• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

রাজনীতি

বড় খবরঃ Babul Supriyo: রাজনীতিকে আলবিদা বাবুলের, ছাড়ছেন সাংসদ পদও

রাজনীতি ছাড়তে চলেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়! বাবুলের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনীতিতে। মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন আলবিদা। লিখেছেন চললাম....। তবে তিনি সিপিএম, কংগ্রেস বা তৃণমূলে যোগ দেনেন না বলেও ঘোষণা করেছেন। সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন বাবুল।শনিবার বিকেলে লম্বা লেখা পোস্ট করেছেন ফেসবুকে। কি লিখেছেন বাবুল?প্রথমেই লিখেছেন...চললাম.. Alvida সবার সব কথা শুনলাম - বাবা, (মা) স্ত্রী, কন্যা, দুএকজন প্রিয় বন্ধুবান্ধব.. সবটুকু শুনে বুঝেই অনুভব করেই বলি, অন্য কোন দলেও যাচ্ছি না - #TMC, #Congress, #CPIM, কোথাও নয় - Confirm করছি, কেউ আমাকে ডাকেওনি, আমিও কোথাও যাচ্ছি না 😊 Iতাঁর রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সঙ্গে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সম্পর্কের কথাও স্বীকার করেছেন দুবারের গেরুয়া শিবিরের গায়ক সাংসদ। তিনি লিখেছেন, কিন্তু একটা প্রশ্নের জবাব আমাকে দিয়ে যেতেই হবে because its pertinent ! প্রশ্ন উঠবেই কেনই বা রাজনীতি ছাড়তে গেছিলাম? মন্ত্রিত্ব চলে যাওয়ার সাথে তার কি কোনো সম্পর্ক আছে? হ্যাঁ আছে - কিছুটা তো নিশ্চয় আছে ! তঞ্চকতা করতে চাইনা তাই সে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেলেই তা সঠিক হবে-আমাকেও তা শান্তি দেবে |বাবুল দলের প্রাক্তন সভাপতি অমিত শাহ ও বর্তমান সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা সম্পর্কে লিখেছেন...বিগত কয়েকদিনে বার বার মাননীয় অমিত শাহ ও মাননীয় নাড্ডাজির কাছে রাজনীতি ছাড়ার সঙ্কল্প নিয়ে গেছি এবং আমি ওঁদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ যে প্রতিবারই ওঁরা আমাকে নানাভাবে অনুপ্রাণিত করে ফিরিয়ে দিয়েছেন | আমি তাঁদের এই ভালোবাসা কোনো দিন ভুলবো না আর তাই আবার তাঁদের কাছে গিয়ে সেই একই কথা বলার ধৃষ্টতা আর আমি দেখাতে পারবো না 🙏 বিশেষ করে আমার আমি কি করতে চায় তা যখন আমি অনেকদিন আগেই ঠিক করে ফেলেছি || কাজেই আবার একই কথার পুনরাবৃত্তি করতে গেলে কোথাও না কোথাও তাঁরা ভাবতেই পারেন যে আমি কোনো পদের জন্য Bargain করছি। আর তা যখন একেবারেই সত্য নয় তখন একেবারেই চাইনা যে তাঁদের মনের ঈশান কোণেও সেই সন্দেহের উদ্রেক হোক - এক মূহুর্তের জন্য হলেও।প্রার্থনা করি ওঁরা আমায় ভুল না বুঝে, ক্ষমা করবেন।

জুলাই ৩১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Radio : 'রেডিও'-র শুটিং শুরু হল, মুখ্য চরিত্রে প্রিয়াঙ্কা সরকার

পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিকের নতুন ছবি রেডিও। যেখানে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারকে। এই ছবিতে একজন মানুষের সঙ্গে একটি রেডিওর সম্পর্ক কে তুলে ধরা হবে। অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের কাছেও এই ছবিটি খুব স্পেশ্যাল। এই ছবিতে বাকী চরিত্র কারা রয়েছেন সেটা এতদিন সাসপেন্সে ছিল। এবার সেই সাসপেন্সটা আর সাসপেন্স থাকল না। বাকী চরিত্রগুলোর নামও ঘোষণা করে দিলেন পরিচালক। এই ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন ঈশান মজুমদার, ধানি বোস, সুমনা চ্যাটার্জী, মোমো, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গীত পরিচালনা করবেন সৌম্য ঋত। নাম ঘোষণার পরেই শুটিং-ও শুরু হয়ে গেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও পোস্ট করেছেন অভিনেতা ঈশান মজুমদার।

জুলাই ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mainak :মৈনাকের পরবর্তী ছবিতে মিমি, প্রযোজক সম্পূর্ণা

পরিচালক মৈনাক ভৌমিকের নতুন ছবি আসতে চলেছে। এই ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন টলিউডের অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। ছবির নাম মিনি। এই প্রথমবার পরিচালক মৈনাকের সঙ্গে কাজ করা নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিমি। তবে মৈনাকের মিনিতে রয়েছে আরও একটি চমক। এই ছবি দিয়েই ছবি প্রযোজনায় পা দিতে চলেছেন অভিনেত্রী সম্পূর্ণা লাহিড়ী! তাঁর সঙ্গে থাকছেন প্রযোজক রাহুল ভঞ্জ।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিমিমি চক্রবর্তী বর্তমানে রিচালক অরিন্দম শীলের নতুন ছবি খেলা যখন-এর শুটিংয়ে ব্যস্ত। এই ছবির শুটিংয়ের পরই মৈনাকের মিনি ছবির শুটিং শুরু হবে। প্রযোজক রাহুল ভঞ্জের কথায়, করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের মাত্রা বুঝেই এই ছবির শুটিংয়ের বন্দোবস্ত করা হবে।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারপ্রযোজক হিসাবে নতুন জার্নি শুরু করতে চলা সম্পূর্ণা লাহিড়ী বেশ উচ্ছ্বসিত। তার সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোস্টই যার প্রমাণ করে দিচ্ছে। এখন শুটিং শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে পুরো ইউনিট।

জুলাই ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Web Series : ক্লিকে শীঘ্রই আসছে ওয়েব সিরিজ কালিম্পং ক্রাইমস

কালিম্পং ক্রাইমস মূলত একটি সিনেমা তৈরির শুটিং-এর গল্পের প্রেক্ষাপটে, অন্তর্নিহিত আর একটি গল্প। রোমহর্ষক ষড়যন্ত্র, ধারাবাহিক খুন ও তার সুত্র অনুসন্ধান মূলক সিরিয়াল কিলিং- এর তদন্ত কাহিনী। গল্পের সূত্রপাত, একটি সিনেমার শুটিং দলের কালিম্পং পৌঁছানো নিয়ে। মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যে ঘেরা কালিম্পংয়ের কুয়াশাচ্ছন্ন ডেলোতে একটি পুরানো ব্রিটিশ ট্যুরিস্ট লজ গল্পটির প্রাণকেন্দ্রে। যেখানে প্রখ্যাত অভিনেতা এবং কলাকুশলী সহ একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ইউনিট এসে পৌঁছায়। আর সেখানেই একে একে মূল গল্পের বিভিন্ন চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ কৌতূহলজনকভাবে চোখে পড়ে।এই দলে ২ জন নায়িকা, একজন লম্পট প্রযোজক, প্রযোজকের এক বদবখাটে ভাই, একজন কেতাদূরস্ত নায়ক, একজন বেপরোয়া সিনেমাটোগ্রাফার, একজন বদ-মেজাজী পরিচালক, একজন ম্যানেজার, একজন স্ক্রিপ্ট লেখক, একজন খলনায়ক ও ২ জন সহকারী পরিচালক রয়েছেন, যাদের চরিত্র এবং বৈশিষ্ট্যগুলি একে একে গল্পে দেখানো হয়। এরই সাথে এক বিচিত্র ডাক্তার রায়চৌধুরী এসে ডেলোয় পৌঁছন, যার পুরোনো দিনের অস্ত্র সংগ্রহের একটি বিশেষ শখ রয়েছে।শুরুতেই উত্তেজনার পারদ কিঞ্চিৎ বেড়ে যায়। নায়ক রাহুলকে গল্পের ভেতরে তৈরি হওয়া ছবির দুই অভিনেত্রীর সাথে, আমরা পৃথক সময়ে ঘনিষ্ট কীর্তিকলাপে লিপ্ত হতে দেখতে পাবো। প্রযোজক দয়াল এবং সায়রা নামে একজন অভিনেত্রীর মধ্যেও কুৎসিত বিবাদ শুরুর আভাস দেখতে পাওয়া যাবে, যেখানে প্রযোজক তার উপর যৌন নির্যাতন করতে উদ্যত হন। এরপরেই দুই নায়িকা, মল্লিকা এবং সায়রা আক্ষরিক অর্থেই একে অপরকে তীব্র হুমকি দিতে থাকেন। তাদের দুজনের প্রেম বা ঘৃণার ব্যাক্তি কি এক?সেই রাতেই সায়রা এক ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হয়। ঘটে যায় তার অস্বাভাবিক মৃত্যু। যদিও স্থানীয় পুলিশ প্রাথমিক ভাবে এই ঘটনাটিকে একটি আত্মহত্যার মামলা হিসাবে তুলে ধরে। আর হটাৎ করেই এই অপরাধের ঘটনাস্থলে, নিহারিকা সেন নামে একজন গোয়েন্দার আবির্ভাব হয়। এবং তিনি পুনরায় এই হত্যা মামলার তদন্ত শুরু করেন। জমে ওঠে গল্পের প্লটটি। আশঙ্কাজনক ভাবে বোঝা যায় যে, ইউনিটের যে কেউ, আততায়ীর পরবর্তী শিকার হতে পারে! এইভাবে গল্পটি এগোতে থাকে। এই ওয়েব সিরিজের পরিচালক তপন সাহা।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

Depression: বঙ্গের উপর ঘনীভূত গভীর নিম্নচাপ

বুধবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত। বৃহস্পতিবারও সারাদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ প্রায় গোটা দক্ষিণবঙ্গেই। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই পূর্বাভাস আগামী ২৪ ঘণ্টা জারি থাকবে। এ ছা়ড়া আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টা কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেপ্তার ৫আলিপুর জানিয়েছে, বাংলাদেশের খুলনার কাছে অবস্থান করছে গভীর নিম্নচাপ। বৃহস্পতিবার সেটি বাংলার উপর দিয়ে বিহারের দিকে যাবে। তার ফলে বৃহস্পতিবার সারাদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে বলেই পূর্বাভাস। হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায়। শুক্রবারও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মতো বৃহস্পতিবারও সারাদিন বৃষ্টি হলে কলকাতার পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮ শতাংশ, ন্যূনতম ৮০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৬৬.৫ মিলিমিটার।

জুলাই ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Saayoni Ghosh : অনীক দত্তের সিনেমায় বিমলা রায়ের চরিত্রে সায়নী ঘোষ

বর্তমানে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। অভিনয়ের জন্য যথেষ্ট ব্যস্ততা রয়েছে তার। এর মধ্যেই শুটিং ফ্লোরে ফিরলেন তিনি। অনীক দত্তের পরবর্তী ছবি অপরাজিততে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। চরিত্রের নাম বিমলা রায়। যে চরিত্রটি তৈরি করা হবে বিজয়া রায়ের ছায়ায়।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএর আগেও অনীক দত্তের সঙ্গে কাজ করেছেন সায়নী। ফলে দুজনের মধ্যে বোঝাপড়াটা বেশ ভাল। এই ছবিতে আবীর চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে দেখা যাবে তাকে। ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে। সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ উপলখ্যে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এই ছবির নির্মাণ করছেন অনীক দত্ত। ফ্রেন্ড কমিউনিকেশন এই সিনেমার প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে। ছবির ঘোষণা অনেক আগেই হয়েছিল। অতিমারির জন্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে কাজ এগোয়। এবার শুধু শুটিং শুরুর অপেক্ষা।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি

সোমবার বিকেল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে শহরে। তবে এবার এই বৃষ্টি আরও বাড়বে, এমনই পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হচ্ছে একটি নিম্নচাপ। যার জেরে দক্ষিণবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার সারাদিন মেঘলা আকাশ ও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হলেও বুধবার সকাল থেকেই উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং নদিয়ায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আরও পড়ুনঃ মমতার ক্ষমতায় বিশ্বাসী কমলনাথ৩০ জুলাই পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বুধবার কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায়। অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমে। বৃহস্পতিবার কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমানে। অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানে।শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি ক্রমশ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের দিকে। যার জেরে রাজ্যে এর প্রবল প্রভাব পড়বে এবং মুষলধারে বৃষ্টিতে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ। আজ সারাদিনই কালো মেঘে ঢাকা থাকবে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Modi-Mamata: দুটি দাবি নিয়ে ২৫ মিনিটের বৈঠক মোদি-মমতার

ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টিভেজা রাজধানীতে মঙ্গলবার ৪ টে বাজার মিনিট পাঁচেক আগেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ৭ লোককল্যাণ মার্গে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনিট ২৫-এর বৈঠক করেন। তারপর বেরিয়ে এসে মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। সেখানে মমতা জানান, সংক্ষিপ্ত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মূলত দুটি দাবি জানিয়েছেন তিনি। প্রথমত, রাজ্যে করোনা টিকার সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলায় পরিবর্তন করার বিষয়টি দেখতে বলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ দিনভর হেভিওয়েটদের সঙ্গে বৈঠক মমতারনানা জল্পনা এবং রাজনৈতিক সম্ভবনার আবহেই প্রায় দেড় বছর পর মুখোমুখি বৈঠকে বসেছিলেন মোদি ও মমতা। সকাল থেকে এই হাইভোল্টেজ বৈঠকের দিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। সেই বৈঠক এ দিন ২৫ মিনিট স্থায়ী হয়। বৈঠক শেষে মমতা বলেন, তৃতীয়বার আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছিলাম। এটা সম্পূর্ণভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। নির্বাচনের পর দেখা করাটা সাংবিধানিক বাধ্যকতা। কী নিয়ে আলোচনা হল বৈঠকে? মমতা বলেন, আমি কোভিড নিয়ে আলোচনা করেছি। যা ভ্যাকসিন পাওয়া গিয়েছে তার থেকে আমাদের চাহিদা আরেকটু বেশি। প্রত্যেক রাজ্যই পাক, তাতে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু আমাদের রাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে কম ভ্যাকসিন এসেছে।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতএই ছিল মমতার প্রথম দাবি। মুখ্যমন্ত্রীর দ্বিতীয় দাবিটি ছিল, পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের বিষয়টি যেন কেন্দ্রীয় সরকার বিচার করে। তাঁর কথায়, অনেকদিন হয়ে গেল। দয়া করে এ বার আপনি আমাদের রাজ্যের নামটা বদলের ব্যবস্থা করুন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সমস্ত আবেদন শুনেছেন বলেই এ দিন দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ইস্টবেঙ্গেলের সমস্যা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্ক মেটাতে এবার আসরে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সমস্যার সমাধান করতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দ্বারস্থ হবেন।আগের দিন ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলার সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জিকে ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলারকে টার্মশিট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখানো হয়। চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাঁদের মনে হয়েছিল, টার্মশিটের সঙ্গে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তাই এই ব্যাপারে আলোচনার জন্য সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলারদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। তাঁদের ডাকে সাড়া দিয়ে সোমবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে এসেছিলেন সুভাষ ভৌমিক, দেবজিৎ ঘোষ, শিশির ঘোষ, মেহতাব হোসেন, অভিজিৎ মণ্ডল, রহিম নবিসহ অনেক প্রাক্তন ফুটবলার। কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটারও এই বৈঠকে হাজির ছিলেন। বৈঠকের পর তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারপ্রাক্তন ফুটবলারদের মনে হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবলমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই পারবেন সমস্যার সমাধান করতে। প্রয়োজনে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেও তাঁরা কথা বলবেন। প্রাক্তন ফুটবলাররা প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রাথমিক চুক্তি করার সময় ক্লাব কর্তাদের আরও যত্নবান হওয়া উচিত ছিল। শুরুতেই একপেশে চুক্তি করা হয়েছিল। এইরকম একপেশে চুক্তি মেনে নেওয়া যায় না। শ্রী সিমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙুরের কাছে অনুরোধ, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর সুভাষ ভৌমিক বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পড়ে দেখলাম, এখানে সই করা মানে বুকে পাথর আর গলায় দড়ি বেঁধে গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়া। দেবজিৎ ঘোষ বলেন, ইস্টবেঙ্গল এবং লগ্নিকারী সংস্থাকে মধ্যস্থতায় আসতে হবে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি যাতে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলতে পারে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াবৈঠকের শেষদিকে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে হাজির হন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেন, প্রাক্তন ফুটবলাররা আমাকে ফোন করেছিলেন। তাই এসেছি। পৃথিবীতে এমন কোনও চুক্তি হতে পারে না, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বিচ্ছেদের অধিকার থাকবে না। আমরা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পাশে আছি।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলএএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য মঙ্গলবার আবেদন করার শেষ দিন। সোমবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে ইস্টবেঙ্গলকে জানানো হয়েছে, প্রথম থেকে বলে আসছি আমরা খেলতে চাই। তাই ক্লাব লাইসেন্সিং সচল রাখার জন্য আমরা লাইসেন্সিংয়ের আবেদন করছি। কিন্তু যতক্ষণ না চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হচ্ছে, আমরা কোনওরকম বিনিয়োগ করব না।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Laxmiratan Shukla : ‘‌লম্বা চুল রাখা যাবে না’‌, লক্ষ্মীর ফতোয়া

যখন খেলতেন, কখনও শৃঙ্খলাভঙ্গ করেননি। সময়মতো অনুশীলনে আসা, শালীনতা বজায় রাখা, সবকিছুই মেনে চলতেন। তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে তিনি ছিলেন আদর্শ। নিজের সেই মানসিকতা ছাত্রদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে চান লক্ষ্মীরতন শুক্লা। অনূর্ধ্ব ২৩ দলের অনুশীলনের প্রথম দিনই ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে হেড স্যারের মতো কড়া বার্তা দিলেন বাংলার এই কোচ। নায়কোচিত মানসিকতা বাদ দিয়ে মাঠে বেশি ফোকাসের আহ্বান। দায়িত্ব নিয়ে প্রথম দিনেই লক্ষ্মীরতন শুক্লা বুঝিয়ে দিলেন, শৃঙ্খলাই তাঁর কাছে শেষ কথা।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতএ বছরই তাঁকে বাংলার অনূর্ধ্ব২৩ দলের দায়িত্ব দিয়েছে সিএবি। সোমবার ৬০ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে ফিটনেস শিবির শুরু করে দিলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ছিলেন বোলিং কোচ শিবশঙ্কর পাল এবং স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচ সাবির আলি। প্রথম দিনের অনুশীলনে ক্রিকেটারদের বুঝিয়ে দিলেন তিনি ঠিক কী চান।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলপ্রথম দিন ক্রিকেটারদের পরামর্শ দেওয়ার প্রসঙ্গে লক্ষ্মী বলেন, ক্রিকেটারদের বলেছি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে। শালীনতা বজায় রাখতে হবে, শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে। লম্বা চুল রাখা যাবে না। যাদের বড় বড় চুল আছে, অবিলম্বে সেলুনে যেতে হবে। সৌরভ, শচীন, ফেডেরারের মতো তারকাদের দেখুন। কখনও লম্বা চুল রেখেছে? প্রত্যেকে দারুণ শৃঙ্খলাপরায়ণ ছিলেন বলেই সর্বোচ্চ পর্যায়ে সাফল্য পেয়েছেন। আর একটা জিনিসের ওপর জোর দিতে বলেছি, বাংলা ভাষা ভালভাবে শিখতে। না হলে দলের মধ্যে একাত্মবোধ বাড়বে না।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলসিএবি তাঁকে সিনিয়র দলের সঙ্গে যুক্ত করতে চেয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্মী সিএবি কর্তাদের জানিয়েছিলেন, জুনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়েই কাজ করতে চান। তাঁর লক্ষ্য বাংলা থেকে জাতীয় দলের জন্য ক্রিকেটার তৈরি করা। লক্ষ্মী বলেন, আমি কোচ নই, পথপ্রদর্শক। ক্রিকেটারদের সাহায্যকারী। ওদের গড়ে উঠতে সাহায্য করতে চাই। আমি চাই বাংলা থেকে এমন ক্রিকেটার তৈরি করতে, যারা দেশের হয়ে খেলতে পারে। কোনও নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে বিশ্বাসী নন লক্ষ্মী। তাঁর কথায়, সৌরভ গাঙ্গুলিকে দেখেছি। কোনও নির্দিষ্ট পদ্ধতি নিয়ে খেলত না। পরিকল্পনা অবশ্যই করতে হবে। তবে পরিকল্পনা করে সেঞ্চুরি আসে না কিংবা ৫ উইকেট পাওয়া যায় না। সবথেকে বড় কথা, নিজেকে ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিতে হবে।

জুলাই ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ogo Nirupama : শেষ হল ওগো নিরুপমার শুটিং

সরকার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ওগো নিরুপমার শুটিং শেষ হল। বেশ কয়েকমাস ধরে চলা এই জনপ্রিয় ধারাবাহিকের শুটিং শেষ হওয়ার পর একটু হলেও দুঃখ রয়েছে কলাকুশলীদের মধ্যে। নতুন একটি মেগাতে আবার তাদের দেখা যাবে। এই ধারাবাহিকে অভিনয় প্রসঙ্গে অনুজিৎ সরকার অর্থাৎ ধারাবাহিকের হ্যারি জানালেন,গল্পটা খুব সুন্দরভাবে শেষ হল। গল্পটায় একটা হ্যাপি এন্ডিং দেখানো হয়েছে। গতকাল শেষদিনে সবাই উপস্থিত ছিল। এই হ্যারি চরিত্রটা করতে গিয়ে আমার অন্য একটা এক্সপিরিয়েন্স হয়েছে। এই চরিত্রটার মাধ্যমে আমার ইন্ডাস্ট্রিতে একটা পরিচয় হয়েছে। যে আমিও এই ইন্ডাস্ট্রির একটা পার্ট। হ্যারি চরিত্রটা অনুজিৎকে অনুজিৎ হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। দর্শকরা আমাকে নেগেটিভ চরিত্র হিসাবেই অ্যাকসেপ্ট করেছে অনেক অনেক ভালোবাসা দেখিয়েছে। অনেকে বলেছেন হ্যারিকে চিরকাল মিস করবো। ১০ মাস সিরিয়ালটা চলেছে তার মধ্যে ৬ মাস হ্যারি ছিল। কো অ্যাক্টর, অ্যাকট্রেস, ডিরেক্টোরিয়াল টিম সবাই খুব ভালো ছিল। ওগো নিরুপমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর এবার নতুন ধারাবাহিকের মাধ্যমে ফিরতে চলেছেন অনুজিৎ।

জুলাই ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Uttam-Manna: মহানায়ক উত্তম কুমার ও মান্না দে বাংলার সিনেমার 'আমি যামিনী তুমি শশী '

সিনেমা / ছায়াছবি যে দিন নির্বাক থেকে সবাক হল প্রায় তখন থেকেই ছবির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জুড়ে গেল গান। সঙ্গে এটাও বোঝা গেল গানও একটা ছায়াছবিকে একক ভাবে জনপ্রিয় করতে পারে। ছবি শেষ হলেও গানের রেশ দর্শকের কানে বাজতে থাকে। তাঁদের মুখে মুখে ঘুরে বেড়ায়। ফলে সিনেমার নাম অনেক সময় ভুলে গেলেও, আমরা গান দিয়ে তাঁকে খুঁজতে চেষ্টা করি।আমি কেবল মান্না দে-র গান শুনি। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মোঃ রফি একবার তাঁর ভক্তদের বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন মান্না দে মুম্বাই তথা বলিউড প্লেব্যাক জগতের প্রাণ এবং ১০০ বছর পরেও মানুষের মনে সেই স্থানেই তিনি থাকবেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নিয়মিত চর্চার সঙ্গে সঙ্গে গলার অসাধারন সুর, বহুমুখী গান করার দক্ষতা তাঁকে কিংবদন্তি গায়কের স্থানে বসিয়ে রেখেছে।রাজকাপুর-মুকেশ, অমিতাভ- কিশোর, শশী কাপুর-মঃ রফি এরকম অনেক অভিনেতা গায়কের জুটির নাম জানা যায়। সেই রকমই, তৎকালীন সময়ে মহানায়ক উত্তম কুমারের ঠোঁটে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গান ছিল সমার্থক। তাঁদের এমনই বোঝাপড়া ছিলো কখনই বোঝা যেত না উত্তমকুমার হেমন্তর গানে লিপ দিচ্ছেন। এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ছাড়া অন্য কোনও শিল্পীর গাওয়া গানে মহানায়ক স্বচ্ছন্দ বোধও করতেন না, একথা তিনি অনেক সাক্ষাতকারে বলেছেন। সেই মহানায়কের লিপে এবার ভাবা হল অন্য শিল্পীর গান।বাংলা সিনেমায় মান্না দের প্রবেশ এবং তাও মহানায়ক উত্তম কুমারের লিপে গান সেটা বেশ আকর্ষণীয়। ১৯৬৬ তে উত্তম কুমার অভিনীত শঙ্খবেলার সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত যখন মান্না দে-কে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, তখন সকলেই প্রায় হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। মান্না দে হেঁসে বললেন এটা একটা বিপর্যয় ছিল। প্রযোজক ও পরিবেশক বলেছিলেন, অসম্ভব। এই গান হেমন্তকে দিয়েই করাতে হবে। পরিচালক অগ্রদূত ও সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত অনড় ছিলেন। অবশেষে সবাই নিমরাজি হয়ে সহমত হলেন। ছবিতে আরেক মহান শিল্পী কিন্নর কন্ঠী লতা মঙ্গেশকরও গান গেয়েছিলেন। সঙ্গীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত মুম্বাই গিয়ে দেখলেন সমস্ত রেকর্ডিং স্টূডিও ব্যস্ত। অনেক টালবাহানার পর সঙ্গীত পরিচালক নৌসাদজি কে অনুরোধ করে কোনওরকমে দিন ঠিক করলেন। মেহবুব স্টূডিওতে মাত্র একটা রিহার্সাল করে প্রথম টেকেই তৈরি হল ইতিহাস। আর কে না জানে কত বড় হিট গান তৈরি হল কে প্রথম কছে এসেছি...! মান্না দে-র কন্ঠের নিখুঁত রোম্যান্টিক ফ্লেবার বাঙ্গালি সিনেমা ও সঙ্গীত প্রেমিদের মোহিত করে দিল। এক অন্য অধ্যায় শুরু হল।সবাই শঙ্খবেলা সিনেমায় প্রথমবার উত্তমের মুখে মান্নার গলায় গানের কথা জানলেও,আসলে মহানায়কের মুখে মান্নার প্রথম গান ১৯৫৯ এ গলি থেকে রাজপথ সিনেমায়। যদিও শঙ্খবেলা আগে মুক্তি পাওয়ায় এটিকেই প্রথম গান বলে সবাই জানে।মান্না দের তাঁর একটি সাক্ষাতকারে একবার বলেছিলেন, আমার মনে আছে আমি যখন উত্তমের হয়ে প্রথম গান করি সেটি ছিল বাংলা সিনেমা গলি থেকে রাজপথ। ১৯৫৯ সালে সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত আমাকে লাগ লাগ ভেলকির খেলা গানটি করান। উত্তমের কণ্ঠস্বর হিসাবে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যে স্তরে পৌঁছেছিলেন আমি সে স্তরে পৌঁছতে পারব কিনা তা নিয়ে আমার যথেষ্ঠ সন্দেহ ছিল। সর্বোপরি তিনি ছিলেন উত্তম কুমারের ঘোস্ট ভয়েস। তবে আমি উত্তমবাবুর জন্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গির গানগুলি করার পরে উত্তম আমায় বলেছিলেন, আপনি এই গানগুলিতে আমার কণ্ঠস্বর যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন তা অন্য কোনও গায়কই দিতে পারেননি। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং আপনার মধ্যে কোনও তুলনা হতে পারে না, কারণ আপনারা দুজনেই নিজের মতো করেই দুর্দান্ত। উত্তমকুমার, সুধীন দাশগুপ্ত এবং মান্না দে, এই ত্রয়ীর বহু সিনেমার গান বাঙ্গালির মনে রেশ রয়ে গেছে, যেমন - কোখনো মেঘ (১৯৮৬; এক দুই তিন), মঞ্জরি অপেরা (১৯৭০ মরন তোমার হার), ছদ্মবেশী (১৯৭১ আমি কোন পথে যে চলি, বাঁচাও কে আছো মরেছি যে প্রেম করে), হার মানা হার (১৯৭২ এসেছি আলাদিন, এসেছি আমি এসেছি) এবং আরও অনেক কাল জয়ী গান।তাঁদের জুটিতে প্রথম রিলিজ হওয়া সিনেমা শঙ্খবেলা সুপারহিট হল। গানগুলি মানুষের মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। কিন্তু সিনেমা পাড়ায় বহু মানুষ মহানায়কের কানে কানে বলতে থাকলেন মান্না দেকে দিয়ে গান করালে আপনার ছবি আর হিট হবে না। পরের ছবিতে সুরকার অনিল বাগচি। আদ্যন্ত হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় ঘরানার সুরকার বাগচি, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিভিন্ন রাগ রাগিণীকে লঘু সঙ্গীতের উপযুক্ত করে ছোটো ছোটো গলার কাজ রেখে তৈরি করা তার সুর শুনে আপামর জনতা ধন্য ধন্য করে উঠল।এর মধ্যে একদিন সকালে মুম্বাইয়ে গান রেকর্ডিং-এর উদ্দেশ্যে মান্না দে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। দেখেন উল্টোদিকের রাস্তায় কানে হেডফোন লাগিয়ে একটা ওয়াকম্যান নিয়ে উত্তমকুমার প্রাতঃভ্রমন করছেন। মান্না দেকে দেখে উত্তম হেঁসে বলে উঠলেন এতে আপনার গানই বাজছে। গানগুলিতে যে ছোট ছোট কাজ লাগিয়েছেন গলায়, তাতে একেবারেই ফেঁসে গেছি, সারাদিন শুনে শুনে শুধু গেয়েই যাচ্ছি, কিন্তু কিছুতেই যেন ঠিকঠাক করতে পারছি না মান্না দে শুনে আবাক! পরে এক সাক্ষাতে বলেছিলেন একজন মানুষের ডেডিকেশন কোন উচ্চতায় থাকলে তবে একটা উত্তমকুমার হওয়া যায়। সেই আরব সাগরের তীরে প্রাতঃভ্রমন কালীন অভ্যাস করা গান বাংলা সিনামার এক যুগান্ত সৃষ্টি করল। ছবি, গান ও উত্তমের অভিনয় অবিস্মরণীয়। ছবিটি ছিল অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি। এরপরে বিমল কর পরিচালিত স্ত্রী সিনেমা-তে উত্তম ও সৌমিত্র দুই মহারথী অভিনয় করেছিলেন। মজার ব্যপার উত্তমের গলায় মান্না আর সৌমিত্রর লিপে হেমন্ত গান গেয়েছিলেন। উত্তমের লিপে মান্না দের গাওয়া ঝাড়বাতি র গৌরব বর্ণনা করে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা সাবার মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। উত্তম আর সৌমিত্রর পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা দুটি ছবিতেই সুরকার নচিকেতা ঘোষ এবং গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার। মজার ব্যাপার, গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার স্ত্রী সিনেমা-তে যে ঝাড়বাতির মহিমা বর্ণনা করে লিখলেন হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা - রাত কে যে দিন করেছে গাইলেন মান্না দে, পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা তে সেই গীতিকার লিখলেন ভালবাসার আগুল জ্বালাও - ওই ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও এই গানও গাইলেন সেই মান্না দে।গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার একবার শচীন দেব বর্মনের জন্য একটা গান লিখলেন, যেকোনও কারনেই সেই গান আর তাঁকে দিয়ে গাওয়ানো যায়নি। তিনি পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়কে গিয়ে বললেন সে কথা। গানটা দেখালেন। অরবিন্দবাবু তাঁকে বলেন, এই গান উত্তমের গলায় দারুন মানাবে, তিনি জানালেন ওই গান তাঁর ছবিতে ব্যবহার করবেন। গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার তাঁকে বললেন, গানে অনেক নাটকীয়তা আছে অভিনেতা এবং গায়ককেও গানের মধ্যে অভিনয় করতে হবে। অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় গৌরিপ্রসন্নকে জানালেন, এই গানের সুর করবে নচিকেতা ঘোষ আর গান গাইবে মান্না দে। ছবির নাম নিশিপদ্ম, গানটা না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না। বলাবাহুল্য ছবিতে উত্তম-মান্নার এক অনবদ্য যুগলবন্দী সাক্ষী থাকলো জনতা। এই ভাবেই শুরু হয়ে গেলো উত্তম-মান্নার জয়যাত্রা। যার আবেশে শুধু আপামর দর্শক নয় মজে ছিলেন শিল্পী, অভিনেতা, কলাকুশলী সকলে।মান্না দে এবং উত্তম কুমার জুটিতে ৫৪ টি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। তিনি অন্যান্য সংগীত পরিচালকদের জন্যও বহু গান গেয়েছিলেন এবং সে গানও সমান জনপ্রিয় ছিল। মান্না-উত্তম জুটির শ্রেষ্ঠ সিনেমাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি (অমি যে জলসাঘরে বা আমি যামিনী তুমি শশী হে), নিশিপদ্ম (১৯৭০, সংগীত পরিচালক নচিকেতা ঘোষ, না না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না বা যা খুশি ওরা বলে বলুক), আলো আমার আলো (১৯৭২, সংগীত: পবিত্র চ্যাটার্জী, এই এতো আলো, এতো আকাশ), মৌচাক (পাগলা গারদ কোথায় আছে), দেবদাস (১৯৭৯, সংগীত পরিচালক জগন্ময় মিত্র ও কালিপদ সেন, শাওন রাতে যদি)। মান্না দে এবং উত্তম কুমারের যুগলবন্দি আগামী ১০০ বছরেও পুরনো হবে না!

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের বৃষ্টিতে ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ

রাত থেকেই কোথাও কোথাও বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিল। শনিবার সকাল হওয়ার আগেই শুরু হয় দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টিপাত। বর্ষার বৃষ্টি নয়, শনিবার নিম্নচাপের জেরেই ভিজবে বাংলা।এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সকাল থেকেই মুখভার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশের। বৃষ্টি হয়ে চলেছে অবিরাম। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহে রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে, ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। যার জেরে শনিবার সারাদিন দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলায় বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটাই জানান হয়েছে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। নিম্নচাপ ছাড়াও মৌসুমী অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড, ওডিশা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আরও পড়ুনঃ ৪১ বছর পর নজির, একসঙ্গে ৫ জনের অভিষেক ভারতীয় দলেরাজ্যের সর্বত্র নিম্নচাপের প্রভাব না পড়লেও উপকূল এলাকাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ এবং মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া দাপটে আজ সারাদিনই বৃষ্টিতে ভিজবে শহর ও শহরতলি। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থাকায় রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের জেরে ২৬ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে। ২৬ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টিপাত হবে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।শনিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে, যা স্বাভাবিকে থেকে ২ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮%, ন্যূনতম ৮৫%।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Om Sahani : ওয়েব সিরিজে অভিষেক হচ্ছে ওম সাহানির, নাম নিশাচর

নতুন ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ডিজিপ্লেক্সের হাত ধরে প্রথম ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ হল অভিনেতা ওম সাহানির। ওয়েব সিরিজের নাম নিশাচর। যেটি একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বাংলা মেগার জনপ্রিয় অভিনেতা সুব্রত গুহ রায়। ওম ছাড়াও এই ওয়েবে অভিনয় করবেন উষসী রায়, তরঙ্গ সরকার, সন্দীপ ভট্টাচার্য প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ কত বেতন পান অনুষ্কার দেহরক্ষী?ডিজিপ্লেক্সের অফিসেই এই ওয়েব সিরিজের শুভ মহরৎ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। পরিচালক জানালেন এই ওয়েব সিরিজটি আপাতত ৬টি পর্বে ভাগ হবে। পরে মনে হলে পর্ব সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। উষসী রায় জানালেন তার চরিত্রে অনেক শেডস রয়েছে। শুটিং এর আগে কিছু ওয়ার্কশপ হবে বলে তিনি জানালেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীটাকি টেলস-এর পর এটা তার দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ। অভিনেতা তরঙ্গ সরকার জানালেন,ভালো কাজ করতে গেলে তো একটা উত্তেজনা থাকে। সেটাই রয়েছে। ভালো করার চেষ্টা করছি। সন্দীপ ভট্টাচার্য জানালেন,চরিত্রের নাম কোকো। খুব অদ্ভুত রকমের একটা চরিত্রে আমি কাজ করতে চলেছি। বাচ্চুদা আমাকে যখন গল্পটা শুনিয়েছিল অনবদ্য একটা গল্প। আমার চরিত্রটা নিয়ে বেশি কিছু বলব না। এই চরিত্রটা থেকেই ছবিটা শুরু হচ্ছে। এই চরিত্রটার পেছনেই পুরো তদন্ত চলছে। অনেক কিছু হচ্ছে। বাকীটা আর বলবো না। তাহলে দর্শকরা কৌতুহল হারিয়ে ফেলবে।আগামী মাসে শুরু হবে এই ওয়েবের শুটিং। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং হবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal: ইস্টবেঙ্গলের বিতর্ক মেটাতে আসরে নামল এফএসডিএল

বিতর্ক, বিক্ষোভ, বিশৃঙ্খলা। গত কয়েক মাস ধরে এই ছবিটাই দেখা গেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট এবং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের টানাপোড়েন অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে। ২১ জুলাই ক্লাবের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের হাতাহাতিতে কদর্য রূপ নিয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন না করলে সই করা হবে না। জেদ ধরে বসে রয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। অন্যদিকে, লগ্নিকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে আইএসএলে দল নামবে না। দুই পক্ষের বিতর্ক মেটাতে অবশেষে আসরে নামল আইএসএলের আয়োজক সংস্থা এফএসডিএল। শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের কাছ থেকে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের কপি চেয়ে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারীইস্টবেঙ্গল কর্তারা বরাবরই দাবি করে আসছেন, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের অনেক পার্থক্য রয়েছে। অন্যদিকে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে মূল চুক্তিপত্রের কোনও পার্থক্য নেই। কোন পক্ষ সঠিক কথা বলছে, তা খতিয়ে দেখবে এফএসডিএল কর্তারা। তাঁরা আশাবাদী দশ দিনের মধ্যেই পুরো জট কেটে যাবে। তবে কোন শর্ত বাদ দিলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চুক্তিপত্রে সই করবেন, সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না এফএসডিএল কর্তারা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?এফএসডিএল নিজেদের আইনজীবী দিয়ে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পরীক্ষা করাবেন। তারপর শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে বসে সমাধানসূত্র বার করবে। দিন দশেকের মধ্যেই বিষয়টি মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন। ওই ফেডারেশন কর্তা আশ্বাস দিয়েছেন, এই মরশুমেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেলবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?২১ জুলাই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে যে ঘটনা ঘটেছে মেনে নিতে পারছেন না ফেডারেশন ও এফএসডিএল কর্তারা। অন্য ক্লাবের সদস্য-সমর্থকরাও ইস্টবেঙ্গলের নিগৃহীত সমর্থকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। ফেডারেশন এবং এফএসডিএল কর্তারাও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। এএফসি-র কাছেও লালহলুদ সমর্থকদের নিগ্রহের খবর পৌঁছে গেছে। তারাও বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি। এএফসি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জ, গ্রেপ্তার ৪

অনেক ইতিহাসের সাক্ষী কলকাতা ময়দানের লেসলি ক্লদিয়াস সরণি। অনেক লালহলুদ সমর্থকের চোখের জলে সিক্ত এই রাস্তা। আনন্দাশ্রুও কম নেই। ২১ জুলাই অন্য ঘটনার সাক্ষী থাকল এই লেসলি ক্লদিয়াস সরণি। ইস্টবেঙ্গলের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের হাতাহাতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের লাঠিচার্জ। গ্রেপ্তার বেশ কয়েকজন সমর্থক। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহনা করছেন ক্লাব কর্তারা। অন্যদিকে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে সামনের মরশুমের জন্য দল গঠন করবেন না। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করার দাবি জানিয়ে এতদিন সামাজিক মাধ্যমে সোচ্চার ছিলেন সমর্থকরা। এবার তাঁরা সরাসরি পথে নেমে পড়ল। একদল সমর্থক আগেই জানিয়েছিল ২১ জুলাই ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ দেখাবেন। সেই মতো বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা ১ টার আগে থেকেই লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে হাজির হন। শাসক গোষ্ঠীর সদস্যরাও হাজির হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে আগেই লালবাজারে বিক্ষোভের কথা জানানো হয়েছিল। তাই লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি সত্ত্বেও দুই পক্ষের হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে লালবাজার থেকে আরও পুলিশ বাহিনী হাজির হয়। বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। লাঠিচার্জ করার আগে, পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকে বিক্ষোভকারীদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। বিক্ষোভকারীরা না সরায় পুলিশ লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়। ৪ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। কলকাতা পুলিশের ডিসি (সাউথ) আকাশ মাঘারিয়া বলেন,আড়াই ঘন্টা ধরে লেসলি ক্লডিয়াস সরণির মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরোধ করে রেখেছিল। বারবার বলা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা সরে যায়নি। বাধ্য হয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ক্লাবের বিরোধী গোষ্ঠীর সমর্থকরা নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাবের সামনে দেবব্রত সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। শাসক গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রতিবাদ জানতেই ঝামেলা শুরু হয়েছিল। বিরোধী গোষ্ঠীর কর্তাদের দাবি, শাসক গোষ্ঠীর সদস্যদের চিহ্নিত করতে নীলসাদা রিবন পরানো হয়েছিল। পুলিশ মোতায়েন থাকায় বড় কোনও অশান্তি হয়নি। তবে কয়েকজন সমর্থক জখম হয়েছেন।

জুলাই ২১, ২০২১
রাজ্য

Court Order: আদালতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নয়

উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে বিশেষ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইন্টারভিউ চললেও আদলতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগ নয়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া যাবে না। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ওই নির্দেশে ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, ইন্টারভিউ লিস্ট অনুযায়ী ইন্টারভউ নিতে হবে। চাকরি প্রার্থীদের অরিজিনাল মার্কশিট আদালতে দিতে হবে। অভিযোগকারী প্রার্থীদের তথ্য ভান্ডার গড়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখবে হাইকোর্ট। তারপর নিয়োগ নিয়ে অনুমতি দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশএদিকে ১৯ জুলাই থেকে উচ্চ প্রাথমিকে ইন্টারভিউ নেওয়া শুরু হয়েছে। চলবে ৪ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার।

জুলাই ২০, ২০২১
শিক্ষা

Madhyamik Result 2021: মাধ্যমিকে নজিরবিহীন ফল, পাশ ১০০ শতাংশ, ৬৯৭ নম্বর পেল ৭৯ জন

Madhyamik Exam 2021: মাধ্যমিকে পাশের হার এবার অতীতের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেল। করোনা আবহে ১০০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রীকেই পাশ ঘোষণা করেছে মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ। তবে এবার কোনও মেধাতালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না। মঙ্গলবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে ২০২১ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা করেন। পর্ষদের ৪৯টি ক্যাম্প থেকে মার্কশিট, অ্যাডমিট কার্ড এবং সার্টিফিকেট বিতরণ হবে। ৭৯ জন পরীক্ষার্থীর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৭।এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১০ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭৫০ জন। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যাও ছিল বেশি। মাধ্যমিকের ফলাফলের ভিত্তি ছিল নবম শ্রেণির ফল ও দশম শ্রেণির ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট। দুই পরীক্ষা থেকেই ৫০ শতাংশ নম্বর নেওয়া হয়েছে। এদিনই করোনাবিধি মেনে স্কুলগুলি থেকে মাধ্যমিকের মার্কশিটের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা।ফল জানা যাবে নীচের ওয়েবসাইটগুলি থেকেঃ-www.wbbse.wb.gov.inhttps://wbresults.nic.inwww.exametc.comMadhyamik Result 2021- এই অ্যাপ ডাউনলোড করেও জানা যাবে পরীক্ষার ফল।করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা না হওয়ায় বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে এবারের মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হল। এবার পাশ করেছে সকলেই অর্থাৎ নজিরবিহীন ভাবেই এবার পাশের হার ১০০ শতাংশ। বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবে ছাত্রছাত্রীরা। মাধ্যমিকে পাশের হার গতবছর ছিল ৮৬.৩৪ শতাংশ।

জুলাই ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Manoj Tiwary : মন্ত্রী মনোজকে রেখেই ঘোষিত হল বাংলার প্রাথমিক দল

রাজনীতিতে যোগদান করার পরেও তিনি জানিয়েছিলেন ক্রিকেট মাঠ থেকে এখনই সরছেন না। ভোটে নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হয়েছেন। দায়িত্ব আরও বেড়েছে। তবুও ক্রিকেট মাঠকে এখনই বিদায় জানাচ্ছেন না মনোজ তেওয়ারি। সামনের মরশুমেও বাংলার হয়ে খেলতে চান। সেকথা সিএবি কর্তাদের আগেই জানিয়েছিলেন। তাই মন্ত্রী মনোজকে রেখেই সামনের মরশুমের জন্য ৩৯ জনের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে সিএবি।আরও পড়ুনঃ দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?২৩ জুলাই থেকে শুরু হবে বাংলার ফিটনেস ক্যাম্প। এই ফটনেস ক্যাম্পে যে ৩৯ ক্রিকেটারকে ডাকা হয়েছে, তাঁরা হলেন: অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ ঘরামি, অভিষেক রমন, অভিষেক দাস, বিবেক সিং, অঙ্কুর পাল, অনুষ্টুপ মজুমদার, মনোজ তিওয়ারি, কাজি জুনেইদ সইফি, সুদীপ চ্যাটার্জি, কাইফ আহমেদ, ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরি, রনজ্যোৎ সিং খৈরা, সুমন্ত গুপ্ত, ঋদ্ধিমান সাহা, অগ্নিভ পান, শুভঙ্কর বল, অভিষেক পোড়েল, শ্রীবৎস গোস্বামী, শাহবাজ আহমেদ, করণলাল, ঋত্বিক চ্যাটার্জি, প্রভাত মৌর্য্য, অর্নব নন্দী, মহম্মদ হামিদ, ঈশান পোড়েল, আকাশ দীপ, মুকেশ কুমার, গীত পুরি, মহম্মদ কাইফ, গোলাম মোস্তফা, দেবপ্রতিম হালদার, সায়ন ঘোষ, সৌম্যদীপ মন্ডল, প্রদীপ্ত প্রামানিক, সুজিত কুমার যাদব, প্রয়াস রায় বর্মন, শ্রেয়ান চক্রবর্তী, অঙ্কিত মিশ্র।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংপ্রথম দিন থেকেই ফিটনেস ক্যাম্পে ক্রিকেটারদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ক্রিকেটারদের ফিটনেস দেখে তারপর বাংলার সম্ভাব্য দল বেছে নেওয়া হবে। ফিটনেসের মাপকাঠিও বেধে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট মানে পৌঁছলে তবেই ক্রিকেটাররা দলে জায়গা পাবেন। ২৩ জুলাই থেকে ক্রিকেটারদের ফিটনেস ক্যাম্পে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হলেও জাতীয় দলে থাকা ক্রিকেটারদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। ঈশান পোড়েল জুলাই মাসের শেষে শ্রীলঙ্কা সফর থেকে ফিরবেন। দেশে ফিরে ক্যাম্পে যোগ দেবেন। তবে ঋদ্ধিমান সাহা ও মহম্মদ সামি ক্যাম্পে যোগ দিতে পারবেন না। সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে এই দুই ক্রিকেটার আইপিএল খেলতে চলে যাবেন। ঈশান পোড়েলও আইপিএল খেলতে চলে যাবেন। তবে ইংল্যান্ড থেকে ফিরে অভিমন্যু ঈশ্বরণ ক্যাম্পে যোগ দেবেন।

জুলাই ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Priyanka: প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে 'মন-খারাপ' শেয়ার করবেন পাভেল!

অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য বাবলির সঙ্গে মন-খারাপ শেয়ার করবেন পাভেল। ব্যাপারটা শুনতে কেমন একটা লাগছে। কিন্তু এটাই হতে চলছে। কারণ পাভেলের আগামী ছবি মন-খারাপ-র একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে প্রিয়াঙ্কা কে। আগামী ২৩ জুলাই থেকে শুটিং শুরু করবেন প্রিয়াঙ্কা। কাজটা চলবে আগস্টের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত। তার মধ্যে পুরুলিয়াতে আউটডোরও রয়েছে। এই ছবিতা প্রায় ১১টি ভিন্ন চরিত্রে রয়েছে প্রিয়াঙ্কা।সোশ্যাল মিডিয়াতে পাভেলের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন প্রিয়াঙ্কা। ক্যাপশনে লিখেছেন,আমি জানিনা কীভাবে তোমাকে ধন্যবাদ জানাবো, কিন্তু এটা বলতে পারে এই প্রোজেক্টের জন্য নিজের সেরাটা দেব।এই ছবিতে একজন সাইকোলজিস্টের চরিত্রে দেখা যাবে অঙ্কুশকে। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে রয়েছে কৌশিক সেন, ঋদ্ধি সেন, অপরাজিতা আঢ্য, অবন্তিকা সহ আরও অনেকেই।

জুলাই ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • ...
  • 59
  • 60
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal