাতীয় সড়কে বর্ধমানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ১ ব্যক্তির মৃত্যু

জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ১ ব্যক্তির মৃত্যু। বর্ধমানে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১ জনের। দুর্ঘটনায় আহত হয় ১ জন। দুর্ঘটনার জেরে বেশ কয়েক ঘন্টা অবরুদ্ধ হয়ে পরে ২নং নম্বর জাতীয় সড়কের দুর্গাপুরগামী লেন।জাতীয় সড়কের লাকুর্ডি কোড়া পাড়া এলাকার দুর্ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার ভোরে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ অকুস্থলে পৌছয়। শুক্রবার ভোরে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের লাকুর্ডি কোড়াপাড়া এলাকায় পরপর দুর্ঘটনার কবলে পরে একটি ভলভো বাস, একটি ডাম্পার ও দুটি ট্রাক। দুর্ঘটনার জেরে ২ জনকে গুরুতরভাবে জখম অবস্থায় বর্ধমান ,মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ১ জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়,আহত আর ১ ব্যক্তি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজনীতি

বুধবার বামেদের 'আইন অমান্য' কাণ্ডে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা প্রশাসন ও তৃণমূলের, ৩৪ জনের জেল হেপাজত

বুধবারের বামেদের আইন অমান্য কি ঘিরে যে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে যায় তাতে ৫০ জনের উপর বাম কর্মীকে সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বর্ধমান শহর সংলগ্ন বিভিন্ন থানায় রাতে পুলিস কাস্টডি করে রাখা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক শারীরিক পরীক্ষা করে তাদের আদালতে পেশ করা হয়।বাম কর্মী সমর্থকদের হয়ে আদালতে সাওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী কমল দত্ত। তিনি জানান বর্ধমান কোর্টে ২টি কেস ফাইল করা হয়। একটি কেস নং ১০০৪ অপরটি ১০০৫। ১০০৪ কেসটি প্রশাসনের তরফে করা হয়েছে, কেস নং ১০০৫ তৃণমূল দলের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। সিপিএম রজ্য নেতৃত্ব সহ জেলার নেতাদের নামে এই কেস দুটি করা হয়েছে। তিনি জানান, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম, আভাস রায়চৌধুরি, অচিন্ত্য মল্লিক,অমল হালদার, তাপস সরকার সহ ছাত্র নেতৃত্ব শ আরও অনেকের নামে কেস ফাইল করা হয়েছে।কমল দত্ত জানান, কেস নং ১০০৪ এ ৫৭ জনের নাম আছে। আর ১০০৫ কেসে ১১ জনের নাম আছে। ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৩০৭,৩৭৯, ৩৫৩, ৩৩২, ৩৩৩ এছাড়াও ৩৪ বিপি অ্যাক্ট ও আরও কিছু উপধারাতে এই কেসদুটি করা হয়েছে। তিনি জানান, মোট ৫ জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তিনজন আশিতিপর ও দুইজন বয়স ১৯ নিচে। জেল কাস্টডি দেওয়া হয়েছে মোট ৩৪ জনকে। ৭ জনকে পুলিস রিমান্ডে তিন দিনের জন্য অ্যালাও করেছে কোর্ট। তাঁরা হলেন, অর্নিবান রায় চৌধুরী (এসএফআই জেলা সম্পাদক),সৌমেন্দ্র নাথ মালিক, তারক নাথ চ্যাটার্জী, মহসীন সেখ, সাহাবুল ইসলাম, সঞ্জয় মৃধা, আনারুল সেখ

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির স্বীকৃতির জন্য বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বর্ধমানে

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির স্বীকৃতির জন্য বৃহস্পতিবার বর্ধমানে বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বর্ধমান শহরের বড়নীলপুর মোড় থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। ছৌ নৃত্য, মহিলা ঢাকি,রণপা, আদিবাসী নৃত্য সহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে পদযাত্রা শেষ হয় টাউনহলে। পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, বিধায়ক খোকন দাস, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু, পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার, পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।বর্নাঢ্য শোভাযাত্রায় শহরের বিভিন্ন ক্লাব সংগঠনও অংশগ্রহণ করেপদযাত্রায় শহরের দুর্গাপুজো কমিটি গুলিও অংশ নেয়। তারাও বিভিন্ন সুসজ্জিত ট্যাবলো নিয়ে পদযাত্রায় হাঁটে। পাশাপাশি শহরের বেশ কয়েকটি স্কুলের পড়ুয়ারাও এদিনের পদযাত্রায় ছিল। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এদিন বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পদযাত্রায় শহরের ছোট বড় দুর্গাপুজো কমিটি ও ক্লাবের সদস্যরাও এদিন অংশ নিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

'আইন অমান্য' কান্ডে ধৃত বাম কর্মীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলার পক্রিয়া বর্ধমানে

বুধবার বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচির ঘটনায় পুলিশ মোট ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার ধৃতদের আদালতে তোলা হলো। বর্ষিয়ান বাম নেতা কমঃ আভাস রায় চৌধুরী কেউও গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। প্রথমে তাদের বর্ধমান থানা নিয়ে যাওয়া হয়, পড়ে স্থানাভাবে তাদের বিভিন্ন থানায় ভাগ করে রাখা হয়। বাম কর্মীদের দেওয়ানদিঘি, রায়না, মেমারি,গালসি থানায় রাতে রাখা হয়। তাদেরকে আজ সকাল থেকেই বর্ধমান থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বর্ধমান থানা থেকে নাম লিখে নিয়ে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের প্রাথমিক মেডিকেল চেকআপ করে বর্ধমান আদালতে তোলার পক্রিয়া শুরু হয়েছে।সুত্র মারফত জানা যাচ্ছে বাম কর্মীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হচ্ছে। যাতে ৪৬ জন সি পি এম কর্মী সহজে জামিন না পায়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজনীতি

বামেদের 'আইন অমান্য' নিয়ে রণক্ষেত্র বর্ধমান, ভাঙল বিশ্ববাংলা লোগো, উত্তেজিত জনতা ছিঁড়ে ফেলল সরকারি প্রকল্পের তালিকা

সিপিআইএমের ডাকে আইন অমান্য কর্মসূচিতে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় বর্ধমান শহর। পুলিস ও বাম সমর্থকদের উত্তেজনার টানাপোড়েনে মাঝে পড়ে কিংকর্তব্য-বিমূঢ় শহর বাসী ও শহরে কর্মসুত্রে আসা আসা জনসাধরণ। বিকাল ৩টার পর থেকেই ষ্টেশন থেকে বড় নীলপুর যেন রুপ নেয় রণক্ষেত্রের।এদিন দুটি বড় সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। বড়নীলপুর মোড় এবং বর্ধমান স্টেশনে দুটি সভায় দলের নেতারা অংশ নেন। বড়নীলপুরের সভায় বক্তব্য রাখেন দলের পলিটব্যুরো সদস্য ও রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। দুটি মিছিল শহরের দুই প্রান্ত থেকে কার্জনগেটে সমবেত হয়। সেই সভায় এদিন সেলিম বলেন, লুঠ হলে, ধর্ষণ হলে এ রাজ্যের পুলিশকে খুঁজে পাওয়া যায় না। ১৯৫৯ এ হাজার হাজার মানুষ খাদ্যের দাবিতে সমবেত হন। পুলিশ লাঠি পিটিয়ে ৮৪ জন মানুষকে খুন করে। প্রত্যেক বছর এই লড়াইয়ে শহিদদের স্মরণ করি আমরা। জীবন জীবিকার এই লড়াই। একসময় সব কিছু নিষিদ্ধ করে, গুন্ডা পুলিশ নামিয়েও আমাদের দমাতে পারেনি। শুভেন্দু অধিকারী কম দুর্নীতিগ্রস্ত নন। মুখ্যমন্ত্রী লিস্ট করে নাম বলে দিয়েছেন। লাল ঝান্ডা শেষ হয়েছে? এমন হিটলার ভেবেছিল। হিটলার মুসোলিনী মুছে গেছে।তিনি বলেন, হক কথা সোচ্চারে বলার দাবিতে, চোরদের ধরার দাবিতে মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। সব জেলাতেই। যতই বিশ্ববাংলার ঢাক পেটান, ওই ঢাক ফেটে গেছে। কেন বেকাররা কাজ পাবেনা? কেন মজুরেরা সঠিক মজুরি পাবেন না? লাল হটেছে কিন্তু রাজ্য বাঁচেনি। আজ রাজ্যকে বাঁচাতে লাল ঝান্ডা আবার রাস্তায় নেমেছে।মহঃ সেলিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, চোর ধরো জেলে ভরো এটা কি ছাত্র যুবদের কাজ? এটা কি পুলিশের কাজ নয়? পুলিশ এখানে চোরেদের মাল পাহারা দেয়। এ লড়াই পুলিশকে জাগিয়ে তোলার। আনিস খুন হলেও আমরা বিচার চাই পুলিশ খুন হলেও বিচার চাই। বিজেপির চোর আলাদা কিছু নয়। দুই চোরের বিচার চাই। সেলিম এদিন সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এরপর স্টেশন ও নীলপুর থেকে দুটি মিছিল শুরু হয়ে জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে আসে। দুপুর থেকেই বিরাট পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল গোটা এলাকায়।মিছিল পৌঁছানোর কিছুক্ষণের মধ্যে বাম সমর্থকেরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন, প্রথম গার্ড ওয়াল ভেঙ্গে কিছুটা এগোতেই জল কামান চালানো হয়, ছত্র ভঙ্গ হয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা আবার একজোট হয়ে আবার ফিরে আসতেই পুলিস কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়েন। এরপর উত্তেজিত জনতা ইট পাথর ছুড়তে থাকেন পুলিসকে লক্ষ করে। পুলিসও লাঠি হাতে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে রাস্তায় নামেন। শুরু হয়ে পুলিস-জনতা খন্ডযুদ্ধ।অবশেষে র্যাফ নেমে রুট মার্চ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় বিক্ষোভকারিদের। বেশ কিছু বাম সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়। দুপক্ষের এই খণ্ডযুদ্ধে পুলিস ও বাম সমর্থকের অনেকেই আহত হয়েছে। কিছুদিন আগে কর্জনগেট এলাকা সৌন্দার্য্যায়নের জন্য একটি বিশ্ব বাংলার লোগো বসানো হয়। বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের তালিকা টাঙ্গানো হয় টেলিফোন অফিসের দেওয়ালের গায়ে। সেই সবই এখন ধংস্তুপে পরিণত। এমনকি কর্জনগেটের অনতিদুরে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের বিধায়ক পরিসেবা কেন্দ্রেও ভাংচুড় করার অভিযোগ করেন বিধায়ক ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতা শিবশঙ্কর ঘোষ।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান আদালতে ২ ঘন্টার কর্মবিরতি, দাবি মহার্ঘভাতার

৩১ শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার দাবিতে ২ ঘন্টা কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে নামলো বর্ধমান আদালতের কর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ থেকে বেলা ১ টা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে শামিল হলেন তারা। এদিন কোর্ট চত্ত্বরে মিছিলও করেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলন কারীরা জানিয়েছেন, যেভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যাচ্ছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আয় এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে।মহামান্য হাইকোর্ট মহার্ঘ ভাতা দেবার কথা বললেও বিভিন্ন অজুহাতে বকেয়া প্রায় ৩১ শতাংশ ভাতা দেওয়া হচ্ছেনা নানান অজুহাতে। দ্রুত এই মহার্ঘভাতা দেবার দাবীতেই তাদের এই আন্দোলন বলে জানাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা জজ আদালতের কর্মীরা। এদিন আদালতের ২৬০ জন কর্মীই এই কর্মবিরতিতে শামিল হন।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

আসানসোল সিবিআই কোর্টের বিচারককে বেনামী হুমকি চিঠির অভিযোগে আইনজীবী সুদীপ্ত রায় গ্রেফতার

রাতভর ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাল পুলিশ। বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মামলার বিচারককে হুমকি চিঠির ঘটনায় সোমবার গ্রেফতার হয় বর্ধমান আদালতের আইনজীবী সুদীপ্ত রায়কে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সোমবার রাতেই পূর্ব বর্ধমানের মেমারির চিনুই (সাহানুই) গ্রাম থেকে ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের সহকারী দীপক মহুরীকে বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আসানসোল আদালত চত্বরে গিয়েছিলেন সুদীপ্ত। খবর পেয়েই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।এখানে উল্লেখ্য ২০ আগষ্ট আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীকে হুমকি চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে লেখা হয় গরু পাচার মামলায় ধৃত বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন না দিলে তাঁর পরিবারকে গাঁজা কেসে ফাঁসানো হবে। সেই চিঠির প্রেরক হিসাবে পূর্ব বর্ধমানের এগজিকিউটিভ আদালতের আপার-ডিভিশন ক্লার্ক (ইউডিসি) বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়ের নাম ও সই ছিল। বাপ্পা প্রথম থেকেই বলে আসছেন, তিনি নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।হুমকি চিঠির তদন্তে গত বৃহস্পতিবারও বাপ্পাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের দুই পুলিশকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদের পর বাপ্পা দাবি করেন, সুদীপ্ত রায় নামে বর্ধমান আদালতের এক আইনজীবী দিন দুয়েক আগে তাঁকে আদালত চত্বরে হুমকি দিয়েছিলেন। তাকে বলা হয়, তোর যা ব্যবস্থা করার, হয়ে গিয়েছে। এ বার তোর চাকরি খাব। বাপ্পাবাবু গোটা বিষয়টি বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসককে জানান। হুমকি চিঠির পিছনে সুদীপ্তেরই হাত রয়েছে। শুক্রবার বাপ্পার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়। তার পরেই সোমবার গ্রেফতার হয় সুদীপ্ত।সোমবার গভীররাতে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ বর্ধমান থানার পুলিশের সহযোগিতায় ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বর্ধমান শহরের বড়নীলপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশী চালায়।

আগস্ট ৩০, ২০২২
স্বাস্থ্য

সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রাইভেট ল্যাবের নাম সুপারিসের অভিযোগ

এবার খোদ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বাইরের ল্যাবের নাম সুপারিস করার অভিযোগ উঠলো। সেই ল্যাব থেকে বাড়তি টাকা দাবি করায় পরীক্ষা না করিয়ে হাসপাতালের সুপারের কাছে অভিযোগ করেন রোগীর পরিজন। অভিযোগ করা হয়েছে বর্ধমান থানাতেও। ঘটনা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।গত ১৫ আগস্ট বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিশুর জন্ম দেয় পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ভাটাকুলের রাকিনা বেগম। তারপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে শিশু বিভাগের এস এন সি ইউ-তে ভর্তি করা হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, গত ২৫ আগষ্ট শিশুটির একটি রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। তখন চিকিৎসক অমরেশ রায়, রোগীর পরিজনদের ডেকে বলেন, এই পরীক্ষা হাসপাতালে হয়না। এটি বাইরে থেকে করাতে হবে।পরিজনদের অভিযোগ, ওই ডাক্তারবাবু বাইরের ল্যাবের একজনকে ডেকে তাঁদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এবং রক্ত পরীক্ষার জন্য ১৩০০০ টাকা লাগবে বলা হয়। কিন্তু, এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয় বলে অনেক অনুরোধে ৮০০০ টাকায় রক্ত পরীক্ষা করার রফা হয়। তাঁকে প্রথমে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। পরদিন তাঁকে বাকি টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। শিশুর কাকা সেখ জসীমউদ্দিনের বলেন, পরদিন ওই ল্যাব আরও বাড়তি টাকা দাবি করে। তখন তাঁরা বাধ্য হয়ে ফিরে আসেন। এবং সোমবার হাসপাতাল সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। সোমবার বিকালে বর্ধমান থানাতেও অভিযোগ করা হয়।পাশাপাশি পরিবারের দাবি, হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, পরীক্ষাটি বাইরে থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে করিয়ে দেওয়ায় আশ্বাস দিয়েছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই পরীক্ষা বর্ধমান হাসপাতালে হয়না। তাই বাইরে থেকে করানোর কথা বলা হয়েছিল। হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ভুল বোঝাবুঝির জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। তবুও, একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আসল তথ্য সামনে আসবে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
শিক্ষা

আবার অশান্তি বর্ধমানের ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (ইউ আই টি)

আচমকাই সেশনের মাঝে ফিস বৃদ্ধি, প্রতিবাদে ক্লাস বন্ধ রেখে বিক্ষোভ ছাত্রছাত্রীদের। ফিস বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনে নামলো বর্ধমানের ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা। তাদের অভিযোগ বছরের মাঝে হঠাৎই কলেজ কর্তৃপক্ষ পাঁচ হাজার টাকা ফিস বাড়িয়েছে। ফলে সমস্যার মধ্যে পড়েছে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, আগষ্ট মাসের ১৬ তারিখে কলেজের তরফে একটি নোটিফিকেশন দেওয়া হয়েছে তাতে জানানো হয়েছে ১ আগষ্ট থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে ফিস বাড়ানো হয়েছে। আগষ্টের ৩১ তারিখে বর্ধিত ফিস জমা না দিলে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা ফাইন দিতে হবে বলেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ছাত্রছাত্রীরা।প্রতিবাদে সোমবার থেকে পঠন পাঠন বন্ধ রেখে কলেজ চত্ত্বরে বিক্ষোভ আন্দোলনে সামিল হয়েছে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা। ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির সিভিল, ইলেকট্রিকাল, সিএসই, আইটি, ইসিই, এইআইএফ বিভাগের ২৮০ জন ছাত্রছাত্রী এই আন্দোলনে সামিল হয়েছে। তাদের দাবী অবিলম্বে এই বর্ধিত ফিজ মুকুব করতে হবে। যতদিন কর্তৃপক্ষ এই ফিস মুকুব না করবে ততদিন আন্দোলন চলবে বলে জানাচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা।এই বিষয়ে ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রিন্সিপাল অভিজিৎ মিত্র টেলিফোনে জানান, ২০২১ সালে এই ছাত্রছাত্রীরা যখন ভর্তি হয়েছিল তখন তাদের নোটিফিকেশনের মাধমে জানানো হয়েছিল যেকোনো সময়ে ফিস বাড়ানো হতে পারে। এতদিন কোভিড পরিস্থিতিতে ফিস বাড়ানো হয়নি। এবার খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এক্সিকিউটিভ কমিটিতে আলোচনা করে ফিস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজনীতি

শিক্ষা বাঁচাও, সংবিধান বাঁচাও, দেশ বাঁচাও এই স্লোগান নিয়ে বাম ছাত্র জাঠা পৌছালো বর্ধমানে

শিক্ষায় দূর্নীতির ফলে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাই ভেঙে পরেছে। চাকরি প্রার্থীরা পাশ করে চাকরি না পেয়ে রাস্তায় আন্দোলন করছে, অন্যদিকে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে অথচ স্কুলে যায় না। অনুব্রত মন্ডলের কন্যার স্কুলে না যাওয়া প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা ভারতের ছাত্র ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক ময়ুখ বিশ্বাসের।শিক্ষা বাঁচাও, সংবিধান বাঁচাও, দেশ বাঁচাও এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের পাঁচটি প্রান্ত থেকে জ্যাঠা বার করেছে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন। শনিবার এই রকমই একটি জ্যাঠা বর্ধমান শহরে এসে পৌঁছায়। এই জ্যাঠাটি বিহার থেকে শুরু হয়ে ঝারখন্ড, উড়িষ্যা হয়ে মেদিনীপুর পেরিয়ে বর্ধমান শহরে পৌঁছায়। ভারতের ছাত্র ফেডারেশন সম্পাদক ময়ুখ বিশ্বাস জানান, গোটা দেশে শিক্ষা দামী হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে না। স্কুল কলেজে শিক্ষকের অভাব রয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম দূর্নীতি হচ্ছে। রাজ্যে নিয়োগ নিয়ে দূর্নীতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে। এই ধরনের জ্যাঠার মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রেলের আন্ডারপাসে জল জমে দুর্ভোগ, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন

রেলের আণ্ডারপাশে জল জমে দুর্ভোগে এলাকার বাসিন্দারা। ক্ষুদ্ধ বাসিন্দারা আণ্ডারপাশে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন।বর্ধমান কাটোয়া ন্যারোগেজ রেলপথ ব্রডগেজে রূপান্তরিত হওয়ার পর পালিতপুরে তৈরি হয় আণ্ডারপাশ।তারপর থেকেই সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয়রা। এমনি সারাবছর চলাচলের ক্ষেত্রে তেমন সমস্যা না হলেও বর্ষা শুরু হলেও দুর্ভোগ শুরু হয় এলাকার বাসিন্দাদের।আণ্ডারপাশে জল জমে যায়।ফলে বড় গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যা না হলেও বাইক,সাইকেল, টোটো বা ছোট গাড়ি পারাপারের ক্ষেত্রে চরম সমস্যা হয়।প্রতিবাদে শনিবার এলাকার বাসিন্দারা আণ্ডারপাশে জমায়েত হয়ে অবরোধ করেন।তাদের দাবী রেল কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এখানে জল বের করার ব্যবস্থা করুক। আণ্ডারপাশ তৈরি হওয়ার সময়েই রেলকে সমস্যার কথা জানানো হয়। কিন্তু তাদের দাবী মানা হয় নি।রেল যদি কোন ব্যবস্থা না নেয় তাহলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন।

আগস্ট ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জেলা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে বর্ধমানে সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ

শিশু কিশোর আকাদেমি ও পূর্ব বর্ধমান জেলা তথ্য সংসস্কৃতি দপ্তরের যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপী জেলাভিত্তিক সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ হল ২৭ আগস্ট। প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করলেন ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার। দুদিনব্যাপী আবৃত্তি, রবীন্দ্রগীত, নজরুগীত,রাগপ্রধান গান এবং শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রতিযোগিতা চলবে। জেলা তথ্য ও সংসস্কৃতি দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে বর্ধমান-কাটোয়া ট্রেনে গান গেয়ে ভাইরান হন গায়ক মিলন কুমার, সেই মিলন কুমারকে সরকারি মঞ্চে প্রধান অতিথি করে নিয়ে এসে সম্বর্ধনা দেওয়া খুবই তাৎপর্যপুর্ণ। মিলন নিজেও সে কথা জানান। তিনি মানুষের প্রতিনিধি মানুষের জন্য গান গেয়ে যেতে চান বলে জানান ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

বাপ্পা চ্যাটার্জীকে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের তদন্তকারী অফিসারের জেরা

আসানসোল সিবিআই আদালতের বিচারককে হুমকি চিঠি প্রসঙ্গে অভিযুক্ত বাপ্পা চ্যাটার্জীকে বুধবারের পর ফের বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ করলো আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের দুই পুলিশকর্মী। বুধবারই তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন বর্ধমান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট কোর্টের হেডক্লার্ক বাপ্পা চ্যাটার্জী। আজও আসানসোল পুলিশ থেকে সেই বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানিয়েছেন বাপ্পা বাবু। এদিন বেলা ১২ টার সময় আসানসোল পুলিশের একটি দল তার কাছে যায় এবং হুমকি চিঠি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে এই বিষয়ে বাপ্পা বাবু এদিন কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। সুতরাং তাকে এই বিষয়ে কিছু বলতে মানা করা হয়েছে। তবে তিনি বলেন আইনজীবী সুদীপ্ত রায় তাকে দুদিন আগে কোর্ট চত্বরে বলে তোর যা ব্যবস্থা করা সব হয়েগেছে। এবার তোর চাকরী খাবো।এই বিষয়টি তিনি মহকুমাশাসককে জানিয়েছেন। তার ধারণা এই বিষয়টি সুদীপ্ত রায়ই করেছে।চার পাঁচ দিন আগে হুমকি চিঠি যায় আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর কাছে। সেই চিঠিতে লেখা, গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন দিন। না হলে আপনি এবং আপনার পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে। খামের উপর ব্যবহার করা হয়েছে বাপ্পার নামাঙ্কিত সিলমোহর।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজনীতি

'অর্পিতা, মোনালিসা, সুকণ্যারাই রিয়েল কন্যাশ্রী'- মীনাক্ষী

পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাধা দিলে তীব্র প্রতিবাদ হবে। ঝাণ্ডার সঙ্গে ডাণ্ডা নিয়ে যাবে বলে শাষকদলকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখার্জি। সোমবার বর্ধমানে একটি মিছিল হয় ডিওয়াইএফআইয়ের। বর্ধমান স্টেশন থেকে মিছিল শুরু হয়ে কার্জনগেট চত্বরে শেষ হয়ে জমায়েত হয়। সেখানে সভায় উপস্থিত ছিলেন মীনাক্ষী মুখার্জি। তিনি বলেন, এখন আর কোনও পোস্টারে সততার প্রতিক লেখা নেই। কারণ তৃণমূল নেতারা একে একে জেলে যাচ্ছে দুর্নীতির দায়ে। ইডি ও সিবিআই আধিকারিকরা তৃণমূল নেতাদের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করছেন। তাদের একাউন্টেও বহু টাকার হদিস পাচ্ছেন তদন্তকারীরা।তিনি বলেন, এখন রাজ্যে চাকরি পেতে মেধা লাগেনা, যোগ্যতা লাগেনা, অর্পিতা লাগে- পার্থ লাগে। অর্পিতা, মোনালিসা, সুকণ্যারাই রিয়েল কন্যাশ্রী। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইদ্যুতে এইভাবেই রাজ্য সরকারকে নিশানা করলেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন তিনি।সোমবার বিকালে স্বাধীনতা বাঁচাও, কাজের অধিকার দাও এই দাবীতে বর্ধমান ষ্টেশন থেকে মিছিল করে ডিওয়াইএফআই পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটি। কার্জনগেট পর্যন্ত এই মিছিলের সামনে ছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অনেক কষ্ট করে দেশের স্বাধীনতা এসেছে। স্বপ্ন দেখলাম আর রাজারাণীর মুর্তি এনে কার্জনগেটে বসিয়ে দিলাম, এইভাবে স্বাধীনতা আসেনি। সেই স্বাধীনতা, দেশের গণতন্ত্র, সংবিধানের অধিকার আজ নষ্ট হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে হবে। স্বাধীনতা সংগ্রামে বিজেপির ভূমিকা নেই। হিন্দু মুসলমান, শিখ, খ্রিষ্টানরা লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছে।মীনাক্ষী বলেন, আমরা অনুব্রত নিয়ে কিছু বলবো না। কারণ, গরু চোর নিয়ে আমরা কেন কিছু বলবো? শুধু এটা বলবো, যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, অনুব্রতরা তাঁর মেয়ের ভবিষ্যৎ, চিন্তা ভাবনাকে নষ্ট করেছে। তাঁকে বোঝানো হয়েছে চাকরি পেতে গেলে দিদি ও টাকা লাগে-পার্থ-ও লাগে আর তাঁর বান্ধবী অর্পিতা লাগে। এরাই রিয়েল কন্যাশ্রী। পাশাপাশি, অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে যে স্কুলে চাকরি করত, সেই স্কুলের পরিচালনা সমিতি, প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতারের দাবি তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, শিক্ষা, রেল, ডাক সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শূন্য পদ রয়েছে। কিন্তু মেধা বঞ্চিত হচ্ছে, এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার মিথ্যে মামলা দিয়ে বামপন্থীদের গ্রেফতার করে রেখেছে। কিন্তু ২১৮ দিন হয়ে গেলেও আনিশ খানের খুনিরা সাজা পায়না। তাই আমরা ২১৮টা সভা করব। চোরদের জেলে ভরার সভা। চোরদের বিরুদ্ধে এক কোটি সই সংগ্রহ করা হবে। কর্মসূচীতে কোনও বাধা মানা হবে না। পাশাপাশি শাসকদলের হয়ে কাজ করা পুলিশদেরও সতর্ক করেন তিনি। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে দূর্নীতি, বিশ্ববিদ্যালয়য়ের দূরশিক্ষা তুলে দেওয়া। কাজের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিচারের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখার আহ্বান জানান মীনাক্ষী।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

জামিন মিলল বর্ধমানের তৃণমূল নেতা প্রণব চট্টোপাধ্যায়ের, হাজতবাসে খবর নেননি দলের একাংশ

জামিন পেলেন বর্ধমান পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রশাসক তথা তৃণমূল নেতা প্রণব চট্টোপাধ্যায়(ক্ষুদু)। আসানসোলের সিবিআই আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। সূত্রের খবর, একটি চিটফান্ড সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। মামলায় চার্জশিটও জমা পড়েছে।বর্ধমান পুরসভায় প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছিল প্রবীণ তৃণমূল নেতা প্রণব চট্টোপাধ্যায়কে। আদি তৃণমূল নেতাকে পুরপ্রশাসক পদে বসানোয় অনেকেই ভুরু কুঁচকেছিলেন। বর্ধমান শহরে তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে নানা ইকুয়েশন তৈরি হয়ে যায়। এই সময়ে পুরসভা নানা জনমুখী প্রকল্প হাতে নেয়। অনলাইন ব্যবস্থাও নানা ক্ষেত্রে চালু হয়। পুর নির্বাচনের আগে তাঁকে সিবিআই গ্রেফতার করে। হইচই পড়ে যায় জেলা রাজনৈতিক মহলে। প্রণব চট্টোপাধ্যায় জামিন পাওয়ার পর ফের শোরগোল পড়ে গিয়েছে বর্ধমানে তৃণমূলের অন্দরমহলে। জানা গিয়েছে, এদিন তিনি বর্ধমানে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন। তাঁর হাজতবাস কালে দলের কেউ কেউ পাশে থাকলেও অনেক নেতাই কোনও খবর রাখার কথা মনেও রাখেনি।

আগস্ট ১৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে এসএফআইয়ের আন্দোলনে ধুন্ধুমার, ভাঙল মেইন গেটের তালা

রেজাল্ট সহ একাধিক দূর্নীতির প্রতীবাদে মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের। মেন গেটের তালা ভেঙে বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে আন্দোলন ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের। মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে ডেপুটেশন দিতে যায় এসএফআই। শহরের বাদামতলা এলাকা থেকে এদিন মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যায় সংগঠনের ছাত্রছাত্রীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে গিয়ে মেন গেট তালা বন্ধ দেখা যায়। আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীরা প্রথমে গেট টপকানোর চেষ্টা এবং পরে লাঠি ও পাথর দিয়ে গেটের তালা ভেঙে বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে প্রবেশ করে। চলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর বিরুদ্ধে স্লোগান। এরপর উপাচার্যের ঘরে যেতে গেলে সেখানেও তালা দেওয়া হয়। এরপর উপাচার্যের অফিসে ঢোকার মুখে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে ছাত্রছাত্রীরা।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কশিট তৈরির বরাত দেওয়ায় দুর্নীতি অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার আন্দোলনে সুর চরাই এসএফআই। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমূল সমর্থিত কর্মচারী ইউনিয়নের সম্পাদক শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনরত পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা ব্লার জন্য গেলে তাঁর সাথে কোনোরকম কথা বলতে চাননি। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়াল জুড়ে ছবি এঁকে তাঁদের প্রতিবাদ জানান।

আগস্ট ১৬, ২০২২
রাজ্য

গভীররাতে বর্ধমানের দু'টি দোকানে আগুন

গভীররাতে বর্ধমানের কার্জনগেটের পাশে বৈদ্যনাথকাটরায় দুটি দোকানে আগুন লাগে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন প্রায় ১ ঘন্টা পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দোকান মালিক প্রবীর চৌধুরী বলেন, এটা আগে গ্রহরত্নের (জ্যোতিষ) দোকান ছিলো কয়েকমাস আগে দোকানটা তিনি কেনেন। ব্যাগের দোকান করবেন বলে নতুন করে ইন্টিরিয়ার করাচ্ছিলেন। তাঁর দাবী ইলেক্ট্রিকের মেন লাইন কাটা ছিলো। ভিতরে এ সি-সহ বেশ কিছু সরঞ্জাম ছিলো। কাঠের দোকান, সামনে দুটি সাটার আছে। দোকান মালিকের দাবী, দোকানের বাইরে পরে থাকা কাগজের আগুন থেকে আগুন ভিতরে ঢুকেছে। যদিও পুলিশের অনুমান এসি থেকে আগুন লেগেছে।

আগস্ট ১৫, ২০২২
রাজ্য

র‍্যালির পর পূ্র্ব বর্ধমানের প্রথমিক বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী অসুস্থ, অবরোধ- বিক্ষোভ

পূর্ব বর্ধমানের আউশা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে আউশা প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের একটি শোভাযাত্রা বের হয়। সেই র্যালির পর পড়ুয়াদের কেক ও গ্লুকোজ জল দেওয়া হয়। এরপরই পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে যায়। মাথাঘোরা, ঘা বমি শুরু হয়। অচেতন হয়ে পড়ে তারা। অসুস্তদের একটি গাড়ি ও একটি বাসে করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ জনকে আনা হয়েছে। তারা বর্ধমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এই ঘটনায় স্থানীয় নবস্থা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষজন। রাস্তায় গাছ ফেলে চলে বিক্ষোভ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় মেমারী থানার পুলিশ। নবস্থা পঞ্চায়েতে থাকা একটি এ্যাম্বুলেন্সে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগ, শেষমেশ বিক্ষোভকারীদের হঠাতপতে লাঠি চার্জ করে পুলিশ। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। অসুস্থ ছাত্রছাত্রীদের দেখতে বর্ধমান হাসপাতালে পৌঁছায় বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি দেবু টুডু, বিধায়ক অলোক মাঝি প্রমুখ।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বিষমদকাণ্ডে মৃত্যু বেড়ে ৮

বর্ধমানে বিষমদকাণ্ডে ফের দুজনের মৃত্য হল। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮। এর আগে ৬জনের মৃত্য়ু হয়েছিল। গতকাল মৃত্যু হয়েছিল শম্ভু শর্মা ও ভবানীপ্রসাদ সাঁইয়ের। তাঁর আগে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল ভাতের হোটেলে মদ খেয়ে। তাঁরা হলেন, শেখ সুবরতি (৩৪), শেখ হালিম (৪০), চিন্ময় দে (৩৮), গৌতম দে (৪২)। রবিবার বর্ধমানের খাগড়াগড় পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মীর মেহবুব(২৬) ওরফে বাপ্পা এবং বাপন শেখ(২৮)-এর মৃত্যু হয়েছে। এদের পরিবারের দাবি, এরা দুজনেই বর্ধমানের কলেজমোড় এলাকার তারামা হোটেল থেকে মদ খেয়েছিল। এরা মাঝে-মধ্যেই কলেজ মোড়ের এই হোটেল থেকে মদ খেত বলে জানিয়েছে তাঁদের পরিবার।তাঁদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারামা হোটেল থেকে মদ খাওয়ার পরেই তাঁরা অসুস্থতা বোধ করে। ক্রমাগত বমি ও পেটে যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। মীর মেহবুবকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাপন শেখ স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় দুজনের। পুলিশ ও আবগারি দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খাগড়াগড়ের বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন, ভাতের হোটেলে কিভাবে মদ বিক্রি হয়? দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন তাঁরা।

জুলাই ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বাম শিবিরে অস্বস্তি বাড়ছে, প্রতীক উরের পথেই কি হাঁটবেন আরও তরুণ নেতা

চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে লড়েছিলেন প্রতীক উর রহমান। সময়ের ব্যবধানে সেই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীই এখন তাঁর সহযোদ্ধা। শনিবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলা এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রতীক উর রহমান। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তাঁর এই যোগদান রাজনৈতিক মহলে জোর আলোড়ন ফেলেছে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক সময়ের বাম যুবনেতার দলবদলকে ঘিরে গত এক সপ্তাহ ধরেই জল্পনা চলছিল। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি চিঠিতে প্রতীক উর রহমান রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার কথা জানান। পরে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি মার্ক্সবাদী দলীয় নিয়ম মেনে তাঁকে বহিষ্কার করে। তবে তার আগে দলের একাংশ তাঁকে ধরে রাখার চেষ্টা চালায় এবং বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলেও জানা যায়।দুদিনের রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁর কাছে সন্তান হারানোর যন্ত্রণার মতো। তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রতীককে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করেন। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বরং প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়।এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন প্রতীক উর। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক আলোচনাতেও তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি। অবশেষে শনিবার বিকেলে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটে। দুপুরে আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে প্রতীক উরের যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয় এবং দুজনেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, প্রতীক উরের পথ অনুসরণ করে আরও বাম যুবনেতা দলবদলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য এবং দীপ্সিতা ধর-এর নাম ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি, তবু আলিমুদ্দিনের অন্দরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

বিরোধী থেকে সহযোদ্ধা, অভিষেকের হাত ধরেই বড় চমক প্রতীক উরের

লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়র বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুবছর পর রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন দেখা গেল। একসময়ের বিরোধী মুখ প্রতীক উর রহমান এবার অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিলেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক প্রাক্তন বাম যুবনেতার এই দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতীক উর রহমান আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। তাঁর লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তিনি রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা যেত, কিন্তু সেই পথে না গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে নেতৃত্ব। বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানান। পরে রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁদের কাছে সন্তানের মতো কাউকে হারানোর সমান। তাঁকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। উল্টে প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এই সময় থেকেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে সেই জল্পনার অবসান ঘটে। আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর রহমান। রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে, আরও কয়েকজন বাম যুবনেতাও কি তাঁর পথ অনুসরণ করতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য ও দীপ্সিতা ধরকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে। যদিও এ বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবু বাম শিবিরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভাষা দিবসের মঞ্চে মমতার পাশে অনন্ত, বঙ্গ রাজনীতিতে কি বড় সমীকরণ বদল

ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে বড় রাজনৈতিক চমক দেখা গেল। দেশপ্রিয় পার্কের অমর একুশে উদ্যানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র পাশেই মঞ্চে বসে থাকতে দেখা গেল বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে। শনিবার তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরীয় পরিয়ে ও স্মারক তুলে দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে অনন্ত মহারাজ রাজবংশী ভাষায় মহারাজা চিলা রায়ের লেখা কবিতা পাঠ করেন এবং নিজের জাতিগত পরিচয় ও ভাষার প্রতি আবেগের কথা তুলে ধরেন। ভাষা দিবসের মঞ্চে তাঁর এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।মুখ্যমন্ত্রী ও অনন্ত মহারাজের সম্পর্ক নতুন নয়। লোকসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে কোচবিহারে অনন্ত মহারাজের বাড়িতেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় থেকেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। গ্রেটার কোচবিহারের দাবিকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন অনন্ত মহারাজ এবং পরে বিজেপি তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করে। কিন্তু গ্রেটার কোচবিহারের দাবি খারিজ হওয়ায় বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। কোচবিহারে নির্বাচনী ফল প্রকাশের পর অনন্ত মহারাজের সমর্থনের কথাও উঠে আসে, যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং তাঁর পাশেই বসান। পরে তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দেওয়া হলে জল্পনা আরও জোরদার হয়। সম্মান পেয়ে অনন্ত মহারাজ কৃতজ্ঞতা জানালেও নিজের ভাষা ও পরিচয়ের প্রশ্নে তিনি দৃঢ় অবস্থানের কথাই তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও কোচ রাজবংশী সম্প্রদায়ের স্বার্থে তেমন কাজ হয়নি। এর পরেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের আগে কি তবে রাজনৈতিক অবস্থান বদলাতে পারেন অনন্ত মহারাজ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফাঁস অডিওতে বড় দাবি, টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম, বাগদায় তোলপাড়

উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মাথাপিছু টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন এক বুথ স্তরের আধিকারিক। এই আবহে একটি অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ভাইরাল অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযুক্ত বুথ স্তরের আধিকারিকের নাম চন্দ্রকান্ত মণ্ডল। তিনি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেও জানা গিয়েছে। ভাইরাল অডিওতে শোনা যায়, এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য মাথাপিছু দশ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। মোট ছয় জনের নাম তোলার কথা উল্লেখ করে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মাইক্রো পর্যবেক্ষকের নাম করে এই টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর ইমেলের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।যাঁদের নাম তোলার জন্য টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলেও দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই পরিবারের সদস্যরা সম্প্রতি এ দেশে এসেছেন এবং বিভিন্ন উপায়ে পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের কারও নাম ছিল না বলেও স্থানীয় সূত্রে খবর। বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার আবহে পরিবারের সদস্যদের নাম তুলতে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।অভিযোগ অবশ্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আধিকারিক। তাঁর দাবি, প্রযুক্তির সাহায্যে কণ্ঠস্বর নকল করে এই অডিও তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাঁকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি-র মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা তরুণ ঘোষ জানান, কেউ অন্যায় করে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, শাসকদলের মদতেই এই ধরনের কাজ হচ্ছে। যে পরিবারকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে, তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নিরাপত্তা, বাংলায় ঢুকছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার হচ্ছে। কেন্দ্রের নির্দেশে আগামী পয়লা মার্চ থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন শুরু হবে। মোট চারশো আশি কোম্পানি আধাসেনা দুই দফায় রাজ্যে আসবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় পয়লা মার্চ দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ বাকি বাহিনী পৌঁছবে।এই বিষয়ে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের ডিজিপির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিক ভাবে চারশো আশি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় যে বাহিনী আসছে তার মধ্যে একশো দশ কোম্পানি সিআরপিএফ, পঞ্চান্ন কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, একুশ কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, সাতাশ কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং সাতাশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল থাকবে।দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ আরও দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে। সেই দফায় একশো কুড়ি কোম্পানি সিআরপিএফ, পঁয়ষট্টি কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ষোলো কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, কুড়ি কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং উনিশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল মোতায়েন করা হবে। এই বাহিনীর কাজ হবে স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দেওয়া, ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়ানো এবং ভোটযন্ত্র পাহারা দেওয়া।জানা গিয়েছে, মোট নয়টি সেকশনের মধ্যে আটটি সেকশন বুথের নিরাপত্তা ও টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে। একটি সেকশন দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসাবে প্রস্তুত থাকবে, যাতে কোথাও বড় অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বাহিনী মোতায়েনের সম্পূর্ণ পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জয় যাদবকে জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এত বিপুল বাহিনীর থাকা, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থার দায়িত্ব রাজ্য প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ওয়াক আউট নিয়ে স্পিকারের ক্ষোভ, বিরোধীদের সতর্কবার্তা

বিধানসভায় শাসক-বিরোধী বিধায়কদের হট্টগোল এবং বিরোধী বিধায়কদের ওয়াক আউট গত পাঁচ বছরে বারবার দেখা গেছে। সপ্তদশ বিধানসভার শেষ বেলায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি মূলত বিরোধী বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ওরা বিধানসভাকে কাজে লাগাতে পারেনি। ওয়াক আউট করলে হয়তো কাগজে খবর হবে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ চলে যায়।স্পিকার নতুন বিধায়কদেরও কড়া ভাষায় বলেন, আমি সবসময় সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু নতুন বিধায়করা প্রস্তুত না হলে কী লাভ? প্রশ্ন করলে প্রস্তুত হয়ে আসতে হবে।এছাড়াও স্পিকার রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও আক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেন, বছরে বিধানসভা কমপক্ষে ৬০ দিন চলা উচিত, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তা হয়নি। সরকারের বিল ছাড়া বিধানসভা নিজে চলতে পারে না। নতুন বিধানসভা তৈরি হলে সরকার এই বিষয়টি মনোযোগ দেবে আশা করি।বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার স্পিকারের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জানান, দুর্ভাগ্যের বিষয় এই রাজ্য সরকার বিধানসভা ঠিকমতো চলতে দিতে চাইছে না। তারা চায় না বিরোধীরা কথা বলুক বা মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরুক। নতুন স্বর আসায় তারা অস্বস্তিতে রয়েছে।বিধানসভায় গত পাঁচ বছরে ১৬৬ দিন অধিবেশন হয়েছে, মোট ঘণ্টা ৪৫৪ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। সপ্তদশ বিধানসভায় ৪১৬২টি প্রশ্ন এসেছে, যার মধ্যে ১৬০৪টির উত্তর দেওয়া হয়েছে। ৯১টি বিল, ৩৯টি মুলতুবি প্রস্তাব, ২৭২টি দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব এবং ৯৩২টি মেনশন এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

শিশুদের উদ্দেশ্যে শিক্ষক গুলি চালাল, গুরুতর আহত এক

রঘুনাথগঞ্জ থানার বানিপুর এলাকায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি বাড়ির সামনে খেলতে থাকা শিশুদের উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত। ঘটনায় এক শিশু আহত হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করেছে।ধৃত শিক্ষকের নাম সমীর কুমার মণ্ডল, তিনি ওমরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অভিযোগ, শুক্রবারের মতো কয়েকজন শিশু তার বাড়ির পাশে একটি ফাঁকা মাঠে খেলছিল। মাঝেমধ্যে তাদের বল শিক্ষকের বাড়ির ভিতরে পড়ে যেত। আগে থেকেও এই নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শিশুরা খেলতে থাকায় রেগে গিয়ে সমীর বন্দুক নিয়ে শিশুগুলোর দিকে গুলি চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। আতঙ্কিত শিশুরা ছুটে পালানোর চেষ্টা করলে এক শিশুর হাতে গুলি লাগে।আহত শিশুর বাবা বিশ্বজিৎ সাহা জানান, প্রতিদিনের মতো ১০-১২ জন বাচ্চা খেলছিল। বল বাড়ির দরজায় লাগতেই শিক্ষক বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে এসে গুলি চালাল। আমার ছেলের হাতে গুলি লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাই।বর্তমানে শিশুটি জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে এবং বাড়ি থেকে একটি আধুনিক এয়ারগান উদ্ধার করে। পুলিশ অস্ত্র পরীক্ষা করে দেখছে এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করা হয়েছে তা যাচাই করছে। ধৃত শিক্ষক দাবি করেছেন, ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই গুলি চালিয়েছিলাম, কারও গায়ে লেগেছে তা বুঝতে পারিনি।এলাকায় ঘটনার পর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে জানা গেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ আদালতের! দেওয়া হল কড়া নির্দেশ

আরজি করের চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তার পরিবারের তরফে শিয়ালদহ আদালতে করা নতুন আবেদনের শুনানিতে আদালত সিবিআইয়ের তদন্তের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালত জানিয়েছে, পরিবারের আবেদন বিবেচনার মধ্যে না থাকলেও এটি গ্রহণ করে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, তদন্তের গতি শ্লথ হয়েছে এবং দ্রুততা আনা প্রয়োজন।পরিবারের আবেদনে কয়েকজন ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, সিবিআই এই বিষয়টি সঠিকভাবে দেখার বিষয়টি এড়িয়েছে। ১৫ মাস ধরে তদন্ত চললেও এখনও পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি।তিলোত্তমা ছাত্রী নিহতের পরিবারের তরফে গত মঙ্গলবার আদালতে নতুন আবেদন দাখিল করা হয়। এতে কলকাতা পুলিশের এএসআই অনুপ দত্ত, কয়েকজন চিকিৎসক, কলকাতা পুলিশের অন্যান্য অফিসার এবং রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়কে গ্রেফতারি ও হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।পরিবারের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয়। প্রথম এবং পরবর্তী রিপোর্টে বড় পার্থক্য রয়েছে, যা কোর্টকে বিভ্রান্ত করছে। পাশাপাশি ১৫ ঘন্টা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য আবেদন করা হয়। আইনজীবীরা আরও দাবি করেছেন, সিবিআই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার।সিবিআই-এর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, যাদের গ্রেফতারির আবেদন করা হয়েছে, তাদের কোন ধারায় গ্রেফতার করা হবে, কারণ অনেককে ইতিমধ্যেই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal