• ১২ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০১ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Burdwan

রাজ্য

এবার বর্ধমানে নিখোঁজ পোস্টার! ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিখে প্রচার

আসানসোলের পর এবার বর্ধমানে পোস্টার। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের সন্ধান চেয়ে পোষ্টার পড়লো বর্ধমান শহরে। শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চায়না কুমারীর নামে পোষ্টার ঘিরে চাঞ্চল ছড়ালো লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায়।বর্ধমান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চায়না কুমারী। রবিবার এই ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় চায়না কুমারীর সন্ধান চাই বলে একাধিক পোষ্টার দেখতে পাওয়া যায়। এই পোষ্টার ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের অভিযোগ বিরোধীরা তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার জন্য এই ধরনের পোষ্টার লাগিয়েছে। জেলা তৃণমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, ওই ওয়ার্ডে প্রতিনিয়ত উন্নয়নের কাজ হচ্ছে। ওয়ার্ডে কাউন্সিলর থাকলেও সামগ্রিক উন্নয়নের দ্বায়িত্ব পৌরসভা নেয়। কাউন্সিলর কোথাও বেরাতে গিয়ে থাকতে পারে। তার জন্য তার নামে নিখোঁজ পোষ্টার এটা বিরোধীদের কাজ। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন তাই তৃণমূলকে বদনাম করার জন্য এটা বিরোধীরা করছে বলে দাবী করেন প্রসেনজিৎ বাবু। অপরদিকে বিজেপির দাবী এটা তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। বিজেপি নেতা সুধীর রঞ্জন সাউ জানান, গত কয়েকদিন ধরে তৃণমূলে পিসি ভাইপোর গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব সারা রাজ্য দেখছে। এই লড়াইটা এখন ওয়ার্ড স্তরে চলে এসেছে। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা বিজেপির কালচার নয়। কিছু তৃণমূল নেতা করেকম্মে খেতে না পারার জন্যই তাদের মধ্যে এই কাদা ছোড়াছুড়ি। এটা তারই ফল। এবিষয়ে কাউন্সিলর চায়না কুমারী টেলিফোনে জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে কে বা কারা এটা করেছে জানিনা।বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। খোঁজ না নিয়ে কোন মন্তব্য করবো না।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
উৎসব

পুজো বললেও! এই পুজোতে পুরোহিত লাগেনা, দক্ষিণবঙ্গে মহাসমারোহে শুরু ছট পুজো

ছট পুজোর আরাধ্য দেবতা সূর্য। এই পুজোয় মূলত সূর্য দেবতার আরাধনা করা হয়। অন্যান্য পুজোর মতো কোনও দেবতার মুর্তী সচারচর দেখা যায় না এও পুজোয়। মুর্তী সামনে রেখে তাঁর অস্তিত্ব কল্পনা করেই পুজো হয়। কিন্তু এ পুজোই কল্পনার কোনও স্থান নেই, আসলে প্রয়োজনই নেই। কারন, স্বয়ং সূর্য দেবতাকে চোখের সামনে দেখেই এই পুজো করা হয়।সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন, এত বড় পুজো কিন্তু কোনও পৌরহিত্য নেই। হিন্দু ধর্মের যেকোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা ব্রত উদযাপনের সময় দেবতার উদ্দেশ্যে পূজা নিবেদনের জন্য ব্রাহ্মণ বা পূজারির মাধ্যম প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু এই ছট ব্রতধারীরা নিজেরাই মন্ত্রোচ্চারণ করে সূর্যদেবতার কাছে অর্ঘ্য প্রদান করেন। এই ব্রতটি পুরোপুরি লৌকিক। মুল অর্থে এই ছট আসলে প্রকৃতির পুজো। জল, বাতাস ও প্রকৃতি বন্দনা করে এই পুজো করা হয়। ছটপুজোর পিছনে এই মতাদর্শ কাজ করে বলেই হয়ত এই পুজোয় ব্রাহ্মণ বা পুরোহিতের উপস্থিতি আবশ্যিক ততটা নয়। অবশ্যই কেউ কেউ যদি মনে করেন, তিনি পৌরহিত্যের উপস্থিতিতে বা ব্রাহ্মণের মাধ্যমেই ব্রত উদযাপন করতে পারেন। ছট পুজো উপলক্ষ্যে বর্ধমান শহর সংলগ্ন দামোদর নদের বিভিন্ন ঘাটে অসংখ্য মানুষের জমায়েত হল আজ। রবিবার বিকাল থেকেই সদরঘাট ও অন্যান্য এলাকায় ঘাট গুলিতে পুজো উপলক্ষ্যে ভিড় করেন পুণ্যার্থীরা। ঘাট গুলিতে ভিড় সামাল দিতে ও কোনও রকমের দুর্ঘটনা এড়াতে বর্ধমান জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারীর ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান পুরসভার অন্তর্গত ১৬ টি ঘাট রয়েছে যেখানে ছটপুজোয় পুণ্যার্থীদের জন্য পুজোর ব্যবস্থা করা হয়। মূলত, দামোদর নদ ও বাঁকা নদীতে ঘাট গুলি রয়েছে। এছাড়া, পঞ্চায়েত এলাকা গুলিতেও বেশ কয়েকটি ঘটে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়।বর্ধমানের সদরঘাট এলাকা ছট পুজো উপলক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া শহরের ভিতরের রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত ৪০০ পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। ঘাট এলাকা গুলিতে ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে। রবিবার বিকালে ৩ টে থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত ও সোমবার সকাল ভোর ৪ টে থেকে সকল ৮ টা পর্যন্ত শহরের রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল দলটা এখন পিসির দল এবং ভাইপোর দলে আড়াআড়ি ভাগ হয়ে গেছেঃ লকেট

শুক্রবার বর্ধমান সদর জেলা বিজেপি কার্যালয়ে দলীয় বৈঠক করতে আসেন বিজেপি নেতৃ তথা সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানানঃপ্রশ্নঃ তৃণমূলে এই মুহূর্তে পাল্লা ভারী অভিষেক শিবিরের, তারই মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে বারে বারে হাজির মুকুল রায়, ভাইফোঁটার দিন সঙ্গে হাজির শোভন, দল ভারী করতেই কি নিজের পুরোনো লোকেদের হাতে রাখতে চাইছেন মুকুল রায়। লকেটঃ তৃণমূল দলটা এখন পিসির দল এবং ভাইপোর দলে আড়াআড়ি ভাগ হয়ে গেছে। কিছুদিন ধরে দেখতে পাচ্ছি পিসির আসেপাশের লোকজন বিভিন্ন স্ক্যামে জড়িয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রীদের বাড়িতে সিবিআই, ইডি হানা দিচ্ছে। তৃণমূল দলটা ভেঙে যাচ্ছে। নিজের নিজের অস্তিত্ব খোঁজার জন্য কখনো পিসির দিকে আবার কখনো ভাইপোর দিকে যাচ্ছে। আগামীদিনে তৃণমূলের মন্ত্রীসভা জেলে থাকবে এবং জেল থেকেই সরকার চালাবে।প্রশ্নঃ মুকুল রায় বলছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকবেনলকেটঃ পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে চোর, ডাকাত, লুঠেরাদের সাথে তৃণমূল সরকার থাকে। যাদের টাকা লুঠ হয়েছে তাদের সাথে তৃণমূল থাকে না। তাদের সাথে বিজেপি থাকে। কিন্তু ভোট নেওয়ার সময় মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নেয়। প্রশ্নঃ জোড়াসাকোর বিধায়কের স্ত্রীর লটারিতে এক কোটি টাকা পাওয়া প্রসঙ্গ।লকেটঃ টাকা তৈরি করার কৌশল। তৃণমূলের কালো টাকা সাদা করা আর গরীব মানুষের টাকা লুঠ করা হচ্ছে। তৃণমূল চোর ডাকাতের দল। গরীবের টাকা ডিয়ার লটারির মাধ্যমে লুঠ করে তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। এই লটারি অবিলম্বে বন্ধ করে তদন্ত হওয়া উচিৎ।প্রশ্নঃ বিনয় মিশ্রর সাথে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বিদেশে দেখা করা প্রসঙ্গ।লকেটঃ কয়লা, গরু পাচারে পুরোপুরি ভাবে কালিঘাট জড়িত আছে। বাংলায় দেখা করলে মানুষের নজরে এসে যাবে তাই বিদেশে দেখা করে নিজেদের সেটেলমেন্ট করছে। প্রশ্নঃ ২০২৪ সালের মধ্যেই সব রাজ্যে শাখা খুলবে এনআইএ প্রসঙ্গে লকেটঃ খুব ভাল প্রস্তাব। বিভিন্ন রাজ্যে যে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আছে তার দায় শুধুমাত্র কেন্দ্রের নয়, তার দায়ভার রাজ্যসরকারকেও দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকার যদি ঠিকঠাক কাজ করে তাহলে গরুপাচার থেকে বিভিন্ন দুর্নীতির কাজ হয় সেগুলো বন্ধ করা যাবে। একসঙ্গে কাজ করলে সেগুলো বন্ধ করা যাবে। সিদ্ধান্তকে স্বাগত, তবে রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত কতটা মানবে তানিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থাকছে। বিভিন্ন সময় গরু পাচারের মত ঘটনা ঘটার সময় রাজ্য সরকারের কোন সাহায্য পাওয়া যায় না।প্রশ্নঃ সায়ন্তন বসুর প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি প্রসঙ্গে লকেটঃ আমি এবিষয়ে কিছু জানিনা। তবে যে যার মতপ্রকাশ করতেই পারে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চয় দেখবে।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশি অনুপ্রেবেশকারি সন্দেহে ব্যাঙ্গালোরে গ্রেপ্তার বর্ধমানের দম্পতি ও শিশুর মুক্তি দাবিতে ভাইফোঁটার দিন অভিনব কর্মসূচী বাংলাপক্ষর

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দম্পতি পলাশ অধিকারী, তার স্ত্রী শুক্লা অধিকারী ও তাদের দেড় বছরের পুত্র আদিকে গত ২৭ শে জুলাই, ২০২২ সালে বাংলাদেশী তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্যাঙ্গালোর পুলিস। FOREIGNERS ORDER ACT, 1948 (U/s-7(2)); FOREIGNERS ACT, 1946 (U/s-14 (B)) ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। পলাশ ও শুক্লা পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভা অন্তর্গত জৌগ্রামের বাসিন্দা। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জানান, বিজেপি শাসনাধীন কর্ণাটক সরকার বাঙালির উপর আক্রমণ করেই চলেছে ক্রমাগত। এর আগে বাঙালির বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নানা সময় নানা বাঙালিকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ পলাশ, শুক্লা অধিকারী ও তাঁদের শিশু পুত্রের মুক্তির দাবিতে ভাইফোঁটার দিন কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচী করল। এইদিন তাঁরা প্রতীকি ভাইফোঁটার আয়োজন করে। ভাইফোঁটার বিশেষ আয়োজনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বসত এক প্লেট মিষ্টি। কিন্তু আজকের এই আয়োজনে প্লেটে কোনও মিষ্টি ছিলো না, কপালে ভাইফোঁটা ছিলো না, কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ধমানের বাঙালি বোন বাঙালি হওয়ার জন্য ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দী, সেই বোন শুক্লা অধিকারী আজকের দিন জেলে থাকায় তাঁর ভাইয়েদের ফোঁটা দিতে পারেননি। এই অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাঙালি ভাইবোনদের ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্ত করে আনবোই। বাঙালি হওয়া কি অপরাধ? বাঙালিকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করা হচ্ছে নানা বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আজকের এই পুণ্য ভাইফোঁটার দিনে আমাদের বোন শুক্লা ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দি৷ আমরা ওদের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বো। বাংলার সমস্ত চাকরি-কাজ- ব্যবসা দখল করছে বহিরাগতরা, বঞ্চিত হচ্ছে বাঙালিরা। বাধ্য হয়ে তারা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। তাই যাতে আর বাঙালিকে বাইরে কাজে যেতে না, বেসরকারি চাকরি- ঠিকা কাজ- টেন্ডারে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সময়ের দাবি। আমরা সেই জন্যও লড়ছি।তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষ ঐ পরিবারের পাশে আছে, আমরা তাদের বাড়িও গেছিলাম, তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝি ও বাংলার প্রশাসনের সাথেও কথা বলেছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনারকে ইমেল করেছে, তাদের যাতে জেল থেকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়।গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, পরিবারের থেকে আমরা একটা ভয়ংকর কথা জানতে পারি, ওনাদের আইনজীবী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড জমা দিলেও জমির দলিলের ইংরেজি ভার্সান জমা দিতে বলা হয়েছে। বাংলা পক্ষ এই তিন বাঙালির মুক্তির জন্য ব্যাঙ্গালোরে নানা বাঙালি সংগঠন ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। বাংলার বাইরে মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোয় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ এই সভা থেকে দাবী তোলে, ভারতে বাঙালি হিসাবে জন্মানো কি অপরাধ? তিনি আরও জানান, এর একটা বড় সমাধান, বাংলায় সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। তাহলে বাংলার বাঙালিকে কাজের জন্য আর বাইরে যেতে হবে না।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

অনাথ কচি কাঁচাদের সাথে ভাইফোঁটা সারলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র

বাঙালির এই বিশেষ দিনে যখন সবাই পরিবারের নিজেদের নিয়ে আনন্দে মাতোয়ারা, ঠিক সেই সময় বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দিনটা কাটালেন অনাথ কচি কাঁচাদের সাথে। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের এক অনাথ আশ্রমের শিশুদের পাশে নিয়ে ভাইফোঁটায় অংশ নিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের নীলপুরের ব্লাইণ্ড একাডেমিতে প্রতিবছরের মত এবারও ভাইফোঁটার আয়োজন করা হয়। সেখানে নিজের শিশুকন্যাকে নিয়ে উপস্থিত হন দেবু টুডু। তিনি বলেন, আনন্দের দিনে অনাথ শিশুদের সঙ্গে নিয়ে সব কিছু ভাগ করে নিতেই তো প্রতিবছর হাজির হই ব্লাইণ্ড একাডেমিতে। তিনি আরও জানান, এবার নিজের সন্তানকেও তিনি এই আন্নন্দে সামিল করতে নিয়ে এসেছেন।ব্লাইণ্ড একাডেমির দায়িত্বে থাকা রায় চাঁদ সুরানা বলেন,আমাদের কোন নেশা নেই। এই বাচ্চাগুলোই আমার কাছে নেশা ও ভালোবাসা। ভাইফোঁটার আয়োজনে কোন খামতি ছিল না। নানার মিষ্টি, লুচি সবই ছিল থালায় সাজানো। বাচ্চারাও খুব খুশি আজকের বিশেষ দিনে।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

'অভিনব ভাই ফোঁটা' ভাই জ্ঞ্যানে গাছকে ফোঁটা আরভি ও আরশি-র

আয়োজন সবই ছিল। ফোঁটার চন্দন থেকে সব আনুষঙ্গিক আচার শুধু মানুষের বদলে গাছকে ফোঁটা দিলেন দুই বোন। তাদের কোনো ভাই নেই। তাই বৃক্ষপ্রেমী বাবা মায়ের উদ্যোগে এই অভিনব ফোঁটার অনুষ্ঠান হল পূর্ব বর্ধমানের মালিরবাগান এলাকায়। হাজির ছিলেন প্রতিবেশীরা।এই এলাকার আবু আজাদ বৃক্ষপ্রেমী বলে পরিচিত। প্রতিবছর অনেক গাছ বিতরণ করেন বর্ধমানের নানা এলাকায়। নিজেও লাগিয়েছেন অনেক গাছ। তার দুই ছোট মেয়েই গাছকে ফোঁটা দিল আজ। আবু আজাদ জানাচ্ছেন তার দুই মেয়ে আরভি মোল্লা ও আরশি মোল্লা। বড় মেয়ে বর্ধমানের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে। ছোট মেয়ে এখনও স্কুলে ভর্তি হয়নি, সে বাড়িতেই পড়ে মায়ের কাছে। আরভির স্কুলের বন্ধুদের থেকে শুনেছে ভাইকে ফোঁটা দিতে হয়। সে বাড়ি এসে বাবাকে জিজ্ঞেস করে বাবা আমাদের তো ভাই নেই আমরা কাকে ফোঁটা দেব? আজাদ জানান তিনি মেয়ের প্রশ্নের কোন উত্তর খুজে পান নি। সত্যি তো ওদের ভাই নেই, তাহলে কাকে ফোঁটা দেবে!তিনি জানাচ্ছেন, আমার স্ত্রীকে কথাটা বললাম। আমার স্ত্রী বললেন আমাদের তো কোনও ফোঁটা নেই। কিন্তু শিশু মন সেটা কি বোঝে? তাদের সেটা বলা যাবে না। আমি চিন্তায় পরে গেলাম কি করা যায়। শেষে আমার স্ত্রীর মাথা থেকে একটা সুন্দর ভাবনার কথা আমাকে বললেন, গাছের থেকে পরম আপন ভাই আর কে হবে। তাই আমরা স্বামী স্ত্রী মিলে উদ্যোগ নিলাম আমার মেয়েরা তাদের গাছ ভাইকে ফোঁটা দেবে।অন্যদিকে ছোট্ট আরভি জানিয়েছে, এবার থেকে গাছকে ভাই হিসেবেই দেখবে। তার যত্ন করবে। প্রতিবারই ফোঁটা দেবে গাছেদের। তাদের মা রেশমা খাতুনা জানান, তাদের মুসলিম পরিবারে ফোঁটার চলন নেই। কিন্তু মেয়ের আগ্রহের কাছে হার মেনেছেন তারা। গাছের চেয়ে আপন আর দীর্ঘদিনের সাথী আর কে হতে পারে? তাই গাছকেই ফোঁটা দেওয়া হল। তাঁদের এই অভিনব চিন্তা ভাবনে মন ছুঁয়ে গেছে স্থানীয় মানুষজনের।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
উৎসব

ভাইফোঁটা! একদিন আগে থেকেই মিষ্টির দোকানে লাইন

ভাইফোঁটা মানেই ভাইয়ের পাতে কিছু খাবারদাবার তুলে দিতে বোনের সাধ। আর তার সাথে নানা ধরণের মিষ্টি দিয়ে মিষ্টিমুখের পালা। দক্ষিণবঙ্গের বর্ধমানে মিষ্টির নানা ধরণের আধিপত্য কোন কাল থেকেই। তবে সবার উপরে রয়েছে জিআই ট্যাগ পাওয়া সীতাভোগ আর মিহিদানা। অন্য মিষ্টির সাথে এ দুটোও পড়বে ভাইয়ের পাতে।রাত পোহালেই ভাইফোঁটা। আর সকাল থেকেই মিষ্টির দোকানগুলোতে ভিড় জমেছে ক্রেতাদের। বাজারদরের সাথে পাল্লা দিয়ে এবারে মিষ্টির দামও বেড়েছে। কিন্তু দুবছর কোভিডের জেরে ভাইফোঁটা সেভাবে হয়নি। এবারে তাই তাগিদ বেশি। ক্রেতারা জানাচ্ছেন, ভাইফোঁটা উপলক্ষে অনেক স্পেশাল মিষ্টি তৈরি হয়। সেগুলো তারা কিনছেন। তার সাথে সীতাভোগ আর মিহিদানা সেটাও চাই।শহর বর্ধমানের এক মিষ্টি বিক্রেতা সৌমেন দাস জানান, এবারেও ভাইফোঁটা সন্দেশ সহ অন্য মিষ্টি হয়েছে। লোকে একটু হাল্কা মিষ্টি চাইছেন। তাই আমুলের বরফি সন্দেশ রয়েছে। রয়েছে চিলি রসগোল্লা। যা কাঁচালংকার ঝাল দিয়ে বানানো। আর সীতাভোগ মিহিদানা তো আছেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

হিন্দু ভাইয়ের কপালে ফোঁটা মুসলিম বোনেদের, উৎসবে মাতল বর্ধমান

উৎসবে ভেঙে গেল সংস্কারের অচলায়তন। সৌভ্রাতৃত্বের বন্ধনে মিলে গেল হিন্দু, মুসলিম। ভাতৃদ্বিতীয়ার শুভ লগ্নে ধর্মান্ধতার উর্দ্ধে উঠেবর্ধমান শহরের পঞ্চাশজন হিন্দু ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিলেন মুসলিম বোনেরা। ফোটা দিয়ে একে অপরের দীর্ঘায়ু কামনায় ব্রতী হলেন তাঁরা৷ সঙ্গে ছিল দেদার খাওয়াদাওয়া। শহরের কয়েকজন ছেলেমেয়ে মিলে আয়োজন করে এই ভাইফোঁটার। বেচারহাট শ্মশানতলা, মল্লিক পুকুর, গোলাহাট ও নতুন কলোনির দুঃস্থ পরিবারের পঞ্চাশ জন বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এই ভাতৃদ্বিতীয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা তাদের বাড়ি থেকে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত নিয়ে আসা ও দিয়ে যাবার ব্যবস্থাও করেছিলেন।বর্ধমান শহরের আরামবাগ রোডে ম্যালেরিয়া মোড়ে অনুষ্ঠিত হয় অভিনব অনুষ্ঠানটি। সকালে সকলে এক জায়গায় একত্রিত হয়। তাদের জন্য ছিল সকালের জলখাবার। দুপুরে আহারে ছিল ভাত, ডাল, আলু পোস্ত, মুরগির মাংস, চাটনি,পাপড়, রসোগোল্লা, ল্যাংচা ও ছানার জিলাপি। বুধবার ৩টে ২৭ মিনিটের পর প্রতিপদ শেষ হয়ে দ্বিতীয়া শুরু হয়েছে। সেই সময় ধরেই বুধবার এই পঞ্চাশজন একত্রিত হয়েছিলেন একে অপরকে সৌহার্দ্য বিনিময়ে। ভাইয়েদের মঙ্গল কামনায় মুসলিম বোনেরা হিন্দু ভাইদের ফোঁটা দিলেন। সাথে ভাইয়েদের হাতে তুলে দিলেন পাঞ্জাবী ও জামা। অপরদিকে ভাইয়েরা বোনেদের হাতে তুলে দিলেন নতুন শাড়ি। অভিনব এই ভাতৃত্ব বন্ধন দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন উৎসাহী মানুষজন।

অক্টোবর ২৬, ২০২২
উৎসব

বিদ্যা ও সুন্দরের এক অমর প্রেম কাহিনী এই মন্দিরে কান পাতলেই শোনা যায়

বর্ধমানের বিদ্যাসুন্দর কালীপুজোর পেছনে জড়িয়ে রয়েছে এক প্রেমের গল্প ৷ তেজচাঁদ রাজার কন্যা বিদ্যা ও মন্দিরের পুজারি সুন্দরের ভালবাসার জোরে বন্ধ হয়েছিল মন্দিরের নরবলি প্রথা ৷ বর্ধমানের মহারাজা তেজচাঁদের আমল। বর্ধমানের বেশিরভাগ এলাকা ছিল ঘন জঙ্গলে ভর্তি। বিশেষ করে দামোদর তীরবর্তী তেজগঞ্জ এলাকায় ছিল আরও গভীর জঙ্গল। সেখানেই কালী মন্দিরে পুজো করতেন রাজা। ওই কালী মন্দিরে কেউ সচরাচর যেতেন না।কথিত আছে, যারা অন্যায় অত্যাচার করত, তাদের এই মন্দিরে দেবীর সামনে হাঁড়িকাঠে নরবলি দেওয়া হত। তাই সেই সময় এই কালী দক্ষিণ মশান কালী নামে পরিচিত ছিল। ফলে দিনের বেলাতেও ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করার কেউ খুব একটা সাহস করত না।রাজার এক কন্যা ছিল, নাম বিদ্যা৷ আর রাজবাড়ির পুজারি ছিলেন সুন্দর নামে এক যুবক। সুন্দরের আর্থিক অবস্থা মোটেই ভাল ছিল না। রাজবাড়িতে ফুল দিতে আসত মালিনী মাসি। সে প্রতি ঠাকুর বাড়িতে ফুলের মালা দিত। যথারীতি একদিন মালিনী মাসি মন্দিরে ফুলের মালা নিয়ে এসেছেন। সেই মালা দেখে পুজারি সুন্দর খুব আকৃষ্ট হন। তিনি মালিনী মাসিকে জিজ্ঞাসা করেন, এত সুন্দর ফুলের মালা কে গেঁথেছে? যে মালা গেঁথেছে তাকে দেখার জন্য ছটফট করতে থাকে সুন্দর। মালিনী মাসি তাকে বলে, রাজকুমারী বিদ্যা মালা গেঁথেছে। কিন্তু তাকে দেখা সম্ভব নয়।পরবর্তীকালে বিদ্যার সঙ্গে সুন্দরের পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমনকী তারা নাকি মন্দিরের পাশ থেকে রাজবাড়ি পর্যন্ত একটা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ফেলে। সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে বিদ্যা ও সুন্দর একে-অপরের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করতে যেতেন । একদিন চরের মাধ্যমে তেজচাঁদ বিদ্যা ও সুন্দরের প্রণয়ের ব্যাপারে জেনে ফেলেন। খবরটা কানে যেতেই রাজা প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি বিদ্যা এবং সুন্দরকে কালীর সামনে বলি দেওয়ার আদেশ দেন ৷ রাজার হুকুম মতো তাদেরকে বলি দিতে নিয়ে যাওয়া হয় কালী মন্দিরে। হাঁড়িকাঠে বিদ্যা ও সুন্দর দুজন ঢোকানোর পর খাঁড়া হাতে বলি দেওয়ার সময় কাপালিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। বিদ্যা আর সুন্দর প্রেমিক প্রেমিকা মন্দির থেকে উধাও হয়ে যায়। রাজ্যপাট না থাকলেও এখনো প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই কালী মন্দিরে পুজো হয় বলে জানান সেবাইত আভা বটব্যাল। তবে জাঁকজমক এখন আর আগের মত নেই। মা এখানে পাষাণ মূর্তি। নিত্যদিন পুজো হয়।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

বর্ধমানের মা কঙ্কালেশ্বরী কালী চামুণ্ডা মতে পূজিত হন

বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নির্ণয করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা। গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী।আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড, শঙ্খ, চক্র, ধনুক, খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত স্বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷ বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নি র্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা।গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী। আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড,শঙ্খ,চক্র,ধনুক,খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি সাংসদ স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ তৃণমূল নেত্রী স্ত্রীর

সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে নিয়ে সরব হলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমানের মেহেদী বাগানে একটি কালী পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। তিনি বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা তথা তার প্রাক্তন স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ করেন।তিনি বলেন, উনি তো কোথাও গুরুত্ব পান না। উনি যখন যে দলে থাকেন সেই দলকেই পাগল করে মারেন। তিনি যখন তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন তখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উল্টো পাল্টা কথা বলেছেন। এখন তিনি যে দলে আছেন সেই দলের বিরুদ্ধে বলছেন। নিশ্চয় গুরুত্ব না পাবার মত কিছু করেছেন। তবে ওই দলে কদিন থাকবে তা নিয়েও তিনি সন্দিহান প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাজনীতি করতে আসা মানে পাবার জায়গা নয়। পদ চাই তা নয়।মানুষের জন্য কাজ করা।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

টুইন টাওয়ার ছেড়ে মানুষ ভিড় জমিয়েছে হরিনারায়নপুরের রুদ্রানীর 'পোড়ো বাড়িতে'

রাজ্যের শস্যভান্ডার বর্ধমানের প্রধান পুজো দুর্গাপুজো হলেও, দুর্গাপুজোর রেশকে অনেকটাই জিইয়ে রেখে শহর বর্ধমান মেতেছে কালীপুজোয়। দুর্গাপুজোর মতই কালীপুজোতেও শহরে আনাচে কানাচে থিমের রমরমা। এবারে কালী পুজোর বিশেষ আকর্ষণ সাম্প্রতিক সময়ে বহু চর্চিত টুইন টাওয়ার বর্ধমান শহরের পাড়াপুকুরের রাসবিহারি এ্যথলেটিক ইউনাইটেড ক্লাব। কালীপুজোতে বেশ কয়েক বছর ধরে নিত্যনতুন থিমের চমক দিচ্ছে তারা।গত বছর বুর্জ খালিফা করে শহরের নজর টেনেছিল এই ক্লাব। এবারে তাদের মণ্ডপের থিম- টুইন টাওয়ার। ৯/১১/২০০১ র যে টুইন টাওয়ার ভাঙা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে তোলপাড় হয়। সেটাই এবার কালীপুজোর থিম ভাবনায় উঠে এসেছে। টিন,ফোম,দড়ি, থার্মোকল,বাঁশ দিয়ে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। লাইট এণ্ড সাউণ্ডের মাধ্যমে আলোর খেলা দেখানো হবে মণ্ডপ জুড়ে। স্লট করে আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হবে। সঙ্গে ডাকের সাজের চিরায়ত প্রতিমা,কাঁচের চুমকির কাজে সজ্জিত মূর্তি।বনানী রায় ও ডঃ শিবকালী গুপ্তআলোর রোশনাই ছেড়ে এবারে দর্শকের মন কেড়েছে হটুদেওয়ান এলাকার বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের কালি পুজো। এবছর তাদের ১৪ তম বর্ষ। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁরা কালি পুজোতে নানা থিমের উদ্যোগ নিয়েছেন। এবছর তাঁদের কালি পুজোর ভাবনা রূদ্রানীর আদিবাস। রুদ্র মুর্তীর অধিষ্টাত্রী দেবী শ্যমা মায়ের পুজোয় ব্রতী হয়েছেন তাঁরা। প্রাচীন কালের ভগ্নপ্রায় মায়ের বাসস্থানকে থিম হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে।উদ্যোক্তা বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের সদস্য সৌম্য দাস জনতার কথা জানালেন, দুর্গা-প্রতিমা বিসর্জনের পরের দিন থেকেই তাঁরা এই পুজো আয়োজনে নেমে পড়েছেন। গতবছর তাঁরা ২৭ ফুটের সুউচ্চ প্যন্ডেল করেছিলেন। ভারতের সাধকেদের তাঁদের থিমের মধ্য দিয়ে সন্মান জ্ঞ্যাপন করেছেন। তিনি আরও জানান, এই এলাকায় সেই ভাবে কালী পুজো হতো না। আমদের পুজো উত্তরোত্তর জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় অনেক দূরদুরান্ত থেকে আমাদের পুজো দেখতে আসেন। সেই কারণে আমাদেরও দ্বায়িত্ব বেড়ে যাচ্ছে সেই ধারাকে বজায় রাখার। তিনি জানান এবারে তাঁরা ঠাকুর এনেছেন সুদুর হুগলী জেলার গুপ্তিপাড়া থেকে, থিমের কারিগর এসেছেন গলসী থেকে। বাইরের কারিগরের সাথে তারাও সমান তালে হাত লাগিয়েছেন বলেই এত কম সময়ে এই পুজো আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।ক্লাবের আরও এক সদস্য শৈলেন বিশ্বাস জানান, তাঁরা এই থিম বানাতে যে সমস্ত দ্রব্য ব্যবহার করেছেন তার শতকরা নব্বই ভাগই পরিবেশ বান্ধব। পরিবেশ সচেতনাতার বার্তা দেওয়ার জন্য তাঁরা প্লাস্টিকের ব্যবহার সেই ভাবে করেননি। তাঁদের এই থিমের মধ্যে দিয়ে এই বার্তা দিতে চাইছেন,যে ভাবে প্রাচীন বাড়িগুলি ভেঙে আবাসন গড়ে উঠছে শহর জুড়ে তাতে আর কিছুদিনের মধ্যেই আমরা প্রাচীন ইতিহ্য বলে যে একটা শব্দ আছে সেটাও ভুলতে বসবো।আমি সেই মেয়ে-তুনা রুদ্রপুজোর উদ্বোধন করেন বর্ধমান জেলা মহিলা থানার আই সি বনানী রায় ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যলয়ের অধীনস্ত ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অধ্যাপক ডঃ শিবকালী গুপ্ত। বানানি রায় বলেন, দীপাবলি আলোর উৎসব, এই উৎসবে আমরা যেমন আমরা বাইরের জগৎটাকে আলো দিয়ে সাজায়, মা কালি যেন ঠিক সেই আলো দিয়েই মনের সব অন্ধকার কে দূর করে দেন। অপর অথিতি ডঃ শিবকালী গুপ্ত জানান, এই দীপাবলি যেন আমাদের মনের সব অন্ধকার দূর করে দেয়। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সমবেত চেষ্টায় করোনার মত অতিমারী কে দূর করতে পারছি, আমাদের সার্বিক চেষ্টায় সকল অন্ধকারও দূর হবে এই আশায় তিনি করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেন তাঁরা। কচি কাঁচাদের নাচে গানে ভরে ওঠে পূজা প্রাঙ্গণ। বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্রর নৃত্য পরিবেসন করেন। তাঁর আমি সেই মেয়ে দর্শকদের মন জয় করে নেয়। তাঁর এই অনুষ্ঠানে অভিনয়, অভিব্যক্তি দর্শকদের নির্বাক করে দেয়। অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিল্পী জয়মাল্য ও চঞ্চল চৌধুরির শিবের সাক্ষাতকার এক অন্য মাত্রা যোগ করে। এছাড়াও নাচে, গানে, কবিতায় অংশগ্রহণ করেন নৈরিক ভকত, সম্পূর্না চক্রবর্তী, দিয়া সামন্ত,নিধি মণ্ডল, সংকলন চৌধুরী সহ আরও অনেকে।বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের আরও এক সদস্য চঞ্চল চৌধুরী জনতার কথা কে জানান, আগামী কাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টাই পুজো শুরু, মঙ্গলবার রাতে মায়ের ভোগ বিতরণ, বুধবার সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানের শেষে মায়ের বিসর্জন। তিনি বর্ধমান বাসীকে জনতার কথার মাধ্যমে তাঁদের এই পুজোয় আমন্ত্রণ জানান।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

সাধক কমলাকান্ত তেজচাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন

১৮০৫ খীষ্টাব্দে বর্ধমানের মহারাজ তেজচাঁদ বাহাদুর কোটালহাটে কমলাকান্তের কালি সাধন ও ভজনের জন্য মন্দির টি তৈরি করে দেন।সাধক কমলাকান্ত ভষ্টাচার্য ১৭৭২শরষ্টাব্দে বর্ধমানের তাঁর মাতুলালয়ের চান্না গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।তাঁর পিতার নাম মহেশ্বর ভট্টাচার্য এবং মাতার নাম মহামায়াদেবী। কিশোর বয়সে পিতার মৃত্যু হলে মা মহামায়াদেবী দুই শিশু পুত্র কমলাকান্ত ও শ্যামাকান্তকে নিয়ে পিত্রালয়ে চলে আসেন। মহামায়াদেবী কমলাকান্তকে পড়াশোনার জন্য টোলে ভর্তি করে দেন। টোলে পড়াশোনার পাশাপাশি কমলাকান্ত গোপনে সাধন ভজনের অনুশীলন শুরু করেন বর্ধমানের মহারাজা তেজচাঁদ বাহাদুরের গুরু এবং সভাকবি ছিলেন তিনি। তেজচাঁদের উচ্ছৃঙ্খল পুত্র প্রতাপচাঁদকে শিক্ষা দীক্ষায় উপযুক্ত করে তোলার জন্য কমলাকান্ত বর্ধমানে নিয়ে আসেন। এবং বর্ধমানের লাকুড্ডিতে কমলাকান্তকে থাকার জন্য ঘরও তৈরি করে দেন। প্রথমে লাকুড্ডিতে কমলাকান্ত মা কালীর সাধন ভজন শুরু করেন। কথিত আছে তিনি রাজা তেজচাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন। কমলাকান্তের সাধনায় ও যোগবলে মুগ্ধ হয়ে রাজা তেজচাঁদ বাহাদুর ১৮০৫ খীষ্টাব্দে কোটালহাটে তাঁর সাধন ভজনের জন্য মন্দিরটি তৈরি করে দেন। এই মন্দিরেই কমলাকান্ত কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পঞ্চমুন্তীর আসনে বসে সাধনা করতেন।সাধনা করতে করতে এক দিন রাজা প্রতাপচাঁদকে মা কালীর পায়ে বেলকাঁটা ফুটিয়ে রক্ত বেড়করে দেখিয়ে ছিলেন মা জীবন্ত। শুধু তাই নয় কমলাকান্ত প্রায় শতাধিক ভক্তিগীতি রচনা করেছেন।১৮২০ শরীষ্টাব্দে সাধক কমলাকান্ত মা কালীর সামনেই মৃত্যুবরণ করেন মৃত্যুবরণের সময় বর্ধমানের মহারাজ তাঁকে গঙ্গায় নিয়ে যেতে গেলে তখন তিনি মাহারাজকে বলেন মাকে ছেড়ে তিনি যাবেনা।তখন মন্দিরের মাটি ফেটে গঙ্গার জল এসে সাধকের মুখে পড়ে। সাধক কমলাকান্তের দেহ সমাধিস্থ করা হয় মন্দিরের ভিতরে।তাঁর সমাধির উপরেই মা কালী প্রতিষ্ঠা করা আছে।কমলাকান্তের পুজোর আচার আচরন মেনেই এখনও পর্যন্ত কালীর পুজো হয়ে চলেছে এই মন্দিরে।প্রতি অমাবস্যায় মা কমলাকান্তকে মাগুর মাছ রান্না করে ভোগ দেওয়া হয়।এছারও প্রতিদিন দুবেলায় নিত্যসেবা ও সন্ধ্যা আরতি হয় এই কালি মন্দিরে।প্রথামেনে কালী পুজো দিন রাত্রি ১২ টা সময় ঘটে জল ভরে পুজো শুরু হয়।পুজোর সময় মন্দির প্রাঙ্গনে দূরদূরান্ত থেকে অসংখ ভক্তের সমাগম ঘটে।কালী পুজোর পরের দিন অন্নকুট মহোৎসব হয়।এবং ভাইফোঁটার দিন কালি মন্দিরে কমলাকান্ত দিবস পালন করা হয়।

অক্টোবর ২৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে ফেলার অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে

রাতের অন্ধকারে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে রাস্তায় ফেলা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্বর থেকে বীরহাটা পর্যন্ত এলাকায়। কয়েকদিন ধরে শহরে জেলা বিজেপি ও বিজেপির যুবমোর্চার কয়েকটি কর্মসূচি ছিল, তাতে শহরের বেশ কিছু অংশে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগানো ছিল। শুক্রবার রাতে বেশ কিছু দলীয় পতাকা রাস্তায় এবং রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়া হয় এবং সেই সব জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা উরতে দেখা যায় বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দূষ্কৃতিরা তাদের দলীয় পতাকা খুলে ফেলে দিয়েছে বলে বিজেপির দাবী। এই বিষয়ে শুক্রবার রাতে বর্ধমান জেলা বিজেপির যুবমোর্চার পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বর্ধমান থানায়। অবিলম্বে পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলনে নামবে জেলা যুবমোর্চার সদস্যরা বলে দাবী করেন জেলা বিজেপির যুবমোর্চার সভাপতি পূরব সাম। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজ্য

'করুনা', 'মমতা' শব্দগুলোর নতুন মানে বার করার আবেদন রাখলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক

বাংলাভাষায় করুনা, মমতা শব্দগুলোর মানে নতুন করে বার করতে হবে। চাকরি গুলো নিলাম করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, তাদের সরকার। যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চনা করা হয়েছে। ৮৪ ঘন্টা অনশনের পর যেভাবে তাদের উপর তান্ডব করল বিধাননগরের পুলিশ তা নজিরবিহীন। সূর্যাস্তের পর কোনো মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয় না।এখানে হয়েছে।আজ বর্ধমানে সি পি এমের জেলা দপ্তরে এই কথাগুলি বলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। এদিন সেখানে দলের জেলা কমিটির এক সভায় হাজির ছিলেন তিনি। সেখানেই পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তার সঙ্গে ছিলেন সি পি এম জেলা নেতা অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়।সেলিম আরও বলেন, সব চেয়ে বেশি নয়েজ পলিউশন তো উনি করেন। পুজোর উদ্বোধন করে রাজনৈতিক কথা বলেন। আজ কেন? কাল সারাদিন প্রতিবাদ চলবে। সব বিবেকবান মানুষকে আহ্বান জানাচ্ছি। চাকরি চুরির প্রতিবাদ করতে।ওই ছেলেমেয়েরা কী গোলমাল করছিল? সারা রাজ্য যখন ঘুমিয়ে পড়েছে তখন রাতের অন্ধকারে পুলিশ লেলিয়ে দিলেন উনি। এভাবে মানুষকে দমিয়ে দিতে পারবেন ভাবলে উনি মুর্খের স্বর্গে বাস করছেন। আজ পুলিশ পাগলের মত আচরণ করছে। ওই ছেলেমেয়েরা কী গোলমাল করছিল? সারা রাজ্য যখন ঘুমিয়ে পড়েছে তখন রাতের অন্ধকারে পুলিশ লেলিয়ে দিলেন উনি। এভাবে মানুষকে দমিয়ে দিতে পারবেন ভাবলে উনি মুর্খের স্বর্গে বাস করছেন। আজ পুলিশ পাগলের মত আচরণ করছে।

অক্টোবর ২১, ২০২২
উৎসব

বর্ধমানের দূর্ল্লভা কালী একই অঙ্গে কালী, দুর্গা, চণ্ডী ও বিপত্তারিণী রূপে পূজিত

কালী, দুর্গা, চণ্ডী অথবা বিপত্তারিণী। বছরভর বিভিন্ন মরসুমে সব দেবীরই পুজো হয় এক মূর্তিতে। এমন ভাবেই তিন শতকেরও বেশি সময় ধরে বর্ধমান শহর লাগোয়া লাকুড্ডি এলাকায় দুর্লভা কালীর পুজো চলছে। মন্দিরে গিয়ে দেখা গেল, কালীপুজোর আগে এখন সেখানে সাজোসাজো রব।লোকশ্রুতি থেকে জানা যায়, বর্ধমানের মহারাজার আনুকুল্যেই দেবী মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয়। একদা গোকুলানন্দ ব্রহ্মচারী নামে এক পরিব্রাজক সন্যাসী ঘুরতে ঘুরতে জঙ্গলে পরিপূর্ণ লাকুড্ডিতে হাজির হন। শুরু করেন দেবী আরাধনা। একদিন গোকুলানন্দ মন্দিরের পাশে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে তার পায়ে একটি পাথর ঠেকে। তখন তিনি ওই পাথর টিকে তুলে নিয়ে আসেন। এর পর মা কালী সন্যাসী গোকুলানন্দকে স্বম্নাদেশ দেয় তাঁকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করতে তারপর সন্ন্যাসী গোকুলানন্দ বর্ধমানে লাকুড্ডিতে তাল পাতার ছাউনী দিয়ে মন্দির তৈরি করে পাথরটিকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করেন। জড়ো হন ভক্তেরাও। কথিত রয়েছে, গোকুলানন্দের সাধনা ও বিভিন্ন দৈব শক্তির খবর যায় বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহতাবের দরবারেও। একদিন মহারাজ বিজয়চাঁদ ঘুরতে ঘুরতে সন্যাসী গোকুলানন্দ কাছে পৌছান। তখন সন্যাসী গোকুলানন্দ মহারাজ বিজয়চাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন। এরপর বিজয়চাঁদ মুগ্ধ হয়ে প্রায় দশ বিঘে জায়গার উপর একটি দালান মন্দির তৈরি করে দেন। পাশেই তৈরি করা হয় বেশ কয়েকটি শিব মন্দিরও। এ ভাবেই ধীরে ধীরে দেবী দূর্লভার প্রসিদ্ধি ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন এলাকায়।তবে দেবীর নাম দুর্লভা হওয়া নিয়েও একটি গল্প প্রচলিত আছে।বর্তমানে মন্দিরের পুরহিত মঙ্গলা ভট্টাচার্য জানান,.গোকুলানন্দ স্বামী মারা যাওয়ার পরে দুর্লভ ভট্টাচার্য নামে একজনকে পুরোহিত হিসেবে নিয়োগ করেন রাজা বিজয়চাঁদ। রাজ অনুগ্রহে মন্দির ও সম্পত্তিরও অধিকারী হন তিনি। এই দুর্লভ ভট্টাচার্যের নামেই দেবী এখানে ছুর্লভা নামে পরিচিত।ভষ্টাচার্য পরিবারের সূত্রে জানা গেল, দেবী এখানে শ্বেত পাথরের মুর্তিতে পুজীতা হন। তবে দেবীর মূর্তিটি প্রথমে মাটির ছিল। পরে তা অষ্টধাতুতে তৈরি করা হয়। তবে সেই মুর্তি চুরি যায়। তারপর মহারাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে দেবী বেলকাঠের মূর্তিতে পুজিতা হতেন। কিন্তু সময়ের ফেরে ওই বেলকাঠেও ঘুন ধরে। তারপর খানেকের মধ্যে তাতেও ফাটল ধরে। ছুবছর আগে রাজস্থান থেকে সাড়ে চার ফুট উচ্চতার শ্বেত পাথরের মূর্তিটি আনা হয় বলে জানান মন্দিরের বর্তমান পুরোহিত মঙ্গল ভ্টাচার্য। দুর্গাপুজোর সময় এখানে চারদিন ধরে পুজো হয়। তবে কালীপুজোর সময়মতো রাতভর পুজো হয়। প্রতিদিন নিত্যপুজোর সময় অন্নভোগ দেওয়া হয় এবং ওই দিন মন্দিরের ভিতরে ভক্তদের বসিয়ে খিঁচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানো হয়। একসময় দেবী দুর্লভা কালী ডাকাত কালী নামেও পরিচিতি ছিল।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার!

বুধবার বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার। কয়েকদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও পূর্ব-বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাপতি দেবু টুডু বিজেপি নেতাদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখার নিদান দিয়েছিলেন। সুকান্ত মজুমদার তাঁর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে সমস্ত নেতাদের স্নায়ুতন্ত্র এত দুর্বল যে কে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন তা বুঝতে পারছেন না, সে দলের না থাকাই ভাল। তিনি তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, আগেকার দিনে যাত্রাপালায় একজন বিবেক থাকত। নীতিকথা শুনিয়ে যেত এটাও সে রকম। তোয়ালে মুড়ে টাকা না নিলেই হল।তিনি সৌমিত্র খানের প্রসঙ্গে বলেন,পঞ্চায়েতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমাদের দলে যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তার সাথে আলোচনা হয় না। আমাকে সভাপতি করার আগেও হয়নি। তিনি আরও বলেন,অনন্ত মহারাজ রাজনৈতিক নেতা নন। তার কাছে কেউ যেতে পারেনমমিনপুরের প্রস্নগ টেনে বলেন, রাজ্যের আদালত নির্দেশ দিয়েছে। এন আই এ তদন্ত করছে। যারা অ্যারেস্ট হবার যোগ্য অ্যারেস্ট হবে। তিনি মল্লিকার্জুনকে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। সেই প্রসঙ্গে বলেন, মল্লিকার্জুন কংগ্রেস সভাপতি হলেন। এমন একটা জাহাজে উনি ক্যাপ্টেন হলেন যেটা থেকে সবাই পালাচ্ছে। তবে মোদীজি আবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, সেই শপথ গ্রহণ সভায় বিরধী নেতা হিসাবে তাঁকে স্বাগত।সুকান্ত মাজ্যমদার আজ বলেন, পুলিশ ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুলিশ না থাকলে উবে যাবে। আজ শিলিগুড়ির কাওয়াখালী গ্রাউন্ডে উত্তরের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন সিঙ্গুর থেকে টাটাকে সিপিএম তাড়িয়েছে, সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, উনি তো মাঝে মাঝেই মিথ্যে কথা বলেন। এটা নতুন কিছু নয়।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি তালিকাভুক্ত করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করার চেষ্টার প্রতিবাদর জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্ত্বরে বিক্ষোভ দেখাল আদিবাসী কল্যাণ সমিতি । সমিতির অভিযোগ, এসটি হওয়ার নির্ধারিত বৈশিষ্ট্য না থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে, অনৈতিকভাবে কুড়মী সম্প্রদায়কে এসটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ। কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। প্রয়োজনে রেল রোখা থেকে শুরু করে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে জানালেন তারা, এবং আগামী লোকসভা ভোটে ভোটবাক্সের মধ্যে দিয়েও এর প্রতিবাদ হবে বলে জানান তারা। এদিন বিক্ষোভ শেষে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেয় আন্দোলনকারীরা।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

বালি বোঝাই ট্রাক্টারের ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুল ছাত্রের

বর্ধমান শহরের বেড়মোড়ে বালি বোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল এক স্কুল ছাত্রের। দুর্ঘনায় জখম হয় ছাত্রের বাবা।পূর্ব-বর্ধমানের খণ্ডঘোষের কেশবপুর থেকে বাবার সঙ্গে মোটরবাইকে করে বর্ধমানের গোলাহাটে যাওয়ার পথে বেড়মোড় এলাকায় একটি বালি বোঝাই ট্রাক্টর বাইকটিকে ধাক্কা মারলে মন্তাসীর সেখ (১১) রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। জখম বাবা আজমগীর সেখ ও বর্ধমান মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।মন্তাসীর সেখ বর্ধমানের দেওয়ানদীঘি এলাকায় ইংরেজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল-র চতুর্থ শ্রেণিতে পড়তো। পুলিশ ঘাতক ট্রাক্টরটি ও চালককে আটক করেছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

শহরে জিটি রোডে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক সিভিক ভলেন্টিয়ার

সাত সকালে সড়ক দুর্ঘটনা বর্ধমান শহরে। সোমবার সকালে জিটি রোডের বাদামতলায় ফুড কর্পোরেশন অফ ইণ্ডিয়ার একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই ব্যক্তিকে ধাক্কা মারে। স্থানীয় মানুষজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। ক্রেন এনে ট্রাকটিকে সরানো হয়। দুর্ঘটনার জেরে কার্জনগেটমুখী লেনে সাম্যীক ভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। আহতদের মধ্যে একজন কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

নিজের লোকসভা কেন্দ্রেই যেতে পারতেন না রচনা! ইন্দ্রনীলকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সাংসদের

নিজের লোকসভা কেন্দ্রের একটি বিধানসভা এলাকায় যেতে হলেও অনুমতি নিতে হত তাঁকে। এমনই দাবি করলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন গ্রেফতার হওয়ার পর চন্দননগরে নিজের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন তিনি। রচনার দাবি, তৃণমূলে থাকার সময় চন্দননগরে কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত। এমনকি তাঁকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগেও অনুমতি নেওয়ার কথা বলা হত বলে জানিয়েছেন সাংসদ। তবে গায়ক হিসেবে ইন্দ্রনীলের প্রশংসাও করেছেন তিনি।চন্দননগর পুলিশের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রচনা। সেখানে তিনি জানান, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম এমন অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন। ২০২৪ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পরেও কেন তাঁকে চন্দননগরের অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি।রচনার দাবি, তৃণমূলে থাকার সময় চন্দননগরের তৎকালীন বিধায়ক তথা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের অনুমতি ছাড়া ওই এলাকায় কোনও অনুষ্ঠানে যেতে পারতেন না তিনি। শুধু তাই নয়, তাঁকে কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগেও ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত বলে দাবি করেছেন রচনা।তাঁর কথায়, একই দলের সাংসদ থাকলেও ইন্দ্রনীলের সঙ্গে সেই ভাবে কাজ করা হয়নি। ওঁর বিধানসভা এলাকায় কোনও অনুষ্ঠানে যেতে হলে অনুমতি নিয়েই যেতে হত। এমনকি কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগে ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত। দলের কর্মীরাই এ বিষয়টি আমাকে জানিয়েছিলেন।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে অবশ্য বেশি কিছু বলতে চাননি রচনা। তিনি জানিয়েছেন, এখন তিনি অন্য দলের সাংসদ। তাই আগের দলের কোনও নেতাকে নিয়ে মন্তব্য করতে চান না। একই সঙ্গে আইনি বিষয়টি আদালতেই মীমাংসা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ইন্দ্রনীল সেনের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য না করলেও গায়ক হিসেবে তাঁর প্রশংসা করেছেন রচনা। তাঁর কথায়, ইন্দ্রনীল সেন যখন গায়ক ছিলেন, তাঁর অনেক ক্যাসেট বিক্রি হয়েছে। শিল্পী ইন্দ্রনীল গায়ক হিসেবে ভালো ছিলেন।উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর দুর্গাপুজোর ই-পাস সংক্রান্ত মামলায় ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বউবাজার থানায় মাস আর্ট নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং বিশেষ প্রবেশপত্র বিক্রির ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে এক ভ্রমণ সংস্থার এজেন্ট এই অভিযোগ দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত করছে লালবাজারের গোয়েন্দা শাখা।ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ফের মা উড়ালপুলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! ডিভাইডার টপকে উল্টো লেনে গাড়ি, আহত অন্তত ৪

ফের দুর্ঘটনা মা উড়ালপুলে। শনিবার সকালে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত চার জন। দুর্ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণ ব্যাহত হয় যান চলাচল। মা উড়ালপুলে যানজট তৈরি হয়। পরে পুলিশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুটি গাড়ি সরিয়ে থানায় নিয়ে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ফের যান চলাচল শুরু হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে পার্ক সার্কাসের দিক থেকে আসছিল একটি গাড়ি। সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডার টপকে উল্টো দিকের লেনে চলে যায়। সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসছিল একটি ব্যক্তিগত গাড়ি। দুটি গাড়ির মধ্যে সজোরে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের অভিঘাতে দুটি গাড়িই দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় দুটি গাড়িরই এয়ারব্যাগ খুলে যায়।দুর্ঘটনায় দুটি গাড়িতে থাকা অন্তত চার জন যাত্রী আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতদের মধ্যে এক জনকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বাকিদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পার্ক সার্কাসের দিক থেকে আসা গাড়িটি দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল। সেই সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এর পর গাড়িটি ডিভাইডার টপকে উল্টো দিকের লেনে ঢুকে পড়ে। তখনই উল্টো দিক থেকে আসা অন্য গাড়িটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।দুর্ঘটনার পর দুটি গাড়িই আটক করেছে পুলিশ। কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার জেরে কিছুক্ষণের জন্য মা উড়ালপুলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। গাড়ি দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
দেশ

বিদেশে পড়াশোনার কথা জানতেন মা-বাবা, পুনের ফ্ল্য়াটের খাটের তলা থেকে মিলল মেয়ের দেহ

এমবিএ পড়তে লন্ডনে গিয়েছিলেন মেয়ে। অন্তত তেমনটাই জানতেন তাঁর মা-বাবা। কিন্তু তাঁদের অজান্তেই গত অগস্টে দেশে ফিরে এসেছিলেন তিনি। পুণের একটি ফ্ল্যাটে একাই থাকছিলেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। কয়েক দিন ধরে মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন মা-বাবা। শেষ পর্যন্ত বন্ধ ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে উদ্ধার হল ওই যুবতীর দেহ। খাটের তলায় পড়েছিল তাঁর নিথর শরীর। এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।মৃত যুবতীর নাম মুগ্ধা অবিনাশ দেশমুখ। গত বছরের জুলাই মাসে এমবিএ পড়তে ব্রিটেনে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চলতি বছরের অগস্টে কাউকে কিছু না জানিয়ে ভারতে ফিরে আসেন। এর পর পুণের একটি ফ্ল্যাটে থাকতে শুরু করেন। তবে মেয়ের সঙ্গে ফোনে নিয়মিত কথা হত বলেই দাবি তাঁর মা-বাবার। তাই তিনি যে দেশে ফিরে এসেছেন, সে কথা তাঁরা বুঝতে পারেননি।গত ২৪ অক্টোবরের পর থেকে মুগ্ধার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি তাঁর পরিবারের সদস্যেরা। ফোনও বন্ধ ছিল। মেয়ের কোনও খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁরা। এর পর মুগ্ধার এক বান্ধবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই বান্ধবী লন্ডন পুলিশের কাছে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানাতে গেলে জানতে পারেন, মুগ্ধা ব্রিটেন থেকে ভারতে ফিরে এসেছেন।এর পর লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পাশাপাশি মুগ্ধার অনলাইনে কেনাকাটা ও বিক্রির তথ্য খতিয়ে দেখা হয়। সেই সূত্র ধরেই শম্ভাজিনগরের একটি ঠিকানা জানতে পারে পুলিশ। সেখানে পৌঁছে বন্ধ অ্যাপার্টমেন্টের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন তদন্তকারীরা। ঘরের ভিতরে খাটের তলায় মুগ্ধার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুগ্ধার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তেও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। আরও পরীক্ষার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা তদন্তকারীদের।কেন মুগ্ধা লন্ডন থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে ভারতে ফিরে এসেছিলেন, পুণের ফ্ল্যাটে তিনি একাই থাকতেন কি না, তাঁর মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর উদ্যোগ কংগ্রেসের, তার আগেই বিরোধীদের কী চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অমিত শাহ?

বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পাবলিক ইমপিচমেন্ট কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস। শনিবার এই কর্মসূচি হওয়ার কথা। তার আগেই কংগ্রেসকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর দাবি, এসআইআর নিয়ে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকে আলোচনা করতে প্রস্তুত বিজেপি।উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে বিজেপির একটি বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, আপনাদের দুজনকে এখানেই চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি, বিজেপি এই বিষয়ে আলোচনা করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের লুকানোর কিছু নেই। আসুন, সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকা হোক। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীদের হট্টগোলের কারণে সংসদের কাজ বার বার ব্যাহত হয়। বিরোধীরা সংসদে আলোচনা করতে চায় না বলেও দাবি করেন তিনি।বাংলার নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদের আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনে জেতার সম্ভাবনা কম বুঝেই বিরোধীরা ভোট চুরির অভিযোগ তুলছে। এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দিতে বিজেপি প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরের দিনই এই মন্তব্য করেন অমিত শাহ। ওই নির্বাচনে বিজেপি ছটি এবং সমাজবাদী পার্টি পাঁচটি আসনে জয়ী হয়েছে। বিজেপি তাদের আগের আসনগুলি ধরে রেখেছে। অন্য দিকে, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এই ফলকে বিজেপির পরাজয় বলে ব্যাখ্যা করেছেন।এদিকে, রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বৃহত্তর সমাবেশ হওয়ার কথা। তার আগে শনিবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতে পাবলিক ইমপিচমেন্ট কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই কর্মসূচিতে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে কোন কোন বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে, তা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন বিরোধী নেতারা।এই কর্মসূচিতে প্রাক্তন লোকসভা স্পিকার মীরা কুমারের উপস্থিত থাকার কথা। সাধারণ মানুষেরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের সময় যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে বলে অভিযোগ, এমন দুজন ভোটারও সেখানে বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও বিরোধীদের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমেই বাড়ছে। এক দিকে কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচি, অন্য দিকে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার চ্যালেঞ্জএই দুইয়ের মধ্যে বিতর্ক কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

পরোটা বিক্রি করতে লাইসেন্স আছে? রাজুদার দোকানে হানা দিয়ে কী জানতে চাইলেন আধিকারিকেরা?

শিয়ালদহের এনআরএস হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে পরোটা বিক্রি করে সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন রাজুদা। শনিবার সকালে তাঁর দোকানে আচমকা হানা দিলেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। পরোটা বিক্রির প্রয়োজনীয় লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা জানতে চান তাঁরা। রাজুদা লাইসেন্স দেখাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। তাঁর দোকান থেকে খাবারের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক পরীক্ষায় তাঁর তৈরি তরকারি উত্তীর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজুদা। নমুনাগুলি পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। সাত দিন পর সেই রিপোর্ট আসার কথা।শুধু রাজুদার দোকানেই নয়, শনিবার সকালে শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের একাধিক খাবারের দোকানেও অভিযান চালান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। বিভিন্ন দোকান থেকে সিঙারা, কচুরি, তরকারি, মাছ, মাংস-সহ নানা খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। খাবারের গুণগত মান যাচাই করতে রাসায়নিক ব্যবহার করে প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়।আধিকারিকদের দাবি, পরীক্ষায় কয়েকটি খাবারের মান সন্তোষজনক পাওয়া যায়নি। এর পর প্রায় ১০০টি সিঙারা, কচুরির ডাল, তরকারি, পচা মুরগির মাংস এবং মাছের ডিম ফেলে দেওয়া হয়। দোকানদারদের খাবারের মান বজায় রাখার বিষয়ে সতর্কও করা হয়েছে।এর পর আধিকারিকেরা যান রাজুদার দোকানে। সেখানে তাঁর কাছে পরোটা বিক্রির লাইসেন্স দেখতে চান তাঁরা। কিন্তু রাজুদা কোনও লাইসেন্স দেখাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। তাঁর দোকান থেকে তরকারির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় সেই তরকারি উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজুদা। তবে খাবারের চূড়ান্ত মান সম্পর্কে জানতে পরীক্ষাগারের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।এই বিষয়ে রাজুদা বলেন, লাইসেন্স সম্পর্কে কোনও অভিজ্ঞতা ছিল না। বাড়িতে ১০-১২ কেজি ময়দার পরোটা বানাই। ৩টে ৪৫-এর ট্রেন ধরে কলকাতায় এসে বিক্রি করি। সকাল ১১টায় আবার ফিরে যাই। স্যরেরা লাইসেন্সের কথা বললেন। এ বার লাইসেন্স নেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু খাবার নিয়ে কেউ কোনও আপত্তি জানাতে পারবেন না।আধিকারিকেরা তাঁকে সার্জিক্যাল টুপি পরার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন রাজুদা। এর পর থেকে টুপি ও দস্তানা পরে খাবার বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের খাবারের দোকানগুলিতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজুদার দোকানের খাবারের চূড়ান্ত পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও আসেনি। তাই তাঁর তৈরি খাবারের মান সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তের জন্য পরীক্ষাগারের রিপোর্টের অপেক্ষা করতে হবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বছরখানেক আগে গুলিবিদ্ধ, এ বার রেললাইনের ধারে পুলিশ আধিকারিকের দেহ! রহস্য ঘনাল বাঁকুড়ায়

বছরখানেক আগে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। সেই ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। এ বার সেই পুলিশ আধিকারিক জয়ন্ত পালের মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া শহরের কেঠারডাঙা রেলগেটের কাছে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। আরণ্যক এক্সপ্রেসের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।জয়ন্ত পাল বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে ইনস্পেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর দেহ উদ্ধারের পর পুলিশ সেটি বাঁকুড়ার সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। রেললাইন পারাপারের সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মৃত্যুর কারণ জানতে জয়ন্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা।এর আগে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি হাওড়ার ঘোষপাড়ার একটি পেট্রল পাম্পে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন জয়ন্ত। তাঁর বাঁ হাতে গুলি লাগে। সেই সময় তিনি হুগলির চণ্ডীতলা থানার আইসি পদে কর্মরত ছিলেন। ওই গুলিকাণ্ডের পর এক তরুণীকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। জানা গিয়েছিল, ওই তরুণী হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসিন্দা। সামাজিক মাধ্যমে জয়ন্তের সঙ্গে তাঁর আলাপ ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। জয়ন্ত এবং ওই তরুণীকে এলাকার একটি বহুতলেও একাধিক বার দেখা গিয়েছিল বলে জানা যায়। যদিও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর তরুণীর মা দাবি করেছিলেন, তিনি জয়ন্তকে চিনতেন না। এই ঘটনাকে ঘিরে তখন নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে জয়ন্তকে সাসপেন্ড করে রাজ্য পুলিশ। সেই সময় রাজ্য পুলিশের এডিজি পদে থাকা জাভেদ শামিম জানিয়েছিলেন, কাউকে কিছু না জানিয়ে থানা থেকে বেরিয়ে অন্য জেলায় চলে গিয়েছিলেন জয়ন্ত। কর্তব্যরত অবস্থায় নিয়মভঙ্গের অভিযোগেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলে জানানো হয়।সাসপেনশন ওঠার পর জয়ন্ত একে একে খানাকুল, চণ্ডীতলা এবং সিঙ্গুর থানায় দায়িত্ব সামলান। পরে তিনি বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে ইনস্পেক্টর পদে যোগ দেন। সেই জয়ন্তেরই এ বার মৃত্যু হল বাঁকুড়ার রেলগেটের কাছে। তাঁর মৃত্যুর পিছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
রাজ্য

হাসিমারা থেকে সেনা জওয়ান গ্রেফতার, আইএসআইকে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ! কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসে ধৃত চিনা নাগরিকও

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে হাসিমারা থেকে এক সেনা জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম জবীর সিং। তিনি পাঞ্জাবের বাসিন্দা। পাঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযান শাখা তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার তাঁকে শিলিগুড়ি আদালতে পেশ করা হলে দুদিনের ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। এর পর তাঁকে পাঞ্জাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জবীরের বিরুদ্ধে অন্যদের সঙ্গে মিলে সেনা ছাউনির গোপন তথ্য পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় গত ৮ অক্টোবর ফাজিলকার রাজ্য বিশেষ অভিযান শাখায় সরকারি গোপনীয়তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার তদন্তের সূত্রেই জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ধৃত জওয়ান ঠিক কী ধরনের তথ্য পাচার করেছেন, তাঁর কাছ থেকে কোন কোন গোপন তথ্য পাওয়া গিয়েছে এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কেন তিনি এই কাজ করেছেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও তদন্তাধীন।অন্য দিকে, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার নাম করে ভারতে ঢোকার অভিযোগে এক চিনা নাগরিককে আটক করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাঁর নাম ইউহাস লিউ। তিনি চলতি মাসে চিন থেকে নেপালে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। নেপালে তাঁর পরিচয় হয় দীনেশ পুরি নামে এক নেপালি গাইডের সঙ্গে।শুক্রবার ভোররাতে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে দুজনকে ভারতের দিকে আসতে দেখেন টহলরত সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ান ও আধিকারিকেরা। তাঁদের চলাফেরা দেখে সন্দেহ হয় নিরাপত্তারক্ষীদের। এর পর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে যৌথ ভাবে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় দীনেশ নিজেকে নেপালের বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। লিউ-ও নিজেকে নেপালি বলে দাবি করেন। কিন্তু গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়, কারণ লিউ ভাঙা ইংরেজি ছাড়া নেপালি বা হিন্দিতে কথা বলতে পারছিলেন না। এর পর দোভাষীর সাহায্যে তাঁকে জেরা করা হয়। তখনই তাঁর পরিচয় নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ে এবং তিনি চিনের নাগরিক বলে জানা যায়। এর পর দুজনকে আটক করেন গোয়েন্দারা।সেনা জওয়ানের বিরুদ্ধে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ এবং সীমান্তে চিনা নাগরিক আটকের ঘটনায় উত্তরবঙ্গের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনও তথ্য এখনও সামনে আসেনি। দুই ক্ষেত্রেই তদন্তকারীরা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য খতিয়ে দেখছেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘আমার খুব আনন্দ হচ্ছে’, ইন্দ্রনীল সেন জেলে যেতেই বিস্ফোরক বুদ্ধদেব-পুত্র সুচেতন!

পুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তাঁকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এ বার মুখ খুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। ইন্দ্রনীলের সঙ্গীত সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তা সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন সুচেতন। তাঁর অভিযোগ, ইন্দ্রনীলের আচরণ ছিল অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ। প্রাক্তন মন্ত্রীর জেলবন্দি হওয়ার খবর তাঁকে খুশি করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কলেজ পাশ করার পর ২০০৫ সালে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গীত সংস্থায় চাকরি শুরু করেন সুচেতন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করেছিলেন তিনি। সেই সময় রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এর পর ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে বলে দাবি সুচেতনের। সেই পরিস্থিতিতে সংস্থার চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।সুচেতনের অভিযোগ, ২০১৩ সালে তিনি ইস্তফাপত্র পাঠালেও ইন্দ্রনীল তা গ্রহণ করেননি। ইস্তফাপত্রের কপি দেওয়ার কথা বলে তাঁকে অফিসে ডেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। সুচেতনের কথায়, তাঁর ঔদ্ধত্য এতটাই ছিল যে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ পর্যন্ত করেননি। সেটা রিসিভ করে আমাকে কপি দেবেন বলে ডেকে পাঠিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে অপেক্ষা করিয়েছেন। নিজে কথা বলেননি, বাকি কর্মীদের দিয়ে বলে পাঠাচ্ছিলেন, অপেক্ষা করতে হবে। ভাবুন কী অপমানজনক! একটা ইস্তফাপত্র সই করতে এতখানি ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন।ইন্দ্রনীলের সংস্থায় কাজ করা রেকর্ডিস্ট এবং অন্য সঙ্গীতশিল্পীদের পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন সুচেতন। তাঁর দাবি, অনেক সময় কাজ করানোর পরেও শিল্পীদের ঠিকমতো টাকা দেওয়া হত না। এক সময়ে নিজের টাকা থেকে কয়েক জন শিল্পীর পারিশ্রমিক মিটিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সুচেতনের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এতটাই খারাপ হয়েছিল যে বাবার অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে যেন তিনি তাঁদের বাড়ির আশপাশে না আসেন, সে কথা দলকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণের সময়েও তৎকালীন মন্ত্রীকে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে ঢুকতে দিতে চাননি বলে জানিয়েছেন সুচেতন।ইন্দ্রনীল সেনের জেলবন্দি হওয়ার প্রসঙ্গে সুচেতন বলেন, পাপ ও কৃতকর্মের ফল ভোগ করছেন। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। তাঁর আরও বক্তব্য, আমার মনে হয়, শুধু আমি নই, যাঁরা ওঁর দুর্নীতির পরিচয় পেয়েছেন, তাঁরা সকলে আজ খুশি।ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে আর্থিক দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে সুচেতনের বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অভিযোগের ভিত্তিতে করা। অভিযোগগুলির সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal